Tag: Madhyom

Madhyom

  • Anasuya Sengupta: প্রথম কোনও ভারতীয় কান চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা অভিনেত্রী হলেন, ইতিহাস কলকাতার অনসূয়ার

    Anasuya Sengupta: প্রথম কোনও ভারতীয় কান চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা অভিনেত্রী হলেন, ইতিহাস কলকাতার অনসূয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাস গড়ল কলকাতা। প্রথম ভারতীয় অভিনেত্রী হিসেবে ‘আঁ সার্ত্যাঁ রোগার’ বিভাগে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পেলেন কলকাতার মেয়ে অনসূয়া সেনগুপ্ত (Anasuya Sengupta)। অনসূয়াই প্রথম ভারতীয় যিনি সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেলেন কান চলচ্চিত্র উৎসবে (Cannes Film Festival)। যা বিশ্বের দরবারে ভারতীয় সিনেমার জন্য এক অভাবনীয় সাফল্য৷ বুলগেরিয়ান পরিচালক কনস্টানটিন বোজানভ পরিচালিত ছবি ‘দ্য শেমলেস’-এর হাত ধরে এই শিরোপা পেলেন বাঙালি অভিনেত্রী। এই প্রথম কান-এ কোনও ভারতীয় অভিনেত্রী এই বিভাগে পুরস্কৃত হলেন। 

    ছবির বিষয় 

    ‘দ্য শেমলেস’-আবর্তিত রেণুকাকে ঘিরে। রেণুকার ভূমিকাতেই অভিনয় করেছেন বাংলার অনুসূয়া (Anasuya Sengupta)। সিনেমায় চলচ্চিত্রকার একজন যৌনকর্মীর কাহিনী তুলে ধরেছেন৷ গল্পে এক পুলিশ অফিসারকে ছুরি মেরে দিল্লির যৌনপল্লী থেকে পালায় সে। এরপর উত্তর ভারতের যৌনকর্মীদের একটি সম্প্রদায়ের কাছে আশ্রয় নেন৷ সেখানে তাঁর পরিচয় হয় দেবিকা (ওমারা)-র সঙ্গে৷ এই তরুণী পতিতাবৃত্তির জীবনকে ঘৃণা করেন৷ এরপর এই দুজনের জীবনের ওঠাপড়া নিয়েই বোনা হয় ছবির গল্প।  

    আরও পড়ুন: সাইবার জালিয়াতি রুখতে ৩ হাজারেরও বেশি সোশ্যাল সাইট, লিঙ্ক বন্ধ করল কেন্দ্র

    অনুসূয়ার কর্মজীবন (Anasuya Sengupta)

    জানা যায়, খাস কলকাতাতেই বেড়ে ওঠেন অনুসূয়া। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর পড়াশোনা। তবে অনসূয়ার কর্মজীবনের শুরুটা অনেক বছর আগে। বাংলা ছবিতেও কাজ করেছেন তিনি। অঞ্জন দত্তের ‘ম্যাডলি বাঙালি’ ছবিতে তানিয়ার চরিত্রে দেখা যায় অনসূয়াকে। এখানেই শেষ নয়, অনুসূয়া ২০২১ সালে নেটফ্লিক্সের সত্যজিৎ রায়ের সংকলন ‘ফরগেট মি নট’ এবং ‘মাসাবা মাসাবা’র মতো শোয়ে প্রোডাকশন ডিজাইনার হিসাবেও কাজ করেছেন। এছাড়াও পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি ৷ 
    শনিবার পরিসপমাপ্তি ঘটবে ২০২৪ কান চলচ্চিত্র উৎসবের (Cannes Film Festival)৷ আর তার আগে শুক্রবার রাতে কানের মঞ্চে এই সম্মান নিতে উঠে অনসূয়া (Anasuya Sengupta) তাঁর এই পুরস্কার সমাজের সেই সমস্ত পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়কে উৎসর্গ করেছেন, যাঁরা প্রতিনিয়ত বিশ্বের সর্বত্র নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করে চলেছেন৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Remal: শক্তি বাড়াল ঘূর্ণিঝড় রেমাল, দক্ষিণবঙ্গে সক্রিয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ১২টি দল

    Cyclone Remal: শক্তি বাড়াল ঘূর্ণিঝড় রেমাল, দক্ষিণবঙ্গে সক্রিয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ১২টি দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল শক্তি নিয়ে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ (Cyclone Remal)। রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে চূড়ান্ত সতর্ক প্রশাসন। বাংলাদেশের খেপুপাড়া এবং পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপের মধ্যবর্তী অংশে আছড়ে পড়তে চলেছে এই ঘূর্ণিঝড়। সে সময়ে উপকূলে হাওয়ার বেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার। কোথাও কোথাও ১৩৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ঝড়ের বেগ উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় (Cyclone Update) মোতায়েন করা হয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে (এনডিআরএফ)। দক্ষিণবঙ্গে এনডিআরএফ-এর ১২টি দল নিযুক্ত করা হয়েছে। এরই মধ্যে কলকাতায় শুরু হল বৃষ্টি।

    খালি করা হল সমুদ্রতট

    ঝড়ের (Cyclone Remal) আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই উপকূলের বেশ কিছু এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে প্রশাসন। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা নিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের মহকুমা শাসকের দফতর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। তারপরেই বকখালির সমুদ্রতট ফাঁকা করেছে প্রশাসন। জেলাশাসক সুমিত গুপ্তা থেকে শুরু করে সুন্দরবন পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার কে রাও-সহ পুলিশ-প্রশাসনের পদস্থ কর্তারা মুহুর্মুহু বৈঠক সারছেন। অতিরিক্ত শুকনো খাবার, পানীয় জল মজুত রাখার উপরে জোর দেওয়া হচ্ছ। প্রতিটি ব্লক অফিসে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। ঝড়ের গতি-প্রকৃতির উপর কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।

