Tag: Madhyam

Madhyam

  • Weather Update: সরস্বতী পুজোয় আবহাওয়া থাকবে কিছুটা উত্তপ্ত, বৃষ্টির সম্ভাবনা কয়েকটি জেলায়

    Weather Update: সরস্বতী পুজোয় আবহাওয়া থাকবে কিছুটা উত্তপ্ত, বৃষ্টির সম্ভাবনা কয়েকটি জেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের নামল শহরের পারদ। শনিবার কলকাতায় তাপমাত্রা ছিল ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। অন্যদিকে রাজ্যের পুরুলিয়ায় সহ বাকি জেলাগুলিতে শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তরবঙ্গের দুই দিনাজপুরে শীতের প্রাবল্য অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। সরস্বতী পুজোর আগে এই আবহাওয়ার বদলে আমজনতার মনে খুশির বাতাবরণ। তবে সরস্বতী পুজোর দিনের আবহাওয়া থাকবে কিছুটা উত্তপ্ত।

    কেমন থাকবে কলকাতার আবহাওয়া?

    হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সরস্বতী পুজোর দিন তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রির (Weather Update) কাছাকাছি থাকবে। তবে আজ রবিবার তাপমাত্রার পারদ নিম্নমুখী। সকাল থেকেই কুয়াশার প্রভাব। বেলা বৃদ্ধির সঙ্গে দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি পায়। তবে সেরকম কোনও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। গতকাল কলকাতার তাপমাত্রা ছিল ১৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। তবে এদিন বাতাসের জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল সবথেকে বেশি ৯০ শতাংশ এবং সবথেকে কম ছিল ৩৬ শতাংশ। আজ রবিবারের তাপমাত্রা ছিল ১৪.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম।

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া কেমন থাকবে?

    রাজ্যে ঊর্ধবমুখী তাপমাত্রার (Weather Update) মধ্যে সপ্তাহের শুরুতেই হাওয়া বদলের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। আগামী মঙ্গলবার পুরুলিয়া, দুই বর্ধমান এবং বাঁকুড়াতে হালকা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই ভাবে বুধ এবং বৃহস্পতিবার বৃষ্টিপাত আরও কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে। পাশাপাশি তাপমাত্রা বাড়তে পারে ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে রাজ্যের বিহার এবং ঝাড়খণ্ড লাগোয়া জেলায় হবে হালকা বৃষ্টিপাত।

    কেমন থাকবে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া?

    উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে থাকতে পারে কুয়াশার (Weather Update) প্রভাব। আগামী সপ্তাহের প্রথম থেকে মাঝামাঝি পর্যন্ত থাকবে শুষ্ক আবহাওয়া। কুয়াশার দাপট বেশি থাকবে জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদায়। রবিবার, সোমবার ওড়িশা এবং ছত্তিশগড়ে রয়েছে বৃষ্টির সম্ভাবনা। পূর্ব এবং মধ্য ভারতের রাজ্যের নানান জায়গায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ১০ টাকা মাটি থেকে তুলতে গিয়েই বিপদ! ১ লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দিল চোর

    Nadia: ১০ টাকা মাটি থেকে তুলতে গিয়েই বিপদ! ১ লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দিল চোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ টাকা মাটিতে পড়ে রয়েছে দেখতে বলেই ১ লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দিল এক অজ্ঞাত চোর। মধ্যবয়স্ক এক মহিলার কাঁধে টোকা দিয়ে বলে, ‘দেখুন তো নিচে আপনার টাকা পড়ে রয়েছে কী না?’ ঠিক তারপরেই নিজের টাকা ভেবে তুলতে গেলে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মহিলার টাকা ভর্তি ব্যাগ নিয়ে উধাও হয়ে যায় সেই চোর। মুহূর্তের মধ্যেই কীভাবে টাকা নিয়ে পালালো? ঘটনার তদন্তে নেমেছেন পুলিশ। এই নিয়ে ব্যপক চাঞ্চল্য তৈরি হইয়েছে নদিয়ার কৃষ্ণনগরে (Nadia)।

    অভিনব কায়দায় চুরি (Nadia)

