Tag: Madhyom Portal

  • Crude Oil: সাত বছর পর ফের ইরান থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি শুরু করল ভারত

    Crude Oil: সাত বছর পর ফের ইরান থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি শুরু করল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কার মাঝেই দীর্ঘ সাত বছর পর ইরান থেকে ফের অপরিশোধিত তেল (Crude Oil) আমদানি শুরু করল ভারত। ২০১৯ সালে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া এই বাণিজ্যিক সম্পর্ক ২০২৬ সালের এপ্রিলে এসে নতুন করে প্রাণ (Iran-India) ফিরে পেল।

    নিষেধাজ্ঞার পর প্রথম পদক্ষেপ (Crude Oil)

    ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস (Crude Oil) মন্ত্রক শনিবার (৪ এপ্রিল, ২০২৬) নিশ্চিত করেছে যে, ভারতীয় রিফাইনারিগুলি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার কারণে সৃষ্ট সরবরাহ সঙ্কট মেটাতে ইরান (Iran-India)  থেকে তেল সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মে ২০১৯-এর পর এটিই প্রথম সরকারিভাবে স্বীকৃত তেলের চালান।

    পেমেন্ট বা মূল্য পরিশোধে নেই কোনও বাধা

    ভারত সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ইরানের (Crude Oil) সঙ্গে এই লেনদেনের ক্ষেত্রে পেমেন্ট বা অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত কোনও সমস্যা নেই। এর আগে কিছু সংবাদে দাবি করা হয়েছিল যে পেমেন্ট সমস্যার কারণে একটি জাহাজ চিন (Iran-India) অভিমুখে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তবে সরকার সেই খবরকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে।

    আমেরিকার নমনীয় অবস্থান

    জানা গিয়েছে, বিশ্ববাজারে তেলের জোগান (Crude Oil)  স্বাভাবিক রাখতে এবং দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে। ওয়াশিংটনের এই গ্রিন সিগন্যাল পাওয়ার পরই ভারত (Iran-India) এই কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    এলপিজি সরবরাহ

    অপরিশোধিত তেলের পাশাপাশি ভারত ৪৪,০০০ মেট্রিক টন ইরানি এলপিজি (LPG)-ও আমদানি করেছে। ‘সি বার্ড’ নামক একটি ট্যাঙ্কারে করে এই চালানটি ম্যাঙ্গালোর বন্দরে এসে পৌঁছেছে।

    জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা

    ভারত বর্তমানে বিশ্বের ৪০টিরও বেশি দেশ থেকে তেল আমদানি করে। সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আগামী মাসগুলিতে ভারতের জ্বালানির (Iran-India) প্রয়োজনীয়তা সম্পূর্ণ সুরক্ষিত এবং ভারতীয় কোম্পানিগুলির কাছে বাণিজ্যিক সুবিধার ভিত্তিতে বিভিন্ন উৎস থেকে তেল কেনার পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে।

    মধ্যপ্রাচ্যে যে অস্থিরতা চলছে তার প্রেক্ষিতে হরমুজ প্রণালীতে (Crude Oil) জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় ভারত তার জ্বালানি সরবরাহের উৎসগুলি বৈচিত্র্যময় করার চেষ্টা করছে। রাশিয়ার পর এবার ইরানের বাজারের দিকেও ভারত ঝুঁকছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • F 15 Aircraft: আমেরিকায় ভেঙে পড়া এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু সদস্য উদ্ধার জীবিত?

    F 15 Aircraft: আমেরিকায় ভেঙে পড়া এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু সদস্য উদ্ধার জীবিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার আকাশসীমায় ভেঙে পড়া একটি এফ-১৫ (F 15 Aircraft) যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে (Missing Crew Member) অবশেষে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর থেকে ওই সদস্যের কোনও হদিস পাওয়া যাচ্ছিল না। তাই তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। তবে তাঁকে জীবিত ফিরে পাওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে সংশ্লিষ্ট মহল।

    মূল ঘটনাক্রম (F 15 Aircraft)

    কয়েকদিন আগে যান্ত্রিক ত্রুটি বা কোনও বিশেষ কারণে একটি এফ-১৫ বিমান (F 15 Aircraft) দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। দুর্ঘটনার পর বিমানের একজন ক্রু সদস্য নিখোঁজ হয়ে যান। তাঁর খোঁজে নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর বিশেষ উদ্ধারকারী দল দিনরাত অভিযান চালায়। অবশেষে সূত্রের খবর অনুযায়ী, তাঁকে একটি দুর্গম এলাকা থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

    আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘাতের জেরে ওই অঞ্চলে দফায় দফায় বিমান হানা চালাচ্ছিল মার্কিন বায়ুসেনা। তেমনই এক অভিযানের সময় যান্ত্রিক ত্রুটি বা শত্রুপক্ষের পালটা আঘাতের ফলে একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ে। তারপর থেকেই ওই বিমানের পাইলটের কোনও হদিস মিলছিল না। আশঙ্কা করা হচ্ছিল, তিনি হয়তো ইরানীয় বাহিনীর হাতে বন্দি হয়েছেন অথবা দুর্ঘটনায় তাঁর প্রাণহানি হয়েছে।

    বর্তমান পরিস্থিতি ও সরকারি বয়ান

    উদ্ধার হওয়া ক্রু সদস্যকে (F 15 Aircraft) দ্রুত চিকিৎসার জন্য স্থানীয় সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর (Missing Crew Member) বা কোনও সরকারি সূত্রের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত অফিশিয়ালি কোনও কনফার্মেশন বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

    প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর জানানো হয়েছে, ওই পাইলট শারীরিকভাবে অত্যন্ত বিধ্বস্ত হলেও তাঁর প্রাণহানি ঘটেনি। বর্তমানে তিনি মার্কিন সামরিক চিকিৎসকদের কড়া পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। এই উদ্ধার অভিযানের সাফল্যকে পেন্টাগন তাদের রণকৌশলগত বিজয় হিসেবে দেখছে।

    যদিও এই বিষয়ে তেহরানের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক কড়া প্রতিক্রিয়া মেলেনি, তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা যে নতুন মাত্রা পাবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। আমেরিকার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিজেদের সেনা সদস্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তারা যে কোনও পদক্ষেপ করতে দ্বিধা করবে না।

    তদন্তের নির্দেশ

    কীভাবে ওই আধুনিক যুদ্ধবিমানটি (F15 Aircraft) ভেঙে পড়ল এবং নিখোঁজ সদস্য কীভাবে রক্ষা পেলেন, তা খতিয়ে দেখতে গড়া হয়েছে  উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি। সরকারি আধিকারিকরা (Missing Crew Member) জানিয়েছেন, সমস্ত তথ্য যাচাই করার পরেই তাঁরা বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করবেন।

  • PM Modi: “খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ উত্তর-পূর্ব ভারত আজ বিজেপির শাসনে উন্নত”, কেরলে পরিবর্তনের ডাক প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ উত্তর-পূর্ব ভারত আজ বিজেপির শাসনে উন্নত”, কেরলে পরিবর্তনের ডাক প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরল বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার চলাকালীন এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির উদাহরণ টেনে বিরোধীদের কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর দাবি, বিরোধী দলগুলি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মনে বিজেপির প্রতি যে ভয় তৈরি করার চেষ্টা করেছিল, তা ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে।

    উত্তর-পূর্ব ভারতের উদাহরণ (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) তাঁর ভাষণে বলেন, “একটা সময় ছিল যখন বলা হত বিজেপি উত্তর-পূর্ব ভারতে (Northeast India) কখনও জায়গা করে নিতে পারবে না। কিন্তু আজ নাগাল্যান্ড, মেঘালয় বা মিজোরামের মতো খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজ্যগুলিতে বিজেপি হয় সরকার চালাচ্ছে, নয়তো সরকারের অংশীদার হিসেবে রয়েছে।” তিনি এও বলেন, “এই রাজ্যগুলিতে উন্নয়নের গতি এখন তুঙ্গে এবং সেখানকার মানুষ বিজেপির সবকা সাথ, সবকা বিকাশ নীতিতে আস্থা রেখেছেন।”

    পিছিয়ে রয়েছে কেরল

    কেরলের ভোটারদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “বামপন্থী (LDF) এবং কংগ্রেস (UDF) জোট বছরের পর বছর ধরে রাজ্যকে পিছিয়ে রেখেছে। এই দুই দল দিল্লিতে বন্ধুত্বের নাটক করে, আর কেরলে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অভিনয় করে। উত্তর-পূর্ব ভারতের মানুষ যদি বিভেদের রাজনীতি ভুলে উন্নয়নকে বেছে নিতে পারে, তবে কেরলের মানুষ কেন নন?

    কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সরাসরি সুবিধা

    উন্নয়নের বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়নের মডেল কেরলেও প্রয়োগ করা সম্ভব। খ্রিস্টান ভাই-বোনেরা আজ উত্তর-পূর্ব ভারতে বিজেপির কাজের প্রশংসা করছেন। কেরলের মানুষও এখন দেখছেন যে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি কীভাবে সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছচ্ছে।”

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কেরলের খ্রিস্টান ভোটব্যাঙ্ককে কাছে টানতেই প্রধানমন্ত্রী উত্তর-পূর্ব ভারতের খ্রিস্টান প্রধান রাজ্যগুলিতে বিজেপির সাফল্যের কথা বারবার তুলে ধরছেন। আসন্ন নির্বাচনে এই ‘ডেভেলপমেন্ট কার্ড’ কতটা কাজ করে, এখন সেটাই দেখার।

  • US Army Chief: মার্কিন সেনাপ্রধান র‍্যান্ডি জর্জের পদত্যাগ! ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ আবহে বিরাট চাঞ্চল্য

    US Army Chief: মার্কিন সেনাপ্রধান র‍্যান্ডি জর্জের পদত্যাগ! ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ আবহে বিরাট চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন সামরিক বাহিনীর অন্দরে এক নজিরবিহীন অস্থিরতা প্রকাশ্যে এসেছে। সেনাপ্রধান (US Army Chief) জেনারেল র‍্যান্ডি জর্জের পদত্যাগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটনের প্রতিরক্ষা মহলে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। মূলত প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের (Defence Secretary Pete Hegseth) সঙ্গে গভীর মতপার্থক্যের জেরেই তাঁকে সরে যেতে হল বলে জানা গেছে।

    নীতিগত সংঘাত (US Army Chief)

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের গৃহীত বেশ কিছু সামরিক সংস্কার এবং নীতির সঙ্গে একমত হতে পারছিলেন না জেনারেল র‍্যান্ডি জর্জ (US Army Chief)। বিশেষ করে বাহিনীর আধুনিকীকরণ এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আমূল পরিবর্তনের বিষয়ে তাঁদের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঠান্ডা লড়াই চলছিল।

    নেতৃত্বের ধরণ নিয়ে বিতর্ক

    ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে প্রতিরক্ষা সচিব হিসেবে হেগসেথের কাজের ধরণ এবং সামরিক কর্মকর্তাদের প্রতি তাঁর কঠোর অবস্থান সেনাপ্রধানের জন্য অস্বস্তিকর হয়ে দাঁড়িয়েছিল (Defence Secretary Pete Hegseth)। উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের রদবদল নিয়ে দুজনের মধ্যে চূড়ান্ত মতবিরোধ (US Army Chief) তৈরি হয়।

    প্রায় চার দশকের সামরিক জীবনে জর্জ ইরাক ও আফগানিস্তানে একাধিকবার দায়িত্ব পালন করেছেন। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর তথ্য অনুসারে, আফগানিস্তানে তিনি দুর্গম উপত্যকাগুলো থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের তত্ত্বাবধান করেছেন। মার্কিন বাহিনী ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন।

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে অনিশ্চয়তা

    জেনারেল জর্জের (US Army Chief) এই আকস্মিক বিদায় মার্কিন সেনাবাহিনীর চেন অফ কমান্ডের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝে সেনাপ্রধানের এই প্রস্থানকে অনেকেই ‘বিপজ্জনক’ বলে মনে করছেন।

    দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর একটি প্রতিবেদন অনুসারে জানা গিয়েছে, হেগসেথ এবং জর্জের মধ্যকার উত্তেজনার কারণ সেনাবাহিনীর দিকনির্দেশনা নিয়ে কোনও মৌলিক মতবিরোধ ছিল না। বরং, সামরিক কর্মকর্তারা বলেছেন, এই বিরোধের মূল কারণ ছিল সেনাবাহিনীর প্রতি হেগসেথের দীর্ঘদিনের অসন্তোষ, কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরোধ এবং মার্কিন সেনা সচিব ড্যানিয়েল পি ড্রিসকলের সাথে তার তিক্ত সম্পর্ক।

    রাজনৈতিক প্রভাব

    সমালোচকদের একাংশের মতে, পেন্টাগনের প্রশাসনিক কাঠামোর ওপর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর যে চেষ্টা চলছে, এই পদত্যাগ তারই একটি বড় প্রতিফলন। জেনারেল র‍্যান্ডি জর্জের পদত্যাগ কেবল একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিদায় নয়, বরং এটি মার্কিন সামরিক নেতৃত্বের অভ্যন্তরে বাড়তে থাকা ফাটলের বহিঃপ্রকাশ। হোয়াইট হাউস এখন এই শূন্যস্থান পূরণে কাকে বেছে নেয় এবং হেগসেথের সাথে নতুন সেনাপ্রধানের রসায়ন কেমন হয়, সেদিকেই তাকিয়ে আছে সারা বিশ্ব।

