Tag: Madhyom

Madhyom

  • ECI: তৃতীয় দফায় আরও কড়া কমিশন, তাপপ্রবাহ নিয়ে জারি গাইডলাইন

    ECI: তৃতীয় দফায় আরও কড়া কমিশন, তাপপ্রবাহ নিয়ে জারি গাইডলাইন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয় দফায় (Phase Three Voting) আরও কড়া মনোভাব নিল নির্বাচন কমিশন (ECI)। প্রয়োজনে আরও ভোট কর্মীর সংখ্যা বাড়ানোর চিন্তা ভাবনা রয়েছে কমিশনের। প্রথম ও দ্বিতীয় দফায় তাপপ্রবাহ (Heatwave Warning) নিয়ে জাতীয় নির্বাচনের কমিশনের একাধিক গাইডলাইন মানা হয়নি এমনই অভিযোগ উঠেছে। এই কারণে জেলা স্তরের নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকদের সতর্কবার্তা দিলেন মুখ্য নির্বাচনী অধিকারিক।

    কেন ক্ষুব্ধ নির্বাচন কমিশন

    লোকসভা নির্বাচনে মাত্র দুটি পর্ব শেষ হয়েছে। শুক্রবার ১৩ টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে ভোট হয়েছে দ্বিতীয় দফায় ৮৮টি আসনে ভোট (Loksabha Election 2024) গ্রহণ হয়। এই তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের, দার্জিলিং, রায়গঞ্জ ও বালুরঘাট কেন্দ্র ছিল। তৃতীয় দফায় তাপপ্রবাহ নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন (ECI)। এপ্রিল মাসের তুলনায় মে মাসে গরম আরও বেড়েছে। এএকথা ভালভাবেই জানে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। প্রথম দুই দফার তুলনায় অনেকটাই কম ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। সর্বসাকুল্যে  ৬৬ শতাংশের কিছু বেশি ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) শতকরা বিচারে ৮০ শতাংশের কাছাকাছি ভোট প্রয়োগ হয়ে থাকে। ৬৬ শতাংশ ভোটদানের মোটেও খুশি নয় নির্বাচন কমিশন। যে কারণে, তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণের (Phase Three Voting) আগে রাজ্যগুলির মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের নির্দেশ, “প্রয়োজনে আরও পদক্ষেপ নিতে হবে । যে সকল জায়গায় তাপপ্রবাহ (Moderate Heatwave Warning) সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে সেখানে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুথগুলিতে সেক্টর অফিসারদের এই মর্মে পর্যালোচনা করতে হবে। প্রয়োজন হলে ভোটকর্মীর সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ECI)। ওআরএস, পানীয় জল মেডিকেল কিট ও বয়স্কদের জন্য আলাদা লাইনের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    নেওয়া হবে এই ব্যবস্থা

    তৃতীয় দফায় (Phase Three Voting) মোট ৪০২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়েন করা হবে। এই পর্বে ভোট হবে জঙ্গিপুর, মুর্শিদাবাদ (Murshidabad), মালদা (Malda) উত্তর ও দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রে। ৭ মে তৃতীয় দফায় বাংলার এই চার আসনে ভোটগ্রহণ হবে। প্রসঙ্গত বিভিন্ন জায়গায় ভোটারদের একাংশের জন্য আইসক্রিমের ব্যবস্থা করেছিল নির্বাচন কমিশন। যদিও বাংলায় আইসক্রিমের দেখা মেলেনি। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা গিয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক রাজীব কুমার তার সহযোগী জ্ঞানেশ কুমার এবং সুখবিন্দর সিং সন্ধু মোট ২৬৫ জন অবজারভারকে এই পর্বে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় (ECI) নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup 2024:  চার স্পিনার তাই বাদ! বিশ্বকাপের দলে রিঙুকুর না থাকার কারণ ব্যাখ্যা করলেন আগরকর

    T20 World Cup 2024:  চার স্পিনার তাই বাদ! বিশ্বকাপের দলে রিঙুকুর না থাকার কারণ ব্যাখ্যা করলেন আগরকর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর ঠিক এক মাস পরেই শুরু হতে চলেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2024)। আইসিসির এই মেগা টুর্নামেন্টের জন্য ইতিমধ্যেই ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে ভারত। বিশ্বকাপের দল থেকে বাদ পড়েছেন সাম্প্রতিক কালে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দেশের সবচেয়ে ধারাবাহিক প্লেয়ার রিঙ্কু সিং (Rinku Singh)। বৃহস্পতিবার বিসিসিআই-এর তরফে এ নিয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিশ্বকাপের দল থেকে রিঙ্কুর বাদ পড়ার কারণ ব্যাখা করলেন জাতীয় নির্বাচক প্রধান অজিত আগরকর। টিম কম্বিনেশনের জন্যই বাদ যেতে হয়েছে রিঙ্কুকে (Rinku Singh) দাবি আগরকরের।