    কোথায় কোথায় এনডিআরঅফ টিম

    এনডিআরএফ-এর যে ১২টি দলকে দক্ষিণবঙ্গে মোতায়েন করা হয়েছে, সেগুলি থাকবে কলকাতা বিমানবন্দর এলাকা, হাসনাবাদ, বসিরহাট, গোসাবা, কাকদ্বীপ, সাগরদ্বীপ, দিঘার রামনগর, কাঁথি, দাঁতন, নারায়ণগড় এবং আরামবাগে। দিঘায় দু’টি দল থাকবে বলে জানা গিয়েছে।  ঝড় (Cyclone Remal) এবং তৎপরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলা করবে এই দল।

    নিম্নচাপের অবস্থান

    নিম্নচাপ পরিস্থিতির দিকে অনবরত নজর রেখেছে আলিপুর। আজ শনিবার দুপুর সোয়া দু’টো নাগাদ নয়াদিল্লির মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়, ভোর সাড়ে পাঁচটা অবধি পাওয়া তথ্য অনুসারে, গভীর নিম্নচাপটি এখনও পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরের ওপর রয়েছে। গত ছয় ঘণ্টা ধরে সেটি ১৭ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিতে এগিয়ে চলেছে উত্তর দিকে। বর্তমানে সেটির অবস্থান পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপ থেকে ৪৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে। ক্রমশ উত্তরদিকে যত এগোবে, বঙ্গোপসাগরের ওপর তীব্র জলীয় বাষ্প সংগ্রহ করে তা আরও ভয়ানক হয়ে উঠবে এবং একটি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের(Cyclone Remal) রূপ নিয়ে আগামীকাল ২৬ মে, রবিবার গভীর রাতে পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপ ও বাংলাদেশের খেপুপাড়ার মাঝে কোনও এক জায়গায় আছড়ে পড়তে চলেছে।

    আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ থেকে সুরক্ষিত থাকতে কী করবেন, কী করবেন না? জানুন

    শহরে শুরু বৃষ্টি

    সকাল থেকে কাঠফাটা গরমে নাজেহাল শহরবাসী। কেউ কেউ মজা করে বলেছেন ঝড় (Cyclone Remal) কোথায়! কিন্তু দুপুর গড়াতেই আবহাওয়াতে বদল। দুপুর আড়াইটে নাগাদ হঠাৎই আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়। শুরু হয় মেঘের গুড়গুড় ও মুষলধারায় বৃষ্টি। দমকা বাদলা হাওয়া বইতে শুরু করে। তাপমাত্রাও একধাক্কায় নেমে যায় অনেকটা। কোথাও কোথাও শুরু হয়েছে ঝিরঝিরে বৃষ্টি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: মেদিনীপুর কেন্দ্রে ভোটের দিনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে রণং দেহি মুডে অগ্নিমিত্রা

    Lok Sabha Election 2024: মেদিনীপুর কেন্দ্রে ভোটের দিনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে রণং দেহি মুডে অগ্নিমিত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে চলছে ষষ্ঠ দফা নির্বাচন। মেদিনীপুর লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হলেন অগ্নিমিত্রা পল। এই লোকসভা কেন্দ্রের একাধিক বুথ কেন্দ্রে বিজেপির এজেন্টদের তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একেবারে কেশিয়াড়িতে অগ্নিশর্মা মেজাজে দেখা গেল অগ্নিমিত্রা পলকে। বুথের মধ্যেই পুলিশ ঢুকে গিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এরপর নিজেই পুলিশকে বার করে দেন বুথের ভিতর থেকে। এরপর ওই বুথে বিজেপির এজেন্টকেও বসান। কিন্তু বুথ থেকে বেরোলে তাঁকে ঘিরে পাল্টা বিক্ষোভও দেখায় তৃণমূল। ওঠে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান। আবার খড়্গপুর সেরসা স্টেডিয়ামে ২৬৩ নম্বর বুথে ভোট দিলেন বিদায়ী সাংসদ দিলীপ ঘোষ।

    কী বললেন অগ্নিমিত্রা পাল (Lok Sabha Election 2024)?

    ভোটের (Lok Sabha Election 2024) দিনে তৃণমূল এবং পুলিশের বিরুদ্ধে আক্রমণ করে অগ্নিমিত্রা বলেন, “পুলিশ অত্যন্ত নির্লজ্জ। বুথের ভিতরে ঢুকে পুলিশ ভোট করাচ্ছে। আমাদের বুথ এজেন্টদের গতকাল রাত থেকেই পুলিশ তুলে নিয়ে চলে গিয়েছে। আজ সকালে অনেককে কোর্টে চালান করে দিয়েছে। আমাদের বুথে নতুন করে এজেন্ট বসাতে হচ্ছে। মমতা সরকারের পুলিশ, তৃণমূলের হয়ে সরাসরি কাজ করাচ্ছে। দরজায় দাঁড়িয়ে তৃণমূলের হয়ে ভোট করাচ্ছে পুলিশ।“ একই ভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আপনারা কী চোখে দেখতে পান না? পুলিশ কীভাবে বুথের বাইরের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকার সাহস পায়। আপনারা কর্তব্য ঠিক মতো পালন না করলে আমরা অভিযোগ জানাবো কমিশনে। হুঁশিয়ারি দিয়ে গেলাম।” একই ভাবে বেলদা থানার সাবড়ায় ৫৫ নম্বর বুথে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন অগ্নিমিত্রা।

    আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রামের পর মহিষাদলে খুন আরও ১, ভোটের দিনেও উত্তেজনা রাজ্যে

    ঝাড়গ্রামে প্রণত টুডুর গাড়িতে আক্রমণ

    নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) দিনে ঝাড়গ্রামের গড়বেতায় বিজেপি প্রার্থী প্রণত টুডুকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। ২০০ নম্বর বুথে দেখা দিয়েছিল ব্যাপক উত্তেজনা। লাঠি, বাঁশ নিয়ে বিজেপি প্রার্থীর দিকে তেড়ে যান মহিলারা। একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের গাড়ির কাচও ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আবার গাড়িতে হামলার ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক জওয়ান জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “জি-২০ সম্মেলন প্রমাণ করেছে অলিম্পিক্স আয়োজনের জন্য প্রস্তুত ভারত”, প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “জি-২০ সম্মেলন প্রমাণ করেছে অলিম্পিক্স আয়োজনের জন্য প্রস্তুত ভারত”, প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের সফল আয়োজন প্রমাণ করে দিয়েছে যে, ভারত অলিম্পিক্স (Olympics 2036) পরিচালনার জন্যও প্রস্তুত। শনিবার এক সাক্ষাতকারে গর্বের সঙ্গে একথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি জানান, ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে কেন্দ্র একটি দল গঠন করেছে। অন্যান্য দেশ কীভাবে এই ধরনের বড় ইভেন্ট আয়োজন করে তা ভালভাবে খতিয়ে দেখবে ওই দল। তাঁদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েই ভারতে অলিম্পিক্স আয়োজনের মঞ্চ তৈরি করা হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী মোদি।

    জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের সফল আয়োজন

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “যদি কেউ বা কোনও গোষ্ঠী গত বছর ভারতে আয়োজিত জি-২০ (G20 Summit) শীর্ষ সম্মেলনের বিস্তারিত বিশ্লেষণ করেন তাহলে তাঁরা নিশ্চিত হবেন যে এখন ভারতে এই ধরনের বড় ইভেন্ট হোস্ট করার পরিকাঠামো রয়েছে। জি-২০ সম্মেলন ভারতের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে। ওই সম্মেলন শুধুমাত্র দিল্লিকে কেন্দ্র করে হয়নি। সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ওই সম্মেলনের নানা ইভেন্ট আয়োজন করা হয়েছিল। এতে সারাদেশে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে। বিশ্ববাসীর কাছেও বার্তা পৌঁছনো গিয়েছে, যে ভারত এখন তৈরি।” 

    অলিম্পিক্সের জন্য চেষ্টা

    ২০৩৬ সালে ভারতে অলিম্পিক্স (Olympics 2036) অনুষ্ঠিত করতে বদ্ধপরিকর কেন্দ্রীয় সরকার। মোদির (PM Modi) কথায়, “গত কয়েক বছরে তাঁর সরকার দেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রে সার্বিক উন্নয়নের জন্য অনেক কাজ করেছে। খেলাধুলোর মধ্যে থেকে নোংরা খেলাকে বাদ দেওয়া হয়েছে।”  মোদি বলেন, “দেশে প্রতিভার কোনও ঘাটতি নেই। আমরা শুধু এই প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছি। সরকার সব ভাবে তাঁদের সাহায্য করছে। এখন আমরা খেলাকে সবার কাছে পৌঁছে দিচ্ছি।” মোদি জানান, ২০৩৬ সালে ভারতে অলিম্পিক্স অনষ্ঠিত করার জন্য কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যাচ্ছে তাঁর সরকার। 

    অলিম্পিকে প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) এদিন স্মৃতিচারণা করে বলেন, “আমি ১৯৯৬ সালে আটলান্টায় অলিম্পিক্স দেখতে গিয়েছিলাম। আমি ব্যবস্থাপনা এবং সমন্বয় নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছিলাম। আমি দেখতে চেয়েছিলাম কীভাবে এত বিশাল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। একটি মজার বিষয় আমি লক্ষ্য করেছি যে যারা অলিম্পিক্স ভিলেজে ভ্রমণ করে তাদের গাড়ি প্রায় ২০০-২৫০ কিলোমিটার দূরে পার্ক করতে হয়। সেখান থেকে তারা বাসে ওঠেন। কালার কোড দিয়ে বাস-ট্রেন সব যানবাহন চলত। আমি অলিম্পিক্সের জন্য তৈরি করা আমার টিমকে বলেছি অলিম্পিক্স এবং এই ধরনের বৈশ্বিক ইভেন্ট আয়োজনের অন্যান্য খুঁটিনাটি অধ্যয়ন করতে।” 

    আরও পড়ুন: ভারতে ৩৮০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে আইডিএফসি, জানালেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

    মোদির আশা

    প্রসঙ্গত, বিগত বছরগুলিতে অলিম্পিক্স (Olympics 2036), এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ গেমসের মতো ইভেন্টে ভালো ফল করেছে ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা। নীরজ চোপড়ার হাত ধরে ভারত অলিম্পিক্সের ট্র্যাক-ফিল্ড ইভেন্ট থেকে প্রথম পদক পেয়েছে ২০২১ সালে। তাও আবার সোনা। এই আবহে ভারতকে ক্রীড়া জগতে উজ্জ্বল নক্ষত্রে পরিণত করতে ছক কষছে মোদি সরকার। আর এর জন্যে ভারতে অলিম্পিক্স প্রতিযোগিতা আয়োজনের তোড়জোড় চালাচ্ছে কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “অলিম্পিক্স আয়োজনের জন্য আমাদের মানবসম্পদের বিকাশ ঘটাতে হবে, পরিকাঠামো প্রস্তুত করতে হবে, কী কী প্রয়োজন তা বুঝতে হবে… একই সঙ্গে, আমাদের ভারতের ক্রীড়াবিদদের প্রস্তুত করতে হবে। আমরা যদি অলিম্পিক্স আয়োজন করি, তাহলে অন্য কেউ কীভাবে স্বর্ণপদক নিতে পারে?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rash Behari Bose: আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন তাঁর হাতেই, আজ বিপ্লবী রাসবিহারী বোসের জন্মদিন

    Rash Behari Bose: আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন তাঁর হাতেই, আজ বিপ্লবী রাসবিহারী বোসের জন্মদিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহান বিপ্লবী রাসবিহারী বোসের জন্মদিন আজ। ১৮৮৬ সালের ২৫ মে বর্ধমান জেলার (বর্তমানে পূর্ব বর্ধমান) সুবলদহ গ্রামে তাঁর জন্ম হয়। বিপ্লবী রাসবিহারী বোসের (Rash Behari Bose) রোমহর্ষক কর্মকাণ্ড, স্বদেশপ্রম, দেশের স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম তাঁকে ইতিহাসে অমর করে রেখেছে। রাসবিহারী বোস স্থান পেয়েছেন সাহিত্যেও। অনেকের মতে, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ‘পথের দাবী’ উপন্যাসের সব্যসাচী চরিত্র যেন রাসবিহারী বোসের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়।

