Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • India Bangladesh Tussle: হাসিনা প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব ঢাকার! কড়া জবাব দিল্লির, ওড়াল প্রত্যর্পণের দাবিও

    India Bangladesh Tussle: হাসিনা প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব ঢাকার! কড়া জবাব দিল্লির, ওড়াল প্রত্যর্পণের দাবিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনা ভারতে বসে উস্কানি দিচ্ছেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন বলে দাবি করছিল মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সেদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। এ নিয়ে রবিবার একটি বিবৃতিও জারি করেছিল ঢাকা। শুধু তাই নয়, ঢাকায় মিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করে এই অভিযোগ করে বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল দিল্লি। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে পাল্টা কড়া বার্তা দেওয়া হয়ল বাংলাদেশকে। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভারত কখনোই এই ভূখণ্ডকে বাংলাদেশের বন্ধুসুলভ জনগণের বিরুদ্ধে কাউকে উস্কানিমূলক কাজ করার অনুমতি দেয়নি। একইসঙ্গে, হাসিনাকে প্রত্যর্পণের দাবিও পত্রপাঠ খারিজ করে দিয়েছে দিল্লি।

    বাংলাদেশের দাবি…

    রবিবার বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, শনিবার ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত প্রণয় ভার্মাকে তারা তলব করেছিল। হাসিনাকে উস্কানিমূলক মন্তব্য করতে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, তিনি ভারতে বসে বাংলাদেশে আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মীদের জঙ্গি কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার জন্য উসকাচ্ছেন— এটা দাবি করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ঢাকা। আওয়ামি লিগের শীর্ষস্থানীয় নেতারা নাকি দিল্লি এবং কলকাতায় নির্বিচারে তাঁদের দলের অফিস খুলেছেন এবং ভারত থেকে তাঁরা বাংলাদেশ সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ভাবে প্রচার চালাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছে ঢাকা। একইসঙ্গে বাংলাদেশের তরফে ফের একবার শেখ হাসিনা এবং সে দেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের আর্জি জানানো হয়। বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস সমাজমাধ্যম পাতাতে তা পোস্টও করেন।

    ভারতের মোক্ষম জবাব…

    এর পরেই ঢাকাকে মোক্ষম উত্তর দেয় দিল্লি। রবিবারই ভারতের তরফে পাল্টা বিবৃতি জারি করা হয়। ভারত বিবৃতিতে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ঢাকার অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ এবং ‘ভুল স্থানে উত্থাপিত’। ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়ে দেয়, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার রবিবার যে সব দাবি করেছে, তা স্পষ্ট ভাবে প্রত্যাখ্যান করছে দিল্লি। নয়াদিল্লি স্পষ্ট করে দিয়েছে, বাংলাদেশের মানুষ ভারতের কাছে বন্ধুসম। বাংলাদেশের সাধারণ জনতার স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়, এমন কোনও কাজে ভারতের মাটি ব্যবহার করে করতে দেওয়া হয় না। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ভারত সবসময় বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ অবাধ, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের পক্ষে। বিবৃতি অনুসারে, “বাংলাদেশের বন্ধুবৎসল জনতার স্বার্থবিরোধী কোনও কাজে কখনই ভারতীয় ভূখণ্ডকে ব্যবহার করতে দেওয়া হয় না।” বিদেশ মন্ত্রক আরও বলছে, “আমরা আশা করি যে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাসহ অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।” পাশাপাশি, শেখ হাসিনা এবং আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের বিষয়টিও পত্রপাঠ বিদায় করে দিয়েছে ভারত। নাম না করেই, বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক স্পষ্ট বার্তায় বাংলাদেশের দাবি সম্পূর্ণ ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। ভারত জানিয়ে দিয়েছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার রবিবার যে সব দাবি করেছে, তা স্পষ্ট ভাবে প্রত্যাখ্যান করছে দিল্লি।

  • Magnesium Deficiency: প্রায়ই খিটখিটে মেজাজ কিংবা হাঁটতে গেলেই পেশির টান! কীসের লক্ষণ?

    Magnesium Deficiency: প্রায়ই খিটখিটে মেজাজ কিংবা হাঁটতে গেলেই পেশির টান! কীসের লক্ষণ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    স্বাভাবিক হাঁটাচলা করতে গেলেও সমস্যা।‌ মাঝেমধ্যেই পেশিতে টান। খিঁচুনির জেরে ভোগান্তি। হাড়ের মধ্যেও যন্ত্রণা! যার জেরে সাধারণ কাজ করতেও অসুবিধা হয়। আবার মাঝেমাঝেই মন খারাপ! মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। রাতে ঠিকমতো ঘুম হয় না। সামান্য কারণেও রাগ! যার জেরে সম্পর্কে অবনতি। এমন নানান সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। বিশেষত মহিলাদের মধ্যে এই ধরনের সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছে। আর এই সবকিছুর নেপথ্যে রয়েছে একটি খনিজ পদার্থ! যার ঘাটতির জেরেই শরীরে নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে ম্যাগনেশিয়ামের অভাব নানান ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। সম্প্রতি এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ভারতে বহু মহিলা ম্যাগনেশিয়ামের অভাবে‌ ভুগছেন। এর ফলে তাঁরা নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই খনিজের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পর্যাপ্ত সচেতনতা নেই। তাই ভোগান্তি আরও বেশি।

    ম্যাগনেশিয়ামের অভাবে শরীরে কী প্রভাব পড়ে?

    পেশিতে খিঁচুনি, স্নায়ুর অসাড়তা!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যাগনেশিয়ামের অভাবে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয় পেশি এবং স্নায়ু। হাত ও পায়ের পেশিতে খিঁচুনি, স্নায়ুর কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া, অসাড় হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা যায়। অনেকেই এই ধরনের সমস্যার জেরে ঠিকমতো হাঁটাচলা করতে পারেন না। হঠাৎ করে হাতে ও পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরার অনুভূতির জেরে পড়ে যান। এর ফলে স্বাভাবিক জীবন‌ ব্যহত হয়।

    মানসিক স্বাস্থ্যে জোরালো প্রভাব!

