Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Vande Bharat Sleeper: দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার পেল কলকাতা, গুয়াহাটি পর্যন্ত এই ট্রেনের ভাড়া কত?

    Vande Bharat Sleeper: দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার পেল কলকাতা, গুয়াহাটি পর্যন্ত এই ট্রেনের ভাড়া কত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরে বাংলাকে উপহার ভারতীয় রেলের। দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন পাচ্ছে বাংলা। এবার গুয়াহাটি থেকে কলকাতা রুটেও ছুটবে বন্দে ভারত। তবে তা স্লিপার ভার্সন। অর্থাৎ বসে নয়, শুয়েই দীর্ঘপথ পাড়ি দেওয়া যাবে। আজ বৃহস্পতিবার, বছরের প্রথমদিন নয়া এই রুটের ঘোষণা করেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তাঁর কথায়, জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়েই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গুয়াহাটি-কলকাতা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন।

    কবে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু

    প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস পাওয়ার জন্য অনেকদিন অপেক্ষা করতে হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গকে। ২০২৬ সালের পয়লা দিনে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, কলকাতা এবং গুয়াহাটির মধ্যে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালানো হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১৮ জানুয়ারি বা ১৯ জানুয়ারি হাওড়া-গুয়াহাটি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে এখনও দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের অনুমোদন মিললেই ঠিক হয়ে যাবে যে কবে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করা হবে।

    কোন রুটে চলবে ট্রেন?

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ফলে উত্তর বা দক্ষিণ – কোনও বঙ্গের মানুষের মনেই দুঃখ থাকবে না। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, হাওড়া থেকে ব্যান্ডেল, কাটোয়া হয়ে মালদা টাউন ছুঁয়ে এনজেপি পৌঁছবে এই ট্রেন। তারপরে নিউ কোচবিহার হয়ে নিউ বঙ্গাইগাঁও হয়ে গুয়াহাটি পৌঁছবে ট্রেনটি। অসমের কামরূপ মেট্রোপলিটন, বঙ্গাইগাঁও, পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, মালদা, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া জেলা জুড়বে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন।

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ভাড়া

    রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, কলকাতা থেকে গুয়াহাটিতে বিমানে করে যেতে যা খরচ পড়ে, তার থেকে অনেক কম ভাড়ায় বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে যাতায়া করা যাবে। প্লেনে ভাড়া পড়ে ৬,০০০ টাকা থেকে ৮,০০০ টাকার মধ্যে। সেখানে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে থার্ড এসিতে যেতে খাবার-সহ খরচ হবে ২,৩০০ টাকার মধ্যে। আর সেকেন্ড এসির ক্ষেত্রে গুণতে হবে প্রায় ৩,০০০ টাকা। আর ফার্স্ট এসিতে প্রায় ৩,৬০০ টাকা ভাড়া পড়বে। মধ্যবিত্তের কথা মাথায় ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। ট্রেনের অন্যতম আকর্ষণ থাকবে বাঙালি ও অসমিয়া খাবার। জানা যাচ্ছে, কলকাতা থেকে ছাড়ার সময় বাঙালি খাবার এবং গুয়াহাটি থেকে ছাড়ার সময় অসমিয়া খাবারের স্বাদ নিতে পারবেন যাত্রীরা।

    কতজন যাত্রা করতে পারবেন এই ট্রেনে

    দেশের অন্যতম প্রিমিয়াম ট্রেনগুলির মধ্যে একটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। যা নিঃসন্দেহে রেল পরিষেবায় গতি বাড়িয়েছে। এবার দেশের ট্র্যাকেই ছুটবে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বন্দেভারতের স্লিপার ভার্সন। রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, গুয়াহাটি-কলকাতার মধ্যে ছুটবে এই ট্রেন। ১৬ কোচের ট্রেনটি সম্পূর্ণ শীততাপ নিয়ন্ত্রিত। শুধু তাই নয়, কবচ, ইমার্জেন্সি টক ব্যাক সিস্টেমের মতো অত্যাধুনিক সমস্ত পরিষেবাই যাত্রীরা এই ট্রেনে পাবেন বলে জানিয়েছেন অশ্বিনী বৈষ্ণব। জানা গিয়েছে, ১৬টি কোচের মধ্যে ১১টি এসি থ্রি-টায়ার, চারটি এসি ২ টায়ার এবং একটি ফার্স্ট ক্লাস এসি কোচ থাকবে। একসঙ্গে ৮২৩ জন যাত্রী নয়া এই ট্রেনে যাত্রা করতে পারবেন বলেও জানা গিয়েছে।

    বন্দেভারত স্লিপারে ‘ওয়াটার টেস্ট’

    গত কয়েকদিন আগেই নয়া বন্দেভারত স্লিপারে ‘ওয়াটার টেস্ট’ করা হয়। সেই ভিডিও খোদ রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব নিজে তাঁর সমাজমাধ্যমে দিয়েছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে, ট্রেনটিকে ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার গতিতে চালানো হলেও গ্লাস থেকে একটুকু জল চলকে পড়ছে না। কোটা থেকে নাগদা সেকশনে ট্রেনটির পরীক্ষা করা হয়। সেখানে একেবারে ফুল মার্কস নিয়েই পরীক্ষায় পাশ করে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটি।

