Tag: Madhyom

Madhyom

  • Lok Sabha Election 2024: ভোটের দিন ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস, জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচন কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: ভোটের দিন ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস, জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তাহভর বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। বিশেষত, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির (Cyclonic Weather) সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস। এই অবস্থায় আগামী ২৫ মে ষষ্ঠ দফার ভোট (Lok Sabha Election 2024) পরিচালনা নিয়ে চিন্তিত নির্বাচন কমিশন। দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য কী কী পদক্ষেপ করা উচিত, তা নিয়ে বৈঠকে বসছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) আরিজ আফতাব। 

    কবে, কখন বৈঠক

    বুধবার বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সচিবের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Lok Sabha Election 2024)। সিইও দফতর সূত্রে খবর, বুধবার দুপুরে আলাদা আলাদা করে ওই বিষয়ে দু’টি বৈঠক করবেন সিইও আরিজ আফতাব। ওই বৈঠকে সশরীরে উপস্থিত থাকবেন বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সচিবও। আর ভার্চুয়াল মাধ্যমে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের জেলাশাসকেরা। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতার পাশাপাশি দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং নদিয়া জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে হাওয়া অফিস।  আগামী শনিবার ষষ্ঠ দফার ভোট। দুই মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া-সহ জঙ্গলমহল এলাকার নির্বাচন রয়েছে। ভোটের দিনে বৃষ্টি হলে অসুবিধায় পড়বেন ভোটাররা। কীভাবে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া চালানো হবে তা নিয়েও আলোচনা হবে।

    অতীত থেকে শিক্ষা

    এর আগে উত্তরবঙ্গে ভোটে (Lok Sabha Election 2024) দুর্যোগের ফলে কয়েকটি বুথ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সেই সময় বুথ সারিয়ে ভোট করাতে হয়েছিল কমিশনকে। তাই ভোটের সময় দুর্যোগ দেখা দিলে বিভিন্ন বুথ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে ফের আশঙ্কা করছে কমিশন। সেই মতো আগাম প্রস্তুতি নিতে বৈঠকে বসছেন কমিশনের আধিকারিক। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সঙ্গে ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিবেগে দমকা ঝোড়ো বাতাস বইবে। থাকবে বজ্রপাতের সতর্কতা। আগামী ২৩ মে-র মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন আন্দামান সাগরে একটি সবকটি জেলাতেই হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। আন্দামান সাগরে একটি নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। তার থেকে নিম্নচাপ (Cyclonic Weather) তৈরি হতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISIS: “টার্গেটে ছিল ইহুদি, খ্রিস্টান, বিজেপি ও আরএসএস” জেরায় স্বীকার করল জঙ্গিরা

    ISIS: “টার্গেটে ছিল ইহুদি, খ্রিস্টান, বিজেপি ও আরএসএস” জেরায় স্বীকার করল জঙ্গিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইহুদি, খ্রিস্টান, বিজেপি ও আরএসএস-এর নেতারা ছিল আইসিস (ISIS) জঙ্গিদের টার্গেটে। এমনটাই জানাল গুজরাট এটিএস। সম্প্রতি যে চারজন আইসিস জঙ্গিকে আহমেদাবাদ থেকে গ্রেফতার করে গুজরাট এটিএস তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

    ইহুদি, খ্রিষ্টান, বিজেপি ও আরএসএস নেতারা টার্গেটে ছিল

    গুজরাতে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, শ্রীলংকা থেকে ভারতে ঢুকে পড়া ওই চার আইসিস (ISIS) জঙ্গির কাছ থেকে যে সমস্ত কাগজপত্র এবং তথ্য উদ্ধার হয়েছে তা থেকে জানা যায় আত্মঘাতী জিহাদি জঙ্গিতে পরিণত হয়েছিল তাঁরা। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে একটি গোলাপি রঙের পার্সেল পাওয়া গিয়েছে। যার মধ্যে থেকে পাকিস্তানের তৈরি তিনটি পিস্তল, ২০ রাউন্ড কারতুজ এবং কালো রঙের আইসিসের পতাকা মিলেছে। গুজরাটের ডিজিপি বিকাশ সহায় প্রেস কনফারেন্স করে জানান, “আমেদাবাদ থেকে তাঁদের গ্রেফতার করার পর দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা জানিয়েছে পাকিস্তানের এক জঙ্গির কাছ থেকে নির্দেশ আসত। নির্দেশ ছিল ইহুদি, খ্রিস্টান, বিজেপি এবং আরএসএসের নেতাদের টার্গেট করতে হবে। তাঁদের মগজ ধোলাই করে শেখানো হয়েছিল এরা নাকি মুসলিমদের উপর অত্যাচার করে।”  

