Tag: Madhyam

Madhyam

  • Ayodhya Ram Mandir: রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে অযোধ্যায় আসছে নানা উপহার! কী কী থাকছে?

    Ayodhya Ram Mandir: রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে অযোধ্যায় আসছে নানা উপহার! কী কী থাকছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir) রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে আগামী ২০২৪ সালের ২২ জানুয়রি। এই দিন হবে শ্রী রামচন্দ্রের ‘অভিষেক’। রামায়ণে উল্লেখ রয়েছে, রামের শ্বশুরবাড়ি ছিল জনকপুরধাম। এই ধাম থেকে প্রভু রামলালার জন্য উপহার হিসাবে আসবে গয়না, জামাকাপড়, মিষ্টির নানান পসরা। এরপর তা দিয়ে করা হবে রামলালার অভিষেক এবং পুজো। সেই সঙ্গে নেপাল থেকে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনের আগে একটি বিশেষ শোভা যাত্রাও আসবে বলে জানা গিয়েছে। 

    জনকপুর ধাম থেকে অযোধ্যায় যাত্রা (Ayodhya Ram Mandir)

    রামায়ণে উল্লেখ পাওয়া গিয়েছে, শ্রীরামচন্দ্রের সঙ্গে বিবাহ হয়েছিল জনকপুরের রাজকন্যা সীতা মাতার সঙ্গে। এই জনকপুর এখন বর্তমানে নেপালে। প্রভু রামের মন্দিরে অভিষেকের দিনে এই সীতার বাপের বাড়ি থেকে আসবে বিভিন্ন ধরনের গয়না, বাসনপত্র, জামাকাপড়, মিষ্টি সহ নানা উপহার। সেই সঙ্গে জনকপুর ধাম থেকে অযোধ্যা পর্যন্ত সীতামায়ের বাপের বাড়ির পক্ষ থেকে একটি শোভাযাত্রাও হবে। আগামী ২০ জানুয়ারিতে এই যাত্রা শেষ হবে। এরপর মন্দির ট্রাস্টের (Ayodhya Ram Mandir) হাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিয়ে আসা নানা উপহার তুলে দেওয়া হবে।

    জানকী মন্দিরের পক্ষে বক্তব্য

    জনকপুরধামের জানকী মন্দিরের প্রধান মহন্ত রামরোশন দাস বৈষ্ণব বলেছেন, “আগামী ১৮ জানুয়ারি থেকে বিশেষ যাত্রা শুরু হবে। জনকপুরধাম থেকে জলেশ্বর, মাংওয়া, সিমরৌংগড়, গাধিমাই, বীরগঞ্জ হয়ে ভারতে ঢুকে যাত্রা করবে। এরপর বেটিয়া, কুশিনগর, সিদ্ধার্থনগর, গোরক্ষপুর হয়ে আগামী ২০ জানুয়ারি অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir) পৌঁছাবে যাত্রা।” প্রভু রামের উদ্দেশে এই যাত্রা ভক্তদের মধ্যে ইতিমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। 

    মন্দির নির্মাণে নেপালের বড় অবদান

    সূত্রে জানা গিয়েছে, নেপালের কালীগণ্ডকী নদীর তীর থেকে শালগ্রাম শিলা সংগ্রহ করে আনা হয়েছে অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir)। ইতিপূর্বে এই শিলা থেকেই প্রভু রামচন্দ্রের মূর্তি নির্মাণ করা হয়েছে। এই শিলা নির্মিত মূর্তি, মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে আগামী ২২ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠা করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: তামিলনাড়ুতে তৈরি ৪৮টি ব্রোঞ্জের ঘণ্টা পাঠানো হবে অযোধ্যার রামমন্দিরে

    Ayodhya Ram Mandir: তামিলনাড়ুতে তৈরি ৪৮টি ব্রোঞ্জের ঘণ্টা পাঠানো হবে অযোধ্যার রামমন্দিরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুর নামক্কাল জেলায় তৈরি করা হয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) জন্য বিশেষ ঘণ্টা। এই ঘণ্টা অর্পণ করা হবে প্রভু শ্রী রামলালাকে। আগামী ২২ জানুয়ারি মন্দিরের উদ্বোধনের জন্য মোট তৈরি ৪৮টি ব্রোঞ্জের ঘণ্টাকে নিবেদন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রামভক্তদের মধ্যে এই ঘণ্টাগুলিকে নিয়ে তীব্র উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    ঘণ্টা নির্মাণের শিল্পী কে (Ayodhya Ram Mandir)?