  • Madras High Court: সংরক্ষিত আসনে অহিন্দুদের প্রার্থী বাতিলের দাবি, মাদ্রাজ হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের

    Madras High Court: সংরক্ষিত আসনে অহিন্দুদের প্রার্থী বাতিলের দাবি, মাদ্রাজ হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তফশিলি জাতির (SC) জন্য সংরক্ষিত নির্বাচনী আসনগুলোতে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা নিয়ে ভারতের বিচারব্যবস্থায় এক নতুন বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। সম্প্রতি মাদ্রাজ হাইকোর্টে (Madras High Court) একটি আবেদন জমা পড়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে যে, কেবল হিন্দু, শিখ এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী তফশিলি জাতির ব্যক্তিরাই সংরক্ষিত আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্য বলে বিবেচনা করা হোক। ধর্মান্তরিত হওয়া কোন ব্যক্তিকে যেন এসসি হওয়ার সংরক্ষণ না মেলে সেই দিকের কথা ভেবে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হোক।

    হিন্দু ধর্মের অন্তর্গত পিছিয়ে পড়া মানুষের সংরক্ষণ (Madras High Court)

    জনস্বার্থ মামলায় (PIL) আবেদনকারী দাবি করেছেন যে, ভারতের সংবিধান অনুযায়ী তফশিলি জাতির বিশেষ সুবিধাগুলি মূলত হিন্দু ধর্মের অন্তর্গত পিছিয়ে পড়া শ্রেণির জন্য সংরক্ষিত। পরবর্তীতে শিখ এবং বৌদ্ধ ধর্মকেও এর আওতায় আনা হলেও, ইসলাম বা খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত ব্যক্তিরা এই সুবিধা পাওয়ার অধিকারী নন।

    ধর্মান্তর ও সংরক্ষিত আসন

    আবেদনে (Madras High Court) অভিযোগ করা হয়েছে যে, অনেক ক্ষেত্রে তফশিলি জাতির ব্যক্তিরা অন্য ধর্মে বিশেষত খ্রিস্টধর্মে বা মুসলিম ধর্মে রূপান্তরিত হওয়ার পরেও কাগজে-কলমে তফশিলি পরিচয় বজায় রেখে সংরক্ষিত আসন থেকে নির্বাচন লড়ছেন। এটি প্রকৃত হিন্দু তফশিলি প্রার্থীদের অধিকার হরণ করছে বলে দাবি জানানো হয়েছে।

    আইনি যুক্তি

    আবেদনকারী ১৯৫০ সালের সংবিধান (তফশিলি জাতি) আদেশ-এর উল্লেখ করেছেন। ওই আদেশ অনুযায়ী, হিন্দু, শিখ বা বৌদ্ধ ধর্ম ছাড়া অন্য কোনও ধর্মাবলম্বী ব্যক্তিকে তফশিলি জাতির সদস্য হিসেবে গণ্য করা যাবে না। এই মামলাটি ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে এবং সাংবিধানিক ব্যাখ্যায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার (Madras High Court) এবং অন্যদিকে সংরক্ষিত শ্রেণির অধিকার রক্ষা—এই দুইয়ের ভারসাম্য নিয়ে আদালত কী অবস্থান নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়। মামলাটি গৃহীত হলে এটি সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনী সমীকরণে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

    আদালতের হস্তক্ষেপ প্রার্থনা

    মামলাটিতে নির্বাচন কমিশনকে (SC) নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে, যাতে তারা প্রার্থী বাছাইয়ের সময় বিষয়টি কঠোরভাবে যাচাই করে। অন্য ধর্মে বিশ্বাসী কেউ যাতে তফশিলি সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দাখিল করতে না পারেন, তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

  • Election Commission India: ভোট মিটলেও রাজ্যে থাকবে ৫০০ কোম্পানি বাহিনী, নির্বাচনোত্তর হিংসা রুখতে কড়া কমিশন

    Election Commission India: ভোট মিটলেও রাজ্যে থাকবে ৫০০ কোম্পানি বাহিনী, নির্বাচনোত্তর হিংসা রুখতে কড়া কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী (Election Commission India) ইতিহাসে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন। সাধারণত নির্বাচনের প্রক্রিয়া শেষ হলেই কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্য ত্যাগ করে, কিন্তু বিগত বছরগুলোর তিক্ত অভিজ্ঞতা এবং কালিয়াচকের সাম্প্রতিক অশান্তির কথা মাথায় রেখে কমিশন (West Bengal Elections 2026) এবার বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাজ্যে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও অন্তত ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (CAPF) পশ্চিমবঙ্গে থেকে যাবে। ভোট-পরবর্তী হিংসা রুখতে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।

