Tag: Madhyom Portal

  • West Bengal Elections 2026: বিচারের আর্তনাদ নিয়ে বিজেপির প্রচারে মুর্শিদাবাদে নিহত হরগোবিন্দ দাস-চন্দন দাসের পরিবার

    West Bengal Elections 2026: বিচারের আর্তনাদ নিয়ে বিজেপির প্রচারে মুর্শিদাবাদে নিহত হরগোবিন্দ দাস-চন্দন দাসের পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ। এই আবহে মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) সংঘটিত পূর্বতন হিংসার স্মৃতি উসকে দিয়ে নির্বাচনী প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করল ভারতীয় জনতা পার্টি। গত বছর ওয়াকফ বিল নিয়ে সৃষ্টি হিংসায় প্রাণ হারানো হরগোবিন্দ দাস এবং চন্দন দাসের পরিবারের সদস্যরা এবার বিজেপির হয়ে ময়দানে নেমেছেন।

    স্বজনহারাদের লড়াই (West Bengal Elections 2026)!

    শামসেরগঞ্জের (West Bengal Elections 2026) ধুলিয়ানে গত বছর ওয়াকফ কেন্দ্রিক গোলমালে নৃশংসভাবে খুন হন বাবা হরগোবিন্দ ও ছেলে চন্দন দাস। এই নির্বাচনে তাঁদের বিধবা স্ত্রীরা বিজেপির নির্বাচনী কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের উপস্থিতি প্রচারের ময়দানে (Murshidabad) এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করেছে।

    পদ্ম শিবির এই হত্যার ঘটনাকে ‘আইনশৃঙ্খলার অবনতি’ এবং ‘তোষণ নীতির ফল’ হিসেবে বর্ণনা করছে। নিহতদের পরিবারের মাধ্যমে তারা ভোটারদের কাছে হিন্দু সামাজের নিরাপত্তার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

    আবেগ ও ন্যায়বিচার

    নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) জনসভাগুলোতে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা বিচারের দাবি জানাচ্ছেন। তাঁদের কান্নায় ভেজা আবেদনকে সামনে রেখে বিজেপি সাধারণ মানুষের সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করছে।

    রাজনৈতিক মহলের মতে, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) মতো সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলায় ওয়াকফ বিতর্ক এবং সেই সংক্রান্ত হিংসার শিকার পরিবারগুলোকে প্রচারে নামানো বিজেপির একটি অত্যন্ত সুচিন্তিত রাজনৈতিক কৌশল। এর মাধ্যমে তারা মূলত হিন্দু সুরক্ষা এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার ইস্যুটিকে জনমানসে বড় করে তুলে ধরতে চাইছে।

    ভোটদাতাদের মনে প্রভাব ফেলবে

    তৃণমূল কংগ্রেস অবশ্য এই প্রচারকে ‘লাশের রাজনীতি’ বলে পাল্টা আক্রমণ করেছে। শাসক দলের মতে, বিজেপি একটি দুঃখজনক ব্যক্তিগত ঘটনাকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে। অন্যদিকে, জেলাজুড়ে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে প্রচার চালালেও, হরগোবিন্দ ও চন্দন দাসের পরিবারের এই সক্রিয় উপস্থিতি ভোটদাতাদের মনে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে চলছে জোর চর্চা।

  • West Bengal Elections 2026: কেলেঘাই নদী সংস্কারের অঙ্গীকার, পতাকা হাতে সাঁতরে অভিনব প্রচারে বিজেপি প্রার্থীর

    West Bengal Elections 2026: কেলেঘাই নদী সংস্কারের অঙ্গীকার, পতাকা হাতে সাঁতরে অভিনব প্রচারে বিজেপি প্রার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) সামনে রেখে পটাশপুর কেন্দ্রে জোরকদমে প্রচার শুরু করেছেন বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন জেলা সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মী তপন মাইতি। নির্বাচনী প্রচারের শুরুতেই তিনি বেছে নিয়েছেন এলাকার দীর্ঘদিনের জ্বলন্ত সমস্যা কেলেঘাই নদীর সংস্কার। অপর দিকে যখন প্রচারের পারদ চড়াচ্ছে, ঠিক তখনই বিনপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ধরা পড়ল এক বিরল ও ব্যতিক্রমী চিত্র। ভোটের প্রচার মাঝপথে থামিয়ে অসুস্থ রোগীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করলেন বিজেপি (BJP) প্রার্থী ডাঃ প্রণব টুডু।

    নদীতে সাঁতার কেটে সংকল্প (West Bengal Elections 2026)

    নির্বাচনী লড়াইয়ে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ শাসক ও বিরোধী (West Bengal Elections 2026)। বিজেপি (BJP) সবরকম ভাবে ভোটারের মন জয় করতে প্রচারে নেমে পড়েছে। নদী সংস্কারের দাবিকে জোরালো করতে দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে কেলেঘাই নদীতে সাঁতার কাটেন তপন মাইতি ও আরেক বিজেপি নেতা। তাঁদের এই সাহসী পদক্ষেপ স্থানীয়দের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

