Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Harish Rana Case: ১৩ বছর কোমায় থাকা যুবককে নিষ্কৃতিমৃত্যুর অনুমতি, হরিশ রানা মামলায় ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    Harish Rana Case: ১৩ বছর কোমায় থাকা যুবককে নিষ্কৃতিমৃত্যুর অনুমতি, হরিশ রানা মামলায় ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে প্যাসিভ ইউথেনেশিয়া (Passive Euthanasia) বা নিষ্কৃতিমৃত্যু নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ১৩ বছর ধরে কোমায় থাকা ৩২ বছর বয়সি হরিশ রানাকে (Harish Rana Case) চিকিৎসা প্রত্যাহারের অনুমতি দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। এর ফলে কার্যত ‘মর্যাদার সঙ্গে মৃত্যু’ (Death with Dignity) পাওয়ার পথ খুলে গেল তাঁর সামনে। আদালতের নির্দেশে এটি দেশের প্রথম প্যাসিভ ইউথেনেশিয়া সংক্রান্ত ঘটনা হিসেবে ধরা হচ্ছে। এই রায় দেন বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথন–এর বেঞ্চ। আবেগঘন পর্যবেক্ষণে আদালত ২০১৮ সালের ঐতিহাসিক রায়ের বিভিন্ন দিক আরও স্পষ্ট করে দেয়, যেখানে প্যাসিভ ইউথেনেশিয়াকে (Supreme Court Passive Euthanasia) আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল।

    ফিডিং টিউবের মাধ্যমে খাবারও চিকিৎসার অংশ: আদালত

    হরিশ রানা মামলায় (Harish Rana Case) একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন ছিল—ফিডিং টিউবের মাধ্যমে দেওয়া খাবার ও পুষ্টি কি চিকিৎসার অংশ হিসেবে ধরা হবে কি না। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে টিউবের মাধ্যমে দেওয়া পুষ্টি ও জলও চিকিৎসারই অংশ। ফলে যদি প্রাথমিক ও দ্বিতীয় মেডিক্যাল বোর্ড মনে করে যে এই চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া রোগীর স্বার্থে নয়, তাহলে তা বন্ধ করা যেতে পারে।

    জীবন ও মৃত্যু নিয়ে আদালতের আবেগঘন পর্যবেক্ষণ

    রায় ঘোষণার (Supreme Court Passive Euthanasia)  সময় বেঞ্চ জীবন ও মৃত্যুর জটিলতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করে। আদালত মার্কিন ধর্মপ্রচারক হেনরি ওয়ার্ড বিচারের উক্তি উদ্ধৃত করে জানায়— “ঈশ্বর মানুষকে জিজ্ঞেস করেন না সে জীবন গ্রহণ করবে কি না। জীবন গ্রহণ করতেই হয়, প্রশ্ন হল কীভাবে।” এছাড়া উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ‘To be or not to be’ দ্বিধার কথাও উল্লেখ করেন বিচারপতিরা।

    কী ঘটেছিল হরিশ রানার সঙ্গে

    ২০১৩ সালে একটি বহুতলের চতুর্থ তলা থেকে পড়ে গুরুতরভাবে আহত হন হরিশ রানা (Harish Rana Case)। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২০ বছর। দুর্ঘটনার পর থেকেই তিনি পারসিস্টেন্ট ভেজিটেটিভ স্টেটে (Persistent Vegetative State) চলে যান এবং সম্পূর্ণ কোয়াড্রিপ্লেজিয়ায় (Quadriplegia) আক্রান্ত হন। মেডিক্যাল রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর ঘুম ও জেগে ওঠার চক্র থাকলেও কোনও অর্থপূর্ণ নড়াচড়া বা প্রতিক্রিয়া নেই। দুর্ঘটনার পর থেকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বসানো ফিডিং টিউবের সাহায্যে তাঁকে খাবার দেওয়া হচ্ছিল।

    আদালতের দ্বারস্থ হন বাবা-মা

    বছরের পর বছর কোনও উন্নতি না হওয়ায় হরিশ রানার (Harish Rana Case) বাবা-মা আদালতের দ্বারস্থ হন। তাঁদের দাবি ছিল, তাঁদের ছেলে কৃত্রিমভাবে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে এবং এই চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার আর কোনও বাস্তব উপকার নেই। সব দিক বিবেচনা করে সুপ্রিম কোর্ট চিকিৎসা প্রত্যাহারের অনুমতি দেয় (Supreme Court Passive Euthanasia)।

    গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ

    রায়ে আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, এ ধরনের ক্ষেত্রে মূল প্রশ্ন মৃত্যু নয়, বরং চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া রোগীর সর্বোত্তম স্বার্থে কি না। আদালতের মতে, যতক্ষণ চিকিৎসা রোগীর উপকারে আসে ততক্ষণ তা চালিয়ে যাওয়া চিকিৎসকদের দায়িত্ব। কিন্তু যখন চিকিৎসা কেবলমাত্র আরোগ্যের কোনও সম্ভাবনা ছাড়াই জৈবিক জীবন দীর্ঘায়িত করে, তখন সেই চিকিৎসা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রায় ভবিষ্যতে ভারতে প্যাসিভ ইউথেনেশিয়া সংক্রান্ত মামলাগুলিতে (Supreme Court Passive Euthanasia)  গুরুত্বপূর্ণ দিশা দেখাবে। বিশেষ করে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে, যাঁরা দীর্ঘদিন ভেজিটেটিভ স্টেটে থেকে শুধুমাত্র চিকিৎসা প্রযুক্তির সাহায্যে বেঁচে আছেন, সেখানে এই রায় একটি সুস্পষ্ট আইনি কাঠামো তৈরি করল।

  • IPL 2026: জ্বলছে পশ্চিম এশিয়া, দেশে জ্বালানি সংকট! পিছিয়ে যাবে আইপিএল? বিসিসিআই বলল…

