Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • OCI Card Holders: ওভারসিজ নাগরিকদের জন্য কড়া নিয়ম, দুবছর বা তার বেশি সাজা হলে বাতিল কার্ড, জানাল কেন্দ্র

    OCI Card Holders: ওভারসিজ নাগরিকদের জন্য কড়া নিয়ম, দুবছর বা তার বেশি সাজা হলে বাতিল কার্ড, জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওভারসিজ সিটিজেন অফ ইন্ডিয়া (OCI) রেজিস্ট্রেশনের জন্য নতুন নিয়ম-কানুন জারি করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এই নির্দেশিকায় (OCI Card Holders) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কিছু বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। চালু করা হয়েছে কঠোর নিয়ম। ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি যদি গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত হন এবং সেই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে তাঁর ওসিআই রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যেতে পারে।

    ১২ অগাস্ট জারি হয়েছে নয়া নির্দেশিকা, কী বলা হল তাতে? (OCI Card Holders)

    এই নতুন নির্দেশ ১২ অগাস্ট জারি হয়েছে এবং এটি সমস্ত বিদ্যমান ওসিআই কার্ডধারীর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, যদি কোনও ওসিআই কার্ডধারীকে দুই বছর বা তার বেশি মেয়াদের সাজা দেওয়া হয়, অথবা যদি তাঁর নাম এমন চার্জশিটে উল্লেখ থাকে যেখানকার সাজা সাত বছর বা তার বেশি, তাহলে তাঁর কার্ড বাতিল করা যেতে পারে (OCI Card Holders)।

    ওসিআই স্কিম চালু হয়েছিল ২০০৫ সালে (MHA)

    ওসিআই স্কিম চালু হয়েছিল ২০০৫ সালে। এই স্কিমের আওতায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিদেশি নাগরিকদের ভারতে যাতায়াতের জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়, যেটির জন্য আলাদা ভিসার প্রয়োজন পড়ে না। ওসিআই কার্ডধারীরা ভারতে কিছু নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক, শিক্ষামূলক এবং আবাসন সংক্রান্ত সুবিধা পেয়ে থাকেন। তবে তাঁদের কোনও রাজনৈতিক অধিকার থাকে না—যেমন ভোট দেওয়া, সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত হওয়া ইত্যাদি।

    ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন মোতাবেক নেওয়া হল এই সিদ্ধান্ত

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এই নতুন পদক্ষেপ মূলত ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনের ধারা অনুযায়ী গৃহীত হয়েছে। ওই আইনে বলা হয়েছে, যদি কোনও ওসিআই কার্ডধারী ব্যক্তি দুই বছরের বা তার অধিক মেয়াদের সাজাপ্রাপ্ত হন, অথবা এমন কোনও অপরাধে অভিযুক্ত হন যার সর্বোচ্চ সাজা সাত বছর বা তার বেশি, তাহলে তাঁর রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা যেতে পারে। এই শাস্তি ভারতে হোক বা বিদেশে—উভয় ক্ষেত্রেই নির্দেশ কার্যকর হবে। সরকারের এই কঠোর পদক্ষেপের পেছনে কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু ওসিআই কার্ডধারীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে—যেমন অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িত থাকা, অথবা দেশদ্রোহমূলক কাজ। সেই কারণেই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিল বলে মনে করা হচ্ছে (OCI Card Holders)।

  • Jessica Radcliffe Orca Attack: জেসিকা র‍্যাডক্লিফকে ঘিরে গুজব! টিকটকে ভাইরাল ‘অরকা হামলার’ ভিডিও-র সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন

    Jessica Radcliffe Orca Attack: জেসিকা র‍্যাডক্লিফকে ঘিরে গুজব! টিকটকে ভাইরাল ‘অরকা হামলার’ ভিডিও-র সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামাজিক মাধ্যমে সম্প্রতি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দাবি করা হয় জেসিকা র‍্যাডক্লিফ (Jessica Radcliffe Orca Attack) নামে এক ২৩ বছর বয়সি মেরিন ট্রেনার ঘাতক তিমির (killer whale) আক্রমণে নিহত হয়েছেন। ভিডিওতে দাবি করা হয়, পারফরম্যান্স চলাকালীন ওই দাঁতাল তিমি বা অরকা তাঁকে আক্রমণ করে। তাঁকে কোনওরকমে উদ্ধার করা হলেও ১০ মিনিটের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়। এই ভিডিওটি মূলত টিকটক এবং ফেসবুকে ব্যাপক ভাইরাল হয়। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, জেসিকা নামে কোনও মেরিন ট্রেইনারের অস্তিত্বই নেই। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমও এই খবর অস্বীকার করেছে। ভিডিওটি এআই প্রযুক্তি দ্বারা তৈরি বলেও মনে করেন অনেকে।

