Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • BJP: ‘‘বদলে যাচ্ছে সীমান্তের জেলাগুলির জনবিন্যাস, ছেচল্লিশের দিন ফিরিয়ে আনছেন মমতা’’, তোপ শমীকের

    BJP: ‘‘বদলে যাচ্ছে সীমান্তের জেলাগুলির জনবিন্যাস, ছেচল্লিশের দিন ফিরিয়ে আনছেন মমতা’’, তোপ শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বদলে যাচ্ছে জনবিন্যাস। এনিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করলেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। বিজেপি (BJP) নেতার মতে, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে জনবিন্যাসই বদলে যাচ্ছে। এক সময় যারা ভারত ‘নাপাক’ বলে থাকতে চায়নি এদেশে, তাদেরকেই ফের টেনে আনছে তৃণমূল কংগ্রেস। সাক্ষাৎকারে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের এভাবেই অভ্যর্থনা জানাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। এভাবেই তাদের রাজ্যে টেনে আনছে শাসক দল।’’

    ১৯৪৬ সালের দিন ফিরিয়ে আনছে মমতা সরকার, তোপ শমীকের

    প্রসঙ্গত, মুর্শিদাবাদের অশান্তি নিয়ে শমীক ভট্টাচার্যের (BJP) মত, সীমান্তের জেলাগুলিতে যে ধরনে অশান্তি হচ্ছে, তাতে ১৯৪৬ সালে গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং-এর প্রতিফলন ধরা পড়ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার সেই সময়ে (১৯৪৬) রাজ্যকে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছে।’’ সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শমীক ভট্টাচার্য (BJP) বলেন, ‘‘সীমান্ত অঞ্চলের জনবিন্যাস সম্পূর্ণভাবে বদলে গিয়েছে। আমরা বর্তমানে কোথায় বাস করছি? এই জায়গা এক সময় রক্তাক্ত হয়েছিল গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং-এর সময়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার সেই অবস্থাকে ফের ফিরিয়ে আনছে।’’

    মুর্শিদাবাদের হিন্দুদের ভিটেমাটি ছাড়ার ছবি সামনে এসেছে

    প্রসঙ্গত মুর্শিদাবাদের হিংসা ব্যাপক আকার ধারণ করে। ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদে নামে তাণ্ডব দেখা যায় জেলাজুড়ে। এই ঘটনায় তিনজনের মৃত্যুও হয়েছে। অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছেন (Samik Bhattacharya)। সেখানকার স্থানীয় হিন্দুদেরকে নিজেদের ভিটেমাটিও ছাড়তে হয়েছে। তা ধরা পড়েছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সৌজন্যে। শুধু তাই নয়, বাড়ির ট্যাঙ্কের জলে বিষ মেশানোর অভিযোগ পর্যন্ত উঠেছে। একটি ভাইরাল ভিডিওতে (মাধ্যম সত্যতা যাচাই করেনি) এমনই কথা বলতে শোনা যাচ্ছে এক মধ্যবয়সি হিন্দু মহিলাকে। তিনি বলছেন, ‘‘মৌলবাদীরা জলের ট্যাঙ্কগুলিতে বিষ মিশিয়ে দিয়েছে। আমরা সেই জল খেতে পারিনি। কারণ তা বিষ মিশ্রিত ছিল।’’ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তরফ থেকে যে ভিডিওগুলি দেখানো হচ্ছে সেখানে দেখা যাচ্ছে হিন্দু মহিলারা মুর্শিদাবাদ থেকে ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে পালিয়ে আসছেন। এমনকি মাত্র ছয় দিনের বাচ্চাকে নিয়েও পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন হিন্দুরা। এই ঘটনায় বিজেপি (BJP) আঙুল তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেসের দিকেই কারণ তারা ওয়াকফ আইন বিরোধী আন্দোলনকারীদের সমর্থন করছে।

  • Tamil Nadu: উৎকণ্ঠায় ১৫০টি পরিবার! হঠাতই গ্রামবাসীদের জমি ওয়াকফ সম্পত্তি ঘোষণা তামিলনাড়ুতে

    Tamil Nadu: উৎকণ্ঠায় ১৫০টি পরিবার! হঠাতই গ্রামবাসীদের জমি ওয়াকফ সম্পত্তি ঘোষণা তামিলনাড়ুতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) ভেল্লোর জেলার আনাইকাট্টু তালুকের কট্টুকোল্লাই গ্রামে হঠাৎ এক নোটিশ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ১৫০টি পরিবার সম্প্রতি এমন একটি নোটিশ পেয়েছেন, যেখানে তাদের বসবাসের জমিকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা ভেল্লোর জেলা কালেক্টরের কার্যালয়ে গিয়ে জোরালো প্রতিবাদ জানান ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেন। নোটিশটি সাঈদ আলি সুলতান শাহ নামে এক ব্যক্তির পক্ষ থেকে জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কট্টুকোল্লাই গ্রামের জমি একটি স্থানীয় দরগার সম্পত্তি এবং গ্রামবাসীদের হয় সেই জমি ছেড়ে চলে যেতে হবে, অথবা দরগাকে কর (ট্যাক্স) দিতে হবে।

    অযৌক্তিক দাবি

    গ্রামবাসীদের কথায়, তারা প্রায় চার প্রজন্ম ধরে তামিলনাড়ুর ওই গ্রামে বসবাস করছেন। তাদের অধিকাংশের কাছেই সরকারি দলিলপত্র রয়েছে। তারা কৃষিকাজের উপর নির্ভরশীল এবং এই জমিই তাদের একমাত্র জীবিকা। এই দাবির ফলে তারা চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। হিন্দু মুনানির নেতা মহেশ এই প্রতিবাদের নেতৃত্ব দেন এবং প্রশাসনের প্রতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “এই গ্রামে চার প্রজন্ম ধরে মানুষ বসবাস করছেন। তাদের কাছে সব ধরনের সরকারি দলিল আছে। অথচ এখন সার্ভে নম্বর ৩৩০/১-এর জমিকে ওয়াকফ সম্পত্তি বলে দাবি করা হচ্ছে।” তিনি প্রশাসনের কাছে গ্রামবাসীদের নামে ‘পাট্টা’ (মালিকানা দলিল) জারি করার দাবি জানান, যাতে তাদের বসবাস এবং জীবিকা সুরক্ষিত থাকে।

