Tag: Madhyom

Madhyom

  • Mathura: “৪০০ পেলে ফেরত আসবে কৃষ্ণ জন্মভূমি ও পাক অধিকৃত কাশ্মীর”, ইঙ্গিত অসমের মুখ্যমন্ত্রীর

    Mathura: “৪০০ পেলে ফেরত আসবে কৃষ্ণ জন্মভূমি ও পাক অধিকৃত কাশ্মীর”, ইঙ্গিত অসমের মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “৩০০ সিট পেয়ে আমরা রাম জন্মভূমিতে মন্দির তৈরি করেছি। ৪০০ পেলে মথুরায় (Mathura) কৃষ্ণ জন্মভূমিতে (Krishna Janmabhoomi) মন্দির তৈরি করব। ফেরত নেব পাক (POK) অধিকৃত কাশ্মীর।” সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। মোদি ৩.০ সরকারের পরিকল্পনার যেন আগাম ইঙ্গিত দিলেন তিনি।

    কাশ্মীর ইস্যুতে কংগ্রেসকে কটাক্ষ হিমন্ত বিশ্বশর্মার  

    কাশ্মীর প্রসঙ্গে অসমের মুখ্যমন্ত্রীর সরাসরি কংগ্রেসকে নিশানা করে বলেন, “কংগ্রেস জমানায় জবর দখল করে রাখা কাশ্মীরের অংশ ফেরত আনা নিয়ে কোনও আলোচনা হত না। শুধু ভারতীয় কাশ্মীরের প্রসঙ্গে আলোচনা হত। কৌশলগত সুবিধার জায়গায় ছিল পাকিস্তান। কিন্তু মোদি জামানায় হয়েছে ঠিক উল্টো। ওই সাক্ষাৎকারে অসমের মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “কংগ্রেস জামানায় বলা হত কাশ্মীরের একটি অংশ ভারতের, অপর অংশ পাকিস্তানের। সংসদে কখনই বলা হত না যে পাকিস্তান কাশ্মীরের একটি অংশকে বলপূর্বক দখল করে রেখেছে। কিন্তু এখন দিন বদলেছে। পাকিস্তানের মানুষ এখন ভারতীয় পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। সেখানকার প্রশাসনের কাছ থেকে পরিত্রাণ চাইছে পাকিস্তানের দখল করে রাখা কাশ্মীরের মানুষ। আগে লালচৌকের আশেপাশে পাকিস্তানের পতাকা উড়ত। কিন্তু সেসব দিন অতীত হয়ে গিয়েছে।”

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “বিজেপি সরকার সংরক্ষণ বিরোধী নয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেই অনগ্রসর শ্রেণির মানুষ। বিজেপি যাকে রাষ্ট্রপতি করেছে তিনি তফশিলি শ্রেণিভুক্ত। আমরা চাই সংরক্ষণ থাক। কিন্তু কংগ্রেস এবং ইন্ডি জোটের অনেকেই এসসি, এসটি ও ওবিসির সংরক্ষণ তুলে দিয়ে সবটাই মুসলিমদের দিয়ে দিচ্ছে। আমরা এটার বিরোধী।

    বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের প্রতিক্রিয়া

    প্রসঙ্গত পাকিস্তানের যে গণবিদ্রোহ শুরু হয়েছে সে সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর আগেই বলেছেন,  “ভারতের সংসদের রিজোল্যুশন আছে। আমরা স্পষ্টভাবে মনে করি, পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের অংশ। ঐতিহাসিকভাবে এটি শুধুমাত্র ভারতেরই অংশ। আগেও ছিল, আগামীতেও থাকবে।“

    আরও পড়ুন: “৩০ এর বেশি সিট পেলে ছমাসের মধ্যে নবান্নে বসবে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী”, ঘোষণা সুকান্তর

    আমাদের সংকল্প একদিন আমরা পাকিস্তানের কব্জা শেষ করে দেব। এবং ওই অঞ্চল ভারতের সঙ্গে জুড়ে যাবে। কিন্তু ভারতের কিছু বিরোধী দলের নেতা আজব যুক্তি দিয়ে চলেছেন। যেমন ফারুক আবদুল্লা। তিনি বলেছেন এ বিষয়ে কথা বলা যাবে না। কারণ পাকিস্তানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র আছে। আমরা আমাদের দেশের পারমাণবিক অস্ত্রের উপর গর্ব করি। কিন্তু মনিশংকর আইয়ার এবং ফারুক আবদুল্লার মতো নেতারা পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্রকে বেশি গুরুত্ব দেয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: বসিরহাট এবং দক্ষিণ কলকাতায় তৃণমূল প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিজেপির

    BJP: বসিরহাট এবং দক্ষিণ কলকাতায় তৃণমূল প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসিরহাট লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী হাজি নুরুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল চায় বিজেপি। নির্বাচন কমিশনকে এই মর্মে চিঠি দিয়েছেন বিজেপি (BJP) প্রার্থী রেখা পাত্র। মূলত বিজেপির অভিযোগ হল, তৃণমূল প্রার্থী নিজের মনোনয়ন জমা করার সময় প্রয়োজনীয় নো ডিউজ সার্টিফিকেট জমা দেননি। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ৩টে পর্যন্ত ছিল জমা করার শেষ সময়। আবার দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল প্রার্থী মালা রায় কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। বিজেপির দাবি, অফিস অফ প্রফিট-এর আওতায় তাঁর মনোনয়ন বাতিল হওয়া উচিত। তিনি সরকারি লাভজনক পদে রয়েছেন। এভাবেই বীরভূমের দেবাশিষ ধরের বদলা চাইছে বিজেপি।

    নির্বাচনী বিধি মানা হয়নি (BJP)

    বিজেপির (BJP) বক্তব্য, নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী, কোনও প্রার্থী শেষ ১০ বছরে যদি কোনও সরকারি পরিষেবা পেয়ে থাকেন এবং সেই সঙ্গে সরকারি বিল যদি বকেয়া থাকে, তাহলে তা মিটিয়ে দিতে হয়। হাজি নুরুলের সরকারের ঘরে কোনও রকম বকেয়া যে নেই, তা হলফনামায় জানানোর কথা ছিল। কিন্তু তিনি ২০১৪ সালের ১৮ মে পর্যন্ত লোকসভার সদস্য ছিলেন। ২০২৪ সালের ১৮ মে তাঁর ১০ বছর সম্পূর্ণ হয়েছিল। মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ১২ দিন আগে। কিন্তু নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী তাঁরও নো ডিউজ় সার্টিফিকেট দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। আবার দক্ষিণ কলকাতার বিজেপি প্রার্থী মালা রায় পুরসভার চেয়ারপার্সন পদে ইস্তফা না দিয়ে লোকসভা ভোটের মনোনয়ন করেছেন। তিনিও লাভজনক পদে রয়েছেনদুই ক্ষেত্রে নির্বাচনী বিধি মানা হয়নি।

    বিজেপির বক্তব্য

    বীরভূমে প্রথমে বিজেপি (BJP) প্রার্থী হয়েছিলেন প্রাক্তন আমলা দেবাশিষ ধর। মনোনয়ন জমা করার পর রাজ্য সরকারের নো ডিউজ সার্টিফিকেট না থাকায় তাঁর মনোনয়ন বাতিল করেছিল কমিশন। বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “তৃণমূল প্রার্থী হাজি নুরুলের মনোনয়ন যাতে বাতিল হয় তার জন্য আমরা কমিশনে জানিয়েছি। যা আইন এবং নির্বাচনবিধি তা মেনে কাজ হয়নি। আমাদের প্রার্থী দেবাশিষ ধরের মনোনয়নও বাতিল হয়েছে। আমরা শেষ পর্যন্ত লড়ব। প্রয়োজনে হাইকোর্টে, সুপ্রিম কোর্টে যাব। একই ভাবে মালা রায় কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন। যা ‘অফিস অফ প্রফিট’-এর আওতাধীন। তাঁর মনোনয়ন বাতিল হওয়া উচিত। তিনি লাভজনক পদে রয়েছেন।”

    আরও পড়ুনঃ ভগবানপুরে কান কাটা হল বিজেপি কর্মীর, বোলপুরে বাড়িতে আগুন, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “স্ক্রুটিনির শেষ পর্যন্ত তথ্য জমা করা যায়। বুধবার স্ক্রুটিনির শেষ দিন। তার মধ্যেই সব জমা করা হবে। বিজেপির স্বপ্ন পূরণ হবে না।” আবার মালা রায়কে প্রশ্ন করলে উত্তরে বলেন, “আমি ২০১৯ সাল থেকে সাংসদ। আইন বহির্ভূত কোনও কাজ করা হয়নি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: আইএমএফ-এর কাছে ঋণ চায় পাকিস্তান, দুবাইয়ে বিপুল সম্পত্তি দেশের মন্ত্রী-আমলাদের

    Pakistan: আইএমএফ-এর কাছে ঋণ চায় পাকিস্তান, দুবাইয়ে বিপুল সম্পত্তি দেশের মন্ত্রী-আমলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কিছুটা দূর হলেও পাকিস্তানের (Pakistan) অর্থনৈতিক সংকট এখনও অব্যাহত। ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডার বা আইএমএফ থেকে ৩ বিলিয়ন ডলারের ‘বেইল আউট’ প্যাকেজ পাওয়ার কথা ইসলামাবাদের। এই আবহে দেখা যাচ্ছে পাকিস্তানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা ছাড়াও শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ, ব্যাঙ্কার ও আমলারা দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেটে (Dubai Real Estate) ১২.৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পদের মালিক। 