    কেন বাদ রিঙ্কু

    রিঙ্কু সিংকে (Rinku Singh) কেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2024) মূল দলে রাখা হয়নি? তা নিয়ে যুক্তি সাজানোর চেষ্টা করলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা এবং ভারতের প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকর। বৃহস্পতিবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠকে আগরকর দাবি করেন, রিঙ্কুকে মূল দলের বাইরে রাখার যে সিদ্ধান্তটা নেওয়া হয়েছে, সেটা সম্ভবত কঠিন কাজ ছিল। রিঙ্কু এমন কোনও কাজ করেননি, যে কারণে তাঁকে দলে রাখা হবে না। কিন্তু দলের কম্বিনেশনের কথা ভেবে রিঙ্কুকে ১৫ জনের দলে রাখা যায়নি বলে দাবি করেন আগরকরের। তিনি বলেন,   ‘খুব কঠিন একটা সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে আমাদের। এতে রিঙ্কুর কোনও হাত নেই। স্রেফ কম্বিনেশনের দিকে তাকিয়ে এটা করা হয়েছে। রোহিত বাড়তি স্পিনার চেয়েছিল। যাতে দু’জন রিস্ট স্পিনার থাকে। রিঙ্কুকে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। ও কাছাকাছি থাকবে।’

    রিঙ্কুর বাদ পড়া নিয়ে প্রশ্ন

    ভারতের বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2024) দল ঘোষণা করার কয়েক দিন আগে থেকে বিশেষজ্ঞেরা নিজেদের মতো করে দল নির্বাচন করছিলেন। এমন এক জনকেও চোখে পড়েনি, যিনি নিজের দল থেকে রিঙ্কুকে বাদ দিয়েছেন। সবাই ধরেই নিয়েছিলেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজ় ও আমেরিকায় আয়োজিত বিশ্বকাপে ভারতীয় দলে ফিনিশারের ভূমিকায় দেখা যাবে আলিগড়ের ছেলেকে। কিন্তু তা হয়নি। শিবম দুবের কাছে হেরে গিয়েছেন রিঙ্কু। আইপিএল শুরু হওয়ার আগে ভারতের নির্বাচক প্রধান অজিত আগরকর স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, যে হেতু বিশ্বকাপের আগে ভারত আর কোনও সিরিজ় খেলবে না, তাই আইপিএলের পারফরম্যান্স দেখেই দল তৈরি হবে। রিঙ্কুর আইপিএলের পারফরম্যান্স এ বার রিঙ্কুচিত হয়নি। এ বার রিঙ্কু আটটি ম্যাচে ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছেন। ১২৩ রান করেছেন তিনি। কিন্তু এবার রিঙ্কু বেশির ভাগ ম্যাচেই শেষ দিকে কয়েকটি বল খেলার সুযোগ পেয়েছেন। গত বার অনেক বেশি ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। 

    বিশ্বকাপে ভারতীয় দল নির্বাচনের সমালোচনা করেছেন বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত। তিনি বলেন, “দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটে ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেছিল রিঙ্কু। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ২২ রানে ৪ উইকেট পড়ে যাওয়ার পরে ২১২ রান করেছিল ভারত। রোহিত শতরান করেছিল। ওকে গোটা ইনিংস জুড়ে সঙ্গ দিয়েছিল রিঙ্কু। সেগুলো কি নির্বাচকদের চোখে পড়েনি? খুব খারাপ একটা দল হয়েছে। চার জন স্পিনারের কী দরকার? চার জনকেই তো খেলানো যাবে না। কয়েক জনকে খুশি করার জন্য এই দল নির্বাচন করা হয়েছে। জঘন্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Howrah: “পঞ্চায়েতে ঢুকে আমাকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালালো দলেরই লোকজন”, বললেন তৃণমূলের প্রধান

