Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Suvendu Adhikari: ক্ষমতা থাকলে ২৬ সালের ভোটে আর একবার লড়াই করুন, নন্দীগ্রামে মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ক্ষমতা থাকলে ২৬ সালের ভোটে আর একবার লড়াই করুন, নন্দীগ্রামে মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামের মাটিতে দাঁড়িয়ে ফের একবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের নন্দীগ্রামে দাঁড়ালে ২০ হাজার ভোটে হারাব। ক্ষমতা থাকলে ২৬ সালের ভোটে আর একবার লড়াই করুন। তখন শুধু হিন্দুরা ছিলেন, এবার মুসলমানরাও পাশে দাঁড়িয়েছেন। গরিব মুসলমানরা দেবে ভালো করে।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে মুসলিম ভোট ভাগ হবে, আর তার ফয়দা লুটবে বিজেপি। ফলে সমীকরণ বদলে যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

    হিন্দুত্বই বড় বিষয় (Suvendu Adhikari)

    ২০১৪ সালের পর থেকে বঙ্গে বিজেপির পালে হাওয়া লেগেছে। দিলীপ ঘোষের আমলে ২০১৯ সালে বিজেপি সব থেকে বেশি ১৮টি আসন পেয়েছিল লোকসভায়। ২০২১ সালে বিজেপি হিন্দুত্বের জোয়ারে ভেসে ৩ থেকে ৭৭টি  বিধানসভার আসন পেয়েছে। কিন্তু মমতার সীমাহীন মুসলিম তোষণ একদিকে যেমন হিন্দু জনমনে বিরাট অসন্তোষের সৃষ্টি করেছে, একইভাবে আবার বহু মুসলিমের বিরুদ্ধে হিন্দুকে খেপিয়েও তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রগতিশীল মুসলিম এবং রাষ্ট্রবাদী মুসলমান সমাজের অবশ্য দাবি, মুসলিম সমাজের উন্নয়নের নামে আদতে একটি পরিবারের শুধু আয় বেড়েছে। আপামর জনসাধারণের জীবনযাত্রার মান বদলায়নি। তবে বঙ্গ বিজেপি হিন্দুত্বকেই বড় বিষয় হিসেবে প্রচারের আলোয় নিয়ে আসতে চাইছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) খুব স্পষ্ট করে বলেছিলেন, “আমরা ৩৯ শতাংশ আছি, আর ৫-৬ শতাংশ হিন্দুরা একজোট হলেই ক্ষমতায় আসা সম্ভব হবে।”

    এক সঙ্গে লড়াই করার আহ্বান

    দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে শমীক ভট্টাচার্যও (BJP Bengal) তৃণমূলকে ক্ষমতাচ্যুত করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। দল-মত সব কিছু ভুলে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলিকেও তৃণমূলের বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। হিন্দুরা সুরক্ষিত থাকলে তবেই বাংলায় গণতন্ত্র থাকবে। এই লড়াই হিন্দু অস্তিত্বের বড় লড়াই। লাগামছাড়া দুর্নীতি, নারী নির্যাতন, বেকারত্ব, কয়লা, বালি, পাথর, মাটি চুরি এখন চরম শিখরে। বাংলায় কর্মসংস্থান নেই। কলকারখানা নেই। তাই বাংলাকে ফেরাতে বিজেপিকেই চাই। এইভাবেই বাংলায় রাজনৈতিক বদলের কথা প্রচার করছে বিজেপি। ২০২৬ সালে এর প্রভাব কতটা ভোট বাক্সে পড়ে, এখন তা-ই দেখার।

  • Venezuela: ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা! আপাতত এড়িয়ে চলার বার্তা, ভারত জারি করল হেল্পলাইন নম্বর

    Venezuela: ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা! আপাতত এড়িয়ে চলার বার্তা, ভারত জারি করল হেল্পলাইন নম্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভেনেজুয়েলায় (Venezuela) মার্কিন হানা! একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ভারতীয়দের সে দেশে যেতে নিষেধ করল ভারত। বিদেশমন্ত্রক ইতিমধ্যে একটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে। একইভাবে ভেনেজুয়েলায় বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের চলাফেরায়ও  নিয়ন্ত্রণ করার বার্তা দেওয়া হয়েছে। যে কোনও প্রয়োজনে ভারতীয় দূতাবাসের (Indias Ministry of External Affairs) সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

    দরকার ছাড়া যেতে না (Venezuela)

    ভেনেজুয়েলায় (Venezuela) ঢুকে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করেছে আমেরিকা। ওই দেশের সরকারের পতন হয়েছে। ফলে খুব একটা প্রয়োজন ছাড়া দক্ষিণ আমেরিকার ওই দেশে ভারতীয়দের যাওয়ার বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করল নয়াদিল্লি। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের (Indias Ministry of External Affairs) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক্স হ্যান্ডলে করা পোস্টে লেখেন, “দরকার ছাড়া ভেনেজুয়েলায় বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করুন। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ওই দেশ এড়িয়ে যান। প্রয়োজনে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।” তবে ভারতের সঙ্গে ভেনেজুয়েলার খনিজ তেল বা অর্থনৈতিক জ্বালানির স্বার্থ থাকলেও সরাসরি রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট না করে নাগরিক সুরক্ষাকেই প্রধান বিষয় হিসেবে ভাবা হয়েছে।

