Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Modi At Red Fort: দেশের প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ স্থান হবে নিরাপদ, লালকেল্লা থেকে ‘সুদর্শন চক্র মিশন’-এর ঘোষণা মোদির

    Modi At Red Fort: দেশের প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ স্থান হবে নিরাপদ, লালকেল্লা থেকে ‘সুদর্শন চক্র মিশন’-এর ঘোষণা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবিষ্যতের যে কোনও ধরনের প্রযুক্তি-ভিত্তিক হামলা থেকে দেশের প্রতিটা প্রান্তকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখতে এখন থেকেই পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। শুক্রবার সেই যুগান্তকারী প্রতিরক্ষা পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। এদিন দেশের ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস (79th Independence Day) উপলক্ষে দিল্লির লালকেল্লা থেকে জাতির উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন নরেন্দ্র মোদি (Modi At Red Fort)। সেখানেই তিনি জানান, আগামী ১০ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটা কোনাকে সুরক্ষিত করতে জাতীয় সুরক্ষা ঢাল তৈরি করার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। সম্পূর্ণ দেশীয় এই প্রকল্পের নাম ‘মিশন সুদর্শন চক্র’ (Mission Sudarshan Chakra)। দেশকে সুরক্ষা দেওয়ার, শত্রুদের আক্রমণ প্রতিহত পাশাপাশি শত্রুদের ধ্বংস করার ক্ষমতা থাকবে এই মিশনের। পুরোপুরিভাবে আত্মনির্ভরভাবে তথা দেশীয় প্রযুক্তিতে এই মিশন কাজ করবে, ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর।

    কী এই ‘সুদর্শন চক্র মিশন’?

    নরেন্দ্র মোদি (Modi Independence Day Speech) বলেছেন, “২০৩৫ সালের মধ্যে রাষ্ট্রের সব গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরকে পুরোপুরি একটি নির্দিষ্ট সুরক্ষা কবচের মধ্যে আনা হবে। এর সেক্টরগুলির মধ্যে সামরিক সেক্টর যেমন রয়েছে তেমনই থাকবে হাসপাতাল, রেলও। নতুন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পুরোপুরি সুরক্ষাকবচ দেওয়া হবে এই সব ক্ষেত্রকে।” প্রধানমন্ত্রী জানান, এটি ভগবান কৃষ্ণের সুদর্শন চক্র দ্বারা অনুপ্রাণিত। এটি হবে একটি অত্যাধুনিক দেশীয় প্রযুক্তিনির্ভর অস্ত্র ব্যবস্থা, যা শুধু শত্রুর আক্রমণ প্রতিরোধই নয়, প্রয়োজনে তাদের উপর নির্ভুল পাল্টা আঘাত হানতেও সক্ষম হবে। মহাভারতের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, “সকলেই জানেন, কীভাবে শ্রী কৃষ্ণ তাঁর সুদর্শন চক্র দিয়ে সূর্যকে ঢেকে দিনকে অন্ধকার করে দিয়েছিলেন, যাতে অর্জুন তাঁর প্রতিজ্ঞা পূরণ করতে সক্ষম হন। একইভাবে, ভারতের ‘সুদর্শন চক্র’ও শত্রুদের প্রতিটি আক্রমণকে নিষ্ক্রিয় করতে এবং তাদের চেয়ে বহুগুণ বেশি শক্তি দিয়ে প্রতিশোধ নিতে সক্ষম হবে।”

    প্রতিরক্ষায় দেশীয় ঢাল ও বর্ম

    প্রধানমন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেছেন যে, এই উন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্ত গবেষণা, উন্নয়ন এবং উৎপাদন ভারতেই করা হবে এবং এটি দেশের যুবকদের হাতেই প্রস্তুত করা হবে। এই ‘মিশন সুদর্শন চক্র’ বাস্তবায়নের মূল উদ্দেশ্য দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া, যেখানে আকাশপথ, স্থলপথ ও সমুদ্রপথ— তিন ক্ষেত্রেই শত্রুর যেকোনও আক্রমণ মুহূর্তের মধ্যে শনাক্ত ও প্রতিহত করা সম্ভব হবে। শুধু সামরিক সুরক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না এই প্রযুক্তি; বরং দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে— যেমন বড় শহর, কৌশলগত শিল্পাঞ্চল, বিদ্যুৎকেন্দ্র, পারমাণবিক স্থাপনা এবং সীমান্তবর্তী এলাকায়— এটি স্থাপন করা হবে, যাতে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত হয়।

    দেশীয় ইঞ্জিনের পক্ষে সওয়াল মোদির

    তিনি আরও বলেন, “এই সুরক্ষা নিয়মিত বাড়ানো হবে। রাষ্ট্রীয় সুরক্ষাকে মজবুত, আধুনিক করার জন্য এই সিদ্ধান্ত।” ‘মিশন সুদর্শন চক্র’ যে প্রযুক্তিগত হামলা ঠেকানোর ঢাল হবে, তা একপ্রকার স্পষ্ট করে দিয়েছেন মোদি। এই মিশনের জন্য রিসার্চ, ডেভেলপমেন্ট, ম্যানুফ্যাকচারিং সবটাই ভারতে হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে, যুদ্ধবিমানের জন্য মেড ইন ইন্ডিয়া ইঞ্জিনের জন্য জোরালো সওয়াল করেন তিনি। জানান, এটাই সময়ের দাবি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “সম্মান পাওয়ার জন্য আত্মনির্ভর থাকা দরকার। অপারেশন সিঁদুরে দেখেছি আত্মনির্ভরতার ক্ষমতা। আত্মনির্ভর না হলে এত বড় সাফল্য আসত না।” প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ, আমেরিকা থেকে ইঞ্জিন আসতে দেরি হওয়ায় তেজসের উৎপাদন বিলম্বিত হচ্ছে। প্রসঙ্গত, তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমানের জন্য ইঞ্জিন সরবরাহ করছে মার্কিন সংস্থা জিই।

