Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • AMCA: ‘অ্যামকা’ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হোন, বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থার কাছে আহ্বান কেন্দ্রের

    AMCA: ‘অ্যামকা’ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হোন, বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থার কাছে আহ্বান কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষায় আরও শক্তি বাড়াচ্ছে দেশ ৷ চিন, আমেরিকা, রাশিয়াকে টেক্কা দিতে এবার পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ্ যুদ্ধবিমান তৈরি করতে চলেছে ভারত। দেশীয় ‘অ্যামকা’ (AMCA) প্রকল্পকে বাস্তব রূপ দেওয়ার বিষয়ে জোরকদমে এগোচ্ছে অ্যারোনটিক্যাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (ADA)। ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান তৈরির পথে সম্প্রতি এক বড় পদক্ষেপ করল তারা। দেশের অত্যাধুনিক মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্র্যাফ্ট (AMCA) তৈরির লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন কোম্পানির কাছে ‘এক্সপ্রেশন অফ ইন্টারেস্ট’ (EOI) প্রকাশের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

    কী বলা হল বিজ্ঞপ্তিতে

    মোদি জমানায় আত্মনির্ভর ভারত যে ‘অ্যামকা’ (FGFA) তৈরি করছে, তা এখন সময়ের অপেক্ষা। সরকার সবুজ সঙ্কেত দিতেই দেশীয় পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির প্রকল্পকে বাস্তব রূপ দিতে জোরকদমে এগোচ্ছে প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও। সরকারের অ্যামকা প্রোগ্রাম অনুমোদনের মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হল। এডিএ-র বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই ‘এক্সপ্রেশন অফ ইন্টারেস্ট’-এর মূল উদ্দেশ্য হল এমন ভারতীয় সংস্থাগুলিকে চিহ্নিত করা, যারা প্রযুক্তিগতভাবে সক্ষম এবং পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের নকশা, প্রোটোটাইপ নির্মাণ, ফ্লাইট টেস্টিং এবং সার্টিফিকেশনের মতো জটিল কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারে। প্রার্থী সংস্থা একক সংস্থা, যৌথ উদ্যোগ বা কনসর্টিয়াম হতে পারে — তবে তা ভারতীয় নাগরিকদের মালিকানাধীন ও নিয়ন্ত্রিত হতে হবে এবং ভারতীয় আইনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হতে হবে।

    দেশে উৎপাদন পরিকাঠামো থাকা আবশ্যক

    অ্যারোনটিক্যাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (ADA) জানিয়েছে, প্রার্থী সংস্থাগুলির মধ্যে ডিজাইন গ্রহণ, উন্নয়ন ও ইঞ্জিনিয়ারিং, উৎপাদন, সমন্বয়, গঠন, পরীক্ষা, গুণমান ব্যবস্থাপনা এবং গ্রাহক সহায়তার মতো ক্ষেত্রে প্রমাণযোগ্য অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা থাকতে হবে। সংস্থার নিজস্ব উৎপাদন কেন্দ্র অথবা কোনও স্ট্র্যাটেজিক সহযোগিতার মাধ্যমে দেশে উৎপাদন পরিকাঠামো থাকা আবশ্যক। নথিতে উল্লেখিত যোগ্যতা ও মূল্যায়ন সূচকের ভিত্তিতে অংশগ্রহণকারী সংস্থাগুলিকে বাছাই করা হবে। চুক্তির মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ আট বছর — এই সময়ের মধ্যেই বিমানটির উন্নয়ন, প্রোটোটাইপ, পরীক্ষা এবং সার্টিফিকেশন সম্পন্ন করতে হবে। আগামী জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে এই সংক্রান্ত প্রাক-আলোচনার সভা হবে। ‘এক্সপ্রেশন অফ ইন্টারেস্ট’ সংক্রান্ত নথি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৬ অগাস্ট ২০২৫।

    প্রথম অ্যামকা প্রোটোটাইপ ২০২৯ সালের মধ্যে

    আপাতভাবে ২০৩৫ সালের আগে ‘অ্যামকা’ হাতে পাচ্ছে না বায়ুসেনা। কারণ, এটা কারও অজানা নয় যে, যে কোনও যুদ্ধবিমান তৈরি করতে অন্ততপক্ষে ১০-১৫ বছর লাগেই। ফলে, ভারতকে আরও দশটা বছর অপেক্ষা করতেই হবে স্বদেশীয় পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের জন্য। বর্তমানে নির্ধারিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, প্রথম অ্যামকা প্রোটোটাইপ ২০২৯ সালের মধ্যে আকাশে ওড়ার কথা। পুরো উন্নয়ন পর্ব ২০৩৪ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা, এবং সিরিজ উৎপাদন শুরু হতে পারে ২০৩৫ থেকে। ততদিনে হ্যাল (HAL) তেজস মার্ক-১এ এবং তেজস মার্ক-২ বিমানগুলির চলতি অর্ডারের উৎপাদন শেষ করবে।

    দুটি ধাপে তৈরি করা হবে অ্যামকা

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত সংস্থাকে একটি পৃথক উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তুলতে হবে, যাতে ভবিষ্যতের বাণিজ্যিক উৎপাদনের প্রয়োজন মেটানো যায়। এই প্রকল্পে বিড জমা দেওয়ার সম্ভাব্য সংস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস, লারসেন অ্যান্ড টুব্রো, আদানি ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেস এবং মহিন্দ্রা গ্রুপ। হ্যাল-ও এই প্রতিযোগিতায় থাকবে, তবে বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে তবেই অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। তেজস এলসিএ-র মতো, অ্যামকাও দুটি ধাপে তৈরি করা হবে। মার্ক-১ সংস্করণে থাকবে মার্কিন জিই এফ-৪১৪ ইঞ্জিন— যেটি তেজস মার্ক-২ জেটেও ব্যবহৃত হবে। ভবিষ্যতের অ্যামকা মার্ক-২ সংস্করণে ব্যবহার করা হবে সম্পূর্ণ দেশীয়ভাবে নির্মিত ইঞ্জিন, যা ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানে রূপান্তরিত হবে। এই প্রকল্পের সফলতা ভারতকে বিশ্বে উন্নত বিমান প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে। এই প্রকল্প ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তিকে আরও দৃঢ় করবে, বলেই বিশ্বাস বিশেষজ্ঞ মহলের।

