Tag: Madhyam

Madhyam

  •  Bardhaman: পাত্রী উধাও, বন্ধ ফোন! ছাদনাতলার বদলে পাত্র সোজা থানায়

     Bardhaman: পাত্রী উধাও, বন্ধ ফোন! ছাদনাতলার বদলে পাত্র সোজা থানায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাত্রী উধাও, বিয়ে করতে গিয়ে বর বিপাকে। রবিবার শীতের রাতে বিয়ে করতে যাওয়ার কথা ছিল বরের। পাত্রীপক্ষকে ফোন করলে জানা গেল, ফোন বন্ধ! বর বুঝলেন প্রতারণার শিকার হয়েছেন। পূর্ব বর্ধমানের (Bardhaman) কাটোয়ার ফেরিঘাটে দাঁড়িয়েছিলেন বর। অবশেষে ছাদনাতলার বদলে পাত্র সোজা থানায় গেলেন। সেই সঙ্গে বর বললেন, “এমন ভাবে প্রতারিত হব, স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি। কেন এমন ঘটল বুঝতে পারছি না। পুলিশকে জানিয়েছি। তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে।”

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Bardhaman)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পাত্র অর্থাৎ বর নদিয়ার কালীগঞ্জের বালিয়াদাঙা-ফরিদপুরের বসিন্দা। পাত্রের নাম নয়ন ঘোষ। যে পাত্রীর সঙ্গে বিবাহ হবে সেই পাত্রী জানিয়েছেন বিয়ে হবে কাটোয়ার (Bardhaman) এক আত্মীয়ের বাড়িতে। আর সেই মতোই পাত্র নয়ন ঘোষ পরিবারের আত্মীয়স্বজন এবং বন্ধুবান্ধব সহ ১৫ জনকে নিয়ে কাটোয়ার গোয়ালপাড়ার ঘাটে নামেন। তারপর থেকেই কন্যার এবং বাড়ির লোকজনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফোন সুইচ অফ হয়ে যায়।

    বরের অভিযোগ কী

    নদিয়ার বাসিন্দা বর নয়ন ঘোষ কাটোয়াতে (Bardhaman) বিয়ে করতে গিয়ে প্রতারিত হয়ে বলেন, “বিয়ে করতে যাওয়ার পথে যেখানেই পৌঁছেছি সেখানেই কন্যার বাড়ির লোকজনকে ফোন করি। যতবার ফোন করি ঠিক ততবারই বলা হয় লোক পাঠাচ্ছি। এই ভাবে তিন ঘণ্টা কেটে গেলেও কেউ নিতে আসেনি। অবশেষে ধৈর্য হারিয়ে কন্যাকে ফোন করলে দেখা যায় ফোন বন্ধ। এরপর থানায় গিয়ে অভিযোগ করি।”

    কীভাবে বিবাহ ঠিক হয়েছিল?

    স্থানীয় (Bardhaman) সূত্রে জানা গিয়েছে রাজস্থানের জয়পুরের সোনার গহনা তৈরির কাজ করতেন নয়ন ঘোষ। তাঁর সঙ্গে মুর্শিদাবাদের এক সহকর্মী সোমনাথ ঘোষের মাধ্যমে বর্ধমানের দত্ত পাড়ার এক তরুণীর সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর সেখান থেকে তাঁদের আলাপ এবং তারপরে প্রেমও হয়। মাঝে মাঝে তাঁদের দেখা হতো। তরুণীর কথা মতো রবিবার বিয়ে ঠিক করা হয় তাদেরই এক আত্মীয়ের বাড়িতে। এরপরই ঘটে বিপত্তি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir Ayodhya: বাংলার মৃৎশিল্পী জামালউদ্দিনের তৈরি শ্রীরামের মূর্তি বসবে অযোধ্যার রামমন্দিরে

    Ram Mandir Ayodhya: বাংলার মৃৎশিল্পী জামালউদ্দিনের তৈরি শ্রীরামের মূর্তি বসবে অযোধ্যার রামমন্দিরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৫০০ বছরের রাম জন্মভূমি আন্দোলনের সাফল্য রূপে উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যায় তৈরি হচ্ছে প্রভু শ্রীরামচন্দ্রের গগনস্পর্শী মন্দির (Ram Mandir Ayodhya)। আগামী ২২ জানুয়ারির পুণ্য তিথিতে মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রভু রামচন্দ্রের প্রাণপ্রতিষ্ঠা করা হবে। আবার এই মন্দিরে বসতে চলেছে বাংলায় তৈরি হওয়া ১৬ ফুটের শ্রীরামচন্দ্রের মূর্তি। প্রভু শ্রীরামচন্দ্রের মূর্তিকে নিজের হাতে তৈরি করেছেন উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরের মৃৎশিল্পী মহম্মদ জামালউদ্দিন এবং তাঁর ছেলে শিল্পী বিট্টু। এই কাজে এলাকায় মৃৎশিল্পীদের তীব্র উচ্ছ্বাস।

