Tag: Madhyom

Madhyom

  • UPI: নজর অলিম্পিক্সে! এবার প্যারিসের জনপ্রিয় স্টোর ‘গালেরি লাফায়েত’-এ চালু ইউপিআই

    UPI: নজর অলিম্পিক্সে! এবার প্যারিসের জনপ্রিয় স্টোর ‘গালেরি লাফায়েত’-এ চালু ইউপিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউপিআই (UPI) সিস্টেমকে সারা বিশ্বে চালু করার লক্ষ্য নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই প্যারিস অলিম্পিক শুরুর আগেই সে দেশের ঐতিহাসিক ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ‘গালেরি লাফায়েত’-এ ইউপিআই চালু করা হল। এর ফলে অলিম্পিকের সময় প্যারিসে পৌঁছনো ভারতীয় ক্রীড়াবিদ থেকে প্রশাসক এমনকী, পর্যটকদেরও বিকিকিনিতে সুবিধা হবে।

    ইউপিআই-এর স্রোতে ফ্রান্স (UPI)

    বড় শপিং মল থেকে পাড়ার পানের দোকান, সর্বত্রই এখন কিউআর কোডের উপস্থিতি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জমানায় ডিজিটাল লেনদেন ছড়িয়ে পড়েছে ভারতের সর্বত্র। এবার ইউপিআই (UPI)-এর স্রোতে গা ভাসাল ফ্রান্স। আইফেল টাওয়ারে সফল লঞ্চের পর ভারত প্যারিসের ঐতিহাসিক ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ‘গালেরি লাফায়েত’ ইউনিফাইড পেমেন্টস ইন্টারফেস (UPI) চালু করল। ফ্রান্সে ভারতের রাষ্ট্রদূত জাভেদ আশরাফ গালেরি লাফায়েতের সিইও নিকোলাস হাউজ এবং লাইরা গ্রুপের চেয়ারম্যান অ্যালাইন লেকোর উপস্থিতিতে গালেরি লাফায়েতের স্টোরে এই প্রক্রিয়ায় লেনদেন শুরু হল ৩ জুলাই। ২৬ জুলাই থেকে এই প্রক্রিয়ায় লেনদেন করতে পারবেন সকলে।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের সাধারণতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি হয়ে ভারতে এসেছিলেন ফ্রান্স প্রেসিডেন্ট ইমান্যুয়েল মাক্রঁ। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে জয়পুর পরিদর্শনের সময় একটি চায়ের দোকানে গিয়ে চা খেয়ে ইউপিআই (UPI) মাধ্যমে বিল মিটিয়ে সিস্টেমটি সম্পর্কে মাক্রঁকে বোঝান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার এক সপ্তাহের মধ্যেই প্যারিসের আইফেল টাওয়ার দর্শনের টিকিট বুকিংয়ে ইউপিআই মাধ্যমে লেনদেন চালু হয়। এবার অলিম্পিকের কথা ভেবে প্যারিসের দোকানেও চালু হল ইউপিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hathras Stampede: বিলাসবহুল আশ্রমে প্রাইভেট রুম-ক্যাফে! কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক ভোলে বাবা

    Hathras Stampede: বিলাসবহুল আশ্রমে প্রাইভেট রুম-ক্যাফে! কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক ভোলে বাবা

    নিউজ ডেস্ক: হাথরসের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার (Hathras Stampede) পর থেকেই বেপাত্তা স্বঘোষিত ধর্মগুরু ভোলে বাবা। তাঁর বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও অভিযোগ দায়ের না হলেও পুলিশ ভোলে বাবা এবং অনু্ষ্ঠানের আয়োজকদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। সেই তদন্তের প্রেক্ষিতেই ভোলে বাবার বেশকিছু নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেইসব নথি ও তথ্য দেখেই চোখ কপালে উঠেছে তদন্তকারীদের। সম্প্রতি হাথরসের সৎসঙ্গে পদপিষ্ট হয়ে ১২১ জনের মৃত্যুর পর ভোলে বাবা ওরফে নারায়ণ হরি সরকার ওরফে সুরজ পালের নামে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসছে। আর তদন্তের মধ্যেই এবার মিলল তাঁর বিপুল সম্পত্তির (Bhole Baba assets) হদিশ। 

    কত টাকার মালিক ভোলে বাবা? (Hathras Stampede) 