    অ্যামকার মাধ্যমে এলিট ক্লাসে ভারত

    ফিফথ্ জেনারেশনের এই যুদ্ধবিমানে থাকবে দু’টি ইঞ্জিন ৷ সেই সঙ্গে, থাকবে ইলেকট্রনিক পাইলটিং সিস্টেম ৷ ২৭ টন ওজনের এই যুদ্ধবিমানে অনেক বেশি যুদ্ধাস্ত্র বহন করা যাবে ৷ অ্যামকা-র প্রধান বৈশিষ্ট হল, সম্পূর্ণ কনফিগারড্ মিসাইল বহন করা যাবে এই যুদ্ধবিমানে ৷ এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে বলে আশা করা হচ্ছে ৷ এতদিন পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান হাতে ছিল আমেরিকা, রাশিয়া, চিনসহ গুটিকয়েক প্রথম সারির শক্তিসম্পন্ন দেশের কাছে। ভারত এই পঞ্চম প্রজন্মের জেট ফাইটার তৈরির দিকে এগনোয় বিশ্বে এলিট শক্তি বলে যে দেশগুলিকে সমীহ করা হয়, সেই সারিতে চলে আসছে। পঞ্চম প্রজন্মের এই জেট বিমান শত্রু রেডারের চোখে ধুলো দিতে পারদর্শী। শব্দের চেয়ে দ্রুতগামী এই বিমানে আরও বেশ কিছু অত্যাধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করা হবে। সুখোই এসইউ-৩০এমকেআই ফাইটার জেটের উত্তরসূরী হতে চলেছে এই ফাইটার জেট। সূত্রে জানা গিয়েছে, এই যুদ্ধবিমানের ঢালাও উৎপাদন শুরু হবে ২০৩৫ সালের ভিতর। একবার এই বিমান ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে চলে আসতে শুরু করলে আকাশের উপর দেশের কর্তৃত্ব অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে।

  • India vs England: ইংল্যান্ডে লাল বলের ক্রিকেটে নামার অপেক্ষায় রোহিত-কোহলিহীন নতুন ভারত

    India vs England: ইংল্যান্ডে লাল বলের ক্রিকেটে নামার অপেক্ষায় রোহিত-কোহলিহীন নতুন ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএলের রেশ কাটিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট প্রেমীদের (India vs England) এবার ফরম্যাট বদলের পালা। শুক্রবার হেডিংলিতে শুরু হবে ভারত-ইংল্যান্ডের মধ্যে পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ।  অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির পর অবশেষে লাল বলের ক্রিকেটে ফিরছে ভারতীয় দল। এই ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের নতুন পর্বও। এর মাঝে বদলে গিয়েছে অনেক কিছু। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মাকে ছাড়া নামবে টিম ইন্ডিয়া। শুভমন গিলের নেতৃত্বে শুরু হবে এক নতুন যুগ। দুই মহাতারকার অনুপস্থিতিতে ইংল্যান্ডের মাটিতে ব্রিটিশদের চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত যশস্বী-পন্থরা।

    নতুন ভারতের যাত্রা শুরু

    ইংল্যান্ডের (India vs England) পিচ ও আবহাওয়ার সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে সিরিজ শুরুর ১৪ দিন আগে ইংল্যান্ডে পৌঁছেছে তরুণ ভারতীয় দল। সেখানে ১০ দিনের একটা শিবির করেছে তারা। নিজেদের মধ্যে প্রস্তুতি ম্যাচও খেলেছে। আগে থেকে পুরো তৈরি হয়ে তার পর সিরিজ খেলতে নামতে চাইছে ভারত। নতুন টেস্ট অধিনায়ক শুভমন গিলের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। কোহলির আগ্রাসন ভারতীয় ক্রিকেটকে বদলে দিয়েছিল। রোহিত ছিল ঠান্ডা, ধীর-স্থির, লড়াকু। ও এই দু’জনের থেকেই শিখেছে শুভমন। এবার মাঠে প্রয়োগের পালা। কোচ হিসেবে গৌতম গম্ভীরও এই প্রথম ইংল্যান্ডে গিয়েছেন। ফলে বলা যেতে পারে, তরুণ ভারতীয় দল নামবে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে। এখন দেখার শুরুটা কেমন করেন শুভমনেরা।

    কখন-কোথায় খেলা দেখবেন

    ইংল্যান্ড সফরে পাঁচটি টেস্ট খেলবে ভারতীয় দল (India vs England)। ২০ জুন অর্থাৎ শুক্রবার প্রথম টেস্ট। লিডসের হেডিংলি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে খেলা হবে প্রথম ম্যাচ। ভারতীয় সময় অনুযায়ী খেলা শুরু হবে বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে। ম্যাচ দেখার দুটো বিকল্প রয়েছে। টেলিভিশনে এই সিরিজ সম্প্রচার হবে সোনি স্পোর্টসে। তেমনই মোবাইলে খেলা দেখা যাবে জিওহটস্টার অ্যাপে। ইংল্যান্ড শুধুমাত্র প্রথম টেস্টের জন্যই দল ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড প্রাথমিক ভাবে ১৮ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে। দলে নতুন করে ঢুকেছেন তরুণ পেসার হর্ষিত রানা।

    ভারতের স্কোয়াড- শুভমন গিল (ক্যাপ্টেন), ঋষভ পন্থ (ভাইস ক্যাপ্টেন), যশস্বী জয়সওয়াল, লোকেশ রাহুল, সাই সুদর্শন, অভিমন্যু ঈশ্বরণ, করুণ নায়ার, নীতীশ রেড্ডি, রবীন্দ্র জাডেজা, ধ্রুব জুরেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, শার্দূল ঠাকুর, জসপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সিরাজ, প্রসিধ কৃষ্ণ, আকাশ দীপ, অর্শদীপ সিং, কুলদীপ যাদব, হর্ষিত রানা

    ইংল্যান্ডের স্কোয়াড- বেন স্টোকস (ক্যাপ্টেন), শোয়েব বশির, জেকব বেথেল, হ্যারি ব্রুক, ব্রাইডন কার্স, স্যাম কুক, জ্যাক ক্রলি, বেন ডাকেট, জেমি ওভার্টন, ওলি পোপ, জো রুট, জেমি স্মিথ, জশ টং, ক্রিস ওকস।

  • Operation Sindhu: মোদি সরকারের অপারেশন সিন্ধু! ইরান থেকে দেশে ফিরলেন ১১০ পড়ুয়া

