Tag: Madhyam

Madhyam

  • Sukanta Majumdar: বারাসত কাছারি ময়দানে মোদির সভাস্থলের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখলেন সুকান্ত মজুমদার

    Sukanta Majumdar: বারাসত কাছারি ময়দানে মোদির সভাস্থলের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখলেন সুকান্ত মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাসাতে প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছে গেলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। আজ বিকেলে রাজ্যে আসছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাত্রি বাস করবেন রাজভবনে। আগামীকাল কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বারাসত পর্যন্ত রোড শো করবেন তিনি। এরপর কাছারি ময়দানে জনসভা করবেন। এই সভার প্রস্তুতিকে ঘিরে বিজেপির ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে। একাধিক বিষয়ে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করেন তিনি।

    কী বলেলেন অভিষেক সম্পর্কে (Sukanta Majumdar)?

    বারাসতে পৌঁছে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) এদিন তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে বলেন, “প্রত্যেকবার আমেরিকা বা ইউরোপে যেতে গেলে দুবাই হয়ে কেন যান? সন্দেহ তৈরি হয়েছে। দুবাই কানেকশন কেন বার বার আসে? টাকা রাখতে গেলে দুবাই, বান্ধবী রাখতে গেলে রাশিয়ান বান্ধবী। বাংলা-ভারতের কথা কেন আসেনা? এক একমাত্র পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী ভারতীয়। তৃণমূলের মধ্যে এখন শ্যাম এবং অর্জুন নিয়ে বিবাদ চলছে। ওরিজিনাল শ্যাম বা কৃষ্ণ বিজেপিতে আছে, তাই সকলকে বিজেপিকে বেছে নিতে হবে।”

    কটাক্ষ মমতার গ্যারান্টিকে

    মমতাকে আক্রমণ করে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) আরও বলেন, “মোদি, রাজনীতিতে এমন একটি নাম, যাঁকে সকলে অনুসরণ করেন। তাঁর দেখানো গ্যারান্টির কথাই বলছেন মমতা। গত ১৩ বছরে মমতার গ্যারান্টি হল দুর্নীতির গ্যারান্টি। বাংলায় এতো দুর্নীতি এবং চুরি হয়েছে যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সক্রিয় হবেই। নির্বাচনের সময়ে সক্রিয় অবশ্যই হবে, কারণ প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকবে। দুর্নীতিগ্রস্থ লোকদের গ্রেফতার হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। প্রাক্তন সংসদ মহুয়াকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ডেকে ঠিক করেছে। সাংসদ পদ গেলেও এলাকায় নীল বাতির গাড়ি করে ঘুরছেন। মমতাকে উপদেশ দিচ্ছেন, প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে ভোটে জয়ী হতে হবে। এই কথার ভিডিও খুব তাড়াতাড়ি প্রকাশিত হবে। তাঁকে অবিলম্বে গ্রেফতার করা উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: গায়ে হলুদের অপেক্ষায় পাত্রী, তার আগেই গ্রেফতার হবু বর

    Hooghly: গায়ে হলুদের অপেক্ষায় পাত্রী, তার আগেই গ্রেফতার হবু বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গায়ে হলুদের অপেক্ষায় বসে রয়েছেন পাত্রী। অপর দিকে তার আগেই হবু বরের গ্রেফতারের খবর পেলেন পাত্রীপক্ষ। এরপর বাধে ব্যাপক গোলমাল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ন’বছর ধরে এলাকার এক যুবতীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল ওই অভিযুক্ত হবু বরের। সেই সঙ্গে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। সোমবার তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে হুগলির (Hooghly) বৈদ্যবাটি পাড়ায়।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল (Hooghly)?

