Tag: Madhyom

Madhyom

  • Amit Shah: “নয়া সরকারের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে রুপির বাণিজ্য চুক্তি”, বললেন শাহ

    Amit Shah: “নয়া সরকারের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে রুপির বাণিজ্য চুক্তি”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে রুপির বাণিজ্য চুক্তি। এ নিয়ে অনেকগুলি দেশের সঙ্গে ভারতের আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।” শুক্রবার সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “নতুন সরকারের অগ্রাধিকারই হবে এটি (রুপির বাণিজ্য চুক্তি)। নির্বাচনের কারণে বিষয়গুলি স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে আমি আপনাকে বলতে চাই যে, আমরা অনেক দেশের সঙ্গে আলোচনার চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছি।”

    শাহি আলোচনায় জার্মানি প্রসঙ্গ (Amit Shah)

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “আমাদের ডেফিসিট রয়েছে। কিন্তু দেখুন, জার্মানির মতো দেশ দু’ভাবে ব্যবসা করতে পারে। ইউরো দিয়ে এবং রুপি দিয়ে। আন্তর্জাতিক মুদ্রায় ট্রেড ডেফিসিট হতে পারে, বিরাট অঙ্কের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে আমরা আমাদের দেশীয় মুদ্রায় শিফট করতেই পারি।” জেনোফোবিয়ার কারণে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি থমকে গিয়েছে ভারত, চিন, রাশিয়া এবং জাপানের মতো দেশগুলিতে। সম্প্রতি এমনই মন্তব্য করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এদিন সে প্রসঙ্গও এসেছে সাক্ষাৎকারে।

    মার্কিন মন্তব্যে শাহি প্রতিক্রিয়া

    শাহ বলেন, “আমি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন কী মন্তব্য করেছেন, তা জানি না। তবে এটা তো সত্যি যে, গত দশ বছরে আমরা বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছি। আগামী দু’-তিন বছরের মধ্যে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত হওয়ার রোডম্যাপও তৈরি হয়ে রয়েছে।” তিনি বলেন, “এখন আমাদের রফতানি ক্রমবর্ধমান। অর্থনৈতিক উৎপাদনের জন্য ভারতকে একটি সম্ভাব্য কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। আমাদের অর্থনীতি বছরের পর বছর অন্যদের চেয়ে ওপরে উঠছে। তাই এখানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নেই, এমন ধারণা করা কারও পক্ষেই ঠিক হবে না বলে আমি মনে করি।”

    আরও পড়ুুন: “বিজেপি ক্ষমতায় এলে মিথ্যা মামলা দেওয়া পুলিশ কর্মীদের ক্লোজ করা হবে”, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    ডিম্যাট অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ২০১৪ সালের চেয়ে ঢের বেশি বেড়েছে বলেও জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বলেন, “২০১৪ সালে ডিম্যাটের সংখ্যা ছিল ২.২২ কোটি। বর্তমানে সেটা বেড়ে হয়েছে ১৫.১ কোটি। এই বৃদ্ধির মূল কারণ হল ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে বাজারে বিনিয়োগকারী মধ্যবিত্ত-উচ্চ মধ্যবিত্ত, শিক্ষিত যুবক, গৃহিনী ও অন্যদের অংশগ্রহণ।” তিনি (Amit Shah) জানান, মনমোহন সিং সরকারের আমলে শেয়ার বাজার ছিল ৮৫ লক্ষ কোটি টাকার। বর্তমানে সেটাই দাঁড়িয়েছে ৪০০ লক্ষ কোটি টাকায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “বিজেপি ক্ষমতায় এলে মিথ্যা মামলা দেওয়া পুলিশ কর্মীদের ক্লোজ করা হবে”, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “বিজেপি ক্ষমতায় এলে মিথ্যা মামলা দেওয়া পুলিশ কর্মীদের ক্লোজ করা হবে”, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডলের গড় বীরভূমে দাঁড়িয়ে তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পাশাপাশি পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেন। শুক্রবার দলীয় প্রার্থী দেবতনু ভট্টাচার্যের সমর্থনে বীরভূমে প্রচারে ঝড় তোলেন তিনি। বিরোধী দলনেতার বক্তব্যে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা চাঙ্গা হয়ে উঠেছেন।

    তৃণমূল নেতাদের সতর্ক করলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    শুক্রবার বীরভূমের সিউড়ি ২ ব্লকের পুরন্দরপুরে বিজেপি প্রার্থী দেবতনু ভট্টাচার্যের সমর্থনে নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, এই ব্লকের তৃণমূল সভাপতি নুরুল ইসলাম এবং তৃণমূল নেতা অশ্বীনি মণ্ডল কাউকে হুমকি দিলে আমাকে মেসেজ করবেন। ভোটের দিন যদি পাড়ায় আটকে রাখে তাহলে আমাকে বুথ নম্বর এবং পোলিং নম্বর দিয়ে মেসেজ করবেন। ১৫ মিনিটের মধ্যে সিআরপিএফ চলে যাবে কথা দিলাম। কীভাবে এদের কোমর ভাঙতে হয় জানি। আমরা দিনহাটায় উদয়ন গুহকে বাড়ি থেকে বের হতে দিইনি। ফলে, তৃণমূলের কোনও দাদাগিরি চলবে না।

     মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো পুলিশ কর্মীদের বিজেপি ক্ষমতায় আসলে ক্লোজ করা হবে

