Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • ED Raid In Kolkata: ভোটের আগে শহরে সক্রিয় ইডি! সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকে অস্ত্র, ব্যবসায়ীর ঘরে নগদ কোটি টাকা উদ্ধার

    ED Raid In Kolkata: ভোটের আগে শহরে সক্রিয় ইডি! সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকে অস্ত্র, ব্যবসায়ীর ঘরে নগদ কোটি টাকা উদ্ধার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তল্লাশিতে খাস কলকাতায় মিলল বিপুল নগদ টাকা। বুধবার এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে নগদ ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে ইডি (ED Raid In Kolkata )। জমি দখল সংক্রান্ত মামলায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। বুধবার সকাল থেকে ইডি হানা দেয় নির্মাণ সংস্থার অফিসে। একসঙ্গে ছয় জায়গায় তল্লাশি চালানো হয় এদিন। তল্লাশি চালানো হয় বালিগঞ্জের ‘ত্রাস’ সোনা পাপ্পু বাড়িতেও।

    ফার্ন রোডের বাড়ি থেকে উদ্ধার অস্ত্র

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, এই তল্লাশির মূল লক্ষ ছিল আর্থিক প্রতারণা মামলার (Money Laundering Case) ঘটনায় অভিযুক্ত পলাতক বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর (Sona Pappu) বাড়ি। জানা গিয়েছে, সোনা পাপ্পুর ফার্ন রোডের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে অস্ত্র। কিছুদিন আগে, গোলপার্কের (Golpark) কাঁকুলিয়া রোডে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয় সোনা পাপ্পুকে। রাসবিহারির বিধায়ক দেবাশিষ কুমারের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এই সোনা পাপ্পু। ঘটনাচক্রে, সোমবার ইডি ডেকে পাঠায় দেবাশিষ কুমারকে। তারপরেই এই তল্লাশি অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অভিযোগ, নির্মাণকাজের নামে কোটি কোটি টাকা তুলেছে সোনা পাপ্পু আর সেই টাকা তিনি পৌঁছে দিতেন প্রভাবশালীদের কাছে।

     তৃণমূলের নির্বাচনে খরচ, অভিযোগ শুভেন্দুর

    সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ রাহুল দাসের বাড়িতেও পৌঁছে যায় ইডি। কাঁকুলিয়া রোডের বাড়িতে তল্লাশি চলে দীর্ঘক্ষণ। তল্লাশি চলে নির্মাণ ব্যবসায়ী জয় কামদারের বেহালার বাড়িতেও। সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই টাকার উৎস কী, তা জানাতে পারেননি ওই ব্যবসায়ী। জয় কামদার সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ বলেই জানা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, এই ব্যবসায়ীর সঙ্গে শাসক দলের নেতাদের যোগও সামনে আসছে। বিভিন্ন সময়ে একাধিক শাসক দলের অনুষ্ঠানেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। এই বিষয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, সোনা পাপ্পুর সঙ্গে শান্তনু সিনহা বিশ্বাস, দেবাশিষ কুমার, জাভেদ খানকে অ্যারেস্ট করতে হবে। এই টাকা তৃণমূলের নির্বাচনে খরচ করার জন্য রাখা ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, কলকাতা পুরসভার ৬৭ নম্বর ও ৯১ নম্বর ওয়ার্ডে শাসকদলের হয়ে যাবতীয় নিয়ন্ত্রণের কাজ করে সোনা পাপ্পু।

  • IPL 2026: বরুণে-বিশ্বাস নায়ারের, নারিনের মিস্ট্রির অপেক্ষায় নাইটরা! ঘরের মাঠে জয়ের স্বাদ পেতে মরিয়া কেকেআর

    IPL 2026: বরুণে-বিশ্বাস নায়ারের, নারিনের মিস্ট্রির অপেক্ষায় নাইটরা! ঘরের মাঠে জয়ের স্বাদ পেতে মরিয়া কেকেআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ের কাছে হার দিয়ে আইপিএল ২০২৬ (IPL 2026) অভিযান শুরু করেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। এবার ঘরের মাঠে নামতে চলেছে কেকেআর। ২ এপ্রিল কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের (KKR vs SRH) বিরুদ্ধে নামবে ৩ বারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নরা। ঘরের মাঠ ইডেন গার্ডেন্সে টানা তিনটি হোম ম্যাচ নাইটদের। টুর্নামেন্টে নিজেদের ভালো জায়গায় রাখতে এই তিন ম্যাচই পাখির চোখ কলকাতার। নিজেদের শক্তি প্রদর্শনের জন্য তৈরি হচ্ছে দলের ক্রিকেটাররা।

    ব্যর্থ বোলিং বিভাগ

    প্রথম ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ব্যাটাররা ভালো পারফর্ম করলেও বোলিং ডিপার্টমেন্ট কেকেআরের পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। যা দ্বিতীয় ম্যাচ শক্তিশালী ব্যাটিং সমৃদ্ধ হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে নামার আগে চিন্তায় রেখেছে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টকে। প্রথম ম্যাচে কেকেআরের বোলিং অ্যাটাকের ব্যর্থতার পর দ্বিতীয় ম্যাচে একাদশে কেমন কম্বিনেশন হবে তা জল্পনা রয়েছে। মুজারবানি প্রথম ম্যাচে ফ্লপ। ফলে দ্বিতীয় ম্যাচে ৩ বিদেশি নিয়েও খেলতে পারে নাইটরা। নারিন বাদে সকল বোলাররাই ভারতীয় হতে পারে।

    নারিন-বরুণ কেমিস্ট্রি উধাও

    প্রথম ম্যাচে হারের পর স্বভাবতই চাপে কেকেআর। নতুন দল। নতুন ভাবে শুরু করতে চাইলেও, অভিষেক নায়ারের সমস্যা বোলিং নিয়েই। আর সেটা কীভাবে কাটাতে পারেন সেটাই হাতড়ে বেড়াচ্ছেন কেকেআর কর্তারা। তবে সমস্যা আরও বাড়িয়েছে বরুণ চক্রবর্তী ও সুনীল নারিনের পারফরম্যান্স। বরুণ টি২০ বিশ্বকাপে সেভাবে ছন্দে ছিলেন না। আইপিএল-এও সেই ছন্দ প্রথম ম্যাচে খুঁজে পাননি। সুনীল নারিনের যে মিস্ট্রি ছিল সেটাও উধাও। এখন পিচ থেকেও যদি সাহায্য সেভাবে না পাওয়া যায় তবে কলকাতার ভাগ্য ফেরানো কঠিন হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    বরুণে আস্থা নায়ারের

    গ্রিনের বোলিং প্রসঙ্গে নায়ার জানান, নিলামের সময় কোনও প্লেয়ারকে নেওয়ার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতের সব দিক সবসময় জানা সম্ভব হয় না। তাঁর কথায়, ‘নিলামে প্লেয়ার নেওয়ার সময় ভবিষ্যৎ কী হবে, সেটা সবসময় বোঝা যায় না। গ্রিন যেমন ভালো ব্যাটার, তেমনই অলরাউন্ডার। তবে আমাদের সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে।’ বরুণ চক্রবর্তীর পারফরম্যান্স নিয়ে আস্থা রেখেছেন কেকেআর কোচ। তিনি বলেন, ‘বরুণ মানসিকভাবে খুব শক্তিশালী অবস্থায় আছে। আমরা জানি ও কতটা দক্ষ বোলার। ভারতের হয়ে যেমন পারফর্ম করেছে, সেভাবেই আবার ফিরে আসবে। ওয়াংখেড়ের পিচটা চ্যালেঞ্জিং ছিল, তবুও আমরা ওর উপর ভরসা রাখছি। শ্রীলঙ্কার পেসার মথিশা পাথিরানার ফিটনেস নিয়েও আপডেট দিয়েছেন নায়ার। তিনি জানান, পাথিরানা এখনও ফিটনেস টেস্টের মধ্যে রয়েছেন এবং ফিজিও টিমের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, খুব শিগগিরই তিনি দলে যোগ দেবেন।

    হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

    কলকাতা দল মুম্বইয়ের কাছে পরাজিত হয়েছে, অন্যদিকে হায়দ্রাবাদও বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে হারতে হয়েছে। ফলে এই ম্যাচে জয় পেয়ে ছন্দে ফেরার চেষ্টা করবে দুই দলই। শুরুতেই পরপর হার কোনও দলই চাইছে না, তাই লড়াইটা জমজমাট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই মরশুমে দুই দলের ব্যাটিং শক্তি বেশ ভালো। তবে বোলিং বিভাগে কিছুটা দুর্বলতা রয়েছে। চোট সমস্যাও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কলকাতা তাদের প্রধান পেসারের জন্য অপেক্ষা করছে, আর হায়দরাবাদ দলের অধিনায়কও পুরোপুরি ফিট নন। এই অবস্থায় দলের ভারসাম্য ঠিক রাখা বড় চ্যালেঞ্জ।

    ইডেনে হাই স্কোরিং ম্যাচ

    ইডেন গার্ডেন্সে সাম্প্রতিক সময়ে বড় রানের ম্যাচ বেশি দেখা যাচ্ছে। তাই এই ম্যাচেও চার-ছক্কার বন্যা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ব্যাটাররা সুবিধা পেলে সহজেই বড় রান তুলতে পারে, তবে বোলারদের সঠিক সময়ে ভালো পারফরম্যান্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। পিচের দিক থেকেও এই মাঠে রান তাড়া করা তুলনামূলক সহজ। শিশিরের প্রভাব থাকায় দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করা দল সুবিধা পেতে পারে। শুরুতে কিছুটা সুইং থাকলেও পরে ব্যাটিং সহজ হয়ে যায়। তাই টস জেতা দল আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সব মিলিয়ে দর্শকদের জন্য একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ অপেক্ষা করছে।

    কেকেআরের সম্ভাব্য একাদশ: অজিঙ্কে রাহানে (অধিনায়ক), ফিন অ্যালেন, ক্যামেরন গ্রিন, আংক্রিশ রঘুবংশী (উইকেটকিপার), রিঙ্কু সিং, রমনদীপ সিং, অনুকুল রয়, সুনীল নারিন, বরুণ চক্রবর্তী, বৈভব অরোরা, উমরান মালিক

    সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সম্ভাব্য় একাদশ: ট্রেভিস হেড, অভিষেক শর্মা, ইশান কিশান (অধিনায়ক ও উইকেটকিপার), নীতিশ কুমার রেড্ডি, হেনরিক ক্লাসেন, সলিল অরোরা, অনিকেত বর্মা, হর্শ দুবে, হার্শল প্যাটেল, জয়দেব উনাদকাট, ইশান মালিঙ্গা

  • Oracle Lay Off: ওরাকেলে কর্মীছাঁটাই! বিশ্বজুড়ে কাজ হারালেন ৩০ হাজার কর্মী, ভারতে ১২ হাজার

    Oracle Lay Off: ওরাকেলে কর্মীছাঁটাই! বিশ্বজুড়ে কাজ হারালেন ৩০ হাজার কর্মী, ভারতে ১২ হাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃত্রিম মেধাই ভরসা! ওরাকেলে (Oracle) গণছাঁটাই! রাতারাতি ৩০ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করল মার্কিন টেক জায়ান্ট সংস্থা ওরাকেল। বিশ্বজুড়ে এই ছাঁটাই পক্রিয়া চলেছে। বাদ যায়নি ভারতও। এ-দেশে বহু কর্মী চাকরি হারিয়েছেন বলে খবর। ভারত থেকে ছাঁটাই হয়েছেন প্রায় ১২ হাজার কর্মী। মঙ্গলবার সকালে ই-মেল-এর মাধ্যমে কর্মীদের ছাঁটাই নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     মোট কর্মীর ১৮ শতাংশ কাজ হারালেন

    বেশ কিছুদিন থেকেই ওরাকলে (Oracle Lay Off) ছাঁটাই নিয়ে জল্পনা চলছিল। জানা গিয়েছে, ভোর ৫টা-৬টা নাগাদ কর্মীদের কাছে ছাঁটাই সংক্রান্ত ই-মেল পাঠানো হয়। যে নোটিশ সঙ্গে সঙ্গে কার্যকরী হচ্ছে বলেও কর্মীদের জানানো হয়েছে। ভারতের ১২ হাজার সহ বিশ্বজুড়ে ছাঁটাই প্রক্রিয়ায় মোট ৩০ হাজার জন কাজ হারিয়েছেন। যা ওরাকেলের মোট কর্মীর ১৮ শতাংশ। সংস্থার পক্ষ থেকে এক ই-মেলে ছাঁটাই কর্মীদের জানানো হয়েছে, “এই পরিবর্তনগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে, সংস্থার কার্যক্রমকে সুবিন্যস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে; যার ফলস্বরূপ—দুর্ভাগ্যবশত—আপনি বর্তমানে যে পদে কর্মরত আছেন, সেই পদটি বিলুপ্ত হয়ে যাবে।”

    কোন কোন শর্তে কাজ হারাচ্ছেন কর্মীরা

    সংস্থার পক্ষ থেকে ভারতে চাকরিরতদের প্রতি পূর্ণ বছরের জন্য ১৫ দিনের বেতনের পাশাপাশি—চাকরি অবসানের তারিখ পর্যন্ত এক মাসের বকেয়া বেতন, জমা থাকা ছুটির মূল্য (leave encashment), যোগ্যতা সাপেক্ষে গ্র্যাচুইটি এবং এক মাসের নোটিশ পিরিয়ডের বেতন প্রদানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, কোম্পানি ‘টপ-আপ’ হিসেবে অতিরিক্ত দু’মাসের বেতন দেবারও প্রস্তাব দিয়েছে। তবে, এই ‘সেভারেন্স প্যাকেজ’ বা ক্ষতিপূরণ সুবিধা কেবল সেইসব কর্মীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, যাঁরা স্বেচ্ছায় এবং পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে কোম্পানি থেকে পদত্যাগ করবেন।

    গণছাঁটাই কেন?

    চলতি অর্থবর্ষে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাটির আয় ব্যাপক হারে বেড়েছে। তাহলে গণছাঁটাই কেন? প্রাথমিক ভাবে ৩০ হাজার কর্মীর ছাঁটাইয়ের কথা জানা গেলেও ওরাকেল চাকরি হারানো কর্মীর সংখ্যা নিশ্চিত করেনি। সংবাদসংস্থা এএনআই দাবি করেছে, সবচেয়ে বেশি করে প্রভাব পড়েছে ভারত ও মেক্সিকোয়। এভাবে রাতারাতি ৩০ হাজার কর্মীকে ছাঁটাইয়ের নেপথ্যে রয়েছে এআই বা কৃত্রিম মেধার উপর সংস্থার ক্রমবর্ধমান নির্ভরতা।

    কৃত্রিম মেধাই সংস্থার ভবিষ্যৎ

    কৃত্রিম মেধাই সংস্থার ভবিষ্যৎ। সেকথা মাথায় রেখে ডেটা সেন্টার নির্মাণে ওরাকেল সম্প্রতি ১৫৬ বিলিয়ান ডলার বিনিয়োগ করেছে। মূলত ওপেনএআই-এর জন্য বিনিয়োগ। এই বিপুল খরচের অন্যতম কারণ ডেটা সেন্টারের জন্য ৩ মিলিয়ান বিশেষ ধরনের চিপস কেনা। প্রাথমিক বিনিয়োগ ছাড়াও এর জন্য বছরে ৬.৯ বিলিয়ান থেকে ৫০ বিলিয়ান অবধি খরচ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, এই বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগের কারণেই কোম্পানিটি কর্মী ছাঁটাই-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যয় সংকোচের পথে হাঁটল।