    অনুসন্ধানে মেলা তথ্য

    গোপনে বিপুল সম্পদের মালিকানা অর্জনের একটি আকর্ষণীয় জায়গা হয়ে উঠেছে বিশ্বের অন্যতম আধুনিক ও বিলাসবহুল শহর দুবাই। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ধনকুবেররা দুবাইয়ের আবাসন খাতের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন। সম্প্রতি এই শহরে বিশ্বের কোন কোন ধনকুবেরের কি পরিমাণ গোপন সম্পদ রয়েছে তা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। দ্য অর্গানাইজড ক্রাইম অ্যান্ড করাপশন রিপোর্টিং প্রজেক্টের নামে সাংবাদিকদের একটি গোষ্ঠী এই রিপোর্ট দেয়। মঙ্গলবার (১৪ মে) প্রকাশিত ‘দুবাই আনলকড’ নামক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আর্থিক সংকটে জর্জরিত পাকিস্তানের ১৭ হাজার নাগরিক দুবাইতে ১২.৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পদের মালিক। তবে এ সংখ্যা ২২ হাজারের মতো বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কার কার সম্পত্তি রয়েছে

    দুবাইয়ে প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির আছে দুটি সম্পদ। তার ছেলে বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি, বাখতাওয়ার ভুট্টো জারদারি ও তার মেয়ে আসিফা ভুট্টো জারদারিও সম্পত্তি রয়েছে। অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভির স্ত্রী, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের ছেলে হুসেন নওয়াজ শরিফ, রাজনীতিবিদ শারজিল মেমন, সেনেটর ফয়সাল ভাউদা, জাতীয় পরিষদের কয়েকজন সদস্য এবং সিন্ধু ও বালুচিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদের কয়েকজন সদস্যের নামেও সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। রোশান হুসেন ও হুসেন জাহুর নামে দুই পাকিস্তানি (Pakistan) ধনকুবের নামও আছে এ তালিকায়। কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল, একজন পুলিশপ্রধান, একজন দূত ও একজন বিজ্ঞানীর নামও আছে। তাঁরা কেউ সরাসরি সম্পদের মালিকানা অর্জন করেছেন, কেউ স্বামী-স্ত্রী বা সন্তানের নামে সম্পত্তি কিনেছেন।

    আরও পড়ুন: তৃতীয় বিমানবাহী রণতরীর নির্মাণ শীঘ্রই, হবে আরও ৫-৬টি, বড় ঘোষণা রাজনাথের

    আইএমএফ-এর কাছে ঋণের আর্জি

    পাকিস্তানের (Pakistan) ধনকুবেররা যখন কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক, তখন দেশের অর্থনীতি একেবারে তলানিতে। বারবার আইএমএফ-এর কাছে ঋণের আর্জি জানাতে হচ্ছে। সম্প্রতি পাক আমলারা আইএমএফ কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন। এর আগেও আইএমএফ-এর অর্থ সাহায্য পেতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল ইসলামাবাদকে। পাকিস্তান তাদের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে কী কী কর্মসূচি নিয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে আইএমএফ। আইএমএফ একটি বিবৃতিতে বলেছে, ‘বিগত কয়েক মাসে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক হাল কিছুটা হলেও ফিরেছে। তবে তাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার এবারও খুব একটা ঊর্ধ্বমুখী হবে না। এদিকে মুদ্রাস্ফীতির বিষয়টি এখনও সর্বোচ্চ গুরুত্বের।’ আইএমএফ জানিয়েছে, এই সমস্যা মেটাতে ইসলামাবদকে সমস্যার আরও গভীরে গিয়ে নীতি পরিবর্তন করতে হবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “৩০ এর বেশি সিট পেলে ছমাসের মধ্যে নবান্নে বসবে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী”, ঘোষণা সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “৩০ এর বেশি সিট পেলে ছমাসের মধ্যে নবান্নে বসবে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী”, ঘোষণা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩০ এর বেশি সিট পেলে ছমাসের মধ্যে নবান্নে হবে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী। সাগরের জনসভায় জানালেন সুকান্ত মজুমদার। বুধবার বঙ্গ সফরে এসেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এদিন বঙ্গে এসে তিনি মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীর সমর্থনে সভা করেছেন। বুধবার মোট তিন জায়গায় রয়েছে তার প্রচার। তিনি প্রথম সভা করেন গঙ্গাসাগরের (Gangasagar) হরিণবাড়িতে, এরপর দ্বিতীয় সভা করেন পাথরপ্রতিমায় ও তৃতীয় সভা করেন কুলপিতে। কিন্তু মথুরাপুর লোকসভার প্রার্থীর হয়ে প্রচারে এসে প্রথম সভা গঙ্গাসাগর থেকেই চমকপ্রদ ঘোষণা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। 

    সুকান্ত মজুমদারের ঘোষণা (Sukanta Majumdar) 

