Tag: Madhyom

Madhyom

  • India US Relation: ‘‘নাক গলাব না, আলোচনায় মিটিয়ে নিন’’, পাকিস্তানকে বার্তা মার্কিন প্রশাসনের

    India US Relation: ‘‘নাক গলাব না, আলোচনায় মিটিয়ে নিন’’, পাকিস্তানকে বার্তা মার্কিন প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে ঢুকে জঙ্গিদের মারছে ভারত। মার্কিন প্রশাসনের কাছে এমনই অভিযোগ করেছিল পাকিস্তান। তবে প্রতিবেশী এই দুই দেশের দ্বন্দ্বে আমেরিকা যে নাক গলাবে না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছে জো বাইডেনের দেশ (India US Relation)।

    মার্কিন-বার্তা (India US Relation)

    পাকিস্তানের তরফে যিনি উজিয়ে আমেরিকায় গিয়েছিলেন ভারতের বিরুদ্ধে নালিশ জানাতে, বাইডেন প্রশাসন তাঁকে সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সীমান্তে উত্তেজনা কমান। বিভিন্ন স্তরে কথাবার্তা বলে সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার পরামর্শও ভারত-পাকিস্তান দুই দেশকেই দিয়েছেন হোয়াইট হাউসের কর্তারা। পাকিস্তানের অভিযোগকে মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছে ভারত। বিদ্বেষমূলকভাবে ভারত-বিরোধী প্রচার চালানো হচ্ছে বলেও জানিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি। ম্যাথিউ মিলার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র। তিনি বলেন, “এই বিষয়টি নিয়ে সংবাদ (India US Relation) মাধ্যমের প্রতিবেদনগুলিতে আমরা নজর রাখছি। যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা নিয়ে আমাদের বলার কিছু নেই। তবে আমরা এই বিষয়ে নাকও গলাব না। ওই পড়শি দুই দেশের সীমান্তে যেভাবে দিন দিন উত্তেজনা বাড়ছে, সেই উত্তেজনা কমাতে বলেছি উভয়পক্ষকেই। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।”

    ভারতের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ

    জানুয়ারি মাসে দুই পাক নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনায় ভারতের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছিল পাকিস্তান। সেবারও ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, এই ঘটনায় ভারত কোনওভাবেই যুক্ত নয়। ভারতের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। ভারত-বিরোধী প্রচারও চালানো হচ্ছে। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “পাকিস্তানের বিদেশ সচিব কী বলেছেন, সে সংক্রান্ত (India US Relation) প্রতিবেদন আমরা দেখেছি। ভারতের বিরুদ্ধে মিথ্যা রটনা করার এটা পাকিস্তানের একটা সাম্প্রতিক প্রচেষ্টা। বিদ্বেষমূলকভাবে ভারত-বিরোধী এই প্রচার করা হচ্ছে। পাকিস্তান যে জঙ্গিদের স্বর্গরাজ্য, সন্ত্রাসবাদীদের ভরকেন্দ্র, সংগঠিত অপরাধীদের চারণভূমি, অবৈধ কারবারিদের লীলাক্ষেত্র, তা জানে তামাম বিশ্ব।”

    আরও পড়ুুন: “যদি নয়াদিল্লি চিনের কিছু অঞ্চলের নাম বদলে দেয়…”, বেজিংকে খোঁচা রাজনাথের

    তিনি বলেন, “জঙ্গি কার্যকলাপে রাশ টানতে পাকিস্তানকে সতর্ক করেছে ভারত এবং অনেক দেশই। তার পরেও সে দেশে অবাধে চলছে জঙ্গি কার্যকলাপ। পাকিস্তান যেমন কর্ম করেছে, তেমন ফলই পাচ্ছে। নিজেদের দোষ ঢাকতে এবার অন্যকে দোষারোপ করে গা বাঁচাতে চাইছে তারা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • IPC 498A: ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারাটির অপব্যবহার হচ্ছে, মত কর্নাটক হাইকোর্টের

    IPC 498A: ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারাটির অপব্যবহার হচ্ছে, মত কর্নাটক হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিবাহিত মহিলাদের ওপর শারীরিক বা মানসিক অত্যাচার বন্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারাটি (IPC 498A) কারওর অজানা নয়। তবে বর্তমানে এই ধারার অপব্যবহার হচ্ছে বলে মনে করছে কর্নাটক হাইকোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, ভারতীয় দণ্ডবিধির (IPC) ধারা ৪৯৮ এ (নারীর প্রতি নিষ্ঠুরতা)যা মূলত বিবাহিত মহিলাদের উপর স্বামী বা তাদের আত্মীয়দের দ্বারা নিষ্ঠুরতার শাস্তি দেওয়ার জন্য তৈরি হয়েছিল তার বর্তমানে অপপ্রয়োগ হচ্ছে। বিচারপতি সিএম জোশী বলেছেন যে সুপ্রিম কোর্ট সহ বেশ কয়েকটি আদালত এই ধরনের অপব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। 