    স্থানীয় (Hooghly) সূত্রে জানা গিয়েছে, বিয়ের পিঁড়িতে সাজানো থেকে শুরু করে রান্নাবান্না সব আয়োজন করা হয়ে গিয়েছিল মেয়ের বাড়ির পক্ষ থেকে। কিন্তু তখনও পর্যন্ত পাত্রের বাড়ি থেকে আসেনি গায়ে হলুদ। কিন্তু ক্রমেই দেরি হওয়ায় পাত্রের খোঁজ নিতে গিয়েই অবাক হয়ে গেলেন পাত্রীর বাবা-মা। অবশেষে জানতে পেলেন হবু জামাইকে আটক করেছে পুলিশ। হবু জামাই নিজে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত। শেষে বিয়ে ভেঙে যাওয়ায় পাত্রীর পরিবার কান্নায় ভেঙে পড়েন। এমনকী বিয়েবাড়িতে আসা নিমন্ত্রিত অতিথিরা বাড়ি ফিরলেন মন খারাপ নিয়ে। ঘটনায় এলাকায় তীব্র শোরগোল পড়েছে।

    পাত্রীর পরিবারের বক্তব্য (Hooghly)

    হুগলির (Hooghly) বৈদ্যবাটির বাসিন্দা এক পাত্রীর সঙ্গে ত্রিবেণীর বাসিন্দা একজন পাত্রের বিবাহ ঠিক হয়েছিল। পাত্রীর পরিবারের সূত্রে জানা গিয়েছে, গতবছর নভেম্বর মাসে মেয়ের বিয়ের জন্য দেখাশোনা হয়েছিল। বিয়ের পাকা কথা হয় ত্রিবেণীর পাত্রের বাড়িতেই। সোমবার দুপুর ২ টা পর্যন্ত পাত্রের বাড়ির কোনও খোঁজ না মেলায়, ফোন করলে জানা যায় পুলিশ পাত্রকে গ্রেফতার করেছে। পাত্রীর মায়ের বক্তব্য, “এত আয়োজন আত্মীয়-স্বজন নিমন্ত্রিত। আমাদের অনেক টাকা খরচ হল। আমাদের সম্মান নষ্ট হল। আমরা শাস্তি চাই ওই যুবকের।” যদিও পাত্রপক্ষের কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

    পুলিশের বক্তব্য

    স্থানীয় (Hooghly) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, “নবছর ধরে এলাকার এক যুবতীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল অভিযুক্তের। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। রবিবার রাতেই অভিযোগকারিণী থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। আর এই অভিযোগের ভিত্তিতে সকালে পাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tarakeswar: রাম মন্দির নিয়ে তৃণমূল বিধায়কের কুমন্তব্য! শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি, এফআইআর বিজেপির

    Tarakeswar: রাম মন্দির নিয়ে তৃণমূল বিধায়কের কুমন্তব্য! শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি, এফআইআর বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রী রাম মন্দির নিয়ে রামেন্দুর বিরুদ্ধে এফআইআর-এর হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর। আগামী ১০ মার্চ ব্রিগেডে তৃণমূল কংগ্রেসের ‘জনগর্জন সভা’। এই সভায় প্রধান বক্তা থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সভার প্রস্তুতি সভায় তৃণমূল নেতা তথা তারকেশ্বরের (Tarakeswar) বিধায়ক রামেন্দু সিংহরায় শ্রী রাম মন্দিরকে অপবিত্র বলে দাবি করেন। এরপর রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে যায়। ইতিমধ্যে তীব্র সোচ্চারে হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। ফলে বিজেপির পক্ষ থেকে আরামবাগ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি। যদিও নিজের অবস্থানে অনড় তৃণমূল বিধায়ক।

    কী বলেন তৃণমূল বিধায়ক (Tarakeswar)

    তারকেশ্বরের (Tarakeswar) বিধায়ক রামেন্দু নিজেদের প্রস্তুতি সভায় বলেন, “যে রাম মন্দির তৈরি হয়েছে, তা আমি মনে করি অপবিত্র, ওই মন্দিরে কোনও ভারতীয় হিন্দু যেন পুজো দিতে না যান। ওটা একটা শো-পিস”। যদিও এই বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। মাধ্যম এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি। সন্ধ্যার সময় আবার সাংবাদ মাধ্যমকে তিনি আরও বলেন, “এটা আগেও বলেছি, এখনও বলছি, পরেও বলব। এফআইআর করলে করুক।”