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘আমি কেষ্টকেও সতর্ক করেছিলাম। এখন তিহাড়ে গড়াগড়ি খাচ্ছে।’ এরপর স্থানীয় শুভেন্দু- নুরুল ইসলাম, অশ্বিনী মণ্ডল, বলরাম বাগদী, রাজু মুখোপাধ্যায়ের নাম করে তাঁদের তিনি সতর্ক করেন। মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর প্রসঙ্গ তোলেন শুভেন্দু  পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যে সমস্ত পুলিশ মিথ্যা মামলায় ফাঁসাচ্ছে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে তাদের ক্লোজ করা হবে। আর অবসর নিলে অবসরকালীন সুবিধা বন্ধ করে দেবে।’ তিনি ঘোষণা করেন, মিথ্যা মামলায় যাঁদের জেল খাটতে হচ্ছে। বিজেপি ক্ষমতায় আসলে তাদের ৫০০০ হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। সেটা হল ‘সংগ্রামী ভাতা।’ এদিনও তিনি লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, ‘তৃণমূল বলছে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ হয়ে যাবে। আমি বলছি বিজেপি ক্ষমতায় এলে ৩ হাজার টাকা করে দেব লক্ষ্মীর ভান্ডার। রাজস্থানের মতো ৪৫০ টাকা করে গ্যাস করে দেব।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • National Technology Day: আজ জাতীয় প্রযুক্তি দিবস, ভারতে এই দিনের গুরুত্ব অপরিসীম, জানুন ইতিহাস

    National Technology Day: আজ জাতীয় প্রযুক্তি দিবস, ভারতে এই দিনের গুরুত্ব অপরিসীম, জানুন ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের আমলে  প্রযুক্তিগত উন্নতির (National Technology Day) দিক থেকে পৃথিবীর প্রথম সারির দেশগুলির মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে ভারত। যত সময় এগোচ্ছে, প্রযুক্তিগত দিক থেকে তত উন্নত হচ্ছে দেশ। জাতীয় স্তরে নতুন প্রযুক্তির আবিষ্কার এবং ব্যবহারের কথা স্মরণ করার জন্য প্রতিবছর ১১ মে পালন করা হয় জাতীয় প্রযুক্তি দিবস। প্রতিবছর ভারত সরকার ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর সাইন্স এন্ড টেকনোলজি কমিউনিকেশন, বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি বিভাগ, বিভিন্ন এনজিও, কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র সহ আরো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এই দিনটি উদযাপন করেন। চলতি বছর বক্তৃতা, সেমিনার, তর্ক বিতর্ক, রেডিও বা টিভিতে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করে এই দিনটি উদযাপন করা হবে। প্রযুক্তিকে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে জনপ্রিয় করার উদ্দেশ্যে এই দিনটি পালন করা হয়।

    জাতীয় প্রযুক্তি দিবসের ইতিহাস

    জাতীয় প্রযুক্তি দিবসের (National Technology Day) একটা ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে ভারতে। এই দিনটিকে ভারতের প্রযুক্তিগত অগ্রগতির কৃতিত্ব হিসেবে স্মরণ করা হয়। কারণ, ১৯৯৮ সালের আজকের দিনেই অর্থাৎ ১১ মে পোখরানে (Pokhran Operation) সফল ভাবে পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা করেছিল ভারত। প্রতি বছর এই দিনে অনবদ্য কৃতিত্বের জন্য ভারতের বিজ্ঞানীদের সম্মান প্রদান করা হয়। ভারত তার সবচেয়ে বড় প্রযুক্তিগত অগ্রগতি দেখেছিল ১৯৯৯ সালের ১১ মে, যখন বিজ্ঞানীরা বেঙ্গালুরুতে প্রথম দেশীয় বিমান “হাঁসা ৩” উড়িয়েছিল। এই একই দিনে ত্রিশূল ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষার সাক্ষী হয়েছিল দেশবাসী। ভারতের প্রযুক্তগিত অগগ্রতির কথা বিবেচনা করে ১৯৯৯ সালের ১১ মে তদানিন্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রতি বছর এই দিনটিকে জাতীয় প্রযুক্তি দিবস হিসেবে পালন করার কথা ঘোষণা করেছিলেন।

    আরও পড়ুন: দেশে নির্বাচন পরিচালনায় পথিকৃৎ সুকুমার সেন, জানেন তাঁর কথা?

    পোখরান দিবস

    ১৯৯৮ সালের ১১ মে, রাজস্থানের পোখরানে সফলতার সঙ্গে দ্বিতীয়বার পরমাণু বোমা পরীক্ষা করেছিলেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা। এই প্রজেক্টের নাম ছিল পোখরান টু (Pokhran 2 Nuclear Test)। পোখরানের টেস্ট রেঞ্জ থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর দ্বারা ৫টি বিস্ফোরণ করা হয়।

    এরপর ভারতের মাস্টারমাইন্ড প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডঃ এপিজে আবদুল কালামের নির্দেশে এবং অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকারের নেতৃত্বে ‘অপারেশন শক্তি’ নামে পোখরানে একের পর এক ৫টি পারমাণবিক পরীক্ষা চালানো হয়। পরমাণু পরীক্ষার দিন তথা ১১ মে দিনটিকে ভারতের জাতীয় প্রযুক্তি দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়। ভারতের অন্যতম রাষ্ট্রপতি ডঃ এপিজে আবদুল কালামের জন্য একটি ‘পারমাণবিক শক্তি’ দেশ হয়ে ওঠে ভারত। তাঁর নির্দেশনায় সফলভাবে পরিচালিত হয়েছিল পোখরান পরীক্ষা। তাই তিনি ‘ইন্ডিয়ান মিসাইল ম্যান’ নামে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Humayun Kabir: ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্যের জের! তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে শো-কজ কমিশনের

