Tag: Madhyom

Madhyom

  • Bhupatinagar Case: রক্ষাকবচ এনআইএ আধিকারিকদের, ভূপতিনগরের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট

    Bhupatinagar Case: রক্ষাকবচ এনআইএ আধিকারিকদের, ভূপতিনগরের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূপতিনগর কাণ্ডে (Bhupatinagar Case) এনআইএ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পুলিশের দায়ের করা এফআইআর-এর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এনআইএ আধিকারিকদের রক্ষাকবচ দিল আদালত। কোনও এনআইএ অফিসারকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। কোনও এনআইএ অফিসারকে এই মামলায় যদি জেরা করতে হয়, তাহলে তা করতে হবে ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে। থানায় তলব করা যাবে না। ভিডিয়ো জেরার জন্যেও ৭২ ঘণ্টা আগে পুলিশকে নোটিশ পাঠাতে হবে।

    আদালতের প্রশ্ন

    গত ৬ এপ্রিল সন্দেশখালির পুনরাবৃত্তি দেখা গিয়েছিল ভূপতিনগরে (Bhupatinagar Case)। যেখানে তল্লাশিতে গিয়ে এনআইএ আধিকারিকদের নিগ্রহ করার অভিযোগ উঠেছে, সেখানে অফিসারদের বিরুদ্ধেই কেন অভিযোগ? তাও আবার গুরুতর ধারায়? হাইকোর্টে এমন প্রশ্নের মুখেই পড়তে হল পুলিশকে। বুধবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর পর্যবেক্ষণ, স্থানীয় থানার পুলিশকে জানিয়ে গত শনিবার এনআইএ  আধিকারিকরা বৈধ তল্লাশিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু ভোরবেলায় পুলিশ ফোর্স জোগাড় করতে পারেনি। সেটা পুলিশের ব্যর্থতা। এনআইএ-র তরফের আইনজীবী এদিন আদালতে দাবি করেন, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী ওই এলাকায় কাজ করতে যায় এনআইএ। এই সময় এনআইএ-র তদন্তকারী অফিসারদের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনেছে তৃণমূলের একটি পরিবার। ওই পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ এফআইআরও রুজু করেছে। পুলিশ এনআইএ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ৩২৫ ধারা যুক্ত করেছে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই, সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    ৩২৫ ধারা কেন

    কেন এনআইএ অফিসারদের বিরুদ্ধে ৩২৫ ধারা যুক্ত করা হল? সেই প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত পুলিশকে বলেন, “কোনও প্রমাণ ছাড়া অফিসারের বিরুদ্ধে গুরুতর আহত করার ধারা কেন যুক্ত করলেন? কেস ডায়েরিতে আঁচড় বা গুরুতর আঘাতের কোনও উল্লেখ নেই। তাও কীভাবে ৩২৫ ধারা? কে তদন্ত করছিলেন? প্রাথমিক তদন্তের প্রয়োজন অনুভব করেছিলেন?” মেডিক্যাল রিপোর্ট না দেখে এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত না  করেই পুলিশ এই ধারা  যোগ করেছে। তাই পুলিশের এই এফআইআর বিধি সম্মত নয়। মামলার পরবর্তী শুনানি  ২৯ এপ্রিল। ওই দিন পুলিশকে কেস ডায়েরি সহ রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tuberculosis: ফুসফুসেই নয়, হাড়েও হানা দিচ্ছে যক্ষ্মার জীবাণু! কীভাবে চিনবেন এই রোগ?

    Tuberculosis: ফুসফুসেই নয়, হাড়েও হানা দিচ্ছে যক্ষ্মার জীবাণু! কীভাবে চিনবেন এই রোগ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    লাগাতার কাশি, জ্বর, দুর্বলতা। আর তার সঙ্গে হঠাৎ মুখ থেকে রক্ত পড়ার মতো উপসর্গের বিষয়ে অনেকেই জানেন। ফুসফুসে যক্ষ্মা (টিবি) হলে এমনই লক্ষণ দেখা দেয়। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, টিবি শুধু ফুসফুসে নয়। হাড়েও হানা‌ দিচ্ছে এই জীবাণু। কিন্তু এই টিবির (Tuberculosis) উপসর্গ অনেকটাই আলাদা। অনেক সময়েই সচেতনতার অভাবে এই রোগ প্রাথমিক পর্বে চিহ্নিত হচ্ছে না। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রোগ দেরিতে নির্ণয় হওয়ায় চিকিৎসা শুরু করতেও অনেক দেরি হয়ে যাচ্ছে। তার জেরে বিপদ বাড়ছে। তবে প্রথম থেকেই সতর্ক হলে এই রোগ মোকাবিলা সম্ভব। এমনকি খাবারে বিশেষ নজরদারি রোগ প্রতিরোধ করতেও সক্ষম হয়। তাই হাড়ের যক্ষ্মা নিয়ে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

