Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Gyanesh kumar: নির্বাচন প্রস্তুতির পর্যালোচনায় রাজ্যে কমিশনের ফুল বেঞ্চ, জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে ম্যারাথন বৈঠক

    Gyanesh kumar: নির্বাচন প্রস্তুতির পর্যালোচনায় রাজ্যে কমিশনের ফুল বেঞ্চ, জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে ম্যারাথন বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট ঘোষণার প্রাক্কালে রাজ্যের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে তিন দিনের সফরে কলকাতায় পৌঁছেছেন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমার-এর (Gyanesh kumar) নেতৃত্বে এই উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলটি রবিবার রাতেই শহরে পদার্পণ করে। আজ, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে কমিশনের ব্যস্ত কর্মসূচি। মূলত আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং ভোটগ্রহণের প্রশাসনিক প্রস্তুতি যাচাই করাই এই সফরের মূল লক্ষ্য।

    বৈঠকের সময় সূচি কেমন (Gyanesh kumar)?

    ৯ মার্চ সোমবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে বৈঠক এবং পর্যালোচনা। সকাল ১০টায় স্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠক করেন কমিশনের সদস্যরা। মাঝে ৩০ মিনিটের বিরতি। এরপর দুপুর ১২টা থেকে ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত কমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিট থেকে ১২টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত বক্তব্য রাখেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগারওয়াল। তারপর ১২টা ৫৫ মিনিট থেকে ১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত কমিশনের পক্ষ থেকে উদ্বোধনী বক্তব্য। দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ২টো ১৫ মিনিট পর্যন্ত বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার শীর্ষ আধিকারিক এবং এসএসপি-এসপি পর্যায়ের আধিকারিকদের (Gyanesh kumar) সঙ্গে নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা রয়েছে। এরপর মাঝে একটা বিরতি থাকবে এবং শেষে ৩টে ১৫ মিনিট থেকে আবার বৈঠক রয়েছে কমিশনের। বিষয় থাকবে নির্বাচন প্রস্তুতির বিস্তারিত বৈঠক।

    রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময়

    আজ সকালে প্রথমেই স্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন কমিশনের কর্তারা। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দলের অভিযোগ ও পরামর্শ শোনা হয় এই অধিবেশনে। এই সঙ্গে প্রশাসনিক ও পুলিশি পর্যালোচনা করার কথাও হয়েছে। দুপুরে রাজ্যের সব জেলার জেলাশাসক (DM) এবং পুলিশ সুপারদের (SP) সঙ্গে বৈঠকে বসেন জ্ঞানেশ কুমার। নির্বাচনী প্রস্তুতি (West Bengal Election 2026), বুথের পরিকাঠামো এবং স্পর্শকাতর এলাকাগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সফরের দ্বিতীয় ভাগে রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশকের (DGP) সঙ্গেও কমিশনের সদস্যদের বৈঠক করার কথা রয়েছে।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন

    আজকের এই বৈঠকে রাজ্যের বিধানসভা (West Bengal Election 2026) ভোটকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে রাজ্যে কত সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন এবং তাদের মোতায়েনের কৌশল নিয়েও এই সফরে চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ভোটার তালিকায় নাম সংশোধন ও অন্তর্ভুক্তি (SIR) নিয়ে সম্প্রতি যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা নিয়েও কমিশনের এই সফরে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ১০ মার্চ সফর শেষ করে দিল্লিতে ফিরে যাওয়ার পরই রাজ্যে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল ভাবে রয়েছে।

  • T20 World Cup 2026: বজরংবলীর প্রার্থনা, এবার লক্ষ্য অলিম্পিক্স! অধিনায়ক হিসেবে প্রথম বিশ্বজয়ের পর কী বললেন সূর্য?

    T20 World Cup 2026: বজরংবলীর প্রার্থনা, এবার লক্ষ্য অলিম্পিক্স! অধিনায়ক হিসেবে প্রথম বিশ্বজয়ের পর কী বললেন সূর্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সূর্যকুমার যাদব। অধিনায়ক হিসাবে প্রথম বার বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) নেমেই চ্যাম্পিয়ন। তবে এখনই থামতে রাজি নন তিনি। এবার লক্ষ্য অলিম্পিক ক্রিকেটে প্রথম সোনাজয়। বিশ্বজয়ের রাতেই নিজের পরের দুই লক্ষ্যের কথা জানিয়ে দিলেন সূর্য। বিশ্বকাপ জিতে সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতই চমক দেন সূর্য (Surya Kumar Yadav)। মহিলা সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তাঁকে আন্তর্জাতিক নারীদিবসের শুভেচ্ছা জানান। তার পর তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ভারত অধিনায়ক হিসেবে তাঁর পরের লক্ষ্য কী। তিনি বলেন, “সবে তো শুরু। এর পরের লক্ষ্য হল ২০২৮ সালের অলিম্পিক্সে সোনা জেতা। সেই বছরই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সেটাও জিততে নামব।” একইসঙ্গে কৃতজ্ঞতা জানালেন ঈশ্বরের প্রতি। মাঠ থেকেই সোজা গুরু গম্ভীর ও আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ-র সঙ্গে গেলেন স্থানীয় বজরংবলীর মন্দিরে পুজো দিতে।

    প্রথম বারই অলিম্পিকে সোনা জয়

    ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক্সে ক্রিকেট অন্তর্ভুক্ত হবে। প্রথম বারই সোনা জেতার লক্ষ্যে নামবেন সূর্য। পাশাপাশি দু’টি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কও হতে চান তিনি। পরবর্তী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও ২০২৮-এ। ততদিন নিজেকে ধরে রাখতে চান সূর্য। আমেদাবাদের মাঠে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে সূর্য বলেন, “এই গল্পটা ২০২৪ সালে শুরু হয়েছিল। জয় ভাই তখন সচিব ছিলেন। উনি আমার উপর ভরসা দেখিয়েছিলেন। রোহিত ভাইও আমার হাতে দায়িত্ব তুলে দিয়েছিলেন। তার পর থেকে অনেক পরিকল্পনা করেছি। অনেক পরিশ্রম করেছি। ২০২৪ সালের বিশ্বকাপ জয়ের অভ্যাস এবারও ধরে রেখেছি।”