  • Cloudburst: মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ভূ-স্বর্গে হড়পা বান, উদ্ধার ৪৬ দেহ, আরও প্রাণহানির আশঙ্কা

    Cloudburst: মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ভূ-স্বর্গে হড়পা বান, উদ্ধার ৪৬ দেহ, আরও প্রাণহানির আশঙ্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই উত্তরাখণ্ডে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে (Cloudburst) ভয়াবহ হড়পা বানের ছবি দেখা গিয়েছিল। এবার সেই একই ধারা দেখা গেল জম্মু ও কাশ্মীরেও। কিস্তওয়ার জেলায় প্রবল বৃষ্টির ফলে হড়পা বান নেমে এসেছে, যার ফলে এখনও পর্যন্ত অন্তত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন দুই সিআইএসএফ জওয়ানও। আহত হয়েছেন প্রায় ১০০ জন। নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসন। উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে সেনা, পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। কিস্তওয়ারের (Kishtwar) পুলিশ কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ৪৬টি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান।

    শোক প্রকাশ মোদির (Cloudburst)

    প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়ের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স হ্যান্ডলে তিনি জানিয়েছেন, গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহায়তা দেওয়া হবে। জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা ইতিমধ্যেই আগামীকাল স্বাধীনতা দিবসের নির্ধারিত সমস্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে, পতাকা উত্তোলন, মার্চ পাস্ট ও ভাষণের মতো কর্মসূচি নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই হবে বলে জানিয়েছেন তিনি (Cloudburst)।

    হড়পা বানের সময় চলছিল উৎসব

    লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা উদ্ধার কাজে গতি আনার নির্দেশ দিয়েছেন এবং দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন তিনি। কিস্তওয়ারের ডেপুটি কমিশনার পঙ্কজ কুমার শর্মা জানিয়েছেন, চাসোতি গ্রামে হড়পা বান নেমে আসে। এই গ্রাম থেকেই ‘মচৈল মাতা যাত্রা’ শুরু হয়। হড়পা বানের সময় বহু পুণ্যার্থী সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এই পরিস্থিতিতে যাত্রাটি আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে (Cloudburst) ।

    কী বলছেন স্থানীয় বিধায়ক সুনীল কুমার শর্মা

    স্থানীয় বিধায়ক সুনীল কুমার শর্মা জানিয়েছেন, একাধিক প্রাণহানির সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা সেনা, পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে (Kishtwar) দ্রুত ও সমন্বিতভাবে উদ্ধার কার্য পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন। এর আগে, ৫ অগাস্ট উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীর ধরালী ও হর্ষিল গ্রামেও ভয়াবহ হড়পা বান নেমেছিল। সেই দুর্যোগে ধরালীর অধিকাংশ অংশ পাথর ও কাদার নিচে চাপা পড়ে যায়। উত্তরাখণ্ডের ওই ঘটনায় পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে (Cloudburst) ।

  • PM Modi: “বিশ্বের বৃহত্তম এনজিও হল আরএসএস”, স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লার ভাষণে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “বিশ্বের বৃহত্তম এনজিও হল আরএসএস”, স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লার ভাষণে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লায় বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর ভাষণে উঠে আসে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)-এর ভূয়সী প্রশংসা (RSS)। তিনি বলেন, “আজ অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে আমি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করতে চাই—১০০ বছর আগে যে সংগঠনের জন্ম হয়েছিল, সেটি হল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ। বিগত ১০০ বছর ধরে এই সংগঠন সেবামূলক কাজ করে চলেছে। এটি ভারতের ইতিহাসে এক গৌরবময় ও সোনালি অধ্যায়। চরিত্র গঠনের মাধ্যমে জাতি গঠনের সংকল্প নিয়েই পরিচালিত হয় এই সংগঠন।” প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এনিয়ে লালকেল্লায় ১২ বার ভাষণ দিলেন। তিনি নিজেও একজন আরএসএস প্রচারক। ২০২৫ সালের বিজয়া দশমীতে ১০০ বছরে পা দিচ্ছে আরএসএস। তার আগে প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    ১০ লক্ষেরও বেশি স্বয়ংসেবক নিজেদের সমর্পণ করেছেন (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) আরও বলেন, “মাতৃভূমির সেবার লক্ষ্যে ১০ লক্ষেরও বেশি স্বয়ংসেবক সম্পূর্ণভাবে নিজেদের সমর্পণ করেছেন। দেশের উন্নতি ও মাতৃভূমির কল্যাণের জন্য তাঁরা আত্মনিবেদিত।” তিনি বলেন, “সেবা, নিষ্ঠা ও শৃঙ্খলাই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য। এক অর্থে বলা যায়, আরএসএস বিশ্বের বৃহত্তম স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এর ইতিহাস নিঃস্বার্থ সেবার এক শতাব্দীর সাক্ষ্য বহন করে।”

