Tag: Madhyom

Madhyom

  • Suvendu Adhikari: হিন্দু-মুসলিম সকলের ভোটে জয়ী হবেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হিন্দু-মুসলিম সকলের ভোটে জয়ী হবেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ২৫ মে ষষ্ঠ দফা নির্বাচন। ইতিমধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচার। এই জেলার তমলুক কেন্দ্রের প্রার্থী হলেন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি এই তৃণমূল শাসনের শিক্ষক দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতি নিয়ে যুগান্তকারী রায় দিয়েছিলেন। তাঁর নির্দেশে একাধিক তৃণমূল নেতা-মন্ত্রী-বিধায়ক গ্রেফতার হয়েছেন। বিজেপিও তৃণমূলের বিরুদ্ধে তাঁকে প্রার্থী করে বিরাট চমক দিয়েছে। মঙ্গলবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu Adhikari), অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সমর্থনে নন্দীগ্রামে সভা করেন। সেখানে তিনি বলেন, “আমি চাইব কেবলমাত্র সনাতন হিন্দুদের সমর্থনে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, নন্দীগ্রাম থেকে লিড পাবেন তা নয়, সবার ভোট পাবেন।”

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    নন্দীগ্রামে এদিন লোকসভার প্রচার অভিযানে গিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ভুল বুঝিয়েছিল বলে আমি আপনাদের ভোট পাইনি। বুথগুলি আমি হিসেব করেছিলাম, ২০২১ সালে ৪০০–র মত রাষ্ট্রবাদী মুসলমান পেয়েছিলাম। বাম প্রার্থী পেয়েছিলেন ১২০০ ভোট। আর এলাকায় ভয়, সন্ত্রাস দেখিয়ে গায়ের জোরে এবং মিথ্যা কথা বলে বাকিটা পেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে অবশ্য মমতার মিথ্যা কথাগুলি ভুল প্রমাণিত হয়েছিল। মোদি জি বাংলাকে রামরাজ্য করতে চাইছেন। রামরাজ্য মনে মাথার উপর ছাদ। এই রাজ্যে ৪০ লক্ষ বাড়ি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ সুফিয়ানের বড় বড় বাড়ি থাকলেও, সাধারণ মানুষের বাড়ি নেই। কেন্দ্র সরকার ফ্রিতে মানুষকে রেশন দিচ্ছে। এই রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে ৩০০০ করে টাকা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দেওয়া হবে। বগটুই হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার হবে। ভোটের জন্য সংখ্যা লঘুদের ব্যবহার করেন মমতা।”

    আরও পড়ুনঃ কমিশনে মমতাকে নিয়ে মন্তব্যের শোকজের জবাব দিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    সিএএ নিয়ে মিথ্যা প্রচার

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari), মমতাকে এদিন প্রচার সভা থেকে তোপ দেগে বলেন, “নন্দীগ্রামে অপপ্রচার করে ভোট পেয়ছেন মমতা। মমতা সর্বত্র মিথ্যা কথা বলে ভুল প্রচার করেছিলেন। বিজেপির শাসিত রাজ্যগুলিতে মানুষের ধর্মা চরণে বাধা নেই। তৃণমূল সরকার অসত্য কথা বলে ক্ষমতায় টিকে রয়েছে। চুরির লাইসেন্স পেয়ে গিয়েছে তৃণমূল। সিএএ-এনআরসি নিয়ে অপপ্রচার করছে তৃণমূল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Swabhiman Yatra: মমতার আক্রমণের প্রতিবাদ, খালি পায়ে রাজপথে হাঁটবেন সাধুরা

    Swabhiman Yatra: মমতার আক্রমণের প্রতিবাদ, খালি পায়ে রাজপথে হাঁটবেন সাধুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু সন্ন্যাসীদের প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও সন্ন্যাসীদের উপর আক্রমণের প্রতিবাদে শুক্রবার বিকেল ০৪:০০ টেয় বাগবাজার মায়ের বাড়ি থেকে শুরু হবে মিছিল। মিছিলে খালি পায়ে হাঁটবেন সাধু সন্তরা। গিরিশ অ্যাভেনিউ, বাগবাজার স্ট্রিট, শ্যামবাজার পাঁচ মাথা মোড়, বিধান সরণি হয়ে স্বামী বিবেকানন্দের বাড়ির সামনে শেষ হবে এই মিছিল। সেখানে বক্তব্য রাখবেন সন্ত সমাজের প্রতিনিধিরা। 

    খালি পায়ে মিছিল করবেন সাধুরা

    লোকসভা ভোটের প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধু সন্ন্যাসীদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে কলকাতার রাজপথের ওই মিছিলে খালি পায়ে হাঁটতে চলেছেন সাধু সন্তরা। এই মিছিলের নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্বাভিমান যাত্রা’। ‘বঙ্গীয় সন্ন্যাসী সমাজ’ নামে একটি সংগঠনের ব্যানারে এই পদযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। সূত্রের খবর বঙ্গীয় সন্ন্যাসী সমাজের এই পদযাত্রাকে সমর্থন জানিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। 

