Tag: Madhyam

Madhyam

  • Nadia: অধ্যক্ষ বসন্ত উৎসবের টাকা টিএমসিপিকে দেওয়ায় কলেজে তীব্র বিক্ষোভ এবিভিপির

    Nadia: অধ্যক্ষ বসন্ত উৎসবের টাকা টিএমসিপিকে দেওয়ায় কলেজে তীব্র বিক্ষোভ এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জের মাজদিয়া সুধীর রঞ্জন লাহিড়ী মহাবিদ্যালয়ে বসন্ত উৎসবের অনুষ্ঠানের দখল কে নেবে, এই নিয়েই আজ বিবাদ চরমে ওঠে। এভিবিপি ছাত্রদের অভিযোগ, “বসন্ত উৎসবের টাকা টিএমসিপির হাতে তুলে দিয়েছেন কলেজ অধ্যক্ষ। এটা রাজনৈতিক পক্ষপাত।” উল্লেখ্য, গত শুক্রবার এই কলেজে পতাকা লাগিয়ে ক্যাম্পাসের দখল নেয় তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। টিএমসিপি-র এই দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ জানায় এভিবিপি। কলেজে পাল্টা আজ পতাকা লাগায় এভিবিপি। এরপর কলেজ ক্যাম্পাসে ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ছুটে আসে পুলিশ।

    টিএমসিপি-র দুষ্কৃতী বাহিনীর দৌরাত্ম্য (Nadia)

    আজ সুধীর রঞ্জন লাহিড়ী মহাবিদ্যালয়ে (Nadia) টিএমসিপি-র দুষ্কৃতী বাহিনীর দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করল এবিভিপি। বিক্ষোভরত ছাত্রদের বোঝাতে গেলে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় প্রিন্সিপালকে। প্রিন্সিপালকে ঘিরে ছাত্র-ছাত্রীরা বিক্ষোভ দেখা যায়। অপরদিকে তৃণমূলের বহিরাগত দুষ্কৃতীরা কলেজের মধ্যে লাঠি নিয়ে প্রবেশ করলে মুহূর্তের মধ্যেই কলেজ ক্যাম্পাস উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ এসে এভিবিপির আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনায় বসে। এরপর উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে।

    এবিভিপির বক্তব্য

    কলেজের এবিভিপি নেতা পাপন বিশ্বাস কলেজ (Nadia) অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, “অধ্যক্ষ নিজে তৃণমূলের পক্ষপাত করছেন। টিএমসিপিদের জোর করে বসন্ত উৎসব করার সুযোগ করে দিয়েছেন। তিনি এখানে কাটমানি খেতে আসেননি। আমাদের না জানিয়ে বসন্ত উৎসবের টাকা তুলে দিয়েছেন। এই বিষয় আমরা আপত্তি জানাই। আমরা এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে তীব্র ধিক্কার জানাই। কালেজে ছাত্র সংসদ নেই বলেই অধ্যক্ষ এইভাবে শাসকের পক্ষাবলম্বন করলেন। অবিলম্বে আমরা ছাত্র সংসদের নির্বাচন চাই।”

    প্রিন্সিপালের বক্তব্য

    কলজের (Nadia) প্রিন্সিপাল দীপঙ্কর ঘোষ বলেন, “আমি কলেজকে ঠিক ভাবে পরিচালনা করতে চাই। আমি কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষে এবং বিপক্ষে নেই। নিজেদের দলীয় পতাকা লাগানোর অধিকার সকলের রয়েছে। তবে যেহেতু কলেজে ছাত্র সংসদের নির্বাচন হয়নি, তাই এই মুহূর্ত ক্যাম্পাস সকলের। আমি উভয় পক্ষকে পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার আবেদন জানাবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shajahan: শাহজাহানকে পালাতে সাহায্য করেছিল কারা? নাম প্রকাশ করল সিবিআই

    Sheikh Shajahan: শাহজাহানকে পালাতে সাহায্য করেছিল কারা? নাম প্রকাশ করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির আধিকারিকদের উপর আক্রমণ করেছিল তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান এবং তাঁর অনুগামীরা। রেশন দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানা গিয়েছিল, প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী বালুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল এবং রেশনে দুর্নীতি করে প্রচুর কালো টাকা সাদা করেছেন শাহজাহান (Sheikh Shajahan)। আর এই বিষয়ে তথ্য ছিল ইডির তদন্তকারী অফিসারদের হাতে। আর তাই হামলা করে তিন তদন্তকারী অফিসারের মাথা ফাটিয়ে পলাতক হয় এই তৃণমূল নেতা। ঘটনার ৫৬ দিনের মাথায় পুলিশ ন্যাজ্যাট এলাকা থেকে গ্রেফতার করে তাঁকে। এরপর মামলায় তদন্তে নামে সিবিআই। কিন্তু এই আক্রমণের নেতৃত্ব কাদের ছিল?

