Tag: Madhyam

Madhyam

  • Bankura: পাঁচ মাসেই মুখ্যমন্ত্রীর সাধের ‘মডেল গ্রাম’ এখন জনশূন্য! উন্নয়ন কোথায় গেল?

    Bankura: পাঁচ মাসেই মুখ্যমন্ত্রীর সাধের ‘মডেল গ্রাম’ এখন জনশূন্য! উন্নয়ন কোথায় গেল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র পাঁচমাস আগে ঘটা করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্বোধন করে গিয়েছিলেন ‘মডেল গ্রামে’র। কিন্তু এই পাঁচ মাসের মধ্যে সাধের ‘মডেল গ্রাম’ পরিণত হয়েছে ভূতুরে গ্রামে। পরিত্যক্ত জনপদ, নেই লোকজন সবটাই কি তাহলে বৃথা! উপভোক্তাদের অবশ্য দাবি, “গ্রাম তৈরির ভাবনার মধ্যে গোলমাল রয়েছে, কাটমানি খেয়ে খারাপ জিনিস ব্যবহার করা হয়েছে।” তাহলে কি রাজ্য সরকার যে উন্নয়নের ঢাক পেটায় কার্যত সবটাই ফাঁকা! আসলে মানুষের চোখে ধুলো দেওয়ার কাজ চলছে-ঠিক এমন ভাবেই প্রকল্পে কাটমানির অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকার মানুষ। এই নিয়ে বাঁকুড়ায় (Bankura) তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    বাঁকুড়ার কোথায় মডেল গ্রাম (Bankura)?

    এই ‘মডেল গ্রাম হল বাঁকুড়ার (Bankura) শুশুনিয়া পাহাড়ের পাশে একটি ছোট্ট গ্রাম ভরতপুর। মোট ১৮ টি পরিবার কয়েকশো বছর ধরে বহন করে চলেছেন প্রাচীন পটচিত্রের ঐতিহ্যকে। গ্রামের মানুষের তেমন আর্থিক নির্ভরতা নেই। অন্যের জমিতে সামান্য চাষাবাদের মাধ্যমে জীবিকা অর্জন করে থাকেন। এই পরিবারের জীবনযাত্রাকে উন্নয়নের আলো দিতে ২০২৩ সালে জেলা প্রশাসন এই গ্রামকে ‘মডেল গ্রাম’ তৈরির উদ্যোগ নিয়ে ছিলেন। কিন্তু তা বাস্তবে ব্যর্থ হয়ে যায়।

    কেমন মডেল গ্রাম?

    ‘মডেল গ্রামে’র (Bankura) বাড়িগুলি ছিল অত্যন্ত সুন্দর পাকা বাড়ি, পাকা রাস্তা, সৌরবাতি দিয়ে ‘মডেল গ্রাম’ তৈরি করা হয়েছিল। গত ৯ অগাস্ট মুখ্যমন্ত্রী উদ্বোধন করেছিলেন এই মডেল গ্রামের। কিন্তু মাত্র ৫ মাসের মধ্যেই অত্যন্ত হতশ্রী হয়ে গিয়েছে এই ‘মডেল গ্রাম’। বাড়ির দেওয়ালে এখন ফাটল, টালির ছাদ ভেঙে গিয়েছে। পচে গিয়েছে ছাদে ব্যবহারের কাঠ, টয়লেট, বাথরুমগুলির ব্যবহারের অত্যন্ত অনুপযুক্ত। গ্রামে নেই বিদ্যুৎ পরিষেবা। মানুষের বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে এই গ্রাম।

    উপভক্তাদের বক্তব্য

    উপভক্তা চিত্রকররা বলেন, “বাড়ি (Bankura) নির্মাণের জন্য নির্মাণ সামগ্রীর মান ভালো ব্যবহার করা হয়নি। আর তাই সময়ের আগেই সব নষ্ট হয়ে গিয়েছে। পাকা ছাদের কথা জেলা শাসকদের বলা হলেও তা বাস্তবে করা হয়নি।”

    বিজেপির বক্তব্য

    স্থানীয় (Bankura) বিজপির বক্তব্য হল, “আর পাঁচটা প্রকল্পের মতো এক্ষেত্রেও শাসক দলের নেতারা লাখ লাখ টাকা কাটমানি খেয়েছে। গোটা প্রকল্প এবং মডেল গ্রামের ভাবনাটাই ফেল করেছে।” আবার পালটা স্থানীয় ছাতনা (Bankura) তৃণমূল পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়, “উপভোক্তারা এই এলাকায় বসবাস করতে আগ্রহী নয়। উপভোক্তারা বসবাস করলেই ধীরে ধীরে বসবাসের যোগ্য হয়ে যাবে। ভূতুরে ভাব কেটে যাবে।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dibyendu Adhikari: শান্তিকুঞ্জে ফুটবে আরও পদ্ম? শুভেন্দুর ভাই দিব্যেন্দু শুনলেন মোদির ‘মন কি বাত’

    Dibyendu Adhikari: শান্তিকুঞ্জে ফুটবে আরও পদ্ম? শুভেন্দুর ভাই দিব্যেন্দু শুনলেন মোদির ‘মন কি বাত’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাতায় কলমে এখনও তিনি তৃণমূলের সাংসদ। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মন কি বাত’ শুনলেন শুভেন্দু অধিকারীর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী (Dibyendu Adhikari)। রবিবার ছিল মোদির এই বছরের শেষতম পর্বের ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠান। রাজ্যজুড়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা-সহ প্রত্যেক বিজেপি নেতা শুনেছেন মোদির বক্তব্য। তাহলে কি শুভেন্দুর ভাই তথা তৃণমূলের সাংসদ এবার বিজেপিতে যোগ দেবেন? এটা নিয়েই চলছে তীব্র জল্পনা। শান্তিকুঞ্জে কি তাহলে আরও পদ্ম ফুটবে?