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যাগনেশিয়ামের অভাব শরীরের পাশপাশি মনের উপরেও পড়ে। মানসিক স্বাস্থ্যে এর প্রভাব গভীর। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যাগনেশিয়ামের অভাবে মস্তিষ্কের স্নায়ুর ক্ষমতাও কমে। হরমোনের ভারসাম্যে প্রভাব দেখা যায়। এর ফলে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। যার জেরে ব্যক্তিগত জীবন কিংবা কাজের জগতেও নানান জটিলতা তৈরি হয়। যা মানসিক চাপ তৈরি করে। ম্যাগনেশিয়াম অভাব ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন করে।

    অনিদ্রার সমস্যা তৈরি করে!

    ম্যাগনেশিয়ামের অভাব অনিদ্রার সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। বিশেষত রাতে ঠিকমতো গভীর ঘুম হয় না। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনিদ্রার ফলে শরীরে ক্লান্তি বোধ বাড়ে। কাজে মনোযোগ ঠিকমতো হয় না।

    শরীরে দূর্বলতা বাড়ে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতির জেলে পেশি ও স্নায়ুর ক্ষতি হয়। এর ফলে খিদে না পাওয়ার উপসর্গ দেখা দেয়। যার প্রভাবে শরীরে দূর্বলতা বাড়ে।

    হাড়ের সমস্যা তৈরি হয়!

    ম্যাগনেশিয়ামের অভাবে হাড়ের নানান সমস্যা দেখা যায়। হাড়ের মধ্যে যন্ত্রণা হয়। হাড়ের শক্তি কমে। এর ফলে শরীরের কর্মক্ষমতা কমে।

    হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি হলে অনিয়মিত হৃদস্পন্দন দেখা দেয়। এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি, বিশেষত হার্ট অ্যাটাকের মতো বিপদ দেখা দিতে পারে।

    ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি পূরণ কীভাবে হবে?

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি মেটাতে পারে খাবার। ঠিকমতো পুষ্টিকর খাবার খেলে এই ধরনের সমস্যা সহজেই এড়ানো যায়। পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত ব্রোকলি, পালং শাক, কলমি শাকের মতো সবুজ সব্জি ও শাক খেলে শরীর সহজেই ম্যাগনেশিয়াম পায়। ঘাটতি হওয়ার ঝুঁকিও কমে।

    পাশাপাশি সকালের জলখাবার হোক কিংবা সন্ধ্যার স্ন্যাকস টাইম, অন্যান্য খাবার খাওয়ার পাশপাশি নানান ধরনের বীজ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে শরীরে ম্যাগনেশিয়ামের অভাব হবে না। তাঁরা জানাচ্ছেন, সূর্যমুখীর বীজ, মিষ্টি কুমড়োর বীজে থাকে পর্যাপ্ত ম্যাগনেশিয়াম। আবার এর পাশপাশি বাদাম ম্যাগনেশিয়াম ভরপুর খনিজ। কাজুবাদাম, কাঠবাদামের মতো বাদাম নিয়মিত খেলে সহজেই ম্যাগনেশিয়ামের চাহিদা পূরণ হয়।

    সোয়াবিন, ছোলার মতো খাবার ম্যাগনেশিয়াম ভরপুর। তাই এই ধরনের খাবার মেনুতে রাখলে ম্যাগনেশিয়ামের চাহিদা সহজেই পূরণ হয়। এগুলোর পাশপাশি দুধ, পনীর, ডার্ক চকলেট খেলেও শরীর ম্যাগনেশিয়াম পায় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 15 December 2025: কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 15 December 2025: কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) অধিক খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    বৃষ

    ১) শেয়ার বাজারে লগ্নি নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) পেটের কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) সকাল থেকে শরীরে জড়তা বাড়তে পারে।

    ২) মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কর্কট

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মানসিক যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) বাড়তি আয় করতে গিয়ে বিপদ ঘটতে পারে।

    ৩) নিজেকে সময় দিন।

    সিংহ

    ১) রাজনীতির লোকেদের একটু চিন্তার কারণ দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার সুযোগ আসতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) প্রেমের ক্ষেত্রে অশান্তি মিটে যেতে পারে।

    ২) কোনও কারণে মনে ভীষণ সংশয় বা ভয় কাজ করবে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    তুলা

    ১) কাউকে কোনও ব্যাপারে কথা দেবেন না।

    ২) আধ্যত্মিক বিষয়ে বিশেষ মনোযোগী হয়ে উঠবেন।

    ৩) সমাজের জন্য কাজ করুন।

    বৃশ্চিক

    ১) গবেষণার কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) খুব নিকট কোনও মানুষের জন্য দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    ধনু

    ১) সখ মেটাতে বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ২) কোনও বন্ধুর জন্য বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মকর

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভালো সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কুম্ভ

    ১) চক্ষুরোগ দেখা দিতে পারে।

    ২) মায়ের ব্যবহারে কষ্ট পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কপালে অপমান জুটতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Kolkata Metro: ১৫ ডিসেম্বর থেকেই কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সরাসরি শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত মেট্রো চলবে

    Kolkata Metro: ১৫ ডিসেম্বর থেকেই কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সরাসরি শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত মেট্রো চলবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইংরেজি নববর্ষের আগেই মেট্রো যাত্রীদের জন্য বড় ঘোষণা করল কলকাতা মেট্রো। আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সরাসরি শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত মেট্রো (Kolkata Metro) চালাবে কলকাতা মেট্রো (Metro Services)। তবে এখন তা পরীক্ষামূলক ভাবেই করা হবে। অফিস আওয়ার বা ব্যস্ততার সময়ে এই পরিষেবা চালানো হবে। একটি চলবে সকালের ব্যস্ততার সময়ে আরেকটি চলবে বিকেলের ব্যস্ততার সময়ে।

    দুটো মেট্রো চলবে (Kolkata Metro)