    আরতি ও নদী সংস্কারের অঙ্গীকার

    নদীর পাড়ে প্রদীপ জ্বালিয়ে আরতি করার মাধ্যমে তিনি শপথ নেন যে, নির্বাচিত (West Bengal Elections 2026) হলে কেলেঘাই নদী সংস্কারকেই তিনি অগ্রাধিকার দেবেন। প্রচার চলাকালীন প্রার্থী নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলোতে ঘুরে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনেন। বিশেষ করে নদী ভাঙন এবং বন্যার ফলে কৃষকদের যে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়, তা নিয়ে গ্রামবাসীর ক্ষোভের কথা গুরুত্ব সহকারে শোনেন তিনি।

    পটাশপুরবাসীর কাছে কেলেঘাই নদী একাধারে আশীর্বাদ ও অভিশাপ। প্রতি বছর বন্যার জলে চাষের জমি প্লাবিত হওয়া এবং ঘরবাড়ি নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়া স্থানীয়দের নিত্যদিনের সমস্যা। বিজেপি (BJP) প্রার্থী তপন মাইতি এই জনসমস্যাকে তাঁর নির্বাচনী প্রচারের প্রধান হাতিয়ার করেছেন। তাঁর মতে, এলাকার দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়নের জন্য নদী সংস্কার এবং ভাঙন রোধ করা একান্ত প্রয়োজন।

    চিকিৎসক সত্তার জয়

    বেলপাহাড়ির ভেলাইডিহা এলাকায় দলীয় কর্মীদের নিয়ে যখন নিবিড় জনসংযোগে ব্যস্ত ছিলেন ডাঃ প্রণব টুডু, ঠিক তখনই খবর আসে স্থানীয় এক ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। খবর পাওয়া মাত্রই রাজনৈতিক হিসেব-নিকেশ সরিয়ে রেখে তিনি ছুটে যান ওই ব্যক্তির বাড়িতে।

    গলায় স্টেথোস্কোপ ঝুলিয়ে একজন পেশাদার চিকিৎসকের মতোই অসুস্থ ব্যক্তির প্রাথমিক পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন তিনি। প্রচারের ঝকঝকে আলো ছেড়ে তাঁর এই শান্ত সমাহিত সেবাভাব দেখে মুগ্ধ হন স্থানীয় বাসিন্দারা।

    বিনপুরে এবার নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) লড়াই অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি। শাসক দল যেখানে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজকে হাতিয়ার করে ময়দান কাঁপাচ্ছে, সেখানে একজন বিরোধী প্রার্থীর (BJP) এই মানবিক আচরণ রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, নির্বাচনের সময় প্রতিশ্রুতি অনেকেই দেন, কিন্তু বিপদের মুহূর্তে এভাবে পাশে পাওয়াটা অভাবনীয়।

    জনসেবাই রাজনীতির মূল লক্ষ্য

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বিনপুর বিধানসভা কেন্দ্রে শাসক ও বিরোধীদের এই লড়াইয়ে ডাঃ প্রণব টুডুর এই ‘মানবিক ভাবমূর্তি’ ভোটারদের মনে গভীর রেখাপাত করতে পারে। রাজনীতির উত্তপ্ত আবহে বেলপাহাড়ির এই দৃশ্য যেন মনে করিয়ে দিল যে—জনসেবাই রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।

    ভোটের লড়াইয়ে জয়-পরাজয় (West Bengal Elections 2026) যাই হোক না কেন, চিকিৎসকের এই নিষ্ঠা ও মানবতাবোধ ইতিমধ্যেই বিনপুরের মানুষের মন জয় করে নিয়েছে। এখন দেখার, এই মানবিক ভাবমূর্তি শেষ পর্যন্ত ভোটবাক্সে কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

  • Enforcement Directorate Raid: কলকাতার সল্টলেক, কৈখালি, এবং উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায় ইডির তল্লাশি অভিযান

    Enforcement Directorate Raid: কলকাতার সল্টলেক, কৈখালি, এবং উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায় ইডির তল্লাশি অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে রেশন বণ্টন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলার তদন্তে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate Raid)। আজ সকাল থেকেই কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলোর অন্তত ১৫টি স্থানে একযোগে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। উল্লেখ্য রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বাকিবুর রহমান, শেখ শাহজাহান সহ আরও বড় বড় তৃণমূলের নেতা আগেও গ্রেফতার হয়েছিলেন।

    বড়সড় অভিযান (Ration Scam)

    ইডি সূত্রে খবর, রেশন দুর্নীতির (Ration Scam) লভ্যাংশ কোথায় কোথায় বিনিয়োগ করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতেই এই বিশেষ তল্লাশি। এই মামলায় ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে (Enforcement Directorate Raid) গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের ধারণা, এই দুর্নীতির জাল আরও গভীরে বিস্তৃত।

    বাংলাদেশে হতো পাচার

    বাংলাদেশে রেশনের (Ration Scam) গম পাচারের অভিযোগে তল্লাশি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। নজরে ১২ জনের বেশি রফতানিকারক। মূলত তাঁদের অফিসেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ২০২০ সালে উত্তর ২৪ পরগনার ভোজাডাঙা সীমান্ত থেকে গম পাচারের চেষ্টা হয়েছে। প্রায় ১৭৫টির বেশি ট্রাক করে গম পাচার করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। ওই ট্রাকগুলিতে প্রায় ৫১০০টন গম ছিল। যার অঙ্ক ছিল ১৬ কোটি টাকা। শুল্ক দফতর সেই পাচার আটকায়। সরকার থেকে আটা মিল গুলিকে রেশনের আটা তৈরির জন্য যে গম পাঠানো হত, সেই গমের বস্তা চুরি করে পাচার হত বাংলাদেশে। তারই তদন্তে নামে কেন্দ্রীয় সংস্থা (Enforcement Directorate Raid)। অভিযোগ, এর আগেও বাংলাদেশে গম পাচার করা হয়েছে। সেই দুর্নীতির টাকা কোথায় গেল, তারই তল্লাশিতে আজ ১৫ জায়গায় অভিযান ইডির।