    বেঙ্গালুরুর নিবাসী এক রামভক্ত রাজেন্দ্র প্রসাদ হলেন এই বিশেষ ঘণ্টার শিল্পী। তাঁর বয়স ৬৯ বছর। তিনি তামিলনাড়ুর নামক্কালের মোহানুর রোডে অন্ডাল মোল্ডিং ওয়র্কাস থেকে এই ৪৮টি বৃহৎ ঘণ্টা তৈরি করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এই ঘণ্টাগুলির মোট ওজন প্রায় ১২০০ কেজি। এর মধ্যে আবার তৈরি করা ঘণ্টাগুলির ওজনের তারতম্য রয়েছে। ১২০ কেজি ওজনের ৫টি ঘণ্টা, ৭০ কেজি ওজনের ৫টি ঘণ্টা, ২৫ কেজি ওজনের একটি ঘণ্টা রয়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে ৩৬টি হাতে বাজানোর ঘণ্টা রয়েছে। উল্লেখ্য অন্ডাল মোল্ডিং ওয়র্কাস হল একটি সপ্তম প্রজন্মের সংস্থা। সারা দেশে তাঁদের সুখ্যাতি কেবলমাত্র ঘণ্টা উৎপাদনের জন্যই। অযোধ্যার রামলালার মন্দিরে (Ayodhya Ram Mandir) নিবেদিত এই ঘণ্টাগুলিকে গত ১৪ ডিসেম্বরেই বেঙ্গালুরুর আঞ্জেনেয়া মন্দিরে পুজোর জন্য পাঠানো হয়েছিল। এরপর সেগুলি অযোধ্যার রামমন্দিরে যাবে।

    কী বললেন শিল্পী

    অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) জন্য তৈরি করা ঘণ্টার প্রসঙ্গে রাজেন্দ্র প্রসাদ বলেন, “এই অযোধ্যার রামমন্দিরের চূড়া আমাদের জাতীয় গর্বের প্রতীক। আমি নিজেকে খুব গর্বিত মনে করছি এই ঘণ্টা নির্মাণ করে। এটা আমার কাছে অত্যন্ত সম্মানের এবং শ্রীরামের কৃপায় বড় সুযোগ এসেছে। এই কাজে আমার ছেলে কালীদোস ওরফে এক্কা পুরুষোত্তম সহ আরও ২৫ জন নির্মাণ কাজ করেছেন। ঘণ্টাগুলি তৈরিতে নানা ধাতু যেমন তামা, রুপো এবং দস্তার ব্যবহার করা হয়েছে। তবে লোহা ব্যবহার করা হয়নি। এই ঘণ্টাগুলির শব্দ এবং তার কম্পন বেশ তীব্রতর হবে।”

    উল্লেখ্য অযোধ্যার রাম মন্দিরের জন্য ১০৮টি ঘণ্টার প্রয়োজন। ইতিমধ্যে ৪৮টা ঘণ্টা প্রস্তুত করা হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই থুথুকুডি জেলার ইরাল থেকে ৬৫০ কেজির একটি সুবিশাল ঘণ্টা ইতিমধ্যেই অযোধ্যায় পৌঁছে গিয়েছে। রাম মন্দিরের আধ্যাত্মিক পরিবেশকে সুউচ্চ মার্গ দিতে বিশেষ ভাবে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন রাম ভক্তরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weed Farming: দোষ প্রমাণ হলে কারাবাস! তবুও লাভের আশায় রমরমিয়ে চলছে গাঁজার চাষ

    Weed Farming: দোষ প্রমাণ হলে কারাবাস! তবুও লাভের আশায় রমরমিয়ে চলছে গাঁজার চাষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোষ প্রমাণ হলে যাবজ্জীবন কারাবাস। কিন্তু সব জেনেও লাভের আশায় প্রতিবছর গাঁজার চাষ (Weed Farming) করেন কোচবিহারেরে চাষিরা। মামলা হয় অনেকের নামে, এমন কী পুলিশ গ্রেফতার করেও নিয়ে যায়। তারপরও বেশি পয়সার জন্য এই অবৈধ ভাবে রমরমিয়ে গাঁজার চাষ করতে বাধ্য হন চাষিরা। রীতিমতো দরমার বেড়া দিয়ে ঘিরে রেখে, কিছুটা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয় গাঁজা চাষের জমিকে। নিরুপায় কিন্তু পেট চালানোর জন্য এই ভাবেই কোচবিহারে চলছে অবৈধ গাঁজার চাষ।

    চাষিদের বক্তব্য (Weed Farming)

    কোচবিহারেরে একচাষি (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, “এক বিঘা জমিতে ধান চাষ করে আয় হয় মাত্র পাঁচ হাজার টাকা, আবার ওই জমিতেই গাঁজা চাষ (Weed Farming) করে আয় হয় সাত লক্ষ টাকা। এরপর এই গাঁজা চলে যায় অন্য রাজ্যে। রাজ্যে চাষের ফসলে সঠিক দাম না পাওয়ার জন্যই এইভাবে লুকিয়ে চাষ করে থাকি আমরা।”

    প্রশাসনের বক্তব্য

    কোচবিহার আবগারি দফতরের জেলা জেলার সুপারিনটেন্ডেন্ট সাঙ্গে ডোমা ভুটিয়া বলেন, “অতিরিক্ত লাভের আশায় অনেক চাষি গাঁজার (Weed Farming) চাষ করেন। কিন্তু এটা পুরোপুরি বেআইনি। তাই পদক্ষেপ বেশ কড়া নিতে হয় আমাদের।” আবার কোচবিহার পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য বলেন, এখনও পর্যন্ত জেলায় তিন হাজার বিঘা গাঁজার চাষ নষ্ট করা হয়েছে।”

    পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এই গাঁজা চাষের পিছনে চাষিদের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ থাকে না, এর পিছনে একটি বিরাট চক্র কাজ করে। গাছ লাগানো থেকে শুরু করে, গাছ পরিচর্যা ইত্যাদির জন্য আগে থেকে চাষিদের হাতে টাকা দেওয়া হয়। এমনকি গাছ পরিণত হওয়ার আগেই লাভের বেশির ভাগ টাকা চলে যায় ওই পাচারচক্রীদের কাছে। কলকাতা, মুম্বই, দিল্লি থেকে পাইকারীরা গ্রামের চাষিদের টাকা দিয়ে গাঁজা কিনে নেয়। লাভের টাকা তেমন ভাবে চাষিরা পান না। তবে শাস্তির সম্মুখে পড়তে হয় কেবল চাষিদেরই।

    গাঁজা চাষ বছরের দুইবার হয়

    সূত্রে জানা গিয়েছে, গাঁজা চাষ (Weed Farming) বছরে দুইবার হয়। একটি আষঢ়ি অপরটি হেমতি। ভালো মানের চাষ আষাঢ় মাসেই হয়ে থাকে। তবে এখন মণিপুরের এক রকমের দামে বেশি এক প্রকার গাঁজার চাষ হচ্ছে কোচবিহারে। কোচবিহারের তোর্সা, মানসাই, ধরলা, কালজানি নদীর দু’ধারের জমিতে চাষ হয় গাঁজা। তাই রাজ্যের কৃষি বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, “রাজ্য সরকারকে চাষিদের খাদ্যশষ্য চাষের দিকে উৎসাহী করতে হবে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: পোশাকের রঙ নীল-সাদা করায় বিতর্কের মুখে জলপাইগুড়ি জেলা স্কুল

    Jalpaiguri: পোশাকের রঙ নীল-সাদা করায় বিতর্কের মুখে জলপাইগুড়ি জেলা স্কুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পোশাক বিতর্কে ফের শোরগোল পড়েছে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা স্কুলে। এই স্কুল শতাব্দীর পুরতান ইতিহাস বহন করে চলেছে। আগে স্কুলের পোশাকের রঙ ছিল সাদা জামা এবং কালো প্যান্ট। এবার থেকে নতুন স্কুল পোশাকের রঙ হবে সাদা জামা এবং নীল প্যান্ট। স্কুলের এই পোশাক বদলে রীতিমতো বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে এই জেলা স্কুল।

    ১৮৭৬ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের নির্দেশে মাসিক ২০০ টাকা করে সরকারি বরাদ্দ দিয়ে স্কুল নির্মাণ করা হয়েছিল। নানা সময়ে স্কুলের ভবন নির্মাণের বদল হলেও বদলায়নি পোশাকের রঙ। ফলে স্কুলের অভিভাবক, প্রাক্তনীরা তীব্র আপত্তি তুলেছেন পোশাকের রঙ বদলের সিদ্ধান্তে। আবার প্রাক্তনীদের কেউ কেউ বলছেন, “বর্তমান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পছন্দের রঙ নীল-সাদাকে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে স্কুলের উপর। তাই অনেক ছাত্রের অভিভাবকেরা এই নীল-সাদা রঙের পোশাক ফিরিয়ে দিয়েছেন।”

    স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য (Jalpaiguri)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা স্কুল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রাতঃবিভাগে পড়ুয়াদের নীল-সাদা পোশাক দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে সাদা জামা এবং নীল প্যান্ট পরে আসতে হবে। প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত এই পোশাক দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য মাত্র আর দুই বছর পরেই এই স্কুলের সার্ধশতবর্ষ উদযাপন করা হবে। ফলে সবকিছু নতুন করে সেজে উঠছে স্কুলের পরিকাঠামো। ঠিক এই মুহূর্তে স্কুলের পোশাক বদলের সিদ্ধান্তকে অনেকেই ভালো ভাবে নিচ্ছেন না।

    স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য

    স্কুলের (Jalpaiguri) প্রধান শিক্ষক ধর্মচাঁদ বাড়ুই বলেন, “সরকারি নিয়ম মেনে পড়ুয়াদের পোশাকের রঙ ঠিক করা হয়েছে। স্কুলের সব রকম পরিকল্পনার জন্য সরকার ঢেলে সাজানোর ব্যবস্থা করেছে। তাই সরকারী স্কুলে সরকারের নির্দেশকে মান্যতা দিতে হবে। তবে কেউ কেউ আপত্তি করছেন। এটা ঠিক নয়।”

    নীল-সাদা রঙ নিয়ে আপত্তি একাকধিক স্কুলে

    জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা স্কুলের পোশাকের নীল-সাদা রঙ নিয়ে যেমন আপত্তি উঠেছে, ঠিক তেমনি রাজ্যের একাকধিক ঐতিহ্যবাহী স্কুলগুলিতে নীল-সাদা রঙে আপত্তি জানিয়ে আগেও আন্দোলন হয়েছিল। যেমন- কোচবিহারের সুনীতি অ্যাকাডেমি স্কুলের পোশাকের রঙ বদল করে নীল-সাদা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন হয়। আবার শিলিগুড়ি গার্লস স্কুল ভবনের আগের রঙ লাল-হলুদকে বদল করে নীল-সাদা করতে চাইলে ব্যাপক প্রতিবাদ ওঠে স্কুলে। এমনকি প্রতিবাদের কারণে রঙ বদলের সিদ্ধান্তও স্থগিত রাখতে বাধ্য হয় স্কুল কর্তৃপক্ষ।

        

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: জাতিগত শংসাপত্রের জালিয়াতির চক্র খোদ সরকারি দফতরেই!