    পাকিস্তানি পিস্তল ও গুলি বাজেয়াপ্ত

    গুজরাট এটিএস জানিয়েছে ধৃতরা হল মোহাম্মদ নুসরত, মোহাম্মদ ফারিস, মোহাম্মদ রাসদিন এবং মোহাম্মদ নাফরান। এরা সকলেই শ্রীলংকার নাগরিক। গোয়েন্দা সূত্রে আরও খবর মুহাম্মদ নুসরাতের কাছে পাকিস্তানি ভিসা ছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ধৃত চার জঙ্গি পাকিস্তানের যেই হ্যান্ডলারের যোগাযোগে ছিল তাঁর নাম আবু। আবু একজন আইসিস জঙ্গি এবং পাকিস্তানে থাকে সামাজিক মাধ্যমে আবুর সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল শ্রীলংকার জঙ্গিদের। তাঁদের একাধিক টার্গেটকে গুলি করা ও আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য মগজ ধোলাই করা হচ্ছিল। এদের এই কাজ করার জন্য প্রাথমিকভাবে ৪ লক্ষ শ্রীলঙ্কান মুদ্রা দেওয়া হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: আইপিএল চলাকালীন হামলার ছক? চার সন্দেহভাজন আইসিস জঙ্গি গ্রেফতার

    ধৃতদের মোবাইল থেকে অনেকগুলি আইসিস (ISIS) জঙ্গিদের ভিডিও পাওয়া গিয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে এদের মোবাইল ফোনে আমেদাবাদের কাছে নানা চিরোদা বলে একটি এলাকার অনেকগুলি ছবি ছিল। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ওই এলাকায় হানা দিয়ে গোয়েন্দারা সেখান থেকে পাকিস্তানের তৈরি তিনটি পিস্তল, ২০ রাউন্ড কারতুজ ও আইসিস পতাকা বাজেয়াপ্ত করে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Abhishek Banerjee: সুভাষবাবু ভোট চাইতে আসলে গাছে বেঁধে রাখুন, বিস্ফোরক অভিষেক

    Abhishek Banerjee: সুভাষবাবু ভোট চাইতে আসলে গাছে বেঁধে রাখুন, বিস্ফোরক অভিষেক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ষষ্ঠ দফা নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হবে বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে ভোটের প্রচারে গিয়েছেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তিনি এদিন নির্বাচনী প্রচার সভা করেন শালতোড়ায়। এরপর বিজপির প্রার্থী সুভাষ সরকারের বিরুদ্ধে উস্কানি মূলক ভাষণ দেন। তিনি প্রকাশ্য সভায় বলেন, “সুভাষবাবু যখন ভোট চাইতে আসবেন সেই সময় গাছে বেঁধে জিজ্ঞাসা করুন, আপনার দলের সদস্য বলেছেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করতে চায়। আপনার অবস্থান কী? আমি বলব তাঁকে শৌচালয় পরিষ্কার রান।” উল্লেখ্য এই তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন অরূপ চক্রবর্তী। সুভাষ সরকার অবশ্য ২০১৯ সালে বাঁকুড়া কেন্দ্রে জয়ী হয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হয়ে ছিলেন।

    কী বললেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)?

    এদিন ভোটের প্রচারে এসে অভিষেক (Abhishek Banerjee) বিজেপিকে হুমকি দিয়ে বলেন, “সুভাষ সরকারকে বলুন রিপোর্ট কার্ড আনতে। তিনি কী করছেন? আমাদের সরকার কী করছে? বিজেপির সাংসদ কি বাঁকুড়ার জন্য একটাও ব্লকে বৈঠক করেছেন? মানুষের ১০০ দিনের কাজের জন্য কি দিল্লিতে চিঠি লিখেছেন। পাঁচ বছরের টানা সাংসদ ছিলেন। মাত্র পাঁচ সপ্তাহের জন্য সময়দেননি। যেই ভোট ঘোষণা হয়েছে পায়ের জুতো পালিশ করছেন, আবার লোকের গায়ে সাবান মাখিয়ে দিচ্ছেন। আমি বলব তাঁকে শৌচালয় পরিষ্কার করান। আপনাদের পাঁচ বছর ঠকিয়েছে আপনারাও তাঁদের ঠকান।”

    আর কী বললেন?

    এদিন নির্বাচনের প্রচারে এসে বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) আরও বলেন, “আমি বলছি বিজেপির নেতা কর্মীরা ভোট চাইতে গেলে গাছে বেঁধে রাখবেন। মারবেন না। শুধু বেঁধে রাখবেন। ২০২১-এ বাংলায় হারার পর ১০ পয়সা আবাসের বাড়ির জন্য রাজ্যকে দেয়নি। যদি প্রমাণ করতে পারে টাকা দিয়েছে আমি রাজনীতির আঙিনায় পা রাখব না। কানে শুনে নয়, চোখ দিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। ১০ বছর আগে মাওবাদী হামলা, সন্ত্রাস, সিপিএমের খুনোখুনি রাজনীতি চলত। মানুষ জল পেত না, আমাদের সরকার জল এনে দিয়েছে। তৃণমূলকে ভোট দেননি এমন ব্যক্তিদের সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ হিন্দু-মুসলিম সকলের ভোটে জয়ী হবেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, বার্তা শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Burdwan: আরপিএফের ওপর হামলায় অভিযুক্ত তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যরা, রণক্ষেত্র বর্ধমান স্টেশন