    মৃৎশিল্পী জামালের বক্তব্য (Ram Mandir Ayodhya)

    দত্তপুকুরের মৃৎশিল্পী মহম্মদ জামালউদ্দিন বলেন, “আমাদের নিজের পরিশ্রমে তৈরি প্রভু শ্রীরামচন্দ্রের মূর্তি, অযোধ্যার মন্দিরে স্থাপন করা হবে এটা আমাদের কাছে ভীষণ আনন্দের বিষয়। আমি অত্যন্ত সাধারণ মুসলমান। আমার জীবনের অঙ্গ হল মূর্তি নির্মাণ করা। আমরা সব কিছুর উর্ধে উঠে দেশের জন্য কাজ করব। শ্রীরামের দুটি মূর্তি তৈরি করেছি। একটি মূর্তি আট মাস আগে পাড়ি দিয়েছে অযোধ্যায় (Ram Mandir Ayodhya)। আরেকটি মাস দেড়েক আগে পাঠানো হয়েছে। মূর্তি বানিয়ে পারিশ্রমিক হিসাবে ৫ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা পেয়েছি। মন্দির কমিটি জানিয়েছেন আগামী সপ্তাহে বাসানো হবে মূর্তি দুটি।”

    কীভাবে পেলেন মূর্তি নির্মাণের বরাত?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জামালের বাড়িতে মূর্তি নির্মাণের কারখানা রয়েছে। জামাল জানিয়েছেন, মূর্তি বানানোর কাজ শিখে হায়দ্রাবাদের রামোজি ফিল্ম সিটিতে অনেক দিন কাজ করেছেন জামাল। পরে নিজের বাড়িতেই কারখানাকে আরও বড় করে মৃৎশিল্পের পসার বৃদ্ধি করেছেন তিনি। ফাইবার দিয়ে দুর্গা, কালী সহ নানান দেবদেবীর মূর্তি তৈরি করা হতো কারখানায়। সেই তাঁর সঙ্গে ছেলেও কাজ শেখেন। গত পাঁচ বছর ধরে নানা রাজ্যে তাঁদের তৈরি মূর্তি পাঠিয়েছেন। গত দুই বছর আগে উত্তর প্রদেশের এক বন্ধু তাঁকে শ্রীরামচন্দ্রের মূর্তি (Ram Mandir Ayodhya) বানানোর কথা জানিয়েছিলেন জামালকে। এরপর শ্রীরাম মন্দির ট্রাস্টের কর্মকর্তা আসেন দত্তপুকুরে। মূর্তি দুটি কেমন হবে সেই নকশা দিয়ে যান তাঁরা। ফলে দত্তপুকুরে যশোর রোডের দুই ধারের ছোট ছোট কারখানা চালানোর মৃৎ শিল্পীরা ব্যাপক আশার আলো দেখছেন।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির বারাসত সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি তুহিন মণ্ডল বলেন, “রাম রাজত্বে মানুষের কর্মই প্রাধান্য পেয়েছিল। রাম মন্দিরের (Ram Mandir Ayodhya) নির্মাণেও একই সাফল্য লক্ষ্য করা গেল।” অপর দিকে তৃণমূলের বিধায়ক চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী কুর্নিশ জানিয়েছেন শিল্পী জামালকে। তিনি বলেছেন, একজন প্রকৃত শিল্পীর পরিচয় দিয়েছেন।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tanuja: মুম্বইয়ের হাসপাতালে ভর্তি বলিউড অভিনেত্রী কাজলের মা তনুজা, ভক্ত মহলে উদ্বেগ

    Tanuja: মুম্বইয়ের হাসপাতালে ভর্তি বলিউড অভিনেত্রী কাজলের মা তনুজা, ভক্ত মহলে উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থ হয়ে মুম্বইয়ের হাসপাতালে ভর্তি বলিউড অভিনেত্রী কাজলের মা তনুজা (Tanuja)। সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার বিকেলে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। বর্তমানে তিনি আইসিইউতে রয়েছেন। উল্লেখ্য, তাঁকে ২০১৮ সালে শেষ ‘সোনার পাহাড়’ বাংলা ছায়াছবিতে কাজ করতে দেখা গিয়েছে।

    জুহু হাসপাতাল সূত্রে কী খবর (Tanuja)?

