Tag: Madhyam

Madhyam

  • Murshidabad: উপড়ে নেওয়া হয়েছে চোখ, শরীরে ক্ষতের চিহ্ন, সর্ষের ক্ষেতে মিলল কিশোরীর দেহ!

    Murshidabad: উপড়ে নেওয়া হয়েছে চোখ, শরীরে ক্ষতের চিহ্ন, সর্ষের ক্ষেতে মিলল কিশোরীর দেহ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপড়ে নেওয়া হয়েছে চোখ, সারা শরীরে গভীর ক্ষতের চিহ্ন। কার্যত সর্ষের ক্ষেতে মিলল অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীর দেহ। ঘটনায় অভিযুক্ত হয়েছে প্রেমিক। গত দুই দিন আগে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়েছিল কিশোরী। আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে খোঁজ করেও পাওয়া যায়নি। অবশেষে শনিবার দুপুরে বাড়ি থেকে খানিকটা দূরে মিলল কিশোরীর দেহ। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার হরিহরপাড়ায়।

    পরিবারের বক্তব্য(Murshidabad)

    অষ্টম শ্রেণির ওই মৃত ছাত্রীর পরিবাবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিল মেয়ে। আত্মীয় বা বন্ধু কারও বাড়িতে (Murshidabad) খোঁজ না পেয়ে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করি আমরা। এরপর শনিবার দুপুরে হরিহরপাড়া থানা থেকে ফোন আসে এবং জানানো হয় একটি কিশোরীর দেহ মিলেছে। পুলিশ আমাদের জানিয়েছে, লোকালয় থেকে দূরে একটি সর্ষের ক্ষেতে এক কিশোরী গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় মাটিতে পড়ে রয়েছে। এরপর আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহকে শনাক্ত করি। তার দেহে একাধিক ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। পরিবার তরফে আরও বলা হয়, স্থানীয় এক তরুণ বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়েছিল তাকে। পুলিশের কাছে ওই তরুণের নামও জানিয়েছেন মৃতার পরিবারের সদস্যরা। এমনকী, বাড়ি থেকে যাওয়ার সময় মেয়েটি ১০ হাজার টাকা নিয়ে যায় বলে দাবি পরিবারের।

    পুলিশ সূত্রে খবর

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই কিশোরীর দুটো চোখই উপড়ে নেওয়া হয়েছে। তার সারা শরীরে অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন। গলায় ফাঁসের দাগ রয়েছে। শরীরের উপর অত্যন্ত অত্যাচার হয়েছে। নাবালিকার দেহ উদ্ধারে এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। দেহ উদ্ধারের পর তড়িঘড়ি দেহ নিয়ে যাওয়া হয় মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজে। এরপর সেখানে ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

    কিশোরীর মায়ের বক্তব্য

    মৃত কিশোরীর মা (Murshidabad) বলেন, ‘‘আমার বাচ্চা মেয়েটাকে ভুল বুঝিয়ে নগদ ১০ হাজার টাকা সমেত বাড়ি থেকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে চলে গিয়েছে। টাকাপয়সা নিয়ে আমার মেয়েকে খুন করেছে। তারপর মাঠের মধ্যে ফেলে দিয়ে চলে গিয়েছে। আমি ওই খুনির ফাঁসি চাই।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, স্কুলে চলল ব্যাপক মারধর, ভাঙচুর

    South 24 Parganas: অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, স্কুলে চলল ব্যাপক মারধর, ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) বলরামপুর মন্মথনাথ বিদ্যামন্দির স্কুলে ব্যাপক উত্তেজনা। অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ স্কুলের শিক্ষক তারক দাসের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র স্কুল চত্বরে বিরাট গোলমাল বাধে। প্রায় ৫০-৬০ জন বহিরাগত লোক ঢুকে একাধিক শিক্ষক-শিক্ষিকাকে মারধরের ঘটনা ঘটায়। ঘটনাস্থলে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ পৌঁছে উত্তেজনার পরিস্থিতিকে সামাল দেয়।

    স্কুলের আক্রান্ত শিক্ষক-শিক্ষিকার বক্তব্য(South 24 Parganas)?