    এদিন সভা থেকে সুকান্ত মজুমদার জানান লোকসভাতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে তিরিশটার বেশি যদি বিজেপি প্রার্থী জেতে, তবে আগামী ছমাসের মধ্যে নবান্নে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী বসবে। আর বিজেপি যদি না জিততে পারে তাহলে সাগরকে (Gangasagar) সন্দেশখালি করে তুলবে। বিজেপি সরকার গঠন করলে ৩০০০ টাকা করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রদান করব। ইতিমধ্যে নরেন্দ্র মোদি পাঁচ বছরের জন্য বিনা পয়সায় রেশনের ব্যবস্থা করেছেন। কেন্দ্রে নতুন করে নরেন্দ্র মোদি আসলে ৭০ বছরের উপরে বৃদ্ধা যারা আছেন তারা পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা খরচ পাবেন।  
    সুকান্ত বাবু (Sukanta Majumdar) আরো জানান তৃণমূল বউ চুরি থেকে পায়খানা চুরি কোনও চুরিই বাদ দিচ্ছে না। প্রসঙ্গত, প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জেলে যাওয়ার পর ওই এলাকার এক কাউন্সিলারের স্বামী বললেন আমার স্ত্রীকে চুরি করেছিল জ্যোতিপ্রিয়। এদিন সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই এমন উক্তি করেন সুকান্ত। 

    আরও পড়ুন: “ডায়মন্ড হারবারে সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী অভিষেক-ভাইরাসের বিরুদ্ধেই লড়াই”, কটাক্ষ ববির

    অন্যদিকে সন্দেশখালি ইস্যুতে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “সন্দেশখালি সমস্যা সমাধান হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী সন্দেশখালিকে রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করতে চাইছেন। যেভাবে সমস্ত সন্দেশখালির মহিলারা জাগ্রত হয়ে সমস্ত অভিযোগ আমাদের, আপনাদের সামনে এনেছে্‌ তারপর থেকে মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের টনক নড়ে গেছে। যেনোতেনো প্রকারে পয়সা দিয়ে হোক পুলিশ দিয়ে হোক তাদের যে বয়ান, তাদের যে অভিযোগ সেটাকে বদল করার জন্য চেষ্টা করছে।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Third Aircraft Carrier: তৃতীয় বিমানবাহী রণতরীর নির্মাণ শীঘ্রই, হবে আরও ৫-৬টি, বড় ঘোষণা রাজনাথের

    Third Aircraft Carrier: তৃতীয় বিমানবাহী রণতরীর নির্মাণ শীঘ্রই, হবে আরও ৫-৬টি, বড় ঘোষণা রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনা আগ্রাসন থেকে দেশের জলসীমা এবং সর্বোপরি ভারতের সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করতে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা খোলসা করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি জানালেন, শীঘ্রই তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী (Third Aircraft Carrier) নির্মাণের কাজ শুরু হবে। এছাড়া, অদূর ভবিষ্যতে ভারতে আরও ৫-৬টি বিমানবাহী রণতরী নির্মাণ করা হবে বলেও বড় দাবি করলেন তিনি।

    কী বলেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী?

    একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে রাজনাথ জানান, খুব শীঘ্রই ভারতের তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী নির্মাণের কাজ শুরু হতে চলেছে। এই জাহাজটিও আইএনএস বিক্রান্ত-এর মতো ৪৫ হাজার টনের হবে। তিনি বলেন, ‘‘ভারতের এই মুহূর্তে ২টি বিমানবাহী রণতরী রয়েছে। একটি দেশীয় বিক্রান্ত। অন্যটি ২০১৩ সালে রাশিয়া থেকে কেনা আইএনএস বিক্রমাদিত্য। তৃতীয়টির (Third Aircraft Carrier) উৎপাদন শীঘ্রই শুরু হবে। তবে, আমরা এখানেই থেমে থাকতে রাজি নই। আমরা আরও ৫-৬টি বিমানবাহী রণতরী নির্মাণ করব।’’

    ভারত মহাসাগরে চিনের মোকাবিলা

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি ভারত ৫-৬টি আরও বিমানবাহী রণতরী নির্মাণ করে ফেলে, তাহলে ভবিষ্যতে ভারতীয় জলসীমার কাছে চিবনা আগ্রাসনের মোকাবিলা করা সহজ হবে। ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) শক্তি প্রভূত পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে। চিনের চেয়ে বেশি না হলেও, তা চিনের সমকক্ষ হয়ে উঠবে (Third Aircraft Carrier)। প্রসঙ্গত, চিনও জানিয়েছে যে, তারা ৫-৬টি বিমানবাহী রণতরী নির্মাণ করার পরিকল্পনা নিয়েছে। বর্তমানে, চিনের হাতেও দুটি বিমানবাহী রণতরী রয়েছে। একটি সাবেক সোভিয়েত জমানার লিয়াওনিং। অন্যটি দেশে তৈরি শ্যানডং। সম্প্রতি, ৮০ হাজার টনের ফুজিয়ানের সি-ট্রায়াল (সামুদ্রিক পরীক্ষাপর্ব) শেষ হয়েছে। শীঘ্রই তা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। 