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার বাজেয়াপ্ত হওয়া নথিগুলি থেকে প্রমাণ মিলেছে, ভোলে বাবা বিপুল সম্পত্তির (Bhole Baba assets) অধিকারী। উত্তর প্রদেশের মইনপুরীতে তাঁর একটি ১৩ একরের পাঁচতারা আশ্রম রয়েছে। যার বাজারদর বর্তমানে ৪ কোটি টাকা। যে আশ্রমের খোঁজ পুলিশ পেয়েছে তাতে অন্তত ১৫-২০টি ঘর রয়েছে। তার মধ্যে ৬টি ঘর শুধুমাত্র ভোলে বাবার নিজস্ব কাজের জন্য ছিল। বাকি ৬-৭টি ঘর বরাদ্দ ছিল আশ্রমের কমিটির সদস্য এবং ভলেন্টিয়ারদের জন্য। ভোলে বাবার লাক্সারি লাইফ এখানেই শেষ হচ্ছে না। এই আশ্রমে আসার জন্য একটি প্রাইভেট রাস্তাও ছিল বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। পাশাপাশি এলাহি এক ক্যাফিটেরিয়াও রয়েছে আশ্রমে। এছাড়াও জানা গিয়েছে, এমন আরও একাধিক সম্পত্তি দেশজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে ভোলে বাবার নামে। তাদের দাম অন্তত কোটি টাকার কাছাকাছি। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় এক বাসিন্দা জানায়, ‘ভোলে বাবা রাজ্য ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা ২৪টি আশ্রমের তত্ত্বাবধান করেন। যদিও তাঁর মূল বাসস্থান মইনপুরীর এই আশ্রমই।’
    হাথরাসের ঘটনা (Hathras Stampede) নিয়ে ইতিমধ্যে দেশের রাজনৈতিক মহল আন্দোলিত। ওই ঘটনায় যাদের মৃত্যু হয়েছে তার মধ্যে বেশিরভাগই হলেন শিশু এবং মহিলা। ইতিমধ্যেই কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে? তা নিয়ে উঠে আসছে নানান তত্ত্ব। কীভাবে একজন স্বঘোষিত ধর্মগুরু এমন অনু্ষ্ঠান করার অনুমতি পেলেন, কেন আগে থেকে প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি, সেই প্রশ্ন উঠছে বারবার।

    আরও পড়ুন: সাঁওতাল মেয়েদের ধর্মান্তরণ! অবৈধ বাংলাদেশিদের তাড়ানোর নির্দেশ ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের

    যৌন হেনস্তার অভিযোগও রয়েছে ভোলে বাবার বিরুদ্ধে

    যদিও শুরু থেকেই সাধু ছিলেন না সুরজ পাল। তাঁর দাবি, একটা সময় পর্যন্ত তিনি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোতে চাকরি করতেন। ধর্মীয় উপদেশ দেওয়ার জন্য তিনি নাকি চাকরি ছেড়ে দেন। ভোলে বাবার বিরুদ্ধে এর আগে যৌন হেনস্তার অভিযোগও উঠেছিল। কিন্তু তখনও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি তাঁর বিরুদ্ধে। এখন হাথরাসের এই ঘটনার (Hathras Stampede) পর তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া পুরনো মামলাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • River Beneath Antarctic: বয়স ৪ কোটি বছর! আন্টার্কটিকায় বরফের নীচে মিলল প্রাগৈতিহাসিক নদীর খোঁজ

    River Beneath Antarctic: বয়স ৪ কোটি বছর! আন্টার্কটিকায় বরফের নীচে মিলল প্রাগৈতিহাসিক নদীর খোঁজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্টার্কটিকা কখনও নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চল ছিল! তার পশ্চিমভাগ দিয়ে বয়ে যেত বিশালাকর নদী। সম্প্রতি এমনই এক নদীর খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। আনুমানিক ৪ কোটি বছরের পুরনো ওই নদী।  ভূ-বিজ্ঞানী তথা সেডিমেন্টোলজিস্ট জোহান ক্লেজের নেতৃত্বে একটি দল বরফের নীচে চাপা পড়া নদীটি আবিষ্কার করেন। বরফের নীচেই সন্ধান মেলে নদীর গতিপথের।  পলির উৎপত্তির সন্ধান করে, নদীর গতিপথের মানচিত্র তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা। ট্রান্সান্টার্কটিক পর্বতমালা থেকে আমুন্ডসেন সাগর পর্যন্ত আনুমানিক প্রায় ১,৫০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রসারিত ছিল এই নদী।

     আন্টার্কটিকার জলবায়ুতে  পরিবর্তন

    প্রায় ৩-৪ কোটি বছর আগে ইওসিন যুগের মাঝামাঝি থেকে শেষের দিকে আন্টার্কটিকার জলবায়ুতে এক নাটকীয় পরিবর্তন আসে। হঠাতই পৃথিবী ভিন্ন এক বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থার সম্মুখীন হয়। কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা প্রবলভাবে বেড়ে যায়। এই গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রভাবে আন্টার্কটিকের নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলটি হিমায়িত মরুভূমিতে পরিণত হয়। সম্প্রতি আবিষ্কৃত নদীটি সেই জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে বরফের নীচে চাপা পড়ে যায়। ২০১৭ সালে, ক্লেজেস এবং তাঁর সহকর্মীরা পশ্চিম আন্টার্কটিক বরফের নীচে সমুদ্রতলের গভীরে ড্রিল করে পললের অন্তঃসার পুনরুদ্ধার করে ওই অঞ্চলের প্রাচীনত্বের হদিশ পান। ক্রমশ নজরে আসে সেই নদীটি। 