    কলকাতা মেট্রো (Kolkata Metro) সূত্রে জানা গিয়েছে, সোম থেকে শুক্রবার পর্যন্ত প্রতিদিন দুটি সরাসরি ট্রেন চলবে। একটি সকালে এবং অপরটি বিকেলে। যে সময় পিক আওয়ার এবং যাত্রীদের ভিড় বেশি থাকবে সেই সময়েই চালানো হবে ট্রেন। আগে যারা বিমান বন্দর থেকে এসপ্ল্যানেড, কালীঘাট কিংবা মহানায়ক উত্তম কুমার বা শহিদ ক্ষুদিরামের-এর দিকে যেতে চান আগে তাদের ট্রেন বদল করতে হতো। এখন থেকে বিমান বন্দরে যারা নামেন তাদের আর নোয়াপাড়া স্টেশনে ট্রেন বদলাতে হবেনা। ভোগান্তি কমবে এবং যাত্রা হবে আরও সুন্দর এবং স্বচ্ছ বলে মত অনেকের। তবে মেট্রো নিজের সূচি দিয়ে জানিয়েছে, প্রথম ডাইরেক্ট পরিষেবা সকাল ৯ টা ৩৬ মিনিটে জয় হিন্দ বিমান বন্দর স্টেশন থেকে ছাড়বে ট্রেন (Metro Services)। আর দ্বিতীয় পরিষেবাটি ছাড়বে রাত্রি ৯টায়। তবে দুই ট্রেন যাবে ক্ষুদিরাম পর্যন্ত। এই যাতায়েত পরিষেবায় কোন রকম যাত্রীদের ট্রেন পরিবর্তন করতে হবে না।

    এখনও চিংড়িঘাটা মোড়ের জট

    মেট্রো (Kolkata Metro) কর্তৃপক্ষের অবশ্য বক্তব্য, এই পরীক্ষামূলক পরিষেবার মাধ্যমে বিমানবন্দর থেকে দক্ষিণ কলকাতা ও শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলির সঙ্গে যোগাযোগ আরও মজবুত হবে। তবে যাত্রীদের সুবিধা এবং চাহিদা অনুযায়ী গাড়ির সংখ্যা আগামীতে আরও বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, কবি সুভাষ থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পরিষেবা এখনও পুরোপুরি শুরু হয়নি। চিংড়িঘাটা মোড়ের জট না কাটায় এখনও পর্যন্ত তিন পিলারের লাইনে পাতার কাজ বাকি। সেই কাজ সম্পন্ন হলেই সরাসরি পৌঁছে যাবে বিমানবন্দর (Metro Services) পর্যন্ত। বর্তমানে কবি সুভাষ থেকে বেলেঘাটা পর্যন্ত মেট্রো চলছে।

  • MGNREGA: এবার ১২৫! ১০০ দিনের কাজে রোজগার বাড়াল মোদি সরকার, বদলে যাচ্ছে নামও

    MGNREGA: এবার ১২৫! ১০০ দিনের কাজে রোজগার বাড়াল মোদি সরকার, বদলে যাচ্ছে নামও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের এনডিএ জোটের মোদি (Pm Modi) সরকারের তরফে বাড়ানো হল ন্যূন্যতম কাজের দিন (MGNREGA)। বদল করে দেওয়া হল প্রকল্পের নাম। মনরেগা নিয়ে বড় ঘোষণা মোদি সরকারের। গত শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে মনরেগা প্রকল্পের নাম বদলে রাখা হল ‘পুজ্য বাপু গ্রামীণ রোজগার গ্যারান্টি’। একই ভাবে এই বছরে কাজের দিনের পরিমাণ আগে ছিল ১০০, এখন তা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১২৫ দিন। এবার থেকে বছরে এই প্রকল্পে ১২৫ দিনের কাজ দেওয়া দেওয়া হবে। আর কমপক্ষে দেওয়া হবে দিনপ্রতি ২৪০ টাকা।

    নাম বদলের মানসিকতার বদল

    এই নাম পরিবর্তনকে বিজেপির (Pm Modi) ভাবনায় বেশ গুরুত্বপূর্ণ। দেশ থেকে ব্রিটিশরা চলে গেলেও ঔপনিবেশিক মানসিকতার তেমন বদল ঘটেনি। তাই নাম এবং নামের সঙ্গে যুক্ত মানসিকতাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। যেমন- প্রধানমন্ত্রীর অফিসের নাম হয়েছে সেবা তীর্থ, রাজপথ হয়েছে কর্তব্য পথ, রাজভবনের নাম হয়েছে লোকভবন, রাজ্যপালের নাম লোকপাল। রেড কোর্স রোডের নাম হয়েছে লোক কল্যাণ মার্গ। এবার মনরেগার (MGNREGA) নাম বদল করে রাখা হয়েছে বাপুজির নামে। তবে নাম বদল যে শুধু কাজের জন্যই হয়েছে তা নয়, এই বদলের সঙ্গে মানসিকতার বদলও ভীষণ ভাবে প্রয়োজন। জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন প্রথম ২০০৫ সালে পাস হয়েছিল। ২০০৯ সালে, ইউপিএ সরকারের আমলে, এর নামকরণ করা হয় মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন (মনরেগা)। এই আইন ওই বছরের ২ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়। এইবার এনডিএ সরকার এটির নাম পরিবর্তন করে ১২৫ দিন কাজের গ্যারান্টি বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    ১০০ দিনের কাজ সুনিশ্চিত

    ২০০৯ সালে যখন ইউপিএ (MGNREGA) আইনটির নাম পরিবর্তন করে, তখন তৎকালীন সরকার যুক্তি দিয়েছিল যে মহাত্মা গান্ধীর নাম আইনের সাথে যুক্ত করলে সমতা এবং অন্তর্ভুক্তির উপর মনোযোগ আরও জোরদার হবে। যদিও আইনে প্রত্যেক যোগ্য ব্যক্তিকে ১০০ দিন পর্যন্ত কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ২০২৪-২৫ সালে সরকারী তথ্য অনুসারে, গত বছর ৪০.৭০ লক্ষ পরিবার ১০০ দিনের পুরো কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছিল। ২০২৫-২৬ সালে মাত্র ৬.৭৪ লক্ষ পরিবার ১০০ দিনের কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরেছে। ফলে, এই প্রকল্পে অনেক ফাঁকফোকড় ছিল, যা প্রকট হয়েছে। মোদি সরকার, সেগুলিকে ভরাট করতে তৎপর।

