Tag: Madhyom

Madhyom

  • Lt General Upendra Dwivedi: পরবর্তী সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, এমাসেই দায়িত্ব নেবেন

    Lt General Upendra Dwivedi: পরবর্তী সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, এমাসেই দায়িত্ব নেবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের নতুন সেনা প্রধান (Next Army Chief) হচ্ছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী (Lt General Upendra Dwivedi)। বর্তমানে ভারতীয় সেনার সহকারী প্রধান (‘ভাইস চিফ অফ আর্মি স্টাফ’) পদে রয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে আগামী ৩০ জুন অবসর নেবেন জেনারেল মনোজ পাণ্ডে। সে দিনই লেফটেন্যান্ট জেনারেল দ্বিবেদী তাঁর স্থলাভিষিক্ত হবেন। 

    কবে নেবেন নতুন দায়িত্ব 

    গত মে মাসেই জেনারেল মনোজ পান্ডের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হয়েছে ৷ কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটের সিদ্ধান্তে তার কার্যকালের মেয়াদ ১ মাস বাড়ানো হয়েছে ৷ আগামী ৩০ জুন জেনারেল মনোজ পাণ্ডের কাজের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। আর সেদিনই নতুন সেনা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেবেন উপেন্দ্র দ্বিবেদী (Lt General Upendra Dwivedi)৷  চলতি বছরে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় সেনা সহকারী প্রধান বা ভাইস চিফ আর্মি স্টাফ হিসেবে দায়িত্বভার নেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী৷ ওই পদে মাত্র চার মাস থাকার পরই দেশের চিফ অফ আর্মি স্টাফ হতে চলেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে পাশে নিয়েই অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ চন্দ্রবাবুর

    নির্ভরযোগ্য হাতে দায়িত্ব

    ১৯৮৪ সালে ভারতীয় সেনার জম্মু ও কাশ্মীর রাইফেলসের রেজিমেন্টে সেকেন্ড লেফটেনান্ট পদে যোগ দিয়েছিলেন উপেন্দ্র  দ্বিবেদী (Lt General Upendra Dwivedi)। ন্যাশানাল ডিফেন্স আকাডেমি ও ইন্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমির এই প্রাক্তনী এর আগে ডেপুটি চিফ অফ আর্মি স্টাফ, ডিরেক্টর জেনারেল অফ ইনফ্যান্ট্রির মতো পদমর্যাদা সম্পন্ন পদ সামলেছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে বিদেশেও তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়েছে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সৈনিক স্কুল দিয়ে পঠনপাঠন শুরু হয়৷ তারপর ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমিতে ভর্তি হন৷ এছাড়াও আমেরিকা থেকে শুরু করে বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত একাধিক কোর্সও করেছেন তিনি৷ বিশ্বের নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিখে এসেছেন নানা ধরনের অত্যাধুনিক সামরিক কলা-কৌশল৷ একইসঙ্গে প্রতিরক্ষার বিষয় নিয়ে এমফিল এবং দুটি বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রিও রয়েছে তাঁর৷ এবার দেশের সেনাবাহিনীর (Next Army Chief) দায়িত্ব সামলাবেন তিনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অনুব্রত-চন্দ্রনাথের বুথেও লিড বিজেপির, বোলপুরে ধরাশায়ী তৃণমূল

    Anubrata Mondal: অনুব্রত-চন্দ্রনাথের বুথেও লিড বিজেপির, বোলপুরে ধরাশায়ী তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) গড় বোলপুরে এবার লোকসভা ভোটে দাঁত ফোটাতে পারেনি তৃণমূল। পুরসভার অধিকাংশ ওয়ার্ডে লিড পেয়েছে বিজেপি। জেলার দুটি কেন্দ্রে বিপুল ভোটে তৃণমূল জয়লাভ করেছে। কিন্তু, বোলপুর শহরে শাসক দলের ভোট ব্যাঙ্কে কেন এরকম ভরাডুবি হল তা নিয়ে দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে।