    অনেক দিন ধরেই তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব (Dibyendu Adhikari)

    যদিও দিব্যেন্দু (Dibyendu Adhikari) এখনও তৃণমূলের সাংসদ। দলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক অত্যন্ত তালানিতে ঠেকেছে। রাজ্য বা জেলার মধ্যে শাসক দলের কোনও অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা যায় না। বিরোধী দলের নেতা হিসেবে দাদা শুভেন্দু দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকেই সরকারের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগের কথা নিয়ে সরব হলেও এই তৃণমূল সাংসদ কোনও সময়েই প্রতিক্রিয়া দেননি। শাসক দলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের যথার্থতা রয়েছে, আর তাই হয়তো তৃণমূলের সাংসদ বুঝতে পেরেছেন। এই জন্যই তৃণমূলের হয়ে তিনি কোনও ব্যাটিং করেন না। ঠিক এমনটাই মনে করছেন জেলার বিজেপি নেতৃত্বরা। কিন্তু মোদির ‘মন কি বাত’ শোনার মধ্যে দিয়ে কি জল্পনা তৈরি করে দিলেন না দিব্যেন্দু?

    কী বললেন সাংসদ?

    দিব্যন্দু (Dibyendu Adhikari) বিজেপিতে যোগ দেবেন কি না সেই বিষয়ে কোনও মন্তব্য না করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনেক তৃণমূল নেতা লুকিয়ে লুকিয়ে দেখা করেন। আমি তেমন সাংসদ নই। যা করার আমি সামনা সামনি করি। তবে মোদিজির সঙ্গে আমার দেখা করার ইচ্ছে আছে। আমার অনেক কথা রয়েছে সুযোগ পেলে বলবো।”

    ১০৮ তম মোদির ‘মন কি বাত’

    গত রবিবারের মোদির ‘মন কি বাত’ ছিল ১০৮ তম পর্ব। এই অনুষ্ঠান নিজের অফিসে বসে শোনেন দিব্যন্দু। শুভেন্দু অধিকারী এবং আরেক ভাই সৌমেন্দু অধিকারীর চেষ্টায় ২০১৯ সালের লোকসভার পর বিধানসভা নির্বাচনে শান্তিকুঞ্জে পদ্মফুল ফুটিয়ে ছিলেন। তবে এই শান্তিকুঞ্জের দুই তৃণমূল সাংসদ শুভেন্দুর বাবা শিশির অধিকারী এবং দিব্যন্দু অধিকারী (Dibyendu Adhikari) কেউ বিজেপিতে যোগদান করেননি। তবে মোদি-অমিত শাহের সভায় শিশির অধিকারীকে দেখা গেলেও দিব্যেন্দুকে কোনও প্রকার বিজেপির সভা-সমিতিতে দেখা যায়নি। আর তাই সামনেই লোকসভা নির্বাচন, ফলে শান্তিকুঞ্জে আরও পদ্মফোটে কিনা তাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Japan Earthquake: বছরের প্রথম দিনেই জাপানে ৭.৫ তীব্রতার ভূমিকম্প! আছড়ে পড়ল সুনামি

    Japan Earthquake: বছরের প্রথম দিনেই জাপানে ৭.৫ তীব্রতার ভূমিকম্প! আছড়ে পড়ল সুনামি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালের প্রথম দিনেই ভূমিকম্পে (Japan Earthquake) কেঁপে উঠল জাপান। রিখটার স্কেলে কম্পনের সবথেকে বেশি মাত্রা ছিল ৭.৫। ভূমিকম্পের পরেই জারি করা হয় সুনামি-সতর্কতা। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আশঙ্কা সত্যি করে উপকূলে আছড়ে পড়ে সুনামি। উল্লেখ্য গত চারদিন আগেই আরও একবার ভূমিকম্প হয়েছিল বলে জানা গিয়েছিল। ঘটনায় দেশ জুড়ে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যে ভূমিকম্পের বেশ কিছু ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। কোথাও দেখা যাচ্ছে একটা গোটা রেল স্টেশন ভূমিকম্পনে কেঁপে উঠেছে। তো কোথাও দেখা যাচ্ছে, স্ফীত জল হু-হু করে শহরে ঢুকছে। কোথাও আবার দেখা যাচ্ছে, পার্কিং লটে থাকা গাড়িগুলি কার্যত দুলছে। ভিডিওগুলির সত্যতা অবশ্য যাচাই করেনি মাধ্যম।

    জাপানের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে ভূমিকম্প (Japan Earthquake)

