Tag: Madhyom

Madhyom

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে গ্রামবাসীরা রয়েছেন আতঙ্কে! নিজে গিয়ে অভিযোগ শুনলেন রেখা পাত্র

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে গ্রামবাসীরা রয়েছেন আতঙ্কে! নিজে গিয়ে অভিযোগ শুনলেন রেখা পাত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বাগদি পাড়ায় গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র। তিনি বৃহস্পতি বার এলাকায় তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনেছেন। এলাকার মানুষ সমাজিক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে তৃণমূলের দিকে নিশানা করেছে গ্রামবাসীরা। একই ভাবে মানুষের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন রেখা। ফলে এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    এলাকার মানুষের অভিযোগ (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বাগদি পাড়ার মহিলারা তৃণমূলের বিরুদ্ধে আঙুল তুলে বলেন, “আমরা ভীষণ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। যখন তখন বাড়িতে ঢুকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে তৃণমূলের নেতার। সন্ধ্যা হলেই বাড়িতে অত্যাচার করতে আসছে, মারধর করছে। এমন কী যুবতী মেয়েকে মাটিতে ফেলে জামা টেনে ছিঁড়ে দিয়েছে। আমরা খুব আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। অনেক লোক ঘর থেকে বেরোতে ভয় পাচ্ছেন। ভোট হবে কীভাবে এলাকায়! পুলিশ তৃণমূলের কথা শুনছে। আমরা কীভাবে নির্বিঘ্নে ভোট দেবো?”

    কমিশন বদ্ধপরিকর

    ইতিমধ্যে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ঘটনা নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন, উত্তর ২৪ পরগনার নির্বাচন কমিশনের আধিকারিককে দিয়ে বাড়তি নজর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এরপর আজ সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল চলছে এলাকায়। বাগদি পাড়ায় বিজেপি প্রার্থীর রেখা পাত্র গেলে তাঁকে অভিযোগ জানান এলাকার মানুষ।“

    কিন্তু কমিশন বদ্ধপরিকর, জেলা প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কড়া নির্দেশ দিয়েছে সন্দেশখালিতে যাতে ভোট নির্ভীক এবং শান্তিপূর্ণ হয়। অপরে সবরকম ব্যবস্থার বন্দোবস্ত করার কথা কমিশন বললেও প্রশাসনের নিস্ক্রিয়তায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বাগদি পাড়ার রামপুর কাঠপল এলাকার মানুষ। ইতিমধ্যে সিবিআই সন্দেশখালিকান্ডের বিষয় নিয়ে অভিযোগ দায়ের করার জন্য একটি পোর্টাল খুলেছে। কিন্তু তারপরেও কী কোনও প্রশাসনিক দুর্বলতা রয়েছে? নাকি নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ রাজ্য প্রশাসন সঠিকভাবে পালন করছে না। ভোটের মুখে এমন নানান প্রশ্ন উঠছে এলাকায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: প্রকাশ্যে প্রধানমন্ত্রীর হলফনামার তথ্য, কত সম্পত্তির মালিক নরেন্দ্র মোদি?

    PM Modi: প্রকাশ্যে প্রধানমন্ত্রীর হলফনামার তথ্য, কত সম্পত্তির মালিক নরেন্দ্র মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার বার বসেছেন মুখ্যমন্ত্রীর আসনে। দুই বারের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নামে নেই গাড়ি-বাড়ি। হাতে নগদ টাকা মাত্র ৫২ হাজার ৯২০ টাকা। সব মিলিয়ে মোট সম্পত্তি মাত্র ৩ কোটির টাকার কাছাকাছি। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সম্পত্তির হিসেব নিকেশ।

    প্রধানমন্ত্রীর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ

    হাতে নগদ টাকা – ৫২ হাজার ৯২০ টাকা।

    সঞ্চিত টাকার পরিমাণ

    ১. গুজরাতের গান্ধিনগরে স্টেট ব্যাঙ্কে – ৭৩ হাজার ৩০৪ টাকা।

    ২. উত্তরপ্রদেশের স্টেট ব্যাঙ্কের শিবাজী নগর শাখায় জমা রয়েছে মাত্র ৭ হাজার টাকা।

    ৩. স্টেট ব্যাঙ্কে ফিক্সড ডিপোজিট রয়েছে ২ কোটি ৮৫ লক্ষ ৬০ হাজার ৩৩৮ টাকার।

    ৪. ন্যাশনাল সেভিং সার্টিফিকেটে রয়েছে ৯ লক্ষ ১২ হাজার ৩৯৮ টাকার।

    ৫. ৪টি সোনার আংটি রয়েছে। যার ওজন ৪৫ গ্রাম। আর্থিক মূল্য ২ লক্ষ ৬৭ হাজার ৭৫০ টাকা।