    সাধুদের নিয়ে রাজনীতি করছেন মমতা

    সংগঠনের অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে সাধুদের নিয়ে রাজনীতিকরণ করছেন, যেভাবে তিনি তাঁর রাজনীতির স্বার্থে বিশেষ ধর্মকে প্রাধান্য দিচ্ছেন তা অতি নিন্দনীয়। একদিকে তিনি মুসলিম সমাজের অনুগ্রহ পাওয়ার চেষ্টা করছেন, অন্যদিকে হিন্দু সমাজের প্রতি টানা আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি সাধু সন্ন্যাসীদেরও নিশানা করছেন। হিন্দু সন্ন্যাসীদের কয়েকটি সংঘ ও কয়েকজন সন্ন্যাসীকে নাম ধরে মুখ্যমন্ত্রী আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি জলপাইগুড়িতে আশ্রমে হামলা চালিয়েছে শাসকদল আশ্রিত জমি মাফিয়ারা। রাজ্যে গঙ্গাসাগর মেলা চলাকালীন সাধুদের উপর হামলা হয়েছিল। এসব কিছু মাথায় রেখেই সন্ন্যাসী সমাজের একতা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যেই এই মিছিল।

    মমতার মন্তব্যের নিন্দা প্রধানমন্ত্রীর

    সাধু সন্তের উপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আক্রমণের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বাংলায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হিন্দু সন্ন্যাসীদের উপর আক্রমণের ঘটনাকে নিন্দা জানিয়েছেন। ২৫শে এপ্রিল রাজ্যের ষষ্ঠ দফার নির্বাচন। তার কয়েকদিনের মধ্যেই উত্তর কলকাতার বিজেপি প্রার্থী তাপস রায় সমর্থনে রোড শো করার কথা আছে প্রধানমন্ত্রীর।

    আরও পড়ুন: কার্তিক মহারাজের পাশে সাধু-সন্তরা, মমতাকে ধিক্কার জানিয়ে হল প্রতিবাদ মিছিল

    সাধু-সন্তদের মিছিলের জেরে অনেকটাই কোণঠাসা হবে তৃণমূল কংগ্রেস। যেভাবে তৃণমূলের হিন্দু বিরোধী ইমেজ তৈরি হচ্ছে, তাতে বিজেপি বাড়তি সুবিধা পেতে পারে এমনটাই মনে করা হচ্ছে।

    সাধুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

    প্রসঙ্গত গত শনিবার থেকে ভারত সেবাশ্রম সংঘের সন্ন্যাসী কার্তিক মহারাজ ও আসানসোলের রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের প্রধান সন্ন্যাসীকে আক্রমণ করে তাঁদের বিরুদ্ধে বিজেপিকে সমর্থন করার অভিযোগ তোলেন মমতা। তবে কার্তিক মহারাজের বিরুদ্ধে সব থেকে সুর চড়া ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। সরাসরি সংঘ ও সন্ন্যাসীদের নাম করে নজিরবিহীন আক্রমণ করেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। তবে হাল ছাড়েননি কার্তিক মহারাজ। তিনি প্রতিবাদে মিছিল করেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। এমনিতেই রাজ্যে হিন্দু সাধু সন্ন্যাসীদের উপরে বহু ক্ষেত্রে হামলা হওয়ার ঘটনা হয়েছে অতীতে। মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে হিন্দু সাধু সন্ন্যাসীদের বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছেন তাতে সাধু সন্ন্যাসী সমাজের একটা বড় অংশ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mithun Chakraborty: অগ্নিমিত্রার সমর্থনে মিঠুনের রোড শোয়ে ছোড়া হল ইট-বোতল, দাদাগিরি তৃণমূলের!

    Mithun Chakraborty: অগ্নিমিত্রার সমর্থনে মিঠুনের রোড শোয়ে ছোড়া হল ইট-বোতল, দাদাগিরি তৃণমূলের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার মেদিনীপুরের বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পলের সমর্থনে রোড শো করছিলেন মিঠুন। আর সেই প্রচারে বেরিয়ে (Mithun Chakraborty) কোনওমতে প্রাণে বাঁচলেন বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। অভিযোগ, আচমকাই  বিজেপির মিছিল লক্ষ্য করে ইট-বোতল ছোড়া হয়। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশের সামনেই তৃণমূলের লোকজন হামলা চালিয়েছে বলে বিজেপি নেতৃত্ব অভিযোগ করে। একইসঙ্গে বিজেপির দাবি, তৃণমূলের লোকজন পরিকল্পিতভাবে মিছিলে হামলা চালিয়েছে। যদিও এই অভিযোগ মানতে চায়নি রাজ্যের শাসকদল।

    অগ্নিমিত্রার সমর্থনে মিঠুনের রোড শোয়ে ছোড়া হল ইট-বোতল (Mithun Chakraborty)

    মঙ্গলবার হুড খোলা গাড়িতে মেদিনীপুর শহরে প্রচার করছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) । পাশে ছিলেন বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পল। জানা গিয়েছে, ভালোভাবেই চলছিল রোড শো। তার মাঝেই ঘটল বিপত্তি। রোড শো ঘিরে আচমকাই উত্তেজনা তৈরি হয়। বিজেপি কর্মী- সমর্থকদের অভিযোগ, যে রাস্তা দিয়ে রোড শো হওয়ার কথা ছিল সেই সময় কয়েকজন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা মিঠুনকে উদ্দেশ্য করে কিছু ব্যানার-পোস্টার লিখে এনেছিলেন। সেই বিষয়টি নিয়ে বচসা বাধে তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে। পুলিশের সামনেই মিছিলে ইট, প্লাস্টিকের জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ইট ছোড়া হয় মিঠুন চক্রবর্তীকে লক্ষ্য করে। পরে, পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    আরও পড়ুন: অর্জুনের খাসতালুকে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    পুলিশের সামনেই তৃণমূলের হামলা,সরব বিজেপি

    পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে গাড়ি থেকে অগ্নিমিত্রা আবেদন জানান, বোতল ছুড়বেন না। যদিও এই আবেদনে কোনও লাভ হয়নি। এদিকে মিঠুন চক্রবর্তীকে (Mithun Chakraborty) বাঁচাতে তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা শিল্ড ব্যবহার করেন। কোনওক্রমে রক্ষা পান মিঠুন-অগ্নিমিত্রা। পুলিশের সামনেই তৃণমূল হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মিছিলে যোগদানকারী বিজেপি কর্মীরা। অন্যদিকে, এদিন সকালে যাদবপুরের সিপিএম প্রার্থী সৃজন ভট্টাচার্যের মিছিলেও হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সকালে গড়িয়া এলাকায় হুডখোলা গাড়ি চেপে প্রচারে বেরিয়েছিলেন সৃজন। পিছনে অটো-বাইকে ছিলেন বাম কর্মী-সমর্থকেরা। পঞ্চসায়র থানা এলাকায় মিছিল পৌঁছতেই সৃজনের গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Metro: শীঘ্রই চালু হবে নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট মেট্রোরুট! সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ শুরু অরেঞ্জ লাইনে

    Kolkata Metro: শীঘ্রই চালু হবে নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট মেট্রোরুট! সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ শুরু অরেঞ্জ লাইনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একের পর এক নতুন প্রকল্প। ধাপে ধাপে কলকাতা মেট্রোকে (Kolkata Metro) ঢেলে সাজানোর কাজ করে চলেছে কলকাতা মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ। ফলে সময়ের সাথে সাথে কলকাতা মেট্রো সেজে উঠছে নতুন রূপে। আর এরই মধ্যে নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট (Airport-Haldiram Metro) করিডর সংক্রান্ত প্রকল্প নিয়ে সামনে এলো বড় খবর। শীঘ্রই শুরু হবে হলদিরাম-এয়ারপোর্ট মেট্রোরুট। নিউ গড়িয়া থেকে এয়ারপোর্ট অংশের প্রায় ৩০ কিলোমিটারের বেশিরভাগটাই মাটির উপর দিয়ে গিয়েছে। তবে শেষের ৫০০ মিটারে মাটির তলায় প্রবেশ করবে মেট্রো। সেজন্যই এবার সুড়ঙ্গ নির্মাণের কাজ শুরু হল।  

    সুড়ঙ্গ কাটার কাজ শুরু মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনে

    কলকাতা ব্যস্ততম শহর। তাই অজস্র গাড়ির ভিড়ে ব্যস্ত ওই অংশের উপরে, যানবাহন চলাচলে যাতে সমস্যা না-হয়, সে জন্য ‘বক্স-পুশিং’ পদ্ধতিতে সুড়ঙ্গ কাটার কাজ শুরু হলো কলকাতা মেট্রোর (Kolkata Metro) অরেঞ্জ লাইনে। কবি সুভাষ থেকে বেরিয়ে মেট্রোর ওই দীর্ঘ পথ এলিভেটেড অবস্থায় আসার পর এয়ারপোর্টের কিছুটা আগে মাটির নীচে ঢুকে মেট্রো এগোবে জয় হিন্দ স্টেশনের দিকে। মেট্রোর এয়ারপোর্ট স্টেশনের নামই জয় হিন্দ। মেট্রোর লাইন যেখান থেকে মাটির নীচে ঢুকবে এয়ারপোর্ট থেকে হলদিরাম পর্যন্ত সেই ২.৪ কিলোমিটার অংশেই চলছে সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ।    
    কলকাতা মেট্রোর (Kolkata Metro) এয়ারপোর্ট বা জয় হিন্দ স্টেশন আসলে কবি সুভাষের মতোই দুই লাইনের সংযোগস্থল। এই স্টেশনেই কলকাতা মেট্রোর নোয়াপাড়া-এয়ারপোর্ট এবং কবি সুভাষ-এয়ারপোর্ট অর্থাৎ ইয়েলো লাইন ও অরেঞ্জ লাইন মিলবে।

    আরও পড়ুন: অনুপস্থিত ৩ অভিযুক্ত! হল না কয়লা পাচার মামলার চার্জ গঠন

    কবে থেকে চালু হচ্ছে নতুন রুট? (Kolkata Metro) 

    জানা গিয়েছে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই এয়ারপোর্ট থেকে হলদিরাম পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা চালু  করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আর সেই লক্ষ্যেই এবার নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট মেট্রো করিডরের (অরেঞ্জ লাইন) সুড়ঙ্গ নির্মাণের কাজ শুরু করা হল। আর এই মেট্রোরুট চালু হলে শহরবাসীর যাতায়াতে যে কতটা সুবিধা হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Valabhi University: নালন্দার সঙ্গে তুলনা হতো, কেমন ছিল প্রাচীন ভারতের বল্লভী বিশ্ববিদ্যালয়?

