Tag: Madhyom

Madhyom

  • NIA: “হামলায় সরাসরি যুক্ত ছিল ধৃতরা”, আদালতে আর কী কী জানালো এনআইএ?

    NIA: “হামলায় সরাসরি যুক্ত ছিল ধৃতরা”, আদালতে আর কী কী জানালো এনআইএ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তলব করার পরও হাজিরা দেননি। এরপর সার্চ ওয়ারেন্ট নিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরে হানা দিয়েছিল এনআইএ (NIA)। বিস্ফোরণ মামলার ঘটনার তদন্তে গিয়ে তৃণমূল কর্মী বলাই মাইতি এবং মনোব্রত জানাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার সময় আক্রান্ত হন এনআইএ-এর আধিকারিকরা। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি। শনিবারই ধৃতদের এনআইএ বিশেষ আদালতে তোলা হয়। এই দু’জনকে পাঁচ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আর্জি জানায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বিচারক সেই নির্দেশ মঞ্জুর করেন।

    বাজেয়াপ্ত নগদ টাকা, মোবাইল (NIA)

    ধৃত দুজনকে আদালতে তোলার পর এনআইএ-এর (NIA) পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, সার্চ ওয়ারেন্ট নিয়েই গ্রামে গিয়েছিল। শনিবার সকালের হামলার ঘটনায় বলাই মাইতি ও মনোব্রত জানা সরাসরি যুক্ত ছিল। একজন আধিকারিক জখম হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে গাড়িও। ধৃত দু’জনের বিরুদ্ধে চার জন গোপন জবানবন্দি দিয়েছেন। এর আগে যখন দু’বার হাজিরা এড়িয়েছিল, তখনই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল এনআইএ। মামলার তদন্তে ২ লাখ ৩৬ হাজার টাকা, ৪টি মোবাইল ও বেশ কিছু রেজিস্টার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

    এনআইএ-এর আইনজীবী কী বললেন?

    অভিযুক্তের আইনজীবী আদালতে বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ডাকা হয়েছিল, আবার মাঝে ডাকল না। এখন নির্বাচনের আগে ডাকা হল। কেন? ভোট আসলে ডাকা হচ্ছে কেন?’ এই যুক্তিতে অভিযুক্তদের অন্তর্বর্তী জামিনের আর্জি জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, ‘নির্দিষ্ট ভাবে একটি রাজনৈতিক দলকে টার্গেট করা হচ্ছে।’ যদিও সেই যুক্তি উড়িয়ে দেন এনআইএ-র আইনজীবী। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক নীতি নিয়ে এনআইএ (NIA) চলে না। হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তভার গিয়েছে এনআইএ-র কাছে। এখনও চার জন পলাতক, তাদেরও ধরতে হবে। কোনও যোগসূত্র না থাকলে গ্রেফতার হত না। যদি এদের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ না থাকে, তাহলে ছেড়ে দেওয়া হবে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “মোদিই আমাদের রক্ষাকর্তা, ভোটটা তাঁকেই দেব”, বলছেন উত্তরপ্রদেশের হিন্দু শরণার্থীরা

    PM Modi: “মোদিই আমাদের রক্ষাকর্তা, ভোটটা তাঁকেই দেব”, বলছেন উত্তরপ্রদেশের হিন্দু শরণার্থীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমাদের হয়ে কেউ কথা বলে না।” কথাগুলি বললেন উত্তরপ্রদেশের তেরাই অঞ্চলের বাঙালি উদ্বাস্তুরা। এখানকার (PM Modi) ২৩টি গ্রামে রয়েছেন প্রায় ৪০ হাজার বাঙালি উদ্বাস্ত। যদিও সংখ্যাটা এক লাখের কাছাকাছি বলে দাবি সংবাদ মাধ্যমের।