    মোট সম্পদ– ৩ কোটি ২ লক্ষ ৬ হাজার ৮৮৯ টাকা।

    স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ

    ১.প্রধানমন্ত্রীর নামে নেই কোনও জমি।

    ২. প্রধানমন্ত্রীর নামে নেই কোনও বাড়ি-গাড়ি।

    কোনও ঋণ নেই নরেন্দ্র মোদির নামে

    কোনও ব্যাঙ্ক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বা ব্যক্তির কাছে ঋণ বা বকেয়া নেই নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নামে । বর্তমানে আয়ের উৎস হিসেবে PMO থেকে পাওয়া বেতন উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তিনি। হলফনামায় উল্লেখ করেছেন তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ। এবারও বারাণসী লোকসভা আসন থেকে তৃতীয় মেয়াদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোদি। ১৪ মে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সহ বেশ কয়েকজন এনডিএ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন জমা দেন তিনি। তার আগে কাল ভৈরব মন্দিরে প্রার্থনা এবং দশশ্বমেধ ঘাটে গঙ্গার তীরে আরতি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তাঁর পরনে ছিলেন নীল জ্যাকেট ও সাদা কুর্তা-পায়জামা।

    আগে কত সম্পত্তি ছিল প্রধানমন্ত্রীর 

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সম্পত্তি সংক্রান্ত হলফনামার খবর ছড়িয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। নিন্দুকেরা বলছেন প্রধানমন্ত্রীর এতদিনে যা সম্পত্তি হয়েছে, তার থেকে অনেক বেশি টাকা ইডি বা ইনকাম ট্যাক্সের হানায় বিভিন্ন রাজ্যের নেতাদের খাট কিংবা আলমারি থেকে বের হয়।

    আরও পড়ুন: মোদির বিরুদ্ধে আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, নির্বাচন কমিশনে অভিযোগের পরামর্শ

    প্রসঙ্গত ২০০৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় মোদি সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৪৩ লক্ষ টাকা ছিল। ২০১২ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই সংখ্যা হল এক কোটি। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের হলফনামায়, মোদি মোট সম্পদের ছিল ১.৫ কোটি টাকার। ২০১৯ এর হলফনামায় বেড়ে হল ২.৫ কোটি টাকা। এবার মোট সম্পত্তির পরিমাণ হয়েছে ৩.২ কোটি টাকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah in Hooghly: “মৌলা-মাদ্রাসা-মাফিয়ার ভূমিতে পরিণত হয়েছে বাংলা”, কটাক্ষ শাহের

    Amit Shah in Hooghly: “মৌলা-মাদ্রাসা-মাফিয়ার ভূমিতে পরিণত হয়েছে বাংলা”, কটাক্ষ শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha election 2024) প্রচারে বুধবার হুগলির মশাটে সভা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শ্রীরামপুর লোকসভার বিজেপি প্রার্থী কবীরশঙ্কর বসুর সমর্থনে এদিন নির্বাচনী সভায় উপস্থিত হন অমিত শাহ (Amit Shah in Hooghly)। আর সভা থেকেই একাধিক প্রসঙ্গ তুলে সরাসরি তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেছেন তিনি। এদিন মা-মাটি-মানুষকে কটাক্ষ থেকে শুরু করে সত্যজিতের ‘হীরকরানির’ প্রসঙ্গ কিছুই বাদ দেননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। 

    মা-মাটি-মানুষকে কটাক্ষ 

    এদিন সভা থেকে মা-মাটি-মানুষকে কটাক্ষ করে শাহ (Amit Shah in Hooghly) বললেন, ‘‘বাংলা এখন মৌলা-মাদ্রাসা-মাফিয়ার ভূমিতে পরিণত হয়েছে।’’একই সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে তিনি বলেন,‘‘আঁচলে লুকিয়ে নিলেও জেলে ঢোকাব দুর্নীতিগ্রস্তদের। কাউকে লুকোতে পারবেন না।’’ 

    সত্যজিতের ‘হীরকরানির’ প্রসঙ্গ

    তবে কেবল দুর্নীতিগ্রস্তদের প্রসঙ্গই নয় এদিন অমিত শাহ মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘হীরকরাজার দেশে সিনেমা’ তৈরি করেছিলেন সত্যজিৎ রায়। খুবই জনপ্রিয় হয়েছিল সেই সিনেমা। বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন ক্ষমতায় এসেছেন, সত্যজিৎ তখন বেঁচে নেই , থাকলে তিনি ‘হীরকরানির দেশে’ সিনেমা বানাতেন। ভাই-বোন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হীরকরানির দেশে।’’
    প্রসঙ্গত, এবারের লোকসভা ভোটে (Lok Sabha election 2024) শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রে জমজমাট লড়াই বিদায়ী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিজেপি কবীর শঙ্কর বসুর৷ এদিন শ্রীরামপুরের বিজেপি প্রার্থী কবীর বসুর প্রশংসা করে কল্যাণকে তোপ দাগেন অমিত শাহ (Amit Shah in Hooghly)। তৃণমূল প্রার্থীকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘‘শ্রীরামপুরকে বাঁচাতে কল্যাণকে হারিয়ে কবীরকে জয়ী করুন। প্রধানমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী করুন। বাংলা থেকে ৩০ আসন দিন।’’