    Valabhi University: নালন্দার সঙ্গে তুলনা হতো, কেমন ছিল প্রাচীন ভারতের বল্লভী বিশ্ববিদ্যালয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাচীন ভারতের অন্যতম খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল বল্লভী (Valabhi University)। বর্তমানে পশ্চিম গুজরাটের ভাবনগর অঞ্চলে এর ধ্বংসাবশেষ অবস্থিত এবং এই  স্থান বল্লবীপুর নামে পরিচিত। বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার এবং প্রসার কেন্দ্র হিসেবে বল্লভী বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্ব প্রাচীন ভারতবর্ষে খুব বেশি ছিল। ৬০০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৪০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এটি একটি প্রধান বৌদ্ধ ধর্মের জ্ঞান চর্চার কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল।

    ৭৭৫ খ্রিস্টাব্দে মুসলমানরা মৈত্রক রাজ্যে আক্রমণ চালায়

    ঐতিহাসিকদের মতে, বল্লভী বিশ্ববিদ্যালয়ে (Valabhi University) হীনযান মতেই শিক্ষা দান করা হতো এবং এই মতকেই প্রচার করা হতো। প্রসঙ্গত, বৌদ্ধ ধর্মের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে তা তিনটি প্রধান সম্প্রদায় বিভক্ত হয়ে যায়। যথা হীনযান, মহাযান এবং বজ্রযান। ৬০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৪০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে রাজা মৈত্রক ভট্টর্কা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে স্থাপন করেন বলে জানা যায়। প্রসঙ্গত, বল্লভী ছিল মৈত্রক রাজ্যের রাজধানী। মৈত্রক রাজারা অত্যন্ত শিক্ষানুরাগীও ছিলেন। সেই কারণেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অত্যন্ত পৃষ্ঠপোষক হয়ে ওঠেন তাঁরা। ৭৭৫ খ্রিস্টাব্দে মুসলমানরা মৈত্রক রাজ্যে আক্রমণ চালায়। এই কারণে বল্লভী বিশ্ববিদ্যালয়ের (Valabhi University) ওপরেও আঘাত আসে।  কিন্তু পরবর্তীকালে মৈত্রক রাজ বংশের উত্তরসূরীরা একইভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাজ করতে থাকেন।

    কোন কোন বিষয় পড়ানো হতো

    ঐতিহাসিকদের মতে, বৌদ্ধ ধর্মের পাশাপাশি এখানে বিজ্ঞানও পড়ানো হতো। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মীয় বিজ্ঞান ছাড়াও নীতি পড়ানো হতো। রাজনৈতিক বিজ্ঞানও পড়ানো হতো। ব্যবসা, কৃষি, প্রশাসন, দর্শন, ধর্মীয় চিন্তাধারা, অর্থনীতি, হিসাব শাস্ত্র, আইন উল্লেখযোগ্যভাবে পড়ানো হতো। তৎকালীন ভারতবর্ষে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বল্লভীতেও একটি বৃহৎ গ্রন্থাগার ছিল বলে জানা যায়। এই বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্ব সম্পূর্ণ উত্তর ভারত জুড়েই ছিল। মৈত্রক রাজবংশ এই বিশ্ববিদ্যালয় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের আদলেই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলে জানা যায়। ঐতিহাসিকদের মতে, সারা দেশের পাশাপাশি আশেপাশের দেশগুলি থেকেও ছাত্ররা এই বিশ্ববিদ্যালয় পাঠ নিতে আসতেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের (Valabhi University) ডিগ্রিধারীদের অত্যন্ত সম্মানের চোখে দেখা হতো। সমাজের এবং রাজ দরবারে তাঁরা উচ্চ প্রশাসনিক পদে নিযুক্ত হতেন বলে জানা যায়।

    গুণামতি এবং স্থিরমতি নামের দুই সুপরিচিত বৌদ্ধ পণ্ডিত এই বিশ্ববিদ্যালয় পড়াতেন 

    গবেষকরা জানিয়েছেন, গুণামতি এবং স্থিরমতি নামের দুই সুপরিচিত বৌদ্ধ পণ্ডিত এই বিশ্ববিদ্যালয় পড়াতেন। জানা যায়, তাঁরা উভয়েই আচার্য বসুবন্ধের শিষ্য ছিলেন। পড়ুয়ারা বল্লভীতে ভর্তি হয়ে তাঁদের শিক্ষা শেষ করার জন্য দুই তিন বছর সেখানে আবাসিক হিসেবেই থাকতেন। শিক্ষার সমাপ্তির পরে রাজ দরবারে তাঁরা হাজির হতেন এবং সেখানেই তাদের বিভিন্ন চাকরিতে নিযুক্ত করা হতো। কথাসরিতসাগরেও বল্লভী বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখ মেলে। সেখানে একজন জনৈক ব্রাহ্মণের অস্তিত্ব পাওয়া যায়, যিনি তাঁর সন্তানকে নালন্দা বেনারসে ভর্তি না করে বল্লভীতে (Valabhi University) পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কথাসরিতসাগর অনুসারে ব্রাহ্মণের নাম ছিল বাসুদত্ত এবং তাঁর ছেলের নাম ছিল বিষ্ণুদত্ত।

    চিনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ কী বলছেন

    চিনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ-এর মতে, বল্লভীর গুরুত্ব কোনও অংশেই নালন্দার থেকে কম কিছু ছিল না। সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে ছয় হাজার বৌদ্ধ সন্ন্যাসী এখানে পাঠ নিতেন বলে জানা যায়। জানা যায় খ্রিস্টীয় সপ্তম শতাব্দীতে বল্লভী বিশ্ববিদ্যালয়ের (Valabhi University) গুরুত্ব সবথেকে বেশি ছিল। চিনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং এর বিবরণ থেকে জানা যায় যে দেশের প্রত্যেকটি অঞ্চল থেকেই অনেক ছাত্র সেখানে শিক্ষার জন্য আসতেন। এমনকি দূরবর্তী গাঙ্গেয় সমভূমি থেকেও বিশেষত ব্রাহ্মণ সমাজের ছেলেরা উচ্চ শিক্ষার জন্য তাঁদের সন্তানদের ওই বিশ্ববিদ্যালয় পাঠাতেন।