    জিয়াউদ্দিন মোল্লা সহ গ্রেফতার ৩

    এখন প্রশ্ন হল এই দীর্ঘ সময় ধরে লুকিয়ে থাকতে এবং ঘটনার দিনে পালাতে সাহায্য করেছিল কারা? ইতিমধ্যেই গতকাল সোমবার জিয়াউদ্দিন মোল্লা সহ মোট সাত জনকে নিজাম প্যালেসে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তলব করা হয়ে ছিল। তার মধ্যে বক্তব্যে অসঙ্গতি মেলায় জিয়াউদ্দিন মোল্লা সহ ৩ জনকে গতকালই গ্রেফতার করে সিবিআই। এরপর আজ মঙ্গলবার তদন্ত করে বসিরহাট আদালতে তুললে জানা যায় ঠিক কারা কারা শাজাহানকে পালাতে সাহায্য করেছিল।

    কে কে সহযোগিতা করেছিল (Sheikh Shajahan)?

    মঙ্গলবার প্রকাশ্যে এল শাহজাহানকে (Sheikh Shajahan) পালাতে সাহ্যায্যকারীদের নাম। প্রত্যেককে আজ বসিরহাট আদালতে তোলা হয়। তাদের নাম হল, ফারুক আকুঞ্জি, ইয়াউদ্দিন মোল্লা এবং দিদার বক্স। সিবিআই দাবি করেছে, ঘটনার দিনে ইডিকে তদন্তে বাধা প্রদান, তল্লাশি করতে না দেওয়া, আক্রমণ করতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে ফারুক আকুঞ্জি। শুধু তাই নয় এলাকায় শাহজাহানকে পালাতে, এলাকায় দুষ্কৃতীদের একত্র করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এই আকুঞ্জি। এই সঙ্গে বিশেষ নেতৃত্ব দিয়েছিল জিউয়াউদ্দিন মোল্লা এবং দিদার বক্স।

    আদলাতে ভিডিও ফুটেজ জমা

    ইডির উপর শাহজহানের (Sheikh Shajahan) অনুগামীদের আক্রমণ, নেতৃত্ব এবং পলায়নে সহযোগিতা করার প্রমাণ স্বরূপ সিবিআই অভিযুক্তদের নামের সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ আদালতে জমা করেছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারদের দাবি, ঘটনায় প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে এরা প্রত্যেকেই জড়িত। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এই ফারুক আকুঞ্জির বাড়িতেই সপরিবারের আত্মগোপন করে ছিলেন শেখ শাহজাহান। ফলে সিবিআই-এর তদন্তে শাহজাহান এবং তৃণমূল কংগ্রেসের যে চাপ আরও বাড়তে চলছে এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Belur Math: বেলুড়-কামারপুকুরে ব্যাপক ভক্ত সমাগম, শ্রীরামকৃষ্ণদেবের ১৮৯ তম জন্মতিথি পালন

    Belur Math: বেলুড়-কামারপুকুরে ব্যাপক ভক্ত সমাগম, শ্রীরামকৃষ্ণদেবের ১৮৯ তম জন্মতিথি পালন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাসমারোহে আজ বেলুড় মঠে (Belur Math) পালিত হচ্ছে শ্রীরামকৃষ্ণদেবের ১৮৯ তম জন্মতিথি উৎসব। আজ ভোরে মূল মন্দিরে মঙ্গলারতির মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। তারপর সন্ন্যাসী ও ভক্তরা খোল-করতাল বাজিয়ে মঠ চত্বরে ঊষা-কীর্তন করেন। আজ দিনভর বেলুড় মঠে রামকৃষ্ণ বন্দনা, কথামৃত পাঠ, ভক্তিগীতি, ধর্মসভা চলবে। দর্শনার্থীদের জন্য ভোগের ব্যবস্থাও থাকছে। একই ভাবে শ্রীরামকৃষ্ণের জন্ম দিনে ঠাকুরের জন্মস্থান কামারপুকুরে ব্যাপক ভক্তের ঢল দেখা গেল। ঠাকুরের এই আবির্ভাব তিথিকে ঘিরে তিন দিন ব্যাপি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

    ভোর ৪ টে থেকে মঙ্গলারতি দিয়ে শুরু পূজাচার (Belur Math)