    সারা দেশে প্রায় ২৯০ কোটি কর্ম দিবস

    ২০২৪-২৫ সালে, মনরেগা (MGNREGA) সারা দেশে প্রায় ২৯০ কোটি কর্মদিবসের কর্মসংস্থান তৈরি করেছিল। তবে, রাজ্য সরকারগুলি তাদের নিজস্ব তহবিল ব্যবহার করে মাত্র ৪.৩৫ কোটি কর্মদিবস তৈরি করেছিল। মহারাষ্ট্র, ছত্তিশগড়, ওড়িশা, হিমাচল প্রদেশ, কেরালা, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ এবং তেলঙ্গানার মতো রাজ্যগুলি কেন্দ্রীয় সীমার বাইরে কর্মসংস্থান সম্প্রসারণের জন্য তাদের নিজস্ব বাজেট ব্যবহার করেছে।

    ৪,৮৭২ কোটিরও বেশি কর্মসংস্থান

    আইনত মনরেগা আইনের ৩(১) ধারায় প্রতি পরিবারকে বছরে ন্যূনতম একশো দিনের কাজের সংস্থান দিতে হবে। কিন্তু বাস্তবে, ১০০ দিনের কাজ ন্যূনতম হওয়ার পরিবর্তে সর্বোচ্চ সীমা হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ প্রকল্পের সফ্টওয়্যার এই সীমার অতিরিক্ত এন্ট্রি করার অনুমতি দেয় না। তাই কাজকে একটি বিশেষ নিয়েমে বাঁধা রাখা হয়েছে। তবে ২০০৫ সালে চালু হওয়ার পর থেকে মনরেগা (MGNREGA) ৪,৮৭২ কোটিরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করেছে। এই প্রকল্পের অধীনে মোট ব্যয় এখন পর্যন্ত প্রায় ১১.৭৪ লক্ষ কোটি টাকা। ২০০৬-০৭ সালে ২০০টি পিছিয়ে পড়া জেলায় প্রাথমিকভাবে এটি চালু করা হয়েছিল,পরের বছর এটি আরও ১৩০টি জেলায় সম্প্রসারিত হয়েছিল এবং ২০০৮-০৯ সালের মধ্যে সমগ্র দেশে বাস্তবায়ন করা হয়।

    কোভিডের ধাক্কা

    কোভিড-১৯ মহামারীর সময় (MGNREGA) এর চাহিদা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। ২০২০-২১ সালে, রেকর্ড ৭.৫৫ কোটি গ্রামীণ পরিবার এই প্রকল্পের অধীনে কাজ চেয়েছিল কারণ লকডাউনের সময় পরিযায়ী শ্রমিকরা তাদের গ্রামে ফিরে এসেছিল। তারপর থেকে, অংশগ্রহণ ক্রমাগত হ্রাস পেয়েছে, ২০২১-২২ সালে ৭.২৫ কোটি পরিবার থেকে ২০২৪-২৫ সালে ৫.৭৯ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। গত তিন বছরের তথ্যে পশ্চিমবঙ্গ অন্তর্ভুক্ত নয়, যেখানে ২০২২ সালের মার্চ থেকে এই প্রকল্পটি স্থগিত রয়েছে। সিএজির রিপোর্টে মনরেগার টাকা নয়ছয় করার অভিযোগের ভিত্তিতে বরাদ্দ টাকার প্রবাহ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের সাফ কথা হিসেব না দিলে টাকা মিলবে না। তবে মোদির এই ঘোষণায় বিরাট সুফল পাবে সাধারণ মানুষ। এমনটাই মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

  • Census 2027: ২০২৭ সালের জনগণনায় ১১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ মোদি মন্ত্রিসভার

    Census 2027: ২০২৭ সালের জনগণনায় ১১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ মোদি মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৭ সালের জনগণনায় (Census 2027) ১১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। শুক্রবার রেলমন্ত্রী (Union Cabinet) অশ্বিনী বৈষ্ণব একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়াছেন, দেশে মোট দুটি দফায় জন গণনা হবে। সমগ্র প্রক্রিয়া হবে অনলাইনে এবং এই জনগণনার সঙ্গে জাতিগণনাও যুক্ত করা হবে। সর্ব শেষ জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে। কিন্তু ২০১৯ সালে করোনা অতিমারির কারণে এনপিআর-এর কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এইবার সেই কাজে ফের আরেকবার গণনা শুরু হবে।

    প্রথম পর্যায়ে বাসস্থান ও সম্পত্তি গণনা হবে (Census 2027)

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Union Cabinet) অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, “শেষ বার দেশে জনগণনা (Census 2027) হয়েছিল ২০১১ সালে। তারপর ২০২১ সালে জনগণনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিশ্বজুড়ে কোভিড অতিমারির জন্য এই কাজকে সাময়িক ভাবে স্থগিত করে রাখা হয়। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আগেই ঘোষণা করে দেওয়া হয়, ২০২৭ সালে জনগণনা করা হবে। শুক্রবার সেই কাজের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হয়। ২০২৭ সালের ১ মার্চ থেকে এই নতুন হিসেব বাস্তবায়ন করা হবে।” রেলমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, “প্রথম পর্যায়ে বাসস্থান ও সম্পত্তি গণনা হবে। বাড়ি, জমি ও সম্পত্তি সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করবে সরকার। ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে সেই প্রক্রিয়া চলবে। তবে সরকারের সুবিধামতো এক একজায়গায় ৩০ দিনের মধ্যে জনগণনা করা হবে। এরপর শুরু হব দ্বিতীয় পর্যায়ের জনগণনা। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এই দ্বিতীয় পর্যায়ের জনগণনা হবে। উল্লেখ্য বেশ কিছু এলাকা যেমন- লাদাখ, হিমাচল, জম্মু-কাশ্মীর ও উত্তরাখণ্ডে অতিরিক্ত ঠাণ্ডা এবং তুষারপাতের জন্য ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই গণনা সম্পন্ন করা হবে।”