    আরও পড়ুন: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা নিয়ে কড়া বার্তা ভারতের, সীমান্ত সমস্যা মেটাতে উদ্যোগী চিন

    জীবাশ্ম পরীক্ষা করে মেলে প্রমাণ

    গবেষকরা জানান এই নদীর নীচে পলির স্তরে থাকা জীবাশ্ম, ধূলিকণা এবং স্পোরগুলি পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে প্রায় ৮৫ মিলিয়ন বছর আগে মধ্য-ক্রিটেসিয়াস যুগে এখনকার আন্টার্কটিকে নাতিশীতোষ্ণ পরিবেশ ছিল। আর উপরের স্তরগুলি, ইওসিন যুগের নিদর্শন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। গবেষকরা এখানকার পলির মধ্যে একটি স্বতন্ত্র, সূক্ষ্ম স্তরযুক্ত প্যাটার্ন খুঁজে পেয়েছেন। এই ধরনের স্ট্র্যাটিগ্রাফি একটি প্রাচীন নদী ব-দ্বীপের ইঙ্গিত দেয়, বলে দাবি গবেষকদের। বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই নদীর জল ছিল মিষ্টি-পানের যোগ্য। নমুনায় সায়ানো-ব্যাকটেরিয়া অণুরও উপস্থিতি মিলেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC leader arrested: বেআইনি জমি দখলের অভিযোগে দিল্লি থেকে গ্রেফতার শিলিগুড়ির তৃণমূল নেতা!

    TMC leader arrested: বেআইনি জমি দখলের অভিযোগে দিল্লি থেকে গ্রেফতার শিলিগুড়ির তৃণমূল নেতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি দখল নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার শিলিগুড়ির তৃণমূলনেতাকে গ্রেফতার (TMC leader arrested) করেছে পুলিশ। তৃণমূল নেতার নাম গৌতম গোস্বামী, তাঁকে দিল্লি থেকে আটক করেছে শিলিগুড়ি কমিশনারেটের পুলিশ। তিনি ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি ব্লকের তৃণমূল সহ-সভাপতি ছিলেন। বিজেপি জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে তীব্র কটাক্ষ করে আইন অনুযায়ী শাস্তির দাবি তুলেছে। ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়েছে।  

    পুলিশ কমিশনারেটের বক্তব্য (TMC leader arrested)

    শিলিগুড়ি (Siliguri) পুলিশ কমিশনারেট সি সুধাকর বলেছেন, “দিল্লিতে আমাদের দল গিয়ে গৌতম গোস্বামীকে গ্রেফতার করেছে। তদন্ত চলছে, এই মুহূর্তে সব কিছু বলা সম্ভবপর নয়।” তবে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, “মেয়র গৌতম দেবের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিলেন দেবাশিষ প্রামাণিক, তাঁকে গ্রেফতার করার পরেই শহর ছেড়ে ছিলেন গৌতম গোস্বামী। তখন থেকে তাঁর খোঁজ চলছিল। শিলিগুড়ি থেকে তিনি প্রথমে যান কলকাতায়, এরপর হায়দরাবাদ হয়ে বেঙ্গালুরু হয়ে দিল্লিতে যান। ঠিক তারপর খবর পেয়ে স্পেশাল অপারেশন চালিয়ে গ্রেফতার (TMC leader arrested) করা হয়।”

    বিজেপি বিধায়কের বক্তব্য

    তৃণমূল নেতা গ্রেফতারের পর ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির (Siliguri) বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “দেবাশিষ প্রামাণিক এবং গৌতম গোস্বামীকে গ্রেফতার (TMC leader arrested) করে চোখে ধুলো দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে বড় নেতারা পার হওয়ার চেষ্টা করছেন। একের পর এক সরকারি-বেসরকারি জমি দখল করছেন তাঁরা। উত্তরকন্যার পাশে বিঘের পর বিঘে সরকারি জমি দখল করে রেখেছে। কাদের নির্দেশে এই অবৈধ দখল চলছে, তা নিয়ে তদন্ত হওয়া দরকার। জমিকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুসারে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

    আরও পড়ুনঃ পুরুলিয়া লোকসভায় হারের চর্চায় তৃণমূলের অন্দরে দলীয় সংঘাতের চিত্র প্রকাশ্যে!