    IPL 2026: জ্বলছে পশ্চিম এশিয়া, দেশে জ্বালানি সংকট! পিছিয়ে যাবে আইপিএল? বিসিসিআই বলল…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা দেশে এলপিজি সংকট। আমেরিকা-ইরানের লড়াইয়ের ফলে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করেছে ইরান। যার জেরে জ্বালানি সরবরাহ ধাক্কা খেয়েছে। বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, মুম্বইয়ের মতো প্রথমসারির শহরে একাধিক রেস্তোরাঁ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই আবহে আগামী ২৮ মার্চ থেকে শুরু হতে চলা আইপিএল টুর্নামেন্ট আয়োজন নাও হতে পারে বা পিছিয়েও যেতে পারে। এই টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্লেয়াররা আসবেন। তাঁদের থাকা, যাতায়াত সবেতেই লাগবে জ্বালানি।

    হোটেলে পর্যাপ্ত জ্বালানির অভাব

    আইপিএল চেয়ারম্য়ান অরুণ ধূমাল জানিয়েছেন, পুরো পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। সেই মতই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আইপিএল আয়োজনের সময় দেশের তো নয়, বিদেশের প্রচুর প্লেয়ার আসেন। তাঁদের থাকা-খাওয়ার বন্দোবস্ত করা হয় বিভিন্ন শহরের ফাইভ স্টার হোটেলগুলোতে। এছাড়াও অনেকের পরিবার-পরিজনরাও আসেন। হোটেলে পর্যাপ্ত জ্বালানির ব্যবস্থা না থাকলে তা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে। মুম্বই, বেঙ্গালুরু, চেন্নাইয়ের মত বড় বড় শহরে গত কয়েক দিন ধরে এলপিজি জ্বালানির সংকট দেখা গিয়েছে।

    যুদ্ধে জ্বলছে পশ্চিম এশিয়া

    যুদ্ধে জ্বলছে পশ্চিম এশিয়া। হরমুজ প্রণালীতে আটকে আছে বহু জাহাজ। প্রভাব পড়েছে অপরিশোধিত তেল সরবরাহে। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ‘নিয়ন্ত্রণ’-এর রাস্তায় হেঁটেছে কেন্দ্র। বাণিজ্যিক গ্যাসের জোগানে টান পড়ায় মুম্বইয়ের অন্তত ২০ শতাংশ হোটেল এবং রেস্তরাঁ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে, সেখানকার হোটেল এবং রেস্তোরাঁগুলির সংগঠন ‘আহার’। সংগঠনের দাবি, জোগান স্বাভাবিক না-হলে, কয়েক দিনের মধ্যে শহরের অন্তত ৫০ শতাংশ হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দিতে হবে। বাণিজ্য নগরীর পাশাপাশি, এলপিজি সঙ্কটে ভারতের সিলিকন ভ্যালিও। বেঙ্গালুরুতেও দেখা দিয়েছে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের আকাল।

    আইপিএল-এর প্রস্তুতি শুরু

    ইতিমধ্যেই আইপিএল-এর একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজ়ি তাদের ক্যাম্পেইন শুরু করে দিয়েছে। চেন্নাই সুপার কিংস প্রতিদিন ১০ জন প্লেয়ারকে ট্রেনিং দিচ্ছে।পাঞ্জাব কিংসও ১০ জন প্লেয়ারকে নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। সমস্যাটা শুধু এলপিজি সরবরাহ নিয়ে নয়। আসল সমস্যাটা হচ্ছে পরিকাঠামো নিয়ে। জ়িম্বাবোয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের প্লেয়াররা এখনও বাড়ি ফিরতে পারেননি, আর তাঁরা না ফিরলে কী ভাবে আইপিএল-এ অংশগ্রহণ করবেন সেই প্রশ্নটাও থাকছে। পাশাপাশি দুবাইয়ে যেভাবে মাঝেমধ্যেই যাত্রিবাহী বিমান বন্ধ থাকছে তাতে প্লেয়ারদের ভারতে আসাটাও বড় প্রশ্নের মুখে। এই পরিস্থিতিতে বোর্ড কী সিদ্ধান্ত নেয় সেই দিকে নজর সকলের।

    বিধানসভা নির্বাচন নিয়েও সমস্যা

    একাধিক রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য আইপিএলের পূর্ণাঙ্গ সূচি তৈরি করতে সমস্যায় পড়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) কর্তারা। যদিও ২৮ মার্চ থেকে আইপিএল শুরু হওয়া নিশ্চিত। প্রাথমিক ভাবে প্রথম ২০ দিনের সূচি প্রকাশ করা হবে। পশ্চিমবঙ্গ, অসম, তামিলনাড়ু এবং কেরলে বিধানসভা নির্বাচন হবে। নির্বাচন কমিশন এখনও নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেনি। এই পরিস্থিতিতে আইপিএলের সূচি নিয়ে সমস্যায় পড়েছে বিসিসিআই। নির্বাচনের সময় আইপিএলের ম্যাচের নিরাপত্তা নিয়ে সমস্যা হয়। তাই সব দিক খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নিতে চাইছেন বিসিসিআই কর্তারা।

  • India Nepal Relation: “ভারত ও নেপালের সম্পর্ককে নয়া উচ্চতায় পৌঁছবে” প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানালেন বলেন্দ্র শাহ

    India Nepal Relation: “ভারত ও নেপালের সম্পর্ককে নয়া উচ্চতায় পৌঁছবে” প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানালেন বলেন্দ্র শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালে নতুন সূর্যোদয়। এতদিন ধরে ক্ষমতার রাশ ধরে থাকা রাজনৈতিক দলগুলিকে কার্যত ধুয়ে মুছে দিয়েছে নেপালের (India Nepal Relation) নয়া রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি)। প্রায় দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসছেন নেপালের জেন-জি মুখ বালেন শাহ (Balen Shah To PM Modi)। নেপালের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন ৩৫ বছরের বলেন্দ্র। তাঁর জয় কার্যত নিশ্চিত হওয়ার পর সোমবার বলেন্দ্রকে ফোন করে অভিনন্দন জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার নেপালের রাষ্ট্রীয় স্বাধীন পার্টির নেতা, বলেন্দ্র প্রধানমন্ত্রী মোদিকে তার শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের জন্য শাহ ভারত ক্রিকেট দলকেও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    ভারতকে অভিনন্দন বালেন শাহ-র