    অনুব্রত-চন্দ্রনাথের বুথেও লিড বিজেপির, বোলপুরে ধরাশায়ী তৃণমূল (Anubrata Mondal)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বোলপুর শহরে ২০টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫টিতে তৃণমূলের থেকে বিজেপি এগিয়েছিল। সেবার অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) ওয়ার্ডেও বিজেপি পিছনে ফেলে দেয় শাসকদলকে। গত বিধানসভা নির্বাচনে বোলপুর আসন থেকে জয় এলেও শহরের ১৪টি ওয়ার্ডেই বিজেপি এগিয়েছিল। সেই নির্বাচনেও অনুব্রতের ওয়ার্ড থেকে জয় মেলেনি তৃণমূলের। যা অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় দলীয় নেতৃত্বের কাছে। তবে, ২০২২ সালের পুরসভা নির্বাচনে বোলপুরে ২২টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটিতেও প্রার্থী দিতে পারেনি বিজেপি। ১০টি ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয় তৃণমূল। এমনকী, ২০২২ সালের পুর-নির্বাচনে বোলপুরে বিরাট জয় পেয়েছিল তৃণমূল। আর, ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে পুরসভার ২২টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫টি ওয়ার্ডে তৃণমূলকে পিছনে ফেলে দিয়েছে বিজেপি। জেলবন্দি অনুব্রত মণ্ডল এবং মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার ওয়ার্ডও এ বার হাতছাড়া হয়েছে। দু’বছরের ব্যবধানে কেন শহরের ভোটারদের একাংশ মুখ ফেরালেন, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে শাসক শিবিরে। শুধু চর্চাই নয় শহরের একাধিক ওয়ার্ডে কেন তারা পিছিয়ে, তার কারণ অনুসন্ধানে নামতে চলেছে তৃণমূল। আগামী ১৩ জুন ও ২২ জুন বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেই বৈঠকে সব ওয়ার্ডের পুর-প্রতিনিধি, শহর সভাপতি ও শহর কমিটির দায়িত্বে থাকা সকলকে ডাকা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিটি ওয়ার্ড ধরে ধরে কোথায় খামতি রয়েছে তাও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা বলেন, “কেন এই খারাপ ফল হল শহরে, তা আমরা দেখব। একই সঙ্গে শহরের ভোটারেরা কেন মুখ ফেরালেন, তা-ও সকলের সঙ্গে কথা বলে জানার চেষ্টা করা হবে। কারণ, শহরের উন্নয়নের জন্য আমরা প্রচুর কাজ করেছি। তারপরও এই ধরনের ফল আশা করিনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Success Story: ৭৯ বার প্রত্যাখ্যান হওয়ার পর সাফল্য! র‍্যাপিডোর সহ-প্রতিষ্ঠাতা পবনের আজানা কাহিনী

    Success Story: ৭৯ বার প্রত্যাখ্যান হওয়ার পর সাফল্য! র‍্যাপিডোর সহ-প্রতিষ্ঠাতা পবনের আজানা কাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাফল্য কখনই সহজে আসে না। বহু প্রতীক্ষা আর একনিষ্ঠ চেষ্টার পরেই সাফল্য আসে। তবে সফলতার পথে প্রত্যাখ্যান তো আসবেই। কিন্তু প্রথম প্রত্যাখ্যানেই ভেঙে পড়লে সফলতার শিখরে কখনওই পৌঁছনো যাবে না। বরং প্রত্যাখ্যান থেকেই শিক্ষা নিয়ে লক্ষ্য স্থির রেখে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। অনেক প্রত্যাখ্যানের পর সফলতা পেয়েছে এমন উদাহরণ আমাদের সমাজে অনেকই আছে। তবে আজ জানাব আইআইটি স্নাতক পবন গুন্টুপল্লির জীবন কাহিনী (Success Story), যা শুনে অনুপ্রাণিত হবেন আপনিও। 

    কে এই পবন গুন্টুপল্লি? (Pavan Guntupalli) 

    তেলঙ্গানার বাসিন্দা পবন গুন্টুপল্লি হলেন একজন তরুণ ভারতীয় উদ্যোক্তা এবং ভারতীয় বাইক-ট্যাক্সি কোম্পানি র‍্যাপিডোর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। বেঙ্গালুরু থেকে পবন তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। তারপর তিনি খড়গপুর আইআইটি থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে পরবর্তীকালে আইআইএম ব্যাঙ্গালোর থেকে এমবিএ করেছেন। আসলে ট্রেডিং এবং কম্পিউটার প্রোগ্রামিং-এর প্রতি তার গভীর আগ্রহ রয়েছে ছোটবেলা থেকেই। 

    কর্মক্ষেত্রে নানান প্রতিকূলতা পেড়িয়ে অবশেষে সফলতা (Success Story)

    তবে তাঁর (Pavan Guntupalli) কর্মজীবনের শুরুটা খুব মসৃণ ছিল না। বহু প্রতিকূলতা ও প্রত্যাখ্যান পেরিয়ে অবশেষে তিনি শহরবাসীর জন্য একটি সুবিধাজনক সাশ্রয়ী মূল্যের এবং ২৪X৭ পরিবহণ মাধ্যম আনার চিন্তাভাবনা করেছিলেন। যার ফলে পরবর্তীকালে অনেক তরুণদের জন্য চাকরির সুযোগ প্রশস্ত হয়েছে। যদিও এই চিন্তা তাঁর মাথায় একদিনে আসেনি। জানা গিয়েছে, স্নাতক হওয়ার পর তিনি স্যামসাঙের সঙ্গে কাজ করেন এবং সেখান থেকে শিল্প অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। এরপর তিনি তার বন্ধু অরবিন্দ সাঙ্কার সঙ্গে ‘দ্যা ক্যারিয়ার’ নামে একটি ব্যবসা শুরু করেন। এই স্টার্ট-আপের ভালো-মন্দ থেকে শিক্ষা নিয়ে, পবন এরপর ২০১৪ সালে র‍্যাপিডো নামে একটি বাইক ট্যাক্সি পরিষেবা চালু করেন।   

