Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Suvendu Adhikari: এসএইআর করতে না দিলে বাংলায় হবে রাষ্ট্রপতি শাসন”, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: এসএইআর করতে না দিলে বাংলায় হবে রাষ্ট্রপতি শাসন”, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এসএইআর করতে না দিলে বাংলায় হবে রাষ্ট্রপতি শাসন”, মমতা সরকারের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে ঠিক এইভাবেই আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নাগরাকাটায় বন্যাবিধস্থ এলাকায় ত্রাণ পরিষেবা দিতে গিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আবারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য নাগরাকাটায় বন্যাকবলিত মানুষকে ত্রাণ দিতে গিয়ে মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু এবং শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দ্বারা মারত্মাক ভাবে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এরপর থেকেই বিরোধী জনপ্রতিনিধিদের ওপর আক্রমণের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতি উত্তাল হয়ে ওঠে।

    বাংলাদেশি-রোহিঙ্গা এবং ভূতুড়ে ভোটার বাদ (Suvendu Adhikari)

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী নাগরাকাটায় গিয়ে বলেন, “বাংলায় এসএইআর করতে না দিলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হবে। নিবিড় সংশোধন হলে তালিকা থেকে বাংলাদেশি-রোহিঙ্গা এবং ভূতুড়ে ভোটারদের নাম বাদ যাবে। তবে এক্ষেত্রে ভারতীয় মুসলমানদের নাম বাদ যাবে না। ছাব্বিশে বিজেপি ক্ষামতায় এসে সরকার গড়বে, তারপর বদলাও হবে এবং বদলও হবে।” এদিন এলাকায় ধিক্কার মিছিল করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) হুঁশিয়ারি দিয়ে শুভেন্দু আরও বলেন, “২৬ সালে হলেই সুদে আসলে বদলা হবে। কালী পুজোর পরই বামনডাঙায় অভিযান হবে। সবে তো ট্রেলার দেখিয়েছি, এরপর সিনেমা দেখাব।”

    সময় শেষ হওয়ার আগেই মমতা সরকারের পতন?

    ভোটার তালিকায় সংশোধন নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং মমতা সরকারের নানা স্তরের সংঘাত নজরে এসেছে। এসআইআর নিয়ে খোদ মমতা (Mamata Banerjee) একাধিকবার সোচ্চার হয়েছেন। গত সপ্তাহে পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের একাধিক আধিকারিকরা বৈঠক করে সবরকম প্রস্তুতি করে গিয়েছেন। কালীপুজোর পর থেকেই রাজ্যে এসআইআর কাজ শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু যদি রাজ্য সরকার নির্বাচন কমিশনের কাজে বাঁধা প্রধান করে তাহলে সেই ক্ষেত্রে রাজ্যে সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হতে পারে। আর তা যদি আরও প্রকটরূপ ধারণ করে তাহলে সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি শাসন জারিও হয়ে যেতে পারে। ফলে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই মমতা সরকারের পতন হয় কিনা তাই এখন দেখার।

  • Bangladesh Cricket: আফগানদের কাছে চুনকাম, দেশে ফিরে বিক্ষোভের মুখে বাংলাদেশি ক্রিকেটারেরা

    Bangladesh Cricket: আফগানদের কাছে চুনকাম, দেশে ফিরে বিক্ষোভের মুখে বাংলাদেশি ক্রিকেটারেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের অভ্যন্তরে অরাজক পরিস্থিতির ছায়া বাইশ গজেও। বাংলাদেশ ক্রিকেটেও (Bangladesh Cricket) কালো দিন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজের প্রতিটি ম্যাচেই পরাজিত হয়ে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ দল। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে পরাজয়ের ব্যবধান ছিল ২০০ রানের। লজ্জার সিরিজ শেষে দেশে ফিরে বিক্ষোভের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। বিমানবন্দরে নামার পর থেকেই শুরু হয় বিক্ষোভ। ক্রিকেটারেরা বিমানবন্দর থেকে বার হওয়ার সময় বেশ কিছু সমর্থক তাঁদের বিদ্রুপ করেন। সরাসরি ক্রিকেটারদের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম থেকে জানা গিয়েছে, ক্রিকেটারদের গাড়িও ভাঙচুর হয়েছে।

    কেন এমন হাল বাংলাদেশের

    সময়টা ভাল যাচ্ছে না বাংলাদেশের (Bangladesh Cricket)। এশিয়া কাপে ব্যর্থতার পর এক দিনের সিরিজেও শোচনীয় অবস্থা। আফগানিস্তানের কাছে এক দিনের সিরিজে চুনকাম হয়েছে বাংলাদেশ। তিনটি ম্যাচই হারতে হয়েছে। এই সিরিজে ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং- তিন বিভাগেই বাংলাদেশ ছিল ছন্নছাড়া। আফগানিস্তানের বোলাররা নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপকে গুঁড়িয়ে দেয়। শেষ ১২টি ওয়ানডে ম্যাচে বাংলাদেশ মাত্র একটি জিততে পেরেছে, যা দলের পারফরম্যান্স গ্রাফের নিন্মমুখী অবস্থানকে তুলে ধরে। এই ১১ হারের মধ্যে আফগানিস্তানের বিপক্ষেই চারটি ম্যাচে হেরেছে বাংলাদেশ। ধারাবাহিক ব্যর্থতায় ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়েও বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়েছে, বর্তমানে তারা দশম স্থানে অবস্থান করছে। বাংলাদেশ এমনিতে খুব ভালো জায়গায় ছিল না কখনওই কিন্তু ২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর থেকে ৭-৮ নম্বর জায়গাতেই ঘুরে ফিরে ছিল ওয়ানডে ক্রিকেটে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পতন শুধু খেলোয়াড়দের ফর্মের কারণে নয়, বরং টিম ম্যানেজমেন্টের পরিকল্পনার অভাবও বড় কারণ। নিয়মিত দল পরিবর্তন, স্থায়ী অধিনায়কত্বের অভাব, এবং ব্যাটিং অর্ডারে বিভ্রান্তি দলের স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে।