    এই দাবি নতুন নয়, তাই ওয়াকফ বিল

    তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) তিরুচিরাপল্লি জেলার থিরুচেন্দুরাই গ্রামেও সম্প্রতি ওয়াকফ বোর্ড প্রায় ৪৮০ একর জমি এবং একটি ১৫০০ বছরের পুরনো চোল যুগের মন্দিরকে ওয়াকফ সম্পত্তি বলে দাবি করে। সেখানেও গ্রামবাসীদের জানানো হয়েছিল, তারা জমি বিক্রি করতে পারবেন না, যদি না ওয়াকফ বোর্ড থেকে ‘না-আপত্তি সনদ’ (NOC) নেন। ওয়াকফ বোর্ডের দাবি অনুযায়ী, ১৯৫৪ সালের সরকারি জরিপ অনুযায়ী তাদের মালিকানায় রাজ্যের ১৮টি গ্রামে প্রায় ৩৮৯ একর জমি রয়েছে। তবে এসব দাবি বহু বাসিন্দার কাছে অজানা ছিল, যতক্ষণ না তারা জমি বিক্রির উদ্যোগ নেন। এই ইস্যুটি জাতীয় স্তরেও আলোড়ন তোলে। সংখ্যালঘু বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু সংসদে ওয়াকফ (সংশোধনী) বিল আলোচনা চলাকালে বিষয়টি তুলে ধরেন। সংসদে ১২ ঘণ্টার বিতর্কের পরে, উক্ত বিল দুই কক্ষে পাশ হয় এবং ৫ই এপ্রিল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু অনুমোদন দেওয়ার পর এটি আইনে পরিণত হয়েছে।

     

     

     

     

     

     

  • Delhi: স্কুলে বেআইনি ফি বৃদ্ধি নিয়ে কড়া অবস্থান দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার

    Delhi: স্কুলে বেআইনি ফি বৃদ্ধি নিয়ে কড়া অবস্থান দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে (Delhi) স্কুল ফি বৃদ্ধি (School Fee Hike) এবং অভিভাবক ও ছাত্রদের হয়রানির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। সোমবার এক জনসংযোগ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই ধরনের অন্যায় সহ্য করা হবে না এবং দোষী স্কুলগুলির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “ছাত্রদের হুমকি দিয়ে বা অস্বাভাবিকভাবে ফি বাড়ানো যাবে না। ফি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম ও বিধিনিষেধ আছে এবং সেগুলো না মানলে সেই স্কুলকে ভুগতে হবে। আমরা অভিযুক্ত স্কুলগুলোকে নোটিশ পাঠাবো।”

    বেআইনি ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদ

    এদিনের অনুষ্ঠানে কুইন মেরি স্কুল, মডেল টাউনের একদল অভিভাবক অভিযোগ করেন, বেআইনি ফি (School Fee Hike) বৃদ্ধির প্রতিবাদ করার কারণে তাঁদের সন্তানদের স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। পরে মুখ্যমন্ত্রীর অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, মুখ্যমন্ত্রী একজন সরকারি আধিকারিককে নির্দেশ দিচ্ছেন ওই স্কুলের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানাতে। মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা আরও বলেন, “দিল্লি (Delhi) সরকার শিক্ষা ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, সমান সুযোগ এবং শিশুদের অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অন্যায়, শোষণ এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে আমাদের নীতি একদম স্পষ্ট — জিরো টলারেন্স। প্রতিটি শিশুর ন্যায্যতা, সম্মান এবং মানসম্মত শিক্ষা পাওয়ার অধিকার আছে।”

    কেন এই অবস্থা

    দিল্লি বিজেপি সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেবা সম্প্রতি অভিযোগ করেন, “দিল্লিতে ১,৬৫০-র বেশি বেসরকারি স্কুল রয়েছে, কিন্তু কেজরিওয়াল সরকার বছরে মাত্র ৭৫টি স্কুলের হিসাবই অডিট করতে পেরেছে। এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে অধিকাংশ বেসরকারি স্কুলই ফি বৃদ্ধি (School Fee Hike) করেছে।” এখন দেখার বিষয়, নতুন মুখ্যমন্ত্রীর কড়া পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়। দিল্লির শিক্ষা ব্যবস্থায় বেসরকারি স্কুলগুলোর প্রভাব ব্যাপক। তাই এইসব স্কুলে অস্বাভাবিক ফি বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের কাছে অনেক সময় কঠিন হয়ে যায়। স্কুলগুলি যাতে নিয়মের মধ্যে থাকে এবার সেদিকেই নজর দিয়েছে রাজধানীর বিজেপি সরকার।

  • Pune: প্রখর গ্রীষ্মে পুনের আদিবাসী গ্রামে আজও নেই ফ্যান, মিশন উর্জার আওতায় সৌর পাখা চালুর পরিকল্পনা

    Pune: প্রখর গ্রীষ্মে পুনের আদিবাসী গ্রামে আজও নেই ফ্যান, মিশন উর্জার আওতায় সৌর পাখা চালুর পরিকল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেশায় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার তানভীর ইনাম্দার। ২৮ বছর বয়সি এই ইঞ্জিনিয়ার ২০২০ সালে পৌঁছে যান পুনের (Pune) ভালানি নামের গ্রামে। এই গ্রাম একেবারে আদিবাসী সম্প্রদায় অধ্যুষিত। সেখানেই তিনি একটি প্রকল্পের উদ্বোধন করতে যান মিশন উর্জার আওতায়। গ্রামবাসীদেরকে বলেন, আমি তোমাদের গ্রামে বিদ্যুৎ আনতে চাই। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে স্বাধীনতার এতদিন পরেও পুনে শহরের কেন্দ্র থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই গ্রামে তখনও পৌঁছায়নি বিদ্যুতের আলো। এই গ্রামটি সভ্যতার আলো থেকে অনেকটাই দূরে ছিল। ছিল না কোনও সুযোগ সুবিধা। আদিবাসী সমাজ সমস্ত কিছু আশা ছেড়ে দিয়েছিল যে তাদের ক্ষেত্রে হয়তো এভাবেই আগামী দিনগুলো কাটতে হবে। কিন্তু মিশন উর্জাকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে পৌঁছান ওই মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। সেটা ছিল মে মাস। মহারাষ্ট্রে চলছিল তাপপ্রবাহ। ওই গ্রামের বাড়িগুলি কাঠ এবং কাদা দিয়ে নির্মাণ করা হয়। বাড়িগুলোতে গ্রীষ্মের তাপ ব্যাপক পরিমাণে প্রবেশ করে। ঘরের ভিতরে যত মানুষের ভিড় বাড়ে তত বেশি গরম বাড়ে। ঘাম তত তীব্র হয়। মিশন উর্জার বাস্তবায়ন করতে গিয়ে তানভীর এবং তার দল অস্বস্তিতে পড়ে যায়। তানভীর আদিবাসী পরিবারগুলোকে জিজ্ঞেস করেন যে একটু পাখা করে সাহায্য করবে কিনা। তখন আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন এদিক ওদিক তাকাতে থাকেন এবং তাঁরা বলতে থাকেন পাখা (Tribal Villages) আবার কি!