    তবে শুরু করব বললেই তো আর সবকিছু এত মসৃণ হয় না। কারণ ব্যবসা শুরু করতে গেলে প্রয়োজন প্রচুর মূলধন। তবে বিনিয়োগকারীরা প্রথমে এই ব্যবসায় টাকা বিনিয়োগের ঝুঁকি নিতে চাননি। উবার-ওলার ভিড়ে এই র‍্যাপিডো আদৌ তার জায়গা গুছিয়ে নিতে পারবে কিনা সেই ধন্দে পবন (Pavan Guntupalli) প্রায় ৭৯ জন বিনিয়োগকারীর থেকে সেসময় প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন। তবে থেমে থাকার পাত্র নন তিনি। নিজের লক্ষ্যে স্থির থেকে একমনে চালিয়ে গিয়েছেন চেষ্টা। প্রথম দিকে বেস ভাড়া ১৫ টাকার সঙ্গে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ৩ টাকা রেখেছিলেন পবন। তাই স্বাভাবিকভাবেই র‌্যাপিডোর ব্যবসা প্রথম দিকের বছরগুলিতে খুব একটা অগ্রগতি আনতে পারেনি। তবে পবন তাঁর স্বপ্ন পূরণে অবিচল ছিলেন। 

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে পাশে নিয়েই অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ চন্দ্রবাবুর

    তাঁর প্রথম সাফল্য (Success Story) আসে দুই বছর পর ২০১৬ সালে। যখন হিরো মোটোকর্পের (Hero MotoCorp) চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর পবন মুঞ্জাল র‌্যাপিডোতে বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেন। মুঞ্জালের যোগদানের ফলে, র‌্যাপিডো শুধুমাত্র উপভোক্তাদের আস্থা অর্জন করেছিল তাই নয়, বিনিয়োগকারীদেরও আস্থা অর্জন করতে সক্ষম  হয়েছিল। এরপর ধীরে ধীরে কোম্পানি ১০০টিরও বেশি শহরে সফলভাবে প্রসারিত হয়েছে। যেহেতু র‌্যাপিডো বাইক-রাইডিং ভিত্তিক ব্যবসা, তাই এটি রুক্ষ পাহাড়ি এলাকায় আরও জনপ্রিয়তা অর্জন (Success Story) করেছে এবং সফল হয়েছে। বর্তমানে, র‌্যাপিডোর ৭ লাখের বেশি ব্যবহারকারী এবং ৫০,০০০ রাইডার রয়েছে। বর্তমানে, র‌্যাপিডো সংস্থার বাজারদর ৬,৭০০ কোটি টাকা! সুতরাং, পবনের এই জীবনকাহিনী আরও একবার প্রমান করল যে, কোনও কাজে প্রত্যাখ্যান এলে থেমে যেতে নেই, বরং নিজের লক্ষ্যে স্থির থেকে এগিয়ে যেতে হয়। সঠিক সময় হলে সফলতা এমনিতেই আসবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bird Flu in Bengal: বার্ড ফ্লু আতঙ্ক বাংলায়, শিশুর শরীরে মিলল ভাইরাস, জানাল ‘হু’

    Bird Flu in Bengal: বার্ড ফ্লু আতঙ্ক বাংলায়, শিশুর শরীরে মিলল ভাইরাস, জানাল ‘হু’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় এবার বার্ড ফ্লু (Bird Flu in Bengal) আতঙ্ক। আক্রান্ত পশ্চিমবঙ্গের চার বছর বয়সী এক শিশু। জানা গিয়েছে ওই শিশুর শরীরে মিলেছে H9N2 ভাইরাস এবং এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকেও। জানা গিয়েছে, চার বছর বয়সী শিশুটি বাড়িতে পোল্ট্রির সংস্পর্শে এসেছিল এবং সেখান থেকেই বার্ড ফ্লু ভাইরাসে আক্রান্ত হয়। শিশুটির শরীরের জ্বর, পেটব্যথা, শ্বাসকষ্টের মতো নানা উপসর্গ দেখা যায়। কিন্তু এমন উপসর্গ তার পরিবারের কারও মধ্যে দেখা যায়নি। জানা গিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসেই শিশুটিকে এই সমস্ত উপসর্গের কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এরপরেই তার শরীরে নমুনা পরীক্ষা করে বার্ড ফ্লু ভাইরাস ধরা পড়ে।

    বর্তমানে ওই শিশু একেবারে সুস্থ   

    স্বাস্থ্য ভবন জানিয়েছে, শিশুটির বাড়ি উত্তরবঙ্গে। বর্তমানে সে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ। বার্ড ফ্লু সংক্রমণের পরেই তার শরীরে ফুসফুস জনিত কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছিল। জানা গিয়েছে, তার নাক এবং গলা থেকে নেওয়া নমুনা কলকাতার একটি ভাইরাস রিসার্চ সেন্টারে পরীক্ষা করা হয় এবং সেখানেই মেলে বার্ড ফ্লুর ভাইরাস (Bird Flu in Bengal)। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালেই প্রথম ভারতে মানবদেহে H9N2 ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা যায়। এরপরে দ্বিতীয়বারের মতো দেখা গেল শিশুর দেহে।

