Tag: Madhyam

Madhyam

  • Maoist Leaders: তেলঙ্গনা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ দুই মাও শীর্ষ নেতার

    Maoist Leaders: তেলঙ্গনা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ দুই মাও শীর্ষ নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবীণ মাওবাদী নেতা দেবজি এবং মল্লা রাজু রেড্ডি, যিনি ‘সংগ্রাম’ নামেও পরিচিত, তেলঙ্গনা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। রবিবার একথা জানিয়েছেন ছত্তিশগড়ের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজয় শর্মা। নকশালবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এটিকে তিনি একটি বড় সাফল্য বলেই উল্লেখ করেন। সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শর্মা জানান, বসভারাজুর পর দেবজি সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব নেন এবং তিনি বহু বছর ধরে সক্রিয় ছিলেন। শর্মা বলেন, “প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বসভারাজুর পর সাধারণ সম্পাদক হওয়া দেবজি তেলঙ্গনা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন।”

    শীর্ষ মাওবাদী নেতা (Maoist Leaders)

    তিনি আরও বলেন, “মল্লা রাজু রেড্ডিও ছত্তিশগড়ের আবুজমাড় অঞ্চলে এবং পার্শ্ববর্তী গড়চিরোলি এলাকায় বহু দশক ধরে সক্রিয় শীর্ষ মাওবাদী নেতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।” এই আত্মসমর্পণকে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য আখ্যা দিয়ে শর্মা বলেন, “নকশালবিরোধী অভিযান এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। আমার বিশ্বাস, নকশালবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের শেষ পর্যায়ে আমরা পৌঁছে গিয়েছি। শীর্ষ পর্যায়ের মাত্র একজন নেতা বাকি রয়েছেন, যিনি অত্যন্ত বয়স্ক। তাঁকে বাদ দিলে আরও এক-দু’জন আছেন, কিন্তু তাঁরা এই দু’জনের মতো সক্রিয় নন। বাকি ব্যক্তিদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চলছে।”

    অভিযানের প্রসঙ্গ

    করেগুট্টায় চলমান অভিযানের প্রসঙ্গ তুলে শর্মা জানান, তল্লাশি অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী ৮৯টি আইইডি (তাৎক্ষণিক বিস্ফোরক যন্ত্র) উদ্ধার করেছে। তিনি বলেন, “সেখানে নকশালদের যে ঘাঁটি গড়ে উঠেছিল, তা ভেঙে পড়ার মুখে। আমরা সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী যে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যেই নকশালবাদ সম্পূর্ণভাবে নির্মূল হবে।” এ পর্যন্ত অগ্রগতির জন্য তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রণীত কৌশল এবং মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেব সাইয়ের দেওয়া কার্যকরী স্বাধীনতাকে কৃতিত্ব দেন।

     

  • PM Modi: এআই সম্মেলনে কংগ্রেসের ‘শার্টবিহীন’ প্রতিবাদের কড়া সমালোচনা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: এআই সম্মেলনে কংগ্রেসের ‘শার্টবিহীন’ প্রতিবাদের কড়া সমালোচনা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে সদ্য সমাপ্ত এআই সম্মেলনে কংগ্রেসের ‘শার্টবিহীন’ প্রতিবাদের কড়া সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রবিবার তিনি একে দেশের সম্মানহানি ঘটানো লজ্জাজনক প্রদর্শন বলে অভিহিত করেন। সংবাদমাধ্যমকে সঠিকভাবে প্রতিবেদন (AI Summit) করার আহ্বানও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী এআই সম্মেলনে তাঁর বিরুদ্ধে এবং ভারত–মার্কিন অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় যুব কংগ্রেসের প্রতিবাদের নিন্দে করেন।

    কংগ্রেস পার্টির সঙ্গেই যুক্ত (PM Modi)

    মীরাটে এক সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেখুন কী দুর্ভাগ্য। এত পুরানো একটি দলের নেতারা লজ্জা পাওয়ার বদলে, যারা দেশের অসম্মান করছে তাদের নির্লজ্জভাবে সমর্থন করছেন। এই বিষয়টি কংগ্রেস পার্টির সঙ্গেই যুক্ত।” প্রধানমন্ত্রী সরাসরি সংবাদমাধ্যমকে নিরপেক্ষভাবে প্রতিবেদন করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমি সব সময় প্রার্থনা করি ঈশ্বর যেন আমাকে সংবাদমাধ্যমকে সবরকমভাবে সহ্য করার শক্তি দেন। কিন্তু আজ আমি সংবাদমাধ্যমকে অনুরোধ করছি— যখন আমরা এ ধরনের কাজের সমালোচনা করি, তখন দয়া করে এমন শিরোনাম করবেন না যে মোদি বিরোধীদের পরাজিত করেছেন। কংগ্রেসকে বাঁচানোর এই কৌশল বন্ধ করুন।”

    কংগ্রেসের পাপ রক্ষার কাজ

    নির্বাচিত প্রতিবেদন এবং কংগ্রেসের পাপ রক্ষার কাজ হচ্ছে বলে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই বিরোধীরা বিরোধী সেজে কংগ্রেসকে রক্ষা করছে। পাপ করে কংগ্রেস, ফল ভোগ করতে হয় তাদেরই। কিন্তু মিডিয়া ‘কংগ্রেস’ শব্দটি দেখে না, শুধু ‘বিরোধী’ শব্দটি দেখে। কেন? কেন কংগ্রেসকে রক্ষা করছেন (PM Modi)?” তিনি জানান, অন্য বিরোধী দলগুলি এই ঘটনায় অংশ নেয়নি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের কেউ কি এই পাপ করেছে? না (AI Summit)। ডিএমকে সদস্যরা? বিএসপি সদস্যরা? ফারুক আবদুল্লার দল? না। শুধু এবং শুধু ‘সিরফিরা’ (উন্মাদ) ও ‘বেলাগাম’ (বেপরোয়া) কংগ্রেস নেতারাই দেশ ধ্বংসে উঠেপড়ে লেগেছে।”

    বিরোধী সহকর্মীদের ধন্যবাদ

    প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসকে দেশের ওপর বোঝা বলে উল্লেখ করেন এবং প্রতিবাদটির নিন্দে করার জন্য অন্যান্য বিরোধী সহযোগীদের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “আমি প্রকাশ্যে এই বিরোধী সহকর্মীদের ধন্যবাদ জানাই, যাঁরা সত্য ও দেশের মর্যাদার পক্ষে দাঁড়িয়েছেন।” তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসতে হলে মানুষের হৃদয় জয় করতে হয়, মহিলা সাংসদদের পাঠিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করানো নয় (PM Modi)। বাজেট অধিবেশনের সময় লোকসভায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের মধ্যে কংগ্রেস মহিলা সাংসদদের তাঁর আসন ও ট্রেজারি বেঞ্চের কাছে পাঠিয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, দলটি গঠনমূলক ভূমিকা নেওয়ার বদলে কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করে (AI Summit)।