    ভূমিকম্পের পর জাপানের আবহাওয়া দফতরের তরফে ইশিকাওয়া, নিগাতা, টোয়ামা, ইয়াগাতা প্রভৃতি এলাকাকে দ্রুত খালি করার কথা বলা হয়। সমুদ্রের ধার থেকে সরে উঁচুতে উঠে এলাকাবাসীকে নিরাপদ স্থানে থাকার কথা জানানো হয়েছে। ভূমিকম্পের (Japan Earthquake) ফলে সৃষ্টি থেকে উৎপন্ন সুনামি প্রায় ৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। ইতিমধ্যে ওয়াজিম উপকূলে ১.২ মিটার জলের স্তর বৃদ্ধি হয়েছে। সোমবার এই কম্পন রাজধানী টকিয়োতে অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের উৎসকেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৫০ কিমি গভীরে।

    মাত্র দেড় ঘণ্টায় ২১ বার কম্পন

    জাপানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, স্থানীয় সময় ৪টে ৬ মিনিট থেকে ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ২১ বার কম্পন হয়েছে। প্রত্যেকবার কম্পনের মাত্রা ছিল ৪। নোটা অঞ্চলে বন্ধ জাতীয় সড়ক। টোকিও-নোটা মধ্যে বন্ধ বুলেট ট্রেনের পরিষেবা। ইতিমধ্যে সেখানে আছড়ে পড়েছে সুনামির ঢেউ। নিগাটা এবং তোয়ামে উপকূলে সমুদ্রের ঢেউ ৩ মিটার পর্যন্ত উপরে উঠেছে বলে জানা গিয়েছে।  দেশের প্রধানমন্ত্রী ফুমিয়া কিশিদা দেশবাসীকে সতর্ক করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

    কন্ট্রোল রুম খুলেছে ভারতীয় দূতাবাস

    ভূমিকম্পের জেরে জাপানে ভারতীয় দূতাবাস কন্ট্রোল রুম খুলেছে বলে জানা গিয়েছে। এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের বিপর্যয়ের মধ্যে যারা রয়েছেন তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য এমারজেন্সি কন্ট্রোল রুম তৈরি করা হয়েছে। নিম্নলিখিত জরুরি নম্বর এবং ইমেল আইডিতে ভারতীয় নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে-

    চার দিন আগেও হয়েছে ভূমিকম্প

    জাপানের সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব উপকূলে প্রশান্ত মহাসাগরের কাছে অবস্থিত কুরলি দ্বীপ এলাকায় পরপর দুবার ভূমিকম্প লক্ষ্য করা গিয়েছিল। সেই সময় রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.৫ এবং ৫। তবে সুনামির সর্তকতা জারি করা হয়নি তখন। কিন্তু নববর্ষের প্রথম দিনের ভূমিকম্পের তীব্রতা আগের থেকে অনেকটাই বেশি। এদিকে, ভূমিকম্পের কারণে ৩৬ হাজার বাড়িতে বিদ্যুৎ পরিষেবা নেই বলে জানা গিয়েছে। নিগাতায় ১০ ফুটের ঢেউ আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২০১১ সালে জাপানে বিরাট ভয়ঙ্কর সুনামি হয়েছিল। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৯.০। তাশের ঘরের মতো বাড়ি-ঘর জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল বহু বাড়ি। বিদ্যুৎ, রেল, সড়ক পথ কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিল। কমপক্ষে ১৮ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: আয়কর দফতরের নজরে এবার পটাশপুরের তৃণমূল বিধায়ক

    Purba Medinipur: আয়কর দফতরের নজরে এবার পটাশপুরের তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তির হদিশ মেলায় আয়কর দফতরের নজরে এবার পটাশপুর (Purba Medinipur) তৃণমূল বিধায়ক। সূত্রে জানা গিয়েছে, গত দুই বছরের আয়ব্যয়ের হিসেব চাওয়া হয়েছে তাঁর কাছ থেকে। উল্লেখ্য, রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতি, পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি ইত্যাদি নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা শাসক দল তৃণমূলের একাধিক মন্ত্রী, বিধায়ক, নেতাকে গ্রেফতার করেছে। আবার কয়লা, গরু পাচারকাণ্ডে ইতিমধ্যে তৃণমূলের যুব নেতৃত্বের মধ্যে বিনয় মিশ্র দেশ ছেড়ে পালিয়াছেন। তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইডি তলব করেছে বেশ কয়েকবার। সম্প্রতি ইডি, হাইকোর্টে মুখবন্ধ খামে জমা দিয়েছে তাঁর সম্পত্তির হিসাব। ফলে ফের একবার পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) তৃণমূল বিধায়ককে আয়কর দফতরে হিসাব চাইলে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা ছড়ায়।

    আয়করের রিটার্ন জমা দেননি (Purba Medinipur)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) পটাশপুরের তৃণমূল বিধায়ক উত্তম বারিকের আয়ব্যয় সংক্রান্ত বিষয়ে গোলমাল পাওয়া গিয়েছে। তিনি গত তিন বছর ধরে রিটার্ন জমা দেননি বলে জানা গিয়েছে। আর এই জন্যই আয়কর দফতর তাঁকে নোটিশ দিয়েছে। আগামী জানুয়ারির ৮ তারিখ তাঁকে আয়ব্যয় সংক্রান্ত নথি পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আয়কর দফতর। উল্লেখ্য, স্বশরীরে হাজিরার কথা বলা হয়নি তাঁকে। তবে নোটিশ যে তিনি পেয়েছেন সেই বিষয়ে তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন। বিধায়ক অবশ্য জানিয়েছেন যে গত দুই বছরে আয়ব্যয় সংক্রান্ত রিপোর্ট বিষয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে দফতরে পাঠাবেন।