    মুম্বই জুহু হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিনেত্রী তনুজা (Tanuja) বার্ধক্যজনিত কারণে শারীরিক ভাবে অসুস্থ হয়েছেন। তাঁকে চিকিৎসকদের নজরে রাখা হয়েছে। তবে সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তিনি এখন ভালো রয়েছেন, চিন্তার তেমন কোনও কারণ নেই। তাঁর পরিস্থিতি আপাতত স্থিতিশীল।

    বেশ জনপ্রিয় অভিনেত্রী ছিলেন তনুজা

    চলচ্চিত্র পরিচালক কুমারসেন সমর্থ এবং অভিনেত্রী শোভনা সমর্থের মেয়ে হলেন তনুজা সমর্থ (Tanuja)। ১৯৭৩ সালে চিত্র পরিচালক সমু মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তনুজার। তাঁদের দুই কন্যাসন্তান কাজল এবং তানিশা। ১৯৫০ সাল থেকে ‘হামারি বেটি’ সিনেমা দিয়ে কাজের শুরু তনুজার। ১৯৬০ সালে নিজের মা শোভনার ‘ছাবিলি’ সিনেমাতে অভিনয় করেছিলেন তনুজা। এছাড়াও ১৯৬১ সালে ‘হামারি ইয়াদ আয়েগি’ ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। অভিনয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন।

    বাংলা সিনেমাতেও কাজ করেছেন তনুজা

    তনুজা (Tanuja) হিন্দি সিনেমার পাশাপাশি বাংলা সিনেমায়ও অনেক কাজ করেছেন। ১৯৬৩ সালে উত্তম কুমারের সঙ্গে ‘দেয়া নেয়া’ ছবিতে অভিনয় করেন। এরপর ১৯৬৭ সালে ‘অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি’, ১৯৬৯ সালে ‘তিন ভুবনের পারে’ এবং ‘প্রথম কদম ফুল’, ১৯৭০ সালে ‘রাজকুমারী’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। অভিনয় করে প্রচুর দর্শকদের মন জয় করেছেন তিনি। এছাড়াও ‘বাহারে ফির ভি’, ‘জুয়েল থিফ’, ‘হাতি মেরে সাথী’ ‘মেরে জীবন সাথী’-সহ একাধিক সিনেমায় অভিনয় করে সম্মানিত হয়েছেন। তবে ১৯৬৭ সালের ‘জুয়েল থিফ’ সিনেমায় সহ অভিনেত্রী হিসাবে ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হন তিনি। আবার ১৯৬৯ সালে ‘প্যায়সা ইয়া পেয়ার’ ছবির জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পান তনুজা। তাঁর অসুস্থতায় ভক্ত মহলে উদ্বেগের ছায়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: গোষ্ঠী সংঘর্ষে তৃণমূলের কর্মীকে কুপিয়ে খুন! বারুইপুরে তীব্র উত্তেজনা

    South 24 Parganas: গোষ্ঠী সংঘর্ষে তৃণমূলের কর্মীকে কুপিয়ে খুন! বারুইপুরে তীব্র উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক যুবককে কুপিয়ে খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) বারুইপুর থানার অন্তর্গত বলবনা এলাকায়। নিহতের নাম সইদুল শেখ (৪০)। পুলিশের অনুমান, এলাকায় গোষ্ঠী সংঘর্ষের কারণে এই হত্যা হয়েছে। স্থানীয় মানুষের দাবি, তৃণমূলের দক্ষ সংগঠক ছিলেন তিনি। সম্প্রতি তাঁর প্রচুর সম্পত্তিও বৃদ্ধি হয়েছিল। পথের কাঁটা সরাতেই কি খুন? তৃণমূলের অবশ্য অভিযোগ, বিরোধীরা খুন করেছে। পাল্টা বিজেপি অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলকেই হত্যার কারণ বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

    পরিবারের অভিযোগ (South 24 Parganas)