    মোট ৩০ লক্ষ কর্মী নিয়োগ

    কীভাবে এই জনগণনার (Census 2027) কাজ হবে তা নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Union Cabinet) অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানান, ডিজিটাল পদ্ধতিতে জগণনার জন্য বিশেষ অ্যাপ ব্যবহার করা হবে। অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে পোর্টালে আপলোড করতে হবে। আধুনিক অ্যাপ ব্যবহার করে সংস্কারের কাজ করতে হবে। তবে গণনার কাজের সঙ্গে যুক্ত সকল গণনাকারীদের মোবাইলে তথ্য জোগাড় করতে হবে। আবার যদি কেউ খাতায় কলমে তথ্য সংগ্রহ করেন তাহলেও সঙ্গে সঙ্গে তাকে পোর্টালে তুলতে হবে। ফলে তথ্য সময়ে আপডেট থাকলে ভুলের সম্ভাবনা অনেক কম থাকবে। তাই গণনা কাজের প্রাথমিক স্তর থেকেই ডিজিটালাইজ হবে। গণনার তথ্যকে পেতে আর কোনও অসুবিধা হবে না। সারা দেশজুড়ে এই কাজে মোট ৩০ লক্ষ কর্মী নিয়োগ করা হবে।

    কেন প্রয়োজন?

    ভারতবর্ষে বিগত ১৫০ বছর ধরে সেনসাস বা আদম শুমারির কাজ হয়ে আসছে। আগামী ২০২৭ সালে ভারতে ১৬তম আদমশুমারি এবং স্বাধীনতার পর থেকে অষ্টম আদমশুমারি হতে চলেছে। ছোট গ্রাম, শহরাঞ্চল, থেকে ওয়ার্ড লেভেল পর্যন্ত প্রতিটি জায়গায় জনবৈচিত্র্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আর্থিক অবস্থা, ইত্যাদি বিষয়গুলি এই জনগণনা বা আদম শুমারির মাধ্যমেই ফুটে উঠবে। সরকারের বাজেট এবং আয় ব্যায়ের হিসেবের জন জনগণনা একান্ত প্রয়োজন। তবে সম্প্রতি ইন্ডিজোটের পক্ষ থেকে দেশজুড়ে জনগণনা এবং জাতি গণনায় আপত্তি করা হয়েছে। তাদের যুক্তি দেশে জতির পরিচয়ে বিশেষ বিশেষ ধর্মের মানুষের মধ্যে বিভেদ বৈষম্য বাড়বে। তবে বিজেপি অবশ্য বিরোধীদের তোষণের রাজনীতিকেই দায়ী করেছে।

  • ISRO Data Centre: এবার মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপনের ভাবনা ইসরোর! কীভাবে হবে অসাধ্যসাধন?

    ISRO Data Centre: এবার মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপনের ভাবনা ইসরোর! কীভাবে হবে অসাধ্যসাধন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছে ইসরো। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা এ নিয়ে সম্ভাব্য পরীক্ষাও করছে। এ বিষয়ে একটি অভ্যন্তরীণ প্রাথমিক সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। রাজ্যসভায় এই তথ্য জানাল ডিপার্টমেন্ট অফ স্পেস বা মহাকাশ-বিষয়ক দফতর। বিজেপি সাংসদ কার্তিকেয় শর্মার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অধীনস্থ মহাকাশ-বিষয়ক দফতর জানায়, ইসরো বিভিন্ন নেক্সট-জেনারেশন স্যাটেলাইট প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে, যার মধ্যে অন-বোর্ড ডেটা প্রসেসিং ও ডেটা স্টোরেজ অন্যতম।

    মহাকাশে প্রকৃত ডেটা সেন্টার স্থাপন

    সংসদীয় সূত্রে খবর, শর্মা জানতে চেয়েছিলেন, স্যাটেলাইট ও যোগাযোগ-সংক্রান্ত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণের জন্য ইসরো কি মহাকাশে প্রকৃত ডেটা সেন্টার স্থাপনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। জবাবে মহাকাশ-বিষয়ক দফতরের তরফে জানানো হয়, অন-বোর্ড ডেটা প্রসেসিং ও স্টোরেজ বিষয়ে ইসরো প্রাথমিক মূল্যায়ন করেছে এবং এতে দেখা গিয়েছে যে স্পেস-এজ কম্পিউটিং অবকাঠামোর একটি প্রুফ অব কনসেপ্ট তৈরি করা সম্ভব। ডিপার্টমেন্ট অফ স্পেস, যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অধীনস্থ, আরও জানিয়েছে যে এই ধরনের একটি ব্যবস্থা ভাবনা-চিন্তার পর্যায়ে রয়েছে। তবে এটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ের সমীক্ষা মাত্র। পূর্ণাঙ্গ স্পেস-এজ কম্পিউটিং ব্যবস্থার জন্য বেশ কয়েকটি নতুন প্রযুক্তির উন্নতি প্রয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে— কক্ষপথে শক্তি উৎপাদন, রেডিয়েশন-প্রতিরোধী জিপিইউ/সিপিইউ, স্যাটেলাইটের সুরক্ষা শিল্ড, ইত্যাদি। ইসরোর মহাকাশে কোনও ডেটা সেন্টার নেই। ইসরো পৃথিবীতেই ডেটা সেন্টার পরিচালনা করে, যেমন বেঙ্গালুরুতে অবস্থিত ইন্ডিয়ান স্পেস সায়েন্স ডেটা সেন্টার (ISSDC), যা মহাকাশ থেকে আসা ডেটা সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের প্রধান কেন্দ্র। মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপনের ধারণাটি নতুন এবং বেসরকারি কোম্পানিগুলো বর্তমানে এই বিষয়ে কাজ করছে, কিন্তু ইসরোর প্রধান ডেটা সেন্টারগুলো পৃথিবীতেই অবস্থিত। তবে, এবার ইসরোও মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপনের জন্য ভাবনা চিন্তা করছে।