    নরেন্দ্রপুরের (South 24 Parganas) বলরামপুর মন্মথনাথ বিদ্যামন্দিরে শিক্ষক শিকিকাদের বক্তব্য হল, স্কুলে বহিরাগতরা ঢুকে বেধড়ক মারধর করে। পাশাপাশি স্কুলের ভিতরে ভাঙচুর করা হয়। কয়েকজন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মোবাইল ফোন ভেঙে দেওয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের মদতে এই মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ তোলেন। আক্রান্ত এক শিক্ষার বক্তব্য, প্রধানশিক্ষকের দুর্নীতির তথ্য আমরা সামনে এনেছি। উনি পালটা চাপ সৃষ্টি করতে এই ধরণের ঘটনা ঘটিয়েছেন। ধর্ষণের বিষয় এখানে অন্য প্রসঙ্গ। কান্না করে আরও এক শিক্ষিকা জানান, আমাদের শারীরিক ভাবে হেনস্থা করা হয়েছে।

    স্কুলে ঢুকতেই দেখা যায়, স্কুলের স্টাফ রুমে শিক্ষিকারা ভীত মুখে দাঁড়িয়ে ছিলেন। মেঝেতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে কাগজপত্র। শিক্ষিকা অভিযোগের সুরে জানিয়ে বলেন মোবাইল ছিনিয়ে নিয়েছে।’ যদিও প্রধান শিক্ষক ঘটনার কথা অস্বীকার করেছেন। ঘটনা স্থলে নরেন্দ্রপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। কার্যত স্কুলের ভিতরেই আটকে পড়ে রয়েছেন আক্রান্ত শিক্ষক-শিক্ষিকারা।

    প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য

    স্কুলের (South 24 Parganas) প্রধান শিক্ষক সৈয়দ ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “বিদ্যালয়ে এক ছাত্রীর উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। যে শিক্ষক অভিযুক্ত তিনি স্কুল আসছেননা। স্কুল পরিচালন কমিটির সঙ্গে মিটিং করে তাঁকে আমরা চিঠি দেব।” এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, “শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উপর হামলার ঘটনা একটা জনরোষের প্রকাশ মাত্র। পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে যা করণীয় তাই করবো।” পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।

    শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য

    নরেন্দ্রপুর (South 24 Parganas) স্কুলের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, ‘‘১০০ শতাংশ কড়া পদক্ষেপ করা হবে। আমি আগে বিষয়টা জানতাম না। কোনও আক্রমণকারীদের ছাড়া হবে না। এখনই রিপোর্ট তলব করব। যা পদক্ষেপ করার করব।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: ৩ ফেব্রুয়ারি হবে ঝালদা পুরপ্রধানের নির্বাচন, নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    Purulia: ৩ ফেব্রুয়ারি হবে ঝালদা পুরপ্রধানের নির্বাচন, নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে সকল জল্পনার অবসান ঘটালো আদালত। পুরুলিয়ার (Purulia) ঝালদা পুরপুধান নির্বাচন হবে আগামী মাসের ৩ ফেব্রুয়ারি। বর্তমানে পুরসভার কাজ দেখাশোনা করবেন ঝালদা মহকুমা শাসক। পুরভোটের পর থেকেই এই পুরসভাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। একজন কংগ্রেস কাউন্সিলরের মৃত্যুকে ঘিরে রাজ্য জুড়ে রাজনীতির অন্দরমহলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছিল।

    তৃণমূল পুরপ্রধান অপসৃত হয়েছিলেন (Purulia)

    এই জানুয়ারি মাসের গত ১৭ তারিখ ঝালদা (Purulia) পুরপ্রধান শিলা চট্টোপাধ্যায়কে অপসারণ করেন দলের পাঁচ তৃণমূল কাউন্সিলর এবং দুই কংগ্রেস কাউন্সিলর। কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের ৭-০ ভোটে পরাজিত হন আগের পুরপ্রধান। এরফলে ঝালদা পুরসভায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। তৃণমূলের একাংশের দাবি ছিল পদ থেকে চ্যুত হলেও চেয়ার ধরে বসেছিলেন রত্না। যে তলবি সভায় অপসারণের কথা বলা হয় সেই সভাকে বৈধ বলেননি রত্না। তাঁর যুক্তি ছিল ওই তলবি সভার আগেই ২৭ জানুয়ারি তলবি সভার বিজ্ঞপ্তি ডেকা হয়েছিল। অবশ্য এই তলবি সভার বিজ্ঞপ্তির দিকে কেউ গুরুত্ব দেয়নি। ফলে ঝালদা পুরসভার মধ্যে তৃণমূল দল, তৃণমূল কাউন্সিলর এবং পুরপ্রধানকে নিয়ে ব্যাপক বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েছে।

    পুরসভার বিরোধী দলনেতা মামলা করেন কোর্টে

    ঝালদা (Purulia) পুরসভার শাসক দল তৃণমূলের কাউন্সিলার এবং কংগ্রেসের দ্বারা পুরপ্রধান পদচ্যুত হন। এরপর পুরপ্রধান নির্বাচনের জন্য মহকুমা শাসকও তেমন ব্যবস্থা নিচ্ছিলেন না। অবশেষে পুরসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেস কাউন্সিলর বিপ্লব কয়াল হাইকোর্টে এই বিষয় নিয়ে মামলা করেন। সেই মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার বিচারপতি রাজশেখর মান্থা নির্দেশ দিয়ে বলেন যে আগামী ৭ দিন পর অনাস্থা আনা সাত সদস্যের মধ্যে যে কোনও তিনজন পুরপ্রধান নির্বাচনের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবেন। তার পরেই ৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন নির্ধারণ করেছেন অনাস্থা আনা কাউন্সিলররা।