    সমর্থকদের সংযত থাকার অনুরোধ

    এই পরিস্থিতিতে সমর্থকদের সংযত থাকার অনুরোধ করেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটার নইম শেখ। তিনি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন যে, মাঠে নেমে জেতার চেষ্টাই করেন তাঁরা। কিন্তু সব সময় জেতা সম্ভব নয়। খেলায় জয়-পরাজয় থাকে। তাঁরাও মানুষ। তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন যে, হেরে যাওয়ায় দেশের সমর্থকদের কষ্ট হয়েছে। সেই কষ্ট থেকেই এই বিক্ষোভ। কিন্তু তাঁদের যে ভাবে ঘৃণা করা হচ্ছে বা গাড়িতে আক্রমণ হয়েছে, তা তাঁদেরও খুব কষ্ট দিয়েছে বলে জানিয়েছেন নইম। বাংলাদেশের এক দিনের অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ চাপে রয়েছেন। অধিনায়ক হিসাবে ১০টি ম্যাচের মধ্যে ন’টিতেই হেরেছেন তিনি।

  • India-US Relations: মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি অসত্য! ‘ফোনে কথাই হয়নি’ ট্রাম্প-মোদির, জানাল ভারত

    India-US Relations: মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি অসত্য! ‘ফোনে কথাই হয়নি’ ট্রাম্প-মোদির, জানাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কোনও কথাই হয়নি ভারতের (India-US Relations) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। বৃহস্পতিবার তা স্পষ্ট করে দিল নয়াদিল্লি। বৃহস্পতিবার সকালে ট্রাম্প দাবি করেন, রাশিয়ার থেকে তেল কেনা বন্ধ করার বিষয়ে বুধবার তাঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদির (Donald Trump-Narendra Modi) কথা হয়েছে। তবে এদিন সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্পের সেই দাবি খারিজ করে দিল ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই দাবিকে নাম না করে মিথ্যাচার বলে অভিহিত করল ভারত। উল্লেখ্য, ভারত-পাক সংঘর্ষবিরতির সময়েও কৃতিত্ব দাবি করে ‘মিথ্যাচার’ করেছিলেন ট্রাম্প। এবার রুশ তেল কেনা নিয়েও তাঁর একই আচরণ।

    বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি

    বাণিজ্যশুল্ক নিয়ে আলাপ-আলোচনার মধ্যেই বড় দাবি করেছেন ট্রাম্প (Trump-Modi Meeting)। তাঁর দাবি, ফোনে ভারতের (India-US Relations) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে তাঁর। বুধবার হোয়াইট হাউসে দাঁড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, রাশিয়া থেকে আর তেল কিনবে না ভারত। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নাকি এই আশ্বাস দিয়েছেন। ট্রাম্পের সেই দাবি এবার উড়িয়ে দিল বিদেশমন্ত্রক। বৃহস্পতিবার বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়,অতি সম্প্রতি দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে ফোনে কথাই হয়নি। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমেরিকা জ্বালানি নিয়ে যে মন্তব্য করেছে, আমরা ইতিমধ্যেই বিবৃতি দিয়েছি, যা তুলে ধরা যেতে পারে। আর ফোনে হোক বা সামনাসামনি আলোচনা, গতকাল কোনওটাই হয়নি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে। প্রধানমন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্টের মধ্যে কোনও আলোচনা হয়নি।”

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের অদ্ভুত দাবি

    রাশিয়ার থেকে তেল কেনা নিয়ে গত কয়েক মাস ধরেই টানাপোড়েন চলছে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে। নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে রাশিয়ার থেকে তেল কেনার দরুণ ভারতের উপর দুই দফায় ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছেন ট্রাম্প। সেই নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনার মধ্যেই বুধবার বড় দাবি করেন ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে দাঁড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব ও ভারত-আমেরিকার সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীকে অসাধারণ মানুষ বলে অ্যাখ্য়া দেন তিনি। দীর্ঘ সময় ধরে মোদী যে প্রধানমন্ত্রী পদে রয়েছেন, সে কথাও উল্লেখ করেন। এরপরই ট্রাম্প দাবি করেন, রাশিয়ার থেকে তেল কেনা বন্ধ হবে বলে তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন মোদি। ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায়, “আজই আমাকে আশ্বস্ত করেছেন উনি (মোদি) যে, আর রাশিয়ার থেকে তেল কিনবেন না ওঁরা। এটা ব্রেকিং স্টোরি। তবে সঙ্গে সঙ্গে তো হয় না। এটা একটা প্রক্রিয়া। তবে শীঘ্রই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। আমরা শুধু চাই প্রেসিডেন্ট পুতিন এসব বন্ধ করুন।” ভারত রাশিয়ার থেকে তেল কেনা বন্ধ করলেই যুদ্ধ থামানোর কাজ সহজ হবে বলে দাবি করেন ট্রাম্প। যুদ্ধ শেষ হলে ভারত আবারও রাশিয়ার কাছে ফিরে যেতে পারে বলেও দাবি করেন।

    ট্রাম্পের দাবি খারিজ করে ভারত

    ট্রাম্পের এই দাবি গোড়াতেই খারিজ করে দেয় ভারত (India-US Relations) । বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, “ভারত তেল ও গ্যাস আমদানিকারী গুরুত্বপূর্ণ দেশ। জ্বালানি ক্ষেত্রে যে ওঠাপড়া দেখা যায়, তার মধ্যে ভারতীয় গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা করাই আমাদের লক্ষ্য। আমাদের আমদানি নীতিও এর উপর নির্ভরশীল। জ্বালানির দাম স্থিতিশীল রাখা ও ডোগান অব্যাহত রাখাই লক্ষ্য় থেকেছে বরাবর।” তবে ৯ অক্টোবর দু’দেশের রাষ্ট্রনেতার মধ্যে ফোনে কথা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন রণধীর। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র জানান, গত ৯ অক্টোবরের ফোনালাপের সময়ে গাজা শান্তিচুক্তির সাফল্যের জন্য ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন মোদি। বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা কী অবস্থায় রয়েছে, তা-ও পর্যালোচনা করেন তাঁরা। উভয়েই এ বিষয়ে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার বিষয়ে সম্মত হন।