    নিহত সইদুল শেখের স্ত্রী মাজেদা বিবির অভিযোগ, “এলাকায় খেলার মাঠকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ ছিল। সেই বিবাদের জেরেই সইদুলকে শনিবার রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে লাঠি, রড দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়। সেই সঙ্গে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেওয়া হয়। ঘটনায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এরপর সইদুল শেখের পরিবারের সদস্যরা রাতেই তাঁকে বারুইপুর (South 24 Parganas) মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। সেখানেই রবিবার ভোরে মৃত্যু হয় তাঁর।” সেই সঙ্গে মেয়ে রোহিণী খাতুন বলেন, “মাঠে গাড়ি চালাতে গিয়েছিল বলেই প্রথমে বচসা হয়। এরপর বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে বাবাকে পিছন থেকে মাথায় কোপ দেওয়া হয়। এরপর মাটিতে ফেলে ব্যাপক মারধর করে। রাজনৈতিক শত্রুতার জেরে এবং প্রতিহিংসার কারণে বাবাকে খুন করা হয়েছে।” মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছতেই সেখানে নেমে আসে শোকের ছায়া। ঘটনার খবর পেয়ে বারুইপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এই হত্যার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।

    পুলিশের বক্তব্য

    বারুইপুর (South 24 Parganas) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার একটি মাঠ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিবাদ চলছিল। সেই মাঠেই নিজের গাড়ি রেখেছিল সইদুল। আর এই কারণে আইজুল, সাদ্দাম, খোকন, কালো, সাগিররা তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। এমনকি তাঁকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারার চেষ্টাও করে ওই দুষ্কৃতীরা। সেই সঙ্গে মাথায় কোপও দেওয়া হয়। এই প্রসঙ্গে পুলিশ আরও জানিয়েছে অনুমান করা হচ্ছে সইদুলের প্রতিপত্তি বাড়ছিল বিগত কয়েক বছর ধরে। সেটাই সহ্য করতে পারছিল না অভিযুক্তরা। ফলে পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে তাঁকে।

    আবার স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকায় দক্ষ সংগঠন তৈরি করেছিল সইদুল। তাঁর নেতৃত্বেই গত পঞ্চায়েতে এই এলাকায় বিজেপি, সিপিএম দাঁত ফোটাতে পারেনি। সেই কারণেই পরিকল্পিত ভাবে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূল নেতৃত্বের। এই ঘটনায় পুলিশ পাঁচজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

    বিজেপর বক্তব্য

    এলাকার (South 24 Parganas) বিজেপির এক নেতার বক্তব্য, “এই হত্যা এলাকার তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রকাশ ছাড়া আর কিছু না। পুলিশ ঠিক করে তদন্ত করলেই সত্য উঠে আসবে। এই জেলায় যত খুন হয়েছে সব তৃণমূল নেতাদের দ্বারাই হয়েছে।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এলাকার (South 24 Parganas) তৃণমূল নেতা গৌতম দাস বলেন, “পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি-সিপিএম হারার পর থেকেই সইদুলকে টার্গেট করা হচ্ছিল। মাঠের মধ্যে নিয়ে গিয়ে কুপিয়ে খুন করা হইয়েছে। আমরা হত্যার বিচার চাই”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘ললিত-সৌরভের পিছনে মমতা-অভিষেকের হাত!’ তোপ দাগলেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘ললিত-সৌরভের পিছনে মমতা-অভিষেকের হাত!’ তোপ দাগলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে আক্রমণকারী ললিত ঝা প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বললেন, “সংসদ হামলায় অভিযুক্ত ললিত ঝা, সৌরভ চক্রবর্তী সহ আরও অনেকের পিছনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত রয়েছে। সেই সঙ্গে ভাইপো অভিষেকের হাতও থাকতে পারে। তদন্ত হলেই বেরিয়ে আসবে আসল তথ্য। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এর দায় এড়াতে পারবেন না।”

    অত্যাধুনিক এলএইচবি কোচ সংযুক্ত বালুরঘাট-শিয়ালদা নতুন ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ২৪ ডিসেম্বর কলকাতায় ভার্চুয়াল এই ট্রেনের উদ্বোধন করবেন তিনি। রবিবার বালুরঘাটে কেন্দ্র সরকারের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে জেলাবাসীর জন্য এমনই সুখবর শোনালেন বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পাশাপাশি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার দৌলতপুর রেল স্টেশনের উন্নতির জন্য সাহায্যের আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।

    গীতাপাঠের সঙ্গে উদ্বোধন ট্রেন

    আগামী গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে যোগদান করতে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অপর দিকে তিনি কলকাতায় এলে ভার্চুয়ালি এই ট্রেনের শুভ উদ্বোধন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে এই ট্রেনের যাত্রা শুরু হবে বলে সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) জানান। দেশের বিকাশ যাত্রায় এই ট্রেনও একটি বড় মাধ্যম হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। 

    কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন (Sukanta Majumdar),“সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ২৪ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী বালুরঘাট শিয়ালদহ ট্রেনের ভার্চুয়ালি শুভ উদ্বোধন করবেন। এই ট্রেনের প্রতিটি কোচ অত্যাধুনিক হবে। এলএইচবি কোচ হবে সবগুলি। যা আরও বেশি সুরক্ষিত। ফলে দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণ হবে বালুরঘাট তথা সমগ্র জেলাবাসীর।”

    বিভিন্ন ইস্যুতে সরব সুকান্ত

    ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ জেলাকে সেরা তকমা পাওয়া নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন (Sukanta Majumdar), “ডায়মন্ড হারবার পুলিশের কাছে সেরার সেরা তো হবেই। ভাইপোর পদ লেহন করার জন্য এক্সপার্ট পুলিশ। তাঁদের জিভ ১ ফিট পর্যন্ত বের করা থাকে। ডায়মন্ড হারবারের পুলিশকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তো বাহবা দেবেনই। বাড়ির মালিক যা বলেন চাকর তাতে তো প্রশংসা দেবেনই; এটাই তো স্বাভাবিক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “ভোট লুট, অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপে সেরা অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার” কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ভোট লুট, অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপে সেরা অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার” কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা কেন্দ্র হল ডায়মন্ড হারবার। এবার এই জেলাকে এই বছর ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ ‘সুরক্ষিত পুলিশ জেলা’ বলে ঘোষণা করছে। অভিষেক নিজের এক্স হ্যান্ডেলে এই ঘোষণাকে বিনিময় করে অভিনন্দন জানিয়েছেন। কার্যত এই বিষয়কে নিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তীব্র কটক্ষ করেছেন। তিনি বলেছেন, “ভোট লুট, অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপে সেরা অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার”।

    কী বলেছেন অভিষেক?

    তৃণমূলের ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “এটা খুব খুশির খবর, আমি অত্যন্ত আনন্দিত। ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলাকে ২০২২ সালের জন্য সেরা সুরক্ষিত জেলা হিসেবে নির্বাচিত করেছে। এই সাফল্য আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা। প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য বিশাল প্রশংসা, যাঁরা এটিকে সম্ভব করেছেন। এই সম্মান আমার জেলার জন্য অত্যন্ত সুখবর।” এই বক্তব্যকেই তীব্র সমালোচনা করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    শুভেন্দুর পালটা বক্তব্য (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সাম্পাদকের কথায় তাঁর সংসদীয় ক্ষেত্রকে শিরোনাম করতে চেয়েছেন বলে নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পাল্টা লেখেন, “কারও রাজত্বকে শীর্ষ স্থানে দেখানোর প্রচেষ্টা অত্যন্ত নিন্দনীয়। পুলিশের এই আচরণে আমি অত্যন্ত বিস্মিত। কার্যত পুরস্কারের নামে এখানে বিষয়কে ছোট করা হয়েছে। এর যাথার্থ নামকরণ করা উচিত ছিল বিরোধিতা দমনের জন্য সেরা জেলা ডায়মন্ড হারবার। অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপ, ভোট লুট এবং সেরা বেআইনি কার্যকলাপের জেলা হল এই অভিষেকের লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবার।”

    পুলিশ প্রশাসন প্রত্যেক বছর ঘোষণা করে থাকে

    রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে প্রত্যেক বছর এই ধরনের একটি ঘোষণা করা হয়ে থাকে। ২০২২ সালের জন্য পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডায়মন্ড হারবারকে নির্বাচন করা হয়েছে। পুলিশের তরফ থেকে বলা হয়, এই জেলায় অপরাধ প্রবণতা অনেকটাই কম। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার দিক থেকে অনেকটাই সুরক্ষিত।

    বিজেপির অবশ্য দাবি, কার্যত ভাইপোকে মডেল করতে পুলিশ এই কাজ করেছে। গত বিধানসভা, পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাধারণ মানুষের জনজীবন সবথেকে বেশি বিপন্ন হয়েছে এই জেলায়। বোমা বিস্ফোরণ, গোষ্ঠী সংঘর্ষ, হত্যা, ধর্ষণ এবং অনুপ্রবেশের সমস্যা সব থেকে বেশি এই জেলায় হয়েছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আগেও বারবার সংবাদ মাধ্যমের কাছে এই নিয়ে সরব হয়েছেন। তাই লোকসভার ভোটের আগে পুলিশকে ব্যবহার করে ভাইপো নিজের ছবিটা বদলাতে চাইছেন। ঠিক এমনটাই মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: ন্যাশনাল তাইকোন্ডো প্রতিযোগিতায় বাংলার বিরাট সাফল্য, রুপোর পদক জয় তিন যমজ বোনের