    খনিজ সম্পদ লুট করার জন্যই আগ্রাসী

    উল্লেখ্য, আমেরিকার সঙ্গে ভেনেজুয়েলার (Venezuela) চাপানউতোর চলছিল দীর্ঘ দিন ধরেই। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটিতে তেলের ট্যাংকার চলাচলের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, ভেনুজুয়েলার সীমান্তে কোনও তেল ট্যাংকার যাতায়াত করতে পারবে না। একইভাবে ওই দেশের সরকারকে জঙ্গি গোষ্ঠীর তকমাও দিয়েছিলেন ট্রাম্প। মাদুরোকে অবৈধ শাসক ঘোষণা করে তাঁর শাসনকে নস্যাৎ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। আমেরিকা বার বার দাবি করেছে মাদক পাচার এবং অন্যান্য অপরাধের জন্য ভেনেজুয়েলার তেলকে ব্যবহার করা হচ্ছে। তেল বেআইনিভাবে বিক্রি করে সেই টাকা খরচ করা হচ্ছে জঙ্গিদের পেছনে। অবশ্য এই বিষয়ে ভেনেজুয়েলার দাবি, দেশের খনিজ সম্পদ, প্রাকৃতিক গ্যাস, তেল লুট করছে মার্কিন শাসক। আমেরিকা খনিজ সম্পদ লুট করার জন্যই আগ্রাসী হয়ে উঠছে। ইতিমধ্যে শনিবার ট্রাম্প বন্দি মাদুরোর ছবি প্রকাশ্যে এনেছেন।

  • Weather Update: নতুন বছরের শুরুতেই দার্জিলিংয়ে তুষারপাত, বরফ পড়ল সান্দাকফুতে, উত্তরবঙ্গে জাঁকিয়ে শীত

    Weather Update: নতুন বছরের শুরুতেই দার্জিলিংয়ে তুষারপাত, বরফ পড়ল সান্দাকফুতে, উত্তরবঙ্গে জাঁকিয়ে শীত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের শুরুতেই দার্জিলিংয়ে তুষারপাত (First Snowfall)। বরফ পড়ছে সান্দাকফুতে। শনিবার থেকেই তুষার পড়ার মতো পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল। শিশির জমে পরিণত হচ্ছিল বরফে। সন্ধ্যাবেলার পর থেকে পারদ আরও কয়েকধাপ নামতে শুরু করেছিল। এরপর শুরু হয়ে যায় তুষারপাত।

    সান্দাকফু-ফালুটের আশপাশ এলাকা বরফময়

    উত্তরবঙ্গে জাঁকিয়ে পড়েছে শীত (Weather Update)। শুক্রবার থেকে উত্তর সিকিমের একাধিক জায়গায় তুষারপাত (First Snowfall) শুরু হয়েছিল। শনিবার সন্ধ্যা থেকে বরফ পড়তে শুরু করে দার্জিলিংজুড়ে। সান্দাকফু, ফালুটের আশপাশে বরফ পড়তে দেখা যায়। এদিকে শীতের আমেজ সম্পূর্ণভাবে উপভোগ করতে দার্জিলিঙের রক গার্ডেন ফের খুলে দেওয়া হয়। যদিও দুর্গাপুজোর পর ভারী বর্ষণের জেরে এলাকায় এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল। তাই সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল রক গার্ডেন। শনিবার গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়্যাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা জারি করে রক গার্ডেন খোলার কথা জানানো হয়। তবে এখনও ডালি থেকে গঙ্গামায়া পার্ক পর্যন্ত রাস্তায় ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। সময় বিশেষে কেবলমাত্র পর্যটকদের জন্য জন্য ছোট গাড়ি চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    মাইনাস ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস

    হিমালয়ান হসপিটালিটি ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর ডেভলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, “এই মরশুমের প্রথম তুষারপাত। পর্যটনের জন্য খুব ভালো খবর। এতে আরও বেশি পর্যটকরা উত্তরবঙ্গের প্রতি আকর্ষিত হবেন।” পেশায় স্কুল শিক্ষিকা ইপ্সিতা ঘোষাল তাঁর স্কুলের কয়েকজন সহকর্মীর সঙ্গে সিটুং ঘুরতে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “শনিবার রাতে হাড় কাঁপানো শীত (Weather Update) ছিল। পারদ ২ ডিগ্রি নীচে নেমে গিয়েছে। তাপমাত্রা (First Snowfall) অনুভূত হয়েছে মাইনাস ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে শীত বেশ জোরদার হলেও, মনোরম আবহাওয়া মন কেড়ে নিয়েছে।”

    দার্জিলিং পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা সর্বনিম্ন ছিল ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় তাপমাত্রা ৯ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকার কথা। মালদা এবং তৎসংলগ্ন জেলা অর্থাৎ উত্তরবঙ্গের নীচের দিকে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরেও জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। তবে কলকাতায় তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে।

    আগামী দু’তিনদিন তাপমাত্রা একই রকম

    আবহাওয়ায় শুষ্কতা (Weather Update) থাকবে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃষ্টির তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় বাড়বে তাপমাত্রা। তারপর আগামী দু’তিনদিন তাপমাত্রা একই রকম থাকবে। বৃহস্পতিবার থেকে ফের কমে যাবে তাপমাত্রা। তবে এখন কুয়াশার প্রভাব বাড়বে। সকালের দিকে মাঝারি থেকে হালকা কুয়াশা হবে। তবে কুয়শার সম্ভাবনা কলকাতায় বেশি পরিমাণে থাকবে। কলকাতা মহানগরের তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের (First Snowfall) ঘরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি থেকে ১৫ ডিগ্রির আশপাশে থাকবে।

