Tag: Madhyom

Madhyom

  • Amit Shah: “এই তো শুরু…সবাইকে জেলে যাওয়ার জন্য তৈরি হতে হবে’’, মমতাকে আক্রমণ শাহের

    Amit Shah: “এই তো শুরু…সবাইকে জেলে যাওয়ার জন্য তৈরি হতে হবে’’, মমতাকে আক্রমণ শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পঞ্চমদফার নির্বাচনের আগে ফের ভোটের প্রচারে এসেছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি এদিন বনগাঁয় নির্বাচনী সভা করেন। মতুয়া সমাজকে বিজেপির জন্য ভোট দানের কথা বলেন। তিনি বলেন, “বিশ্বের কোনও শক্তি নেই সিএএ আটকাতে পারবে না”। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক বার নাগরিকত্ব সংশোধন আইন নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। এবার অমিত শাহ, মমতাকে ফের আক্রমণ করলেন।

    কী বললেন আমিত শাহ (Amit Shah)?

    নির্বাচনী প্রচারে এসে প্রবীণ বিজেপি নেতা অমিত শাহ (Amit Shah) তৃণমূলকে একাধিক বিষয়ে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, “আপনারা কেউ জীবনে একসঙ্গে ৫০ কোটি টাকা দেখেছেন। তৃণমূলের মন্ত্রীর কাছে ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। অনুব্রত মণ্ডল, তাপস পাল অনেক নেতা কুলপতি হয়েছেন। কেউ চাকরি বিক্রি করেছেন আবার কেউ গরু পাচার করেছেন। রাজ্যের কয়লা, বালি, গরু পাচারকারী সকলকে জেলে যেতে হবে। সবাইকে জেলে যাওয়ার জন্য তৈরি হতে হবে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বাংলার জন্য কিছুই করেননি। অনুপ্রবেশকারী এবং দুর্নীতিগ্রস্থ লোকেদের জন্য কেবল কাজ করে গিয়েছেন। দিদি আপনি যখন ক্ষমতায় এসেছিলেন তখনও ইভিএম-ই ছিল।”

    আরও পড়ুনঃ জলপাইগুড়ি সীমান্তে বিএসএফ-এর গুলিতে ঝাঁঝরা এক পাচারকারী

    আর কী বললেন?

    বনগাঁয় এদিন বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুরের সমর্থনে ভোট প্রচারে এসে অমিত শাহ(Amit Shah) বলেন, “সিএএ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছেন। মতুয়ারা নাগরিকত্ব পাবেনই। কেউ আটকাতে পারবেননা। দিদি আপনার সময় শেষ হতে চলেছে। দেশের কোনও এমন শক্তি নেই যে সিএএকে আটকাতে পারবে। নিমন্ত্রণ করা সত্ত্বেও রাহুল গান্ধী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যাননি। তাঁদের কাছে ভোটব্যাঙ্ক হল অনুপ্রবেশকারীরা। রামমন্দির নির্মাণে বড় বাধা দিয়েছিল কংগ্রেস, তৃণমূল, কমিউনিস্টরা। কিন্তু দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে মোদি জী রামমন্দির নির্মাণ করেছেন। দেশে ইতিমধ্যে ৩৮০টি আসনের ভোট হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭০টি আসনে মোদি জয়লাভ করেছেন। বাংলায় ৩০টি আসনএ জয়ী হবে বিজেপি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pepsico India: পাম অয়েল ছেড়ে এবার সূর্যমুখীর তেল! লে’স নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত পেপসিকোর

    Pepsico India: পাম অয়েল ছেড়ে এবার সূর্যমুখীর তেল! লে’স নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত পেপসিকোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিপস মানেই লোভনীয় চটপটা খাবার। যে খাবার কেউ অফার করলে চোট করে না বলা যায় না। একেবারে ৮ থেকে ৮০ সকলেরই প্রিয় চিপস। আর সেই চিপসের প্রথম শাড়িতেই রয়েছে লে’স। তবে যে খাবার আমরা সকলেই এত ভালোবেসে খাই সেই খাবারটি কি আদেও আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য স্বাস্থ্যকর? বর্তমানে সারা বিশ্বে আলোচনা চলছে কোন খাবারের প্রভাব স্বাস্থ্যের উপর কেমন পড়তে পারে তা নিয়ে। আর সেই খাবারের তালিকাতেই প্রথমের শাড়িতে রয়েছে লে’স। যা নিয়ে গভীর দুঃশ্চিন্তায় রয়েছেন অনেকেই। তবে সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবার এরই মধ্যে লে’স নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল কোম্পানি। এবার থেকে লেইস প্রস্তুতকারক সংস্থা পেপসিকো (Pepsico India) লে’স তৈরি করতে পাম তেলের পরিবর্তে সানফ্লাওয়ার অয়েল ব্যবহার করতে শুরু করেছে। 

    কেন এই সিদ্ধান্ত? (Pepsico India) 

    আসল বিষয় হল, পাম তেলের দাম কম থাকার কারণে এই তেল খাবার প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে পাম অয়েল দামে সস্তা হলেও তা স্বাস্থ্যের দিক থেকে কতটা নিরাপদ, সে বিষয়ে উদ্বিগ্ন অনেকেই। আর সেই কারণেই এই পদক্ষেপ বলে অনুমান। জানা গিয়েছে, এবার সানফ্লাওয়ার তেল দিয়ে চিপস তৈরির প্রক্রিয়ায় ট্রায়াল শুরু করেছে পেপসিকো। 

    আরও পড়ুন: কলা গাছের ছালের সুতোয় তৈরি চট, গামছাসহ আস্ত জ্যাকেট, বালুরঘাটের শিল্পীর কামাল