    হিংসা দমনে জিরো টলারেন্স(Election Commission India)

    বিগত নির্বাচনগুলোতে (Election Commission India) ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যে অশান্তির চিত্র দেখা গিয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি রোধ করাই কমিশনের মূল লক্ষ্য। কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ফল প্রকাশের পর কোনও ধরনের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা গোলমাল বরদাস্ত করা হবে না।

    কালিয়াচককাণ্ডের প্রভাব

    মালদার কালিয়াচকে সরকারি আধিকারিকদের হেনস্থা ও আইন-শৃঙ্খলার অবনতি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি ত্বরান্বিত করেছে। নিরাপত্তার পরিবেশ এতটাই অটুট রাখতে চায় কমিশন, যাতে ভোটার ও গণনার (West Bengal Elections 2026) কাজে নিযুক্ত কর্মীরা নির্ভয়ে থাকতে পারেন।

    রাজ্য প্রশাসনের সাথে সমন্বয়

    কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকলেও তারা স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় রেখে কাজ করবে। তবে স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে টহলদারি এবং নজরদারির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতেই। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, পশ্চিমবঙ্গকে ঘিরে তারা কোনও প্রকার ঝুঁকি নিতে নারাজ। ভোটের ফলাফল (West Bengal Elections 2026) পরবর্তী সময়কালকে শান্তিময় রাখতে এই অতিরিক্ত সুরক্ষা কবচ রাজ্যবাসীর মনে আত্মবিশ্বাস জোগাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • Suvendu Adhikari: “সাম্প্রদায়িক উস্কানির পিছনে মমতা”, কালিয়াচকের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ শুভেন্দু অধিকারীর

    Suvendu Adhikari: “সাম্প্রদায়িক উস্কানির পিছনে মমতা”, কালিয়াচকের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ শুভেন্দু অধিকারীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার কালিয়াচকে নির্বাচন কমিশনের (West Bengal Elections 2026) আধিকারিকদের ঘেরাও এবং হেনস্থার ঘটনায় সরব হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এই ঘটনার জন্য তিনি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করে তীব্র সমালোচনা করেছেন। রাজ্যে এসআইআর নিয়ে তৃণমূলের তরফে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আগেও উত্তেজক ভাষণ দিয়ে হিংসার বাতাবরণ তৈরি করেছে বলে অভিযোগ বিজেপির। অপর দিকে কালিয়াচকের ঘটনা অমিত মালব্যের শেয়ার করা ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে যে, যখন বিচারবিভাগের আধিকারিকদের ঘেরাও করে রাখা হয়েছিল, তখন নেপথ্যে থেকে তৃণমূলের একজন মন্ত্রী ও স্থানীয় নেতৃত্ব ইন্ধন জোগাচ্ছিলেন। মালব্যের মতে, এটি কোনও স্বতঃস্ফূর্ত জনবিক্ষোভ ছিল না, বরং পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। অভিযুক্ত মন্ত্রীর নাম এবং ছবি প্রকাশ করেছেন একটি বার্তায়।

    উস্কানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগ (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) দাবি, মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন জনসভা থেকে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষকে প্ররোচিত করছেন। তাঁর মতে, মুখ্যমন্ত্রীর সেই সব বক্তব্যের কারণেই কালিয়াচকের মতো জায়গায় সরকারি আধিকারিকদের ওপর হামলা চালানোর সাহস পাচ্ছে দুষ্কৃতীরা।

    আইন-শৃঙ্খলার অবনতি

    বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) অভিযোগ করেছেন যে, রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। তাঁর ভাষায়, “মুখ্যমন্ত্রী পুলিশকে ঠুঁটো জগন্নাথ করে রেখেছেন,” যার ফলে নির্বাচন কমিশনের কাজ পরিচালনা করা দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে। কালিয়াচকের ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে এবং এর নেপথ্যে কোনও গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তিনি ইতিমধ্যেই এনআইএ তদন্তের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছেন।