    কোথায় কত তাপমাত্রা

    শনিবার দক্ষিণবঙ্গের শীতলতম (Weather Update) স্থান ছিল মুর্শিদাবাদের বহরমপুর৷ এদিন সেখানকার তাপমাত্রা ছিল ৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তরবঙ্গের সমতলের মধ্যে শীতলতম স্থান ছিল মাঝিয়ান ৷ সেখানকার তাপমাত্রার পারদ ছিল ৯.২ ডিগ্রি । দার্জিলিংয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২.৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কলকাতা ও তার আশপাশের অঞ্চলে গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ৷ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩.৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ৷ যা স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৭ ডিগ্রির নীচে (First Snowfall)। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বনিম্ন ৫৩ ও সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ।

  • Malda Flood Relief Scam: মালদা বন্যা ত্রাণে ভয়াবহ দুর্নীতি! ক্যাগ রিপোর্টে প্রকাশ প্রায় ১০০ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি

    Malda Flood Relief Scam: মালদা বন্যা ত্রাণে ভয়াবহ দুর্নীতি! ক্যাগ রিপোর্টে প্রকাশ প্রায় ১০০ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও দুর্নীতির জালে তৃণমূল। ২০১৭ সালের অগাস্ট মাসে মালদায় (Malda Flood Relief Scam) ভয়াবহ বন্যার পর ত্রাণ ও ক্ষতিপূরণের নামে যে বিপুল আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে, তার বিস্ফোরক তথ্য উঠে এল প্রায় ৭০০ পাতার কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (CAG) রিপোর্টে। এই রিপোর্ট সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টে জমা পড়েছে। রিপোর্টে ইঙ্গিত মিলেছে, বন্যা ত্রাণের নামে প্রায় ১০০ কোটি টাকা লুট হয়েছে। সিএজি-র পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, এটি নিছক প্রশাসনিক গাফিলতি নয়, বরং একটি সংগঠিত ও পরিকল্পিত লুটপাটের চিত্র, যেখানে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা বঞ্চিত হয়েছেন এবং রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালীরা লাভবান হয়েছেন। এই রিপোর্টে উঠে এসেছে জনসাধারণের অর্থের নির্মম ও পরিকল্পিত লুণ্ঠনের ছবি,যেখানে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা চরম দুর্দশায় পড়ে থাকলেও শাসক দলের ঘনিষ্ঠরা ত্রাণের টাকা লুটে নিয়েছে।

    পাকা বাড়ি ভাঙেনি, তবু কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ

    প্রকাশিত প্রাথমিক ক্যাগ প্রতিবেদনে বিপুল পরিমাণ জালিয়াতির ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে, যাতে ৮০-এর বেশি পঞ্চায়েত প্রধান ও কর্মকর্তার নাম জড়িয়ে আছে। এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলে ঝড় তুলেছে, বিশেষ করে তৃণমূল কংগ্রেসের ‘ত্রাণ বিতরণ মডেল’-কে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ২০১৭ সালের বন্যায় মালদার লক্ষ লক্ষ মানুষের বাড়িঘর উজাড় হয়ে যায়। সরকার ১০০০ কোটি টাকারও বেশি ত্রাণ তহবিল বরাদ্দ করে, কিন্তু অভিযোগ উঠেছে যে, এই অর্থের একটি বড় অংশ আসল ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে পৌঁছায়নি। বরং, এই অর্থগুলো কিছু নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সাইফন করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, মালদা জেলায় ১,৬০৯টি পাকা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত দেখিয়ে ৭.৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়। অথচ জেলার তৎকালীন জেলাশাসক (DM) সরকারি নথিতে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, বন্যায় একটিও পাকা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

    একই ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে ৪২ বার টাকা!

    সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে ডুপ্লিকেট ও একাধিকবার অর্থপ্রদানের ঘটনায়। একই নাম, একই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও আইএফএসসি কোডে ২ বার থেকে ৪২ বার পর্যন্ত ক্ষতিপূরণের টাকা জমা হয়েছে। হরিশ্চন্দ্রপুর–২ ব্লকে এক ব্যক্তি একই বাড়ির ক্ষতির জন্য ৪২ বার টাকা পেয়েছেন। শুধুমাত্র এই ধরনের ভুয়ো ও বহুগুণ অর্থপ্রদানের মাধ্যমে ৫.৯০ কোটি টাকা নয়ছয় হয়েছে বলে সিএজি জানিয়েছে। ৬,৯৬৫ জনকে একই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২ থেকে ৪২ বার করে টাকা দেওয়া হয়েছে, বলে অভিযোগ।

    আমরা তো কিছু পাইনি

    প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, হাজার হাজার উপকারীদের একই মোবাইল নম্বর বা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে, যা স্পষ্টতই জালিয়াতির ইঙ্গিত। আদালতের একজন বিচারপতি বেঞ্চ বলেছেন, “এটা শুধু অর্থের অপব্যবহার নয়, এটা লোকজনের জীবনের সঙ্গে খেলা। বন্যার ক্ষতিগ্রস্তরা আজও ত্রাণের জন্য অপেক্ষায় আছে, আর অর্থগুলো কোথায় গেল?” পিটিশনে দাবি করা হয়েছে যে, ৮০-এর বেশি পঞ্চায়েত প্রধান এবং স্থানীয় কর্মকর্তা এই র‍্যাকেটে জড়িত। এদের মধ্যে অনেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ। একজন স্থানীয় বন্যা ক্ষতিগ্রস্ত বলছেন, “আমরা বাড়ি গাঁথতে পারিনি, কিন্তু শুনছি আমাদের নামে অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। কোথায় গেল সেই টাকা? আমরা তো কিছু পাইনি।”

    তালিকাভুক্ত নন, আবেদন নেই—তবু টাকা!

    রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, প্রায় ৭ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে এমন ব্যক্তিদের, যাঁদের নাম সরকারি ক্ষতিগ্রস্ত তালিকায় ছিল না, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে কোনও আবেদনই জমা পড়েনি। রাতুয়া–১ ব্লকে এমন অনিয়মে ২.৬০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। গোটা জেলায় ক্ষয়ক্ষতি যাচাই না করেই মোট ৭.২৯ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।

    জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মীদের ত্রাণ লুট

    সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ, ১০৮ জন জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মচারী বেআইনিভাবে বিপিএল (Below Poverty Line) ত্রাণের টাকা নিয়েছেন। এর মধ্যে— ৩৬ জন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য পেয়েছেন মোট ২৬ লক্ষ টাকা। হরিশ্চন্দ্রপুর–২ ব্লকের ৪ জন সরকারি কর্মী নিয়েছেন ৫.২৮ লক্ষ টাকা। সিএজি স্পষ্ট জানায়, এঁরা কেউই বিপিএল বা বন্যা-আক্রান্ত হওয়ার যোগ্য ছিলেন না।

    নথি “হারিয়ে গিয়েছে”

    নিয়ম অনুযায়ী, চার সদস্যের যাচাই কমিটির অনুমোদন ছাড়া ত্রাণ দেওয়া যায় না। কিন্তু— মানিকচক, ওল্ড মালদা, ইংরেজবাজার, কালিয়াচক–১ ও রাতুয়া–১ ব্লকে এই নিয়ম মানা হয়নি। ওল্ড মালদা ব্লকে (Malda Flood Relief Scam) অডিটের সময় গুরুত্বপূর্ণ নথি “হারিয়ে গিয়েছে” বলে দাবি করা হয়। অথচ নথি হারানোর বিষয়ে কোনও পুলিশি অভিযোগ দায়ের হয়নি।

    নির্বাচনের সময় টাকা তোলা নিয়ে প্রশ্ন

    রিপোর্ট ও আদালতে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলাগুলিতে অভিযোগ, পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় বড় অঙ্কের টাকা তোলা হয়েছিল, যা রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। এই ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হওয়া তিনটি জনস্বার্থ মামলায় অভিযোগ, মোট লুটের অঙ্ক প্রায় ১০০ কোটি টাকা। আদালতে অন্তত ৩০ জন বিডিও-র নাম উঠে এসেছে, যাঁরা ২০১৭ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে দায়িত্বে ছিলেন।

    দুর্নীতির পুরনো ছক?

    আমফান ঝড়, কোভিড ত্রাণ—একাধিক দুর্নীতির অভিযোগের পর মালদা বন্যা ত্রাণ কেলেঙ্কারি ফের প্রশ্ন তুলছে রাজ্যের দুর্যোগ মোকাবিলা ও ত্রাণ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে “বঞ্চনা”-র কথা বলেন, সিএজি রিপোর্ট সেখানে ইঙ্গিত দিচ্ছে—এই বঞ্চনা রাষ্ট্রযন্ত্রের মধ্যেই পরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হয়েছিল। প্রশ্ন উঠছে, এটাই টিএমসির ত্রাণ বিতরণের মডেল? আসল ক্ষতিগ্রস্তরা শূন্য পায়, আর অর্থ র‍্যান্ডম অ্যাকাউন্টে চলে যায়!

     

     

     

     

  • Daily Horoscope 04 January 2026: সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 04 January 2026: সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়তি খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) শেয়ার বাজারে লগ্নি নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) পেটের কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) সকাল থেকে শরীরে জড়তা বাড়তে পারে।

    ২) মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মনঃকষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) রাজনীতির লোকেদের একটু চিন্তার কারণ দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার সুযোগ পেতে পারেন।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) প্রেমের অশান্তি মিটে যেতে পারে।

    ২) কোনও কারণে মনে সংশয় বা ভয় কাজ করবে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) কাউকে কোনও ব্যাপারে কথা দেবেন না।

    ২) আধ্যাত্মিক বিষয়ে বিশেষ মনোযোগ দেখা দেবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) গবেষণার কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) খুব নিকট কোনও মানুষের জন্য দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

     ১) সখ মেটাতে বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ২) কোনও বন্ধুর জন্য বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভালো সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

     ১) ব্যবসায় সমস্যা ও খরচ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) চক্ষুরোগ দেখা দিতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কপালে অপমান জুটতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Suvendu Adhikari: “হিন্দুরা একজোট না হলে পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশ হবে”, দীপু দাস হত্যার কথা স্মরণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “হিন্দুরা একজোট না হলে পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশ হবে”, দীপু দাস হত্যার কথা স্মরণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে উত্তরে আলিপুরদুয়ারে যখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সভা করছেন, অপর দিকে দক্ষিণে তাঁকে আক্রমণ করে নন্দীগ্রামের সভা থেকে একাধিক ইস্যুতে বক্তব্য রাখলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু বলেন, “নন্দীগ্রামে (Nandigram) যেভাবে হিন্দুরা একজোট হয়েছেন ঠিক একই ভাবে সারা পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুদের একজোট হতেই হবে।” হিন্দু মানুষের প্রতি সহানুভূতির মন্ত্রই বাংলাদেশ হওয়া থেকে রক্ষা করবে পশ্চিমবঙ্গকে। এমন ভাবেই বিস্ফোরক হয়েছেন শুভেন্দু।

