Tag: Madhyom Portal

  • BLA: বিএলএ কর্তৃক নৌ-শাখা ‘এইচএমডিএফ’ গঠনের ঘোষণা; পাকিস্তানি কোস্ট গার্ডের নৌকায় হামলার ভিডিও এবার প্রকাশ্যে

    BLA: বিএলএ কর্তৃক নৌ-শাখা ‘এইচএমডিএফ’ গঠনের ঘোষণা; পাকিস্তানি কোস্ট গার্ডের নৌকায় হামলার ভিডিও এবার প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তনের পাকসেনা বিরোধী বালুচ লিবারেশন আর্মি (BLA) আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের একটি নতুন নৌ-শাখা গঠনের ঘোষণা দিয়েছে, যার নাম রাখা হয়েছে ‘হাবিল মারি ডিফেন্স ফোর্স’ (HMDF)। এই ঘোষণার পাশাপাশি তারা পাকিস্তানি কোস্ট গার্ডের একটি নৌকায় হামলার একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে।

    নতুন নৌ-শাখা (BLA)

    বিএলএ-এর (BLA) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তাদের এই বিশেষ শাখাটি সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলে পাকিস্তানি নৌবাহিনী এবং কোস্ট গার্ডের গতিবিধি (HMDF) লক্ষ্য করে কাজ করবে। বালুচিস্তানের সমুদ্র সম্পদ রক্ষা এবং পাকিস্তানি বাহিনীর আধিপত্য কমানোই এই বাহিনীর মূল লক্ষ্য বলে তারা দাবি করেছে।

    কোস্ট গার্ডের ওপর হামলা

    বিএলএ-এর (BLA) প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, সমুদ্রের মাঝে পাকিস্তানি কোস্ট গার্ডের একটি টহলদারি নৌকায় (HMDF) অতর্কিত হামলা চালানো হচ্ছে। ভিডিওতে শক্তিশালী বিস্ফোরণ এবং নৌকায় থাকা পাকিস্তানি সেনাদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের দৃশ্য ফুটে উঠেছে।

    ভিডিওর সত্যতা

    প্রতিবাদী বিএলএ গোষ্ঠীর তরফে দাবি করেছে যে, এই হামলাটি তাদের নবগঠিত নৌ-শাখা এইচএমডিএফ-এর দ্বারা পরিচালিত হয়েছে। তবে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এই ভিডিও বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    নিরাপত্তা উদ্বেগ

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, বিএলএ-এর (BLA)  এই নতুন নৌ-শাখা গঠন পাকিস্তানি নৌবাহিনীর জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিশেষ করে করাচি এবং গোয়াদর বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    বালুচিস্তান অঞ্চলে গত কয়েক দশকে বিদ্রোহ এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন তীব্রতর হয়েছে। বিএলএ প্রায়শই পাকিস্তানের পরিকাঠামো এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলার দায় স্বীকার করে থাকে। এবারের নৌ-শাখা (HMDF) গঠনের ঘোষণা এই লড়াইকে সমুদ্র পর্যন্ত বিস্তৃত করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

  • West Bengal Elections 2026: কলকাতায় তৃণমূলের নির্বাচনী মিছিলে অংশ নেওয়ায় তিন নাইজেরীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা

    West Bengal Elections 2026: কলকাতায় তৃণমূলের নির্বাচনী মিছিলে অংশ নেওয়ায় তিন নাইজেরীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) উত্তাপের মধ্যে এক নজিরবিহীন ঘটনায়, কলকাতায় তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) হয়ে নির্বাচনী প্রচার মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে তিন নাইজেরীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল পুলিশ। কমিশনের (Election Commission India) কাছে অভিযোগ দায়ের হতেই বড় পদক্ষেপ। বিজেপির তরফে অভিযোগ, অভিযুক্তরা তৃণমূলের নির্বাচনী মিছিলে অংশ নিয়েছেন। এই ঘটনা নির্বাচনী বিধিনিয়মের বিরুদ্ধ। তাই তিন নাইজেরীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    কী ঘটেছিল (West Bengal Elections 2026)?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর কলকাতার জোড়াসাঁকো এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী স্মিতা বক্সীর সমর্থনে আয়োজিত একটি রোড-শো বা মিছিলে ওই তিন বিদেশি নাগরিককে দেখা যায়। তাঁরা জোড়াসাঁকো বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন রাস্তায় তৃণমূলের পতাকা হাতে নিয়ে এবং দলের সমর্থনে স্লোগান দিতে দিতে মিছিলে পা মেলান। এরপর কমিশন (Election Commission India) কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