    পুরনো অরকা আক্রমণের ঘটনা

    এই গুজব (Jessica Radcliffe Orca Attack) ছড়ানোর পেছনে বাস্তব কিছু ঘটনাকে ব্যবহার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে, টিলিকাম নামে একটি অরকা সি-ওয়ার্ল্ড, অরল্যান্ডোতে পারফরম্যান্স চলাকালীন ডন ব্রাঞ্চো নামে এক অভিজ্ঞ ট্রেইনারকে হত্যা করে। এই ঘটনা নিয়ে ২০১৩ সালে তৈরি হয় বিখ্যাত তথ্যচিত্র ব্ল্যাকফিশ। ২০০৯ সালে, স্পেনের এক ট্রেইনার আলেক্সিস মার্টিনেজ প্রশিক্ষণ চলাকালীন কেটো নামের এক অরকার আঘাতে নিহত হন। ১৯৯১ সালে, কানাডার এক ব্যক্তিকে তিনটি তিমি একসঙ্গে জলে টেনে নিয়ে যায়। এইসব সত্য ঘটনার রেফারেন্স দিয়ে ভাইরাল ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে, বলেই মনে করা হচ্ছে।

    অরকা কি মানুষের জন্য বিপজ্জনক

    অরকা বা “কিলার হোয়েল” বা ঘাতক তিমি (Jessica Radcliffe Orca Attack) মূলত অত্যন্ত বুদ্ধিমান। তারা একসঙ্গে দু-তিনজন করে থাকে। এরা সাধারণত সামুদ্রিক শিকারি। যদিও বন্য অরকা দ্বারা মানুষের উপর হামলার ঘটনা খুবই বিরল, কিন্তু বদ্ধ অবস্থায় রাখা অরকাদের দ্বারা কিছু মারাত্মক ঘটনা ঘটেছে, যেগুলোর প্রমাণ মেলে। ভারতের পশ্চিম উপকূল এবং আন্দামান সাগরে মাঝে মাঝেই অরকা দেখা যায়। সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় সমুদ্রসীমায় অরকার উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। তবে জেসিকার যে ভিডিওটি সমাজ-মাধ্যমে ভাইরাল, তা ভুয়ো বলেই দাবি করছে বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা।

  • Supreme Court On SIR: ‘নাগরিকত্ব প্রমাণে যথেষ্ট নয় আধার কার্ড’, এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে মান্যতা সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court On SIR: ‘নাগরিকত্ব প্রমাণে যথেষ্ট নয় আধার কার্ড’, এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে মান্যতা সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধার কিংবা ভোটার কার্ড নাগরিকত্ব প্রমাণের চূড়ান্ত নথি হতে পারে না। অন্যান্য নথির সাপেক্ষে তা খতিয়ে দেখতে হবে। এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের অবস্থানকে মান্যতা দিয়ে জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। বিহারে ভোটার তালিকার স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (Supreme Court On SIR) ইস্যুতে গোটা দেশ যখন তোলপাড়, সেই সময় কার্যত বিরোধীদের দাবি উড়িয়ে দিল শীর্ষ আদালত। ভোটার তালিকায় বিশেষ সংশোধনী নিয়ে স্থগিতাদেশ দিল না শীর্ষ আদালত। জানিয়ে দিল, তালিকা ত্রুটিমুক্ত করাই ভোটার তালিকায় বিশেষ সংশোধনের উদ্দেশ্য, এতে কমিশনের কোনও ভুল নেই।

    কমিশনকে মান্যতা শীর্ষ আদালতের

    বিহারে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন নিয়ে মামলার শুনানিতে মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতের (Supreme Court On SIR) বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ভারতের নাগরিক হিসেবে আধার কার্ডকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায় না। আধার আইনের ৯ ধারা দেখলেই তা স্পষ্ট বোঝা যাবে। বিহারে বিধানসভা ভোটের আগে নির্বাচন কমিশন বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন করে লাখ লাখ নাম বাতিল করেছে। এই মর্মে বেশ কিছুদিন আগেই অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রাইটস, তৃণমূল, কংগ্রেস-সহ একাধিক রাজনৈতিক দল ও সংগঠন সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল। নির্বাচন কমিশন এর আগেই আদালতে জানিয়েছিল, আধার কখনও স্থায়ী বাসিন্দার উপযুক্ত প্রমাণ হতে পারে না। তাই আধার কার্ড থাকলেই ভোটদানের অধিকার থাকতে পারে না। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত ও জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ কমিশনের সেই যুক্তিকেই সমর্থন করেছে। তারা পরিষ্কার জানিয়েছে, মূলত বিশ্বাসের অভাবে এসআইআর নিয়ে বিবাদের এই ইস্যুটি তৈরি হয়েছে। আর অন্য কিছু নয়। ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি কিংবা বাতিলের অধিকার রয়েছে কমিশনের।

