Tag: lok sabha

lok sabha

  • Lok Sabha Election 2024: “গণতন্ত্রের জন্য আকাশ পথে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে”, কপ্টারে ভোটকর্মীদের পাঠিয়ে বলল কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: “গণতন্ত্রের জন্য আকাশ পথে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে”, কপ্টারে ভোটকর্মীদের পাঠিয়ে বলল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণতন্ত্রের উৎসবে (Lok Sabha Election 2024) যাতে সবাই শামিল হতে পারেন, তাই হেলিকপ্টারে করে ভোট কর্মীদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বুথে। এ ছবি ঝাড়খণ্ডের মাও অধ্যুষিত সিংভূমের। ঝাড়খণ্ডে নির্বাচন ১৩ মে, সোমবার। এমতাবস্থায় ভোটকর্মীদের বুথে পাঠানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। কোথাও ট্রেনে করে, কোথাও আবার হেলিকপ্টারে করে ভোটকর্মীদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বুথে।

    বিশেষ ব্যবস্থা (Lok Sabha Election 2024)

    পশ্চিম সিংভূমের ডেপুটি কমিশনার কুলদীপ চৌধুরী বলেন, “শনিবার চক্রধরপুর থেকে রৌরকেল্লায় একটি বিশেষ ট্রেনে করে মোট ৯৫টি পোলিং টিমকে পাঠানো হয়েছিল। মনোহরপুর, জারাইকেলা এবং পোসাইতা স্টেশনে পৌঁছে তাঁরা গাড়ি ধরবেন এবং পায়ে হেঁটে নির্দিষ্ট বুথে পৌঁছবেন।” তিনি জানান, ৭৮টি পোলিং পার্টিকে পাঠানো হয়েছে হেলিকপ্টারে করে। কুলদীপ বলেন, “মাও-অধ্যুষিত এলাকায় তাঁদের পৌঁছে দিতে তিনটি চপারও কাজে লাগানো হয়েছে। মনোহরপুর ও জগন্নাথপুরের প্রত্যন্ত এলাকায় এভাবেই পৌঁছে দেওয়া হয়েছে পোলিং স্টাফদের।” তিনি (Lok Sabha Election 2024) বলেন, “অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন করতে আমরা ইভিএমগুলির ওপর লাইভ ট্র্যাকিং করছি। জিপিএস-যুক্ত যানবাহনের মাধ্যমে পোলিং পার্টিদের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি।” তিনি জানান, পর্যাপ্ত পরিমাণ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই চক্রধরপুরে পৌঁছে গিয়েছেন বিএসএফ এবং সিএপিএফের জওয়ানরা।

    কী বলছে কমিশন?

    এদিকে, এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে নির্বাচন কমিশনের তরফে একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, পোলিং পার্টি ও ভোটের সরঞ্জাম পাঠানো হচ্ছে ট্রেনে করে। লেখা হয়েছে, “আমরা প্রস্তুত! আপনিও কি প্রস্তুত। ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভূমের পোলিং পার্টিকে তাদের গন্তব্যে পৌঁছানো হচ্ছে বিশেষ ট্রেনে করে। গণতন্ত্রের জন্য আকাশপথেও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পোলিং পার্টিরা ঝাড়খণ্ডের প্রত্যন্ত এলাকায় পৌঁছচ্ছেন। প্রতিটি ভোট যাতে বাক্সে পড়ে, তাই এই ব্যবস্থা। নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, একজন ভোটারও যাতে বাদ না পড়েন, সেজন্য আমরা দায়বদ্ধ। আমরা এমন অনেক জায়গা চিহ্নিত করেছি, যেসব জায়গায় এবারই প্রথম ভোট হচ্ছে। কোথাও আবার ভোট হচ্ছে দু’দশক পরে। কারণ এই সব এলাকায় এক (Lok Sabha Election 2024) সময় দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল মাওবাদীরা।”

    আরও পড়ুুন: “পঁচাত্তরের পরেও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন মোদিই”, জনসভায় দাবি শাহের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন চলছে, জানুন আগের গুলো সম্পর্কে  

    Lok Sabha Election 2024: অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন চলছে, জানুন আগের গুলো সম্পর্কে  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলছে অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন। কেমন ছিল আগের সতরোটি সাধারণ নির্বাচন, বদলই বা হয়েছে কেমন, আসুন জেনে নেওয়া যাক (Lok Sabha Election 2024)।

    প্রথম লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024)

    দেশ স্বাধীনতা লাভ করে ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট। তারপর প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৫২ সালে। মোট আসন ছিল ৪৯৯টি। নির্বাচন হয়েছিল ৬৮ দফায়। নির্বাচন শুরু হয়েছিল ১৯৫১ সালের ২৫ অক্টোবর। শেষ হয়েছিল পরের বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি। প্রথম ভোট পড়েছিল হিমাচল প্রদেশের ছিন্নি ও পাঙ্গি তহশিলে। সেবার কংগ্রেস পেয়েছিল ৩৬৪টি আসন। সিপিআই জিতেছিল ১৬টি কেন্দ্রে। সোশ্যালিস্ট পার্টি জিতেছিল ১২টি আসনে। বিআর অম্বেডকরের দল শিডিউল কাস্ট ফেডারেশন পেয়েছিল ২টি আসন। হেরে গিয়েছিলেন অম্বেডকর স্বয়ং। সংসদের প্রথম স্পিকার ছিলেন গণেশ বসুদেব মাভালঙ্কার।