    গ্রামের যুবক অক্ষয়ের স্বপ্ন সে তার মাকে পাখা কিনে দেবে (Pune)

    এরপরেই তাঁরা চলে যান স্থানীয় অক্ষয় যাদবের বাড়িতে। অক্ষয়ের বয়স কুড়ির কোঠায়। কিন্তু তার চোখে মুখে হতাশার ছাপ স্পষ্ট। খুব একটা ভালো নেই তার মায়েরও অবস্থা। ঘরে গ্যাস নেই। স্বাভাবিকভাবে উনোনের সাহায্যে রান্না করতে হয়। ইট এবং মাটি দিয়ে তৈরি উনুন। রান্না হয় ঘুঁটে দিয়ে। অক্ষয়ের মা এভাবেই প্রতিদিন ৬ ঘণ্টা ধরে রান্না করেন। প্রতিদিন রান্নার সময় ঘর ধোঁয়ায় ভরে যায়। বায়ু দূষণ হয়। এর ফলে ফুসফুসে নানা রোগও দেখা যায়। বাড়িতে পাখা না থাকা সত্ত্বেও সেই ধোঁয়া বের হওয়ার কোন রাস্তাও নেই। অক্ষয়ের মনে সংকল্প রয়েছে যে সে তার মাকে একদিন পাখা কিনে দিতে পারবে। আদিবাসী সমাজের মানুষগুলো (Pune) এই গ্রামে এভাবেই থাকেন।

    গ্রামের পরিবারগুলির আয় ১৮০০ টাকা

    ওই গ্রামে গিয়ে তানভীর জানতে পারেন যে এই গ্রীষ্মের কারণে যে পাখা (Pune) তিনি চেয়েছেন তা এখানকার মানুষজনের আর্থিক সামর্থ্যের একেবারে বাইরে। এই গ্রামের পরিবারের মানুষজনের মাসে আয় মাত্র ১,৮০০ টাকা। একথা সত্যিই ভাবা যায় না ২০২৫ সালে এসে পরিবারের আয় ১,৮০০ টাকা। তবে আদিবাসী পরিবারগুলো বলছেন, এতেই তাদের জীবিকা নির্বাহ চলে যায়। এই গ্রামের মানুষ গ্রীষ্মের হাত থেকে বাঁচতে বাড়ির বাইরে বাড়ির বাইরে বসে থাকতেই বেশি পছন্দ করে। কিন্তু সেখানেও অনেক সমস্যা। কারণ গ্রামটিতে বিছে, সাপ, পোকামাকড় অনেক কিছুই ভর্তি। এভাবেই গ্রামের একজন মানুষ সোনু যাদব জানিয়েছিলেন যে তার প্রতিবেশীকে একবার একটি সাপে কামড়ে ছিল। যার ফলে পুরো গ্রাম নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছিল। তাপপ্রবাহের কারণে পুনের পারদ চড়তেই থাকে। মে মাসে যেন রাস্তায় বের হওয়া যায় না। এমন আবহাওয়াতে স্বস্তির প্রয়োজন। তাই ওই গ্রাম বর্তমানে অপেক্ষা করছে সৌর পাখার জন্য।

    ৫ বছরে অনেকটাই উন্নতি করেছে এই গ্রাম

    নগর জীবনের আধুনিকতা থেকে অনেক দূরে থাকা এই মুলসি গ্রাম গত পাঁচ বছরে তবে অনেকটাই উন্নতি করেছে। এ গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহের কোনও সুযোগই ছিল না। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার তানভীর ব্যাখ্যা করছেন যে আমরা গ্রামের অনেক বাড়িতেই সৌর ব্যবস্থা স্থাপন করতে পেরেছি এবং এর পুরোটাই হয়েছে মিশন উর্জার অধীনে। জানা যাচ্ছে বিদ্যুৎ যখন প্রাথমিক পর্যায়ে তখন থেকেই তানভীর ভালানি এবং অন্যান্য গ্রামের বাড়ির ছাদ পর্যবেক্ষণ করতে শুরু করেন। তাঁদের সঙ্গে মেলামেশা বাড়াতে থাকেন। অনেকের বাড়িতে তিনি টেলিভিশনও চালু করেন।

    কী বলছেন তানভীর?