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    একটি মামলার শুনানির সময় বিচারপতি জোশী বলেন,  যে এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে, যেখানে আদালত ৪৯৮এ (IPC 498A)  ধারার অপব্যবহার এবং এই ধরনের অভিযোগের বিচারে যাওয়ার সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদী পরিণতি বিবেচনা না করে বিবাহ সংক্রান্ত বিরোধে স্বামীর আত্মীয়দের জড়িত করার ক্রমবর্ধমান প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে৷ বিচারপতি সিএম জোশী জানান যে বিধানগুলির প্রায়শই অপব্যবহার করা হয় এবং দম্পতিদের মধ্যে ছোটখাটো পার্থক্য আদালতের সামনে নিয়ে আসা হয়। দম্পতির মধ্যে পার্থক্য বিভিন্ন কারণে হতে পারে তবে এই কারণগুলিকে মোড়কে করে সাজানো অর্থহীন। প্রসঙ্গত, যে মামলার শুনানির সময় আদালত এই মন্তব্য করে সেই মামলায় আদালত অবশ্য অভিযোগকারীর স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম বহাল রেখেছেন। আদালত মহিলার অভিযোগ খতিয়ে দেখেন যে অভিযোগগুলি মূলত তার স্বামী এবং শাশুড়ির বিরুদ্ধে। মামলার অন্যান্য অভিযুক্তদের বিষয়ে, আদালত বলেছে যে জড়িত থাকার বিষয়টি দূরবর্তী ছিল। ওই আত্মীয়েরা মুম্বাইতে বসবাসই করতেন না যেখানে এই দম্পতি থাকতেন।

    আরও পড়ুন: নববর্ষের আগেই ফের বাড়বে তাপমাত্রা! দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

    ৪৯৮ ধারা কী

    ভারতীয় দণ্ডবিধির (IPC 498A) এই ধারায় কোনও মহিলার ওপর অত্যাচারের ক্ষেত্রে তাঁর স্বামী ও স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা যায়। একটি মামলার শুনানির সময় কর্ণাটক হাইকোর্ট জানায়, ‘আইনসভা সমাজ থেকে পণের ভয় দূর করার জন্য ধারা ৪৯৮এ এর বিধান প্রণয়ন করেছে। কিন্তু বেশ কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় যে উক্ত বিধানের অপব্যবহার করে নতুন আইনি সন্ত্রাসের রাস্তা উন্মোচিত হচ্ছে।’ উল্লেখ্য, ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারায় বিবাহিত কোনও মহিলা শ্বশুরবাড়িতে নিষ্ঠুরতার শিকার হলে তাঁর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেদের শাস্তি দেওয়ার বিধান রয়েছে। এক্ষেত্রে নিষ্ঠুর আচরণের সংজ্ঞা হিসেবে বলা হয়েছে, এমন কোনও আক্রমণাত্মক আচরণ যা ওই বিবাহিত মহিলাকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেয় অথবা তাঁর দেহে অথবা মনে মারাত্মক আঘাত সৃষ্টি করে। এছাড়া এই আচরণের আওতায় পড়ে মূল্যবান সম্পত্তি বা সামগ্রীর জন্য বধূ বা তাঁর কোনও আত্মীয়কে চাপ দেওয়ার মতো ঘটনাও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bhupatinagar: এনআইএ-র ওপর হামলা কাণ্ডে ফের তদন্তকারী আধিকারিক বদল, কে দায়িত্ব পেলেন?

    Bhupatinagar: এনআইএ-র ওপর হামলা কাণ্ডে ফের তদন্তকারী আধিকারিক বদল, কে দায়িত্ব পেলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরের (Bhupatinagar) ঘটনা নিয়ে রাজ্য রাজনীতি এখন তোলপাড়। রাজ্য সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এনআইএ-র ওপর হামলা নিয়ে তৃণমূলকে তুলোধনা করেছেন। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হামলাকারীদের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। এই আবহের মধ্যে হামলার ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে ভূপতিনগর থানার পুলিশ। ভূপতিনগর থানার ওসি গোপাল পাঠক এই ঘটনার তদন্তকারী অফিসার ছিলেন। এক সপ্তাহ যেতে না যেতে এই ঘটনায় দুবার তদন্তকারী অফিসার বদল করা হল।

    নতুন তদন্তকারী আধিকারিক কে হলেন? (Bhupatinagar)

    এনআইএ-র ওপর হামলার ঘটনায় ভূপতিনগর (Bhupatinagar) থানার ওসি গোপাল পাঠককে সরিয়ে তদন্তকারী আধিকারিকের  দায়িত্বে আনা হয়েছিল ভূপতিনগরের সার্কেল ইনস্পেক্টর শ্যামল চক্রবর্তীকে। এবার দুদিন যেতে না যেতেই এবার তাঁকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল। তাঁর জায়গায় নতুন তদন্তকারী অফিসার করা হল ইনস্পেক্টর পদমর্যাদার সত্যমকুমার ঘোষকে। তিনি এবার থেকে এই ঘটনার তদন্তভার পরিচালনা করবেন। তদন্তকারী অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েই মঙ্গলবার দুপুরে অর্জুনপুর গ্রামে যান তিনি। কথা বলেন বেশ কয়েকজন গ্রামবাসীর সঙ্গে। ধৃত মনোব্রত জানার বাড়িতে ঢুকে কথা তিনি বলেন তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও। যদিও তদন্তের স্বার্থে বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি ঘটনার তদন্তকারী আধিকারিক।

    আরও পড়ুন: “রাজ্যে চালু হবে সংগ্রামী ভাতা”, ঘোষণা শুভেন্দুর, কারা পাবেন?