    কমিশনকে মান্যতা শীর্ষ আদালতের

    বিহারে কমিশনের এসআইআর (Supreme Court On SIR) প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে একঝাঁক আবেদন পেশ হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। এদিন তার শুনানিতে কমিশন জানায়, বিহারের ভোটার সংখ্যা ৭.৯ কোটি। এর মধ্যে সাড়ে ছ’কোটি ভোটারকেই নিজেদের বা বাবা-মায়ের কোনও নথি পেশ করতে হয়নি।’ এর প্রেক্ষিতেই আবেদনকারী আরজেডি নেতা মনোজ ঝায়ের আইনজীবী কপিল সিব্বলকে শীর্ষ আদালত জানায়, ৭.৯ কোটির মধ্যে যদি ৭.২৪ কোটি ভোটার এসআইআর প্রক্রিয়ায় সাড়া দিয়ে থাকেন, তাহলে এক কোটি ভোটারের নাম বাদ পড়ার তত্ত্ব খাটে না।’ সিব্বলের যুক্তি, বাবা-মায়ের বার্থ সার্টিফিকেট সহ অন্যান্য নথি সংগ্রহে সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে মানুষকে। বিচারপতি সূর্য কান্ত তখন বলেন, ‘বিহারে কারও নথি নেই, এটা সম্পূর্ণভাবে দায়িত্বজ্ঞানহীন বিবৃতি। বিহারে এই অবস্থা হলে দেশের অন্যান্য অংশে কী ঘটবে?’ শুধুমাত্র আধার কার্ডের উপর ভিত্তি করে কমিশন ভোটার তালিকায় নাম তুলবে না, তার সঙ্গে আরও কিছু ডকুমেন্টস দিতে হবে। তার কারণ কমিশন জানিয়েছে, অনেক জায়গায় ভুয়ো আধার কার্ড তৈরি হয়েছে।

    আধার পরিচয় যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সহায়ক

    আবেদনকারীদের পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল যুক্তি দেন যে, আধার, রেশন এবং সচিত্র পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও ভোট আধিকারিকরা সেগুলি কোনও প্রমাণ বলেই গ্রহণ করতে চাইছেন না। এর জবাবে বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ‘এই নথিগুলি প্রমাণ করে যে আপনি ওই এলাকায় বাস করেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে উপভোক্তার শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে আধার বিশেষ ভূমিকা নিতে পারে। পরিচয় যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সহায়ক হিসাবে কাজ করতে পারে। কিন্তু বৈধ নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়। কোনও আবেদনকারী বা ভোটার আধার দেখিয়ে নিজেকে নাগরিক হিসাবে দাবি করতে পারেন না। নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে যা বলেছে তা সঠিক।’

    বুধবার ফের শুনানি

    এসআইআর (Supreme Court On SIR) প্রক্রিয়া নিয়ে এদিন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফে আপত্তি জানান প্রবীণ আইনজীবী অভিষেক সিংভি ও প্রশান্ত ভূষণ। সেই সঙ্গে মৃত, স্থানান্তর বা অন্য কেন্দ্রে নাম রেজিস্টার করা ৬৫ লক্ষ ভোটারের তথ্য সংক্রান্ত প্রশ্নও তোলেন। কমিশনের তালিকায় মৃত হিসেবে নাম থাকা ভোটারদের এদিন আদালতে হাজির করেন রাজনৈতিক অধিকারকর্মী যোগেন্দ্র যাদব। সিবাল যুক্তি দেন, একটি কেন্দ্রে দেখা গিয়েছে, ১২ জনকে কমিশন মৃত হিসেবে ঘোষণা করলেও তাঁরা জীবিত। কমিশনের পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী রাকেশ দ্বিবেদী বলেন, খসড়া তালিকায় এধরনের কিছু ভুলত্রুটি থাকবেই। তবে ৩০ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে তা শুধরে নেওয়া যাবে। আজ, বুধবার ফের এই মামলার শুনানি।

  • Daily Horoscope 13 August 2025: সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দিন রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 13 August 2025: সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দিন রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কোনও নিয়ম লঙ্ঘন করার জন্য আপনাকে বিপদে পড়তে হতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শুভ যোগ।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) কোনও ভুল কাজের জন্য অনুতাপ হতে পারে।

    ২) অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করার ফলে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) কারও কুপ্রভাবে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ২) সামাজিক সুনাম লাভ বা প্রতিপত্তি বিস্তারের যোগ।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) সাংসারিক কারণে মানসিক যন্ত্রণা।

    ২) আজ আপনাকে অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর আসতে পারে।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) সম্পত্তি সংক্রান্ত সমস্যা মিটে যেতে পারে।

    ২) অপরের উপকার করতে গেলে বিপদ হতে পারে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) বাতজ রোগে কষ্ট পাওয়ার আশঙ্কা।

    ২) কর্মস্থলে নিজের মতামত প্রকাশ না করাই ভাল হবে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    তুলা

    ১) বাড়িতে সবাই খুব সতর্ক থাকুন, চুরির ভয় রয়েছে।

    ২) আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করার শুভ দিন।

    ২) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ৩) আশাহত।

    ধনু

    ১) বন্ধুদের বিরোধিতা থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দিন।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) পেটের সমস্যা বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) ভাই-বোনের কাছ থেকে সাহায্য পেতে পারেন।