    আইনি ব্যবস্থা

    ভারতের নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) আইন ও ভিসা নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বিদেশি নাগরিক ভারতের মাটিতে সক্রিয়ভাবে কোনো রাজনৈতিক দলের হয়ে প্রচার বা নির্বাচনী কার্যকলাপে অংশ নিতে পারেন না। এই ঘটনার পর পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ওই তিন নাইজেরীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ভিসা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

    বৈধ ভিসা নিয়ে ভারতে থাকছিলেন কি না

    মিছিলে বিদেশি নাগরিকদের অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্ক শুরু হলেও তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি, তাঁরা স্বেচ্ছায় মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন এবং দলগতভাবে তাঁদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তবে বিরোধীরা (West Bengal Elections 2026) এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক দলকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি। নির্বাচন কমিশনও (Election Commission India) বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা বৈধ ভিসা নিয়ে ভারতে থাকছিলেন কি না এবং তাঁদের এই রাজনৈতিক মিছিলে আসার পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • Amravati sex Racket: অমরাবতী যৌন নিগ্রহ চক্রের পর্দাফাঁস, ১৮০ জন নির্যাতিতা, ৩৫০টি ভিডিও; ১৯ বছর বয়সী অয়ন আহমেদ অভিযুক্ত

    Amravati sex Racket: অমরাবতী যৌন নিগ্রহ চক্রের পর্দাফাঁস, ১৮০ জন নির্যাতিতা, ৩৫০টি ভিডিও; ১৯ বছর বয়সী অয়ন আহমেদ অভিযুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের অমরাবতীতে (Amravati sex Racket) একটি ভয়াবহ যৌন নিগ্রহ ও ব্ল্যাকমেইলিং চক্রের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এই ঘটনায় পুলিশ ১৯ বছর বয়সী অয়ন আহমেদকে গ্রেফতার (Ayan Ahmed) করেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে, এই চক্রের জাল অত্যন্ত গভীরে এবং এটি কোনো সুসংগঠিত নেটওয়ার্কের অংশ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    বিপুল সংখ্যক ভুক্তভোগী(Amravati sex Racket)

    তদন্তে জানা গেছে, প্রায় ১৮০ জন নারী ও তরুণী এই চক্রের শিকার হয়েছেন। অভিযুক্ত তাদের বিভিন্নভাবে ফাঁদে ফেলে যৌন নিগ্রহ করেছে বলে অভিযোগ। পুলিশ অভিযুক্তের ডিভাইস থেকে প্রায় ৩৫০টি আপত্তিকর ভিডিও উদ্ধার করেছে। এই ভিডিওগুলো ব্যবহার করে ভুক্তভোগীদের (Ayan Ahmed) করা হতো বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    অভিযুক্তের পরিচয়

    মূল অভিযুক্তের নাম অয়ন আহমেদ (Amravati sex Racket)। পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। সুসংগঠিত নেটওয়ার্ক গড়া হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মতে, এটি একক কোনো ব্যক্তির কাজ নয়। এর পেছনে একটি বড় সংগঠিত গোষ্ঠী বা চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    তদন্তের অগ্রগতি

    পুলিশ ভুক্তভোগীদের (Amravati sex Racket) পরিচয় গোপন রেখে মামলার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। সাইবার সেল এবং স্থানীয় পুলিশ যৌথভাবে এই চক্রের বাকি সদস্যদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

    এই ঘটনাটি স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ  তৈরি হয়েছে। প্রশাসন থেকে জনগণকে সতর্ক থাকতে এবং সন্দেহজনক কিছু দেখলে পুলিশকে জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে।

  • PM Modi: “আইনসভাগুলোতে মহিলাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা একান্ত জরুরি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: “আইনসভাগুলোতে মহিলাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা একান্ত জরুরি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতরত্ন ডঃ বি.আর. আম্বেদকরের ১৩৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন এবং এই বিশেষ দিনটিতে আইনসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম বাস্তবায়নের (Women In legislative Bodies) পক্ষে জোরালো সওয়াল করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) মতে, ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে শক্তিশালী করতে আইনসভাগুলোতে মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো অপরিহার্য।