    কোথায় কোথায় অভিযান

    কলকাতার সল্টলেক, কৈখালি, এবং উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালীদের বাসভবন ও অফিসে হানা দিয়েছে ইডি (Enforcement Directorate Raid)। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় এই তল্লাশি চালানো হচ্ছে।তদন্তকারী আধিকারিকরা বিভিন্ন নথিপত্র খতিয়ে দেখছেন এবং ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। দুর্নীতির শিকড় খুঁজতে এবং আর্থিক লেনদেনের উৎস নিশ্চিত করতেই আজকের এই ব্যাপক তৎপরতা বলে মনে করা হচ্ছে।

    তৃণমূল মুক্ত বাংলা চাইছে

    এই অভিযানের ফলে রাজ্য রাজনীতিতে আবারও নতুন করে চাঞ্চল্যের (Ration Scam) সৃষ্টি হয়েছে। বিজেপি সাংসদ রাহুল সিনহা বলেন, “বাংলার মানুষ তৈরি আছে, তৃণমূল কংগ্রেসকে বাংলা থেকে হঠানোর জন্য। আমাদের কোনও এজেন্সিকে প্রয়োজন নেই। মানুষ এমনি এখন তৃণমূল মুক্ত বাংলা চাইছে। শুধু শুধু আমরা অন্য চিন্তা করতে যাব কেন। আমরা মানুষের রায়কে বিশ্বাস করি। তৃণমূল বুঝে গিয়েছে, জনগণের তাঁদের উপর আর আস্থা নেই।”

  • Vande Bharat Railway: বন্দে ভারতের পর এবার লক্ষ্য ২২০ কিমি গতিবেগ, আরও দ্রুতগামী দুটি নতুন ট্রেন তৈরির পথে ভারতীয় রেল

    Vande Bharat Railway: বন্দে ভারতের পর এবার লক্ষ্য ২২০ কিমি গতিবেগ, আরও দ্রুতগামী দুটি নতুন ট্রেন তৈরির পথে ভারতীয় রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের (Vande Bharat Railway) সাফল্যের পর এবার দ্রুতগতির ট্রেনের দুনিয়ায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে চলেছে ভারতীয় রেল। রেল সূত্রে খবর, এবার এমন দুটি অত্যাধুনিক ট্রেন তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে যেগুলির নকশা বা ডিজাইন স্পিড হবে ঘণ্টায় ২২০ কিলোমিটার। মূলত দ্রুতগতির করিডোরগুলোতে ট্রেনের গতি বাড়াতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। দেশীয় প্রযুক্তিতে (Make in India) তৈরি হবে এই ট্রেন।

    বিস্ময়কর গতি (Vande Bharat Railway)

    বর্তমানে ভারতে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat Railway) সর্বোচ্চ ১৬০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে চলার ক্ষমতা রাখলেও, এই নতুন ট্রেন দুটি ২২০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে দৌড়ানোর ক্ষমতা রাখবে। যদিও রেললাইনের পরিকাঠামো অনুযায়ী বাণিজ্যিক চলাচলের সময় গতি কিছুটা নিয়ন্ত্রিত হতে পারে।

    মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India)

    চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে (ICF) এই ট্রেন দুটির বডি তৈরি করা হবে। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে এই উচ্চগতির ট্রেন তৈরি রেলের অভ্যন্তরীণ সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। ট্রেনের (Make in India) ওজন কমাতে এবং গতি বাড়াতে স্টিলের বদলে বিশেষ ধরনের অ্যালুমিনিয়াম অ্যালয় ব্যবহার করা হতে পারে। এতে ট্রেনটি হালকা হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ীও হবে।

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    এই ট্রেনগুলি (Make in India) মূলত স্টপ-টু-স্টপ যাত্রার সময় কমিয়ে আনবে। দিল্লি-বারাণসী বা মুম্বই-আহমেদাবাদের মতো রুটে ভবিষ্যতে এই ধরণের ট্রেন চলাচলের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। রেল মন্ত্রকের আধিকারিকদের মতে, কেবল ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোই নয়, বিশ্বমানের প্রযুক্তি ও গতি নিশ্চিত করাই এখন লক্ষ্য। বন্দে ভারত যেখানে ভারতের রেলযাত্রার সংজ্ঞাই বদলে দিয়েছে, সেখানে ২২০ কিমি গতির এই ট্রেন (Make in India) ভারতকে গ্লোবাল রেল স্ট্যান্ডার্ডের আরও কাছাকাছি নিয়ে যাবে।

    আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই এই ট্রেন দুটির নির্মাণ কাজ শেষ করে পরীক্ষামূলক ট্রায়াল শুরু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে রেল বোর্ড। এর ফলে দূরপাল্লার যাতায়াত আরও দ্রুত ও আরামদায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • TRAI: গ্রাহকদের সুবিধার্থে ট্রাই-এর পদক্ষেপ, শুধুমাত্র ভয়েস কল ও এসএমএস পরিষেবার জন্য রাখতে হবে পৃথক প্যাক