    কীভাবে কাজ করবে এই ডেটা সেন্টার

    প্রসঙ্গত, পৃথিবীর ডেটা সেন্টারগুলো বিপুল পরিমাণ শক্তি ব্যবহার করে। ফলে মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপনে অত্যন্ত শক্তি-দক্ষ যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হবে, যা সৌরশক্তি ও ব্যাটারিতে চলতে সক্ষম। পাশাপাশি মহাকাশের তীব্র রেডিয়েশন থেকে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিকে সুরক্ষিত রাখার ব্যবস্থাও জরুরি—যা পৃথিবীতে বায়ুমণ্ডল স্বাভাবিকভাবেই করে থাকে। মন্ত্রকের মতে, অন-বোর্ড ডেটা প্রসেসিং সক্ষম স্যাটেলাইট কেবল প্রয়োজনীয় তথ্যই গ্রাউন্ড স্টেশনগুলোতে পাঠাবে, ফলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও কৌশলগত প্রয়োজনে ডেটা পৌঁছতে দেরি হবে না। অর্থাৎ তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি স্যাটেলাইট নিজেই সেই তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে দ্রুত ফল দিতে পারবে। এছাড়া, অন-বোর্ড প্রসেসিং ব্যবস্থায় যোগাযোগ স্যাটেলাইটকে কক্ষপথেই পুনর্গঠনের (reconfiguration) সুবিধা দেয়, ফলে ব্যবহারে আরও বেশি নমনীয়তা আসে। এজ কম্পিউটিং বলতে বোঝায় এমন এক বিতরণ-ভিত্তিক কম্পিউটিং পদ্ধতি যেখানে ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণ ডেটার উৎসের কাছাকাছি করা হয়, কেন্দ্রীয় ক্লাউড বা ডেটা সেন্টারে পাঠানো হয় না। ইসরো যা পরীক্ষা করছে তা হলো স্যাটেলাইট এজ কম্পিউটিং বা স্পেস এজ কম্পিউটিং, যেখানে ডেটা প্রক্রিয়াকরণ সরাসরি মহাকাশেই করা হবে।

  • Daily Horoscope 14 December 2025: ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 14 December 2025: ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) উচ্চপদ লাভ করতে পারেন।

    ২) কিছু কাজ সম্পন্ন না-হওয়ায় মেজাজ খিটখিটে হবে, সতর্ক থাকুন।

    ৩) মায়ের তরফে ধন লাভ হতে পারে।

    বৃষ

    ১) পরিবারে সুখ-শান্তির পরিবেশ থাকবে।

    ২) পরিবারে শুভ অনুষ্ঠান আয়োজিত হতে পারে।

    ৩) বয়স্ক ব্যক্তির কাছ থেকে ধন লাভ।

    মিথুন

    ১) নিজের সন্তানের কাজ দেখে আনন্দিত হবেন।

    ২) আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    ৩) চাকরি ও ব্যবসায়ে অংশীদার এবং সহকর্মীদের পূর্ণ সহযোগিতা লাভ করবেন।

    কর্কট

    ১) সন্তান সুখ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) আত্মীয়দের কাছ থেকে বস্ত্র উপহার পেতে পারেন।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্যে মনের হতাশা সমাপ্ত হবে।

    সিংহ

    ১) স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে হবে।

    ২) পেট খারাপ হতে পারে, বদহজমের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) খাওয়া-দাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ রাখুন।

    কন্যা

    ১) কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হবে।

    ২) আপনাদের সমস্ত কাজ সম্পন্ন হবে।

    ৩) আয় বৃদ্ধি হওয়ায় আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    তুলা

    ১) কঠিন পরিস্থিতির শিকার হবেন।

    ২) আপনার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনও কাজ হতে পারে, এর ফলে মন অশান্ত হবে।

    ৩) পরিবারে সমস্ত কিছু ভালো থাকবে, আপনাদের মনোবল বাড়বে।

    বৃশ্চিক

    ১) আপনজনদের সহযোগিতা লাভ করবেন।

    ২) বড় কাজ সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

    ৩) কোনও অভিজ্ঞ ব্যক্তির সাহায্যে আটকে থাকা টাকা ফিরে পেতে পারেন।

    ধনু

    ১) কর্মক্ষেত্রে কঠিন পরিশ্রম করতে হবে, তখনই সাফল্য লাভ সম্ভব।

    ২) বাণী নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    ৩) সম্পত্তির কারণে বিবাদ হতে পারে।

    মকর

    ১) অর্থ ও যশ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) কাজ বাড়বে।

    ৩) শত্রু ধ্বংস হবে।

    কুম্ভ

    ১) সতর্ক থাকলে কাজ সম্পন্ন হবে।

    ২) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতভেদ উৎপন্ন হতে পারে।

    ৩) ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।

    মীন

    ১) বাড়িতে কোনও বন্ধু বা আত্মীয়ের আগমন হতে পারে।

    ২) সম্পত্তির মাধ্যমে আয়ের নতুন উৎস আসবে।

    ৩) রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের দিনটি ভালো।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Kerala Local Body Polls: ভেঙে পড়ল চার দশকের বামদূর্গ! তিরুঅনন্তপুরমে বিপুল জয় বিজেপির, ধন্যবাদ মোদির

    Kerala Local Body Polls: ভেঙে পড়ল চার দশকের বামদূর্গ! তিরুঅনন্তপুরমে বিপুল জয় বিজেপির, ধন্যবাদ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণে জয়-পতাকা উড়ল বিজেপির। কেরলের স্থানীয় নির্বাচনে (Kerala Local Body Polls) তিরুঅনন্তপুরমে ঐতিহাসিক জয় পেল এনডিএ। পাঁচ দশকের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে ওই পুরনিগমে ক্ষমতা দখল করল বিজেপি। তিরুঅনন্তপুরম কর্পোরেশনের মোট ১০১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৫১টি ওয়ার্ড গিয়েছে এনডিএ জোটের থলিতে। বামফ্রন্ট এগিয়ে রয়েছে ২৯টি ওয়ার্ডে। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ-এর থলিতে গিয়েছে ১৯টি ওয়ার্ড। দু’টি ওয়ার্ডে জিতেছে দু’জন নির্দলীয় প্রার্থী। বাকি একটি ওয়ার্ডে নির্বাচন হয়নি।