    আরও পড়ুন: প্রকাশ্য রাস্তায় মহিলার চুলের মুঠি ধরল পুলিশ! ক্লোজ করা হল তুফানগঞ্জের এসআইকে

    মমতাকে নিশানা শাহের (Amit Shah in Hooghly) 

    আগামী ২০ মে ভোট রয়েছে শ্রীরামপুরে। তাই শেষ মুহূর্তের প্রচারে এসে এক চুলও জমি ছাড়তে নারাজ শাহ। একের পর এক প্রসঙ্গ তুলে তৃণমূলকে বিঁধছেন শাহ। মা-মাটি-মানুষ, সত্যজিতের প্রসঙ্গের পর এবার শ্রীরামপুরের জলে ভরা রাস্তার কথা উল্লেখ করে কটাক্ষ করলেন তিনি। বললেন, শ্রীরামপুরের রাস্তা জলে ভরে যায়। নালার সংস্কার হয় না। কিন্তু এখানে মন্ত্রীর বাড়ি থেকে ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার হয়। ওগুলো ঘুষের টাকা। যখন আমরা ধরি, তখন মমতাদিদি বলেন, ‘‘ইডির অপব্যবহার হচ্ছে। কিন্তু দুর্নীতি যে-ই করবেন, তাঁকেই ধরব। আপনি আঁচলে লুকিয়ে রাখলেও তাঁকে জেলে ভরব।’’
    এছাড়াও সিএএ প্রসঙ্গে এদিন তিনি (Amit Shah in Hooghly) বলেন,‘‘আমি মমতাদিদি এবং আপনার ভাইপোকে বলে যাচ্ছি, যত পারেন জোর করুন, সিএএ হবেই।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ভোটের মরশুমে পাহাড় থেকে সাগরে গানে গানে শান্তির বার্তা বাউল শিল্পীর

    South 24 Parganas: ভোটের মরশুমে পাহাড় থেকে সাগরে গানে গানে শান্তির বার্তা বাউল শিল্পীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের লক্ষ্যে বন্দর শহর ডায়মন্ডহারবার ভাসলো বাউল শিল্পী স্বপন দত্তের সুরে। সারা দেশে ভোট গণতান্ত্রিক উৎসব হলেও এই রাজ্যে ভোট কেবল মাত্র হিংসা, হানাহানি-মারামারি এবং সন্ত্রাসের চিত্র লক্ষ করা যায়। তাই এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় (South 24 Parganas) গানের মাধ্যমে অভিনব প্রচার লক্ষ্য করা গেল বাউল শিল্পীর গানে। 

    গানে গানে শান্তির বার্তা (South 24 Parganas)

    বিগত রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসা হানাহানি ব্যালট পুড়িয়ে দেওয়া, ব্যালট পুকুরে ফেলা, বোমাবাজি, একাধিক মায়েরকোল খালি হওয়া ছবিগুলো নাড়া দিয়েছিল রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত বাউল শিল্পী স্বপন দত্তকে। আর তাই ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন যাতে অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে হয় সেই বার্তাকে সামনে রেখে বিভিন্ন জেলা ঘুরে বেড়াচ্ছেন পূর্ব বর্ধমানের বাউল শিল্পী স্বপন দত্ত। পাহাড় থেকে সাগর, এভাবেই তিনি ভোটের সচেতনতা এবং শান্তির বার্তা দিচ্ছেন। এবার প্রচার করছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনায় (South 24 Parganas)।

    গানের  কথা ও সুরে কমিশনকে বার্তা

    বাউল শিল্পী স্বপন দত্ত তাঁর কথায় ও গানের সুরে বলেছেন, “নির্বাচন কমিশনকে আরও কঠোর হতে হবে, প্রশাসনকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।” অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের লক্ষ্যে এমনই গান বেঁধেছেন তিনি। এবার তাঁর গানের সুরেই ভাসলো বন্দর শহর ডায়মন্ডহারবার (South 24 Parganas)। কখনও নদীর ধার কখনও বা রেলস্টেশন, কখনও আবার জনবহুল বাজারে মানুষের মাঝে পৌঁছে যাচ্ছেন এই বাউল শিল্পী।

    আরও পড়ুনঃ ভগবানপুরে কান কাটা হল বিজেপি কর্মীর, বোলপুরে বাড়িতে আগুন, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    কী বললেন বাউল শিল্পী

    শিল্পীর একতারার সুরে ফুটে উঠছে ভোট দানের কথা। বাউল শিল্পী স্বপন দত্ত বলেছেন, “একটি ভোটের মূল্য অনেক, শান্তিপূর্ণ ভোট দাও হিংসা হানাহানি, বোমাবাজি কেউ করোনা। সকাল-সকাল ভোটের লাইনে যাও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দাও।” ঠিক এইভাবে ইতিমধ্যেই ২৩টি জেলার প্রচার সেরে ফেলেছেন তিনি। ২০১৬ সালে সমাজ সচেতনতার নিরিখে তিনি রাষ্ট্রপতির পুরস্কার পেয়েছিলেন। যা তাঁকে আরও বেশি করে উদ্বুদ্ধ করেছে। আর এই ভাবেই একের পর এক জেলায় অবাদ শান্তিপূর্ণ ভোটদানের বার্তা নিয়ে পৌঁছে যাচ্ছেন বাউল শিল্পী স্বপন দত্ত। তাঁর প্রচারে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে সাধারণ মানুষের মনে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tufanganj Incident: প্রকাশ্য রাস্তায় মহিলার চুলের মুঠি ধরল পুলিশ! ক্লোজ করা হল তুফানগঞ্জের এসআইকে