    দ্বিতীয় লোকসভা নির্বাচন

    দ্বিতীয় লোকসভা নির্বাচন হয়েছিল ১৯৫৭ সালে। আসন সংখ্যা ৫০৫। এবারও ক্ষমতায় আসে জাতীয় কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রী হন জওহরলাল নেহরু। ৪৯৪টি আসনে প্রার্থী দিয়ে নেহরুর দল জিতেছিল ৩৭১টিতে। সিপিআই জিতেছিল ২৭টিতে। প্রজা সোশ্যালিস্ট পার্টি জিতেছিল ১৯টি আসন। এবারের সাধারণ নির্বাচনে লড়াইয়ের ময়দানে ছিল ৪টি জাতীয় পার্টি, ১১টি রাজ্য পার্টি। ২২ জন মহিলাও জিতেছিলেন। এর সিংহভাগই মধ্যপ্রদেশ থেকে (Lok Sabha Election 2024)।

    তৃতীয় লোকসভা

    তৃতীয় সাধারণ নির্বাচনে আসন বেড়ে হয় ৫০৮টি। কংগ্রেস জয়ী হয় ৪৪.৭২ শতাংশ ভোট পেয়ে। সিপিআই পায় ৯.৯৪ শতাংশ ভোট। প্রথমবার নির্বাচনে লড়ে স্বতন্ত্র পার্টি পায় ৭.৮৯ শতাংশ ভোট। এবারও সরকার গড়ে কংগ্রেস। সরকার জড়িয়ে পড়ে চিন এবং পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধে। নেহরু প্রধানমন্ত্রী ছিলেন স্বাধীনতার দিন থেকে ১৯৬৪ সালের ২৭ মে। এই সময় দুজন অ্যাক্টিং প্রাইম মিনিস্টার হন, একজন গুলজারিলাল নন্দ এবং অন্যজন লালবাহাদুর শাস্ত্রী। ১৯৬৪ সালের ১১ জানুয়ারির পর প্রধানমন্ত্রিত্বের রশি চলে যায় ইন্দিরা গান্ধীর হাতে। এই ভোটেই প্রথম সহজে মোছা যায় না এমন কালি ব্যবহার করা হয়।

    চতুর্থ লোকসভা নির্বাচন

    এই সময় লোকসভার আসন বেড়ে হয় ৫২৩টি। আবারও জেতে কংগ্রেস। ইন্দিরা হন দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী। এই সময় কংগ্রেসের অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে। কংগ্রেস দাবি করে সংসদের তারাই সংখ্যা গরিষ্ঠ। আর স্বতন্ত্র পার্টি এবং ভারতীয় জনসংঘের আসন সংখ্যা যথাক্রমে ৪৪ এবং ৩৫টি। কংগ্রেস, ডিএমকে এবং বিজেএস এস-এসটি আসনে ভালো ফল করে।

    কংগ্রেসে ভাঙন

    অন্তর্দ্বন্দ্বের জেরে ১৯৬৯ সালে ভাঙন ধরে কংগ্রেসে। ইন্দিরাকে দল থেকে বের করে দেওয়া হয়। নয়া দল গড়েন ইন্দিরা নাম হয় কংগ্রেস (আর), মাদার কংগ্রেসের নাম হয় ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (ও)। কামরাজ, মোরারজি দেশাই, নিজলিঙ্গাপ্পা এবং এসকে পাতিল মাদার কংগ্রেসের নেতা।

    পঞ্চম লোকসভা নির্বাচন

    ১৯৭১ সালের এই নির্বাচনে মোট আসন ৫২১টি। ‘গরিবি হঠাও’ স্লোগান দেন ইন্দিরা। এই সময় স্বাধীন বাংলাদেশ আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৭৭ সালের ২৫ জুন দেশে জরুরি অবস্থা জারি করে ইন্দিরা সরকার। ইন্দিরার নেতৃত্বে কংগ্রেস জেতে ৩৫২টি আসনে। সিপিআই জিতেছিল ২৫টি আসনে। ২৩টি আসনে জেতে ডিএমকে।

    আরও পড়ুুন: বাংলায় বিজেপির ক্লিন স্যুইপ, ভোটের ফল নিয়ে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    ষষ্ঠ লোকসভা নির্বাচন

    এই সাধারণ নির্বাচনে আসন সংখ্যা ছিল ৫৪৪টি। মোরাজজি দেশাইয়ের নেতৃত্বে দেশে প্রথম অ-কংগ্রেসি সরকার গঠিত হয়। এই নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয় কংগ্রেস। ২৯৫টি আসন পায় ভারতীয় লোকদল।

    সপ্তম লোকসভা নির্বাচন

    নির্বাচন হয় ১৯৮০ সালে। আসন সংখ্যা ৫৩১। ৩৫৩টি আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসে কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রী হন ইন্দিরা। পাঞ্জাবে মাথাচাড়া দেয় বিচ্ছিন্নতাবাদ। আন্দোলন দমনে অপারেশন ‘ব্লু-স্টার’ করে ইন্দিরা সরকার। ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর শিখ দেহরক্ষীর গুলিতে নিহত হন ইন্দিরা।

    অষ্টম লোকসভা নির্বাচন

    ভোট হয় ১৯৮৪ সালে। আসন সংখ্যা ৫১৬। প্রধানমন্ত্রী হন ইন্দিরা-তনয় রাজীব। শিখ বিরোধী দাঙ্গা শুরু হয়। প্রকাশ্যে আসে বোফর্স কেলেঙ্কারি। এই সময় রাজনীতির ময়দানে আত্মপ্রকাশ করে বিজেপি।

    নবম লোকসভা নির্বাচন

    ১৯৮৯ সালে হয় নবম লোকসভা নির্বাচন। আসন ছিল ৫৩১টি। কেন্দ্রে আসে কোয়ালিশন সরকার। প্রধানমন্ত্রী হন জনতা দলের ভিপি সিং। মণ্ডল ও মন্দির রাজনীতি নিয়ে উত্তাল হয়ে ওঠে দেশ।