    আম্বেদকর জয়ন্তীতে শ্রদ্ধা (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (টুইটার) একটি চিঠির মাধ্যমে বলেন, “১৪ এপ্রিল ভারতের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। জাতি গঠনে বাবাসাহেব আম্বেদকরের অসামান্য অবদান এবং সাংবিধানিক মূল্যবোধের (Women In legislative Bodies) প্রতি তাঁর অঙ্গীকার আজও দেশকে পথ দেখাচ্ছে।

    নারী শক্তির জয়গান

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বিভিন্ন ক্ষেত্রে মহিলাদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্প, সংগীত, সিনেমা, এমনকি স্টার্টআপ এবং বিজ্ঞানের জগতেও মহিলারা আজ নেতৃত্বের ভূমিকায় রয়েছেন।

    খেলাধুলায় বিপ্লব

    মোদী বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, ভারতীয় মহিলা ক্রীড়াবিদরা রেকর্ড ভাঙছেন এবং পুরনো ধ্যানধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন। তাঁদের এই সাফল্য কোটি কোটি তরুণীকে অনুপ্রাণিত করছে।

    আইনসভায় সংরক্ষণ

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, মহিলারা যখন সব ক্ষেত্রে সফল হচ্ছেন, তখন আইনসভাগুলোতেও তাঁদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং জরুরি। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, ১০০ বছর আগে আমেদাবাদ মিউনিসিপ্যালিটির সভাপতি থাকাকালীন সরদার প্যাটেল মহিলাদের (Women In legislative Bodies) জন্য আসন সংরক্ষণের কাজ শুরু করেছিলেন।

    নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম

    আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে সংসদে এই গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক সংশোধনী নিয়ে আলোচনা শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন এবং বিধানসভা নির্বাচনগুলো যেন মহিলা সংরক্ষণ মেনেই অনুষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, “ভারতের কন্যারা (Women In legislative Bodies) তাদের ন্যায্য অধিকারের জন্য আর অনন্তকাল অপেক্ষা করতে পারে না।”

    বিকশিত ভারত ২০৪৭

    ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার যে স্বপ্ন দেশ দেখছে, তা অর্জনে দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা অর্থাৎ মহিলাদের নীতি নির্ধারণে সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। মহিলারা যখন সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী পর্যায়ে থাকবেন, তখনই গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী ও প্রাণবন্ত হবে।

    সব দলের প্রতি আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সমস্ত রাজনৈতিক দলের কাছে এই বিল বাস্তবায়নে সমর্থনের আবেদন জানিয়েছেন। তিনি দেশের মহিলাদের প্রতিও অনুরোধ করেছেন যাতে তাঁরা তাঁদের স্থানীয় সাংসদদের চিঠি লিখে এই ঐতিহাসিক সংসদীয় অধিবেশনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করেন। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আগামী উৎসবের মরসুমের জন্য দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান এবং সকলের সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

  • PM Modi: প্রথম বড় কূটনৈতিক পদক্ষেপ, প্রধানমন্ত্রীর মোদির ভারত সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন

    PM Modi: প্রথম বড় কূটনৈতিক পদক্ষেপ, প্রধানমন্ত্রীর মোদির ভারত সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র বালেন শাহ (Nepal PM Balendra) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ভারত সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। একদিকে যখন তিনি নেপালের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনে ভিআইপি সংস্কৃতি, আমলাতন্ত্র ও শিক্ষাঙ্গনে রাজনৈতিক প্রভাব বন্ধ করতে ১০০ দফার এক আমূল পরিবর্তনকারী কর্মসূচি শুরু করেছেন, ঠিক তখনই এই কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের কথা সামনে এল।

    বালেন শাহের প্রথম বড় সফর (PM Modi)

    নেপালের বিদেশমন্ত্রী শিশির খানাল জানিয়েছেন, “নেপাল সরকার এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে এবং দুই দেশের বিদেশ মন্ত্রক এখন এই সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছে।” দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই হবে বালেন শাহের প্রথম বড় কোনো বৈদেশিক বা কূটনৈতিক সফর। এর আগে ২০২৩ সালের জুন মাসে নেপালের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহাল “প্রচণ্ড” ভারত সফর করেছিলেন।