    ২) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির যোগ।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Lord Ram: “মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছিল রামের”, বিতর্কিত মন্তব্য তামিল কবির, কঠোর পদক্ষেপের দাবি বিজেপির

    Lord Ram: “মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছিল রামের”, বিতর্কিত মন্তব্য তামিল কবির, কঠোর পদক্ষেপের দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিল কবি বৈরামুথুর রামচন্দ্রকে (Lord Ram) নিয়ে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে প্রবল বিতর্ক শুরু হয়েছে। রামের মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছিল, এমন মন্তব্য করেন এই তামিল কবি। এরপরেই ভগবান রামকে অপমান করা হয়েছে—এই অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, কবি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। তামিলনাড়ুর প্রখ্যাত কবি ও গীতিকার বৈরামুথু (Vairamuthu) ‘কাম্বারামায়ণ’ রচয়িতা চক্রবর্তী কাম্বানের নামে আয়োজিত এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিচ্ছিলেন। সেই অনুষ্ঠানে ‘রামায়ণ’ (Lord Ram) বিষয়ে আলোচনার সময় রামচন্দ্রকে নিয়ে তাঁর কিছু মন্তব্য ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত হয়। অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিলেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম. কে. স্ট্যালিন এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এস. জগৎরক্ষকন।

    কী বলেন বৈরামুথু (Vairamuthu)?

    সেখানে বৈরামুথুকে বলতে শোনা যায়, “সীতার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর রামের মাথা খারাপ হয়ে যায়। কী করছেন, কেন করছেন, বোঝার শক্তি ছিল না তাঁর। এমন অপরাধ ঘটানো হয়েছিল, যাকে ভারতীয় দণ্ডবিধির অনুচ্ছেদের ৮৪ আওতায় (অপ্রকৃতিস্থ অবস্থায় ঘটানো অপরাধ) অপরাধ বলা হয় না, কাম্বান হয়ত আইন জানতেন না। রামকে বেকসুর খালাস করে দেওয়া হল, ক্ষমা করে দেওয়া হল-রামকে (Lord Ram) মানুষে পরিণত করা হল, কাম্বান হলেন ভগবান।”

    তামিল কবির এই মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিজেপি

    বৈরামুথুর ওই মন্তব্য সামনে আসতেই তাঁকে তীব্র আক্রমণ করে বিজেপি। তামিলনাড়ু রাজ্য বিজেপি-র সভাপতি এন নাগেন্দ্রন বলেন, “এই ধরনের মন্তব্য একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী কি বৈরামুথুর মন্তব্য সমর্থন করেন?” একইসঙ্গে বিজেপি-র মুখপাত্র নারায়ণন তিরুপতি বৈরামুথুকে (Vairamuthu) ‘মূর্খ’ বলেও কটাক্ষ করেছেন। রামচন্দ্র (Lord Ram) নন, আসলে বৈরামুথুর ‘মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে’ বলে কটাক্ষ করেন বিজেপির মুখপাত্র। বিজেপির আরও এমন কাণ্ড বৈরামুথু আগেও ঘটিয়েছেন। আগেও হিন্দু দেবতাদের অপমান করেছেন তিনি, ধর্মীয় আবেগে আঘাত হেনেছেন। এমনটাই অভিযোগ বিজেপি-র। এনিয়ে বৈরামুথুর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি তুলেছে বিজেপি।

  • Income Tax bill 2025: লোকসভায় পাশ আয়কর সংশোধনী বিল, কী কী বদল এল কর দেওয়ার প্রক্রিয়ায়?

    Income Tax bill 2025: লোকসভায় পাশ আয়কর সংশোধনী বিল, কী কী বদল এল কর দেওয়ার প্রক্রিয়ায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় পাশ হল আয়কর আয়কর আইন, ২০২৫ (Income Tax bill 2025)। সিলেক্ট কমিটির অধিকাংশ সুপারিশ মেনেই বিল পাশ হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে লোকসভায় পেশ হয়েছিল এই বিলটি। তবে এই বিলের কিছু অংশ নিয়ে আপত্তি জানানো হয় বিরোধীদের তরফে। এই অবস্থায় বিলটিকে পাঠানো হয় সিলেক্ট কমিটিতে। সেখানে বিলটিতে বেশকিছু সংস্করণ করা হয়।সংশোধিত বিলটি সোমবার পেশ হয় লোকসভায়। জানা গিয়েছে, সিলেক্ট কমিটি মোট ২৮৫টি সুপারিশ করেছিল বিলটি নিয়ে। প্রত্যেকটিই গৃহীত হয়েছে।