    কীভাবে এই রোগ‌ চিহ্নিত করা সম্ভব? (Tuberculosis)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মাইক্রোব্যাকটেরিয়াল টিউবারকুলেসিস জীবাণুর জন্য হাড়ে যক্ষ্মা রোগ হয়। মূলত অপুষ্টি, সঠিক পুষ্টির অভাবের জেরেই হাড়ে এই রোগ বাসা বাঁধে।মেরুদণ্ডেই মূলত এই রোগ সংক্রমণ দেখা‌ যায়। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, হাড়ের জয়েন্টে ব্যথা, লাগাতার যন্ত্রণা এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণ। হাত ও পায়ের হাড়ের বিভিন্ন অংশ ফুলে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা যায়। আবার কখনও কখনও আক্রান্ত হাড়ের নির্দিষ্ট অংশে অসাড়তা অনুভব করেন।‌ তবে এর পাশপাশি শরীরের ওজন মারাত্মক কমে যাওয়া হাড়ের টিবির অন্যতম লক্ষণ বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাছাড়া রাতের দিকে অত্যাধিক ঘাম হওয়া এবং হালকা জ্বর আসার উপসর্গ দেখা দেয়।

    হাড়ের যক্ষ্মা রুখতে কী ডায়েট মেনে চলা জরুরি? (Tuberculosis) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ঠিকমতো খাবার না খাওয়ার জেরেই হাড়ের যক্ষ্মার মতো রোগ দেখা যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেক সময়েই খাবার না‌ থাকা মূল কারণ হয় না। আক্রান্তেরা জানেন না, কী ধরনের খাবার খেলে এই রোগ রুখতে পারবেন। তাই তাদের ভোগান্তি হয়। কিন্তু প্রথম থেকেই ঠিকমতো পুষ্টিকর খাবার খেলে হাড়ের যক্ষ্মার মতো জটিল রোগের বিরুদ্ধে মোকাবিলা সম্ভব হয়। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, সপ্তাহে অন্তত দিন দুয়েক খিচুড়ি খাওয়া উচিত। খিচুড়িতে চাল ও বিভিন্ন রকমের ডালের পাশপাশি থাকে নানান রকম সবজি। এমন একটা খাবার হয় সহজপাচ্য। আবার শরীরে প্রোটিন, ভিটামিন, কার্বোহাইড্রেট সবকিছুর চাহিদা পূরণ করে। তাই খিচুড়ি খেলে অপুষ্টির ঝুঁকি কমে। নিয়মিত টক দই খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তারা জানাচ্ছেন, টক দই প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার। এটি হজম শক্তি বাড়ায়। আবার ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার। তাই হাড় মজবুত হয়। টিবির মতো রোগ রুখতে নিয়মিত টক দই খাওয়া জরুরি (Tuberculosis)। 

    পালং শাক, রসুন, কমলালেবু, পেয়ারা, সবুজ আপেল

    পালং শাক নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, পালং শাকে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন‌ এবং আয়রন। এতে শরীরের ক্লান্তি দূর হয়। দেহে‌ হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ে। ফলে, শরীর সুস্থ থাকে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। দিনে অন্তত একটি তরকারিতে রসুন দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, রসুনে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল শক্তি। এর জেরে যে কোনও ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে‌ রসুন‌ সাহায্য করে। নিয়মিত রসুন খেলে টিবির ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে। 
    কমলালেবু, পেয়ারা, সবুজ আপেলের মতো ফল নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের ফলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা অনেক বেশি। তাই হাড়ের যক্ষ্মার মতো রোগ (Tuberculosis) রুখতে এই ফল বিশেষ সাহায্য করে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “ভূপতিনগরের অভিযুক্তদের সবাইকে উল্টো ঝুলিয়ে সোজা করা হবে”, হুঁশিয়ারি অমিত শাহের

    Amit Shah: “ভূপতিনগরের অভিযুক্তদের সবাইকে উল্টো ঝুলিয়ে সোজা করা হবে”, হুঁশিয়ারি অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূপতিনগরে এনআইএ-র ওপর হামলা নিয়ে রাজ্য সফরে এসে মমতাকে কড়া আক্রমণ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ ভূপতিনগরে বোমা বিস্ফোরণ ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন। বুধবার বালুরঘাটে বিজয় সংকল্প সভায় হাজির হন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এ বারের ভোটে নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পর এই প্রথম বার বাংলায় সভা করতে এলেন শাহ। সভায় ভিড়ের প্রশংসা করেন তিনি। সুকান্তকে বলেছেন, “আপনার ভোটের ফল তো এখানেই হয়ে গেল!”

    ভূপতিনগর নিয়ে মমতাকে আক্রমণ শাহের

    এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “ভূপতিনগরে যারা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন, তাদের জেলের ভিতরে থাকা উচিত নয়। আদালতের নির্দেশ পেয়ে এনআইএ এই ঘটনার তদন্তভার পেয়েছে। আধিকারিকরা তদন্তে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন। মমতা দিদি এই হামলাকারীদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। ভূপতিনগরের দুষ্কৃতীদের আড়াল করছেন। লজ্জা হওয়া উচিত। ভূপতিনগরের ঘটনায় জড়িতদের কাউকে রেয়াত করা হবে না। সবাইকে উল্টো ঝুলিয়ে সোজা করা হবে।” এরপর তিনি বলেন, “একসময় বাংলায় রবীন্দ্র সংগীত বাজত। মানুষ গান শুনতেন। এখন বোমার আওয়াজ শুনতে পান। বাংলায় কোনও কারখানা আসেনি। সবকিছুতেই কাটমানি। দেশের অন্য রাজ্য যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখন বাংলা ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে।”