  • SIR Supreme Court: ‘‘আপনাকে চিন্তা করতে হবে না’’, ট্রাইবুনাল নিয়ে রাজ্যের আপত্তি পত্রপাঠ খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    SIR Supreme Court: ‘‘আপনাকে চিন্তা করতে হবে না’’, ট্রাইবুনাল নিয়ে রাজ্যের আপত্তি পত্রপাঠ খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নথির সত্যতা যাচাই না-করে, কোনও নতুন নথি গ্রহণ করা হবে না। যে নথিগুলি আগে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকের সামনে পেশ করা হয়নি, সেই নতুন নথি ট্রাইবুনালকে না নেওয়ার পরামর্শ দিল শীর্ষ আদালত। এসআইআর (SIR Supreme Court) নিয়ে মামলায় রাজ্যের আপত্তিকে বিশেষ আমল দিল না সুপ্রিম কোর্ট। বুধবারের এই শুনানিতে শীর্ষ আদালত জানাল, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির আশ্বাসে তারা সন্তুষ্ট। আদালতের মতে, ৭ এপ্রিলের মধ্যেই সমস্ত আপত্তির নিষ্পত্তি হয়ে যাবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এদিন বলেন, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির পাঠানো চিঠিতে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে যে বিপুল সংখ্যক আবেদন ইতিমধ্যেই নিষ্পত্তি করা হয়েছে। প্রায় ৪৭ লক্ষ মামলার নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে বলেও আদালতকে জানানো হয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতেই শীর্ষ আদালত আপাতত সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

    ট্রাইবুনালকে নির্দেশ

    প্রধান বিচারপতি (সিজেআই) সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এসআইআর মামলার শুনানির সময়,কলকাতা হাইকোর্ট জানায়, বিচারাধীন থাকা ৬০ লক্ষ নামের মধ্যে, ৪৭ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়েছে ইতিমধ্যেই। এদিনের শুনানিতে, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানান, বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা প্রতিদিন প্রায় ২ লক্ষ বিচারাধীন মামলার আবেদনকারীদের নিষ্পত্তি করছেন, তাঁরা ৭ই এপ্রিলের মধ্যে বিচারাধীন দাবিগুলি নিষ্পত্তি করবেন। শীর্ষ আদালতে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধানবিচারপতি, বিচারকদের নেতৃত্বে ১৯টি আপিল ট্রাইবুনাল গঠনের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে এবংট্রাইবুনালগুলির অধিবেশনের স্থান হিসেবে নির্দিষ্ট জায়গা ঠিক করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাইবুনালের জন্য কিছু নির্দেশও দেয় সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশ, অনলাইন ও অফলাইন – দুই ধরনের আপিল সংক্রান্ত বিষয় সম্পর্কে প্রাক্তন বিচারপতিদের পূর্ণাঙ্গ ধারণা দিতে হবে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে। পাশাপাশি, যে নথি আগে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের সামনে পেশ করা হয়নি, তা নতুন করে গ্রহণ করা যাবে না। কোনও নথি গ্রহণের আগে তার সত্যতা যথাযথভাবে যাচাই করতে হবে বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    প্রশিক্ষণ নিয়ে রাজ্যের আপত্তি খারিজ

    ২০ মার্চ কমিশন ‘অ্যাপেলেট ট্রাইবুনাল’ গঠন করেছে। এদিনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দেয়, জুডিশিয়াল অফিসারদের প্রত্যেককে সাম্মানিক অর্থ, অন্যান্য খরচ কমিশনকে বহন করতে হবে। কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু তখন আদালতে বলেন, “এ বিষয়ে আমরা ইতিমধ্যে পদক্ষেপ করেছি।” একই সঙ্গে তিনি জানান, ট্রাইবুনালও দ্রুত কাজ শুরু করবে। সুপ্রিম কোর্টে কমিশনের আইনজীবী জানান, আজ প্রশিক্ষণ চলছে, বৃহস্পতিবার থেকে ট্রাইবুনালের কাজ শুরু হয়ে যাবে। তখন প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া নিয়েই আপত্তি তোলে রাজ্য। রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন বলেন, “প্রাক্তন বিচারপতিদের কমিশন কেন প্রশিক্ষণ দেবে? প্রাক্তন বিচারপতিদের স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে।” বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের হস্তক্ষেপ নিয়ে আপনাকে চিন্তা করতে হবে না।”

    কল্যাণকে ধমক শীর্ষ আদালতের

    প্রধান বিচারপতি উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে বলেন, “এটা প্রশিক্ষণ নয়, এটা হচ্ছে কীভাবে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে বিবেচনা করতে হবে। যাঁরা দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁরা সকলে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি। আমাকে হঠাৎ করে একটা নতুন ল্যাপটপ দিলে কী করে সেটা কাজ করে তা বুঝতে পারব না।” বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী কল্যাণকে ধমক দিয়ে বলেন, “যাঁরা দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁদের বিরাট অভিজ্ঞতা রয়েছে। কমিশনের আধিকারিকরা হস্তক্ষেপ করছে বলে আপনাকে উদ্বিগ্ন হতে হবে না।” বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী কমিশনকে নির্দেশ দেন, “কোনও ব্যক্তি যখন আবেদন করছেন, তখন তার সম্পর্কে যে সিদ্ধান্তই নেওয়া হোক না কেন, তার কারণ উল্লেখ করে রিমার্কস দিতে হবে।” কমিশনের আইনজীবীর উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি জানতাম না যে সফটওয়্যারে এমন একটি কলাম আছে, যেখানে কারণ দর্শানোর সুযোগ আছে। প্রত্যেক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, তার কারণ সেখানে উল্লেখ করা হোক।” কমিশনের আইনজীবী তখন বলেন, “আমরা অ্যাপিলেট বডির সামনে সমস্ত রেকর্ড রাখব।”

    ভোট দিতে না পারলে ভোটাধিকার চলে যাবে এমন নয়

    কথা প্রসঙ্গেই বিচারপতি বলেন, “কীসের ভিত্তিতে এই ভোট হচ্ছে তা আমরা দেখতে চাই। কোন ব্যক্তি যদি ভোট দিতে না পারেন, সেটা তার সাংবিধানিক অধিকারের বিষয়। কোন ব্যক্তির নাম বাদ যেতে পারে কিন্তু পরে অ্যাপেলেট তার নাম যুক্ত করতে পারে। একইভাবে কোন ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত থাকলেও পরে তার নাম বাদ যেতে পারে অ্যাপলেট এর মাধ্যমে। অর্থাৎ কোন ব্যক্তি এই নির্বাচনে ভোট দিতে না পারলে তার অর্থ এই নয় যে তার ভোটাধিকার চিরকালের জন্য চলে গেল।”

  • Maoist-Free India: লাল সন্ত্রাস শেষে উন্নয়নের পথে ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়া, আত্মসমর্পণ আরও ৫ মাওবাদীর