    Malda: জাতিগত শংসাপত্রের জালিয়াতির চক্র খোদ সরকারি দফতরেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের সরকারি দফতরেই চলছে জাতিগত শংসাপত্রের জালিয়াতির চক্র। এলাকার ছাত্রদের দেওয়া এই জাল শংসাপত্রে রয়েছে সরকারি আধিকারিকের স্বাক্ষর। তার জেরে ছাত্রদের চুড়ান্ত ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে। জাল শংসাপত্রের কারণে বর্তমানে স্কলারশিপ থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়েছে পড়ুয়ারা। ঘটনায় মালাদায় (Malda) ব্যাপক শোরগোল পড়ছে। অবশ্য চাঁচল মহকুমা শাসক শৌভিক মুখোপাধ্যায় বলেন, “প্রক্রিয়াগত কারণের জন্যই এই ধরনের ভুল হয়েছে। বিডিওকে বিষয় দেখার জন্য বলেছি।”

    ঘটনা কীভাবে ঘটল (Malda)?

    রাজ্যে একের পর এক জালয়াতির চক্র ফাঁস আগেও হয়েছে। ভুয়ো ভ্যাক্সিনের চক্র, ভুয়ো ডাক্তার, ভুয়ো সিআইডি, ভুয়ো শিক্ষক ইত্যাদি একেরপর এক জালিয়াতির ঘটনায় রাজ্যের শাসক দলকে বারবার কাঠগড়ায় তুলেছে বিরোধী দলগুলি। এবার মালদার (Malda) চাঁচলের ২নং ব্লকের কাপাসিয়া এলাকার ১২ থেকে ১৫ জন তফশিলি জাতির পড়ুয়াদের জাল শংসাপত্রের কারণে ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হয়েছে। উল্লেখ্য ছাত্ররা নিয়ম মেনেই সরকারি ব্লকে আবেদন করেছিল। পরবর্তী সময়ে দফতর থেকেই সেই শংসাপত্র দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই শংসাপত্র বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে জানতে পারা যায় শংসাপত্রগুলি জাল। এরপর থেকেই ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি হয় জেলায়।

    আভিযোগ বিডিও-র কাছে

    ঘটনায় জাল শংসাপত্রের কথা জানিয়ে ইতিমধ্যে ব্লকের বিডিওর কাছে অভিযোগ জানিয়েছে ছাত্র-ছাত্রীরা। এখন প্রশ্ন হল কীভাবে সরকারি দফতরে এই ভাবে জালিয়াতির কাজ চলছে? আর তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। এই পড়ুয়ারা প্রত্যেকেই বেছপুরা কালিকাপুর হাই স্কুলের (Malda) ছাত্রছাত্রী। ২০১৯ সালে তারা আবেদন করছিল শংসাপত্রের জন্য। এরপর ২০২০ সালে সেই শংসাপত্র পায় এবং ২ নম্বর চাঁচল ব্লকের হাতে তা তুলে দেওয়া হয়। এবার এই শংসাপত্র নিয়ে স্কলারশিপের জন্য আবেদন করলে ব্লক অফিস থেকে বলা হয় শংসাপত্র জাল এবং তা অবৈধ। এরপর ব্লকের আধিকারিকের কাছে অভিযোগ জানালেও তা কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ করে পড়ুয়ারা।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিষয় সামনে আসতেই ইতিমধ্যে সরকারের বিরুদ্ধে বিজেপি তীব্র আক্রমণ করেছে। বিজেপির দাবি, “এই রাজ্যের তৃণমূল সরকার একটি জাল সরকার। তাই এটাতে নতুন কিছু নয়।” অপর দিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে এলাকার (Malda) বিধায়ক আব্দুল রহিম বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। বিষয় খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছি।”       

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: সৌরযান আদিত্য-এল১ নিজের গন্তব্যে কবে পৌঁছাবে, জানিয়ে দিলেন ইসরো প্রধান