    TRAI: গ্রাহকদের সুবিধার্থে ট্রাই-এর পদক্ষেপ, শুধুমাত্র ভয়েস কল ও এসএমএস পরিষেবার জন্য রাখতে হবে পৃথক প্যাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেলিকম গ্রাহকদের স্বার্থ সুরক্ষিত করতে এবং পরিষেবাকে আরও সহজলভ্য করতে একগুচ্ছ নতুন প্রস্তাব পেশ করেছে টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (TRAI)। বর্তমানে মোবাইল রিচার্জের ক্ষেত্রে ডেটা প্যাক বা অন্যান্য পরিষেবার বাধ্যবাধকতা থাকলেও, এবার শুধুমাত্র ‘ভয়েস কল’ এবং ‘এসএমএস’ প্যাক (Voice Call SMS Only Pack) চালুর বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে এই নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

    ভয়েস এবং এসএমএস প্যাকের অগ্রাধিকার (Voice Call SMS Only Pack)

    অনেক গ্রাহকই ইন্টারনেটের প্রয়োজন বোধ করেন না, বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিক বা সাধারণ ফিচার (নন-স্মার্ট বা কিপ্যাড) ফোন ব্যবহারকারীরা। তাঁদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে টেলিকম সংস্থাগুলিকে এমন কিছু প্যাক (Voice SMS Only Pack) আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে যেখানে কেবলমাত্র কলিং এবং এসএমএস পরিষেবা (TRAI) পাওয়া যাবে। এর ফলে গ্রাহকদের অপ্রয়োজনীয় ডেটার জন্য অতিরিক্ত খরচ করতে হবে না।

    পরিষেবায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা

    ট্রাই জানিয়েছে যে, বিভিন্ন টেলিকম সংস্থা (Voice Call SMS Only Pack) তাদের অফার বা রিচার্জ প্ল্যান সম্পর্কে গ্রাহকদের যাতে বিভ্রান্ত না করে, সেদিকে কড়া নজর রাখা হবে। প্রতিটি প্যাকের (TRAI) শর্তাবলী অত্যন্ত সহজ ও পরিষ্কার ভাষায় গ্রাহকদের জানাতে হবে।

    গ্রাহক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ

    টেলিকম কনজিউমার প্রোটেকশন অ্যাক্ট (Consumer Protection Act)-এর আওতায় এই খসড়াটি তৈরি করা হয়েছে। মূল লক্ষ্য হল, গ্রাহকদের পছন্দ করার স্বাধীনতা দেওয়া এবং টেলিকম সংস্থাগুলির (TRAI) একচেটিয়া সিদ্ধান্তের হাত থেকে তাঁদের রক্ষা করা।

    অব্যবহৃত পরিষেবার হিসেব

    অনেক সময় রিচার্জের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে গ্রাহকের ডেটা বা ব্যালেন্স ফুরিয়ে যায়। সেই সংক্রান্ত স্বচ্ছতা এবং অতিরিক্ত চার্জ কাটার বিষয়ে কঠোর নিয়মবিধি কার্যকর করার ইঙ্গিত দিয়েছে ট্রাই। ট্রাই-এর (Voice Call SMS Only Pack) এই নতুন প্রস্তাবগুলি বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষের মোবাইল খরচ অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে যাঁরা ইন্টারনেটের পরিবর্তে মূলত যোগাযোগের জন্য ফোন ব্যবহার করেন, তাঁরা এই সিদ্ধান্তের ফলে সরাসরি উপকৃত হবেন। বর্তমানে এই খসড়াটির ওপর সংশ্লিষ্ট মহলের মতামত চাওয়া হয়েছে, যা চূড়ান্ত হলে টেলিকম (TRAI) পরিষেবায় বড়সড় পরিবর্তন আসতে পারে।

  • Sanjay Ray: সঞ্জয় রায়ের বয়ানে অসঙ্গতি? আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ফের জেরার নির্দেশ হাইকোর্টের

    Sanjay Ray: সঞ্জয় রায়ের বয়ানে অসঙ্গতি? আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ফের জেরার নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ (Sanjay Say) ও হাসপাতালের ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় মর্মান্তিক ঘটনার তদন্তে এক নতুন মোড়। এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়কে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। মূলত সঞ্জয়ের বয়ানে বারবার যে অসঙ্গতি উঠে আসছে, তা দূর করতেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে (CBI) এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই চিকিৎসক তরুণীকে খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা পেয়েছেন সঞ্জয়।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশ (Calcutta High Court)

    কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) জানিয়েছে যে, তদন্তের স্বার্থে এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনে কোনও ফাঁক রাখা চলবে না। সঞ্জয় রায় (Sanjay Say) তদন্তের শুরুতে যে বয়ান দিয়েছিলেন, পরবর্তী সময়ে তার মধ্যে নানা বৈপরীত্য লক্ষ্য করা গেছে। এই ধোঁয়াশা কাটাতে এবং ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ পেতে আধুনিক ফরেন্সিক প্রযুক্তি বা মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষার (Psychological Analysis) সাহায্য নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে আদালত।

    বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বলেছেন,“মৃতের পরিবার নতুন করে ঘটনাস্থল ভিজিট করতে চেয়েছে। তাতে সিবিআইয়ের কোনও আপত্তি নেই। তাহলে রাজ্যের আপত্তি কীসের? মামলায় তারা পার্টিও নয়। যদি নতুন করে পরিবার হলফনামা দেয়, আর সিবিআই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়, তাতে রাজ্য আপত্তি করবে কেন? ছাত্রের রহস্য মৃত্যুতে পরে ফরেনসিক ডাক্তার প্রমাণ দেন খুনের। এই ক্ষেত্রেও ফরেন্সিকের ভালো ভাবে খতিয়ে দেখার জায়গা আছে।

    তদন্তের বর্তমান পরিস্থিতি

    সিবিআই ইতিমধ্যেই সঞ্জয় রায়ের (Sanjay Say) পলিগ্রাফ টেস্ট বা মিথ্যা শনাক্তকরণ পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। তবে তদন্তকারীরা মনে করছেন, অপরাধের রহস্য পুরোপুরি উন্মোচনে এখনও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের অভাব রয়েছে। আদালতের (Calcutta High Court) নির্দেশ অনুযায়ী, এবার আরও উন্নত ও আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মাধ্যমে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে, যাতে ঘটনার সময়কার প্রকৃত পরিস্থিতি স্পষ্ট হয়। “আরজিকর মামলায় যদি দরকার হয় সিবিআই নতুন করে সাজাপ্রাপ্ত সঞ্জয় রায় ও অন্য সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। সিবিআই যেন কোনও দ্বিধা না করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যায়।” এমনটাই বললেন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

    আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার

    বিচারপতির (Calcutta High Court) বেঞ্চ স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এই জঘন্য অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া যেন কোনওভাবেই দীর্ঘায়িত বা বাধাগ্রস্ত না হয়। স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ (Sanjay Say) তদন্ত নিশ্চিত করতেই আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।উল্লেখ্য, আরজি করের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে যে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে, সেই আবহে আদালতের এই নির্দেশ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে দোষীরা যাতে কঠোরতম শাস্তি পায়, এখন সেই দিকেই তাকিয়ে সাধারণ মানুষ।

  • Election Commission India: ৫ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত বুথফেরত সমীক্ষায় নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন

    Election Commission India: ৫ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত বুথফেরত সমীক্ষায় নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা (West Bengal Elections 2026) নির্বাচনের (Election Commission India) পরিপ্রেক্ষিতে বড় পদক্ষেপ নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন (EC)। ভোট চলাকালীন জনমত প্রভাবিত হওয়া রুখতে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ‘এক্সিট পোল’ বা বুথফেরত সমীক্ষার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আগামী ২৯শে এপ্রিল পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

    নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা (Election Commission India)

    নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ভোট (Election Commission India)  প্রক্রিয়ার শুরু থেকে ২৯শে এপ্রিল সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো সংবাদমাধ্যম বা সংস্থা বুথফেরত সমীক্ষার ফল প্রকাশ করতে পারবে না।

    কেন এই নিষেধাজ্ঞা?

    অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিশন মনে করছে যে, নির্বাচনের মাঝপথে বুথফেরত সমীক্ষার ফল প্রকাশ করলে তা ভোটারদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নষ্ট করতে পারে।

    আইনি পদক্ষেপ

    জনপ্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People Act, 1951)-এর ১২৬এ ধারা অনুযায়ী এই নির্দেশ জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। নির্দেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কারাদণ্ড বা জরিমানা হতে পারে।

    প্রভাবিত রাজ্য

    যে পাঁচটি রাজ্যে বর্তমানে বিধানসভা নির্বাচন বা উপনির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি চলছে, সেখানে এই নিয়ম কঠোরভাবে বলবৎ থাকবে।

    নির্বাচন কমিশনের (West Bengal Elections 2026) এই কড়া নির্দেশের পর এখন সমস্ত সংবাদমাধ্যমকে ২৯শে এপ্রিলের চূড়ান্ত সময়সীমা পার হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তার পরেই জানা যাবে জনমতের প্রাথমিক ইঙ্গিত কোন দিকে।

  • West Bengal Elections 2026: “বগটুইয়ে যা হয়েছে তা শুধু একটি ঘটনা নয়, সেটি মানবতার কলঙ্ক’’, সিউড়িতে আক্রমণ মোদির

    West Bengal Elections 2026: “বগটুইয়ে যা হয়েছে তা শুধু একটি ঘটনা নয়, সেটি মানবতার কলঙ্ক’’, সিউড়িতে আক্রমণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন বিধানসভার (West Bengal Elections 2026) ভোটে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করতে নির্বাচনী প্রচারে এসেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। হলদিয়া, আসানসোল ও সিউড়িতে পরপর তিন জায়গায় সভা করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বীরভূমের বগটুই হত্যাকাণ্ড এবং বোমাবাজির কথা মনে করিয়ে জঙ্গলরাজ সমাপ্ত করার ডাক দিলেন তিনি। এদিন সিউড়ির জনসভায় তারা মায়ের নাম নিয়ে ভাষণ শুরু করেছেন। তিনি বললেন, ‘‘জয় মা তারা, জয় নিতাই।’’ বীরভূমের মাটিতে দাঁড়িয়ে তারাশঙ্করকেও শ্রদ্ধা জানান তিনি।

    আওয়াজ শোনা যাচ্ছে, পাল্টানো দরকার (West Bengal Elections 2026)