    দশম লোকসভা নির্বাচন।

    ১৯৯১ সালের দশম লোকসভা নির্বাচনে আসন ছিল ৫০৮টি। প্রধানমন্ত্রী হন কংগ্রেসের নরসিমা রাও। সরকার গ্রহণ করে মুক্ত অর্থনীতি। বাবরি মসজিদ ধ্বংস হয়। মণ্ডল কমিশনের রিপোর্টের জেরে শুরু হয় হিংসা।

    একাদশতম লোকসভা নির্বাচন

    ভোট হয় ১৯৯৬ সালে (Lok Sabha Election 2024)। আসন সংখ্যা ৫৪৫টি। জনতা দলের নেতৃত্বে গঠিত হয় ইউনাইটেড ফ্রন্ট সরকার। এই নির্বাচনে বিজেপি জয়ী হয় ১৬১টি আসনে।

    দ্বাদশতম লোকসভা নির্বাচন

    নির্বাচন হয় ১৯৯৮ সালে। আসন সংখ্যা ৫৪৫টি। অটল বিহারি বাজপেয়ীর নেতৃত্বে সরকার গড়ে বিজেপি। সরকার টিকেছিল ১৩ মাস।

    ত্রয়োদশতম লোকসভা নির্বাচন

    নির্বাচন হয় ১৯৯৯ সালে। আসন সংখ্যা ৫৪৫টি। নির্বাচন হয় পাঁচ দফায়। ক্ষমতায় আসে বিজেপি। এই সময়ই হয় কার্গিল যুদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা, সোনালি চতুর্ভুজ প্রকল্প এবং পোটা আইন হয় এই সময়।

    চতুর্দশ লোকসভা নির্বাচন

    নির্বাচন হয় ২০০৪ সালে। আসন সংখ্যা ৫৪৫টি। কংগ্রেসের মনমোহন সিংয়ের নেতৃত্বে গঠিত হয় সরকার। আরটিআই, এনআরএজিএস চালু হয় এই সময়। ইন্দো-ইউএস সিভিল নিউক্লিয়ার ডিলও হয়। এবারই প্রথম ভোট গ্রহণ হয় ইভিএমে।

    পঞ্চদশ লোকসভা নির্বাচন

    ২০০৯ সালে হয় পঞ্চদশ লোকসভা নির্বাচন। সরকার গড়ে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ। লোকসভার স্পিকার হন মীরা কুমার।

    ষোড়শ লোকসভা নির্বাচন

    ভোট হয় ২০১৪ সালে। ‘আচ্ছে দিনে’র স্লোগান দিয়ে ক্ষমতায় আসে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। প্রধানমন্ত্রী হন নরেন্দ্র মোদি। জিএসটি, ডিমানিটাইজেশন, ডিজিটাল ইন্ডিয়া, স্বচ্ছ ভারত অভিযান চালু হয়। প্রথমবারের মতো নোটা চালু হয়।

    সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচন

    নির্বাচন হয় উনিশে। ৩৫০টি আসনে জিতে ফের মোদির নেতৃত্বে ক্ষমতায় আসে এনডিএ। নির্বাচন হয় ৫৪৩টি আসনে। সরকার সফলভাবে মোকাবিলা করে কোভিডের। লাগু হয় সিএএ। জম্মু-কাশ্মীর থেকে রদ করা হয় ৩৭০ ধারা। এবারই প্রথম ইভিএমের সঙ্গে যুক্ত হয় ভিভিপ্যাট। ২০২৪ সালের ১৯ এপ্রিল শুরু হয়েছে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন। নির্বাচন হবে সাত দফায় (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Radhika Khera: “ভারত জোড়ো ন্যায়যাত্রায় আমায় অফার করা হয়েছিল মদ”, তোপ কংগ্রেসত্যাগী নেত্রীর

    Radhika Khera: “ভারত জোড়ো ন্যায়যাত্রায় আমায় অফার করা হয়েছিল মদ”, তোপ কংগ্রেসত্যাগী নেত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারই কংগ্রেস ছেড়েছিলেন এআইসিসির মুখপাত্র রাধিকা খেরা (Radhika Khera)। সোমবারই তোপ দাগলেন পুরনো দলের বিরুদ্ধে। দলের হিন্দু বিরোধী আদর্শ অনুসরণ না করায় দলীয় নেতৃত্ব তাঁকে ধমক দিয়েছেন বলেও অভিযোগ রাধিকার। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে যে ‘ভারত জোড়ো ন্যায়যাত্রা’ হয়েছিল, সেই যাত্রায় শামিল হয়েছিলেন রাধিকাও। সেই সময় তাঁকে মদ্যপান করতে বলা হয়েছিল।

    রাধিকার অভিযোগ (Radhika Khera)

    সদ্য কংগ্রেস-ত্যাগী রাধিকা বলেন, “রাহুল গান্ধীর ‘ভারত জোড়ো ন্যায়যাত্রা’র সময় ছত্তিশগড় কংগ্রেসের মিডিয়া চেয়ারম্যান সুশীল আনন্দ সুখা আমায় মদ অফার করেছিলেন। সেই সময় তিনি এবং দলের পাঁচ-ছ’জন মদ্যপ অবস্থায় আমার ঘরের দরজায় করাঘাত করেছিলেন। আমি বিষয়টি শচিন পাইলট এবং জয়রাম রমেশকে জানিয়েছিলাম। কিন্তু কিছুই হয়নি।” তাঁর (Radhika Khera) দাবি, কংগ্রেসের হিন্দুত্ব-বিরোধী আদর্শ অনুসরণ করতে অস্বীকার করেছিলেন তিনি।

    ‘আমায় ঘরবন্দি করে রাখা হয়েছিল’