    সরকার গঠন করলেই জাতি গঠিত হয় না

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) কথায়, “কেবলমাত্র সরকার গঠন করলেই জাতি গড়ে ওঠে না। এর পেছনে থাকে লক্ষ লক্ষ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা—ঋষি, বিজ্ঞানী, শিক্ষক, কৃষক, যুবক, সৈনিক, শ্রমিক—সবার অবদানে গড়ে ওঠে এক শক্তিশালী দেশ। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান, উভয়ের অবদানেই নির্মিত হয় জাতির ভিত্তি।”  প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) বলেন, “আজ লালকেল্লা থেকে আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সেই সব নিঃস্বার্থ স্বয়ংসেবকদের, যারা গত এক শতকে দেশের সেবায় নিজেদের নিবেদিত করেছেন। দেশ গর্বিত এই শতবর্ষীয় আরএসএসের যাত্রাপথে এবং তাদের অবদানে।”

  • Independence Day 2025: আজ ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস, একনজরে ভারতের সংগ্রামীদের সেরা কিছু উক্তি

    Independence Day 2025: আজ ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস, একনজরে ভারতের সংগ্রামীদের সেরা কিছু উক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত জুড়ে পালিত হচ্ছে ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস (Independence Day)। দেশের সব প্রান্তে তিরঙ্গা পতাকা উড়িয়ে এই বিশেষ দিনটি আড়ম্বরের সাথে পালন করে সাধারণ মানুষ। অনেক সংগ্রাম, রক্তক্ষয় ও অশ্রুজলের মধ্যে দিয়ে প্রায় দুশো বছরের পর পরাধীনতার হাত থেকে আমরা মুক্তি পেয়েছি। বহু ভারতীয়ের দীর্ঘ এবং কঠিন সংগ্রামের পর ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট আমাদের দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। ব্রিটিশদের হাত থেকে দেশকে স্বাধীন করতে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ দিয়েছেন। সেই বীর স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অবদান কখনও ভোলার নয়। স্বাধীনতা দিবসের মত এই বিশেষ দিনে এমনই কিছু বীরের উক্তি মনে করা যাক একনজরে।

    “স্বাধীনতা মানুষের অবিচ্ছিন্ন অধিকার। ওরা আমাকে মেরে ফেলতে পারে, কিন্তু আমার বিশ্বাস, আমার চিন্তাকে ওরা কখনও মারতে পারবে না।” – ভগৎ সিং

    “প্রথমে তারা তোমাকে উপেক্ষা করবে, তারপর তোমাকে দেখে হাসবে। তারপরে সংঘর্ষে লিপ্ত হবে। শেষে কিন্তু জয় তোমারই হবে।” – মহাত্মা গান্ধী

    “পুঁজিবাদী সমাজের শক্তিগুলিকে যদি নিয়ন্ত্রণ না করা হয়, তাহলে ধনীরা আরও ধনী এবং দরিদ্ররা আরও দারিদ্রতার স্বীকার হবে।” – জওহরলাল নেহরু

    “কোনও সম্প্রদায়ের অগ্রগতি আমি সেই সম্প্রদায়ের নারীর অগ্রগতির নিরিখে পরিমাপ করি।” – ভীম রাও আম্বেদকর

    “তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।” – সুভাষ চন্দ্র বসু

    “দুশমন কি গোলিও কা হাম সামনা করেঙ্গে / আজাদ হি রহে হ্যায়, আজাদই রহেঙ্গে।” – চন্দ্রশেখর আজাদ

    “এদেশের সমস্ত নাগরিককে মনে রাখতে হবে যে তারা ভারতীয় এবং এই দেশে তাদের সমস্ত অধিকার রয়েছে, সমস্ত কর্তব্যও রয়েছে।” – সর্দার বল্লবভাই প্যাটেল

    “সরফরোশি কি তমন্না অব হামারে দিল মে হ্যায় / দেখনা হ্যায় জোর কিতনা বাজু-ই-কাতিল মে হ্যায়” – রামপ্রসাদ বিশমিল

    “স্বরাজ আমার জন্মগত অধিকার এবং আমি সেটা অর্জন করবই” – বাল গঙ্গাধর তিলক

    “আমরা গভীর আন্তরিকতা, বক্তৃতায় আরও সাহস এবং কর্মে আন্তরিকতা চাই।” – সরোজিনী নাইডু

    “আমি গীতাপাঠ করেছি। আমার মৃত্যুভয় নেই”– ক্ষুদিরাম বসু।

    “লক্ষ্যে পোঁছানোর আগে মৃত্যুর হিমশীতল তোমাদের স্পর্শ করলে তোমরা অনুগামীদের হাতে এই অন্বেষণ এর ভার তুলে দেবে-যেমন আমি তোমাদের হাতে তুলে দিচ্ছি। প্রিয় বন্ধুরা-এগিয়ে চল-কখনও পিছিয়ে যেও না। ওই দেখা যাচ্ছে স্বাধীণতার নবারুণ। উঠে-পড়ে লাগো। কখনও হতাশ হয়ো না। সাফল্য আমাদের সুনিশ্চিত।” – মাস্টারদা সূর্য সেন।