    সাগর দিঘিরবিধায়কেও তাল্লাশি চালায় আয়কর

    কংগ্রেসের হয়ে সাগরদিঘিতে জয়লাভ করেছিলেন বায়রন বিশ্বাস। এরপর তিনি নবজোয়ার যাত্রায় অভিষেকের হাত ধরে তৃণমূলের যোগদান করে ছিলেন। কয়েকদিন আগেই বাড়িতে তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। তৃণমূল অবশ্য এই তাল্লশিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কথা বলে ছিল। একই ভাবে পটাশপুরের (Purba Medinipur) বিধায়কে তলবের বিষয়কেও পালটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কথাই বলা হয়। প্রতিক্রিয়া দিয়ে বিজেপি জানিয়েছে, একদিন তৃণমূলের গোটা দলটাই জেলের ভিতরে ঢুকে যাবে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ULFA Peace Deal: উলফার সঙ্গে কেন্দ্র ও অসম সরকারের স্বাক্ষর হল ত্রিপাক্ষিক শান্তিচুক্তি

    ULFA Peace Deal: উলফার সঙ্গে কেন্দ্র ও অসম সরকারের স্বাক্ষর হল ত্রিপাক্ষিক শান্তিচুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচ্ছিন্নতাবাদী নিষিদ্ধ ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ অসম বা উলফা (ইউএলএফএ) সংগঠনের সঙ্গে শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে অসম সরকার এবং কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে ত্রিপাক্ষিক স্থায়ী শান্তিচুক্তি (ULFA Peace Deal) স্বাক্ষরিত হল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, “এই চুক্তির ফলে উত্তরপূর্ব সীমান্তে বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপ বন্ধ হবে। সেই সঙ্গে ভেঙে দেওয়া হবে উলফা (ইউএলএফএ)।”

    কী বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ULFA Peace deal)?

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে উলফা নেতৃত্বদের আশ্বস্ত করতে চাই। ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তির (ULFA Peace Deal) প্রক্রিয়াকে সফল করবার জন্য তাঁদের আহ্বান জানাবো। কেন্দ্র সরকারের পক্ষ থেকে সবরকম সহযোগিতা করা হবে। উত্তর-পূর্বের অনেক এলাকায় সশস্ত্র বাহিনীর আইন এএফএসপিএ অপসারণই প্রমাণ করে দিয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদ বর্তমানে সমাপ্তির পথে।”

    চুক্তি স্বাক্ষরে ২৯ জনের প্রতিনিধি

    সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরপূর্ব ভারতের অসমে বিচ্ছিন্নতাবাদের উপর একটি অতি সক্রিয় সংগঠন ছিল উলফা। এদিন উলফার মোট ২৯ জনের একটি প্রতিনিধির দল দিল্লিতে চুক্তি স্বাক্ষর করতে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১৬ জন সংগঠনের সদস্য এবং বাকি ১৩ জন সাধারণ নাগরিক ছিলেন। এই চুক্তিটি তাৎপর্যপূর্ণ চুক্তি কারণ, এই নিষিদ্ধ সংগঠন উলফার বিচ্ছিন্নতাবাদ অসম রাজ্যে অত্যন্ত সক্রিয় ছিল। বিদ্রোহী সংগঠনকে প্রশমন করতেই উলফার সঙ্গে কেন্দ্র ও অসম সরকারের সাথে চুক্তিতে (ULFA Peace Deal) স্বাক্ষর হল। দেশের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন শুধু আসাম নয়, গোটা উত্তরপূর্বের জন্য এই চুক্তি শান্তির বাতাবরণ তৈরি করবে।

    উলফা ১৯৭৯ সাল থেকেই সক্রিয়

    এই নিষিদ্ধ সংগঠন উলফা, অসমে ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ থেকে আগত অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছিল। এরপর ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অরবিন্দ রাজখোয়ার নেতৃত্বে অভ্যন্তরীণ লড়াইকে অব্যহতি দিয়ে অসম রাজ্য সরকারের সাথে নিঃশর্ত আলোচনায় সম্মত হয়। এরপর থেকে এই উলফা দুই দলে ভাগ হয়ে যায়। একটি দলের নেতা ছিলেন পরেশ বড়ুয়া, অনুপ চেটিয়া। তাঁরা নিজেদের ভাবনায় স্থির থেকে সরকারের সঙ্গে আলোচনার বিপক্ষে মত দেন। অপরদিকে যে দলটি আলোচনা চেয়েছেন, তাঁরা অসমের মূলনিবাসীদের পরিচয় এবং তাঁদের সম্পদের সুরক্ষায় রাজ্যের কাছে রাজনৈতিক, সাংবিধানিক সংস্কার চেয়ে জমির অধিকার দাবি করেন। কেন্দ্র সরকার এই চুক্তির বিষয়ে গত এপ্রিল মাসে একটি চুক্তি (ULFA Peace Deal) প্রস্তাবের খসড়া পাঠিয়েছিল। এরপরে গত দুই সপ্তাহ আগে দিল্লিতে সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল। ২৬ ডিসেম্বর দিল্লিতে উলফার প্রতিনিধি দল আসার পর কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের সঙ্গে একাধিক পর্বে আলোচনা হয়েছিল। উত্তরপূর্বে জঙ্গি কার্যকলাপ এবং বিচ্ছিন্নাবাদকে প্রশমন করতে কেন্দ্রীয় সরকার গত তিন বছরে আসামের বিদ্রোহী বড়ো, ডিমাসা, কার্বি এবং বিভিন্ন আদিবাসী সংগঠনগুলির সঙ্গে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: তৃণমূল নেত্রীর গাড়িতে নীলবাতি! চলছে দিব্যি ঘোরাঘুরি, শহরজুড়ে ব্যাপক শোরগোল