    Humayun Kabir: ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্যের জের! তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে শো-কজ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্যের জেরে ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে (Humayun Kabir) শো-কজ করল নির্বাচন কমিশন। হুমায়ুন জানিয়েছেন তিনি এখনও শো-কজের চিঠি হাতে পাননি। চিঠি পেলে তার জবাব দেবেন। কমিশন সূত্রে খবর, গত ২ মে বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া কমিশনের কাছে হুমায়ুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যে আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘিত হয়েছে বলে মনে করেই তাঁকে শো-কজের চিঠি ধরিয়ে জবাব তলব করা হয়েছে।

    কী বলেছিলেন কবীর

    সম্প্রতি একটি বুথ সম্মেলনে হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir) বলেন, ‘ভাগীরথীর জলে ভাসিয়ে দিতে না পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব। যদি ভেবে থাকো, তোমরা ৭০ শতাংশ আর বাকি ৩০ শতাংশ মানুষ কিছু করবে না, তাহলে ভুল হবে। তোমরা কোথাও মসজিদ ভাঙলে ভেবো না যে আমাদের ছেলেরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে।’ তাঁর এই মন্তব্যে সাম্প্রদায়িকতার উস্কানি রয়েছে বলে অভিযোগ জানানো হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই অভিযোগের জেরে তাঁকে শোকজ করল কমিশন। যদিও হুমায়ুন দাবি করেছেন যে, সম্প্রতি জেলায় এসে বিজেপি নেতা উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ কিছু মন্তব্য করেছিলেন। সেই সূত্রেই তাঁর এমন মন্তব্য। এর আগেও বিতর্কিত মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে হুমায়ুন কবীরকে। লোকসভা ভোটে ইউসুফ পাঠানকে প্রার্থী করায় তিনি প্রচারে না থাকার কথা জানিয়েছিলেন ভরতপুরের বিধায়ক। তবে পরে অবশ্য তাঁকে প্রচারে দেখা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: দেশে নির্বাচন পরিচালনায় পথিকৃৎ সুকুমার সেন, জানেন তাঁর কথা?

    হুমায়ুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    হুমায়ুনের (Humayun Kabir) এই আচরণের বিরুদ্ধে আগেই মুর্শিদাবাদের শক্তিনগর থানাতে অভিযোগ জানিয়েছিল বিজেপি। দলের তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন শক্তিপুরে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি গোকুলবিহারী ঘোষ। অভিযোগপত্রে তিনি জানিয়েছিলেন, গত ১ মে সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ শক্তিপুর সবজি মার্কেটে এক সভায় হুমায়ুন কিছু বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। বিজেপির দাবি, অবিলম্বে তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হোক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (শনিবার ১১/০৫/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (শনিবার ১১/০৫/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি ভালো।

    ২) কর্মক্ষেত্রে উৎসাহের সঙ্গে কাজ করবেন।

    ৩) নতুন প্রকল্পের দায়িত্ব পেতে পারেন।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) নতুন সম্পর্কের সূচনার সুযোগ পাবেন।

    ৩) বিয়ে পাকা হতে পারে।

    মিথুন

    ১) বন্ধুদের সঙ্গে ভালো সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন।

    ২) বড় কোনও স্বাস্থ্য সমস্যা থাকবে না।

    ৩) নতুন পরিকল্পনার যথাযথ বিশ্লেষণ করে তা কার্যকরী করুন।

    কর্কট

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) সতর্ক থাকতে হবে।

    ৩) চাকরি ও ব্যবসায়ে আর্থিক লাভ সম্ভব হবে।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) নতুন ও ভালো প্রকল্পের দায়িত্ব পাবেন।

    ৩) উৎসাহের সঙ্গে সেই প্রকল্পের কাজে অংশগ্রহণ করবেন, কাজে সফল হবেন।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি ভালো কাটবে।

    ২) কাজে সাফল্য লাভ করবেন। মনের মধ্যে নতুন চিন্তাভাবনা উৎপন্ন হতে পারে।

    ৩) মনের মধ্যে নতুন চিন্তাভাবনা উৎপন্ন হতে পারে।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হবেন।

    ৩) নিজের সিদ্ধান্তে বিশেষ ভাবে নজর দিতে হবে।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি প্রতিকূল।

    ২) ধৈর্য বজায় রেখে কাজ করুন।

    ৩) চিন্তাভাবনা স্পষ্ট রাখুন ও কাজে সতর্কতা অবলম্বন করুন।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) নতুন সম্পর্কের সূচনা করবেন, যার ফলে জীবনে আনন্দের আগমন হবে।

    ৩) ছাত্রছাত্রীদের জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।

    ৩) কাজে পরিশ্রম করে যান।

    কুম্ভ

    ১) নিজের চিন্তাভাবনা স্পষ্ট ভাবে ব্যক্ত করুন।

    ২) মহিলারা পরিবারের দেখাশোনায় সারাদিন কাটাবেন।

    ৩) মতিভ্রম হতে পারে।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) চিন্তাভাবনা ও কর্মপদ্ধতির প্রতি মনোনিবেশ করুন।

    ৩) নিজের চিন্তাভাবনা ব্যক্ত করার জন্য কারও সাহায্যের প্রয়োজন হবে।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Election 2024: নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাধা দিচ্ছেন কংগ্রেস সভাপতি খাড়্গে! কড়া চিঠি দিল কমিশন

    Loksabha Election 2024: নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাধা দিচ্ছেন কংগ্রেস সভাপতি খাড়্গে! কড়া চিঠি দিল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলছে লোকসভা নির্বাচন (Loksabha Election 2024)। ইতিমধ্যে তিন দফার ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আরও চার দফা ভোট বাকি রয়েছে। ঠিক এই আবহে শুক্রবারই কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের বিরুদ্ধে লোকসভা নির্বাচন ২০২৪-এ বাধা দানের অভিযোগ করল নির্বাচন কমিশন। প্রসঙ্গত, কংগ্রেস সভাপতি ভোট দানের তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলেছিলেন। কংগ্রেস সভাপতির এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে কমিশন। কড়া ভাষায় চিঠিতে তোপ দেগে কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, ‘অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনায় বিভ্রান্তি ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন খাড়গে।’ ভোটারদের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেও চিঠিতে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে কমিশন। স্বভাবসিদ্ধ ভাবেই কমিশন বিজেপির হয়ে কাজ করছে বলে বিরোধীরা অভিযোগ তুলতে থাকে।

    কী বলল কমিশন?