    তৃণমূলের বক্তব্য

    জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূলের সভানেত্রী মহুয়া গোপ বলেছেন, “আমাদের দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা নির্দেশ দিয়েছেন তা অক্ষরে অক্ষরে পালন হবে। এই ধরনের কাজে যাঁরা যুক্ত তাঁদের শাস্তি (TMC leader arrested) হওয়া উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: বিজেপি কর্মীদের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে পুলিশ, রায়গঞ্জ থানায় অবস্থানে দলের বিধায়করা

    Raiganj: বিজেপি কর্মীদের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে পুলিশ, রায়গঞ্জ থানায় অবস্থানে দলের বিধায়করা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রায়গঞ্জ উপ-নির্বাচনে সব রাজনৈতক দলের প্রচার এখন তুঙ্গে। এরই মাঝে এবার বিজেপি কর্মীদের ওপর পুলিশি অত্যাচার ও হুমকির বিষয়টি সামনে এসেছে। আর এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। দলীয় কর্মীদের ওপর পুলিশি অত্যাচারের প্রতিবাদে শুক্রবার রায়গঞ্জ (Raiganj) থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হলেন বিজেপি বিধায়করা। ভোটের আগে পুলিশের বিরুদ্ধে বিজেপির এই আন্দোলন নিয়ে উত্তর দিনাজপুর জেলাজু়ড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক? (Raiganj)

    শুক্রবার রায়গঞ্জ (Raiganj) থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ, গাজোলের বিধায়ক চিন্ময় দেববর্মন, কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক নিখিল রঞ্জন দে, ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মন, হবিবপুরের বিধায়ক জুয়েল মুর্মু, গঙ্গারামপুরের বিধায়ক সত্যেন রায়, ওল্ড মালদার বিধায়ক গোপাল সাহাসহ অন্যান্য নেতৃত্বরা। বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, উপ-নির্বাচনে জেতার জন্য তৃণমূল তাদের শাখা সংগঠন পুলিশকে কাজে লাগিয়েছে। আর পুলিশ রাতের অন্ধকারে আমাদের দলের নেতা-কর্মীদের বাড়ি গিয়ে তাঁদের তুলে নিয়ে আসছে। কাউকে ভয় দেখাচ্ছে, কাউকে নানা ধরনের টোপ দিচ্ছে। পুলিশ রাজনৈতিক দলের মতো কাজ করছে। আমরা কোনওভাবেই তা মেনে নেব না। কারণ, এই এলাকার মানুষ বিজেপির পক্ষে রয়েছে। ফলে,শত চেষ্টা করেও কোনও লাভ হবে না। পুলিশের এই জুলুমবাজির বিরুদ্ধে আমাদের এই আন্দোলন। আমরা এদিন শান্তিপূর্ণ অবস্থান করে পুলিশকে বার্তা দিয়ে গেলাম। আগামীদিনে এর বিরুদ্ধে বৃহত্তরও আন্দোলন হবে।

    আরও পড়ুন: চোপড়াকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন শুভেন্দু

    শুভেন্দুর নির্দেশে অবস্থান-বিক্ষোভ

    বৃহস্পতিবার রায়গঞ্জ (Raiganj) বিধানসভা উপ-নির্বাচনের বিজেপি (BJP) প্রার্থী মানস কুমার ঘোষের সমর্থনে জনসভায় যোগ দিতে আসেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই সভা মঞ্চ থেকেই দলীয় (BJP) কর্মীদের ওপরে অত্যাচার ও নানাভাবে ভয় দেখানোর অভিযোগ তোলেন পুলিশের বিরুদ্ধে। তারই প্রতিবাদে বিধায়কদের থানা ঘেরাও ও অবস্থান-বিক্ষোভ কর্মসূচির কথা ঘোষণা করে যান তিনি। শুভেন্দুর নির্দেশ মেনে এদিন রায়গঞ্জ থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে শামিল হন বিজেপি বিধায়কেরা। প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে এই অবস্থান বিক্ষোভ চলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • WhatsApp: হোয়াটসঅ্যাপে শীঘ্রই নয়া ফিচার, ‘মেটা এআই’ চ্যাটবটে তৈরি করা যাবে অবতার

    WhatsApp: হোয়াটসঅ্যাপে শীঘ্রই নয়া ফিচার, ‘মেটা এআই’ চ্যাটবটে তৈরি করা যাবে অবতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিত্য নতুন ফিচার বছরভর এনেই থাকে জুকেরবার্গের মালিকাধীন মেটা। ফিচারের ফলে ব্যবহারকারীরা নানা সুবিধা পান ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপে (WhatsApp)। এবার ‘মেটা এআই’ চ্যাটবটের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবতার তৈরির সুযোগ চালু করতে যাচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ। সম্প্রতি, মেটা এআই নামের ফিচার জুড়েছে হোয়াটসঅ্যাপের সঙ্গে। গত বছরই চ্যাটজিপিটির সঙ্গে পরিচয় হয় বিশ্ববাসীর। যেকোনও প্রশ্নের উত্তর চটপট দিয়ে দেয় চ্যাটজিপিটি। এবার এই সুবিধা জুড়েছে হোয়াটসঅ্যাপে (WhatsApp)। এর আগে গত বছর থেকেই হোয়াটসঅ্যাপ প্রোফাইলে নিজেদের চেহারার আদলে অবতার (চেহারার আদলে ছবি বা ইমোজি) ব্যবহার করেন অনেকে। তবে চাইলেই ইচ্ছেমতো চেহারার অবতার তৈরি করা যায় না।