    আমি রাসবিহারীকে দেখেছি 

    আরও বিভিন্ন সাহিত্যে তুলে ধরা হয়েছে বিপ্লবীর (Rash Behari Bose) বীরত্ব গাধা। এমনই একটি বই হল – ‘আমি রাসবিহারীকে দেখেছি’, লেখক নারায়ণ সান্যাল। এই বইতে নারায়ণ সান্যাল লিখছেন, প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে লোকটা ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছে, সঙ্গী আছেন নদীয়ার বসন্ত বিশ্বাস। হঠাৎই তিনি অল্পবয়সী সঙ্গীকে বললেন, ‘‘ভাল দেখে দুটো পাটনার টিকিট নিয়ে আয়।’’ লোকটাকে এর আগে দেখেনি বসন্ত বিশ্বাস! তারপর এই ধরনের কথাবার্তার জন্য ঠিকঠাক বনিবনাও হচ্ছিল না। সে বলল, ‘‘টিকিট আবার ভাল দেখে খারাপ দেখে হয় নাকি!!” আহ! কথা বাড়াস নি, টিকিট নিয়ে আয়। টিকিট এল পাটনার। লোকটি বসন্ত বিশ্বাসকে নিয়ে ছুটে গিয়ে উঠল দেরাদুন এক্সপ্রেসে। বসন্ত বিশ্বাস এবার নিশ্চিত হল লোকটা পাগল। ট্রেনে উঠেই বাথরুমে। বহুক্ষণ পর বেরিয়ে এসে বললেন, ‘‘দেখিস নি একটা টিকটিকি আমাকে ফলো করছিল, বেচারা কাল সকালে পাটনায় নেমে আমাকে খুঁজবে, ভেরি প্যাথেটিক।’’ লেখকের আরও সংযোজন, ‘‘দিল্লির বুকে বড়লাট লর্ড হার্ডিঞ্জের ওপর বোমা পড়ল। ওদিকে দেরাদুনে সন্ত্রাস বিরোধী সভা শুরু হল। সভাপতি রাসবিহারী বোস (Rash Behari Bose)। সেকি ভাষণ!! বন্ধু পুলিশ কী করছিল! গোয়েন্দারা এখন কোথায়!! এ যে ভারত আত্মার ওপর হামলা! সারা পৃথিবী আমাদের দিকে তাকিয়ে হাসছে। এমন ঘৃণ্য ঘটনা যারা ঘটায় তাদের দিল্লির চাঁদনি চকে প্রকাশ্যে ফাঁসি দেওয়া উচিত! পিছনের সারিতে বসে এই ভাষণ শুনছিল বসন্ত বিশ্বাস। সদ্য সে হার্ডিঞ্জকে বোমা মেরে এসেছে। নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছিল না সে। এসব কথা কে বলছেন? যিনি নিজের হাতে  আমাকে বোমা বানাতে শিখিয়েছিলেন! যিনি নিজে বোমা নিক্ষেপের সময় আমার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। শ্রদ্ধায় ভক্তিতে মাথা নত হয় তার।’’

    ব্রিটিশ পুলিশ অতি সক্রিয় হয়েও ধরতে পারেনি তাঁকে  

    রাসবিহারী বোস (Rash Behari Bose) সম্পর্কে ওই বইতে আরও লেখা রয়েছে, সুনীল ঘোষ, দুঁদে গোয়েন্দা! স্বীকারোক্তি দিচ্ছেন ‘‘ঘড়িয়ালটাকে আমি প্রচুর টাকা দিয়েছি, রাজভক্ত কর্মচারী হিসেবে বিপ্লবীদের ধরিয়ে দেওয়া নাকি তার কর্তব্য!! তাকে আমি এজেন্ট রেখেছিলাম ! আমার কাছে টাকা নিয়ে সে বিপ্লবীদের জন্য বোমা বানাতো।’’ সমগ্র ব্রিটিশ প্রশাসনকে চোখের জলে, নাকের জলে করে ছেড়েছিলেন। তিনিই ছিলেন একমাত্র বিপ্লবী যাঁকে শেষ দিন পর্যন্ত অতিসক্রিয় হয়েও ব্রিটিশ পুলিশ ধরতে পারেনি।

    প্রাথমিক জীবন

    মাত্র তিন বছর বয়সেই রাসবিহারী বোসের মাতৃদেবী পরলোক গমন করেন এরপরে তিনি তাঁর মামার কাছে মানুষ হন। জানা যায় রাসবিহারী বসু প্রাথমিকভাবে তাঁর দাদু কালীচরণ বোসের তত্ত্বাবধানে সুবলদহে এবং পরবর্তীকালে চন্দননগরের ডুপ্লে কলেজে শিক্ষা লাভ করেন। তৎকালীন সময়ে সারা দেশে ব্রিটিশ শাসন থাকলেও চন্দননগর ফরাসি শাসনের অধীনে ছিল। বাল্যকালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা আনন্দমঠ উপন্যাস পড়ে তিনি অনুপ্রাণিত হন। তাঁর জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষণ ঘটে স্বামী বিবেকানন্দের বিভিন্ন লেখা এবং বক্তৃতা পড়ে। জানা যায়, বিপ্লবী তাঁর বাবার ইচ্ছায় সিমলা চলে যান এবং সেখানে সরকারী প্রেসে কাজ করতে থাকেন। এরপর সেখান থেকে এক সহকর্মীর পরামর্শে বিপ্লবী মহানায়ক প্রমথনাথ ঠাকুরের বাড়িতে দেহরাদুনে থাকতে শুরু করেন। সেখানে ‘দেরাদুন ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউশন’-এ কেরানির চাকরি করতে থাকেন তিনি।