    Burdwan: আরপিএফের ওপর হামলায় অভিযুক্ত তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যরা, রণক্ষেত্র বর্ধমান স্টেশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের সঙ্গে আরপিএফের গন্ডগোলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বর্ধমান (Burdwan) স্টেশন চত্বর। আরপিএফ কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের বিরুদ্ধে। স্টেশনের মধ্যেই এই হামলার ঘটনায় সাধারণ যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়়েন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Burdwan)

    বেশ কয়েকদিন ধরেই বারে বারে সাধারণ ট্রেন যাত্রীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছিল। চলন্ত ট্রেনের কামরায় তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যরা সাধারণ ট্রেন যাত্রীদের কাছে থেকে টাকা আদায় করছে জোরপূর্বক। টাকা দিতে অস্বীকার করলে ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ আসে ট্রেন যাত্রীদের কাছ থেকে। অভিযোগ পেয়ে মঙ্গলবার বর্ধমান (Burdwan) স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে বিশেষ অভিযান চালানো হয় আরপিএফের পক্ষ থেকে। আর তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে আরপিএফ কর্মীদের সঙ্গে তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের একাংশের ঝামেলায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে আরপিএফের সঙ্গে বচসা শুরু হয় তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের। তারপর তাঁরা আরপিএফের তাড়া খেয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের বাইরে চলে যান। কিন্তু তারপরেই তাঁরা পাল্টা হামলা করেন বলে অভিযোগ। প্ল্যাটফর্মের বাইরে আরপিএফের কর্মীরা তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের আক্রমণের মুখে পড়েন। আরপিএফ কর্মীদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের অভিযোগ. আরপিএফ বিনা কারণে তাঁদের কাজে বাধা দিচ্ছে ও মারধর করছে। তাঁদের ট্রেনে ও প্ল্যাটফর্মে কাজ করতে গেলে আরপিএফ প্রতিনিয়ত অত্যাচার করছে বলে দাবি তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের। প্রায় শ’দেড়েক সদস্য আরপিএফের অফিসের সামনে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ দেখান।

    আরও পড়ুন: অর্জুনের খাসতালুকে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    আরপিএফ আধিকারিক কী বললেন?

    বর্ধমান (Burdwan) স্টেশনের আরপিএফ ইন্সপেক্টর আশিস কুমার সরকার বলেন, যাত্রীদের যাতে তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যরা হেনস্থা না করে তারজন্য এদিন বিশেষ অভিযান চালানো হয়। ওরা দল বেঁধে এসে হামলা চালিয়েছে। আমাদের ৫ জন কর্মী জখম হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায় নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Igor Stimac: সুনীলের জন্যই কুয়েত ম্যাচ জিততে চান স্টিমাচ, দল নিয়ে কী বললেন কোচ?

    Igor Stimac: সুনীলের জন্যই কুয়েত ম্যাচ জিততে চান স্টিমাচ, দল নিয়ে কী বললেন কোচ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী মাসের ৬তারিখ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ফিফা বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ারে ভারতের (Indian Football Team) মুখোমুখি কুয়েত। সেই ম্যাচের আগে ভুবনেশ্বরে চার সপ্তাহের প্রস্তুতি শিবির চলছে ভারতীয় দলের। হবে সেই জাতীয় শিবির। ভুবনেশ্বর থেকে  চূড়ান্ত স্কোয়াড ২ জুন কলকাতায় পা রাখবে। তার চারদিন পরই বিশ্বকাপের যোগ্যতা পর্বে ভারতের সামনে কুয়েত (Kuwait)। ওই ম্যাচের পরই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেবেন ভারত অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী (Sunil Chhetri)। সুনীলের জন্যই ওই ম্যাচ জিততে চান ভারতের কোচ ইগর স্টিমাচ (Igor Stimac)। দলের ছেলেদের নিয়েও আশাবাদী তিনি।