    নেপালে আমূল সংস্কারের উদ্যোগ

    ভারত সফরের (PM Modi) প্রস্তুতির পাশাপাশি কাঠমাণ্ডুতে নতুন সরকার বেশ কিছু বৈপ্লবিক পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে। স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের ছাত্রসংগঠন থাকতে পারবে না। আগামী ৯০ দিনের মধ্যে সমস্ত দলীয় ছাত্রসংগঠন ভেঙে দিয়ে সেগুলোর পরিবর্তে অরাজনৈতিক ‘স্টুডেন্ট কাউন্সিল’ বা ‘ভয়েস অফ স্টুডেন্টস’ প্ল্যাটফর্ম গঠন করতে হবে।

    ভিআইপি সংস্কৃতি নির্মূল

    সরকারি অফিস থেকে রাজনৈতিক নেতাদের ছবি সরিয়ে ফেলা এবং ব্যক্তিগত সংবাদমাধ্যমে সরকারি বিজ্ঞাপন দেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

    মন্ত্রণালয় হ্রাস

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা কমিয়ে ১৭টি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মচারী ও মন্ত্রীদের সন্তানদের বাধ্যতামূলকভাবে সরকারি স্কুলে পাঠাতে হবে।

    স্বাস্থ্য ও পরিষেবা

    গরিবদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমাতে ‘জিরো পেন্ডিং ফাইল’ অভিযান শুরু হয়েছে।

    বালেন শাহ স্পষ্ট জানিয়েছেন, “স্কুল ও কলেজগুলো আর রাজনীতির আখড়া হিসেবে ব্যবহৃত হবে না, বরং সেগুলো শুধুমাত্র শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে পরিচালিত হবে।”

    ভারতের সাথে সম্পর্ক

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) গত মাসে বালেন শাহকে (Nepal PM Balendra) সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছিলেন এবং ভারত-নেপাল বন্ধুত্বকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশা প্রকাশ করেছিলেন। নেপাল সরকারের এই সফরের সিদ্ধান্তকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • Uttarakhand: উত্তরাখণ্ডে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের জোয়ারের মূলে মোদি-পুষ্করসিং ধামির ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকার’

    Uttarakhand: উত্তরাখণ্ডে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের জোয়ারের মূলে মোদি-পুষ্করসিং ধামির ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকার’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের যৌথ প্রচেষ্টায় গত চার বছরে উত্তরাখণ্ডের উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলো এক অভূতপূর্ব গতি পেয়েছে। বিজেপির তরফে দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্দেশনায় এবং উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামির নেতৃত্বে “ডাবল ইঞ্জিন সরকার” (Double Engine Government)-এর ধারণাটি বাস্তবে রূপায়িত হয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারের সহায়তায় রাজ্যে ২ লক্ষ কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ চলছে।

    যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি (Uttarakhand)

    উত্তরাখণ্ডে (Uttarakhand) রাস্তা, রেল এবং আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটছে “ডাবল ইঞ্জিন সরকার” (Double Engine Government)-এর সরকারে। চারধাম যাত্রাকে সহজতর করতে ‘অল-ওয়েদার রোড’ প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। পাশাপাশি, দিল্লি-দেরাদুন এক্সপ্রেসওয়ে চালু হওয়ায় রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড়সড় পরিবর্তন এসেছে। সিতারগঞ্জ-তানাকপুর, পাওন্টা সাহেব-দেরাদুন এবং ঋষিকেশ-ভানিয়াওয়ালা সহ একাধিক বাইপাস ও সংযোগকারী রাস্তার কাজ বিভিন্ন পর্যায়ে চলছে।

    রেল ও আকাশপথের উন্নয়ন

    ঋষিকেশ-কর্ণপ্রয়াগ রেল প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষের মুখে। এছাড়া, ৪৮,০০০ কোটি টাকার তানাকপুর-বাঘেশ্বর রেললাইনের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। ‘অমৃত ভারত স্টেশন’ প্রকল্পের অধীনে রাজ্যের ১১টি রেল স্টেশনকে আধুনিক করা হচ্ছে “ডাবল ইঞ্জিন সরকার” (Double Engine Government)-এর মদতে।