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বীরভূমের সভায় বললেন “এই মাটি অনেক মণীষীদের। ওই বীরভূমেই পরিবর্তনের ঝড় আসতে চলেছে। এই যে বিশাল সমাগম, এটা দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে, ঝড় আসছে। হেলিকপ্টার থেকে দেখছিলাম, কত উৎসাহ নিয়ে এখানে আপনার এসেছে। আমাকে আশীর্বাদ করবেন। আমাদের এই বীরভূম বাউল সঙ্গীতে মাটি। এখন এখানে শোনা যায় একটা শব্দ, গান, আওয়াজ শোনা যাচ্ছে, পাল্টানো দরকার। বীরভূমের লালমাটিতে পরিবর্তনের ঝড় উঠেছে। তৃণমূলের জঙ্গলরাজের সাক্ষী বীরভূম। তৃণমূল জমানায় বগটুইয়ে নৃশংস ঘটনা ঘটেছিল। বগটুইয়ে যা হয়েছে তা শুধু একটি ঘটনা নয়। সেটি মানবতার কলঙ্ক। এটা জঙ্গলরাজ নয় তো কী? এই মহাজঙ্গলরাজের (West Bengal Elections 2026) শেষ হওয়া দরকার।’’

    মালদায় কী ঘটেছে গোটা দেশ দেখেছে

    বীরভূমের বালি পাচার, পাথর পাচার এবং কয়লা পাচার নিয়ে তৃণমূলের মাফিয়ারাজকে সমাপ্ত করার কথা জোর দিয়ে বলেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন,‘‘তৃণমূলের আমলেই বীরভূমে বালি, পাথর, কয়লা লুট। মা-মাটি-মানুষদের মধ্যে মায়ের অবস্থা খারাপ। অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানো হবে। অনুপ্রবেশকারীদের মাথাদের জেলে ভরা হবে। অনুপ্রবেশকারীরা স্থানয় মানুষের কাছ থেকে কাজ ছিনিয়ে নিচ্ছে। আর স্থানীয়দের বাইরে কাজে যেতে হচ্ছে। আর এই দিন চলবে না। মালদায় কী ঘটেছে গোটা দেশ দেখেছে। বিচারকদের বন্ধক বানানো হয়েছিল। বাংলায় ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এই ভয় থেকে বাংলার মানুষকে মুক্তি (West Bengal Elections 2026) দেওয়ার প্রয়োজন।’’

    অহংকারী তৃণমূল সরকার

    রাষ্ট্রপতিকে চরম অপমান করেছিলেন তৃণমূল সরকার, এই বিষয়কে হাতিয়ার করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘মাননীয় রাষ্ট্রপতি এ রাজ্যে এসেছিলেন। সাওতাঁল সমাজের একটি অনুষ্ঠানে এসেছিলেন তিনি। যে সরকারই থাকুক না কেন, রাষ্ট্রপতিকে উচিত সম্মান দেওয়া সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু এই অহংকারী তৃণমূল সরকার দেশের রাষ্ট্রপতিকেও কিছু মনে করেননি। গত বছরের ঘটনা আপনাদের সকলের মনে আছে। বীরভূমে স্কুলে এক আদিবাসী মেয়ের সঙ্গে যা হয়েছে, তা বিচলিত করার মতো। যাঁরা নিজেদের মেয়েদের হারিয়েছেন, কোনও টাকাপয়সা তা পূরণ করতে পারবে না। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের ঘটনাও নিশ্চয়ই আপনাদের মনে আছে। কথা দিয়ে যাচ্ছি, বাংলাকে ভয়মুক্ত করব। এখানে এক এক করে স্কুল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যেখানে স্কুল বন্ধ, ভবিষ্যৎ বন্ধ। বাংলা (West Bengal Elections 2026) চায় ভরসা। তৃণমূলের নির্মম সরকারকে বিদায় দেবে বাংলার যুবশক্তি। কেন্দ্রীয় সরকার রোজগার মেলার আয়োজন করে। যেখানে বিজেপি সরকার সেখানে এই মেলার আয়োজন করা হয়। গত আড়াই বছরে ৭০ লক্ষের বেশি সরকারি চাকরি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে চাকরি লুটের খেলা চলছে।’’

    তাজা বোমার কারখানা তৈরি হচ্ছে

    রাজ্যের গ্রামে গ্রামে বোমা কারখানার মূলে তৃণমূল। এই ইস্যুকে হাতিয়ার করে নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, ‘‘তৃণমূল এখানে গলি গলিতে তাজা বোমার কারাখানা তৈরি করছে। এটিকে তৃণমূল সরকার ক্ষুদ্রশিল্পে পরিণত করেছে। রাজ্যে ক্ষুদ্রশিল্প বন্ধ হয়েছে। তাজা বোমার কারখানা তৈরি হচ্ছে। এই সব বন্ধ হয়ে যাবে। তৃণমূল কী ভাবে মনরেগার নামে গরিব, দলিত, আদিবাসী পরিবারকে ঠকিয়েছে আপনারা জানেন। কেন্দ্রীয় সরকার আইন নিয়ে এসেছে। গরিবদের রোজগার দেব। কৃষক, পশিপাক, মৎস্যজীবীদের নতুন সুবিধা মিলবে (West Bengal Elections 2026)। গ্রামে ১২৫ দিনের রোজগার মিলবে। কাজের পুরো টাকা আপনাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে যাবে। কোনও সিন্ডিকেট হাত লাগাতে পারবে না। কোনও কাটমানি নয়, সিন্ডিকেট নয়। এটা মোদির গ্যারান্টি।’’