    Siliguri: তৃণমূল নেত্রীর গাড়িতে নীলবাতি! চলছে দিব্যি ঘোরাঘুরি, শহরজুড়ে ব্যাপক শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের গাড়িতে নীলবাতির আলো জ্বালিয়ে দিব্যি বুক চিতিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী। এই তৃণমূল নেত্রী হলেন শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি। এই গাড়িতে করেই শিলিগুড়িতে নানান বৈঠক করছেন তিনি। কিন্তু এই ভাবে নীল আলো জ্বালিয়ে কি সহকারী সভাধিপতি গাড়ি করে ঘোরাঘুরি করতে পারেন? আর এই নিয়েও ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। অবশ্য মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি অরুণ ঘোষের বক্তব্য “এই বিষয়ে কিছু জানা নেই।”

    নাম কী এই সহকারী সভাধিপতির (Siliguri)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমা পরিষদের ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে আদিবাসী সমাজ থেকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন অভিনেত্রী রোমা রেশমি এক্কা। এই মহকুমার বেশীর ভাগ এলাকায় আদিবাসী মানুষের বসবাস। তিনি আঞ্চলিক ভাষার সিনেমায় কাজ করেছেন। তাঁর জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে দলের টিকিট দিয়ে ভোটে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। কিন্তু এই ভাবে সহকারী সভাধিপতি কীভাবে নীল বাতি গাড়িতে ব্যবহার করতে পারেন, তাই নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধেও উঠেছে প্রশ্ন। রোমার অবশ্য বক্তব্য, “নীলবাতি লাগালে প্রশাসনিক কাজে ব্যাপক সুবিধা হয়। রাস্তায় যানজট থাকলে জরুরি বৈঠককে যেতে অসুবিধা হয়। ট্রাফিকের দায়িত্বে থাকা লোকজনের চোখে পড়ে না। ফলে নীলবাতি থাকলে সুবিধা হয়।”

    সরকারী নিয়ম কী?

    সরকারী নিয়মে বলা হয়েছে, যাঁরা মূলত আইন শৃঙ্খলার কাজ করেন তাঁদের মধ্যে উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের গাড়িতে নীলবাতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। পাশাপাশি জরুরি বা আপৎকালীন পরিষেবা দিতে এমন গাড়ির ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু তৃণমূল নেত্রী এমন কোনও পরিধির মধ্যে নেই। কিন্তু তবুও নীলবাতি! বিরোধীদের অবশ্য অভিযোগ শাসক দলের নেতা-নেত্রীরাই সব থেকে বেশি বেআইনি কাজ করে থাকেন। অবশ্য দার্জিলিং (Siliguri) জেলা শাসক প্রীতি গয়াল বলেন, “বিষয়ে খোঁজ নিয়ে বলব”।

    বিজেপির বক্তব্য

    মহকুমার (Siliguri) বিজেপি কিসান মোর্চার সাধারণ সম্পাদক অনিল ঘোষের বক্তব্য,“অত্যন্ত লজ্জাজনক ঘটনা, ওঁর কোনও ধারণা নেই। কে লালবাতি আর কে নীলবাতি নিয়ে ঘুরতে পারে সেই সম্পর্কে বিন্দু মাত্র বোধ নেই। বিডিও, এসডিও, ডিএমের মতো উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা নীলবাতি লাগাতে পারেন। যিনি শুধু জন প্রতিনিধি তাঁর পক্ষে এই বাতি ব্যবহার করা নিয়মের বাইরে। আসলে মানুষের অভাব অভিযোগের কথা যাতে না শুনতে হয় তাই নীলবাতি লাগিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন তৃণমূলের নেত্রী।” মহকুমার সভাধিপতি অরুণ ঘোষের বক্তব্য অবশ্য রোমার গাড়িতে এমন বাতি লাগানো আছে কিনা জানা নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi in Abu Dhabi: আবু ধাবিতে হিন্দু মন্দির উদ্বোধন করবেন মোদি, আমন্ত্রণ গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi in Abu Dhabi: আবু ধাবিতে হিন্দু মন্দির উদ্বোধন করবেন মোদি, আমন্ত্রণ গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার আরব আমিরশাহির রাজধানী আবু ধাবিতে (PM Modi in Abu Dhabi) বিএপিএস স্বামীনারায়ণ সংস্থার উদ্যোগে নির্মিত হিন্দু মন্দির উদ্বোধন (Abu Dhabi Temple Inauguration) করার আমন্ত্রণপত্র এল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে। মন্দির কমিটির একটি প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে এসে মোদিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যা রাম মন্দির উদ্বোধন করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। মোদির হাতে দেশে রাম মন্দির এবং বিদেশে হিন্দু মন্দির উদ্বোধনের ঘটনায় দেশজুড়ে খুশির আবহ।