    বিল পেশ নির্মলার

    অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ সোমবার লোকসভায় আয়কর আইন পেশ করার পর বলেন, সিলেক্ট কমিটির সিংহভাগ সংশোধনী ও প্রস্তাব সরকার মেনে নিয়েছে। ২৮৫টি সুপারিশ করেছিল সিলেক্ট কমিটি। ১৯৬১ সালের আয়কর আইন বাতিল করে যে নয়া আয়কর আইন চালু হবে, তাতে আয়করের কাঠামোগত একঝাঁক বদল হয়েছে। যদিও ২০২৫ সালের বাজেটে ঘোষিত আয়কর কাঠামো ও প্রস্তাবে কোনও বদল হয়নি। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন সংশোধিত বিলটি পেশ করার কিছুক্ষণ পরেই আয়কর (নং ২) বিল, ২০২৫ পাস (Income Tax bill 2025) হয়। নতুন আয়কর বিল পাস হওয়ার পর, লোকসভা এই দিনের জন্য মুলতবি রাখা হয়।

    নয়া বিলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ

    নয়া বিলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল, যাদের জিরো ট্যাক্স হবে, তাদের ইস্যু করে দেওয়া হবে নিল ট্যাক্স সার্টিফিকেট। এই আ‌ইনে ট্যাক্স রিফান্ড ব্যবস্থা আরও সরল হবে। যারা দেরি করে অর্থাৎ সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর রিটার্ন জমা দেবে, তারাও সেই ফর্মে রিফান্ড দাবি করতে পারবে। বাড়িভাড়া থেকে যে আয় হয় সেটির উপর ধার্য ট্যাক্সের কাঠামো সরল করে দেওয়া হচ্ছে। বছরে কোনও বাড়ি ভাড়া দেওয়া হলে, সেটি যদি মাঝপথে আর ভাড়া না থাকে, তাহলে বার্ষিক কর ধার্য হবে কত ভাড়া আয় হয়েছে সেটির উপর। অর্থাৎ বছরে কত ভাড়া হওয়া উচিত সেই কাঠামোর উপর নয়। এই ট্যাক্সও ধার্য হবে ৩০ শতাংশ স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন, গৃহঋণবাবদ সুদপ্রদান, পুরসভার ট্যাক্স প্রদান ইত্যাদি বাদ দিয়ে যত টাকা ভাড়া থেকে আয় হবে, সেই নেট ইনকামের উপর। ট্যাক্স রিটার্ন ও হিসাবে প্রিভিয়াস ইয়ার কিংবা অ্যাসেসমেন্ট ইয়ার হিসেবে কোনও শব্দবন্ধ আর থাকবে না। এবার থেকে সরাসরি ট্যাক্স ইয়ার অর্থাৎ যে আর্থিক বছরের ট্যাক্স রিটার্ন স্টেটমেন্ট জমা করা হচ্ছে, সেটাই সরাসরি লেখা হবে ফর্মে। ডিজিটাল ট্যাক্স পেমেন্ট সংক্রান্ত বিধি তৈরি করার অধিকার থাকে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডাইরেক্ট ট্যাক্সেসের। সম্পত্তি করের নিয়মাবলি আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। এককালীন পেনশনের ক্ষেত্রে কর ছাড় মিলবে।

    রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের অপেক্ষা

    বর্তমান আইনটি প্রতিস্থাপনের জন্য বিলটি (Income Tax bill 2025) রাজ্যসভায় পাস হতে হবে এবং তারপরে এটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পেলেই বিলটি আইনে পরিণত হবে। নতুন আইন কার্যকর হবে ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে। এই আইনের লক্ষ্য—সহজ, স্বচ্ছ, ও ঝামেলামুক্ত কর ব্যবস্থার সূচনা, যা ব্যক্তি, ব্যবসা ও সরকার—সব পক্ষের জন্যই লাভজনক হবে।

  • India-Pakistan: বন্ধ জল-গ্যাস-সংবাদপত্র! ইসলামাবাদে ভারতীয় দূতাবাস কর্মীদের হেনস্তা

    India-Pakistan: বন্ধ জল-গ্যাস-সংবাদপত্র! ইসলামাবাদে ভারতীয় দূতাবাস কর্মীদের হেনস্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুরের পর থেকেই ইসলামাবাদে চূড়ান্ত হয়রানির স্বীকার হতে হচ্ছে ভারতীয় কূটনীতিকদের! এর ফলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপড়েন চরম আকার ধারণ করেছে। ইসলামাবাদে ভারতীয় দূতাবাসের (India-Pakistan) কর্মীদের জল, রান্নার গ্যাসের পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকী তাঁদের দৈনিক সংবাদপত্র দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ। এর ফলে ভারতীয় কূটনীতিকরা তাঁদের দৈনন্দিন জীবনযাপনে ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। দূতাবাস কর্মীদের উপর এরকম অমানবিক আচরণের তীব্র নিন্দা করেছে ভারত।