    Howrah: “পঞ্চায়েতে ঢুকে আমাকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালালো দলেরই লোকজন”, বললেন তৃণমূলের প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মুখে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের কারণে প্রকাশ্যেই চলল গুলি। রাস্তা বা কোনও তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে নয়। পঞ্চায়েত অফিসের মধ্যেই চলল গুলি। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার (Howrah) বাঁকড়ায় তিন নম্বর পঞ্চায়েত অফিসে।  ফলে, এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। নামানো হয়েছে র‍্যাফ। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হামলাকারীদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। সিসি টিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Howrah)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা নাগাদ তিনজন দুষ্কৃতী মুখ ঢেকে ওই পঞ্চায়েত (Howrah) অফিসের মধ্যে ঢোকে। তাদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। পঞ্চায়েত অফিসের মধ্যেই গুলি চালায় তারা। তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান টুকটুকি শেখকে লক্ষ্য করে চার-পাঁচ রাউন্ড গুলি চলেছে স্থানীয়দের দাবি। প্রাণ বাঁচাতে টেবিলের তলায় লুকিয়ে পড়েন টুকটুকি। হামলাকারীরাও তৃণমূলের কর্মী। সরাসরি গুলি না লাগলেও এই ঘটনায় পঞ্চায়েত প্রধানের বাবা-সহ মোট দু’জন জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, তৃণমূলের দখলে থাকা ওই পঞ্চায়েতের প্রধান এবং প্রাক্তন এক সদস্যের মধ্যে ঝামেলার জেরেই গুলি চলেছে। গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য শেখ সাজিদের মদতপুষ্ট দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: ‘এক ফোনে দিদিভাই’ কর্মসূচি চালু করলেন অগ্নিমিত্রা, ট্রেনে জনসংযোগ বিজেপি প্রার্থীর

    তৃণমূলের লোকই গুলি চালিয়েছে দাবি প্রধানের

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান টুকটুকি শেখ বলেন, “আমরা অফিসের মধ্যে বসেছিলাম। আমি সই করছিলাম। তিন জন ঢোকে। আমার কথা জিজ্ঞাসা করে। তার পরেই পকেট থেকে বন্দুক বার করে গুলি চালাতে শুরু করে। আমার বাবা, কাকার গায়ে গুলি লেগেছে। আমাকেও টার্গেট করা হয়। আমি প্রাণ বাঁচাতে টেবিলের তলায় ঢুকে পড়ি। একটা বন্দুক কেড়ে নিয়েছি। প্রাক্তন সদস্য শেখ সাজিদই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। ওর লোকেরাই গুলি চালিয়েছে। আমি প্রশাসনকে জানিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “মোদি সরকারের আমলে আকাশ ছুঁয়েছে শেয়ার মার্কেট”, বললেন শাহ

    Amit Shah: “মোদি সরকারের আমলে আকাশ ছুঁয়েছে শেয়ার মার্কেট”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত দশ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) আমলে ভারতের অর্থনীতিতে এক আমুল পরিবর্তণ এসেছে। শেয়ার বাজার আকাশ ছুঁয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমনি জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য (Amit Shah)

    এদিন অমিত শাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন ক্ষমতায় এসেছিলেন তখন ভারতের অর্থনীতি প্রায় ভেঙ্গে পড়েছিল। কর্মক্ষেত্রে উৎপাদন কমে গেছিল, ফলে রপ্তানীর পরিমাণও কমে গেছিল। সে সময় মুদ্রাস্ফীতি ছিল আকাশ ছোঁয়া। তবে প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আসার পর থেকে ধীরে ধীরে উন্নতির পথে এগিয়েছে ভারতের অর্থনীতি। 

    আরও পড়ুন: চিনের তৈরি হাম্বানটোটা বিমানবন্দরের রাশ ভারত-রুশ সংস্থার হাতে, বোধোদয় শ্রীলঙ্কার!

    মোদিজির আমলের দশ বছর স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে

    এদিন সাক্ষাৎকারে তিনি  আরও বলেন, ১৩০ কোটির দেশ ভারতবর্ষ (India) বর্তমানে ধীরে ধীরে উন্নতির পথে এগিয়ে চলেছে। উচ্চশিক্ষা হোক কিংবা অর্থনৈতিক দিক। ৩৭০ ধারার অবসান হোক কিংবা তিন তালাক। রামের জন্মভূমি থেকে দেশের ফৌজদারি আইনে মৌলিক পরিবর্তন। মোদিজির আমলের এই দশ বছর প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। একই সঙ্গে অমিত শাহ (Amit Shah) এদিন জানিয়েছেন যদি এবার তৃতীয়বারের মতো মোদিজি ক্ষমতায় আসেন তাহলে এক থেকে দুই বছরের মধ্যেই ভারত থেকে নকশালবাদ বিলুপ্ত হবে।

    ভোট প্রসঙ্গেও মত প্রকাশ শাহের 

    পাশাপাশি এদিন ভোট প্রসঙ্গেও মত প্রকাশ করেন তিনি। ৩৭০-এর লক্ষ্যে বিজেপি কি সঠিক পথে হাঁটছে? এই প্রশ্নের জবাবে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “একদম সঠিক ট্র্যাকে রয়েছে। গণনার দিন দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে এনডিএ ৪০০ পেরিয়ে যাবে। মোদিজি আবার প্রধানমন্ত্রী হবেন”। সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমার দলের একটা টিম এবং আমি বিশদ বিশ্লেষণ করেছি। প্রথম দুই দফার ভোটে ১০০ আসন নিয়ে আমরা তৃতীয় দফার দিকে এগোচ্ছি। ৪০০-র লক্ষ্য অতিক্রম করতে কোনও সমস্যা হবে বলে মনে হচ্ছে না”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Humayun kabir: এবার সরাসরি বিজেপিকে হুঁশিয়ারি! শক্তিপুরে উস্কানিমূলক ভাষণের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