    Maoist-Free India: লাল সন্ত্রাস শেষে উন্নয়নের পথে ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়া, আত্মসমর্পণ আরও ৫ মাওবাদীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাল সন্ত্রাস শেষে উন্নয়নের পথে ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়া। এলাকায় মাওবাদী (Maoist-Free India) কার্যকলাপ প্রায় সম্পূর্ণভাবে নির্মূল হয়েছে বলে দাবি করেছে প্রশাসন। সরকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে মঙ্গলবারও ৫ মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেন। একই সঙ্গে প্রচুর অস্ত্রও বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। দান্তেওয়াড়ার পুলিশ সুপার গৌরব রাই বলেন, “আজ আমরা এই ঘোষণা করার অবস্থায় রয়েছি যে, এই এলাকায় আর কোনও সক্রিয় মাওবাদী সংগঠন নেই। মাওবাদীদের কাঠামো ভেঙে দেওয়া হয়েছে। যদি কেউ এখনও লুকিয়ে থাকে, তাদের মূলধারায় ফিরে আসার জন্য ২৪ ঘণ্টার সময় দেওয়া হচ্ছে।”

    ‘রেড টেরর’-এর অবসান

    দান্তেওয়াড়ায় (Dantewada) পুলিশ ও সরকারের তরফে আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের পুনর্বাসনের জন্য ‘লোন ভারাতু’ এবং ‘পুনা মারগেম’ কর্মসূচি চালু করার ফলে ধারাবাহিক ভাবে অস্ত্র ছেড়ে সমাজের মূল স্রোতে ফিরেছেন মাওবাদীরা। গৌরব জানান, যাঁরা আত্মসমর্পণ করেছেন তাঁরা রাজ্য সরকারের ‘নিয়াদ নেল্লানার’ (তোমার ভালো গ্রাম) প্রকল্পে পুনর্বাসন এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছেন। তিনি বলেন, “প্রায় ৪০ বছর ধরে এই এলাকা নকশাল সমস্যায় জর্জরিত ছিল। আমরা ৩১ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে এটি নির্মূল করার যে লক্ষ্য নিয়েছিলাম, তা পূরণ করতে পেরেছি। আজ ‘রেড টেরর’-এর অবসান হয়েছে। এখন আমাদের মূল লক্ষ্য হবে উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।” তিনি আরও জানান, নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সাবধানতা বজায় রেখে অভিযান চালিয়ে যাবে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার, এবং সাধারণ মানুষের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি।

    ধারাবাহিক অভিযানে সাফল্য

    দান্তেওয়াড়ার সাব-ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার রাহুল জানান, গত দুই বছরে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে বড় সাফল্য মিলেছে। তাঁর কথায়, “প্রতি মাসে ৪-৫টি করে অভিযান চালানো হয়েছে। এর ফলে বহু গুরুত্বপূর্ণ মাওবাদী নেতা আত্মসমর্পণ করেছেন।” প্রাক্তন নকশাল নেতা কোসা নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, “আমি ২০১০ সালে নকশাল দলে যোগ দিয়েছিলাম ‘জল, জঙ্গল, জমি’ রক্ষার জন্য। কিন্তু এখন মূলধারায় ফিরে এসে ভালো লাগছে। যারা এখনও জঙ্গলে আছেন, তাদেরও ফিরে আসা উচিত।” কোসা বর্তমানে পুলিশ কনস্টেবল পদে কাজ করছেন। প্রশাসনের দাবি, দীর্ঘদিনের সংঘাতের পর এবার দান্তেওয়াড়ায় শান্তি ও উন্নয়নের নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে।

  • ED Raid Kolkata: বালিগঞ্জে সোনা পাপ্পুর বাড়ি ও পণ্ডিতিয়ায় সান গ্রুপের দফতর সহ ৬ জায়গায় হানা ইডির

    ED Raid Kolkata: বালিগঞ্জে সোনা পাপ্পুর বাড়ি ও পণ্ডিতিয়ায় সান গ্রুপের দফতর সহ ৬ জায়গায় হানা ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের মুখে শহরে ফের সক্রিয় হয়ে উঠল ইডি (ED)। বুধবার সাত সকালে শহর কলকাতার মোট ছয়টি জায়গায় একযোগে তল্লাশি অভিযান শুরু করলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। মূলত আর্থিক অনিয়ম এবং বেআইনি অর্থ লেনদেনের উৎস খুঁজতেই এই বিশাল অভিযান বলে খবর। এখন, ইডির নজরে কসবা, বালিগঞ্জের ত্রাস সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার। বুধবার সকাল থেকে সোনা পাপ্পুর বালিগঞ্জের বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। ইডি (ED Raid Kolkata) সূত্রে খবর, সোনা পাপ্পু বাড়িতে নেই, তাঁর খোঁজ চলছে।

    কেন ইডির নজরে সোনা পাপ্পু

    বুধবার ভোরবেলা কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে বালিগঞ্জ এলাকার ফার্ন রোডে বিশ্বজিতের বাড়িতে পৌঁছান ইডির আধিকারিকরা। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, বিশ্বজিতের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর অভিযোগ জমা পড়েছে। একাধিক এফআইআর-এ তার বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও ভয় দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। বালিগঞ্জ ও দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় সিন্ডিকেট রাজ চালানোর অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। গোয়েন্দাদের অনুমান, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আদায় করা কোটি কোটি টাকা এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার কাছে পৌঁছে দেওয়া হত। ভোটের আগে সেই টাকার সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করেছে ইডি (ED Raid Kolkata)।

    সোনা পাপ্পুর সঙ্গে তৃণমূল নেতাদের যোগ

    গত ১ ফেব্রুয়ারি সন্ধেয় অশান্ত হয়ে উঠেছিল গোলপার্কের কাছে কাঁকুলিয়া রোড। বোমা-গুলি-ভাঙচুর থেকে বেলাগাম তাণ্ডব, বাদ যায়নি কিছুই। ওই ঘটনার পর ফেসবুক লাইভ করলেও, অন্যতম মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পুকে এখনও ছুঁতে পারেনি পুলিশ। কাঁকুলিয়ার ঘটনার পর, তাঁর সঙ্গে রাসবিহারীর তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিস কুমার এবং তৃণমূল কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছবি সামনে এসেছিল। এখনও পুলিশের খাতায় ফেরার, সোনা পাপ্পুর নামে সম্প্রতি ইফতারের আমন্ত্রণপত্র বিলি হয়। ইফতার ও ইদ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের জন্য সোনা পাপ্পুর নামে কার্ড বিলি করা হয় হেভিওয়েটদের। সেখানে প্রধান অতিথির তালিকায় ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, মালা রায় থেকে জাভেদ খান সহ অনেকে। কাঁকুলিয়ায় বোমাবাজি-তাণ্ডবের ২ মাস পরেও অধরা মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পু। এখানেই প্রশ্ন উঠছে, হেভিওয়েটদের সঙ্গে দহরম-মহরমের সুবাদেই কি পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে সোনা পাপ্পু?