    কংগ্রেসের মিত্রদেরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে

    তিনি বলেন, “তাঁরা নিজেরাই সংসদে কার্যকর হতে পারেন না, তাই সহকর্মীদেরও কথা বলার সুযোগ দেন না। তাঁরা সংসদ চলতে দেয় না। এতে কংগ্রেসের মিত্রদেরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে, এবং তারা তা বুঝেছে। দিল্লিতে তারা যে নগ্নতা প্রদর্শন করেছে, তাতে তাদের সব মিত্র স্তম্ভিত হয়ে দূরত্ব বজায় রেখেছে।” এর আগে আজ প্রধানমন্ত্রী মোদি শতাব্দী নগর নমো ভারত স্টেশনে মিরাট মেট্রো ও নমো ভারত ট্রেনের উদ্বোধন করেন। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, উত্তরপ্রদেশ বিজেপি সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী-সহ অন্য আধিকারিকরা তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী মিরাটে প্রায় ১২,৯৩০ কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন এবং সেগুলি জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন (AI Summit)।

     

  • US Military Strike Threat: ফের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়াল ইরানে, সংঘর্ষ

    US Military Strike Threat: ফের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়াল ইরানে, সংঘর্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়াল ইরানে (Iran)। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা পাল্টা গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে এবং দেশটির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছে (US Military Strike Threat)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং স্থগিত পারমাণবিক আলোচনা ঘিরে এই অস্থিরতা নতুন করে সামনে এসেছে। অর্থনৈতিক সংকট ও অতীতের বিক্ষোভ দমন অভিযানের ক্ষোভই এই আন্দোলনের মূল কারণ।

    সরকারবিরোধী স্লোগান (US Military Strike Threat)

    শনিবার ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারবিরোধী স্লোগান শোনা যায়। পরে শিক্ষার্থীরা পাল্টা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার হুমকির প্রেক্ষাপটে দেশটির ধর্মীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে এটি ছিল সাম্প্রতিক ক্ষোভের প্রকাশ। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, তেহরানের শীর্ষ টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিড়ের মধ্যে মারামারি শুরু হয় এবং মানুষ “বি শরাফ” (ফারসি ভাষায় যার অর্থ ‘লজ্জাজনক’) বলে চিৎকার করে। পার্সিয়ান ভাষার টিভি চ্যানেল ‘ইরান ইন্টারন্যাশনালে’ প্রকাশিত ফুটেজে দেখা যায়, শরিফ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিতে বড় একটি জনতা সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে। পরে ফার্স নিউজ এজেন্সি জানায়, ওই প্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষে কয়েকজন জখম হয়েছে বলে খবর।

    “খামেনেইর মৃত্যু হোক”

    বিক্ষোভকারীদের “খামেনেইর মৃত্যু হোক” এবং “কাজ শেষ করো” ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়। তারা প্রাক্তন শাহের প্রশংসা করে রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিও জানায়। ফার্স প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একদল মানুষ ইরানের পতাকা নাড়িয়ে স্লোগান দিচ্ছে এবং মুখোশ পরা আর একটি দলের মুখোমুখি অবস্থান করছে। স্যুট পরিহিত ব্যক্তিরা বিক্ষোভকারীদের আটকে রাখার চেষ্টা করছে (US Military Strike Threat)। ১৮ ফেব্রুয়ারিতেও এএফপি যাচাইকৃত ভিডিওতে দেখা যায়, ইরানিরা দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইর বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে। তারা সারা দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনের সময় নিহতদের স্মরণে জড়ো হয়েছিল।

    উত্তেজনা চরমে

    ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বর্তমানে চরমে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে ইঙ্গিত, তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর সীমিত হামলার নির্দেশ দিতে পারেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান- ওমানের মধ্যস্থতায় সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করলেও, ওয়াশিংটনের দাবি, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ত্যাগ করতে হবে, এ বিষয়ে এখনও কোনও সমঝোতা হয়নি (Iran)। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে।

    ইরানে বিক্ষোভ

    ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়, যখন অর্থনীতি ভেঙে পড়ার প্রতিবাদে দোকানদার ও ব্যবসায়ীরা রাস্তায় নামে। পরে আন্দোলন বিস্তৃত হয়ে ধর্মীয় শাসনব্যবস্থার অবসান দাবি পর্যন্ত পৌঁছে যায়। খামেনেই নেতৃত্বাধীন সরকার কঠোর দমনপীড়নের মাধ্যমে বিক্ষোভ দমনের চেষ্টা করে (US Military Strike Threat)। ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ ৩,০০০-এরও বেশি মৃত্যুর কথা স্বীকার করলেও দাবি করেছে, এই হিংসা “জঙ্গি কার্যকলাপ” এবং ইরানের শত্রুদের প্ররোচনায় ঘটেছে (Iran)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্টস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা ৭,০০০-এরও বেশি। ইরানি কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভকারীদের অর্থনৈতিক দাবির বৈধতা স্বীকার করলেও “চিরশত্রু” মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দাঙ্গা উসকে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে (US Military Strike Threat)।

    ট্রাম্পের নির্দেশ

    ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিম এশিয়ায় বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড পাঠিয়েছে। পাশাপাশি আরও কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। ২১ ফেব্রুয়ারি হোয়াইট হাউসে গভর্নরদের সঙ্গে নৈশভোজে ট্রাম্প বলেন, “আমাদের সামরিক বাহিনী আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।” তিনি সতর্ক করে বলেন, “তেহরান যদি চুক্তিতে না পৌঁছায়, তাহলে “খারাপ কিছু” ঘটবে। চুক্তির জন্য ১৫ দিনের সময়সীমা দিয়েছেন। গত বছর ব্যর্থ পারমাণবিক কূটনীতি ও ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালিয়েছিল (Iran)।

    ইরানের বক্তব্য

    ইরান জানিয়েছে, তারা শিগগিরই একটি খসড়া প্রস্তাব জমা দেবে। তবে ‘অ্যাক্সিওস’ এক প্রবীণ মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ওয়াশিংটন এমন একটি চুক্তি বিবেচনা করতে প্রস্তুত, যেখানে “সীমিত, প্রতীকী ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ” অনুমোদিত হতে পারে। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র শূন্য মাত্রার সমৃদ্ধকরণের দাবি করেনি।” খামেনেই সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তেহরানে হামলা চালালে তা আঞ্চলিক যুদ্ধের রূপ নিতে পারে (US Military Strike Threat)। তাহলে কি শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প ইরানে হামলা করবেন? তা হয়তো কয়েক দিনের মধ্যেই স্পষ্ট হবে (Iran)।