    দলের জয়ে শুভেচ্ছা মোদির

    কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরের কেন্দ্র, কেরলের রাজধানী তিরুঅনন্তপুরমের পুরসভায় কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ এবং সিপিএম নিয়ন্ত্রিত এলডিএফ জোটকে পিছনে ফেলে জয় ছিনিয়ে নিল বিজেপি। এই জয়ের জন্য ইতিমধ্যে তিরুঅনন্তপুরমের বাসিন্দাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এই আঞ্চলিক নির্বাচনে দিবারাত্রি পরিশ্রম করা কার্যকর্তাদেরও। আমি এটাও নিশ্চিত ওই রাজ্যের উন্নয়ন ও বিকাশ নিয়ে মানুষের মনে যে চাহিদা তৈরি হয়েছে, তা আমাদের দলই পূরণ করতে পারবে।’কার্যকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা এতদিন যে পরিশ্রম করলেন, আজ সেগুলির স্মৃতিচারণের দিন। আমি প্রতিটি বিজেপি কার্যকর্তাকে শুভেচ্ছা জানাই। এই সাফল্য সেই পরিশ্রমেরই ফলাফল।’

    বামেদের দুর্গে ফাটল ধরাল বিজেপি

    এর আগে কেরলের ত্রিশূরের লোকসভা নির্বাচনে জিতেছে বিজেপি। তিরুঅনন্তপুরমে লোকসভায় আগের বার দ্বিতীয় স্থানে উঠেছিল গেরুয়া শিবির। এবার পুরনিগম দখল। গেরুয়া শিবির স্বপ্ন দেখছে এবার হয়তো তাদের জন্য কেরল এবং দক্ষিণের রাস্তা খুলবে। তিরুঅনন্তপুরম পুরসভায় বামেদেরই ছিল একচ্ছত্র আধিপত্য। বিরোধী হিসাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করত কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ। তবে এ বারের নির্বাচন ছিল ত্রিমুখী। ইউডিএফ, এলডিএফ আর বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। শনিবার সকালে ভোট গণনা শুরুর পরে প্রাথমিক ট্রেন্ডে এগিয়ে গিয়েছিল বিজেপি। বেলা গড়াতেই দেওয়াল লিখন স্পষ্ট হয়ে যায়। ১০১ আসনের তিরুঅনন্তপুরম পুরসভার ৫১টিতে জয় হাসিল করে নেয় এনডিএ। একই সঙ্গে টানা ৪৫ বছর পরে লেফট ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট জমানার অবসান ঘটল। ক্ষমতাসীন এলডিএফ জিতেছে মাত্র ২৯টি আসনে। পাশাপাশি এলডিএফের হাত থেকে ত্রিপুনিথুরা পুরসভাও ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি জোট।

  • Messi in Kolkata: “জোঁকের মতো চিটে নেতা-মন্ত্রী!” মেসি-কাণ্ডে তৃণমূলকে তুলোধোনা শুভেন্দুর, গ্রেফতার মূল উদ্যোক্তা

    Messi in Kolkata: “জোঁকের মতো চিটে নেতা-মন্ত্রী!” মেসি-কাণ্ডে তৃণমূলকে তুলোধোনা শুভেন্দুর, গ্রেফতার মূল উদ্যোক্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক ক্রীড়াক্ষেত্রে নষ্ট হল বাংলার ভাবমূর্তি। এই দাগ মুছে ফেলার নয়। ইঙ্গিতে যেন সেটা মেনেও নিচ্ছে রাজ্য সরকার। এদিন তারকা ফুটবলার মেসি (Messi in Kolkata) এবং তাঁকে দেখতে মাঠে আগত ক্রীড়াপ্রেমীদের কাছে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কালিমালিপ্ত হল কলকাতা ফুটবলের প্রাণকেন্দ্র যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন। বিরোধীদের সমালোচনা ও ফুটবল পাগল দর্শকদের আবেগের চাপে অবশেষে গ্রেফতার হলেন মেসিকে কলকাতায় আনার মূল উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত। লিওনেল মেসিকে কলকাতায় আনার মূল আয়োজকের বিরুদ্ধে ভুরিভুরি অভিযোগ এনেছেন ফুটবলপ্রেমীরা। একই সঙ্গে ফুটবলের রাজপুত্রকে ঘিরে শাসকদলের নেতা-মন্ত্রীদের মনোভাবকে কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    মানুষের আবেগ নিয়ে ব্যবসা তৃণমূল নেতা মন্ত্রীদের

    সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের বিশৃঙ্খলা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী লিখেছেন, “যুবভারতীতে লিওনেল মেসির অনুষ্ঠানে চরম বিশৃঙ্খলা, মেসির গায়ে জোঁকের মতো চিটে রইলেন নেতা-মন্ত্রী-তারকারা, আর যাদের পিঠে কাঁঠাল ভেঙে মেসিকে দেখতে পাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে হাজার হাজার টাকার টিকিট কাটানো হল, সেই ফুটবলপ্রেমীদের ভাগ্যে জুটলো ৫-৭ মিনিটের জায়ান্ট স্ক্রিনের দর্শন !!!” তিনি আরও লিখেছেন, “ফুটবলের রাজপুত্র লিয়োনেল মেসি যুবভারতীতে ঢোকা মাত্র অন্তত ১০০ জন নেতা মন্ত্রী ও তাদের আত্মীয় পরিজন সাগরেদদের ভিড় ঘিরে ধরে তাঁকে। ফলে গ্যালারি থেকে তাঁকে দেখার কোনো উপায় ছিল না।” তাঁর কথায়, “মোটা টাকায় টিকিট কেটে গিয়েও প্রিয় তারকাকে দেখতে পেলেন না দর্শকরা যাদের জলের বোতল পর্যন্ত নিয়ে যেতে দেওয়া হয়নি, আর বাধ্য করা হয় ২০ টাকার জল ২০০ টাকায় কিনতে। অথচ তৃণমূল নেতা মন্ত্রীরা ব্যবসা করে নিলেন এই সুযোগে। এদের থেকে শকুনও ভালো !” সেই সঙ্গে তাঁর দাবি, “গ্যালারির সমস্ত দর্শকদের ১০০% টিকিটের দাম ফেরত দিতে হবে। ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, মন্ত্রী সুজিত বসু এবং প্রধান আয়োজক শতদ্রু দত্তকে এই বিশৃঙ্খলা, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির দায়ে গ্রেফতার করতে হবে। গোটা বিশ্বের সামনে পশ্চিমবঙ্গের সম্মানহানির জন্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। ভোটের আগে লিওনেল মেসির সঙ্গে ছবি তুলে ‘খেলা হবে’ করতে গেছিলেন ! উল্টে প্রতারিত দর্শক খেলা দেখিয়ে দিয়েছে…”