    ১৪ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন হবে মন্দির

    মধ্যপ্রাচ্যের ইসলাম ধর্মপ্রধান দেশের শহর আবু ধাবি। সেখানে বিগত কয়েক বছর ধরেই চলছিল মন্দির নির্মাণের কাজ। এমনকী, ২০১৮ সালে আমিরাশাহি সফরে গিয়ে এই মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নিজের হাতে করে এসেছিলেন মোদি (PM Modi in Abu Dhabi) । মন্দির কমিটি সংস্থার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ (Abu Dhabi Temple Inauguration) করতে এদিন উপস্থিত হন ঈশ্বরচরণ স্বামীজি, গুরুবর্য মহন্ত এবং ব্রহ্মহারী স্বামীজি। আগামী বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন করা হবে এই মন্দির। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে আলোচনা করে এই প্রতিনিধিদল। আলোচনায় উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সম্পর্কে সাংস্কৃতিক ভাবনা এবং দর্শন চর্চা। এছাড়াও বিষয় ছিল বিশ্বের কাছে সৌহার্দ্য, হিন্দু সমাজের মাহাত্ম্য, বিশ্বের মঞ্চে ভারতের নেতৃত্ব ইত্যাদি বিষয়।

    কেমন হবে মন্দির?

    জানা গিয়েছে, এটিই হতে চলেছে আবু ধাবিতে (PM Modi in Abu Dhabi) প্রথম স্থাপিত হিন্দু মন্দির। শহরের আল বাকবা নামে একটি জায়গায় ২০ হাজার বর্গমিটার জমির মধ্যেই এই মন্দির স্থাপন করা হয়েছে। মন্দিরের স্থাপত্য এবং শিল্পকলায় যেমন আধুনিক চিত্রকলা থাকবে ঠিক একই ভাবে প্রাচীন চিত্রকলার নিদর্শনও থাকবে (Abu Dhabi Temple Inauguration)। মধ্যেপ্রাচ্যে এই মন্দির ভারতের ধর্ম এবং সংস্কৃতির একটি প্রধানকেন্দ্র হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে ভারতের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amrit Bharat Express: শনিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, কেমন হবে নতুন ‘অমৃত ভারত এক্সপ্রেস’?

    Amrit Bharat Express: শনিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, কেমন হবে নতুন ‘অমৃত ভারত এক্সপ্রেস’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বন্দে ভারতের পর আসছে নয়া ‘অমৃত ভারত এক্সপ্রেস’ (Amrit Bharat Express)। এই ট্রেনের বর্ণ হবে গেরুয়া। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, অত্যাধুনিক এই ট্রেন বেশ আশাব্যঞ্জক এবং ফলপ্রসূ হবে। শনিবার, প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে এই ট্রেনের উদ্বোধন হবে। উল্লেখ্য অমৃত ভারত একপ্রেসের পরীক্ষামূলক যাত্রা ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে।

    শনিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    এই ট্রেনের এর আগে নামকরণ করা হয়েছিল বন্দে সাধারণ। যা আদতে নন-এসি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। পরে নাম বদল করে ‘অমৃত ভারত এক্সপ্রেস’ (Amrit Bharat Express) রাখা হয়। ট্রেনের রঙ ধূসর ও গেরুয়ার সংমিশ্রণ। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ৩০ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অযোধ্যা থেকে উদ্বোধন করতে পারেন অমৃত ভারত এক্সপ্রেস। প্রথম ট্রেন যাবে অযোধ্যা থেকে বিহারের দ্বারভাঙা পর্যন্ত। দ্বিতীয় ট্রেনটি সম্ভবত চলবে মালদা থেকে বেঙ্গালুরু পর্যন্ত। যদিও, একনও রেলের তরফে সরকারি স্তরে কোনও ঘোষণা হয়নি।

    সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৩০ কিমি

    বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের মতো এই ট্রেনেও পুশ-পুল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ, ট্রেনের দুদিকের ইঞ্জিন সমানতালে কাজ করবে। সামনের ইঞ্জিন পুল করবে, শেষেরটি পুশ। ট্রেনের উভয় প্রান্তেই ডাব্লিউএপি-৫ ইঞ্জিন যুক্ত থাকছে।  এই ট্রেনের গতি ১০০ কিমি প্রতি ঘণ্টায় পৌঁছতে সময় লাগবে মাত্র কয়েক মিনিট। ঘণ্টায় সর্বাধিক ১৩০ কিলোমিটার বেগে চলবে এই ট্রেন। অমৃত ভারত ট্রেনে (Amrit Bharat Express) মোট ২২টি কোচ থাকবে। ৮টি সাধারণ (জেনেরাল) কোচ, ১২টি দ্বিতীয় শ্রেণির থ্রি টিয়ার স্লিপার কোচ ছাড়া দু’টি কামরা হবে লাগেজ ভ্যান। এতে একসঙ্গে প্রায় ১৮০০ যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন।