    প্রধানমন্ত্রী মোদির অভিনন্দন জানিয়ে লেখা পোস্টের জবাবে শাহ লিখেছেন, “শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ। আমি আমার আস্থা প্রকাশ করছি যে আমরা আগামী দিনে নেপাল ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান ঐতিহাসিক, ঘনিষ্ঠ এবং বহুমাত্রিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী, গভীর এবং আরও ফলাফলমুখী করার জন্য একসঙ্গে কাজ করব।” টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ের জন্য ভারতকে অভিনন্দন জানিয়ে শাহ বলেন, টানা দুইবার সফলভাবে বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের জন্য ভারত সরকার এবং ভারতীয় জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন। এর আগে, সোমবার প্রধানমন্ত্রী মোদি বালেনের পাশাপাশি আরএসপির চেয়ারম্যান রবি লামিছানের সঙ্গেও কথা বলেন। সেই ফোনালাপের কথা এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। লেখেন, “আরএসপির চেয়ারম্যান রবি লামিছানে এবং অন্যতম নেতা বলেন্দ্র শাহের সঙ্গে কথা হয়েছে। জয়ের জন্য দু’জনকেই অভিনন্দন জানিয়েছি। নতুন সরকারকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি আমরা দুই দেশের পারস্পরিক সমৃদ্ধি, অগ্রগতি এবং কল্যাণের জন্য একসঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি নিশ্চিত আমাদের যৌথ প্রচেষ্টা আগামী বছরগুলিতে ভারত ও নেপালের সম্পর্ককে নয়া উচ্চতায় পৌঁছে দেবে।”

    নেপালের জেন-জি মুখ বালেন শাহ

    উল্লেখ্য, গত বছরের সেপ্টেম্বরে জেন জি আন্দোলনের জেরে ওলি প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে পালিয়ে যান। এরপর দেশের সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। বিভিন্ন স্তরে আলাপ-আলোচনা শেষে সে দেশের নির্বাচন কমিশন ৫ মার্চ পার্লামেন্ট নির্বাচনের দিন ঘোষণা করে। সেইমতো বৃহস্পতিবার নেপালে ১৬৫টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়। লড়াইয়ে ছিল ৬৫টি রাজনৈতিক দল। রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহলে এবারের নির্বাচনে কোনও দলের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সন্দেহ ছিল। কেউ ভাবতে পারেননি প্রাক্তন র‍্যাপার বালেন শাহের নেতৃত্বে নবগঠিত রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি) সংসদীয় নির্বাচনে প্রথম সারির প্রার্থী হিসেবে আবির্ভূত হবে। কিন্তু সেটাই হতে চলেছে। কারণ, নেপালের জেন জি-র বড় অংশের পছন্দ ছিলেন বালেন শাহ। কমিশনের রিপোর্ট বলছে, ১৬৫ আসনের মধ্যে ১২৫ আসনে জয় পেয়েছে আরএসপি। ওলির দল কমিউনিস্ট পার্টি অফ নেপাল ৮টি আসন জয়ের পথে। নেপালি কংগ্রেসও দুই অঙ্ক পার করতে পারেনি।

  • Early Diabetes: কৈশোর পেরিয়েই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছেন ভারতীয় মহিলারা! কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

    Early Diabetes: কৈশোর পেরিয়েই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছেন ভারতীয় মহিলারা! কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ভারতে বাড়ছে ডায়াবেটিসের বোঝা! আর গত কয়েক বছরে ভারতীয় মহিলাদের মধ্যে ডায়াবেটিস আক্রান্তের সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়েছে। কৈশোর পার করার পরেই ভারতীয় মেয়েদের শরীরে ডায়াবেটিস হানা দিচ্ছে। আর সে সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত থাকাই, ভারতীয় মহিলাদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। আগামী কয়েক বছরে ভারতীয় মহিলাদের সুস্থ জীবন যাপনের পথে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হয়ে উঠবে ডায়াবেটিস। এমনটাই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কী বলছে সাম্প্রতিক তথ্য?

    ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ভারতে সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক অসংক্রমিত রোগের তালিকায় প্রথম সারিতেই রয়েছে ডায়াবেটিস। এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ১০ কোটি মানুষ টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। ১৫ বছরের উর্ধ্বে ভারতীয় মহিলাদের প্রায় ৫ শতাংশ ডায়াবেটিস আক্রান্ত। ভারতে মোট মহিলা মৃত্যুর ৫ শতাংশ ডায়াবেটিসের কারণে মারা যান। ভারতীয় গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে প্রায় ১৬ শতাংশের গর্ভকালীন ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। অর্থাৎ পরিসংখ্যান জানান দিচ্ছে, এ দেশে মহিলাদের মধ্যে ডায়াবেটিসের প্রকোপ বাড়ছে। যা আগামী প্রজন্মের জন্যও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই এই রোগে আক্রান্ত হলে পরবর্তী জীবনে একাধিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। সুস্থ জীবন যাপনের পথে অন্তরায় হয়ে ওঠে।

    কেন ভারতীয় মহিলাদের মধ্যে ডায়াবেটিসের প্রকোপ বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয় মহিলাদের জীবন যাপন ও খাদ্যাভ্যাসের ধরনের জেরেই ডায়াবেটিসের প্রকোপ বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতীয় মহিলাদের শারীরিক কার্যকলাপ কমছে। অর্থাৎ নিয়মিত পর্যাপ্ত সময় ব্যায়াম করা, যোগাভ্যাস করা কিংবা নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস থাকছে না। এর ফলে স্থুলতা বাড়ছে। তাছাড়া চটজলদি প্যাকেটজাত খাবারে অনেকেই কম বয়স থেকেই অভ্যস্থ হয়ে উঠছে। এর ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। হরমোন ঘটিত ভারসাম্যের অভাব দেখা দিচ্ছে। এগুলো ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