    স্থানীয় (Nadia) সূত্রে জানা গিয়েছে, কার্যত অভিনব কায়দায় চুরির ঘটনা ঘটেছে কৃষ্ণনগর হেড পোস্ট অফিস চত্বরে। এরপর ঘটনাস্থলে আসে স্থানীয় পুলিশ। ঘটনার পর একে একে ডাকঘরের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়। এরপর এক সন্দেহ জনক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়। পুলিশ ইতিমধ্যে মধ্যেই তদন্ত শুরু করে দিয়েছে। ঠিক দুপুর ২টোর সময় ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। গ্রাহকেরা যখন টাকা জমা করছিলেন সেই সময় আচমকা ডাকঘরে চিৎকার শোনা যায়। এরপর জানা যায় ব্যাগে ১ লক্ষ টাকা ছিল এক মহিলার যা চুরি হয়ে গিয়েছে।

    গ্রাহক মহিলার বক্তব্য

    চুরি যাওয়া টাকার মালিক মধ্যবয়স্কা গ্রাহক মহিলা রুপালী বলেন, “আমার ব্যাগ আমার কাছেই ছিল। হঠাৎ এক বয়স্ক লোক আমার পিঠে টোকা দিয়ে বলে, “আপনার টাকা মাটিতে পড়ে রয়েছে! সত্যিই দেখি মাটিতে টাকা পড়ে রয়েছে। আমি ভাবলাম হয়তো কেউ ফেলে রেখে গিয়েছেন। নিচু হয়ে টাকা তুলে উঠে দেখি, আমার ব্যাগ জায়গায় নেই। এরপর সেই বয়স্ক লোকটিকেও আর দেখেতে পেলাম না। মুহূর্তে সব ভ্যানিশ হয়ে গেল।” ঘটনা সম্পর্কে ডাকঘরের (Nadia) পোস্ট মাস্টার বলেন, “সিসিটিভি এমন একটি ঘটনা দেখতে পেলাম। পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ‘সুন্দরী কম বয়সী বউদের পার্টি অফিসে পাঠিয়ে দিতে হত’, গর্জে উঠলেন মহিলারা

    Sandeshkhali: ‘সুন্দরী কম বয়সী বউদের পার্টি অফিসে পাঠিয়ে দিতে হত’, গর্জে উঠলেন মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ছিল না মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার! বাড়ির কম বয়সী বউদের তুলে নিয়ে যেত তৃণমূলের নেতারা। এরপর পার্টি অফিসে রাতভর চলত বাড়ির মাহিলাদের উপর অমানবিক পৈশাচিক অত্যাচার। যৌনশোষণ করে তৃণমূল নেতাদের মন ভরলে তবেই ছাড় মিলত।” এই ভাবেই অভিযোগ করেন জেলিয়াখালির গ্রামবাসীরা। রেশন দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত তৃণমূলের পলাতক নেতা শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ অনুগামি উত্তম সর্দার এবং শিবু হাজরাদের বিরুদ্ধে গ্রামের মহিলারা ব্যাপকভাবে সরব হওয়ায় শোরগোল পড়েছে রাজ্যজুড়ে। প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার প্রথমে লাঠি, ঝাটা নিয়ে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ-প্রতিবাদে এবং শুক্রবার অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছিল সন্দেশখালি। সেই সঙ্গে অভিযোগ উঠেছে, গতকাল রাতভর প্রতিবাদী মহিলাদের টার্গেট করে ব্যাপক মারধর করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যে কয়েকজন মহিলা গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    বাড়ির বউকে ছেড়ে দিতে হত!

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলাদের বক্তব্য বলেন, “তৃণমূল পার্টির লোকেরা আগে এসে দেখে যাবে কোন বাড়ির বউ বেশি সুন্দরী। এরপর তাঁদের মধ্যে যে কম বয়সী তাঁর বাড়িতে হুমকি চলে আসত। বাড়ির বউকে ছেড়ে দিতে হতো তাঁদের হাতে। তুমি স্বামী হতে পারো, কিন্তু তোমার কোনও অধিকার ছিল না। তুলে নিয়ে চলে যেত তৃণমূলের পার্টি অফিসে। এক দিনের জন্য নয়, রাতের পর রাত ভোগ করত নেতারা। ততক্ষণ পর্যন্ত রেহাই নেই ঠিক যতক্ষণ পর্যন্ত নেতাদের মন না ভরত। সারারাত পার্টি অফিসে রেখে, ভোর বেলায় ছেড়ে দেওয়া হতো বউদের। ঠিক এই ভাবে দিনের পর দিন আমাদের গ্রামবাসীর উপর অত্যাচার এবং যৌন নির্যাতন চালাতো সন্দেশখালির কুখ্যাত নেতা শাহজাহান বাহিনী।”