    শাসকদলের হাতিয়ার সোনা পাপ্পু

    স্থানীয়দের অভিযোগ, কলকাতা পুরসভার ৬৭ নম্বর ও ৯১ নম্বর ওয়ার্ডে শাসকদলের হয়ে যাবতীয় নিয়ন্ত্রণের কাজ করে সোনা পাপ্পু। বাসিন্দাদের অভিযোগ আরও গুরুতর—বিগত পুরভোট হোক বা অন্য কোনও নির্বাচন, বিরোধীদের ‘ঘরবন্দি’ করতে সোনা পাপ্পুই নাকি শাসকদলের পছন্দের হাতিয়ার। মাত্র মাসখানেক আগে, পুরসভার বিল্ডিং বিভাগে ৫০–৫৫টি বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ জমা পড়ে। প্রতিটি অভিযোগেই উঠে এসেছে সোনা পাপ্পুর নাম। এর আগে ২০২২ সালে তার নাম কুখ্যাত দুষ্কৃতীদের তালিকায় জুড়ে জেলবন্দি করেছিল কলকাতা পুলিশ। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই বেরিয়ে আসে এবং আবার শুরু হয় প্রভাব-প্রতিপত্তি।

    সান এন্টারপ্রাইজের অফিসে ইডি

    এদিকে, দক্ষিণ কলকাতার পণ্ডিতিয়া এলাকার অশ্বিনী দত্ত রোডে সকাল সকাল অভিযানে নামে ইডি (ED Raid Kolkata)। সান এন্টারপ্রাইজের অফিসেও ঢুকেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। সূত্র বলছে, এই সংস্থা নির্মাণ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। গোটা বাড়ি ঘিরে রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান ও ইডি আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, কয়েক কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ পেয়ে সান এন্টারপ্রাইজের অফিসে পৌঁছেছে ইডি। তবে এই সংস্থার সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক সংযোগ আছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, সূত্রের খবর, সোনা পাপ্পু ও সান গ্রুপের বিষয়টি জড়িত।

    তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিস কুমারকে ইডি তলব

    ঠিক তিন দিন আগে, কলকাতার বালিগঞ্জ প্লেসের বহুতলে এক ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। ইডি সূত্রে দাবি, আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে, এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। গত ২৮ মার্চ সকাল ৬টা নাগাদ, কেন্দ্রীয় বাহিনী সঙ্গে করে ব্যবসায়ীর বাড়িতে আসেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকেরা। এরপর কোটি কোটি টাকা আর্থিক প্রতারণার মামলায়, কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ এবং রাসবিহারীর বিদায়ী তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিস কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এই মামলায়, সম্প্রতি, অমিত গঙ্গোপাধ্যায় নামে এক ব্যবসায়ীর ঠিকানায় অভিযান চালানো হয়।

    বাজেয়াপ্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি

    এছাড়াও দক্ষিণ কলকাতার আরও কয়েকটি স্থানে পৃথক পৃথক দলে ভাগ হয়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা (ED Raid Kolkata)। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ডিজিটাল তথ্য। রাজ্যে যখন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি তুঙ্গে, ঠিক সেই আবহেই কেন্দ্রীয় সংস্থার এই বড়সড় পদক্ষেপ রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ইডি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, বিপুল পরিমাণ ‘কাট মানি’ এবং আর্থিক জালিয়াতির তদন্তেই এই পদক্ষেপ। তবে বিরোধীরা বিষয়টিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বললেও, ইডি আধিকারিকদের লক্ষ্য এখন এই কোটি কোটি টাকার তোলাবাজি চক্রের শেষ মাথা বা মূল সুবিধাভোগীদের খুঁজে বের করা। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, তল্লাশি অভিযান এখনও চলছে এবং সন্দেহভাজন কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

  • Digital Census: আজ থেকে শুরু হচ্ছে ডিজিটাল সেন্সাস! ঘরে বসেই নাম রেজিস্টার, কোন কোন বিষয়ে প্রশ্ন থাকবে?

    Digital Census: আজ থেকে শুরু হচ্ছে ডিজিটাল সেন্সাস! ঘরে বসেই নাম রেজিস্টার, কোন কোন বিষয়ে প্রশ্ন থাকবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথমবার ভারতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণনা (Digital Census) শুরু হতে চলেছে। দেশের জনসংখ্যার তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতিতে এক বড় পরিবর্তন আনতে চলেছে এই পদ্ধতি। আজ, ১ এপ্রিল থেকে আটটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে হাউস লিস্টিং ও হাউজিং সেন্সাস ধাপের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই জনগণনা দু’টি পর্যায়ে সম্পন্ন হবে বলে জানা গিয়েছে। প্রথম পর্যায়ে পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হবে—যার মধ্যে থাকবে বাসস্থানের অবস্থা ও মৌলিক পরিষেবার প্রাপ্যতা। দ্বিতীয় পর্যায়, অর্থাৎ জনসংখ্যা গণনার সময়, ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

    প্রথম পর্বে ৩৩টি প্রশ্ন

    দীর্ঘ সময় পর ভারতে হবে আদমশুমারি। এই প্রথমবার দেশে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে সেন্সাস (Digital Census) করাবে সরকার। যেখানে বাড়ি, পেশা, শিক্ষা, জাতি সব তথ্য় দিতে হবে আপনাকে। সব মিলিয়ে প্রথম পর্বে ৩৩টি প্রশ্ন থাকবে এই ডিজিটাল সেন্সাসে। এর মধ্যে রয়েছে পানীয় জলের ব্যবস্থা, স্নানঘর, রান্নাঘর, এলপিজি-পিএনজি সংযোগ, ইন্টারনেট সুবিধা, বিদ্যুৎ, বাসস্থানের ধরন এবং পরিবারের প্রধান খাদ্যশস্য সংক্রান্ত তথ্য। সরকারের দাবি, এই তথ্য ভবিষ্যৎ নীতি নির্ধারণ ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    ডিজিটাল পদ্ধতিতে কেন

    প্রথমবারের মতো জাতিগত (কাস্ট) তথ্যও ডিজিটালভাবে নথিভুক্ত করা হবে। রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সেন্সাস কমিশনার মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ জানিয়েছেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে যাওয়ার মূল লক্ষ্য হল নির্ভুলতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা। প্রায় ৩০ লক্ষ গণনাকারী অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস ডিভাইসে উপলব্ধ মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করবেন। এই অ্যাপটি ১৬টি ভাষায় কাজ করতে পারে এবং ইন্টারনেট ছাড়াও ব্যবহারযোগ্য, ফলে দূরবর্তী ও গ্রামীণ এলাকাতেও এটি কার্যকর হবে।

    কীভাবে পূরণ করবেন ফর্ম

    সাধারণ মানুষ চাইলে স্ব-নিবন্ধন (self-enumeration) পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনেও নিজেদের তথ্য জমা দিতে পারবেন। তথ্য জমা দেওয়ার পর একটি ইউনিক সেলফ-এনুমারেশন আইডি দেওয়া হবে, যা যাচাইকরণের সময় কর্মকর্তাদের দেখাতে হবে। প্রথম পর্যায়ের প্রশ্নপত্রে মোট ৩৩টি প্রশ্ন থাকবে। এর মধ্যে থাকবে বাড়ির ধরন, নির্মাণ সামগ্রী, মালিকানার অবস্থা, পরিবারের সদস্যসংখ্যা, ইন্টারনেট, স্মার্টফোন, যানবাহন ও অন্যান্য গৃহস্থালি সামগ্রীর প্রাপ্যতা সম্পর্কিত তথ্য। । এর বাইরে গৃহস্থের ঘরে ফ্রিজ , টিভি, মাইক্রোওভেন, ওয়াশিং মেশিন আছে কিনা তা নথিভুক্ত করতে হবে ফর্মে। স্ব-নিবন্ধনের সুযোগটি কর্মকর্তারা বাড়িতে যাওয়ার প্রায় ১৫ দিন আগে চালু হবে, যাতে মানুষ আগেভাগেই নিজেদের তথ্য জমা দিতে পারেন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য কোনও নথির প্রয়োজন হবে না এবং সমস্ত তথ্য গোপন রাখা হবে।

    লিভ-ইন সম্পর্কে থাকলেও ‘বিবাহিত’