    খাড়্গের সমালোচনা করে কমিশন বলেছে, “নির্বাচন চলছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনায় বিভ্রান্তি, ভুল নির্দেশনা এবং প্রতিবন্ধকতা তৈরি করার জন্যই, এর মধ্যে ভোটদানের তথ্য প্রকাশ সংক্রান্ত ভিত্তিহীন অভিযোগগুলি নকশা করা হয়েছে। এই ধরনের বিবৃতি (Loksabha Election 2024) ভোটারদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং দেশ জুড়ে এই বিশাল নির্বাচনী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা হতাশ হয়ে যেতে পারেন।”

    আরও পড়ুন: মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রীর ভারত সফর, ট্রোল নেটিজেনদের 

    কড়া বার্তা কমিশনের

    কমিশন আরও বলেছে, “আমরা বাক-স্বাধীনতার অধিকারকে সম্মান করি। একে অপরকে চিঠি লেখা ও যোগাযোগ করা রাজনৈতিক দল এবং তাদের নেতাদের বিশেষাধিকার (Loksabha Election 2024) বলে মনে করি। তবে ফলাফল যে কাজগুলি নির্বাচন পরিচালনার মূল আদেশ প্রদানের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে, ফলাফল প্রকাশের আগ পর্যন্ত এমন ধরনের কাজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কমিশনের দায়িত্ব।”

    আরও পড়ুন: ভক্তদের জন্য সুখবর! অক্ষয় তৃতীয়ায় খুলে গেল কেদারনাথ ধামের দ্বার

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: ইসরোর মহাকাশযান নিয়ে গবেষণায় সুযোগ পেল দক্ষিণ দিনাজপুরের নবম শ্রেণির অর্পিতা

    ISRO: ইসরোর মহাকাশযান নিয়ে গবেষণায় সুযোগ পেল দক্ষিণ দিনাজপুরের নবম শ্রেণির অর্পিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোয় (ISRO) মহাকাশযান নিয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ ও গবেষণার সুযোগ পেল দক্ষিণ দিনাজপুরের পতিরামের নবম শ্রেণির ছাত্রী অর্পিতা সাহা। ইসরোর সর্বভারতীয় স্তরে একটি পরীক্ষার মাধ্যমে ইয়ং সায়েন্টিস্ট প্রোগ্রামে ডাক পেয়েছে সে। অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারে প্রায় ২৫ দিন পঠনপাঠন ও গবেষণার সুযোগ পাবে অর্পিতা। তার মহাকাশ গবেষণা নিয়েও পড়ার সুযোগ থাকবে বলে জানা গিয়েছে। গতবছর একই প্রশিক্ষণের জন্য ডাক পেয়েছিল পতিরামের উপাসনা মণ্ডল। এবার ডাক পেল একই স্কুলের এবং একই এলাকার অর্পিতা।

    ছোট থেকে মহাকাশ নিয়ে গবেষণার আগ্রহ অর্পিতার (ISRO)

    ছোট থেকে মহাকাশ নিয়ে গবেষণার আগ্রহ অর্পিতার। সম্প্রতি, চন্দ্রযান-৩ উৎক্ষেপণের যাবতীয় বিষয় খুঁটিনাটি পর্যবেক্ষণ করেছে। এবার সরাসরি ইসরোতে (ISRO) প্রশিক্ষণের সুযোগ পেয়ে আপ্লুত অর্পিতা ও তার পরিবার। অর্পিতা বলে, ছোট থেকেই মহাকাশ ও মহাকাশযান নিয়ে আমার আগ্রহ ছিল। গত বছর আমাদের এলাকার উপাসনা দিদি এই পরীক্ষায় পাশ করে ইসরোতে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। এবছর সেই পরীক্ষায় সফল হয়ে ইসরো থেকে ডাক পাব ভাবিনি। ইসরো থেকে চন্দ্রযান-৩ পাঠানো হয়। কীভাবে ওই সেটি পাঠানো হয়েছিল, ভালো করে দেখব। সুযোগ পেলে এই বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করব।

    আরও পড়ুন: গরমে ২৪ দিন নির্জলা থাকবে শিলিগুড়ি! দুর্ভোগে পুরবাসী, তৃণমূলকে দায়ী করল বিজেপি

    স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা কী বললেন?