    মহিলাদের ডায়াবেটিস চিকিৎসায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয় মহিলাদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, রোগ নির্ণয় না হওয়া। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ভারতীয় মহিলার ডায়াবেটিস পরীক্ষা হয় না। ফলে, তিনি আক্রান্ত কিনা সে সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকেন না। তাই রোগের চিকিৎসাও হয় না। স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয় মহিলাদের একাংশ গর্ভবতী হওয়ার পরে জানতে পারেন, তিনি ডায়াবেটিস আক্রান্ত! এক স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, “অনেকক্ষেত্রে হয়তো মহিলা বয়ঃসন্ধিকাল থেকে ডায়াবেটিস আক্রান্ত। কিন্তু সে রোগ সম্পর্কে জানেন না। কারণ তাঁর কোনো পরীক্ষা হয়নি। গর্ভবতী হওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা হওয়ার জন্য তিনি পরীক্ষা করে রোগ সম্পর্কে জানতে পারলেন। ফলে অনেকটাই দেরি হয়ে যায়। চিকিৎসাও জটিল হয়ে যায়! ” চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বয়ঃসন্ধিকালে একাধিক লক্ষণ ডায়াবেটিস আক্রান্ত জানান দেয়। কিন্তু সে সম্পর্কে সজাগ না থাকলে বিপদ বাড়ে!

    কীভাবে ডায়াবেটিসের প্রকোপ কমাবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয় মহিলাদের দীর্ঘ সুস্থ জীবন‌ যাপনের জন্য নিয়মিত ডায়বেটিস পরীক্ষা করানো জরুরি। তাঁদের পরামর্শ, বয়স ২৫ পার হলেই ভারতীয় মহিলাদের বছরে অন্তত একবার রক্ত পরীক্ষা করানো জরুরি। শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে কিনা, সে সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকা প্রয়োজন। রোগ নির্ণয় হলে তবেই চিকিৎসা সম্ভব। তাছাড়া প্রথম থেকেই নিয়মিত শারীরিক কসরতের দিকে নজরদারি প্রয়োজন। বিশেষত শহুরে মেয়েদের শারীরিক কসরতের সুযোগ কমছে। তাই প্রতিদিন নিয়ম করে এক ঘণ্টা যোগাভ্যাস কিংবা হাঁটার মতো এমন কিছু কার্যকলাপ করা জরুরি, যাতে ক্যালোরি ক্ষয় হয়। খাদ্যাভাসের ক্ষেত্রেও সুষম আহারের দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। পেট ভরানোর জন্য অতিরিক্ত পরিমাণে ভাত বা রুটি খাওয়া নয়। ভাত-রুটির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রেখে সব্জি, ডাল, প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়া দরকার। বাড়ির তৈরি খাবার খেলে তবেই শরীরের একাধিক রোগের ঝুঁকি কমবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 11 March 2026: সঙ্গীতচর্চায় নতুন রাস্তা খুলতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 11 March 2026: সঙ্গীতচর্চায় নতুন রাস্তা খুলতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কর্মদক্ষতায় চাকরির স্থানে সুনাম অর্জন করতে পারবেন।

    ২) বিষয়সম্পত্তি নিয়ে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) কোনও ভয় আপনাকে চিন্তায় ফেলতে পারে।

    ২) স্ত্রীর জন্য বিশেষ কাজের সুযোগ পাবেন।

    ৩) দিনটিতে বিবাদে জড়াবেন না।

    মিথুন

    ১) মাতৃস্থানীয়া কারও সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে।

    ২) সঙ্গীতচর্চায় নতুন রাস্তা খুলতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কর্কট

    ১) কোনও ভালো জিনিস নষ্ট হওয়ার যোগ।

    ২) বন্ধুদের দিক থেকে ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    সিংহ

    ১) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন।

    ২) প্রতিযোগিতায় জেতার আশা রাখতে পারেন।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে বেশি।

    কন্যা

    ১) মাত্রাছাড়া আবেগ আপনার ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে জটিলতা কাটতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    তুলা

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে ঝামেলা বাধতে পারে।

    ২) শরীরের সমস্যায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) সকলের সঙ্গে কথা খুব বুঝে বলবেন।

    ২) সন্তানদের নিয়ে সংসারে কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    ধনু

    ১) শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

    ২) ঘরের পরিবেশ অনুকূল থাকলেও বাইরে পরিবেশ খুব একটা উপযুক্ত হবে না।

    ৩) সংযমী হতে হবে।

    মকর

    ১) চাকরির ক্ষেত্রে দিনটি খুব ভালো।

    ২) সন্তানদের বিষয়ে উদ্বেগ থাকবে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ।

    কুম্ভ

    ১) কর্মক্ষেত্রে কেউ আপনাকে ঠকাতে পারে।

    ২) সাংসারিক সমস্যার সমাধান হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    মীন

    ১) অতিরিক্ত ক্রোধের জন্য হাতে আসা কাজ নষ্ট হতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনায় সফল হবেন।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Kolkata Port: ১১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বন্দরে পুনর্নির্মিত হচ্ছে ঐতিহাসিক ব্যাসকিউল ব্রিজ

    Kolkata Port: ১১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বন্দরে পুনর্নির্মিত হচ্ছে ঐতিহাসিক ব্যাসকিউল ব্রিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা বন্দর তথা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি পোর্টে (Kolkata Port) অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির নিদর্শন ‘ব্যাসকিউল ব্রিজ’-এর আমূল সংস্কার ও আধুনিকীকরণের জন্য ১১৭.৫৪ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে কেন্দ্র। দীর্ঘদিনের পুরোনো এই সেতুটি বন্দরের পণ্য পরিবহণ এবং স্থানীয় যানচলাচলের ক্ষেত্রে একটি মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করে।

    ঐতিহাসিক গুরুত্ব (Kolkata Port)

    বিশেষ ধরণের সেতুটি মাঝখান থেকে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে ওপরের দিকে উঠে যায়, যাতে নিচ দিয়ে বড় জাহাজ অনায়াসে যাতায়াত করতে পারে। এটি কলকাতা বন্দরের (Kolkata Port) পুরাতন প্রকৌশল বিদ্যার এক অনন্য নিদর্শন।