    ভারতীয় গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষাই লক্ষ্য

    ভারতে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ডেনিস আলিপভও এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, “ভারত এবং আমেরিকা, স্বাধীন ভাবে সিদ্ধান্তগ্রহণের অধিকার আছে দুই দেশেরই। আমরা তাতে হস্তক্ষেপ করি না। আমাদের তেল আমদানি করে ভারতের অর্থনীতির লাভ হয়েছে, ভারতীয় নাগরিকরা উপকৃত হয়েছেন। আমেরিকা এবং ভারতের যেমন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক (India-US Relations) রয়েছে, রাশিয়া এবং ভারতের মধ্যেও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে।” সোভিয়েত আমল থেকেই মস্কোর সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক যথেষ্ট মজবুত। ঠান্ডা যুদ্ধের আমলেও দ্বিমেরুকৃত বিশ্বে বহু ঘটনায় ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে তারা। সোভিয়েত ইউনিয়ান ভেঙে যাওয়ার পরেও, এমনকি পুতিনের আমলেও রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অটুটই থেকেছে। তেল আমদানি নিয়ে মার্কিন চাপের মুখে এর আগে ভারত বহু বার জানিয়েছে, জাতীয় স্বার্থের কথা মাথায় রেখেই সিদ্ধান্ত নেবে তারা। তবে একই সঙ্গে সাউথ ব্লক জানিয়েছে, ভারত তেল কেনার বাজারকে আরও বিস্তৃত এবং‌ বৈচিত্রময় করতে চায়। এই সূত্রেই ভারত জানিয়েছে, জ্বালানি নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি করতে আমেরিকার সঙ্গে তাদের আলোচনা চলছে।

  • Sugar Intake: চিনি বাড়াচ্ছে বিপদ! কোন বিকল্প খাবারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    Sugar Intake: চিনি বাড়াচ্ছে বিপদ! কোন বিকল্প খাবারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    স্থূলতা থেকে হৃদরোগ— শরীরের একাধিক রোগের কারণ খাবারের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে যে স্বাস্থ্য সমস্যাগুলো বেশি দেখা যাচ্ছে, সেগুলো বেশিরভাগ জীবনযাপন আর খাদ্যাভাসের কারণেই জটিল আকার নিচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ প্রয়োজনের অতিরিক্ত চিনি নিয়মিত খাচ্ছেন। আর তার জেরেই বিপদ বাড়ছে। মাত্র কয়েক দিন পরেই দেশজুড়ে দীপাবলির উৎসবে মাতবেন আট থেকে আশি, সব বয়সের মানুষ! উৎসবের উদযাপনে চলবে মিষ্টি মুখ। কিন্তু সতকর্তা না থাকলে বড় সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই উৎসবের আমেজ ও যাতে সচেতনতা থাকে, মিষ্টিমুখে চিনির পরিবর্তে অন্য বিকল্প মিষ্টি খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কেন বিপদ বাড়াচ্ছে চিনি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, চিনিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে শর্করা। তাই অতিরিক্ত চিনি খেলে শরীরে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে। কারণ এই অতিরিক্ত শর্করা ইনসুলিন হরমোনের ভারসাম্যে তারতম্য ঘটায়। তাই ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে‌। সারা বিশ্বের ডায়াবেটিস আক্রান্তের সবচেয়ে বেশি বোঝা ভারতে। কম বয়সিদের মধ্যে প্রবলভাবে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। তাই অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার অভ্যাস বিপজ্জনক। কম বয়স থেকেই ডায়াবেটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হলে কিডনি সহ একাধিক কার্যকারিতা কমে।

    কী কী বিপদ ডেকে আনছে চিনি?

    স্থূলতার সমস্যা বৃদ্ধি

    চিনিতে থাকে অতিরিক্ত ক্যালোরি। তাই চিনি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে স্থূলতার সমস্যা দেখা দেয়। ওবেসিটি বা বাড়তি ওজনের মতো রোগ শরীরের একাধিক স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি করে। হৃদরোগ, বন্ধ্যাত্বের মতো একাধিক রোগের কারণ ওবেসিটি। আর এই বাড়তি ওজনের সমস্যার পিছনে অনেক সময়েই অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার অভ্যাস দেখা যায়।

    হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে

    চিনি রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়ে। তাছাড়া এই উপাদান রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। তাই অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার অভ্যাস স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়।

    লিভারের জন্যও ক্ষতিকারক

    চিনি লিভারের জন্যও ক্ষতিকারক। চিনি খেলে ফ্যাটি লিভারের মতো রোগের ঝুঁকিও বাড়ে। শরীরের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ও চিনি ক্ষতিকারক। চিনি খেলে শরীরের নানান হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। অতিরিক্ত চিনি খেলে মানসিক উদ্বেগ বাড়ে। অনিদ্রার মতো সমস্যা দেখা যায়।

    চিনির বিকল্প কোন খাবারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    উৎসবের মরসুম হাজির। দীপাবলি হোক কিংবা ভাইফোঁটা, উৎসবের উদযাপনে মিষ্টিমুখের রেওয়াজ রয়েছে। রসগোল্লা থেকে পায়েস, বাঙালির নানান ধরনের মিষ্টিতেই চিনি থাকে।‌ আর এই সময়ে অতিরিক্ত চিনি খাওয়া হয়। যা শরীরের ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে।

    গুড় প্রাকৃতিক উপাদান

    তাই পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, চিনি খাওয়ার পরিবর্তে গুড় খাওয়া যেতে পারে। নাড়ু, পায়েসের মতো নানান মিষ্টি তৈরির সময় উপকরণ হিসাবে চিনির পরিবর্তে গুড়ের ব্যবহার করা যেতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, গুড় প্রাকৃতিক উপাদান। এতে রয়েছে আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়ামের মতো নানান খনিজ পদার্থ। যা শরীরের জন্য উপকারি। তাই গুড় উপকারি।

    মিষ্টি ফলও উপকারী

    তাছাড়া, তরমুজ, পাকা পেঁপে, আমের মতো ফলের তৈরি মিষ্টি খাওয়া যেতে পারে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ফলের তৈরি খাবারে শরীরে মারাত্মক ক্ষতি করে না। চিনির মতো অপকারিতা নেই। তাই ফলের তৈরি মিষ্টি বাড়তি ঝুঁকি কমাবে।