    নির্বাচন কমিশনকে বার্তা

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছেন যেন রাজ্যে আরও কঠোরভাবে আদর্শ আচরণবিধি (Model Code of Conduct) প্রয়োগ করা হয় এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে এলাকা দখলমুক্ত করা হয়। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “কালিয়াচকের ঘটনা কেবল একটি বিচ্ছিন্ন বিশৃঙ্খলা নয়, বরং এটি রাজনৈতিক মদতপুষ্ট একটি পরিকল্পিত বাধা। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে রাজ্যের বর্তমান প্রশাসনের ওপর ভরসা না করে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপই একমাত্র পথ।” মালদার কালিয়াচকে নির্বাচন কমিশনের (West Bengal Elections 2026)  আধিকারিকদের পণবন্দি করে রাখার ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রীর প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে বলে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও (যার সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদমাধ্যম) পোস্ট করে তিনি রাজ্য সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন।

    নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ

    বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ভোটার তালিকায় কারচুপি এবং বেআইনি ভোটারদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতেই আধিকারিকদের ওপর ভয় দেখানো ও মানসিক চাপ সৃষ্টির এই কৌশল নেওয়া হয়েছে। অমিত মালব্য প্রশ্ন তুলেছেন যে, যখন আধিকারিকদের কয়েক ঘণ্টা ধরে আটকে রাখা হল, তখন স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসন কেন নিষ্ক্রিয় ছিল? তাঁর মতে মন্ত্রীর নির্দেশ ছাড়া পুলিশের এই নীরবতা সম্ভব নয়।

    গণতন্ত্রের ওপর আঘাত

    এই ঘটনাকে গণতন্ত্রের লজ্জা হিসেবে অভিহিত করে বিজেপি দাবি করেছে যে, রাজ্যে অবাধ নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার জন্য শাসক দল পেশিশক্তি ব্যবহার করছে। কালিয়াচকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন নির্বাচন কমিশন প্রশাসনিক (West Bengal Elections 2026) স্তরে কড়াকড়ি শুরু করেছে, অন্যদিকে অমিত মালব্যের এই অভিযোগ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। শাসক দলের পক্ষ থেকে অবশ্য এই ভিডিওটিকে ‘বিভ্রান্তিকর’ এবং ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

  • Election Commission: রাজ্য জুড়ে বেআইনি জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা, কালিয়াচক কাণ্ডের জেরে কঠোর অবস্থান কমিশনের

    Election Commission: রাজ্য জুড়ে বেআইনি জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা, কালিয়াচক কাণ্ডের জেরে কঠোর অবস্থান কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদা কালিয়াচকে ভোটার তালিকা সংশোধনী (SIR) প্রক্রিয়ার শুনানি চলাকালীন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের দীর্ঘক্ষণ ঘেরাও করে রাখার ঘটনায় নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) অত্যন্ত কঠোর মনোভাব গ্রহণ করেছে। এই নজিরবিহীন পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে কমিশন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি করেছে।

    বেআইনি জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা (Election Commission India)

    কালিয়াচকের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে রাজ্যজুড়ে যে কোনও ধরনের বেআইনি জমায়েত বা উস্কানিমূলক বিক্ষোভের ওপর কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্য জুড়ে বেআইনি জমায়েতের উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া কোনও মিছিল, সভা বা জমায়েত করা যাবে না। যদি কেউ এই নির্দেশ অমান্য করেন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে গ্রেফতার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এমনকী মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে যাওয়ার ক্ষেত্রেও আগে থেকে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    স্টেটাস রিপোর্ট তলব কমিশনের

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) স্পষ্ট জানিয়েছে যে, ভোট প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কোনও আধিকারিকের কাজে বাধা দিলে বা তাঁদের ওপর চাপ সৃষ্টি করলে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে। পাশাপাশি, জামিন বা প্যারোলে জেলের বাইরে, ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত বা যাঁদের অপরাধমূলক ইতিহাস রয়েছে এমন ব্যক্তিদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার নিয়ে স্টেটাস রিপোর্ট চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। একইসঙ্গে, জামিনঅযোগ্য মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের (যাঁরা এখনও গ্রেফতার হননি) নিরাপত্তা প্রত্যাহারের পাশাপাশি আগামী ১০ দিনের মধ্যে তাঁদের গ্রেফতার করারও নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারি

    সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ও বর্তমান পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে, স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে (SIR) এবং যেখানে ভোটার তালিকা সংশোধনের (Election Commission India) কাজ চলছে, সেখানে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী (CAPF) মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার রাতের মালদার কালিয়াচকের ঘটনার পর কড়া নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। জানা গিয়েছে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জরুরি ভিত্তিতে যে ভিডিও কনফারেন্সের ডাক দিয়েছিলেন, সেখানে অন্যতম মূল প্রসঙ্গ ছিল মালদার কালিয়াচকের অশান্তি। এই বৈঠকেই আজ নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দিয়েছে, ঘটনায় জড়িত প্রত্যেককে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করতে হবে। প্রত্যেককে গ্রেফতার করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ঘটনাস্থলে যে এসপি অনেক দেরিতে পিছিয়েছেন, সেই বিষয়টিও নজরে রয়েছে কমিশনের। ইতি মধ্যে এসপি- জেলা শাসককে শোকজ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে কালিয়াচকের ঘটনার গভীরতা ও ষড়যন্ত্রের দিকটি খতিয়ে দেখতে নির্বাচন কমিশন (SIR) এই মামলার তদন্তভার জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-এর হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    প্রশাসনের তৎপরতা

    রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজিপিকে (DGP) তলব করে কমিশন (Election Commission India) আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও পুলিশ আধিকারিকদের সরাসরি দায়ী করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। বেশ কয়েকজনকে চিহ্নিত করে এফআইআর করা হয়েছে। অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন সান্তি রঞ্জন কুণ্ডু (ওয়ার্ড ৩২-এর কাউন্সিলর), সচিন সিং (ওয়ার্ড ৩৬-এর কাউন্সিলর), মহম্মদ ওয়াসিম, মইদুল, চন্দ্রকান্ত সিংহ এবং মহম্মদ রিজওয়ান আলি-সহ আরও বেশ কয়েকজন। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে, যার মধ্যে অবৈধ জমায়েত, সরকারি কর্মীর কাজে বাধা এবং জনপথ অবরোধের মতো অভিযোগ রয়েছে।

    শূন্য সহনশীলতা

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) মূল লক্ষ্য হল ভীতিমুক্ত পরিবেশে ভোট পরিচালনা করা। কালিয়াচককাণ্ড (SIR) থেকে শিক্ষা নিয়ে তারা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটানোর যে কোনও প্রচেষ্টাকে ‘শূন্য সহনশীলতা’ (Zero Tolerance) নীতিতে দেখা হবে।

  • West Bengal Assembly Election: ভবানীপুরের জন্য শুভেন্দুর পৃথক সংকল্পপত্র, চার দফা প্রতিশ্রুতিতে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রীকে

    West Bengal Assembly Election: ভবানীপুরের জন্য শুভেন্দুর পৃথক সংকল্পপত্র, চার দফা প্রতিশ্রুতিতে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) রাজ্যের হাই-ভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুরে লড়াইয়ের উত্তাপ বাড়িয়ে দিলেন বিজেপি প্রার্থী তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার এই কেন্দ্রে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে ভবানীপুরের ভোটারদের জন্য একটি পৃথক ‘সংকল্পপত্র’ প্রকাশ করেছেন তিনি। দলের রাজ্যভিত্তিক ইস্তাহার প্রকাশের আগেই এই পদক্ষেপকে তাঁর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক কৌশলের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তাঁর সংকল্পপত্রে যা যা রয়েছে তা হল–

    জলমগ্নতা থেকে মুক্তি (West Bengal Assembly Election)

    বর্ষাকালে ভবানীপুরের বিস্তীর্ণ এলাকার জমা জলের সমস্যা দীর্ঘদিনের। শুভেন্দু প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, পরিকল্পিত নিকাশি ব্যবস্থার মাধ্যমে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে।

    নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন আবাসন

    ঘিঞ্জি এলাকা ও বস্তি অঞ্চলের উন্নয়নে বিশেষ জোর দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিকের জন্য উন্নত জীবনযাত্রার মান নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

    প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা

    স্থানীয় স্তরে তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট রাজ বন্ধ করে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও নির্ভয়ে বাস করার পরিবেশ তৈরি করার অঙ্গীকার করেছেন বিজেপি প্রার্থী (West Bengal Assembly Election) ।

    নাগরিক পরিষেবার আধুনিকীকরণ

    পানীয় জল থেকে শুরু করে রাস্তার আলো, পুর-পরিষেবার প্রতিটি ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতামুক্ত প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

    এলাকার উন্নয়ন চান শুভেন্দু

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাসতালুক হিসেবে পরিচিত এই কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) এই ‘চার দফা’ কৌশল মূলত স্থানীয় সমস্যাগুলোকে হাতিয়ার করে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা। শুভেন্দু বলেছেন, “ভবানীপুর কেবল ভিআইপি কেন্দ্র নয়, এখানকার (West Bengal Assembly Election)  সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলোও দীর্ঘদিনের অবহেলিত। আমি সেই বঞ্চনার অবসান ঘটাতেই এই বিশেষ সংকল্প গ্রহণ করেছি।”