  • Daily Horoscope 02 January 2026: চোখের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 02 January 2026: চোখের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

     

    মেষ

    ১) প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) পেটের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    বৃষ

    ১) প্রবাসীদের জন্য ভালো সময়।

    ২) স্ত্রীর সঙ্গে তর্ক না করাই ভালো হবে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

     

    মিথুন

     

    ১) অতিরিক্ত বিলাসিতার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসার জন্য বাড়তি অর্থ বিনিয়োগ প্রয়োজন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

     

    কর্কট

     

    ১) বন্ধুদের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকা দরকার।

    ২) প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    সিংহ

    ১) আয় ভালো থাকলেও অভাব সহজে দূর হবে না।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সুবিবেচক ব্যক্তি হিসাবে উন্নতির যোগ।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) মিথ্যা বদনাম রটতে পারে।

    ২) ব্যবসায় পরিশ্রম বৃদ্ধি পেলেও লাভ ভালো হবে।

    ৩) সতর্কভাবে চলা ফেরা করুন।

    তুলা

    ১) পিতামাতার সঙ্গে মতের অমিল হতে পারে।

    ২) চোখের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    বৃশ্চিক

    ১) বাকপটুতায় সকলের মন জয় করতে সক্ষম হবেন।

    ২) জনহিতকর কাজে সুনাম পাবেন।

    ৩) সবাই প্রশংসা করবে।

    ধনু

    ১) সন্তানের জন্য স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কোনও অভিজ্ঞ ব্যক্তির সঙ্গে ধর্ম নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পাবেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    মকর

    ১) শত্রুদের থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ২) বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কুম্ভ

    ১) কোনও বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) মানসিক অস্থিরতার জন্য কোনও ভালো কাজ হাতছাড়া হতে পারে।

    ৩)  ধৈর্য ধরুন।

    মীন

    ১) ব্যবসা গতানুগতিক ভাবেই চলবে।

    ২) ভাই-বোনের কাছ থেকে সাহায্য পেতে পারেন।

    ৩) সমাজের কাজে প্রশংসা পাবেন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Switzerland Fire: বর্ষবরণের রাতে সুইৎজারল্যান্ডে বারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, আগুনে ঝলসে মৃত ৪০

    Switzerland Fire: বর্ষবরণের রাতে সুইৎজারল্যান্ডে বারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, আগুনে ঝলসে মৃত ৪০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের (New Year) আনন্দ মুহূর্তেই শোকের ছায়া পড়েছে সুইৎজারল্যান্ডের (Switzerland Fire) বিলাসবহুল স্কি রিসর্ট শহর ক্রঁ-মন্তানায়। বর্ষবরণের রাতে একটি বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি। আহত হয়েছেন শতাধিক। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ইউরোপজুড়ে। জানা গিয়েছে, সুইস পুলিশ সূত্রে খবর, বর্ষবরণের সময় ওই পানশালায় পার্টি চলছিল। ঠিক সেসময় আচমকাই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    বর্ষবরণের রাতে অগ্নিকাণ্ড

    সুইস পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত দেড়টা নাগাদ ক্রঁ-মন্তানার (Crans-Montana) ‘ল্য কঁস্তেলাশিওঁ’ (Le Constellation) নামে একটি বারে আগুন লাগে। সেই সময় নববর্ষ (Happy New Year) উপলক্ষে বারটির ভিতরে শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পুলিশের মুখপাত্র গায়েতাঁ লাথিয়ঁ জানান, “ভবনের ভিতরে বহু মানুষ ছিলেন। অনেকেই আহত, বহু মৃত্যুর খবর মিলছে। আগুন (Fire Incident) লাগার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” ঘটনার গুরুত্ব বুঝে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য একটি রিসেপশন সেন্টার এবং হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে।

    ক্রঁ-মন্তানা বিশ্বজুড়ে পরিচিত পর্যটন কেন্দ্র

    সুইস আল্পসের কোলে অবস্থিত ক্রঁ-মন্তানা বিশ্বজুড়ে পরিচিত একটি পর্যটনকেন্দ্র। স্কি, স্নোবোর্ডিং ও গলফের জন্য সারা বছরই পর্যটকদের ভিড় লেগে থাকে এখানে। রাজধানী বার্ন থেকে এই শহরের দূরত্ব প্রায় দু’ঘণ্টার পথ। ম্যাটারহর্নের উত্তর দিকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে এই শহর। প্রায় ৮৭ মাইল দীর্ঘ স্কি ও হাইকিং ট্রেল, নয়টি হ্রদ, আলপাইন অরণ্য ও তৃণভূমি— সব মিলিয়ে ক্রঁ-মন্তানা প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে স্বর্গ। শীতে বরফঢাকা ঢালে স্কি, টোবগানিং, ক্রস-কান্ট্রি স্কির সুযোগ রয়েছে। রয়েছে বড়সড় স্নো পার্ক ও শহরের কেন্দ্রস্থলে সুইৎজারল্যান্ডের অন্যতম বৃহৎ আইস রিঙ্ক। নিউইয়ার্স ইভের (New Year’s Eve) রাতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ (Blast) ঘটে দেশের জনপ্রিয় এই শহরে।