    ISRO: সৌরযান আদিত্য-এল১ নিজের গন্তব্যে কবে পৌঁছাবে, জানিয়ে দিলেন ইসরো প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সৌরযান ‘আদিত্য-এল১’ কবে পৌঁছাবে তা জানিয়ে দিল ইসরো (ISRO)। উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই সূর্যের বিভিন্ন সময়ের ছবি তুলে পাঠিয়েছিল আদিত্য-এল১। সেই ছবি নিজেদের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে পোস্ট করেছিল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। ইসরো প্রধান এস সোমনাথ বলেছেন, “আদিত্য-এল১ একবার সফল ভাবে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারলে আগামী ৫ বছরের জন্য সূর্যের বিভিন্ন অবস্থার সম্পর্কে তুলে ধরতে সাহায্য করবে।” উল্লেখ্য পৃথিবীর উপর সূর্যের প্রভাব কেমন হবে সেই সম্পর্কেও নানা তথ্য উঠে আসবে বলে জানা গিয়েছে। ভারতের জন্য মহাকাশ গবেষণার এই সময় পর্ব বেশ উল্লেখযোগ্য মনে করছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীদের একাংশের মানুষ।

    কী বলেন ইসরো প্রধান (ISRO)?

    গত ২ সেপ্টেম্বর শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে পাঠানো হয়েছিল সূর্যযান আদিত্য-এল১ সৌরযানকে। ইসরো (ISRO) মহানির্দেশক এস সোমনাথ বলেছেন, “আদিত্য-এল১ নিজের নির্ধারিত গন্তব্য স্থলে পৌঁছাতে সময় লাগবে প্রায় ১১০ দিন। ২০২৪ সালের গোড়ার দিকেই আদিত্য-এল১ নিজের নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছাবে। আগামী ৬ জানুয়ারি শুক্রবার এই সূর্যযান নিজের গন্তব্য স্থল ল্যাগ্রাঞ্জিয়ান পয়েন্ট-১ পয়েন্টে পৌঁছে যাবে। পৃথিবী থেকে ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করবে এই সূর্যযান। ভারতের জন্য এই সময় অমৃত কাল, অত্যন্ত গর্বের সময়। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ পর্যবেক্ষণেই সম্ভব হয়েছে সৌরযানের উৎক্ষেপণে।”

    চাঁদের দক্ষিণ মেরু জয় ভারতের

    উল্লেখ্য, গত বছর চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে মাটিতে সফল ভাবে অবতরণ করেছিল বিক্রম ল্যান্ডার ও প্রজ্ঞান রোভার। সেই ঘটনায় সারা বিশ্বে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল ইসরো। দেশের মধ্যে চন্দ্রযান ৩ নিয়ে ব্যাপক উন্মাদনা ও উদ্দীপনার সঞ্চার হয়েছিল। চন্দ্রযান-৩ অভিযানের মাধ্যমেই বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ভারত পা রেখেছিল। ইসরোর সেই সাফল্যের সুখ্যাতি নাসাও করেছিল। উল্লেখ্য ভারতের বায়ুসেনার সহযোগিতায় ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে মানুষ পাঠানোর কথাও কয়েকদিন আগে জানিয়েছে ইসরো। সেই সঙ্গে আরও জানা গিয়েছে, নাসার সঙ্গে ইসরো যৌথ উদ্যোগে পৃথিবীর ভূ-প্রকৃতি, জলভাগ এবং বনাঞ্চলগুলিকে পর্যবেক্ষণের জন্য বিশেষ ‘নিসার’ উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট পাঠাবে। সম্প্রতি এবিষয়ে নাসার এক বিজ্ঞানী ভারতে এসেছিলেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Poush Mela Santiniketan: শান্তিনিকেতনে পৌষমেলার জন্য চলবে ‘স্পেশাল ট্রেন’, ঘোষণা পূর্ব রেলের

    Poush Mela Santiniketan: শান্তিনিকেতনে পৌষমেলার জন্য চলবে ‘স্পেশাল ট্রেন’, ঘোষণা পূর্ব রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিনিকেতনের পৌষমেলায় ‘পৌষমেলা স্পেশাল ট্রেন’ (Poush Mela Santiniketan) চালানোর কথা ঘোষণা করেছে পূর্ব রেল। সূত্রে জানা গিয়েছে, পর্যটকদের যাতায়েত সুবিধার জন্য এই বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যদিও সাময়িক ভাবে বিগত কয়েক বছর এই মেলা বন্ধ থাকলেও এবছর ফের মেলা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। প্রচুর পর্যটকদের ভিড় হবার আশঙ্কায় এই স্পেশাল ট্রেন চলবে।

    রেলের সূত্রে কী জানা গিয়েছে (Poush Mela Santiniketan)?