    এখানে ছাত্ররা আবাসিকভাবে থাকতেন

    জানা যায়, বল্লভীর প্রথম বিহার দুধ বিহার নামে পরিচিত এবং এটিকে বিহার মণ্ডল নামেও ডাকা হতো। সমুদ্র তীরবর্তী জায়গায় অবস্থিত হওয়াতেও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে ওঠে এই বিশ্ববিদ্যালয়। অসংখ্য ধনী বণিক এই জায়গায় বসবাস করতে বলে জানা যায়। এরা প্রত্যেকেই বল্লভীর অত্যন্ত পৃষ্ঠপোষক ছিলেন বলে জানা যায়। ঐতিহাসিকদের মতে, এখানে ছাত্ররা আবাসিকভাবে থাকতেন এবং তাঁদের বাসস্থানের জন্য অসংখ্য আশ্রম গড়ে তোলা হয়েছিল। যার সংখ্য়া ছিল শতাধিক।

    প্রতি পাঁচ জন পড়ুয়ার জন্য একজন করে পণ্ডিত নিযুক্ত করা হতো 

    ঐতিহাসিকদের মতে, বল্লভী বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ বিষয় ১০ বছর ধরে পড়ানো হতো এবং প্রতি পাঁচ জন পড়ুয়ার জন্য একজন করে পণ্ডিত নিযুক্ত করা হতো। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল যে সকলেই এখানে সমানভাবে বিবেচিত হতেন অর্থাৎ কোনও রকমের জাতিভেদ প্রথা শ্রেণিকক্ষে বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কাজ করত না। একজন ধনীর ছেলে তথা গরীবের ছেলে একই সঙ্গে বসে পড়াশোনা করত। এখানের পড়াশোনা সম্পূর্ণভাবে বিনামূল্যে ছিল।

    ২০১৭ সালের বৌদ্ধ সম্মেলন 

    জানা যায় ছাত্রদের জন্য বল্লভী বিশ্ববিদ্যালয় (Valabhi University) কর্তৃপক্ষ আলাদা ইউনিফর্মেরও ব্যবস্থা করেছিল। ২০১৭ সালের গুজরীটের বরোদায় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং এই সম্মেলনে বল্লভী বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন করে গড়ে তোলার প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। এই মর্মে একটি আবেদনপত্র লেখা হয় এবং যা কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকে পাঠানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: ভোট-পরবর্তী হিংসায় বিহারের সারণে নিহত ১, জখম দুই, বন্ধ ইন্টারনেট

    Post Poll Violence: ভোট-পরবর্তী হিংসায় বিহারের সারণে নিহত ১, জখম দুই, বন্ধ ইন্টারনেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বিঘ্নে চলছিল পঞ্চম দফার নির্বাচন। ২০ মে, সোমবার নির্বাচন হয়েছে দেশের ৪৯টি আসনে। এর মধ্যে ছিল বিহারের কয়েকটি আসনও। ভোট কেমন হচ্ছে, তা দেখতে দুপুরে বেরিয়েছিলেন আরজেডি সুপ্রিমো লালু প্রসাদ যাদবের মেয়ে রোহিণী আচার্য। সারণ জেলার ছাপড়ার একটি বুথে আরজেডি প্রার্থী রোহিণী যেতেই আরজেডির কর্মী-সমর্থকরা সংঘর্ষে (Post Poll Violence) জড়িয়ে পড়েন বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে।

    সংঘর্ষের নেপথ্যে (Post Poll Violence)

    স্থানীয় সূত্রে খবর, এলাকায় গিয়ে রোহিণী সটান ঢুকে পড়েন একটি বুথে। ভোটারদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারও করতে শুরু করেন। এর পরেই এলাকা ছেড়ে চলে যান আরজেডি সুপ্রিমোর মেয়ে। পরে আরজেডি কর্মীদের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের একপ্রস্ত বচসা হয়। মঙ্গলবার সকালে দু’পক্ষে সংঘর্ষ (Post Poll Violence) বাঁধে। ঘটনায় হত হন একজন। জখম হয়েছেন দু’জন। এঁরা হলেন মনোজ যাদব ও গুড্ডু যাদব।

    প্রকাশ্যে চলল গুলি

    জানা গিয়েছে, অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীরা প্রকাশ্যে গুলি ছোড়ে। গুলি লাগে মনোজ ও গুড্ডুর গায়ে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় একজনের। মনোজ ও গুড্ডুকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয় হাসপাতালে। অশান্তির আগুন যাতে দ্রুত ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য দু’দিনের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। অশান্তি পাকানোর অভিযোগে আটক করা হয়েছে দু’জনকে। সারণের পুলিশ সুপার গৌরব মঙ্গলা বলেন, “হিংসায় যারা ইন্ধন জোগাচ্ছিল, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দু’দিনের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা।”