    কংগ্রেস কাউন্সলের বক্তব্য

    ঝালদা (Purulia) পুরসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস কাউন্সিলর বিপ্লব কয়াল বলেন, “হাইকোর্টে আমার পিটিশনের ভিত্তিতে বিচারপতি নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, অনাস্থা আনা কাউন্সিলরদের মধ্যে তিনজন পুরপ্রধান নির্বাচনের দিন ধার্য করবেন। সেই নির্দেশকে মাথায় রেখে আমরা আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পুরপ্রধান নির্বাচনের দিন ঠিক করেছি।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: জমির মিউটেশন ২ কোটি ১৯ লক্ষ টাকার! নোটিশ দেখেই চক্ষু চড়ক গাছ বিচারপতির

    North 24 Parganas: জমির মিউটেশন ২ কোটি ১৯ লক্ষ টাকার! নোটিশ দেখেই চক্ষু চড়ক গাছ বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খড়দা পুরসভায় (North 24 Parganas) জমির মিউটেশন ২ কোটি ১৯ লক্ষ টাকার! এই নোটিশ দেখে কার্যত বিস্মিত কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজা শেখর মান্থার। মূল অভিযোগ খড়দা পুরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। জমির মিউটেশনে বিপুল পরিমাণে টাকা কেন? সেই প্রশ্নও করেন বিচারপতি। এই নিয়ে জেলায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    ঠিক কী কারণে নোটিশ(North 24 Parganas)?

    একটি সংস্থা নিজেদের কোম্পানি খোলার জন্য একটি বড় জমি কেনে। জমির অবস্থান খড়দা থানা (North 24 Parganas) সংলগ্ন বিটিরোডের ধারেই। জমির পরিমাণ হল ২১ একর এবং জমির ক্রয়মূল্য বাবদ দিয়েছে ৮০ কোটি টাকা। এপরপর নিজেদের কোম্পানির গুদামঘর তৈরির জন্য জমির মিউটেশন করতে চেয়ে স্থানীয় পুরসভায় আবেদন করা হয়। এরপর পুরসভার চেয়ারম্যান নিজের স্বাক্ষর করা একটি নোটিশ পাঠায় ওই সংস্থাকে। ৯ নভেম্বের ২০২৩ সালে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নোটিশে এটাও বলা হয় যে জামি মিউটেশন করতে গেলে এই টাকা পুরসভায় জমা করতে হবে। এরপর ওই কোম্পানির তরফ থেকে হাইকোর্টে দ্বারস্থ হয় পুরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সুবিচার চেয়ে। এরপর হাইকোর্টের বিচারপতি এই বিপুল পরিমাণের টাকার অঙ্ক দেখে রীতিমত হতচকিত হয়ে যান। তাঁর চক্ষু একেবারে চড়ক গাছে উঠে যায়।

    বিচারপতির নির্দেশ

    পুরসভার কোন আইনের পরিপ্রেক্ষিতে এতো বিপুল পরিমাণে টাকা চেয়ে নোটিশ দিয়েছে সেই বিষয়ে জানতে চান বিচারপতি রাজা শেখর মান্থার। সেই সঙ্গে এই নোটিশকে খারিজ করে দেন বিচারপতি এবং আগামী সাত দিনের মধ্যে আইন মেনে কোম্পানির জমিকে মিউটেশন করানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। পাশপাশি উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas)  জেলা শাসকের কাছে এই বিপুল পরিমাণ টাকা চাওয়ার প্রেক্ষিতকে সামনে রেখে বিশেষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

    কী বলল খড়দা পুরসভা?

    খড়দা পুরসভার(North 24 Parganas) চেয়ারপার্সন নীলু সরকার বলেন, “সাধারণত আমরা জমির মিউটেশন করার ক্ষেত্রে নির্ধারিত জমির মূল্যের উপর ১ শতাংশ করে নিয়ে থাকি। আর এই করের উপর নির্ভর করে পুরসভার বাকি কাজ চলে। এতো কর্মী যাঁদের বেতন দেওয়া, সাফাই কাজের সরঞ্জাম কেনা ইত্যাদিতে আমরা নাগরিক সমাজের পরিষেবার কাজ করে থাকি। পুরসভার স্বাস্থ্য পরিষেবা, অ্যাম্বুল্যান্স চালাতেও এই খরচ বহন করে থাকি আমরা। আইন মেনে আমরা কাজ করেছি। জেল শাসকের চিঠি পেয়েছি। পুরসভা যেকোনও টাকা নিলে বিনিময়ে রিসির্ভ কপি দিয়ে থাকি আমরা। তবে ব্যক্তি গত ভাবে আমরা কোনও টাকা নিয়ে থাকি না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: মরণোত্তর পদ্মশ্রী সম্মান মুখোশ শিল্পী নেপালচন্দ্র সূত্রধরকে, খুশির মাঝেও আক্ষেপ পরিবারে