    শুধুমাত্র ভারতের ক্ষেত্রেই পাম তেলের ব্যবহার 

    আমেরিকায় যেখানে পেপসিকোর (Pepsico India) হেডকোয়ার্টার রয়েছে, সেখানে এই চিপসের সবচেয়ে বড় বাজার। আর সেখানে এই চিপস ‘হার্ট সুরক্ষিত রাখে’ এমন তেল দিয়ে তৈরি হয়। এই তেলের তালিকায় সানফ্লাওয়ার অয়েল, কর্ন, ক্যানোলা রয়েছে। কিন্তু পেপসিকো ভারতে তাদের জিনিসগুলোতে পামোলিন এবং পাম তেলের মিশ্রণ ব্যবহার করত। তবে এখন থেকে কোম্পানিটি পামোলিনের সঙ্গে সানফ্লাওয়ার অয়েলের ব্যবহার শুরু করবে। এ প্রসঙ্গে পেপসিকো ইন্ডিয়ার (Pepsico India) মুখপাত্র জানান, সানফ্লাওয়ার অয়েল বা সূর্যমুখীর তেল দিয়ে চিপস তৈরির ট্রায়াল গত বছরই শুরু হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: কলা গাছের ছালের সুতোয় তৈরি চট, গামছাসহ আস্ত জ্যাকেট, বালুরঘাটের শিল্পীর কামাল

    Balurghat: কলা গাছের ছালের সুতোয় তৈরি চট, গামছাসহ আস্ত জ্যাকেট, বালুরঘাটের শিল্পীর কামাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলাগাছের ছাল ছাড়িয়ে সুতো! আর সেই সুতোয় তৈরি হয় চট, গামছাসহ আস্ত জ্যাকেট। শুনতে খানিকটা অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। কলাগাছের ছাল ছাড়িয়ে সুতো তৈরির কারিগরের নাম খিরোদা রায়। একসময় সুনাম অর্জন করেছেন জেলা শিল্প দফতর থেকে শুরু করে শিলিগুড়ি, কলকাতা এমনকী দিল্লিতেও। প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থানাধিকারী হয়েছেন একাধিকবার। কিন্তু, সেসব সার্টিফিকেট বর্তমানে ফাইলবন্দি। দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভার কুশমুন্ডি ব্লকের কচরা গ্রামে এই বিরলতম শিল্পের শিল্পী খিরোদা রায়কে মনে রাখেনি কেউ। মেলা করলেও এখন জোটে না টাকা। তাই, সরকারের আর্থিক সাহায্যের আশায় বুক বেঁধেছেন তিনি।

     কলা গাছের ছালের সুতোয় তৈরি হয় চট, গামছাসহ আস্ত জ্যাকেট (Balurghat)

    কচরা (Balurghat) গ্রামে বাবার বাড়িতে সরু সুতো তৈরির কাজ শিখেছিলেন আগেই। হাটে ধোকরা বিক্রির অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর।  কিন্তু, কম খরচে নতুন কিছু করার ইচ্ছে ছিল ছোটবেলা থেকেই। বিয়ের পর ফতেপুর গ্রামে রাস্তার ধারে এক চিলতে ঘরে স্বামী সহ দুই ছেলেমেয়েকে বড় করতে করতে নাম লেখান জেলা শিল্প দফতরে। এরপর ১৯৯০ সালের শেষের দিকে কলাগাছের ছাল ছাড়িয়ে তৈরি করেন চিকন সুতো। সেই সুতোয় তৈরি করেন চট, গামছাসহ ছোট ছোট ব্যাগ এমনকী জ্যাকেট পর্যন্ত। এখনও মেলা করেন। তবে, মেলার সরকারি টাকা পেতে ঘাম ঝরে যায়। এখন স্বামী সন্তান নিয়ে ফতেপুর ছেড়ে ডেরা বেঁধেছেন বালাপুকুর গ্রামে। রুগ্ন শরীর নিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারে রান্না করে যৎসামান্য টাকায় দিনযাপন করেন। এখনও তিনি বিভিন্ন সরকারি মেলায় নিজের তৈরি সামগ্রী বিক্রি করেন।

    আরও পড়ুন: কয়লাকাণ্ডে ১০ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পেলেন অনুপ মাঝি

    সরকারি সাহায্যের আর্জি

    শিল্পী খিরোদা রায় বলেন, আমার আফসোস কলাগাছের ছাল ছাড়িয়ে সুতো তৈরির মর্যাদা দিতে পারল না কেউ। সরকারি দফতর সবই জানে। কিন্তু, নতুন প্রজন্মকে এই শিল্প শেখানোর কোনও ধারাবাহিক কর্মশালার আয়োজন করেনি। চরম অবহেলায় পড়ে রয়েছে এই শিল্প। সরকারি সাহায্য পেলে এই শিল্প বাঁচানো সম্ভব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chabahar Port Agreement: “চাবাহার বন্দর চুক্তিতে খুলে গেল বিনিয়োগের বৃহত্তর দ্বার”, বললেন জয়শঙ্কর

    Chabahar Port Agreement: “চাবাহার বন্দর চুক্তিতে খুলে গেল বিনিয়োগের বৃহত্তর দ্বার”, বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ মে, সোমবার ভারত স্বাক্ষর করেছে ঐতিহাসিক চাবাহার বন্দর চুক্তিতে (Chabahar Port Agreement)। ইরানে গিয়ে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন ভারতের জাহাজ ও জলপথমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল। তার পরে পরেই ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে ভারতের এই চুক্তিতে মধ্য এশিয়ায় ভারতের জন্য খুলে গেল বিনিয়োগের বৃহত্তর দ্বার।