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    তারকেশ্বরের (Tarakeswar) বিধায়কের কথা তুলে ধরে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু নিজের এক্স-হ্যান্ডেলে পোস্ট করে বলেন, “এটাই তৃণমূল কংগ্রেসের আসল প্রকৃতি। হিন্দুদের আক্রমণ করতে করতে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তাঁরা এখন হিন্দুদের পবিত্র ধর্মেরস্থানকেও অপবিত্র বলছে। এই মন্তব্যের শুধু বিরোধিতা করব না, ঘৃণ্য এই বিবৃতির মাধ্যমে বিশ্বের হিন্দুদের অনুভূতিতে আঘাত করা হয়েছে। এখন এফআইআর দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। ওঁর কঠিন শাস্তি চাই। ”

    বিজেপির এফআইআর

    ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে আরামবাগ (Tarakeswar) থানায় এফআইআর করেন বিজেপির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিমান ঘোষ। তিনি বলেন, “রাম মন্দির নিয়ে তৃণমূল বিধায়কের কুমন্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানাই। জেলার বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ জানানো হবে।”

             

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “সন্দেশখালিতে মানবাধিকার লুট হয়েছে,” জানালো স্বেচ্ছাসেবী ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম  

    Sandeshkhali: “সন্দেশখালিতে মানবাধিকার লুট হয়েছে,” জানালো স্বেচ্ছাসেবী ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের নির্দেশের পরেও দিল্লির স্বেচ্ছাসেবী ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) যেতে ফের বাধা পুলিশের। বেশ কিছুক্ষুণ তর্কাতর্কির পর পুলিশের কাছে মুচলেখা দিয়ে সন্দেশখালিতে পৌঁছায় ৬ জনের প্রতিনিধি দল। উল্লেখ্য ইতি পূর্বে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সন্দেশখালি যেতে ভোজেরহাটেই বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল পুলিশের বিরুদ্ধে। পুলিশ এলাকায় ১৪৪ ধারার কথা বলে সেই দিন ঢুকতে দেয়নি। এরপর গতকাল রবিবার আদালতের অনুমতি নিয়ে সন্দেশখালিতে যায় এই টিম।

    কে কে রয়েছেন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমে (Sandeshkhali)?

    ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং এই টিমে রয়েছেন বিচারপতি নরসিমা রেড্ডি, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের যুগ্ম রেজিট্রার রাজপাল সিং, ওপি ব্যাস, জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের কনসালট্যান্ট ভাবনা বাজাজ, এবং বর্ষীয়ান সাংবাদিক সঞ্জীব নায়েক। এই টিমের পক্ষ থেকে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মাঝের পাড়া, নতুন পাড়া, নস্করপাড়া, রাসমন্দিরের মতো জায়গাগুলিকে পরিদর্শন করেন প্রতিনিধিরা। তাঁরা স্থানীয় মহিলাদের সঙ্গে কথা বলেন। টিমের পক্ষ থেকে বলা হয়, “এই থমথমে এলাকায় গুলিতে মানুষের মানবাধিকার সুরক্ষিত নয় এবং মানুষের অধিকার লুট হয়েছে।”

    প্রতিনিধি দলের বক্তব্য

    সূত্রে জানা গিয়েছে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের সদস্যা ভাবনা বাজাজ সন্দেশখালি (Sandeshkhali) প্রসঙ্গে বলেন, “২৮ থেকে ৭০ বছরের মোট ২০ জন মহিলাদের সঙ্গে কথা বলেছি। একজন ৭০ বছের বৃদ্ধাকে ঘরের কোনে বসে নিজের মেয়ে এবং পুত্র বধূদের জন্য আতঙ্কে কান্না করতে দেখেছি। ক্যামেরার সামনে আসতে না চাওয়া এক মহিলার সঙ্গে হওয়া অত্যাচারের বিবরণ শুনেছি। তাঁর স্বামী এখন গ্রামছাড়া। নিজের চার বছরের মেয়েকে নিয়ে রাতে লুকিয়ে রেখে দিন কাটাতে হচ্ছে। এলাকায় বেশীর ভাগ মহিলা শিবু হাজরার বিরুদ্ধে সব থেকে বেশি অভিযোগ করেছেন। এলাকার আরও এক মহিলা বলেন, তৃণমূলের নেতাদের বিনোদন জোগাতে রাতভর পার্টি অফিসে গিয়ে থাকতে হতো। তবে মুখে যৌন হেনস্থার কথা না বলতে পারলেও শরীরের অনেক স্থানে ক্ষতের চিহ্ন দেখিয়েছেন। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে কোনও সহযোগিতা পায়নি তাঁরা। পুলিশ তাঁদের অভিযোগকে শুনতে চায়নি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ashwini Vaishnaw: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের হস্তক্ষেপে গুগল ভারতীয় অ্যাপের পুনরুদ্ধার শুরু করল