    যাত্রী স্বাচ্ছন্দ ও নিরাপত্তায় জোর

    সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ট্রেনের লোকো পাইলটদের জন্য স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখে সিটগুলিকে আরামদায়ক করা হয়েছে। এছাড়াও জেনারেল কামরার উপরে সিটে গদির ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রত্যেক সিটের সঙ্গে থাকবে উন্নতমানের মোবাইল চার্জিং পয়েন্ট। পাশাপাশি, রাখা হয়েছে এলইডি লাইট, বেসিন, পাখা, মেট্রোর মতো ঘোষণার সুবিধাও। ট্রেনে যাতে জলের অপচয় কম রাখা হয় তার জন্য সেন্সর ওয়াটার ট্যাপের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাত্রীদের সুরক্ষার দিকেও দেওয়া হয়েছে বিশেষ নজর। এই ট্রেনে ব্যবহার করা হয়েছে ‘কবচ’ প্রযুক্তি। ট্রেনে দুর্ঘটনার আশঙ্কা অবশ্যই কম থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া, প্রতিটি কোচে থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা। 

    ২ ঘণ্টা কম সময় লাগবে

    এই ট্রেনের ট্রায়াল ও অন্যান্য সুবিধাগুলিকে প্রত্যক্ষভাবে দেখেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, যেসব রুটে এই ট্রেনগুলি চলবে সেখানে যাত্রাপথে গন্তব্যে পৌঁছাতে ২ ঘণ্টা সময় কম লাগবে।  প্রবীণ বা বয়স্ক নাগরিক কিংবা বিশেষ সক্ষমরা যাতে উঠতে পারেন তার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। দরজা থাকবে বেশ চওড়া, জানালা থাকবে বেশ বড়বড়। দ্রুতগতি সম্পন্ন এবং নতুন প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ। দিল্লি থেকে কলকাতায় অমৃত ভারত এক্সপ্রেস (Amrit Bharat Express) ট্রেনে আসত ২ ঘণ্টা সময় কম লাগবে। এই প্রসঙ্গে মন্ত্রী নিজের এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “এই ট্রেন হল অমৃত কালের অমৃত ভারত ট্রেন।”

    কেমন হবে ভাড়া?

    অনেকে বলছেন, এই ট্রেন বন্দে ভারতের ছোট ভাই। তবে এর ভাড়া বন্দে ভারতের মতো হবে না। তুলনায় অনেক কম হবে ভাড়া। রেল জানিয়েছে, সাধারণ মেল অথবা এক্সপ্রেস ট্রেনের স্লিপার এবং দ্বিতীয় শ্রেণির তুলনায় মাত্র ১৫ থেকে ১৭ শতাংশ বেশি ভাড়া হবে এই ট্রেনে। অন্যান্য মেল অথবা এক্সপ্রেস ট্রেনগুলিতে এক থেকে ৫০ কিলোমিটারের জন্য দ্বিতীয় শ্রেণির যাত্রার ন্যূনতম টিকিটের দাম ৩০ টাকা (রিজার্ভেশন এবং অন্যান্য চার্জ ছাড়া)। সেখানে অমৃত ভারত এক্সপ্রেসে (Amrit Bharat Express) এক থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাওয়ার জন্য ন্যূনতম খরচ ৩৫ টাকা। রিজার্ভেশন ফি এবং অন্যান্য চার্জ ছাড়াই যাত্রীদের দিতে হবে এই অর্থ। রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ছাড়ের টিকিট এবং বিনামূল্যে পাসের জন্য টিকিট এই ট্রেনগুলিতে গ্রহণযোগ্য হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Actor-Politician Vijayakanth: কোভিডে কাড়ল প্রাণ, প্রয়াত তামিল অভিনেতা-রাজনীতিবিদ বিজয়কান্ত

    Actor-Politician Vijayakanth: কোভিডে কাড়ল প্রাণ, প্রয়াত তামিল অভিনেতা-রাজনীতিবিদ বিজয়কান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হলেন ডিমএমডিকে দলের প্রতিষ্ঠাতা রাজনীতিবিদ বিজয়কান্ত (Actor-Politician Vijayakanth)। বৃহস্পতিবার চেন্নাইতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই তামিল চলচ্চিত্র অভিনেতা। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। জানা গিয়েছে তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।

    হাসপাতাল সূত্রে খবর (Actor-Politician Vijayakanth)

    হাসপাতাল সূত্রে একটি জানা গিয়েছে, নিউমনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল ভর্তি হয়েছিলেন এই তামিল অভিনেতা বিজয়কান্ত (Actor-Politician Vijayakanth)। তাঁর অত্যধিক শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা ছিল। এরপর ভেন্টিলেশন সাপোর্টেও ছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা করা গেল না। বৃহস্পতিবার তাঁর মৃত্যু হয়েছে। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ত বুধবার নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়া থেকেই প্রবল শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তার মধ্যেই তিনি করোনা আক্রান্ত হন। প্রিয়জন তথা ভক্তকূলের কাছে ‘ক্যাপ্টেন’ নামে পরিচিত ছিলেন বিজয়কান্ত। সিনেমায় সেনা চরিত্রের ভূমিকায় অভিনয় করার জন্য এই বিশেষ পরিচয়ে সুনাম অর্জন করেছিলেন তিনি। নব্বইয়ের দশকের গোড়ায় সেলুলয়েডে তাঁর জনপ্রিয়তা দেখে তাঁকে তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এমজি রামচন্দ্রণের সঙ্গে তুলনা করা হতো। বিজয়কান্ত ১৫০টির বেশি তামিল সিনেমায় অভিনয় করেছেন।