    আজ ২৮ ফাল্গুন, মঙ্গলবার ঠাকুর রামকৃষ্ণের পরমহংসের আবির্ভাব তিথি। আজ ভোর ৪ টে থেকেই মঙ্গলারতি, বেদপাঠের মধ্যে দিয়ে পুজোর সূচনা হয়। এরপর শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ কথামৃত পাঠ শুরু হয়। সেই সঙ্গে বিশেষ চণ্ডী পুজো করা হয়। সকাল সাড়ে ৭ টার সময় কামারপুকুর এলাকায় এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। এদিন হাজার হাজার ভক্তরা ঠাকুরের মন্দিরে উপস্থিত হন। নিজের নিজের মনোবাঞ্ছার কথা জানিয়ে ঠাকুরের স্মরণে আসেন প্রচুর ভক্ত। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থ্যা করা হয়। একই ভাবে বেলুর মঠেও বিরাট আয়োজন করা হয়। রামকৃষ্ণ সম্পর্কিত বিভিন্ন পুজোপাঠ ভজন কীর্তন করা হয়। রামকৃষ্ণ মঠের পক্ষ থকে আগত ভক্তদের জন্য করা হয় প্রসাদের ব্যবস্থা।

    মঠ অধ্যক্ষের বক্তব্য  

    কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠের অধ্যক্ষ লোকোত্তরানন্দ বলেন, “আমরা কামার পুকুরের মঠে শ্রী রামকৃষ্ণের (Sri Rama Krishna) ১৮৯ তম জন্মতিথি উৎযাপন করছি। গ্রামবাসী, পড়ুয়া, ভক্তবৃন্দ মিলে শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণ করেছে। ধর্মীয় আলোচনা সভা থেকে যাত্রাভিনয়ের আয়োজন করা হয়েছে। তিনদিনের এই মহোৎসবে আশে পাশের স্কুলগুলিকে আমরা আমন্ত্রণ জানিয়েছি। স্থানীয় দুস্থদের বস্ত্র বিতরণ করা হবে।” আবার এক ভক্ত শিখা মিত্র বলেছেন, “কামারপুকুরে এলে ঠাকুরের কাছে মনের কথা বলতে পারি। এখানে আসলে মনের পরিবর্তন হয়। মানসিক শান্তি পাই। ”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Gangopadhyay: বর্গভীমা মন্দিরে পুজো দিয়ে তৃণমূলকে বিসর্জনের ডাক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Abhijit Gangopadhyay: বর্গভীমা মন্দিরে পুজো দিয়ে তৃণমূলকে বিসর্জনের ডাক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল সরকারকে বিসর্জন দেওয়ার হুঙ্কার দিলেন হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)। তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকে মা বর্গভীমা মন্দিরে পুজো দিয়ে তৃণমূল সরকারকে নিশানা করলেন আজ। তিনি খুব স্পষ্ট করে সাধারণ মানুষকে বললেন, “৫০০-১০০০ দিয়ে প্রতিদিন ১ কোটি টাকা চুরি করছে তৃণমূল।” আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হয়ে তৃণমূলকে হারানোর সঙ্কল্প আগেই নিয়েছিলেন এই প্রাক্তন বিচারপতি। যদিও দলের তরফ থেকে এই কেন্দ্রের বিজপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। 

    কী বললেন বিচারপতি (Abhijit Gangopadhyay)?

    তমলুকে গিয়ে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) বলেন, “আমার একটা আবেদন থাকবে, তৃণমূলকে একটাও ভোট নয়। তৃণমূলের জালিয়াতি এবং দুর্নীতি দেখলাম। এই দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারকে সরিয়ে ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় আসতে হবে। ৫০০-১০০ টাকা দিচ্ছে, প্রতিদিন এক কোটি টাকা করে চুরি করছে। এটাকে ধ্বংস করতে হবে। আগে নাম ঘোষণা হোক, তারপর তো সংসদে যাবো।”

    সিএএ নিয়ে মন্তব্য

    একই ভাবে সিএএ প্রসঙ্গে এদিন নন্দীগ্রামে গিয়ে অভিজিৎবাবু (Abhijit Gangopadhyay) বলেন, সিএএ-তে কারও নাগরিকত্ব হারানোর ভয় নেই। ডিটেনশন ক্যাম্পের কোনও প্রশ্ন নেই। মুখ্যমন্ত্রী ভুল ব্যাখ্যা করছেন। উনি সবসময় মিথ্যা কথা বলেন। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বেশ পটু। সত্যটা সামনে এসে গেছে, এরপর কোথাও আর মুখ দেখাতে পারবেন না মমতা।” 