    সন্দেশখালি নিয়ে সরব হয়েছেন শুভেন্দু

    শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠ শিবু হাজরার বিরুদ্ধেই এলাকার মানুষের মূল অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে থানায় (Sandeshkhali) এফআইআর করা হয়েছে। প্রধান অভিযোগ হল, শাহজাহান শেখ, শিবু হাজরা এবং উত্তম সর্দারকে গ্রেফতার করতে হবে। এই দাবিতে এদিনও আগের মতোই লাঠি, বাঁশ, দা এবং কাটারি হাতে রাস্তায় নামেন মহিলারা। মানুষের সম্পত্তি জমি জোর করে দখল করে নিয়েছে তৃণমূলের গুন্ডারা। প্রাপ্য টাকা চাইতে গেলে প্রাণের ভয় দেখানো হত। আর তাই জেলিয়াখালিতে মূল অভিযুক্ত শিবু হাজরার পোল্ট্রি ফার্মে শুক্রবার উত্তেজিত জনতা আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল। রাজ্যের বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেছেন, “চোর মমতার বিরুদ্ধে বাংলায় হিন্দু সমাজের জনজাগরণ ঘটেছে। বাংলার মায়েরাই সেই রাস্তা দেখিয়েছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: মাধ্যমিক পরীক্ষার মধ্যেই শব্দবিধি ভেঙে গান-নাচ, বিতর্কে তৃণমূল নেত্রী সায়ন্তিকা

    Purba Bardhaman: মাধ্যমিক পরীক্ষার মধ্যেই শব্দবিধি ভেঙে গান-নাচ, বিতর্কে তৃণমূল নেত্রী সায়ন্তিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে চলছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। ঠিক তার মধ্যেই মাইক বাজিয়ে উল্লাস করলেন তৃণমূল নেত্রী সায়ন্তিকা বৃহস্পতিবার গুসকরায় (Purba Bardhaman) শুরু হয় রটন্তি কালীপুজো। এই পুজোকে ঘিরে চলল ব্যাপক হৈ-হুল্লোড়। এই নিয়ে এলাকাবাসী ব্যাপক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

    তারস্বরে গান সায়ন্তিকার (Purba Bardhaman)

    রটন্তি কালীপুজোতে গুসকরায় (Purba Bardhaman) শুরু হয়েছে পুর উৎসব। উৎসবের প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে তারস্বরে গান গাইলেন যুব তৃণমূলের অন্যতম নেত্রী তথা টলিউডের অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। গোটা এলাকা জুড়ে চলল উচ্চস্বরে মাইকে গান। মাধ্যমিক পরীক্ষার আবহের মধ্যেই এই ভাবে শব্দবিধি ভেঙে মাইক বাজানোর ঘটনায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকেই এলাকার মানুষ এবং বিরোধীরা সমালোচনায় সরব হয়েছেন।

    এক ঘণ্টা গান করেন অভিনেত্রী

    এদিন গুসকরায় (Purba Bardhaman) পুজোর পর থেকেই পুর উৎসবের সূচনা করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টা নাগাদ মঞ্চে ওঠেন সায়ন্তিকা। মঞ্চে প্রায় এক ঘণ্টা ছিলেন। একদিকে যেমন গান করেন, তেমনই সেই সঙ্গে নাচও করেন তিনি। একই সঙ্গে চলে উচ্চস্বরে সাউন্ড সিস্টেমের ব্যবহার। শব্দবিধির নিয়ম না মেনে এই ভাবে মাইক বাজানোর ঘটনায় স্থানীয়রা ব্যাপক আপত্তি তোলেন। এক এলাকাবাসী বলেন, “পুরসভা কীভাবে এমন অনুষ্ঠানের অনুমতি দিল?” পাশাপাশি এই শব্দের দৌরাত্ম্য নিয়ে বিরোধী দল বিজেপিও তীব্র সমালোচনা করেছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    স্থানীয় (Purba Bardhaman) বিজেপির নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, “তৃণমূল কংগ্রসের দলের মধ্যে কোনও শিষ্টাচার নেই। ওরা আইনের শাসন মানে না। ওদের কাছে এ সবই আশা করা যায়। সায়ন্তিকার মতো একজন অভিনেত্রীর পক্ষে কীভাবে সম্ভব হল এই কাজে যোগদান করা?”