    ডিএমডিকে দলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন

    ২০০৫ সালে দেশিয়া মুরপোক্কু দ্রাবিড় কাজাগাম (ডিএমডিকে) দল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রাজনীতিতে পদার্পণ করেন বিজয়কান্ত (Actor-Politician Vijayakanth)। ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-র বিকল্প দল হিসবে তামিলনাড়ুতে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করেন তিনি। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ললিতার এডিএমকে-র সঙ্গে জোট করে নির্বাচনে লড়াই করে ২৯টি আসনে জয়ী হয় তাঁর দল। পরে অবশ্য জোট ভাঙার কারণে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হয়েছিলেন তিনি। অনেকদিন ধরে ডায়বেটিসের চিকিৎসা চলছিল তাঁর। ২০২২ সালের একটা সময়ে এই রোগের কারণে পায়ের একটি আঙুল কেটে বাদ দিতে হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপির সঙ্গেও জোট করেছিলেন বিজয়কান্ত।

    করোনার বাড়বাড়ন্ত

    ডিসেম্বরের শুরু থেকেই সারা দেশে করোনা সংক্রমণের প্রভাব বাড়তে শুরু করেছে। দেশে মোট সক্রিয় রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চার হাজার। দক্ষিণ ভারতে, বিশেষ করে কেরলে এই সংক্রমণের প্রভাব অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। সংক্রমণের নতুন সংস্করণ জেএন ওয়ানের প্রমাণ মিলেছে বেশ কিছু রাজ্যে। এই অভিনেতার (Actor-Politician Vijayakanth) মৃত্যুতে করোনায় চিন্তা বাড়িয়েছে।

    সফদরজং হাসপাতালের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. জুগল কিশোর জানিয়েছেন, “করোনার সংক্রমণ শুরু হওয়ার এক মাস পর সেটা বাড়তে শুরু করে। ফলে ভারতে জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে সংক্রমণ চরম আকার নিতে পারে। সকলকে তাই আরও সতর্ক থাকতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: বলাগড়ে ধর্ষণের শিকার এক কিশোরী! অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর

    Hooghly: বলাগড়ে ধর্ষণের শিকার এক কিশোরী! অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টিভি দেখতে এসে ধর্ষণের শিকার এক কিশোরী। ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হুগলির (Hooghly) বলাগড়ের এক তৃণমূল নেতার ছেলে। এলাকায় জানাজানি হতেই উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তের বাড়িতে খোঁজ করে না পেলে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। পাশাপাশি ধর্ষণের প্রতিবাদে এলাকার বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী অভিযুক্তের বিরুদ্ধে শাস্তি চাইলেন। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোরগোল। 

    মূল অভিযোগ কী(Hooghly)?

    স্থানীয় (Hooghly) সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৫ ডিসেম্বর সোমাবার ১৩ বছরের এক নাবালিকা, পাশের এক প্রতিবেশীর বাড়িতে টিভি দেখতে যায়। সেই সময় এক যুবক ওই নাবালিকাকে জোর করে হাত ধরে তুলে নিয়ে যায় এলাকার একটি নির্মীয়মাণ পাকা বাড়িতে। এরপর ওই নির্জন বাড়িতে শারীরিক নিগ্রহ করে বলে অভিযোগ করা হয়। ঘটনার সময় এক প্রতিবেশী দেখে ফেলেন, কিন্তু অভিযুক্ত যুবককে আটকানোর চেষ্টা করলে উলটে হুমকি দেয় যুবক। এরপর গত মঙ্গলবার ঘটনা জানাজানি হতেই অভিযুক্তের বাড়িতে চড়াও হয় এলাকার মানুষ। কিন্তু তার আগেই অভিযুক্ত যুবক বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়।

    অভিযুক্তের বাবা তৃণমূলনেতা

    স্থানীয় (Hooghly) সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের বাবা তৃণমূলের নেতা। এরপর আজ বুধবার তৃণমূল নেতার বাড়িতে এলাকার মানুষ গিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে। ইতিমধ্যে পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে গেলে এলাকার তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারীও পৌঁছান। তিনি বলেন, “১৩ বছরের মেয়েকে ধর্ষণকরা হয়েছে। অভিযুক্ত আবার হুমকি দিয়ে গেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অপরাধীকে দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। দুস্কৃতীরা দলের নাম ভাঙিয়ে খারাপ কাজ করে। মানুষকে ভয় দেখিয়ে নিজদের উদ্দেশ্যকে পূরণ করে।”

    এলাকার মানুষের বক্তব্য

    এলাকার স্থানীয় (Hooghly) অঞ্জনা দাস বলেন, “অভিযুক্তরা চার ভাই, ওরা পাড়ায় একদম ভালো ব্যবহার করেনা।” আবার অভিযুক্তের বাবা বলেছেন, “আমার পরিবার রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার হচ্ছে। আমি আগে কংগ্রেস করতাম, ১৯৯৮ সাল থেকে তৃণমূল করি। দলের সব কাজে থাকি। আমার ছেলে অন্য রাজ্যে কাজ করে। এখন বাড়িতে এসেছে। একটা ব্যবসার কাজে যুক্ত। ওর সামনেই বিয়ে। চক্রান্ত করে ওকে ফাঁসানো হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share