    রাধিকা বলেন, “৩০ তারিখ সন্ধ্যায় আমি কংগ্রেসের রাজ্য অফিসে সুশীলের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলাম। আমায় দেখেই গালাগালি দিতে শুরু করেন তিনি। চড়া গলায় কথা বলতে থাকেন। তাঁর সাঙ্গোপাঙ্গরা আমায় ঘরবন্দি করে ফেলেন। তিনি এবং তাঁর দুই রাজ্য মুখপাত্র আমায় গালাগালি দিতে থাকেন। আমি আর্ত চিৎকার করি। কিন্তু কেউই দরজা খোলেননি। উল্টে আমায় মারধর করা হয়। আমি কংগ্রেসের মহামন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানাই। কিন্তু কেউই আমার অভিযোগকে পাত্তা দেননি।”

    আরও পড়ুুন: ভোটের মধ্যেই ‘ভাইপো’কে দলীয় উত্তরসূরীর পদ থেকে সরালেন ‘পিসি’!

    গত ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দিরে বিগ্রহের প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন রাধিকা। বলেন, “কংগ্রেসের গায়ে যে হিন্দুত্ব-বিরোধী তকমা সেঁটে দেওয়া হয়েছিল, তা আমি কখনওই বিশ্বাস করতাম না। তবে সেদিন(২২ জানুয়ারি) সত্যটা প্রকাশ্যে আসে।” তিনি বলেন, “আমি সব সময় শুনতাম যে কংগ্রেস রামের বিরোধী, সনাতন ধর্ম বিরোধী এবং হিন্দু বিরোধী। কিন্তু আমি কখনও এটা বিশ্বাস করতাম না। কারণ মহাত্মা গান্ধী প্রত্যেকটা বৈঠক শুরুর আগে গাইতেন ‘রঘুপতি রাঘব রাজা রাম’। ঠাকুমার সঙ্গে রাম মন্দির উদ্বোধনের অনুষ্ঠান দেখে ফেরার পর আমি কংগ্রেসের আসল চেহারাটা দেখতে পাই। আমি কেন অযোধ্যায় গিয়েছিলাম, জিজ্ঞাসা করা হয়। আমায় ধমকও দেওয়া হয় (Radhika Khera)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mayawati: ভোটের মধ্যেই ‘ভাইপো’কে দলীয় উত্তরসূরীর পদ থেকে সরালেন ‘পিসি’!

    Mayawati: ভোটের মধ্যেই ‘ভাইপো’কে দলীয় উত্তরসূরীর পদ থেকে সরালেন ‘পিসি’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার উলটপুরাণ উত্তরপ্রদেশে! এ রাজ্যে অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও ‘ভাইপো’কে উত্তরসূরি বানিয়ে ফেলেছেন ‘পিসিমণি’! যার জেরে তৃণমূল স্তর থেকে রাজনীতি করে আসা পোড়খাওয়া অনেক রাজনীতিকই দলের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে ঘাসফুল শিবির ছেড়েছেন। কংগ্রেসের ডিএনএ থেকে জন্ম নেওয়া তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধেও উঠেছে ‘পরিবারতন্ত্রে’র অভিযোগ। বাংলার এই ছবিরই উল্টো চিত্র দেখা গেল উত্তরপ্রদেশে, মায়াবতীর (Mayawati) বহুজন সমাজবাদী পার্টিতে। সেখানেও অবশ্য পরিবারতন্ত্রই বহাল, তবে ভিন্ন রূপে।

    ভাইপোকে সরালেন মায়াবতী (Mayawati)

    ফেরা যাক খবরে। মঙ্গলবার বিএসপি সুপ্রিমো সাফ জানিয়েছেন, রাজনৈতিকভাবে পরিপক্ক না পর্যন্ত তিনি তাঁর উত্তরসূরি ও দলের জাতীয় সমন্বয়কারীর পদ থেকে ভাইপো আকাশ আনন্দকে সরিয়ে দিয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলে উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী লিখেছেন, “আকাশ আনন্দকে বিএসপির জাতীয় সমন্বয়কারী হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছিল এবং এই আন্দোলনকে গতি দেওয়ার জন্য তাঁকে তাঁর উত্তরসূরি ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু দল ও আন্দোলনের বৃহত্তর স্বার্থে পূর্ণ পরিপক্কতা অর্জন না করা পর্যন্ত তাঁকে এই গুরুত্বপূর্ণ দুটি দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।” তিনি (Mayawati) বলেন, “তাঁর ভাই এবং আকাশের বাবা আনন্দ কুমার আগের মতোই তাঁর দায়িত্ব পালন করে যাবেন।”

    আকাশের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার পরে দলীয় সংগঠন ঢেলে সাজান মায়াবতী। সেই সময় আকাশকে বিএসপির জাতীয় সমন্বয়কারী ঘোষণা করা হয়। গত ডিসেম্বরে লখনউয়ে দলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মায়াবতীর উত্তরসূরি হিসেবে আকাশের নামও ঘোষণা করা হয়। যে রাজ্যগুলিতে সংগঠন দুর্বল ছিল সেখানে দলীয় কাজকর্ম পরিচালনার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল আকাশকে। অথচ বছর ঊনত্রিশের আকাশের রাজনীতিতে অভিজ্ঞতা বছর সাতেকের। এর আগে দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন তিনি। ২০১৭ সালে লন্ডনে পড়াশোনার পাট চুকিয়ে ভারতে ফিরেছিলেন আকাশ। তার পর থেকেই পিসিমণির দলের নেতা হয়ে উঠতে থাকেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুইজ্জুর দল, তবুও ভারত-নির্ভর থাকতে হবে মলদ্বীপকে
    ঠিক যেমন বাংলায়। তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণ এবং এমবিএ পাশ করার পর কিছুদিন চাকরিও করেন। পরে ঢুকে পড়েন ‘পারিবারিক’ দলে। দ্রুত হয়ে ওঠেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। অভিষেক বেশি বয়সে রাজনীতিতে যোগ দিলেও, তাঁর পিসি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (যাঁকে তিনি দিদি বলে ডাকেন) অবশ্য দাবি করেন, “অভিষেক দু’বছর বয়স থেকে রাজনীতি করে। আমায় যখন সিপিএম মেরেছিল, তখন বাড়িতে একা একা ঝান্ডা হাতে মিছিল করত, দিদিকে মারলে কেন সিপিএম জবাব দাও বলত।” রাজনৈতিক মহলের মতে, দলে যাতে তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে অভিষেকের ‘অভিষেক’ নিয়ে কোনও প্রশ্ন না ওঠে, তাই আগাম গাওনা গেয়ে রেখেছিলেন (Mayawati) তৃণমূল নেত্রী।