    গুরু গম্ভীরে আস্থা, বুমরা জাতীয় সম্পদ

    সূর্য জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের সম্পর্ক খুব ভালো। ভারত অধিনায়ক বলেন, “গৌতি ভাইয়ের অধীনে আমি চার বছর খেলেছি। ওকে খুব ভালোভাবে চিনি। আমাদের ভাবনা মেলে। আমরা দু’জনেই দলের ভালোর কথাই ভাবি। সেটাই আমাদের লক্ষ্য। গৌতি ভাইকে আমি চোখ বন্ধ করে ভরসা করি।” বিশ্বকাপ জিতে বুমরার কথা শোনা গিয়েছে সূর্যের মুখে। আগের দিন সঞ্জু স্যামসন জানিয়েছিলেন, এক প্রজন্মে বুমরার মতো ক্রিকেটার একজনই আসে। আরও খানিকটা এগিয়ে গেলেন সূর্য। তিনি বললেন, “সঞ্জু আগের দিন বলেছিল, বুমরার মতো বোলার এক প্রজন্মে একজনই আসে। আমি বলব, বুমরা জাতীয় সম্পদ। ও জানে ওকে কী করতে হবে, কীভাবে করতে হবে। আমাকে কিছু বলতে হয় না।”

    সাজঘরে বাক্‌স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ

    সূর্যের মতে, দলের প্রত্যেকে সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রত্যেকের কথা আলাদা ভাবে শোনেন তিনি। অধিনায়ক বলেন, “গত দু’বছর ধরে এই কাজটাই করছি। একটা ভালো সাজঘর তৈরি করেছি। কারও কোনও সমস্যা থাকলে তাকে নৈশভোজে নিয়ে যাই। কথা শুনি। আমি প্রত্যেকের কথা শুনি। কারণ আমার মতে, প্রত্যেকের যদি বাক্‌স্বাধীনতা না থাকে, তা হলে সেই দল সফল হতে পারে না। তাই সকলের কথা শোনাটা জরুরি। সেই কারণেই ওরা আমার কথাও শোনে।” ক্রিকেটারের জীবনে সাফল্যের চেয়েও ব্যর্থতা বেশি আসে বলে মনে করেন সূর্য। তবে তার মধ্যেই এগিয়ে যেতে হয়। সূর্য বলেন, “জীবনে উত্থান-পতন হবেই। গত বছর একটাও অর্ধশতরান করতে পারিনি। আমারও কঠিন সময় গিয়েছে। কিন্তু নিজের উপর ভরসা রেখেছি। পরিশ্রম করেছি। সকলকেই সেটা করতে হবে। এটাই জীবনে এগিয়ে যাওয়ার মন্ত্র।”

    ট্রফি হাতে হনুমান মন্দিরে আরাধনা

    আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের পাশেই রয়েছে হনুমান টেকরি মন্দির। সাংবাদিক বৈঠকের পর মাঠ থেকেই মন্দিরে বজরংবলীর আশীর্বাদ নিতে যান সূর্য। তাঁর সঙ্গে ছিলেন গুরু গৌতম গম্ভীর। সঙ্গে ছিলেন আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহ। তিন জন মিলে পুজো দেন। সূর্যের গলায় ছিল গাঁদা ফুলের মালা। পুজো দেওয়ার পর আবার স্টেডিয়ামে ফেরেন তাঁরা। সেখান থেকে দলের সঙ্গে হোটেল যান কোচ ও অধিনায়ক। ঈশ্বরের আশীষ নিয়েই আগামী লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে চান ভারতীয় ক্রিকেটের নয়া সূর্য।

  • Mojtaba Khamenei: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই, ‘‘বেশি দিন টিকতে পারবে না’’ প্রতিক্রিয়া ট্রাম্পের

    Mojtaba Khamenei: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই, ‘‘বেশি দিন টিকতে পারবে না’’ প্রতিক্রিয়া ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হলেন মোজতবা খামেনেই (Mojtaba Khamenei)। রবিবার গভীর রাতে ইরানের অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস (Assembly of Experts) আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে যে নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ্ আলি খামেনেই (Ayatollah Ali Khamenei)-র উত্তরসূরি হিসেবে তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনেই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

    সুপ্রিম লিডার মোজতবা…

    আয়াতোল্লার মেজো ছেলে ৫৬ বছর বয়সি কট্টরপন্থী ধর্মগুরু মোজতবাই যে ইরানের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর পদে বসতে চলেছেন, তেমন একটা আভাস আগেই মিলেছিল। দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের ক্ষমতাকেন্দ্রের একাংশ তাঁকে আয়াতোল্লাহ্ আলি খামেনেইয়ের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে দেখছিল। মোজতবা খামেনেই একজন মধ্যমস্তরের শিয়া ধর্মগুরু এবং ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (Islamic Revolutionary Guard Corps)-এর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। উল্লেখ্য, যৌথ মার্কিন–ইজরায়েলি হামলায় নিহত হন আলি খামেনেই। সেই ঘটনার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনেই এখন ইরানের রাষ্ট্রনীতি, সামরিক সিদ্ধান্ত এবং কূটনীতির ওপর চূড়ান্ত কর্তৃত্ব পাবেন।

    হুঁশিয়ারি আমেরিকা-ইজরায়েলের

    এদিকে এই নিয়োগ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তিনি বলেন, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের মতামতও গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত। মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, “যদি সে আমাদের অনুমোদন না পায়, তাহলে বেশি দিন টিকতে পারবে না।” ঘোষণার আগেই ইজরায়েল হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা যেই হোক না কেন, তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে। যদিও ইরানের রাজনৈতিক মতাদর্শে পারিবারিক উত্তরাধিকারের ধারণা নিরুৎসাহিত করা হয়, তবুও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস এবং প্রয়াত খামেনেইয়ের দফতরের একটি শক্তিশালী অংশ মোজতবার পক্ষে ছিল। অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস এক বিবৃতিতে জানায়, “নির্ণায়ক ভোটের মাধ্যমে আয়াতোল্লাহ্ সঈদ মোজতবা হোসেইনি খামেনেইকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।” ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে পরিষদের সদস্য আয়াতোল্লাহ্ মোহসেন হায়দারি আলেকাসির বলেন, প্রয়াত আলি খামেনেইয়ের নির্দেশ ছিল এমন একজন নেতাকে বেছে নেওয়া, যাকে শত্রুরা ঘৃণা করে। তাঁর কথায়, “মহাশয়তান (যুক্তরাষ্ট্র) পর্যন্ত তাঁর নাম উল্লেখ করেছে,”— ইঙ্গিত ছিল ট্রাম্পের সমালোচনার দিকে।

    কে এই মোজতবা খামেনেই?