    আধুনিকীকরণপণ্য পরিবহণে গতি

    দীর্ঘ ব্যবহারের ফলে সেতুর যান্ত্রিক অংশে যে জরাজীর্ণ অবস্থা তৈরি হয়েছিল, এই প্রকল্পের মাধ্যমে তার সম্পূর্ণ সংস্কার করা হবে। আধুনিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং শক্তিশালী যন্ত্রাংশ স্থাপনের মাধ্যমে এর স্থায়িত্ব বাড়ানো হবে। খিদিরপুর ডক (Kolkata Port) এলাকায় নির্বিঘ্নে পণ্যবাহী যান চলাচলের জন্য এই সেতুর কার্যকারিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংস্কারের পর ভারী ট্রাক ও কন্টেইনার যাতায়াত আরও নিরাপদ ও দ্রুত হবে।

    কেন এই সংস্কার জরুরি?

    বন্দরে (Kolkata Port) জাহাজ চলাচলের সুবিধা এই সংস্করণের প্রধান লক্ষ্য। সেতুর যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত করা হলে জাহাজ চলাচলের সময় সেতুটি দ্রুত খোলা ও বন্ধ করা সম্ভব হবে। শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য এই ব্রিজের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। মোমিনপুর ও খিদিরপুর এলাকার যানজট কমাতে এবং বন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং ক্ষমতা বাড়াতে এই আধুনিকীকরণ অপরিহার্য ছিল। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কলকাতা বন্দরের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং একইসঙ্গে শহরের এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় দীর্ঘকাল সচল থাকবে।

  • PM Modi Brigade Rally: ২০২৬-এর লক্ষ্যে মোদির ব্রিগেড, বিজেপির তুরুপের তাস উত্তরবঙ্গ, ৫০ হাজার কর্মীর জন্য ১০টি ট্রেন ও কয়েকশো বাসের ব্যবস্থা

    PM Modi Brigade Rally: ২০২৬-এর লক্ষ্যে মোদির ব্রিগেড, বিজেপির তুরুপের তাস উত্তরবঙ্গ, ৫০ হাজার কর্মীর জন্য ১০টি ট্রেন ও কয়েকশো বাসের ব্যবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে কলকাতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi Brigade Rally) মেগা সমাবেশের ডাক দিয়েছে বিজেপি। এই সমাবেশকে সফল করতে গেরুয়া শিবিরের উত্তরবঙ্গ থেকে আসবে বহু রাজনৈতিক কর্মী। আগামী ১৪ মার্চ ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এই মহাসভা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, যা একইসঙ্গে বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’র শেষ কার্যক্রম। পর্যাপ্ত ট্রেন (Special Trains) এবং বাসের পরিষেবা দেওয়া হবে দলের তরফে, এমনটাই জানিয়েছে বিজেপি।

    বিজেপির শক্ত ঘাঁটি উত্তরবঙ্গ (PM Modi Brigade Rally)

    রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের জেলাগুলো থেকেই অন্তত ৫০ হাজার কর্মী-সমর্থককে কলকাতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা (PM Modi Brigade Rally) নিয়েছে। এর মধ্যে শিলিগুড়ি থেকেই প্রায় ১০ হাজার মানুষ যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে কোচবিহার, এনজেপি (NJP) এবং মালদা থেকে ১০টি বিশেষ ট্রেন (Special Trains) ও কয়েকশ বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    জনসভায় ভিড় উপচে পড়বে

    উত্তরবঙ্গ ঐতিহাসিকভাবেই বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই অঞ্চলের ৫৪টি আসনের মধ্যে ৩০টিতেই বিজেপি জয়লাভ করেছিল। সেই দাপট বজায় রাখাই এখন দলের প্রধান চ্যালেঞ্জ। রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বাপি গোস্বামী ব্রিগেডে জনসভার ভিড় নিশ্চিত করার দায়িত্বে রয়েছেন। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বাপি বলেন, “প্রত্যেক জেলার নেতৃত্বকে কলকাতায় লোক নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় ভিড় (PM Modi Brigade Rally) উপচে পড়বে। অনেক সংখ্যায় ট্রেন (Special Trains), বাস থাকবে। শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, রাজ্যের সমস্ত এলাকার মানুষের উপস্থিতি থাকবে।”

    মোদির এই সভাই অক্সিজেন

    গত পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং উপনির্বাচনগুলোতে উত্তরবঙ্গে বিজেপির সেই একচ্ছত্র আধিপত্যে কিছুটা ভাটা লক্ষ্য করা গেছে। সাংগঠনিক ভাবে দলকে আরও মজবুত করে আগামী জয়ের লক্ষ্যে মোদির এই সভাকেই ‘অক্সিজেন’ হিসেবে দেখছেন কর্মীরা। তবে উত্তরবঙ্গের জেলা সভাপতিদের দাবি, কোনো টার্গেট বা বাধ্যবাধকতা নয়, মোদিকে (Special Trains) দেখতে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবেই ব্রিগেডে (PM Modi Brigade Rally) ভিড় জমাবেন। সেই সঙ্গে দলীয় সূত্রে খবর, ভোটের আগে কোচবিহার ও মালদায় প্রধানমন্ত্রীর আরও দুটি জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিলিগুড়িতেও এমন সভা হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

  • T20 World Cup 2026: ‘যোগ্য দল হিসেবেই চ্যাম্পিয়ন’ বললেন আফ্রিদি, ‘মেনে নিন ভারত এক নম্বর’, নিন্দকদের একহাত মিঁয়াদাদের