    চিনির বদলে মধু

    মিষ্টির উপকরণ হিসাবে চিনির পরিবর্তে মধু ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, গুড়ের মতো মধু হলো প্রাকৃতিক উপাদান। তাই মধুতেও রয়েছে নানান খনিজ পদার্থ। তাছাড়া মধুতে প্রোটিন, ভিটামিন রয়েছে। এই আবহাওয়ায় অনেকেই সর্দিকাশিতে ভোগেন। মধু নানান ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস ঘটিত রোগের মোকাবিলায় সাহায্য করে। তবে গুড় হোক কিংবা মধু পরিমাণের দিকে নজর জরুরি। অতিরিক্ত কোনও কিছুই শরীরের জন্য উপকারি হয় না। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Andaman: আন্দামান হবে পরবর্তী গ্লোবাল ইন্টারনেট হাব! গুগলের ‘ভারত এআই শক্তি’ ইভেন্টে কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    Andaman: আন্দামান হবে পরবর্তী গ্লোবাল ইন্টারনেট হাব! গুগলের ‘ভারত এআই শক্তি’ ইভেন্টে কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জকে একটি গ্লোবাল ইন্টারনেট ডেটা হাবে রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের। ১৪ই অক্টোবর, গুগলের ‘ভারত এআই শক্তি’ ইভেন্টে কেন্দ্রীয় রেল, টেলিকম ও আইটি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান , সিঙ্গাপুর ইতিমধ্যেই ওভারলোডেড, তাই আন্দামান তার পরিবর্ত হিসেবে গ্লোবাল ডেটা ট্রান্সফারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হতে পারে। তাঁর কথায় , “আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ একটি কৌশলগত অবস্থানে অবস্থিত। সিঙ্গাপুর এখন অতিরিক্ত চাপে রয়েছে। তাহলে কেন আমরা আন্দামানকে পরবর্তী গ্লোবাল ইন্টারনেট হাব হিসেবে তৈরি করতে পারব না?” সরকার এই প্রকল্পে সম্পূর্ণ সহায়তা দেবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

    গ্লোবাল ডেটা ফ্লো উন্নত করতে সহায়ক

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের দাবি, আন্দামান হতে পারে সাউথইস্ট এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া সহ অন্যান্য অঞ্চলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কেবল নোড। যা গ্লোবাল ডেটা ফ্লো উন্নত করতে সহায়ক হবে। তিনি বিশাখাপত্তনম (ভাইজাগ) থেকে সিত্তওয়ে (মায়ানমার) পর্যন্ত ডিজিটাল কানেক্টিভিটি স্থাপনের প্রস্তাবও দেন। এই কানেকশনে মিজোরাম পর্যন্ত সমুদ্রের পাশ দিয়ে কেবল সম্প্রসারিত হলে উত্তর-পূর্ব ভারতের কানেক্টিভিটি অনেকটাই বাড়বে, বলে মনে করেন তিনি। তাঁর কথায়, যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরিকল্পনা মতো সাইরাং পর্যন্ত রেললাইন ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে, এখন তা মায়ানমার সীমান্ত পর্যন্ত বাড়ানোর কাজ চলছে।

    ভারতের ডিজিটাল ভবিষ্যতের মেরুদণ্ড

    বৈষ্ণব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) কে ভারতের ডিজিটাল ভবিষ্যতের মেরুদণ্ড হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, গুগল তাদের টেনসর প্রসেসিং ইউনিট (TPU) ভারতে আনার পরিকল্পনা করছে। এটি ‘ইন্ডিয়া এআই মিশন’-এর আওতায় কমন কম্পিউট ইনফ্রাস্ট্রাকচার গঠনে সহায়ক হবে। মন্ত্রী আইটি পেশাদারদের রি-স্কিল ও আপ-স্কিলের জন্য গুগলকে আহ্বান জানান। এর ফলে আইটি কর্মীরা এআই প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তিত ধারার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারবেন। তিনি বলেন, এআই একটি গুরুত্বপূর্ণ বৃদ্ধিশীল খাত এবং এ ক্ষেত্রেই ভারতকে বিশ্ব নেতৃত্বে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। গুগল সম্প্রতি ঘোষণা করেছে, তারা বিশাখাপত্তনমে একটি এ আই হাব স্থাপন করবে, যেখানে গুগলের সম্পূর্ণ এ আই স্ট্যাক ব্যবহার করা হবে। এটি ভারতের এ আই রূপান্তরকে গতি দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। গুগল জানিয়েছে, তারা ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে, যা গুগলের ভারতের জন্য এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ। এই উদ্যোগ ‘বিকশিত ভারত ভিশন’-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যার লক্ষ্য দেশব্যাপী ডিজিটাল ও এ আই পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করা।

    ভারতে ৯০০ মিলিয়নেরও বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন গুগলের এআই হাব উদ্বোধন ভারতের ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ ভিশনের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই বহুমুখী বিনিয়োগ প্রযুক্তিকে সবার জন্য সহজলভ্য করবে, ‘এআই ফর অল’-এর লক্ষ্য পূরণে সহায়ক হবে এবং ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। প্রসঙ্গত, ভারতে ৯০০ মিলিয়নেরও বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী থাকায়, এটি বর্তমানে সারা বিশ্বের মধ্যে একটি অন্যতম বড় বাজারে পরিণত হয়েছে। এই দৌড়ে গুগল-এর আগে থেকেই রয়েছে আরও নানা কোম্পানি। মাইক্রোসফট ও অ্যামাজন পূর্বেই ভারতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। এছাড়াও, চ্যাট জিপিটি ( ChatGPT) প্রস্তুতকারক ওপেন এআই (OpenAI) চলতি বছরের শেষের দিকে ভারতে একটি অফিস খোলার কথা জানিয়েছে। ওপেনএআই-এর প্রধান স্যাম অ্যাল্টম্যান উল্লেখ করেছেন যে, গত এক বছরে ভারতে চ্যাট জিপিটি ( ChatGPT) -র ব্যবহার চার গুণ বেড়েছে, যা এই অঞ্চলে এ আই-এর প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহের স্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে।

    ভারতে এ আই ভবিষ্যত

    ভারতে এ আই-এর দ্রুত প্রসার এবং প্রযুক্তিতে তরুণদের অংশগ্রহণ নিয়েও প্রধানমন্ত্রী মোদি উচ্ছ্বসিত। তিনি আশাবাদী, ভারতের প্রাণবন্ত প্রযুক্তি ক্ষেত্র এবং দক্ষ যুবকরা এমন উদ্ভাবন করছে যা মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হবে। বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে এ আই কীভাবে মানুষের জীবনকে সহজ ও উন্নত করতে পারে, সেই বিষয়ে সবসময়ই ভাবছে কেন্দ্র সরকার। সম্প্রতি অ্যানথ্রোপিকের সিইও ডারিও অ্যামোডেইয়ের সঙ্গেও দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এই সংস্থা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এ আই সিস্টেম তৈরি করে। আগামী বছর বেঙ্গালুরুতে অফিস খোলার পরিকল্পনা করছে অ্যানথ্রোপিক, যেটি হবে ভারতে এই সংস্থার প্রথম কার্যালয়। সম্প্রতি মোদি ও ডারিওর বেশ কিছু সময়ের বৈঠক হয়। সেখানে ভারতে এআই-এর সম্প্রসারণ (AI expansion India) এবং ব্যবহার নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে খবর।