    ভিয়েনা চুক্তি লঙ্ঘন

    সূত্রের খবর, পাকিস্তানে ভারতীয় হাইকমিশন এবং ভারতীয় কূটনীতিকদের বাসভবনে সংবাদপত্র সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর জবাবে ভারতও দিল্লিতে অবস্থিত পাকিস্তানি কূটনীতিকদের জন্য একই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এছাড়াও জানা গিয়েছে, পাকিস্তানে ভারতীয় কূটনীতিকদের উপর নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাঁদের বাসভবন ও অফিসে বিনা অনুমতিতে প্রবেশেরও অভিযোগ উঠেছে। প্রসঙ্গত, এই ধরনের কার্যকলাপ ‘ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশন্স’(Vienna Convention on Diplomatic Relations)-এর স্পষ্ট লঙ্ঘন, যা কূটনৈতিক কর্মীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করে। উল্লেখ্য, এই ধরনের হয়রানির ঘটনা এর আগেও দেখা গেছে। ২০১৯ সালে পুলওয়ামা হামলার প্রত্যুত্তরে ভারতের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পরেও পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ একই ধরনের কৌশল গ্রহণ করেছিল।

    নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস বন্ধ

    একটি সরকারি সূত্রে জানিয়েছে, পাকিস্তানে নিযুক্ত ভারতের দূতাবাস কর্মীদের হেনস্তার পরিকল্পনা করেছে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। যাতে করে তাঁদের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রা এবং কাজ ব্যাহত হয়। উল্লেখ্য, পাকিস্তানের সুই নর্দার্ন গ্যাস পাইপলাইনস লিমিটেডের (এসএনজিপিএল) গ্যাস পাইপলাইন রয়েছে দূতাবাসে। ইচ্ছাকৃতভাবে সেই সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রেতারা, যাঁরা ইতিপূর্বে জ্বালানি সরবরাহ করতেন, তাঁদেরও পাক কর্তৃপক্ষ নির্দেশ দিয়েছে—তাঁরা যেন ভারতীয় কর্মীদের কাছে গ্যাস বিক্রি না করেন। এই অবস্থায় খোলা বাজার থেকে বেশি দাম দিয়ে গ্যাস সিলিন্ডার কিনছেন দূতবাস কর্মীরা। জানা গিয়েছে, একই ভাবে পানীয় জল সরবরাহকারী ভেন্ডারের মালিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাঁর যেন ভারতীয় দূতাবাসে পানীয় জল সরবরাহ না করেন। এর ফলে চরম বিপদে পড়েছেন দূতাবাস কর্মীরা। যেহেতু পৌরসভার জল ফিল্টার না করে খাওয়া বিপজ্জনক, তাই সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা। একইভাবে সংবাদপত্র ব্যবসায়ীদেরও দূতাবাস কর্মীদের কাছে সংবাদপত্র বিলি করতে বারণ করা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, ভারতীয় দূতাবাস যাতে স্থানীয় সংবাদ সম্পর্কে অবগত না হতে পারে, সেই ব্যবস্থাই করা হয়েছে কৌশলে।

    অমানবিক আচরণ

    আমেরিকার মাটিতে দাঁড়িয়ে ভারতে মিসাইল হামলার হুমকি দিয়েছেন পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির। তার পরে ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি। এ বার ভারতীয় হাই কমিশনের কূটনীতিকদের গ্যাস, পানীয় জল, সংবাদপত্রের মতো নিত্য প্রয়োজনীয় এবং অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রী দেওয়া বন্ধ করে দিল শেহবাজ শরিফের সরকার। দিও বিদেশ মন্ত্রক এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। তবে, পাকিস্তানের এই আচরণ ক্রমশ ভঙ্গুর ভারত-পাক সম্পর্কের জন্য বিপজ্জনক।

  • Israeli Ambassador: নিহত সাংবাদিক আনাস-আল-শরিফ আসলে হামাস জঙ্গি, বললেন ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত

    Israeli Ambassador: নিহত সাংবাদিক আনাস-আল-শরিফ আসলে হামাস জঙ্গি, বললেন ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাজায় ইজরায়েলের হামলায় নিহত হন আল জাজিরার সাংবাদিক আনাস আল শরীফ। এবার ওই সাংবাদিককেই হামাসের জঙ্গি বলে আখ্যা দিলেন ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রুভেন আজার (Israeli Ambassador)। এক সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, হামাস সারা বিশ্বকে প্রতারণা করছে। তাদের জঙ্গিরা কখনও সাংবাদিকের ছদ্মবেশে, কখনও চিকিৎসক বা ত্রাণকর্মীর ছদ্মবেশে আত্মগোপন করছে।