    স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবতার তৈরির সুযোগ চালু করতে যাচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp)

    শুধু তাই নয়, অবতার তৈরির জন্য পোশাক, দেহের গড়ন ও রঙ, চোখের আকার, ভ্রু, নাক, ঠোঁট ইত্যাদিও নির্বাচন করে দিতে হয়। ফলে ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও ভালোমানের অবতার তৈরি করতে পারেন না কেউ কেউ। ব্যবহারকারীদের এই সমস্যা সমাধানে ‘মেটা এআই’ (AI avatar) চ্যাটবটের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবতার তৈরির সুযোগ চালু করতে যাচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp)। নতুন এই সুবিধা চালু হলে চেহারা ও শারীরিক গড়নের বর্ণনা লিখে দিলেই সে অনুযায়ী অবতার তৈরি করে দেবে চ্যাটবটটি।

    কী জানাল হোয়াটসঅ্যাপ?

    হোয়াটসঅ্যাপের বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান ডব্লিউএবেটা ইনফো এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা উন্নত করতে মেটা এআই চ্যাটবটের মাধ্যমে অবতার তৈরির পাশাপাশি বেশ কিছু নতুন সুবিধাও যুক্ত করতে যাচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp)। এতে ভবিষ্যতে চ্যাটবটটির মাধ্যমে লেখা থেকে পছন্দমতো কৃত্রিম ছবিও তৈরি করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা (AI avatar)। প্রসঙ্গত চলতি বছরের এপ্রিল মাসেই ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) ও মেসেঞ্জারের সার্চ বারে নিজেদের তৈরি মেটা এআই চ্যাটবট যুক্তের ঘোষণা দেয় জুকেরবার্গের মালিকাধীন মেটা। তবে মেটার তৈরি এই চ্যাটবটটি এখনও সব দেশের জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Purulia: পুরুলিয়া লোকসভায় হারের চর্চায় তৃণমূলের অন্দরে দলীয় সংঘাতের চিত্র প্রকাশ্যে!

    Purulia: পুরুলিয়া লোকসভায় হারের চর্চায় তৃণমূলের অন্দরে দলীয় সংঘাতের চিত্র প্রকাশ্যে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরুলিয়ায় (Purulia) লোকসভা নির্বাচনে হারের চর্চায় তৃণমূলের অন্দরে দলীয় সংঘাতের কথা উঠে আসল। তৃণমূলের শাখা সংগঠনগুলির মধ্যে কোন্দল, সমন্বয়ের অভাব, এবং বুথস্তরে জনপ্রতিনিধিদের জনসংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়াই অন্যতম বিপর্যয়ের কারণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। গত বুধবার দলের জেলা কমিটির পর্যালোচনায় এমন তথ্যই উঠে এসেছে। ফলে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল আরও একবার প্রকাশ্যে এসেছে।

    বৈঠকে গরহাজির একাধিক তৃণমূল নেতা (Purulia)!

    তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, লোকসভা ভোটের দায়িত্বে থাকা ব্লক ও শহর কমিটির সভাপতি এবং জেলা তৃণমূলের প্রাথমিক পর্যালোচনা করে রিপোর্ট জমা দিয়েছে রাজ্য নেতৃত্বের কাছে। দলের নির্বাচন পর্যবেক্ষক তন্ময় ঘোষ বলেছেন, “কিছু ত্রুটি আমাদের নজরে এসেছে। দলের কাছে পেশ করা রিপোর্টে সবটাই জানানো হবে। রিপোর্টের প্রেক্ষিতে রাজ্য তৃণমূল নেতৃত্ব নিশ্চই সিদ্ধান্ত নিয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেবেন।” উল্লেখ্য এদিন পুরুলিয়ায় (Purulia) বৈঠকে গরহাজির থেকে বিতর্ক বাড়িয়েছেন লোকসভা প্রার্থী শান্তিরাম মাহাতো, লোকসভার নির্বাচনী কোর কমিটির চেয়ারম্যান সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়, ছাত্র, যুব এবং শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। ইচ্ছে করেই তাঁরা বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছেন। ফলে এই কোন্দলের কারণে দল নির্বাচনে হেরেছে বলে মনে করেছেন দলেরই একাংশ।

    বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    জেলার (Purulia) এক তৃণমূল (TMC) নেতার বক্তব্য, “আজকের বৈঠকে কিছু মঞ্চপ্রেমী নেতা-নেত্রী ও অনেক শাখা সংগঠনের প্রধানদের দেখতে পেলাম না। এর কারণ কী? লোকসভা নির্বাচনে হারের লজ্জা না কি গ্লানি? জেলা তৃণমূলের কর্মী হিসাবে আমি মনে করি অবিলম্বে পুরুলিয়া জেলা কমিটিতে বড় পরিবর্তন করার প্রয়োজন রয়েছে। মঞ্চে ওঠা তথাকথিত নেতাদের বাদ দিয়ে কাজের নেতাদের স্থান দিন।” একই ভাবে বৈঠকে বুথস্তরে আর্থিক সহায়তা ঠিক করে পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

    আরও পড়ুনঃ হকার উচ্ছেদে অক্ষত পার্টি অফিস! তৃণমূলের কার্যালয় বলেই কি ছাড়? শোরগোল বোলপুরে

    কী বললেন শান্তিরাম?