    স্টিমাচের আশা

    দলের সিনিয়র প্লেয়াররা শিবিরে অংশ নিয়েছে। তাঁরাও প্রতিদিন অনুশীলন করছে এবং কুয়েত ম্যাচে নিজেদের সেরাটা দিতে বদ্ধ পরিকর বলে জানান স্টিমাচ (Igor Stimac)। তিনি বলেন, “সুনীল বড়ো ফুটবলার। ও জানে কোন সময় অবসরের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। ওর মনের কথা তো একমাত্র ওরই জানার কথা। আমি সম্মান জানাই ওর সিদ্ধান্তকে। আমি চাই, ৬ জুন ওর বিদায়ী ম্যাচকে যেন সব দিক দিয়ে সবার কাছে স্মরণীয় করে রাখতে পারি আমরা। খেলতে খেলতেই ও কিংবদন্তি হয়ে উঠেছে। এমন কৃতিত্ব ক’জনেরই বা আছে? প্রত্যেকের কাছেই ও প্রেরণা। দেশের জার্সির কাছে সম্পুর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ একজন খেলোয়াড় সুনীল। এখনকার তরুণ ফুটবলারদের ওকে অনুসরণ করা উচিত। আবেগ ও ভালোবাসা নিয়ে দেশের হয়ে মাঠে নামে ও। এতে যে অসীম আনন্দ পায় ও, তা তো নিজেই বলেছে”। সুনীল ছেত্রীর (Sunil Chhetri) সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে স্টিমাচ বলেন, “ওর মতো অসাধারণ এক মানুষের সঙ্গে কাজ করে আমি খুবই আনন্দ পেয়েছি। আমাদের মধ্যে কোচ-খেলোয়াড় সম্পর্কের চেয়েও বেশি কিছু ছিল। আমার বিশ্বাস, ফুটবল ছাড়ার পর ও সমাজের ওপর ভালো প্রভাব ফেলার মতো কিছু করবে। সর্বকালের সেরা হওয়ার জন্যই জন্মেছে সুনীল”।

    দর্শকপূর্ণ স্টেডিয়ামের আশা

    ইগর স্টিমাচ (Igor Stimac) ঘরের মাঠে দর্শকপূর্ণ স্টেডিয়ামে ম্যাচ খেলার পক্ষপাতী। কুয়েতকে হারাতে যুবভারতীর জনগর্জনই ভারতীয়  কোচের ভরসা। এই ম্যাচটি কলকাতায় খেলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন স্টিমাচ। ফেডারেশনও তাঁর দাবি মেনে নেয়। এরপরই অবসরের কথা জানান সুনীল (Sunil Chhetri)। সবদিক থেকে ৬ জুন ভারতীয় ফুটবলের একটি বিশেষ দিন হতে চলেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: প্রথম ৫ দফাতেই ৩১০ আসন পার বিজেপির, দাবি শাহের

    Amit Shah: প্রথম ৫ দফাতেই ৩১০ আসন পার বিজেপির, দাবি শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে এখনও পর্যন্ত পাঁচ দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাকি আরও দু দফা। আর এরই মধ্যে নাকি বিজেপি ৩১০টি আসনে জিতে গিয়েছে। বাকি দু দফা শেষে  ৪০০ পার করবে মোদি (PM Modi) সরকার। মঙ্গলবার ওড়িশায় এমনই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

    অমিত শাহের দাবি (Amit Shah)

    এখনও পর্যন্ত পাঁচ দফায় ৪২৮টি লোকসভা আসনে ভোট হয়েছে দেশ জুড়ে। শাহ দাবি করলেন এর মধ্যেই নাকি বিজেপি একাই ৩১০টি আসনে জিতে গিয়েছে। 

    উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে ৪২৮টি আসনের মধ্যে থেকে ২৫০-র গণ্ডিও পার করতে পারেনি এনডিএ। তবে এবার ওড়িশা থেকে অমিত শাহ (Amit Shah) নিজে জানালেন ফের তৃতীয় বারের মত দেশে নিজের সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি সরকার। 

    আরও পড়ুন: “খেতে যেতে পারেন, শুধু রাম লালার দর্শনে আপত্তি”, লালু-রাহুলকে কটাক্ষ মোদির

    তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসবে বিজেপি, দাবি শাহের 

    এবারের লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদীকে সামনে রেখে বিজেপির লক্ষ্য ৪০০-র বেশি আসনে জয়। অমিত শাহ (Amit Shah) জানান, পুরো দেশ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে, তৃতীয়বারের জন্য মোদিকে তারা প্রধানমন্ত্রী করবে ৷

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি ওড়িশায় নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে অমিত শাহ ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েককে কটাক্ষ করে বলেন, তাঁর নীতি ও শাসনের কারণে রাজ্যটি ৫০ বছর পিছিয়ে গিয়েছে। তিনি নবীনকে আক্রমণ করে আরও বলেন, ‘এই বছরটি নবীন পট্টনায়কের ক্ষমতা হারানোর বছর হতে চলেছে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “নেহরু থেকে রাহুল…”, চম্পারণে ইতিহাস টেনে কংগ্রেসকে তুলোধনা মোদির

    PM Modi: “নেহরু থেকে রাহুল…”, চম্পারণে ইতিহাস টেনে কংগ্রেসকে তুলোধনা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৬০ বছর দেশকে ধ্বংস করেছে কংগ্রেস। তিন-চারটে প্রজন্ম নষ্ট করেছে দেশের সবচেয়ে পুরনো এই রাজনৈতিক দল। সরাসরি অভিযোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বিহারের পূর্ব চম্পারণের (East Champaran) দলীয় সভায় প্রধানমন্ত্রী সরাসরি কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “ইন্ডিয়া জোটের কোন এজেন্ডা নেই। শুধুমাত্র মোদিকে গালাগালি করা ছাড়া তাঁদের কোনও কাজ নেই।”এদিন রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) নাম না করে বলেন তিনি বলেন, “কেউ চাইছে মোদির জন্য কবর খুঁড়বে। কেউ বলছে তারা মোদিকে কবর দিয়ে দেবে। কংগ্রেসের যুবরাজ চাইছেন মোদির চোখে জল দেখতে।” 