     

  • Yogi Adityanath: লগ্নি টানতে সিঙ্গাপুর-জাপানের উদ্দেশে রওনা যোগী আদিত্যনাথের

    Yogi Adityanath: লগ্নি টানতে সিঙ্গাপুর-জাপানের উদ্দেশে রওনা যোগী আদিত্যনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ দিনের সফরে রবিবার সিঙ্গাপুর ও জাপানের উদ্দেশে রওনা দিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। এই সফরের লক্ষ্য হল বৈশ্বিক বিনিয়োগ আকর্ষণ করা, আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব আরও জোরদার (PM Modi) করা এবং উত্তরপ্রদেশকে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনৈতিক শক্তিকেন্দ্র হিসেবে উপস্থাপন করা। একই সঙ্গে এই সফরকে সাংস্কৃতিক কূটনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবেও দেখা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর লক্ষ্য ২০২৭ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে উত্তরপ্রদেশকে ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করা। গত আট বছরে রাজ্যে এক্সপ্রেসওয়ে, বিমানবন্দর, ডিফেন্স করিডর ও শিল্পকেন্দ্র-সহ দ্রুত পরিকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে। এখন লক্ষ্য হল, আরও বেশি করে বিদেশি সংস্থা ও উন্নত প্রযুক্তি আনা, যাতে উন্নয়নের গতি বাড়ানো যায়।

    কী বলছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা (Yogi Adityanath)

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই উদ্যোগ অনেকের কাছে মনে করিয়ে দেয় ২০০১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির কৌশলের কথা। বৈশ্বিক সফর ও ভাইব্র্যান্ট গুজরাট সম্মেলনের মাধ্যমে মোদি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানান এবং গুজরাটে বিদেশি বিভিন্ন সংস্থাকে আকৃষ্ট করেন। সুজুকি, হোন্ডা ও টয়োটার মতো জাপানি অটোমোবাইল সংস্থাগুলি সেই সময় গুজরাটে লগ্নি করে। সিঙ্গাপুরের নগর পরিকল্পনার ধারণাও অধ্যয়ন ও প্রয়োগ করা হয়। মোদি একবার বলেছিলেন, তিনি গুজরাটের মুখ হয়ে বিদেশে গিয়ে বিনিয়োগ ফিরিয়ে আনতেন। যোগী আদিত্যনাথও উত্তরপ্রদেশের জন্য একই ধরনের কৌশল প্রয়োগ করছেন—সরাসরি বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে রাজ্যকে উৎপাদন, প্রযুক্তি ও পরিকাঠামোর জন্য প্রস্তুত গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরছেন (Yogi Adityanath)।

    রোডশোর আয়োজন

    মুখ্যমন্ত্রী ২২ ফেব্রুয়ারির সন্ধ্যায় সিঙ্গাপুরে পৌঁছবেন এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সেখানে থাকবেন। এই পর্যায়ে স্মার্ট সিটি উন্নয়ন, নগর পরিবহণ ব্যবস্থা, জল ব্যবস্থাপনা এবং দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিনিয়োগকারী রোডশোর আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে উত্তরপ্রদেশকে বিনিয়োগবান্ধব রাজ্য হিসেবে তুলে ধরা হবে। সিঙ্গাপুর চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (SICCI) এবং ভারতের ফিকি (FICCI)-র মতো ব্যবসায়িক সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক হতে পারে (PM Modi)। পরিকাঠামো, লজিস্টিকস, আবাসন ও ডিজিটাল পরিষেবা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে মউ (MoU) স্বাক্ষরিত হতে পারে (Yogi Adityanath)। প্রধানমন্ত্রী সিঙ্গাপুরে বসবাসকারী ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন, বিশেষত যাঁদের শেকড় উত্তরপ্রদেশে। আধিকারিকরা মনে করেন, প্রবাসী ভারতীয়রা বৈশ্বিক সংস্থা ও দেশের সুযোগের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে পারেন। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন শহর, আধুনিক আবাসন ও দক্ষ জনপরিষেবার জন্য সিঙ্গাপুর সুপরিচিত—এই মডেল থেকে শিক্ষা নিতে চায় উত্তরপ্রদেশ।

    সফর করবেন জাপানও

    ২৪ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যোগী আদিত্যনাথ জাপানের টোকিও, ইয়ামানাশি, ওসাকা ও কিয়োটো সফর করবেন। টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে “জাপান-উত্তরপ্রদেশ পার্টনারশিপ ফর ম্যানুফ্যাকচারিং, মবিলিটি, অ্যান্ড টেকনোলজি” শীর্ষক এক বড় ব্যবসায়িক সম্মেলন। অটোমোবাইল, বৈদ্যুতিক যান, ইলেকট্রনিক্স, রেল, রাসায়নিক ও লজিস্টিকস খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন (Yogi Adityanath)। জাপান ভারতের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। উত্তরপ্রদেশের ইতিমধ্যে ইয়ামানাশি প্রিফেকচারের সঙ্গে একটি সমঝোতা রয়েছে। শিল্প সহযোগিতা, প্রযুক্তি হস্তান্তর, বৌদ্ধ পর্যটন, যোগ ও আয়ুর্বেদ নিয়ে আলোচনা হতে পারে (PM Modi)। সবচেয়ে আলোচিত অংশগুলির একটি হল জাপানের উচ্চগতির ম্যাগলেভ ট্রেনে মুখ্যমন্ত্রীর ১০০ কিলোমিটারের পরীক্ষামূলক যাত্রা। এই ট্রেন চৌম্বকীয় লেভিটেশন প্রযুক্তিতে ঘণ্টায় প্রায় ৬০০ কিলোমিটার বেগে চলে এবং রেললাইনের স্পর্শ ছাড়াই চলাচল করে। উত্তরপ্রদেশ যেহেতু উন্নত পরিবহণ ব্যবস্থা নিয়ে ভাবছে, এই অভিজ্ঞতা উচ্চগতির রেল সম্ভাবনা বুঝতে সহায়ক হবে (Yogi Adityanath)।

    বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে

    যোগীর এই সফরের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফল হতে পারে গ্রেটার নয়ডায় যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (YEIDA) অধীনে ‘জাপান সিটি’ ও ‘সিঙ্গাপুর সিটি’ গড়ে তোলার অগ্রগতি। জাপান সিটি ৫০০ একর জমিতে সেক্টর ৫এ-তে এবং সিঙ্গাপুর সিটি ৫০০ একর জমিতে সেক্টর ৭-এ গড়ে তোলা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৭০ শতাংশ জমি শিল্পের জন্য, ১২ শতাংশ আবাসনের জন্য, ১৩ শতাংশ বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য এবং ৫ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক কাজে ব্যবহৃত হবে। এই প্রকল্পগুলি ইপিসি মডেলে বাস্তবায়িত হবে। জাপান ও সিঙ্গাপুরের পরিকল্পনা মানদণ্ড অনুসরণ করা হবে। দুই দেশের সংস্থাগুলিকে কারখানা ও অফিস তৈরির জন্য জমি দেওয়া হতে পারে। সফল হলে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিল্পোৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে (Yogi Adityanath)। এই সফরে যোগী আদিত্যনাথ তাঁর ঐতিহ্যবাহী গেরুয়া কুর্তা-চোলা পরিধান করবেন। নাথ সম্প্রদায়ের প্রধান পুরোহিত হিসেবে গেরুয়া তাঁর নিয়মিত পোশাক। তবে এই প্রথম কোনও ভারতীয় সাংবিধানিক পদাধিকারী সরকারি সফরে গেরুয়া পোশাকে বিদেশ সফর করবেন (PM Modi)।

    গেরুয়া ত্যাগ ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক

    সমর্থকদের মতে, এটি ভারতের সাংস্কৃতিক আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন। ভারতীয় ঐতিহ্যে গেরুয়া ত্যাগ ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক। জাপান, যা বৌদ্ধ মন্দির ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত, ভারতের সঙ্গে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক শেয়ার করে। উত্তরপ্রদেশে সারনাথ ও কুশীনগরের মতো গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধ তীর্থস্থান রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বৌদ্ধ পর্যটন বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হতে পারে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী টোকিও থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরের একটি শান্ত মন্দিরেও যেতে পারেন। অনেকে মনে করেন, অর্থনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক বন্ধনও এতে দৃঢ় হবে। যোগী সরকার জানিয়েছে, পরিকাঠামো ও ব্যবসার সুবিধার ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশ ইতিমধ্যেই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। তবে প্রায় ২৩ কোটি জনসংখ্যার এই রাজ্যে দ্রুত শিল্পোন্নয়ন অপরিহার্য (Yogi Adityanath)।

    জাপান থেকে বৈদ্যুতিক যান, সেমিকন্ডাক্টর, উন্নত উৎপাদন ও উচ্চগতির রেল ব্যবস্থায় বিনিয়োগ আকর্ষণের আশা করা হচ্ছে। সিঙ্গাপুর থেকে স্মার্ট সিটি, জল পরিশোধন ও লজিস্টিক পার্কে দক্ষতা আনার লক্ষ্য রয়েছে (PM Modi)। এই বিদেশ সফর শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নজর থাকবে স্বাক্ষরিত চুক্তি ও বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতির ওপর। সফল হলে এটি ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের লক্ষ্যের পথে বড় পদক্ষেপ হতে পারে। একই সঙ্গে গেরুয়া পোশাক পরিহিত এক মুখ্যমন্ত্রীর বৈশ্বিক নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ভারতের উন্নয়নের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক শেকড়ে দৃঢ় থাকার বার্তাও বহন করতে পারে (Yogi Adityanath)।

     

  • Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন আমাদের চোখের সামনে ধীরে ধীরে (Roundup Week) সংঘটিত এক প্রকার গণহত্যার মতো (Hindus Under Attack)। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তারকে উপেক্ষা করেছে, যার নেপথ্যে কাজ করছে উদ্বেগজনক হিন্দুবিরোধী পক্ষপাত। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও নজিরবিহীন ঘৃণার মুখোমুখি হচ্ছেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, এই সপ্তাহে আমরা এমন ঘটনাগুলির একটি চিত্র তুলে ধরছি, যাতে বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হন।

    পশ্চিমবঙ্গের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার জামালদহ এলাকায় এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, দীর্ঘদিনের হুমকি ও ব্ল্যাকমেইলের পর ১৫ বছরের এক কিশোরী আত্মহত্যা করে। মৃতা শেফালি বর্মন, জামালদহের বাসিন্দা ও জামালদহ তুলসী দেবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। পরিবারের অভিযোগ, হুমায়ুন কবির মিঞা নিজের প্রকৃত পরিচয় গোপন করে সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং সত্য প্রকাশ পাওয়ার পর বিচ্ছেদের জেরে শেফালিকে হুমকি দিতে থাকে (Hindus Under Attack)। দিল্লির পীরাগড়ি এলাকায় একটি পার্ক করা গাড়ির ভেতর তিন হিন্দুর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এক স্বঘোষিত মুসলিম তান্ত্রিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, উত্তরপ্রদেশ ও রাজস্থানে আরও পাঁচটি অনুরূপ মৃত্যুর সঙ্গে তার যোগ থাকতে পারে (Roundup Week)।

    কর্নাটকের ঘটনা

    কর্নাটকের শিবমোগা জেলার ভদ্রাবতীতে জোরপূর্বক খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরের অভিযোগ উঠেছে। বি বিনয় নামে এক ব্যক্তির অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী প্রিয়াথা আর খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে তাঁকে ও তাঁদের দুই নাবালিকা কন্যাকে একই ধর্ম অনুসরণে চাপ দিচ্ছেন। পেপার টাউন থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত (Hindus Under Attack)। বিজয়পুরায় আর একটি ঘটনা সামনে আসে। নিশা চৌহান নামে এক তরুণী বাড়ি ছেড়ে ফিরে এসে পুলিশের সামনে জানান, তিনি তাঁর স্বামী মহম্মদ সেলিম সুতারের সঙ্গেই থাকবেন। গান্ধী চক থানার বাইরে তাঁর বাবা-মা কান্নায় ভেঙে পড়ে মেয়েকে বাড়ি ফেরার অনুরোধ করলেও তিনি রাজি হননি। কর্নাটকের গদাগ জেলার মুন্দারগি তালুকের শিংগাতালুর গ্রামের ঐতিহাসিক শ্রী রামালিঙ্গেশ্বর মন্দিরে মহাশিবরাত্রির সকালে মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় স্থানীয় ভক্তদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়ায় (Hindus Under Attack)।