    ১৯৬৯ সালে ইরানের শিয়া ধর্মীয় শহর মশদ-এ জন্মগ্রহণ করেন মোজতবা খামেনেই। তিনি এমন এক সময়ে বড় হন, যখন তাঁর বাবা শাহ-বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। তরুণ বয়সে তিনি ইরান-ইরাক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ইরানের শিয়া ধর্মতত্ত্বের প্রধান কেন্দ্র ‘কওম’-এ ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করেন। মোজতবা কখনও ইরানের সরকারি ব্যবস্থায় কোনো নির্বাচিত পদে ছিলেন না। তবে মার্কিন অর্থ দফতর ২০১৯ সালে তাঁর উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তাদের অভিযোগ ছিল, কোনও সরকারি পদে না থেকেও তিনি তাঁর বাবার প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করতেন। এছাড়াও ২০০৫ সালে ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে কট্টরপন্থী নেতা মাহমুদ আহমেদিনেজাদ-এর উত্থানের নেপথ্যে মোজতবা খামেনেইয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা হয়ে আসছে।

     

  • T20 World Cup 2026: সবরমতীর তীরে শাপমোচন! প্রধানমন্ত্রী মোদির শুভেচ্ছা, ঘরের মাঠে প্রথম বিশ্বজয়, কোন পথে টি-২০ চ্যাম্পিয়ন ভারত?

    T20 World Cup 2026: সবরমতীর তীরে শাপমোচন! প্রধানমন্ত্রী মোদির শুভেচ্ছা, ঘরের মাঠে প্রথম বিশ্বজয়, কোন পথে টি-২০ চ্যাম্পিয়ন ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিশপ্ত আমেদাবাদেই গৌরবের রাত। নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে টি-২০ ক্রিকেটে ফের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন (T20 World Cup 2026) টিম ইন্ডিয়া। নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামেই তৈরি হল ইতিহাস। টি-২০ বিশ্বকাপে এর আগে কোনও দেশ পরপর দুবার চ্যাম্পিয়ন হয়নি। ২০২৪ সালের পর ২০২৬ -পরপর দুবার বিশ্বসেরার মুকুট জিতে রেকর্ডবুক নতুন করে লিখল ভারত। গ্যালারির ভিআইপি বক্সে বসে যে গৌরব তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করলেন টি-২০ বিশ্বকাপজয়ী আগের দুই ভারত অধিনায়ক – মহেন্দ্র সিং ধোনি ও রোহিত শর্মা। উপভোগ করলেন ৮৩-বিশ্বকাপজয়ী নেতা কপিল দেব। যুদ্ধ জয়ের উচ্ছ্বাস ধরা পড়ল দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের চোখে। স্মিত হাসি আইসিসি সভাপতি জয় শাহের মুখেও। আসলে ক্রিকেট বিশ্বে ভারত যে কেন শেষ কথা বলে তা ফের একবার বুঝিয়ে দিলেন তিনি। স্টেডিয়ামের মিউজিক সিস্টেমে কখনও বাজতে থাকল ‘চক দে ইন্ডিয়া’, কখনও ‘লেহরা দো’। সঙ্গে এ আর রহমানের বিখ্যাত ‘বন্দেমাতরম’। যে গান ভারতীয় দলের থিম সং হয়ে গিয়েছে কার্যত। গলা মেলালেন স্টেডিয়ামে হাজির ১ লক্ষ ২০ হাজার মানুষ।

    দৃঢ় সংকল্প, দলগত চেষ্টারই প্রতিফলন

    সূর্যকুমার যাদবের (Suryakumar Yadav) নেতৃত্বাধীন ভারত কিউয়িদের হারাতেই এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লেখেন, ‘চ্যাম্পিয়ন্স! আইসিসি মেন’স টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার জন্য ভারতীয় দলকে অনেক অনেক অভিনন্দন! এই অসাধারণ জয় অসাধারণ দক্ষতা, দৃঢ় সংকল্প এবং দলগত চেষ্টারই প্রতিফলন। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে দলের সকলে অসামান্য ধৈর্য ও সাহসের প্রদর্শন করেছে। এই জয় প্রতিটি ভারতীয়র হৃদয়কে গর্ব ও আনন্দে ভরিয়ে দিয়েছে। সাবাশ, টিম ইন্ডিয়া!’ ভারতের প্রধানমন্ত্রী দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে বরাবরই উন্নয়নের চেষ্টা করেন। ক্রীড়াবিদদের উদ্বুদ্ধও করেন। ভারতের অ্যাথলিটরা যখন কোনও মাল্টি স্পোর্টস ইভেন্টে যান, তখনও পেপটক দেন মোদি। পাশাপাশি ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা বিশ্বমঞ্চে কোনও টুর্নামেন্টে অংশ নিলেই মোদি তাঁদের সঙ্গে দেখাও করেন। এ বার তাঁর নামাঙ্কিত স্টেডিয়ামে ভারত নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতল, শীঘ্রই তাঁর বাসভবনে সাক্ষাতের জন্য ডাক পড়তে পারে স্কাই ব্রিগেডের।

    টসে জিতেও হেরে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড

    হওয়ার কথা ছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। কার্যত হয়ে দাঁড়াল একপেশে ম্যাচ। আমেদাবাদের পিচে টস জিতে যে কোনও অধিনায়ক চোখ বুজে ব্যাটিং নেবেন। ফাইনালের মতো ম্যাচে কে না রানের বোঝা বিপক্ষের ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে চায়! মিচেল স্যান্টনার করলেন ঠিক উল্টোটা। টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নিলেন। যুক্তি দিলেন, পিচে অল্প ঘাস রয়েছে। পেসারদের দিয়ে তিনি ভারতের টপ অর্ডারকে বিপদে ফেলতে চান। তা তো হলই না। উল্টে ভারতের ওপেনারেরা এমন ভাবে শুরু থেকে কিউয়ি বোলারদের পেটাতে লাগলেন যে কয়েক ওভার যেতে না যেতে নিশ্চিত ভাবেই হাত কামড়াতে শুরু করেছিলেন স্যান্টনার। দিনের প্রথম ৬ ওভারের শেষের ভারতের স্কোর ছিল ৯২/০। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাওয়ার প্লে-তে যুগ্ম সর্বোচ্চ। তা-ও আবার ফাইনাল ম্যাচে। সেখানে নিউ জিল্যান্ড পাওয়ার প্লে-তে তুলল ৫২ রান। সবচেয়ে বড় ব্যাপার, তারা হারায় তিন-তিনটি উইকেট। সাজঘরে ফিরে যান দলের তিন সেরা অস্ত্র ফিন অ্যালেন, রাচিন রবীন্দ্র এবং গ্লেন ফিলিপস। ওখান থেকে ম্যাচ বার করা নিউ জিল্যান্ডের পক্ষে কার্যত অসম্ভব ছিল। ভারতের জয় ছিল সময়ের অপেক্ষা।