    স্বাধীনতা আন্দোলনে চম্পারণের ভূমিকা

    চম্পারণ থেকে সত্যাগ্রহ শুরু করেছিলেন মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী। নীল চাষের বিরুদ্ধে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল তাঁর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন গান্ধী। স্বাধীনতা আন্দোলনের মাটিতে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতা লগ্নে গান্ধীকে কীভাবে নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছিল কংগ্রেসের তৎকালীন নেতারা সেই কথা এদিন ফের মনে করালেন মোদি। এক্ষেত্রে নাম না নিলেও তাঁর নিশানায় ছিলেন জওহরলাল নেহরু। তিনি বলেন, “ক্ষমতায় আসার প্রথম দিনেই বাপুর নীতি আদর্শকে পুরোপুরি ছেড়ে দিয়েছিল।”

    রাহুলকে কটাক্ষ মোদির

    নাম না করে রাহুলকে কটাক্ষ করে নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, “যাঁরা রুপোর চামচ মুখে নিয়ে জন্ম নিয়েছেন, তাঁরা জানে না কঠিন পরিশ্রম কী জিনিস। আমি শুনেছি কেউ বলছে, ৪ জুনের পর মোদি বেড রেস্টে চলে যাবে। আমি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি, ভারতের কোনও মানুষ যাতে অসুস্থ হয়ে বেড রেস্টে না যায়। ভারতের প্রত্যেক মানুষ যেন শক্তিতে পরিপূর্ণ থাকে। কিন্তু যারা জঙ্গল রাজ চালিয়েছে তাঁদের কাছ থেকে আর কী আশা করা যায়। দেশ কারো ইচ্ছায় নির্ভর করে চলবে না। মোদি হয়তো ইন্ডি জোটের কয়েকজনের চোখের কাঁটা। কিন্তু মোদি এদেশের মানুষের হৃদয়ে আছে।”

    বিহারের সবচেয়ে বড় সমস্যা কর্মসংস্থান

    প্রসঙ্গত বিহারের সবচেয়ে বড় সমস্যা কর্মসংস্থান। শ্রমিক হিসেবে বিহারের একটা বড় অংশের মানুষ সারা ভারতবর্ষে এবং বিদেশে কাজ করেন। স্থানীয়ভাবে রোজগারের অভাব রয়েছে বিহারে। এর জন্য বিহারের কংগ্রেস এবং লালু জমানার জঙ্গলরাজকে দায়ী করলেন মোদি। প্রসঙ্গত ষষ্ঠ দফায় ২৫ মে ভোট রয়েছে দেশের নানান। প্রান্তে ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই ভোট চলবে ১ জুন পর্যন্ত। ৪ জুন দেশে গণনা হবে।

    আরও পড়ুন: ব্যাঙ্কিং সেক্টরে মুনাফা ছাড়াল ৩ লাখ কোটির ঘর, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    এদিন বিহারে ইন্ডি জোটের সহযোগী আরজেডিকে নিশানা করেন মোদি (PM Modi) । তিনি বলেন, “পঞ্চম দফার নির্বাচন হয়েছে। ওরা হেরে গিয়েছে। যখন ইভিএম খুলবে তখন দুনিয়া দেখবে কীভাবে ওরা হেরেছে। ইন্ডি জোটের পাপের সঙ্গে দেশ আর এগোতে পারবে না। ৪ জুন আরজেডি কংগ্রেসের উপর প্রহার হবে। দেশের সনাতনকে গালি দেওয়া, তুষ্টিকরণ ও দুর্নীতি করা দলগুলি ভেসে যাবে।”

  • Kalash Tribe: ‘আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটে’র ‘হারানো সন্তান’রা পালন করেন হিন্দুধর্ম!

    Kalash Tribe: ‘আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটে’র ‘হারানো সন্তান’রা পালন করেন হিন্দুধর্ম!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশটা ইসলামি। তার ওপর দেশটার নাম পাকিস্তান। সে দেশেই কোনওক্রমে অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছেন হাজার চারেক হিন্দু। এ যেন কয়েক হাজার ওয়াটের নিয়ন আলোর সামনে টিম টিম করে জ্বলা লণ্ঠন, কোনওক্রমে চালিয়ে যাচ্ছে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই! আজ্ঞে হ্যাঁ, আমরা পাকিস্তানের কালাশ (Kalash Tribe) হিন্দুদের কথাই বলছি। হিন্দুকুশ পর্বতের উপত্যকার জেলা চিত্রালে বাস করেন হাজার চারেক কালাশ সম্প্রদায়ের মানুষ। এঁরা মুসলমান নন।