    কীভাবে লাগল আগুন

    স্থানীয় সূত্রে খবর, বিস্ফোরণের জেরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে ‘লে কঁস্টেলাসিওঁ বার অ্যান্ড লাউঞ্জ’-এ। পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরণের সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে (Viral Videos) দেখা যাচ্ছে, বারের ভিতর থেকে বিশাল ধোঁয়ার কুণ্ডলি আকাশে উঠছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সুইস সংবাদমাধ্যমের একাংশের দাবি, কনসার্ট চলাকালীন আতশবাজির কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। তবে পুলিশ সেই সম্ভাবনা নিশ্চিত করেনি। এর পিছনে নাশকতা বা কোনও সন্ত্রাস রয়েছে কি না তা-ও নিশ্চিত নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

  • India Defence Deals: সামরিক আধুনিকীকরণে বড় পদক্ষেপ, নতুন কার্বাইন ও হেভিওয়েট টর্পিডো কিনছে ভারত

    India Defence Deals: সামরিক আধুনিকীকরণে বড় পদক্ষেপ, নতুন কার্বাইন ও হেভিওয়েট টর্পিডো কিনছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে ৪,৬৬৬ কোটি টাকা মূল্যের প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করল কেন্দ্রের মোদি সরকার। এই চুক্তির মাধ্যমে ভারতীয় সেনা ও নৌবাহিনীর জন্য ক্লোজ কোয়ার্টার ব্যাটল (CQB) কার্বাইন এবং হেভিওয়েট টর্পিডো কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

    ৪.২৫ লক্ষ সিকিউবি কার্বাইন

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ভারতীয় সেনা ও নৌবাহিনীর জন্য ৪.২৫ লক্ষের বেশি সিকিউবি কার্বাইন ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম সরবরাহ করতে সরকার প্রায় ২,৭৭০ কোটি টাকার চুক্তি করেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ভারত ফোর্জ লিমিটেড ও পিএলআর সিস্টেমস প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। আধুনিক এই কার্বাইনগুলি পুরনো অস্ত্রের জায়গা নেবে এবং সীমিত পরিসরের যুদ্ধ ও শহুরে সংঘর্ষে সেনাদের কার্যক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, বহু প্রতিক্ষিত সিকিউবি কার্বাইন প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের স্থলবাহিনী আধুনিক ও বিশ্বমানের অস্ত্রে সজ্জিত হবে এবং খুব কাছে থেকে সরাসরি মুখোমুখি সংঘাতে সেনার কার্যকারিতা বাড়বে। একইসঙ্গে, ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে সরকার এই প্রকল্পে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক মনে করছে, এই চুক্তির ফলে দেশীয় উৎপাদন বাড়বে এবং প্রতিরক্ষা খাতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

    ৪৮ হেভিওয়েট টর্পিডো

    অন্যদিকে, ভারতীয় নৌবাহিনীর সাবমেরিন শক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক প্রায় ১,৮৯৬ কোটি টাকার পৃথক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইটালির ওয়াস সাবমেরিন সিস্টেম সংস্থার সঙ্গে। এই চুক্তির আওতায় নৌবাহিনী ৪৮টি হেভিওয়েট টর্পিডো পাবে, যা কালভারি শ্রেণির (প্রজেক্ট–৭৫) সাবমেরিনে সংযুক্ত করা হবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ২০২৮ সালের এপ্রিল থেকে টর্পিডোর সরবরাহ শুরু হবে এবং ২০৩০ সালের শুরুর দিকে তা সম্পূর্ণ হবে। নতুন টর্পিডো যুক্ত হলে জলের নিচে ভারতীয় নৌবাহিনীর আক্রমণ সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে বলে মন্ত্রকের দাবি।

    প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এখনও পর্যন্ত ১,৮২,৪৯২ কোটি টাকার মূলধনী প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। মোদি সরকার জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও সেনা ও নৌবাহিনীর যুদ্ধক্ষমতা বাড়াতে আধুনিক অস্ত্র ও প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

  • India Maldives Relations: হানিমাধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিচালনায় ভারতের সহায়তা চাইল মলদ্বীপ

    India Maldives Relations: হানিমাধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিচালনায় ভারতের সহায়তা চাইল মলদ্বীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবনির্মিত ও আধুনিকীকৃত হানিমাধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার জন্য ভারতের সহায়তা চাইল মলদ্বীপ। এ বিষয়ে ভারত সরকার এয়ারপোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়া (AAI)-কে প্রস্তাবটি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে। ২০২৫ সালের ৯ নভেম্বর হানিমাধু বিমানবন্দরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মলদ্বীপ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাব দেয়। অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ দূত হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী কে রাম মোহন নাইডু।