    সাধারণভাবে এই ভাইরাস পাখিদের আক্রান্ত করে

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, H9N2 ভাইরাস এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লু ভাইরাস নামে পরিচিত। সাধারণভাবে এই ভাইরাস পাখিদের আক্রান্ত করে এবং বার্ড ফ্লু আক্রান্ত কোনও পাখির সংস্পর্শে যদি কোনও ব্যক্তি আসে তখনই তার শরীরে বাসা বাঁধে এই ভাইরাস (Bird Flu in Bengal)। এর জেরে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। তবে মানুষ থেকে মানুষে সেভাবে এই ভাইরাস সংক্রামিত হয় না বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। বার্ড ফ্লু  ভাইরাস দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলিতে বেশি মেলে। তবে বিগত পাঁচ বছরে দেশে এই নিয়ে দ্বিতীয় বারের জন্য কোনও মানব শরীরে মিলল এই ভাইরাস।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shantanu Thakur: ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর ঔদ্ধত্যের কারণেই সমুদ্র বন্দর তৈরির কাজ এগোচ্ছে না’’, বললেন শান্তনু ঠাকুর

    Shantanu Thakur: ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর ঔদ্ধত্যের কারণেই সমুদ্র বন্দর তৈরির কাজ এগোচ্ছে না’’, বললেন শান্তনু ঠাকুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয়বার জাহাজ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই তৃণমূল সরকারকে তোপ দাগলেন শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur)। মঙ্গলবারই তিনি দাবি করেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর ঔদ্ধত্যের কারণেই সমুদ্র বন্দর তৈরির কাজ এগোচ্ছে না।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘কেন্দ্র কাজ করতে তৈরি। কিন্তু রাজ্য অনুমতি দিচ্ছে না। আসলে রাজ্যের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও মাথাব্যথা নেই।’’

    যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো মানছে না তৃণমূল সরকার

    তৃণমূল সরকার যে কোনওভাবেই যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো মানতে চায় না তা একাধিকবার সামনে এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন বিবৃতি ও কাজে। এ প্রসঙ্গে শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur) বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে বন্দর তৈরি করতে গেলে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো মানতে হবে। রাজ্য সরকারের পক্ষে গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরি করে চালানো অসম্ভব। রাজ্য সরকারের কাছে অত টাকাই থাকে না। তাই যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো মেনে  কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আমরা রাজ্য সরকারের কাছে যৌথ উদ্যোগে গভীর সমুদ্রবন্দর তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিলাম। কিন্তু রাজ্য সরকার সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা এনওসি দেয়নি। ফলে গোটা প্রকল্প আটকে গিয়েছে। আমরা কাজ করতে তৈরি। রাজ্য সরকার সম্মতি দিলেই আমরা কাজে নেমে পড়ব।’’

    ‘‘আমি হাফ প্যান্ট মন্ত্রী হলে রাজ্যের মন্ত্রীরা তো অন্তর্বাস মন্ত্রী’’

    তাঁকে হাফ প্যান্ট মন্ত্রী বলে কটাক্ষ করায় তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেন শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur)। তিনি বলেন, ‘‘আমি হাফ প্যান্ট মন্ত্রী হলে রাজ্যের মন্ত্রীরা তো অন্তর্বাস মন্ত্রী। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীকে দেশের প্রত্যেকটা রাজ্যের মানুষ চেনেন। তিনি গোটা দেশে কাজ করতে পারেন। রাজ্যের মন্ত্রীকে রাজ্যের বাইরে কে চেনে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো অন্যের উন্নতি দেখতে পারেন না। তাই একা রেলমন্ত্রী হয়ে বাকিদের হাফ প্যান্ট মন্ত্রী বানিয়ে রেখেছিলেন। তখন তৃণমূলের একথা মনে ছিল না? কাজ করার ইচ্ছা থাকলে প্রতিমন্ত্রী হয়েও করা যায়। কিন্তু তৃণমূল তো শুধু দুর্নীতি করতে জানে। কাজ করতে জানে না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Naihati: বুথে হেরেছেন পার্থ, তৃণমূলের হামলায় রক্ত ঝরল বিজেপি কর্মীর, শোরগোল