    এ নিয়ে তানভীরের মত হল, ১৯৫০ সালের দিকে ভারতবর্ষে টেলিভিশন এসেছিল কিন্তু এই গ্রামগুলি কখনও টিভি চোখে দেখেনি। আমরা যে টিভিগুলিকে চালু করেছি সেগুলো এলইডি টিভি নয়। বরং ভারতীয় বাড়িতে এক সময়ে যে জনপ্রিয় পুরনো টিভিগুলি দেখা হতো সেগুলি। তানভীর আরও বলেন, ৯০ দশকে যেমন পাড়ার পরিবার একটি ব্যক্তির বাড়িতে ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে একত্রিত হত। বর্তমানে মুলশি গ্রামেও একই দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। যে বাড়িতে টিভি আছে আশেপাশের লোকজন সেখানে জমায়েত করছে। জানা গিয়েছে, মিশন উর্জার (Pune) মাধ্যমে ভারতের ২৮০ গ্রামের পরিবারকে বিদ্যুৎ এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তবে এখানকার জীবন সম্পূর্ণ আলাদা। তা বাকি ভারতবর্ষের অন্যান্য শহর অঞ্চলের জীবনের সঙ্গে একেবারেই মিলছে না। এটা তানভীর ভালো করেই লক্ষ্য করেছেন। তিনি লক্ষ্য করেন যে আদিবাসীরা প্রখর গ্রীষ্মের কারণে চর্মরোগ দেখেও বিভ্রান্ত হন না। তাঁরা বলেন, এটা গরমের কারণে হচ্ছে। প্রচুর ঘাম ঝরছে এবং তার কারণেই হচ্ছে। গ্রীষ্মকালে তাঁরা ডিহাইড্রেশনে ভোগেন। তাঁদের মাথা ঘুরতে থাকে। তাঁদের বমি বমি ভাব পায় এবং এবং এটি তাদের জীবনকে অনেকভাবে কষ্ট দেয়। সৌর পাখার মাধ্যমে পুনের ওই গ্রামগুলিতে গরম অনেকটাই কমাতে চান তানভীর এবং তাদের জীবনটাকে নতুন মাত্রায় আনতে চান।

    ৫০০ পরিবারের হাতে সৌর পাখা বিতরণ করা হবে (Pune)

    কাশি, মালে, ভালানি প্রভৃতি গ্রামের ৫০০ পরিবারের হাতে সৌর পাখা বিতরণ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। এই গ্রামগুলি পাহাড়ি পরিবেশে গড়ে উঠেছে। এই জায়গাগুলিতে খুব বেশি পরিমাণে হাওয়া বাতাস ও খেলে না। তাই গ্রীষ্মকাল যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং। পরিবারগুলিকে যে সৌর পাখা দেওয়া হবে সেগুলো পরীক্ষা করা হবে এবং এই পাখাগুলিতে প্লাস্টিক ব্যবহার করা হবে না বলে জানিয়েছেন তানভীর। তা ধাতু দিয়ে তৈরি করা হবে। পাঁচ বছরের ওয়ারেন্টিও থাকবে। মুলসির মানুষ এখন আনন্দে রয়েছেন এটা ভেবে তাদের গ্রামে আসছে পাখা।

  • Rose Valley Ponzi Scam: রোজ ভ্যালি পনজি কেলেঙ্কারির ক্ষতিগ্রস্তদের ফেরত দিতে ৫১৫.৩১ কোটি টাকা হস্তান্তর করল অর্থ মন্ত্রক

    Rose Valley Ponzi Scam: রোজ ভ্যালি পনজি কেলেঙ্কারির ক্ষতিগ্রস্তদের ফেরত দিতে ৫১৫.৩১ কোটি টাকা হস্তান্তর করল অর্থ মন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোজ ভ্যালি পনজি (Rose Valley Ponzi Scam) কেলেঙ্কারিতে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দিতে ₹৫১৫.৩১ কোটি টাকার ডিমান্ড ড্রাফট অ্যাসেট ডিসপোজাল কমিটির (ADC) হাতে তুলে দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী শ্রী পঙ্কজ চৌধুরী। ডিমান্ড ড্রাফটটি গ্রহণ করেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ও কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি ডি.কে. শেঠ। এই উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) ডিরেক্টর শ্রী রাহুল নবীন ও অন্যান্য সিনিয়র আধিকারিকরা। এই অর্থে প্রায় ৭.৫ লক্ষ প্রতারিত বিনিয়োগকারী উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৩১ লক্ষ ব্যক্তি ‘www.rosevalleyadc.com’ পোর্টালের মাধ্যমে দাবি জানিয়েছেন।

    বিনিয়োগেকারীদের অর্থ ফেরত

    চিটফান্ড কাণ্ডে টাকা জমা রেখে জালিয়াতির শিকার হওয়া বিনিয়োগেকারীদের ইতিমধ্যেই ধীরে ধীরে অর্থ ফেরত দিচ্ছে ইডি। ‘রোজ ভ্যালি’ চিটফান্ড (Rose Valley Ponzi Scam) মামলায় এখনও পর্যন্ত ২১ কোটি ৯৮ লক্ষ ২৬ হাজার ৭৪৪ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। ৩১ হাজার ৩১৯ জন টাকা পেয়েছেন। মোট পাঁচ দফায় এই টাকা দেওয়া হয়েছে বলে আগেই জানিয়েছে ইডি। চিটফান্ড কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, অসম এবং ত্রিপুরা থেকে ইডি এখনও পর্যন্ত ১ হাজার ৫৬৩ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। এর মধ্যে স্রেফ বাংলা থেকেই বা‌জেয়াপ্ত হয়েছে ১ হাজার ১৮৪ কোটি টাকা।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির উদ্যোগ

    এবারের ৫১৫.৩১ কোটি টাকার সম্পদ ২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ইডি বিভিন্ন তদন্তের মাধ্যমে ২,৯৮৭টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করে সংযুক্ত করেছিল। এই অ্যাকাউন্টগুলি আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাজেয়াপ্ত করে প্রায় ৭০০টিরও বেশি ফিক্সড ডিপোজিটে রূপান্তর করা হয়। সেই টাকাই বিনিয়োগকারীদের ফেরত দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগেই জানিয়েছিলেন, তিনি দরিদ্রদের থেকে প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থ ফেরত দেবেন। অর্থ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকার ভবিষ্যতেও এই ধরনের জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করবে এবং সাধারণ মানুষের টাকা তাঁদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।

     

     

     

     

  • Baloch Human Rights Protests: বালোচ বিদ্রোহ পাকিস্তানের তৈরি! মানবাধিকার কর্মীদের মুক্তির দাবিতে উত্তাল করাচি