    Operation Sindhu: মোদি সরকারের অপারেশন সিন্ধু! ইরান থেকে দেশে ফিরলেন ১১০ পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিন্ধুর (Operation Sindhu) মাধ্যমে ইরান থেকে ১১০ ভারতীয় পড়ুকে নিয়ে আসা বিমান সফলভাবে অবতরণ করল দিল্লিতে। এর মাধ্যমে বিমানবন্দরে অপেক্ষা করা পরিবারগুলির মুখে ফুটে উঠল এক স্বস্তির হাসি। জানা যাচ্ছে, ইরান থেকে যে ১১০ জন পড়ুয়াকে উড়িয়ে আনা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ৯০ জনই জম্মু-কাশ্মীরের ছাত্র-ছাত্রী।

    কী বলছেন পড়ুয়া আমন আজাহার

    ইরান এবং ইজরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার আবহে ইরানের আকাশপথ বন্ধ (Operation Sindhu)। সে কারণেই পড়ুয়াদের আর্মেনিয়া সীমান্ত দিয়ে পার করানো হয়েছে। ওই পড়ুয়াদের মধ্যে অন্যতম হলেন আমন আজাহার। দিল্লি বিমানবন্দরে নামার পরে তিনি নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি খুবই খুশি। আমি কতটা খুশি তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। অবশেষে আমি আমার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারলাম। ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি খুবই খারাপ। সেখানকার বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েরাও খুব কষ্টের মধ্যে আছে। যুদ্ধ কখনও কোনও কিছুর সমাধান হতে পারে না, এটা মানবতাকেই ধ্বংস করে।”

    কী বলছেন এক অভিভাবক?

    ওই পড়ুয়াদের পরিবারের সদস্যরা (Operation Sindhu) দিল্লি বিমানবন্দরে, সরকারের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং প্রশংসা করেন। কোটা থেকে আসা এক অভিভাবক, যিনি তাঁর ছেলেকে নিতে এসেছিলেন, সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমার ছেলে সেখানে এমবিবিএস পড়ছে। আর্মেনিয়া সীমান্ত দিয়ে এসে ফিরতে পেরেছে। ভারত সরকার বিশেষ বিমান পাঠিয়েছিল। আমি খুবই খুশি যে আমার ছেলে বাড়ি ফিরতে পেরেছে। আমি এজন্য ভারতীয় দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।” একই সঙ্গে ওই অভিভাবক ভারতীয় দূতাবাসের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, যাতে ইরানে যে সমস্ত পড়ুয়া এখনও রয়ে গেছেন, তাঁদের যেন দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। জানা যাচ্ছে ইরানে বর্তমানে ১৩ হাজার ভারতীয় পড়ুয়া রয়েছেন।

    ইরানে থাকা নাগরিকদের জন্য দিল্লির নির্দেশ (Operation Sindhu)

    প্রসঙ্গত, ইজরায়েল এবং ইরানের (Iran) মধ্যে যে যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তাতে ভারত সরকার ইরানে থাকা নাগরিকদের জন্য নিরাপত্তা ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং একাধিক নির্দেশ জারি করেছে। ভারত সরকার অনুরোধ করেছে, ইরানে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিক, ভারতীয় বংশোদ্ভূত এবং ছাত্র-ছাত্রীরা যেন ভারতীয় দূতাবাসের সামাজিক মাধ্যম চ্যানেলে দেওয়া আপডেটগুলি নিয়মিতভাবে অনুসরণ করেন।নয়া দিল্লির এই অনুরোধ ও উদ্যোগের ফলেই ইরান (Iran) থেকে নিরাপদভাবে ১১০ জন পড়ুয়া দেশে ফিরতে সক্ষম হয়েছেন।

  • Daily Horoscope 19 June 2025: উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শুভ যোগ রয়েছে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 19 June 2025: উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শুভ যোগ রয়েছে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বন্ধুদের বিরোধিতা থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দিন।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) পেটের সমস্যা বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মিথুন

    ১) ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কর্কট

    ১) ভাই-বোনের কাছ থেকে ভালো সাহায্য পেতে পারেন।

    ২) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির যোগ।

    ৩) সতর্ক থাকতে হবে।

    সিংহ

    ১) কোনও নিয়ম লঙ্ঘন করার জন্য বিপদে পড়তে হতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শুভ যোগ।

    ৩) কারও সঙ্গে বিবাদে জড়াবেন না।

    কন্যা

    ১) কোনও ভুল কাজের জন্য অনুতাপ হতে পারে।

    ২) অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করার ফলে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    তুলা

    ১) কারও কুপ্রভাবে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ২) সামাজিক সুনাম বা প্রতিপত্তি বিস্তারের যোগ।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    বৃশ্চিক

    ১) সাংসারিক কারণে মানসিক যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) আজ আপনাকে অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর আসতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    ধনু

    ১) ব্যয় বাড়তে পারে।

    ২) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যেতে পারে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    মকর

    ১) দূর দেশে ভ্রমণের পরিকল্পনা সফল হতে পারে।

    ২) বিদ্যার্থীদের জন্য নতুন কোনও পথ খুলতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কুম্ভ

    ১) বাড়িতে সবাই খুব সতর্ক থাকুন, চুরির ভয় রয়েছে।

    ২) আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করার শুভ দিন।

    ২) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ৩) সমাজে খ্যাতি বাড়বে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Air India Plane Crash: নাশকতার সম্ভাবনা! বিমান বিপর্যয়ে এয়ার ইন্ডিয়া কর্মীদের জেরা, কয়েক জনের মোবাইল বাজেয়াপ্ত

    Air India Plane Crash: নাশকতার সম্ভাবনা! বিমান বিপর্যয়ে এয়ার ইন্ডিয়া কর্মীদের জেরা, কয়েক জনের মোবাইল বাজেয়াপ্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান দুর্ঘটনার (Air India Plane Crash) নেপথ্যে নাশকতার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। তদন্তে উড়ান সংস্থার কর্মীদের ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী আধিকারিকেরা। গুজরাটের আমেদাবাদে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্তব্যরত গ্রাউন্ড স্টাফদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাদের বয়ানও রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়াও, ১২ জুন উড়ানের আগে যাঁরা বিমান ছাড়ার অনুমতি দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে কয়েকজন কর্মীর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তদন্তের স্বার্থে। উদ্ধার করা হয়েছে ডিজিটাল ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার (DFDR) এবং ককপিট ভয়েস রেকর্ডার (CVR)। বিমানটির ব্ল্যাক বক্সও উদ্ধার হয়েছে, যা দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