  • AI Curriculum: ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই তৃতীয় শ্রেণির স্কুল পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    AI Curriculum: ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই তৃতীয় শ্রেণির স্কুল পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-২৭ সালের শিক্ষাবর্ষে তৃতীয় শ্রেণির স্কুল পাঠ্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI Curriculum) বা এআই চালু করবে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে ২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষা নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই পাঠ্যক্রম চালু করা হবে। ইতিমধ্যে সিবিএসই এক কোটির বেশি শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দিয়ে স্কুলের কাঠামো নির্মাণের ভাবনাচিন্তাকে সম্প্রসারিত করার লক্ষ্য মাত্রা স্থির করেছে। পরিচালনা ব্যবস্থা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় সাক্ষরতা প্রদান বিষয় বর্তমান প্রজন্মের কাছে কতটা প্রয়োজনীয় সেই দিকগুলিকেই সামনে রেখে বিস্তৃত ভাবে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক (School Education)।

    ১ কোটি শিক্ষককে বিশেষ প্রশিক্ষণ (AI Curriculum)

    ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে বিকশত ভারত হতে গেলে সমস্ত প্রযুক্তি এবং টেকনোলজিকে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI Curriculum) একটি উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তি। এআই ছাড়া কোনও ভাবেই নতুন প্রজন্মকে প্রযুক্তির শিক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়। তাই ভবিষ্যতের কথা ভেবে ভারতকে বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শিক্ষা দিতেই হবে। কেন্দ্রীয় স্কুল সচিব সঞ্জয় কুমার বলেন, “কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে এআই সম্পর্কে পড়াশুনার একটি পরিমণ্ডল তৈরি করতে চলেছে। দেশের মোট ১ কোটি শিক্ষককে এই সম্পর্কে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং তাকে কীভাবে জানা যাবে, শিক্ষার জন্য কোন কোন দক্ষতা থাকবে ইত্যাদি, সমস্ত বিষয়ের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা করা হয়েছে। দেশের বেশিরভাগ শিক্ষক এবং ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে এই প্রযুক্তির শিক্ষাকে দ্রুত ছড়িয়ে দিতে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে। আমাদের পদক্ষেপ এমন থাকবে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা (School Education) যেন আগামী ২-৩ বছরের মধ্যেই এই প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেরা সামাঞ্জ্যপূর্ণ জ্ঞান অর্জন করতে পারেন।”

    ১৮০০০০- এর বেশি সিবিএসই স্কুলে পাঠ

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI Curriculum) জন্য আগে প্রয়োজন উপযুক্ত শিক্ষকের। শিক্ষকদের সঠিক পাঠ দিতে ইতিমধ্যেই ‘পাইলট প্রোজেক্ট’-এর কথা ভাবা হয়েছে। এই পর্যায় সম্পর্কে বলা হয়েছে, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য প্রস্তুত করতে হবে। ১.৮ লক্ষের বেশি সিবিএসই স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ১৫ ঘণ্টার বিশেষ মডিউল ঠিক করা হয়েছে। একই ভাবে আবার নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত এআইকে ঐচ্ছিক বিষয় করে রাখা হয়েছে। ২০১৯ সাল থেকে ইন্টেল, আইবিএম এবং ন্যাশনাল ইনস্টিউট অফ ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি এর সহায়তায় ১০ হাজারের বেশি শিক্ষককে প্রশিক্ষণের কাজ ইতিমধ্যে শেষ করেছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডিউলে শিক্ষার্থী ভর্তির হার তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়ছে। নবম-দশম শ্রেণিতে ৭.৯ লক্ষ এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ৫০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীরা এআইকে বেছে নিয়েছে। তবে শিক্ষাবিদদের মতে ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষায় মৌলিক সাক্ষরতা (School Education) বিষয়েও এআই দারুণ ভাবে কার্যকর হবে।

    ৮ মিলিয়ন কর্মসংস্থান বৃদ্ধি

    এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI Curriculum) নীতিটি জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সকল স্কুল পাঠ্যক্রমের মধ্যে এআই এবং ইন্টারনেট অফ থিংস (আইওটি) এর মতো উদীয়মান প্রযুক্তিগুলিকে একীভূত করার ভাবনাকে একই সংযোজন করে রাখা হয়েছে। শুধু পড়াশুনাই নয় এআই অপর দিকে চাকরি বা ব্যবহারিক প্রয়োগের উপর নির্ভর করে পাঠ্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কেন্দ্রের নীতি আয়োগের একটি প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জরুরি প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরে এআইকে তুলে ধরা হয়েছে। নীতি আয়োগের সিইও বিভিআর সুব্রহ্মণ্যম সতর্ক করে বলেছেন, “কৌশলগত ভাবে প্রযুক্তির সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার না দেওয়া হলে ভারতের ৭.৫ মিলিয়ন আইটি কর্মী ২০৩০ সালের মধ্যে ৬ মিলিয়নে নেমে আসবে। এআই কাজ, কর্মী এবং কর্মক্ষেত্রে বিরাট পরিবর্তন করে দিয়েছে। প্রায় দুই মিলিয়ন প্রথাগত বা ঐতিহ্যবাহী কাজের পরি সমাপ্তি ঘটতে পারে। সেই সঙ্গে হতে পারে কর্মেরচ্যুতিও। তবে আমরা যদি সঠিক ভাবে পরিকাঠামো গড়তে পারি তাহলে ৮ মিলিয়ন নতুন কর্ম ক্ষমতাকে বৃদ্ধি ঘটাতে পারি।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কেবল ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবেই থাকবে না। মৌলিক পাঠেও এই এআইকে রাখা হবে। আজকের সময়ে দাঁড়িয়ে এখনই যদি শিক্ষা বা জ্ঞান অর্জন না করা যায় তাহলে ২০৩৫ সালের মধ্যে যে সব পড়ুয়ারা স্নাতক হবেন তাঁদের জন্য সবথেকে বেশি অসুবিধা হবে। তাই সময় এবং যুগের চাহিদাকে মাথায় রেখে প্রযুক্তি এবং কৌশলকে বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দেওয়া একান্ত আবশ্যক বলে মনে করে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক (School Education)।

  • Daily Horoscope 17 October 2025: ব্যবসায় বাড়তি লাভ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 17 October 2025: ব্যবসায় বাড়তি লাভ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতান্তর সৃষ্টি হতে পারে।

    ২) কাজের জায়গায় কথার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারলে ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) একাধিক পথে আয় বাড়তে পারে।

    ২) দূরে ভ্রমণের জন্য বাড়িতে আলোচনা হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মিথুন