    অর্পিতা পতিরাম বিবেকানন্দ গার্লস হাইস্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবা দীপঙ্কর সাহা ব্যবসায়ী। মা বর্ণা সাহা গৃহবধূ। মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে অর্পিতা। এবছর ১ মার্চ অনলাইনে ইসরোর (ISRO) ‘যুবিকা’ পরীক্ষায় বসে সে। রেজাল্ট বের হওয়ার পর ইসরো থেকে অর্পিতাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার উদ্দেশে বাবাকে নিয়ে রওনা হচ্ছে অর্পিতা। অর্পিতার স্কুল তথা পতিরাম বিবেকানন্দ গার্লস হাইস্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা লাবণী সরকার বলেন, অর্পিতা মেধাবী। শান্ত ও চুপচাপ স্বভাবের। গত বছরও আমাদের স্কুলের উপাসনা এই সুযোগ পেয়েছিল। আমাদের গ্রামের স্কুল থেকে এই সাফল্যে সকলেই গর্বিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nalanda University: অক্সফোর্ড প্রতিষ্ঠার পাঁচশো বছরেরও আগে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতি ছিল বিশ্বজুড়ে

    Nalanda University: অক্সফোর্ড প্রতিষ্ঠার পাঁচশো বছরেরও আগে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতি ছিল বিশ্বজুড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ৫০০ বছরেরও বেশি আগে ভারতের নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Nalanda University) খ্যাতি পৃথিবী জুড়ে ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির তিনটি ভবন ছিল। তার মধ্যে একটি ছিল ন’তলার। ইতিহাসবিদদের মতে, সেখানে সংগ্রহে ছিল ৯০ লাখ বই। সারা পৃথিবী থেকে দশ হাজারেরও বেশি পড়ুয়া আবাসিক ছাত্র হিসেবে পাঠ নিতেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। বৌদ্ধ ধর্মের প্রভাবেই গড়ে ওঠে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়। আশপাশের শহর বলতে বিখ্যাত বৌদ্ধ ধর্মের কেন্দ্র বোধগয়া। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাল ইটের ধ্বংসাবশেষ আজও যেন কথা বলে।

    ৪২৭ খ্রিস্টাব্দ খ্রিষ্টাব্দ নাগাদ নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল

    ইতিহাসবিদদের মতে, ৪২৭ খ্রিস্টাব্দ খ্রিষ্টাব্দ নাগাদ নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় (Nalanda University) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটা ছিল পৃথিবীর প্রথম আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় অর্থাৎ বর্তমান দিনে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ধরনের হস্টেলে আমরা দেখতে পাই যেখানে দূর-দূরান্ত থেকে পড়ুয়ারা পাঠ নিতে আসেন, আজ থেকে ১,৬০০ বছর আগে তা প্রথম করে দেখিয়েছিল নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হত চিকিৎসাবিদ্যা, যুক্তিবিদ্যা, গণিত, সর্বোপরি বৌদ্ধ নীতি। জানা যায়, পূর্ব এবং মধ্য এশিয়া থেকে সব থেকে বেশি ছাত্ররা এখানে আসতেন। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে দলাই লামা একবার বলেছিলেন, ”আমাদের সমস্ত জ্ঞানের উৎস নালন্দা থেকে এসেছে।” ৭০০ বছর ধরে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ক্রমশ বিকশিত হয়েছিল। পৃথিবীতে এমন বিশ্ববিদ্যালয় আর একটিও ছিল না। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক পরে প্রায় পাঁচ শতক পরে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা জানতে পারা যায়। শিক্ষার পীঠস্থান হিসেবে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় যে সারা পৃথিবীকে পথ দেখাত- এ নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

    নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে বৌদ্ধ ধর্মের প্রভাব

    নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে (Nalanda University) বৌদ্ধ ধর্মের প্রভাব দেখা যায়। গুপ্ত সাম্রাজ্যের রাজারা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিকাশে অনেক অবদান রেখেছিলেন বলে জানা যায়। তাঁরা বৌদ্ধ ধর্মের দর্শনকে প্রচার করতেন। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়ুর্বেদ শিক্ষার ওপরে জোর দেওয়া হত। আয়ুর্বেদিক শিক্ষাতে ওষুধের বদলে প্রকৃতিভিত্তিক নিরাময় পদ্ধতির প্রয়োগ করা হয়। সেখানে এই পাঠ ছাত্রদের দেওয়া হতো। ছাত্ররা তা শিখে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তার প্রয়োগ করতেন। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিল প্রার্থনা হল, বক্তৃতা কক্ষ, পাশাপাশি ছিল হ্রদ এবং পার্ক।

    ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইডের মর্যাদা পেয়েছে 

    জানা যায়, বৌদ্ধশিক্ষা এবং দর্শন প্রচারের জন্য নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় (Nalanda University) থেকে নিয়মিতভাবে চিন, কোরিয়া, জাপান, ইন্দোনেশিয়া এবং শ্রীলঙ্কার মতো দেশগুলি থেকে পন্ডিত এবং অধ্যাপকরা আসতেন। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে পন্ডিত এবং অধ্যাপকরা আবাসিকভাবে এসে গবেষণা করতেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভারতের সাংস্কৃতিক এমন ভাব বিনিময়ের কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠেছিল নালন্দা। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতাত্ত্বিক ধ্বংসাবশেষ বর্তমানে ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইডের মর্যাদা পেয়েছে।

    মুসলমান আক্রমণকারী বক্তিয়ার খিলজি 

    ১১৯০ সালের পর মুসলমান আক্রমণকারী বক্তিয়ার খিলজি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ধ্বংসলীলা চালায় এবং নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরিতে পুড়িয়ে দেয় বলে জানা যায়। জানা যায়, নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ইখতিয়ারউদ্দিন বখতিয়ার খিলজির বাহিনী আগুন জ্বালালে তা তিন মাস ধরে জ্বলেছিল। এতটাই বিস্তৃত ছিল নালন্দার প্রাঙ্গণ। ঐতিহাসিকদের মতে, নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Nalanda University) একটি শ্রেণিকক্ষে বসতে পারতেন ৩০০ জন ছাত্র। বর্তমান দিনের মতোই টিচারদের জন্য পোডিয়াম রাখা থাকত। জানা যায়, বিশ্বের যেকোনো দেশ থেকে আগত পড়ুয়াদের জন্য আবাসনগুলিও আলাদা আলাদা হত।

    বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া কিন্তু অত সহজ ছিল না 

    প্রাচীন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া কিন্তু অত সহজ ছিল না। যথেষ্ট কঠিন প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে পড়ুয়ারা পেতেন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ার সুযোগ। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা পড়ুয়াদের মৌখিক পরীক্ষা নিতেন বলে জানা যায়। মৌখিক পরীক্ষা যাঁরা নিতেন সেই অধ্যাপকদের জন্য তৈরি করা হত একটি টিম। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে উল্লেখযোগ্য অধ্যাপক হিসেবে নাম উঠে আসে ধর্মপাল এবং শীলভদ্রের!