    বাংলাদেশকে দেখলেই বোঝা যায় (Suvendu Adhikari)

    নন্দীগ্রামের (Nandigram) সভায় দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলেন, “এখানে হিন্দুদের সংখ্যা কম, তাই চাপের মধ্যে থাকতে হয়। এই চাপ অস্বীকার করার উপায়ও নেই। হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ না হলে অত্যাচারের মাত্রা আরও বাড়বে। এমন কি খুনের ঘটনাও ঘটতে পারে। তাই সব ভেদাভেদকে ভুলে সকলকে এক হওয়ার বার্তা দিতে হবে। হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ না হলে কি অবস্থা হয় তা বাংলাদেশকে দেখলেই বোঝা যায়।”

    পুলিশ দুষ্কৃতীদের মতো আচরণ করছে

    মমতার বিরুদ্ধে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তোপ দেগে বলেন, “বাংলাদেশে এক সময় হিন্দু ছিল ৩৩ শতাংশ। এখন ৭ শতাংশের নিচে এসে নেমেছে। বাংলাদেশে হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাসকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। তাই এক না হলে জামত মানসিকতার গুন্ডারা একই ভাবে অত্যাচার করবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ দুষ্কৃতীদের মতো আচরণ করছে। দুষ্কৃতীদের জায়গায় এখন পুলিশরা নিয়ে নিয়েছে। এলাকার কিছু দুষ্কৃতীকে কৃতকর্মের জন্য দেড় বছর জেল খাটিয়েছি। ফলে একটু চাপে আছে তৃণমূলের নেতারা। তবে ভোটের সময় এপ্রিল মাসে ফের তাণ্ডব করতে পারে। তাই এখন থেকে সকলকে সচেতন থাকতে হবে।”

    একই ভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে শুভেন্দু বলেন, “২০১১ সালের আগে অভিষেক নাবালক ছিলেন। মমতাকে মেদিনীপুর, নন্দীগ্রাম আমি চিনিয়েছি। উত্তরের চা বাগানে মমতা মদ বিক্রির লাইসেন্স দিয়েছেন। অভিষেক মিথ্যা ভাষণ দেন। এইবারে নন্দীগ্রামে (Nandigram) দাঁড়ালে মমতাকে আরও একটি শূন্যের অঙ্ক বাড়িয়ে হারাব।

  • IPL 2026: বাইশগজে বয়কট বাংলাদেশ! বিসিসিআই-এর নির্দেশ মেনে মুস্তাফিজুরকে ছেড়ে দিল কেকেআর

    IPL 2026: বাইশগজে বয়কট বাংলাদেশ! বিসিসিআই-এর নির্দেশ মেনে মুস্তাফিজুরকে ছেড়ে দিল কেকেআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাইশগজে বয়কট বাংলাদেশ। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ভারত-বাংলাদেশ (India Bangladesh Relation) দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে শিথিলতা এসেছে। সম্প্রতি নোয়াখালিতে দীপু দাসকে পিটিয়ে হত্যা করে জ্বালিয়ে দেওয়ার পর ভারতীয়রা বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে সোচ্চার হয়েছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার বৃদ্ধির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে ভারতের আমজনতা। দীপু দাসের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকারও। তার পর থেকে আইপিএলে (IPL 2026) বাংলাদেশের ক্রিকেটারের থাকা নিয়ে প্রতিবাদ শুরু হয়। এবার বিসিসিআইয়ের (BCCI) সিদ্ধান্ত মেনেই সমস্ত নিয়ম যথাযথভাবে পালন করে বাংলাদেশের ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে (Mustafizur Rahman) ছেড়ে দিল কলকাতা নাইট রাইডার্স।

    কেকেআর কর্তৃপক্ষের বিবৃতি

    বোর্ডের নির্দেশের পেক্ষিতে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছেন কেকেআর কর্তৃপক্ষ। শিরোনামে লেখা হয়েছে, ‘‘কলকাতা নাইট রাইডার্স- দলের আপডেট।’’ মূল বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, ‘‘কলকাতা নাইট রাইডার্স নিশ্চিত করছে, আইপিএলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিসিসিআই আসন্ন মরসুমের আগে মুস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ভারতীয় বোর্ডের নির্দেশ এবং পরামর্শ মেনে যথাযথ প্রক্রিয়ায় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আইপিএলের (IPL 2026) নিয়ম অনুযায়ী, বিসিসিআই এক জন পরিবর্ত খেলোয়াড় নেওয়ার অনুমতি দেবে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য সময় মতো জানানো হবে।’’ কেকেআর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বোর্ডের নির্দেশ পাওয়ার পরই তাঁরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করেছেন। দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের অভিজ্ঞ বাঁহাতি জোরে বোলারকে। ফলে কেকেআরের ক্রিকেটার সংখ্যা ২৫ থেকে কমে হল ২৪।

    পাকিস্তানের পর বাংলাদেশ

    ২০০৮ সালে মুম্বইয়ে জঙ্গি হামলার পর থেকে ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সম্পর্ক নেই বললেই চলে। ২০০৯ সাল থেকেই পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের জন্য আইপিএলের (IPL 2026) দরজা বন্ধ করে দিয়েছে বিসিসিআই। গত বছর পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলা এবং অপারেশন সিঁদুরের পর ভারত-পাক ক্রিকেট সম্পর্ক আরও তলানিতে ঠেকেছে। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রেও কি একই অবস্থান নিল বিসিসিআই? মুস্তাফিজুরকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে ক্রিকেটপ্রেমীদের একাংশের মনে। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত সাময়িক না দীর্ঘমেয়াদি তা অবশ্য এখনই বলা সম্ভব নয়।