    Naihati: বুথে হেরেছেন পার্থ, তৃণমূলের হামলায় রক্ত ঝরল বিজেপি কর্মীর, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে বুথে হেরেছেন পার্থ ভৌমিক। আর তার জেরেই বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে নৈহাটির (Naihati) মামুদপুর এলাকায়। রক্তাক্ত অবস্থায় সাধন ঘোষ নামে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীকে উদ্ধার করে কল্যাণী এইমস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    বুথে হেরেছে পার্থ, তৃণমূলের হামলায় রক্ত ঝরল বিজেপি কর্মীর (Naihati)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নৈহাটির (Naihati) মামুদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মাদারপুর মণ্ডলপাড়া বুথে এবার লিড পেয়েছে বিজেপি। তৃণমূল এই বুথে ধরাশায়ী হতেই শাসক দলের নেতা-কর্মীদের রোষানলে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। কয়েকদিন ধরেই বিজেপি কর্মীদের হুমকি দেওয়া চলছিল। এবার বিজেপি কর্মীর ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, সাধন ঘোষ নামে ওই বিজেপি কর্মী টোটো চালিয়ে সংসার চালান। মঙ্গলবার টোটো নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে হামলা চালানোর ঘটনা ঘটে। তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা করবী বিশ্বাসের স্বামীর নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকী তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা করবী বিশ্বাস দাঁড়িয়ে থেকে হামলার নেতৃত্ব দেন। পরে, আক্রান্ত বিজেপি কর্মীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা

    বিজেপির (Naihati) জগদ্দল মণ্ডলের সম্পাদক দশরথ সরকার বলেন, এবার বুথের ক্যাম্প অফিস দলীয় কর্মী সাধন ঘোষের বাড়ির সামনে করেছিলাম। তিনি ও তাঁর স্ত্রী এলাকায় সক্রিয় বিজেপি কর্মী। ওই বুথে পার্থ ভৌমিক ৬৫ ভোটে হেরে গিয়েছে। আর তার প্রতিশোধ নিতেই এই হামলা। এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে তৃণমূল। অন্যদিকে, তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা করবী বিশ্বাস বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। আমার স্বামী সাইকেল করে বাড়ি ফিরছিলেন। উলটোদিক থেকে সাধন ঘোষ টোটো এনে দাঁড় করিয়ে দেয়। টোটো সরাতে বললে আমার স্বামীকে বেধড়ক মারতে থাকে। বাড়়ির কাছে ওই ঘটনা দেখে আমিও ছুটে যাই। আমাকেও মারধর করে। আমার স্বামী নৈহাটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। দুপক্ষই পুলিশে অভিযোগ জানিয়েছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Purana Qila: পাণ্ডবদের ইন্দ্রপ্রস্থের অস্তিত্বের খোঁজে পুরানা কিলায় শুরু হবে খননকার্য

    Purana Qila: পাণ্ডবদের ইন্দ্রপ্রস্থের অস্তিত্বের খোঁজে পুরানা কিলায় শুরু হবে খননকার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাভারতে উল্লেখিত পাণ্ডবদের ইন্দ্রপ্রস্থ নগরের খোঁজে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (ASI) দিল্লির পুরানা কিলা (Purana Qila) এলাকায় খনন শুরু করবে। মনে করা হচ্ছে প্রাচীন ইন্দ্রপ্রস্থ নগর ঠিক এই জায়গাতেই ছিল। দিল্লির “পুরানা কিলা” ষোড়শ শতকে প্রাচীন দুর্গের ধ্বংসাবশেষের উপর তৈরি করেছিলেন মুঘল শাসক হুমায়ুন (Humayun) । প্রাচীন ধ্বংসাবশেষের সঙ্গে পাণ্ডবদের (Pandav) ইন্দ্রপ্রস্থের নগরীর যোগ রয়েছে বলে ইতিহাসবিদরা মনে করেন।

    ইন্দ্রপ্রস্থের উপর দাঁড়িয়ে পুরানা কিলা!

    দিল্লির পুরানা কিলা (Purana Qila) ঘিরে রয়েছে রয়েছে নানান তত্ত্ব, সংশয় ও অনুমান। ৩১ মার্চ ভারতের পর্যটন মন্ত্রকের ‘এক বিরাসত অপনাও” যোজনার অন্তর্গত “পুরানা কিলা” ডালমিয়া গ্রুপের সভ্যতা ফাউন্ডেশনের হাতে তুলে দেওয়ার আগে এক ঘণ্টার তথ্যচিত্র দেখানো হয়। এর আগে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া পুরানা কিলার আশেপাশে থেকে খননে যে মাটির বাসন, মুদ্রা ও টেরাকোটার মূর্তি উদ্ধার করেছিল তা ওই তথ্যচিত্রে দেখানো হয়। সভ্যতা ফাউন্ডেশনের তরফ থেকে হেরিটেজ অ্যান্ড ইভেন্টসের সিইও অজয় বর্মন বলেন, “ইন্দ্রপ্রস্থ (Indraprastha) নগরীর উপরেই দাঁড়িয়ে আছে পুরানা কিলা। যেভাবে একই জায়গায় সভ্যতার অনেক স্তর পাওয়া যায়, ঠিক সেভাবেই এই এলাকায় মাটির তলায় লুকিয়ে আছে ইন্দ্রপ্রস্থ নগর। আমরা এরপর যে হেরিটেজ ওয়াক করব সবটাই মহাভারত কেন্দ্রিক হবে। মহাভারত কোনও কাল্পনিক গল্প নয়। আমাদের দেশের ইতিহাস। এএসআই একটু চেষ্টা করলেই মাটির তলা থেকে সেই সময়ের স্মৃতিচিহ্ন বের করে নিয়ে আসতে সক্ষম হবে।”