    Purulia: মরণোত্তর পদ্মশ্রী সম্মান মুখোশ শিল্পী নেপালচন্দ্র সূত্রধরকে, খুশির মাঝেও আক্ষেপ পরিবারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মরণোত্তর পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হল পুরুলিয়ার (Purulia) মুখোশ শিল্পী প্রয়াত নেপালচন্দ্র সূত্রধরকে। নিজের জীবন দিয়ে ছৌ নাচের মুখোশ নির্মাণের শিল্পে বিশেষ অবদান রেখে গিয়েছেন তিনি। এটা তারই স্বীকৃতি। ভারত সরকারের ২০২৪ সালের পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছেন তিনি। এই খবরে পরিবারের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস। কিন্তু সেই সঙ্গে রয়েছে আক্ষেপও।

    মাত্র ৮ বছর বয়স থেকে মুখোশ বানাতেন (Purulia)

    নেপালচন্দ্র সূত্রধর পুরুলিয়ার (Purulia) চড়িদা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। মাত্র আট বছর বয়স থেকে নিজের হাতে ছৌ নাচের মুখোশ নির্মাণের কাজ করতেন। তাঁর নির্মিত মুখোশ দেশে-বিদেশে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছিল। পরিবারে গত তিন পুরুষ ধরে এই মুখোশ বানানোর কাজ চলে বলে জানা গিয়েছে। একাধিক জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক কর্মশালায় প্রশিক্ষকের কাজ করেছেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর পর এই সম্মাননাতে পরিবারের মধ্যে খুশি সবাই। কিন্তু সেই সঙ্গে যিনি এই সম্মাননার অধিকারী, তিনি আজ এই পৃথিবীতে নেই, এটা ভেবেই আক্ষেপের সুর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে।

    ২০২৩ সালের নভেম্বরে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর

    পুরুলিয়ার (Purulia) এই খ্যাতনামা শিল্পী ছৌ নাচের মুখোশ নির্মাণে বিরাট পারদর্শী ছিলেন। অপরূপ চোখ ধাঁধানো মুখোশ নির্মাণে ব্যাপক সুখ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তিনি গত ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এবার এই শিল্পীকে মরণোত্তর পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করল ভারত সরকার।

    পরিবারের বক্তব্য

    উল্লেখ্য ছৌ নাচ হল পুরুলিয়ায় (Purulia) খুব বিখ্যাত একটি লোকনৃত্য শিল্প। দেশে-বিদেশে এই লোকনৃত্য ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। নেপালচন্দ্র সূত্রধরের নাতি জয়ন্ত সূত্রধর বলেন, “আমরা দাদুর এই সম্মানে পরিবারের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে খুশি। দাদু আজ জীবিত থাকলে এই সম্মানে আমরা আরও বেশি আনন্দিত হতাম।” এলাকাবাসীর বক্তব্য, “ছৌ নাচের জন্য এই মুখোশ একান্ত অপরিহার্য। নেপালবাবু এই মুখোশের জন্য অত্যন্ত পরিচিত ছিলেন। গ্রামের এই শিল্পী হিসাবে তাঁর সম্মান জেলাবাসীর কাছে শিল্পীর মুকুটে নয়া পালকের সমতুল্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: “এত বড় সম্মান কোনওদিন ভাবতে পারিনি”, পদ্মশ্রী পেয়ে গীতা ধন্যবাদ জানালেন মোদিকে

    Cooch Behar: “এত বড় সম্মান কোনওদিন ভাবতে পারিনি”, পদ্মশ্রী পেয়ে গীতা ধন্যবাদ জানালেন মোদিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাওয়াইয়া গান একটি ব্যাপক জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত। এই গানের বিশিষ্ট গায়িকা গীতা রায় বর্মণকে দেওয়া হচ্ছে পদ্মশ্রী সম্মান। গতকাল বৃহস্পতিবার এই পুরস্কারের কথা শুনে অত্যন্ত উৎফুল্ল হয়েছেন তিনি। কোচবিহার (Cooch Behar) জেলায় এই নিয়ে খুশির আবহ। পুরস্কারের কথা শুনেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

    ছোটবেলা থেকে গান করেন গীতা(Cooch Behar)?

    কোচবিহারের (Cooch Behar) মাথাভাঙ্গার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা গীতা রায় বর্মণ। ছোটবেলা থেকেই ভাওয়াইয়া গানের মধ্যে দিয়ে তাঁর বেড়ে ওঠা। ১৯৯৭-৯৮ সালে রাজ্য ভাওয়াইয়া উৎসবে প্রথম স্থান পেয়েছিলেন তিনি। গত ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে আকাশবাণীতে গান গেয়ে চলেছেন তিনি। বর্তমানে রেডিও সেন্টারের এ গ্রেডের শিল্পী। তাঁর দুই ছেলে। স্বামী মনোরঞ্জন বর্মণ পেশায় একজন স্কুলশিক্ষক।

    কী বললেন গীতা?