    দক্ষিণ চিন সাগরে ভারতীয় নৌজাহাজ

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, একবার তা সম্পন্ন হলে, চিন একটিকে (বিমানবাহী রণতরী) পাকাপাকিভাবে ভারত মহাসাগরে মোতায়েন করতে পারে। ফলে, ভারতের হাতেও যদি অন্তত তিনটে বিমানবাহী রণতরী (Third Aircraft Carrier) থাকে, তাহলে চিনা আগ্রাসনের চোখে চোখ রেখে মোকাবিলা সহজ হবে। চিনও অতি-সাহসী হয়ে ওঠার আগে দুবার ভাববে। রাজনাথ সিংয়ের (Rajnath Singh) ঘোষণা অনুযায়ী যদি ভারতের হাতে একবার ৫-৬টি বিমানবাহী রণতরী চলে আসে, তাহলে একটিকে পাকাপাকিভাবে দক্ষিণ চিন সাগরে মোতায়েন করে রাখা সম্ভব হবে। 

    দুই জলসীমার সুরক্ষা নিশ্চিতের লক্ষ্যে

    তিনটে বিমানবাহী রণতরীর (Third Aircraft Carrier) দাবি দীর্ঘদিন ধরে করে আসছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। বাহিনীর মতে, একসঙ্গে তিনটি এয়ারক্র্যাফট ক্যারিয়ার থাকলে, দেশের দুই জলসীমা — পূর্বে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে আরবসাগরে একইসঙ্গে দুটি মোতায়েন করে জলসীমাকে নিরাপদ রাখা সম্ভব হবে। সেই সময় মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনে তৃতীয়টিকে বসানো হলেও, সমস্যা হবে না। 

    কী মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা

    তবে বিশেষজ্ঞরা এও জানিয়েছেন, একসঙ্গে ৫-৬টি বিমানবাহী রণতরীকে (Third Aircraft Carrier) মোতায়েন করতে হলে, প্রচুর সংখ্যক জাহাজ ও সহযোগী পরিকাঠামোরও প্রয়োজন। তাঁদের মতে, বিমানবাহী রণতরী হল ‘কোহিনূরে’র মতো। তারা কখনও একা যায় না। একটি বিমানবাহী রণতরীর সুরক্ষায় সর্বদা তাকে ঘিরে থাকে একাধিক ডেস্ট্রয়ার, ফ্রিগেট ও করভেট ও জ্বালানি সববরাহকারী ট্যাঙ্কার প্রভৃতি রণতরীর একটা টিম। জলের নীচে থাকে সাবমেরিন। আকাশে চক্কর কাটতে থাকে অ্যাওয়াক্স নজরদারি বিমান। এই সব মিলিয়ে তৈরি হয় একটি বিমানবাহী রণতরীর ‘ক্যারিয়ার ব্যাটল গ্রুপ’ (Carrier Battle Group)। এর জন্য প্রয়োজন বিশাল বিনিয়োগ ও পরিকাঠামো। রাজনাথের (Rajnath Singh) এই দাবিকে বাস্তব করতে হলে, নৌসেনা (Indian Navy) তথা প্রতিরক্ষা খাতে প্রচুর বিনিয়োগ ও বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে, বিশেষ করে মূলধন বরাদ্দ প্রভূত পরিমাণে বাড়াতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: হাইকোর্টে দুই নেত্রী, রেখা চাইলেন রক্ষাকবচ, জামিন চাইছেন পিয়ালি দাস

    Calcutta High Court: হাইকোর্টে দুই নেত্রী, রেখা চাইলেন রক্ষাকবচ, জামিন চাইছেন পিয়ালি দাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে এবার হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হলেন সন্দেশখালির (Sandeshkhali) দুই বিজেপি নেত্রী। একদিকে বসিরহাটের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র (Rekha Patra) রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। অন্যদিকে জেলবন্দি স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বে পিয়ালি দাস ওরফে মাম্পি নিম্ন আদালতে জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন। পিয়ালি দাসের ৭ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল বসিরহাট আদালত।

    রক্ষাকবচ চাইলেন রেখা পাত্র

    ভাইরাল ভিডিও পর্বের পর বসিরহাটের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে সন্দেশখালিতে।  তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা দায়ের হয়েছে, হাইকোর্টে এই অভিযোগ জানিয়েছেন রেখা। হাইকোর্টে তাঁর আইনজীবী জানিয়েছেন, এমন কত মামলা আছে তার তালিকা দিক পুলিশ। একই সঙ্গে রেখা পাত্রকে নিরাপত্তা দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে বিচারপতির জয় সেনগুপ্তর বেঞ্চে। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। অন্যদিকে পিয়ালি দাস জানিয়েছেন প্রথমে পুলিশের তরফ থেকে জামিনযোগ্য ধারা দেওয়া হয়েছিল। আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গেলে শেষ মুহূর্তে জামিন অযোগ্য ধারা যুক্ত করে পিয়ালি দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বসিরহাট মহকুমা আদালত তাঁকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়। এরপরই নিম্ন আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ দিয়ে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হন পিয়ালি।