    কী বললেন জয়শঙ্কর (Chabahar Port Agreement)

    সংবাদ মাধ্যমে এক সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “চাবাহার বন্দর চুক্তি নিয়ে আজ আমার কথা হয়েছে সতীর্থ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালের সঙ্গে। চুক্তি স্বাক্ষর করতে তিনি গিয়েছেন ইরানে। এটা আশা করা হচ্ছে যে ভারত ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘ মেয়াদি (দশ বছরের জন্য) এই চুক্তি আজই স্বাক্ষরিত হবে। অ্যাড হক অ্যারেঞ্জমেন্টসের ভিত্তিতে এই চুক্তি হচ্ছে। এতে ভারতের দিক থেকে কোনও সমস্যা নেই। যদিও ইরানের তরফে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে (এর আগেই অবশ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়ে গিয়েছে)।” তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, যখন (Chabahar Port Agreement) এই দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়ে যাবে, তখন এই বন্দরে বৃহত্তর বিনিয়োগের দ্বার খুলে যাবে। বন্দরটির এখনও সেভাবে নামডাক হয়নি। কারণ দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তি না হলে বন্দরে মোটা অঙ্কের টাকা লগ্নি করা খুব কঠিন। এখন যখন দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তি হচ্ছে, তখন অবশ্যই ওই বন্দরে আমরা মোটা অঙ্কের টাকা লগ্নি করব।”

    ইন্ডিয়া-মিডল-ইস্ট ইউরোপ ইকনমিক করিডর

    বিদেশমন্ত্রী এদিন ইন্ডিয়া-মিডল-ইস্ট ইউরোপ ইকনমিক করিডর চুক্তির প্রসঙ্গ তোলেন। গত বছর জি২০ সম্মেলনের আয়োজন করেছিল ভারত। সেখানেই এই চুক্তি হয়। জয়শঙ্কর জনান, চাবাহার বন্দর ভারতকে জুড়ে দেবে ইন্টারন্যাশনাল নর্থ-সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডরের সঙ্গে। তিনি বলেন, “এই বন্দরের মাধ্যমে অনেকগুলি কানেকটিভিটি লিঙ্কেজ তৈরি হবে। আজ আমরা বিশ্বাস করি, এই অংশের কানেকটিভিটি একটা বড় ইস্যু। ইন্টারন্যাশনাল নর্থ-সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডর, যেটা করা হয়েছিল ইরান-রাশিয়ার সঙ্গে, এর সঙ্গে আমাদের যুক্ত করবে চাবাহার। মধ্য এশিয়াকেও যুক্ত করবে এই বন্দর।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “আমাদের একটা আলাদা করিডর আছে, আইএমইইসি করিডর সৌদি আরবের মধ্যে দিয়ে। তাই আমি মনে করি, চুক্তি (চাবাহার চুক্তি) নিয়ে নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত আমায় অপেক্ষা করতে হবে। আপনারা জানেন, না আঁচালে বিশ্বাস নেই।” প্রসঙ্গত, চাবাহার বন্দর চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে এদিনই ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সের বিশেষ বিমানে ইরানে উড়ে গিয়েছিলেন জাহাজ ও জলপথমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল।

    চাবাহার বন্দর

    ইরানের এই চাবাহার বন্দর রয়েছে ওমান উপসাগরের মুখে। এর আগে প্রতি বছরের জন্য চুক্তি পুনর্নবীকরণ করা হলেও, এবার টানা দশ বছরের জন্য চুক্তি হয়েছে। অবস্থানগতভাবে ভারতের কাছে এই বন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম। পাকিস্তানের করাচির পাশাপাশি গদর বন্দরকে বাইপাশ করেই ইরানের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্য এশিয়ায় বাণিজ্য করতে পারবে ভারত। ব্যবসায়িক যোগাযোগের একটি নয়া রাস্তাও খুলে দেবে এই বন্দর। সংবেদনশীল এবং ব্যস্ত পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীর বিকল্প ব্যবসায়িক রুট হিসেবেও কাজ করবে এই বন্দর (Chabahar Port Agreement)। বিভিন্ন বন্দরের রাশ হাতে নেওয়ার খেলায় মেতেছে চিন। এভাবে বিভিন্ন দেশে মাতব্বরি করার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইছে না বেজিং। চিনকে টেক্কা দিতে কোমর কষে নেমে পড়েছে ভারতও। ইতিমধ্যেই মায়ানমারের সিট্টে বন্দরের রাশ হাতে নিয়েছে ভারত। গত বছর মে মাসে মায়ানমারের ওই বন্দরের রাশ হাতে নিয়েছিল নয়াদিল্লি। সেই বন্দরের উদ্বোধনও করেছিলেন সোনোয়াল। এবার ভারত নিল চাবাহার বন্দরের রশিও।

    আরও পড়ুুন: শ্রীনগরে পড়ল রেকর্ড ভোট, কী প্রতিক্রিয়া প্রধানমন্ত্রীর?