    ১) আগুন থেকে বিপদের আশঙ্কা।

    ২) সংসারের জন্য অনেক করেও বদনাম হবে।

    ৩) সাবধানতা অবলম্বন করুন।

    কর্কট

    ১) ব্যবসায় বাড়তি লাভ হতে পারে।

    ২) প্রিয়জনের কাছ থেকে আঘাত পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    সিংহ

    ১) ব্যবসায় দায়িত্ব বাড়তে পারে।

    ২) নেশার প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) বন্ধুদের দিক থেকে খারাপ কিছু ঘটতে পারে।

    ২) প্রেমে বিবাদ বাধতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    তুলা

    ১) ব্যবসায় চাপ থাকলেও আয় বৃদ্ধি পাবে।

    ২) বুদ্ধির দোষে কোনও কাজ পণ্ড হতে পারে।

    ৩) পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    বৃশ্চিক

    ১) কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় নিজের বুদ্ধিতেই আয় বাড়বে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    ধনু

    ১) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় মহাজনের সঙ্গে তর্ক বাধতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মকর

    ১) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির সময়।

    ২) ব্যবসায় বিবাদ থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ৩) দিনটি কম বেশি ভালোই কাটবে।

    কুম্ভ

    ১) বন্ধুদের সঙ্গে বিবাদের যোগ রয়েছে।

    ২) কর্মস্থানে সম্মানহানির সম্ভাবনা।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) খেলাধুলায় নাম করার ভাল সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

    ২) পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • India’s Electronics: মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে সাফল্য! ভারতের ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন খাতে গত এক দশকে ছয় গুণ বৃদ্ধি

    India’s Electronics: মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে সাফল্য! ভারতের ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন খাতে গত এক দশকে ছয় গুণ বৃদ্ধি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ইলেকট্রনিক্স (India’s Electronics) উৎপাদন খাতে গত এক দশকে ছয় গুণ বৃদ্ধি ঘটেছে। এই বৃদ্ধিকে সামনে রেখে মোদি সরকার (Modi Govt Targets) ২০৩০–৩১ সালের মধ্যে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের একটি পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক্স ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে। আইফোন, স্মার্ট টিভি, মাইক্রোওয়েভ ওভেন ছাড়াও অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্টও ভারতে তৈরির ব্যাপারে জোর দেওয়া হচ্ছে। রোবোটিক ভ্যাকুয়াম ক্লিনার, কফি মেশিন, বিল্ট-ইন-রেফ্রিজরেটর এবং এয়ার ফ্রায়ারের মতো পণ্য যেগুলি আগে পুরোপুরি ভাবে বিদেশ থেকে আমদানি করা হতো, সেগুলি এ বার ভারতে তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    উৎপাদন ও রফতানিতে রেকর্ড বৃদ্ধি

    সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৪–১৫ সালে যেখানে ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১.৯ লক্ষ কোটি টাকা, তা ২০২৪–২৫ সালে বেড়ে হয়েছে ১১.৩ লক্ষ কোটিতে। পাশাপাশি রফতানিতেও বিশাল বৃদ্ধি ঘটেছে— ৩৮,০০০ কোটি টাকা থেকে বেড়ে  ৩.২৭ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে, অর্থাৎ আট গুণেরও বেশি। এই খাতে প্রায় ২৫ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে, যা ভারতের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। সরকার বলছে, এই অভাবনীয় প্রবৃদ্ধির পিছনে রয়েছে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’, ‘আত্মনির্ভর ভারত’, এবং প্রোডাকশন লিঙ্কড ইনসেনটিভ (PLI) স্কিম-এর মতো উদ্যোগ। এ ছাড়াও, দক্ষ জনশক্তি ও বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ভারতীয় ইলেকট্রনিক্স খাতে গতি এনেছে। ২০২০–২১ অর্থবছর থেকে এ পর্যন্ত এই খাতে ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (FDI) এসেছে।

    সরকারের কৌশলগত পদক্ষেপে গতি

    সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “কৌশলগত নীতিগত সহায়তা দেশীয় উৎপাদন ও রফতানি বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে এবং বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগ আকর্ষণ করেছে।” ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ভারতের ইলেকট্রনিক্স রফতানির শীর্ষ পাঁচটি গন্তব্য দেশ হলো— যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য এবং ইতালি। সরকারের লক্ষ্য, বর্তমান গতি বজায় রেখে ২০৩০–৩১ সালের মধ্যে ভারতের ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন খাতকে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের একটি পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেমে রূপান্তরিত করা। এর মধ্যে থাকবে উপাদান (component), উৎপাদনের সম্প্রসারণ, বিশ্ববাজারে আরও সংহত হওয়া এবং ডিজাইন-কেন্দ্রিক উদ্ভাবনে জোর। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক চাহিদা বৃদ্ধির পাশাপাশি ভূরাজনৈতিক বৈচিত্র্য এবং অভ্যন্তরীণ সংস্কারের কারণে ভারত পূর্ব এশীয় অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে সক্ষম একটি বৈশ্বিক ইলেকট্রনিক্স প্রস্তুতকারক কেন্দ্রে পরিণত হতে চলেছে।

    বড় বড় কোম্পানি দেশেই পণ্য তৈরি করছে

    ভারতে ইলেকট্রনিক শিল্পের সঙ্গে জড়িতরা জানাচ্ছেন, ভারতে তৈরি পণ্যের ক্ষেত্রে ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্স (BIS)-এর কোয়ালিটি কন্ট্রোল অর্ডার (QCO)-এর সার্টিফিকেশনের দরকার পড়ে। গত ৮-৯ মাসে সেই এই তালিকায় যোগ হয়েছে একাধিক ইলেট্রনিক্স প্রোডাক্ট। ইউরেকা ফোর্বসের রোবোটিক ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের বড় বাজার রয়েছে ভারতে। এই পণ্য তৈরির জন্য ডিক্সন টেকনোলজির সঙ্গে সম্প্রতি চুক্তিবদ্ধ হয়েছে এই সংস্থা। ভারতে পণ্য তৈরির বিষয়ে ডিক্সন টেকনোলজিসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অতুল লাল বলেছেন, ‘বিআইএস-এর নিয়ম অনেক ব্রান্ডের কাছেই এখন ট্রিগার হিসাবে কাজ করছে। যদিও কিছু পণ্যের বাজার সত্যিই খুবই ছোট। কিন্তু তা সত্ত্বেও এই প্রবণতা ব্যবসার সুযোগ তৈরি করেছে।’ ইউরেকা ফোর্বসের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে তিনি জানিয়েছেন, ভারতে ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের প্রায় ৭০০ কোটি টাকার বাজার রয়েছে। ডিক্সন টেকনোলজি ইলেকট্রনিক্স পণ্যের অন্যতম বৃহৎ কন্ট্র্যাক্ট ম্যানুফ্যাকচারার।