    হামাসের জঙ্গিকে সাংবাদিক সাজানো এক বড় ধরনের প্রতারণার উদাহরণ

    তিনি (Israeli Ambassador) আরও বলেন, হামাসের জঙ্গিকে সাংবাদিক সাজানো এক বড় ধরনের প্রতারণার উদাহরণ। আমরা আনাস আল শরীফ নামে একজন জঙ্গিকে টার্গেট করেছিলাম। সে আসলে হামাসের সদস্য এবং তাদের একটি ইউনিটের কমান্ডার ছিল। হামাসের সামরিক শাখা তাকে একাধিকবার প্রশিক্ষণ দিয়েছে। রাষ্ট্রদূতের দাবি, কোনও সাংবাদিক গাজায় স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন না যদি না তিনি হামাসের সদস্য হন অথবা তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হন। তিনি বলেন (Israeli Ambassador), “ইজরায়েল কেবল কারও রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে কাউকে টার্গেট করে না। আনাস আল শরীফকে আমরা বহুদিন ধরেই পর্যবেক্ষণ করছিলাম। কারণ সে একজন হামাস জঙ্গি ছিল। আমাদের কাছে তার বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, যা আমরা রাষ্ট্রসংঘের অধীনস্থ একটি গোয়েন্দা সংস্থা থেকে পেয়েছি।”

    ইজরায়েলের হামলায় নিহত ৭

    জানা যায়, গাজায় ইজরায়েলের সাম্প্রতিক এক হামলায় নিহত সাতজনের মধ্যে আনাস আল শরীফও ছিলেন (Hamas)। তাঁর বয়স আনুমানিক ২৮ বছর। তিনি নিজেকে একজন সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং গাজার পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন করেছিলেন। তাঁর সঙ্গে আরও তিনজন সাংবাদিক — মহম্মদ ইব্রাহিম, মোমেন আলিয়া, ও মোহাম্মদ নওফাল — ওই হামলায় নিহত হন। হামলার পর ইজরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়ে দেয়, তিনি সন্ত্রাসবাদে যুক্ত ছিলেন। তাদের দাবি, তিনি হামাসের সামরিক শাখার একজন প্রধান এবং গাজা থেকে ইজরায়েলের (Israeli Ambassador) অসামরিক নাগরিক ও সেনাবাহিনীর ওপর রকেট হামলার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন।

    ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর পোস্ট

    এই প্রসঙ্গে ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার)–এ একটি পোস্ট করে লিখেছে, “সন্ত্রাসী আনাস আল শরীফ, যিনি নিজেকে একজন সাংবাদিক হিসেবে উপস্থাপন করতেন, আসলে হামাসের একটি জঙ্গি ইউনিটের প্রধান ছিলেন এবং তিনি ইজরায়েলি নাগরিক ও সেনার ওপর একাধিক হামলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। গাজা থেকে প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য এবং নথিপত্র থেকে আমরা এসব তথ্য পেয়েছি।”

  • Air India: দিল্লি-ওয়াশিংটন ‘ননস্টপ’ বিমান পরিষেবা বন্ধ করছে এয়ার ইন্ডিয়া

    Air India: দিল্লি-ওয়াশিংটন ‘ননস্টপ’ বিমান পরিষেবা বন্ধ করছে এয়ার ইন্ডিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি থেকে ওয়াশিংটন ডিসি-র (Delhi-Washington) সরাসরি বিমান পরিষেবা বন্ধ করার ঘোষণা করল এয়ার ইন্ডিয়া (Air India)। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই আকাশপথে আর কোনও নন-স্টপ বিমান চালানো হবে না। তবে সরাসরি ফ্লাইট বন্ধ হলেও যাত্রীরা ‘ওয়ান স্টপ’ পরিষেবার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে যেতে পারবেন। এয়ার ইন্ডিয়ার সহযোগী সংস্থা আলাস্কা এয়ারলাইন্স, ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স এবং ডেল্টা এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে নিউইয়র্ক, শিকাগো, নেওয়ার্ক, সান ফ্রান্সিসকো ও ওয়াশিংটন ডিসি পৌঁছনো সম্ভব হবে। লাগেজ চেক-ইন করা যাবে গন্তব্য পর্যন্ত।

    বিমান সংস্কার

    বিমান সংস্থার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত মাসেই বোয়িং ৭৮৭-৮ ফ্লিটের সংস্কারের কাজ শুরু করেছে এয়ার ইন্ডিয়া (Air India)। যাত্রীস্বাচ্ছন্দ এবং পরিষেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২৬টি বোয়িং ৭৮৭-৮ বিমানের কেবিনে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এর জন্য অন্তত পক্ষে ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি বিমান বসিয়ে দিতে হবে। ফলে বিমানের সংখ্যা কমে যাওয়ায় অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রুট সচল রাখতে দিল্লি ওয়াশিংটন সরাসরি বিমান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

    বন্ধ পাক আকাশসীমা

    পহেলগাঁও হামলার পরে চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল থেকে ভারতীয় উড়ান সংস্থাগুলির জন্য তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে পাকিস্তান। ফলে ভারত থেকে আমেরিকা যাওয়ার ফ্লাইট রুট-সহ বেশ কয়েকটি রুটের দৈর্ঘ বেড়েছে। ভারতীয় উড়ানগুলিকে আরব সাগর এবং ইউরোপের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। ফলে বেড়েছে জ্বালানির খরচ। এই অবস্থায় ডিরেক্ট ফ্লাইট বা বিরামহীন উড়ান পরিষেবা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