    চাবাহার বন্দরের গুরুত্ব

    ভারত ও ইরান দুই দেশের কাছেই চাবাহার বন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম। এই বন্দর-চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় ভারতের সঙ্গে ইরান, আফগানিস্তান এবং মধ্য এশিয়ার যোগাযোগের রুট হল সংক্ষিপ্ততর। চাবাহার বন্দরকে ট্রানজিট হাব বানাতে চাইছে ভারত। এর মাধ্যমে ইন্টারন্যাশনাল নর্থ সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডরের মাধ্যমে কমনওয়েল্থ অফ ইন্ডিপেনডেন্ট স্টেটসের দেশগুলিতে অনায়াসে পৌঁছতে পারবে ভারত। ভারতের সঙ্গে মধ্য এশিয়ার কার্গো যোগাযোগের জেরে মজবুত হবে ভারতের অর্থনীতির ভিত। সেক্ষেত্রে এই অঞ্চলে চাবাহার বন্দর পরিণত হবে এই অঞ্চলের কমার্সিয়াল ট্রানজিট সেন্টারে। আইএনএসটিসি একটি মাল্টি টান্সপোর্টেশন রুট। এটি কাস্পিয়ান সাগরের মধ্যে দিয়ে ভারত মহাসাগর ও পারস্য উপসাগরে সংযোগকারী পরিবহণ রুট হিসেবে কাজ করে। ইরান এবং ভায়া রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ হয়ে ইউরোপের উত্তরাংশের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ করে সুগম। মুম্বই থেকে সমুদ্র পথে শাহিদ বেহেস্তি বন্দর-চাবাহার, চাবাহার থেকে স্থলপথে কাস্পিয়ান সাগরে থাকা ইরানের আর এক বন্দর বন্দের-ই-আনজালি এবং সেখান থেকে কাস্পিয়ান সাগর হয়ে রাশিয়ান ফেডারেশনের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগও অনায়াস হবে চাবাহার বন্দরের মাধ্যমে (Chabahar Port Agreement)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালি নিয়ে ফের নতুন আবেদন সুপ্রিম কোর্টে, কী বলছেন মামলাকারীরা?

    Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালি নিয়ে ফের নতুন আবেদন সুপ্রিম কোর্টে, কী বলছেন মামলাকারীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির মূল মামলার সঙ্গে যুক্ত হতে চেয়ে সুপ্রিম দুয়ারে আর্জি জানিয়েছিলেন সেখানকারই মহিলাদের একাংশ। মঙ্গলবার সেই আবেদন গ্রহণ করল শীর্ষ আদালত। বিচারপতি বিআর গাভাই এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ মূল মামলার সঙ্গে সন্দেশখালির মহিলাদের একাংশের মামলা যুক্ত করার অনুমতি দিয়েছে। আগামী জুলাই মাসে সন্দেশখালির মামলার শুনানি রয়েছে। তখনই এই আর্জি শুনবে সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ। 

    শীর্ষ আদালতের অভিমত

    সম্প্রতি একটি ভাইরাল ভিডিও-তে কিছু অনৈতিক দাবি করা হয়েছে।  সন্দেশখালির ওই ভিডিও নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সেখানকার স্থানীয় বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল। ভাইরাল ভিডিওর বিষয় নিয়ে আবার সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে তদন্ত চেয়ে আবেদন করেছেন সন্দেশখালির মহিলাদের একাংশ। তারা নিরপেক্ষ এবং স্বাধীন তদন্ত চান। সূত্রের খবর, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মতো সন্দেশখালির মূল মামলার সঙ্গে গঙ্গাধর কয়ালের ভিডিও সংক্রান্ত মামলাটিও যুক্ত হতে পারে। সন্দেশখালি সংক্রান্ত মূল মামলাটির শুনানি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে চলছে। সন্দেশখালিতে সিবিআই তদন্তের যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তার বিরোধিতা করে সু্প্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। সেই সংক্রান্ত মামলার শুনানি আপাতত স্থগিত রেখেছে শীর্ষ আদালত। কলকাতা হাইকোর্টের রায়েও কোনও হস্তক্ষেপ করেনি সু্প্রিম কোর্ট। এই মামলার শুনানি আগামী জুলাই মাস পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: বঙ্গে পঞ্চম দফায় ৭৬২, ষষ্ঠ দফাতে ১০২০ কোম্পানি বাহিনী!

    সাজানো ঘটনা দাবি শুভেন্দুর 

    গত ৪ মে-র পর থেকে এখনও পর্যন্ত সন্দেশখালি নিয়ে একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সোমবারই সন্দেশখালি প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, ”এইসব ভিডিও করার পিছনে ভাইপোর মস্তিষ্ক রয়েছে। আইপ্যাককে দিয়ে এই কাজ করানো হয়েছে।” রাজ্যের পুলিশও এই ষড়যন্ত্রে যুক্ত বলে দাবি শুভেন্দু। পরপর ভাইরাল হওয়া ভিডিওকে কেন্দ্র করে রবিবার উত্তপ্ত হয়েছিল সন্দেশখালি। ওই ঘটনায় চারজন বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করেছে সন্দেশখালি থানার পুলিশ। এলাকার বিজেপি কর্মী সমর্থকদের দাবি, ধৃত এই চারজন বিজেপি কর্মী গোলমালের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়। তৃণমূল পরিকল্পনা করিয়ে পুলিশকে দিয়ে তাদের গ্রেফতার করিয়েছে! সোমবার ভোট শেষের পর বিকেলে সেই গ্রেফতারির প্রতিবাদেই পথে নামেন সন্দেশখালির মহিলারা। উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি। টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: বাড়ছে পড়ুয়াদের আত্মহত্যার প্রবণতা, রাজ্যের পদক্ষেপ জানতে চেয়ে মামলা হাইকোর্টে

    Calcutta High Court: বাড়ছে পড়ুয়াদের আত্মহত্যার প্রবণতা, রাজ্যের পদক্ষেপ জানতে চেয়ে মামলা হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পড়ুয়াদের মধ্যে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা। এই প্রবণতা ঠেকাতে রাজ্য সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা জানতে চেয়ে এবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের হল মামলা। প্রসঙ্গত, প্রতিনিয়ত বাড়ছে পড়াশোনার প্রতিযোগিতা। এর ফলে এই কম বয়সী পড়ুয়াদের ওপর পড়ছে ব্যাপক মানসিক চাপ। চাপ সামলাতে না পেরে অনেকেই আত্মহত্যার পথকে বেছে নিচ্ছেন।