    সত্য সেলুকস, কি বিচিত্র এই …!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Elections 2024: নির্বিঘ্নেই সাঙ্গ তৃতীয় দফার ভোট, তৃণমূলের গা-জোয়ারি দেখল বাংলা

    Lok Sabha Elections 2024: নির্বিঘ্নেই সাঙ্গ তৃতীয় দফার ভোট, তৃণমূলের গা-জোয়ারি দেখল বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোটামুটি নির্বিঘ্নেই শেষ হল তৃতীয় দফার নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। আজ, ৭ মে নির্বাচন হয়েছে দেশের ৯৩টি লোকসভা কেন্দ্রে। কমিশন সূত্রে খবর, বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে প্রায় ৬০.১৯ শতাংশ। মতদানের হারের নিরিখে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি-শাসিত অসম। সব চেয়ে বেশি ভোট পড়েছে এই রাজ্যে। এখানে বিকেল ৫টি অবধি ভোট পড়েছে ৭৪.৮৬ শতাংশ।

    বাংলায় ভোটের হার (Lok Sabha Elections 2024)

    এদিন ভোট হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের চারটি আসনেও (Lok Sabha Elections 2024)। কমিশন সূত্রে খবর, বিকেল ৫টা পর্যন্ত মালদহ উত্তরে ভোট পড়েছে ৭৩.৩০ শতাংশ। এই সময়ের মধ্যে মালদহ দক্ষিণে পোলিং হয়েছে ৭৩.৬৮ শতাংশ। জঙ্গিপুরে ভোট দানের হার ৭২.১৩ শতাংশ। মুর্শিদাবাদে ভোট পড়েছে ৭৬.৪৯ শতাংশ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের চার কেন্দ্রে সামগ্রিক ভোটদানের হার ৭৩.৯৩ শতাংশ। এদিন উপনির্বাচন হয়েছে ভগবানগোলা বিধানসভা কেন্দ্রেও। সেখানে ভোটদানের হার ৭৩.৬৮ শতাংশ।

    অভিযোগের পাহাড়

    এই দফায় বাংলার চার কেন্দ্র মিলিয়ে কমিশনের কাছে সব মিলিয়ে জমা পড়ছে ৪৩৩টি অভিযোগ। এর মধ্যে দলগতভাবে অভিযোগ জমা পড়েছে ২৫৩টি। সব চেয়ে বেশি অভিযোগ করেছে সিপিএম। তারা অভিযোগ করেছে ১৬৩টি। কংগ্রেসের অভিযোগের সংখ্যা ২৯টি, বিজেপির ২৭টি এবং তৃণমূলের ১৮টি। এই দফায়ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া নাজিরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৫৯ নম্বর বুথে এক ভোটারের ভোট দিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে। ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেওয়া হচ্ছিল বলেও অভিযোগ। বিষয়টি স্বীকারও করে নিয়েছেন ওই বুথের প্রিসাইডিং অফিসার সেলিম রেজা বিশ্বাস।

    আরও পড়ুুন: “গিয়ে দেখি, পুলিশের সামনেই ছাপ্পা মারছে তৃণমূল”, মুর্শিদাবাদে তিক্ত অভিজ্ঞতা ভোটারের!

    মালদহের চাঁচলে আবার বোমা মারার হুমকি দিয়ে তুলে দেওয়া বিজেপির সহায়তা বুথ। কাঠগড়ায় তৃণমূল। চাঁচল বিধানসভার মতিহারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ধুমসাডাঙি ২২১ নম্বর বুথের ঘটনা। বিজেপি কর্মী শঙ্কর দাসের অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল নেতা বাবু সরকার দলবল নিয়ে এসে বোমা মারার হুমকি দিয়ে তাঁদের ক্যাম্প তুলে দেয়। মালদহ দক্ষিণের শামসেরগঞ্জের জোতশালীর ১২৫ ও ১২৬ নম্বর বুথে অশান্তি বাঁধানোর অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোট দিতে আসা কংগ্রেসের এক বৃদ্ধ সমর্থককে মেরে পা ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। শামসেরগঞ্জেরই ২১৯ নম্বর বুথেও। হামলা হয়েছে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। তিনটি ক্ষেত্রেই অভিযোগের আঙুল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের দিকে। যদিও সব অভিযোগই অস্বীকার করেছে তৃণমূল (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: তৃতীয় দফার ভোট শুরু, জানুন ভাগ্য পরীক্ষায় কারা রয়েছেন

    Lok Sabha Election 2024: তৃতীয় দফার ভোট শুরু, জানুন ভাগ্য পরীক্ষায় কারা রয়েছেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ৭ মে। শুরু হয়ে গিয়েছে তৃতীয় দফার লোকসভা নির্বাচন। এদিন ভোট গ্রহণ চলছে দেশের ৯৩টি আসনে (Lok Sabha Election 2024)। যদিও এদিন নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল ৯৪টি আসনে। তবে সুরাট কেন্দ্রে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী। যে আসনগুলিতে এদিন ভোটগ্রহণ চলছে সেগুলি ছড়িয়ে রয়েছে ১২টি রাজ্য ও ১টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলজুড়ে।