    পুরসভার বক্তব্য

    এই ঘটনায় স্থানীয় গুসকরা (Purba Bardhaman) পুরসভার চেয়ারম্যান কুশল কুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, “আমরা শব্দবিধি মেনেই অনুষ্ঠান করেছি। মাধ্যমিক পরীক্ষার বিষয় আমাদের মাথায় রয়েছে। যে জায়গায় অনুষ্ঠান হয়েছে, তার ৫০০ মিটার এলাকায় কোনও বসতি নেই। বিজেপি অপ্রচার করছে। তাছাড়া এলাকায় অনুষ্ঠান করলে একটু নিয়মভঙ্গ হয়ে যায়। মাইক ছাড়া তো অনুষ্ঠান করা যায় না।”      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: ‘কেষ্ট’র নাকি শনির দশা চলছে! ৫০ কেজি ঘি দিয়ে বিরাট হোম-যজ্ঞের আয়োজন বোলপুরে

    Birbhum: ‘কেষ্ট’র নাকি শনির দশা চলছে! ৫০ কেজি ঘি দিয়ে বিরাট হোম-যজ্ঞের আয়োজন বোলপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনির দশা কাটাতে শনিবারে কেষ্টর নামে বিরাট যজ্ঞের আয়োজন। এই যজ্ঞ মহোৎসবের মহাপ্রসাদ খাবেন ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষ। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তে বীরভূমের (Birbhum) জেলা তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল গরু পাচার এবং কয়লা পাচার মামলায় দিল্লির তেহার জেলে বন্দি রয়েছেন। তৃণমূলের অবশ্য বক্তব্য, কেষ্ট বিহনে জেলা তৃণমূল কার্যত অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। আর তাই তাঁর অনুগামীরা মঙ্গল কামনায় বিশেষ হোম-যজ্ঞের আয়োজন করেছেন। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারিতে হবে এই মহাযজ্ঞ। জেলায় এই নিয়ে তীব্র শোরগোল।

    কোথায় অনুষ্ঠিত হবে যজ্ঞ (Birbhum)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমের (Birbhum) বোলপুর রেলওয়ে ময়দানে সর্বজনীন দুর্গামন্দিরে করা হবে এই মহাযজ্ঞ। তাকে ঘিরেই এখন জেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি, সেই সঙ্গে চলছে বিশাল আয়োজন। দুর্গামন্দিরের সামনে যে পোস্টার দেওয়া হয়েছে তাতে স্পষ্ট করে লেখা রয়েছে, অনুব্রত মণ্ডল হলেন বীরভূমের রূপকার। তাঁর মঙ্গল কামনা করে দীর্ঘায়ুর জন্য শুভাকাঙ্খীগণ এই যজ্ঞের আয়োজন করেছেন। তাই সকলকে বিশেষ ভাবে আমন্ত্রণ।

    আয়োজকদের বক্তব্য

    বোলপুরের (Birbhum) স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুনীল সিংহ এই মহাযজ্ঞ সম্পর্কে জানিয়েছেন, “৫০ কেজি ঘি, ৫ কুইন্টাল বেলকাঠ প্রজ্বলন করে যজ্ঞ করা হবে। সকাল ৯ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত চলবে এই যজ্ঞ। এরপর শুরু হবে মহাপ্রসাদ বিতরণ। প্রথমে ভেবেছিলাম ৫ থেকে ৬ হাজার লোকসমাগম হবে। কিন্তু দাদার ভক্তদের প্রবল উৎসাহে মনে হচ্ছে সংখ্যাটা ১০ হাজারের বেশি হবে।” তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, “আমরা দাদার অন্ধভক্ত, তিনি আমাদের অভিভাবক। মিথ্যা মামলায় তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। এজেন্সি জোর করে তাঁকে ধরে রেখেছে। কেষ্টদার মঙ্গল কামনায় আমরা মা দুর্গার কাছে যজ্ঞের আয়োজন করেছি। আমরা আশা করছি তিনি যেন দ্রুত আমাদের কাছে ফিরে আসেন।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: ব্যালটের পর এবার বিজেপি কর্মীর কান কামড়ে গিলে খেলেন তৃণমূল কর্মী!