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    এই প্রাক্তন বিচারপতি নিজে রাজ্য সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যাপক ভাবে কড়া অবস্থান নিয়েছিলেন। নিজে সকল প্রকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)। বিচারপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন তিনি। আজ তমলুকে গেলে তাঁকে স্বাগত জানান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু এদিন তাঁর সম্পর্কে বলেন, “অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে মানুষ গ্রহণ করেছেন। সমস্যায় পড়ছে তোলামূলেরা। এই সব মানুষ রাজনীতিতে এলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কী অবস্থা হতে পারে তা কেবল মমতাই বুঝতে পেরেছেন।” একই ভাবে তমলুকের তৃণমূলের প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য সম্পর্কে বলেন, “এক দিকে গঙ্গা অন্যদিকে নর্দমা।”

    জেলার দলীয় কার্যালয়ে বৈঠক

    অপর দিকে বিজেপির তরফ থেকে এখনও তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। কিন্তু এলাকার উৎসাহী বিজেপি কর্মীরা প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Gangopadhyay) নামে লোকসভার ভোটের প্রচারের দেওয়াল লিখন শুরু করে দিয়েছেন। এই আবহের মধ্যেই তাঁর তমলুকে একধিক কর্মসূচিতে যোগদান বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ। পাশপাশি জেলার দলীয় কার্যালয়ে বৈঠক করে নন্দীগ্রামে যান অভিজিৎবাবু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CAA: “মমতা কি পশ্চিমবঙ্গকে আলাদা দেশ তৈরি করেছেন?”, সিএএ বিরোধিতার পালটা জবাব শান্তনুর

    CAA: “মমতা কি পশ্চিমবঙ্গকে আলাদা দেশ তৈরি করেছেন?”, সিএএ বিরোধিতার পালটা জবাব শান্তনুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিএএ (CAA) লাগু হওয়ায় গতকালের পরে আজও ঠাকুরনগরের ঠাকুর বাড়িতে উৎসবের আবহ। ডঙ্কা, কাঁসর নিয়ে ঠাকুর বাড়িতে মেতে উঠেছেন মতুয়া সম্প্রদায়ের ভক্তেরা। ঠাকুরবাড়িতে গেরুয়া আবিরের ঝড় বইল এক প্রকার। সিএএ চালুর আনন্দ উল্লাসে মেতেছেন গোটা এলাকার উদ্বাস্তু হিন্দু নাগরিকেরা। এ যেন গেরুয়া হোলির আবহ। একই ভাবে আজ কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর একাধিক ইস্যুতে বিঁধলেন মমতাকে। তিনি বলেন, “মমতা পশ্চিমবঙ্গকে কি আলাদা দেশ তৈরি করেছেন? সিএএ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারই সবটা দেখবে।”

    বিজেপি সাংসদের বক্তব্য (CAA)

    বনগাঁ লোকসভার বিজেপি প্রার্থী তথা সাংসদ শান্তনু ঠাকুর সিএএ (CAA) কার্যকর হওয়ার পর আজ ঠাকুরবাড়ি থেকে আনন্দ-উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। মতুয়া সমাজের মানুষের সঙ্গে একত্রিত হয়ে আনন্দ ভাগ করে নেন তিনি। একই ভাবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নাগরিকত্ব বিষয়ে জটিলতা তৈরি করে রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রশাসকেরা পাসপোর্টের ভেরিফিকেশন করার সময় ১৯৭১ সালের আগের কাগজ চান কেন? গত তিন পুরুষ ধরে মতুয়ারা নাগরিকত্ব নিয়ে আন্দোলন করছেন। বড় মা, পি আর ঠাকুরের আন্দোলনকে অস্বীকার করছেন মুখ্যমন্ত্রী। মানুষকে ভুল বোঝাতে আর পারবেন না। নাগরিকত্ব বিষয় রাজ্য সরকারের অধীনে নয়, এটা সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিষয়। মমতা মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক বিভ্রান্তি তৈরি করছেন। কেন্দ্রের মোদি সরকার নাগরিকত্ব দেবেই। আমাদের  সরকার অত্যন্ত বদ্ধ পরিকর এই বিষয়ে।”

    দুই ২৪ পরগনা জুড়েই রয়েছেন মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ। প্রধানমন্ত্রী উত্তর ২৪ পরগনায় জেলায় সভা করে গিয়েছেন সম্প্রতি। তবে তিনি সিএএ চালু করার ব্যাপারে কোনও মন্তব্য না করলেও  দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কয়েক দিন আগেই সংবাদ মাধ্যমে আশ্বাস দিয়ে বলেছিলেন ভোটের আগে চালু হবে সিএএ (CAA)। উল্লেখ্য কিছুদিন আগে বনগাঁ লোকসভার বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরও সিএএ চালুর ব্যাপারে আশ্বাস বাণী শুনিয়েছিলেন। অবশেষে চালু হয়ে গেল নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন।  