    “চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির,
    জ্ঞান যেথা মুক্ত, যেথা গৃহের প্রাচীর
    আপন প্রাঙ্গণতলে দিবসশর্বরী
    বসুধারে রাখে নাই খণ্ড ক্ষুদ্র করি,
    যেথা বাক্য হৃদয়ের উৎসমুখ হতে
    উচ্ছ্বসিয়া উঠে, যেথা নির্বারিত স্রোতে
    দেশে দেশে দিশে দিশে কর্মধারা ধায়
    অজস্র সহস্রবিধ চরিতার্থতায়,
    যেথা তুচ্ছ আচারের মরুবালুরাশি
    বিচারের স্রোতঃপথ ফেলে নাই গ্রাসি,
    পৌরুষেরে করে নি শতধা, নিত্য যেথা
    তুমি সর্ব কর্ম চিন্তা আনন্দের নেতা,
    নিজ হস্তে নির্দয় আঘাত করি, পিতঃ;
    ভারতেরে সেই স্বর্গে করো জাগরিত॥” – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

  • Independence Day 2025: আজ ১৫ অগাস্ট, ফিরে দেখা ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস

    Independence Day 2025: আজ ১৫ অগাস্ট, ফিরে দেখা ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ স্বাধীনতা দিবস (Independence Day 2025)। এ বছর ভারত তার ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে। দেশজুড়ে সাজ সাজ রব। আজ, এই মাহাত্ম্যপূর্ণ দিবস উপলক্ষে ফের একবার মনে করে নিই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা আন্দোলনের বিশেষ বিশেষ ঘটনাগুলি।

    ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহ: স্বাধীনতার প্রথম যুদ্ধটি হয়েছিল ১৮৫৭ সালে। দেশবাসী একে জানেন সিপাই বিদ্রোহ হিসেবে। মঙ্গল পাণ্ডে, বাহাদুর শাহ জাফর, রানি লক্ষ্মীবাই এবং নানা সাহিব রুখে দাঁড়িয়েছিলেন ব্রিটিশ সৈনদের বিরুদ্ধে। পরে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে গোটা দেশে।

    স্বদেশি আন্দোলন: উনবিংশ শতাব্দীতে শুরু হয় স্বদেশি আন্দোলন। বিদেশি দ্রব্য বর্জন করে দেশীয় জিনিস ব্যবহার করার ডাক দেওয়া হয়। বাল গঙ্গাধর তিলকের মতো নেতারা দেশবাসীকে স্বদেশি দ্রব্য ব্যবহার করার আহ্বান জানান। পরবর্তীকালে তিলক এবং জেআরডি টাটা মিলে চালু করেন বিখ্যাত বম্বে স্বদেশি কো-অপারেটিভ স্টোর্স কোম্পানি।

    ভারত ছাড়ো আন্দোলন: ১৯৪২ সালের ৮ অগাস্ট শুরু হয় ভারত ছাড়ো আন্দোলন। এদিনই মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির বম্বে অধিবেশন বসে। এই আন্দোলন ছিল অহিংস আন্দোলন।

    প্রথম জাতীয় পতাকা: ভারতের প্রথম জাতীয় পতাকায় ছিল সবুজ, হলুদ এবং লাল রং। ১৯০৬ সালের ৭ অগাস্ট কলকাতার পার্সি বাগান স্কোয়ারে তোলা হয় ওই পতাকা। বর্তমানে যে জাতীয় পতাকা দেখি, তা প্রথম দেখা যায় ১৯২১ সালে। তিরঙ্গা ওই পতাকায় রয়েছে গেরুয়া, সাদা এবং সবুজ। ২৪ স্পোকের অশোক চক্রও রয়েছে। জাতীয় এই পতাকার ডিজাইন করেছিলেন পিঙ্গালি বেঙ্কাইয়া। ১৯৪৭ সালের ২২ জুলাই এটি গ্রহণ করা হয়। সরকারিভাবে এই জাতীয় পতাকা তোলা হয় ১৫ অগাস্ট, স্বাধীনতা দিবসের দিন।

    ভারতের জাতীয় সঙ্গীত: ভারত স্বাধীন হওয়ার সময় কোনও জাতীয় সঙ্গীত ছিল না। ১৯১১ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন ভারত ভাগ্য বিধাতা। পরে এর নাম হয় জনগণমন। ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে একে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

    র‌্যাডক্লিফ লাইন: ভারত পাকিস্তানের মধ্যে র‌্যাডক্লিফ লাইন টানা হয় ১৯৪৭ সালের ৩ অগাস্ট। পাঞ্জাব ও পাকিস্তানের সীমান্ত ও বাংলা রিজিয়ন প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালের ১৭ অগাস্ট।

    ভারতের জাতীয় গান: ১৮৮০ সালে জাতীয় গান বন্দে মাতরম লিখেছিলেন আনন্দমঠের রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি সংবিধান পরিষদ একে জাতীয় গান হিসেবে গ্রহণ করে।