  • Chhattisgarh: নতুন বছরের শুরুতেই নিরাপত্তা বাহিনীর বিরাট সাফল্য, ছত্তিশগড়ে খতম ১৪ মাওবাদী

    Chhattisgarh: নতুন বছরের শুরুতেই নিরাপত্তা বাহিনীর বিরাট সাফল্য, ছত্তিশগড়ে খতম ১৪ মাওবাদী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের নতুন বছরে মাওবাদী দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরাট সাফল্য। ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) ২টি পৃথক মাওবাদী-বাহিনী সংঘর্ষে ১৪ জন মাওবাদী (Maoist Security) নিহত হয়েছে। জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে রাজ্যের সুকমা ও বিজাপুর জেলায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

    লোকাল কমিটির সম্পাদক মাংডুও নিহত (Chhattisgarh)

    স্থানীয় জেলা প্রশাসনের সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ সুকমা (Chhattisgarh) জেলায় এক সংঘর্ষে ১২ জন মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে। একই ভাবে পার্শ্ববর্তী বিজাপুরে পৃথক সংঘর্ষে আরও দুইজন মাওবাদী (Maoist Security) নেতা নিহত হয়েছে। জেলা রিজার্ভ গার্ড পরিচালিত একটি বিশেষ অভিযানে ভোর ৫টায় বিজাপুরে এই সংঘর্ষ হয়। এদিনের অভিযানে মৃত মাওবাদীদের মধ্যে সুকমার কোন্টা লোকাল কমিটির সম্পাদক মাংডুও ছিল। অন্যদিকে, পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মি ব্যাটেলিয়ন ১-দলের শীর্ষ নেতা কমান্ডার বরসা সুক্কু সহ বেশ কয়েকজন মাওবাদীরা আজ তেলঙ্গানা পুলিশের ডিজি শিবধর রেড্ডির কাছে আত্মসমর্পণ করার কথা।

    এখনও পর্যন্ত ৫০০ জনের বেশি মাওবাদী নিহত

    সুকুমার পুলিশ সুপার কিরণ চৌহান বলেন, “কোন্টা এরিয়া (Chhattisgarh) কমিটির অধীনে কর্মরত সমস্ত মাওবাদীকে (Maoist Security) নির্মূল করা হয়েছে। নকশাল, মাওবাদীদের মতো চরমপন্থী সংগঠনকে নির্মূল করতে কেন্দ্রের মাওবাদী অভিযানকে বাস্তবায়ন করার কাজ চলছে।” উল্লেখ্য ছত্তিশগড়ে বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই রাজ্য এবং কেন্দ্রের যৌথ অভিযানে মাওবাদী ও সন্ত্রাস মুক্ত সমাজ গঠনের ডাক দিয়েছেন। যদিও ইতিমধ্যে ধাপে ধাপে অনেক মাওবাদী পুলিশ প্রশাসনের কাছে নিজেরা আত্মসমর্পণ করেছেন। ২০২৪ সাল থেকে একাধিক অভিযানে এখনও পর্যন্ত ৫০০ জনের বেশি মাওবাদী নিহত হয়েছেন। মাওবাদী প্রভাবিত এলাকায় সেনা এবং পুলিশ সতর্কতার সঙ্গে কাজ করছে বলে জানা গিয়েছে।

  • PM Narendra Modi: ১৭, ১৮ জানুয়ারি ফের রাজ্যে আসছেন মোদি, মালদা-হাওড়ায় করবেন জোড়া জনসভা

    PM Narendra Modi: ১৭, ১৮ জানুয়ারি ফের রাজ্যে আসছেন মোদি, মালদা-হাওড়ায় করবেন জোড়া জনসভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর আবহে শুনানি পর্ব চলছে। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন তাই রাজনৈতিক প্রচারে জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝিতেই ২ দিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে আসবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। এই সময়ে উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গে (Malda-Howrah) জোড়া সফর করবেন মোদি। আগামী ১৭ জানুয়ারি উত্তর মালদায় সভা করবেন।  পরের দিন, ১৮ জানুয়ারি দক্ষিণবঙ্গের হাওড়ায় সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিধানসভার আগে মোদির সভাকে ঘিরে বিজেপির নেতা কর্মীদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ এবং উন্মাদনা।

    ভোট ব্যাঙ্ক হারাতে বসেছে তৃণমূল (PM Narendra Modi)

    গত ১০ ডিসেম্বর নদিয়ার তাহেরপুরে সভার জন্য বাংলায় এসেছিলেন মোদি। দৃশ্যমানতা কম থাকায় তাঁর হেলিকাপ্টার তাহেরপুরে নামতে পারেনি। হেলিকাপ্টার ফিরে আসে কলকাতা বিমানবন্দরে। সেখান থেকেই ভারচুয়ালি বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। তৃণমূলের বিভিন্ন দুর্নীতি নিয়ে সরব হন। এই রাজ্যেও পরিবর্তনের ডাক দেন। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা না হলেও বাংলায় ভোটের পারদ ব্যাপক ভাবে চড়ছে। যদিও শাসক দল এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় সরকারকার বারবার নিশানা করেছে। অপর দিকে বিজপির দাবি, রোহিঙ্গা, অনুপ্রবেশকারীদের নাম বাদ দিতেই এসআইআর প্রক্রিয়া হচ্ছে। তৃণমূল তাদের ভোট ব্যাঙ্ক হারাতে বসেছে তাই এতো ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