    নির্বাচন হবে সাত দফায় (Lok Sabha Election 2024)

    প্রসঙ্গত, অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন হচ্ছে সাত দফায়। ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে দুটি দফায় ভোট গ্রহণ। প্রথম দফার নির্বাচন হয়েছে ১৯ এপ্রিল। সেদিন ভোট গ্রহণ হয়েছে ১০২টি আসনে। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হয়েছে ২৬ এপ্রিল। এই দফায় নির্বাচন হয়েছে ৮৯টি আসনে। সাত দফায় সব মিলিয়ে নির্বাচন হওয়ার কথা ৫৪৩টি আসনে।

    ভোট হচ্ছে কোথায়?

    তৃতীয় দফায় ভোট গ্রহণ চলছে গুজরাটের ২৬টি আসনে (Lok Sabha Election 2024), মহারাষ্ট্রের ১১টি আসনে, কর্নাটকের ১৪টি আসনে, ছত্তিশগড়ের ৭টি আসনে, উত্তরপ্রদেশের ১০টি আসনে, মধ্যপ্রদেশের ৮টি আসনে, বিহারের ৫টি আসনে, অসমের চারটি আসনে, পশ্চিমবঙ্গের ৪টি আসনে, জম্মু-কাশ্মীরের একটি আসনে, গোয়ার ২টি আসনে এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ২টি কেন্দ্রে। গুজরাটের সবকটি আসনেই নির্বাচন চলছে এদিন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই দফায় ভাগ্য পরীক্ষা হচ্ছে ১ হাজার ৩৫১ জন প্রার্থীর। প্রথম দফায় লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন ১ হাজার ৬২৫ জন। তার পরের দফায় ভাগ্য যাচাই করেছেন ১ হাজার ১৯৮ জন প্রার্থী।

    আরও পড়ুুন: ভারত জেনোফোবিক! মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের মতো জবাব দিলেন জয়শঙ্কর

    এদিন যাঁদের ভাগ্য পরীক্ষা হচ্ছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, মনসুখ মাণ্ডব্য, প্রহ্লাদ জোশী, এসপি সিং বাঘেল, শিবরাজ সিং চৌহ্বান, বাসবরাজ বোম্মাই, অখিলেশ যাদব, ডিম্পল যাদব, সুপ্রিয়া সুলে প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, মহারাষ্ট্রের ওসমানাবাদ কেন্দ্র মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৭৭ জন প্রার্থী। এদিনের পর হবে চতুর্থ দফার নির্বাচন। সেটি হবে ১৩ মে। তার পর নির্বাচন হবে আরও তিন দফায়। এগুলি হল ২০ মে, ২৫ মে এবং ১ জুন। নির্বাচনের ফল বের হবে ৪ জুন (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: উত্তর-পূর্ব ভারতে ভোট দিয়েছেন রেকর্ড সংখ্যক মানুষ, কেন জানেন?

    Lok Sabha Elections 2024: উত্তর-পূর্ব ভারতে ভোট দিয়েছেন রেকর্ড সংখ্যক মানুষ, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলছে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের মেগা শো। নির্বাচন হবে সাত দফায়। ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে তৃতীয় দফার নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। নির্বাচন শুরু হয়েছে ১৯ এপ্রিল। শেষ দফার নির্বাচন হওয়ার কথা পয়লা জুন। ফল বেরবে ৪ জুন। এবারের নির্বাচনে উঠে এসেছে একটি উল্লেখযোগ্য তথ্য। সেটি হল, এবার নির্বাচনে উত্তর-পূর্ব ভারতের ভোটাররা অংশ নিয়েছেন রেকর্ড সংখ্যক।

    নির্বাচন কমিশনের আশ্বাস (Lok Sabha Elections 2024)

    এবার নির্বাচন কমিশনের তরফে আগেভাগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল অবাধ, মুক্ত এবং স্বচ্ছ নির্বাচনের স্বার্থে যা যা করণীয়, তা করা হবে। এবার নির্বাচন হচ্ছে অষ্টাদশ লোকসভার। লোকসভার মোট আসন সংখ্যা ৫৪৫টি। তবে নির্বাচন হচ্ছে ৫৪৩টিতে। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করার দিনই কমিশন জানিয়ে দিয়েছিল শান্তিপূর্ণ ভোট হবে। ভোটারদের আরও বেশি করে ভোট দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছিল কমিশন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণেই এবার উত্তর-পূর্বের ভোটাররা ভোট দিয়েছেন হাত উপুড় করে (Lok Sabha Elections 2024)।

    রেকর্ড ভোট!