    Asansol: ন্যাশনাল তাইকোন্ডো প্রতিযোগিতায় বাংলার বিরাট সাফল্য, রুপোর পদক জয় তিন যমজ বোনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাইকোন্ডো ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে রুপোর পদক ছিনিয়ে নিয়ে এল একসঙ্গে তিন যমজ বোন। তারা হল সুচেতা চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জিতা চট্টোপাধ্যায় ও সুপ্রীতা চট্টোপাধ্যায়। আসানসোল (Asansol) কুলটির বাসিন্দা এই তিন বোন। ডিসেরগড় এসডি হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী তারা। উত্তরাখণ্ডের দেরাদুন থেকে রাজ্যের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করে এই পুরস্কার জিতেছে বাংলার তিন কন্যা। এছাড়াও পৃথক ইভেন্টে এরা আলাদা করে একক ও যুগ্মভাবে ব্রোঞ্জ পদক জয়ী হয়েছে। গত বছরও তিন বোন রাজস্থানের কোটা থেকে রাজ্যের হয়ে ব্রোঞ্জ পদক ছিনিয়ে নিয়ে এসেছিল।

    কোথায় প্রশিক্ষণ (Asansol)?

    কুলটির (Asansol) ডিসেরগড়ের বাসিন্দা পেশায় গৃহশিক্ষক বাবা বামাপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (রূপম ) ও তাঁর স্ত্রী সুনেত্রা চট্টোপাধ্যায় উদ্যোগ নিয়ে তাঁদের তিন কন্যাকে চার বছর আগেই আসানসোলে তাইকোন্ডো প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেন। প্রশিক্ষক ছিলেন শুভ গঙ্গোপাধ্যায়। এর আগে রাজ্যস্তরের প্রতিযোগিতায় এই তিন বোন স্বর্ণপদক জয়লাভ করেছিল হাওড়া থেকে। তারপরে তাদের ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে পাঠানো হয়। গত ১ থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেরাদুনে ছিল ষষ্ঠতম ন্যাশনাল কেডেট ইউরোজি এবং পুমাসে ছিল তাইকোন্ডো চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৩-২৪ প্রতিযোগিতা। আয়োজক ছিল তাইকোন্ডো ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া। উল্লেখ্য, এই সংস্থা অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের আওতায় রয়েছে। ওই তিন ছাত্রীর বাবা-মা জানিয়েছেন, আগামী দিনে সুচেতা, রঞ্জিতা ও সুপ্রীতার লক্ষ্য ইন্টারন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে যাওয়া এবং পুরস্কার নিয়ে আসা।

    পরিবারের বক্তব্য

    মেয়েদের সাফল্যে বাবা বামাপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (Asansol) বলেন, “এই সাফল্যের প্রধান কারণ হল মেয়েরা খুব অনুশাসনের মধ্যে থাকত। সকালে দুই ঘণ্টা এবং বিকেলে দুই ঘণ্টা করে নিয়মিত প্রশিক্ষণ নিত। নিজেরাই নিজেদের অভ্যাস চালিয়ে যেত। ওদের কোচ শুভ গাঙ্গুলি বিশেষভাবে সাহায্য করেছেন। অত্যন্ত নিয়মের মধ্যে দিয়ে তারা থাকত। এমনকী চকোলেট পর্যন্ত খেত না ওরা। খেলার সাফল্যের দিকে লক্ষ্য নিয়ে অত্যন্ত সচেতন ছিল ওরা। ওদের অতিরিক্ত চাহিদার বিষয় তেমনভাবে চোখে পড়েনি।” একই ভাবে মা সুনেত্রা চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এই জয় সকলের। আমি চাই আগামী দিনে ওরা দেশের নাম আরও উজ্জ্বল করুক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purbo Bardhaman: একই দিনে জোড়া বিপত্তি! জলের ট্যাঙ্ক ভাঙার পর অতিরক্ত ভিড়ে পদপিষ্ট ২

    Purbo Bardhaman: একই দিনে জোড়া বিপত্তি! জলের ট্যাঙ্ক ভাঙার পর অতিরক্ত ভিড়ে পদপিষ্ট ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একই দিনে বর্ধমান (Purbo Bardhaman) স্টেশন জোড়া অঘটনের স্বাক্ষী থাকল। একদিকে জলের ট্যাঙ্কে দুর্ঘটনা অপর দিকে অতিরিক্ত ভিড়ের পদপিষ্ট হয়ে জখম হলেন দু’জন। ইতিমধ্যে দুই জনকে দ্রুত বর্ধমান মেডিক্যাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে স্টেশন চত্বরে। এক বিপত্তির মধ্যে এ যেন আরও এক বিপত্তি!