    ওস্তাদের মার শেষ রাতে

    গোটা বিশ্বকাপ জুড়েই চর্চায় ছিল তাঁর ফর্ম। কিন্তু কথায় বলে, ওস্তাদের মার শেষ রাতে। তাই যেন প্রমাণ করলেন অভিষেক শর্মা। তাঁর প্রতিটি ছয়, প্রতিটি চার এবং প্রতিটি উল্লাস ছিল নিন্দকদের প্রতি এক-একটি জবাব। জেকব ডাফিকে পর পর দু’টি চার মেরে শুরু। কী অবলীলায় একের পর এক শট খেললেন! লকি ফার্গুসনের মতো বোলারকে অনায়াসে পাঠিয়ে দিলেন মাঠের বাইরে। দেখে মনেই হয়নি তিনি এত দিন খারাপ ছন্দে ছিলেন। ২০২৩-এর এক দিনের বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলেননি অক্ষর। আগের ম্যাচে রান হজম করেছিলেন। অভিষেকের মতো ফাইনালে তিনিও যেন নেমেছিলেন সব কিছুর জবাব দিতে। দর্শকাসনে তাঁর পরিবার এবং পাড়াপড়শিদের অনেকে ছিলেন। প্রথম ওভারেই তিনি ফেরালেন অ্যালেনকে, যাঁকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি চিন্তা ছিল ভারতীয় শিবিরে। পরের ওভারে তিনি ফেরালেন গ্লেন ফিলিপসকে। অক্ষরের হাত থেকে বেরোল ‘স্লাইডার’, যা বাইরের দিকে ঘোরার বদলে ঢুকে এল ভেতরে। সোজা শট খেলতে গিয়েছিলেন ফিলিপস। সম্পূর্ণ বোকা বনে গেলেন কিউয়ি ব্যাটার। বল এসে ভেঙে দিল লেগ স্টাম্প। দু’টি উইকেট নেওয়ার পরেই দর্শকাসনের দিকে তাকিয়ে বিশেষ একটি উৎসব করতে দেখা গেল অক্ষরকে। তৃতীয় উইকেটটি পেলেন তৃতীয় ওভারে।

    বুম বুম বুমরা, স্বপ্নের ফর্মে সঞ্জু

    তাঁকে নিয়ে আর নতুন করে কী-ই বা বলার আছে। বড় ম্যাচে জ্বলে ওঠা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছিলেন তিনি। রবিবার তাঁর সামনে মঞ্চ তৈরিই ছিল। সেটাকে কাজে লাগালেন পুরোদমে। অহমদাবাদ বুমরাহেরও ঘরের মাঠ। বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো ম্যাচে তাঁর বোলিং ফিগার ৪-০-১৫-৪। অর্থাৎ প্রতি ওভারে চারেরও কম রান দিয়েছেন। সঙ্গে চারটি উইকেট। ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। বুমরা ছিলেন প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট। ২০২৬-ফাইনালে প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ। সুপার এইট থেকে স্বপ্নের ফর্মে সঞ্জু। টানা তিন ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি করলেন। স্পর্শ করলেন শাহিদ আফ্রিদি ও বিরাট কোহলির কীর্তি। আফ্রিদি ও কোহলি টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ও ফাইনালে হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন। সঞ্জুও সেই কীর্তিতে ভাগ বসালেন। চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে ২৪টি ছক্কা মেরেছেন স্যামসন। সেটিও রেকর্ড। কোনও এক বিশ্বকাপে এত ছক্কা কেউ মারেননি। প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্টও সঞ্জু।

    ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি, পরাস্ত ইতিহাস

    ২০২৬-এ এসে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হল। একই সঙ্গে ইতিহাসকেও পরাস্ত করল ভারত। কোনও দেশ এখনও পর্যন্ত তিনবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। কোনও দলই বিশ্বকাপ ডিফেন্ড করতে পারেনি। কোনও আয়োজক দেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘরে তুলতে পারেনি। একই সঙ্গে তিনটি রেকর্ড ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল সূর্যর ভারত। বিশ্বজয়ের উল্লাসের ঢেউ ছড়িয়ে পড়ল গ্যালারি থেকে আমেদাবাদের রাজপথে। এই উচ্ছ্বাস-উল্লাস খুবই সংক্রামক। তা নিমেষে ছড়িয়ে পড়ল গোটা দেশ।

     

     

     

     

  • Vande Mataram: খ্রিষ্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রধান নাগাল্যান্ডে বন্দে মাতরম গানে তীব্র আপত্তি, গাওয়া যাবে না গান!

    Vande Mataram: খ্রিষ্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রধান নাগাল্যান্ডে বন্দে মাতরম গানে তীব্র আপত্তি, গাওয়া যাবে না গান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার নাগাল্যান্ডে (Nagaland) নাগা পিপলস ফ্রন্ট (এনপিএফ) দেশাত্মবোধক গান বন্দে মাতরমের (Vande Mataram) তীব্র বিরোধিতা করেছে । এই রাজনৈতিক দলটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং রাজ্য বিধানসভায় এই গানটি বাধ্যতামূলকভাবে গাওয়াকে “জোরপূর্বক চাপিয়ে দেওয়া” বলে অভিহিত করেছে। তাদের দাবি, এই গানটি নাগাল্যান্ডের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের পক্ষে হুমকিস্বরূপ।

    সুরক্ষার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ (Vande Mataram)

    সূত্রের খবর, এনপিএফ কোহিমায় দলের কেন্দ্রীয় সদর দফতর থেকে একটি প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করে দাবি করেছে, বন্দে মাতরম (Vande Mataram) গান রাজ্যের জনগণের জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ নয়। যেখানে খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসংখ্যা রয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে এটি ভারতের সংবিধানের অধীনে নিশ্চিত মৌলিক অধিকারগুলিকে ক্ষুণ্ণ করবে। আবার রাজ্যে বিজেপির জোটসঙ্গী এনপিএফ এই সিদ্ধান্তকে ৩৭১এ ধারার অধীনে রাজ্যকে প্রদত্ত বিশেষ সাংবিধানিক সুরক্ষার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে বর্ণনা করেছে, যার লক্ষ্য নাগা জনগণের ধর্মীয় ও প্রথাগত রীতিনীতি রক্ষা করা।