    হানিমাধু বিমানবন্দর-এর জন্য সহায়তা

    অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের এক শীর্ষ আধিকারিক বলেন, “হানিমাধু বিমানবন্দর পরিচালনার জন্য ভারতীয় সংস্থাগুলিকে যুক্ত করা সম্ভব কি না, তা মূল্যায়নের দায়িত্ব এএআই-কে দেওয়া হয়েছে।” বর্তমানে এএআই দেশের মধ্যে ১১৩টি বিমানবন্দরের মালিক এবং ২৬টি রাজ্যে বিমানবন্দর পরিচালনা করে। অন্যদিকে, জিএমআর, জিভিকে ও আদানি গোষ্ঠীর মতো বেসরকারি সংস্থাগুলি চুক্তির ভিত্তিতে এএআই-এর মালিকানাধীন ১৩টি বিমানবন্দর পরিচালনা করছে। হানিমাধু বিমানবন্দরের আধুনিকীকরণে ভারতের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। এক্সিম ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার মাধ্যমে মলদ্বীপকে ৮০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ দিয়েছে ভারত। ১৩৬.৬ মিলিয়ন ডলারের পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের দায়িত্ব পায় ভারতীয় সংস্থা জেএমসি প্রোজেক্টস।

    হানিমাধু বিমানবন্দর সমস্যা

    এই প্রকল্পের আওতায় হানিমাধু বিমানবন্দরে ২,৪৬৫ মিটার দীর্ঘ রানওয়ে তৈরি করা হয়েছে। যেখানে এয়ারবাস এ৩২০ শ্রেণির বিমান ওঠানামা করতে পারবে। পাশাপাশি বছরে ১৩ লক্ষ যাত্রী পরিষেবার সক্ষমতা সম্পন্ন একটি আধুনিক টার্মিনাল নির্মাণ করা হয়েছে। মলদ্বীপ কর্তৃপক্ষের আশা, এর ফলে দেশের উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে। তবে এই নতুন প্রস্তাবের প্রেক্ষাপটে উঠে আসছে এক দশকেরও বেশি পুরনো জিএমআর বিতর্কের স্মৃতি। ২০১২ সালে হঠাৎ করেই মলদ্বীপ সরকার মালে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিচালনা ও সম্প্রসারণের জন্য জিএমআর-এর সঙ্গে করা ৫১১ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি বাতিল করে এবং সংস্থাটিকে সাত দিনের মধ্যে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেয়। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ২০১৬ সালে সিঙ্গাপুরের একটি আদালতের রায়ে জিএমআর ২৭০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ পায়। সেই ঘটনা এখনও পর্যন্ত মলদ্বীপে ভারতীয় কর্পোরেট বিনিয়োগের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হয়।

  • Indian Men’s Cricket Team: নতুন বছরে ঠাসা সূচি, জেনে নিন ২০২৬ সালে কোথায় কাদের বিরুদ্ধে খেলবে টিম ইন্ডিয়া?

    Indian Men’s Cricket Team: নতুন বছরে ঠাসা সূচি, জেনে নিন ২০২৬ সালে কোথায় কাদের বিরুদ্ধে খেলবে টিম ইন্ডিয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরে টিম ইন্ডিয়ার ক্রিকেট মরশুম শুরু হচ্ছে আগামী ১১ জানুয়ারি। ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজ খেলবে ভারত। নতুন বছরে টিম ইন্ডিয়া ঘরোয়া সিরিজ, বিদেশ সফর এবং আইসিসির বড় টুর্নামেন্টে অংশ নেবে। রয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। ২০২৭ একদিনের বিশ্বকাপের আগে শেষ প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ বিরাট কোহলি-রোহিত শর্মাদের কাছে।

    জানুয়ারি থেকে জুনের লড়াই

    ২০২৬ সালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজ খেলবে ভারত। ১১, ১৪ ও ১৮ জানুয়ারি খেলা তিনটি হবে বরোদা, রাজকোট ও ইন্দোরে। এরপর রয়েছে কিউয়িদের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি–টোয়েন্টি সিরিজ। ২১, ২৩, ২৫, ২৮ ও ৩১ জানুয়ারি খেলাগুলি হবে নাগপুর, রায়পুর, গুয়াহাটি, বিশাখাপত্তনম ও তিরুঅনন্তপুরমে। এরপর রয়েছে ফেব্রুয়ারিতে বিশ্বকাপ। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে হবে টুর্নামেন্ট। খেলা শুরু ৭ ফেব্রুয়ারি। ফাইনাল ৮ মার্চ। এরপর মার্চের শেষে শুরু হয়ে যাবে আইপিএল। চলবে মে মাস অবধি। আইপিএলের পর আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরবে টিম ইন্ডিয়া। জুনে আফগানিস্তান আসবে ভারতে। খেলবে একটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে। দিন এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

    জুলাই-আগস্টে ইংল্যান্ড সফর

    জুলাইয়ে ভারত যাবে ইংল্যান্ড সফরে। খেলবে পাঁচটি টি–টোয়েন্টি ও তিনটি ওয়ানডে। ১, ৪, ৭, ৯, ১১ জুলাই টি–টোয়েন্টি ম্যাচগুলি হবে চেস্টার লি স্ট্রিট, ম্যাঞ্চেস্টার, নটিংহ্যাম, ব্রিস্টল ও সাউদাম্পটনে। আর ১৪, ১৬ ও ১৯ জুলাই একদিনের ম্যাচগুলি হবে বার্মিংহাম, কার্ডিফ ও লর্ডসে। আগস্টে ভারত যাবে শ্রীলঙ্কা সফরে। খেলবে দুই টেস্টের সিরিজ। এই সিরিজের দিনও এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

    সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর ২২ গজের লড়াই

    সেপ্টেম্বরে ভারত যাবে বাংলাদেশ সফরে। খেলবে তিনটি ওয়ানডে ও সমসংখ্যক টি–টোয়েন্টি ম্যাচ। এরপর ১৯ অক্টোবর থেকে ৪ অক্টোবর চলবে এশিয়ান গেমসে। জাপানে এই টুর্নামেন্টে আবার ক্রিকেট ফিরছে। এরপর আবার আফগানিস্তান আসবে ভারতে। খেলবে তিন ম্যাচের টি–টোয়েন্টি সিরিজ। এরপর দেশের মাটিতে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তিন ওয়ানডে ও পাঁচ টি–টোয়েন্টির সিরিজ। অক্টোবর–নভেম্বরে ভারত যাবে নিউজিল্যান্ড সফরে। খেলবে দুটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে ও পাঁচটি টি–টোয়েন্টি। এই সিরিজের দিন এখনও ঘোষণা করা হয়নি। ডিসেম্বরে শ্রীলঙ্কা আসবে ভারত সফরে। রয়েছে তিনটি ওয়ানডে ও সমসংখ্যক টি–টোয়েন্টি ম্যাচ।

    টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দখলে রাখার লড়াই

    এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবশ্যই দেশের মাটিতে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ২০২৪ সালে জিতেছিল টিম ইন্ডিয়া। তাই বিশ্বকাপ রক্ষার দায়িত্ব এবার সূর্যদের। দলও ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত চলবে এই মেগা টুর্নামেন্ট। সূর্যকুমার যাদবের অধিনায়কত্বে এই টুর্নামেন্টে খেলতে নামবে ভারত। কিউয়িদের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে নিজেদের একবার যাচাই করে নেবেন সূর্যরা।

     

  • Weather Update: ১৮ বছরে শীতলতম বর্ষবরণ শহর কলকাতার! ভিড় চিড়িয়াখানা থেকে ইকো পার্কে

    Weather Update: ১৮ বছরে শীতলতম বর্ষবরণ শহর কলকাতার! ভিড় চিড়িয়াখানা থেকে ইকো পার্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরেও জাঁকিয়ে শীত (Weather Update)। বৃহস্পতিবার ভোরে কলকাতার (Winter in Kolkata) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামল ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ২.৬ ডিগ্রি কম। গত ১৮ বছরে ১ জানুয়ারিতে কখনও এতটা পারদ পতন হয়নি কলকাতায়। ২০০৮ সালে বছরের প্রথম দিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.৪। তার পর ২০২৬-এমন হাড়কাঁপানো ঠান্ডার সাক্ষী থাকল শহরবাসী। গত বছরের শেষ দিনে শহর কলকাতার তারপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি। জাঁকিয়ে শীতকে সঙ্গে নিয়ে এবার ভরা পৌষে চলছে কল্পতরু উৎসবও। বছরের প্রথম দিনে উৎসবের মেজাজে মানুষ ভিড় জমিয়েছেন চিড়িয়াখানা, ইকো পার্ক, ভিক্টোরিয়ায়। কল্পতরু উপলক্ষে ভিড় দক্ষিণেশ্বর, জয়রামবাটী-কামারপুকুরে।

    ফের পারদ পতনের সম্ভাবনা

    বুধবার মরসুমের শীতলতম দিন কাটিয়ে ফেলেছে কলকাতা। বুধবার ভোরে কলকাতার (Winter in Kolkata) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার ভোরে তা সামান্য বেড়ে ১১.৬ ডিগ্রি হয়েছে। আজ শহর কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ঘুরপাক খেতে পারে। গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল, যা স্বাভাবিকের থেকে ৫.৩ ডিগ্রি কম ছিল। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী তিন দিন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি কমবে। তার পরের চার দিন তাপমাত্রায় হেরফের হওয়ার তেমন সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ, আগামী সাত দিন শীতের কনকনানি থেকে খানিক রেহাই মিলতে পারে। তার পর ফের পারদ পতনের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় বিশেষ পরিবর্তন হবে না। তবে এর পরের চার দিন ধীরে ধীরে কমতে পারে শীত।

    জেলায় জেলায় কুয়াশার দাপট

    নদিয়া, সিউড়ি, শ্রীনিকেতন, আসানসোলের তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ৯ থেকে ১০ ডিগ্রির মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে তাপমাত্রা। কোথাও তা ১২ ডিগ্রিতে পৌঁছেছে। উপকূলের জেলাতে ১৩ থেকে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে তাপমাত্রা রয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৩ দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা একটু বাড়তে পারে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী চার-পাঁচ দিনই কুয়াশা থাকবে। বৃহস্পতিবার ঘন কুয়াশার সতর্কতা রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং পশ্চিম বর্ধমানে। শুক্রবারও দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় সকালের দিকে ঘন কুয়াশা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্রই হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এর ফলে দৃশ্যমানতা ৯৯৯ মিটার থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত নামতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও সকালের দিকে কুয়াশার দাপট থাকবে। বৃহস্পতি এবং শুক্রবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং কালিম্পং জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে দার্জিলিঙের পার্বত্য এলাকায় তুষারপাতও হতে পারে। থাকবে কুয়াশাও।