    পুরানা কিলায় (Purana Qila) শুরু হবে সপ্তম খনন

    এই আসন্ন খনন হবে পুরানা কিলায় (Purana Qila) এএসআই দ্বারা পরিচালিত সপ্তম খনন। যা দিল্লি-এনসিআর-এর সবচেয়ে বড় খনন হবে। এর মূল উদ্দেশ্য হল ,মহাভারতের সঙ্গে দুর্গের সংযোগ সংক্রান্ত প্রমাণ খুঁজে বের করা। এই কাজে ২০১৪ সালে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আসে যখন এএসআই প্রত্নতাত্ত্বিকরা রঙ করা মাটির পাত্র, (PGW), জ্যামিতিক নিদর্শন সহ সূক্ষ্ম, মসৃণ ধূসর মৃৎপাত্র উদ্ধার করে করেন।

    আরও পড়ুন: সমীক্ষা শুরুর ৮০ দিনের মধ্যেই ভোজশালায় উদ্ধার হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি

    কার্বন ডেটিং করে যার তারিখ বের হয় প্রায় ১১০০ খ্রিষ্টপূর্ব থেকে ৫০০-৪০০ খ্রিষ্টপূর্ব। এই সময়সীমা মহাভারতের রচনাকালের কিছু অনুমান মেলে। এএসআই খননের পরিচালক বসন্ত স্বর্ণকার আবিষ্কারটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন “আমাদের জন্য, এটি সবচেয়ে মূল্যবান আবিষ্কার।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chandrababu Naidu: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে পাশে নিয়েই অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ চন্দ্রবাবুর

    Chandrababu Naidu: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে পাশে নিয়েই অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ চন্দ্রবাবুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন তেলুগু দেশম পার্টির সুপ্রিমো এন চন্দ্রবাবু নাইডু (Chandrababu Naidu)। শপথ গ্রহণ শেষ হতেই প্রধানমন্ত্রী মোদিকে প্রণাম করতে যান চন্দ্রবাবু। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। চন্দ্রবাবুর পিঠ চাপড়ে দেন তিনি। 

    শপথ অনুষ্ঠানে চাঁদের হাট

    বুধবার রাজধানী অমরাবতীর তথ্যপ্রযুক্তি পার্কে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শপথবাক্য পাঠ করেন চন্দ্রবাবু (Chandrababu Naidu)। উপ মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন অভিনেতা তথা জনসেনা দলের প্রধান পবন কল্যাণ। এ দিন বিজয়ওয়াড়ার কাছে মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সকালেই অন্ধ্র প্রদেশে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রী নিতিন গড়করি ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা। পাশাপাশি অভিনেতা রজনীকান্ত, সুপারস্টার চিরঞ্জীবী, তেলঙ্গানার প্রাক্তন রাজ্যপাল তামিলিসাই সৌন্দরারাজন উপস্থিত ছিলেন। রাজ্যপাল এস আব্দুল নাজির শপথবাক্য পাঠ করান।

    চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী

    চতুর্থবারের জন্য বুধবার মুখ্য়মন্ত্রীর পদে শপথ গ্রহণ করলেন তিনি। এর আগে অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশের তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন চন্দ্রবাবু। অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে একটানা ক্ষমতায় থাকার রেকর্ডও রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। এর আগে ৮ বছর ২৫৬ দিন অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছিলেন তিনি। অন্ধ্রপ্রদেশের বিধানসভায় ১৭৫টি আসনের মধ্যে ১৩৫টি আসনেই জয়ী হয়েছে টিডিপির নেতৃত্বে থাকা এনডিএ জোট। পবন কল্যাণের দল জনসেনা ২১টি আসন জিতেছে, বিজেপি ৮টি আসন জিতেছে। আজ মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডুর (Chandrababu Naidu) পাশাপাশি মন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন পবন কল্যাণ। চন্দ্রবাবুর ছেলে তথা টিডিপি-র জাতীয় সাধারণ সম্পাদক নারা লোকেশও শপথ নেন।  মোট ২৩ জন মন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেন। জনসেনা দল চন্দ্রবাবুর ক্যাবিনেটে ৩টি আসন পেয়েছে। মন্ত্রিসভায় তিনজন মহিলা, আটজন পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের নেতা, দুইজন এসসি, একজন এসটি এবং একজন মুসলিম রয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sri Chaitanya Jamai Sasthi: নবদ্বীপে আজ জামাই রূপে পূজো হয় শ্রী চৈতন্যদেবের! ভোগে কী থাকে জানেন?