    আরও পড়ুন: “সিএএ নিয়ে মমতা ভুল বোঝাচ্ছে, আবেদন করলে নাম বাদ যাবে না”, আশ্বাস অমিত শাহ-র

    সন্দেশখালি ইস্যুতে মমতাকে তোপ শাহ-র

    সন্দেশখালি ইস্যুতে তৃণমূলকে এক হাত নেন শাহ। সন্দেশখালির মতো লজ্জাজনক ঘটনা নিয়েও আপনি রাজনীতি করছেন! মমতাকে প্রশ্ন শাহের। এদিন ভূপতিনগরের পর সন্দেশখালি ইস্যুতে ফের মুখ খোলেন তিনি। বলেন, “সন্দেশখালিতে তৃণমূলের গুন্ডারা মা, বোনেদের সঙ্গে কী আচরণ করেছে তা দেশের মানুষ দেখেছেন। মমতা দিদি তাদের বিরুদ্ধে কিছু করেনি। আদালতের নির্দেশে দুর্নীতির তদন্তে ইডি যখন গেল, তখন তাদের ওপর হামলা হল। পরে, অভিযুক্তরা পালিয়ে বেড়াল। মমতার সরকার তাদের বাঁচাল। আদালত হস্তক্ষেপ করার পর অভিযুক্তরা ধরা পড়ল।” এরপর তিনি বলেন, “কেন সন্দেশখালির দোষীদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন মমতা দিদি? তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার অর্থ গুন্ডাদের সমর্থন করা। সন্দেশখালির মতো ঘটনা আবারও ঘটবে। আর বিজেপিকে সমর্থন করার অর্থ সোনার বাংলা গড়ে উঠবে।” এরপর কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “এত রাগে বোতাম টিপবেন বালুরঘাটে, যেন কলকাতায় মমতা দিদির গায়ে কারেন্ট লাগে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই, সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই, সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি কাণ্ডে (Sandeshkhali Incident) সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। জনস্বার্থ ও স্বতঃপ্রণোদিত মামলা, দুটো ক্ষেত্রেই সিবিআই-কে সিট গঠন করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নজরদারিতে হবে তদন্ত। আদালত জানিয়েছে, নতুন ইমেল আইডি চালু করে সন্দেশখালির ঘটনা সংক্রান্ত অভিযোগ জমা নিতে হবে সিবিআইকে। আজ, বুধবার থেকেই কেন্দ্রীয় সংস্থাকে তদন্ত শুরু করতে বলা হয়েছে।

    আদালতের নির্দেশ

    সন্দেশখালি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মোট পাঁচটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। একত্রে সেই মামলাগুলি শুনছে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের তরফে জানানো হয়, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সন্দেশখালির (Sandeshkhali Incident) ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। তাই এই মামসার তদন্তভার সিবিআইকে দেওয়া হয়েছে। মহিলাদের উপর অত্যাচার, সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তফসিলি জনজাতির জমি কেড়ে নেওয়া-সহ বিভিন্ন অভিযোগ বিবেচনা করে তাই আদালত সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সিবিআই সন্দেশখালির মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করবে। জমি দখল, ধর্ষণ, চাষের জমিতে ভেড়িতে পরিবর্তন করা-সহ সমস্ত অভিযোগের তদন্ত করবে সিবিআই। 

    নতুন পোর্টাল তৈরি

    আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে,  সিবিআই-কে পোর্টাল তৈরি করতে হবে। সিবিআইয়ের চালু করা ইমেল আইডির মাধ্যমে মামলার সব পক্ষকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সিবিআইয়ের কাছে সব অভিযোগ জমা দিতে হবে। অভিযোগকারীদের গোপনীয়তা বজায় রাখতে এই ব্যবস্থা। সন্দেশখালি এলাকায় ওই ইমেল আইডির প্রচার করতে হবে উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসককে। বুধবারের শুনানিতে প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, “সব কিছু দেখে আমাদের কোন সন্দেহ নেই যে এক্ষেত্রে স্বাধীন তদন্তকারী সংস্থার প্রয়োজন রয়েছে। রাজ্য সব সহযোগিতা করবে তদন্তকারী সংস্থাকে।”

    আরও পড়ুন: ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারাটির অপব্যবহার হচ্ছে, মত কর্নাটক হাইকোর্টের

    স্পর্শকাতর এলাকায় সিসিটিভি

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali Incident) স্পর্শকাতর এলাকায় সিসি ক্যামেরা বসাতে বলেছে আদালত। উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, স্থানীয় প্রশাসনকে একসঙ্গে মিলে স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করতে হবে। রাস্তায় বসাতে হবে এলইডি আলো। সিসিটিভি এবং এলইডি আলোর খরচ বহন করবে রাজ্য সরকার। আদালতের নির্দেশ, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে রাজ্যকে এই সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় অনুমোদন এবং খরচ দিতে হবে। আগামী ২ মে হাইকোর্টে এই মামলার পরবর্তী শুনানি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “সিএএ নিয়ে মমতা ভুল বোঝাচ্ছে, আবেদন করলে নাম বাদ যাবে না”, আশ্বাস অমিত শাহের