  • PM Modi: সমৃদ্ধ ভারত গঠনের আহ্বান, দেশবাসীর সুস্থ জীবন প্রার্থনা করলেন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি

    PM Modi: সমৃদ্ধ ভারত গঠনের আহ্বান, দেশবাসীর সুস্থ জীবন প্রার্থনা করলেন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাগত ২০২৬! নতুন বছরে পা রাখল বিশ্ব। পৃথিবীর নানা প্রান্তে যখন নতুন বর্ষবরণের আনন্দ, সেই সময়ে দেশের মানুষকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi Wishing New Year) ও রাষ্ট্রপতি (President of India) দ্রৌপদী মুর্মু। দেশকে আরও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করার বার্তা দিলেন। দেশবাসীর উন্নতিতে প্রার্থনা করলেন। আহ্বান জানালেন সমৃদ্ধ ভারত গঠনের।

    প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতির বার্তা

    নতুন বছরের শুভেচ্ছা বার্তায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu) ভারতে এবং ভারতের বাইরে বসবাসকারী সকল ভারতীয়কে (Indian) শুভেচ্ছা জানান। তিনি জানান, “নতুন বছর শক্তির পুণর্নবীকরণ এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতীক। একই সঙ্গে এটি আত্ম দর্শনের এবং নতুন সংকল্পেরও সুযোগ এনে দেয়। এই অবসরে জাতির উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি এবং প্রকৃতির রক্ষায় আমাদের প্রতিশ্রুতিকে আমরা আরও শক্তিশালী করি।” নতুন বছরের শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীর জন্য প্রার্থনা করেন, যেন আগামী বছর প্রত্যেকের সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসে। সেই সঙ্গে সকল প্রচেষ্টায় সফলতা ও সকল কার্যপূরণ হয়। তিনি বলেন, “আমাদের সমাজের শান্তি এবং সুখ প্রতিষ্ঠার প্রার্থনা করি। আশা রাখি ২০২৬ আমাদের জীবনে শান্তি, সুখ, সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক এবং আমাদের মধ্যে নতুন শক্তি সঞ্চারিত করুক যাতে আমরা আরও শক্তিশালী এবং সমৃদ্ধ ভারত গড়ে তুলতে পারি। “

    বিশ্বজুড়ে বর্ষবরণ

    নববর্ষের আগের রাত শুরু হতেই বিশ্বজুড়ে মানুষ আতশবাজি, পারিবারিক জমায়েত এবং নতুন বছরের সংকল্পের মাধ্যমে আগামী বছরকে স্বাগত জানানো শুরু করেছিলেন সকলে। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দের মুহূর্ত ভাগ করে নিয়ে সবাই উদযাপনে মেতে উঠেছিলেন। এই বিশ্বব্যাপী উদযাপনের সূচনা করে প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র কিরিবাতি, যা ক্রিসমাস আইল্যান্ড নামেও পরিচিত। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে এখানেই আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ সালকে স্বাগত জানানো হয়েছে। মধ্যরাত যত এগিয়ে আসছে, ততই উৎসবের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত হয়ে উঠছে ভারতের নানা শহরও। বড় শহর থেকে শুরু করে ছোট শহর—সর্বত্রই পার্টি, আলোর সাজ, আতশবাজি এবং পারিবারিক ও বন্ধুমহলের জমায়েতে উচ্ছ্বাসের আবহ। হোটেল, রেস্তোরাঁ, ক্লাব ও খোলা প্রাঙ্গণে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। অনেকেই আবার বাড়িতেই প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর পরিকল্পনা করছেন। মন্দিরে প্রার্থনা, বাড়িতে বিশেষ রান্না এবং শুভেচ্ছা বার্তা আদানপ্রদানের মধ্য দিয়ে অনেক পরিবার নতুন বছরের সূচনা করতে চান।

  • Kalpataru Utsav: আজ ‘কল্পতরু উৎসব’, আজকের দিনেই ঠাকুর রামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘তোমাদের চৈতন্য হোক’’

    Kalpataru Utsav: আজ ‘কল্পতরু উৎসব’, আজকের দিনেই ঠাকুর রামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘তোমাদের চৈতন্য হোক’’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইংরেজি নতুন বছরের পয়লা দিন বলে কথা। বাঙালি মেতেছে বর্ষবরণের আনন্দে। এ আর নতুন কী! তবে ফি বছর ১ জানুয়ারির গুরুত্ব বাঙালির কাছে অন্যভাবেও রয়েছে, এদিন কল্পতর উৎসব (Kalpataru Utsav)। এদিনই বিশ্ববন্দিত হিন্দু ধর্মের প্রচারক স্বামী বিবেকানন্দের গুরু, ঠাকুর শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব তাঁর শিষ্যদের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘‘তোমাদের চৈতন্য হোক’’। সকাল থেকেই দক্ষিণেশ্বর মন্দির থেকে শুরু করে রাজ্যের সর্বত্র ভক্তরা পালন করছেন কল্পতরু দিবস। ভোর থেকেই ভক্তদের ঢল দক্ষিণেশ্বর-কাশীপুর উদ্যানবাটিতে। এই দিনটির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণদেবের (Sri Ramakrishna) স্মৃতি। ১৮৮৬ সালের ১ জানুয়ারি কল্পতরু রূপে ভক্তদের আশীর্বাদ করেছিলেন ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ।