    আকাশপথ

    গত চার বছরে জলি গ্রান্ট, পন্তনগড় এবং পিথোরাগড় (Uttarakhand) বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ‘উড়ান’ (UDAN) প্রকল্পের আওতায় ১৮টি হেলিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে, যার মধ্যে ১২টিতে ইতিমধ্যে পরিষেবা শুরু হয়েছে। ২০২১-২২ সালে যেখানে হেলিপ্যাডের সংখ্যা ছিল ৬০, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৮-তে।

    পর্যটন ও রোপওয়ে

    ‘পর্বতমালা’ প্রকল্পের অধীনে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় রোপওয়ে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হচ্ছে। এর মধ্যে রানিবাদ-নৈনিতাল, ঋষিকেশ-নীলকণ্ঠ মহাদেব (Uttarakhand) এবং গৌরিকুণ্ড-কেদারনাথ ধাম রোপওয়ে অন্যতম। কেদারনাথ ও বদ্রীনাথ ধামের পুনর্গঠনের কাজও দ্রুত চলছে। কুমায়ুন অঞ্চলের মন্দিরগুলোর উন্নয়নে ‘মানসখন্ড মন্দির মালা মিশন’ শুরু হয়েছে।

    স্বাস্থ্য ও শিক্ষা

    স্বাস্থ্যক্ষেত্রে কিচ্ছাতে এইমস (AIIMS) স্যাটেলাইট সেন্টারের (Uttarakhand) কাজ শুরু হয়েছে এবং এইমস ঋষিকেশে ভারতের প্রথম হেলিকপ্টার অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা চালু করা হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নতির জন্য রাজ্যের ২২৬টি স্কুলকে ‘পিএম শ্রী’ (PM SHRI) স্কুল হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।

    শিল্প ও অন্যান্য প্রকল্প

    উধম সিং নগরে (Uttarakhand) একটি স্মার্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউনশিপ তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া ভারত-সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোর উন্নয়নের জন্য ‘ভাইব্রেন্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম’-এর অধীনে পরিকাঠামো সম্প্রসারণ করা হচ্ছে “ডাবল ইঞ্জিন সরকার” (Double Engine Government)-এর মদতে। যমরানি ও লাখওয়ারের মতো বড় বাঁধ প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে পানীয় জল ও সেচ ব্যবস্থারও উন্নতি ঘটানো হচ্ছে। সব মিলিয়ে, কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উত্তরাখণ্ড উন্নয়নের এক নতুন শিখরে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে।

  • Ambedkar jayanti: ১৪ এপ্রিল আম্বেদকর জয়ন্তী, বিশ্বজনীন মর্যাদার জন্য ভ্রাতৃত্বমূলক সাম্য

    Ambedkar jayanti: ১৪ এপ্রিল আম্বেদকর জয়ন্তী, বিশ্বজনীন মর্যাদার জন্য ভ্রাতৃত্বমূলক সাম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪ই এপ্রিল ভারতজুড়ে পালিত হচ্ছে বাবাসাহেব ডঃ বিআর আম্বেদকরের জন্মজয়ন্তী (Ambedkar jayanti)। ভারতের সংবিধানের প্রধান স্থপতি হিসেবেই শুধু নয়, আধুনিক গণতন্ত্রের অন্যতম গভীর নৈতিক চিন্তাবিদ হিসেবে বাবাসাহেবকে আজ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে সারা দেশ। তার জীবন ছিল সমাজের প্রান্তিক মানুষের মর্যাদা রক্ষার এক নিরলস সংগ্রাম। সামাজিক সমরসতা এবং ন্যায় বিচারের (Equality For Universal) জন্য আজীবন কাজ করে গিয়েছেন বাবা সাহেব।

    আম্বেদকরের দৃষ্টিভঙ্গি ও সামাজিক গণতন্ত্র (Ambedkar jayanti)

    আম্বেদকরের (Ambedkar jayanti) চিন্তাধারা কেবল সংবিধানের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, রাজনৈতিক গণতন্ত্র কখনওই সামাজিক গণতন্ত্র ছাড়া স্থায়ী হতে পারে না। স্বাধীনতা, সাম্য এবং ভ্রাতৃত্ব (Fraternity) — এই তিনটি আদর্শ একে অপরের পরিপূরক। এর মধ্যে ‘ভ্রাতৃত্ব’ বা বন্ধুত্থ-কেই তিনি সবথেকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তাঁর মতে, ভ্রাতৃত্বই পারে অধিকারকে (Equality For Universal) সম্পর্কের রূপ দিতে এবং সহাবস্থানকে একটি প্রকৃত সমাজে পরিণত করতে।