    জানা গিয়েছে, বিচ্ছিন্ন হাতে গোণা কয়েকটি ঘটনা ছাড়া প্রথম ও দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হয়েছে শান্তিপূর্ণই। উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির কোথাও বৃষ্টি, কোথাও আবার তাপপ্রবাহ উপেক্ষা করে ভোট দিতে বেরিয়েছেন দলে দলে মানুষ। জানা গিয়েছে, প্রায় ৬৫ শতাংশ ভোটার এবার মতদান করেছেন। অরুণাচল প্রদেশ ও সিকিমে ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে  নির্বাচন। উত্তর-পূর্ব ভারতের জনসংখ্যা ৬০ মিলিয়ন। লোকসভায় তাঁদের প্রতিনিধিত্ব করেন ২৫ জন সাংসদ।ত্রিপুরা, মেঘালয় এবং অসমে ভোট দিয়েছে ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষ। নাগাল্যান্ডের ছ’টি জেলায় একজনও ভোট দেননি। যার জেরে এই রাজ্যে ভোটের হার ৫৭ শতাংশ। অরুণাচল প্রদেশে মতদানের হার প্রায় ৬৭ শতাংশ। এখানে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির দশজন প্রার্থী রয়েছেন। এঁদের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী প্রেমা খাণ্ডু এবং ডেপুটি চওনা মেই নির্বাচিত হয়েছেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। সিকিমে ৩২টি বিধানসভা আসনেও নির্বাচন হয়েছে। এখানে সাংসদ রয়েছেন একজন। ভোট পড়েছে ৭৫ শতাংশ।

    আরও পড়ুুন: ‘‘অনেক লোককে আজকাল কেনা–বেচা যায়’’, সন্দেশখালির ভিডিও নিয়ে তৃণমূলকে তোপ দিলীপের

    একশো শতাংশ ভোটারই যাতে নির্বাচনে অংশ নেন, তাই ব্যাপক প্রচার করেছিল লোক জাগরণ মঞ্চ অসম। সবাইকে ভোটদানের আহ্বান জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশনও। তারই সুফল ফলেছে। এবার ভোট দিয়েছেন রেকর্ড সংখ্যক ভোটার (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Terrorists Attack: বায়ুসেনার কনভয়ে জঙ্গি হামলা, ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ, শহিদ জওয়ান

    Terrorists Attack: বায়ুসেনার কনভয়ে জঙ্গি হামলা, ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ, শহিদ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের মুখে আতঙ্ক ছড়াতে ভূস্বর্গে এলোপাথাড়ি গুলি জঙ্গিদের (Terrorists Attack)। শনিবার রাত বারোটা নাগাদ কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলায় বায়ুসেনার কনভয় লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে সন্ত্রাসবাদীরা। ঘটনায় জখম হয়েছেন এক জওয়ান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও চার জওয়ান। এদিন সুরানকোটের ওপর দিয়ে যখন বায়ুসেনার কনভয় যাচ্ছিল, তখন আচমকাই গুলি বর্ষণ শুরু করে জঙ্গিরা।

    জখম ৫ (Terrorists Attack)

    জখম হন পাঁচ জওয়ান। উধমপুরের কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত্যু হয় একজনের। জঙ্গিরা হঠাৎই গুলি চালাতে শুরু করায় হকচকিয়ে যান বায়ুসেনার জওয়ানরা। ঘটনার প্রাথমিক অভিঘাত কাটিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে বায়ুসেনা। দু’পক্ষে চলছে তুমুল গুলির লড়াই (Terrorists Attack)। এরই পাশাপাশি শুরু হয়েছে জঙ্গি দমন অভিযান। সূত্রের খবর, এলাকাটি ঘিরে ফেলেছে রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের স্থানীয় ইউনিট। জঙ্গিদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান।  জঙ্গি হামলার যে ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে দেখা গিয়েছে বায়ুসেনার কনভয়ে থাকা একটি গাড়ির উইন্ডস্ক্রিনে অন্তত এক ডজন গুলির দাগ রয়েছে। গাড়িটিতে আগুনও ধরে যায়।

    কী বলছে বায়ুসেনা?

    বায়ুসেনার তরফে এক্স হ্যান্ডেলে বলা হয়েছে, “সাহসিতার এলকায় তাদের কনভয়ে যে হামলা হয়েছে, তা নিরাপদেই ছিল। জম্মু-কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলায় সাহসিতার এলাকায় আচমকাই ভারতীয় বায়ুসেনার একটি কনভয়ে হামলা চালায় জঙ্গিরা। এলাকাটি ঘিরে ফেলা হয়েছে। শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান। কনভয় নিরাপদেই রয়েছে। বিস্তারিত জানতে চলছে তদন্ত।”

    আরও পড়ুুন: কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন অরবিন্দর, কেন জানেন?

    চলতি বছর এই অঞ্চলে এটাই প্রথম বড় ধরনের কোনও হামলা চালাল জঙ্গিরা। গত বছরও ধারাবাহিকভাবে সেনার ওপর হামলা চালিয়েছিল সন্ত্রাসবাদীরা। জঙ্গিদের কাছে একে অ্যাসল্ট রাইফেল ছিল। সেনার তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনার পরে পরেই স্থানীয় জঙ্গলে গা ঢাকা দিয়েছে জঙ্গিরা। রবিবার বেলা ১২টা পর্যন্তও জঙ্গিদের নাগাল পাওয়া যায়নি। ঘটনায় গ্রেফতারও করা যায়নি কোনও জঙ্গিকে।

    ২০১৯ সালের ১৪ অগাস্ট জম্মু-কাশ্মীর থেকে তুলে নেওয়া হয় ৩৭০ ধারা। তার পর থেকে ক্রমেই ছন্দে ফিরছে ভূস্বর্গ। আগের চেয়ে এখন উপত্যকায় বেড়েছে পর্যটকদের আনাগোনাও। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, লোকসভার নির্বাচনের প্রস্তুতিও চলছে জোরকদমে। এহেন আবহে সেনার ওপর হামলা চালিয়ে এলাকায় সন্ত্রাসের বাতাবরণ সৃষ্টি করতে চাইছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা (Terrorists Attack)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Arvinder Singh Lovely: কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন অরবিন্দর, কেন জানেন?