    Tufanganj Incident: প্রকাশ্য রাস্তায় মহিলার চুলের মুঠি ধরল পুলিশ! ক্লোজ করা হল তুফানগঞ্জের এসআইকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবছর লোকসভা ভোটের প্রথম চার দফা ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। বাকি রয়েছে পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম-এই তিন দফার ভোট। কিন্তু রাজ্যে এই ভোটের আবহের মধ্যেই এক  মহিলাকে পুলিশি হেনস্থার শিকার হতে হল। ঘটনায় অভিযুক্ত এসআই। কোচবিহারের তুফানগঞ্জের সেই ঘটনায় (Tufanganj Incident) এবার ওই পুলিশ আধিকারিককে করা হল ক্লোজ।

    ঠিক কী ঘটছিল? (Tufanganj Incident) 

    ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার।  নিগৃহীতা মহিলার বয়ান অনুযায়ী, পারিবারিক বিবাদের জন্য গত ৯ তারিখ বাড়িতে সালিশি সভা হয়। অভিযোগ, বচসা শুরু হতেই এই সালিশি সভার ভিতরেই এলাকার তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির আলি তাঁকে মারধর করেন। এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করতে গেলেও নাকি অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি বলে দাবি তাঁর। নিগৃহীত মহিলা বলেন, “বাড়ির লোক মারল না। তৃণমূল নেতা মারল। আমি থানায় গেলেও পুলিশ কোনও কথা শোনেনি। আমার কেসও নেয়নি।” এরপর এই ঘটনার (Tufanganj Incident) প্রতিবাদে বিচার চেয়ে নাটাবাড়ি গ্রামপঞ্চায়েতের সামনে আন্দোলন শুরু করেন তিনি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। অভিযোগ এরপর প্রকাশ্যেই পুলিশের এক এসআই মহিলাকে তাঁর চুলের মুঠি ধরে মারতে মারতে পুলিশের গাড়িতে তোলেন। 
    এ প্রসঙ্গে সিপিএম প্রার্থী সুজন চক্রবর্তী বলেন, “এটা বঙ্গের সংস্কৃতীর সঙ্গে যায় না। মহিলাদের কোনও নিরাপত্তা নেই? তৃণমূল নেতারা আসবে, মারধর করবে। তারপর পুলিশ অভিযোগ করবে না।”

    আরও পড়ুন: “সিএএ নিয়ে তৃণমূলের প্রচার ঠিক হলে আমি থুতু চাটব”, চ্যালেঞ্জ মিঠুনের

    পুলিশ আধিকারিককে ক্লোজ করার সিদ্ধান্ত 

    অন্যদিকে ঘটনার (Tufanganj Incident) খবর জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। একজন মহিলাকে কী করে চুলের মুঠি ধরে টেনে ওই পুলিশ আধিকারিক গাড়িতে তুললেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এলাকার মানুষ। যদিও ইতিমধ্যেই সেই পুলিশ আধিকারিককে ক্লোজ করা হয়েছে। জেলা পুলিশ আধিকারিক জানান, ওই পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ভগবানপুরে কান কাটা হল বিজেপি কর্মীর, বোলপুরে বাড়িতে আগুন, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    BJP: ভগবানপুরে কান কাটা হল বিজেপি কর্মীর, বোলপুরে বাড়িতে আগুন, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) করার অপরাধে বোলপুরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের পোলিং এজেন্টের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। গত চতুর্থ দফা লোকসভা নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী পিয়া সাহার পোলিং এজেন্ট ছিলেন তিনি। ভোটকেন্দ্র থেকে বাড়িতে ফেরার সময় তাঁকে ব্যাপক মারধর করা হয়। আবার পূর্ব মেদিনীপুরে বিজেপি কর্মী বাজার করে বাড়ি ফেরার সময় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে কান কেটে নিয়েছে বলে মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। ভোটের বাজারে জেলা জুড়ে বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে শোরগোল পড়েছে।

    কান কাটা হল বিজেপির কর্মীর

    আগামী ২৫ মে ভোট পূর্ব মেদিনীপুরে। কিন্তু ইতিমধ্যে বিজেপি (BJP) করার অপরাধে এক কর্মীর কান কেটে নিয়েছে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুরে। আহত বিজেপি কর্মীর নাম সুব্রত বাগ। তাঁর বাড়ি ইলাশপুরের কাছে হাড়মশানি গ্রামের হরিজনপল্লীতে। নিজের বাড়ির কাছেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। কান কাটার পর অসুস্থ অবস্থায় ভগবানপুর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে তাম্রলিপ্ত মেডিক্যাল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এরপর আহত বিজেপির কর্মী বলেন, “আগে আমরা তৃণমূল করতাম, কিন্তু এখন বিজেপিতে যোগদান করেছি। এরপর থেকে আমাকে টার্গেট করা হয়। বাজার থেকে বাড়িতে ফেরার সময় দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে।”