    ১৯১২ সালে বড়লাটের ওপর বোমা নিক্ষেপ

    ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের পরে বিভিন্ন বিপ্লবী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়তে থাকেন রাসবিহারী বসু (Rash Behari Bose)। তিনি ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের (বাঘা যতীন)। ১৯১২ সালে ২৩ ডিসেম্বর দিল্লিতে তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের ওপর বোমা নিক্ষেপ করা হয়। যার মূল কারিগর ছিলেন রাসবিহারী বসু নিজে। সঙ্গী ছিলেন দুজন, বসন্ত বিশ্বাস ও অবোধ বিহারী বোস। দিল্লির শোভাযাত্রায় মহিলার বেশে বোমা ছোঁড়ার আগে বসন্ত বিশ্বাস প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন দেরাদুনে। প্রশিক্ষক ছিলেন রাসবিহারী বসু। টিনের সিগারেটের কৌটোতে পাথর ভরে, তা ছুড়তেন বসন্ত বিশ্বাস। ১৯১২ সালে ২৩ ডিসেম্বর বড়লাট হাতির পিঠে সওয়ার ছিলেন। সেসময় বোমা ছোড়া হয় তাঁর ওপরে। বোমার আঘাতে জখম বড়লাটকে ডাক্তার এসি সেনের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। অবোধ বিহারী ও বসন্ত বিশ্বাস দুজনেরই ফাঁসি হয়। কিন্তু রাসবিহারী বোসকে শেষ পর্যন্ত ব্রিটিশ পুলিশ ধরতে পারেনি।

    সেনা বিদ্রোহের প্রচেষ্টা 

    বড়লাট মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেলেও রাসবিহারী বসুর বিপ্লবী প্রচেষ্টা অব্যাহত ছিল। ১৯১৪ সাল নাগাদ, ভারতের বিপ্লবী কাজকর্মের জন্য আমেরিকা, কানাডা থেকে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক পদার্থ ভারতে আনা হয়েছিল। এই কাজগুলি করত মূলত আমেরিকার গদর পার্টি। এই সময়ে সামনে আসেন বিষ্ণু গনেশ পিংলার নাম। যিনি আমেরিকারতে একজন প্রশিক্ষিত গদর পার্টির নেতা। তিনি বারাণসীতে রাসবিহারী বোসের সঙ্গে দেখা করেন এবং এক বড় বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করেন। সেই মতো ১৯১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সেনাবাহিনীতে বিপ্লব করার দিনক্ষণ স্থির করা হয়। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী, সমস্ত পুলিশ ফাঁড়িগুলিকে দখল করে নেওয়া হবে, এমন পরিকল্পনা করা হয়। কিন্তু মাত্র ছয় দিন আগে ১৫ ফেব্রুয়ারি কৃপাল সিং এর বিশ্বাসঘাতকতায় এই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।

    ছদ্মবেশে দেশ ত্যাগ ও জাপানে গিয়ে বিবাহ 

    এরপরেই ওই বছরেই অর্থাৎ ১৯১৫ সালের ১২ মে রাজ রাসবিহারী বসু ছদ্মবেশে কলকাতা ত্যাগ করেন। তিনি রাজা পিএন ঠাকুর হিসেবে জাপানে যান এবং নিজেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দূর সম্পর্কের আত্মীয় হিসেবে পরিচয় দেন। সে মতো পাসপোর্টও তিনি বানিয়েছিলেন। অনেক ঐতিহাসিক বলেন যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাকি অবগত ছিলেন রাসবিহারী বসুর এই ছদ্মবেশ সম্পর্কে। ১৯১৫ সালের ২২ মে সিঙ্গাপুরে এবং ওই বছরের জুন মাসে তিনি টোকিওতে পৌঁছান। ১৯১৫ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত রাসবিহারী বসু সতেরোবার তাঁর আবাসস্থল পরিবর্তন করেন বলে জানা যায়। পরবর্তীকালে তিনি বিয়ে করেন জাপানেই এবং সেখানকার নাগরিকত্ব নেন। তাঁর স্ত্রীর নাম ছিল তোসিকো। তাঁদের দুই সন্তান ছিল। একটি ছেলে এবং অপরটি মেয়ে। ছেলের নাম ছিল মাসাহিদ আর মেয়ের নাম ছিল তেতাকু।

    আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন 

    ১৯৪২ সালের ২৮ মার্চ টোকিও-তে একটি সম্মেলনের পরে তিনি ‘ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্স লিগ’ কে প্রতিষ্ঠা করেন। এরপরেই সেই লীগের সভাপতি করার কথা ঘোষণা করেন সুভাষচন্দ্র বসুকে। জাপানিদের হাতে বন্দি ভারতীয় সেনাদের ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্স লিগ এবং ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মিতে যোগদান করানো হয়, যা আজাদ হিন্দ ফৌজ নামে পরিচিত। ১৯৪৫ সালের ২১ জানুয়ারি রাসবিহারী বসু (Rash Behari Bose), দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার আগেই টোকিওতে প্রয়াত হন। জাপান সরকার তাঁকে সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত করে। ‘দ্য সেকেন্ড অর্ডার অফ মেরিট অফ দ্য রাইসিং সান’ সম্মান লাভ করেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyber Crime: সাইবার জালিয়াতি রুখতে ৩ হাজারেরও বেশি সোশ্যাল সাইট, লিঙ্ক বন্ধ করল কেন্দ্র

    Cyber Crime: সাইবার জালিয়াতি রুখতে ৩ হাজারেরও বেশি সোশ্যাল সাইট, লিঙ্ক বন্ধ করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনে দিনে বাড়ছে সাইবার জালিয়াতির ঘটনা। আর এবার সাইবার জালিয়াতি (Cyber Crime) আটকাতে কড়া পদক্ষেপ নিল সরকার। একসাথে ৩০০০টিরও বেশি ভুয়ো সোশ্যাল মিডিয়ার (Social Media) সাইট, ওয়েবসাইট ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ বন্ধ করে দেওয়া হল। জানা গিয়েছে ১৪সি এবং রাজ্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির সুপারিশে ৩৪০১টি ইউআরএল এবং ৫৯৫ টি অ্যাপ আইপিসির আইটি আইনের ৬৯এ ধারার অধীনে ব্লক করা হয়েছে। এরমধ্যে প্রায় ৯০% ফিশিং এবং জালিয়াতি সাইট মেটা অ্যাপে প্রচারিত হয়েছিল।