    তালপাতার পান্ডুলিপি নিয়ে পালিয়ে বাঁচতে পেরেছিলেন কয়েকজন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী 

    প্রথমেই বলা হয়েছে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় (Nalanda University) গ্রন্থাগারের ছিল ৯০ লাখ বই। এগুলো সবটাই হাতে লেখা। এগুলি ছিল তালপাতার পান্ডুলিপি। আগেই উল্লেখ করা হয়েছে তিনটি লাইব্রেরি ভবনের মধ্যে একটি লাইব্রেরী ছিল নয় তলা বিল্ডিং। এটিকে ‘মেঘের মধ্যে উড্ডয়ন’ লাইব্রেরী বলে বর্ণনা করেছেন তিব্বতীয় বুদ্ধ পন্ডিত তারানাথ। ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খিলজি যখন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের আগুন লাগিয়েছিল তখন অনেকে বই পুড়ে গেলেও বেশ কতগুলি তালপাতার পান্ডুলিপি নিয়ে পালিয়ে বাঁচতে পেরেছিলেন কয়েকজন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী। যেগুলি বর্তমানে রাখা আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেন্সে কাউন্টিং মিউজিয়াম অফ আর্ট এবং তিব্বতের ইয়ারলিং মিউজিয়ামে।

    পরিব্রাজক হিউয়েন সাং নালন্দায় অধ্যাপনা করতেন

    জানা যায় চিনা বৌদ্ধ সন্ন্যাসী এবং পরিব্রাজক হিউয়েন সাং নালন্দায় অধ্যাপনা করতেন। ৬৪৫ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ তিনি চিনে ফিরে যান। তখন তিনি ৬৫৭টি বৌদ্ধ ধর্ম গ্রন্থ সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়। এগুলি তিনি নিয়ে গিয়েছিলেন চিনা ভাষায় অনুবাদ করবেন বলে। হিউয়েন সাংয়ের জাপানি শিষ্য ছিলেন দোসো, তিনিও পরবর্তীকালে তার গুরুর পথ ধরে ওই বইগুলিকে জাপানি ভাষায় অনুবাদ করার সিদ্ধান্ত নেয়।

    নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের হামলার কারণ ছিল সম্পূর্ণভাবে ধর্মীয়

    ঐতিহাসিকদের মতে, নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের হামলার কারণ ছিল সম্পূর্ণভাবে ধর্মীয়। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় বৌদ্ধ ধর্মের পীঠস্থান হয়ে উঠেছে এবং তা ইসলামের পক্ষে বিপজ্জনক এই ধারণা থেকেই বখতিয়ার খিলজির বাহিনী গোটা নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Nalanda University) গ্রন্থাগারকে জ্বালিয়ে দেয়। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় খননের সময় বুদ্ধের ব্রোঞ্জের মূর্তি, হাতির দাঁত, হাড়ের টুকরো প্রভৃতি উদ্ধার হয়েছিল। কোনও কোনও মহলের বক্তব্য হল, হুণ রাজাদের আমলে মিহিরকুল প্রথম নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা চালিয়েছিলেন। পঞ্চম শতাব্দীতে আবার বাংলার গৌড় রাজারাও নাকি আক্রমণ শানিয়েছিলেন। তবে এই তথ্যের কোনও প্রমাণ সে অর্থে পাওয়া যায় না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukumar Sen: দেশে নির্বাচন পরিচালনায় পথিকৃৎ সুকুমার সেন, জানেন তাঁর কথা?

    Sukumar Sen: দেশে নির্বাচন পরিচালনায় পথিকৃৎ সুকুমার সেন, জানেন তাঁর কথা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের মাঝপথে দেশ। সাত দফা ভোটের তিন দফা ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বাকি রয়েছে আর চার দফা। ভারতের প্রথম গণতন্ত্রের উৎসব পরিচালনার দায়িত্ব ছিল এক বঙ্গ সন্তানের হাতে। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু সেই দুরূহ কাজের জন্য ভরসা করেছিলেন বর্ধমানের এক বাঙালির উপরে। প্রায় ৭২-৭৩ বছর আগের কথা। ভারতের প্রথম মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুকুমার সেন। এই প্রজন্ম তাঁকে হয়তো মনে রাখেনি। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় রয়ে গিয়েছে তাঁর নাম।

    কে সুকুমার সেন

    সুকুমার সেনের জন্ম ১৮৯৯-এ। বাবা অক্ষয়চন্দ্র সেন ছিলেন আইসিএস। বর্ধমানে শৈশব, কৈশোর কেটেছে এই বাঙালির। স্কুলের পড়াশোনা করেছেন বর্ধমানের মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলে। পরে ফিরেছিলেন এই বর্ধমানেই, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হয়ে। বাইশ বছর বয়সে, ১৯২১ সালে সুকুমার সেন যোগ দিয়েছিলেন ভারতীয় সিভিল সার্ভিসে। প্রথমে কাজ করেছিলেন নানা জেলায়। তার পরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য সচিব পদে যোগ দেন। সেখানে তাঁর কর্মদক্ষতার কথা পৌঁছেছিল প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর কানে।  গণিতে সুকুমার সেনের ছিল বিশেষ জ্ঞান। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে পাশ করে সুকুমার সেন পড়তে যান লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে গণিতে স্বর্ণপদক পেয়েছিলেন। তাঁর পারদর্শীতার কথা শুনেই ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নেহেরু ঠিক করেন নির্বাচন পরিচালনার ভার সুকুমার সেনকেই দেবেন। 