    সংসদে পেশ করা রিপোর্ট 

    গত বছরে দেশের সংসদে একটি রিপোর্ট পেশ করা হয়। ২০১৮ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই পাঁচ বছরে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে অন্তত ৯৮ জন পড়ুয়া আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই রিপোর্টে। এর মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলি। এর পাশাপাশি আইআইটি এনআইটি বা আইআইএম-এর মতো উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলিও রয়েছে তালিকায়। মানসিক অবসাদের শিকার হয়ে আত্মহত্যার পথকে বেছে নিচ্ছেন মেডিক্যাল পড়ুয়ারাও। ওই রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন এইমসে কমপক্ষে এমন ১৩ জন পড়ুয়া আত্মহত্যা করেছেন। এবার এ নিয়ে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের হল মামলা।

    কেন আত্মহত্যা

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলাচ্ছে প্রতিযোগিতার ধরন। কঠিন হচ্ছে প্রতিযোগিতা। এই সময়ে যে সমস্ত পড়ুয়া নিজেদেরকে প্রতিযোগিতার যোগ্য করে তুলতে পারছেন না বলে মনে করছেন, তাঁরাই আত্মহত্যার পথকে বেছে নিচ্ছেন। বিশেষত দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন বোর্ডের পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পরেই এমন আত্মহত্যার ঘটনা ঘটছে। এ নিয়েই মঙ্গলবার হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল।

    মামলাকারীদের দাবি

    ওই জনস্বার্থ মামলাটি যাঁরা করেছেন, তাঁদের দাবি, আত্মহত্যার প্রবণতা ঠেকাতে ২০১৭ সালে একটি আইন তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার (Calcutta High Court)। মেন্টাল হেলথ কেয়ার নামের সেই আইনের ১০০ নম্বর ধারায় আত্মহত্যার প্রবণতা রুখতে একাধিক পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। একইসঙ্গে আইন প্রণয়ন করার জন্য প্রতিটি জেলাকে ৮৩ লক্ষ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে ওই আইনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Team India: নতুন কোচের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ বিসিসিআই-এর, জানেন কী কী যোগ্যতা দরকার?

    Team India: নতুন কোচের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ বিসিসিআই-এর, জানেন কী কী যোগ্যতা দরকার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরেই ভারতীয় দলের কোচ (Team India) হিসাবে রাহুল দ্রাবিড়ের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। বিশ্বকাপের পরে ভারতীয় দলের কোচ নির্ধারিত হবে। টিম ইন্ডিয়ার পরবর্তী কোচের জন্য আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বিসিসিআই। সোমবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-য়ে এই বিজ্ঞপ্তি পোস্ট করে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড। ভারতীয় ক্রিকেট দলের মুখ্য কোচের পদের জন্য ২৭ মে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। রোহিত-কোহলিদের কোচ হতে গেলে ৬০ বছরের কম বয়স হতে হবে, এমনটাই জানিয়েছে বিসিসিআই (BCCI)।

    কী কী যোগ্যতা থাকলে আবেদন করা যাবে

    ১) কমপক্ষে ৩০টি টেস্ট অথবা ৫০টি এক দিনের ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে প্রধান কোচের। আইসিসির অ্যাসোসিয়েট সদস্য দেশের জাতীয় দল, আইপিএল বা সম মানের বিদেশি কোনও লিগের ফ্র্যাঞ্চাইজ়ি, প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট দল বা কোনও দেশের ‘এ’ দলের কোচ হিসাবে কাজ করলেও আবেদন করা যাবে। এ ক্ষেত্রে অন্তত তিন বছর কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকা দরকার। 

    ২) বিসিসিআইয়ের লেভেল ৩ অথবা সমতুল কোচিং ডিগ্রি থাকা বাধ্যতামূলক। বয়স হতে হবে ৬০ বছরের কম।

     ৩) ভারতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালনের জন্য মুম্বইয়ে থেকে কাজ করতে হবে।

    ৪) ভারতীয় দলের প্রশিক্ষণের মূল দায়িত্ব পালন করতে হবে। দলকে প্রস্তুত করার দায় তাঁরই। সহকারী হিসাবে পাওয়া যাবে ১৪ থেকে ১৬ জনকে। তিন ধরনের ক্রিকেটেই ভারতীয় দলের পারফরম্যান্সের সব দায় প্রধান কোচের। 

    ৫) ভারতীয় দলের প্রধান কোচকে কৌশল তৈরির ক্ষেত্রে দক্ষ হতে হবে। দলকে ধারাবাহিক ভাবে সাফল্যের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। দলের মধ্যে জয়ের সংস্কৃতি গড়ে তুলে শীর্ষে পৌঁছে দিতে হবে।

    আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের পরেই রোহিত-দ্রাবিড় জমানার ইতি! ভারতের নতুন কোচ কে?