    লক্ষ্য মাত্রা ২০০-২২০ আসন

    গত ২৯ ডিসেম্বর রাজ্যে এসেছিলেন মোদি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বিজেপি কর্মী সমর্থক এবং নেতাদের স্পষ্ট আশ্বাস দেন যে, এবার ক্ষমতায় বিজেপি আসছে। মোট আসনের দুই তৃতীয়াংশ আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের ভিত্তিতে বিজেপি সরকার গড়তে চলেছে। বাংলায় পরিবর্তন সুনিশ্চিত। বিজেপির নেতাদের লক্ষ্য মাত্রা দিয়েছেন ২০০ আসনের। একই ভাবে শুক্রবার মালদার চাঁচলে সভা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, “রাজ্যের সনাতনীরা এক জোট হলে ২২০টি আসন পাবে বিজেপি। হিন্দু সমাজকে বাঁচতে এবং বাঁচাতে বিজেপিই একমাত্র সম্বল।”

    ইতিমধ্যে অপারেশন সিঁদুরের পর বঙ্গ সফরে এখনও পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) আলিপুরদুয়ার, দুর্গাপুর, দমদম এবং কৃষ্ণনগরে (ভার্চুয়াল) সভা করেছেন। তৃণমূলের বিরুদ্ধে জমে থাকা জনরোষকে বিজেপি কতটা ভোট বাক্সে প্রতিফলিত করতে পারে তাই এখন দেখার।

  • RSS: “উইকিপিডিয়ায় নয়, আরএসএসকে বুঝতে হলে শাখায় আসুন”, বললেন মোহন ভাগবত

    RSS: “উইকিপিডিয়ায় নয়, আরএসএসকে বুঝতে হলে শাখায় আসুন”, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ অর্থাৎ আরএসএস (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) শুক্রবার ভূপালে জোর দিয়ে বলেছেন, ভারতীয় জনতা পার্টি অর্থাৎ বিজেপি, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) এবং বিদ্যা ভারতীর মতো সংগঠনগুলি স্বাধীনভাবে কাজ করে, তবে সংঘ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। বিজেপি বা ভিএইচপির মাধ্যমে আরএসএসকে বোঝার চেষ্টা করবেন না; তারা স্বাধীনভাবে কাজ করে এবং সংঘের নির্দেশে চলে না। যারা আরএসএস-এর সহযোগী সংগঠনগুলির মাধ্যমে আরএসএসকে বোঝার চেষ্টা করছেন তাঁরা একটি মৌলিক ভুল করছেন। সংঘকে বুঝতে গেলে সংঘের প্রত্যক্ষ কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে।

    কাউকে সংঘ নিয়ন্ত্রণ করে না (RSS)

    সংঘের অবস্থান ব্যাখ্যা করে মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “যদিও সংঘ স্বয়ংসেবকদের নির্মাণ করে, তবুও তাদের কখনই রিমোট কন্ট্রোল করে রাখে না। আরএসএস (RSS) স্বয়ংসেবকদের বিকাশ করে এবং ভারতের পরম বৈভব বা কল্যাণের জন্য কাজ করে থাকে। মানুষের মূল্যবোধ, চিন্তাভাবনা এবং লক্ষ্যগুলিকেও যথা সম্ভব এই কাজে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সংঘের স্বয়ংসেবকরা সংঘ দ্বারা দূরবর্তী ক্ষেত্রেও নিয়ন্ত্রিত হন না। আমাদের স্বয়ংসেবকদের দ্বারা পরিচালিত বিজেপি, ভিএইচপি এবং বিদ্যা ভারতী একটি স্বাধীন পরিচয় নিয়ে এবং তাদের সংবিধান অনুসারে কাজ করে। তবে ভারত মাতার কল্যাণ এবং ভারতের গৌরব বৃদ্ধির জন্য সকলের দৃষ্টিভঙ্গি সমান।”

    ভুল বোঝাবুঝির শিকার হয়ে চলেছে

    ভোপালে বিশিষ্ট নাগরিকদের এক সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময় ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “এই সংগঠনগুলি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত নিজেরাই নেয় এবং বিভিন্ন পটভূমির সামাজের মানুষের সঙ্গে মিলে মিশে কাজ করে। ৪০ বছর আগে যখন আমরা লোকেদের এই কথাগুলি বলেছিলাম, তখন তারা আমাদের উপহাস করেছিল, বলেছিল যে আমরা কথার খেলায় লিপ্ত, কিন্তু এখন মানুষ বুঝতে শুরু করেছে যে আমরা আসলে কী বলতে চাইছিলাম। আমরা আমাদের ভাবনার জায়গায় একেবারে স্থির। আমাদের সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে ভুল তথ্য এবং ভুল বোঝাবুঝির শিকার হয়ে চলেছে। শুরু থেকে এবং এখন পর্যন্ত, আরএসএস (RSS) সম্পর্কে মিথ্যা বর্ণনার মুখোমুখি হতে হয়েছে, কেবল যারা এর বিরোধী তাদের কাছ থেকে নয়, যারা সমালোচনা করেন না তাদের কাছ থেকেও। সমগ্র বিশ্ব আরএসএস সম্পর্কে শুনেছে কিন্তু খুব কম লোকই এটি সম্পর্কে সম্পূর্ণরূপে জানে। তাই সংঘকে আরও ভালো করে জানা বোঝা দরকার।