    আমদানি সংক্রান্ত জটিলতাও কমেছে

    ডিক্সনের মতো একাধিক সংস্থার ইতিমধ্যেই ভারতে উৎপাদন কেন্দ্র খুলেছে। যার মধ্যে অন্যতম ইউরোপের সংস্থা লিবহের। সম্প্রতি অওরঙ্গাবাদে বিল্ট-ইন-রেফ্রিজরেটরের প্ল্যান্ট তৈরি করেছে এই সংস্থা। বছরে মাত্র ১৪ থেকে ১৫ হাজার ইউনিটের বিক্রি থাকলেও কারখানা তৈরি করেছে এই সংস্থা। ওই সংস্থার ভারতীয় শাখার ম্যানেজিং ডিরেক্টর (সেলস) কপিল আগরওয়াল বলেছেন, ‘আগে আমরা জার্মানি থেকে আমদানি করতাম। ফ্যাক্টরি সার্টিফিকেশন খুবই বিরক্তিকর একটি প্রক্রিয়া। কিন্তু প্ল্যান্ট তৈরি হওয়ায় আমদানি সংক্রান্ত জটিলতাও কমেছে। আমাদের বিশ্বাস এই পণ্যের বাজার আগামী দিনে অনেকটা বাড়বে।’ ক্রম্পটন গ্রিভেস, হ্যাভেলস ইন্ডিয়ার মতো একাধিক সংস্থা অ্যানুয়াল রিপোর্টে নিজেদের পণ্য স্থানীয় স্তরে তৈরির ব্যাপারে গুরুত্ব দিয়েছে। গত এক বছরে এই সব সংস্থা আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে লোকালাইজ প্রোডাকশনও বাড়িয়েছে।

    মোবাইল উৎপাদনে ভারতের নজির

    ভারতের মোবাইল ফোন উৎপাদন শিল্প এই খাতে সবচেয়ে বড় সাফল্যের গল্প। গত এক দশকে এই খাত ২৮ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে— ২০১৪–১৫ সালে ১৮ হাজার কোটি টাকা থেকে ২০২৪–২৫ সালে তা পৌঁছেছে ৫.৪৫ লক্ষ কোটিতে। বর্তমানে ভারত বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারী দেশ। ২০১৪ সালে যেখানে মাত্র ২টি মোবাইল উৎপাদন ইউনিট ছিল, এখন সেই সংখ্যা ৩০০-রও বেশি। রফতানিতে এসেছে ১২৭ গুণ বৃদ্ধি— ২ লক্ষ কোটি টাকা, যার মধ্যে শুধুমাত্র অ্যাপল একাই ১.১ লক্ষ কোটি টাকা মূল্যের ডিভাইস রফতানি করেছে ২০২৪ সালে। একটি বড় মাইলফলক হিসেবে, ২০২৫–২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ভারত চিনকে টপকে যুক্তরাষ্ট্রে স্মার্টফোন রফতানির দিক থেকে শীর্ষে পৌঁছেছে— যা বৈশ্বিক সাপ্লাই চেনে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

  • India vs Australia:  চার ঘণ্টা দেরিতে অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছল ভারতীয় দল, কোহলির পোস্ট ঘিরে অবসরের জল্পনা

    India vs Australia: চার ঘণ্টা দেরিতে অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছল ভারতীয় দল, কোহলির পোস্ট ঘিরে অবসরের জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেটে বিরাট কোহলি (Virat Kohli) কি এবার পুরোপুরি প্রাক্তন! আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আঙিনায় আর কতদিন খেলবেন বিরাট ভাই, এখন সেই প্রশ্নই চলছে কোহলি অনুরাগীদের মনে। বৃহস্পতিবার ভোররাতে অস্ট্রেলিয়ার (India vs Australia) পার্‌থে গিয়ে পৌঁছেছে ভারতীয় দল। সেই দলে রয়েছেন বিরাট কোহলিও। বৃহস্পতিবার সকালের দিকে তিনি এমন একটি পোস্ট করেছেন, যা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, কোহলি হয়তো এক দিনের ক্রিকেট থেকেও অবসরের ইঙ্গিত দিয়ে ফেলেছেন। আবার অন্য অংশের ধারণা, কোহলি খেলা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে কতটা দায়বদ্ধ সেটাই বোঝা গিয়েছে পোস্টে। বৃহস্পতিবার ঠিক সকাল ১০টায় ১৩ শব্দের একটি পোস্ট লিখেছেন কোহলি। বাংলায় তার অর্থ, “যখনই কেউ হাল ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তখনই সে সত‍্যিকারের ব্যর্থ।”

    কোহলির পোস্ট ঘিরে জল্পনা

    কোহলির এই পোস্টের সঙ্গে সাম্প্রতিক ঘটনার মিল রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, অস্ট্রেলিয়া সিরিজে কোহলি এবং রোহিত শর্মা ব্যর্থ হলে এটাই তাঁদের শেষ সিরিজ হতে চলেছে। ভবিষ্যতে হয়তো ভারতীয় দলে তাঁদের আর বিবেচনা করা হবে না। দুই তারকা ক্রিকেটারই এখন শুধু ৫০ ওভারের ক্রিকেটে খেলেন। তাই অস্ট্রেলিয়া সিরিজে সাফল্য পাওয়া দু’জনের কাছেই জরুরি। ভাল খেলার ব্যাপারে তিনি কতটা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, সেটাই কোহলির পোস্টে ধরা পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। কোহলি হয়তো এখনই খেলা ছাড়ার কথা ভাবতে চান না। তাঁর স্বপ্ন ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলা। তাই জন্যই তিনি হাল না ছাড়ার বার্তা দিয়েছেন। কারণ অবসরের ভাবনা মাথায় আনলেই হয়ত তিনি ব্যর্থ হতে পারেন।