    ঠাকুরের সংক্ষিপ্ত জীবনী

    পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার আরামবাগ মহকুমার কামারপুকুর গ্রামে ১৮৩৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি এক দরিদ্র বৈষ্ণব ক্ষুদিরাম চট্টোপাধ্যায় এবং চন্দ্রমণি দেবীর সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। কথিত আছে, সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগে গয়া তীর্থ ভ্রমণে গিয়ে ক্ষুদিরাম চট্টোপাধ্যায়, গদাধর বিষ্ণুকে স্বপ্নে দর্শন করেন। তাই নিজের চতুর্থ সন্তানের নাম তিনি রাখলেন গদাধর চট্টোপাধ্যায়। দাদা রামকুমার চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে ১৮৫৫ সালে গদাধর চট্টোপাধ্যায়ের কলকাতায় আগমন ঘটে। কারণ মাহিষ্য সমাজের জমিদার পত্নী রানি রাসমণি দক্ষিণেশ্বরে কালীমন্দির প্রতিষ্ঠা করেছেন। রানিমা প্রধান পুরোহিতের দায়িত্বভার অর্পণ করেছেন কামারপুকুরের রামকুমারের হাতে। তরুণ গদাধর দাদাকে পুজোতে সাহায্য করবেন। ১ বছরের মধ্যে ছন্দপতন। আকস্মিকভাবেই ১৮৫৬ সালে মৃত্যু হল রামকুমার চট্টোপাধ্যায়ের। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন গদাধর চট্টোপাধ্যায়।

    দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দিরের প্রধান পুরোহিতের দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন তিনি। মন্দিরের ঠিক উত্তর-পশ্চিম কোনে তরুণ পুরোহিতের জন্য একটি ছোট্ট ঘর বরাদ্দ করা হল। শোনা যায়, এরপরেই রানি রাসমনির জামাতা মথুরামোহন গদাধর চট্টোপাধ্যায়ের নামকরণ রামকৃষ্ণ (Sri Ramakrishna) করেন, তবে এ নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে, কেউ কেউ বলেন যে তাঁর এই নামকরণ করেন ঠাকুরের অন্যতম গুরু তোতাপুরী। প্রথাগত শিক্ষা তাঁর কিছুই ছিল না সেভাবে। কিন্তু মুখে মুখে বলে দিতেন হিন্দু শাস্ত্রের সমস্ত গূঢ়তত্ত্ব, অতি সরলভাষায়, একেবারে গল্পের ছলে। এজন্য তাঁকে গল্পের রাজাও বলা হয়। পরবর্তীকালে তাঁর এই বাণী সংকলিত হয় কথামৃত নামক গ্রন্থে। এরমধ্যে ঠাকুরের (Kalpataru Utsav) বিবাহ সম্পন্ন হয় কামারপুকুরের তিন মাইল উত্তর-পশ্চিমে জয়রামবাটী গ্রামের রামচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের কন্যা সারদাদেবীর সঙ্গে। সেটা ১৮৫৯ সালে। এতদিনে বঙ্গীয় শিক্ষিত সমাজ তাঁকে গুরুর আসনে বসিয়ে ফেলেছে। শিষ্য তালিকায় স্থান পেয়েছেন কেশবচন্দ্র সেন সমেত অন্যান্য গন্যমান্যরা।

    ১ জানুয়ারী ১৮৮৬

    শরীরে মারণ রোগ বাসা বাঁধলে, ডাক্তার মহেন্দ্রলাল সরকারের নির্দেশে তিনি নিজেকে গৃহবন্দি রাখেন প্রায় এক মাস। ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দের ১ জানুয়ারি কাশীপুর উদ্যানবাটিতে উপস্থিত রয়েছেন প্রায় ৩০জন মতো গৃহী ভক্ত। সকলে হাতে ফুল নিয়ে উপস্থিত। আজ ঠাকুরের দর্শন পাওয়া যাবে। ঘড়ির কাঁটায় তখন ঠিক দুপুর তিনটে। দোতলা ঘর থেকে তিনি নেমে এলেন বাগানে। পরনে সেই চিরাচরিত পোশাক। লাল পেড়ে ধুতি। উপস্থিত গৃহী ভক্তরা তাঁদের হাতে রাখা ফুল ঠাকুরের চরণে অঞ্জলি দিতে থাকেন। কথিত আছে, ঠাকুর তখন নাট্যকার গিরিশ ঘোষকে বলেন, ‘‘হ্যাঁ গো, তুমি যে আমার নামে এত কিছু চারিদিকে বলো, তো আমি আসলে কী?’’ গিরিশ ঘোষ উত্তর দিলেন, ‘‘তুমিই নররূপ ধারী পূর্ণব্রহ্ম ভগবান, আমার মত পাপী-তাপীদের মুক্তির জন্যই তোমার মর্ত্যে আগমন।’’ সবাই তখন ঠাকুরের চরণ স্পর্শ করলেন এবং ঠাকুর (Sri Ramakrishna) বললেন, ‘‘তোমাদের চৈতন্য হোক’’।

    এদিনের উৎসবকে কল্পতরু (Kalpataru Utsav) কেন বলা হয়?