    Ashwini Vaishnaw: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের হস্তক্ষেপে গুগল ভারতীয় অ্যাপের পুনরুদ্ধার শুরু করল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের পরে গুগল ভারতীয় অ্যাপগুলি পুনরুদ্ধার করতে সম্মত হয়েছে। গুগল কর্মকর্তারা আইটি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের (Ashwini Vaishnaw) সাথে বৈঠক করার পরে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সূত্রে জানা গিয়েছে, গুগলের সঙ্গে পরিষেবা ফী নিয়ে বিরোধ দেখা দিয়েছিল। এরপর প্লে-স্টোর থেকে বাদ দেওয়া হয় কিছু ভারতীয় মোবাইল অ্যাপ। অবশেষে সেই অ্যাপগুলিকে আবার পুনরুদ্ধার করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    ১০ অ্যাপ সরানো হয়েছিল (Ashwini Vaishnaw)

    পরিষেবা ফী নিয়ে বিরোধের কারণে গুগল প্লে-স্টোর থেকে ১০টি ভারতীয় অ্যাপস সরিয়ে দিয়েছিল। গুগল ভারতীয় বাজারে এক বিরাট ভূমিকা পালন করে। ৯৪% ফোনের অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলের নানান অ্যাপ গুগল প্লে-স্টোর থেকে পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে গুগল ভারতীয় অ্যাপের উপর ১১% থেকে ২৬% পর্যন্ত মূল্যধার্য করলে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়।

    কী বললেন মন্ত্রী?

    আইটি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) বলেন, “গুগলের পদ্ধতি অনেক যুক্তিসঙ্গত। আমাদের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম বৃদ্ধি পাচ্ছে দ্রুত। তাদের স্বার্থকে সুরক্ষিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইতিমধ্যেই গুগলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করে কথা হয়েছে। স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে সুরক্ষিত রাখতে আমরা প্রয়োজনীয় সমস্ত পদক্ষেপ করব। ডিজিটাল অর্থপ্রদান ব্যবস্থার সঙ্গে গুগল যেমন ভালভাবে খাপ খাইয়ে নিয়েছে, এই বিষয়েও তারা যুক্তিসঙ্গতভাবে ব্যবস্থা নেবে। এই বিষয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত দৃঢ়। আমরা অ্যাপগুলিকে অ্যাপস্টোর থেকে বাদ দিতে দেবো না।”

    ইন্ডিয়া সংস্থার ফ্ল্যাগশিপ অ্যাপ ফিরে এসেছে

    ভারতীয় স্টার্টআপগুলি দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন প্রযুক্তি জায়েন্টের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আসছে। ভারত ম্যাট্রিমনি, খ্রিস্টান ম্যাট্রিমনি, মুসলিম ম্যাট্রিমনি এবং জোডি-এর প্রতিষ্ঠাতা নিজেই গুগলের প্লে স্টোর থেকে ম্যাচমেকিং অ্যাপগুলি সরিয়ে নেওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছিলেন। গুগল সংস্থা ইনফো এজ ইন্ডিয়া, সংস্থার কিছু ফ্ল্যাগশিপ অ্যাপকে অ্যাপস্টোরে আবার ফিরিয়ে দিয়েছে। জানা গিয়েছে, নৌকরি, ৯৯একার্স,নৌকরি গালফের মতো অ্যাপগুলি ফের গুগল অ্যাপস্টোরে সক্রিয় হয়েছে। পিপল গ্রুপের ম্যাট্রিমনি অ্যাপ, শাদি ডট কমও শনিবার বিকেলে প্লে-স্টোরে পুনরায় যুক্ত হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর (Ashwini Vaishnaw) হস্তক্ষেপকে ক্ষতিগ্রস্ত সংস্থাগুলি সাধুবাদ জানিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PFI: কুখ্যাত পিএফআই গ্যাংস্টার মোহাম্মদ গাউস নিয়াজি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে গ্রেফতার