    কমিশনে রিপোর্ট পাঠিয়েছে পুলিশ

    প্রসঙ্গত, তলব করার পরও হাজিরা দেননি বিস্ফোরণ কাণ্ডে অভিযুক্তরা। সেই ঘটনার তদন্তে গ্রামে গিয়ে আক্রান্ত হন এনআইএ আধিকারিক। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি। সেই ঘটনায় এনআইএ-র পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। ভূপতিনগরের (Bhupatinagar) ঘটনায় ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে একটি রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশের তরফে। সূত্রের খবর, সেই রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে ভূপতিনগরে এনআইএ-র টিমের ওপর ‘হামলা’ হয়েছিল। তবে, হামলার ঘটনায় বার বার তদন্তকারী আধিকারিক পরিবর্তন করা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: “যদি নয়াদিল্লি চিনের কিছু অঞ্চলের নাম বদলে দেয়…”, বেজিংকে খোঁচা রাজনাথের

    Rajnath Singh: “যদি নয়াদিল্লি চিনের কিছু অঞ্চলের নাম বদলে দেয়…”, বেজিংকে খোঁচা রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা যদি প্রতিবেশী দেশের বিভিন্ন রাজ্যের নাম পরিবর্তন করি, তাহলে কি সেগুলি আমাদের ভূখণ্ডের অংশ হয়ে যাবে?” মঙ্গলবার অরুণাচল প্রদেশ পূর্ব লোকসভা কেন্দ্রের নামসাইতে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে এই ভাষায়ই চিনকে নিশানা করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ (Rajnath Singh)।

    রাজনাথের কটাক্ষ-বাণ (Rajnath Singh)

    সম্প্রতি ফের একবার অরুণাচল প্রদেশের ৩০টি রাজ্যের নাম বদলে দিয়েছে বেজিং। তার পরেই চিনকে নিশানা করেছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনিও বলেছিলেন, কোনও জায়গার নাম অন্য দেশ বদলে দিলেও, সেই ভূখণ্ড ওই দেশের হয়ে যায় না। এদিন রাজনাথের গলায়ও শোনা গেল প্রায় একই সুর। তিনি বলেন, “নাম বদলে দিলে ভারতের কিস্যু যায় আসে না।” এর পরেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “যদি নয়াদিল্লি চিনের কিছু অঞ্চলের নাম বদলে দেয়, তাহলে কি সেই জায়গাগুলি ভারতের হয়ে যাবে?”

    আরও পড়ুুন: “রাজ্যে চালু হবে সংগ্রামী ভাতা”, ঘোষণা শুভেন্দুর, কারা পাবেন?

    কী বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী?

    এদিনের সভায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “চিন অরুণচল প্রদেশের তিরিশটি জায়গার নাম বদলে দিয়েছে। সেটা আবার তারা ওয়েবসাইটে পোস্টও করেছে। আমি আমার প্রতিবেশীকে বলতে চাই, নাম বদলে দিলে ভারতের বয়েই যায়।” এর পরেই তিনি (Rajnath Singh) বলেন, “আগামিকাল যদি আমরা চিনের কিছু অঞ্চল ও প্রদেশের নাম পরিবর্তন করে ফেলি, তাহলে কি সেই জায়গাগুলি ভারতের হয়ে যাবে?” ভারত যে যেচেপড়ে প্রতিবেশীর সঙ্গে ঝগড়া করতে চায় না, এদিন তা আরও একবার মনে করিয়ে দিয়েছেন রাজনাথ। তবে সম্মানের সঙ্গে কোনওরকম আপোশ করা হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন তিনি। বলেন, “অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রায়ই বলতেন, বন্ধুরা জীবনে পরিবর্তন আনে, কিন্তু প্রতিবেশীরা নয়। ভারতের লক্ষ্যই হল, প্রতিবেশী সব দেশের সঙ্গেই সুসম্পর্ক বজায় রাখা। কিন্তু কেউ যদি ভারতের সম্মানে ঘা দেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে আজ ভারত তাকে মুখের মতো জবাব দেবে।” ‘বিকশিত ভারত’ যে স্রেফ স্লোগান নয় তা জানিয়ে রাজনাথ বলেন, “এটা বিজেপির প্রতিশ্রুতি, যা পূরণ করতেই হবে।” তিনি (Rajnath Singh) বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রীও বলেছেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত উন্নত দেশে পরিণত হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: নববর্ষের আগেই ফের বাড়বে তাপমাত্রা! দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