    বিজেপি এজেন্টের বাড়িতে আগুন (BJP)

    কেন বিজেপি (BJP) প্রার্থীর হয়ে বুথে এজেন্ট হয়েছিলেন? আর এই অপরাধেই আগুন দিল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। ঘটনাটি ঘটেছে বোলপুরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে। আক্রান্ত কর্মীর নাম শম্ভু বাড়ুই। প্রথমে তাঁকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং এরপর তাঁর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। বাড়ির এক অংশ পুড়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিজেপির ওই এজেন্ট বলেছেন, “আমাকে আগে থেকেই হুমকি দিচ্ছিল তৃণমূলের নেতারা। ভোটের আগে বেশ কয়েকবার ভয় দেখানো হয়েছিল। কিন্তু আমি ভোটে বিজেপির হয়ে কাজ করায় আমাকে ভোটের পরে আক্রমণ করা হয়।” যদিও ঘটনার দায় নিতে অস্বীকার করেছে তৃণমূল। বিজেপি হারবে তাই অপবাদ দেওয়া হয়েছে। মূলত গ্রাম্য বিবাদের কারণে ঘটনা ঘটেছে।

    আরও পড়ুনঃ মেদিনীপুরে অগ্নিমিত্রা পলের নির্বাচনী প্রচারে হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এই ঘটনায় তৃণমূলের পক্ষ থেকে ভগবানপুর ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি অম্বিকেশ মান্না বলেছেন, “বিষয়টি আদি ও নব্য বিজেপির মধ্যে গোলমাল হয়েছে, তাই এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূল ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pak Occupied Kashmir: পাক অধিকৃত কাশ্মীর ফের ভারতেই মিশবে, সোজাসাপ্টা উত্তর জয়শঙ্করের

    Pak Occupied Kashmir: পাক অধিকৃত কাশ্মীর ফের ভারতেই মিশবে, সোজাসাপ্টা উত্তর জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক-অধিকৃত কাশ্মীর (Pak Occupied Kashmir) ভারতের অঙ্গ ছিল, আগামীতেও ভারতের (India) অঙ্গই থাকবে। আমাদের সংকল্প একদিন ভারতের ওই অংশ পুনরায় ভারতে মিশবে। সম্প্রতি পিওকে-তে পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে গণবিদ্রোহ চলছে। এ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া চাওয়া হলে এমনই মন্তব্য করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

    সরকারের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করেছে পিওকে-র জনতা

    পাকিস্তানের প্রথম সারির দৈনিক ডন পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মাসের শেষ থেকেই পাক অধিকৃত কাশ্মীরের (Pak Occupied Kashmir) বহু অঞ্চলে সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু হয়েছে। মূলত খাবার, পানীয় জল ও বিদ্যুতের চূড়ান্ত মূল্যবৃদ্ধি ও অব্যবস্থা নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করেছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জনতা। পাকিস্তানে মুদ্রাস্ফীতি এবং বিদ্যুতের দাম আকাশছোঁয়া হওয়ায় সেখানকার মানুষ উগ্র আন্দোলন শুরু করছে। জম্মু-কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির নেতৃত্বে চলছে ভয়ংকর আগ্রাসী আন্দোলন। সেনার বহু যানবাহন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান রেঞ্জার্স দেখলেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠছে আন্দোলনকারীরা। পাক রেঞ্জার্স দেখলে পাথর ছুড়ছে জনতা। চাপে পড়ে সেখানকার জন্য ৭১৮ কোটি টাকার প্যাকেজ ও রেঞ্জার্সদের কাশ্মীর ছাড়ার ঘোষণা করেছে শাহবাজ শরিফ প্রশাসন। এরপরেও সেখানে আন্দোলন থামার নাম নিচ্ছে না। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে প্রশাসন সমস্যার সমাধান করার বদলে সাধারণ মানুষের উপরে গুলি চালায় পাকিস্তানি রেঞ্জার। ইতিমধ্যেই পিওকে-তে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বহু এলাকায় কারফিউ জারি করা হয়েছে। তবু আন্দোলন থামার কোন দিশা দেখা যাচ্ছে না।  