    Humayun kabir: এবার সরাসরি বিজেপিকে হুঁশিয়ারি! শক্তিপুরে উস্কানিমূলক ভাষণের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এখন ভোটের আবহ। আর এরই মধ্যে নির্বাচনী জনসভা থেকে উস্কানিমূলক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগ উঠল মুর্শিদাবাদের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে। কয়েকদিন আগেই মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) সফরে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বহরমপুরে নেমেই বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে কাছে ডেকে বহরমপুর লোকসভা নির্বাচনে ইউসুফ পাঠান যাতে জয়লাভ করে সে বিষয়ে হুমায়ুন কবিরকে (Humayun kabir) নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সেই কথা মেনেই বুধবার জনসভা করছিলেন হুমায়ুন কবির। 

    হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য (Humayun kabir)

    এদিন তিনি রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন,”কাদের কে বলেছে? কোন ধর্মস্থান ভাঙার কথা? যারা একথা বলে সম্প্রীতি নষ্ট করছে তাদের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন কেন কোন রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না? ভোট আগামী ৭ তারিখ, তারপর সবাইকে এই শহরে থাকতে হবে। সেখানে কি করে রাজনীতির নেতৃত্বরা এরকম ভাবে হুমকি দেয়? তাদের ক্ষেত্রে কেন কোন পদক্ষেপ হবে না? কতদিন আর উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ এই হুমকি শুনবে। ভোটের জন্য উস্কানি মূলক ভাষণ দেবেন নেতারা। আর তার ফল ভোগ করতে হবে সাধারণ মানুষকে। এ কতদিন ধরে চলবে? মানুষ কবে সজাগ হবে? প্রশ্ন উঠেছে আজ।” 
    একই সঙ্গে এদিন বিজেপি কে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন,”কত ধানে কত চাল হয়, দুঘণ্টার মধ্যে তোমাদের কেটে যদি ভাগীরথীর গঙ্গায় না ফেলতে পারি রাজনীতি থেকে সরে যাব। শক্তিপুর এলাকায় বসবাস করা বন্ধ করে দেব। এখানে তোমরা হাতির পাঁচ পা দেখেছো? কিন্তু যদি ভেবে থাকো ৩০% লোক মুর্শিদাবাদ জেলায় আর আমরা ৭০%। এখানে কামনগরে তোমরা বেঁচে আছ বলে কাজীপাড়ায় মসজিদ ভাঙবে আর বাকি এলাকার মুসলমান ভাইয়েরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে এটা কোনদিন হবে না। বিজেপিকে আমি হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলছি কোনও দিন হবে না।”   
    অর্থাৎ যেখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার কথা মুখে বলছে সব দলই আর কাজে করছেন অন্য, সেরকমই একটি চিত্র এবার ধরা পরল হুমায়ুন কবিরের (Humayun kabir) সভায়। আর হুমায়ুন কবিরের মন্তব্যের জেরে ফের উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে শক্তিপুরে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিকাণ্ডে হাইকোর্টে রিপোর্ট দিল সিবিআই, কী বলল তদন্তকারী সংস্থা?  

    রামনবমীর দিনও উত্তেজনা 

    প্রসঙ্গত শক্তিপুরে এর আগে রামনবমীর দিনও মিছিল ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। এর জেরে একাধিক পুলিশকর্মী, দুই নাবালক সহ মোট ১৮ জন জখম হয়েছিলেন। শক্তিপুর হাই স্কুল মোড়ের কাছে রামনবমীর শোভাযাত্রায় দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছিল। রামনবমীর মিছিলটি যখন একটি মসজিদের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল, তখনই নাকি হামলা চালানো হয়েছিল। সংঘর্ষের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যান মুর্শিদাবাদের ডিআইজি সৈয়দ ওয়াকার রাজা। এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। তারই সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীও মোতায়েন করা হয় শক্তিপুরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: জমি হাতিয়েছিলেন শাহজাহান ঘনিষ্ঠ মিজানুর! সন্দেশখালি গিয়ে খোঁজ নিল সিবিআই