    হিন্দুত্বের ধ্বজা (Kalash Tribe)

    হিন্দু গণহত্যার আবহেও ইসলামি এক রাষ্ট্রের বুকে এঁরা আজও উড়িয়ে চলেছেন হিন্দুত্বের ধ্বজা। মুসলমানদের কাছে এঁরা ‘কাফের’ নামে পরিচিত। যেহেতু এক সময় এই সম্প্রদায়ের প্রচুর মানুষ হিন্দুকুশ পর্বত অঞ্চলে বসবাস করতেন, তাই এই অঞ্চলের নাম ছিল ‘কাফেরস্তান’। ডুরান্ড লাইন বিভক্ত করেছে কাফেরস্তানকে। এদের একটা অংশের শাসক ছিল ব্রিটিশরা। অন্য অংশের বাসিন্দারা ছিলেন আফগান রাজা আমির আবদুর রহমানের অধীনে। নিজের অংশের প্রজাদের ধর্মান্তরিত করা হয়। এলাকার নাম বদলে রাজা করে দেন নুরিস্তান। ব্রিটিশদের অধীনে যাঁরা ছিলেন, তাঁর কালাশই রয়ে যান। এঁরা আজও সংস্কৃত ভাষা গোষ্ঠীর ইন্ডিক ল্যাঙ্গুয়েজে কথা বলেন।

    কোথায় বাস কালাশদের

    কালাশরা (Kalash Tribe) ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন বুম্বুরেট, রুম্বুর ও বিরির এই তিন উপত্যকায়। কালাশ অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে থাবা বসাতে পারেনি মৌলবাদ। এই সম্প্রদায়ের মানুষ পাকিস্তানের শাসন মানেন না। এঁরা নিজেদের গ্রীক বীর আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের সৈন্যের বংশধর বলে মনে করেন। তাই হাজার বছর ধরে লড়াই করেও কোনওক্রমে স্বতন্ত্র অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছেন কালাশরা। কালাশদের দাবি, ইসলামেরও জন্মের আগে ভারতে এসেছিলেন সিকান্দার-ই-আজম (আলেকজান্ডার)। ভারত জয় করে তিনি ফিরে যান গ্রিসে। তাঁর কিছু সৈন্য হিন্দুকুশ অঞ্চলে নৈসর্গিক সৌন্দর্যের প্রেমে পড়ে গিয়ে এখানেই থেকে যান। বিয়ে করেন স্থানীয় মহিলাদের। পাকিস্তানের মুসলমানরা যাঁদের কাফের বলেন, হিন্দুকুশের সেই কাফের কালাশরা তাঁদেরই বংশধর। কালাশদের (Kalash Tribe) জীবন বড় বর্ণময়। জীবনযাত্রার প্রয়োজনীয় সব কিছুই নিজেরাই তৈরি করে নেন তাঁরা। জীবিকা নির্বাহের জন্য এঁরা চাষবাস করেন, করেন পশুপালনও। কালাশ সমাজে নারী-পুরুষ সবাই সমান। তবে রজঃস্বলারা বা সন্তানের জন্ম দেওয়ার সময় মহিলাদের বাস করতে হয় গ্রামের প্রান্তের ‘বাশালেনি’ নামের একটি ঘরে।

    কালাশরাও পৌত্তলিকতায় বিশ্বাসী

    হিন্দুদের মতোই কালাশরাও পৌত্তলিকতা (পুতুল পুজো) বা মূর্তিপুজোয় বিশ্বাসী। এঁদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব তিনটি। মে মাসে হয় ‘চিলাম জোশি’, শরৎকালে যে সময় হিন্দুরা পালন করেন নবরাত্রি উৎসব, সেই সময় কালাশরা পালন করেন ‘উচাউ’। আর শীতকালের মাঝামাঝি একটি সময় তাঁরা পালন করেন ‘কাউমুস’ নামের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান। দেবতার বাসগৃহকে কালাশরা ‘ডেভালক’ বলেন। ‘কাউমুস’ উৎসবের সময় ‘টক’ গাছের (স্থানীয় ভাষায় জায়গাটার নাম ইন্দানকোট) কাছে জড়ো হন স্থানীয়রা। মন্দিরে হয় পুজো। পুরোহিতরা ভক্তদের গায়ে বুলিয়ে দেন জুনিপার গাছের পাতা। এই উৎসবে ছাগল উৎসর্গ করেন কালাশরা। তাঁদের বিশ্বাস, এই সময় তাঁদের দেবতা ‘বালোমেন’ ঘুরে ঘুরে শোনেন ভক্তদের প্রার্থনা। দেবতার উদ্দেশে এই সময় পাহাড়ে জ্বালানো হয় আগুন-মশাল। বাঁশি বাজিয়ে, ড্রাম বাজিয়ে সেই আগুনের চারপাশে ঘুরতে থাকেন এই সম্প্রদায়ের মানুষ। কালাশদের প্রধান দেবতা ‘বালোমেন’ হলেও, তাঁর ভাই ‘ইনডর’ও পূজিত হন। পুজো পান ‘সরিযান’, ‘গসিদাই’, ‘মুনজেম’ ‘মালিক’, ‘মাহানদিও’, ‘দেজাউ’, ‘জেস্টাক’, ‘ডেজলিক’ নামের দেবতারাও। অর্থাৎ হিন্দুদের মতোই কালাশরাও ঈশ্বরের বহুত্বে বিশ্বাসী। কালাশদের বিশ্বাস, ‘বালোমেনে’র রুদ্ররূপ হলেন ‘জেস্টান’। কুকুরের রূপ ধরে পৃথিবীতে আসেন তিনি।

    কী বলছেন গবেষকরা?