    শিলিগুড়িতেও উচ্ছ্বাস

    অপর দিকে শিলিগুড়ির ঠাকুরনগর কলোনীতে বাড়ি কার্তিকবাবুর। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরেই আনন্দে উল্লাসিত তিনি। শুধু কার্তিকবাবুই নন, শিলিগুড়িতে ইস্টার্ন বাইপাস সংলগ্ন ঠাকুরনগর এলাকায় সন্ধে থেকে মতুয়া সম্প্রদায়ের সকলের মধ্যেই এক উৎসবের আবহ লক্ষ্য করা গেল। কার্তিক বাবু বলেন, “কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে আমরা খুব খুশি। আমরাও আজ অধিকার পেলাম।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CAA:“সিএএ আটকানোর ক্ষমতা নেই মমতার”, তোপ দাগলেন রানাঘাটের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ

    CAA:“সিএএ আটকানোর ক্ষমতা নেই মমতার”, তোপ দাগলেন রানাঘাটের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংসদে ২০১৯ সালে আমি প্রথম উদ্বাস্তু বাঙালিদের নাগরিকত্ব দেবার জন্য প্রস্তাব দিয়েছিলাম। আমি খুব খুশি যে আজ সিএএ লাগু হয়েছে। সিএএ (CAA) আটকানোর ক্ষমতা নেই মমতার”, কেন্দ্র সরকার নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে কার্যকর করার নির্দেশ জারি করতেই ঠিক এই ভাবে প্রতিক্রিয়া দিলেন রানাঘাট কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। সেই সঙ্গে নির্দেশিকা জারি হওয়ার পরেই আবির খেলায় মেতে উঠলেন সাংসদ সহ বিজেপি কর্মী সমর্থক এবং মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষেরা।

    ২০১৯ সালে পাশ হয়েছিল সিএএ আইন (CAA)

    কয়েক দশক ধরেই নাগরিকত্ব নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে তরজা চলছিল। গত ২০১৯ সালে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর নরেন্দ্র মোদি সরকার সংসদে এই সিএএ (CAA) বিল পাশ করায়। এরপর রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরে দেশের আইনে পরিণত হয়। এরপর গতকাল কার্যকর করার নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র সরকার। যদিও নির্দেশিকা জারি হতেই বিরোধিতা করতে দেখা গেল রাজ্যে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে। তবে এদিন সুবিশাল মিছিলের মধ্য দিয়ে আবির খেললেন রানাঘাটের সংসদ তথা এবারে লোকসভার প্রার্থী জগন্নাথ সরকার।

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী?

    রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার বলেন, “এর আগে যখন সিএএ বিল পাস হয়, তখন কেন্দ্র সরকারের সংস্থাগুলিতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন রেল স্টেশন ভাঙচুর করা হয়েছিল, এমনকী ট্রেনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছিলেন যারা পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ করে এসেছে, তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন-বিদ্রোহ করে সিএএ আইনকে কীভাবে বাতিল করা যায়। কিন্তু সেই চেষ্টা সফল হয়নি। তখনও আমি বলেছিলাম মমতার ক্ষমতা নেই ট্রেনে আগুন জ্বালিয়ে এই আইন বন্ধ করার। আমি কেন্দ্র সরকারকে স্বাগত জানাচ্ছি। যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার হয়ে এদেশে বসবাস করছেন এবং মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ, তাঁরা প্রত্যেকেই নাগরিকত্ব পাবেন, তার গ্যারান্টি আমি দিচ্ছি।”

    আর উদ্বাস্তু হয়ে থাকতে হবে না

    নদিয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, “সিএএ চালু হওয়ায় হিন্দু বাঙালিদের আর উদ্বাস্তু হয়ে থাকতে হবে না। এই আইন চালু হওয়ায় আমরা সকলেই খুশি। এর আগেও কংগ্রেস কেন্দ্র সরকারে থাকাকালীন বহুবার আশ্বাস দিয়েছিল, কিন্তু কার্যকর কিছুই হয়নি। বিজেপি কথা দিয়েছিল, সেই কথা রেখেছে। আজ থেকেই সকলে নাগরিকত্ব পেতে চলেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CAA: সিএএ কার্যকর হতেই ঠাকুরনগরে ঢাক-ঢোল নিয়ে উচ্ছ্বাস হিন্দু শরণার্থীদের