    Arvinder Singh Lovely: কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন অরবিন্দর, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের সভাপতি পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন দিন কয়েক আগে। এবার পুরোপুরি দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন দিল্লির প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি অরবিন্দর সিং লাভলি (Arvinder Singh Lovely)। শনিবার তিনি হাতে তুলে নেন পদ্ম আঁকা ঝান্ডা। অরবিন্দর যে বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন, সে জল্পনা ছিলই। কেবল তিনিই নন, দিল্লি কংগ্রেসের আরও কয়েকজন পদাধিকারি পদ্ম শিবিরে নাম লেখাতে পারেন বলেও জল্পনা।

    বিজেপিতে যোগ অরবিন্দরের (Arvinder Singh Lovely)

    এঁরা প্রত্যেকেই আম আদমি পার্টির সঙ্গে কংগ্রেসের জোটের বিরোধিতায় সরব হয়েছিলেন। এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী, বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে এবং দিল্লির বিজেপি সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেবের উপস্থিতিতে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন তিনি (Arvinder Singh Lovely)। এদিন অরবিন্দরের সঙ্গেই পদ্ম পার্টিতে নাম লেখান প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক রাজকুমার চহ্বান, নসিব সিংহ এবং নীরজ বাসোয়া। দিল্লির প্রাক্তন যুব কংগ্রেস সভাপতি অমিত মল্লিকও যোগ দেন বিজেপিতে।

    কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রী ছিলেন

    ২০০৩ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দিল্লিতে শীলা দীক্ষিতের নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রী ছিলেন অরবিন্দর। ২০১৭ সালে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন অরবিন্দর। বছর দেড়েকের মধ্যেই ফের ফেরেন হাত শিবিরে। তারপর এবার আবারও ফিরে গেলেন গেরুয়া শিবিরে। চলতি বছর এপ্রিলের শেষেই কংগ্রেস ও আপের জোট এবং কংগ্রেসের তরফে কানহাইয়া কুমারের মতো অপরিচিতদের দিল্লিতে প্রার্থী করা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে চিঠি দেন অরবিন্দর। তার পরেই ইস্তফা দেন কংগ্রেস সভাপতির পদে।

    আরও পড়ুুন: পেঁয়াজ রফতানিতে উঠল নিষেধাজ্ঞা, আরোপ হল ন্যূনতম রফতানি মূল্য

    দিল্লিতে লোকসভা আসন রয়েছে সাতটি। ২৫ মে নির্বাচন হবে এক দফায়। আপের সঙ্গে জোট গড়ে এখানে লড়ছে কংগ্রেস। আপ প্রার্থী দিয়েছে চারটি আসনে। আর কংগ্রেস প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে তিনটি কেন্দ্রে। আপের সঙ্গে এই জোট নিয়েও অসন্তুষ্ট ছিলেন দিল্লির কংগ্রেস নেতাদের একাংশ। তার জেরেই ঘর ভাঙছে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির (Arvinder Singh Lovely)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “গোধরাকাণ্ডের অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন বিরোধীরা”, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “গোধরাকাণ্ডের অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন বিরোধীরা”, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গোধরাকাণ্ডের অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন বিরোধীরা।” শনিবার বিহারের দ্বারভাঙায় বিজেপি আয়োজিত একটি নির্বাচনী জনসভায় কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর অভিযোগের আঙুল যে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের দিকে, প্রধানমন্ত্রী তাঁর নাম না নিলেও, তা বুঝতে অসুবিধা হয় না। লালু-পুত্র তথা বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবের নামও মুখে আনেননি প্রধানমন্ত্রীকে। লালুকে তিনি ‘শাহজাদার বাবা’ বলে কটাক্ষ করেছেন।

    প্রধানমন্ত্রীর তোপ (PM Modi)

    গোধরাকাণ্ডের সময় রেলমন্ত্রী ছিলেন লালু। তাঁর নাম না নিয়েই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গোধরায় ট্রেনে আগুন লাগানোর ঘটনায় যারা দায়ী, তাদের বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি। ওই ঘটনায় জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ৬০ জন করসেবকের। এটা কী সোনিয়া ম্যাডামের শাসনকাল নয়!” প্রসঙ্গত, গোধরাকাণ্ডের সময় সোনিয়াই ছিলেন কংগ্রেসের সভাপতি এবং ইউপিএ চেয়ারপার্সন। এই ইউপিএ সরকারই ছিল সেই সময়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গোধরাকণ্ডে দোষীদের আড়াল করতে চেয়েছিলেন তৎকালীন রেলমন্ত্রী। পুরো ঘটনার দায় চাপাতে চেয়েছিলেন করসেবকদের ঘাড়ে। যদিও তাঁর উদ্দেশ্য সফল হয়নি। গোধরার অপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল আদালত। এটাই বিরোধীদের ইতিহাস।”

    মোদির নিশানায় লালু!

    গোধরাকাণ্ডের তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) অভিযোগ, “তৎকালীন রেলমন্ত্রী সেই কমিটিকে এমন একটি রিপোর্ট লিখতে দিয়েছিলেন, যাতে অভিযুক্তদের খালাস করে দেওয়া হয়। কিন্তু আদালত তাঁর সেই রিপোর্ট ডাস্টবিনে ফেলে দেয়। যারা দোষী ছিল, তারা শাস্তি পেয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে তো আবার মৃত্যুদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালিতে ‘স্টিং অপারেশনের’ ভিডিওর সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপির

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিরোধীরা সব সময় সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও এয়ার স্ট্রাইক নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। দেশের মানুষ সব দেখছেন। বিরোধীরা সব সময় তোষণের রাজনীতি করেন। সেনাবাহিনীতে ধর্মের ভেদাভেদ করার চেষ্টা করেন। সেনার হয়ে যাঁরা লড়াই করেন, শহিদ হন, তাঁরা সকলেই ভারত মায়ের সন্তান। বিরোধীরা ধর্মের ভিত্তিতে দেশ ভাগ করতে চায় বলেও অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share