    T20 World Cup 2026: ‘যোগ্য দল হিসেবেই চ্যাম্পিয়ন’ বললেন আফ্রিদি, ‘মেনে নিন ভারত এক নম্বর’, নিন্দকদের একহাত মিঁয়াদাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও ষড়যন্ত্র নয়, যোগ্য দল হিসেবেই টি-২০ বিশ্বকাপ জয় করেছে ভারত, মেনে নিল পাকিস্তান। বরাবর ভারতীয় দল নিয়ে তিক্ত মন্তব্য করেছেন তিনি। কখনও বয়কট নিয়ে, কখনও সাফল্য ঘিরে—বিসিসিআই কিংবা টিম ইন্ডিয়া—কাউকেই রেয়াত করেননি পাকিস্তানের শহিদ আফ্রিদি। বারবার মুখ খুলেছেন৷ আলগা মন্তব্য করেছেন৷ যার জেরে কমার বদলে বিতর্ক বেড়েছে কয়েক গুণ৷ এবার অপ্রত্যাশিতভাবে অতীতের এই জের মুছে ফেললেন প্রাক্তন পাক অধিনায়ক। মেনে নিলেন ভারতীয় দলের কর্তৃত্ব৷

    ভারতীয় দলের প্রশংসায় আফ্রিদি

    ক্রিকেট দুনিয়ায় এক নয়া ইতিহাস কায়েম করেছে ভারতীয় দল। পরপর ২ বার তারা টি-২০ বিশ্বকাপের (ICC T20I World Cup 2026) খেতাব জয় করেছে। ২০২৪ সালে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ের পর গত রবিবার (৮ মার্চ) জিতল নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে। সূর্যকুমার যাদবের (Suryakumar Yadav) নেতৃত্বে টিম ইন্ডিয়া ৯৬ রানে জয়লাভ করে। এরপরই দ্ব্যর্থহীন গলায় আফ্রিদি জানালেন, যোগ্য টিম হিসেবেই টি-২০ বিশ্বকাপ খেতাব ঘরে তুলেছে সূর্য বাহিনী। টুর্নামেন্টের আগাগোড়া নিখুঁত ক্রিকেট খেলে যারা, চ্যাম্পিয়ন হওয়া তাদেরই সাজে! শুনতে অদ্ভুত লাগলেও ‘ইতিবাচক’ ও ‘প্রশস্তিমূলক’ বক্তব্যে ভারতের গুণ গেয়েছেন আফ্রিদি। যা স্বাভাবিকভাবেই সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচনার ইন্ধন জুগিয়েছে৷

    অন্যতম সেরা বোলার বুমরা

    এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করা ভিডিয়োতে আফ্রিদি (Shahid Afridi) বলেন, ‘বিশ্বকাপ শেষ। ভারত শিরোপার যোগ্য দল। কম্বিনেশন দুর্দান্ত। বেঞ্চে যারা বসে ছিল, তারাও প্রথম একাদশে খেলার উপযুক্ত। আমি এই কারণেই বলে থাকি, বেঞ্চ শক্তিশালী হওয়া খুবই জরুরি! গোটা টুর্নামেন্টটাই ভারত চ্যাম্পিয়নের মতো খেলেছে!’ আর সবার পাশাপাশি সঞ্জু স্যামসনের (Sanju Samson) আলাদা করে প্রশংসা করেছেন আফ্রিদি। বললেন, ‘সুযোগ পেয়েছে, কাজে লাগিয়েছে। বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাটিং, ইনিংস গড়ার ক্ষমতা—অসাধারণ!’ এ ছাড়া অভিষেক শর্মা ও ঈশান কিষাণেরও (Ishan Kishan) সুখ্যাতি শোনা গেল। জসপ্রীত বুমরা (Jasprit Bumrah) প্রসঙ্গে মন্তব্য, ‘দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় বোলিংয়ের মেরুদণ্ড। নতুন বল, পুরনো বল, স্লোয়ার, ইয়র্কার—সব পরিস্থিতিতেই সফল। আমার মতে বিশ্বের অন্যতম সেরা বোলার।’

    কেন হোঁচট খাচ্ছে পাকিস্তান?

    আফ্রিদির মতো প্রাক্তন পাক অধিনায়ক রশিদ লতিফও (Rashid Latif) ভারতের জয়কে ‘অপ্রত্যাশিত’ মনে করছেন না। তাঁর বক্তব্য, ‘বড় ইভেন্টের ফাইনালে বারবার যখন খেলতে হয়, তখন চাপ সামলানোটা অভ্যেসে পরিণত হয়। ভারতের খেলোয়াড়রা সেটাই করে দেখিয়েছেন!’ পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন, টিম ইন্ডিয়ার সাফল্যের পেছনে রয়েছে ধারাবাহিকতা ও স্থিরতা। বারবার দল বদল, অধৈর্য সিদ্ধান্ত—এই ফাঁদে পা না দেওয়া। পাকিস্তান ঠিক এই জায়গাতেই বারবার হোঁচট খেয়েছে বলে মনে করেন লতিফ।

    ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়ানো বন্ধ করা উচিত

    সূর্য-ব্রিগেডের এই সাফল্যের পর পাকিস্তানের কয়েকজন প্রাক্তন ক্রিকেটার ভারতের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে বলেছেন, অযথা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়ানোর বদলে পাকিস্তানের উচিত ভারতের কাছ থেকে শিক্ষা নেওয়া। কিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার মুহাম্মদ ওয়াসিম বলেন, “ভারত যখন বড় টুর্নামেন্টে ভালো খেলে বা আমাদের হারায়, তখন আমরা অনেক সময় অজুহাত খুঁজি এবং ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়াই। এটা বন্ধ করা দরকার। আমাদের মেনে নিতে হবে যে ভারত খুবই শক্তিশালী দল এবং নিজেদের উন্নতির জন্য আমাদের ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে।”