    কতদিন পর্যন্ত মেয়াদ

    গত বছর একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পরই ভারতীয় ক্রিকেট দলে রাহুল দ্রাবিড়ের কোচিংয়ের (Team India) মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল। যদিও এরপর বিসিসিআই তাঁর সঙ্গে আলোচনা করেছিল এবং চলতি বছর আয়োজিত টি-২০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত তাঁকে দায়িত্ব পালন করার জন্য অনুরোধ করেছিল। দ্রাবিড় আর এই পদে থাকতে আগ্রহী নন, বলে ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন। এবার আগামী একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই যে পরবর্তী কোচ নির্বাচন করা হচ্ছে, তা বলা যেতেই পারে। কারণ নতুন যে কোচ নির্বাচিত হবেন আগামী ১ জুলাই থেকে তাঁর মেয়াদ শুরু হবে, চলবে ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: তৃণমূলের মদতেই নদীর চর বিক্রি করছে জমি মাফিয়ারা! রুখে দিলেন বিজেপি বিধায়ক

    Siliguri: তৃণমূলের মদতেই নদীর চর বিক্রি করছে জমি মাফিয়ারা! রুখে দিলেন বিজেপি বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদীর চর দখল করে প্লট বানিয়ে বিক্রি করছে তৃণমূল আশ্রিত জমি মাফিয়ারা। প্রতিবাদে রুখে দাঁড়ালেন এলাকার বিজেপি বিধায়ক। শিলিগুড়ি (Siliguri) শহর লাগোয়া ডাবগ্রাম- ফুলবাড়ি বিধানসভার অন্তর্গত হাতিয়াডাঙ্গার চন্দননগর এলাকায় সাহু নদীর চর দখলে যুক্ত তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ধাক্কা খেয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ।

    কী নির্দেশ ছিল মুখ্যমন্ত্রীর? (Siliguri)

    এই এলাকা থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে মিনি সচিবালয় উত্তরকন্যায় (Siliguri) বসে বছর তিনেক আগে মুখ্যমন্ত্রী এখানে জমির মাফিয়া রাজ বন্ধ করতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিছুদিন পুলিশ দৌঁড়ঝাপ করে কয়েকজন জমিয়া মাফিয়াকে গ্রেফতার করেছিল। কিন্তু, তাতে জমি হাঙরদের শায়েস্তা করা যায়নি। খোদ মুখ্যমন্ত্রীর দলের নেতারাই জমি দখলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। সাহু নদীর চর দখলের ঘটনায় সেটাই প্রমাণ হল বলে মনে করেন ডাবগ্রাম- ফুলবাড়ির বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: কয়লাকাণ্ডে ১০ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পেলেন অনুপ মাঝি

    কোথায় কীভাবে দখল হচ্ছে নদীর চর?

    ডাবগ্রাম- ফুলবাড়ির বিধানসভা এলাকার ডাবগ্রাম – ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের হাতিয়াডাঙার পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে সাহু নদী। এক সময় সারা বছর নদীতে ভালো জল থাকত। চর দখল হতে হতে সেই নদী নর্দমায় পরিণত হয়েছে। বদলে যাচ্ছে নদীর গতিপথ। হাতিয়া ডাঙার চন্দননগরে (Siliguri) প্রায় পাঁচ বিঘা নদীর চর হঠাৎ করে ঘেরা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পার্শ্ববর্তী গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য শাকালু রায়ের নেতৃত্বে এই চর দখল চলছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকজনকে মন্দির বানানোর কথা বলে দলে টানেন ওই তৃণমূল নেতা। একটি ছোট মন্দির তৈরির কাজও শুরু করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রশ্ন,  একটা ছোট মন্দির গড়ার জন্য বিঘার পর বিঘা নদীর চর ঘেরা হয়েছে কেন? অন্য এলাকার তৃণমূল পঞ্চায়েত কেন এখানে এসে মন্দির বানাবেন?

     রুখে দাঁড়ালেন বিজেপি বিধায়ক  

    বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, জমি গিলতে গিলতে তৃণমূলের জমি মাফিয়া নেতাদের পেট বড় হয়ে গিয়েছো। তাই নদীর চরও রেহাই পাচ্ছে না। গোটা এলাকায় নদীর চর দখল হয়ে গিয়েছে। এখানেও মন্দির বানানোর নাম করে তৃণমূলের জমি হাঙরররা নদীর চর দখল করে প্লট বানিয়ে বিক্রি করবে। গোটা বিষয়টি পুলিশ ও বিডিও’কে জানিয়েছি। কাজ বন্ধ হয়েছে। এই নদীর চর দখল হতে দেব না।

    কী বলছেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য

    তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য শাকালু রায় বলেন, মন্দির বানানো হচ্ছে। তাতে কেন বাঁধা দেওয়া হচ্ছ? অনেকদিন থেকেই এই নদীর চর দখল করে অনেক বাড়ি ঘর তৈরি হয়েছে। সেগুলি কেন ভাঙা হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

    Calcutta High Court: ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তমলুক কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তথা কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। 
    এর আগে তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হয়েছিল। সেই ইস্যুতে পাল্টা কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এই মামলা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিচারপতি। আপাতত মামলা চলে গেছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। পরবর্তী বিচারপতি নির্ধারণ করবে সেই বেঞ্চ। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিচারপতি, এমনটাই জানা গেছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Calcutta High Court) 

    উল্লেখ্য গত ৪ মে তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) মনোনয়ন জমা দেন। তমলুকের রাজবাড়ি ময়দান থেকে বর্ণাঢ্য পদযাত্রা বের হয়। নেতৃত্বে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে ওইদিন হাসপাতাল মোড়ে মিছিল পৌঁছতেই ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে। কারণ সেখানেই চাকরিহারাদের নিয়ে তৃণমূল শিক্ষক সংগঠনের অবস্থান বিক্ষোভ করছিল। অভিযোগ, অনশনরত শিক্ষক–শিক্ষিকাদের উপর হামলা করা হয়। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) ও শুভেন্দু অধিকারীর মদতেই বিজেপির দুষ্কৃতীরা হামলা করে বলে অভিযোগ।
    অন্যদিকে আবার গত ৫ মে তমলুকে অভিজিতের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা, হামলা ও ভাঙচুর-সহ একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়। অস্ত্র আইনেও মামলা হয় তাঁর বিরুদ্ধে। ঘটনাচক্রে, প্রাক্তন বিচারপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন এসএসসি মামলার রায়ে চাকরিহারা শিক্ষকদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Gangopadhyay) বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করেছিল পুলিশ। সেই ইস্যুতে পাল্টা কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: নির্দিষ্ট সময়ের আগেই আসছে বর্ষা! সুখবর জানাল আবহাওয়া দফতর