    কাজটা সহজ নয়

    স্বাধীনতার দু’বছর পরেই গঠিত হল নির্বাচন কমিশন। নেহরুর আশা ছিল ১৯৫১-র প্রথম দিকেই স্বাধীন ভারতের প্রথম নির্বাচন করানো যাবে। সদ্য স্বাধীন ভারতে  তখন হাজারো সমস্যা। খাদ্য-সহ নানা বিষয়ে দেশ তখন স্বনির্ভর নয়। উপরন্তু শিক্ষার হার মাত্র ১৫ শতাংশ। ফলে লোকসভা নির্বাচন কী, কিই বা তার প্রয়োজনীয়তা, সাধারণ লোককে তা বোঝানোই ছিল দুরুহ কাজ। বেশ কয়েক দফা আলোচনার পর ঠিক হয় যে নির্বাচন কমিশনের মাথায় বসানো হবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্যসচিব , ১৯২১ ব্যাচের আই সি এস সুকুমার সেনকে। জানা যায় দেশের প্রথম নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব হাতে পাওয়ার দিন পনেরোর মাথায় সুকুমারবাবুর ডাক পড়েছিল প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর অফিসে। সেখানে গিয়ে সুকুমার সেন প্রধানমন্ত্রী নেহরুকে আর একটু অপেক্ষা করতে বলেছিলেন। ভারতের নির্বাচন পরিচালনায় পথিকৃৎ সুকুমার বুঝেছিলেন কাজটা সহজ নয়। একুশ বছর বা তার বেশি বয়সের ১৭ কোটি ৬০ লক্ষ ভারতীয় ভোট দেবে, তার মধ্যে প্রায় ৮৫ শতাংশ পড়তে বা লিখতে জানে না। প্রত্যেকটি ভোটারকে আলাদা করে চিহ্নিত করতে হবে, নাম লিখে নথিভুক্ত করতে হবে। নিরক্ষর এক নির্বাচকমণ্ডলীর জন্য কী ভাবে পার্টি প্রতীক, ভোটপত্র আর ব্যালট বাক্স তৈরি হবে তা নিয়েও চলে বিস্তর ভাবনা চিন্তা।

    এক বিশাল কর্মযজ্ঞ

    নির্বাচন কী সে বিষয়ে কোনও ধারণাই তখন ছিল না নির্বাচকদের। কেন্দ্রীয় বাহিনী তখন তৈরিই হয়নি, অতএব শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভরসা ছিলেন প্রায় সওয়া দু’লাখ পুলিশকর্মী। সে এক বিশাল কর্মযজ্ঞ। ৪৫০০ আসনে ভোট। ৫০০টি সংসদের, বাকি বিভিন্ন রাজ্য বিধানসভার। ২,২৪,০০০ ভোটদান কেন্দ্র। কুড়ি লক্ষ ইস্পাতের ব্যালট বাক্স, বানাতে লেগেছে ৮২০০ টন ইস্পাত। ৫৬০০০ প্রিসাইডিং অফিসার, সহায়ক আরও ২৮০০০০ কর্মী। নির্বাচকদের নাম টাইপ করে নির্বাচনকেন্দ্র অনুযায়ী সাজিয়ে ভোটার লিস্ট তৈরি করার জন্য ছ’মাসের চুক্তিতে নিয়োগ করা হয়েছিল ১৬৫০০ কর্মীকে। ভোটার লিস্ট ছাপতে লেগেছিল ৩,৮০,০০০ রিম কাগজ।

    আরও পড়ুন: ইসরোর মহাকাশযান নিয়ে গবেষণায় সুযোগ পেল দক্ষিণ দিনাজপুরের নবম শ্রেণির অর্পিতা

    প্রথমবার ভোট হয় ৬৮টি দফায়, ৭৩ দিন ধরে। শুরু হয় ১০ ডিসেম্বর, ১৯৫১ এবং শেষ হয় ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২। অশিক্ষায় জর্জরিত দেশের ভোট গ্রহণের জন্য আলাদা আলাদা রঙে আলাদা আলাদা দলের ব্যালট বাক্সের ব্যবস্থা করেছিলেন সুকুমার সেন। শুধু তাই নয় ১৯৫৭ সালের ভোটেও ওই বাক্সগুলিই ব্যবহার করা হয়েছিল যাতে খরচ বাঁচানো যায়। এই ভাবনাটিও ছিল সুকুমারবাবুর মস্তিষ্কপ্রসূত। এতেই শেষ নয়। কিভাবে ভোট দেবেন আমজনতা, তা বোঝানোর দরকার ছিল। সুকুমার সেনের উদ্যোগে তৈরি হয়েছিল প্রায় ৩০০০ নিউজ রিল। আকাশবাণী টানা তিনমাস লাগাতার রেডিওতে প্রচার করেছিল ভোট দেওয়ার পদ্ধতি। 