    আধাসামরিক সংগঠন নয়

    বিশ্বব্যাপী আরএসএসের (RSS) কোনও তুলনা নেই উল্লেখ করে ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “বিশ্বের অন্য কোনও সংগঠনের সাথে আরএসএসের কোনও তুলনা করা যায় না। এর কার্যকারিতা অনন্য, তবে স্বীকার করতে হবে যে সংঘ তথাগত গৌতম বুদ্ধ থেকে অনুপ্রেরণা গ্রহণ করে। আরএসএসকে অনেকে একটি আধাসামরিক সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করার পক্ষপাতী। কিন্তু এই ভাবনা সম্পূর্ণ ভাবে ভুল। যেহেতু আমরা পথ পরিচালনা করি এবং লাঠি দিয়ে কাজ করি, তাই আরএসএসকে কখনই আধাসামরিক বাহিনী হিসেবে ভুল করা উচিত নয়। কেবল সামাজিক কাজই সংঘকে সংজ্ঞায়িত করে না। সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে, তবে এর ফলে কেউ বিশ্বাস করবে না যে সংঘ কেবল একটি সমাজসেবামূলক সংগঠন।”

    ইউকিপিডিয়ায় নয়, শাখায় গিয়ে জনাতে হবে সংঘকে

    ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “আরএসএসকে (RSS) বোঝার জন্য আপনাকে উইকিপিডিয়ায় আরএসএস সম্পর্কে অনুসন্ধান করার পরিবর্তে শাখায় আসতে হবে। কাজকে মাঠে মায়দানে নেমে দেখতে হবে। আরএসএস সচেতনভাবে কোনও রকম চাপ সৃষ্টিকারী সংগঠন হিসেবে কাজ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বরং এর লক্ষ্য ছিল হিন্দু সমাজকে সংগঠিত করা। আরএসএস পূর্বেও বিরোধিতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। ১০০ বছরের যাত্রায়, আরএসএসকে এমন বিরোধিতা এবং অসুবিধার মুখোমুখি হতে হয়েছে, যা বিশ্বের অন্য কোনও সংগঠনের মুখোমুখি হয়নি। আমরা কেবল আমাদের হিন্দু রাষ্ট্রের পরম গৌরবের একমাত্র উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করি। আরএসএসের বিরোধিতা ব্রিটিশ শাসনামলে শুরু হয়েছিল এবং স্বাধীনতার পরেও অব্যাহত ছিল। প্রথমে ব্রিটিশ সরকারই আরএসএসের বিরুদ্ধে কাজ করেছিল, কিন্তু স্বাধীনতার পরেও, সংঘকে চরম বিরোধিতা, চাপ, আক্রমণ এবং এমনকি হত্যার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। তবে আমাদের ওপর নানা ভাবে এখনও হয়রানি করার ঘটনা ঘটে থাকে। যদিও পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গিয়েছে।

    ভারতের সমস্ত ভাষাই জাতীয় ভাষা

    ভাষা এবং সাংস্কৃতিক পরিচয় সম্পর্কে মন্তব্য করে, ভাগবত (Mohan Bhagwat) নাগরিকদের ভারতীয় ভাষাগুলিতে গর্ব করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “ঘরে থাকাকালীন, আপনার মাতৃভাষায় কথা বলুন। তবে একটি নির্দিষ্ট রাজ্যে বসবাসকারী প্রত্যেকেরই তাদের নিজস্ব মাতৃভাষা জানার পাশাপাশি সেই রাজ্যের বিশেষ ভাষা জানা এবং বোঝা উচিত।  ভারতের সমস্ত ভাষাই জাতীয় ভাষা। আমি যদি বাংলায় থাকি, আমার মাতৃভাষা যাই হোক না কেন, আমার বাংলাও জানা উচিত।” একই ভাবে তিনি সাংস্কৃতিক আত্মবিশ্বাসের উপরও জোর দিয়ে বলেন, “আপনার বাড়িতে বাচ্চাদের সঙ্গে যখন আপনি নিজের ভজন পরিবেশন করবেন তখনই কেউ আপনার সন্তানের ঘাড়ে ক্রুশ চাপানোর চেষ্টা করবে না। তাই নিজের ধর্ম (RSS) সম্পর্কে সকলকে সচেতন হতে হবে।”

    আত্মনির্ভর হতে হবে

    স্বদেশী এবং আত্মনির্ভরতার আহ্বান জানিয়ে ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “আত্মনির্ভর হওয়ার জন্য আপনার আত্মগৌরব থাকা প্রয়োজন। আপনার জমিতে উৎপাদিত জিনিসপত্রই কেবল কিনুন এবং ব্যবহার করুন। আপনার দেশের মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেয় এমন স্বদেশী দ্রব্য ব্যবহার করুন। তবে স্বদেশী হওয়ার অর্থ এই নয় যে আপনি বিশ্বের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ করে দেবেন। কেবলমাত্র প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যেমন- ওষুধ আমদানি করবেন যা ভারতে উৎপাদিত হয় না। আবার এটাও ঠিক যে বাণিজ্য কখনই কোনও চাপ বা শুল্কের ভয়ে করা উচিত নয়। এটি কেবল আমাদের নিজস্ব শর্তে হওয়া উচিত।”

    দেশজুড়ে আরএসএসের (RSS) শতবর্ষ-সম্পর্কিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ভাগবত দুই দিনের ভোপাল সফরে আছেন। শনিবার দুটি পৃথক অধিবেশনে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে ভাষণ দেবেন এবং তাদের সাথে মতবিনিময় করবেন।

LinkedIn
Share