    রাজ্যের (Nagaland) শাসক দলের পক্ষে আরও বলা হয়েছে, যেহেতু রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠই খ্রিস্টান ধর্মের, তাই বন্দে মাতরম তাদের বিবেক এবং বিশ্বাসের সঙ্গে খাপ খায় না। কারণ গানটিতে হিন্দু দেবদেবীদের উল্লেখ রয়েছে। নাগরিকদের ধর্মীয় বিশ্বাস ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামোর চেতনার পরিপন্থী। তাই কেন্দ্রীয় সরকারকে গানটি গাইতে বাধ্য করার পদক্ষেপ পুনর্বিবেচনা করতে হবে।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বন্দে মাতরম গাওয়ার নির্দেশিকা

    গত জানুয়ারি মাসে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বন্দে মাতরম (Vande Mataram) গাওয়ার জন্য প্রোটোকল জারি করে একটি নির্দেশিকা দিয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের এই গানের পূর্ণাঙ্গ সংস্করণটি জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-এর আগে গাইতে হবে। সরকারি অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হলে শ্রোতাদের মনোযোগ সহকারে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। মন্ত্রকের নির্দেশ, রাষ্ট্রপতির আগমন, তেরঙ্গা উত্তোলন এবং রাজ্যপালদের বক্তৃতার মতো সরকারি অনুষ্ঠানে এই পূর্ণাঙ্গ সংস্করণটি বাজাতে হবে। সমস্ত স্কুলে জাতীয় সঙ্গীতের পর এই গানের মাধ্যমে দিনের কাজ শুরু করতে হবে।”

    রাজ্যপালের ভাষণের পর থেকেই বিরোধিতা শুরু

    নাগাল্যান্ড (Nagaland) বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের প্রথম অধিবেশনে রাজ্যপাল অজয় ​​কুমার ভাল্লার ভাষণের সময় গানটি (Vande Mataram) বাজানোর সময় গানটি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। পরের দিন, বিধায়করা সংসদে এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করেন। এর ফলে শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী নেফিউ রিও, যিনি এনপিএফ-এর সদস্য, “বিবেচিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে” বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং আইনি পরামর্শের জন্য সংসদের একটি সিলেক্ট কমিটির কাছে পাঠানোর প্রস্তাব করেন। প্রসঙ্গত, রাজ্যে মুসলিম গোষ্ঠী, গির্জা কর্তৃপক্ষ এবং বেশ কয়েকটি ছাত্র সংগঠন দেশাত্মবোধক গানটির বিরোধিতা করছে।

  • Nitish Kumar: নীতীশ কুমারের ছেলে নিশান্ত কুমার যোগ দিলেন জেডিইউতে, এগিয়ে উপমুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে

    Nitish Kumar: নীতীশ কুমারের ছেলে নিশান্ত কুমার যোগ দিলেন জেডিইউতে, এগিয়ে উপমুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তথা জেডিইউ সভাপতি নীতীশ কুমারের ৫০ বছর বয়সী ছেলে নিশান্ত কুমার (Nitish Kumar) আজ আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলেন দলে। দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজ্য সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার পর তাঁর বাবা রাজ্যসভায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, সেই সময় নিশান্ত তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করছেন। জেডিইউর সদস্য হওয়ার পর নিশান্ত (Nishant Kumar) দলীয় নেতাদের বলেন, “আমি একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে দলের দেখাশোনা করার চেষ্টা করব। আমার বাবা রাজ্যসভায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এটি তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং আমি তা মেনে নিচ্ছি। আমরা তাঁর নির্দেশনায় কাজ করব। আমি দল এবং জনগণের আস্থা অর্জন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করব।”

    কর্মীদের ইচ্ছার প্রতিফলন (Nitish Kumar)

    পঁচাত্তর বছর বয়সী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) বিহারে উন্নয়নমূলক পদক্ষেপের কারণে “সুশাসনবাবু” উপাধি পেয়ছেন। তিনি ১৬ মার্চ রাজ্যসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এবং শীঘ্রই মুখ্যমন্ত্রী পদ ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শিক্ষাগত দিক থেকে একজন টেকনোলজিস্ট নিশান্ত কুমার কয়েক দশক ধরে মুখ্যমন্ত্রীর ছেলে হওয়া সত্ত্বেও আলোচনার আড়ালে ছিলেন। এটি নীতীশ কুমারের পারিবারিক রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। তবে এখন তিনি ছেলেকে রাজনীতিতে যোগদানের অনুমতি দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। জেডিইউর সিনিয়র নেতারা নিশান্তের (Nishant Kumar)  রাজনীতিতে প্রবেশকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং বলেছেন, “এটি জেডিইউ কর্মীদের ইচ্ছার প্রতিফলন।”

    লালু-সুশীল কুমারের পর নীতীশ

    নিশান্তের (Nishant Kumar) জেডিইউতে যোগদানের সিদ্ধান্ত সৃষ্টি করেছে জল্পনার। তাঁর বাবা শীর্ষ পদ ছেড়ে সংসদের উচ্চকক্ষে যাওয়ার পর বিজেপি-জেডিইউ সরকারে নিশান্তকে এবার উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অনেকে মনে করছেন অবশেষে বিহারে বিজেপি তাদের পদমর্যাদার একজন মুখ্যমন্ত্রী পেতে চলেছে। নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) বলেন, “দীর্ঘদিন ধরেই সংসদের উভয় কক্ষ এবং রাজ্য আইনসভার উভয় কক্ষের সদস্য হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে আসছিলাম। ইতিমধ্যেই লোকসভার সাংসদ, একজন বিধায়ক এবং একজন এমএলসিও ছিলাম। রাজ্যসভার মেয়াদ এই চার সদস্যপদকে সম্পূর্ণ করবে।” অনেকে বলছেন, এই পরিবর্তন লালু যাদব এবং প্রয়াত সুশীল মোদির বিরল রেকর্ড অর্জনে সহায়তা করবে।