    রাজনৈতিক মহলের মতে, নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুরেও মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী প্রমাণ করতে চাইছেন যে, তিনি কেবল বড় বড় রাজনৈতিক ইস্যু নয়, বরং তৃণমূল স্তরের নাগরিক সমস্যা নিয়েও সমানভাবে সরব। আগামী ৪মে ভোটের ফলাফলেই স্পষ্ট হবে, ভবানীপুরের জনতা এই চার দফা প্রতিশ্রুতিতে কতটা আস্থা রাখল।

  • Kolkata Metro: মেট্রো প্রকল্পের জট কাটল সুপ্রিম কোর্টে, মমতা সরকারের প্রতি চরম ক্ষোভ, ১৫ মে থেকে চিংড়িঘাটায় শুরু হচ্ছে কাজ

    Kolkata Metro: মেট্রো প্রকল্পের জট কাটল সুপ্রিম কোর্টে, মমতা সরকারের প্রতি চরম ক্ষোভ, ১৫ মে থেকে চিংড়িঘাটায় শুরু হচ্ছে কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত সংযোগস্থল চিংড়িঘাটায় মেট্রো (Kolkata Metro) প্রকল্পের কাজ শুরু হতে চলেছে। সুপ্রিম কোর্টের সবুজ সংকেত মেলার পর আগামী ১৫ মে থেকে এই এলাকায় নির্মাণ কাজের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের গতি ত্বরান্বিত করতে কলকাতা পুলিশ এবং মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের (Chingrighata) একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনাও চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    নিউ গড়িয়া-বিমানবন্দর মেট্রো করিডোরে কাজ শুরু (Kolkata Metro)

    সুপ্রিম কোর্টের রায়ে দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা নিরসন হওয়ায় নিউ গড়িয়া-বিমানবন্দর মেট্রো (Kolkata Metro) করিডোরের এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশের কাজ পুনরায় শুরু করার পথ প্রশস্ত হলো। প্রশাসন সূত্রে খবর, কাজের গুরুত্ব এবং যানজটের আশঙ্কার কথা মাথায় রেখে পর্যায়ক্রমে ট্রাফিক ডাইভারশনের ব্যবস্থা করা হবে। আরভিএনএল জানিয়েছে, আগামী ১৫ মে থেকে চিংড়িঘাটা মোড়ে (Chingrighata) মেট্রো পিলারের কাজ শুরু হবে। চিংড়িঘাটায় ট্রাফিক ব্লক করে দেওয়া হবে। এমনটাই জানিয়েছে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ। এরপর ধীরে ধীরে অনুমতি দেওয়া হবে। তবে বর্ষা আসার আগেই সম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে হবে।

    সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত রাজ্য সরকারকে তোপ দেগে বলেন, “আমরা প্রথমবার দেখছি কোনও রাজ্য উন্নয়নের বিরোধিতা করছে। মামলা এতোদূর পর্যন্ত গড়িয়েছে যে এখন নির্বাচন বিধির আওতায় পড়ে গিয়েছে। আপনাদের কাছে উৎসব আগে না যোগাযোগ আগে?”

    বেলেঘাটা মেট্রো স্টেশন ও গৌরকিশোর ঘোষ সংযুক্ত

    ৩৬৬ মিটার অংশে পিলারের উপরে গার্ড বাসানো হবে। যার উপরে মেট্রোর লাইন বাসানো হবে। এই কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে বেলেঘাটা মেট্রো স্টেশন ও গৌরকিশোর ঘোষ সংযুক্ত হয়ে যাবে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ফলে স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ও আইনি বাধা দূর হয়েছে। চিংড়িঘাটা (Chingrighata) সংলগ্ন ইএম বাইপাস এবং সল্টলেক অভিমুখী রাস্তায় যানজট এড়াতে ট্রাফিক ট্রায়াল বা পরীক্ষামূলক যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এই অংশের কাজ সম্পন্ন হলে সল্টলেক ও বিমানবন্দরের সঙ্গে মেট্রো সংযোগের ক্ষেত্রে বড় বাধা দূর হবে।

    কলকাতা মেট্রো (Kolkata Metro) রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করে এই গুরুত্বপূর্ণ করিডোরটি সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া সম্ভব হবে। শহরের পূর্ব প্রান্তের পরিবহন ব্যবস্থায় এই পদক্ষেপ এক মাইলফলক হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

LinkedIn
Share