    পারথে পৌঁছল ভারতীয় দল

    অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজ (India vs Australia) শুরুর আগেই সমস্যায় পড়েছে ভারতীয় দল। চার ঘণ্টা দেরিতে সে দেশে পৌঁছোছে ভারতীয় দলের একাংশ। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে প্রথম দল পৌঁছেছে পার্‌থে। হোটেলে গিয়ে সটান নিজেদের ঘরে চলে গিয়েছেন ক্রিকেটারেরা। সকলকেই ক্লান্ত এবং বিধ্বস্ত দেখিয়েছে। দিল্লি থেকে ১৫ অক্টোবর সকাল ৯টার বিমানে সিঙ্গাপুর যাওয়ার কথা ছিল ভারতীয় দলের। সেখান থেকে পার্‌থের বিমান ধরার কথা ছিল। সব ঠিকঠাক থাকলে বুধবার রাতের মধ্যেই পার্‌থে পৌঁছে যাওয়ার কথা ছিল ভারতের। তা হয়নি। দিল্লি থেকে বিমানই ছেড়েছে প্রায় চার ঘণ্টা দেরিতে, দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ। স্বাভাবিক ভাবেই সিঙ্গাপুর থেকে নির্ধারিত বিমান ধরতে পারেনি ভারতীয় দল। সিঙ্গাপুর থেকে পরের বিমানে কোহলিরা পৌঁছোন পার্‌থে। হোটেলে ঢোকেন ভোর প্রায় ৪টে নাগাদ। টিম বাস থেকে প্রথমেই নেমে আসেন রোহিত (Rohit Sharma)। তার পর কোহলি, শ্রেয়স আয়ার, শুভমন গিল, কেএল রাহুল, যশস্বী জয়সওয়াল, অর্শদীপ সিং, হর্ষিত রানারা একে একে নেমে হোটেলে ঢুকে যান।

    রোহিত-কোহলিকে ঘিরে উন্মাদনা

    অস্ট্রেলিয়ায় মিচেল মার্শদের বিরুদ্ধে তিনটি ওয়ান ডে এবং পাঁচটি টি-টোয়েন্টি খেলবে ভারতীয় দল। ১৯ অক্টোবর থেকে শুরু হবে সিরিজ। শোনা যাচ্ছে, ভারতীয় দলের জন্য বিমানবন্দরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। তার পরেও ভারতীয় দলের টিম হোটেলের বাইরে কিছু ভক্ত অপেক্ষা করছিলেন প্রিয় নায়কদের এক ঝলক দেখার আশায়। তবে ক্লান্ত ভারতীয় ক্রিকেটাররা ভক্তদের ছবি তোলা বা সই শিকারিদের খুব একটা সুযোগ না দিয়ে হোটেলে প্রবেশ করেন। রোহিত, কোহলিকে (Virat Kohli) নিয়েই উৎসাহ ছিল বেশি। এক সমর্থক হাজির হয়েছিলেন দু’জনের ছবি দিয়ে বাঁধানো একটি ফ্রেম নিয়ে। ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের আশা দুই মহাতারকা রোহিত ও বিরাট অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজে দারুণ খেলবেন। প্রথম বার ওয়ান ডে-তে নেতৃত্ব দিতে চলা শুভমন গিলও দুই মহারথীকে দলের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ বলে বার্তা দিয়েছেন।

  • NCS Portal: বার্ষিক ২.৫ লক্ষ চাকরি দিতে জোম্যাটোর সঙ্গে চুক্তি কেন্দ্রের

    NCS Portal: বার্ষিক ২.৫ লক্ষ চাকরি দিতে জোম্যাটোর সঙ্গে চুক্তি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনসিএস পোর্টালের (NCS Portal) মাধ্যমে বার্ষিক ২.৫ লক্ষ চাকরি তৈরি করতে জোম্যাটোর সাথে ভারত সরকার চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। ২০১৫ সালে এই পোর্টাল চালু হয়েছিল। আর সেই সময় থেকে কাজও শুরু করেছিল। ইতিমধ্যে ৭.৭ কোটির বেশি শূন্যপদে কর্মসংস্থান দিতে পারার কথা নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি। এবার চুক্তি করে পোর্টালের মাধ্যমে চাকরি প্রার্থী এবং নিয়োগকর্তাদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে বলেও জানিয়েছে কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রক।

    প্রযুক্তি এবং সক্ষম জীবিকার সুযোগ (NCS Portal)

    গত মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ভারত সরকারের অনলাইন খাদ্যবিতরণ প্ল্যাটফর্ম (NCS Portal) জোম্যাটোর (Zomato) সঙ্গে একটি চুক্তিপত্র স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির ফলে ন্যাশনাল কেরিয়ার সার্ভিস প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নমনীয় এবং প্রযুক্তি-সক্ষম জীবিকার সুযোগগুলিকে আরও সহজ ও নির্ভরযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি করা যাবে। ফলে আনুমানিক বছরে আড়াই লক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডবীয় বলেছেন, “এই চুক্তির ফলে পোর্টালে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি আর্থিক পরিসরগুলির নানান দিকগুলিকে উন্মুক্ত করার পরিসরও খুলে যাবে। যুবক-যুবতী-মহিলাদেরও মর্যাদাসম্পন্ন প্রযুক্তি এবং সক্ষম জীবিকার মাধ্যমে সংযুক্ত করা যাবে। শুধু তাই নয় জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে এই এনসিএস পোর্টাল একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। লক্ষ লক্ষ কর্ম সংস্থান এবং জীবিকার সঙ্গে যুক্ত করতে আরও বেশি বেশি সুবিধা দেবে।”

    ভারত রোজগার যোজনার অন্তর্গত

    কেন্দ্রের শ্রম এবং কর্মসংস্থান বিষয়ের ভাবনাচিন্তাকে আরও প্রসারিত করে প্রতিমন্ত্রী শোভা কারান্দলাজে বলেন, “দেশের প্রতিটি সংগঠিত এবং অসংগঠিত শ্রমিকের জন্য সামাজিক সুরক্ষাকে আরও মজবুত করতেই এই পদক্ষেপ (NCS Portal)। এটি একটি যুগান্তকরী সিদ্ধান্ত হতে চলেছে। এই প্রকল্পকে বাস্তবায়ন করতে পারলে বিকশিত ভারতের পথে দেশ আরও অগ্রসর হবে। ভারত রোজগার যোজনা এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গঠনে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত কার্যকর হবে। নতুন ‘অ্যাগ্রিগেটর’ বিভাগের অধীনে, জোম্যাটো এনসিএস পোর্টালে বার্ষিক প্রায় ২.৫ লক্ষ অতি সহজ জীবিকার সুযোগ তালিকাভুক্ত করবে। এই তালিকায় রয়েছে ডেলিভারি পার্টনার (Zomato) এবং গিগ কর্মীদের জন্য রিয়েল-টাইম আয়ের বিশেষ সুবিধা।

LinkedIn
Share