    ভারতের স্বাধীনতা: ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্তি পায় কঙ্গো, বাহরিন, কোরিয়া এবং লিচেস্টাইনের সঙ্গে ভারতও। ভাগ হয়ে যায় ভারত ও পাকিস্তান। ভারতের শেষ গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৮ সালের ৩০ জুন ক্ষমতা হস্তান্তর করতে রাজি হয়েছিলেন। ভারতীয় নেতারা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হন। পরে ব্যাটেন ক্ষমতা হস্তান্তর করতে রাজি হন ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট। তিনি জানান, দেশে আরও কোনও প্রতিবাদ দেখতে চান না তিনি।

    প্রথম তিরঙ্গা উত্তোলন: স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ১৫ অগাস্ট লালকেল্লায় প্রথমবার উত্তোলন করেন তিরঙ্গা পতাকা। দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, গোটা পৃথিবী যখন ঘুমোচ্ছে, তখন ভারত জাগবে নতুন জীবন ও স্বাধীনতা নিয়ে।

  • Daily Horoscope 15 August 2025: উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শুভ যোগ এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 15 August 2025: উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শুভ যোগ এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কোনও নিয়ম লঙ্ঘন করার জন্য আপনাকে বিপদে পড়তে হতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শুভ যোগ।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) কোনও ভুল কাজের জন্য অনুতাপ হতে পারে।

    ২) অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করার ফলে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) কারও কুপ্রভাবে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ২) সামাজিক সুনাম লাভ বা প্রতিপত্তি বিস্তারের যোগ।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) সাংসারিক কারণে মানসিক যন্ত্রণা।

    ২) আজ আপনাকে অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর আসতে পারে।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) সম্পত্তি সংক্রান্ত সমস্যা মিটে যেতে পারে।

    ২) অপরের উপকার করতে গেলে বিপদ হতে পারে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) বাতজ রোগে কষ্ট পাওয়ার আশঙ্কা।

    ২) কর্মস্থলে নিজের মতামত প্রকাশ না করাই ভাল হবে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    তুলা

    ১) বাড়িতে সবাই খুব সতর্ক থাকুন, চুরির ভয় রয়েছে।

    ২) আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করার শুভ দিন।

    ২) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ৩) আশাহত।

    ধনু

    ১) বন্ধুদের বিরোধিতা থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দিন।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) পেটের সমস্যা বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) ভাই-বোনের কাছ থেকে সাহায্য পেতে পারেন।

    ২) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির যোগ।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Commonwealth Games 2030: অলিম্পিক্স-স্বপ্নের পথে দেশ, ২০৩০ কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের দাবি জানাল ভারত

    Commonwealth Games 2030: অলিম্পিক্স-স্বপ্নের পথে দেশ, ২০৩০ কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের দাবি জানাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের আগে ভারতের ক্রীড়া মহলে খুশির হাওয়া। ক্রীড়াক্ষেত্রে অমৃতকালের পথে এগিয়ে চলেছে ভারত। মিলেছে কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০ বছর পর আবার ভারতে বসতে চলেছে কমনওয়েলথ গেমসের আসর। ভারতীয় অলিম্পিক্স অ্যাসোসিয়েশনের অনুমতি মেলায় আনুষ্ঠানিক ভাবে এই প্রতিযোগিতা আয়োজনের প্রস্তাব দিল ভারত। আমেদাবাদ শহরে কমনওয়েলথ গেমস (Commonwealth Games 2030) আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। চূড়ান্ত প্রস্তাব জমা করতে হবে ৩১ অগাস্টের মধ্যে। কমনওয়েলথ গেমসের খরচ বহন করবে কেন্দ্রের মোদি সরকার।

    ভারতের সম্ভাবনা উজ্জ্বল

    ২০৩৬ সালে ভারতে অলিম্পিক্স আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে আগেই। তার আগে ২০৩০ সালে কমনওয়েলথ গেমসের (Commonwealth Games 2030) আসর ভারতে বসার সম্ভাবনা উজ্জ্বল। ২০৩০ সালের গেমস আয়োজনের দায়িত্বে ছিল কানাডার। কিন্তু তারা সরে দাঁড়ানোয় ভারতের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। যেহেতু ২০১০ সালে ভারত কমনওয়েলথ গেমস আয়োজন করেছিল, তাই অভিজ্ঞতার বিচারে ভারত সুযোগ পেতে পারে। ভারতের লড়াই নাইজেরিয়ার সঙ্গে। এ ছাড়া আয়োজনের প্রস্তাব দিতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকাও। তবে, সম্প্রতি কমনওয়েলথ স্পোর্টসের ডিরেক্টর অফ গেমস ড্যারেন হল আমেদাবাদে গিয়ে ভেন্যুগুলো ঘুরে দেখেন। এর পর গুজরাট সরকারের কর্তাদের সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায় তাঁদের। চলতি মাসের শেষের দিকে আরও বড় দল আমেদাবাদে যেতে পারেন বলে খবর।