    Weather Update: নববর্ষের আগেই ফের বাড়বে তাপমাত্রা! দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টি নেই, ভ্যাপসা গরম শহরে। বুধবার সকাল থেকে আকাশ মেঘলা থাকায় ঘরের বাইরে রোদের দাপট কম। তবে চৈত্র মাসের শেষ সপ্তাহেই ফের পারদ চড়ার ইঙ্গিত দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। নববর্ষের আগে রবিবারের মধ্যে এক ধাক্কায় রাজ্যের তাপমাত্রা তিন থেকে পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে। 

    জেলায় জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

    বুধবার হালকা বৃষ্টিতে ভিজতে পারে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলার কয়েকটি এলাকা। বৃহস্পতিবার এই জেলাগুলির পাশাপাশি হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায়। ইদের দিন দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর পুরুলিয়া বাঁকুড়া পশ্চিম ও পূর্ব বর্ধমান জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে। শুক্রবারও ছিটেফোঁটা বৃষ্টিতে ভিজতে পারে এই জেলাগুলি। তবে কলকাতায় বৃষ্টির (Weather Update) কোনও সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আলিপুর। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টিতে ভিজতে পারে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার জেলার একাংশ।

    আরও পড়ুন: ‘নীলের ঘরে দিয়ে বাতি, জল খাওগো পুত্রবতী’, শুক্রবার নীলষষ্ঠী, জানেন এই ব্রতর তাৎপর্য?

    কলকাতায় বাড়বে গরম

    হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়েছে, আগামী দুদিনে পাঁচ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়তে পারে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমান কমবে। বাড়বে শুষ্ক আবহাওয়ার দাপট। দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব ও দক্ষিণের জেলাগুলিতে দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়বে অন্যদিকে পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা তিন থেকে পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে এক ডিগ্রি বেশি। বুধবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে থাকতে পারে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার সমান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “রাজ্যে চালু হবে সংগ্রামী ভাতা”, ঘোষণা শুভেন্দুর, কারা পাবেন?

    Suvendu Adhikari: “রাজ্যে চালু হবে সংগ্রামী ভাতা”, ঘোষণা শুভেন্দুর, কারা পাবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এই লোকসভা নির্বাচনে যেটা হচ্ছে সেটা ট্রেলার। বিধানসভা নির্বাচনেই হবে মূল সিনেমা।” মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের হরিপুরে বিজেপির বুথ স্তরের কর্মীদের নিয়ে এক সভার আয়োজন করা হয়। সেই সভা থেকেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) একথা বলেন। পাশাপাশি আগামীদিনে বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে বিশেষ ভাতার কথা ঘোষণা করেন তিনি।

    “সংগ্রামী ভাতার” প্রতিশ্রুতি দিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    লোকসভা ভোটের আবহের মধ্যেই ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের জন্য প্রতিশ্রুতি বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) । বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় এলে ‘সংগ্রামী ভাতা’ দেওয়ার আশ্বাস দিলেন শুভেন্দু। সংগ্রামী ভাতার আওতায় কত টাকা করে সাম্মানিক দেওয়া হবে, সে কথাও জানিয়ে দিলেন তিনি। কারা পাবেন এই সংগ্রামী ভাতা? সে কথাও এদিনের সভা থেকে স্পষ্ট করে দেন শুভেন্দু অধিকারী। যাঁরা ‘মিথ্যা মামলায়’ জেলে গিয়েছেন, তাঁদের জন্য এই উদ্যোগ বলে বুথকর্মীদের সভায় বার্তা বিরোধী দলনেতার। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে শুভেন্দু বললেন, ‘যতজনকে জেল খাটিয়েছে, বিজেপি সরকার যেদিন রাজ্যে আসবে, তাঁদের সবাইকে সংগ্রামী ভাতা দেব আমরা। যত জনকে জেল খাটিয়েছে, প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে ভাতা দেব।’ একইসঙ্গে পুলিশের উদ্দেশেও কড়া বার্তা দিয়ে রাখলেন, ‘যে তদন্তকারী অফিসাররা মিথ্যা রিপোর্ট দিয়ে এদের গ্রেফতার করেছেন, তাঁদের নাম লেখা থাকল।’ শুভেন্দুর বক্তব্য, এটা কোনও হুঁশিয়ারি নয়, এটা সতর্কবার্তা।

    আরও পড়ুন: রাম মন্দির উদ্বোধনের পর প্রথম রামনবমী, কতটা প্রস্তুত অযোধ্যা?

    মামলার হুমকি দিয়ে বিজেপির নেতা-কর্মীদের তৃণমূলে টানার চেষ্টা!

    এদিন পুলিশের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিরোধী দলনেতা(Suvendu Adhikari) । তিনি বলেন, এসপি, ওসিদের বলব কমিশনের আওতায় কাজ করছেন। সাবধান হয়ে যান। নিরপেক্ষ হওয়ার চেষ্টা করুন। তিনি আরও বলেন, জোর করে পুলিশকে দিয়ে বিজেপির আন্দোলন ভাঙতে চাইছে তৃণমূল। মামলার হুমকি দিয়ে বিজেপির নেতা-কর্মীদের তৃণমূলে টানার চেষ্টা চলছে। তবুও, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় বিজেপি তৃণমূলের কাছে আত্মসমর্পণ করেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami 2024: রাম মন্দির উদ্বোধনের পর প্রথম রামনবমী, কতটা প্রস্তুত অযোধ্যা?