  • PM Modi: “কাটমানির খেলা, মাফিয়াদের মেলা আর চলবে না, ৪ মে-র পর বেছে বেছে হিসাব হবে”, আসানসোলে মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তোপ মোদির

    PM Modi: “কাটমানির খেলা, মাফিয়াদের মেলা আর চলবে না, ৪ মে-র পর বেছে বেছে হিসাব হবে”, আসানসোলে মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টাদশ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) রাজ্যে বিজেপির প্রচার এখন তুঙ্গে। বিধানসভা ভোটের প্রচারে ফের রাজ্যে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বৃহস্পতিবার বেলায় তিনি সভা করেছেন পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায়। দ্বিতীয় সভাটি তিনি করেন আসানসোলের পোলো গ্রাউন্ড ময়দানে। এদিন প্রধানমন্ত্রীর তৃতীয় তথা শেষ সভা সিউড়িতে। আসানসোলের সভায় রাজ্যের মা মাটি সরকারের তোলাবাজি, সিন্ডিকেট, নারী সুরক্ষা, বেকারত্ব সহ একাধিক ইস্যুতে ব্যাপক আক্রমণ করেছেন এই বিজেপির প্রবীণ নেতা নরেন্দ্র মোদি। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, “৪ মে-র পর সব দুষ্কৃতীদের হিসেব নেওয়া হবে।” আগামিকাল (শুক্রবার) ডেবরা, খড়গপুর সদরে সভা করবেন অমিত শাহ। পরশু, অর্থাৎ শনিবার ফের পশ্চিমবঙ্গে আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ওইদিন কৃষ্ণনগর, জিয়াগঞ্জ ও কুশমণ্ডিতে সভা করবেন তিনি।

    পিছিয়ে বাংলা, সম্পত্তি লুট করা হচ্ছে (West Bengal Elections 2026)

    আসানসোলে সভা (West Bengal Elections 2026) করে প্রধানমন্ত্রী বললেন, “গোটা দেশে উন্নয়ন হচ্ছে, কিন্তু পিছিয়ে বাংলা। তৃণমূল পশ্চিমবঙ্গকে পিছিয়ে দিচ্ছে। তৃণমূলের গুন্ডারাজ চলছে, বাংলার সম্পত্তি লুট করা হচ্ছে। উন্নতির জন্য তৃণমূলমুক্ত বাংলা চাই।  বাংলার উন্নতির জন্য তৃণমূলমুক্ত রাজ্য গড়া এখন সময়ের দাবি। তৃণমূলের আমলে আসানসোলে কয়লা, বালি ও মাটি মাফিয়ারা সাধারণ মানুষের ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিন্ডিকেট রাজের দাপটে নাজেহাল মানুষ। আগে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এখানে কাজ করতে আসতেন, আর আজ এখানকার যুবকদের বাইরে কাজ খুঁজতে যেতে হচ্ছে।”

    এলাকার প্রতিটি সমস্যার সমাধান হবে

    নির্মম সরকার গত ১৫ বছর ধরে জঙ্গলরাজ কায়েম করেছে। এই প্রসঙ্গে মোদি (PM Modi) তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, “বাংলায় (West Bengal Elections 2026) তৃণমূলের পাপের ঘড়া পূর্ণ হয়েছে। তৃণমূল নির্মমতার সব সীমা পার করে দিয়েছে। ওদের পাপের ঘড়া পূর্ণ হয়েছে। বাংলায় পরের সরকার ডবল ইঞ্জিন সরকার হবে। ৪ মে-র পর বাংলা উন্নয়নের এক নতুন যুগে প্রবেশ করবে। আসানসোল ও দুর্গাপুর ভারতের মেগা সিটি হওয়ার ক্ষমতা রাখে। কিন্তু দূষণ, রাস্তাঘাট ও সেতুর বেহাল দশা বড় বাধা। বিজেপি ক্ষমতায় এলেই এলাকার প্রতিটি সমস্যার সমাধান হবে এবং ৪ মে-র পর বাংলা উন্নয়নের নতুন যুগে প্রবেশ করবে।”

    অপরাধীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে

    রাজ্যে (West Bengal Elections 2026) লাগাতার নারী নির্যাতন এবং ধর্ষণের ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “বাংলায় মহিলারা আর সুরক্ষিত নয়। অপরাধীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তৃণমূল সরকার অপরাধীদের পক্ষে। মহিলাদের সুরক্ষা দিতে পারে বিজেপিই। মহিলাদের ওপর অত্যাচার, প্রতিটি ধর্ষণের ফাইল খোলা হবে। ৪ মে বাংলায় নতুন উন্নয়নের সুযোগ আসছে। বাংলায় এবার ডবল ইঞ্জিন গঠন হবে। কেন্দ্র-রাজ্য একসঙ্গে কাজ করলেই মানুষের ফায়দা। পিএম-সিএম যদি একজোট হয়ে কাজ করেন তাহলেই সব সুবিধা পাবেন আপনারা। কিন্তু বাংলা থেকে তো সহযোগিতা পাওয়া যায় না। তৃণমূলের পিএম শব্দকে অপছন্দের জন্যই সকলে বঞ্চিত হচ্ছেন। এই কারণেই ডবল ইঞ্জিন সরকার পশ্চিমবঙ্গের জন্য জরুরি।”