    জম্মু-কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির দাবি

    পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জনতা এপারের (Union Territory) কাশ্মীরের সঙ্গে নিজেদের এলাকাকে তুলনা করে রীতিমতো কান্নাকাটি শুরু করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে পাক প্রশাসনের শত বাধা সত্ত্বেও ভারতীয় কাশ্মীরের উন্নয়নের দৃশ্য পৌঁছে যাচ্ছে তাঁদের মোবাইলে। সেই দৃশ্য দেখে তাঁরা বুঝতে পেরেছেন কোন মধ্যযুগে বাস করছেন। ডনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের (Pak Occupied Kashmir) আটার দাম কিলোপ্রতি ৯০ রুপি (পাকিস্তানি)। চিনি ১৪০ টাকা রুপি। দুধ ২১০ রুপি প্রতি লিটার। ডাল ৩০০ থেকে ৪০০ রুপি পর্যন্ত কিলো। চাল ৪০০ রুপি কিলো। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। পাকিস্তানের যেন বেঁচে থাকাই কষ্টসাধ্য ব্যাপার। এই কারণেই পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জনতা আন্দোলন করে চলেছেন। জম্মু-কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির দাবি, “পাকিস্তানি প্রশাসন যেভাবে সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার করছে ভারতের উচিত দিল্লি অবস্থিত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়ে জবাবদিহি তলব করা। ভারত যদি মনে করে পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই অঙ্গ, তাহলে সেখানকার জনতার প্রতিও ভারতের দায়িত্ব রয়েছে।”

    আরও পড়ুন: গণবিদ্রোহে উত্তাল পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর, ভারতভুক্তির দাবি, উড়ল তেরঙ্গাও

    ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের প্রতিক্রিয়া 

    এমতাবস্থায় পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, “ভারতে সংসদের (Parliament Resolution) রিজল্যুশন আছে। আমরা স্পষ্টভাবে মনে করি পাক অধিকৃত কাশ্মীর (Pak Occupied Kashmir) ভারতের অংশ। ঐতিহাসিকভাবে এটি শুধুমাত্র ভারতেরই অংশ। আগেও ছিল, আগামীতেও থাকবে। আমাদের সংকল্প একদিন আমরা পাকিস্তানের কব্জা শেষ করে দেব। এবং ওই অঞ্চল ভারতের সঙ্গে জুড়ে যাবে। কিন্তু, ভারতের কিছু বিরোধী দলের নেতা আজব যুক্তি দিয়ে চলেছেন। যেমন ফারুক আবদুল্লা। তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে কথা বলা যাবে না। কারণ পাকিস্তানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র আছে। আমরা আমাদের দেশের পারমাণবিক অস্ত্রের উপর গর্ব করি। কিন্তু মনিশঙ্কর আইয়ার এবং ফারুক আবদুল্লার মত নেতারা পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্রকে বেশি গুরুত্ব দেয়।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • IPL 2024: বিরাট গর্জনেই বেঙ্গালুরুর দাপট দেখতে চায় ক্রিকেটপ্রেমীরা, ফের কি ক্যাপ্টেন কিং কোহলি?

    IPL 2024: বিরাট গর্জনেই বেঙ্গালুরুর দাপট দেখতে চায় ক্রিকেটপ্রেমীরা, ফের কি ক্যাপ্টেন কিং কোহলি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি আইপিএলে (IPL 2024) দুরন্ত কামব্যাক করেছে আরসিবি। প্রথম দিকে বেশ কিছুটা নড়বেড়ে ছিল বেঙ্গালুরু। তবে পরপর পাঁচটা ম্যাচ জিতে এখম তারা প্লে-অফের দৌড়ে। টুর্নামেন্টে বারবার শোনা গিয়েছে বিরাট (Virat Kohli) গর্জন। ১৩টি ম্যাচে ৬৬১ রান করেছেন কোহলি, সর্বোচ্চ রান অপরাজিত ১১৩। এবার ফের আগামী মরশুমে আরসিবির অধিনায়ক হিসাবে বিরাট কোহলিকে ফিরিয়ে আনার দাবি উঠল। ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার হরভজন সিং-সহ অনেকেই এই দাবি তুলেছেন।

    কী বললেন হরভজন

    আগামী মরশুমের জন্যে ২০২৫ সালে আইপিএলের (IPL 2024) মেগা নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। সেই নিলামে আরসিবি বিরাট কোহলিকে রেখে দেবে এটা প্রায় নিশ্চিত। তাই অন্যান্য খেলোয়ারদের থেকে বিরাট কোহলিই ভাল পছন্দ হতে পারেন বলে মনে করেছে হরভজন। প্রাক্তন স্পিনারের কথায়,  “আরসিবি যদি প্লে-অফে উঠতে না পারে তাহলে কোনও ভারতীয়কে দায়িত্ব দেওয়া উচিত। বিরাট কোহলিই বা নয় কেন! চেন্নাইতে দেখুন ধোনির গুরুত্ব অনেক, তেমন বিরাটও অনেক বড় নেতা, ও জানে আরসিবির কী ভাবে খেলা উচিত।” সেই সঙ্গে আরও বলেন, “আরসিবি এখনও আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলছে, ঠিক যেটা বিরাট কোহলি চায়। আমার তো মনে হয় বিরাট কোহলিকে পরের বছর অধিনায়ক করা উচিত।” 