    ১৯৪৮ সালের আদমশুমারি আইন এবং ১৯৯০ সালের আদমশুমারি বিধি অনুযায়ী ২০২৭ সালে হবে জনগণনা। আর সেই জনগণনার সময় লিভ-ইন যুগলদেরও ‘বিবাহিত’ হিসেবেই গণ্য করা হবে। দেশের জনগণনা নিয়ে মানুষের একাধিক প্রশ্নের উত্তর দিতে একটি পোর্টাল চালু করেছে কেন্দ্র। সেখানেই জানানো হয়েছে এমন তথ্য। আদমশুমারির সরকারি পোর্টালে ‘ফ্রিকোয়েন্টলি আস্কড কোশ্চেনে’ (FAQ)-এ বলা হয়েছে এই কথা। সেখানে জানানো হয়েছে, লিভ-ইন কাপল যদি নিজেদের সম্পর্ককে স্থিতিশীল বলে বর্ণনা করে তবে তাদেরকে বিবাহিত ধরা হবে।

    দুই ধাপে হবে জনগণনা

    জনগণনা হবে দুটি ভাগে। প্রথমে হাউসিং এনলিস্টিং এবং পরে পপুলেশন এনুমারেশন। প্রথমটি চলবে ১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। যার মধ্যে ৪৫ দিনের প্রাথমিক যে সময়কাল, তার প্রথম ১৫ দিন নিজেই সব তথ্য দেওযা যাবে পোর্টালে। প্রসঙ্গত, আদমশুমারিতে উত্তরদাতাদের তাঁদের উত্তরের সপক্ষে প্রমাণ দাখিল করার প্রয়োজন হয় না। দ্বিতীয় পর্যায়ে হবে জনগনণা। যেখানে ব্যক্তির নাম, বয়স, লিঙ্গ, শিক্ষা, পেশা, ধর্ম ও বৈবাহিক অবস্থান সম্পর্কে জানাতে হবে। এই পর্বে বাড়িতে পরিদর্শনে আসা কর্মী এবং কর্মকর্তারা পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে কিছু তথ্য জানতে চাইবেন। যেগুলির উত্তর দেওয়া বাধ্যতামূলক। এই সমস্ত প্রশ্নগুলির উত্তর কোনও ভাবে ভুল দেওয়া যাবে না। নাহলে আইনি জটিলতায় পড়তে হতে পারে। ১১,৭১৮.২৪ কোটি টাকার বাজেট এবং ৬.৩৯ লক্ষেরও বেশি প্রশাসনিক ইউনিটের অংশগ্রহণে এই জনগণনা ভবিষ্যতের সরকারি নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    কোন-কোন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কাজ

    ১ এপ্রিল থেকে প্রথম পর্যায়ের (India’s First Digital Census) কাজ শুরু হচ্ছে নির্দিষ্ট ৮টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে (যেমন: আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, দিল্লি, গোয়া, কর্ণাটক, লাক্ষাদ্বীপ, মিজোরাম, ওড়িশা এবং সিকিম)। এরপর পর্যায়ক্রমে বাকি রাজ্যগুলোতেও এই কাজ চলবে। সোমবার এই ঘোষণা করেছেন রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সেন্সাস কমিশনার মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ। তিনি জানান স্বাধীনতার পর এই নিয়ে অষ্টমবার এই সেন্সাস করা হবে দেশে। এই কাজ করবে ৩০ লক্ষ তথ্য দাখিলকারী। যার মধ্যে পর্যবেক্ষক ছাড়াও আধিকতারিকরা থাকবেন।

  • Bengal Elections 2026: ভোটের আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন মুখ্যমন্ত্রী! মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে নালিশ বিজেপির

    Bengal Elections 2026: ভোটের আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন মুখ্যমন্ত্রী! মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে নালিশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ জানাল বিজেপি। মঙ্গলবার এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) এর দফতরে হাজির হয় বিজেপির প্রতিনিধি দল। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদল সিইও দফতরে গিয়ে সরাসরি অভিযোগ জানায়।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে মহিলাদের উস্কানি

    শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ,‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনী আদর্শ আচরণবিধি মানছেন না। তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে মহিলাদের উস্কানি দেওয়ার মতো মন্তব্য করছেন, যা অত্যন্ত গুরুতর।’’ শুধু তাই নয়, বিজেপির দাবি, মুখ্যমন্ত্রী নাকি প্রকাশ্যে এমন কথাও বলেছেন, ৪ মের পর বিজেপি কর্মীদের গলায় পোস্টার ঝুলিয়ে বলতে হবে ‘‘আমরা বিজেপি করি না।’’ শুভেন্দুর প্রশ্ন,‘‘একজন মুখ্যমন্ত্রী কীভাবে এমন মন্তব্য করতে পারেন? তিনি প্রার্থী হলেও তাঁর সাংবিধানিক দায়িত্ব রয়েছে। এভাবে কি ভোট-পরবর্তী হিংসার ইঙ্গিত দেওয়া যায়?’’ এই সমস্ত অভিযোগই মঙ্গলবার লিখিত আকারে সিইও দফতরে জমা দেওয়া হয়েছে।

    ‘ভয় ও উস্কানিমূলক’ পরিবেশ

    প্রসঙ্গত, এর ঠিক একদিন আগেই দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে একই অভিযোগ জানায় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল, কিরেণ রিজিজু, অরুণ সিং ও সুকান্ত মজুমদারের স্বাক্ষরিত চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূলের সভা-সমাবেশ থেকে পরিকল্পিতভাবে ‘ভয় ও উস্কানিমূলক’ পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। চিঠিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে ২৫ মার্চ ময়নাগুড়ি ও নকশালবাড়ি এবং ২৬ মার্চ পাণ্ডবেশ্বরের সভার বক্তব্য। পাশাপাশি তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের ২৮ মার্চের এক সাংবাদিক বৈঠকের মন্তব্যকেও নিশানা করা হয়েছে। বিজেপির দাবি, এই সমস্ত বক্তব্য ভোটারদের প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে দেওয়া এবং তা সরাসরি নির্বাচনী আচরণবিধির পরিপন্থী। তাদের অভিযোগ, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় পুলিশ ‘নিষ্ক্রিয়’ এবং ‘পক্ষপাতদুষ্ট’। স্পর্শকাতর এলাকায় আরও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন, অতিরিক্ত আইএএস ও আইপিএস পর্যবেক্ষক নিয়োগের দাবিও জানানো হয়েছে। এমনকী ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ও জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের আওতায় এফআইআর দায়েরের আর্জিও জানানো হয়েছে।

  • Masood Azhar’s Brother Dies: কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা, পাকিস্তানে জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের দাদার রহস্যজনক মৃত্যু

    Masood Azhar’s Brother Dies: কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা, পাকিস্তানে জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের দাদার রহস্যজনক মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে ফের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ-এর প্রধান মাসুদের পরিবারে রহস্যমৃত্যু। দিল্লির পার্লামেন্ট থেকে পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড এবং জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের (Jaish chief Masood Azhar) বড় ভাই, সংগঠনের শীর্ষ নেতা মহম্মদ তাহির আনোয়ারের রহস্যজনক ভাবে মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। এই ঘটনায় শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। পাকিস্তানের বিভিন্ন সূত্রের খবর অনুযায়ী, তার মৃত্যু কী ভাবে হয়েছে তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও তথ্য সামনে আসেনি। স্বাভাবিক মৃত্যু, অসুস্থতা, নাকি অন্য কোনও কারণ, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে। মাসুদ আজহারের (Masood Azhar’s Brother Dies) দাদার মৃত্যুর খবর মিললেও ঘটনাটি নিয়ে পাকিস্তানের প্রশাসনের তরফেও কোনও বিস্তারিত বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি, ফলে বিষয়টি আরও রহস্যজনক হয়ে উঠেছে। সোমবার স্থানীয় সময় রাত ১১টায় বহওয়ালপুরে জামিয়া মসজিদ উসমান ওয়ালিতে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে বলে জইশের টেলিগ্রাম চ্যানেলে ঘোষণা করা হয়েছে।