    এ প্রসঙ্গে সাইবার জালিয়াতি (Cyber Crime) বিভাগের সিইও রাজেশ কুমার বুধবার জানান, তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৭৯(৩)বি এর অধীনে সাইবার অপরাধ সম্পর্কিত আইনের উপর ভিত্তি করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

    সাইবার জালিয়াতির পদ্ধতি 

    এদিন রাজেশ কুমার জানান, সাইবার ক্রাইমের অপরাধীরা স্ক্যাম বা অপরাধ করার জন্য মূলত তিনটি সিস্টেমের অপব্যবহার করে থাকে। প্রথমটি হল, টেলিকম অবকাঠামো। যার মাধ্যমে সিম কার্ড এবং মোবাইল ফোন ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করা হয়। দ্বিতীয়টি হল, ইন্টারনেট। অর্থাৎ ভুয়ো অনলাইন বিজ্ঞাপন বা বিভিন্ন অ্যাপস এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রতারণা বা জালিয়াতি (Cyber Crime) করা। আর তিন নম্বরটি হল আর্থিক পরিষেবা, অর্থাৎ বিভিন্ন ধরনের আর্থিক স্কিমের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণা করা। 

    এই স্কিমগুলি সাধারন মানুষকে প্রায়ই প্রচুর লাভের প্রতিশ্রুতি দেয়। এটা আসলে একটা কৌশল। সাইবার অপরাধীরা তাঁদের কৌশলের মাধ্যমে মানুষকে বোকা বানিয়ে প্রলুব্ধ করে তাদের টাকা হাতিয়ে নেয়। এই আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনা বর্তমানে  অনেক বেড়েছে। সব ক্ষেত্রেই বড় রিটার্নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণের টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারকরা। তাই এই জালিয়াতি বন্ধ করতেই এবার কড়া পদক্ষেপ নিল সরকার। 

    আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ থেকে সুরক্ষিত থাকতে কী করবেন, কী করবেন না-জানুন

    ভুয়ো একাউন্ট ফ্রিজ  

    জানা গিয়েছে এই সাইবার প্রতারণা (Cyber Crime) আটকাতে গত চার মাসে প্রায় ৩ লক্ষ্য ২৫ হাজার ভুয়ো একাউন্ট ফ্রিজ করেছে সরকার। এছাড়াও ২০২৩ সালের জুলাই মাস থেকে প্রায় ৫ লক্ষ ৩০ হাজার সিম কার্ড এবং ৮০ হাজারেরও বেশি আইএমইআই নম্বর বাতিল বা প্রত্যাহার করা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মোদির ‘নমামি গঙ্গে’ প্রকল্পের সুফল, ব্যাপক বংশবৃদ্ধি গাঙ্গেয় ডলফিনের

    PM Modi: মোদির ‘নমামি গঙ্গে’ প্রকল্পের সুফল, ব্যাপক বংশবৃদ্ধি গাঙ্গেয় ডলফিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত বিভিন্ন রাজ্যে গঙ্গা শোধন প্রকল্প হাতে নিয়েছিল নরেন্দ্র মোদির সরকার (PM Modi)। গঙ্গার দূষণ রোধ ও বিভিন্ন ঘাট সংস্কারের জন্য বরাদ্দও হয়েছিল কোটি কোটা টাকা। প্রকল্পের নাম ছিল ‘নমামি গঙ্গে’। এই প্রকল্পে পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ ও বিহারের জন্যও নানা সময় বরাদ্দ হয়েছে মোটা অঙ্কের টাকা। এই প্রকল্পে ২০২২ সালেই পশ্চিমবঙ্গের জন্য ২৫টির বেশি নিকাশি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছিল মোদি সরকার।

    গাঙ্গেয় ডলফিনের বংশবৃদ্ধি (PM Modi)

    এই নমামি গঙ্গে (PM Modi) প্রকল্প রূপায়িত হওয়ায় ক্রমেই সংসার বাড়ছে লুপ্ত হতে বসার জোগাড় গাঙ্গেয় ডলফিনের। গঙ্গার স্বচ্ছ জলেই বাস ডলফিনের একটি প্রজাতির। এই প্রজাতির ডলফিন গাঙ্গেয় ডলফিন নামেই পরিচিত। দূষণের জেরে যারা হারিয়ে যেতে বসেছিল, নমামি গঙ্গে প্রকল্পের জেরে তারাই বাড়ছে ঝাড়েবংশে। ভারতের ওয়াইল্ড লাইফ ইনস্টিটিউটের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান বলছে গঙ্গা ও তার শাখানদীগুলিতে এই মুহূর্তে ডলফিন রয়েছে ৪ হাজারের কাছাকাছি। এর মধ্যে কমবেশি ২ হাজার গঙ্গা ডলফিন রয়েছে উত্তরপ্রদেশে। যার জেরে উৎসাহিত উত্তরপ্রদেশ সরকার নয়া পর্যটন নীতি নিয়েছে। চম্বল স্যাংচুয়ারিকে তারা ডলফিন স্যাংচুয়ারি বলেও ঘোষণা করেছে।

    ডলফিনের সংখ্যা দ্বিগুণের লক্ষ্যমাত্রা

    ডলফিন প্রজেক্টের কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর পরেই বেড়ে গিয়েছে ডলফিন নিয়ে আমজনতার আগ্রহ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নমামি গঙ্গে প্রকল্পে যে কেবল গঙ্গার দূষণ কমেছে তাই নয়, ডলফিনের বংশবৃদ্ধি হওয়ায় এই প্রাণীটি সম্পর্কে সাধারণ মানুষের আগ্রহও বাড়ছে। আধিকারিকরা জানান, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানুষের অংশগ্রহণের ফলে সফল হয়েছে নমামি গঙ্গে প্রকল্প। ২০৩০ সালের মধ্যে বিপন্ন প্রজাতির গাঙ্গেয় ডলফিনের সংখ্যা দ্বিগুণ করতে একটা লক্ষ্যমাত্রাও স্থির করা হয়েছে।

    আর পড়ুন: ভারতে ৩৮০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে আইডিএফসি, জানালেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