    দ্রুত প্রস্তুতি শুরু

    ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস (Commonwealth Games 2030) আয়োজন করতে আগেই আগ্রহ দেখিয়েছিল ভারত। বুধবার ভারতীয় অলিম্পিক্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভায় সেই প্রস্তাব পাশ হয়ে যায়। এবার গেমস আয়োজনের পুরোদস্তুর প্রস্তুতি দ্রুত শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন ভারতের অলিম্পিক্স কমিটির (আইওএ) যুগ্ম সচিব কল্যাণ চৌবে। ভারতে ২০৩০ সালে কমনওয়েলথ গেমসের আসর বসবে কি না, তা জানা যাবে নভেম্বর মাসে। কমনওয়েলথ স্পোর্টের জেনারেল অ্যাসেম্বলি গ্লাসগো থেকে ঘোষণা করবেন সে কথা। ভারতে কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজন হলে সমস্ত খরচ বহন করতে হবে সরকারকে। সূত্রের খবর, দেশের মাটিতেই যাতে কমনওয়েলথের আসর বসে, সেই কারণে এখন থেকেই পরিকাঠামো ঢেলে সাজানোর কাজ শুরু করে দিয়েছে গুজরাট সরকার।

    কমনওয়েলথ দেশে হলে বেশি পদকের সম্ভাবনা

    অলিম্পিক্স কর্মসমিতির সদস্য রোহিত রাজপাল বলেছেন, “২০৩০-এর কমনওয়েলথ গেমস হবে পূর্ণাঙ্গ মাপের। আমরা যে খেলাধুলোয় ভাল সেগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে যাতে পদকের সংখ্যা অনেকটাই বাড়ে।” উল্লেখ্য, ২০২৬-এর গ্লাসগো গেমসে হকি, ব্যাডমিন্টন, কুস্তি এবং শুটিংয়ের মতো ইভেন্ট নেই, যেগুলো থেকে ভারত নিয়মিত পদক জিতেছে। রাজপাল আরও বলেছেন, “গেমসে তিন ধরনের খেলা থাকে। প্রথমত, কমনওয়েলথ গেমসের মূল খেলা যা প্রতি বারই হয়। দ্বিতীয় ভাগে থাকে আয়োজক দেশের পছন্দের খেলা এবং তৃতীয় ভাগে অতিরিক্ত খেলা। ২০৩০-এর কমনওয়েলথ গেমসে (Commonwealth Games 2030) ঐতিহ্যশালী এবং স্বদেশি খেলাধুলো রাখব আমরা। শুটিং, তিরন্দাজি, কুস্তি, কবাডি, খো খো-র মতো খেলা থাকবে।”

    দুর্নীতি-মুক্ত স্বচ্ছ্ব গেমস

    এখনও পর্যন্ত ভারত এক বারই কমনওয়েলথ গেমস (Commonwealth Games 2030) আয়োজন করেছে। সেটা ২০১০ সালে। সে বার খেলাধুলো ছাপিয়ে শিরোনামে এসেছিল অব্যবস্থা এবং আর্থিক দুর্নীতি। অ্যাথলিটস্‌ ভিলেজ, স্টেডিয়াম–সহ একাধিক পরিকাঠামো তৈরিতে অনেক দেরি হয়, বাজেট বেড়ে যায়, নেহরু স্টেডিয়ামে ফুটব্রিজ ভাঙায় অনেক শ্রমিক আহত হন। এ সব দেখে অনেক খেলোয়াড় নাম তুলে নিয়েছিলেন। এর পাশাপাশি বিপুল আর্থিক দুর্নীতি হয়েছিল সে বার। আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান সুরেশ কালমাডিকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছিল। স্কটল্যান্ড, কানাডার মতো দেশ অব্যবস্থা দেখে দেরিতে ক্রীড়াবিদদের পাঠিয়েছিল। গেমস আয়োজনের জন্য যেই সরঞ্জাম আনা হয়েছিল সেগুলো বাজারের থেকে অনেক বেশি টাকার বিনিময়ে বেনামি সংস্থার মাধ্যমে কেনা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, একদম সাধারণ জিনিস যেমন টয়লেট পেপার কিনতেও দুর্নীতি করা হয়েছিল। আলোচনায় এসেছিল পরিকাঠামোও। গেমস ভিলেজ থেকে হোটেল ছিল অনেক দূরে। পাশাপাশি গেমস ভিলেজে ন্যূনতম পরিকাঠামো ছিল না। অ্যাথলিটদের ভিলেজেও ছিল পরিকাঠামোর অভাব। দিল্লিতে যেখানে অ্যাথলিট ও তাঁদের কোচদের রাখা হয়েছিল সেখানে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাব ছিল। সব মিলিয়ে দুর্নীতি থেকে বিতর্ক সবকিছুতেই ২০১০ সালের কমনওয়েলথ গেমসে নাক কেটেছিল ভারতের। এ বার ভালো করে আয়োজন করে সেই ছবি বদলানোই লক্ষ্য। আর তাই খুব সাবধানে ২০৩০ সালের জন্য পা ফেলতে চাইছে ভারত।

    অলিম্পিকের পথে

    ২০৩৬ সালের অলিম্পিক্সও আয়োজন করতে চায় ভারত। সেটাও গুজরাটের আমেদাবাদে। ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক অলিম্পিক্স কমিটির সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতীয় অলিম্পিক্স সংস্থার প্রতিনিধিরা। সরকারি ভাবে আবেদন করা হয়েছে। ২০২৮ সালে আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলস এবং ২০৩২ সালের অলিম্পিক্স হবে অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে। তার পরের অলিম্পিক্স নিজেদের দেশে করতে চায় ভারত। সেই চেষ্টাই চলছে। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, কমনওয়েলথ-এর দায়িত্ব পেলে অলিম্পিক্স আয়োজন করার ক্ষেত্রে ভারতের দাবি আরও জোরাল হবে।

  • Independence Day 2025: স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন ভাবছেন, সঠিক নিয়ম জানেন তো?