    কটাক্ষ বিরোধীদের

    প্রধান বিরোধী দল আরজেডি বিহারে বিজেপির বিরুদ্ধে “রাজনৈতিক অপহরণ” চালানোর অভিযোগ করেছে। জনতা দল (ইউনাইটেড) এর মূল ভোটাররা এখন প্রতারিত হয়েছেন বলে মনে করছেন। আরজেডির রাজ্যসভার সাংসদ মনোজ কুমার ঝা বলেন, “তেজস্বী যাদব গত বছর বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় বারবার বলেছিলেন নীতীশ কুমার একজন অস্থায়ী মুখ্যমন্ত্রী হবেন। ২১ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা একজন ব্যক্তি এখন রাজ্যসভায় আসতে চান, এটা শিশুসুলভ আচরণ। আরজেডি সাংসদ নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) এবং ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতি নিকোলাস মাদুরোর মধ্যে কোনও তফাৎ নেই, যাঁকে মার্কিন বাহিনী মাদক পাচারের অভিযোগে জানুয়ারিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ধরে নিয়ে যায়। এই ঘটনা বিহারের কারও কাছে ভালো লাগবে না। নীতীশকে দেশি মাদুরো বানিয়েছে।”

  • President Murmu: “শৌচাগারে জল নেই, রাস্তায় আবর্জনা” রাষ্ট্রপতি সফর ইস্যুতে মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট তলব শাহি মন্ত্রকের

    President Murmu: “শৌচাগারে জল নেই, রাস্তায় আবর্জনা” রাষ্ট্রপতি সফর ইস্যুতে মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট তলব শাহি মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে রাষ্ট্রপতির (President Murmu) তোলা অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Minister of Home Affairs) অমিত শাহের মন্ত্রক। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর পশ্চিমবঙ্গ সফর নিয়ে দোষারোপের খেলা চলাকালীন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব গোবিন্দ মোহন রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানের সময় কথিত ত্রুটির বিষয়ে রাজ্যের মুখ্য সচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন। উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতির অপমানের কারণে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরও কড়া সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    কেন মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না (President Murmu)?

    রাষ্ট্রপতির (President Murmu) রাজ্য সফর নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এবং কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন বিজেপির মধ্যে প্রশ্ন-পাল্টা প্রশ্নে ব্যাপক সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। বিজেপির অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার রাষ্ট্রপতিকে অসম্মান করেছে। অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, বাংলার প্রধান বিরোধী দল বিজেপি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দেশের সর্বোচ্চ পদের অপব্যবহার করছে। রাষ্ট্রপতি মুর্মু বাংলায় তাঁর যোগদানের অনুষ্ঠানের আয়োজন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন এই বলে যে মুখ্যমন্ত্রী কেন তাঁর সফরের সময় তাঁর সঙ্গে দেখা করেননি। এই ইস্যুতে স্বরাষ্ট্র সচিব (Minister of Home Affairs) চারটি বিষয়ে জানতে চেয়েছে। এগুলি হল, ১) রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানাতে এবং বিদায় জানাতে কেন মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্য সচিব এবং পুলিশের ডিজিপি উপস্থিত ছিলেন না? ২) রাষ্ট্রপতির জন্য তৈরি শৌচাগারে জল ছিল না। ৩) প্রশাসন যে পথ বেছে নিয়েছিল, তা আবর্জনায় ভরা। ৪) দার্জিলিং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দায়ী। তাঁদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব বিকেল ৫টার মধ্যে জবাব দিতে বলেছেন।

    জরুরি সরকারি কাজ ছিল

    কেন তিনি রাষ্ট্রপতির (President Murmu) অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারেননি, তার ব্যাখ্যায় মমতা বলেন, “আমার আগে থেকে নির্ধারিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠক এবং জরুরি সরকারি কাজ ছিল। আমি ব্যক্তিগতভাবে রাষ্ট্রপতিকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করি। আমাদের মধ্যে কোনও ব্যক্তিগত বিরোধ নেই, যা বিজেপি রঙ চড়িয়ে প্রচার করছে। কেন ছোটখাটো প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে নজিরবিহীন রাজনীতি করা হচ্ছে?”

    মমতা আরও বলেন, “বিজেপি বাংলা-বিরোধী। তারা বাংলার ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চাইছে। তারা আদিবাসী আবেগকে হাতিয়ার করে আমাদের সরকারকে আক্রমণ করছে, কিন্তু বাংলার মানুষ জানে আমরা আদিবাসী ভাই-বোনদের উন্নয়নের জন্য কতটা কাজ করেছি।”

    আমি জানি না তিনি বিরক্ত কিনা

    প্রথা অনুযায়ী, যখন কোথাও রাষ্ট্রপতি (President Murmu) যান, তখন সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রীরা উপস্থিত থাকেন। কিন্তু তিনি আসেননি। রাজ্যপাল পদত্যাগ করেছেন, তাই তিনিও আসতে পারেননি। রাষ্ট্রপতি বলেন, “আজকের অনুষ্ঠান এমন জায়গায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে যেখানে মানুষের আসা কঠিন। সম্ভবত রাজ্য সরকার আদিবাসীদের কল্যাণ চায় না, এবং সেই কারণেই তাদের এখানে আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ছোট বোনের মতো। আমিও বাংলার মেয়ে… আমি জানি না তিনি বিরক্ত কিনা, এবং সেই কারণেই স্থানটি স্থানান্তরিত করা হয়েছে। যাই হোক, তাতে কিছু যায় আসে না। আপনারা সবাই ভালো থাকুন।” এই ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে মমতার বিরুদ্ধে নিন্দার ঝড় শুরু হয়েছে।

  • 130 Maoists Surrender: তেলঙ্গানায় ১৩০ মাওবাদীর আত্মসমর্পণ, ১২৪টি অস্ত্র উদ্ধার, ৪.১৮ কোটি টাকার পুনর্বাসন প্যাকেজ ঘোষণা

    130 Maoists Surrender: তেলঙ্গানায় ১৩০ মাওবাদীর আত্মসমর্পণ, ১২৪টি অস্ত্র উদ্ধার, ৪.১৮ কোটি টাকার পুনর্বাসন প্যাকেজ ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেলঙ্গনা (Telangana) রাজ্যে নকশাল বামপন্থী চরমপন্থার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মিলল বড়সড় সাফল্য। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে মোট ১৩০ জন মাওবাদী ক্যাডার (130 Maoists Surrender) পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। আত্মসমর্পণের সময় তারা ১২৪টি বিভিন্ন ধরণের আগ্নেয়াস্ত্র পুলিশের কাছে জমা দিয়েছে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই মাওবাদীদের সমাজের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনতে ৪.১৮ কোটি টাকার একটি পুনর্বাসন প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে।

    ঐতিহাসিক আত্মসমর্পণ (130 Maoists Surrender)