    নমামি গঙ্গে প্রকল্পে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বিভিন্ন রাজ্য সরকার, নদী বিশেষজ্ঞ, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং গঙ্গা যে অঞ্চলের মধ্যে দিয়ে বয়ে গিয়েছে, সেখানকার বাসিন্দারা। এই প্রকল্প রূপায়িত হওয়ায় যেহেতু দূর হয়েছে গঙ্গার ময়লা, তাই এই নদী ও শাখানদীগুলি হয়ে উঠেছে গাঙ্গের ডলফিনের বিচরণ ক্ষেত্র। যা যে কোনও জলজ প্রাণীর বংশবৃদ্ধির অন্যতম একটি কারণ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। প্রসঙ্গত, গাঙ্গেয় ডলফিনের দেখা মেলে কেবল ভারতীয় উপমহাদেশেই (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: নন্দীগ্রামের পর মহিষাদলে খুন আরও ১, ভোটের দিনেও উত্তেজনা রাজ্যে

    Lok Sabha Election 2024: নন্দীগ্রামের পর মহিষাদলে খুন আরও ১, ভোটের দিনেও উত্তেজনা রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট গ্রহণের দিনেও অশান্ত তমলুক লোকসভা (Lok Sabha Election 2024)। খুন আরও এক ব্যক্তি। ষষ্ঠ দফা লোকসভা নির্বাচনের মাত্র একদিন আগেই নন্দীগ্রামে খুন হয়েছিলেন বিজেপি মহিলা কর্মী। ক্ষোভের আগুনে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল গোটা এলাকা। ভোটের দিন মহিষাদলের বেতকুণ্ডুতে এক জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের দাবি মৃত ব্যক্তি তৃণমূল কর্মী ছিলেন। লোকসভার ভোটে রক্তাক্ত হয়েছে তমলুক লোকসভা। গণতান্ত্রিক উৎসবে শাসক দলের বিরুদ্ধে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

    ভোটে কেন খুন (Lok Sabha Election 2024)?

    জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম শেখ মইবুল। তাঁকে গতকাল শুক্রবার কুপিয়ে খুন করা হয় বলে জানা গিয়েছে। তবে তৃণমূলের তির বিজেপির দিকে। প্রথমে বচসা হয় এরপর দুই পক্ষের সঙ্গে হাতাহাতি হন। এরপর বাসুলিয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। অপরে ঘটনায় বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, রাজ্যের সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করেছে তৃণমূল। এই তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে পরিকল্পনা করে মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। মানুষের মনে ভয় তৈরি করে নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) পরিবেশকে ভয়ভীতিপূর্ণ পরিবেশ করা হচ্ছে। গত বিধানসভা, পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজনৈতিক খুনের ঘটনা রাজ্যে ব্যাপক ভাবে হয়েছে। সব ক্ষেত্রে আঙ্গুল ছিল তৃণমূলের দিকেই। 

    আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন অভিজিৎ

    এই ষষ্ঠ দফা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) আগে রাজনৈতিক হিংসার কথা বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে মহিলা বিজেপি কর্মীকে খুন করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি রয়েছেন এই মৃত মহিলার ছেলে। ভোটের আগে থেকে রাতভর সন্ত্রাস চালায় দুষ্কৃতীরা। এই বিজেপি প্রার্থী বলেন, “পুলিশ সন্ত্রাস করছে। পুলিশের গায়ে উর্দি আছে তাই সন্ত্রাস করার অনুমতি পেয়ে গিয়েছে। মমতা-অভিষেক পরিকল্পনা করে এই সব করাচ্ছেন। ভোট শান্তিপূর্ণ না করার চক্রান্ত চলেছে রাজ্যে।”

    আরও পড়ুনঃ অনুব্রত অনুগামীদের পার্টি অফিস থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করা হল, অভিযুক্ত তৃণমূল

    এই তমলুক কেন্দ্র প্রথম থেকেই সকলের নজরে রয়েছে। এক দিকে বিজেপির প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, যিনি এসএসসি সহ একাধিক দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূল সরকারের বিপক্ষে রায় দিয়েছিলেন। একাধিক তৃণমূল নেতা-মন্ত্রী-বিধায়ক জেলে গিয়েছেন। আবার এই লোকসভা কেন্দ্রের একটি বিধানসভা নন্দীগ্রাম বিধানসভা। এই কেন্দ্রে বিজেপির হয়ে শুভেন্দুর কাছে ভোটে হেরেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে লোকসভার ভোটের জয়-পরাজয়ের একটি বিশেষ কেন্দ্র হিসেবে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে এই লোকসভা কেন্দ্র।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অনুব্রত অনুগামীদের পার্টি অফিস থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিল তৃণমূলই !

    Anubrata Mondal: অনুব্রত অনুগামীদের পার্টি অফিস থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিল তৃণমূলই !

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের দখল নিয়ে তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটে। অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) অনুগামীদের কার্যালয় থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন তৃণমূল বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী গোষ্ঠীর অনুগামীরা। দরজায় তালা লাগিয়ে দেন তাঁরা।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Anubrata Mondal)

    গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় থেকে মঙ্গলকোটে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব রাজনৈতিক মহলে চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বীরভূমের প্রভাবশালী নেতা অনুব্রত (Anubrata Mondal) গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই মঙ্গলকোটে তাঁর অনুগামীরা দলের মধ্যে কোণঠাসা হতে শুরু করে। এবার ফের নতুনহাটে দলীয় কার্যালয়ের দখলকে ঘিরে প্রকাশ্যে দুই গোষ্ঠীর বিবাদ শুরু হয়। বিবাদমান দুই গোষ্ঠীর অন্যতম নেতা তথা অনুব্রত ঘনিষ্ঠ মঙ্গলকোট গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন উপপ্রধান শান্ত সরকারের অভিযোগ, আমাদের নেতা অনুব্রত। দাদা এখন জেলে বলে আমরা ব্রাত্য। আমাদের অনুগামীদের চড়-থাপ্পড় মেরে পার্টি অফিস থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। আর এই কাজ করেছে তৃণমূল বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরীর অনুগামী বর্তমান উপপ্রধার ছাহিম মল্লিকের দলবল। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকা উত্তপ্ত হতে থাকে। শান্ত সরকার তৃণমূল কংগ্রেসের মঙ্গলকোটে জন্মলগ্ন থেকে দল করে আসছেন। একদা অনুব্রতর স্নেহধন্য ছিলেন। আর তাঁরাই এখন দলের কাছে ব্রাত্য হয়ে পড়েছে। ঘটনার পর থেকেই অনুব্রত গোষ্ঠীর অনুগামীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে আসে মঙ্গলকোট থানার পুলিশ-সহ বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। দুই পক্ষকেই কার্যালয়ের সামনে থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর পুলিশের তরফেও তৃণমূলের ওই কার্যালয়ের দরজায় আরও একটি তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় রেমালের জন্য বঙ্গে একাধিক ট্রেন বাতিলের ঘোষণা দক্ষিণ পূর্ব রেলের

    পুলিশ তালা দিয়েছে পার্টি অফিসে

    মঙ্গলকোটের বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী বলেন, ‘অফিস কখনও কারও ব্যক্তিগত হয় না। তৃণমূলের অফিসে সমস্ত দলীয় কর্মীরা বসবেন। এলাকায় অশান্তি রুখতে পুলিশ ওই অফিসে তালা দিয়েছে। আবার সময় হলে অফিস খুলে দেবে। আমি দলের ঊর্ধ্বতন নেতাদের জানিয়েছি। নেতৃত্ব যা বলবে তাই হবে।’

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই প্রসঙ্গে বিজেপির বোলপুর জেলা সাংগঠনিক জেলা যুব মোর্চার সহ-সভাপতি মেঘনাথ দাস বলেন, তৃণমূলের জঘন্য রাজনীতিতে এলাকার মানুষ ক্ষোভে ফুঁসছে। পঞ্চায়েত ভোটে ওরা ভোট লুট করেছে। এখন নিজেদের মধ্যে লড়াই করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Eric Garcetti: ভারতে ৩৮০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে আইডিএফসি, জানালেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

    Eric Garcetti: ভারতে ৩৮০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে আইডিএফসি, জানালেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে ৩৮০ কোটি মার্কিন ডালার বিনিয়োগ করবে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ফিনান্স কর্পোরেশন (আইডিএফসি)। জানালেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেট্টি (Eric Garcetti)। ভারতে পরিকাঠামো এবং পুনর্নবীকরণ শক্তির প্রয়োজন মেটাতে ওই বিনিয়োগ করা হবে। মুম্বইয়ের ইন্দো-মার্কিন স্পেশ কর্পোরেশনের একটি অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন গারসেট্টি।

    কী বললেন গারসেট্টি? (Eric Garcetti)

    তিনি বলেন, “পরিকাঠামোগত প্রয়োজন এবং পুনর্নবীকরণ শক্তির পাশাপাশি আমেরিকা ভারতকে কৃষি, স্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক সার্ভিস ক্ষেত্রেও সাহায্য করবে।” মার্কিন-ভারত অ্যালায়েন্স ফর উইমেন ইকনোমিক এমপাওয়ারমেন্টের ক্ষেত্রে ভারতের অংশীদারিত্ব নিয়েও উৎসাহ প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, “মার্কিন-ভারত অ্যালায়েন্স ফর উইমেন ইকনোমিক এমপাওয়ারমেন্টের বিষয়টি শেয়ার করতে পেরে আমি ভীষণ খুশি। এটা (মার্কিন-ভারত অ্যালায়েন্স ফর উইমেন ইকনোমিক এমপাওয়ারমেন্ট) দুই বিশাল দেশের মধ্যে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপে গড়ে তুলেছে। ভারতে মহিলাদের আগাম নিরাপত্তা দিতেই এই ব্যবস্থা।” তিনি (Eric Garcetti) আরও বলেন, “দুই দেশ (ভারত ও আমেরিকা) কেবল যে উন্নয়নের দিকে এগোচ্ছে, তা নয়, প্রযুক্তির দিক থেকেও এগোচ্ছে।”

    একযোগে কাজের অঙ্গীকার!

    গারসেট্টি বলেন, “প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করছে। আমাদের পূর্ণ অর্থনৈতিক শক্তির অর্থই হল আমাদের নিজেদের দেশগুলোর ভালো হবে। এবং ভারত ও মার্কিন জোট তামাম বিশ্বকে দেখিয়ে দেবে, আমেরিকা ও ভারত কী না করতে পারে!” ভারত এবং আমেরিকা যে খনিজ, সেমিকন্ডাক্টর, প্রতিরক্ষা এবং মহাকাশের ক্ষেত্রেও একযোগে কাজ করছে, সে প্রসঙ্গেরও অবতারণা করেন এই মার্কিন রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, “জেট ইঞ্জিন এবং আন-আর্মড ভেহিক্যালস এবং পৃথিবীতে এই জাতীয় গ্রাউন্ড ব্রেকিং ওয়ার্ক এটা জানিয়ে দেয় যে অদূর ভবিষ্যতে আমরা এক সঙ্গে মহাকাশেও যেতে পারি।”

    আর পড়ুন: “ভোটের দিন পুলিশি সন্ত্রাসের জেরে বিজেপির কর্মীরা ঘরছাড়া!” সরব অভিজিৎ

    ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, “এ বছর মহাকাশে দুই দেশই গিয়েছিল, দুই দেশই আমাদের কোম্পানিগুলির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলছে, আমাদের দুই দেশের বাসিন্দাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠছে, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির, আমাদের বিনিয়োগকারীদের এবং আমাদের স্টার্টআপের ক্ষেত্রেও সম্পর্ক গড়ে উঠছে। নতুন কিছু পেতেই একযোগে কাজ করছি আমরা। মহাকাশই যে দুই দেশের উন্নতির জন্য শান্তিপূর্ণ জায়গা, সেটাও নিশ্চিত করতে চাইছি আমরা (Eric Garcetti)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share