    Amit Shah: “সিএএ নিয়ে মমতা ভুল বোঝাচ্ছে, আবেদন করলে নাম বাদ যাবে না”, আশ্বাস অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিএএ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবাইকে বিভ্রান্ত করছেন। বলছেন সিএএ-তে আবেদন জানালেই নাগরিকত্ব হারাবেন আপনি। তিনি সকলকে ভুল বোঝাচ্ছেন।” বুধবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের বংশিহারিতে সুকান্ত মজুমদারের সমর্থনে জনসভায় যোগ দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) এই মন্তব্য করেন। তিনি তৃণমূলকে উদ্দেশ্য করে নজিরবিহীন ভাষায় আক্রমণ করেন।

    সিএএ নিয়ে মমতাকে তোপ (Amit Shah)

    এদিন সিএএ ইস্যুতে মমতাকে তুলোধনা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) । তিনি বলেন, “আমি বলছি, বাংলার শরণার্থীরা নির্ভয়ে আবেদন করুন। বাংলার শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেবে কেন্দ্র। মমতা সিএএ নিয়ে ভুল বোঝাচ্ছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। বরং, আবেদন করলে শরনার্থীরা এদেশের নাগরিক হয়ে যাবেন। এই দেশের নাগরিকের যা অধিকার, সেই অধিকার আপনিও পেয়ে যাবেন। আর সেটা নিয়ে মমতা রাজনীতি করছে। আর এসব চলবে না। আসলে অনুপ্রবেশকারীরাই মমতার ভোটব্যাঙ্ক। তুষ্টিকরণ করা এই তৃণমূল দল কিচ্ছু করতে পারবে না। কেন্দ্রের স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প আটকে রেখেছেন মমতা। উন্নয়ন করতে পারে একমাত্র বিজেপি।” এরপর তিনি বলেন, “হাতজোড় করে বাংলার জনতাকে বলতে চাই, মমতা দিদি বাংলার লোকেদের বোকা বানাচ্ছেন। আমি বলতে চাই, ভয় না পেয়ে যত শরণার্থী এসেছেন, তাঁরা যেন নাগরিকত্বের আবেদন করেন। কারও নাম বাদ যাবে না।”

    আরও পড়ুন: “রাজ্যে চালু হবে সংগ্রামী ভাতা”, ঘোষণা শুভেন্দুর, কারা পাবেন?

    ৩০ আসন পেলেই বন্ধ হবে অনুপ্রবেশ

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) এদিন বলেন, বিজেপি অসমে অনুপ্রবেশ খতম করেছে। বাংলায় লোকসভা ভোটে ৩০ আসন পেলে এখানে সীমান্ত টপকে কোনও ‘পরিন্দা’ও ঢুকতে পারবে না। ২০১৪-য় দু’টি আসন দিয়েছিলেন, ২০১৯-এ দিলেন ১৮টি আসন। ২০২৪ সালে ১৮ থেকে বাড়িয়ে ৩০ করতে হবে। যাতে বিজেপির ৩৭০ আসন নিশ্চিত হয়। কী ভাবে ভোট দেবেন, বলে দিলেন তিনি। তিনি বলেন, “স্নান করে, শিবের পুজো করে ১৯ তারিখে পদ্ম প্রতীকে বোতাম টিপতে হবে। মমতা দিদিকে জবাব দিতে হবে। বাংলায় ৩০ আসন পার করবে বিজেপি। সোনার বাংলা দুর্নীতিতে ভরে গেছে। বাংলায় কাটমানি সংস্কৃতি। অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে। বাংলায় কাটমানি করতে দেওয়া হবে না, গরু পাচার করতে দেওয়া হবে না। বাংলায় বিজেপি সরকার গড়তে হবে। বাংলা থেকে তৃণমূলের অপশাসন ঘটান।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Peter Higgs: ‘ঈশ্বর কণা’র আবিষ্কারক নোবেলজয়ী পদার্থবিদ পিটার হিগস প্রয়াত ৯৪ বছর বয়সে

    Peter Higgs: ‘ঈশ্বর কণা’র আবিষ্কারক নোবেলজয়ী পদার্থবিদ পিটার হিগস প্রয়াত ৯৪ বছর বয়সে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯৪ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন পদার্থবিদ পিটার হিগস। প্রসঙ্গত, তিনিই ছিলেন প্রথম বিজ্ঞানী (Peter Higgs) যিনি বলেছিলেন, এক বিশেষ কণার কথা যা পদার্থকে ভর জোগায়। তাঁর এই তত্ত্বের জন্য পেয়েছিলেন নোবেল পুরস্কারও। প্রসঙ্গত সৃষ্টির রহস্য সন্ধানে বিগ ব্যাং তত্ত্ব বিজ্ঞান জগতে আলোড়ন এনেছিল। এর পাশাপাশি সৃষ্টির রহস্য ব্যাখ্যা করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল হিগস-বোসন কণা। যা ‘ঈশ্বর কণা’ নামেও পরিচিত। প্রসঙ্গত, এই ‘ঈশ্বর কণা’র সঙ্গে জুড়ে রয়েছে বাঙালি বিজ্ঞানী আচার্য সত্যেন্দ্রনাথ বসুর নামও।