    Independence Day 2025: স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন ভাবছেন, সঠিক নিয়ম জানেন তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই স্বাধীনতা দিবস (Independence Day)। ২০২৫ সালে ভারত তার ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করতে চলেছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকেই উদযাপন শুরু হবে দেশজুড়ে। শুক্রবার, সকাল থেকে চলবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন সহ বিভিন্ন দেশাত্মবোধক কর্মসূচি পালন। স্বাধীনতা দিবস মানে অনুষ্ঠান-উৎসব, নাচ-গানের মাধ্যমে দেশের বীর যোদ্ধাদের স্মরণ করা। দেশাত্মবোধ ও জাতীয়তাবাদের এক আলাদা পরিবেশ দেখা যায় শহক থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে প্রান্তিক জনপদগুলিতেও। বাড়ি থেকে ক্লাব, সর্বত্র দেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন নাগরিকরা। বিগত কয়েক বছর ধরে কেন্দ্রীয় সরকারও ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি নিয়েছে, যার মাধ্যমে নাগরিকদের কাছে খোদ প্রধানমন্ত্রী আহ্বান জানিয়েছেন পতাকা উত্তোলন করার।

    দ্য ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্স এবং দ্য ফ্ল্যাগ কোড অফ ইন্ডিয়ার নির্দেশিকা

    পতাকা উত্তোলন (Independence Day) তো সর্বত্রই হবে, কিন্তু জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার সময় কী করা যাবে আর কী করা যাবে না, রয়েছে সেই ব্যাপারে কয়েকটি নিয়মাবলি ও নির্দেশিকাও (National Flag Hoisting Rules)। দ্য ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্স এবং দ্য ফ্ল্যাগ কোড অফ ইন্ডিয়া বেশ কিছু নিয়মাবলী বেঁধে দিয়েছে এবিষয়ে। এই দুই বিধিতেই শ্রদ্ধা ও মর্যাদার সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের কথা বলা হয়েছে। এমন ভাবে তা তুলতে হবে যেন তা কোনওভাবেই মাটিতে স্পর্শ না করে বা কখনও জাতীয় পতাকাকে কেউ যেন পোশাক হিসেবে ব্যবহার না করেন।

    কী কী করতে হবে?

    – ফ্ল্যাগ কোড অফ ইন্ডিয়ার (Independence Day) ২ নং ধারা অনুযায়ী, প্রত্যেক স্বাধীন নাগরিকের অধিকার রয়েছে তাঁর বাড়ি, ব্যবসায়িক জায়গায় অথবা কর্মস্থানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার।

    – যে কোনও সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও প্রতিদিন জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে পারে।

    – জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ছাত্রদের শপথ বাক্য পাঠ করানোরও কথা বলা হয়েছে।

    – জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার সময় মনে রাখতে হবে যে এই পতাকা আমাদের দেশের গর্ব ও মর্যাদার প্রতীক।

    – জাতীয় পতাকা কোনওভাবেই উল্টো করে উত্তোলন করা যাবে না, সর্বদাই গেরুয়া অংশ ওপরে থাকবে এবং সবুজ অংশ নীচে থাকবে।

    – জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার সময় অথবা নামিয়ে নেওয়ার সময় সর্বদাই স্যালুট করতে হবে।

    – জাতীয় পতাকা সর্বোচ্চ স্থানে থাকবে।

    কী কী করা যাবে না (National Flag Hoisting Rules)

    – কোনও সাম্প্রদায়িক উদ্দেশ্যে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা যাবে না, কাপড় হিসেবে জাতীয় পতাকাকে ব্যবহার করা যাবে না। টেবিল ক্লথ, রুমাল হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে না।

    – সূর্যাস্তের পরে তিরঙ্গা নামিয়ে নিতে হবে।

    – জাতীয় পতাকার প্রতি কোনও অবস্থাতেই অসম্মান প্রদর্শন করা যাবে না, এতে পা দেওয়া যাবে না, ইচ্ছাকৃতভাবে মাটিতে বা মেঝেতে স্পর্শ করানো যাবে না।

    – ফুল-মালা বা অন্য কোন বস্তু জাতীয় পতাকার ওপরে রাখা যাবে না।

    – জাতীয় পতাকা ফেস্টুন হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

    – নষ্ট হয়ে যাওয়া জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা যাবে না।

    – জাতীয় পতাকার ওপর কোনও ধরনের স্লোগান বা নকশা আঁকা যাবে না।

  • West Bengal Weather Update: বঙ্গোপসাগরে দানা বেঁধেছে নিম্নচাপ, দক্ষিণবঙ্গের ১৫ জেলায় জারি হলুদ সতর্কতা

    West Bengal Weather Update: বঙ্গোপসাগরে দানা বেঁধেছে নিম্নচাপ, দক্ষিণবঙ্গের ১৫ জেলায় জারি হলুদ সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে দানা বেঁধেছে নিম্নচাপ। তার জেরে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই হচ্ছে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হচ্ছে বিক্ষিপ্ত মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি। এই পরিস্থিতিতে, আগামী কয়েকদিনের পূর্বাভাস (West Bengal Weather Update) জানাল আলিপুর আবহওয়া দফতর।