    কমলা টুপির মালিক

    ২০২১ সালে অধিনায়কত্ব ছাড়েন বিরাট কোহলি (Virat Kohli), তাঁর অধিনায়কত্বে ২০১৬ সালে ফাইনালে পৌঁছয় আরসিবি। চলতি বছরেও (IPL 2024) দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন কোহলি, অরেঞ্জ ক্যাপের দৌড়ে সবার আগে রয়েছেন বিরাট। এই মুহূর্তে আইপিএলে (IPL 2024) কমলা টুপির মালিক কোহলি। ১৩ ম‌্যাচের ১৩ ইনিংসে ৬৬১ রান করেছেন যিনি। দেড়শো প্লাস স্ট্রাইক রেটে। কিন্তু বিরাটের গনগনে ফর্ম সত্ত্বেও আরসিবি (RCB) শেষ পর্যন্ত প্লে অফে যাবে কি না, এখনও নিশ্চিত নয়। 

    আরও পড়ুন: তিক্ততার অবসান! কে এল রাহুলকে নৈশভোজের আমন্ত্রণ সঞ্জীব গোয়েঙ্কার

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: “সিএএ নিয়ে তৃণমূলের প্রচার ঠিক হলে আমি থুতু চাটব”, চ্যালেঞ্জ মিঠুনের

    Lok Sabha Election 2024: “সিএএ নিয়ে তৃণমূলের প্রচার ঠিক হলে আমি থুতু চাটব”, চ্যালেঞ্জ মিঠুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৪২টি কেন্দ্রেরই প্রার্থী তিনি। অসুস্থতার পর ভোটপ্রচারে নেমে এমনই বলেছিলেন বিজেপির তারকা প্রচারক ‘মহাগুরু’ মিঠুন চক্রবর্তী। সেই কথামতো কাজও করছেন তিনি। বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে হাইভোল্টেজ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন লাগাতার। ভোটের (Lok Sabha Election 2024) আগে থেকেই সিএএ ইস্যু নিয়ে বিজেপিকে এক নাগাড়ে আক্রমণ শানিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল। এবার সেই  আক্রমণেরই পাল্টা জবাব দিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। উল্লেখ্য, লোকসভা ভোটের আগেই সিএএ কার্যকর করার কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর সেটাকে হাতিয়ার করেই তৃণমূলের শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে ছোট-বড়-মাঝারি সব মাপের নেতারা এক সুরে আক্রমণ শানাচ্ছেন বিজেপিকে। এমনকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোটের প্রচারপর্বে বলতে শোনা গিয়েছে যে, রাজ্যে সিএএ কার্যকর করতে দেওয়া হবে না। যদিও ইতিমধ্যেই একাধিকবার পাল্টা প্রতিক্রিয়া এসেছে নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহের তরফে। আর এবার প্রতিক্রিয়া দিলেন মিঠুন চক্রবর্তীও।

    সিএএ প্রসঙ্গে মিঠুন

    লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) প্রচারে তৃণমূলকে একহাত নিয়ে মিঠুন বলেন, “এরা টাকার বিনিময়ে সব কিছু ভুয়ো করেছে। ভুয়ো আধার কার্ডও করেছে। যাদের ভুয়ো আধার কার্ড রয়েছে, তাদের সমস্যা হবে। কিন্তু আপনাদের জন্য কোনও সমস্যা হবে না। এটা আমার চ্যালেঞ্জ। তৃণমূল বলছে, সিএএ কার্যকর হওয়া মানে মুসলিমদের তাড়িয়ে দেবে। এরা যা বলছে, সেটা যদি সত্যি হয়, যদি একজনকেও তাড়ানোর চেষ্টা হয়, আমাকে ডাকবেন, এই মাঠে আপনারা থুতু ফেলবেন, আমি সেই থুতু চাটব।” তাঁর (Mithun Chakraborty) স্পষ্ট কথা, “সিএএ কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আইন নয়। কাউকে তাড়িয়ে দেওয়ার আইন নয়। নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন হল সিএএ।”

    নয়া মোড়কে মিঠুনের ‘জলঢোঁড়া’ সংলাপ

    অন্যদিকে লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) প্রচারে হুগলিতে জনসভায় এসে তিন বছর পর আবারও ‘জলঢোঁড়া’র সংলাপ খানিক ঘুরিয়ে আওড়ালেন মিঠুন। আগামী ২০ মে হুগলি জেলার শ্রীরামপুর, হুগলি, আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রে ভোট রয়েছে। হুগলিতে এবারে লকেটের প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূলের রচনা। তাই ভোটের আগে শেষ লগ্নে মঙ্গলবার পাণ্ডুয়ায় বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের সমর্থনে সভা করলেন মহাগুরু। মঞ্চে নিজের অভিনীত নানা ছবির সংলাপ বলেন বিজেপি নেতা। তাঁর কথায়, ‘‘সিনেমার ডায়লগ থেকে নাকি হিংসা হচ্ছে! যাই হোক, ডায়লগ তো আমি বলবই। তবে একটু ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বলব।’’ তার পরেই ‘অভিমন্যু’ ছবির সংলাপকে এদিক-ওদিক করে মিঠুন (Mithun Chakraborty) বলেন, ‘‘আমি জলঢোঁড়াও নই, বেলেবোড়াও নই। আমি এই রকম একটা সাপ, যে গর্ত থেকে ছোট ছোট ইঁদুর বার করে নিয়ে আসে।’’  