    বেশ কয়েক জনের মোবাইল বাজেয়াপ্ত

    সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত এআই ১৭১ বিমানটি ওড়ার আগে সেটির দেখাশোনার কাজে যে কর্মীরা ছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। বিমানটি (Air India Plane Crash) ওড়ার সবুজ সঙ্কেত যে কর্মীরা দিয়েছিলেন, এমন বেশ কয়েক জনের মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে দাবি ওই সূত্রের। মোবাইলগুলি যাচাই করে দেখতে চাইছেন তদন্তকারীরা, এমনই দাবি করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। গত বৃহস্পতিবার লন্ডনের গ্যাটউইকগামী ওই বিমানটি আমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে উড়ানের কিছু ক্ষণের মধ্যেই ভেঙে পড়ে। বিমানে থাকা ২৪২ জনের মধ্যে ২৪১ জনেরই মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন গুজরাটের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপাণী। তিনিও ওই বিমানেই ছিলেন।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর আশ্বাস

    বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থা ওই দুর্ঘটনার (Air India Plane Crash) কারণ খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে। ঘটনার তদন্তে যুক্ত হয়েছে বোয়িং, আমেরিকার ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (NTSB) এবং ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FAA)। ভারতের ডিজিসিএ এবং অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক জানিয়েছে, উড়ানের ঠিক আগে পাইলট ক্যাপ্টেন সুমিত সাবহারওয়াল এবং ফার্স্ট অফিসার ক্লাইভ কুন্ডার একটি ‘মে ডে’ বার্তা পাঠিয়েছিলেন। তবে এরপর এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (ATC)-এর সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। এই প্রথমবার কোনো বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার বিমান দুর্ঘটনার শিকার হলো। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুরলিধর মোহল জানান, কেন্দ্রীয় তদন্ত কমিটি এই দুর্ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তিন মাসের মধ্যে জমা দেবে।

  • Jaffar Express: আবার বালোচ বিদ্রোহীদের নিশানায় জাফর এক্সপ্রেস! বিস্ফোরণে লাইনচ্যুত ট্রেনের ছ’টি বগি

    Jaffar Express: আবার বালোচ বিদ্রোহীদের নিশানায় জাফর এক্সপ্রেস! বিস্ফোরণে লাইনচ্যুত ট্রেনের ছ’টি বগি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের তিন মাসের মধ্যে বালোচ বিদ্রোহীদের নিশানায় জাফর এক্সপ্রেস (Jaffar Express)! বালোচিস্তানের কাছে বুধবার সকালে পাকিস্তানের (Pakistan) জাকোবাবাদে ব্যাপক বিস্ফোরণের পর লাইনচ্যুত হল জাফর এক্সপ্রেসের ৬টি কামরা। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, কোয়েটা থেকে পেশোয়ারের দিকে যাচ্ছিল জাফর এক্সপ্রেস। ঘটনাটি ঘটে সিন্ধ প্রদেশের কাছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন রেল আধিকারিক ও পাক সেনা। কীভাবে এই বিস্ফোরণ তার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    কীভাবে হল?

    বালোচিস্তানের রাজধানী কোয়েটা থেকে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের রাজধানী পেশোয়ার রেলপথে প্রায় ১৬০০ কিলোমিটার। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের মধ্যে দিয়ে জাফর এক্সপ্রেস (Jaffar Express) প্রতি দিনই যাতায়াত করে। ওই ট্রেনে কোয়েটা থেকে পেশোয়ার যেতে সময় লাগে প্রায় ৩০ ঘণ্টা। জানা যাচ্ছে, এদিনও কোয়েটা থেকে পেশোয়ারের উদ্দেশে যাচ্ছিল ট্রেনটি। তখনই ঘটে এই ঘটনা। রেললাইনের পাশে একটি গরুবাজারে তীব্র বিস্ফোরণ হয়। তার অভিঘাতেই লাইনচ্যুত হয় ট্রেনটি। হতাহতের কোনও খবর মেলেনি এখনও। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে। এই দুর্ঘটনার পর আপাতত ওই রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে ৷ এমনিতে স্বাধীনতার দাবিতে অশান্ত বালুচিস্তান ৷ স্বাধীনতাপন্থী সশস্ত্র বালুচ গোষ্ঠী বালুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এর আগে মার্চে জাফর এক্সপ্রেস অপহরণ করেছিল ৷

    অতীতেও নিশানায় জাফর এক্সপ্রেস

    প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, এই ঘটনার পিছনে হাত রয়েছে বালোচ বিদ্রোহীদের। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন এই ঘটনার দায় স্বীকার করেনি। উল্লেখ্য, এই নিয়ে চলতি বছরে দ্বিতীয়বার বড় হামলা হল জাফর এক্সপ্রেসে। এর আগে গত মার্চ মাসে জাফর এক্সপ্রেস অপহরণ করে বালোচ লিবারেশন আর্মি। পাক সেনাকর্মী থেকে শুরু করে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই ও নিরাপত্তা বাহিনীর অনেকেই ছিলেন ওই ট্রেনে। প্রায় ৫০০ যাত্রী-সহ এই ট্রেনের দখল নেয় বালোচ বিদ্রোহীরা। পণবন্দি করা হয় ট্রেনে থাকা পাক সেনাদের। পালটা বালোচদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় পাক সেনা। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয় ৬৪ জনের। যার মধ্যে ছিলেন, ১৮ জন পাক সেনা ও ৩৩ জন বিদ্রোহী।

     

  • Crude Oil Crisis: ইরান-ইজরায়েল সংঘর্ষে বিশ্বে তেল সঙ্কট! ভারতে কী প্রভাব? ‘চিন্তা নেই’, আশ্বাস কেন্দ্রের

    Crude Oil Crisis: ইরান-ইজরায়েল সংঘর্ষে বিশ্বে তেল সঙ্কট! ভারতে কী প্রভাব? ‘চিন্তা নেই’, আশ্বাস কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাউদাউ করে জ্বলছে ইরানের তেলকূপ। সেই আগুনের লেলিহান শিখা যত ছড়াচ্ছে, ততই চিন্তার ভাঁজ পড়ছে বিশ্বে। না, কোনও পরিবেশজনিত কারণে এই উদ্বেগ নয়। এই উদ্বেগ বিশ্বের চালিকা শক্তিকে ঘিরে। এই চিন্তা জ্বালানি তেলকে (Crude Oil Crisis) ঘিরে।

    শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া ইজরায়েল এবং ইরানের সংঘর্ষের (Israel Iran Conflict) মাঝে আন্তর্জাতিক অপরিশোধিত তেলের বাজারেও উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ইজরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের একের পর এক তেলের খনিতে আছড়ে পড়ছে। পাল্টা হুঁশিয়ারি দিচ্ছে তেহরানও। ফলে, সংঘর্ষ থামার ইঙ্গিত তো নেই-ই, উল্টে তার পরিধি ও প্রভাব আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আর এই নিয়ে বিশ্বজুড়ে তৈরি চাপা উৎকণ্ঠা (Crude Oil Crisis)।

    দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী রাষ্ট্র ইরান

    কেন? বিশ্বের খনিজ তেলের ভান্ডারের প্রায় ১০ শতাংশ রয়েছে ইরানের হাতে। বিশ্বে তেল রফতানিকারী দেশগুলির মধ্যে প্রথম সারিতে রয়েছে রয়েছে ইরান। পেট্রোলিয়াম রফতানিকারী দেশগুলির সংস্থা ওপেক-এর মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী রাষ্ট্র এটি। ইরান সহ বিশ্বের তেল উৎপাদনকারী রাষ্ট্রগুলির গোষ্ঠী অয়েল অ্যান্ড পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ (সংক্ষেপে ওপেক) গড়ে দৈনিক ১২ কোটি ব্যারেল তেল উৎপাদন করে (Crude Oil Crisis)। এর মধ্যে, ইরান প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩৪ লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করে, যার মধ্যে প্রায় ১৭ লক্ষ ব্যারেল রফতানি করা হয়। বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত তেল সরবরাহে ইরান একটি বিশাল ভূমিকা পালন করে।

    আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি

    তথ্য বলছে, ইজরায়েল এবং ইরানের সংঘর্ষ (Israel Iran Conflict) শুরু হওয়া ইস্তক, বিশ্বের দৈনিক তেল উৎপাদনের পরিমাণ ১২ কোটি থেকে কমে ৯.৭ কোটি ব্যারেল হয়েছে। ধরে নেওয়া যেতে পারে, এই ঘাটতি ইরানের থেকেই উৎপন্ন। ফলে, ইরানের যুদ্ধের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিশ্ব তেলের বাজারে (Crude Oil Crisis)। যুদ্ধ শুরু ইস্তক আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম নির্ধারণের মানদণ্ড ব্রেন্ট-এর প্রকাশিত দৈনিক মূল্য তালিকা অনুযায়ী, জুন মাসে অপরিশোধিত তেলের দাম ২০.২ শতাংশ বেড়েছে। গত ১৪টি সেশনে বেড়েছে ৯ বার! অর্থাৎ, সেশন-প্রতি ১.৩২ শতাংশ বৃদ্ধি।

    ৮৫ শতাংশ তেল আমদানি করে ভারত

    বিশ্বে তেল আমদানিকারী দেশগুলির অন্যতম ভারত। বর্তমানে, প্রায় ৮৫ শতাংশ অপরিশোধিত তেলই অন্য দেশ থেকে আমদানি করে ভারত। তবে, বিগত ২ বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল আমদানির পরিমাণ কমিয়েছে ভারত। এখন এই ৮৫ শতাংশের মধ্যে ৪০ শতাংশ তেলই ভারত কেনে রাশিয়া থেকে। এটা চালু হয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে। সেই সময় অত্যন্ত সুকৌশল অবলম্বন করে রাশিয়া থেকে সস্তায় বিপুল পরিমাণ অশোধিত তেল আমদানি শুরু করে ভারত। একটা সময় ছিল, যখন ভারত ২৭টি দেশ (মূলত ওপেক গোষ্ঠীভুক্ত) থেকে তেল আমদানি করত। এখন সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪০। ফলে, ভারতের হাতে একাধিক বিকল্প রয়েছে। যার জেরে দেশের তেল সরবরাহ সুরক্ষা অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে।

    হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব কতটা?

    তবে, ভারতের আশঙ্কা কি একেবারেই নেই? না, অবশ্যই রয়েছে। ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের (Israel Iran Conflict) জেরে যদি হরমুজ প্রণালি (Strait of Hormuz) বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে একটা আশঙ্কা (Crude Oil Crisis) তৈরি হতে পারে। কী এই হরমুজ প্রণালি? কোথায় অবস্থিত? কেন এতটা তাৎপর্যপূর্ণ? হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর সংযুক্ত হয় এবং পরে এর মাধ্যমে তা আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত হয়।হরমুজ প্রণালি মাত্র ২১ মাইল বা ৩৪ কিলোমিটার প্রশস্ত। এই হরমুজ প্রণালির উত্তরে রয়েছে ইরান, দক্ষিণে রয়েছে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। সবচেয়ে বড় কথা, এর নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই ইরানের হাতে।

    কতটা প্রভাব পড়বে ভারতে?

    মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করা তেল মূলত হরমুজ প্রণালি রুট দিয়ে ভারতে আসে। শুধু ভারত নয়, এটি দক্ষিণ এশিয়ায় জ্বালানি তেল আমদানির অন্যতম পথ। বিশ্বের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ তেল (১ কোটি ৭০ লক্ষ ব্যারেলেরও বেশি) প্রতিদিন এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে যায়। সৌদি আরব, ইরাক, ইরান, কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মতো উৎপাদক দেশগুলি থেকে জ্বালানির রফতানির অন্যতম প্রধান জাহাজপথ হল এই প্রণালি। আবার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসন যে তথ্য দিয়েছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ, অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ব্যারেলের বেশি তেল এই সংকীর্ণ হরমুজ প্রণালির জলপথ দিয়েই যায়। এর ৮৩ শতাংশই এশিয়ার বিভিন্ন বাজারের জন্য নির্ধারিত।

    ভারতের আমদানি করা অপরিশোধিত তেলের ৩৩ শতাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে আসে। এই রাস্তা বন্ধ হলে ইরাক, সৌদি আরব, আরব আমিরশাহী থেকে আসা তেলের সরবরাহ (Crude Oil Crisis) বাধাপ্রাপ্ত হবে। এর ফলে অন্য দেশ থেকে তেল আমদানি করতে হতে পারে ভারতকে, যার প্রভাব ব্যাপকভাবে পড়বে তেলের দামে। শুধু তেল নয়, এই পথেই কাতার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি করে ভারত। তাই এই প্রাকৃতিক গ্যাসের আমদানিও বন্ধ হতে পারে যদি হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়।