    ভাইরাল ভিডিও তৃণমূলের হাতিয়ার

    প্রসঙ্গত সন্দেশখালি পর্বের পরবর্তী অধ্যায়ের সূত্রপাত ভাইরাল ভিডিওকে কেন্দ্র করে। স্টিং অপারেশনের পর সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয় বেশ কয়েকটি ভিডিও। তাতে সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ ভুয়ো বলে দাবি করা হয়। এই দাবি করে তৃণমূল কংগ্রেস। পাল্টা বিজেপির দাবি ভিডিওটি ভুয়ো এবং বিকৃত করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: “ডায়মন্ড হারবারে সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী অভিষেক-ভাইরাসের বিরুদ্ধেই লড়াই”, কটাক্ষ ববির

    এরপরেই একের পর এক মামলা হয় স্থানীয় বিজেপি নেত্রী রেখা পাত্র এবং পিয়ালি দাসের বিরুদ্ধে। এই সব মামলা থেকে নিস্তার পেতে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হলেন দুই নেত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • S Jaishankar: ‘‘নিজেরা আদালতে যায়, আবার আমাদের জ্ঞান দেয়’’, পশ্চিমী মিডিয়াকে তোপ বিদেশমন্ত্রীর

    S Jaishankar: ‘‘নিজেরা আদালতে যায়, আবার আমাদের জ্ঞান দেয়’’, পশ্চিমী মিডিয়াকে তোপ বিদেশমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের নির্বাচন নিয়ে পশ্চিমী দেশগুলি ‘নেতিবাচক’ ভাবে খবর সম্প্রচার করছে। তা নিয়ে এবার তোপ দাগলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সব বিষয়ে পশ্চিমী দেশগুলির নাক গলানোকে কড়া ভাষায় নিন্দা করলেন বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)। তাঁর কথায় যেসব দেশের ভোটের ফলাফল নির্ণয় হয় আদালতে, তাঁরা আবার আমাদের ‘জ্ঞান’ দেয়। বুধবার ভারতের নির্বাচন নিয়ে পশ্চিমী দেশগুলির সংবাদমাধ্যমের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন জয়শঙ্কর। সবাই নেতিবাচক দৃষ্টিতে ভারতের রাজনীতিকে উপস্থাপিত করছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।

    কী বললেন জয়শঙ্কর

    কলকাতায় তাঁর লেখা ‘হোয়াই ভারত ম্যাটারস’ বইয়ের বাংলা সংস্করণ প্রকাশের জন্য শহরে এসেছিলেন বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)। সেখানে আলাপচারিতার সময় দেশ ও বিদেশনীতি নিয়ে অনেক কথা বলেন জয়শঙ্কর। পশ্চিমী দেশগুলি ২০০ বছরের বেশি সময় ধরে বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করছে। সকলের উপর খবরদারি চালাচ্ছে। আর তাই ভারতের স্পর্ধা দেখে ওরা এখন আঁতকে উঠছে। তাঁর কথায়, “বিগত ৭০ থেকে ৮০ বছর এই পশ্চিমী দেশগুলি আমাদের ওপর প্রভাব খাটিয়ে এসেছে। তাই এখনও তারা সেটা করতে চাইছে। আমরা কীভাবে নির্বাচন করব? তা-ও ওরাই ঠিক করে দেবে?” প্রশ্ন বিদেশমন্ত্রীর।

    আরও পড়ুন: মোদির বিরুদ্ধে আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, নির্বাচন কমিশনে অভিযোগের পরামর্শ

    পশ্চিমী ভাবনার সমালোচনা

    বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের (S Jaishankar) দাবি, পশ্চিমী দেশগুলি চায় যাতে একটি নির্দিষ্ট ক্লাসের মানুষজনই ভারতে শাসন করে। কিন্তু ভারতবাসীরা যখন নিজেদের মনের মতো ভোট দেয়, তারা সেটা মেনে নিতে পারে না।’ বিদেশি সংবাদপত্রগুলি কেন ভারতকে নিয়ে এত নেতিবাচক? এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “এরা এখন এমন এক ভারতকে দেখছে যা তাদের মনোভাবের বা ভাবনার সঙ্গে খাপ খায় না। তারা চায় নিজেদের মতো করে এখানে নীতি নির্ধারিত হোক। তাদের মতো করে মানুষ এখানে জীবন যাপন করুক। এটা যারা নিশ্চিত করবে, পশ্চিমীরা চায়, তারাই যেন ভারতে শাসন করে।” কানাডা ও আমেরিকার নাক গলানোর স্বভাবকে উল্লেখ না করেই জয়শঙ্কর বলেন, এটা ওদের পুরনো অভ্যাস। ওদের লক্ষ্য বিশ্বের দরবারে ভারতকে হেয় করা। ওরা যে একসময় দাদাগিরি চালাত তা ছাড়তে পারছে না। এইসব দেশই ভোটের ফলের জন্য আদালতে যায়। আর তারাই ভারতের গণতন্ত্র তুলে জ্ঞান দিতে চায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhisekh Banerjee: “ডায়মন্ড হারবারে সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী অভিষেক-ভাইরাসের বিরুদ্ধেই লড়াই”, কটাক্ষ ববির