    CAA: সিএএ কার্যকর হতেই ঠাকুরনগরে ঢাক-ঢোল নিয়ে উচ্ছ্বাস হিন্দু শরণার্থীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ সোমবার সিএএ (CAA) কার্যকর করার কথা ঘোষণা হয়েছে। এই ঘোষণা করছে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। উল্লেখ্য কয়েক দিন আগেই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একটি বেসরকারি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে স্পষ্ট জানিয়েছিলেন খুব দ্রুত লোকসভা ভোটের আগে দেশে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর হবে। আর আজ আইন কার্যকর হতেই ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে উচ্ছ্বাস এবং আবেগের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। একে উদ্বাস্তু হিন্দু বাঙালি সমাজের কাছে গৌরবের দিন বলে উল্লেখ করেছেন মতুয়া সমাজের মানুষ। ইতিমধ্যে এলাকার মানুষ ঢাক-ঢোল, কাঁসর নিয়ে ঠাকুর বাড়ির মন্দিরে নেমে পড়েন। সকলে মিষ্টিমুখ করেন। পুরুষ-মহিলা সকলে এই আনন্দ উচ্ছ্বাসে যোগদান করেন।

    স্থানীয় মানুষের প্রতিক্রিয়া (CAA)

    মতুয়া সমাজের ঠাকুরনগরের বাসিন্দা সুজিত বিশ্বাস সিএএ (CAA) কার্যকর হওয়ায় অত্যন্ত উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “আমরা ভীষণ খুশি, আমাদের দীর্ঘ দিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটল। প্রধানমন্ত্রী নিজে আমাদের মতো শরণার্থীদের কথা ভেবেই আইন করেছেন এবং আজ তাকে বাস্তবায়িত করলেন। আমরা নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী পেয়ে অত্যন্ত গর্বিত। নাগরিকত্ব নিয়ে আমরা এখন সম্মানের সঙ্গে বসবাস করব।”

    উদ্বাস্তু হিন্দু নাগরিকের বক্তব্য

    উদ্বাস্তু হিন্দু নাগরিক দিলীপকান্তি মণ্ডল সিএএ (CAA) কার্যকর করা প্রসঙ্গে বলেন, “জয় হরি বোল, আমরা যাঁরা ওপার বাংলা থেকে ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার হয়ে এই পশ্চিমবঙ্গের এসেছি তাঁদের সম্মানের সঙ্গে বাঁচার অধিকার দেবে এই নাগরিকত্ব আইন। শরণার্থী উদ্বাস্তু হিন্দুদের অধিকারকে সুরক্ষা করতে এই আইন কার্যকর করা একান্ত প্রয়োজন। আমরা ভীষণ খুশি। মতুয়া সমাজের অনেক দিনের দাবি ছিল নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর হোক। ঠাকুরবাড়ির বড়মা বীণাপাণি দেবী, প্রমথরঞ্জন ঠাকুর এবং সর্বভারতীয় মতুয়া সংগঠনের পক্ষ থেকে বার বার দাবি তোলা হয়েছে, আন্দোলন করা হয়েছে। এমনকী ঠাকুরবাড়িতে দু-দু’বার অনশন করেছি আমরা। মোদিজি এবং আমিত শাহ যে কথা দিয়েছেন, তা আজ কার্যকর হয়েছে। আমরা আজ খুব খুশি। এই আইন সারা দেশে বাস্তবায়ন হবে। অধিকার নিয়ে সম্মানের সঙ্গে বাঁচব আমরা।”         

    কী আছে সিএএ আইনে?

    এই সিএএ আইন (CAA) অনুযায়ী বলা হয়েছে, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান থেকে যদি কোনও হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ, পারসি এবং খ্রিষ্টান ধর্মের মানুষ যদি ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার হয়ে ভারতে চলে আসেন তাহলে তাঁদের ধর্ম এবং সংস্কৃতি রক্ষায় ভারত সরকার নাগরিকত্ব প্রদান করবে। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে উদ্বাস্তু হয়ে আসা হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  •  Murshidbad: ‘হিন্দু-মুসলিম সকলেই মোদিকে জেতাতে চাইছেন’, বহরমপুরে প্রচারে বার্তা মুক্তার আব্বাস নাকভির

     Murshidbad: ‘হিন্দু-মুসলিম সকলেই মোদিকে জেতাতে চাইছেন’, বহরমপুরে প্রচারে বার্তা মুক্তার আব্বাস নাকভির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু-মুসলিম সকলেই মোদিকে জেতাতে চাইছেন। বহরমপুর (Murshidbad) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে বার্তা দিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুক্তার আব্বাস নাকভি। মুর্শিদাবাদ জেলার সদর কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে কংগ্রেসকে ‘গদি গ্যাং’ এবং ‘তৃণমূল সংখ্যালঘু ভোটারকে চুইংগামের মতো ব্যবহার করে’ বলে তীব্র আক্রমণ করলেন তিনি। উল্লেখ্য এই রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ২০ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ৪২ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

    কী বললেন মুক্তার আব্বাস (Murshidbad)?