    আম্বেদকর এবং উপাধ্যায়ের ভাবনার মেলবন্ধন

    প্রতিবেদনটিতে পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের ‘অন্ত্যোদয়’ (Antyodaya) ভাবনার সঙ্গে আম্বেদকরের দর্শনের এক গভীর সংযোগের কথা বলা হয়েছে। অন্ত্যোদয়ের মূল কথা হলো — সমাজের শেষ ব্যক্তিটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

    আম্বেদকর: গুরুত্ব দিয়েছেন ‘ন্যায়’-এর (Equality For Universal) ওপর, যাতে আইন ও সংস্কারের মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষ মর্যাদা পায়।

    উপাধ্যায়: জোর দিয়েছেন ‘সংবেদন’-এর ওপর, যাতে সমাজের শেষ ব্যক্তিটি কেবল সরকারি সুরক্ষা নয়, বরং সামাজিক স্নেহ ও মমতায় সিক্ত হয়।

    এই দুই মহান চিন্তাবিদের দর্শনই এক জায়গায় মিলেছে — তা হলো সমাজের সবথেকে নিচু স্তরের মানুষের উন্নয়ন। তাদের মতে, কোনো সমাজ যদি তার একটি অংশকে পেছনে ফেলে রাখে, তবে সেই উন্নয়ন কখনোই নৈতিকভাবে বৈধ হতে পারে না।

    বর্তমান ভারতের প্রেক্ষাপটে প্রাসঙ্গিকতা

    সমকালীন ভারতে এই দুই দর্শনের সমন্বয় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বর্তমানে চ্যালেঞ্জটি কেবল অর্থনৈতিক বৃদ্ধির নয়, বরং সেই উন্নয়নকে অন্তর্ভুক্তিমূলক (Inclusive) এবং মানবিক করে তোলা। সমাজের প্রান্তিক স্তরে থাকা ব্যক্তির মর্যাদা নিশ্চিত করাই হলো আমাদের গণতন্ত্রের আসল পরীক্ষা।

    আম্বেদকর জয়ন্তীতে বাবাসাহেবের (Ambedkar jayanti) উত্তরাধিকার আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, সাম্য যেন কেবল খাতা-কলমে না থাকে, বরং তা যেন মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বাস্তবায়িত হয়। ন্যায়বিচার (Equality For Universal) যখন মর্যাদাকে পুনরুদ্ধার করে এবং অন্ত্যোদয় যখন সেই মর্যাদাকে শেষ ব্যক্তিটির কাছে পৌঁছে দেয়, তখনই একটি প্রকৃত ভ্রাতৃত্ববোধ সম্পন্ন মানবিক সমাজ গড়ে ওঠে।

    আজকের এই দিনে বাবাসাহেবের দেখানো পথে সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের সমাজ গড়ার অঙ্গীকারই হোক আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে মাদক সংক্রান্ত বিবাদে মুসলিমের হাতে মুসলিম খুন! রংপুরে নির্দোষ হিন্দুদের বাড়ি ও দোকানে হামলা

    Bangladesh: বাংলাদেশে মাদক সংক্রান্ত বিবাদে মুসলিমের হাতে মুসলিম খুন! রংপুরে নির্দোষ হিন্দুদের বাড়ি ও দোকানে হামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) নতুন করে সাম্প্রদায়িক হিংসার খবর পাওয়া গিয়েছে। রংপুরে দুই মুসলিম ব্যক্তির মধ্যে মাদক সংক্রান্ত ব্যক্তিগত বিবাদকে কেন্দ্র করে খুনের ঘটনা ঘটলেও, তার জেরে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের (Hindu) ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। ফের আরেকবার বিপর্যস্ত হিন্দু জনজীবন।

    ৪০ থেকে ৬০ জনের একটি দল আক্রমণ করে (Bangladesh)

    রংপুরের (Bangladesh) দাসপাড়া বাজার এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদক ব্যবসা নিয়ে পুরনো শত্রুতার জেরে রাকিব হাসান নামে এক মুসলিম যুবককে কুপিয়ে হত্যা করে মোহাম্মদ মোমিন নামের এক সন্দেহভাজন মাদক ব্যবসায়ী।