    ৫ দশকের কাছাকাছি করেছেন অধ্যাপনা

    প্রায় ৫ দশকেরও কাছাকাছি (Peter Higgs) সময় ধরে পিটার হিগস অধ্যাপনা করেন এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাঁর মৃত্যুতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে সংবাদ মাধ্যমকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ”সোমবার ৮ এপ্রিলে নিজের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি ছিলেন প্রকৃত একজন প্রতিভাবান বিজ্ঞানী। যাঁর দূরদর্শিতা আমাদের সমৃদ্ধ করেছে।”

    ১৯৬৪ সালেই ঈশ্বর কণার কতা প্রথম প্রকাশ্যে আনেন হিগস

    ১৯৬৪ সালে ঈশ্বর কণা (Peter Higgs) অস্তিত্বের কথা প্রথম প্রকাশ্যে আনেন এই বিজ্ঞানী। যেকোনও কণাকে ভর জোগায় যে কণা, সেই কণাই হল ঈশ্বর কণা। আদতে মহাবিশ্বের সবকিছু যে কণার সুবাদে ভর পেয়েছে সেটাকেই ঈশ্বর কণা নামকরণ করা হয়। ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত প্রচার বিমুখ ছিলেন এই বিজ্ঞানী। এমনটাই জানা যায়। নোবেল জয়ের খবর চোখে জল আসে তার এবং শুধু বলেন, ‘‘কখনও কখনও জেনে ভালো লাগে যে আমি ঠিক ছিলাম।’’ 

    এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের বিবৃতি

    এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর পিটার ম্যাথিসন বলেন, ‘‘হিগস একজন উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব (Peter Higgs) এবং অসাধারণ বিজ্ঞানী। তাঁর দৃষ্টি এবং কল্পনা বিশ্ব সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করেছে। হাজার হাজার বিজ্ঞানী তাঁর কাজে অনুপ্রাণিত হন। আগামী প্রজন্ম তাঁর উত্তরাধিকারকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shantanu Thakur: লস্কর-ই-তৈবার হুমকির-চিঠি নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি শান্তনু ঠাকুরের

    Shantanu Thakur: লস্কর-ই-তৈবার হুমকির-চিঠি নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি শান্তনু ঠাকুরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুমকির-চিঠির ইস্যুতে এবার সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। রবিবার পাক জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈবার হুমকি চিঠি পেয়েছিলেন এই বনগাঁর বিদায়ী বিজেপি সাংসদ (Shantanu Thakur)। সোমবার দুপুরে চিঠির বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন তিনি। চিঠিটি দেগঙ্গা (Deganga) থেকে পাঠানো হয় বলে জানা গিয়েছে। এবার ওই চিঠি নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি তুললেন তিনি।

    কী বললেন শান্তনু (Shantanu Thakur)?

    মঙ্গলবার বিকেলে শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur) বলেন, “এই হুমকি চিঠির ইস্যুতে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে কথা বলেছি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও (PM Modi) বিষয়টি জানিয়েছি। আমি এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ সিবিআই তদন্ত চাই। পাশাপাশি ওই হুমকি চিঠির অভিযোগ নিয়ে রাজ্য পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছি। বিষয়টি নিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজি, জেলা পুলিশ সুপার ও স্থানীয় থানার ওসিকেও চিঠি পাঠিয়েছি।”

    হুমকির চিঠিতে কী লেখা ছিল?

    প্রসঙ্গত, সোমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Union Minister) শান্তনু ঠাকুরের (Shantanu Thakur) কাছে একটি চিঠি আসে। সেই চিঠিতে লেখা ছিল, “শ্রদ্ধেয় শান্তনু বাবু। আশা করি ভালো আছেন। যাই হোক আপনাকে জানাচ্ছি যে পশ্চিমবঙ্গে যদি এনআরসি (NRC) এবং সিএএ-র ফলে যদি মুসলমানদের ওপর কোনও রকম অত্যাচার হয়, তাহলে গোটা বাংলা তথা সমগ্র ভারত জ্বলবে এবং আপনাদের ঠাকুরবাড়ি (Matua Thakurbari) উড়িয়ে দেওয়া হবে। কেউ আপনাদের ঠাকুরবাড়িকে বাঁচাতে পারবে না। লস্কর-ই-তৈবার নাম শুনেছেন তো? আমরা লস্কর-ই-তৈবার সদস্য। আপনাদের হাফিজ সইদের নির্দেশ মত আমরা পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি লাগু করলে সঙ্গে সঙ্গে কাজ শুরু করে দেব।”

    আরও পড়ুনঃ “ডিসেম্বরেই ভেঙে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস”, ভোট প্রচারে বললেন অভিজিৎ