    Baloch Human Rights Protests: বালোচ বিদ্রোহ পাকিস্তানের তৈরি! মানবাধিকার কর্মীদের মুক্তির দাবিতে উত্তাল করাচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালোচিস্তানের মানবাধিকার কর্মী (Baloch Human Rights Protest) মেহরান বালোচকে মুক্তির দাবিতে উত্তাল করাচি। বালোচিস্তানে (Balochistan) মানবাধিকার লঙ্ঘনের মাত্রা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। কোয়েটায় বালোচ ইয়াকজেহতির (BYC) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বিবার্গ জেহরি, তার ভাই হাম্মাল জেহরি, ডাঃ ইলিয়াস, মানবাধিকার কর্মী সাঈদা বালোচসহ বেশ কয়েকজন বেলুচ কর্মীর বলপূর্বক অন্তর্ধানের প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। অভিযোগ, বালোচ নেতাদের মুক্তির দাবিতে আন্দোলনরত সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক কর্মীদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী (Pakistan Army) কঠোর পদক্ষেপ করছে। বালোচ ন্যাশনাল মুভমেন্ট (BNM) এবং বালোচ স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশন আজাদ (BSO-A)-এর কর্মীদের নিশানা করে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করেছে। পাক সেনাবাহিনীর দমন অভিযানে নারী ও শিশুরাও আক্রান্ত।

    বালোচ আন্দোলনের প্রেক্ষাপট, জিন্নার বিশ্বাসঘাতকতা

    ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের জন্মলগ্নে বালোচিস্তানকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিয়েছিলেন মহম্মদ আলি জিন্না। ওই সময়ে বালোচিস্তান মোট চারটি এলাকায় বিভক্ত। কালাত ছাড়া বাকি তিনটি জায়গা হল খারান, লাসবেলা এবং মাকরান। এগুলিও আর পাঁচটা দেশীয় রাজ্যের মতোই ছিল। ভারত ভাগ হওয়ার পর ২২৭ দিন পর্যন্ত একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র ছিল স্টেট অব কালাত বা বালোচিস্তান। কিন্তু ব্রিটিশদের চলে যাওয়ার পর শুরু হয় বিশ্বাসঘাতকতা! ১৯৪৮ সালের মার্চের মধ্যে সুচতুর জিন্না এক এক করে খারান, লাসবেলা এবং মাকরানকে পাকিস্তানের সঙ্গে জুড়ে নেন। কালাত তখনও স্বাধীনতার ধ্বজা টিকিয়ে রেখেছে। ১৯৪৮ সালের ২৮ মার্চ মেজর জেনারেল আকবর খানের নেতৃত্বে ওই এলাকায় হামলা চালায় পাক সেনা। কালাতের শেষ শাসককে বন্দি করে করাচি নিয়ে যায় তারা। করাচিতে পাকিস্তানের সঙ্গে কালাতের (ইনস্ট্রুমেন্ট অব অ্যাকসেশন) সংযুক্তির চুক্তিতে সই করতে বাধ্য করা হয় বালোচদের। ফলে বালোচিস্তান পাকিস্তানের অংশ হয়ে যায়। আর তার প্রতিবাদেই শুরু হয় প্রথম বালোচ বিদ্রোহ (১৯৪৮-১৯৫০)। এই বিদ্রোহের নেতা ছিলেন প্রিন্স আবদুল করিম। তিনি দোস্ত-ই-ঝালাওয়ান নামে বাহিনী নিয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেন। শুরু হয় বালোচিস্তানের স্বাধীনতার লড়াই।

    বালোচদের সাম্প্রতিক লড়াই

    বালোচিস্তানের মানবাধিকার কর্মীদের (Baloch Human Rights Protest) অভিযোগ, পাকিস্তান সরকার প্রথম থেকেই বালোচ জনগণের ন্যায্য দাবিকে সহিংস দমন-পীড়নের মাধ্যমে দমিয়ে রাখছে। সম্প্রতি পাক সেনার হামলায় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিয়েছে। লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ এবং নির্বিচারে গণগ্রেফতারের মাধ্যমে আন্দোলন থামানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি আরও মারাত্মক হয়ে ওঠে, যখন সরিয়াবে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গুলিতে তিনজন বালোচ বিক্ষোভকারী নিহত হন এবং বহু আহত হন। এছাড়া, ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়, যাতে বিক্ষোভের খবর আন্তর্জাতিক মহলে না পৌঁছায়। শুধু বিক্ষোভকারীরাই নয়, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী সাধারণ বালোচ জনগণের ওপরও ভয়াবহ নির্যাতন চালাচ্ছে।

    আন্তর্জাতিক মহলে চর্চা

    যতই পাক সরকার আন্দোলন দমন করার চেষ্টা করুক, বালোচিস্তানে চলমান মানবাধিকার লঙ্ঘন আন্তর্জাতিক মহলের নজর এড়ায়নি। জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের (UNHRC) ৫৮তম অধিবেশনে বালোচিস্তানের এই পরিস্থিতি গুরুতরভাবে উত্থাপিত হয়েছে। বালোচ জাতীয় আন্দোলনের নেতা নিয়াজ বালোচ বলেছেন, “বলপূর্বক অন্তর্ধান এখন বালোচিস্তানে নিপীড়নের একটি পদ্ধতিগত অস্ত্র হয়ে উঠেছে।” তিনি অভিযোগ করেন যে বিবার্গ জেহরি, হাম্মাল জেহরি এবং আরও বহু বালোচ কর্মীকে পরিকল্পিতভাবে গুম করা হয়েছে। পাশাপাশি, নিরাপত্তা বাহিনীর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বালোচিস্তানের সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে। নিয়াজ বালোচ আরও বলেন, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী সরকার-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে বালোচ জনগণের ওপর দমননীতি চালিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে বহু পরিবার সম্মিলিত শাস্তির শিকার হচ্ছে।

    বালোচরা শুধু প্রাকৃতিক সম্পদের উৎস

    পাকিস্তানের কাছে বালোচরা শুধু প্রাকৃতিক সম্পদের উৎস। বালোচিস্তানের খনিজ সম্পদ, গ্যাস, খনিগুলি লুট করা শুরু হল। অথচ, বালোচদের উন্নয়নে কিছুই করা হল না। রাজস্বের ভাগও তারা পেল না। বিনিয়োগও এল না। পাকিস্তানের অধীন এসে বালোচরা টের পেল, তাদের শুধু লুট-ই করা হচ্ছে! পরিসংখ্যান বলছে, এখানকার ৭০ শতাংশ বাসিন্দা এখনও দারিদ্র্যসীমার নীচে। আর ১৫ শতাংশ বালোচ ভোগেন হেপাটাইটিস বি এবং সি-তে। বালোচিস্তানের প্রায় ১৮ লাখ শিশু স্কুলে পড়ার সুযোগই পায় না। সেখানকার পাঁচ হাজার বিদ্যালয়ে রয়েছে মাত্র একটি করে ক্লাসরুম। পাকিস্তানের শিশুমৃত্যুর হার যেখানে প্রতি এক লক্ষে ২৭৮, সেখানে বালোচিস্তানে তা ৭৮৫। মৃত্যুহারের এই পার্থক্যের পিছনে রয়েছে অত্যন্ত নিম্নমানের স্বাস্থ্য পরিষেবা। এসব পরিসংখ্যানে ইসলামাবাদের কোনও যায় আসে না।