    Sandeshkhali: জমি হাতিয়েছিলেন শাহজাহান ঘনিষ্ঠ মিজানুর! সন্দেশখালি গিয়ে খোঁজ নিল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) একের পর এক বাসিন্দাদের জমি হাতিয়েছিল শাহজাহান বাহিনী। জমিহারাদের তালিকায় নাম রয়েছে, সন্দেশখালি ১ নম্বর ব্লকের সরবেড়িয়া আগারহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ডুগরিপাড়ার কাবিল মোল্লা ,আনসার মোল্লা, ফজের আলি মোল্লা, সুজয় লস্কর, রাজু লস্কর সহ একাধিক গ্রামবাসীদের। তাঁদের কাছ থেকে জমির চরিত্র বদল করে সরকারি তথ্য নষ্ট করে বেনামে জমি দখল করে বেনামে বিক্রি করার অভিযোগ ওঠে শাহজাহান ঘনিষ্ঠ  তৃণমূল নেতা মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে।

    জমিহারাদের কী বক্তব্য? (Sandeshkhali)

    ইতিমধ্যে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) তদন্তভার নিয়েছে সিবিআই। আর সেই সিবিআই প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার সন্দেশখালির রাজবাড়ি, ডুগড়ি পাড়া এলাকায় গিয়ে জমি হারাদের অভিযোগের সত্যতা তথ্য যাচাই করেন। গ্রামবাসীদের বয়ান রেকর্ড করেন সিবিআই আধিকারিকরা। কাবিল মোল্লার অভিযোগ,আমরা দীর্ঘদিন এই জমি চাষবাস করে জীবিকা নির্বাহ করি। এই গ্রামের বেশ কয়েকজন গ্রামবাসীর কাছে থেকে জোরপূর্বক শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠ মিজানুর ক্ষমতা বলে আমাদের জমি জোর করে দখল করে নিয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়ে কোনও সুরাহা পাইনি। সিবিআই ওয়েবসাইটে আমরা অভিযোগ জানিয়েছি। এরপর তদন্ত শুরু হয়েছে। আশা করবো, সিবিআইয়ের তদন্তের পর আমাদের জমি আমরা ফেরত পাব। সেই আশায় প্রহর গুনছি।

    আরও পড়ুন: ‘এক ফোনে দিদিভাই’ কর্মসূচি চালু করলেন অগ্নিমিত্রা, ট্রেনে জনসংযোগ বিজেপি প্রার্থীর

    শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার কী বক্তব্য?

    শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠ মিজানুর রহমান বলেন, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সিপিএমের আমলে জমির পাট্টা দেওয়া ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতর থেকে এই জমির বিষয় দেখছে। এই জমির সঙ্গে আমার কোনও যোগসূত্র নেই। পাশাপাশি সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছু জমির পাট্টা আছে, রেকর্ড নেই। আবার জমির রেকর্ড আছে, পাট্টা নেই। সেই জমির প্রকৃত কাগজপত্র নিয়ে ধন্দে রয়েছেন সিবিআই আধিকারিকরা। সমস্ত কিছু যাচাই করতে এদিন সন্দেশখালি যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tamluk: জেলাশাসকের দফতরে বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দুকে বাধা

    Tamluk: জেলাশাসকের দফতরে বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দুকে বাধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তমলুকে (Tamluk) জেলাশাসকের অফিসে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়লেন বিজেপি প্রার্থী (BJP Candidate) সৌমেন্দু অধিকারী (Soumendu Adhikary) । নিজেদের খাস তালুকেই বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায় শোরগোল এলাকায়। বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল জেলা শাসকের অফিসে কর্মরত পুলিশের বিরুদ্ধে।  এদিন এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipore) কাঁথিতে বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে গন্ডগোলের সৃষ্টি হয়। মনোনয়ন চলাকালীন শিশির অধিকারীকেও (Sisir Adhikary) বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের বসচা শুরু হয়।