    জবাব তলব রাজ্যপালের

    গোটা ঘটনায় কার্যত অবাক হয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। এই পরিস্থিতিতে নবান্নের কাছে রিপোর্ট তলব করলেন রাজ্যপাল। তাঁর বয়ান অনুযায়ী, যারা অনেক দাম দিয়ে টিকিট কিনেছেন, সেই খুব কম সংখ্যক মানুষই তারকা ফুটবলার মেসিকে দেখতে পাবেন। পাশাপাশি মেসির এই সফরের মাধ্যমে যে বেসরকারি ব্যক্তি টাকা রোজগার করছেন, তাঁর বিষয়ে পুরো রিপোর্ট দেওয়া হোক। সাধারণ মানুষ কেন মেসিকে দেখতে পারছেন না?’ এরই সঙ্গে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাজ্যপাল আরও বলেন, ‘সাধারণ মানুষের আবেগের সুযোগ নিয়ে কেন একজন বেসরকারি ব্যক্তিকে অর্থ উপার্জনের অনুমতি দেওয়া হল। ফুটবল ভক্তদের কাছ থেকে ফোন এবং ইমেল আসছে, যেখানে তাঁরা অভিযোগ করছেন যে টিকিটের দাম তাঁদের নাগালের বাইরে। এমনটা কেন হল? কেন সাধারণ মানুষ বঞ্চিত রইলেন মেসিকে দেখার থেকে? জবাব দিতে হবে রাজ্যকে।’

    গ্রেফতারির নির্দেশ রাজ্যপালের

    এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুলে আয়োজকদের দ্রুত গ্রেফতার করার পক্ষে সওয়াল করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এদিন তিনি বলেন, ‘আয়োজককে এখনই গ্রেফতার করতে হবে। যারা কষ্টের উপার্জন দিয়ে হাজার হাজার টাকার টিকিট কেটেছিলেন তাঁদের টাকাও ফেরত দিতে হবে। পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনের যে ক্ষতি হল, সেটির ক্ষতিপূরণও দিতে হবে আয়োজক সংস্থাকে।’মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে তৈরি উত্তেজনা, বিশৃঙ্খলার নেপথ্যে ‘অব্য়বস্থাকেই’ দায়ী করেছেন রাজ্যপাল বোস। তাঁর কথায়, ‘কোনও রকম পূর্বপরিকল্পনা, সঠিক ব্যবস্থাপনা ছিল না। আয়োজকরা গোটা অনুষ্ঠানের উপর নজরদারি চালায়নি। মুখ্যমন্ত্রী সেখানে পৌঁছতে পারলেন না। এই ঘটনা পুলিশের দায়বদ্ধতাও রয়েছে।’

    তৃণমূল মানেই অসভ্যতা

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এই ঘটনার জন্য রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ও রাজ্য সরকারকেই দায়ী করেছেন। সুকান্ত বলেন, “আরও একবার প্রমাণিত হল তৃণমূল মানেই অসভ্যতা। মেসির মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফুটবলার পশ্চিমবঙ্গে আসা গর্বের বিষয় হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শুরু থেকেই এই কর্মসূচি তৃণমূল হাইজ্যাক করেছে। স্টেডিয়ামে যারা ঢিল, বোতল ছুড়েছে, তারাও তৃণমূলের লোক। টিকিট বিক্রি হয়েছে পাঁচ থেকে আট হাজার টাকায়, চূড়ান্ত কালোবাজারি হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ভিড় সামলাতে ব্যর্থ হয়েছে। এই বিশৃঙ্খলার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস ও রাজ্য সরকারই দায়ী।”

    ক্ষমা চাইলেন মমতা

    যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে তৈরি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির জন্য কাদের দায়? জানতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার মেসির সঙ্গে ক্রীড়াঙ্গনে গিয়ে দেখা করার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে যাওয়ায় সেখানে পৌঁছতে পারেননি তিনি। ঘুরিয়ে নেন নিজের কনভয়ের অভিমুখ। তারপরেই এল তদন্তের নির্দেশ। নিজের এক্স হ্য়ান্ডেলে তিনি লিখেছেন, ‘এই অনভিপ্রেত ঘটনার জন্য লিওনেল মেসি-সহ সকল ক্রীড়াপ্রেমী ও তাঁর অনুরাগীদের কাছে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’

    ‘কুম্ভীরাশ্রু’-র সঙ্গে তুলনা

    ইতিমধ্যেই মমতার ক্ষমা চাওয়ার এই বিষয়টিকে ‘কুম্ভীরাশ্রু’-র সঙ্গে তুলনা করেছেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমা চাইলেও রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও সুজিত বসুর বিরুদ্ধে এফআইআর-এর দাবি তুলেছে বিরোধীরা। বিজেপির আইটি সেল প্রধান অমিত মালব্য লেখেন, “কুমিরের কান্না বন্ধ করুন। এই অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি আপনার সরকারের প্রতিটি কাজের সঙ্গেই অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গের মানুষের আবেগের উপর সরাসরি আঘাত হেনেছে এবং প্রতিটি ফুটবলপ্রেমীকে অপমান করেছে। দায়ীদের পদত্যাগ নিশ্চিত করতে হবে।” পাশাপাশি তিনি অরূপ বিশ্বাস ও সুজিত বসুর বিরুদ্ধে অবিলম্বে এফআইআর দায়ের করার কথা বলেন।

LinkedIn
Share