    পুলিশ প্রশাসনের (Telangana) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি রাজ্যে মাওবাদী (130 Maoists Surrender) দমনে গত কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম বড় সাফল্য। আত্মসমর্পণকারী ১৩০ জনের মধ্যে বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ মাওবাদী নেতা এবং এরিয়া কমিটির সদস্যও রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী আদর্শে বিশ্বাসী এই ব্যক্তিরা শেষ পর্যন্ত হিংসার পথ ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    বিপুল অস্ত্র উদ্ধার

    আত্মসমর্পণের সময় মাওবাদীরা ১২৪টি আগ্নেয়াস্ত্র জমা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে একে-৪৭ (AK-47), ইনসাস রাইফেল (INSAS), এসএলআর (SLR) এবং প্রচুর পরিমাণে দেশি বন্দুক ও গোলাবারুদ। পুলিশ আধিকারিকদের মতে, এত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় মাওবাদীদের সাংগঠনিক শক্তি অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়ল।

    পুনর্বাসন ও আর্থিক সহায়তা

    তেলঙ্গনা (Telangana) সরকার আত্মসমর্পণকারী (130 Maoists Surrender) এই ব্যক্তিদের জন্য মোট ৪ কোটি ১৮ লক্ষ টাকার পুনর্বাসন প্যাকেজ মঞ্জুর করেছে। এই তহবিলের মাধ্যমে যা যা দেওয়া হবে, সেগুলি হল–

    • প্রতিটি আত্মসমর্পণকারী পরিবারকে ঘর তৈরির জন্য জমি বা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
    • তাঁদের সন্তানদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।
    • স্বনির্ভর হওয়ার জন্য বিভিন্ন বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়া হবে।
    • তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য নগদ অর্থ দেওয়া হয়েছে।

    পুলিশের বক্তব্য

    রাজ্য (Telangana) পুলিশের ডিজিপি (DGP) বলেন, “সরকারের উদার পুনর্বাসন নীতি এবং পুলিশের ক্রমাগত চাপের কারণেই এই বিশাল সংখ্যক মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে। আমরা বাকি মাওবাদীদের (130 Maoists Surrender) কাছেও আহ্বান জানাচ্ছি যেন তারা হিংসার পথ ছেড়ে অস্ত্র ত্যাগ করে এবং উন্নয়নের ধারায় শামিল হয়।”

    সরকারের ‘সেফ প্যাসেজ’

    গত কয়েক বছর ধরে ছত্তিশগড় এবং তেলঙ্গনা (Telangana) সীমান্তে নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারি ও অভিযানের ফলে মাওবাদীরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল। খাদ্যাভাব, চিকিৎসার অভাব এবং সংগঠনের ভেতরে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে নিচুতলার কর্মীরা বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন। সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এই ‘সেফ প্যাসেজ’ বা নিরাপদ প্রস্থানের সুযোগ তারা গ্রহণ করেছে। এই গণ-আত্মসমর্পণকে তেলঙ্গনা  থেকে মাওবাদী (130 Maoists Surrender) সমস্যা নির্মূল করার পথে একটি চূড়ান্ত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে ওই অঞ্চলের আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে শান্তি ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা ওয়াকিবহাল মহলের।

  • President Murmu: “মাঠে ৫ লাখ মানুষের জায়গা হতে পারত”, সাঁওতাল সম্মেলনে রাষ্ট্রপতিকে সহযোগিতা করেননি মমতা!

    President Murmu: “মাঠে ৫ লাখ মানুষের জায়গা হতে পারত”, সাঁওতাল সম্মেলনে রাষ্ট্রপতিকে সহযোগিতা করেননি মমতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার, ৭ মার্চ শিলিগুড়িতে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে এসে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অব্যবস্থাপনা এবং প্রটোকল লঙ্ঘন নিয়ে নজিরবিহীনভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Murmu)। অনুষ্ঠানের স্থান শেষ মুহূর্তে পরিবর্তন করা এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতি নিয়ে তিনি সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন। এই ঘটনায় সরাসরি আক্রমণ করে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, “লজ্জাজনক ঘটনা।”

    সারা দেশের মানুষকে দুঃখ দিয়েছে (President Murmu)

    রাষ্ট্রপতির (President Murmu) সমালোচনায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই অনুষ্ঠান পরিচালনার তীব্র সমালোচনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এই ঘটনাকে “লজ্জাজনক এবং নজিরবিহীন” বলে বর্ণনা করেছেন। এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে মোদি বলেন, “গণতন্ত্র এবং উপজাতি সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী লোকেরা রাষ্ট্রপতির সফরকে ঘিরে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলী দেখে গভীরভাবে হতাশ হবেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, যিনি নিজেও একটি উপজাতি সম্প্রদায় থেকে এসেছেন, যে বেদনা প্রকাশ করেছেন, তা সারা দেশের মানুষকে দুঃখ দিয়েছে।”

    রাষ্ট্রপতির এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, বিজেপি নেতা অমিত মালব্য বলেছেন, “এটি বাংলার সাংবিধানিক কাঠামোর সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার প্রমাণ।” তবে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নির্বাচন কমিশনের বিধিনিষেধ এবং মুখ্যমন্ত্রীর পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির কারণে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি।

    স্থান পরিবর্তন নিয়ে অসন্তোষ

    আন্তর্জাতিক সাঁওতাল এই সম্মেলনটি প্রথমে ফাঁসিদেওয়ার বিধাননগরে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে ওই জায়গাটি অত্যন্ত ‘জনাকীর্ণ’ (congested) এবং সেখানে নিরাপত্তা বা যাতায়াতে সমস্যা হতে পারে। এরপর অনুষ্ঠানটি বাগডোগরা বিমানবন্দরের কাছে গোঁসাইপুরে একটি ছোট মাঠে সরিয়ে নেওয়া হয়।

    রাষ্ট্রপতির সরেজমিনে তদন্ত

    নির্ধারিত অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর রাষ্ট্রপতি (President Murmu) নিজেই বিধাননগরের সেই পুরনো জায়গাটি পরিদর্শন করতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন মাঠটি বিশাল এবং যাতায়াতে কোনও সমস্যা নেই। তিনি বলেন, “আমাকে বলা হয়েছিল এই জায়গাটি জনাকীর্ণ। কিন্তু আমি খুব সহজেই এখানে আসতে পারলাম। আমার মনে হয়, এখানে অন্তত ৫ লাখ মানুষের সমাগম হতে পারত। আমি জানি না প্রশাসনের মাথায় কী ছিল যে তারা সাঁওতাল ভাই-বোনদের জন্য এমন এক জায়গায় অনুষ্ঠান ঠিক করল যেখানে অনেকেই পৌঁছতে পারেননি।”

    আমিও বাংলার মেয়ে!