    আরও পড়ুন: “বিজেপি মুসলিম বিরোধী নয়”, স্পষ্ট বার্তা মিঠুনের

    জেলাশাসকের অফিসে ১৪৪ ধারী ধারার জারি

    পুলিশের তরফ থেকে দাবি করা হয় জেলাশাসকের অফিসে ১৪৪ ধারী ধারার জারি রয়েছে। দফতরের ১০০ মিটারের মধ্যে প্রার্থী, এজেন্ট এবং প্রস্তাবক ছাড়া মোট চারজনের বেশি কেউ প্রবেশ করতে পারবে না এমনটাই নির্দেশ রয়েছে জেলা শাসকের। বিজেপি কর্মীরা নাকি সেই সময় জোটবদ্ধ হয়ে জেলা শাসকের দপ্তরের কাছাকাছি চলে আসেন। সেই সময় পুলিশ তাদের বাধা দেয়। তবে শিসির অধিকারী এলাকার সাংসদ। তাঁকে কেন বাধা দেওয়া হয় এনিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয় বিজেপি কর্মীদের মধ্যে। এর পরেই  গন্ডগোল আরও বাড়ে। স্লোগান দিতে শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা।  প্রসঙ্গত অধিকারি পরিবারের খাসতালুক কাঁথি। ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে বিজেপির প্রতীকে এখান থেকেই লড়াই করছেন সৌমেন্দু অধিকারী। ২০০৯ সাল থেকে এখানে জয়ী হয়ে আসছেন শিশির অধিকারী। বয়স জনিত কারণে এবার তিনি প্রার্থী হচ্ছেন না। তার বদলে প্রার্থী করা হয়েছে তাঁর পুত্রকে। দীর্ঘদিন ধরেই অধিকারি পরিবারের কেউই আর তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত নয়। শিশির অধিকারী, সৌমেন্দু ও দিব্যেন্দু এরা সকলেই তৃণমূলের সঙ্গে সঙ্গ ত্যাগ করেছেন বহুদিন আগেই।

    ২০০৯ সাল থেকে সাংসদ শিশির অধিকারী 

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary) বিজেপিতে যোগদান করার পরেই গোটা পরিবারের সঙ্গেই তৃণমূলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করে। শিশির অধিকারী তৃণমূলের টিকিটের জয়ী হলেও তিনি সংবাদমাধ্যমে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক মঞ্চে যে বক্তব্য রেখেছেন তাতে তাঁর তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব প্রকাশ পেয়েছে।

  • Indian Children: জানেন পাহাড়ে বসবাসকারী ভারতীয় শিশুদের বৃদ্ধি তুলনায় কম কেন?

    Indian Children: জানেন পাহাড়ে বসবাসকারী ভারতীয় শিশুদের বৃদ্ধি তুলনায় কম কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাহাড়ে বসবাসকারী ভারতীয় শিশুদের বয়স তাদের প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম। ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নাল নিউট্রিশন, প্রিভেনশন অ্যান্ড হেলথ-এ প্রকাশিত নতুন গবেষণা অনুসারে, ভারতের পাহাড় ও পাহাড়ে বসবাসকারী শিশুদের উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধির ঝুঁকি বেড়ে যায়। গবেষণা অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ জাতীয় পারিবারিক স্বাস্থ্য জরিপ (NFHS-4) থেকে তথ্য বিশ্লেষণ করে, ২০০০ মিটার বা তার উপরে বসবাসকারী শিশুদের জন্য স্টান্টিংয়ের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ১০০০ মিটার নীচে বসবাসকারী শিশুদের তুলনায়, এই উচ্চ-উচ্চতা অঞ্চলের শিশুদের ৪০ শতাংশের বৃদ্ধি কম হয়।

    বৃদ্ধি রোধ বা স্টান্টিং

    দীর্ঘস্থায়ী অপুষ্টি হিসাবেও পরিচিত, গর্ভাবস্থায় মায়ের দুর্বল স্বাস্থ্যের কারণে সন্তানের স্টান্টিংয়ের (stunting) অবস্থা জন্মের আগে থেকেই শুরু হয়, যার ফলে শিশুর অস্বাভাবিক ও অসম্পূর্ণ বৃদ্ধি ঘটে। দীর্ঘ সময় ধরে স্টান্টিং ঘটে এবং তাই এর দীর্ঘস্থায়ী পরিণতি হয়। শিশুর স্টান্টিংয়ের মূল কারণগুলি হল দুর্বল বুকের দুধ খাওয়ানো, শরীরে পুষ্টির অপর্যাপ্ত সরবরাহ এবং অবিরত সংক্রমণ। স্টান্টিং বিপজ্জনক, কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট বয়সের পরে অপরিবর্তনীয় হয়ে যায়। সুতরাং, গর্ভাবস্থায় সঠিক স্বাস্থ্য এবং জন্মের পরে সন্তানের ব্যাপক যত্ন নিশ্চিত করা গর্ভবতী মহিলাদের পক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাহাড়িয়া অঞ্চলের শিশুদের জন্য স্টান্টিং একটি বড় সমস্যা। 

    ভারতে কোথায় দেখা যায়

    মূলত অপুষ্টির কারণে শিশুদের বয়স অনুযায়ী উচ্চতা বাড়ে না বা তারা ‘স্টান্টিং’-এর শিকার হয়। পার্বত্য অঞ্চল এবং অপর্যাপ্ত অবকাঠামোর কারণে, ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলটি শারীরিকভাবে দেশের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন। ভৌগলিক অবস্থানের ফলে ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলিতে অসংখ্য জেলায় স্টান্টিং, অপচয় এবং কম ওজনের প্রকোপ দেখা যায়। স্টান্টিংয়ের জন্য জনতাই পাহাড়, পূর্ব খাসি পাহাড়, পশ্চিম খাসি পাহাড়, এবং মেঘালয়ের রিভোই এবং আসামের জেলার ধুবরি, বোঙ্গাইগাঁও এবং বারপেটা পরিচিত। ভারতের এই পাহাড়ি অঞ্চলগুলিতে শিশুদের উচ্চতা কম হয়। 