    বিকল্প পথ তৈরি ভারতের

    তাহলে ভারতের সামনে উপায় কী? পশ্চিম এশিয়ায় সম্ভাব্য টালমাটাল পরস্থিতির (Israel Iran Conflict) কথা চিন্তা করে আগাম বিকল্প ব্যবস্থা তৈরি করেছে ভারত। এখন আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ এবং আমেরিকা থেকেও তেল কেনে ভারত। যেগুলি ভারত মহাসাগর হয়ে আসে। তাই এগুলোই বিকল্প হতে পারে যদি হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়। তবে এই দেশগুলি থেকে যে পরিমাণ তেল আমদানি করা হয় তা অনেকটাই কম। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হলে, সেই পরিমাণ বাড়াতে হবে। তবে, তাতে অর্থ ও সময় দুই বেশি ব্যয় হবে। ফলে, বাড়বে তেলের দাম। অর্থাৎ, হরমুজ প্রণালি (Strait of Hormuz) যদি বন্ধ হয়ে যায় তাহলে প্রতিটি ভারতবাসী এর প্রভাব অনুভব করতে পারবে। পেট্রোলের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতি মাসে সাংসারিক খরচও প্রতিটি পরিবারকে বেঁধে দিতে হবে, বাড়তে পারে মুদ্রাস্ফীতিও।

    ‘চিন্তা নেই’, আশ্বাস কেন্দ্রের

    যদিও, দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে সঙ্কট তৈরি হবে না বলে অভয় দিচ্ছে ভারত সরকার। কেন্দ্রের মতে, দাম বাড়লেও, সরবরাহের কোনও ঘাটতি হবে না। তৈরি হবে না দেশে তেলের ভান্ডারগুলিতে যে পরিমাণ তেল মজুত রয়েছে, তাতে কোনও সঙ্কট তৈরি হবে না বলেই আশ্বাস দিচ্ছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক। তারা জানিয়েছে, প্রতিদিন গড়ে ৫৬ লক্ষ ব্যারেল তেল ব্যবহার হয় ভারতে (Israel Iran Conflict)। এর মধ্যে মাত্র ১৫ থেকে ২০ লক্ষ ব্যারেল পরিমাণ তেল হরমুজ প্রণালি দিয়ে আসে। বাকিগুলি এখন আসে অন্য রুট দিয়ে। বেশ কিছুদিন ধরে এই রুটের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এনেছে দিল্লি। উপরন্তু, পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক ইতিমধ্যেই জানিয়েছে যে, সারাদেশে বর্তমানে ৭৪ দিনের তেল মজুত রয়েছে এবং কৌশলগত মজুতও রয়েছে ১০ দিনের তেল।

    ফলে, এখনই ভারতের চিন্তার কিছু নেই (Crude Oil Crisis)।

  • PM Modi: ১০ ঘণ্টায় ১২টি বৈঠক! জি-৭ সম্মেলনে একাধিক দেশের নেতাদের সঙ্গে কথা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Modi: ১০ ঘণ্টায় ১২টি বৈঠক! জি-৭ সম্মেলনে একাধিক দেশের নেতাদের সঙ্গে কথা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডায় জি৭ সম্মেলনে যোগ দিয়ে ১০ ঘণ্টায় ১২টি বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একান্ত বৈঠকে উঠে এসেছে নানা দিক। কখনও তাঁকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে কথা বলতে দেখা গিয়েছে, আবার কখনও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মারের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেছেন। এ ছাড়াও, ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা-সহ বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে আলাদা আলাদা করে বৈঠক করেছেন মোদি।

    জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্জের সঙ্গে বৈঠকে

    জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্জের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, সবুজ শক্তি, প্রযুক্তি, শিক্ষা ও উদ্ভাবনের মতো বহু ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন। জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্জের সঙ্গে এই প্রথম দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন মোদি। এই বৈঠক করতে পেরে তিনি আনন্দিত বলেই জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সন্ত্রাস দমনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে ভবিষ্যতে ভারত এবং জার্মানি একসঙ্গে কাজ করবে বলেও জানান তিনি।

    মেক্সিকোর প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রথম বৈঠক

    মেক্সিকোর নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম পার্ডোর সঙ্গেও প্রথমবারের মতো বৈঠকে মিলিত হন মোদি। দুই নেতা ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের সম্পর্ককে আরও গভীর করতে বাণিজ্য, স্টার্ট-আপ, উদ্ভাবন, কৃষি, ওষুধ শিল্প এবং সেমিকন্ডাক্টর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির কথা বলেন।

    দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে ‘স্পেশাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ’

    দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ংয়ের সঙ্গে বৈঠকে মোদি (PM Modi) দ্বিপাক্ষিক বিশেষ কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও দৃঢ় করার আহ্বান জানান। আলোচনায় উঠে আসে বাণিজ্য, উদীয়মান প্রযুক্তি, সবুজ হাইড্রোজেন, শিপবিল্ডিং এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মতো বিষয়।

    ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও জাপানের নেতাদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ

    ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁর সঙ্গে মোদির ‘পুল অ্যাসাইড’ বৈঠকে বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যুতে মত বিনিময় হয়। মাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠক শেষে মোদি বলেন, ‘‘এক জন বন্ধুর সঙ্গে কথা বলতে পারা সব সময়েই আনন্দের।’’ একই সঙ্গে ভারত-ফ্রান্সের মধ্যে সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠককে ‘ব্যতিক্রমী’ বলে ব্যাখ্যা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে আলোচনা শেষে মোদি জানান, “ভারত-ব্রিটেন সম্পর্ক আরও দৃঢ় হচ্ছে, বিশেষ করে বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে।” মেলোনির সঙ্গে বৈঠক সেরে মোদি জানান, ইটালি ও ভারতের বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় হবে। এই বন্ধুত্বের ফলে উপকৃত হবে দুই দেশের মানুষই। জাপানি প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার সঙ্গে আলোচনায় মোদী বলেন, ভারত-জাপান সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার জন্য দুই দেশই একসঙ্গে কাজ করে যাবে।

    সন্ত্রাস দমনে অন্য রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে কথা মোদির