    খবরে উত্তরপ্রদেশও

    উত্তরপ্রদেশের আমরোহায় মহাশিবরাত্রির প্রাক্কালে কানওয়ার যাত্রার শিবিরের কাছে সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন জখম হন, যার মধ্যে এক পুলিশ কনস্টেবলও রয়েছেন। অভিযোগ, মুসলিম যুবকেরা পাথর নিক্ষেপ করে। ২৯ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে (Roundup Week)। কংগ্রেস মুখপাত্র লক্ষ্মী রামচন্দ্রন তামিলনাড়ুর মন্ত্রী উদয়নিধি স্টালিনের সনাতন ধর্ম সম্পর্কিত বিতর্কিত মন্তব্যকে সমর্থন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দেন।

    বাংলাদেশের ছবি

    এদিকে, বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। অভিযোগ, প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে সে দেশে হিন্দুরা বিলুপ্ত হতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের এক গবেষণায় এমনই দাবি করা হয়েছে। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মদ্রোহের অভিযোগে গণআক্রমণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর—এসবের মাধ্যমে হিন্দুদের দেশত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। নোয়াখালির হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নে ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে একাধিক হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার প্রতিবাদে হয় মানববন্ধন (Roundup Week)।

    কালাপানি পারের দেশেও চলছে হিন্দু নির্যাতন

    কালাপানি পারের দেশেও চলছে হিন্দু নির্যাতন। পিটারবরো শহরের একমাত্র মন্দির ও কমিউনিটি সেন্টার বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে ভারত হিন্দু সমাজের অভিযোগ। স্থানীয় কাউন্সিলের সিদ্ধান্তে জায়গাটি একটি ইসলামিক সংস্থাকে দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা। সম্প্রদায়ের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপ চেয়েছেন (Hindus Under Attack)। হিন্দু কানাডিয়ান ফাউন্ডেশন ব্রাম্পটনের মেয়র প্যাট্রিক ব্রাউন ও ন্যাশনাল পোস্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে যে কানাডায় তোলাবাজি সংক্রান্ত একটি নিবন্ধে হিন্দু ধর্মীয় চিত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিষয়টির সঙ্গে সম্পর্কহীন।

    লেখাটিতে বলা হয়েছে, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে হিন্দুবিরোধী পক্ষপাত ও কিছু ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মতাদর্শ কাজ করে। ইসলামিক দেশগুলিতে প্রকাশ্য হিন্দুবিরোধী মনোভাবের পাশাপাশি তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রেও সূক্ষ্ম বৈষম্য বিদ্যমান বলে দাবি করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ (Roundup Week) তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগ করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

     

  • Karan Adani: ‘বিজনেস লিডার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারে সম্মানিত করণ আদানি

    Karan Adani: ‘বিজনেস লিডার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারে সম্মানিত করণ আদানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের ‘ম্যানেজিং ইন্ডিয়া অ্যাওয়ার্ডসে’ ‘বিজনেস লিডার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন করণ আদানি (Karan Adani)। পোর্টস অ্যান্ড এসইজেড লিমিটেড এবং আদানি সিমেন্ট লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর করণকে (Aima Awards) এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে অল ইন্ডিয়া ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (এআইএমএ) আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে।

    সম্মান প্রদান (Karan Adani)

    নয়াদিল্লির তাজ প্যালেস হোটেলে অনুষ্ঠিত এআইএমএর প্লাটিনাম জয়ন্তী উদ্‌যাপনের সময় এই সম্মান প্রদান করা হয়। এদিন সংস্থাটির ৭০তম প্রতিষ্ঠা দিবস এবং ২০তম ন্যাশনাল ম্যানেজমেন্ট ডে পালিত হয়। এই ব্যবসায়ী তাঁর প্রাপ্ত পুরস্কারটি আদানি গ্রুপের কর্মীদের উদ্দেশে উৎসর্গ করেন। তিনি বলেন, “এই পুরস্কারে আমি সত্যিই অভিভূত। আমি এটি আদানি গ্রুপের কর্মীদের উৎসর্গ করছি। তাঁরা দিন-রাত এক করে পরিশ্রম করছেন। এটি আসলে তাদেরই পুরস্কার।”

    কী বললেন করণ

    করণ আদানি এও বলেন, “আমি আমার বাবাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি প্রতিদিন তাঁর কাছ থেকে শিখি। তাঁকে প্রতিদিন কাজ করতে দেখা আমার জন্য সৌভাগ্যের। আমার মাকেও ধন্যবাদ, তাঁর কাছ থেকে আমি সহমর্মিতা ও সততা শিখেছি। আমার তিন ভাইকেও ধন্যবাদ—আমরা একসঙ্গে কাজ করি এবং বাবার উত্তরাধিকার এগিয়ে নিয়ে যাব। আমার স্ত্রীকে ধন্যবাদ, তিনি সব সময় আমাকে সমর্থন করেন এবং এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করেন। আর আমার মেয়েকে ধন্যবাদ, যে আমাকে প্রতিদিন আরও ভালো মানুষ হতে সাহায্য করছে।”

    কে, কোন পুরস্কার পেলেন

    এই অনুষ্ঠানে শিল্পপতি, নীতিনির্ধারক এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের দূরদর্শীরা একত্রিত হয়ে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে ভারতের অর্থনৈতিক গতি বজায় রাখার কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন। করণ আদানির পুরস্কারের উদ্ধৃতি পাঠ করেন কিরলস্কর ব্রাদার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর সঞ্জয় কিরলস্কর (Aima Awards)। ২০১০ সালে চালু হওয়া ‘এআইএমএ ম্যানেজিং ইন্ডিয়া অ্যাওয়ার্ডস ব্যবসা’, মিডিয়া, শিল্পকলা ও সমাজসেবা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উৎকর্ষকে পুরস্কার দেয়(Karan Adani)। করণ ছাড়াও অন্যান্য যাঁরা পুরস্কার পেয়েছেন, তাঁরা হলেন, রোপেন ট্রান্সপোর্টেশন সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা তথা সিইও অরবিন্দ সাংকা, সহ-প্রতিষ্ঠাতা পবন গুণ্টুপল্লি এবং এসআর ঋষিকেশ। এঁরা পেয়েছেন এন্টারপ্রেনার অব দ্য ইয়ার পুরস্কার। ডিরেক্টর অব দ্য ইয়ার পুরস্কার পেয়েছেন ‘সাইয়ারা’র পরিচালক মোহিত সূরি। আউটস্ট্যান্ডিং কন্ট্রিবিউশন টু জার্নালিজম পুরস্কার পেয়েছেন এনডিটিভির সিইও তথা এডিটর-ইন-চিফ রাহুল কানওয়াল।