    ভারতে একাধিক হামলার মূল চক্রী তাহির

    দীর্ঘদিন ধরে জইশের ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ এবং নাশকতার ব্লু-প্রিন্ট তৈরির নেপথ্যে অন্যতম মূল চক্রী ছিল এই তাহির আনোয়ার। জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষ স্থানীয় কমান্ডার ছিল মাসুদের বড় ভাই তাহির। জঙ্গি সংগঠনের প্রধান মাসুদের ১২ ভাইবোনের মধ্যে সে-ই বড়। জইশ-এর একাধিক ভারতবিরোধী হামলায় যুক্ত ছিল তাহির। ৬২ বছর বয়সি এই জঙ্গি নেতা দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে জইশের সামরিক শাখার প্রধানের ভূমিকা পালন করেছে। বিভিন্ন অভিযানের আগে জঙ্গিদের প্রশিক্ষণের দায়িত্ব থাকত তাহিরের উপরেই। ভারতে সংসদে হামলা, পুলওয়ামা হামলার সময়েও জঙ্গিদের প্রশিক্ষণে মাসুদের এই দাদার ভূমিকা ছিল বলে দাবি। সূত্রের খবর, জইশ-ই মহম্মদে যোগদানের আগে তারিক পোল্ট্রি খামারের সঙ্গে যুক্ত ছিল। ১৯৯৯ সালে কান্দাহর কাণ্ডে মাসুদ ভারতের হাত থেকে মুক্ত হওয়ার পরে জইশকে ঢেলে সাজায়। ২০০১ সালে তার ডাকে সংগঠনে যোগ দেয় জঙ্গি নেতার বড়দা তারিক। ২০০১ সাল থেকে আনোয়ার জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির স্থাপন, পরিচালনা এবং প্রশিক্ষণের তত্ত্বাবধান করে আসছিল। ফলে তার মৃত্যু জইশের জন্য বড় ক্ষতি বলে দাবি করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

    মারকাজের দায়িত্বে তাহির

    তাহির দীর্ঘ সময় ধরে জইশের নানা কাজকর্ম সামলাচ্ছিল। সংগঠনের অন্যতম মাথা ছিল সে। মাসুদের আর এক ভাই ইব্রাহিম আজহার আফগনিস্তানে নানা জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত। তাহিরের দায়িত্বে ছিল সশস্ত্র জঙ্গিরা। পরবর্তী কালে তাকে মারকাজ উসমান-ও-আলির দায়িত্ব দেওয়া হয়। ভারত যখন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিঁদুর অভিযান চালাচ্ছিল, সেই সময় এই মারকাজেই অস্থায়ী ঠিকানা গড়ে তুলেছিল মাসুদ। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মারকাজের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে, তা নিয়ে নেতৃত্বের মধ্যে টানাপড়েন চলছিল। তার পরই তাহিরকে মারকাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সূত্রের খবর, বাহাওয়ালপুরে জইশের নতুন নবপ্রতিষ্ঠিত সদর দফতর ‘মারকাজ উসমান-ও-আলি’-তেই গত কয়েক মাস ধরে থাকছিল তারিক। সোমবার ভারতীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ সেখানেই মারা যায় সে। সূত্রমতে, সোমবার রাতেই আনুমানিক রাত সাড়ে ১১টায় মারকাজ উসমান-ও-আলি কমপ্লেক্সের ভিতরেই তার জানাজার নমাজ সম্পন্ন হয়। সংগঠনটির বেশ কয়েকজন শীর্ষ সদস্য জানাজায় উপস্থিত ছিল। মাসুদ আজহার, ইব্রাহিম আজহার, তালহা আল সাইফ, আবদুর রউফ এবং মহম্মদ আম্মার আলভির উপস্থিতির কথা জানা গিয়েছে।

    ভারতে জঙ্গি-হামলায় জইশ যোগ

    গত বছর সিঁদুর অভিযানের সময় পাকিস্তানের যে সব জায়গায় হামলা চালিয়েছিল ভারত, তার মধ্যে অন্যতম ছিল বহওয়ালপুর। সেই সময় এক রাতে পাকিস্তানের ২১টি জঙ্গিঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছিল। সেই হামলায় মৃত্যু হয় জইশ প্রধান আজহারের পরিবারের ১০ জনের। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে সেই সময় দাবি করা হয়, ওই হামলায় নিহত হয়েছেন মাসুদের বোন এবং ভগ্নিপতিও। দীর্ঘ সময় ধরে ভারতের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় রয়েছেন মাসুদ। এমনকী, রাষ্ট্রপুঞ্জও মাসুদকে ‘জঙ্গি’ বলে দাগিয়ে দেয়। তিনিই জইশের প্রতিষ্ঠাতা। ২০০২ সালে সরকারি ভাবে জইশ-ই-মহম্মদকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ, তা কেবল খাতায়কলমে। পাকিস্তানের ক্যাম্পাসে বসে বিনা বাধায় কাজ করত জইশ জঙ্গিরা। ভারতে বিভিন্ন জঙ্গি হামলার নেপথ্যেই ছিল জইশ। ২০০১ সালে দিল্লিতে সংসদে হামলা হোক বা ২০১৬ সালে পঠানকোটে বিমানঘাঁটি কিংবা ২০১৯ সালের পুলওয়ামায় হামলা— এমন নানা জঙ্গি হামলা চালিয়েছিল জইশ।

    অন্তরালে আজহার

    তাহিরের মৃত্যু হলেও ২০০১ সালের সংসদ হামলার পর থেকে এখনও অন্তরালে রয়েছেন মাসুদ আজহার। তবে ২০২৪ সালের শেষের দিকে বহওয়ালপুরে আবার তাঁকে দেখা গিয়েছিল। ভারতীয় গোয়েন্দারা, তার গতিবিধির উপর কড়া নজর রেখেছিলেন। সর্বশেষ খবর থেকে জানা যায়, বাহওয়ালপুরের ওই ক্যাম্পাসে বসেই আবার নতুন করে জঙ্গি হামলার ছক কষছিল আজহার। অপরাশেন সিঁদুরে পরিবারের সদস্য ছাড়াও, জইশ প্রধানের একাধিক ছায়াসঙ্গী এবং সংগঠনের প্রথম সারির বেশ কয়েকজন কমান্ডার খতম হলেও, আজহার ছিল অধরা। তবে, সব মিলিয়ে, অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে আর্থিক ও সামরিক দিক থেকে খাদের কিনারায় থাকা জইশ-ই-মহম্মদের আর এক শীর্ষ নেতার মৃত্যু আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে এক বিরাট মাইলফলক।

  • Maoist-Free India: “দারিদ্রতার জন্য মাওবাদ ছড়ায় না, মাওবাদের প্রভাবে দারিদ্রতা বাড়ে” নকশাল-মুক্ত ভারত, ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    Maoist-Free India: “দারিদ্রতার জন্য মাওবাদ ছড়ায় না, মাওবাদের প্রভাবে দারিদ্রতা বাড়ে” নকশাল-মুক্ত ভারত, ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্তাচলে লাল সূর্য! লাল ‘সন্ত্রাস’কে দেশ থেকে পুরোপুরি নির্মূল করতে ৩১ মার্চের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আজ সেই দিন। তার আগে, সোমবার লোকসভায় শাহ জোর গলায় জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্ধারণ করে দেওয়া সময়সীমা মেনে ভারত থেকে বামপন্থী চরমপন্থা (LWE)-কে সম্পূর্ণ মুক্ত করা হয়েছে। ভারত এখন ‘মাওবাদী মুক্ত’। একই সঙ্গে তিনি জানান, মাওবাদীদের শেষ ঘাঁটি ছত্তিশগড়ের বস্তার ‘উন্নয়নের পথে’ হাঁটছে। বস্তারের উদাহরণ টেনে শাহ জানান, লাল সন্ত্রাস সরে গিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ভারতে মাওবাদ এখন বিলুপ্তির পথে। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি আনুষ্ঠানিক ভাবে সম্পন্ন হলে দেশবাসীকে জানানো হবে। তবে আমি বলতে পারি যে আমরা নকশাল-মুক্ত হয়ে গিয়েছি।”