    পদ্মশ্রী সম্মানের কথা শুনে অত্যন্ত আনন্দিত এবং অভিভূত এই সঙ্গীত শিল্পী। গীতা (Cooch Behar) বলেন, “খবর পাওয়ার পর আমার শরীর কাঁপছিল। এত বড় সম্মান কোনও দিন ভাবতে পারিনি। এই ভাওয়াইয়া গানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই আমার একমাত্র স্বপ্ন। নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা যাতে এই গানকে বাঁচিয়ে রাখে, সেই দিকে আমার নজর থাকবে। সকল সঙ্গীতের গুরুকে আমার বিনম্র প্রণাম জানাই। তাঁদের আশীর্বাদই আমার চলার পথকে সুগম করেছে।”

    প্রজাতন্ত্রের আগের দিন পদ্ম পুরস্কার ঘোষণা

    প্রজাতন্ত্র দিবসের ঠিক আগের দিন ভারত সরকার পদ্ম পুরস্কার প্রাপকদের নামের তালিকা ঘোষণা করেছে। এবার সর্বোচ্চ সম্মান পদ্মবিভূষণ দেওয়া হচ্ছে মোট ৫ জনকে। পদ্মভূষণ সম্মান দেওয়া হচ্ছে মোট ১৭ জনকে। এর মধ্যে বাংলার রয়েছে মোট ৩ জন। পদ্মশ্রী পুরস্কারে দেশে মোট রয়েছেন ১১০ জন। যার মধ্যে বাংলার রয়েছেন ১১ জন। এই ১১ জনের মধ্যে উত্তরবঙ্গের (Cooch Behar) শিল্পী গীতা রয়েছেন। পদ্মভূষণ সম্মান বাংলা থেকে পাচ্ছেন বিশিষ্ট অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী এবং সঙ্গীত শিল্পী ঊষা উত্থুপ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: স্কুলের স্পোর্টসে শিক্ষকদের ভয় দেখিয়ে চাঁদা তুলছে তৃণমূল, অভিযোগে তোলপাড়

    Jalpaiguri: স্কুলের স্পোর্টসে শিক্ষকদের ভয় দেখিয়ে চাঁদা তুলছে তৃণমূল, অভিযোগে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জেলা স্কুল স্পোর্টসে শিক্ষকদের ভয় দেখিয়ে চাঁদা তোলার অভিযোগ উঠেছে। মূল অভিযোগের তির তৃণমূল প্রভাবিত শিক্ষক সংগঠনের দিকেই। উল্লেখ্য কিছু দিন আগেও রায়গঞ্জের এক স্কুলে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফর্ম ফিলাপের সময় অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগে ব্যাপক শোরগোল পড়েছিল জেলায়।

    কত টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ (Jalpaiguri)?

    জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার প্রাথমিক, নিম্ন বুনিয়াদি, মাদ্রাসা এবং শিশু শিক্ষা কেন্দ্রগুলির ৪০ তম বার্ষিক শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আগামী ২৭ ও ২৮ শে জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। ধূপগুড়ি ৩ নং, ধূপগুড়ি ৪ নং এবং ধূপগুড়ি পশ্চিম মণ্ডলের ব্যবস্থাপনায় ধূপগুড়ি পৌর ফুটবল ময়দানে এটি অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। প্রতিবারের মতো এবারেও প্রাথমিক শিক্ষা দফতরের পক্ষ থেকে এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতার যাবতীয় খরচ বহন করা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি নির্দেশিকা রয়েছে যে এই জাতীয় কোনও সরকারি অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছ থেকে কোনও প্রকার চাঁদা আদায় করা যাবে না। কিন্তু এবার সেই নির্দেশিকা অমান্য করে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছ থেকে জোর করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চাঁদা তোলার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নিয়ন্ত্রিত শিক্ষক সংগঠনের বিরুদ্ধেই। প্রাথমিক শিক্ষকদের কাছ থেকে ৯০০ টাকা এবং অস্থায়ী শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীদের কাছ থেকে ৩০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। বিরোধী শিক্ষক সংগঠনগুলি এই ঘটনার প্রতিবাদে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে বলে জানা গেছে। নজিরবিহীন এই ঘটনায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে শিক্ষকমহলে। ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েছে শাসক দলের শিক্ষক সংগঠনের একাংশ সদস্য।