    কানাডায় জি৭ সম্মেলনে সন্ত্রাস দমনে ভারতের অবস্থানের কথাও বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতাদের কাছে তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা জানানোর জন্য মঙ্গলবার ওই সম্মেলনে রাষ্ট্রনেতাদের ধন্য়বাদও জানান। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলাকে ‘মানবতা’-র উপর হামলা বলে মন্তব্য করেন। কিছুদিন আগে জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের উপর হামলা চালিয়ে ২৬ জনকে মেরেছিল পাক জঙ্গিরা। তার ১৫ দিনের মাথায় পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীর আঘাত হেনে একাধিক জঙ্গিঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় ভারত। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের জিরো টলারেন্সের বার্তা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পৌঁছে দেয় বহুদলীয় ৭টি প্রতিনিধি দল। জি৭ সম্মেলনে সন্ত্রাসদমনে ভারতের বার্তা স্পষ্ট করে দেন মোদি। তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কোনও ডবল স্ট্যান্ডার্ড থাকা উচিত নয়। গত ২২ এপ্রিল যে সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়েছিল, তা কেবল পহেলগাঁওয়ের উপর হামলা ছিল না। তা প্রত্যেক ভারতীয়র আত্মা, পরিচয়, মর্যাদার উপর হামলা ছিল। পুরো মানবতার উপর হামলা হয়েছিল।”

    ক্রোয়েশিয়ায় মোদি

    পাঁচ দিনের ত্রিদেশীয় সফরের শেষ পর্যায় বুধবার ভোরে ক্রোয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বুধবার জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর তিন দেশের সফরের শেষ পর্যায়ে ক্রোয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। তিনি এও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কানাডায় অত্যন্ত ফলপ্রসূ সফর সম্পন্ন করেছেন। জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বেশ কয়েকজন নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

  • Dengue in Bengal: বর্ষা আসতে না আসতেই রাজ্যে ডেঙ্গির চোখরাঙানি! কোথায় বাড়তি সতর্কতা জরুরি?

    Dengue in Bengal: বর্ষা আসতে না আসতেই রাজ্যে ডেঙ্গির চোখরাঙানি! কোথায় বাড়তি সতর্কতা জরুরি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ চড়লেও আকাশে মেঘ জমেছে! মাঝেমধ্যেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি। বর্ষা (Monsoon) আসছে! আবহাওয়া দফতর জানান দিয়েছে। কিন্তু তার সঙ্গেই ডেঙ্গির চোখরাঙানি (Dengue) শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরে ফের ডেঙ্গির দাপট (Dengue in Bengal) শুরু হতে পারে। তাই আগাম বাড়তি সতর্কতা জরুরি। রাজ্যবাসীর ভোগান্তি কমাতে এখন থেকেই বাড়তি তৎপরতা (Dengue Precautions) প্রয়োজন। না হলে বিপদ মারাত্মক হতে পারে।

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতর?

    রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর (West Bengal Health Department) সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের একাধিক জেলায় বর্ষা (Monsoon Season) শুরু হওয়ার আগেই ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা গিয়েছে। বৃষ্টি বাড়লে প্রকোপ আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছরে রাজ্যে অগাস্ট-সেপ্টেম্বর-অক্টোবর এই তিন মাসে ডেঙ্গি সবচেয়ে বেশি দাপট দেখিয়েছে। বিশেষত সেপ্টেম্বর মাস জুড়ে ব্যাপকভাবে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। তাই অন্তত জুন-জুলাই থেকেই বাড়তি সতর্কতা জরুরি (Dengue Precautions)। বর্ষার শুরু থেকেই ডেঙ্গি মোকাবিলায় সক্রিয় হলে, বিপদ মোকাবিলা সহজ হবে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    রাজ্যের কী পরিস্থিতি?

    স্বাস্থ্য দফতর থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের (Dengue in Bengal) সংখ্যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। বর্ষা শুরুর আগেই হাওড়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, হুগলি এবং মুর্শিদাবাদের ডেঙ্গি পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। তথ্য অনুযায়ী, জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত হাওড়ায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১৯০ জন। উত্তর চব্বিশ পরগনায় কমবেশি ১৬০ জন। হুগলিতে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে ১৩৫ জন। মুর্শিদাবাদে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে ১২০ জন। ডেঙ্গির চোখরাঙানি থেকে বাদ নেই কলকাতাও। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, কলকাতাতে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৮৯ জন। এছাড়াও, বর্ধমান, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, নদিয়া জেলার পরিস্থিতিও যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য প্রশাসনের একাংশ।

    কীভাবে ডেঙ্গি মোকাবিলা করবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সরকারের তৎপরতা এবং সাধারণ মানুষের সতর্কতা ডেঙ্গি মোকাবিলা সহজ করবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গি মোকাবিলায় এলাকা (Dengue in Bengal) পরিষ্কার সবচেয়ে জরুরি। মশার আঁতুরঘর ভাঙতে না পারলে ডেঙ্গির প্রকোপ বাড়বে। তাই এলাকার পার্ক, রাস্তা এমনকি আবর্জনা ফেলার জায়গাও পরিচ্ছন্ন থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, জল জমতে দেওয়া চলবে না। বাড়ির ছাদে, বাগানে কিংবা এলাকার পার্কে আগাছা জন্মালে পরিষ্কার করতে হবে। বিশেষত যারা ছাদে বা বারন্দায় বাগান করেন, তাঁদের জন্য পরামর্শ, টবে যাতে জল না জমে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্থির জলে ডেঙ্গি মশা বেশি জন্মায়। তাই টব কিংবা ফুলদানির মতো জায়গায় জল জমলে ডেঙ্গির মশার প্রকোপ বাড়ার ঝুঁকিও (Dengue Risks) বেশি। বাড়িতে চৌবাচ্চা থাকলে সেখানেও সাত দিনের বেশি জল যাতে না জমে সেদিকে খেয়াল রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    আশপাশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি ডেঙ্গি মোকাবিলায় নিয়মিত ব্লিচিং পাউডার ছড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। সংক্রমণ রুখতে ডেঙ্গির উপসর্গ সম্পর্কেও সচেতন থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, তিন দিন লাগাতার জ্বর-সর্দি-কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই রক্ত পরীক্ষা করা জরুরি (Dengue in Bengal)। ডেঙ্গি হয়েছে কিনা সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। তাহলেই সংক্রমণ রুখতে সহজ হবে। রোগীর দ্রুত চিকিৎসা শুরু হলে বড় বিপদ এড়ানোও সহজ হবে। পরিবারের কোনো সদস্য ডেঙ্গি আক্রান্ত হলে তাকে অবশ্যই আলাদা ঘরে রাখতে হবে। মশারি টাঙিয়ে রাখা জরুরি। বাড়ির অন্য সদস্যদের যাতে ডেঙ্গি (Dengue Precautions) না হয়, সেটা খেয়াল রাখতে বাড়তি তৎপরতা প্রয়োজন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Modi Meets Carney: মোদি-কার্নি  বৈঠক ‘ফলপ্রসূ’, নতুন হাইকমিশনার নিয়োগে সম্মত ভারত ও কানাডা