    ৫ এপ্রিল শুক্রবার চিঠি আসে

    চিঠির প্রেরক হিসেবে নজরুল ইসলাম, সাহেব আলী ও ফজর আলীর নাম লেখা এবং ঠিকানা হাদিপুর, দেগঙ্গা, উত্তর ২৪ পরগনা উল্লেখ করা হয়েছে। চিঠিটি যথেষ্ট সন্দেহজনক। আপাতদৃষ্টিতে দেখলে টাইপরাইটারে টাইপ করা হয়েছে। ৫ এপ্রিল শুক্রবার এই চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে। যদিও চিঠির ভিতর ৭ ফেব্রুয়ারি উল্লেখ করা আছে। উল্লেখ্য মতুয়া মহাসংঘের অন্যতম প্রধান মুখ হলেন শান্তনু ঠাকুর। আচমকা লোকসভা নির্বাচনের আগে শান্তনু ঠাকুরের (Shantanu Thakur) কাছে লস্কর-ই-তৈবার নাম করে এই হুমকি চিঠি ঘিরে ইতিমধ্যেই বেশ শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Canada Relation: ‘ভারত নয়, কানাডার ভোটে নাক গলিয়েছে চিন’, দাবি সেদেশেরই গোয়েন্দা সংস্থার

    India Canada Relation: ‘ভারত নয়, কানাডার ভোটে নাক গলিয়েছে চিন’, দাবি সেদেশেরই গোয়েন্দা সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার সাধারণ নির্বাচনে নাক গলিয়েছে চিন। একবার নয়, অন্তত দু’বার ড্রাগনের দেশ প্রভাবিত করেছে কানাডার ভোটারদের। যে ভারতের বিরুদ্ধে বিদ্বেষের মনোভাব তৈরি হয়েছে কানাডায়, সে নয়াদিল্লি (India Canada Relation) মাথাই ঘামায়নি কানাডার নির্বাচন নিয়ে। সম্প্রতি এই মর্মে রিপোর্ট দিল কানাডার গোয়েন্দা সংস্থা ‘কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস’।

    গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট (India Canada Relation)

    কানাডার এই সংস্থা সাফ জানিয়েছে, গত দু’টি সাধারণ নির্বাচনে নাক গলিয়েছে কানাডা। এই দুই নির্বাচনেই জয়ী হয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। সংসদে যাঁর একটি বিরূপ মন্তব্যের জেরে সম্প্রতি তলানিতে ঠেকেছে ভারত-কানাডার সুসম্পর্ক (India Canada Relation)। কানাডার ওই গোয়েন্দা সংস্থা সম্প্রতি ‘ব্রিফিং টু দ্য প্রাইম মিনিস্টার্স অফিস অন ফরেন ইন্টারফারেন্স থ্রেটস টু কানাডাজ ডেমক্রেটিক ইনস্টিটিউশনস’ শীর্ষক একটি ডক্যুমেন্ট তৈরি করেছে।

    প্রতারণা করেছে চিন!

    সেখানেই বলা হয়েছে, “আমরা জানি পিপলস রিপাবলিক অফ চায়না গোপনে ও প্রতারণামূলকভাবে ২০১৯ ও ২০২১ সালের সাধারণ নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেছে।” ওই ডক্যুমেন্টে আরও বলা হয়েছে, “২০২১ সালের নির্বাচন মনিটরিং করছিলেন প্রবীণ আধিকারিকরা। তাঁরাও ঘূণাক্ষরে জানাননি যে ভারত কোনওভাবেই ওই নির্বাচন প্রভাবিত করার চেষ্টা করেনি।” অথচ কিছু দিন আগে কানাডার এই গোয়েন্দা সংস্থাই দাবি করেছিল, ভারত ও পাকিস্তান প্রাচ্যের এই দুই দেশ কানাডায় উনিশ ও একুশের নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেছিল (India Canada Relation)।

    কানাডার এই গোয়েন্দা সংস্থার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভারত সাফ জানিয়ে দিয়েছিল, ভারত অন্য কোনও দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলায় না। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “কানাডার নির্বাচনে ভারতের হস্তক্ষেপের যে অভিযোগ উঠেছিল, তা যে সর্বৈব ভিত্তিহীন, তা আমরা আগেই জানিয়েছিলাম। অন্য দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ভারত হস্তক্ষেপ করবে, এমন নীতি আমাদের নয়। প্রকৃতপক্ষে, কানাডাই ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনধিকার চর্চা করে।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘নাক গলাব না, আলোচনায় মিটিয়ে নিন’’, পাকিস্তানকে বার্তা মার্কিন প্রশাসনের

    চিন ছাড়াও রাশিয়া এবং ইরানও কানাডার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে কানাডার গোয়েন্দা সংস্থার ওই ডক্যুমেন্টে (India Canada Relation)। প্রসঙ্গত, চিন যে অন্য দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করে, ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করে সম্প্রতি অন্য একটি রিপোর্টেও দাবি করা হয়েছিল। চলতি বছরই নির্বাচন রয়েছে ভারত ও আমেরিকায়। চিন এই দুই দেশের ভোটারদের প্রভাবিত করতে পারে বলে সতর্ক করেছিল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা (India Canada Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Abhijit Ganguly: “ডিসেম্বরেই ভেঙে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস”, ভোট প্রচারে বললেন অভিজিৎ

    Abhijit Ganguly: “ডিসেম্বরেই ভেঙে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস”, ভোট প্রচারে বললেন অভিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার সভা থেকে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) ভবিষ্যদ্বাণী করে বলেন, “তৃণমূল (TMC) এবছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই ভেঙে যাবে।” এপ্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “বিজেপি (BJP) প্রার্থীদের জয়ী করুন। তাহলে তৃণমূল কংগ্রেস নিজে থেকেই ভেঙে যাবে। ডিসেম্বর পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের মেয়াদ আমি দেখছি না।” বিজেপির তমলুকের প্রার্থীর এই বক্তব্যে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। প্রসঙ্গত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary)।

    ঠিক কী বললেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়(Abhijit Ganguly)?