    বৈঠকে যোগদান না করে পুরুলিয়ার (Purulia) প্রার্থী শান্তিরাম বলেছেন, “আমি মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত বলেই বৈঠকে যাইনি। অন্তর্ঘাতের বিষয়টি যখন উঠে এসেছে তখন বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।” আবার সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “এই দিন যে সাংগঠনিক বৈঠক বলা হচ্ছে, তা ভোটের আগেই করা উচিত ছিল। যদি ২১ জুলাইের প্রস্তুতি এবং ফলাফল পর্যালোচনার বিষয় আলোচনায় থাকত, তবে যেতাম।” আবার এই বিষয়ে তৃণমূল (TMC) জেলা সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া বলেছেন, “সুজয় বাবু সহ একাধিক নেতাকে আমি ফোন করে মিটিং-এর কথা বলেছিলাম। তবুও কেন আসেননি আমার কাছে স্পষ্ট নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kerala: কেরলের সরকারি চাকরিতে দ্রুত সংখ্যা বাড়ছে সংখ্যালঘুদের, বলছে পরিসংখ্যান

    Kerala: কেরলের সরকারি চাকরিতে দ্রুত সংখ্যা বাড়ছে সংখ্যালঘুদের, বলছে পরিসংখ্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলে ৩১.৫% সরকারি চাকরি রয়েছে মুসলিম ও খ্রিষ্টানদের হাতে। বিধানসভায় সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী রাজ্যে ৫,৪৫,৪২৩ জন সরকারি কর্মচারী (Govt Jobs) কাজ করেন। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী (Kerala) রাজ্যে ৭৩,৭৭৪ জন মুসলিম সরকারি কর্মচারী রয়েছেন। অন্যদিকে রাজ্যে ৭৩,৭১৪ জন উচ্চ বর্ণের খ্রিস্টান সরকারি কর্মচারী রয়েছেন।

    কেরলে সরকারি চাকরি কাদের হাতে (Kerala)

    জানা গিয়েছে ল্যাটিন চর্চার সদস্য ২২,৪৫২ জন কর্মী কেরল সরকারের বিভিন্ন দফতরে (Govt Jobs) কাজ করছেন। এদের মধ্যে ২৩৯৯ জন খুব অল্প সময়ে খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছেন। ৯২৯ জন কর্মীকে নাদার খ্রিস্টান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মোট ৯৯,৪৯৯ জন খ্রিস্টান কেরলের (Kerala) বিভিন্ন ধরনের সরকারি কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত। অর্থাৎ সরকারি কর্মীদের মধ্যে ১৮.২৫% খ্রিস্টান সরকারি কাজের সঙ্গে যুক্ত। বাইবেল না কুরান অনুসারে খ্রিস্টান এবং ইসলাম ধর্মে বর্ণবৈষম্য না থাকলেও কেরলে খ্রিস্টান ও মুসলিমদের মধ্যে চরম বর্ণ বৈষম্য রয়েছে। মুসলিম ও খ্রিস্টান মিলিয়ে সরকারি কাজের সঙ্গে যুক্ত ১,৭৩,২৬৮ জন কর্মী অর্থাৎ সরকারি কর্মীদের ৩১.৫% ব্যক্তি এই দুই ধর্মের সঙ্গে যুক্ত। জৈন ধর্মের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সংখ্যা মাত্র ২৭। তফসিলি জনজাতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সংখ্যা ১০,৫১৩। তফসিলি জাতির সরকারি কর্মীদের সংখ্যা ৫১,৭৮৩। এই রাজ্যে ৭,১১৩ জন ব্রাহ্মণ সরকারি কর্মী রয়েছেন। অর্থাৎ তাদের সংখ্যা মাত্র ১.৫%। এই রাজ্যের যাদব ২৬ জন এবং ২৮ জন ক্ষত্রিয় সরকারি কর্মী রয়েছেন। প্রায় ১,১৫,০০০ এঝাভা জাতির যুক্ত সরকারী কর্মী রয়েছেন। এই জাতি এই রাজ্যে দলিত সম্প্রদায়ভুক্ত। এবং নায়ের সম্প্রদায়ের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সংখ্যা প্রায় ১,০৮,০০০।