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রপতি (President Murmu) বলেন, “মমতা দিদি আমার ছোট বোনের মতো। আমিও বাংলার মেয়ে। কিন্তু আমি জানি না কেন আমাকে এখানে আসতে (আসল ভেন্যুতে) বাধা দেওয়া হল। তিনি কি আমার ওপর কোনও কারণে রেগে আছেন? সেই কারণেই কি ভেন্যু বদলে দেওয়া হল? যাই হোক, তাতে কিছু যায় আসে না। আপনারা সবাই ভালো থাকুন।”

    চায় না সাঁওতালরা ঐক্যবদ্ধ হোক

    রাষ্ট্রপতি (President Murmu) ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, “সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি যখন কোনও রাজ্যে যান, তখন মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের মন্ত্রীদের উপস্থিত থাকা বাঞ্ছনীয়। কিন্তু সেখানে রাজ্য সরকারের তরফে কোনও বড় মন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না।” তাঁর আক্ষেপ, “কিছু মানুষ চায় না সাঁওতালরা ঐক্যবদ্ধ হোক বা শক্তিশালী হোক। আজ অনেক সাঁওতাল ভাই বাইরে দাঁড়িয়ে আছেন, তাঁদের ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে আমার মনে হচ্ছে।”

    অসহযোগিতার অভিযোগ

    রাষ্ট্রপতির (President Murmu) অভিযোগ, রাজ্য প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে একটি ছোট জায়গায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল যাতে সাধারণ মানুষ এবং সাঁওতাল সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা সেখানে বড় সংখ্যায় উপস্থিত হতে না পারেন। তিনি এই পুরো বিষয়টিকে সাঁওতাল সংস্কৃতি এবং রাষ্ট্রপতির পদের প্রতি অসম্মান হিসেবেই ইঙ্গিত করেছেন।

  • PM Modi: চরম সহযোগিতা ও অসৌজন্য! ‘লজ্জাজনক-নজিরবিহীন’, রাষ্ট্রপতির মন্তব্যের পর মমতাকে আক্রমণ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: চরম সহযোগিতা ও অসৌজন্য! ‘লজ্জাজনক-নজিরবিহীন’, রাষ্ট্রপতির মন্তব্যের পর মমতাকে আক্রমণ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাষ্ট্রপতি যখন রাজ্য প্রশাসনের অব্যবস্থা এবং তাঁকে ‘বাধা’ দেওয়ার অভিযোগ তোলেন, তার পরেই প্রধানমন্ত্রী মোদি এক্স হ্যান্ডেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন। মোদির (PM Modi) সাফ কথা, “রাষ্ট্রপতি (President Murmu) জি, যিনি নিজেও একটি উপজাতি সম্প্রদায়ের, যে বেদনা ও যন্ত্রণা প্রকাশ করেছেন, তা ভারতের জনগণের মনে প্রচণ্ড দুঃখের সঞ্চার করেছে।”

    প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)  এই ঘটনাকে ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে “লজ্জাজনক এবং নজিরবিহীন” বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকার যেভাবে দেশের প্রথম আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতির অবমাননা করেছে, তা কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে আঘাত দিয়েছে। একজন রাষ্ট্রপতি (President Murmu) যখন প্রকাশ্যে অভিযোগ করেন যে তাঁকে কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং অনুষ্ঠানের স্থান সংকুচিত করা হচ্ছে, তখন বোঝা যায় রাজ্যে গণতন্ত্রের কী করুণ দশা! গণতন্ত্র এবং উপজাতি সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী সকলেই হতাশ।”

    প্রটোকল ভঙ্গের অভিযোগ

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)  অভিযোগ করেন যে, সাংবিধানিক প্রটোকল অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সফরের সময় মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের শীর্ষ মন্ত্রীদের উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তাঁর সরকারের কোনও প্রতিনিধি সেখানে ছিলেন না। মোদি বলেন, “মমতা দিদি সবসময় সংবিধান রক্ষার কথা বলেন, কিন্তু আজ তিনি নিজেই সংবিধানকে পদদলিত করেছেন।”

    আদিবাসী আবেগ ও রাজনীতি

    প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে আরও যোগ করে বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ভয় পেয়েছে। তারা চায় না সাঁওতাল এবং অন্যান্য আদিবাসী সম্প্রদায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সরাসরি কথা বলুক। এই কারণেই শেষ মুহূর্তে অনুষ্ঠানের ভেন্যু পরিবর্তন করে সেটিকে একটি ছোট মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাষ্ট্রপতি নিজেই সেই আসল ভেন্যুতে গিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছেন যে রাজ্য সরকার মিথ্যে বলেছিল।”

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি প্রশ্ন

    রাষ্ট্রপতি (President Murmu) যে প্রশ্ন তুলে বলেছিলেন— “মমতা কি আমার ওপর রেগে আছেন?”— সেই প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)  বলেন, “একজন রাষ্ট্রপতির মুখে এই ধরনের কথা শোনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। রাজ্য সরকার আদিবাসী উন্নয়ন নয়, বরং বিভাজনের রাজনীতি করছে।” প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়ে আরও বলেন, “এই ইস্যুটিকে বিজেপি জাতীয় স্তরে নিয়ে যাবে। বাংলা আজ দেখল কীভাবে একজন মহান নেত্রীকে এবং আমাদের রাষ্ট্রপতিকে হেনস্থা করা হল। বাংলার মানুষ এর যোগ্য জবাব দেবে।”

    তৃণমূলের পাল্টা যুক্তি

    তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দলের মুখপাত্ররা জানিয়েছেন, নির্বাচনী বিধির কারণে বা প্রশাসনিক কোনও ত্রুটির কারণে সমস্যা হয়ে থাকতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্রপতির প্রতি অসম্মান করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন উপস্থিত ছিলেন না, তা দফতর থেকে জানানো হয়েছে যে তাঁর কিছু পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি ছিল।

    শিলিগুড়ির সাঁওতাল সম্মেলনকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রপতি এবং রাজ্য সরকারের মধ্যে যে সংঘাত তৈরি হয়েছে, তাকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে সরাসরি আক্রমণ করেছেন এবং একে রাষ্ট্রপতির পদের অবমাননা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। যা নিয়ে রাজনীতির আঙ্গিনায় এখন ব্যাপক শোরগোল।

LinkedIn
Share