    বালোচ বিদ্রোহ পাকিস্তানের তৈরি

    পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, বালোচ বিদ্রোহ আসলে বাইরের শক্তির ষড়যন্ত্র। একসময় এই ‘বাইরের শক্তি’ বলতে তারা ভারতকে বোঝাত। এখন তারা আফগানিস্তানকেও সেই তালিকায় ঢুকিয়েছে। কিন্তু আসলে বালোচদের বিদ্রোহ পাকিস্তানের হাতেই তৈরি। সেই ১৯৪৮ সাল থেকে। বালোচদের প্রতি ইসলামাবাদের বছরের পর বছর ধরে অবহেলা, দমননীতি আর নিপীড়নের ফল— বালোচ লিবারেশন আর্মির সশস্ত্র বিদ্রোহ! পাকিস্তানের ভুল নীতির কারণে যেসব সমস্যা তৈরি হয়েছে, তার জন্য কখনও নিজেদের দায় স্বীকার করেনি ইসলামাবাদ। তার উপর রয়েছে ‘চিন পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর’-এর (সিপিইসি) প্রকল্প ঘিরে বালোচিস্তানের প্রতি দীর্ঘ বঞ্চনা।

  • Shubho Nabo Barsho: পশ্চিমবঙ্গবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    Shubho Nabo Barsho: পশ্চিমবঙ্গবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা ও নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ১৪৩২ বঙ্গাব্দকে স্বাগত জানাতে মেতেছে গোটা বাংলা। বিভিন্ন দোকান ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে আজ হালখাতার জন্য লক্ষ্মী ও সিদ্ধিদাতা গণেশ পুজোও চলছে। রাজ্যজুড়ে চলছে প্রভাত ফেরীর অনুষ্ঠান। এই আবহে বঙ্গবাসীকে শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। নিজের এক্স মাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘‘পয়লা বৈশাখের (Shubho Nabo Barsho) শুভেচ্ছা। আশা করি এ বছর আপনাদের সব আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হবে। আমি সকলের সাফল্য, সুখ সমৃদ্ধি এবং সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রার্থনা করছি। শুভ নববর্ষ।’’

    পয়লা বৈশাখ কীভাবে পালিত হয়?

    এই দিনে বাঙালি সমাজের মানুষ সব কাজ থেকে অবসর নিয়ে নতুন ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে। এর পাশাপাশি মন্দিরে অনেক সাজসজ্জার পাশাপাশি নিয়ম-কানুন মেনে পুজো করেন তারা। এই দিনে গরুর পুজো করারও বিধান আছে। গরুকে তিলক, ভোগ এবং পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ নেওয়া হয়। অন্যদিকে এদিন ব্যবসার হিসাব দেখেন ব্যবসায়ীরা (Shubho Nabo Barsho)। বাংলা নববর্ষ হিসেবে পালিত হওয়া এই উৎসবে খড় পোড়ানোরও ঐতিহ্য দেখা যায় বিভিন্ন জায়গায়। মনে করা হয়, খড় জ্বালিয়ে গত বছর যে কষ্ট পেয়েছিলেন তা থেকে মুক্তি মেলে।

    ঐতিহ্যবাহী খাবারও তৈরি করার রীতিও দেখা যায় (Shubho Nabo Barsho)

    বাঙালিরা আজ ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরেন। একে অপরের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে। চলে নানা অনুষ্ঠান। এর পাশাপাশি এদিন ঐতিহ্যবাহী খাবারও তৈরি করার রীতিও দেখা যায়। এই দিনে অনেক বাঙালি বাড়িতে পান্তা ভাত তৈরি করে কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ এবং ভাজা ইলিশ মাছ সহযোগে খাওয়া-দাওয়া চলে। এছাড়াও এই দিনে অনেক ধরনের মিষ্টিও তৈরি করা হয়। বাংলা জুড়ে বর্ষবরণের (Shubho Nabo Barsho) উৎসব উপলক্ষ্যে দিকে দিকে সাজো সাজো রব। নতুন বছরে প্রিয়জন, গুরুজনদের নতুন বছরের প্রণাম ও শুভেচ্ছা জানানো হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জারেও।

  • Bhangar: মুর্শিদাবাদের পরে ভাঙড়, ওয়াকফ আইনের বিরোধিতার নামে চলল তাণ্ডব

    Bhangar: মুর্শিদাবাদের পরে ভাঙড়, ওয়াকফ আইনের বিরোধিতার নামে চলল তাণ্ডব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের পরে ভাঙড় (Bhangar)। ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদ আন্দোলন হয়ে উঠল হিংসাত্মক। গতকাল সোমবার সকাল সকাল ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদে ছড়ায় অশান্তি। স্থানীয় সোনপুর এলাকায় গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় পুলিশের পাঁচটি বাইকে। একইসঙ্গে উপস্থিত পুলিশ কর্মীদের লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টিও (Waqf Violence) শুরু হয় বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, ঘটনায় প্রায় ৮ থেকে ১০ জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন বলে খবর।

    বিক্ষোভে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে বাসন্তী হাইওয়ে

    মালদা মুর্শিদাবাদের পরে ওয়াকফ আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু হয় ভাঙড়ে (Bhangar)। আইএসএফ-র উদ্যোগে রামলীলা ময়দান অভিযানের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। মিনাখাঁ, বাসন্তী, ভাঙড়ের বিভিন্ন জায়গা থেকে দলে দলে আইএসএফ নেতা-কর্মীরা কলকাতা যাওয়ার জন্য রওনা দেয়। এমনই সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তারা। রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। বিক্ষোভে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে বাসন্তী হাইওয়ে। দুর্ভোগে পড়েন প্রচুর মানুষ। ভাঙড় থেকে কলকাতাগামী রাস্তা এরফলে বন্ধ হয়ে যায়। নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কিত হয়ে ওঠেন বাস অন্যান্য গাড়িতে থাকা যাত্রীরা। অন্যদিকে, পুলিশকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ইটবৃষ্টির অভিযোগ ওঠে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান রূপেশ কুমার।