    কেরলে বাড়ছে ধর্মপরিবর্তন

    প্রসঙ্গত কেরলে ৪৯ শতাংশ মানুষ এব্রাহিমিক ধর্মে বিশ্বাস করেন। এদের মধ্যে প্রায় ২২ শতাংশ খ্রিস্টান এবং ২৭ শতাংশ ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী। প্রসঙ্গত কেরলে বিরোধীরা বাম-কংগ্রেস জোট সরকারকে তাদের রাজ্যের দুর্বল অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য নিয়মিত বিধানসভায় আক্রমণ করে। প্রসঙ্গত কেরলে শিক্ষিতদের সংখ্যা বেশি হলেও ধর্ম পরিবর্তন একটি বড় সমস্যা হতে দাঁড়িয়েছে। খ্রিস্টান মিশনারি এবং বেশ কিছু তাবলিগ ইসলামী সংস্থা নিম্ন বর্ণের মানুষদের ধর্ম পরিবর্তনের জন্য প্রলোভন ও চাপ দেয় বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই সংবাদমাধ্যমে এই ধরনের বহু ঘটনা সামনে এসেছে।

    আরও পড়ুন: সাঁওতাল মেয়েদের ধর্মান্তরণ! অবৈধ বাংলাদেশিদের তাড়ানোর নির্দেশ ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের

    এমনকি কেরলের (Kerala) একটি অংশের মানুষের মস্তিষ্কে উগ্রপন্থাও ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে বহু সংগঠন। এ নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থাগুলি ইতিমধ্যেই কেন্দ্র সরকারকে রিপোর্ট দিয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Success Story: দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই, গুলির চিহ্ন সারা দেহে, ১৬ বারের চেষ্টায় রিঙ্কু সফল ইউপিএসসিতে

    Success Story: দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই, গুলির চিহ্ন সারা দেহে, ১৬ বারের চেষ্টায় রিঙ্কু সফল ইউপিএসসিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের রিঙ্কু সিং রাহি। ১৬ বারের প্রচেষ্টায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ইউপিএসসি পরীক্ষা। দুষ্কৃতীরা ৬ রাউন্ড গুলি চালায় তাঁর ওপর। ভর্তি থাকেন হাসপাতালে। এরপরে সেসব বাধা টপকে তিনি কঠোর অধ্যাবসায় করেন আর তাতেই মিলল সাফল্য (Success Story)। ২০০৭ সালেই ডিস্ট্রিক্ট সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অফিসার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। পাশ করেছিলেন উত্তর প্রদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা। কর্মজীবনের প্রবেশ করার পরে একজন দায়িত্বশীল সরকারি আমলা হিসেবে তিনি যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয় দিতে থাকেন। এই সময়ের মধ্যে একটি প্রকল্পে তিনি দুর্নীতি ধরে ফেলেন। দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতরা রিঙ্কু সিংকে (Rinku Sing Rahi) ক্রমাগত জীবনহানির হুমকি দিতে থাকে। দুষ্কৃতীরা তাঁর ওপরে ভয়াবহ আক্রমণ শানায়। এই সময়ে রিঙ্কু সিং রাহি গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন। কিন্তু তারপরেই তিনি তাঁর জীবনে কাম ব্যাক করেন। নিতে থাকেন দেশের অন্যতম কঠিন পরীক্ষা ইউপিএসসির প্রস্তুতি। বর্তমানে তিনি একজন ট্রেনি আইএএস অফিসার।

    বুলেটের ভাঙা অংশ থেকে যায় মাথায় (Success Story)

    উত্তরপ্রদেশের ডিস্ট্রিক্ট সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অফিসার হিসেবে প্রায় ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতি তিনি সামনে আনেন। ২০০৯ সালের ৬ মার্চ তিনি জখম ব্যাডমিন্টন খেলছিলেন তাঁর ওপরে দুষ্কৃতীরা হামলা চালায়। পরপর ৬ রাউন্ড গুলি করে তারা। গুরুতর জখম হন (Success Story) রিঙ্কু সিং। এতটাই গুরুতর ছিল আঘাত, যে হাসপাতালে চারমাস ভর্তি থাকতে হয়েছিল রিঙ্কুকে। তাঁর চোখে এবং চোয়ালে ব্যাপক আঘাত লাগে। একটি বুলেটের ভাঙা অংশ তাঁর মাথাতেও থেকে যায়। পরে অপারেশন করতে হয়। এই সমস্ত কিছু সত্ত্বেও হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়ে তিনি (Rinku Sing Rahi) কাজে যোগ দেন।

    ইউপিএসসি পরীক্ষায় দিব্যাঙ্গ ক্যাটাগরিতে ১৬তম প্রচেষ্টায় ৬৮৩ র‌্যাঙ্ক করেন সারাদেশে