    হাইকোর্টের দ্বারস্থ অভিজিৎ 

    নির্বাচনী প্রচারে সমস্যা হচ্ছে। এই যুক্তি দিয়ে হাই কোর্টে (Calcutta High Court) তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর খারিজ করার আর্জি জানান অভিজিৎ। মঙ্গলবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শুনানির আগেই এই মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pinaki Bhattacharya: ভারতে বোমা বিস্ফোরণের হুমকি ইমেল! পিছনে বাংলাদেশি পিনাকি ভট্টাচার্য

    Pinaki Bhattacharya: ভারতে বোমা বিস্ফোরণের হুমকি ইমেল! পিছনে বাংলাদেশি পিনাকি ভট্টাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার ১৪ মে সকালে দিল্লির বেশ কয়েকটি হাসপাতালে সরাসরি ফোন করে হুমকি দেওয়া হয়, বোমা বিস্ফোরণে সেগুলিকে উড়িয়ে দেওয়া হবে। এই হুমকি ফোন পাওয়ার পরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে হাসপাতালগুলিতে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে এমন চারটি হাসপাতালে ফোন করা হয়। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, এগুলি কোনও ভুয়ো ফোন কল হতে পারে। যদিও ফোন কল পাওয়া মাত্রই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিশের (Pinaki Bhattacharya) সঙ্গে যোগাযোগ করে। এর পাশাপাশি হাসপাতালগুলিতে নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ গিয়ে হাসপাতালগুলিতে তল্লাশিও চালায়। পুলিশ সূত্রে খবর, দীপচাঁদ বন্ধু হাসপাতাল, দাদাদেব হাসপাতাল, হেডগেওয়ার হাসপাতাল, গুরু তেগবাহাদুর হাসপাতালে- এই হুমকি ফোনগুলি এসেছে।

    মঙ্গলবারই প্রথম নয়

    তবে মঙ্গলবারই প্রথম নয়। ১২ মে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট সমেত আরও কতগুলি হাসপাতালে সিরিয়াল বোমা বিস্ফোরণের হুমকি ইমেল আসে। চলতি মাসের শুরুতেই আরও বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একই ধরনের হুমকি চিঠি আসে। যেখানে স্কুল উড়িয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়। এর ফলে মানুষজনের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করতে থাকে। যে জায়গাগুলিকে বোমা বিস্ফোরণে ওড়ানোর কথা বলা হয়, সেখানে (Pinaki Bhattacharya) পুলিশে বোম স্কোয়াডস হাজির হয়। কিন্তু বিভিন্ন ধরনের তদন্ত করার পরে পুলিশ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে এই হুমকি মেলগুলির পুরোটাই ছিল মিথ্যা।

    পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে

    তবে এখনও পর্যন্ত পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এর পিছনে কোনও বড় রকমের সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের হাত রয়েছে কিনা! বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, দিল্লির স্কুলগুলি ছাড়াও গৌতম বুদ্ধ নগরের আরও কয়েকটি স্কুল যেগুলি নয়ডা, গুরুগ্রাম ইত্যাদি জায়গায় অবস্থিত সেখানেও একই ধরনের হুমকি মেল এসেছে। দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার মনোজ মিনা সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েছেন, উত্তর দিল্লির বুরারির এক হাসপাতালে বোমার হুমকি ইমেল চিঠি এসেছিল। সেখানে বোম নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে সেখানে সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। ওই হাসপাতালের একজন বিশিষ্ট চিকিৎসক আশিস কয়াল বলেন, ”আমার ফোনে হাসপাতালের ইমেলের অ্যাক্সেস আছে। ওই ইমেলে বলা হয়, হাসপাতালে একটি বোম রাখা আছে। আমি এটি দেখার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানিয়েছিলাম।”

    পিনাকী ভট্টাচার্য (Pinaki Bhattacharya) ভারত বিরোধী একজন ব্যক্তি

    গোয়েন্দাদের অনুমান, এই সমস্ত হুমকি চিঠিগুলির পিছনে রয়েছে পিনাকি ভট্টাচার্য নামের এক কট্টর ভারত ও হিন্দু বিরোধী। যার নাম হিন্দুদের মতো হলেও সে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে বহু আগেই। বর্তমানে ফ্রান্সে বসে এই ধরনের হুমকি ইমেল হাসপাতাল ও স্কুলগুলিতে সে পাঠায়। সে এই চক্রের মাথা। ভারত বিরোধী অপরাধমূলক কার্যকলাপের জন্য সে ফ্রান্সের মাটি ব্যবহার করছে, এমনটাই অভিযোগ। পিনাকি ভট্টাচার্য ভারত বিরোধী একজন ব্যক্তি। যে সবসময় হিন্দু, ভারতবর্ষ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ ও বিজেপি নেতাদের লক্ষ্য করে সর্বদাই ঘৃণার ভাষণ ছড়ায়।