    Jalpaiguri: ব্যালটের পর এবার বিজেপি কর্মীর কান কামড়ে গিলে খেলেন তৃণমূল কর্মী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক হিংসা কতটা নৃশংস হতে পারে, তা তৃণমূল নেতার আচরণে স্পষ্ট হল। এবার বিজেপি কর্মীর কান কামড়ে গিলে খাওয়ার ঘটনা ঘটল। অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী। ঘটনাটি ঘটেছে জলাপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার মহকুমা ধূপগুড়ি এলাকায়। উল্লেখ্য, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ছাপ্পা, লুট, মারধর, বোমাবাজির পাশপাশি গননা কেন্দ্রে ব্যালট গিলে খেয়ে নিজের জয়কে সুনিশ্চিত করেছিলেন এক তৃণমূল প্রার্থী। এবার ফের মানুষের কান খেয়ে নেওয়ার মতো অমানবিক ঘটনা ঘটেছে এই রাজ্যে। বিজেপির বক্তব্য, “আগে বালি, কয়লা, ব্যালট খেত, এখন মানুষের কান কামড়ে খাচ্ছে। দোষীর শাস্তি চাই।”

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Jalpaiguri)?

    স্থানীয় (Jalpaiguri) সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার ধূপগুড়ি স্টেশন মোড়ের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে এই অমানবিক ঘটনা ঘটে। ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হয়েছেন এলাকার এক তৃণমূল কর্মী রাশিদুল রহমান। স্টেশনের পাশে থাকা এক চপের দোকানে এসেছিলেন অপর এক যুবক। এরপর এই যুবককে নানা ভাবে উত্যক্ত করেছিলেন তৃণমূল নেতা। অভিযোগ এটাও ছিল যে তাঁকে উলঙ্গ করার চেষ্টা করা হচ্ছিল। এরপর পাশেই বিনয় রায় নামে এক ব্যক্তি রশিদুলকে এই আচরণ করতে বাধা দেন। বিনয় নিজে এলাকায় বিজেপি করেন। এরপর ঘটনায় লাগে রাজনৈতিক রঙ। উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। ঠিক এরপর পরস্পরের মধ্যে মারামারি বাধে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, বিনয়ের কান কামড়ে ছিড়ে খান রশিদুল। এরপর অসুস্থ বিজেপি কর্মীকে স্থানীয় হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হয়।

    আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর বক্তব্য

    ঘটনায় আহত বিজেপি কর্মী বিনয় জানিয়েছেন, “একজনের প্যান্ট জোর করে খুলে দেওয়া হচ্ছিল। আমি বাধা দিতেই আমার কানের অংশ কামড়ে ছিড়ে খেয়ে নিয়েছে। আগে এই তৃণমূল নেতা হকারি করত, এখন এই সব করছে। আমি বিজেপি করি, তাই এই আচরণ করল।” আবার এক স্থানীয় (Jalpaiguri) প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “কানের একটা অংশ ছিল না। কান সেলাই করার মতো অবস্থায় ছিল না।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    স্থানীয় (Jalpaiguri) তৃণমূল নেতা বিপুল ইসলাম বলেন, “ওরা কী খেয়ে নিজেদের মধ্যে মজা করছিল আমি জানি না। আমার জানার কথাও নয়।” তবে ঘটনার পর থেকে তৃণমূল নেতা এখন পলাতক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: মেয়ের সামনে মাকে বিবস্ত্র করে মার! অভিযুক্ত তিন তৃণমূল নেতা

    Hooghly: মেয়ের সামনে মাকে বিবস্ত্র করে মার! অভিযুক্ত তিন তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রৌঢ়া মা এবং দুই মেয়েকে গণধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত তিন তৃণমূল নেতা। নিচুজাত বলে গালি দিলে প্রথমে থানায় ডায়েরি করা হয়। এরপর পুলিশ কোনও তদন্ত করেনি বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় পালাটা তৃণমূল নেতারা অত্যাচার শুরু করে ওই পরিবারের উপর। এমনকী থানায় ডায়েরি তুলে নেওয়ার জন্য প্রথমে হুমকি, এরপর ধর্ষণ করার চেষ্টাও করা হয়। বাড়িতে ঢুকে মাকে সন্তানদের সামনেই বিবস্ত্র করা অত্যাচার করা হয়। একই ভাবে দুই মেয়েকে গণধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়। এমন ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে হুগলিতে (Hooghly)।