    আশ্চর্যের বিষয় হলো, নিহত এবং অভিযুক্ত উভয়ই মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও একদল সশস্ত্র উগ্র জনতা দাসপাড়া এলাকার হিন্দু বসতিতে হামলা চালায়। উল্লেখ্য, এই এলাকায় প্রায় ১০০টি হিন্দু পরিবারের বসবাস। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ৪০ থেকে ৬০ জনের একটি দল অন্তত ২০টি হিন্দু মালিকানাধীন দোকান ভাঙচুর করে এবং বেশ কিছু বাড়ির দরজা-জানলা গুঁড়িয়ে দেয়। হামলাকারীরা গালিগালাজ করার পাশাপাশি একটি মন্দিরের দানবাক্স লক্ষ্য করেও হামলা চালায়।

    রংপুর (Hindu) পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ মজিদ আলী জানিয়েছেন, তদন্ত ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে একটি ‘তৃতীয় পক্ষ’ এই হামলা চালিয়েছে। নিহতের মা নূর জাহান বেগমও সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, হিন্দুদের সঙ্গে তাদের কোনো বিরোধ ছিল না এবং এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে ঘটেছে।

    অতিরিক্ত পুলিশ ও র‍্যাব মোতায়েন

    একই সাথে কুষ্টিয়াতেও (Bangladesh) এক আধ্যাত্মিক নেতা শামীম রেজাকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। সেখানেও হামলার পর স্থানীয় বেশ কিছু হিন্দু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    হামলার সময় এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা জানিয়েছেন, দীর্ঘক্ষণ ধরে সশস্ত্র হামলা (Hindu) চললেও পুলিশ সময়মতো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও র‍্যাব (RAB) মোতায়েন করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অপরাধীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে

  • PM Modi: ১২,০০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে ২১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ছয় লেনের দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোর উদ্বোধন মোদির

    PM Modi: ১২,০০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে ২১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ছয় লেনের দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোর উদ্বোধন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ মঙ্গলবার উত্তরাখণ্ড ও উত্তরপ্রদেশ সফর করবেন। এই সফরে তিনি দেরাদুন-দিল্লি ইকোনমিক করিডোর (Delhi-Dehradun Economic Corridor) জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন। দুপুর নাগাদ দেরাদুনে একটি জনসভায় প্রধানমন্ত্রী দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোরের উদ্বোধন করবেন এবং উপস্থিত জনগণের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন।

    সাহারানপুরে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (PMO) সূত্রে জানা গেছে, আজ বেলা ১১টা ১৫ মিনিট নাগাদ প্রধানমন্ত্রী উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরে পৌঁছাবেন। সেখানে তিনি দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোরের এলিভেটেড সেকশনে নির্মিত ‘ওয়াইল্ডলাইফ করিডোর’ বা বন্যপ্রাণী করিডোরটি পরিদর্শন করবেন। এরপর তিনি দেরাদুনের নিকটবর্তী মা ডাট কালী মন্দিরে পূজা ও দর্শন সারবেন।

    প্রকল্পের সুবিধা

    খরচ ও দৈর্ঘ্য: ২১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ছয় লেনের ইকোনমিক করিডোরটি তৈরি করতে ১২,০০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয় হয়েছে।

    সময় সাশ্রয়: এই করিডোরটি দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের মধ্য দিয়ে বিস্তৃত। এর ফলে দিল্লি থেকে দেরাদুন যাওয়ার সময় বর্তমানের ৬ ঘণ্টা থেকে কমে মাত্র আড়াই ঘণ্টায় নেমে আসবে।

    উন্নত পরিকাঠামো: এই প্রকল্পে ১০টি ইন্টারচেঞ্জ, ৩টি রেলওয়ে ওভার ব্রিজ (ROB), ৪টি বড় সেতু এবং যাত্রীদের সুবিধার জন্য ১২টি ‘ওয়েসাইড অ্যামেনিটি’ তৈরি করা হয়েছে। যাতায়াত আরও নিরাপদ করতে এখানে অ্যাডভান্সড ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ATMS) ব্যবহার করা হয়েছে।