    ভারতের ক্রিকেট কাঠামোর প্রশংসা

    শুধু ওয়াসিমই নন, পাকিস্তানের কিংবদন্তি ব্যাটার জাভেদ মিয়াঁদাদও ভারতের ক্রিকেট কাঠামোর প্রশংসা করেছেন। তাঁর মতে, শক্তিশালী ও প্রক্রিয়াভিত্তিক ক্রিকেট ব্যবস্থার ফলই আজ পাচ্ছে ভারত। মিয়াঁদাদ বলেন, “ভারতের ক্রিকেট কাঠামো খুবই শক্তিশালী এবং সুসংগঠিত। সেই কারণেই তারা নিয়মিতভাবে প্রতিভাবান ক্রিকেটার তৈরি করছে। তাদের দলে ব্যাটার, স্পিনার বা পেসারের কোনো অভাব নেই। নতুন ক্রিকেটাররা ফলাফলমুখী এবং ম্যাচ পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন।” তিনি আরও বলেন, “এক সময় পাকিস্তানের ড্রেসিংরুমেও এমন পরিবেশ ছিল, যার ফলে আমরা নিয়মিত জিততাম।”

    ভারত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন

    টি-২০ ক্রিকেটে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব আবারও প্রমাণ করেছে ভারত। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জিতে নেয় তারা এবং টি-২০ বিশ্বকাপে তিনবার চ্যাম্পিয়ন হওয়া প্রথম দল হিসেবে ইতিহাস গড়ে। তবে ভারতের এই সাফল্যে প্রথমে প্রতিবেশী দুই দেশ বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে দেখা দেয় হতাশা, যা ফুটে উঠেছে দুই দেশের কয়েকজন প্রাক্তন ও বর্তমান ক্রিকেটারের মধ্যেও। আসলে বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এই দুই দেশকে ঘিরে। রাজনৈতিক কারণে ভারতে এসে খেলতে রাজি হয়নি বাংলাদেশ (Bangladesh)। অন্যদিকে পাকিস্তানের (Pakistan) তরফেও ভারত-বিরোধিতার সুর শোনা গিয়েছিল। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভি (Mohsin Naqvi) ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। যদিও শেষ পর্যন্ত সেই ম্যাচে নেমে হারের মুখই দেখতে হয় পাকিস্তানকে। আর এবার ভারতের বিশ্বজয়ের পর তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন পেসার শোয়েব আখতার (Shoaib Akhtar)। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ব্যাপারটা এমন হয়েছে, যেন পাশের বড়লোক বাড়ির ছেলে গরিব ছেলেকে ডেকে বলছে—আয় ক্রিকেট খেলবি। ভারত সেই বখাটে ছেলের মতো করছে। প্রথমে চারজনকে ডাকবে, তারপর তিনজনকে ডাকবে। সব শেষে বলবে দেখ, জিতে গেলাম। ওরা ক্রিকেটকে ধ্বংস করে দিয়েছে।”

    শিয়া কাপের ট্রফি আটকে রেখেছে, বিশ্বকাপ! 

    প্রাক্তন পাকিস্তানি পেসার মহম্মদ আমির (Mohammad Amir) বিশ্বকাপের আগে থেকেই দাবি করে আসছিলেন, ভারত চ্যাম্পিয়ন হতে পারবে না। কিন্তু ভারতের জয় সেই ভবিষ্যদ্বাণীকে ভুল প্রমাণ করেছে। এরপর কিছুটা বিরক্ত সুরে আমির বলেন, “ওরা জিতেছে। ঠিক আছে। ট্রফি ওরাই ঘরে নিয়ে যাবে। আমার বাড়িতে তো নিয়ে আসব না।” তবে আপনাদের অনেকেরই হয়ত মনে আছে, ২০২৫ সালে এশিয়া কাপ (Asia Cup 2025) খেলতে নেমেছিল ভারতীয় ক্রিকেট দল। ২৮ সেপ্টেম্বর দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচ আয়োজন করা হয়। সেই ম্য়াচে পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে দুরমুশ করেছিল সূর্য অ্যান্ড কোম্পানি। কিন্তু, আজ পর্যন্ত ভারতীয় ক্রিকেট দলের হাতে সেই ট্রফি দেওয়া হয়নি। আসলে ম্য়াচ শুরু হওয়ার আগেই টিম ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি মহসিন নকভির (Mohsin Naqvi) হাত থেকে তারা ট্রফি গ্রহণ করবেন না। কারণ, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যানও তিনি। কিন্তু, ভারতীয় ক্রিকেট দলের সেই যুক্তিকে পাত্তা দেয়নি এসিসি। চ্যাম্পিয়ন হয়েও এখনও ট্রফি পায়নি ভারত। ইতিমধ্যে আবার ২০২৬ টি-২০ বিশ্বকাপ খেতাব জয় করল টিম ইন্ডিয়া। এশিয়া কাপের তুলনায় বিশ্বকাপের মর্যাদা যে অনেকটাই বেশি, সেটা আর আলাদা করে বলে দেওয়ার দরকার পড়ে না। ফলে গোটা বিষয়টা নিয়েই ক্রিকেট বিশ্বে এখন রীতিমতো হাসাহাসি শুরু হয়েছে।

  • Sukanta Majumdar: ‘দুর্নীতিগ্রস্থদের আর রেয়াত নয়, দরকার বুলডোজার মডেল’, পরিবর্তন যাত্রা থেকে  তৃণমূলকে তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘দুর্নীতিগ্রস্থদের আর রেয়াত নয়, দরকার বুলডোজার মডেল’, পরিবর্তন যাত্রা থেকে তৃণমূলকে তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বর্ধমানে পরিবর্তন যাত্রায় (Parivartan Yatra) অংশগ্রহণ করেন। মমতার শাসনে রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা এবং দুর্নীতির ইস্যু মারাত্মক আকার ধারন করেছে। এই নিয়ে বিজেপি এবার কড়া অবস্থান গ্রহণ করেছে। বর্ধমানের একটি সভা থেকে উত্তরপ্রদেশের আদলে পশ্চিমবঙ্গেও ‘বুলডোজার মডেল’ কার্যকর করা প্রয়োজন বলে পরিবর্তন যাত্রায় একটি মডেলর রূপ দেখানো হয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকারকে বুলডোজারে চড়ে পরিবর্তন যাত্রায় অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়।

    র্নীতিগ্রস্তদের শায়েস্তা করতে একই পথ (Sukanta Majumdar)