    তমলুকের বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎবাবু (Abhijit Ganguly) বলেন, “প্রসঙ্গত তৃণমূল ভেঙে যাওয়ার যে ডেডলাইন, তা হল হল সম্ভাব্য ডেডলাইন। আর যদি কোনও কারণে সময় অতিক্রম করে যায় তাহলে আগামী বিধানসভার নির্বাচনের আগেই এই তৃণমূল দলটাই উঠে যাবে। তবে এ বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত না মিললেও দেড় বছর পর ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন ভোটের কথাও বলে রাখলাম। এই তৃণমূল দুর্বৃত্তদের আর একদিনও ক্ষমতায় রাখা যাবে না। ওরা পশ্চিমবঙ্গকে শেষ করে দিচ্ছে।”

    এনআইএ-র ওপর হামলা কাণ্ডে ফের তদন্তকারী আধিকারিক বদল, কে দায়িত্ব পেলেন?

    শুভেন্দুও বলেছিলেন

    ২০২২ সালে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গলাতেও শোনা গিয়েছিল ডিসেম্বরের তত্ত্ব। সে বছর বেশ কয়েকটি তারিখের উপর জোর দিয়েছিলেন তিনিও। ওই বছরের ১২, ১৪ ও ২১ ডিসেম্বরের উপর জোর দিয়েছিলেন তিনি। পরে শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য বলেছিলেন, “ডেড লাইনের বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমের ব্যাখ্যা। তিনি কোনও ডেডলাইন দেননি। এই দিনগুলি রাজনীতি ও সরকারি প্রশাসনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ দিন ছিল।” এখন আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে সারা দেশেই বিজেপির বিরাট আসনের ব্যবধানে সরকার গড়তে চলেছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন। অপরে তৃণমূল বিরাট দুর্নীতির কারণে অত্যন্ত বেক ফুটে রয়েছে। লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের উপর এখন সবটা নির্ভর করছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে। ফলে অভিজিৎবাবুর (Abhijit Ganguly) বক্তব্যে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Triyuginarayan Temple: শিব-পার্বতীর বিবাহস্থল! বিয়ে করতে অনেকেই ছুটে যান উত্তরাখণ্ডের এই মন্দিরে

    Triyuginarayan Temple: শিব-পার্বতীর বিবাহস্থল! বিয়ে করতে অনেকেই ছুটে যান উত্তরাখণ্ডের এই মন্দিরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডকে দেবভূমি বলা হয়ে থাকে। একাধিক পৌরাণিক কাহিনীর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে উত্তরাখণ্ডের বিভিন্ন স্থান। উত্তরাখণ্ডের অন্যতম বিশেষ তীর্থস্থান হল ত্রিযুগীনারায়ণ মন্দির (Triyuginarayan Temple)। রুদ্রপ্রয়াগ জেলায় অবস্থিত এই মন্দিরকে দেখতে পাওয়া যায় পর্বতের ১,৯৮০ মিটার উচ্চতায়। হিন্দুদের ধর্মশাস্ত্র অনুযায়ী, এই মন্দিরেই সম্পন্ন হয়েছিল শিব পার্বতীর আধ্যাত্মিক বিবাহ। ভক্তদের বিশ্বাস, ত্রিযুগীনারায়ণ মন্দিরের অগ্নিকুণ্ড শিব-পার্বতীর বিবাহের সময় থেকেই জ্বলছে। এই কুণ্ডকে সাক্ষী রেখে বিবাহ সম্পন্ন করেছিলেন শিব এবং পার্বতী। ত্রিযুগীনারায়ণ মন্দিরে অধিষ্ঠান করছেন ভগবান বিষ্ণু। পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, তিন যুগ ধরে অবস্থান করছে মন্দির। তাই এমন নামকরণ।

    বিবাহ কেন্দ্র ত্রিযুগীনারায়ণ মন্দির (Triyuginarayan Temple)

    সাত পাকে বাঁধা পড়া, হিন্দু ধর্মে কোনও চুক্তি নয় বরং তা এক পবিত্র সম্পর্কের শুরু বলে মানা হয়। বর্তমান লিভ-ইন সম্পর্কের যুগে হিন্দু ধর্মের পবিত্র বিবাহ বন্ধন নৈতিক সমাজ গঠনে অনেক বেশি কার্যকরী বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। পবিত্র সম্পর্কের শুরু করতে অনেকেই তাই তীর্থস্থানকে বেছে নেন। ত্রিযুগীনারায়ণ মন্দিরে (Triyuginarayan Temple) সব থেকে বেশি বিবাহ সম্পন্ন হয় বলেই জানা যাচ্ছে। প্রতি বছরেই দেশ-বিদেশ থেকে বহু মানুষই আসেন এখানে নিজেদের বিবাহ সম্পন্ন করতে। স্থানীয় প্রশাসনিক আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, প্রতিবছরে এমন বিবাহের সংখ্যা ত্রিযুগীনারায়ণ মন্দিরে বেড়েই চলেছে।

    কী বললেন পুরোহিত কমিটির সভাপতি? 