    বিজেপ প্রভাবিত শিক্ষক সংগঠনের বক্তব্য

    অপর দিকে বিজেপি প্রভাবিত বঙ্গীয় নব উন্মেষ প্রাথমিক শিক্ষক সঙ্ঘের জেলা (Jalpaiguri) সম্পাদক জয়ন্ত কর বলেন, “সরকারি খেলা বরাবর সরকারি অর্থেই হয়। কিন্তু এবার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের স্কুল বদল করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। কিন্তু সরকারি নির্দেশ রয়েছে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা যাবে না। এরা সরকারি অনুষ্ঠানকে দলীয় মঞ্চ বানিয়ে ফেলেছে। ফলে সরকারি খেলা আর সরকারি থাকছে না। কার্যত তৃণমূলের দলীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে। তাই আমরা এই জাতীয় ঘটনার প্রতিবাদ লিখিত আকারে জানিয়েছি। আমরা দাবি করছি, সমস্ত শিক্ষক সংগঠনকে যথাযথ মর্যাদা প্রদান করতে হবে। ক্রীড়া পরিচালনার পর সমস্ত স্বীকৃত শিক্ষক সংগঠনকে ডেকে স্বচ্ছতার সাথে আয়-ব্যয়ের হিসাব পেশ করতে হবে।

    বামপন্থী শিক্ষক সংগঠনের বক্তব্য

    বামপন্থী শিক্ষক সংগঠন এবিটিএ-র জেলা (Jalpaiguri) সম্পাদক বিপ্লব ঝা বলেন, “এবছর জলপাইগুড়ি জেলার প্রাথমিক স্তরের শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় প্রাথমিক শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছ থেকে ৯০০ টাকা, প্যারাটিচার এবং এসএসকের সহায়ক-সহায়িকাদের কাছ থেকে ৩০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। অদ্ভূত কায়দায় নিমন্ত্রণপত্রে কাউন্টার পার্ট করা হয়েছে। তার একটি অংশে হাতে লিখে অর্থ নেওয়া হচ্ছে এবং অন্য পার্ট শিক্ষক-শিক্ষিকাদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ করে প্রতিবাদপত্র সংসদ দফতরে জমা দিয়েছি।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূল প্রভাবিত প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের জেলা (Jalpaiguri) সভাপতি তথা স্পোর্টস কমিটির কো-অর্ডিনেটর স্বপন বসাক বলেন, “স্পোর্টস সংক্রান্ত মিটিংগুলিতে চাঁদা আদায় সংক্রান্ত বিষয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। আর তৃণমূল শিক্ষক সংগঠনের পক্ষ থেকে কাউকে চাঁদা আদায় করতে নির্দেশ দেওয়া হয়নি। চলতি বছরের স্পোর্টসের জন্য ইতিমধ্যে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ করেছে শিক্ষা দফতর। সুতরাং চাঁদা আদায়ের প্রশ্নই উঠছে না। যদি কেউ চেয়ারম্যানকে অভিযোগ করে থাকেন, তবে নিশ্চয়ই তার তদন্ত হবে।”

    জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের বক্তব্য

    জেলা (Jalpaiguri) প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান লৈক্ষ্য মোহন রায় বলেন, “সরকারি নির্দেশ রয়েছে শিক্ষকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করা যাবে না। চাঁদা আদায় করা হচ্ছে এই জাতীয় অভিযোগ সংবাদ মাধ্যমে না করে আমার কাছে করুক। তবে আমি এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযোগ পাইনি।” ডিআই (প্রাইমারি) শ্যামলচন্দ্র রায় টেলিফোনে বলেন, “চাঁদা তোলার নির্দেশ আমরা দিইনি। আর এই জাতীয় অভিযোগ যদি আমার কাছে আসে, তবে তা অবশ্যই খতিয়ে দেখা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: স্কুল-ইউনিফর্ম পরে মাঠে ঘাস খাচ্ছে ছাগল! তৃণমূলের রাজত্বে এও দেখতে হল গ্রামবাসীদের

    Purulia: স্কুল-ইউনিফর্ম পরে মাঠে ঘাস খাচ্ছে ছাগল! তৃণমূলের রাজত্বে এও দেখতে হল গ্রামবাসীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে স্কুল ইউনিফর্মের কী দশা! যে পোশাক পরার কথা ছাত্রদের, তা পরে ঘাস খাচ্ছে একাধিক ছাগল। সরকারি স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য দেওয়া হয়েছে স্কুলের ড্রেস। কিন্তু স্কুল শিক্ষকদের উদাসীনতার কারণে এমনই চিত্র দেখা গেল। পুরুলিয়ার (Purulia) বাঘমুন্ডির নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটেছে। ফলে এলাকায় তীব্র শোরগোল পড়েছে। জেলায় জেলায় স্কুলে ছাত্রদের সঠিক অনুপাতে শিক্ষকের অভাব একটা বড় সমস্যা এই রাজ্যে। এছাড়াও রয়েছে স্কুলের সঠিক পরিকাঠামোর অভাব, নেই শৌচালয়, নেই ক্লাসরুম। বাঁকুড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক এলাকায় স্কুলঘরের অভাবে অনেক স্কুলের ক্লাস হয় গাছতলায়। এবার স্কুলের ড্রেস নিয়েও চূড়ান্ত অবহেলার চিত্র ফুটে উঠল।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ কী (Purulia)?