    সুদানে সুকুমার

    ১৯৫২-র শুরুর দিকে স্বাধীন ভারতে প্রথম ভোট হল। আর সেটা সামগ্রিক ভাবে ছিল সফল। তুরস্ক থেকে আসা এক সাংবাদিক ভোট শেষ হলে তাঁর দেশের এক প্রতিনিধি দলকে নিয়ে সুকুমার সেনের সঙ্গে দেখা করেন। সে দেশে ভোট পরিচালনায় সাহায্য চান। ঐতিহাসিক রামচন্দ্র গুহর লেখা থেকে জানা যায়, ‘মুখ্য নির্বাচন কমিশনার তাঁদের ভোট বাক্স, ভোটপত্র আর প্রতীকের কিছু নমুনা দেখান, সেই সঙ্গে দেখান ভোটকেন্দ্রের ছক, যাতে তাঁরা তাঁদের নিজেদের দেশে গণতন্ত্রের ব্যাহত প্রক্রিয়াকে নতুন করে চালু করতে পারেন।’ ১৯৫৭-র দ্বিতীয় নির্বাচনও পরিচালনা করেন সুকুমার সেন। পরে সুদানে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। ১৯৫৩ সালে সুদান তাঁকে আমন্ত্রণ জানায়। ১৪ মাস সে দেশে নির্বাচন ব্যবস্থার কাজ বুঝিয়েছিলেন সুকুমার সেন। স্বাধীন গণতান্ত্রিক ভারতে ভোট ব্যবস্থার রূপকার সুকুমার সেনকে পদ্মভূষণ পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছিল। ১৯৬৩ সালে মাত্র ৬৫ বছর বয়সে প্রয়াত হন সুকুমার সেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Calcutta Highcourt: “তথ্য প্রমাণ লোপাট হতে পারে”, NIA-কে তদন্তভার দিয়েও চিন্তিত হাইকোর্ট

    Calcutta Highcourt: “তথ্য প্রমাণ লোপাট হতে পারে”, NIA-কে তদন্তভার দিয়েও চিন্তিত হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মরশুমে ফের চাপ বাড়ল শাসকদলের উপর। মুর্শিদাবাদের রামনবমীর মিছিলে হামলার ঘটনায় এবার তদন্ত করবে এনআইএ। এমনই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta Highcourt) । মামলার পরবর্তী শুনানি ১৩ জুন। এদিন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের মন্তব্য, “যত সময় গড়াবে ততই তথ্য প্রমাণ বিকৃতি করার সম্ভাবনা বাড়বে। পুলিশি রিপোর্ট অনুযায়ী বোমা ছোড়ার অভিযোগ রয়েছে।”

    রামনবমীর মিছিলে হামলার তদন্তে এনআইএ (Calcutta Highcourt)

    প্রসঙ্গত গত বছরের মত এবছরও রামনবমীর দিন রাজ্যের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত একাধিক জায়গায় অশান্তির ঘটনা ঘটে কোথাও বাড়ি ছাদ থেকে আবার কোথাও মসজিদ থেকে হামলা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে বাড়ি ভাঙচুর থেকে শুরু করে অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটে আহত হন বহু রাম ভক্ত। মুর্শিদাবাদে হিংসার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এনআইএকে তদন্তভার দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta Highcourt) ।  শুক্রবার মুর্শিদাবাদের হিংসার ঘটনায় শুক্রবার আদালতে রিপোর্ট জমা দেয় এনআইএ। এর পরই আদালত জানায় মুর্শিদাবাদের রামনবমীর মিছিলে বোমাবাজি ও হামলার ঘটনায় তদন্ত করবে ওই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    কী হয়েছিল রামনবমীর মিছিলে

    চলতি বছর রামনবমীর দিন মুর্শিদাবাদের রেজিনগর বিধানসভা এলাকার শক্তিপুরে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। প্রথমে একদল দুষ্কৃতী রামনবমীর মিছিলের উপর একতরফা হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল আশপাশের বাড়ি থেকে মুখ ঢেকে বোমা ও পাথর ছুঁড়ছে একদল দুষ্কৃতি। শক্তিপুরের পাশাপাশি মানিক্যহার এলাকাতেও মিছিলের উপর চড়াও হয় দুষ্কৃতিরা। বাড়ির ছাদ থেকে মিছিলকে লক্ষ্য করে সেখানেও হামলা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। সিবিআই এবং এনআইএ তদন্তের তদন্তের দাবি জানিয়ে Calcutta Highcourt) দুটি জনস্বার্থ মামলা হয়।

    আরও পড়ুন: ভক্তদের জন্য সুখবর! অক্ষয় তৃতীয়ায় খুলে গেল কেদারনাথ ধামের দ্বার

    তথ্য প্রমাণ লোপাটের চিন্তা আদালতের (Calcutta Highcourt)

    প্রসঙ্গত এতদিন মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে হিংসার ঘটনার তদন্ত করছিল সিআইডি। তবে এনআইয়ের তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে সুকান্ত মজুমদার। এখন সেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থায়ী তদন্তভার পেল। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই মামলার শুনানি চলাকালীন কলকাতা হাইকোর্ট Calcutta Highcourt) রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে। যত দিন যাবে ততদিন মামলার তথ্য প্রমাণ লোপাট করার বিষয়ে চিন্তা প্রকাশ করে আদালত। এমনকি বহরমপুরে ভোট পিছিয়ে দেওয়ার কথাও বলেন প্রধান বিচারপতি। তাঁর মন্তব্যে, “যেখানে মানুষ আট ঘণ্টা শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের উৎসব পালন করতে পারে না, সেখানে ভোটের কোন প্রয়োজন নেই।” একই সঙ্গে প্রধান বিচারপতি জেলাশাসককে নির্দেশ দেন, “ওই জেলায় সংখ্যালঘুদের বিষয়ে কোন মন্তব্য বা প্রচার করতে পারবেন না রাজনীতিকরা। এই বিষয়ে সম্পূর্ণ নজরদারি রাখতে হবে তাঁকে। এ নিয়ে প্রচার করার নির্দেশও দিয়েছে হাইকোর্ট।” মামলার পরবর্তী শুনানি ১৩ জুন। সেদিন প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে এনআইএ-কে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share