    আউটস্ট্যান্ডিং পিএসইউ অব দ্য ইয়ার পুরস্কার

    আউটস্ট্যান্ডিং পিএসইউ অব দ্য ইয়ার পুরস্কার দেওয়া হয়েছে কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডের কর্তাকে। তাঁর হয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেন পরিচালক (অপারেশনস) হরিকৃষ্ণন এস। ট্রান্সফরমেশনাল বিজনেস লিডার অব দ্য ইয়ার পুরস্কার পেয়েছেন আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্ক লিমিটেডের এমডি তথা সিইও ভি বৈদ্যনাথন। ইয়াং বিজনেস লিডার অব দ্য ইয়ার পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন  অনন্যা বিড়লা। তিনি স্বতন্ত্রা মাইক্রোফিন প্রাইভেট লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা, বিড়লা কসমেটিকস প্রাইভেট লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা তথা এমডি, আদিত্য বিড়লা ম্যানেজমেন্ট কর্পোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক (Karan Adani)। এআইএমএ এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন সুনীল কান্ত মুঞ্জাল, চেয়ারম্যান, হিরো এন্টারপ্রাইজ (Aima Awards)। এমএনসি ইন ইন্ডিয়া অব দ্য ইয়ার পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন মাইক্রন টেকনোলজি অপারেশনস ইন্ডিয়া এলএলপি। পুরস্কার নেন সঞ্জয় মেহরোত্রা, চেয়ারম্যান, প্রেসিডেন্ট ও সিইও, মাইক্রন টেকনোলজি। ইন্ডিয়ান এমএনসি অব দ্য ইয়ার পুরস্কার দেওয়া হয় মাদারসন গ্রুপকে। তাদের পক্ষে পুরস্কার নেন চেয়ারম্যান বিবেক চাঁদ সেহগল।

    লাইফটাইম কন্ট্রিবিউশন

    লাইফটাইম কন্ট্রিবিউশন টু মিডিয়া পুরস্কার দেওয়া হয়েছে বেনেট কোলম্যান অ্যান্ড কোং লিমিটেড কর্তা বিনীত জৈনকে। লাইফটাইম কন্ট্রিবিউশন অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে মারিকো লিমিটেডের চেয়ারম্যান হর্ষ মারিওয়ালাকে বিজনেস লিডার অব দ্য ডিকেড পুরস্কার পেয়েছেন ভারতী এন্টারপ্রাইজেসের প্রতিষ্ঠাতা তথা চেয়ারম্যান সুনীল ভারতী মিত্তল। প্রসঙ্গত, বছরের পর বছর এই পুরস্কার ব্যবসা, চলচ্চিত্র, ক্রীড়া (Aima Awards) ও গণমাধ্যম জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের সম্মানিত করে আসছে (Karan Adani)।

     

  • PM Modi: “উত্তরপ্রদেশ ভারতের সেমিকন্ডাক্টর ব্যবস্থার প্রধান কেন্দ্র হতে চলেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “উত্তরপ্রদেশ ভারতের সেমিকন্ডাক্টর ব্যবস্থার প্রধান কেন্দ্র হতে চলেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে চিপ উৎপাদনে স্বনির্ভর হতে হবে এবং দেশে একটি পূর্ণাঙ্গ সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা হচ্ছে। শনিবার এমনই জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “উত্তরপ্রদেশ ভারতের সেমিকন্ডাক্টর ব্যবস্থার একটি প্রধান কেন্দ্র হতে চলেছে, যা গর্বের বিষয়।” এদিন, প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে উত্তরপ্রদেশের যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (YEIDA)-তে এইচসিএল-ফক্সকন যৌথ উদ্যোগ ‘ইন্ডিয়া চিপ প্রাইভেট লিমিটেড’-এর প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “যেখানে একটি সেমিকন্ডাক্টর ইউনিট স্থাপিত হয়, সেখানে ডিজাইন সেন্টার গড়ে ওঠে, স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম বিকশিত হয় এবং উদ্ভাবন ত্বরান্বিত হয়।” শনিবার সমাপ্ত হওয়া ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে’র কথাও উল্লেখ করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ ভারত দ্রুত উন্নয়নের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। লালকেল্লা থেকে আমি বলেছিলাম—ভারতের থামার বা ধীরগতিতে চলার সময় নেই। ২০২৬ সালের শুরু থেকেই ভারত তার যাত্রা আরও ত্বরান্বিত করেছে… এবং এই সপ্তাহও ভারতের জন্য ঐতিহাসিক হয়ে উঠছে।” তিনি বলেন, “গ্লোবাল এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রযুক্তি নেতারা দিল্লিতে একত্রিত হয়েছিলেন। সেখানে বিশ্ব ভারতের এআই সক্ষমতা প্রত্যক্ষ করেছে, আমাদের ভিশন বুঝেছে এবং তা প্রশংসা করেছে।”

    এই দশক ভারতের জন্য ‘টেক-এড

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই দশক ভারতের জন্য ‘টেক-এড’। এই দশকে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভারত যা করছে, তা ২১ শতকে আমাদের শক্তির ভিত্তি হয়ে উঠবে। সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রে ভারতের যাত্রা কিছুটা দেরিতে শুরু হলেও আজ আমরা দ্রুত অগ্রসর হচ্ছি। সেমিকন্ডাক্টর মিশনের অধীনে এখন পর্যন্ত ১০টি ফ্যাব্রিকেশন ও প্যাকেজিং প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্যে চারটি ইউনিট খুব শিগগিরই উৎপাদন শুরু করবে।” তিনি বলেন, “ভবিষ্যতের মানবসভ্যতাকে প্রভাবিত করবে—এমন প্রতিটি প্রযুক্তিক্ষেত্রে ভারত নজিরবিহীন বিনিয়োগ করছে।” বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এইচসিএল-ফক্সকন সেমিকন্ডাক্টর প্রতিষ্ঠান ভারতের প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং উচ্চমানের ইলেকট্রনিক্স ও সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের নির্ভরযোগ্য বৈশ্বিক গন্তব্য হিসেবে ভারতকে প্রতিষ্ঠার প্রধানমন্ত্রীর ভিশনের প্রতিফলন।” ওয়াইইআইডিএতে স্থাপিত এই আউটসোর্সড সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি অ্যান্ড টেস্ট সুবিধাটি ‘মডিফায়েড স্কিম ফর সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি, টেস্টিং, মার্কিং অ্যান্ড প্যাকেজিং (ATMP)’-এর অধীনে ইন্ডিয়া চিপ প্রাইভেট লিমিটেড গড়ে তুলছে। মোট বিনিয়োগ ৩,৭০০ কোটিরও বেশি টাকা।