    বর্তমানে ত্রিযুগীনারায়ণ (Triyuginarayan Temple) তীর্থ পুরোহিত কমিটির সভাপতি রয়েছেন সচ্চিদানন্দ পাঁচপুরি। সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘‘প্রতিদিনই আমরা অজস্র ফোন কল এবং অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন পাই। যাঁরা এই মন্দিরের মাধ্যমে নিজেদের বিবাহ সম্পন্ন করাতে চান। দেখা যাচ্ছে, ২০২২ সালের মে মাস থেকে ২০২৪ সালের ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সাড়ে পাঁচশো বেশি বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে এই মন্দিরে।’’ ওই পুরোহিত আরও জানিয়েছেন, আড়াইশো জনেরও বেশি মানুষ রেজিস্ট্রি করেছেন ভবিষ্যতে বিবাহ করার জন্য। মন্দিরের পুরোহিত কমিটির সভাপতির মতে, ‘‘আমরা এখনও পর্যন্ত বিদেশ থেকে অসংখ্য ফোন কল পেয়ে যাচ্ছি। বিবাহের আবেদন করছেন ওনারা।’’ ওই মন্দির কমিটির সভাপতি মতে, ‘‘আমরা বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছেও আবেদন জানিয়েছি, যাতে দেশের কোনও মানুষ বিদেশে বিবাহ করতে না যান। উত্তরাখণ্ডে এই মন্দিরেই নিজেদের বিবাহ সম্পন্ন করেন।’’

    পৌরাণিক কাহিনী কী বলছে?

    পুরাণ অনুযায়ী, চৈত্র মাসে বিয়ে হয়েছিল শিব-পার্বতীর। এখন চৈত্র মাস চলছে। চারদিকে, বিশেষ করে গ্রামবাংলায় গাজন উৎসব পালিত হচ্ছে। এই উৎসবকে শিব-পার্বতীর বিয়ের উৎসব হিসেবেও উল্লেখ করা হয়। পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, নিজেদের বিবাহের জন্য এই স্থানকেই বেছেছিলেন শিব-পার্বতী। এখানকার অগ্নিকুণ্ডের আগুন শিব-পার্বতীর বিবাহ সময় জ্বালিয়েছিলেন স্বয়ং ভগবান বিষ্ণু। এমনটাই বিশ্বাস ভক্তদের। এই অগ্নিকুণ্ডে এখনও পর্যন্ত ভক্তরা এসে নিয়মিতভাবে আহুতি দেন এবং এটাকে পবিত্র কাজ বলে মানা হয়। মনে করা হয়, শিব-পার্বতীর বিবাহে প্রধান পুরোহিতের ভূমিকা পালন করেছিলেন ব্রহ্মা। এছাড়া ভগবান বিষ্ণু বিবাহের যাবতীয় প্রস্তুতির দায়িত্বে ছিলেন। এই মন্দিরের গঠনশৈলীর সঙ্গে কেদারনাথের গঠন শৈলী মিলে যায়। প্রতি বছর কেদারনাথের মতোই অসংখ্য ভক্তের গন্তব্য হয়ে ওঠে এই ত্রিযুগীনারায়ণ (Triyuginarayan Temple) মন্দির। এই মন্দিরে রয়েছে ভগবান বিষ্ণুর দু’ফুটের বড় একটি ছবি। তার পাশে দেখা যায় মা লক্ষ্মী এবং সরস্বতীকেও। পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে দেবী পার্বতী ছিলেন হিমালয়ের কন্যা। তিনি ভগবান শিবকে বিয়ে করতে চেয়ে কঠোর তপস্যা করেন। যা উত্তরাখণ্ডের গৌরিকুণ্ডে অবস্থিত বর্তমানে কেদারনাথ ট্রেকিংরুটে এটি পড়ে।

    উদ্যোগ নিচ্ছে উত্তরাখণ্ড সরকারও

    উত্তরাখণ্ডের সরকার ইতিমধ্যেই ত্রিযুগীনারায়ণ (Triyuginarayan Temple) মন্দিরকে কেন্দ্র করেই সমস্ত কিছুর উন্নয়নকে উপর জোর দিচ্ছে। সেখানকার পর্যটন মন্ত্রীর সতপাল মহারাজ জানিয়েছেন, উত্তরাখণ্ডকে বিবাহ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে ইতিমধ্যে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে তাঁদের সরকার। পর্যটকদের টানতে এবং সুবিধার কাজে একাধিক প্রকল্পও শুরু হয়েছে। রাস্তা নির্মাণের জন্য টেন্ডারও ডাকা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share