    কয়লা বালি পাচারে তোপ মোদির

    আসানসোলের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) বালিপাচার, কয়লাপাচার নিয়ে তোপ দেগেছেন। তিনি বলেন, “তৃণমূলের আমলে আসানসোলে কয়লা ও বালি মাফিয়ারা এখন মানুষের ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের অন্যান্য প্রান্তে উন্নয়নের জোয়ার এলেও বাংলা আজ পিছিয়ে পড়ছে শুধুমাত্র এই মাফিয়া রাজের কারণে। বাংলার সব জায়গায় এখন পরিবর্তনের তাজা হাওয়া চলছে। মানুষের উৎসাহই বলে দিচ্ছে তৃণমূলের যাওয়ার সময় হয়ে গিয়েছে। সিপিএম-এর মতো তৃণমূলও ভয় আর আতঙ্ককে হাতিয়ার করেছে, কিন্তু বাংলার মানুষ যেমন বামেদের হারিয়েছিল, এবার এদেরও একইভাবে বিদায় জানাবে। তৃণমূলের মাথার ঠিক নেই। মালদায় ওরা ঘাবড়ে গিয়ে বিরাট ভুল করে ফেলেছে। এই ঘটনাই ওদের মহাজঙ্গলরাজের কফিনে শেষ পেরেক হয়ে দাঁড়াবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে তৃণমূলের আক্রমণ অত্যন্ত নিন্দার। তৃণমূল এতই ভয় পেয়েছে যে দেশের সুরক্ষা বাহিনীকেও গালি দিচ্ছে। এর জবাব বাংলার দেশভক্ত মানুষ ব্যালটেই (West Bengal Elections 2026) দিয়ে দেবেন।”

  • PM Modi: আসানসোলে নির্বাচনী প্রচারের পারদ তুঙ্গে, পোলো গ্রাউন্ডে জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: আসানসোলে নির্বাচনী প্রচারের পারদ তুঙ্গে, পোলো গ্রাউন্ডে জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার, পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া, বীরভূমের সিউড়ি, পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে (PM Modi) জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) নিরাপত্তার কারণে সিউড়িতে প্রধানমন্ত্রীর সভার স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। সিউড়ি ইরিগেশান কলোনির মাঠের বদলে সভা হবে সিউড়ি চাঁদমারী মাঠে। ২০০ মিটার দূরে পুলিশ লাইনের মাঠে চপার নামবে মোদির। ২ কিলোমিটার দূরে ইরিগেশন কলোনির মাঠ, নিরাপত্তার কারণে সড়কপথে যাত্রা নয়। স্থান বদলে পুলিশ লাইন লাগোয়া চাঁদমারি মাঠেই সভা।

    সিউড়িতে মোদির সভা (PM Modi)

    সিউড়িতে প্রথমবার আসতে চলেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০২১ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভোটের প্রচারে (West Bengal Elections 2026) একবার সিউড়িতে আসার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু সেই সময়ই করোনা অতিমারি হঠাৎ করে বৃদ্ধি পাওয়ায় এমন বড় আকারের জনসভা করার সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। সিউড়ির বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সহ জেলার অন্যান্য প্রার্থীদের ভোট ময়দানে জয়যুক্ত করার আহ্বান নিয়েই তিনি সিউড়িতে জনসভা করবেন।

    হলদিয়া-উত্তরবঙ্গে রোড শো

    অন্যদিকে, হলদিয়ার হেলিপ্যাড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর সভা। এরপর ১১ এপ্রিল, শনিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমুন্ডি, নদিয়ার কৃষ্ণনগর ও মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে জনসভা রয়েছে তাঁর। পরের দিন ১২ এপ্রিল, রবিবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে রোড শো করার কথা রয়েছে মোদির।

    পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী রণকৌশলে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি। সেই লক্ষ্যেই  আসানসোলের ঐতিহাসিক পোলো গ্রাউন্ডে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ (West Bengal Elections 2026) দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শিল্পাঞ্চলের এই হেভিওয়েট কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে।

    নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সফরকে কেন্দ্র করে আসানসোল শহর জুড়ে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও নজরদারিতে রয়েছেন। সভাস্থল ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোকে ড্রোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পোলো গ্রাউন্ডে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম প্রত্যাশা করছে গেরুয়া শিবির। আসানসোল ও তার সংলগ্ন অঞ্চলের বিজেপি নেতৃত্ব গত কয়েকদিন ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রচার ও সভার প্রস্তুতি তদারকি করেছেন।

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    আসানসোল লোকসভা ও বিধানসভা আসনগুলোর রাজনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম। খনি ও শিল্পাঞ্চল অধ্যুষিত এই এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ভোটারদের ওপর কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

    বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই জনসভা কেবল একটি প্রচার কর্মসূচি নয়, বরং আসানসোল তথা পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে মোদি সরকারের (West Bengal Elections 2026) উন্নয়নের খতিয়ান পৌঁছে দেওয়ার এক বড় মাধ্যম। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে জেলার দলীয় কর্মীদের মনোবল বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিকেল নাগাদ প্রধানমন্ত্রী সভাস্থলে পৌঁছাবেন এবং সেখান থেকে তিনি জনতার উদ্দেশে তাঁর বক্তব্য রাখবেন। একইসাথে স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গেও তাঁর সংক্ষিপ্ত আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচনের প্রস্তুতিতে বঙ্গ রাজনীতির পারদ এখন চরম তুঙ্গে।

LinkedIn
Share