    পিলভিটে আশ্রয়

    এঁদের অনেকেই পূর্ব পাকিস্তান (অধুনা বাংলাদেশ) থেকে চলে এসেছেন ভারতে। এঁদের মধ্যে অনেকেই ফিরে গিয়েছেন। বাকিরা ছিলেন উদ্বাস্তু শিবিরে। এঁদের মধ্যে অনেকেই উধম সিংহ নগর ও পিলভিটে আশ্রয় নিয়েছিলেন। যদিও তাঁরা কেউই ভারতীয় নাগরিকত্ব পাননি। ২০১৩ সালে পিলভিট থেকে জয়ী হয়েছিলেন বরুণ গান্ধী। তিনি জানান, তাঁর ঠাকুমা প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী অত্যাচারিত হিন্দুদের ইনস্ট্যান্ট নাগরিকত্ব দিয়ে ভারতে নিয়ে আসেন। তার পরেও পূর্ববঙ্গ থেকে অনেকেই অবৈধভাবে এসেছেন ভারতে।

    সিএএ

    সম্প্রতি দেশে সিএএ লাগু করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। এই (PM Modi) আইন এঁদের অনেকের কাছেই আশীর্বাদ স্বরূপ। তাই এই শরণার্থীদের অনেকেই জানিয়েছেন, তাঁরা এবার ভোট দেবেন বিজেপিকে। পিলভিটের নেওরিয়া, গাবিয়া, রামনগর এবং রামপুরিয়াকে ‘মিনি বেঙ্গল’ বলে ডাকেন স্থানীয়রা। সিএএ লাগু হওয়ার পর স্থানীয় প্রশাসনের তরফে এঁদের কাগজপত্র নিয়ে প্রস্তুত হতে বলেছে। উত্তরপ্রদেশের ১৯টি জেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন এঁরা। এঁদের মধ্যে ৩৭ হাজারই থাকেন পিলভিটে।

    আরও পড়ুুন: “কংগ্রেসের ইস্তাহারে মুসলিম লিগের ভাবনা”, তোপ মোদির

    বিজেপির প্রতি সামান্য হলেও, ক্ষোভ রয়েছে এঁদের। কারণ পিলভিট থেকে পদ্ম চিহ্নে জয়ী হয়েছেন বরুণ ও তাঁর মা মানেকা। তাঁরা পিলভিটের প্রতি তেমন নজর দেননি বলে অভিযোগ। তবে তাতেও খুব একটা সমস্যা হবে না পদ্ম শিবিরের। কারণ এঁদের সিংহভাগই রয়েছেন বিজেপির সঙ্গে। তাঁরা জানান, মন্ত্রী থাকাকালীন ২০১২ সালে এখানে এসেছিলেন প্রয়াত প্রণব মুখোপাধ্যায়ও। তার পরেও পিলভিট থেকে গিয়েছে পিলভিটেই। এবার তাই হাত উপুড় করে বিজেপিকে ভোট দিতে চাইছেন এঁরা। কারণ সিএএ। স্থানীয় এক প্রবীণ বলেন, “তবুও আমরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর দল বিজেপিকেই ভোটটা দেব। আমাদের প্রতিটি ভোটই পড়বে পদ্ম ঝুলিতে। কারণ কেউই আমাদের হয়ে কথা বলেননি। ইন্দিরা গান্ধী সাহায্য করার পরে আমরা কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছিলাম। কিন্তু তাঁর উত্তরসূরি কিংবা স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্ব আর আমাদের গুরুত্ব দেয়নি।”

    সিএএ চালু হওয়ায় খুশি এঁরা। তাঁরা বলেন, “আমরা এই ইস্যুটিকেই সব চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। বিভিন্ন দলের এই এলাকার অনেক নেতা আমাদের সঙ্গে দেখা করে গিয়েছেন। তবে তাতে চিঁড়ে ভিজবে না। আমরা বিজেপিকেই ভোট দেব। আমরা মোদিজি ও যোগীবাবাকে সমর্থন করি। মোদিজিই আমাদের (PM Modi) রক্ষাকর্তা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NIA:  এনআইএ হামলা নিয়ে তৎপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, সরাসরি ফোন ভূপতিনগর থানায়