    ৪, ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মে পদপৃষ্ট ২ (Purbo Bardhaman)

    জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে পড়ার পর অনেক সময় ধরে ট্রেন চালাচলে ব্যঘাত ঘটায় একসঙ্গে অনেক মানুষ স্টেশনে (Purbo Bardhaman) জমা হয়ে গিয়েছিল। তার মধ্যে এই ভাবে জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে পড়ায় পরিস্থিতি খুব একটা স্বাভাবিক ছিল না। মানুষ এলোমেলো ভাবে ভিড় জমিয়েছিল প্ল্যাটফর্মে। বেশ কিছু সময় পর ৪ এবং ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। আপ এবং ডাউন উভয় লাইনে ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকলে ভিড় বাড়তে থাকে। অতরিক্ত ভিড়ের কারণে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় এবং কয়েক জন মানুষ পদপিষ্ট হন। রেলের সূত্রে খবর, ঘটনায় মোট ২ জন এখনও পর্যন্ত গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, জলের ট্যাঙ্কার ভেঙে পড়ার কারণে মানুষের মধ্যে একটা আতঙ্ক এবং বিশৃঙ্খলার তৈরি হয়েছিল। ঠিক তারপরে পরেই এই বিপত্তি ঘটে।

    আচমকা ভেঙে পড়েছিল জলের ট্যাঙ্ক (Purbo Bardhaman)!

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার বর্ধমান (Bardhaman) স্টেশনের ২ এবং ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের মাঝে ৫৩ হাজার গ্যালনের জলের ট্যাঙ্ক আচমকা হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছিল। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান মোট তিন জন। সেই সঙ্গে আহত হন আরও বেশ কিছু মানুষ। মৃতদের নাম হল, মফিজা খাতুন, কান্তি কুমার বাহদুর এবং সোনারাম টুডু। ঘটনার প্রভাবে ১, ২  এবং ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। উদ্ধার বাহিনী এরপর দ্রুত উদ্ধার কাজে নেমে পড়ে বলে জানা গিয়েছে। রেলের পক্ষ থেকে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: পাহাড়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির চক্রী অনীত থাপা, সিবিআই তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: পাহাড়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির চক্রী অনীত থাপা, সিবিআই তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাহাড়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মূল চক্রী অনীত থাপা। তৃণমূলের বিরুদ্ধে ফের একবার শিক্ষক দুর্নীতির অভিযোগ করে সিবিআই তদন্তের দাবি তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অনীত থাপা অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা বলেছেন।

    কী বললেন শুভেন্দু?

    পাহাড় সফরে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাহাড়ের সমস্ত জেলা স্কুল বোর্ড, জেলা রিক্রুটমেন্ট কমিটি গঠনের কথা বলেছেন। সেই সঙ্গে সমস্ত দায়িত্ব জিটিএ-র উপর দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অপর দিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) পাহাড়ে গিয়ে শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির কথা বলে বলেন, ‘এখানে নিয়োগের মূল চক্রী হলেন অনীত থাপা। জিটিএ-র প্রধান ছিলেন অনীত থাপা। টাকার বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।’ এছাড়াও শুভেন্দু আরও স্পষ্ট করে সাংবাদিকদের বলেন, “এখানে অনীত থাপা পাঁচশোর বেশি শিক্ষক নিয়োগ করেছেন। এই নিয়োগ এসএসসির মাধ্যমে হয়নি। জিটিএ সরাসরি নিয়োগ করেছে। মাথা পিছু নিয়োগে ১৫ লক্ষ করে টাকা তিনি নিয়েছেন। সমস্ত তথ্য এবং নথি নিয়ে সিবিআইয়ের কাছে যাবো।”