    ওয়াইল্ডলাইফ করিডোর

    পরিবেশের ভারসাম্য ও বন্যপ্রাণীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এই করিডোরে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এখানে ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি এলিভেটেড ওয়াইল্ডলাইফ করিডোর তৈরি করা হয়েছে, যা এশিয়ার অন্যতম দীর্ঘ। এ ছাড়াও প্রাণীদের চলাচলের জন্য ৮টি অ্যানিম্যাল পাস, হাতির চলাচলের জন্য ২টি আন্ডারপাস এবং ডাট কালী মন্দিরের কাছে ৩৭০ মিটার দীর্ঘ একটি টানেল তৈরি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এই ইকোনমিক করিডোরটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে এবং পর্যটন ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

  • Afghanistan-Pakistan: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে পরপর দুই দিনে ১৬ জন হাজারা শিয়া মুসলিমকে হত্যা করল উগ্রবাদী সুন্নি জঙ্গিরা

    Afghanistan-Pakistan: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে পরপর দুই দিনে ১৬ জন হাজারা শিয়া মুসলিমকে হত্যা করল উগ্রবাদী সুন্নি জঙ্গিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে (Afghanistan-Pakistan) সংখ্যালঘু হাজারা শিয়া সম্প্রদায়ের ওপর ফের রক্তক্ষয়ী হামলা চালাল উগ্রপন্থী সুন্নি ইসলামপন্থী জঙ্গিরা (Sunni Islamist Radical)। গত কয়েক দিনের ব্যবধানে দুই দেশে পৃথক দুটি হামলায় মোট ১৬ জন হাজারা শিয়া নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে পাকিস্তানের কোয়েটায় ৪ জন এবং আফগানিস্তানের হেরাত প্রদেশে ১২ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে কট্টর ইসলামী মৌলবাদের শিকার দুই দেশের মুসলিম সমাজ।

    হেরাত প্রদেশে গণহত্যা (Afghanistan-Pakistan)

    আফগানিস্তানের (Afghanistan-Pakistan) হেরাত প্রদেশে শিয়া অধ্যুষিত এলাকায় একটি ভয়াবহ হামলায় ১২ জন হাজারা শিয়া নাগরিক নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বন্দুকধারীরা অতর্কিতে সাধারণ নাগরিকদের ওপর গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। তালিবান শাসিত আফগানিস্তানে হাজারা সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরেই আইএস (ISIS-K) সহ বিভিন্ন উগ্রবাদী গোষ্ঠীর (Sunni Islamist Radical) লক্ষ্যবস্তু হয়ে আসছে। এই ঘটনায় মৃতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

    কোয়েটায় হামলা জঙ্গিদের

    অন্যদিকে, পাকিস্তানের বালুচিস্তান (Afghanistan-Pakistan) প্রদেশের রাজধানী কোয়েটায় অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীদের গুলিতে ৪ জন হাজারা শিয়া নাগরিক নিহত হয়েছেন। কোয়েটার হাজারা টাউন এলাকায় এই হামলাটি চালানো হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, মোটরসাইকেলে করে আসা বন্দুকধারীরা লক্ষ্য স্থির করে গুলি চালায়, যার ফলে ঘটনাস্থলেই ৪ জনের মৃত্যু হয়। লস্কর-ই-জাংভি বা আইএস-এর মতো গোষ্ঠীগুলো (Sunni Islamist Radical) এই এলাকায় নিয়মিত শিয়া সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণ চালিয়ে থাকে।

    বিপজ্জনক পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক উদ্বেগ

    পরপর দুই দিনে এই জোড়া হত্যাকাণ্ডের ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে ফের গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে যে, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান—উভয় দেশেই হাজারা শিয়ারা পদ্ধতিগতভাবে জাতিগত নির্মূলকরণ ও ধর্মীয় বিদ্বেষের শিকার হচ্ছেন।

    নৃশংসতা থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলাগুলো মূলত সুন্নি উগ্রবাদী মতাদর্শ দ্বারা অনুপ্রাণিত। আফগানিস্তানে তালিবান ক্ষমতা দখলের পর শিয়াদের ওপর হামলার মাত্রা কয়েকগুণ বেড়েছে। একইভাবে পাকিস্তানেও উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলো (Sunni Islamist Radical) সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সরকারগুলো নিরাপত্তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে হাজারা সম্প্রদায়ের ওপর এই নৃশংসতা থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এই ঘটনার প্রতিবাদে কোয়েটা ও হেরাতের স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

LinkedIn
Share