    স্টান্টিংয়ের ঝুঁকি

    ভারতে একটি প্রধান জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ  হল স্টান্টিং। এটি পাঁচ বছরের কম বয়সী এক তৃতীয়াংশ শিশুকে প্রভাবিত করে। চিকিৎসক ও গবেষকদের মতে, পাতলা বাতাসের কারণে উচ্চ উচ্চতায় থাকা শিশুদের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। উচ্চ উচ্চতায় বাতাস হালকা হয়। বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকে। অক্সিজেন কম থাকায় খাদ্য থেকে শক্তির রূপান্তর করা কঠিন হয়। এর ফলে বৃদ্ধির প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। গবেষকরা বলছেন, স্টন্টেড বাচ্চাদের দুর্বল ইমিউন সিস্টেম থাকে, যা তাদের পরবর্তী জীবনে সংক্রমণ এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। স্টন্টেড হল এক ধরনের হরমোনাল অসুখ যা বৃদ্ধিকে ব্যাহত করে। শিশুদের পেশি শক্তি কম হয়ে যায়। শারীরিক সক্ষমতা কমে যায়। উচ্চ উচ্চতায় বা পাহাড়ি অঞ্চলে খাদ্য সমস্যা এবং কঠোর জলবায়ু এই সমস্যাকে বাড়িয়ে তোলে।

    আরও পড়ুুন: ২০১৪ সালের টেট নিয়োগেও দুর্নীতি! অনিয়মের ইঙ্গিত সিবিআই রিপোর্টে

    গবেষকদের পরামর্শ

    গবেষণায় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে উচ্চ উচ্চতায় বসবাসকারী শিশুদের খাদ্য তালিকায় প্রোটিন, ক্যালোরি এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে। যা তাঁদের পুষ্টির চাহিদা মেটাবে। সঠিক স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করতে হবে। দ্রুত স্টান্টিংকে শনাক্ত করত হবে। শুরু থেকেই চিকিৎসা করালে এটি কমে যেতে পারে। সঠিক পুষ্টি এবং স্বাস্থ্যবিধি অনুশীলনের গুরুত্ব সম্পর্কে অভিভাবকদের শিক্ষিত করা শিশুর স্বাস্থ্যের দিকে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া। অভিভাবকদের বোঝাতে হবে যে, সন্তানের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করতে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফ্যাট এবং শর্করা জাতীয় পুষ্টি সমৃদ্ধ এক ভারসাম্যযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করা জরুরী। একটি শিশুর সর্বোত্তম বৃদ্ধি এবং বিকাশ নিশ্চিত করার জন্য একটি সুষম খাদ্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এবং খনিজ সহ প্রয়োজনীয় পুষ্টিতে প্রচুর হওয়া উচিত। এই উপাদানগুলি শক্তিশালী হাড়ের পাশাপাশি সাধারণ স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik Result 2024: ‘অযোগ্য’ পরীক্ষকরাও কি তাহলে মাধ্যমিকের উত্তরপত্র দেখলেন? রয়ে গেল প্রশ্ন

    Madhyamik Result 2024: ‘অযোগ্য’ পরীক্ষকরাও কি তাহলে মাধ্যমিকের উত্তরপত্র দেখলেন? রয়ে গেল প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাধ্যমিকের (Madhyamik Result 2024) ফল প্রকাশিত হল, কিন্তু রয়ে গেল সেই বিতর্ক। মাধ্যমিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে শিক্ষকদের যোগ্যতার প্রশ্ন আরও একবার সামনে চলে এল। অনেকেরই মুখে মুখে ঘুরছে একটাই প্রশ্ন, তাহলে কি ‘অযোগ্য’ পরীক্ষকরাই উত্তরপত্র দেখলেন? জানা গিয়েছে ২০১৬ সালের ফলাফলের ভিত্তিতে এই শিক্ষকদের নিযুক্তি হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি হাইকোর্টের রায়ে সেই সময়ের সম্পূর্ণ প্যানেল বাতিল হয়ে যায়। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ছিল না, সাড়ে পাঁচ হাজার নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে। কিন্তু রাজ্য সরকার যোগ্য-আযোগ্যদের নিয়ে তথ্য জানাতে পারেনি। এবার তাই সম্পূর্ণ প্যানেলের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক পদ বাতিল করেছে হাইকোর্ট। 

    পর্ষদ সভাপতির বক্তব্য (Madhyamik Result 2024)