    সংস্কৃত ভাষা নিয়ে চর্চা করেন মিখাইল উইটজেল। ‘দ্য ওরিজিনস অফ দ্য ওয়ার্ল্ডস মিথোলজিস’ গ্রন্থে তিনি বলেছেন, “কালাশ ধর্মের কিছু প্রবাদ, আচার এবং সমাজব্যবস্থার সঙ্গে ঋগ্বেদে বর্ণিত তথ্যের মিল আমি পেয়েছি।” তিনি মনে করেন, কালাশরা প্রাচীন বৈদিক ধর্ম পালন করেন। ‘নিউইয়র্ক টাইমস’ অবশ্য ২০১৪ সালে লিখেছিল, “কালাশদের ডিএনএ বলছে, তাঁরা প্রাচীন ইউরোপীয় জনগোষ্ঠীর বংশোদ্ভুত।” মাইট্রোকন্ড্রিয়াল ডিএনএ রিপোর্ট বলছে, এশিয়ার সঙ্গে কালাশ উপজাতির জিনগত কোনও সম্পর্ক নেই, মিল রয়েছে পাশ্চাত্যের ইউরেশিয়ানদের।

    আর পড়ুন: “আরএসএসে ছিলাম, ফিরে যেতেও প্রস্তুত”, অবসর নিয়ে বললেন বিচারপতি দাশ

    ইউনিভার্সিটি মাস ডার্টমাউথের ইসলামিক স্টাডির অধ্যাপক তথা লেখক ব্রায়ান গ্লিন উইলিয়াম “দ্য লস্ট চিল্ড্রেন অফ আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট: আ জার্নি টু দ্য পাগান কালাশ পিপল অফ পাকিস্তান” শীর্ষক প্রবন্ধে লিখেছেন”, ঊনবিংশ শতাব্দীতে কালাশ উপজাতিকে নির্মমভাবে শেষ করার চেষ্টা করেছিল আফগানরা। তাঁদের প্রাচীন মন্দির ও দেবতার কাঠের মূর্তি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। তবে তাঁদের জীবনযাত্রার বিভিন্ন চিহ্ন, সমাজব্যবস্থার ধরন, সংস্কৃতিগত প্রমাণ ও ডিএনএ রিপোর্টও প্রমাণ করতে চলেছে তাঁরা আলেকজান্ডারের সৈন্যদের বংশধর।”

    পণ্ডিতদের একটা অংশের মতে, কালাশরা হিন্দু। নুরিস্তানকে তাঁরা বলেছেন প্রাচীন হিন্দুধর্ম। খ্যাতনামা নুরিস্তান ভাষাতত্ত্ববিদ রিচার্ড স্ট্র্যান্ড বলেন, “ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হওয়ার আগে নুরিস্তানের বাসিন্দারা প্রাচীন হিন্দু ধর্ম পালন করতেন (Kalash Tribe)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “খেতে যেতে পারেন, শুধু রামলালার দর্শনে আপত্তি”, লালু-রাহুলকে কটাক্ষ মোদির

    PM Modi: “খেতে যেতে পারেন, শুধু রামলালার দর্শনে আপত্তি”, লালু-রাহুলকে কটাক্ষ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহে আবারও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও আরজেডি সুপ্রিমো তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবকে কটাক্ষ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মঙ্গলবার চম্পারনের এক প্রচার সভা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। এদিন সেই সভা থেকেই রাহুল (Rahul Gandhi) ও লালুকে মটন পার্টি নিয়ে কটাক্ষ করলেন তিনি। প্রসঙ্গে উঠল সেই পুরনো লালু-রাহুলের মটন পার্টির ভাইরাল ভিডিও।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের একে অপরের বাড়িতে খাবার খেতে যাওয়ার সময় আছে কিন্তু রাম লালাকে দর্শন করার মত সময় তাদের কাছে নেই।” উল্লেখ্য, যখন জানুয়ারি মাসে অযোধ্যায় রাম লালার মন্দির প্রতিষ্ঠা হয় তখন সকলের মত রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) ও লালু প্রসাদ যাদবকেও আমন্ত্রন জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় সেই আমন্ত্রন উপেক্ষা করে রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, “রাম মন্দির বিজেপির রাজনৈতিক অনুষ্ঠান।” এবার সেই ঘটনাকে প্রসঙ্গে এনেই রাহুল-লালুকে তোপ দাগলেন প্রধানমন্ত্রী(PM Modi)।  