    আর পড়ুন: “আরএসএসে ছিলাম, ফিরে যেতেও প্রস্তুত”, অবসর নিয়ে বললেন বিচারপতি দাশ

    এই সারণ কেন্দ্র থেকেই আরজেডির টিকিটে লড়ছেন লালুর মেয়ে রোহিণী। তাঁর বিরুদ্ধে পদ্ম প্রতীকে দাঁড়িয়েছেন বিজেপির বিদায়ী সাংসদ রাজীব প্রতাপ রুডি। এক সময় সারণ থেকেই লড়ে সংসদে গিয়েছিলেন লালু। রোহিণী যেদিন মনোনয়নপত্র জমা দেন, সেদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন বাবা লালু প্রসাদ এবং দাদা তেজস্বী যাদবও (Post Poll Violence)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: অর্জুনের খাসতালুকে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Arjun Singh: অর্জুনের খাসতালুকে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চম দফার ভোট শেষ হতেই রক্ত ঝরল ভাটপাড়ায়। ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত হলেন তিনজন বিজেপি কর্মী। সোমবার ভোট শেষ হতে না হতেই বিজেপির বুথ কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে ভাটপাড়া পুরসভার এলাকায়। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং (Arjun Singh)। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের তিনি দেখতে যান। হামলার বিষয় নিয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Arjun Singh)

    ভাটপাড়া পুরসভায় অধিকাংশ সংখ্যালঘু এলাকায় এজেন্ট দিয়েছিল বিজেপি। ভোট পর্ব শেষ হবার পরেই ভাটপাড়ার ১৬ নম্বর ওয়ার্ড, ২২ নম্বর ওয়ার্ড, ৯ নম্বর ওয়ার্ড এই তিনটি ওয়ার্ডের বিজেপির বুথ কর্মীকে ভোট শেষ হওয়ার পরই তৃণমূল কর্মীরা মারধর করে। এমনটাই অভিযোগ বিজেপি কর্মীদের। সামসুদ্দিন আনসারি নামে বিজেপির  এক বুথ কর্মীকে রড দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। ফিরোজ আলম আনসারি নামে এক বিজেপি বুথ কর্মী  বলেন, ভোট শেষ হওয়ার পর আমরা পাড়াতেই বসেছিলাম। বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করছিলাম। তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী এসে হামলা চালায়। ঘটনার পর পরই অর্জুন সিং (Arjun Singh) আক্রান্ত কর্মীদের দেখা করেন। সামসুদ্দিন আনসারিকে নিজে উদ্যোগী হয়ে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত, সপ্তাহভর বৃষ্টির পূর্বাভাস বাংলায়, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং (Arjun Singh) বলেন, এই লোকসভায় তৃণমূল হারছে। পার্থ ভৌমিক সেটা বুঝতে পেরেছেন, তা থেকেই ওরা এই হামলা চালিয়েছে। পুলিশ প্রশাসনকে বিষয়টি বলিয়েছি। অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করতে হবে। এই ঘটনা প্রমাণ করে তৃণমূল দলেই গুন্ডা রয়েছে। যদিও সমস্ত বিষয় অস্বীকার করে ভাটপাড়া তৃণমূল টাউন সভাপতি দেবজ্যোতি ঘোষ। তিনি বলেন,তৃণমূল  এই ধরনের নোংরা রাজনীতি করে না। যদিও এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে, প্রশাসন ঠিক ব্যবস্থা নেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: তৃণমূল দুষ্কৃতীর মারে গুরুতর আহত কাঁথির বিজেপি নেতা! আনা হচ্ছে কলকাতায়

    Lok Sabha Election 2024: তৃণমূল দুষ্কৃতীর মারে গুরুতর আহত কাঁথির বিজেপি নেতা! আনা হচ্ছে কলকাতায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ষষ্ঠ দফা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) আগেই কাঁথিতে বিজেপি নেতার উপর ভয়াবহ হামলা করা হয়েছে। মূল অভিযোগের তির তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দিকে। আহত বিজেপি কর্মীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় দ্রুত তাঁকে কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়েছে এলাকায়। উল্লেখ্য গতকাল পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকে মোদির সভা ছিল। কিন্তু প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে অবতরণ করতে পারেননি। একাধিক ইস্যুতে নিশানা করেছিলেন তৃণমূলকে। একই ভাবে এই সভায় বিজেপি কর্মীদের ভোটের প্রচার ছিল জমজামাট।

    কোথায় ঘটেছে ঘটনা (Lok Sabha Election 2024)?

    আগামী ২৫ মে পূর্ব মেদিনীপুরের ষষ্ঠ দফার নির্বাচন। কিন্তু নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) ৫ দিন আগে কাঁথির ভূপতিনগরে বিজেপি নেতার বাড়িতে চড়াও হয়ে মারধর করা হয়। সেই সঙ্গে চলে লুটপাট। তবে ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী। আহত অর্জুননগরের বুথ সভাপতি বিজেপির নেতার নাম হল অবনি দে। তিনি এলাকার ২০৫ নম্বর বুথের সভাপতি। তাঁর সঙ্গে আহত হয়েছেন আরও ২ বিজেপি কর্মী। তাঁদের মধ্যে বুথ সভাপতির অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বাকি আরও ২ কর্মীকে কাঁথি হাসপাতলে ভর্তি করা হয়। এই দুই কর্মীর নাম শুভঙ্কর দাস এবং অনিল মাইতি। বিজেপির অবশ্য অভিযোগ, মূলত এলাকায় বিজেপি কর্মী এবং ভোটারদের ভয় দেখিয়ে নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে এই ধরনের আক্রমণ করা হচ্ছে। তৃণমূল হারবে বলেই এই ভাবে আচরণ করছে। বিজেপির পক্ষ থেকে ভূপতিনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুনঃ কমিশনে মমতাকে নিয়ে মন্তব্যের শোকজের জবাব দিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    নির্বাচনী প্রচার জমজমাট

    লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং কাঁথির প্রার্থী হয়েছেন সুমেন্দু অধিকারী। গতকাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তমলুকে প্রচার সভা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে অবতরণ করা সম্ভব হয়নি। আর তাই ঝাড়গ্রাম থেকে এক যোগে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ করেন আকাধিক ইস্যুতে। রাজ্যের তৃণমূল সরকারের রেশন দুর্নীতি, চাকরি চুরি, বাংলার সাধু-সন্তদের আক্রমণ করা, রাজনৈতিক হিংসা, খুন, ধর্ষণ, লুটপাট, জমি দখল সহ একাধিক বিষয়ে তৃণমূল সরকারকে তীব্র নিশানা করেছিলেন মোদি। একই ভাবে সন্দেশখালিকাণ্ড নিয়ে মমতাকে নিশানা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ব্যাঙ্কিং সেক্টরে মুনাফা ছাড়াল ৩ লাখ কোটির ঘর, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: ব্যাঙ্কিং সেক্টরে মুনাফা ছাড়াল ৩ লাখ কোটির ঘর, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই প্রথম ভারতীয় ব্যাঙ্কিং সেক্টর নিট লাভ করল ৩ লাখ কোটি টাকারও বেশি। বৃদ্ধির হার ৩৯ শতাংশ। এ খবর প্রকাশ্যে আসার পরেই  পরেই পূর্বতন ইউপিএ সরকারকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি একে অভিহিত করলেন ‘উল্লেখযোগ্যভাবে ঘুরে দাঁড়ানো’ বলে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ব্যাঙ্কের স্বাস্থ্যের এই উন্নতি আমাদের দেশের গরিব মানুষ, কৃষক এবং এমএসএমইদের ঋণ পাওয়া সহজলভ্য করতে সাহায্য করবে।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    পূর্বতন কংগ্রেস সরকারকেও নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “আমরা যখন ক্ষমতায় আসি (২০১৪ সালে) তখন দেনায় ডুবে ছিল আমাদের ব্যাঙ্কগুলি। এনপিএস ছিল চড়া। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের ফোন ব্যাঙ্কিং নীতির জন্যই এসব হয়েছিল। সেই আমলে গরিবদের জন্য ব্যাঙ্কের দরজা বন্ধই হয়ে গিয়েছিল।” ২০১৪ সালে বিজেপির নেতৃত্বে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে এনডিএ সরকার। তার পর থেকেই স্বাস্থ্য ফিরছে দেশের অর্থনীতির।

    মোদি জমানায় স্বাস্থ্য ফিরেছে দেশের অর্থনীতির

    নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সরকারের অর্থনৈতিক নানা নীতির কারণে হাল ফিরছে ব্যাঙ্কিং সেক্টরেরও। ২০১৪ সালে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ১০ নম্বরে ছিল ভারতের নাম। গত দশ বছরে (মোদি জমানায়) ভারতের ঠাঁই হয়েছে পাঁচ নম্বরে। ব্রিটেনকে ছয়ে ঠেলে পাঁচ নম্বর জায়গাটি দখল করেছে ভারত। নীতি আয়োগের প্রাক্তন সিইওর দাবি, ২০২৭ সালের মধ্যেই চার নম্বরে থাকা জাপানকে পাঁচ নম্বরে ঠেলে দিয়ে ভারত উঠে আসবে চার নম্বরে। সেক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান হবে আমেরিকা, চিন এবং জার্মানির পরেই।

    আর পড়ুন: “আরএসএসে ছিলাম, ফিরে যেতেও প্রস্তুত”, অবসর নিয়ে বললেন বিচারপতি দাশ

    ভারতের আর্থিক স্বাস্থ্য যে ফিরছে, তার প্রমাণ মিলেছে ২০২৪ অর্থবর্ষে সরকারি এবং বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলির সম্মিলিত লাভের পরিমাণ ৩.১ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি ব্যাঙ্কিং সেক্টরগুলি লাভ করেছে ১.০৪ লাখ কোটি টাকা। বৃদ্ধির হার ৩৪ শতাংশ। বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলির লাভের হার ৪২ শতাংশ। টাকার অঙ্কে নিট মুনাফা ১.৭ লাখ। এই নিট লভ্যাংশ দেশের অর্থনৈতিক স্বাস্থ্যোন্নতির ইঙ্গিত দেয়। ব্যাঙ্কিং সেক্টরের এই লাভ ছাড়িয়ে গিয়েছে আইটি কোম্পানিগুলির মোট লভ্যাংশের পরিমাণকেও। ২০২৪ অর্থবর্ষে আই কোম্পানিগুলি মুনাফা অর্জন করেছে ১.১ লাখ কোটি টাকা (PM Modi)।

    আরও বড় কথা হল, পাবলিক ব্যাঙ্কগুলির নিট মুনাফা গত তিন বছরে বেড়েছে চারগুণেরও বেশি। তাদের ব্যালেন্সশিট থেকেই এই তথ্য জানা গিয়েছে। তাদের রোজগার যে বাড়ছে, তাও জানা গিয়েছে ওই ব্যালেন্সশিট থেকেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