    সোনপুর বাজারে ছড়ায় ব্যাপক অশান্তি (Bhangar)

    সোনপুর বাজার পুরোপুরি অবরোধ করা হয়। হাজার হাজার মানুষের জমায়েত করেন সেখানে। ফলে রাস্তাঘাট একেবারে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। সেই সময়ই তাঁদের রাস্তাঘাট সচল রাখার আবেদনও জানানো হয় পুলিশের তরফে। অভিযোগ ওঠে, এই সময়েই পুলিশের ওপর চড়াও হন বিক্ষোভকারীদের একাংশ। পুলিশকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ইট বৃষ্টি শুরু হয়। পুলিশের গাড়ির কাচও ভাঙে। এর পর একটি পিক আপ ভ্যান রাস্তার উপর ফেলে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয় ওয়াকফ বিরোধী আন্দোলনকারীরা। পাশাপাশি পুলিশের বাইকেও আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উল্টে দেওয়া হয় পুলিশের প্রিজন ভ্যানও (Bhangar)।

  • Harvard: ট্রাম্প সরকারের নির্দেশ অমান্য, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুদান বন্ধ করল মার্কিন প্রশাসন

    Harvard: ট্রাম্প সরকারের নির্দেশ অমান্য, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুদান বন্ধ করল মার্কিন প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের (Harvard University) ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ‘ফ্রিজ’ করল ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকার (Trump Govt)। সোমবার রাতেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফেডেরাল ফান্ডিং পাওয়ার জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়কে একাধিক শর্ত দিয়েছিল ট্রাম্পের প্রশাসন। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিতে এক গুচ্ছ পরিবর্তন আনার জন্যও বলা হয়েছিল। কিন্তু সেই শর্ত মানতে রাজি নয় হাভার্ড। সোমবার নিজেদের অবস্থানের কথা জানিয়ে দিয়েছে আমেরিকার অন্যতম অভিজাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। তারপরই তাদের অনুদান বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় মার্কিন প্রশাসন।

    ২২০ কোটি ডলারের সহায়তা বন্ধ

    সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, হার্ভার্ডকে ২২০ কোটি ডলারের সহায়তা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। ওই ২২০ কোটি ডলারের সাহায্য বন্ধের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ৬ কোটি ডলারের একটি চুক্তিও স্থগিত রাখা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই বিশ্ববিদ্যালয় (Harvard University) ক্যাম্পাসে ইহুদি-বিদ্বেষ মোকাবিলা করার লক্ষ্যে ১০টি দাবির কথা জানিয়েছে ট্রাম্পের প্রশাসন। এই দাবির মধ্যে রয়েছে আমেরিকান মূল্যবোধ এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি শত্রুতাপূর্ণ যে কোনও আন্তর্জাতিক পড়ুয়ার গ্রহণযোগ্যতা সীমিত করা। হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গভর্নেন্স, নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং ভর্তি নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার দাবি জানানো হয়।

    কেন এই সিদ্ধান্ত

    পশ্চিম এশিয়ায় হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধের আবহে আমেরিকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্যালেস্টাইনের সমর্থনে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ইহুদি-বিদ্বেষের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ মার্কিন প্রশাসনের। একই সঙ্গে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষেরা সঠিক পদক্ষেপ করছেন না বলেও অভিযোগ। বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ক্যাম্পাসে ইহুদি-বিদ্বেষ বন্ধ করার জন্য কী কী করণীয়, সে বিষয়ে কিছু শর্তাবলিও জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল সরকারের তরফে। বলা হয়েছিল, সেগুলি না-মানলে ‘শাস্তিস্বরূপ’ বিশ্ববিদ্যালয়কে আর্থিক সাহায্য দেওয়া বন্ধ করা হবে। এরই মধ্যে সোমবার বিকেলে (স্থানীয় সময় অনুসারে) প্রথম মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে আমেরিকার সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সন্ধ্যায় ট্রাম্প প্রশাসন হার্ভার্ডকে আর্থিক সাহায্য দেওয়া বন্ধের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।

    হাভার্ডের বিরোধিতা

    ট্রাম্প প্রশাসনের নয়া শর্তাবলির কড়া ভাষায় বিরোধিতা করেছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের (Harvard University) প্রেসিডেন্ট অ্যালেন এম গার্বার। তাঁর বক্তব্য, ওই শর্তগুলি মানলে শিক্ষাব্যবস্থা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতার সঙ্গে আপস করা হবে। ওই শর্তগুলি সাংবিধানিক অধিকারের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে মনে করছেন অ্যালেন। তিনি লিখেছেন, “বিশ্ববিদ্যালয় নিজের স্বাধীনতাকে সঁপে দেবে না বা নিজের সাংবিধানিক অধিকারকেও ত্যাগ করবে না।” ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানানো হয়েছে, হার্ভার্ড বা অন্য কোনও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজেদের দখলে নিতে পারবে না ফেডারেল সরকার । সেই অনুযায়ী, হার্ভার্ড নীতিগতভাবে সরকারের শর্তাবলীকে চুক্তি হিসেবে গ্রহণ করবে না।