    PFI: কুখ্যাত পিএফআই গ্যাংস্টার মোহাম্মদ গাউস নিয়াজি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোস্ট-ওয়ান্টেড গ্যাংস্টার মোহাম্মদ গাউস নিয়াজি গ্রেফতার। আরএসএস কর্মীকে হত্যার অভিযোগে, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে। তিনি পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার বা পিএফআই-এর (PFI) কুখ্যাত নেতা হিসেবে পরিচিত। নিয়াজির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ এবং নাশকতামূলক কাজের অভিযোগ রয়েছে। তিনি ২০১৬ সালে বেঙ্গালুরুতে আরএসএস নেতা রুদ্রেশকে হত্যার জন্য প্রধান অভিযুক্ত। কিন্তু সে ধরার আগেই সরকারকে এড়িয়ে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। এরপর বিভিন্ন দেশে জায়গা বদল করে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাসস্থান স্থাপন করে আত্মগোপন করে ছিল বলে জানা গিয়েছে। অবশেষে গ্রেফতার হল আজ।

    গুজরাট এটিএস তথ্য দিয়েছিল (PFI) 

    গুজরাট অ্যান্টি-টেরোরিজম স্কোয়াড (এটিএস) এই পিএফআই (PFI) নেতা নিয়াজির গতিবিধিকে ট্র্যাক করার জন্য বিশেষ নেতৃত্ব দিয়েছিল। অবশেষে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে তাকে পাকড়াও করতে সুবিধা হয়। সেই সময়ে আরএসএস নেতা রুদ্রেশের হত্যাকাণ্ড নিয়ে সারা দেশে শোকের আবহ তৈরি হয়েছিল। একই সঙ্গে নিয়াজিকে গ্রেফতারের জন্য তীব্র ক্ষোভের প্রকাশ দেখা গিয়েছিল। কুখ্যাত এই নেতা নিয়াজিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় গ্রেফতার করার পর তাকে ভারতে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ প্রক্রিয়ার কাজ দ্রুত শুরু হয়েছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, তাকে প্রথমে মুম্বাইতে নিয়ে আসা হবে। এরপর তাকে আদালতে তোলা হবে।

    কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল

    আরএসএস নেতা রুদ্রেশ একজন দুধ ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁকে দিনের আলোতে খুপিয়ে খুন করা হয়েছিল। বেঙ্গালুরুতে শিবাজি নগরের আরএসএস শাখার সঙ্ঘ চালক ছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে শিবাজি নগর শাখার বিজেপির সম্পাদক ছিলেন। দলের কাজ সেরে নিজের বাইকে করে ফিরছিলেন বাড়িতে। এরপর শহরের প্রাণ কেন্দ্র এমজি রোডে রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের সামনে কালো পালসারে করে আসা দুই পিএফআই (PFI) দুষ্কৃতী তাঁর উপর আক্রমণ করে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে পরপর কোপ মেরে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে যেতে মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছিল। এরপর খুনের প্রতিবাদে কমার্শিয়াল রোডের থানার সামনে আরএসএস সমর্থকরা ব্যাপক প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ করে।      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: “তৃণমূলের অহংকার শেষ করবেন মুসলিম মা-বোনেরাই”, তোপ মোদির

    Narendra Modi: “তৃণমূলের অহংকার শেষ করবেন মুসলিম মা-বোনেরাই”, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃণমূলের অহংকার শেষ করবেন মুসলিম মা-বোনেরাই।” কার্যত এই ভাবেই তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এই বক্তব্যে তৃণমূলের মুসলিম ভোট ব্যাঙ্কের উপর আক্রমণ করলেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশের মানুষ। আজ হুগলির আরামবাগ থেকে তিনি রাজ্য জুড়ে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের ক্রমবর্ধমান অত্যাচার, নির্যাতন এবং নিগ্রহের বিরুদ্ধে তীব্র কটাক্ষ করলেন। একই ভাবে শাসক দলের কাছে রাজ্যের নারী সুরক্ষার বিষয়ে মা মাটি সরকারের কাছে প্রশ্ন তুললেন তিনি। সেই সঙ্গে সন্দেশখালিতে মহিলাদের যৌনশোষণের বিরুদ্ধে আজ সভামঞ্চ থেকে তৃণমূলকে কড়া বার্তা দিলেন মোদি।

    কী বললেন মোদি (Narendra Modi)?