    ধ্বংস হয়েছে মাওবাদীদের রেড করিডর

    “নকশাল-মুক্ত ভারত” নিয়ে একটি আলোচনা চলাকালীন কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বামপন্থী চরমপন্থীদের (LWE) নির্মূল করার জন্য উল্লেখযোগ্য একটি অভিযানের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন যে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে “৭০৬ জন মাওবাদীকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে, ২,২১৮ জন মাওবাদীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ৪,৮৩৯ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে”। তিনি জানান, দেশের মোট ১২ রাজ‍্য থেকে নির্মূল মাওবাদীরা। শাহ বলেন, “তেলঙ্গানা, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড মাও মুক্ত। ধ্বংস করা হয়েছে মাওবাদীদের রেড করিডর।”

    কংগ্রেসকে নিশানা

    লোকসভায় দাঁড়িয়ে অমিত শাহ বিরোধী দলের কাছে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, স্বাধীনতার পর ৭৫ বছরের মধ্যে প্রায় ৬০ বছর কংগ্রেস দেশ শাসন করার পরও কেন বস্তারের জনগণকে উন্নয়নমূলক সুবিধাগুলো থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল? তিনি আরও বলেন, “২০১৪ সালের পর, যখন প্রধানমন্ত্রী মোদি ক্ষমতায় আসেন, তখন প্রত্যেক গরীব মানুষ একটি করে বাড়ি, গ্যাস সংযোগ, পানীয় জল, বিমা এবং খাদ্যশস্য পেয়েছে। বস্তারের জনগণকে কেন বঞ্চিত করা হয়েছিল? এর কারণ কী তবে লাল সন্ত্রাস?”  ছত্তিশগঢ়ে মাওবাদীদের ইন্ধন জুগিয়েছে কংগ্রেস’, সংসদে দাঁড়িয়ে কংগ্রেসকে তোপ দাগেন শাহ।

    বামপন্থী মতাদর্শের জন্যই নকশালবাদের বিস্তার

    বক্তৃতায় তিনি ইন্দিরা গান্ধীর শাসনকালের কথা উল্লেখ করেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘প্রাথমিক সতর্কতাগুলিকে কার্যকর ভাবে মোকাবিলা করা হয়নি। সেই কারণে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আন্দোলনটি বিস্তার লাভ করেছে।’’ শাহের অভিযোগ, নকশালবাদের মূল মন্ত্র কখনওই উন্নয়ন ছিল না। ১৯৭০ সালে নির্বাচনে জেতার জন্য সময় ইন্দিরা গান্ধী সেই মতাদর্শকে সমর্থন করেছিলেন। বামপন্থী মতাদর্শের জন্যই নকশালবাদের বিস্তার হয়। শাহ বলেন, ‘‘নকশালবাদের সূচনা হয় পশ্চিমবঙ্গের নকশালবাড়ি থেকে।’’ নিরাপত্তাবাহিনীর উপর হামলা চালিয়ে মাওবাদীরা তাঁদের অস্ত্রভান্ডার পূর্ণ করতেন, লোকসভায় বলেন শাহ। তাঁর কথায়, ‘‘মাওবাদীদের ব্যবহৃত অস্ত্রের প্রায় ৯২ শতাংশই পুলিশের থেকে লুট করা।’’ শাহ আক্রমণ শানিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকেও। তাঁর দাবি, মাওবাদী নেতা হিডমার সমর্থনে ওঠা স্লোগানের মঞ্চে ছিলেন রাহুল। তাঁর ভারত জোড় যাত্রায় যোগ দিয়েছিল কয়েকটি মাওবাদী সংগঠনও।

    গুলির জবাব গুলিতেই

    অমিত শাহ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, যারা সাংবিধানিক ব্যবস্থা মানবে না, অস্ত্র হাতে তুলবে, তাদের প্রতি সরকারের কোনও সহনশীলতা নেই। তিনি বলেন, “যে বন্দুক হাতে তুলে নেবে, তাকে তার মূল্য চোকাতে হবে।” পাশাপাশি মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ করে জীবনের মূলধারায় যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান এবং তাদের পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। শাহের হুঙ্কার, ‘‘যাঁরা অস্ত্র সমর্পণ করতে রাজি, তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে’’— এই নীতিতে বিশ্বাসী মোদি সরকার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবার বুঝিয়ে দেন, সহিংসতার জায়গা নেই। শাহের কথায়, ‘‘যাঁরা অস্ত্র তুলে নেবেন, তাঁদের কাউকে রেয়াত করা হবে না।’’

    কোন পথে মাও-দমন

    দেশকে মাওবাদী-মুক্ত করার পরিকল্পনা কী ভাবে বাস্তবায়িত হয়, তা লোকসভায় বর্ণনা করেন শাহ। তিনি জানান, ২০১৯ সালের ২০ অগস্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে একটি বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকে স্থির হয়, কী ভাবে মাওবাদী-বিরোধী অভিযান চালানো হবে। পাঁচ বছর পর ২০২৪ সালের ২৪ অগস্ট মাওবাদী নির্মূল করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। তার পরে গত দু’বছর ধরে কেন্দ্রীয় বাহিনী, আধা সামরিক বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশের যৌথ অভিযানে একে একে দেশের প্রায় ১২ রাজ্যে অভিযান চলে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা শীর্ষ মাওবাদী নেতাদের মধ্যে প্রায় সকলেই হয় আত্মসমর্পণ করেছেন, নয়তো নিহত হয়েছেন।

    নিরীহ আদিবাসীদের হাতিয়ার করে মাওবাদ

    নিরীহ আদিবাসী সম্প্রদায়কে যারা অসৎ কাজে ব্যবহার করছে, তাদের তীব্র সমালোচনা করেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, “তারা সবসময় দাবি করে যে, তারা আদিবাসীদের অধিকার ও ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই করছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তাদের হিংসাত্মক মতাদর্শ ছড়াচ্ছে। গণতন্ত্র বা উন্নয়নের প্রতি তাদের কোনও আস্থা বা ভাবনা নেই।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায়, “দারিদ্রতার জন্য মাওবাদ ছড়ায় না। মাওবাদের প্রভাবে দারিদ্রতা বাড়ে।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘এতগুলো বছরে মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় আইনের শাসন ছিল না। তারা সংসদীয় রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। সেই কারণে কোটি কোটি মানুষ দারিদ্রের মধ্য বাস করেছে। হাজার হাজার তরুণ, তরুণী প্রাণ হারিয়েছেন।’’

    প্রতিটি গ্রামে স্কুল-রেশন

    শাহ আরও জানান, “আজ ছত্তিশগড়ের বস্তারে নকশালবাদ প্রায় শেষ। মানুষের সাহায্যে ও পাশে থাকতে প্রতিটি গ্রামে স্কুল করা হয়েছে। রেশন দোকান খোলা হচ্ছে, নিয়মিত ৫ কেজি খাদ্যশস্য বিতরণ করা হচ্ছে। আধার কার্ড তৈরি করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং মানুষের কাছে মৌলিক সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে যাচ্ছে।” শুধু বস্তার নয়, দেশের প্রায় সব মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকা ‘সন্ত্রাসমুক্ত’ হয়ে ‘বিকাশের’ পথে হাঁটছে, মত শাহের।

     

LinkedIn
Share