    স্থিতিশীল বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল

    এই প্রকল্প সরকারের দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা জোরদার করা, আমদানি নির্ভরতা কমানো এবং স্থিতিশীল বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তোলার প্রচেষ্টার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এটি মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট, ল্যাপটপ, অটোমোবাইল, ভোক্তা ইলেকট্রনিক্স-সহ বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভারতের সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেম বড় ধরনের গতি পাবে, উদ্ভাবন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি স্থানান্তর ত্বরান্বিত হবে। পাশাপাশি প্রকৌশলী, প্রযুক্তিবিদ ও পেশাজীবীদের জন্য হাজার হাজার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং আনুষঙ্গিক শিল্পেরও বিকাশ ঘটবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এইচসিএল-ফক্সকন যৌথ উদ্যোগ বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর অঙ্গনে ভারতের ক্রমবর্ধমান অবস্থানকে তুলে ধরে এবং একটি শক্তিশালী ও স্বনির্ভর ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন ব্যবস্থার দিকে বড় পদক্ষেপ নির্দেশ করে।

     

  • US: ট্রাম্প-আরোপিত শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা মার্কিন শীর্ষ আদালতের, কী বলল ভারত?

    US: ট্রাম্প-আরোপিত শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা মার্কিন শীর্ষ আদালতের, কী বলল ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন (US) সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করেছে। এরপর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, এই রায়ের প্রভাব কী হতে পারে তা তারা খতিয়ে দেখছে। মন্ত্রক বলেছে, “আমরা গতকাল (শুক্রবার) শুল্ক সংক্রান্ত মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায় লক্ষ্য করেছি। এই বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি সাংবাদিক সম্মেলনও করেছেন।” তারা আরও জানিয়েছে, “মার্কিন প্রশাসন কিছু পদক্ষেপের করার কথা ঘোষণা করেছে। এই সব পদক্ষেপের প্রভাব আমরা পর্যালোচনা করছি।”

    সুপ্রিম কোর্টের বক্তব্য (US)

    শুক্রবার, রক্ষণশীল সংখ্যাগরিষ্ঠ সুপ্রিম কোর্ট ছয়–তিন ভোটে রায় দেয় যে ১৯৭৭ সালের যে আইনের ভিত্তিতে ট্রাম্প পৃথক পৃথক দেশের ওপর হঠাৎ শুল্ক আরোপ করেছিলেন—যার ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছিল—সেই আইন প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের অনুমোদন দেয় না। ট্রাম্প এই রায় দেওয়া বিচারকদের মধ্যে দু’জনকে মনোনীত করেছিলেন। এদিনের ঘটনার পর তাঁর প্রতিক্রিয়া, আদালত বিদেশি স্বার্থ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমাদের দেশের জন্য সঠিক কাজ করার সাহস না দেখানোয় আদালতের কিছু সদস্যের জন্য আমি লজ্জিত—পুরোপুরি লজ্জিত।” ট্রাম্প আরও বলেন, “দেশকে রক্ষা করার জন্য একজন প্রেসিডেন্ট অতীতে আমার আরোপিত শুল্কের চেয়েও বেশি শুল্ক আরোপ করতে পারেন।” তিনি বলেন, এই রায় তাঁকে আরও শক্তিশালী করেছে (US)। ডালাসের ইকোনমিক ক্লাবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেন, “বিকল্প পদ্ধতিতে ২০২৬ সালে শুল্ক আয়ে কার্যত কোনও পরিবর্তন হবে না (Supreme Court)।”

    নয়া শুল্ক আরোপ

    ট্রাম্প ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ১২২ ধারার অধীনে নতুন শুল্ক আরোপ করেন। এই ধারা প্রেসিডেন্টকে আন্তর্জাতিক পরিশোধ-সংক্রান্ত মৌলিক সমস্যার মোকাবিলায় অতিরিক্ত শুল্ক ও বিশেষ আমদানি-নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষমতা দেয়। ১২২ ধারা অনুযায়ী, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বড় ও গুরুতর পরিশোধ-ঘাটতি অর্থাৎ যখন আমদানি রফতানির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হয়—মোকাবিলার জন্য সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত অস্থায়ী শুল্ক সর্বোচ্চ ১৫০ দিনের জন্য আরোপ করতে পারেন। সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের বিস্তৃত শুল্কনীতির বিরুদ্ধে রায় দেওয়ার পর তিনি আমেরিকায় আমদানি হওয়া পণ্যের ওপর নতুন বৈশ্বিক শুল্ক আরোপ করেন। এর ফলে ভারতের ওপর শুল্কহার ১৮ শতাংশ থেকে কমে ১০ শতাংশে নেমে এসেছে। নতুন শুল্ক নির্দেশিকায় স্বাক্ষর করার পর ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে জানান, “এটি প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হবে (US)।”

    হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর, নয়া শুল্ক ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫০ দিনের জন্য কার্যকর হবে। তবে পৃথক তদন্তাধীন খাত—যেমন ফার্মাসিউটিক্যাল—এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র–মেক্সিকো–কানাডা চুক্তির আওতায় (Supreme Court) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী পণ্যের ক্ষেত্রে ছাড় বহাল থাকবে (US)।

     

  • Delhi Impact Summit: এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ঘোষণাপত্রে সই করেছে ৮৬টি দেশ, জানালেন বৈষ্ণব

    Delhi Impact Summit: এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ঘোষণাপত্রে সই করেছে ৮৬টি দেশ, জানালেন বৈষ্ণব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এআই ইমপ্যাক্ট সামিট (Delhi Impact Summit) ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছে মোট ৮৬টি দেশ। শনিবার এ কথা জানান তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তাঁর মতে, এটি এআই বিষয়ে (AI Declaration) ভারতের মানবকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি একটি বড় কূটনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সমর্থন। নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটের সমাপ্তি অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানেই ঘোষণাপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। এতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা, চিন, ডেনমার্ক এবং জার্মানি-সহ বিশ্বের প্রধান শক্তিধর দেশগুলি অংশগ্রহণ করেছে।

    অশ্বিনী বৈষ্ণব (Delhi Impact Summit)