    আমেরিকার শিক্ষা বিভাগের অভিযোগ

    ট্রাম্পের প্রশাসন হার্ভার্ডকে সর্বশেষ যে শর্তাবলি পাঠিয়েছিল, তাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের দৃষ্টিভঙ্গির বিষয়ে তথ্যসংগ্রহ করতে বলা হয়েছিল। একটি নির্দিষ্ট মতাদর্শে বিশ্বাসীদের প্রভাব যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর থেকে কমে, সে বিষয়েও পদক্ষেপ করতে বলা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা বিভাগের তরফে দেওয়া একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সেখানকার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজগুলিতে একটি উদ্বেগজনক অধিকারের মানসিকতাকে ডেকে আনা হয়েছে। তারা বলেছে, “হার্ভার্ডের বিবৃতি আমাদের দেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এক আত্মঅহংকারপূর্ণ মনোভাবের পরিচয় দেয়—যেখানে মনে করা হয়, ফেডারেল অর্থায়ন মানে দায়িত্বহীন স্বাধীনতা। ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রমে বিঘ্ন, ইহুদি ছাত্রদের হয়রানি — এগুলো সহ্য করা হবে না।” গত বছর গাজার যুদ্ধের বিরুদ্ধে হওয়া বিক্ষোভে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়। কিছু জায়গায় পুলিশ ও ইসরায়েল সমর্থকদের সাথে সংঘর্ষও ঘটে। ট্রাম্পসহ অনেক রিপাবলিকান এই আন্দোলনকারীদের হামাসের সমর্থক বলে অভিযুক্ত করেন। (হামাস হচ্ছে একটি মার্কিন সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত গ্রুপ, যারা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে প্রাণঘাতী হামলা চালায়।) মার্চে শিক্ষা বিভাগ ঘোষণা করে যে, ৬০টিরও বেশি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ইহুদি-বিরোধী হয়রানির অভিযোগে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ‘উগ্র ইহুদি বিদ্বেষ’

    গারবার বলেন, “আমরা নতুন তথ্য ও ভিন্ন মতামতের জন্য উন্মুক্ত, তবে এমন কোনো দাবিকে মেনে নেব না যা এই প্রশাসনের বা কোনো প্রশাসনের আইনগত ক্ষমতার বাইরে যায়। কোনো সরকার—যে দলই ক্ষমতায় থাকুক না কেন—বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে নির্দেশ দিতে পারে না তারা কী পড়াবে, কাকে ভর্তি বা নিয়োগ দেবে, কিংবা কোন বিষয় নিয়ে গবেষণা করবে।” এরপরই শীর্ষ রিপাবলিকান কংগ্রেসওম্যান এলিস স্টেফানিক, যিনি গত বছর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ইহুদি বিদ্বেষ নিয়ে কড়া প্রশ্ন তোলায় ট্রাম্পের প্রশংসা পান, হার্ভার্ডের অর্থায়ন পুরোপুরি বন্ধের দাবি জানান। তিনি বলেন, “এই প্রতিষ্ঠান উচ্চশিক্ষার নৈতিক ও একাডেমিক পচনের প্রতীক। হার্ভার্ডে ‘উগ্র ইহুদি বিদ্বেষ’ সহ্য করা হচ্ছে।” এই পরিস্থিতিতে হার্ভার্ডের অবস্থান ছিল একেবারেই ভিন্ন, যেখানে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে সমঝোতার পথে হাঁটে। ট্রাম্প প্রশাসন নিউ ইয়র্কের বেসরকারি এই বিশ্ববিদ্যালয়টির $৪০০ মিলিয়ন অনুদান কেটে দেয়, অভিযোগ তোলে যে তারা ইহুদি ছাত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। পরবর্তীতে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় শৃঙ্খলা নীতি সংস্কার করে এবং ৩৬ জন নিরাপত্তা অফিসার নিয়োগ করে।

     

     

     

  • Siliguri: শিলিগুড়িতে শিবভক্তদের মারধর ঘিরে গোষ্ঠী সংঘর্ষ, রণক্ষেত্র শহর

    Siliguri: শিলিগুড়িতে শিবভক্তদের মারধর ঘিরে গোষ্ঠী সংঘর্ষ, রণক্ষেত্র শহর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াকফ আইন বিরোধী প্রতিবাদের নামে মুর্শিদাবাদে তাণ্ডব বর্তমানে খবরের শিরোনামে। এই আবহে গোষ্ঠী সংঘর্ষ ছড়াল শিলিগুড়িতে (Siliguri)। একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, চড়ক পুজো করার সময়ই শিব ভক্তদের ওপর আক্রমণ চালানো হয়। বর্তমানে তাঁরা শিলিগুড়ির একটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। শিবভক্তদের একজনের নাম মানিক সরকার। মানিক সরকার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাঁরা নদীর ধারে বসে যখন পুজো করছিলেন, তখনই মৌলবাদীরা তাঁদের ওপর হামলা চালায়।

    শিলিগুড়িতে চলে ইটবৃষ্টি, বেপরোয়া ভাঙচুর, লুঠপাট

    এরপর রবিবার এনিয়ে ফের উত্তেজনা ছড়ায়। এতে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে প্রবল সংঘর্ষ ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করে। চলে ইটবৃষ্টি, বেপরোয়া ভাঙচুর, লুঠপাট। ঘটনায় আহত হয়েছেন দুই পুলিশকর্মীও। ঘটনার পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে র‍্যাফ মোতায়েন করা হয়। আপাতত গোটা এলাকায় টহল দিচ্ছে বিশাল বাহিনী। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, যাতে আর কোনও উত্তেজনা না ছড়ায়, সেই বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখা হচ্ছে। তবে এলাকায় এখনও চাপা উত্তেজনা রয়েছে।

    উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে কয়েকশো মানুষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে (Siliguri)

    জানা যাচ্ছে, বিগত কয়েকদিনেই পৃথক পৃথক ঘটনায় দুই চড়ক পুণ্যার্থীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, কয়েকশো মানুষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। চলে ব্যাপক হাতাহাতি, একে অপরের দিকে ছোড়া হতে থাকে ইট-পাথর। এর মাঝেই একাধিক দোকান ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে চালানো হয় বেপরোয়া ভাঙচুর। বেশ কিছু জায়গায় লুঠপাটের অভিযোগও উঠেছে।

    থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বিজেপি (BJP)

    এই আবহে বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, দোষীদের এখনও গ্রেফতার করা হয়নি। গতকাল অর্থাৎ সোমবার দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে শিলিগুড়ি থানার সামনে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের নেতৃত্বে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। শিলিগুড়ির (Siliguri) বিধায় পুলিশকে ৪৮ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেন। এমনকী অভিযুক্তরা গ্রেফতার না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভের হুঁশিয়ারি দেন বিজেপি বিধায়ক।

LinkedIn
Share