    পুলিশ সূত্রে খবর (Hooghly)

    স্থানীয় (Hooghly) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই মেয়ে এবং এক ছেলেকে নিয়ে ৫০ বছরের এক প্রৌঢ়া নিজের হুগলির বাড়িতে থাকতেন। ১২ বছর ধরে তাঁর স্বামী নিখোঁজ। মহিলা পরিচারিকার কাজ করতেন। এলাকায় তাঁকে নিচু জাত বলে খোঁটা দেওয়া শুরু করে এলাকারই তিন তৃণমূল নেতা। সম্প্রতি অত্যাচার বাড়ে, এলাকায় জল নেওয়া বন্ধ করে দেয় তৃণমূল নেতারা। এরপর একদিন অভিযুক্তরা বাড়িতে ঢুকে বিবস্ত্র করে ব্যাপক মারধর করে। সন্তানদেরও মারধর করা হয়। উচ্চ মাধ্যমিকে পড়া দুই মেয়েকে গণধর্ষণ করে মারার হুমকি দেওয়া হয়। এরপর ফেব্রুয়ারির প্রথমেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

    প্রৌঢ়ার বক্তব্য

    চুঁচুড়া (Hooghly) আদালতে গোপন জবানবন্দি দিয়ে প্রৌঢ়া বলেন, “অত্যাচার থেকে বাঁচতে তৃণমূলের পঞ্চায়েত উপপ্রধানের পায়ে ধরি। কিন্তু কেউ প্রতিবাদ না করে বিষয় নিয়ে মজা করেন। আমি সুবিচার চাই। এই সব মামলা করার সামর্থ নেই।” আবার প্রৌঢ়ার এক মেয়ে বলেন, “বাড়ি ফিরতে ভয় লাগে। শ্লীলতাহানি করেছে বাড়িতে ঢুকে। বোনের সঙ্গে আমারাও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা, কীভাবে দেবো সেটা জানিনা।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এলাকার (Hooghly) অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা বলেন, “হুমকি বা ধর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা। জাত তুলে গালাগাল দেওয়া হয়নি। মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।” আবার এলাকার উপপ্রধানের বক্তব্য, “এই বিষয় খুব একটা গুরুতর কিছু নয়। আমার কাছে কোনও অভিযোগ জানানো হয়নি। স্থানীয়রা আমাদের জানিয়েছেন বিষয়টি, বড় কিছু ঘটেনি।”

    বিজপির বক্তব্য

    এলাকার (Hooghly) বিজেপি নেতা ঘটনায় জানিয়েছে, “দলের নেতার না চাইলে এমন ঘটনা ঘটতে পাড়ে না। তৃণমূল এই নির্যাতনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ভাবে যুক্ত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: কালচিনির অনাহারে শ্রমিকমৃত্যুর ঘটনায় কি আমলাশোলের ছায়া?

    Alipurduar: কালচিনির অনাহারে শ্রমিকমৃত্যুর ঘটনায় কি আমলাশোলের ছায়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশাসনের অমানবিক আচরণের কারণেই কি মৃত্যু হল কালিচনি ব্লকের মধু চা বাগানের শ্রমিক ধানী ওরাওঁয়ের? এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আলিপুরদুয়ারের কালচিনিতে (Alipurduar)। বাগানের শ্রমিকদের অবশ্য দাবি, প্রশাসনের মানবিক হওয়া উচিত ছিল, অত্যন্ত অমানবিক আচরণ করেছে প্রশাসন। গত ২ ফেব্রুয়ারি অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। তবে এখনও তাঁর স্ত্রী আশারানী হাসপাতালে রয়েছেন চিকিৎসায়। তবে মৃত্যুর কারণ নিয়ে প্রশাসন থেকে এখনও কোনও শংসাপত্র দেওয়া হয়নি। উল্লেখ্য ২০০৪ সালের বাম আমলে ঝাড়গ্রামের আমলাশোলে অনাহারে বেশ কিছু শ্রমিকের মৃত্যু ঘটেছিল। এবার এই ঘটনায় ফের অনাহারে ম্রত্যুর ঘটনার পর রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। 

    এলাকাবাসীর অভিযোগ (Alipurduar)?