    সাংবাদিকদের উদ্দেশে বৈষ্ণব বলেন, “স্বাক্ষরকারী দেশগুলি সর্বজনের কল্যাণ ও সর্বজনের সুখ নীতিকে সমর্থন করেছে, যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্পদকে গণতান্ত্রিক করার ভাবনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।” তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মানবকেন্দ্রিক এআই দৃষ্টিভঙ্গিকে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্ব। এআইয়ের পরিকাঠামো, পরিষেবা ও প্রযুক্তি যেন সমাজের (Delhi Impact Summit) প্রত্যেক মানুষের কাছে পৌঁছয়—এই ধারণা সকলেই গ্রহণ করেছে।” মন্ত্রী বলেন, “এই ঘোষণাপত্রে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি নিরাপত্তা, আস্থা এবং সামাজিক সম্প্রীতিকে এআই উন্নয়নের কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।” তিনি বলেন, “শুধু অর্থনৈতিক বৃদ্ধি নয়, সামাজিক সম্প্রীতিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। নিরাপত্তা ও আস্থা কেন্দ্রে রয়েছে।” দেশগুলি একটি নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও শক্তিশালী এআই কাঠামো গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। উদ্ভাবন (innovation) এবং মানবসম্পদ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং দেশগুলি এই (AI Declaration) ক্ষেত্রগুলিতে পারস্পরিক সহযোগিতায় সম্মত হয়েছে (Delhi Impact Summit)।

    বিপুল বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি

    সম্মেলনে এআই পরিকাঠামোর জন্য ২৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতিও মিলেছে। পাশাপাশি প্রায় ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও ডিপ-টেক বিনিয়োগের আশ্বাস মিলেছে। বৈষ্ণব এই সম্মেলনকে অভূতপূর্ব সাফল্য বলে বর্ণনা করেন।সম্মেলনের প্রদর্শনী অংশে পাঁচ লাখেরও বেশি দর্শক অংশ নেন এবং বিশ্বব্যাপী বিশেষজ্ঞ ও স্টার্টআপগুলির সঙ্গে মতামত বিনিময় করেন। তিনি বলেন, “বিশ্বের প্রায় সব বড় এআই সংস্থাই উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় অংশ নিয়েছে। বহু স্টার্টআপ তাদের কাজ প্রদর্শনের সুযোগ পেয়েছে। সামগ্রিকভাবে আলোচনা ছিল অসাধারণ মানের (Delhi Impact Summit)।” দিল্লিতে এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই, ওপেনএআই-এর প্রধান স্যাম অল্টম্যান, মাইক্রোসফটের ভাইস চেয়ার ব্র্যাড স্মিথ এবং অ্যানথ্রপিকের সিইও ডারিও আমোদেই-সহ বিশ্বের প্রযুক্তি নেতারা। আলোচনার বিষয় ছিল (AI Declaration) এআই শাসনব্যবস্থা, নিরাপত্তা, কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা (AGI) এবং ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান। বৈষ্ণব বলেন, “আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণের ব্যাপকতা প্রমাণ করে যে এআই শাসন ও পরিকাঠামো উন্নয়নের পরবর্তী ধাপ নির্ধারণে ভারতের নেতৃত্বের ওপর আস্থা রয়েছে বিশ্বের (Delhi Impact Summit)।

     

  • India Brazil Trade: “আগামী পাঁচ বছরে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে ভারত-ব্রাজিল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য”, লুলার সঙ্গে বৈঠকের পর মোদি

    India Brazil Trade: “আগামী পাঁচ বছরে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে ভারত-ব্রাজিল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য”, লুলার সঙ্গে বৈঠকের পর মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (India Brazil Trade) করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শনিবারের এই বৈঠকে দুই দেশের নেতারা আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি পর্যায়ে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দেন।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (India Brazil Trade)

    যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই আলোচনা সমন্বিত লক্ষ্য ও যৌথ উদ্দেশ্যের চেতনায় সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে হয়েছে।” তিনি ভারত–ব্রাজিল সম্পর্ক শক্তিশালী করতে প্রেসিডেন্ট লুলার দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসাও করেন এবং নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশগ্রহণের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “ভারত ও ব্রাজিলের প্রচেষ্টা গ্লোবাল সাউথের কণ্ঠকে আরও শক্তিশালী করে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আগামী বছরগুলিতে আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের বাণিজ্য কেবল পরিসংখ্যান নয়, এটি পারস্পরিক আস্থার প্রতিফলন। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আসা ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদল সেই আস্থারই প্রমাণ।” তিনি বলেন, “আমরা এই (India Brazil Trade) পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করে যাব।”

    সন্ত্রাসবাদ মানবজাতির শত্রু

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দুই দেশই একমত যে সন্ত্রাসবাদ এবং তার সমর্থকরা সমগ্র মানবজাতির শত্রু।” তিনি ব্রাজিলকে লাতিন আমেরিকায় ভারতের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। বলেন, “বৃহৎ ব্রাজিলীয় ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদলের উপস্থিতি দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রতি আস্থার প্রতিফলন। ভারত–মারকোসুর (দক্ষিণ কমন মার্কেট) বাণিজ্য চুক্তির সম্প্রসারণ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে।” প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তিগত সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ব্রাজিলে ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের জন্য সেন্টার অব এক্সেলেন্স স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সুপারকম্পিউটার, সেমিকন্ডাক্টর ও ব্লকচেইনের ক্ষেত্রে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, “প্রযুক্তি হওয়া উচিত অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং তার উচিত যৌথ অগ্রগতির সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করা (PM Modi)।”

    জ্বালানি সহযোগিতা

    জ্বালানি সহযোগিতাকেও অংশীদারিত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ (India Brazil Trade) হিসেবে তুলে ধরা হয়। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ইথানল মিশ্রণ এবং উন্নত বিমান জ্বালানির ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। গ্লোবাল বায়োফুয়েল অ্যালায়েন্সে ব্রাজিলের সক্রিয় ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি এবং দুর্যোগ–সহনশীল পরিকাঠামো জোটের সহ–সভাপতি হওয়ার ব্রাজিলের প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ব্রাজিলের বিস্তৃত অভিজ্ঞতা এই উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করবে।” এর আগে মোদি ও লুলা প্রতিনিধিদল স্তরের বৈঠক করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রি এবং অন্য শীর্ষ আধিকারিকরা।

    এআই ইমপ্যাক্ট সামিট

    ১৯ ফেব্রুয়ারি এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশ নিতে ভারতে আসা ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে রাষ্ট্রপতি ভবনে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হয় এবং গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তাঁর সঙ্গে আসা শীর্ষ সিইওদের বৃহৎ প্রতিনিধিদল একটি ব্যবসায়িক ফোরামে অংশ নেবে, যেখানে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সুযোগ অনুসন্ধান করা হবে। এই সফরটি জুলাই ২০২৫-এ ব্রাসিলিয়ায় মোদির সফরের (India Brazil Trade) পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি ছিল ৫০ বছরেরও বেশি (PM Modi) সময়ের মধ্যে কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ব্রাজিল সফর।

     

LinkedIn
Share