    আজ শুক্রবার হুগলির আরামবাগের সভা থেকে নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) বলেন, “তৃণমূলের একটাই অহংকার যে ওঁদের কাছে একটা বিশেষ ভোট ব্যাঙ্ক রয়েছে। এবার এই অহংকারের পতন ঘটবে। মুসলিম মা-বোনেরা তৃণমূলকে উৎখাত করবে। আগামী লোকসভার ভোটেই বিদায়-ঘণ্টা বাজতে চলেছে।” রাজ্যে তৃণমূলের কাছে মুসলিম ভোট একটি চর্চার বিষয়। কিন্তু মমতার অপশাসনে এবার এই ভোট ব্যাঙ্কে ফাটল ধরবে।

    মুসলমান তোষণ করেন মমতা

    রাজ্যে ইমামভাতার মতো অতিরিক্ত সুবিধাগুলি তৃণমূল সরকার কেবল মাত্র মুসলমান ভোট ব্যাঙ্কের কথা মাথায় রেখেই করছেন মমতা। এই অভিযোগ বিজেপির পক্ষ থেকে অনেক দিন ধরেই করে আসা হচ্ছে। মমতা নিজে ইফতার, ঈদ থেকে নামাজ পর্যন্ত একাধিক বিষয়ে মুসলমানদের অপেক্ষাকৃত বেশি প্রধান্য দিয়ে থাকেন। অপেক্ষাকৃত হিন্দু ধর্মীয় উৎসবে আক্রমণ হলে চুপ থাকেন তিনি। এই বিষয়ে শুভেন্দু বার বার মমতাকে ‘জালি হিন্দু’ বলেছেন। যদিও মমতা নিজে বিরোধীদের এই সব বিষয়ে একেবারেই গুরুত্ব দিতে নারাজ। মুসলমান তোষণের অভিযোগের কথা বার বার হিন্দু সংগঠনগুলিও করে থাকে মমতার বিরুদ্ধে। ২০১৯ সালে লোকসভার পর ভোট পরবর্তী হিংসার বন্ধ না করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মমতা সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “যে গরু দুধ দেয়, তার লাথি খাওয়া ভালো।” এদিন লোকসভার আগে ফের একবার মোদি (Narendra Modi) বললেন, “সংখ্যালঘু ভোট আর থাকবে না তৃণমূলের।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gaighata: গাইঘাটাকে সন্দেশখালি করার হুমকি তৃণমূল নেতার, ঝাঁটা হাতে বিক্ষোভ মহিলাদের

    Gaighata: গাইঘাটাকে সন্দেশখালি করার হুমকি তৃণমূল নেতার, ঝাঁটা হাতে বিক্ষোভ মহিলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার গাইঘাটাকে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) করার হুমকি তৃণমূল নেতার। প্রতিবাদে হাতে ঝাঁটা-লাঠি নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন এলাকার মহিলারা এবং সেই সঙ্গে বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন তাঁরা। ঘটনায় তৃণমূলের তীব্র নিন্দা করেছে বিরোধী দল বিজেপি। মূলত জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে এলাকায় তৃণমূল নেতার এই হুমকি বলে জানা গিয়েছে।

    জমি দখলে উত্তাল (Sandeshkhali)

    জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা। এলাকার বইকারার বসিন্দা বাপি সরকার নামে এক ব্যক্তি নিজের জমির উপর বাড়ি তৈরি করেছেন। এই বিষয়ে বাপি এবং তাঁর স্ত্রী বলেন, এলাকার তৃণমূল নেতা প্রমোটার বিশ্বজিৎ তাঁদের এই জমির উপর জোর করে রাস্তা তৈরি করতে চাইছেন। কিন্ত বাধা দিলে গত বুধবার দলবল নিয়ে এলাকায় হুমকি দেন। এরপর বাপির স্ত্রীকে সাদা থান কাপড় পরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। সেই সঙ্গে ধর্ষণ করার হুমকি দেওয়া হয়। এতে এলাকার প্রতিবেশীরা বেরিয়ে এসে প্রতিবাদ করলে তৃণমূল নেতার দলবলের সঙ্গে ব্যাপক গোলমাল চিৎকার চেঁচামেচি হয়। এই সময় বাপির স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, “তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ ও তাঁর দলবল গাইঘাটাকে সন্দেশখালি করার হুমকি দিয়েছেন।” এরপর এলাকার মহিলারা ব্যাপক ক্ষোভে ফেটে পড়েন। হাতে লাঠি, ঝাঁটা নিয়ে রাস্তায় নেমে আন্দোলন শুরু  করেন।