    Ram Navami 2024: রাম মন্দির উদ্বোধনের পর প্রথম রামনবমী, কতটা প্রস্তুত অযোধ্যা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ এপ্রিল দেশজুড়ে পালিত হবে রামনবমী। ৫০০ বছর পরে ঘরে ফিরেছেন রামলালা (Ram Navami 2024)। এবারই প্রথম তাঁবুর বদলে মন্দিরে থাকা অবস্থাতেই রামনবমী পালিত হবে। বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ৫০ কুইন্টালেরও  বেশি দেশি এবং ফুল বিদেশি ফুল দিয়ে সাজানো হবে মন্দিরকে। সূর্য রশ্মি দিয়ে রামলালার কপালে আঁকা হবে তিলক। পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, ভগবান রামচন্দ্র সূর্যবংশে জন্মগ্রহণ করেন। পরবর্তীকালে রাজা রঘুর নামানুসারে তাঁর বংশের নামকরণ করা হয় রঘু বংশ। জানা যায়, তিনি ছিলেন দশরথের বংশধর।

    মূল আকর্ষণ তিলক অনুষ্ঠান

    ১৭ এপ্রিল রামনবমীর দিন ঠিক বেলা বারোটায় সূর্য রশ্মি দিয়ে রামলালার কপালে তিলক আঁকা হবে। সূর্যের রশ্মি রামলালার মুখকে আলোকিত করবে। এমনটাই জানিয়েছে রাম জন্মভূমি (Ram Navami 2024) তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। সূত্রের খবর, সূর্য রশ্মির এই তিলকের দৈর্ঘ্য হবে ৭৫ মিলিমিটার। এই তিলক অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচারিত করা হবে বিভিন্ন জায়ান্ট স্ক্রিনের মাধ্যমে। যাঁরা রাম মন্দিরে আসতে পারবেন না, তাঁরা জয়েন্ট স্ক্রিনের মাধ্যমে প্রসার ভারতীর সৌজন্যে সরাসরি বাড়িতে বসেই তা দেখতে পারবেন। প্রসঙ্গত, বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব অ্যাস্ট্রফিজিকস ও উত্তরাখণ্ডে রুরকির সেন্ট্রাল বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট, বেঙ্গালুরুর অপটিক কোম্পানির যৌথ উদ্যোগে রামলালার এই তিলক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হতে চলেছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় মহাকাশ বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক। সূর্যের কৌণিক অবস্থান দেখেই এই অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হবে। প্রথমে সূর্যরশ্মি একটি আয়নায় পড়বে এবং সেই আয়নাতে সূর্য রশ্মি প্রতিফলিত হয়ে সরাসরি যাবে, রামলালার মুখের ওপরে তা স্থায়ীভাবে ৬ মিনিট ধরে।

    সরাসরি সম্প্রচারিত হবে তিলক অনুষ্ঠান

    একইসঙ্গে এই তিলক অনুষ্ঠানকে সরাসরি সম্প্রচারিত করতে একশোরও বেশি এলইডি স্ক্রিন বসানো হয়েছে অযোধ্যা নগরীতে। জানা গিয়েছে, লাইভ টেলিকাস্টের মাধ্যমে রামভক্তরা (Ram Navami 2024) ঘরে বসেই রামলালার দরবার দর্শন করতে পারবেন। মন্দিরের তরফে ইতিমধ্যে জানানো হয়েছে ভক্তদের গরম থেকে রক্ষা করতে ৬০০ মিটার চাঁদোয়ারও ব্যবস্থা করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।

    নবরাত্রির দিনগুলিতে মন্দির খোলা থাকবে ১৪ থেকে ২০ ঘণ্টা

    প্রসঙ্গত, গতকাল ৯ এপ্রিল থেকেই রামলালার দরবারে কলসি স্থাপনের মাধ্যমে নবরাত্রির আচার শুরু হয়ে গিয়েছে। ১৭ এপ্রিল ভগবান রামচন্দ্রের জন্মতিথি উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের (Ram Navami 2024) আয়োজন করা হয়েছে। মাঝের ন’দিন চলবে বিভিন্ন অনুষ্ঠান, শক্তিপূজা। এর পাশাপাশি দুর্গা সপ্তশতীও পাঠ করা হবে। দেবী দুর্গার পূজা করা হবে। রামনবমীর দিন রামলালা কে ছাপান্ন ধরনের ভোগ নিবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে, এই কয়েকদিনে মন্দির ১৪ থেকে ২০ ঘন্টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। যাতে দর্শনার্থীরা প্রসাদ পান সে ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nil Sasthi 2024: ‘নীলের ঘরে দিয়ে বাতি, জল খাওগো পুত্রবতী’, শুক্রবার নীলষষ্ঠী, জানেন এই ব্রতর তাৎপর্য?