    Abhisekh Banerjee: “ডায়মন্ড হারবারে সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী অভিষেক-ভাইরাসের বিরুদ্ধেই লড়াই”, কটাক্ষ ববির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১ জুন সপ্তম দফায় ভোট রয়েছে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে। এবছর এই কেন্দ্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhisekh Banerjee) বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছেন বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস ওরফে ববি। তাই শেষ মুহূর্তের প্রচারে ব্যস্ত তিনি। কিন্তু প্রচারে নামার আগেই বাধার সম্মুখীন হলেন ওই প্রার্থী। যদিও তাতে একেবারেই দমে যাননি তিনি, বরং এবার অভিষেকের গড়ে দাঁড়িয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই হুংকার দিলেন।

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ অভিজিতের (Abhisekh Banerjee)

    মঙ্গলবার ডায়মন্ড হারবার কপাট হাট থেকে ডায়মন্ড হারবার (Diamond Harbour) স্টেশন বাজার পর্যন্ত দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করেন বিজেপি প্রার্থী। এরপর ডায়মন্ডহারবার এম বাজারের সামনে তিনি একটি স্ট্রিট কর্নার করেন। মূলত গাড়ির ওপরে দাঁড়িয়ে আলো-মাইক ছাড়াই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ জানালেন অভিজিৎবাবু।

    বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ  

    এদিন বিজেপি প্রার্থী অভিযোগ তোলেন, এম বাজারের সামনে সভার জন্য যে মঞ্চ বাঁধা হচ্ছিল, তার ডেকরেটরকে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে ভয় দেখিয়ে মঞ্চ বাঁধতে দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে লাইট, মাইক কোনও কিছুই লাগাতে দেওয়া হয়নি। আর তাই অগত্যা নিজের প্রচার গাড়ির উপরে দাঁড়িয়েই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhisekh Banerjee) বিরুদ্ধে হুংকার দিলেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: প্রকাশ্য রাস্তায় মহিলার চুলের মুঠি ধরল পুলিশ! ক্লোজ করা হল তুফানগঞ্জের এসআইকে

    অভিষেকের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি

    এই স্ট্রিট কর্নার থেকে তিনি বলেন,”যদি এতই মানুষের জন্য কাজ করে থাকে, তাহলে বিরোধী দলের প্রার্থীদের ভয় পাচ্ছেন কেন উনি? কেন মঞ্চ বাঁধতে দেওয়া হচ্ছে না! লাইট, মাইক কেন দেওয়া হল না?” তিনি জানান, আসলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhisekh Banerjee) ভয় পেয়েছে। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “এবারে লোকসভা নির্বাচনের লড়াই তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস এদের বিরুদ্ধে নয়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নামক যে ভাইরাস ডায়মন্ড হারবারে (Diamond Harbour) যে সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছে তার বিনাশ করার জন্য এই লড়াই।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Howrah Station: হাওড়া স্টেশনে ব্যস্ত সময়ে মহিলার পেটে ছুরি মেরে খুন! ত্রিকোণ প্রেম? চাঞ্চল্য

    Howrah Station: হাওড়া স্টেশনে ব্যস্ত সময়ে মহিলার পেটে ছুরি মেরে খুন! ত্রিকোণ প্রেম? চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তখন হাওড়া স্টেশনে (Howrah Station) অত্যন্ত ব্যস্ততার সময়, ভিড়ে ঠাসাঠসি। আচমকা এক মাহিলার আর্তনাদ শোনা গেল। জানা গেল, ভিড়ের মাঝেই এক মহিলাকে ছুরি মেরে খুনের ঘটনা ঘটেছে। ছুরির আঘাতে মুহূর্তের মধ্যেই লুটিয়ে পড়েছিলেন মহিলা। আহত অবস্থায় তাঁকে হাওড়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। ইতিমধ্যে পুলিশ অভিযুক্ত মুঙ্গেশ যাদব নামক এক ব্যক্তিকে গোলাবাড়ি থানা থেকে গ্রেফতার করেছে। এই খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    কীভাবে ঘটনা ঘটল (Howrah Station)?