                

  • Lok Sabha Election 2024: ৩৭০ ধারা বিলোপের সুফল! রেকর্ড ভোট পড়ল বারামুল্লায়, উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী

    Lok Sabha Election 2024: ৩৭০ ধারা বিলোপের সুফল! রেকর্ড ভোট পড়ল বারামুল্লায়, উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের বারামুল্লা (Baramulla) লোকসভা কেন্দ্রে গতবারের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি ভোট পড়ল (Lok Sabha Election 2024)। ভোটারদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে অমিত শাহ।  ভোতারদের সাধুবাদ জানিয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটিনেন্ট গভর্নার।

    প্রায় ৫৮ শতাংশর বেশি ভোট পড়েছে বারামুল্লায়

    প্রায় ৫৮ শতাংশর বেশি ভোট পড়েছে জম্মু কাশ্মীরের বারামুল্লায় (Baramulla)। পশ্চিমবঙ্গের নিরিখে এই সংখ্যা কম মনে হলেও কাশ্মীরে এই সংখ্যা আশাজনক। রাজনীতিবিদরা বলছেন এই লোকসভা কেন্দ্রের মানুষ যেন গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হলেন এই বার্তাই উঠে এসেছে (Lok Sabha Election 2024)। জম্মু-কাশ্মীরের মানুষ আবার প্রমাণ করল তাঁরা গণতন্ত্রের পক্ষে। এমনকী, এদিন ভোট দিয়েছে জঙ্গিদের পরিবারের সদস্যরাও। ২০১৯ সালে জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পর এবার প্রথম ভোট ছিল প্রথম লোকসভা ভোট (Lok Sabha Election 2024)। আগের সমস্ত রেকর্ডকে ছাপিয়ে ৫৮ শতাংশের কাছাকাছি ভোট পড়েছে এবার। ১৯৮৪ সালের পর শতাংশের বিচারে এটাই ছিল সেবচেয়ে বেশি। জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক পি কে পাল বলেন, “আমি বারামুল্লার মানুষকে অভিনন্দন জানাতে চাই। তাঁরা নানান অসুবিধা সত্ত্বেও এবার এত সংখ্যায় ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে বেশ কিছু পার্বত্য এলাকা রয়েছে। যেখানে তুষারপাত হয়। তা সত্ত্বেও ভোট দিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন বারামুল্লার বাসিন্দারা। 

    ব্যালটের বদলে এখানে ছিল বুলেটের দাপাদাপি

    একটা সময় ছিল যখন জম্মু-কাশ্মীরে নির্বাচন করাতে গিয়ে কালঘাম ছুটে যেত নির্বাচনী আধিকারিকদের। ব্যালটের বদলে এখানে ছিল বুলেটের দাপাদাপি। বহু জায়গায় ভোট বয়কট হত। ভোটকেন্দ্রে হামলা করত জঙ্গিরা। কিন্তু ৩৭০ ধারা উঠে যাওয়ার পর এখন সে সব দিন যেন অতীত। ভারতের আর পাঁচটা কেন্দ্রের মতই এবার ভোট হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরে (Lok Sabha Election 2024)। সক্রিয় লস্কর জঙ্গি ওমরের ভাই রউফ আহমেদ এবার বারামুল্লার (Baramulla)  উসু গ্রাম থেকে ভোট দিয়েছেন। তিনি সন্ত্রাসীদের হিংসা বন্ধ করে শান্তির পথে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: পঞ্চম দফায় ভোটের হার যথেষ্ট কম! কোথায় কত ভোট পড়ল জানুন

    রউফ এদিন বলেন, “আমি নিজের ইচ্ছামত পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছি। আমি, আমার মা এবং ভাইদের সঙ্গে ভোট দিতে গিয়েছিলাম। ভোট আমাদের একমাত্র অধিকার আদায়ের উপায়। আমার ভাই ছয় বছর ধরে সক্রিয় লস্করের জঙ্গি। আমি তাঁকে দেশে ফিরে সুস্থ উপায় জীবন যাপন করার আবেদন জানাই।” এদিন বারামুল্লার (Baramulla) সমস্ত ভোট গ্রহণ কেন্দ্রেই সকাল থেকে ভোটারদের ভিড় জমে ছিল (Lok Sabha Election 2024)। স্থানীয় মানুষরা তাঁদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং উন্নয়নের জন্য ভোট দিয়েছেন। তাঁরা বিশ্বাস করেন ভোটাধিকারের মাধ্যমেই পরিবর্তন আনা সম্ভব।  

    বারামুল্লার জনতার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইট করেন

    বারামুলার জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ বলেছেন। তিনি বলেন, “কাশ্মীরের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। আজ, বারামুল্লা লোকসভা কেন্দ্রে গত লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় প্রায় 20 শতাংশ বেশি ভোটার উপস্থিতি নথিভুক্ত করা হয়েছে।”

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “শান্তি ও উন্নয়নের দিকে সরকারের প্রচেষ্টা গণতন্ত্রের প্রতি মানুষের আস্থাকে শক্তিশালী করেছে। শাহের মতে, “এখন এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে কাশ্মীরে শান্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য মোদি সরকারের প্রচেষ্টা গণতন্ত্রের প্রতি মানুষের আস্থাকে শক্তিশালী করেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share