    Nil Sasthi 2024: ‘নীলের ঘরে দিয়ে বাতি, জল খাওগো পুত্রবতী’, শুক্রবার নীলষষ্ঠী, জানেন এই ব্রতর তাৎপর্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। এই তেরো পার্বণেরই অন্যতম হল নীল ষষ্ঠীর ব্রত (Nil Sasthi 2024)। সন্তানের সুখ, সুস্বাস্থ্য সৌভাগ্য ও দীর্ঘ জীবন কামনা করে এই ব্রত পালন করেন বাংলার মায়েরা। গ্রাম থেকে শহর বাংলার মায়েদের কাছে একটি প্রবাদ খুবই জনপ্রিয়, ‘নীলের ঘরে দিয়ে বাতি, জল খাওগো পুত্রবতী।’ পুত্রের কথা বললেও বর্তমানে পুত্র বা কন্যা সকল সন্তানের মঙ্গল কামনা করে এই পুজো-অর্চনা করেন বাঙালি ঘরের বউরা। এখন অবাঙালিদের মধ্যেও এর প্রচার হয়েছে। 

    কবে নীল ষষ্ঠী

    বাংলা বছরের একেবারে শেষে চৈত্র সংক্রান্তির আগের দিন পালিত হয় নীল ষষ্ঠী (Nil Sasthi 2024)। অনেকে একে নীলের পুজোও বলেন। সন্তানের মঙ্গলকামনায় এই দিন মা ষষ্ঠীকে পুজো অর্পণ করা হয়, সেই সঙ্গে উপোস করে অভিষেক করা হয় ভগবান শিবের। শিব পুজোর বিশেষ নিয়ম আছে। আগামী ১২ এপ্রিল, শুক্রবার পালিত হবে নীল ষষ্ঠী। বাংলা ক্যালেন্ডার অনুসারে সেদিন ২৯ চৈত্র ১৪২৯। এইদিন সন্ধ্যায় নীলের আরাধনা করা হবে।

    নীল ষষ্ঠীর পিছনের কাহিনি

    প্রচলিত কাহিনি অনুসারে পিতা দক্ষের আয়োজিত যজ্ঞে স্বামী মহাদেবের অপমান সহ্য করতে না পেরে আগুনে আত্মাহুতি দিয়ে দেহত্যাগ করেছিলেন শিব-পত্নী সতী। তারপর নীলধ্বজ রাজার ঘরে নতুন জন্ম গ্রহণ করেন তিনি। সেই জন্মে তাঁর নাম হয় নীলাবতী। এই কন্যার সঙ্গে শিবের বিয়ে দেন রাজা নীলধ্বজ। অর্থাত্‍ দেবী পার্বতীর আর এক নাম হল নীলাবতী। গ্রাম বাংলার প্রচলিত কাহিনি অনুসারে চৈত্র সংক্রান্তির আগের দিনেই বিয়ে হয়েছিল মহাদেব ও নীলাবতীর। সেই কারণে নীল ষষ্ঠী (Nil Sasthi 2024), চৈত্র সংক্রান্তি ও গাজন শিব দুর্গার বিয়ের উত্‍সব হিসেবে পালিত হয় আমাদের রাজ্যের অনেক জায়গায়। গাজনের সময় গ্রাম বাংলায় শিব ও পার্বতী সেজে ভিক্ষা সংগ্রহের ছবিও দেখা যায়।

    নীলের ব্রত কথা

    অনেককাল আগে একটি  গ্রামে এক ব্রাহ্মণ ও তাঁর পত্নী বাস করতেন। তাঁদের দেবতায় বড় ভক্তি। কিন্তু তারা নীলের ব্রতের কথা জানতেন না। তাঁদের সংসারে বারবার সন্তান আসে। কিন্তু তারা কেউই বেশিদিন বাঁচত না। একাধিক বার সন্তান হারিয়ে ভেঙে পড়েন ওই দম্পতি। সংসারের সব সুখ তাদের কাছে অমূলক মনে হত।  দুঃখের কথা মহাদেবকে খুলে বলতে তাঁরা কাশীবাসী হন। একদিন কাশীতে মণিকর্ণিকায় ডুব দিয়ে তাঁরা পাড়ে বসে দুঃখ করছেন। এমন সময় কোথা থেকে এক বুড়ি এসে তাঁদের কাছে জানতে চাইল  ‘তোরা কাঁদছিস কেন?’ বামুনীও কাঁদতে কাঁদতে তাঁদের দুঃখের কথা জানাল। ওই বৃদ্ধা ছিলেন ছদ্মবেশে মা ষষ্ঠী। তিনি তখন জিজ্ঞাসা করলেন,তাঁরা নীল ষষ্ঠী ব্রত করেন কিনা। তাঁরা তো অবাক। বামুনী জিগ্যেস করল, সে আবার কী? বুড়ি তখন জানাল, পুরো চৈত্র মাস সন্ন্যাস যাপন করে করে সংক্রান্তির আগের দিন মা ষষ্ঠী ও ভগবান শিবের পুজো করে উপবাস ভঙ্গ করতে হয়। সেদিন নিরামিষ খেতে হয়। শরবত খেয়ে ভাঙতে হয় উপবাস। এতে তুষ্ট হন  শিব ঠাকুর। আর মঙ্গল করেন সন্তানদের।  এই কথা বলে মা ষষ্ঠী কোথায় যেন মিলিয়ে গেলেন। ষষ্ঠীবুড়ির কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে ওই ব্রাহ্মণী ফের সন্তান লাভ করেন। সেই থেকেই সন্তানের মঙ্গল কামনা করে নীল ষষ্ঠীর ব্রত (Nil Sasthi Brata) পালন করে আসছেন বাঙালি মায়েরা।

    আরও পড়ুন: শুরু হল হিন্দু নববর্ষ ‘বিক্রম সংবত ২০৮১’, জানেন এর তাৎপর্য?