    NIA: এনআইএ হামলা নিয়ে তৎপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, সরাসরি ফোন ভূপতিনগর থানায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির পর পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগর বিস্ফোরণের তদন্তে গিয়ে শনিবার ভোর-রাতে আক্রান্ত হয়েছেন এনআইএ-র আধিকারিকরা। ভাঙচুর করা হয়েছে। দুজন আধিকারিক চোট পেয়েছেন। এনআইএ আধিকারিকরা তৃণমূল কর্মী বলাই মাইতি ও মনোব্রত জানাকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় আক্রান্ত হন। এনআইএ (NIA) টিম চলে যাওয়ার পরও তৃণমূলের পতাকা হাতে নিয়ে এলাকাবাসী বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। এনআইএ-র বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছে। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার পরও শাসকদলের এই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় এজেন্সির ওপর হামলার ঘটনায় এবার তৎপর হয়েছে কেন্দ্রও।

    কী পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র? (NIA)  

    এদিন ভোরে ভূপতিনগরে এনআইএ (NIA) টিমের উপর হামলার ঘটনায় পদক্ষেপ করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সূত্রের খবর, অমিত শাহর মন্ত্রক থেকে ফোন করা হয়েছে ভূপতিনগর থানায়। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, কোন গ্রামের ঘটনা, ঠিক কী ঘটেছিল এবং এদিনের সার্বিক ঘটনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জানতে চাওয়া হয়েছে ভূপতিনগর থানার থেকে। তদন্তকারীদের ঘিরে বিক্ষোভ, হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনার অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়েও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে ফোনে খোঁজখবর নেওয়া হয় বলে সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, ভূপতিনগর বিস্ফোরণ কান্ডে শনিবারই দু’জনকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। এই গ্রেফতারি করতে যাওয়ার সময় বাধার মুখে পড়তে হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে। এনআইএ-এর তরফ থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ধৃত দুই তৃণমূল নেতা বলাইচরণ মাইতি এবং মনোব্রত জানা দুজনেই বোমার তৈরির ষড়যন্ত্র করছিলেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আরও জানিয়েছে, আতঙ্ক ছড়ানোই তাদের উদ্দেশ্য ছিল। দুজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পেশ করা হয়েছিল। এদিন বিচারক ৫দিনের এনআইএ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: এনআইএ-র উপর হামলা! মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন

    এনআইএ বিরোধী স্লোগান তৃণমূল কর্মীদের মুখে, উঠছে প্রশ্ন

    সন্দেশখালির কায়দায় হামলা চালানো হয়েছে তদন্তকারী সংস্থার গাড়িতেও। এই ঘটনায় স্থানীয় থানায় অভিযোগ জানাতে যাওয়ার সময় ফের এনআইএ-কে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। কিন্তু পরবর্তী সময়ে অভিযোগ দায়ের করতে পেরেছে এনআইএ। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ শাসকদলের মদতে এই বাজি কারখানা চলতো। বিরোধীদেরও অভিযোগ, পুলিশ ও শাসকদলের মদতে শাসক দলের নেতারা এই কারখানা চালাতো। এদিন এনআইএ-র বিরুদ্ধে তৃণমূলের ঝান্ডা হাতে গ্রামে বিক্ষোভ দেখানো হয়। যা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তৃণমূল নেতা ফাল্গুনী নন্দের অভিযোগ, ভোটের সময় কেন এই ভাবে আমাদের কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “কংগ্রেসের ইস্তাহারে মুসলিম লিগের ভাবনা”, তোপ মোদির

    PM Modi: “কংগ্রেসের ইস্তাহারে মুসলিম লিগের ভাবনা”, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে ইস্তাহার প্রকাশ করেছে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি কংগ্রেস। তাতে দেওয়া হয়েছে গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি। শনিবার উত্তরপ্রদেশের সাহরানপুরের এক জনসভা থেকে কংগ্রেসের সেই ইস্তাহারকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    ‘মুসলিম লিগের ভাবনা’