    মুর্শিদাবাদে (Murshidbad) লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে। বিজেপিরও প্রচার শুরু হয়েছে। বিজেপির প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুক্তার আব্বাস বলেন, “২০২৪ সালের লোকসভার নির্বাচন মহাভারতের যুদ্ধ। এই যুদ্ধ সত্যের সঙ্গে অসত্যের। ধর্মের সঙ্গে অধর্মের লড়াই। কংগ্রেসের গদি গ্যাং রয়েছে। এই গদি গ্যাং গালি গ্যাং হয়েছে। মোদির নামে গালিগালাজ করে কেবলমাত্র। আর এটাই তাদের একমাত্র সংস্কৃতি। দেশের সাধারণ মানুষ তাদের সঠিক জবাব দেবে। আমরা সকলকে নিয়ে একসঙ্গে চলছি। এখন হিন্দু-মুসলিম সকলেই মোদিজিকে জেতাতে চাইছেন।

    বহরমপুর কেন্দ্র এখন হাইভোল্টেজ

    লোকসভা ভোটের আগে মুর্শিদাবাদ (Murshidbad) জেলার বহরমপুর কেন্দ্রে এখন হাইভোল্টেজ। এই কেন্দ্রে গত পাঁচবারের সাংসদ রয়েছেন কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরি। এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান। অবশ্য মুসলিম ভোট যে মূল লক্ষ্য, এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। বিজেপির প্রার্থী নির্মলকুমার সাহা। কংগ্রেসের তরফ থেকে নাম ঘোষণা না হলেও অধীরই প্রার্থী হবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

    অধীরের বক্তব্য

    সাংবাদিক বৈঠকে বহরমপুরের (Murshidbad) সাংসদ অধীর চৌধুরী বলেছেন, “আমি চাই মমতা ব্যানার্জি ও খোকাবাবু আমার বিরুদ্ধে লড়াই করুক। আমি যদি গোহারা হারাতে না পারি তাহলে রাজনীতি ছেড়ে দেবো। আপনার নাম করে আমি চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি। আমি  তৃণমূলের প্রার্থীকে হারিয়ে ছাড়বো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shahjahan Sheikh: সিবিআই তলবে নিজাম প্যালেসে শাহজাহানের ‘ডানহাত’ জিয়াউদ্দিন সহ ৭ ঘনিষ্ঠ

    Shahjahan Sheikh: সিবিআই তলবে নিজাম প্যালেসে শাহজাহানের ‘ডানহাত’ জিয়াউদ্দিন সহ ৭ ঘনিষ্ঠ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের তলব পেয়ে সোমবার নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিলেন শাহজাহান শেখের (Shahjahan Sheikh) ‘ডানহাত’ বলে পরিচিত জিয়াউদ্দিন মোল্লা। তাঁর সঙ্গে আরও ৬ জন শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কর্মী আছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে সিবিআই দফতরে সকাল ১১ টায় ঢোকার মুখে জিয়াউদ্দিন বলেন, “তদন্তে সব রকম সহযোগিত করব।”

    শাহজাহানের (Shahjahan Sheikh) ‘ডান হাত’ জিয়াউদ্দিন

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শেখ শাহজাহানের (Shahjahan Sheikh) ডানহাত হিসাবে পরিচিত জিয়াউদ্দিন মোল্লা। উল্লেখ্য ইডির তদন্তকারী অফিসারদের উপর হামলার সময় তাঁর উপস্থিত আগেই নজরে এসছিল। ঘটনার দিনের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে স্পষ্ট দেখা গিয়েছে কীভাবে এই তৃণমূল নেতা রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে অভিযুক্ত শাহজাহানের বাড়ি তাল্লাশিতে বাধা দিয়েছিলেন। এরপর থেকে এই অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম নিয়ে শোরগোল পড়েছে সংবাদমাধ্যমে। জিয়াউদ্দিন সরবেড়িয়া আগারহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান। তাঁর বিরুদ্ধে আক্রমণে নেতৃত্বের অভিযোগ রয়েছে। এদিকে গতকাল বসিরহাট আদালতে তোলা হয় শেখ শাহজাহানকে। তাঁর মোবাইল হাতে পেতে জোর তল্লাশি চালাচ্ছে সিবিআই। রবিবার শাহজাহানকে (Shahjahan Sheikh) বসিরহাট মহকুমা আদালতে হাজির করানো হলে বিচারক তাঁকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।