    পুরুলিয়ার (Purulia) বাগমুন্ডি স্কুলে এই চাঞ্চল্যকর দৃশ্য উঠে আসতেই এলাকার মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ লক্ষ্য করা গিয়েছে। এলাকার চানোর এক বাসিন্দা দিলীপ প্রামাণিক বলেন, “প্রাতঃ ভ্রমণে বেরিয়ে দেখি, গ্রামের এক বাসিন্দা একদল ছাগলকে নিয়ে মাঠে গিয়েছে। আর সবকটি ছাগলের গায়ে রয়েছে সরকারি স্কুল পড়ুয়াদের পোশাক। এই ঘটনার জন্য স্কুলের উদাসীনতাই একমাত্র দায়ী।” এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “সরকারি স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সুযোগসুবিধা দিচ্ছে সরকার। কিন্তু শিক্ষকেরা পোশাকের ব্যবহার ঠিকভাবে করছেন না। এই জন্যই স্কুলের পড়ুয়ারা সঠিক সময়ে স্কুলের ড্রেস পাচ্ছে না। এই সবটাই ঘটেছে বাগমুন্ডি নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ের শিক্ষক মলয়রঞ্জন মাজির জন্যই। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি জানাই।”

    স্কুল প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য

    স্কুলের (Purulia) প্রধান শিক্ষক মলয়রঞ্জন মাজি অবশ্য অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “এই নীল রঙের জামাগুলি হচ্ছে স্কুলের পুরাতন পোশাক। এখন স্কুলের জামার রং সাদা করা হয়েছে। কিন্তু স্কুল পড়ুয়ার গায়ের এই জামা কীভাবে ছাগলের গায়ে এল, সেই সম্পর্কে আমি কিছু জানি না।” অপর দিকে ছাগলের মালিক জানিয়েছে, স্কুলের “কোনও শিক্ষক এই ড্রেস দিয়ে যায়নি। তাছাড়া তাদের সন্তানরাও ওই স্কুলে পড়াশুনা করে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: ‘বড়লোকের বিটি লো’র স্রষ্টা পাচ্ছেন পদ্মশ্রী সম্মান, খুশিতে মাতোয়ারা সিউড়িবাসী

    Birbhum: ‘বড়লোকের বিটি লো’র স্রষ্টা পাচ্ছেন পদ্মশ্রী সম্মান, খুশিতে মাতোয়ারা সিউড়িবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদ্মশ্রী পুরস্কারে সম্মানিত হচ্ছেন বীরভূমের (Birbhum) লোকসঙ্গীত শিল্পী রতন কাহার। তাঁর সব থেকে জনপ্রিয় গান হল ‘বড়লোকের বিটি লো লম্বা লম্বা চুল’। এই খবর শোনার পর রতন কাহারের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া, ‘‘অনেক অভাব-অনটনের মধ্যে গান গেয়েছি আমি। ভারত সরকার যে আমায় এই সম্মান দিল, আমি খুব খুশি হয়েছি।’’ জেলাবাসীর কাছে এই সম্মান অত্যন্ত গর্বের বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    বীরভূমের কোথায় বাড়ি (Birbhum)?

    প্রখ্যাত লোকশিল্পী রতন কাহারের বাড়ি বীরভূমের (Birbhum) সিউড়িতে। তিনি লোকগানের মধ্যে ভাদু গান গাওয়ার মধ্যে দিয়েই নিজের সঙ্গীতচর্চা শুরু করেন। ১৯৭২ সালে তিনি প্রথম গান রেকর্ড করেন রেডিও সেন্টারে। পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন ৭৭ টাকা ১৫ পয়সা। এছাড়াও তিনি টুসু, ঝুমুর এবং আলকাপ গানে বেশ পারদর্শী। মূল ধারার লোকসঙ্গীতের সঙ্গে পরম্পরা বা প্রথাগত গানেও বেশ সুখ্যাতি অর্জন করেছেন তিনি। এখনও পর্যন্ত তাঁর স্বরচিত গানের সংখ্যা হল ২৫০।

    কী জানালেন রতন কাহারের ছেলে?