    হরিবংশ ইত্যাদি পুরাণে ‘কল্পতরু’র উল্লেখ রয়েছে। দেবতা এবং অসুরদের মধ্যে সমুদ্র মন্থন হয়েছিল, পুরাণ অনুযায়ী সমুদ্র মন্থনকালে অমৃত, লক্ষ্মীদেবী, ঐরাবত ইত্যাদির সঙ্গে উঠে আসে একটি বৃক্ষ-ও। যাকে পারিজাত বৃক্ষ বলা হত। পরবর্তীতে দেবরাজ ইন্দ্রের বিখ্যাত নন্দনকাননের স্থান পায় এই পারিজাত বৃক্ষ এবং সেখান থেকে স্ত্রী সত্যভামার আবদারে শ্রীকৃষ্ণ (Sri Ramakrishna) পৃথিবীতে নিয়ে আসেন এই বৃক্ষ। এই পারিজাত বৃক্ষকে-ই ‘কল্পতরু’ বলা হয়েছে। অর্থাৎ সেই বৃক্ষ, যার কাছে যা চাওয়া হয় তাই পাওয়া যায়। কল্পতরু উৎসবের (Kalpataru Utsav) দিন ঠাকুরের ভক্তরা তাঁকে অবতার রূপে মেনে নেন। কথিত আছে, সেদিন উপস্থিত সকল ভক্তের মনোবাঞ্ছা ঠাকুরের কৃপায় পূরণ হয়েছিল। ভক্তদের বিশ্বাস রয়েছে, এই দিন ঠাকুর রামকৃষ্ণদেব সকলের মনের ইচ্ছা পূরণ করেন।

  • RailOne: নববর্ষের উপহার! রেলওয়ান অ্যাপে অসংরক্ষিত টিকিট কেনায় ৩ শতাংশ ছাড়, ঘোষণা রেলের

    RailOne: নববর্ষের উপহার! রেলওয়ান অ্যাপে অসংরক্ষিত টিকিট কেনায় ৩ শতাংশ ছাড়, ঘোষণা রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল লেনদেনকে আরও জনপ্রিয় করে তোলার উদ্দেশ্যে ভারতীয় রেলের মন্ত্রক একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছে। এখন থেকে রেলওয়ান (RailOne) মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে যে কোনও ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করে অসংরক্ষিত টিকিট (Unreserved Tickets) কিনলে, যাত্রীরা টিকিটের মূল্যের উপর ৩ শতাংশ ছাড় পাবেন। এই উদ্যোগটির মূল লক্ষ্য হল যাত্রীদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের দিকে আরও বেশি উৎসাহিত করা। তবে এই ছাড়টি রেলওয়ান অ্যাপের (Indian Rail) সমস্ত ডিজিটাল পেমেন্ট মোডে প্রযোজ্য হবে।

    কবে থেকে কবে ছাড় (RailOne)?

    ৩০ ডিসেম্বর ২০২৬ তারিখের এক সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, এই বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থাটি ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে শুরু হয়ে ১৪ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত, অর্থাৎ মোট ছয় মাস জুড়ে কার্যকর থাকবে। বর্তমানে রেলওয়ান অ্যাপ ব্যবহারকারীরা শুধুমাত্র অ্যাপের নিজস্ব ওয়ালেট পেমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করে লেনদেন (Indian Rail) করলে ৩ শতাংশ ক্যাশব্যাকের সুবিধাও পাবেন। তবে রেল মন্ত্রক (RailOne) এখন এই উৎসাহমূলক সুবিধাটিকে ডিজিটাল পেমেন্টের বিস্তৃত পরিসরে প্রসারিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    ডিজিটাল বুকিংকে আরও জনপ্রিয়

    রেলে মন্ত্রক (Indian Rail) সেন্টার ফর রেলওয়ে ইনফরমেশন সিস্টেম (CRIS)-কে পাঠানো এক চিঠিতে জানিয়েছে, ডিজিটাল বুকিংকে আরও জনপ্রিয় করে তোলার উদ্দেশ্যে রেলওয়ান (RailOne) অ্যাপে সমস্ত ডিজিটাল পেমেন্ট মোডের মাধ্যমে অসংরক্ষিত টিকিট বুকিংয়ের উপর ৩ শতাংশ ছাড়-এর পরিষেবা দেবে। একই ভাবে রেলের প্রযুক্তিগত বিভাগ সিআরআইএ (CRIS)-কে এই নতুন সুবিধাটি চালু করার আগে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়াও হয়েছে।

    রেলের (Indian Rail) এক আধিকারিক এই প্রসঙ্গে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বিদ্যমান ৩ শতাংশ ক্যাশব্যাক অফারটি নতুন ছাড়ের প্রকল্পের পাশাপাশি চলতে থাকবে। তবে ৩ শতাংশ ছাড়ের এই নতুন সুবিধাটি শুধুমাত্র রেলওয়ান অ্যাপের মাধ্যমে করা সমস্ত ডিজিটাল পেমেন্টের জন্য প্রযোজ্য হবে। অন্য কোনো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে টিকিট কাটলে এই ছাড় পাওয়া যাবে না।

LinkedIn
Share