    Sri Chaitanya Jamai Sasthi: নবদ্বীপে আজ জামাই রূপে পূজো হয় শ্রী চৈতন্যদেবের! ভোগে কী থাকে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, জামাইষষ্ঠী। বাংলার ঘরে ঘরে আজ পুত্র-তুল্য জামাইকে বরণ করে নেওয়ার দিন। প্রতিবছর এই বিশেষ দিনে নবদ্বীপে (Nabadwip Dham) চলে মহা আয়োজন। এই বিশেষ দিনটায় জামাই হিসেবেই বরণ করা হয় সনাতন মিশ্রের জামাই মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্যদেবকে (Sri Chaitanya Jamisasthi)। মা বাবা কিংবা সন্তান রূপে ভগবানের পুজো অনেক জায়গায় হয়ে থাকে। কিন্তু জামাই হিসাবে আপন করে নিয়ে ভগবানকে জামাই আপ্যায়নের এই রীতি বোধহয় নবদ্বীপেই প্রথম। এই দিনে মহাপ্রভুকে অনেকেই নিজের সন্তান তুল্য মনে করে বাটা বা ষাটের বাতাস করেন। প্রচুর মানুষ ভিড় করেন নবদ্বীপের মন্দিরে। 

    ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

    মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেব (Sri Chaitanya Jamisasthi) পূর্বাশ্রমে বিবাহিত ছিলেন। তখন তার নাম ছিল বিশ্বম্ভর মিশ্র। তাঁর গাত্রবর্ণ গৌর ও স্বর্ণালি আভাযুক্ত ছিল বলে তাঁকে ‘গৌরাঙ্গ’ বা ‘গৌরচন্দ্র’ নামে ডাকা হত। অন্যদিকে, নিম্ব বৃক্ষের নিচে জন্ম বলে তাঁর মা তাঁকে ‘নিমাই’ বলে ডাকতেন তাই নবদ্বীপবাসীও নিমাই পণ্ডিত বলে তাঁকে অভিহিত করতেন। সর্প দংশনে প্রথম স্ত্রী লক্ষ্মীপ্রিয়ার মৃত্যুর পর তাঁর বিয়ে হয় সনাতন মিশ্রের কন্যা বিষ্ণুপ্রিয়ার সঙ্গে। সংসার ত্যাগ করে চলে যাওয়ার পর মায়ের সঙ্গে দেখা করতে এসে বিষ্ণুপ্রিয়াকে দিয়ে গিয়েছিলেন নিজের একখানি মূর্তি। বিষ্ণুপ্রিয়া সেবিত মহাপ্রভুর সেই মূর্তিই পূজিত হয় নবদ্বীপ ধামে (Nabadwip Dham)।

    আজও জামাই-রূপে বরণ

    গৃহত্যাগ করে পরে সংসার ধর্ম ত্যাগ করলেও তিনি তার স্ত্রী পরিবারের তরফে ছিলেন জামাই-ই। তার স্ত্রী বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর পরিবার আজও শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে জামাই (Sri Chaitanya Jamisasthi) রূপে পুজো করেন। তার জন্য এই দিন বিশেষ আয়োজন করা হয়ে থাকে। নিমাইকে জামাই আদর করেন বিষ্ণুপ্রিয়ার ভাইদের উত্তর পুরুষ। আজ থেকে কয়েকশো বছর ধরে জামাই ষষ্ঠীতে নবদ্বীপের এই মন্দিরে শ্রী চৈতন্যদেবকে জামাই রূপে আরাধনা করার রীতি পালন করা হয়। বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর বাবা ছিলেন সনাতন মিশ্র। ভাই ছিলেন যাদব আচার্য। তার ছেলে হলেন মাধব আচার্য এবং মাধব আচার্যের ছেলে হলেন ষষ্ঠী দাস। এই ষষ্ঠী দাসের আমল থেকেই শ্রীচৈতন্য দেবের জন্য জামাই আদর এর আয়োজন করা হয়। এই ভাবে বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর পরিবার জামাইষষ্ঠীর দিন জামাই আপ্যায়নের ব্যবস্থা করেন। 

    জামাই-সাজ

    জামাইষষ্ঠীর দিন বেশবাস, ভোগ সবেই থাকে নতুনত্বের ছোঁয়া। এদিন সকালে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু কে পরানো হয় নতুন ধুতি পাঞ্জাবি এবং উত্তরীয়। পরানো হয় রজনীগন্ধা, গোলাপের মালা। এরপর এই বংশের বয়স্ক মাতৃস্থানীয়া মহিলারা ধান দূর্বা দিয়ে ষাটের বাতাস করেন। কপালে হলুদের টিপ পরিয়ে হাতে হলুদ মাখানো সুতো বেঁধে শুরু হয় জামাইষষ্ঠীর ব্রত। সন্ধেবেলা নাটমন্দিরে বিশেষ কীর্তনের আয়োজন করা হয়।  উজ্জ্বল আলোকসজ্জায় সেজে ওঠে মন্দির চত্বর।

    আরও পড়ুন: আজও ঊর্ধ্বমুখী পারদ, তাপপ্রবাহের কমলা সতর্কতা! কবে থেকে বৃষ্টি দক্ষিণবঙ্গে?