    বুধবার সকালে হাওড়া স্টেশনের (Howrah Station) ২৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের পার্সেল ডিপার্টমেন্টের পাশে পিন্টু, মুঙ্গেশ এবং রিভু চা খাচ্ছিলেন। মাথায় যন্ত্রণার অভিযোগে পিন্টুকে ওষুধ আনতে পাঠায় মুঙ্গেশ। এরপর সুযোগ বুঝে রিভুর পেটে ছুরি চালান মুঙ্গেশ। আশেপাশের যাত্রীরা ঘটনায় বিস্মিত হয়ে পড়েন। চিৎকারে ছুটে আসে আশেপাশের মানুষ। জানা যায় রক্ত মাখা ছুরি নিয়ে সকলকে ভয় দেখান মুঙ্গেশ। এরপর আরপিএফ অনেক কষ্টে বাগে নিয়ে আসে অভিযুক্তকে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে রিভুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ভোটের মরশুমে পাহাড় থেকে সাগরে গানে গানে শান্তির বার্তা বাউল শিল্পীর

    মৃত মহিলার পরিচয়

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়া স্টেশনে (Howrah Station) খুন হওয়া মহিলার নাম রিভু বিশ্বাস, বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায়। স্বামী পিন্টু বিশ্বাস এবং তাঁর পরিবার নিয়ে মুম্বইতে বসবাস করতেন। খুনে অভিযুক্ত যুবক মুঙ্গেশ যাদব মুম্বইতে থাকতেন। একই হোটেলে পিন্টু এবং অভিযুক্ত কাজ করতেন। তবে ত্রিকোণ প্রেম সংক্রান্ত কিছু বিষয় ছিল কিনা তা এখনও জানা যায়নি। মুঙ্গেশ জানিয়েছেন, তাঁকে বিয়ে করার জন্য কলকাতায় আসতে বলেছিল রিভু। তাঁর কাছে থেকে একটা মোটা অঙ্কের টাকাও নেওয়া হয়। কিন্তু তারপরও আর বিয়ে হয়নি। তবে তিনি খুনের সঙ্গে কোনও ভাবেই যুক্ত নন। তাঁকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে গ্রামবাসীরা রয়েছেন আতঙ্কে! নিজে গিয়ে অভিযোগ শুনলেন রেখা পাত্র

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে গ্রামবাসীরা রয়েছেন আতঙ্কে! নিজে গিয়ে অভিযোগ শুনলেন রেখা পাত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বাগদি পাড়ায় গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র। তিনি বৃহস্পতি বার এলাকায় তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনেছেন। এলাকার মানুষ সমাজিক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে তৃণমূলের দিকে নিশানা করেছে গ্রামবাসীরা। একই ভাবে মানুষের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন রেখা। ফলে এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    এলাকার মানুষের অভিযোগ (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বাগদি পাড়ার মহিলারা তৃণমূলের বিরুদ্ধে আঙুল তুলে বলেন, “আমরা ভীষণ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। যখন তখন বাড়িতে ঢুকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে তৃণমূলের নেতার। সন্ধ্যা হলেই বাড়িতে অত্যাচার করতে আসছে, মারধর করছে। এমন কী যুবতী মেয়েকে মাটিতে ফেলে জামা টেনে ছিঁড়ে দিয়েছে। আমরা খুব আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। অনেক লোক ঘর থেকে বেরোতে ভয় পাচ্ছেন। ভোট হবে কীভাবে এলাকায়! পুলিশ তৃণমূলের কথা শুনছে। আমরা কীভাবে নির্বিঘ্নে ভোট দেবো?”

    কমিশন বদ্ধপরিকর

    ইতিমধ্যে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ঘটনা নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন, উত্তর ২৪ পরগনার নির্বাচন কমিশনের আধিকারিককে দিয়ে বাড়তি নজর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এরপর আজ সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল চলছে এলাকায়। বাগদি পাড়ায় বিজেপি প্রার্থীর রেখা পাত্র গেলে তাঁকে অভিযোগ জানান এলাকার মানুষ।“

    কিন্তু কমিশন বদ্ধপরিকর, জেলা প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কড়া নির্দেশ দিয়েছে সন্দেশখালিতে যাতে ভোট নির্ভীক এবং শান্তিপূর্ণ হয়। অপরে সবরকম ব্যবস্থার বন্দোবস্ত করার কথা কমিশন বললেও প্রশাসনের নিস্ক্রিয়তায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বাগদি পাড়ার রামপুর কাঠপল এলাকার মানুষ। ইতিমধ্যে সিবিআই সন্দেশখালিকান্ডের বিষয় নিয়ে অভিযোগ দায়ের করার জন্য একটি পোর্টাল খুলেছে। কিন্তু তারপরেও কী কোনও প্রশাসনিক দুর্বলতা রয়েছে? নাকি নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ রাজ্য প্রশাসন সঠিকভাবে পালন করছে না। ভোটের মুখে এমন নানান প্রশ্ন উঠছে এলাকায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share