    কীভাবে পালন করা হয় নীল ষষ্ঠী

    চৈত্র সংক্রান্তির আগের দিন প্রচণ্ড গরমের মধ্যে সারাদিন নির্জলা উপবাস রাখতে। সন্ধেবেলা শিবলিঙ্গে জল ঢেলে মহাদেবের পুজোর প্রসাদ মুখে দিয়ে উপবাস ভাঙা হয়। উপোস ভাঙার পরও এদিন ফল, সাবু ইত্যাদি ছাড়া ময়দার তৈরি খাবারই খেতে হয়। চৈত্র সংক্রান্তির আগের দিন পঞ্জিকা অনুসারে ষষ্ঠী তিথি নয়। তা হলেও এদিন নীল ষষ্ঠীর ব্রত পালন করা হয়। নীল ষষ্ঠীতে (Nil Sasthi Brata) ষষ্ঠী দেবীর সঙ্গেই সন্তানের মঙ্গল কামনা করে মহাদেবের আরাধনা করা হয়ে থাকে। শিবের মাথায় বেলপাতা, ফুল ও একটি ফল ছুঁয়ে রাখতে হয়। অপরাজিতা বা আকন্দ ফুলের মালা পরিয়ে, সন্তানের নামে একটি মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রার্থনা করতে হয় ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে।’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বুধবার ১০/০৪/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বুধবার ১০/০৪/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাওয়ায় আনন্দিত হবেন।

    ২) ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন এই রাশির জাতকরা।

    ৩) আপনার ভাবমূর্তি আজ উন্নত হবে।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি মিশ্র ফলাফল প্রদান করবে।

    ২) জরুরি কাজের তালিকায় তৈরি করুন।

    ৩) স্বাস্থ্য সমস্যা উপেক্ষা করবেন না।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ থাকবে।

    ২) গৃহ নির্মাণ সংক্রান্ত বিষয়ে সতর্ক থাকুন।

    ৩) ব্যবসায়িক পরিকল্পনা সতর্কতার সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যান।

    কর্কট

    ১) কঠিন পরিশ্রম করতে হবে।

    ২) টাকা ধার নেবেন না।

    ৩) সরকারি চাকরিজীবীরা আধিকারিকদের সঙ্গে বিবাদে জড়াবেন না, সমস্যা হতে পারে।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি সুখপূর্ণ পরিণাম প্রদান করবে।

    ২) ব্যবসায় লাভ অর্জন করতে পারবেন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে কারও ওপর চোখ বন্ধ করে ভরসা করবেন না।

    কন্যা

    ১) জাতকদের সুখ-সুবিধা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) নতুন গাড়ি কেনার ইচ্ছা পূরণ হবে।

    ৩) সকলের ভালোর কথা আপনার মাথায় থাকবে।

    তুলা

    ১) সাহস ও পরাক্রম বৃদ্ধি পাবে।

    ২) সামাজিক অনুষ্ঠানে বড়সড় পদ পাওয়ায় আনন্দিত থাকবেন।

    ৩) বিবাদ ও আলোচনায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) পরিবারের কোনও সদস্যের বিবাহ প্রস্তাব মঞ্জুর হতে পারে।

    ২) পরিবারের সদস্যদের আনাগোনা লেগে থাকবে।

    ৩) উপহার হিসেবে কোনও মূল্যবান বস্তু লাভ করতে পারেন।

    ধনু

    ১) সৃজনশীল কাজে রুচি দেখাবেন।

    ২) সহকর্মীরা আপনার আকর্ষণ দেখে আশ্চর্যচকিত হয়ে পড়বে।

    ৩) বরিষ্ঠ সদস্যদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবেন।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি গুরুত্বপূর্ণ থাকবে।

    ২) ধর্মীয় কাজে রুচি বাড়বে।

    ৩) বৃদ্ধি প্রাপ্ত ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করুন, না-হলে সমস্যা সম্ভব।

    কুম্ভ

    ১) পারিবারিক জীবনে কোনও সমস্যা থাকলে তা এবার দূর হবে।

    ২) স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    ৩) গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াবে, তাই সেগুলি সময় থাকতে পুরো করে নিন।

    মীন

    ১) আয় ব্যয়ের মাঝে ভারসাম্য বজায় রাখুন।

    ২) কর্মক্ষেত্রে আপনার কাজে বাধা উৎপন্ন হবে, বরিষ্ঠদের সাহায্যে সেই বাধা দূর করতে সক্ষম হবেন।