    মহাপ্রভুর জামাই-ভোগ

    চৈতন্য মহাপ্রভুর (Sri Chaitanya Jamisasthi) জন্য নবদ্বীপে (Nabadwip Dham) এদিন বিশেষ ভোগেরও আয়োজন করা হয়। সকালে দেওয়া হয় রুপোর রেকাবিতে মরসুমি ফল, রুপোর বাটিতে ক্ষীর, রুপোর গ্লাসে জল। এরপর দেওয়া হয় চিরে, মুড়কি, দই, আম, কাঁঠাল এবং মিষ্টি। মধ্যাহ্নভোজে অন্নের সঙ্গে থাকে কচুর শাক, শুক্তো, মুগ ডাল, ভাজা, মোচার ঘন্ট, থোর, আলু ফুলকপির রসা, বেগুনের পাতুরি, চাল কুমড়োর তরকারি, ছানার ডালনা, ধোকার ডালনা, পোস্ত, পুষ্পান্ন, আমের চাটনি, পরমান্ন, দই এবং রকমারি মিষ্টি। শেষ পাতে থাকে সুগন্ধি মশলা দেওয়া পান। বিকেলে ভোগে দেওয়া হয় ছানা এবং মিষ্টি। রাতে শয়নভোগে দেওয়া হয় ঘিয়ে ভাজা লুচি এবং মালপোয়া। সঙ্গে থাকে রাবড়ি। জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে দেওয়া হয় রুপোর গ্লাসে আম ক্ষীর। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Pravati Parida: ওড়িশার প্রথম মহিলা উপ-মুখ্যমন্ত্রী! ইতিহাস গড়লেন প্রভাতী পারিদা

    Pravati Parida: ওড়িশার প্রথম মহিলা উপ-মুখ্যমন্ত্রী! ইতিহাস গড়লেন প্রভাতী পারিদা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতেই মঙ্গলবার ওড়িশায় নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও উপ মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। ওড়িশার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন মোহনচরণ মাঝি। আর নবনির্বাচিত বিজেপি সরকারে একইসঙ্গে উপ মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন কনকবর্ধন সিংদেও এবং প্রভাতী পারিদা (Pravati Parida)। আর এখানেই আছে চমক। কারন বিজেপি বিধায়ক প্রভাতী পারিদাই প্রথম মহিলা যিনি ওড়িশার উপ-মুখ্যমন্ত্রী (Odisha’s First Female Deputy CM) পদে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়লেন। এদিন উপ-মুখ্যমন্ত্রী পদে নির্বাচিত হওয়ার পর দলের সহকর্মী এবং ছয় বারের বিধায়ক কনকবর্ধন সিংদেওর সঙ্গে তাঁর পদটি ভাগ করে নিয়েছেন।    

    কে এই প্রভাতী পারিদা? (Pravati Parida)

    প্রভাতী পেশায় একজন আইনজীবী। তিনি ভুবনেশ্বরের উৎকল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করে পরবর্তীতে ওড়িশা হাইকোর্টে একজন আইনজীবী হিসেবে যুক্ত হন। সাম্প্রতিক রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে নিমাপাড়া আসনে বিজেডির দিলীপকুমার নায়ককে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার ভোটে হারিয়ে বিজয়ী হন তিনি। জানা গিয়েছে, বুধবারই উপ-মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহন করার কথা তাঁর। 

    আরও পড়ুন: চাকরি ‘বিক্রি’ করে ব্যাঙ্কে ৭২ কোটি! এসএসসিকাণ্ডে ধৃত প্রসন্নর বিরুদ্ধে নয়া তথ্য ফাঁস ইডির

    ওড়িশার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হলেন মোহনচরণ মাঝি 

    ৫৩ বছর বয়সি মোহন মাঝি আদিবাসী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত। ২০০০ সালে প্রথম তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হন। চারবারের বিধায়ক মোহন মাঝি (Mohan Majhi) জনসেবা এবং সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। এবারের নির্বাচনে কেওনঝড় বিধানসভা থেকে মোহন মাঝি বিজেডির মীনা মাঝিকে হারিয়ে ৮৭ হাজার ৮১৫ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। এদিনের বৈঠক শেষে রাজনাথ বলেন, “মোহন মাঝি হলেন একজন নবীন এবং দক্ষ কার্যকর্তা। তিনি ওড়িশাকে আগামিদিনে প্রগতি ও উন্নতির  পথে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।” উল্লেখ্য, লোকসভা ভোটের সঙ্গেই ওড়িশায় (Odisha) বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল। সেই ভোটে ২৪ বছরের বিজু জনতা দলের মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক জমানার শেষ হয়। অন্যদিকে ২০০০ এবং ২০০৪ সালে নবীনের সঙ্গে জোট সরকারে থাকলেও ওড়িশায় এককভাবে বিজেপি (BJP) এই প্রথম সরকার গঠন করতে চলেছে। 
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share