    ইউটিউবে চ্যানেল খুলে সে এই জেহাদ চালায়

    ইউটিউবে চ্যানেল খুলে সে এই জেহাদ চালায়। বর্তমানে তার ১৬ লাখেরও বেশি সাবস্ক্রাইবার রয়েছে। এই চ্যানেলকে ব্যবহার করেই ভারত ও হিন্দুদের বিরুদ্ধে জিহাদ করার ডাক দেয় পিনাকি ভট্টাচার্য (Pinaki Bhattacharya)। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বাংলাদেশের নাগরিক পিনাকি সেদেশে থাকার সময় সেক্স ট্যাবলেট সহ অন্যান্য চিনা নকল ওষুধ তৈরি করতে থাকে। এ সংক্রান্ত অভিযোগ উঠতেই সে ফ্রান্সে আশ্রয় চায়। পরে ইউটিউবে চ্যানেল খুলে হিন্দু ও ভারতের বিরুদ্ধে ঘৃণার প্রচার শুরু করে।

    পিনাকির জেহাদ

    ২০২২ সালের ২৬ নভেম্বর পিনাকি ভট্টাচার্য তার একটি ফেসবুক পোস্টে লেখে, ”জেহাদই হল বিশ্ব মানচিত্র থেকে ইজরায়েলকে নির্মূল করার একমাত্র উপায়। আমার সমস্ত অনুরাগী ও অনুগামীদের এই কাজে যোগদান করা উচিত।” উল্লেখ্য, পিনাকি ভট্টাচার্য সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হামাসের প্রতি খোলাখুলি সমর্থন প্রকাশ করেছে। গত ৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে ইজরায়েলের উপর হামাসের যে হামলা, সেটিকে তাতে সে খুবই আনন্দিত বলে জানিয়েছে।

    আর্থিক ফান্ডিং কোথা থেকে পায়

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর মিলেছে, জামাত-ই-ইসলামের পাশাপাশি আল কায়দা সমেত বিএনপি দলও ব্যাপক আর্থিক ফান্ডিং করে পিনাকি ভট্টাচার্যকে। ফ্রান্সে বসে সে এভাবে জেহাদের কাজ চালিয়ে যায়। বাংলাদেশে বর্তমানে চলছে উগ্র মৌলবাদীদের বয়কট ইন্ডিয়া আন্দোলন। এই আন্দোলনে পিনাকি ভট্টাচার্য খোলাখুলি ইউটিউব চ্যানেলে তার দর্শকদেরকে ভারত বিরোধী প্রচারে অংশ নিতে বলছে। ব্রিটেন, ইজরায়েল, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র সমেত অন্যান্য যেকোনও ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির বিরুদ্ধেও ঘৃণার প্রচার করে পিনাকি ভট্টাচার্য। জম্মু-কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রকাশ্যে সমর্থন জানায় সে। আফগানিস্তানের তালিবানদেরও বড় সমর্থক পিনাকি। শুধু তাই নয়, তার ঘৃণার প্রচার এতটাই বেশি যে প্রতিটি হিন্দুকে জারজ হিসেবে বলে উল্লেখ করেছে সে।

    পিনাকির বায়োডেটা

    বাংলাদেশের বোগরা জেলার জলেশ্বরী তলায় ১৯৬৭ সালে জন্ম পিনাকির। বাবা শ্যামল ভট্টাচার্য ছিলেন স্কুল শিক্ষক। পড়াশোনায় ভালো পিনাকি ভর্তি হয়েছিল রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজে। পাশ করে বের হয় ১৯৯২ সালে। অধঃপাতের সূত্রপাত সেখানেই। কলেজে পড়াকালীনই জামাতের সংস্পর্শে আসে পিনাকি। পরে হয় মুসলমান। এর পরেই পিনাকির সঙ্গে সমস্ত রকম সম্পর্ক ছিন্ন করেন শ্যামলবাবু। পিনাকির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন তার স্ত্রীও, যখন তিনি জানতে পারেন তাঁর স্বামীর যোগাযোগ রয়েছে আইএসআই, জিহাদি এবং জঙ্গিদের সঙ্গে। ফ্রান্সে ঘাঁটি গেড়ে বসা পিনাকি হাওয়ালার ব্যবসা শুরু করেছে, সঙ্গে চালাচ্ছে ইউটিউব চ্যানেলও। তার চ্যানেলের সিংহভাগ দর্শকই অর্ধশিক্ষিত। মূলত বাংলাদেশি শ্রমিক যাঁরা কর্মসূত্রে ছড়িয়ে রয়েছেন মালয়েশিয়া এবং মধ্য প্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। সম্প্রতি একটি ভিডিওয় পিনাকির দাবি, বাংলাদেশের ইন্ডিয়া আউট ক্যাম্পেন থামাতে ভারত প্রচুর অর্থ লগ্নি করেছে।

    হিন্দু ধর্মকে ছোট করতে নিয়মিত কনটেন্ট আপলোড করছে পিনাকি

    ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের দাবি, পিনাকি উগ্রপন্থী। সেই হিন্দু এবং ভারত-বিরোধী সেন্টিমেন্টে সুড়সুড়ি দিচ্ছে। হিন্দু ধর্মের অপমান করতে নিরন্তর চেষ্টা করে চলেছে সে। হিন্দুদের সে বেজন্মা বলে গালিও দিচ্ছে। বাংলাদেশের যেসব মানুষ এবং সংবাদ মাধ্যম ভারতপন্থী, তাদেরও খিস্তি-খেউড় করছে সে। হিন্দু ধর্মকে ছোট করতে নিয়মিত কনটেন্ট আপলোড করছে পিনাকি। হিন্দুদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করতে বাংলাদেশি তরুণদের উদ্বুদ্ধও করছে এই বিধর্মী (Pinaki Bhattacharya)!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share