    ইডির উপর আক্রমণ

    গত ৫ জানিয়ারি রেশন দুর্নীতি মামলায় সরবেড়িয়ার আকুঞ্জিপাড়ায় অভিযুক্ত শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালাতে যায় ইডি। কিন্তু বাড়িতে তালা থাকায়, তালা ভেঙে ঢুকতে গেলে শাহজাহানের (Shahjahan Sheikh) ঘনিষ্ঠ তথা তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে তদন্তকারী অফিসারদের উপর। এই আক্রমণে তিন জন অফিসারের মাথা ফাটে। নিরাপত্তায় থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর আক্রমণ করা হয়। তাঁদের গাড়িতেও ব্যাপক ভাঙচুর করা হয় । একাধিক নথি নষ্ট করে দেওয়া হয়। এরপর কোনও ক্রমে প্রাণ হাতে নিয়ে টোটোয় চেপে নিজেদের জীবন রক্ষা করেন ইডির আধিকারিকরা। আক্রমণের পর থেকেই তৃণমূলনেতা শাহজহান পালাতক হন। ইডির তরফ থেকে ন্যাজাট থানায় শাহজাহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই ঘটনার ৫৬ দিনের মাথায় শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর পরে হাইকোর্টের নির্দেশে এই মামলার তদন্ত ভার এবং শাহজাহানের (Shahjahan Sheikh) হেফাজত নেয় সিবিআই।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: রক্ষকই ভক্ষক! ধর্ষণের অভিযোগ খোদ পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধেই, গ্রেফতার এএসআই

    Jalpaiguri: রক্ষকই ভক্ষক! ধর্ষণের অভিযোগ খোদ পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধেই, গ্রেফতার এএসআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তদন্তের নামে ধর্ষণের অভিযোগ খোদ পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধেই। ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছেন ওই পুলিশ আধিকারিক। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার মায়নাগুড়ি থানা এলাকায়। জানা গিয়েছে, ৫ বছর আগে জলপাইগুড়ির কোতোয়ালি থানায় কর্তব্যরত ছিলেন ওই অফিসার। একটি চুরির মামলায় তদন্ত করতে গিয়ে এলাকার এক মহিলা বাসিন্দার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন তিনি। 

    উল্লেখ্য রাজ্যের পুলিশের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ নতুন নয়। রক্ষকই যেন ভক্ষক, এমন অভিযোগ আগেও উঠেছে। জলপাইগুড়িতে অভয়ারণ্যে ঘুরতে গিয়ে রাতের বেলায় পর্যটকদের অহেতুক হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছিল পুলিশের বিরুদ্ধে। তাছাড়া বিরোধী দল হিসেবে বিজেপি বার বার তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি সন্দেশখালি ইস্যুতে পুলিশের অসহযোগিতা এবং অভিযোগ না নেওয়ার ঘটনায় এলাকার মানুষের সোচ্চার হওয়ার কথা সংবাদ মাধ্যমে উঠে এসেছে।

    পুলিশ সূত্রে খবর (Jalpaiguri)

    জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চুরির মামলায় তদন্ত করতে গিয়ে থানার এএসআই এলাকার এক গৃহবধূর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন। সেই সঙ্গে ওই বধূকে তদন্তের নামে মানসিক অত্যাচার এবং ধর্ষণ করা হয়। দিনের পর দিন মানসিক ভাবে অত্যাচার করেন এই পুলিশ আধিকারিক। এই ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিকের নাম এএসআই রাজনারায়ণ রায়। এরপর তাঁকে বিশেষ মামলার ধারায় গ্রেফতার করেছে জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ। তাঁকে রবিবার আদালতে তোলা হয়। এই পুলিশ আধিকারিক আদালতে জামিনের আবেদন করেছিলেন। কিন্তু বিচারক তাঁর আবেদন খারিজ করে ১৪ দিনের জন্য জেলা হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

    গৃহবধূর লিখিত অভিযোগ

    ঘটনায় গৃহবধূ লিখিত অভিযোগ করে জানিয়েছেন, গত পাঁচ বছর আগে একটি চুরির তদন্ত করতে গিয়ে আমার সঙ্গে জোর করে সম্পর্ক স্থাপন করেন ওই পুলিশ অফিসার। এরপর থেকে তদন্তের নামে শারীরিক এবং মানসিক ভাবে আমার উপর নির্যাতন শুরু করেন। আমাকে জোর করে ধর্ষণ করেছেন ওই পুলিশ অফিসার। আমি একাধিকবার পুলিশকে মৌখিকভাবে অভিযোগ জানিয়েছি, কিন্তু লাভ হয়নি। আমি এবার লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছি। তাঁকে গত কাল রবিবার গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আমি ওর কঠিন শাস্তি চাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share