    গত কয়েক বছর ধরে বোলপুরের শান্তিনিকেতনে মেলা বন্ধ ছিল। এই বছর ফের মেলা হওয়ার কথা জানিয়েছে মেলা কর্তৃপক্ষ। ফলে এই বছর বেশ মেলার কারণে ব্যাপক ভিড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব রেলের তরফ থেকে জানা গিয়েছে মেলার (Poush Mela Santiniketan) আগত পর্যটকরা জেনারেল সেকেন্ড ক্লাসে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। আগামী ২৫, ২৬, ২৭ ডিসেম্বর হাওড়া থেকে রামপুরহাট পর্যন্ত এই স্পেশাল ট্রেন চলবে বলে জানা গিয়েছে। এই সকল ট্রেনগুলি ব্যান্ডেল, বর্ধমান হয়ে রামপুরহাট পর্যন্ত চলবে। মেলার জন্য এই প্রত্যেকদিন সকাল ৭ টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত হাওড়া থেকে চলবে এই পৌষমেলা স্পেশাল ট্রেন। এই ট্রেন সকাল ১১ টার মধ্যে পৌঁছে যাবে রামপুরহাটে। আবার বিকাল ৩ টার সময় রামপুরহাট থেকে চলবে এবং হাওড়ায় পৌঁছাবে সন্ধ্যে ৭ টায়। সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ট্রেনের যাত্রাপথে যে যে স্টেশনে দাঁড়াবে তা হল ব্যান্ডেল, বর্ধমান, গুসকরা, বোলপুর, শান্তিনিকেতন, প্রান্তিক, আহমেদপুর, সাঁইথিয়া।

    মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিকের বক্তব্য

    পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানান, “এই স্পেশাল ট্রেন মেলার (Poush Mela Santiniketan) দর্শনার্থীদের কাছে বাজেট ফ্রেন্ডলি হবে। ট্রেনের মধ্যে জেনারেল সেকেন্ড ক্লাসে ভ্রমণ করা যাবে।”

    উল্লেখ্য, এই মেলা খুবই ঐতিহ্যবাহী মেলা। কিন্তু বিশ্বভারতীর বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর সময়ে সাময়িক ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। অবশ্য বন্ধের পিছনে স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের বিশ্বভারতীর মেলারমাঠ দখল এবং ক্যাম্পাসের শিক্ষার পরিবেশকে ধ্বংস করার বিষয়ে শাসক দলের রাজনীতি উঠেছিল। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের ছাত্র, গবেষক, আশ্রমিক এবং স্থানীয় মানুষ পৌষমেলার দাবিতে বারবার আন্দোলন করতে দেখা যায়। যদিও নতুন অস্থায়ী উপাচার্য নিযুক্ত হওয়ার বিশেষ বৈঠকে ‘মেলার প্রস্তুতিতে সময়ের অভাবে’র কথা না বললেও আবার স্থানীয় মানুষের দাবিতে মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • LPG Re-KYC: দিতে হবে না লাইন! ঘরে বসেই হবে গ্যাসের আধার-বায়োমেট্রিক যাচাই! কীভাবে?

    LPG Re-KYC: দিতে হবে না লাইন! ঘরে বসেই হবে গ্যাসের আধার-বায়োমেট্রিক যাচাই! কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে এলপিজির রি-কেওয়াইসি (LPG Re-KYC) করা নিয়ে সাড়া পড়ে গিয়েছে। অনেকেই এই কাজের জন্য গ্যাসের ডিলারদের কাছে লম্বা লাইন দিচ্ছেন। আবার অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ পেয়ে গ্রাহকদের মনে বিভ্রান্তি তৈরি করে টাকা উপার্জনের চেষ্টাও করছেন। তবে, হাতে স্মার্টফোন থাকলে, লাইন না দিয়ে, বাড়িতে আরামে বসেই করে ফেলতে পারেন এই প্রক্রিয়াটি। কীভাবে তা করবেন, জেনে নিন—

    কীভবে করবেন রি-কেওয়াইসি (LPG Re-KYC)?

    বাড়িতে বসেই আপানি মোবাইলে রি-কেওয়াইসি (LPG Re-KYC) করতে পারবেন। ইন্ডিয়ান অয়েলর অ্যাপটি সম্প্রতি আপডেট করা হয়েছে। প্রথমে গ্রাহকেরা বাড়িতে বসেই ‘ইন্ডিয়ানঅয়েল ওয়ান’ (IndianOil One) অফিসিয়াল অ্যাপ এবং আধারের ফেস স্ক্যানার অ্যাপ মোবাইলে ডাউনলোড করবেন। এর সঙ্গে  থাকতে হবে এম আধার। ইন্ডিয়ানঅয়েল ওয়ান অ্যাপটি ওপেন করে প্রোফাইল তৈরি করুন, যদি তা না করা থাকে। এরপর মেনু থেকে এলপিজি সেকশন বেছে নিন। এরপর ডোমেস্টিক এলপিজি কানেকশন বেছে নিন। এরপর এলপিজি ড্যাশবোর্ড স্ক্রিনে প্রোফাইলে গিয়ে রি-কেওয়াইসি অপশনে ক্লিক করতে হবে। কেওয়াইসি-তে আপত্তি নেই জানিয়ে চেকবক্সে একটি টিক করুন এবং নিচের ‘ফেস স্ক্যান’ অপশনে ক্লিক করুন। 