    যোগী শাসনের প্রসঙ্গ নিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “উত্তরপ্রদেশে অপরাধ দমনে যেভাবে বুলডোজার ব্যবহার করা হয়েছে, বাংলার প্রেক্ষাপটেও অপরাধী ও দুর্নীতিগ্রস্তদের শায়েস্তা করতে একই পথ বেছে নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়া হবে। যারা জনগণের টাকা আত্মসাৎ করে অট্টালিকা বানিয়েছে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে সেই বেআইনি সম্পত্তির ওপর বুলডোজার চালানো হবে। কর্মীরা আবদার করেছিল। কর্মীরা আয়োজন করেছিল, সেজন্য বুলডোজারে চড়ে এসেছি। এ রাজ্যের মানুষ চাইছেন বুলডোজার সরকার। বুলডোজার সরকার অর্থে সেই সরকার সবসময় বুলডোজার চালাবে তা নয়, আসলে সেই সরকার অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন মেনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ (Parivartan Yatra)  করবে।”

    রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

    তাঁর এই মন্তব্য স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলেছে। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস একে ‘বিদ্বেষমূলক’ এবং ‘গণতন্ত্রবিরোধী’ বলে পাল্টা সমালোচনা করেছে। তবে সুকান্ত মজুমদারের মন্তব্য মূলত দলের ‘কড়া ইমেজে’র বহিঃপ্রকাশ। অপরাধীদের মনে ভয় ধরাতে এবং নিজেদের কঠোর প্রশাসনিক মানসিকতা তুলে ধরতেই এই ধরণের রূপক ব্যবহার করা হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। পরিবর্তন যাত্রার (Parivartan Yatra) প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, “চাই বিজেপির সরকার। বুলডোজার দরকার। গুঁড়িয়ে দেবে চোর তৃণমূলের সরকার।”

  • SIR in Bengal: বাংলার ভোটারদের আপিল শুনবে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল! এসআইআর মামলায় সুপ্রিম-নির্দেশ

    SIR in Bengal: বাংলার ভোটারদের আপিল শুনবে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল! এসআইআর মামলায় সুপ্রিম-নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও বৈধ ভোটার বাদ যাবে না। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া মামলায় কড়া বার্তা দিল সুপ্রিম কোর্ট ৷ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ জানিয়ে দিল, যেসব আবেদন ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে বাতিল হয়েছে, সেই আপিল শুনতে একটি বিশেষ অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে ৷ আর এই ট্রাইব্যুনালের নেতৃত্বে থাকবেন একজন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এবং কয়েকজন প্রাক্তন বিচারপতি। একই সঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে আগাম পিটিশনে বিরক্তিও প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট।

    আগাম পিটিশন ভুল বার্তা

    মঙ্গলবার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি (CJI) সূর্য কান্ত রাজ্যের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীকে বললেন, আগাম পিটিশন ভুল বার্তা দেবে। একইসঙ্গে আইনজীবী তথা তৃণমূলের সদ্য জয়ী রাজ্যসভার সাংসদ গুরুস্বামীকে প্রধান বিচারপতি বলেন, “আগাম পিটিশনের মাধ‍্যমে বার্তা যাচ্ছে, আপনারা সিস্টেমে ভরসা রাখতে পারছেন না।” পিটিশন ফিরিয়ে নেওয়ার জন্যও গুরুস্বামীকে নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি। তাঁর কথায়, “হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, ১০ লক্ষ কাজ হয়ে গিয়েছে। জুডিশিয়াল অফিসারদের কোনও প্রশ্নের মুখে ফেলবেন না, আমি কড়াভাবে বলছি।” এর পরই ‘সুপ্রিম’ ভরসা দিয়ে তিনি বলেন, “জুডিশিয়াল অফিসাররা কাজ করছেন। যাঁরা জেনুইন, তাঁদের যুক্ত করা হবে।” রাজ্যের নতুন আবেদনে বিরক্তি প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, “এই পিটিশন প্রিম‍্যাচিওর।” পিটিশন প্রত্যাহার করে নিতে গুরুস্বামীকে নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি। তিনি জানান, ভোটের আগে এই কাজ শেষ হয়ে যাবে। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এদিন অবশ্য বলে, “আমরা প্রয়োজনে এই আবেদনের প্রেক্ষিতে অবমাননার নোটিস দিতে পারি। যে পরিস্থিতি এসেছে, তাতে আমরা সব পক্ষকে সন্দেহের আওতায় রাখছি।” সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে জুডিশিয়াল অফিসাররা অমীমাংসিতের তালিকা খতিয়ে দেখছে। এদিন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, “রাজ‍্য ও নির্বাচন কমিশনকে সবরকমভাবে জুডিশিয়াল অফিসারদের সাহায‍্য করতে হবে। যখন জুডিশিয়াল অফিসারদের লগ-ইন আইডি লাগবে, তখনই ইসিআইকে তার ব‍্যবস্থা করে দিতে হবে।”

    একাধিক নির্দেশ শীর্ষ আদালতের

    রাজ্যের এসআইআর মাময়ায় একাধিক নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত ৷ প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি মহাদেবনের বেঞ্চ এদিন নির্দেশে জানিয়েছেন, ১০ লক্ষের বেশি নামের নিস্পত্তি হয়ে গেলেও অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করতে হবে ৷ লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সিতে নিস্পতি হওয়া ভোটারদের অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশের বিষয়ে কমিশন এবং রাজ্য দু’পক্ষই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন জানাতে পারবে ৷ কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাঁদের নাম বাদ যাচ্ছে; তাঁদের বিষয়ে আপিল জানাতে কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি বা অন্যান্য বিচারপতি বা পাশ্ববর্তী রাজ্যের হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিদের নিয়ে বেঞ্চ গঠন করতে ৷ বেঞ্চ এ বিষয়ে নিস্পত্তি করবে ৷ বেঞ্চে কতজন করে সদস্য থাকবে, তা স্থির করবেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ৷ এদের নিয়োগের সমস্ত খরচ নির্বাচন কমিশনকে বহন করতে হবে ৷ ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত মানতে বাধ্য হবে নির্বাচন কমিশন ৷

LinkedIn
Share