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ থাকতেন রিঙ্কু সিং। ২০১২ সালে আন্না হাজারের দুর্নীতি বিরোধী (Success Story) যে আন্দোলন ইউপিএস সরকারের বিরুদ্ধে সংঘটিত করেছিলেন, সেখানেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। বারবার পুলিশি বাধার মুখে তাঁকে পড়তে হয়েছে। কিন্তু এসব সত্বেও তিনি দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ার পিছনে সর্বদাই অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন। ২০১৮ সালে তাঁকে কাজ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে কাজে যোগদানের পরে তিনি সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ডিপার্টমেন্টের কোচিং সেন্টারের দায়িত্ব নেন হাপুরে। তাঁর গাইডেন্সে প্রচুর অ্যাসপিরেন্ট সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় (Success Story)। জানা যায়, দ্বাদশ শ্রেণি উত্তীর্ণ হওয়ার পরেই তিনি স্নাতক হন টাটা ইনস্টিটিউট থেকে। রিঙ্কু সিং ২০২১ সালের ইউপিএসসি পরীক্ষায় দিব্যাঙ্গ ক্যাটাগরিতে ১৬ তম প্রচেষ্টায় ৬৮৩ র‌্যাঙ্ক  করেন সারাদেশে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladeshi Infiltrators: সাঁওতাল মেয়েদের ধর্মান্তরণ! অবৈধ বাংলাদেশিদের তাড়ানোর নির্দেশ ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের

    Bangladeshi Infiltrators: সাঁওতাল মেয়েদের ধর্মান্তরণ! অবৈধ বাংলাদেশিদের তাড়ানোর নির্দেশ ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিল ঝাড়খণ্ড আদালত। সম্প্রতি ঝাড়খণ্ড হাইকোর্ট (Jharkhand Highcourt) রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে, যে বাংলাদেশিরা (Bangladeshi Infiltrators) অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে, যত দ্রুত সম্ভব তাদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠাতে হবে। এ প্রসঙ্গে বিচারপতি সুজিত নারায়ণ প্রসাদ ও বিচারপতি এ কে রাইয়ের বেঞ্চ ড্যানিয়েল ড্যানিশের আবেদনের শুনানির পর ৩ জুলাই এই রায় দেন, যেখানে আদালতকে বলা হয়েছিল যে, বাংলাদেশ সংলগ্ন সাঁওতাল পরগনা সহ বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতিবেশী দেশের নিষিদ্ধ সংগঠনগুলো এসটি (তফসিলি উপজাতি)-দের ধর্মান্তরিত করছে। রাজ্যের মেয়েদের ইসলামের নামে বিয়ে করে নিজেদের ধর্মে রূপান্তরিত করছে। এরম ঘটনা একটা নয় একাধিক। ঘটনাগুলো পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে তাই যত দ্রুত সম্ভব এগুলির অবসান ঘটানো জরুরি।    

    ঠিক কী জানিয়েছে আদালত? (Bangladeshi Infiltrators)

    আদালত তরফে জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের সাঁওতাল পরগনার জেলাগুলিতে হঠাৎ করেই উল্লেখযোগ্যভাবে মাদ্রাসার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন করে সেখানে ৪৬টি মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে। আর নবনির্মিত সেই মাদ্রাসাগুলিকে ব্যবহার করা হচ্ছে দেশবিরোধী কার্যকলাপের জন্য। এছাড়াও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা স্থানীয় নারীদের শোষণের পাশাপাশি জমিও দখল করছে। তাই এবার পরিস্থিতি এর থেকে খারাপ হওয়ার আগে আদালত (Jharkhand Highcourt) সরকারকে দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে একটি চার্জশিট জমা দিতে বলেছে, যেখানে বাংলাদেশের কতজন অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করা গিয়েছে, তাদের কতজনকে আটকানো হয়েছে এবং কতজনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে তা উল্লেখ করার নির্দেশ দিয়েছে।  

    একইসঙ্গে এর পাশাপাশি আরও জানা গিয়েছে, বাংলাদেশি (Bangladeshi Infiltrators) নিষিদ্ধ সংগঠনটি সাঁওতাল পরগনার অনেক অংশে স্থানীয় আদিবাসী মেয়েদের ফাঁদে ফেলে ‘লাভ-জিহাদ’-এর অধীনে বিয়ে করছে। বিয়ের পরে, তারা মেয়েদের পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে দাঁড় করিয়ে তাদের মাধ্যমে সরকারী তহবিল বন্ধ করে দেশবিরোধী কার্যকলাপ প্রচার করে।

    আরও পড়ুন: গবেষণায় উঠে এল বিরাট তথ্য! ভারতের বড় শহরগুলিতে ৭ শতাংশ মৃত্যুর কারণ বায়ু দূষণ

    ভারতীয়দের ধর্মান্তরণ অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত

    যদিও এর আগে এলাহাবাদ হাইকোর্ট ধর্মান্তরের বিষয়ে মতামত প্রকাশ করে সতর্ক করেছিল যে, এইভাবে ধর্মান্তরিত হলে জাতির সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসংখ্যা শেষ পর্যন্ত সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে। এ প্রসঙ্গে বিচারপতি রোহিত রঞ্জন আগরওয়ালের বেঞ্চ তাৎপর্যপূর্ণ বিবৃতি দিতে জানিয়েছিল যে, ‘ভারতীয়দের ধর্মান্তরণ অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত।’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share