    ৩) অচেনা ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হতে পারে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: কে কোন দল করে বলার জন্য বা়ড়ি বাড়ি গিয়ে চাপ তৃণমূলের, কমিশনে যাবে অর্জুন

    Arjun Singh: কে কোন দল করে বলার জন্য বা়ড়ি বাড়ি গিয়ে চাপ তৃণমূলের, কমিশনে যাবে অর্জুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি, তৃণমূল, সিপিএম। কে কোন দল করে বলার জন্য বা়ড়ি বাড়ি গিয়ে চাপ দিচ্ছে তৃণমূল। অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh) গড় ভাটপাড়ায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তৃণমূল এই কাজ শুরু করতে চলেছে। রীতিমতো ফর্মে লেখা রয়েছে, একাধিক রাজনৈতিক দলের নাম। আর কেউ মতামত না জানতে চাইলে ইভিএমে নোটার মতো ব্যবস্থা রাখা রয়েছে। তাদের মূলত ফ্লোটিং ভোটার হিসেবে তৃণমূল চিহ্নিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর তৃণমূলের এই সমীক্ষা নিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। ভোটের মুখে এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে বারাকপুর লোকসভায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ১৯ তারিখের মধ্যে সমীক্ষা শেষ করার নির্দেশ

    অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh) খাসতালুক ভাটপাড়া। বামফ্রন্টের জমানাতেও অর্জুন গড় টলাতে পারেনি সিপিএম। ভাটপাড়াবাসী  দুহাত তুলে আশীর্বাদ করেছেন অর্জুন সিংকে। ২০০১ সাল থেকে বিধায়ক। বর্তমানে তার ছেলে বিজেপির বিধায়ক। গত লোকসভায় শেষ মুহূর্তে বিজেপি-র প্রার্থী হয়েছিলেন অর্জুন। বারাকপুর লোকসভায় সাতটি বিধানসভার মধ্যে ভাটপাড়ায় প্রায় ৩০ হাজার ভোটে লিড পেয়েছিলেন। ২০২১ সালে বারাকপুর শিল্পাঞ্চল জুড়ে সবুজ ঝড় বয়ে গিয়েছিল। সেখানে ভাটপাড়ায় অর্জুনের ক্যারিশ্মা অটুট ছিল। প্রায় ১৩ হাজার ভোটে অর্জুন পুত্র পবন জয়ী হয়েছিলেন। স্বাভাবিকভাবে ভাটপাড়ায় অনেকটাই ব্যাকফুটে রয়েছে তৃণমূল। তাই, এবার অর্জুনের সেই গড়ে থাবা বাসাতে তৃণমূল এবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে চাপ দিয়ে ভোটারদের কাছে থেকে কে কী দল করে তা জানতে চাইছে। ভোটারদের কাছে জানতে চাওয়া হচ্ছে তারা তাকে ভোট দেন, তৃণমূল, বিজেপি না সিপিএমকে। ১৯ তারিখের মধ্যে সেই সমীক্ষা শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভূপতিনগরে হামলায় জখম এনআইএ আধিকারিকের স্বাস্থ্য রিপোর্ট চাইল পুলিশ

    বাড়ি বাড়ি গিয়ে কী করছে তৃণমূল?

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটার লিস্টের মতো সেখানে ভোটারের নাম এবং তাঁর বাবার নাম রয়েছে। এরপর সেই ব্যক্তি কোন ধর্মের সঙ্গে যুক্ত, মুসলিম, মতুয়া, জেনারেল, এসসি এবং এসটি। এরপর তৃণমূল, সিপিএম এবং বিজেপি-র নাম উল্লেখ রয়েছে। আর কেউ বলতে না চাইলে চিহ্নিত করা গেল না বলে উল্লেখ রয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ওই ফর্মে নির্দিষ্ট জায়গায় ফিলআপ করার জন্য সমীক্ষার কাজ শুরু করা হচ্ছে। ভাটপাড়া শহর তৃণমূলের সভাপতি দেবজ্যোতি ঘোষ বলেন, আমরা এই কাজ শুরু করতে চলেছি। ভাল সাড়া মিলছে। তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিক বলেন, শুধু ভাটপাড়া নয়, সাত বিধানসভায় আমরা এভাবে বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা করব।

    কমিশনে যাবে বিজেপি

    বিজেপি অর্জুন সিং বলেন, ভাটপাড়ার মানুষ আমাকে ভালোবাসে। তাঁরা কখনও আমাকে ফেরাইনি। আসলে ভাটপাড়ার মানুষের সঙ্গে সব সময় আমি থাকি। ওরা সেটা জানে। তবে, এভাবে কে কোন দল করে তা জানা যায় না। এটা তৃণমূল জোর করে এসব করছে। আমরা নির্বাচন কমিশনে যাব। আর এটুকু বলতে পারি, তৃণমূল যাই করুক না কেন কিছু করতে পারবে না। আমি এবার ভাটপাড়া থেকে ৪০ হাজার ভোটে জয়ী হব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share