    মহিলাদের অভিযোগ

    তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এলাকার মহিলারা বলেন, “আমাদের এলাকাকে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) করতে গেলে দুষ্কৃতীদের ঝেটিয়ে বিদায় করব।” উল্লেখ্য সন্দেশখালিতে তৃণমূল নেতা শাহজাহান, সিরাজ, শিবু, উত্তম, আমির গাজী সহ একাধিক তৃণমূল নেতা নিজেদের পার্টি অফিসে রাতের বেলায় মহিলাদের তুলে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন করত বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এই অভিযোগে ব্যাপক পরিমাণে জনরোষের বহিঃপ্রকাশ দেখা গিয়েছে সন্দেশখালিতে। ইতিমধ্যে পুলিশ প্রশাসন আন্দোলনের কাছে নতি স্বীকার করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করতে বাধ্য হয়েছে।

    বিজপির বক্তব্য

    গাইঘাটাকে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) করার হুমকির বিরুদ্ধে বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়, “বিশ্বজিৎ এলাকার দুষ্কৃতীদের নিয়ে সন্ত্রাস করার চেষ্টা করছে। আমাদের এলাকাকে সন্দেশখালি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা তা হতে দেবো না। আমরা ওঁদের বিদায় করব।” অপর দিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা পরিষদের তৃণমূল সদস্য অভিজিৎ বিশ্বাস বলেন, “বিশ্বজিৎ দলের নেতা নয়, ওঁর স্ত্রী আমাদের দলের সদস্য। তৃণমূল কোনও দুষ্কৃতীকে প্রশ্রয় দেয় না।”      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ১০ মার্চ তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের দিনেই সন্দেশখালিতে শুভেন্দুর সভা

    Suvendu Adhikari: ১০ মার্চ তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের দিনেই সন্দেশখালিতে শুভেন্দুর সভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ শাহজাহান গ্রেপ্তার হওয়ার খুশিতে সন্দেশখালির সরবেড়িয়া বাজার, শেখ শাহজাহান মার্কেটসহ একাধিক জায়গায় মিষ্টি বিতরণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আগামী ১০ মার্চ তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের দিনেই সন্দেশখালিতে বিশেষ সভা করবেন তিনি। সেই সঙ্গে বলেন, “পুলিশ যদি সভার অনুমতি না দেয় তাহলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হব।” রেশন দুর্নীতি, জোর করে জমি দখল এবং হিন্দু মহিলাদের বাড়ি থেকে পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে যৌননির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত শেখ শাহজাহানের পুলিশি গ্রেফতারে  তীব্র শোরগোল পড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

    হাইকোর্টের অনুমতিতে ফের সন্দেশখালিতে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    আগামী ১০ মার্চ সন্দেশখালি-মিনাখাঁ বিধানসভায় দুটি জায়গায়কে ঠিক করেছে নিজেপি। সকাল ১০টায় এই সভা হবে বলে জানানো হয়েছে। আজ কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্দেশখালির জেলিয়াখালিতে গিয়েছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। রাস্তায় রামপুর ফেরিঘাট থেকে লঞ্চে করে সন্দেশখালি বাজারে পৌঁছান তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ এবং অর্চনা মজুমদার। তিনি পৌঁছে হালদার পাড়া সহ একাধিক জায়গায় পরিদর্শন করে মানুষের অভাব, অভিযোগের কথা শুনেছেন। সেই সঙ্গে এলাকার মানুষ শঙ্খ, উলু ধ্বনি, এবং পুষ্প বর্ষণ করে গ্রামের মহিলারা বরণ করে নেন। বেশ কিছু জায়গায় পায়ে হেঁটে আবার টোটোতে চেপে ঘুরে দেখেন তিনি। এর মধ্যেই সাংবাদিকদের সঙ্গে নানা বিষয়ে কথা বলেন।

    কী বললেন শুভেন্দু?