    এলাকার (Alipurduar) মানুষের অভিযোগ, সরকারি কোনও রকম প্রকল্পের সুবিধা পেতেন না ওই দম্পতি। ছিল না কোনও রকম রেশন এবং ভাতা। বাগানের স্থায়ী শ্রমিক হলেও কাজে যেতে পারতেন না ধানী। মজুরি সত্যিই পেতেন কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বাগানে তাঁদের প্রতিবেশীরা বলেছেন, “ধানীর আধার কার্ড সংক্রান্ত সমস্যা ছিল। আধারের সঙ্গে রেশন কার্ড লিঙ্ক করা ছিল না। অসুস্থ হাওয়ায় তিনি করতে যেতে পারেন নি। ফলে রেশন মিলত না তাঁদের। ফলে রাজ্য প্রশাসনের কোনও সুবিধা পেতেন না তাঁরা।” একই ভাবে পাশের এক শ্রমিক বলেন, “ধানী নিজে অসুস্থ ছিলেন। তাঁর স্ত্রী নিজেও নানান সমস্যায় ভুগছেন। রাজ্য প্রশাসন যদি তাঁদের বাড়িতে গিয়ে এই সব প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দিত, তাহলে এই ভাবে মরতে হত না।”

    ২০১১ সাল থেকেই বঞ্চিত এলাকা

    এলাকায় (Alipurduar) মানুষের আর্থিক অবস্থা বেশ খারাপ। থাকার মতো ঘর নেই। ত্রিপল খাটিয়ে কোনও রকম চলছে দিন। বৃষ্টি এলেই মাথায় হাত। শ্রমিকদের অভিযোগ, দুর্দশার কথা জানালেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও অভিযোগ জানালেও সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়নি। একই ভাবে আমলাশোলের অনেক বাসিন্দা এখনও রেশন পান না। রাজ্য সরকারের নানান ভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। নেতারা এলাকায় আসলে এলাকাবসীরা অভিযোগ জানালে কোনও রকম ভাবে সমস্যার সমাধান ঘটছে না। ২০১১ সালের পর একবার-দুবার কিছু রাজ্য সরকারের সাহায্য এলেও তারপর থেকে কেউ ঘুরেও থাকায় না।

    জেলাশাসকের বক্তব্য

    আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) জেলাশাসক আর বিমলা বলেছেন, “অনাহারে মৃত্যুর অভিযোগ ঠিক নয়। মৃতের পরিবার থেকেও এমন অভিযোগ করা হয়নি। বাগানে একাধিকবার শিবির হয়েছে। বাগানে ত্রাণের কাজ করা হয়। শ্রমিকদের সমস্যার কথা শোনা হয়। আধারের সমস্যা দূর করতে ব্লকে দ্রুত শিবির করা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jasprit Bumrah: তিন ফর্ম্যাটেই বোলারদের তালিকায় শীর্ষে! ক্রিকেটে বিশ্বরেকর্ড যশপ্রীত বুমরার

    Jasprit Bumrah: তিন ফর্ম্যাটেই বোলারদের তালিকায় শীর্ষে! ক্রিকেটে বিশ্বরেকর্ড যশপ্রীত বুমরার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেটে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন যশপ্রীত বুমরা (Jasprit Bumrah)। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের দ্বিতীয় টেস্টে সব থেকে বেশি উইকেট নিয়ে এক ঐতিহাসিক নজির গড়লেন তিনি। টেস্ট ম্যাচের বোলারদের ক্রমতালিকায় শীর্ষস্থান দখল করলেন। তাঁর এই অসাধারণ সাফল্য ক্রিকেট প্রেমীদের মন জয় করে নিয়েছে।

    ৯ উইকেটে নিয়ে টেস্ট-তালিকার শীর্ষস্থানে

    ক্রিকেটের তিন রকমের তালিকার ক্রম প্রকাশ করে থাকে আইসিসি। টেস্ট ম্যাচ, এক দিনের ক্রিকেট এবং টি২০ ক্রিকেটে বোলার, ব্যাটার, ফিল্ডারদের আলাদা ক্রমতালিকা প্রকাশ করা হয়। বিশাখাপত্তনমের টেস্ট ম্যাচে ৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা বিবেচিত হয়েছিলেন বুমরা (Jasprit Bumrah)। ফলস্বরূপ, বুধবার আইসিসি-র টেস্ট-র‌্যাঙ্কিং তালিকা প্রকাশ পেলে দেখা যায়, বুমরা এক নম্বর জায়গাটি দখল করেছেন। আগে থেকেই তিনি একদিনের ক্রিকেট ও টি-২০ বোলারদের র‌্যাঙ্কিয়েও শীর্ষে ছিলেন। ফলে, তিনিই হলেন বিশ্ব ক্রিকেটের এখনও পর্যন্ত প্রথম ও একমাত্র বোলার, যিনি তিন ফর্ম্যাটেই শীর্ষে রয়েছেন। এটাই বিশ্বরেকর্ড।