    ‘ওয়ান স্টপ’ পরিষেবা

    উত্তর আমেরিকার অন্যান্য শহরের সঙ্গে এয়ার ইন্ডিয়ার সরাসরি সংযোগ অপরিবর্তিত থাকছে। ভ্যানকুভার, টরেন্টো-সহ ছয়টি শহরে নন-স্টপ পরিষেবা আগের মতো চালু থাকবে। এই সিদ্ধান্তে দিল্লি-ওয়াশিংটন যাত্রীদের কিছুটা অসুবিধা হলেও সংস্থা জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে পরিষেবার মান ধরে রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি ছিল।

    যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য

    এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) তরফে জানানো হয়েছে, ১ সেপ্টেম্বরের পর যারা দিল্লি-ওয়াশিংটন রুটে টিকিট বুক করেছেন, তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করা হবে অথবা বুকিংয়ের টাকা ফেরত দেওয়া হবে। রিবুকিং করতে চান যাঁরা, তাঁদের আলাস্কা এয়ারলাইন্স, ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স এবং ডেল্টা এয়ারলাইন্সের সঙ্গে অংশীদারিত্বে নিউ ইয়র্ক, নেওয়ার্ক, শিকাগো অথবা সান ফ্রান্সিসকোয় পৌঁছে দেবে এয়ার ইন্ডিয়া। আর যাঁরা রিফান্ড চাইবেন, তাঁদের টিকিট বাতিলের জন্য কোনও জরিমানা ছাড়াই টিকিটের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।

     

     

     

     

     

     

  • Karnataka: রাহুলের ‘ভোট চুরি’ মন্তব্যকে কটাক্ষ! মন্ত্রিত্ব হারালেন কর্নাটকের কংগ্রেস নেতা

    Karnataka: রাহুলের ‘ভোট চুরি’ মন্তব্যকে কটাক্ষ! মন্ত্রিত্ব হারালেন কর্নাটকের কংগ্রেস নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাহুল গান্ধীর মন্তব্য নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন তিনি। তাই মন্ত্রিত্ব হারালেন কর্নাটকের (Karnataka) সমবায় মন্ত্রী কেএন রাজন্য। বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেতার (Karnataka Minister K.N. Rajanna) মন্তব্যে অস্বস্তিতে পড়ে দল। এরপরই কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়াকে তাঁকে মন্ত্রিত্ব থেকে সরাতে নির্দেশ দেয় কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে বরখাস্ত না করে রাজন্যকে স্বেচ্ছায় ইস্তফা দিতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই অনুযায়ী সোমবার মন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। দিল্লিতে এক সাংবাদিক বৈঠকে রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, গত লোকসভা নির্বাচনে অন্তত ৭০-৭৫টি আসনে কারচুপি করে জয় পেয়েছে বিজেপি। এরপরেই এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন রাজন্য। উদাহরণ হিসেবে তিনি কর্নাটকের কয়েকটি লোকসভা ও বিধানসভা কেন্দ্রের ফলাফল তুলে ধরেন। এরপরেই এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন রাজন্য। রাজন্য মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়ার ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষ হতেই নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন রাজান্না।

    ঠিক কী বলেছিলেন রাজন্য?

    রাহুল গান্ধীর মন্তব্যের সমালোচনার জেরে (Karnataka) মন্ত্রীর পদ ত্যাগ করতে হওয়ায় কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেছে বিজেপি। চারদিন আগে কংগ্রেসের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধী ভোট চুরির অভিযোগ করেন। কর্নাটকেও ভোট চুরি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি (Karnataka)। সেই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে রাজন্য বলেন, “ভোটার তালিকা কখন তৈরি হয়েছে? তখন কর্নাটকে আমাদেরই সরকার ছিল। সেই সময় কি সবাই চোখ বন্ধ করে বসেছিল?”

    কংগ্রেসে নেই কোনও গণতন্ত্র, আক্রমণ বিজেপির

    নিজ দলের মন্ত্রীর প্রকাশ্য সমালোচনায় (Karnataka) অস্বস্তিতে পড়ে কর্নাটক কংগ্রেস। এরপর থেকেই রাজন্যকে পদত্যাগের জন্য চাপ দেন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। শেষপর্যন্ত সোমবার ইস্তফা দেন বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেতা। এ নিয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বিজেপি। বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা সিটি রবি বলেন, “কংগ্রেসে কোনও গণতন্ত্র নেই। কেউ যদি সত্যি কথা বলেন, তবে তাঁকে পদত্যাগ করতে বলা হয়।” কর্নাটক বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আর অশোকা বলেন, “সত্যি বলার শাস্তি হিসেবে রাজন্যকে মন্ত্রিত্ব ছাড়তে হল (Karnataka Minister K.N. Rajanna)।”

LinkedIn
Share