    আজ বৃহস্পতিবার সন্দেশখালিতে গিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “একজন বলেছিলেন সন্দেশখালিতে এলে আমার ছাল আর চামড়া ছাড়িয়ে নেবেন। তাই আজ এসে মিষ্টি খেয়ে গেলাম। জনপ্রতিনিধি হিসাবে আমি বাড়িতে বসে থাকতে পারিনা। মানুষ নিজের উপর তৃণমূলের অত্যাচারের বিরুদ্ধে ন্যায় বিচার চাইছে। তাই মানুষের দাবিকে সমানে রেখে আমাদের আন্দোলন চলবে। মানুষ অত্যন্ত দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন, দোষীদের শাস্তি হবে তো? বিচার পাবো তো? ফের এলাকায় ফিরে এসে শাহজাহান অত্যাচার করবে না তো। তাই মানুষকে ভয় মুক্ত করা আমাদের একমাত্র কাজ। সন্দেশখালি এবং মিনাখাঁ এই দুই বিধানসভাকে নিয়ে আমরা ৩০ হাজারের মানুষের সভা করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: এবার গ্রেফতার শাহজাহানের ডান হাত তৃণমূল নেতা আমির আলি গাজি

    Sandeshkhali: এবার গ্রেফতার শাহজাহানের ডান হাত তৃণমূল নেতা আমির আলি গাজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার গ্রেফতার শাহজাহানের ডান হাত আমির গাজি। সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali) অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত ছিলেন এই তৃণমূল নেতা। আজ ভিন রাজ্য থেকে গ্রেফতার করেছে বসিরহাট থানার পুলিশ। তিনি শেখ শাহজাহানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলে পরিচিত। তাঁকে আজ ৫ দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে বসিরহাট আদালত। সন্দেশখালির নিপীড়িত এক মহিলা ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মহিলার গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়েছিল বসিরহাট আদালতে। সেই গোপন জবানবন্দিতে স্পষ্ট ছিল আমির আলি গাজির নাম। 

    রাউরকেল্লা থেকে গ্রেফতার (Sandeshkhali)

    আমিরের বাড়ি সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali)। ইতিমধ্যে এই কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া উত্তম সর্দার, শিব প্রসাদ হাজরার সঙ্গে খুব নিবিড় সম্পর্ক ছিল তাঁর। তাঁর বিরুদ্ধেও এলাকায় জমি দখল, চাষের জমি নষ্ট করা, মারধর করা, বাড়ির মহিলাদের তুলে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার করা, এমনকি খুনের হুমকি এবং ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে ওড়িশার রাউরকেল্লা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। মোবাইল টাওয়ারের সূত্র ধরে পুলিশ জানতে পেরেছে রাউরকেল্লায় রয়েছেন আমির, আর তারপর তাঁকে নিয়ে আসা হয় আজ।

    ৫৫ দিন পর গ্রেফতার

    দক্ষিণবঙ্গের আধিকারিক পুলিশের এডিজি সুপ্রতিম সরকার জানিয়েছেন, সন্দেশখালির (Sandeshkhali) শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারদের উপর আক্রমণের ৫৫ দিন পর পলাতক নেতা শাহজাহানকে গ্রেফতার করা হয়। ফলে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই গ্রেফেতারকে ‘মিউচুয়াল অ্যাডজাস্টমেন্ট’ বলেছেন। বসিরহাট আদালতে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে মামলার তদন্তভার সিআইডির হাতে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সঙ্গে ভাবানী ভবনে তাঁকে রাখা হয়েছে। একই ভাবে রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ এই সংক্রান্ত মামলার তদন্ত করবে। অপর দিকে তৃণমূলের তরফ থেকে গ্রেফতারের পর সাংবাদিক সম্মলেন করে বলা হয়েছে, শাহজাহানকে আগামী ৬ বছরের জন্য দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share