    এর সঙ্গে মোবাইলে থাকতে হবে ফেসআরডি সার্ভিসের ব্যবস্থা। মোবাইল প্লে-স্টোর থেকে ‘আধার ফেসআরডি’ (AadhaarFaceRd) ডাউনলোড করতে হবে। অ্যাপটি ইউআইডিএআই-এর মাধ্যমে আধার ফেস ভেরিফিকেশন করতে সক্ষম। এরপর এই স্ক্যানারে মুখ স্ক্যান করলেই গ্যাসের রি-কেওয়াইসি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে। একই ভাবে ভারত পেট্রোলিয়াম ও হিন্দুস্থান পেট্রোলিয়ামের গ্রাহকেরা বাড়িতে বসেই অনলাইনে আধার তথ্য যাচাই করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে ভারত পেট্রোলিয়ামের গ্রাহকদের হ্যালো বিপিসিএল অ্যাপটি (HelloBPCL) ইনস্টল করতে হবে মোবাইলে। হিন্দুস্থান পেট্রোলিয়ামের গ্রাহকদের জন্য এইচপিপে অ্যাপ (HPPay) ব্যবহার করতে হবে।

    এবার জেনে নিন কীভাবে করবেন এলপিজি-আধার লিঙ্ক—

    রান্নার গ্যাসের যদি কেউ এখনও আধার লিঙ্কই না করে থাকেন তাহলে করতে পারেন এই পদ্ধতি মেনে। যথা-

    ১> আপানার নিজের স্মার্ট মোবাইল ঠেকে প্রথমে আধারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে uidai.gov.in –এ খুলুন।

    ২> এরপর সিডিং পোর্টাল Aadhaar seeding portal প্রবেশ করতে হবে। এখান থেকে আপনাকে ফর্ম ফিলাপ করতে হবে। 

    ৩> এরপর ফর্মের মধ্যে আপনার নাম, ঠিকানা, জেলা ইত্যাদি ফিলাপ করতে হবে।

    ৪> এরপর এখান থেকে যে সার্ভিস আপনার দরকার তা বেছে নিতে হবে।

    ৫> এরপর এলপিজি গ্যাসের অপশন বেছে নিতে হবে।

    ৬> ইন্ডেন হয় তাহলে আইওসিএল এবং ভারত গ্যাসে বিপিসিএল অপশনকে ক্লিক করতে হবে।

    ৭> এরপর তালিকা থেকে এলপিজি ডিসট্রিবিউটরের নাম সিলেক্ট করতে হবে। এরপর রান্নার গ্যাসের কনজিউমার নম্বর দিতে হবে।

    ৮> এখানে এরপর ইমেল, আইডি, আধার নম্বর দিতে হবে। এরপর সব ঠিকঠাক দেখে সাবমিট করতে হবে।

    ৯> এরপর নিজের মোবাইল এবং ইমেলে একটি ওটিপি আসবে তা নিশ্চিত করে সাবমিট করতে হবে।

    ১০> সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ারপর অফিসের কর্তারা সব তথ্য যাচাই করতে হবে। প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গেলে মোবাইলে আধার লিঙ্ক সম্পন্ন একটি নোটিশ এসে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: হাইকোর্টের কড়া অবস্থানের পরেই সিবিআইকে বাড়ি-গাড়ির সুবিধা রাজ্যের

    Calcutta High Court: হাইকোর্টের কড়া অবস্থানের পরেই সিবিআইকে বাড়ি-গাড়ির সুবিধা রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারের একাধিক নিয়োগ দুর্নীতি এবং সমবায়ের বিরুদ্ধে সিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বিভিন্ন ইস্যুতে দুর্নীতির তদন্তে নেমে মামলার চাপ সামলাতে কার্যত হিমসিম খাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। দিন দুয়েক আগে আলিপুরদুয়ারের সমবায়ে আর্থিক দুর্নীতির বিষয়ে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। কলকাতা থেকে উত্তরবঙ্গে রোজ গিয়ে তদন্ত করা অফিসারদের পক্ষে সম্ভব নয়। আর তাই তদন্তের জন্য একটি অফিস দরকার। শুক্রবার, রাজ্য সরকার বিচারপতিকে জানিয়েছে, সিবিআইকে সবরকম সুবিধার ব্যবস্থা করবে। বিচারপতির নির্দেশ অনুসারেই মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী  স্থানীয় প্রশাসনকে কাজ করার কথা বলবেন বলে জানা গিয়েছে।

    বিচারপতি কী বলেছিলেন (Calcutta High Court)?

    হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় মামলার শুনানিতে বলেছিলেন, “সিবিআইকে সাহায্য করতে ১০ জন পুলিশকর্মী সহযোগিতা করবে। প্রয়োজনে উত্তরবঙ্গে যাতায়াত করার জন্য গাড়ি এবং অফিসারদের থাকা ও একটি স্থায়ী অফিসের জন্য বাড়ি দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। এই কাজ করবে রাজ্য।” গত ৩ এবং ৭ নভেম্বর রাজ্যের মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দিলেও তার বাস্তবায়িত হয়নি। তার পর গত সোমবার বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় কড়া অবস্থান নিয়ে মুখ্যসচিবের কাছে জানাতে চান, আদালতের নির্দেশ নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোনও পদক্ষেপ তিনি গ্রহণ করবেন কি না? মাঝে দু’দিন বিচারপতি অনুপস্থিত ছিলেন। এরপরে আবার গতকাল মামলা কোর্টে উঠলে বিচারপতিকে মুখ্যসচিব জানান আদলাতের নির্দেশ পালন করবে রাজ্য সরকার। মুখ্যসচিব এদিন আদালতে (Calcutta High Court) জানিয়েছেন যে, সিবিআই মোট ১০ জন পুলিশ কর্মী চেয়েছিল। ইতিমধ্যে রাজ্য থেকে ৮ জন পুলিশকর্মীকে ডেপুটেশনে দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে একটি গাড়ি এবং ২ মাসের জন্য একটি অস্থায়ী অফিসের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। সবটাই দ্রুত দিয়ে দেওয়া হবে বলে জানান মুখ্যসচিব।