    অশ্বিন-রবীন্দ্র-বিষেণ ছিলেন তালিকায় আগে

    বুধবার প্রকাশিত আইসিসির টেস্ট বোলারদের ক্রমতালিকায় রবিচন্দন অশ্বিনকে টপকে শীর্ষ উঠে এসেছেন বুমরা (Jasprit Bumrah)। আইসিসি থেকে তাঁর পয়েন্ট ঘোষণা করা হয়েছে ৮৮১। তাঁর পরেই রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিনসো রাবাদা, তাঁর পয়েন্ট ৮৫১। আর তৃতীয় স্থান দখল করেছেন ৮৪১ পয়েন্টে রবিচন্দন অশ্বিন। পাশাপাশি, এই প্রথম কোনও ভারতীয় ফাস্ট বোলার টেস্ট ক্রিকেটের বোলারদের তালিকায় প্রথম স্থান দখল করেছেন। এর আগে ভারতীয় বোলারদের মধ্যে অশ্বিন, রবীন্দ্র জাডেজা এবং বিষেণ বেদি এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: সেচ দফতরের জমি প্লট করে বিক্রি করছেন তৃণমূল বিধায়কের ভাই! শোরগোল

    Paschim Medinipur: সেচ দফতরের জমি প্লট করে বিক্রি করছেন তৃণমূল বিধায়কের ভাই! শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্রি হয়ে যাচ্ছে সরকারি জায়গায়! এবার সরাসরি শাসক দলের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে আঙুল তুলে সরব হয়েছেন এলাকার মানুষ। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ডেবরার (Paschim Medinipur) কংসাবতী নদীর পাশের বারাসতী গ্রামে বাঁধের সেচ দফতরের জায়গা দখল করে প্লট করে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। আর এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

    ঠিক অভিযোগ কী (Paschim Medinipur)?

    জানা গিয়েছে, এলাকার বাঁধের পাড়ে থাকা গাছ কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। অথচ এই জায়গাটা সরকারি জায়গা। ডেবরা (Paschim Medinipur) ব্লকের বারাসতী এলাকায় কংসাবতী নদী বাঁধের জায়গা বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। এই সেঁচের জায়গাও সরকারি জায়গা। জায়গা দেখিয়ে পছন্দ অনুসারে জায়গাকে চিহ্নিত করে কোনটা ৪০ হাজার, কোনটা ৫০ হাজার এবার কোনটা ৭০ হাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। এলাকার বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের নামে তাঁর ভাইয়েরা এই কাজ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গ্রামবাসীদের অবশ্য অভিযোগ বিডিও, জেলার আধিকারিক এমনকি মুখ্যমন্ত্রীর দফতরেও জানিয়ে লাভ হচ্ছে না।

    বিধায়কের ভাইয়ের বক্তব্য

    ঘটনায় অভিযোগের কথা অস্বীকার করে ডেবরার (Paschim Medinipur) তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুনের ভাই এলাকাবাসীর অভিযোগকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, “অভিযোগ একেবার মিথ্যা। কেউ কিছু প্রমাণ করতে পারবেন না। যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে আঙুল তুলছে তিনি নিজেই সেচ দফতরের সরকারি জায়গা দখল করে রেখেছে।”

    এলাকাবাসীর অভিযোগ

    স্থানীয় (Paschim Medinipur) পঞ্চায়েত সদস্য বলেন, কিছু লোক পঞ্চায়েতে টিকিট না পেয়ে দলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। যারা আজ অভিযোগ করছে তারা আগে তৃণমূল করত। পরে নির্দল হয়ে নির্বাচনে লড়াই করে।” তবে সেচের জমিকে অবৈধ ভাবে দখলের বিরুদ্ধে সরকার কোনও পদক্ষেপ কেন গ্রহণ করছেন না? এই বিষয়ে স্পষ্ট করে উত্তর দিতে পারেননি এই পঞ্চায়েত সদস্য।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share