    রতন কাহারের ছেলে দেবাশিষ কাহার বলেন, “দিল্লি থেকে ফোন করে পদ্মশ্রী সম্মান দেওয়া হচ্ছে বলে বাবাকে জানানো হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা এই সম্মানে ভীষণ খুশি।” এলাকার মানুষের বক্তব্য, তাঁরাও সিউড়িবাসী হিসেবে ভীষণ খুশি। কারণ বাংলার লোকগানের মুকুটে আরও এক পালক যুক্ত হল। বৃদ্ধ বয়সে এই লোকশিল্পীর এই সম্মাননা প্রাপ্য ছিল। সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমে পরিবারের আর্থিক সঙ্কটের কথা জানিয়েছেন এই শিল্পী। সঞ্চয়ের সামান্য টাকার সুদ এবং লোকশিল্পীর সামান্য ভাতায় কোনও রকমে সংসার চালান বলে জানিয়েছিলেন রতন কাহার (Birbhum)।

    বড়লোকের বিটি গান রেকর্ডে বিতর্ক

    ‘বড়লোকের বিটি লো’ গানটি প্রথম রেকর্ড করেন শিল্পী স্বপ্না চক্রবর্তী। এর পরবর্তী সময়ে বলিউড সঙ্গীতশিল্পী বাদশা তাঁর ‘গেন্দা ফুল’ গানে বড়লোকের বিটি গানের অংশ ব্যবহার করেন। এই গানটিও বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। তবে গানে রতন কাহারের ঋণ স্বীকার করেননি তিনি। এই নিয়ে সমালোচনার ঢেউ উঠেছিল। এরপর সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক হইচই হলে বাধ্য হয়ে রতন কাহারের কাছে ক্ষমা চান বাদশা। ঠিক তারপরেই সাম্মানিক হিসাবে পাঁচ লাখ টাকা রতন কাহারকে (Birbhum) তিনি পাঠান বলে জানা গিয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “রামাতঙ্কে ভুগছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়”, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “রামাতঙ্কে ভুগছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়”, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রভু রামের জন্মস্থান দখল করতে ১ দিনে ১ লক্ষ হিন্দুকে হত্যা করেছে মোঘল সম্রাট বাবর। রামাতঙ্কে ভুগছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”এমন ভাবেই কটাক্ষ করে আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দী গ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মঙ্গলবার নন্দীগ্রাম ২ ব্লকের নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মদিনে যোগদান করে রাজ্যের তৃণমূলনেত্রীকে তোপ দাগলেন।

    ঠিক কী বলেলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    নিজের বিধানসভা ক্ষেত্র নন্দীগ্রাম থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা দেখতে দেখতে চেয়েছিলেন এই রাজ্যের সনাতন ধর্মের ধর্মপ্রাণ হিন্দুরা। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে হিন্দুরা নিজের নিজের পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে সাক্ষী হয়ে থাকতে চেয়েছিলেন। আর তাই কেন্দ্রের মোদি সরকারের তরফ থেকে বেলা হয় ২টো ৩০ মিনিটের পর যেন অফিস বা দফতরে যান। উল্লেখ্য এই দিন তো ইতিহাসে বার বার আসবে না। ৩ লক্ষ রাম ভক্ত হিন্দু প্রাণ দিয়েছেন রাম মন্দিরের আন্দোলনে। একদিনে মুসলমান শাসক বাবর ১ লক্ষ হিন্দুকে কেটেছেন, রামের জন্মস্থান দখল করার জন্য। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রামাতঙ্করোগে ভুগছেন। তাই তিনি ছুটি না দিয়ে বাংলার হিন্দুদের মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠার মাহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষী থাকতে দেননি। সবটাই চক্রান্ত।”

    নেতাজি সম্পর্কে কী বললেন?

    মমতা বারবার অভিযোগ করেন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুকে কেন্দ্র সরকার ভুলে গিয়েছে। আর এই কথাকে লক্ষ্য করে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “নেতাজিকে সব থেকে বেশি সম্মান যদি কেউ করে থাকেন তাহলে করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশের জাতীয় রাজধানী দিল্লির প্রাণ কেন্দ্র ইন্ডিয়া গেটের কাছে কর্তব্য পথে বসানো হয়েছে নেতাজির মূর্তি। একই ভাবে কংগ্রেস সরকার যা করেনি বিজেপি সরকার নেতাজির সম্পর্কে ভারত সরকারের গোপন তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে।”

    সংহতি যাত্রা নিয়ে কী বললেন?

    রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে পালটা মমতার সংহতি যাত্রার পার্কসার্কাসের ভাষণকে সমালোচনা করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “গতকাল মমতা হিন্দুদের কাফের বলেছেন, মুসলমানরা সহ্য করছেন কীভাবে? বলছেন আল্লহর কসম! আল্লাহকে রাস্তায় নামিয়ে এনেছেন। উনি সব পারেন। নন্দী গ্রামের মানুষ চিনেছে। কলকাতার মানুষ এবার ভালো করে চিনুক।” তিনি মমতাকে চোর সম্বোধন করে আরও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারকে চোর বানিয়ে দিয়েছে সাধারণ মানুষ। এখন শুধু জেলে যাওয়া টাই বাকি। চোর মমতাকে আমরা জেলে দেখতে চাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share