    Modi Meets Carney: মোদি-কার্নি বৈঠক ‘ফলপ্রসূ’, নতুন হাইকমিশনার নিয়োগে সম্মত ভারত ও কানাডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-কানাডা সম্পর্কে নতুন মোড়। কানাডার (Modi Meets Carney) সঙ্গে ভারতের ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ সম্পর্ক আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে পূর্ণ সমর্থন জানালেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। কানাডায় জি৭ বৈঠকে অতিথি হিসেবে হাজির হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। কার্নির আমন্ত্রণেই মোদির এই সফর। কানাডার (India Canada) কানানাসকিসে জি৭ সম্মেলনের ফাঁকেই দুই রাষ্ট্রনেতার কথা হয়। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে তাঁরা উভয় দেশেই নতুন হাইকমিশনার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেন, যাতে নাগরিক ও ব্যবসায়ীদের জন্য নিয়মিত কনসুলার পরিষেবা পুনরায় চালু করা যায়।

    মোদির অভিনন্দন, বৈঠক ফলপ্রসূ

    কানাডা সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী কার্নিকে (Modi Meets Carney) সফলভাবে জি৭ সম্মেলন আয়োজনের জন্য অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “ভারত ও কানাডা গণতন্ত্র, স্বাধীনতা এবং আইনের শাসনের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। আমরা একসঙ্গে কাজ করে এই বন্ধুত্বকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।” এক্স -এ পোস্ট করে মোদি জানান, “প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে অত্যন্ত ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। আমরা বাণিজ্য, শক্তি, মহাকাশ, ক্লিন এনার্জি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও সারসহ একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর ব্যাপারে আলোচনা করেছি।” কানাডায় জি৭ সম্মেলনে সন্ত্রাস দমনে ভারতের অবস্থানের কথা বিশ্বের রাষ্ট্রনেতাদের কাছে তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা জানানোর জন্য মঙ্গলবার ওই সম্মেলনে রাষ্ট্রনেতাদের ধন্য়বাদও জানান। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলাকে ‘মানবতা’-র উপর হামলা বলে মন্তব্য করেন। এদিন জি৭ সম্মেলনের ফাঁকে রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে পার্শ্ববৈঠকও করেন মোদি।

    নতুন হাইকমিশনার নিয়োগে ঐকমত্য

    ভারত ও কানাডা (India Canada) ঘোষণা করেছে, তারা নতুন হাইকমিশনার নিয়োগ করবে। এর মাধ্যমে নাগরিক এবং ব্যবসায়িক পরিষেবা স্বাভাবিক করার দিকে এগনো যাবে। কানাডার প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, “দুই নেতা পারস্পরিক সম্মান, আইনের শাসন এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়ে একমত হয়েছেন।” মোদি আরও বলেন, “জি-৭ সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী কার্নিকে ধন্যবাদ জানাই। ২০১৫ সালের পর আবার কানাডায় আসার সুযোগ পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।” তিনি বলেন, ভারত-কানাডা সম্পর্ক বহু দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। “অনেক কানাডিয়ান কোম্পানি ভারতে বিনিয়োগ করেছে। একইভাবে ভারতীয় কোম্পানিও কানাডায় নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করেছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী এই দুটি দেশ একসঙ্গে কাজ করে মানবতাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।”

    নিজ্জর হত্যা ও সম্পর্কের অবনতি

    ২০২৩ সালের জুন মাসে খালিস্তানপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী হরদীপ সিং নিজ্জরের হত্যাকাণ্ডের পর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়। কানাডা ভারতের কয়েকজন কূটনীতিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে, যার পরিপ্রেক্ষিতে ভারত তার হাইকমিশনার ও পাঁচজন কূটনীতিককে প্রত্যাহার করে নেয় এবং পাল্টা কানাডিয়ান কূটনীতিকদের বহিষ্কার করে। ভারতের অভিযোগ, কানাডার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সরকার খালিস্তানপন্থীদের কার্যকলাপে প্রশ্রয় দেন। চলতি বছর মার্চ মাসে অর্থনীতিবিদ মার্ক কার্নি কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী হন। ট্রুডোর পদত্যাগের পর ভারত আশা করে, নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা ও সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে সম্পর্ক পুনর্গঠন করা সম্ভব হবে।

    ভারত-কানাডা সম্পর্কের উন্নতি

    মার্ক কার্নি ক্ষমতায় এসেই ভারতের (India Canada) সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করার বার্তা দিয়েছিলেন। জি৭ সম্মেলনে সেই সম্পর্ক আরও মজবুত হয়েছে বলে দাবি দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। উভয় দেশই একে অপরের রাজধানীতে হাইকমিশনারদের পুনরায় নিয়োগ করতে সম্মত হয়েছে বলেই খবর। সম্প্রতি দুই দেশের নিরাপত্তা সংস্থা আবার যোগাযোগ শুরু করেছে। কানাডা এবং ভারতের মধ্যে সম্পর্ক ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ বলেই ব্যাখ্যা করেছেন মোদি। তিনি বলেন, ‘‘দুই দেশের বন্ধুত্বকে মজবুত করার জন্য নিবিড়ভাবে কাজ করতে আগ্রহী আমরা।’’ কার্নির দাবি, ‘‘দুই দেশই জ্বালানি নিরাপত্তা থেকে শুরু করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় (এআই) সহযোগিতার কথা ভাবছে।’’ উল্লেখ্য, কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষের সংখ্যা প্রায় ১৮ লক্ষ, যা দেশটির জনসংখ্যার ৪.৫ শতাংশ। এর মধ্যে প্রায় ৭.৭ লক্ষ শিখ সম্প্রদায়ের। এছাড়া প্রায় ১০ লক্ষ ভারতীয় ছাত্র, পেশাদার ও অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কানাডায় বসবাস করছেন। ২০২২ সালে কানাডায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভারতীয় শিক্ষার্থীরাই ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠ (৪১ শতাংশ)। তবে সাম্প্রতিক অভিবাসন নীতির পরিবর্তনের ফলে ভারতীয় ছাত্র ও কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয় উভয়েই আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

LinkedIn
Share