    শহরে সিবিআই অতিরিক্ত নির্দেশক

    এদিকে, রাজ্যে কয়লা থেকে শুরু করে গরু, শিক্ষক নিয়োগ, সমবায়, পুরসভা, রেশন দুর্নীতি সহ আরও একাধিক বিষয়ে তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই। তদন্তের গতিপ্রকৃতি জানতে বৃহস্পতিবার কলকাতায় আসেন সিবিআইয়ের অতিরিক্ত নির্দেশক মনোজ শশিধর। শুক্রবার উচ্চপদস্থ অফিসারদের নিয়ে দফায় দফায় নিজাম প্যালেসে বৈঠক করেন তদন্তের গতি-প্রকৃতি নিয়ে। এরপর সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সেও বৈঠক করেন। সেই সঙ্গে তদন্তের জন্য কী কী সুযোগ-সুবিধা লাগবে তা নিয়েও দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয় এইদিন। রাজ্যে তদন্তকারী অফিসারদের সঙ্গে কথা বলে তদন্তের বিষয়ে একটা খসড়া রিপোর্ট তিনি দিল্লির অফিসে দেবেন বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: রবিবার রাতে ফের কলকাতায় আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ?

    Amit Shah: রবিবার রাতে ফের কলকাতায় আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী রবিবার কলকাতায় আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বিভিন্ন সূত্র মারফৎ এমনটাই জানা যাচ্ছে। আগামী লোকসভা ভোটের আগে প্রস্তুতি বৈঠক করতেই তিনি আসছেন বলে জানা গিয়েছে। রবিবার রাতে তিনি আসবেন এবং সোমবার সারাদিন থাকবেন বলে এখনও পর্যন্ত ঠিক রয়েছে। যদিও শেষ মুহূর্তে তাঁর এই সফরসূচি পরিবর্তন হতে পারে, এমন আভাসও মিলেছে।

    দিল্লিতে শুরু বিজেপির বৈঠক (Amit Shah)

    আগামীকাল শুক্রবার থেকেই দিল্লিতে বিজেপির বিশেষ বৈঠক শুরু হচ্ছে। এই বৈঠক মূলত সাংগঠনিক। এখানে সংগঠনের কেন্দ্রীয় পদাধিকারীরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। বৈঠকে আলোচনা হবে প্রত্যেক রাজ্যে বিজেপির সংগঠনের পরিস্থিতি নিয়ে। উল্লেখ্য, সামনেই লোকসভার নির্বাচন। তাই রণকৌশল ঠিক কী হবে, তার আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই বৈঠকে। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আগামী নির্বাচনে রাজ্যগুলিতে কীভাবে বিজেপি প্রচার অভিযান করবে, সেই বিষয়েও কেন্দ্রীয় পদাধিকারীদের বুঝিয়ে দেওয়া হবে। এরপরেই বঙ্গে অমিত শাহের (Amit Shah) সফরকে নির্বাচনী রণকৌশলের অঙ্গ বলেই মনে করছেন রাজনীতির বিশ্লেষকেরা।

    রাজ্যে ফের অমিত শাহ

    সূত্রের খবর, রাজ্যগুলিতে বিজেপির সাংগঠনিক অবস্থা এবং প্রচার কাজের দিকে বিশেষ ভাবে নজর দেওয়া হয়েছে। এই রাজ্যে ২০১৯ সালে লোকসভার নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ১৮টি আসন। ফলে এবারও বিজেপি পাখির চোখ করেছে পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি লোকসভার কেন্দ্রকে। আগামী রবিবার তাই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমিত শাহ (Amit Shah) ফের কলকাতায় আসছেন। সোমবার দিনভর বৈঠক করবেন। দলের ঠিক কী অবস্থা, সাংগঠনিক দুর্বলতা কোথায় কোথায় রয়েছে, সংগঠনের ভিতরে আরও কী কী পরিবর্তন প্রয়োজন, দলের মধ্যে কোনও রদবদল দরকার কিনা ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে আরও জানা গিয়েছে, শুধু বঙ্গ নয়, আরও অনেক রাজ্যে লাগাতার যাবেন তিনি। পাশপাশি সময় অনুসারে বিজেপির দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এমন অনেক বৈঠক করবেন। সব মিলিয়ে ২০২৪ সালের লোকসভার নির্বাচনকে ঘিরে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তীব্র উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share