    আরও পড়ুন: মোদির বিরুদ্ধে আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, নির্বাচন কমিশনে অভিযোগের পরামর্শ

    তাপস রায়ের সমর্থনে রোড শো

    চব্বিশের লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) রাজ্যের ৪২ কেন্দ্রের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র কলকাতা উত্তর। আর সেই লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত জোড়াবাগান মিঠুনের পৈতৃক ভিটে। এখনও সেখানেই ভোট দেন তিনি। সূত্রের খবর, এবার সেই কেন্দ্রেরই বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়ের সমর্থনে রোড শো করবেন মিঠুন চক্রবর্তী। তবে  মিঠুনের রোড শো-র দিনক্ষণ এখনও স্থির হয়নি। এ বিষয়ে প্রাথমিকভাবে তাপস রায়ের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে মাত্র। তিনি জানিয়েছেন, দ্রুতই দিনক্ষণ ঠিক হয়ে যাবে। অর্থাৎ নিজের কথা মতোই বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে শেষ মুহূর্তের প্রচারে ঝড় তুলছেন মহাগুরু। কোথাও জনসভায় নিজস্ব স্টাইলে বক্তৃতা, কখনও আবার প্রার্থীকে পাশে নিয়ে রোড শো। রোজই প্রচার ময়দানে নানান মেজাজে দেখা যাচ্ছে মিঠুন চক্রবর্তীকে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • International Family Day: আজ আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস, জানেন এর ইতিহাস ও গুরুত্ব 

    International Family Day: আজ আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস, জানেন এর ইতিহাস ও গুরুত্ব 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাফল্য হোক বা ব্য়র্থতা, সুখ বা দুঃখ, যাঁদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয় তাঁরাই পরিবার। সমাজ তৈরির সবচেয়ে ক্ষুদ্র ইউনিট বা এককও বলা যায় পরিবারকে। এই পরিবারের গুরুত্বের কথা মাথায় রেখেই বিশ্বজুড়ে প্রতিবছর ১৫ মে তারিখে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস (International Family Day 2024) পালন করা হয়। ১৯৯৩ সালে প্রথম জাতিসংঘ এই দিবস ঘোষণা করে। মূলত প্রতিবছর জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক শান্তি সংঘ বিশ্ব পরিবার দিবসের সমস্ত আয়োজন করে আসছে। 

    এই দিনের ইতিহাস

    ১৯৮০-দশক থেকে পরিবারের উপর নজর দিতে শুরু করে ইউনাইটেড নেশনস (United Nations)। পরিবারের ভাল-মন্দ, পরিবারের বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যার দিকে নজর দিতে শুরু করে ইউনাইটেড নেশনস। ১৯৯৩ সালে দুনিয়াজুড়ে পরিবারের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে ও পরিবারের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে ১৫ মে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস পালনের ঘোষণা করে জাতিসংঘ। এই বিশেষ দিন পালনের পিছনে রয়েছে একটি মূল কারণ। তা হল, সমাজের উন্নয়নের জন্য প্রথমে দরকার একটি সুষ্ঠু পরিবার। ছোট-বড় সকল সদস্যের নিরাপদ ও নিশ্চিত জায়গা হল পরিবার। পরিবারের পারস্পরিক সম্পর্কগুলি ও ঐতিহ্য যাতে অটুট থাকে, আর্থ-সামাজিক সমস্যাগুলি যাতে পরিবারগুলি কাটিয়ে উঠতে পারে, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, দারিদ্র্য, পরিবারের কাজের সামঞ্জস্য বজায় রাখার লক্ষ্যেই এই আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস।

    আরও পড়ুন: ফের চন্দ্রাভিযান ভারতের! এবার কোথায় অবতরণ করবে মহাকাশযান?

    এই বছরের থিম

    বিশ্বের সব পরিবারই নানান সমস্যার সম্মুখীন হয়। আর সেই সমস্যাগুলির সমাধান করা, সব বিপদের মোকাবিলা করার জন্যই এই বিশেষ দিনটি পালন করা হয়। ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবসের (International Family Day 2024) থিম হল পরিবার এবং জলবায়ু পরিবতর্ন (Families and Climate Change)। পরিবারের উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং জলবায়ুর স্বাভাবিকতা ধরে রাখতে পরিবারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরতেই এমন ভাবনা। এই দিনটিতে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ইভেন্ট, সেমিনার, প্রদর্শনী, জনসভা, ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়ে থাকে। তবে করোনাকালে এইসব ইভেন্ট করা সম্ভব নয়। তাই ভার্চুয়ালি ইভেন্ট করার আয়োজন করা হয়েছে। এদিন বিশ্বের সব পরিবারের সুরক্ষা ও সহায়তা সম্পর্কে জোর দেওয়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share