    আরও পড়ুন: শীঘ্রই চালু হবে নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট মেট্রোরুট! সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ শুরু অরেঞ্জ লাইনে

    অন্যদিকে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের একটি ভাইরাল ভিডিওর প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছিলেন তিনি। যেখানে দুই নেতাকে একসাথে “চম্পারন মাটন” প্রস্তুত করতে দেখা গেছে। সেই প্রসঙ্গেই এদিন এমন মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। 
    উল্লেখ্য, কদিন আগেই নবরাত্রির সময় তেজস্বী যাদবের মাছ খাওয়া নিয়ে বিতর্ক ঘনিয়েছিল। সেই বিতর্কেই তেজস্বী সহ তাঁর বাবা লালুপ্রসাদ থেকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, সকলকে খোঁচা মেরে মোদির (PM Modi) দাবি, কংগ্রেস-সহ ইন্ডিয়া জোটের নেতারা দেশের সংখ্যাগুরু মানুষের ধর্মীয় ভাবাবেগ নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই। একইসঙ্গে দুই তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ দলের নেতা লালু প্রসাদ ও রাহুল গান্ধীকে মোঘলদের মতো `বিধর্মী`দের সঙ্গেও তুলনা করেন মোদি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: ট্রলি পিছু ১০০ টাকা ভাগ তৃণমূল নেতার! মালদায় রমরমিয়ে চলছে বালি পাচার

    Malda: ট্রলি পিছু ১০০ টাকা ভাগ তৃণমূল নেতার! মালদায় রমরমিয়ে চলছে বালি পাচার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফুলহর নদী থেকে বালি খনন করা হচ্ছে। প্রায় ৮-১০ ফিট গর্ত করে বালি খনন করা হচ্ছে। এর ফলে নদীর ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। পাশেই রয়েছে আর্সেনিক জলের প্লান্ট এবং নদী বাঁধ। দুটোই ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মালদার (Malda) রতুয়ার কাহালা গ্রাম পঞ্চায়েতের শিবপুর ঘাটে। আর এই কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে রাজু সিংহ নামে এক তৃণমূল নেতার।

    বালির ট্রলি পিছু ১০০ টাকা ভাগ তৃণমূল নেতার (Malda)

    জানা যাচ্ছে, রাজু সিংহ নামে ওই তৃণমূল নেতা রতুয়া-১ ব্লক (Malda) তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন। মূলত তাঁর মদতেই নদীর বুক থেকে খনন করা হচ্ছিল বালি। সেই বালি ট্র্যাক্টরে বোঝাই করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে অন্যত্র। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, “বিগত কয়েকদিন ধরে ফুলহর নদী থেকে বালি খনন করা হচ্ছে। এর ফলে নদীর ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। তৃণমূল নেতা রাজু সিংহ ট্রলি পিছু ১০০ টাকা করে নিচ্ছেন। তৃণমূলের মদত থাকার কারণে প্রশাসন কিছু করে না।

    আরও পড়ুন: অর্জুনের খাসতালুকে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার সাফাই

    অভিযোগ অস্বীকার করে রতুয়া-১ ব্লক (Malda) তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি রাজু সিংহ বলেন, “আমাদের কাহালা আসুটোলা থেকে বাহারাল পর্যন্ত তিন কিলোমিটার পথশ্রী প্রকল্পের রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে। ফুলহর নদী সংলগ্ন এলাকায় জমিতে প্রচুর পরিমাণে বালি জমে যায়। এর ফলে জমির মালিকরা চাষবাস করতে পারে না। সেই জমির ওপরের বালি অংশটা তাঁদেরকে কেটে ফেলতে হয়। এই পথশ্রী প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার জমির মালিকের কাছে ন্যায্যমূল্য এবং সরকারি খাজনা কেটে বালি কিনে নিচ্ছেন। আর আমি কোনও টাকা নিইনি। এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ।”

    বালি তোলার জন্য কেউ আবেদন করেনি

    রতুয়া-১ ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের আধিকারিক সৌমিত্র কুমার বলেন, “মাটি কাটার পূর্বে নির্ধারিত একদিন আগে ভূমি ও ভূমি দফতরে আবেদন করতে হবে। সঙ্গে দিতে হবে জমির মালিকের সম্মতিপত্র এবং যেখান থেকে মাটি তোলা হবে এবং যেখানে মাটি ফেলা হবে উক্ত জমির কাগজপত্র। এখন অনলাইনের মাধ্যমে চালান কাটতে হয়। তবে আমাদের কাছে বালি কাটার জন্য কাহালা অঞ্চল থেকে কোনও আবেদন জম পড়েনি। নদী, ব্রিজ এবং বাঁধ সংলগ্ন এলাকা থেকে কোনওমতেই বালি এবং মাটি খনন করা যাবে না। এটা আইনত অপরাধ। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share