    প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে বাংলায়, তাতেই বৃষ্টি

    বঙ্গোপাসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হবে সেই পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া অফিস। সেই পূর্বাভাস মিলে গেছে। আলিপুর আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। এরপর সেটি শক্তি বাড়িয়ে সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হবে। আগামী দু’দিনের মধ্যে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের স্থলভাগে প্রবেশ করবে এটি। এর সরাসরি প্রভাব বাংলায় না পড়লেও, প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে বাংলায়। তার জেরেই আগামী কয়েকদিন বৃষ্টি হবে (Rain Alert)।

    দক্ষিণবঙ্গের ১৫টি জেলায় হলুদ সতর্কতা

    আলিপুর আবহাওয়া অফিসের রিপোর্ট অনুয়ায়ী, আগামী ২৪ ঘণ্টা হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের ১৫টি জেলায়। সেগুলি হল— কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া। বৃহস্পতিবার দক্ষিণের সব জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি ও শুক্রবার উপকূল ও পশ্চিমের জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। শুক্রবার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের কিছু অংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো বাতাস বইবে। তবে সপ্তাহান্তে দক্ষিণবঙ্গে হলুদ সতর্কতা জারি থাকলেও, তা সীমাবদ্ধ রয়েছে কেবল ৭ জেলায়।

    উত্তরের ৫ জেলায় হলুদ সতর্কতা

    অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের উপরের ৫ জেলায় আগামী ৫ দিন হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। যেখানে ৭০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদায় হলুদ সতর্কতা রয়েছে।

  • Pak F-16: নীরব স্বীকারোক্তি? অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তানের এফ-১৬ ধ্বংস নিয়ে প্রশ্নে এড়ালো আমেরিকা

    Pak F-16: নীরব স্বীকারোক্তি? অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তানের এফ-১৬ ধ্বংস নিয়ে প্রশ্নে এড়ালো আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তান তাদের একটি এফ-১৬ (Pak F-16) যুদ্ধবিমান হারিয়েছে কিনা এই প্রশ্নে সম্পূর্ণ নীরব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ৭ মে থেকে ১০ মে পর্যন্ত চলা ৮৮ ঘণ্টার ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর তিন মাস কেটে গেলেও, এই প্রসঙ্গে মুখ খুলছে না ওয়াশিংটন। এ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মার্কিন বিদেশ দফতর সংক্ষিপ্ত উত্তর দেয়, “এ বিষয়ে যা বলার পাকিস্তান সরকারই বলতে পারবে।”

    আমেরিকার কাছে তথ্য রয়েছে

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের এফ-১৬ (Pak F-16) ব্যবহার নিয়ে কঠোর চুক্তি রয়েছে। যার অধীনে মার্কিন “টেকনিক্যাল সাপোর্ট টিম” সব সময় পাকিস্তানে থাকে। এই দল পাক এফ-১৬ (F-16) বিমানের অবস্থান, সংখ্যা এবং কার্যক্ষমতা সবসময় নজরদারিতে রাখে। এর ফলে আমেরিকার কাছে প্রতিটি বিমানের তথ্য থাকে। ২০১৯ সালে বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের পর ভারতের এফ-১৬ (F-16) ভূপাতিত করার দাবিকে আমেরিকা সরাসরি অস্বীকার করেছিল। তবে এবার, অপারেশন সিঁদুরের তিন মাস পর, এ নিয়ে ভারতের দাবিকে সরাসরি খন্ডন করেনি আমেরিকা।

    কেন কিছু বলছে না আমেরিকা

    সম্প্রতি, ভারতীয় বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং এক বিবৃতিতে বলেন, “শাহবাজ জ্যাকোবাবাদ বিমানঘাঁটি ছিল আমাদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু। ওখানে একটি এফ-১৬ (Pak F-16) হ্যাঙ্গার ছিল, যার অর্ধেক ধ্বংস হয়েছে। আমি নিশ্চিত, সেখানে কিছু বিমান থাকতেই পারে।” ভারতের বায়ুসেনা (IAF) দাবি করছে, এই যুদ্ধে তারা ছয়টি পাকিস্তানি বিমান গুলি করে নামিয়েছে — যার মধ্যে পাঁচটি যুদ্ধবিমান এবং একটি বড় ইলেকট্রনিক বিমান রয়েছে। পাকিস্তান অবশ্য এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেছে। তবে পেন্টাগন ও মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের মুখপাত্রদের কাছে এই বিষয়ে প্রশ্ন পাঠানো হলেও কোনও জবাব মেলেনি। ফলে এখনও পর্যন্ত, অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তান আদৌ এফ-১৬ (F-16) হারিয়েছে কিনা — সেটি নিশ্চিত নয়। তবে, আমেরিকার কাছে সমস্ত তথ্য থাকার কথা, কিন্তু তারা এই নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলছে না। এ থেকে কূটনৈতিক মহলের অনুমান, পরোক্ষে চুপ থেকে ভারতের দাবিকে মৌন সম্মতি জানাচ্ছে ওয়াশিংটন।

LinkedIn
Share