    আর কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) পাহাড়ে গিয়ে আরও বলেন, “এই শিক্ষক নিয়োগে সংরক্ষণ নীতি এবং ন্যূনতম যোগ্যতা মানা হয়নি। উচ্চ মাধ্যমিকে ৫০ শতাংশ নম্বর থাকার বাধ্যবাধকতাকেও মানা হয়নি। তফসিলি জাতি-উপজাতি এবং ইউব্লিউএস সংরক্ষণের নিয়মকে মান্যতা দেওয়া হয়নি। শিক্ষক নিয়োগের সকল নিয়ম ভঙ্গ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী অনীতকে ১৯২ জন শিক্ষক নিয়োগের কথা বলেছেন। এটাও একটা বড় রকমের কেলেঙ্কারি।” তিনি জনজাতি বোর্ড নিয়ে বলেন, “পাহাড়ের উন্নয়নের জন্য ১২টি জনজাতি বোর্ড গঠন হলেও সব অকেজো হয়ে রয়েছে। আগামী মকর সঙ্কক্রান্তির পর পাহাড়ে বিরাট আন্দোলন শুরু করবো আমরা।”

    অপরদিকে শুভেন্দুর সব অভিযোগকে অস্বীকার করে অনীত থাপা বলেন, “সব অভিযোগ মিথ্যা, নিয়ম মেনে সব শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। বিজেপি কোনও ইস্যু না পেয়ে অপপ্রচার করছে।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বেলডাঙা বিস্ফোরণে এনআইএ-র চার্জশিটে এক তৃণমূল নেতা সহ ৭ জনের নাম

    Murshidabad: বেলডাঙা বিস্ফোরণে এনআইএ-র চার্জশিটে এক তৃণমূল নেতা সহ ৭ জনের নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বেলডাঙা বিস্ফোরণের ঘটনায় মঙ্গলবার চার্জশিট দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। চার্জশিটে নাম রয়েছে তৃণমূল নেতা সহ মোট ৭ জনের। ঘটনায় রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল ফের একবার অস্বস্তির মধ্যে পড়েছে।

    অভিযুক্ত কাদের নাম রয়েছে (Murshidabad)?

    ২০২২ সালে বেলডাঙা (Murshidabad) এলাকার রামেশ্বরপুরের বিস্ফোরণের ঘটনায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা মোট ৭ জনের নামে চার্জশিট আদলতে জমা করেছে। উল্লেখ্য, বিস্ফোরণের পর থেকেই বিরোধীরা ঘটনায় শাসক দলের নেতাদের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করে এসেছিল। ঘটনায় শাসক বনাম বিরোধীদের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। অবশেষে চার্জশিট জমা পড়লে অভিযুক্তদের নাম উঠে আসে। অভিযুক্তরা হলেন, ইমদাদুল হক, সুখচাঁদ আলি, মনসুর আলি, মাসাদুল হক, হাবিবুর রহমান, তাহাবুল শেখ, ইসাউদ্দিন শেখ। তাঁদের মধ্যে একজন তৃণমূল নেতা রয়েছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ১২০ বি, ২০১, ৩০৪ আইপিসি ৪, ৫,৬ ইস অ্যাক্ট ১৯০৮, ২০১৮ ইউপিএ ধারায় মামলা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    ঘটনা কীভাবে ঘটেছিল?

    বেলডাঙায় (Murshidabad) ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে একটি বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রামেশ্বরপুর এলাকা। বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল এক ব্যক্তির। তবে মৃতের সংখ্যা কম হলেও বিস্ফোরণের তীব্রতা ছিল ব্যাপক। এলাকার মানুষ রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। এরপর রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে বিরোধীরা একজোট হয়ে আক্রমণ করে এবং একই ভাবে এনএইএ তদন্তের দাবি তোলা হয়। অবশেষে গত অক্টোবর মাসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে তদন্ত শুরু করে এনআইএ। এরপর তদন্তে উঠে আসে গ্রেনেডের তথ্য। বিস্ফোরণের নমুনা হিসাবে গ্রেনেডের সমান বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয় বলে দাবি করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। উল্লেখ্য, পুলিশ আগেই ৭৪ টি গ্রেনেড উদ্ধার করেছিল বলে জানা গিয়েছিল। এই বিস্ফোরণের পিছনে কোনও সন্ত্রাসবাদী জঙ্গি সংগঠনের হাত থাকতে পারে বলে ইউপিএ ধারা যোগ করার জন্য আদালতে আবেদন জানিয়েছে এনআইএ। ঘটনায় মুর্শিদাবাদে তীব্র উত্তেজনা শুরু হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share