    মধ্যশিক্ষা (Madhyamik Result 2024) পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের পর বলেন, “আমাদের কাছে এমন কোনও তথ্য নেই যে যাঁরা খাতা দেখেছেন, তাঁরা কোন সালে চাকরি পেয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরাও ভাবিত। সব কিছু পরিচালনা করা আমাদের মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কাছে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরাও খুব চিন্তিত। আমরা ইতিমধ্যে আদালতে গিয়েছি।” মধ্যশিক্ষা পর্ষদের বক্তব্য, শিক্ষকের অভাবের কারণে মার্কশিট এবং শংসাপত্র বিতরণে সমস্যা হবে।

    আরও পড়ুনঃ ফের মেধা তালিকায় নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন, প্রথম দশে স্থান পেল ৬ পড়ুয়া

    বহু ‘অযোগ্য’ পরীক্ষক!

    এই বছর মাধ্যমিক পরীক্ষার (Madhyamik Result 2024) মোট পরীক্ষক ছিলেন ৫১ ৮৩৮ জন। তার মধ্যে আবার প্রধান পরীক্ষক ছিলেন ১ হাজার ৪৭৮ জন। এর মধ্যে বহু ‘অযোগ্য’ পরীক্ষক আছেন বলে জানা গিয়েছে। ২০১৬ সালে পরীক্ষা হয়েছিল। সেখান থেকেই ২০১৯ সালে শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মী প্যানেলভুক্ত হয়। কিন্তু সিবিআই-এর তদন্তে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির কথা উঠে আসে। এরপর হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির বিশেষ বেঞ্চ ২৫৭৫৩ জনের চাকরি বাতিল করার নির্দেশ দেন। অভিযোগ ছিল, যাঁরা মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলে চাকরি পেয়েছেন, তাঁরা সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন। চার সপ্তাহের মধ্যে ১২ শতাংশ সুদ সমেত বেতন ফেরানোর কথা জানিয়েছে আদালত। পাল্টা এই নির্দেশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে আবেদনও করেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    Lok Sabha Election 2024: ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিভিপ্যাটের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে পদক্ষেপ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের প্রেক্ষিতে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Lok Sabha Election 2024)। সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের এই মর্মে নির্দেশও দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

    নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ (Lok Sabha Election 2024)

    ফল ঘোষণার পরে পঁয়তাল্লিশ দিন সংরক্ষণ করা হবে ওই ইউনিট। সিম্বল লোডিং ইউনিটকে গোলাপি কাগজে করে ট্রাঙ্কে সংরক্ষিত করে রাখতে হবে। সিলের ওপর স্বাক্ষর করবেন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের সব প্রার্থী। ওই সব ইউনিটকে সুরক্ষিত রাখবেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার কিংবা জেলা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। পুরো প্রক্রিয়াটির ভিডিওগ্রাফি করতে হবে।

    কী বলছেন আধিকারিক?

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের এক আধিকারিক (Lok Sabha Election 2024) বলেন, “সিম্বল লোডিং ইউনিটে প্রার্থীদের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক থাকে। সেখান থেকে তথ্য প্রবেশ করানো হয় ভিভিপ্যাটে। পরে সেই ভিভিপ্যাটগুলি পাঠানো হয় বুথে। এর অর্থ হল, সিম্বল লোডিং ইউনিট ও ভিভিপ্যাটের তথ্য এক হবে। তাই ভিভিপ্যাট নিয়ে সংশয় থাকলে সিম্বল লোডিং ইউনিট যাচাই করলেই সঠিক তথ্য মিলবে। এমতাবস্থায় ভিভিপ্যাটের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালিকাণ্ডে হাইকোর্টে রিপোর্ট দিল সিবিআই, কী বলল তদন্তকারী সংস্থা?

    প্রসঙ্গত, ইভিএমের সঙ্গে সব ভিভিপ্যাট গণনার দাবি তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছিল অ্যাসেসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস নামের একটি সংগঠন। ২৬ এপ্রিল ওই মামলার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, ভিভিপ্যাট নিয়ে সংশয় দূর করতে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণ করতে হবে। গণনায় দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রার্থী তা যাচাই করার আবেদন করতে পারবেন। শীর্ষ আদালত এও জানিয়েছিল, ইভিএমে প্রতীক আপলোড করার পর তা একেবারে সিলড ও নিরাপদ রাখতে হবে মেশিনে। সিলে স্বাক্ষর করতে পারেন প্রার্থী ও তাঁদের এজেন্টরা। সিলড মেশিনটি ফল ঘোষণার পর পঁয়তাল্লিশ দিন পর্যন্ত স্টোররুমে সংরক্ষিত করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের সেই নির্দেশ মেনেই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share