    তিনি বলেন, “স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় মুসলিম লিগের যে ভাবনা ছিল, সেই ভাবনা প্রতিফলিত হয়েছে কংগ্রেসের ইস্তাহারে। কংগ্রেসের ইস্তাহারে সম্পূর্ণভাবে মুসলিম লিগের ছাপ রয়ে গিয়েছে।” সাহারানপুরের ওই সভায় কংগ্রেসকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “কংগ্রেস যে ইস্তাহার প্রকাশ করেছে, তাতে এটাই প্রমাণ হয় যে আজকের দিনে ভারতের আশা-আকাঙ্খার সঙ্গে কংগ্রেসের দূর-দুরান্তেও কোনও যোগ নেই। বর্তমানে ভারতের আশা-আকাঙ্খার থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে কংগ্রেস।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মুসলিম লিগের ভাবনায় পুষ্ট এই ইস্তাহারে যে অংশটুকু বাকি রয়েছে, সেখানেও সম্পূর্ণভাবে বামপন্থী ভাবনার প্রভাব রয়েছে।” তিনি বলেন, “দূর-দুরান্ত পর্যন্ত এখানে কোথাও কংগ্রেসকে দেখা যাচ্ছে না। একবিংশ শতাব্দীতে এসে এই কংগ্রেস ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে না।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেসের ইস্তাহার দেখলে বুঝতে পারবেন, তারা দেশকে একশো বছর পিছিয়ে দেবে। নারীশক্তিকে কোনওদিন গুরুত্ব দেয়নি কংগ্রেস। স্বাধীনতার পর থেকে মহিলারা কষ্ট করেছেন। কংগ্রেসকে কি শাস্তি দেওয়া উচিত নয়?”

    আরও পড়ুুন: “শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে গুন্ডামির”, ভূপতিনগরকাণ্ডে প্রতিক্রিয়া রাজ্যপালের

    বিজেপি সরকারের একাধিক জনদরদি প্রকল্পের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমাদের সাহসী মেয়েরা সেনায় যোগ দিতে পারেন। তাঁদের জন্য সৈনিক স্কুলের দরজা খুলে দিয়েছি। মহিলাদের ছ’মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি ঘোষণা করেছি। সংসদে মহিলাদের সংরক্ষণের ব্যবস্থাও হয়েছে। গ্রামের মহিলারা সাইকেল চালাতে পারতেন না, তাঁরা এখন ড্রোন চালান। ইসরোর প্রকল্পও সামলাচ্ছেন মহিলারা। আপনারা ভাবতে পারেন, অনেক করেছি। বিশ্বাস করুন, এটা ট্রেলার। আরও কাজ হবে। আপনাদের স্বপ্নপূরণের জন্য আমি দায়বদ্ধ। ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করব (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Siliguri: সরকারি হলে দলীয় প্রচার তৃণমূলের, বিধিভঙ্গের অভিযোগ তুলে কমিশনে যাচ্ছে বিজেপি

    Siliguri: সরকারি হলে দলীয় প্রচার তৃণমূলের, বিধিভঙ্গের অভিযোগ তুলে কমিশনে যাচ্ছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে (Siliguri) তৃণমূলের বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের অভিযোগ উঠল। এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাবে বিজেপি। শনিবার উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের লেকচার থিয়েটার হলে তৃণমূলের রাজ্য সরকারি কর্মচারী সমিতির সাংগঠনিক সভা ডাকা হয়েছিল। সেখানে দার্জিলিং আসনের তৃণমূল প্রার্থী গোলাম লামার সঙ্গে সকলের পরিচয় করানো হয়। পাশাপাশি সেখানে বিভিন্ন নেতারা বক্তব্য রাখেন। শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র গৌতম দেব মূল বক্তা ছিলেন। মেডিক্যাল কলেজের মতো সরাকারি জায়গায় এধরনের অনুষ্ঠানকে নির্বাচন বিধি ভেঙে করা হয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির।

     রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দলীয় প্রচারে নামার নির্দেশ গৌতমের (Siliguri)

    রাজনৈতিক বক্তব্য রাখার পাশাপাশি বেশকিছু প্রতিশ্রুতির কথা বলেন মেয়র। শিলিগুড়ির (Siliguri) কাওয়াখালিতে অফিসপাড়া তৈরি করার মতো বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি দেন গৌতম দেব। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা, স্বাস্থ্য সহ রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরের কর্মচারীরা। তাদের উদ্দেশ্যে গৌতম দেব বলেন, আপনারা এখান থেকে গিয়ে পাড়ায়-পাড়ায় ছোট ছোট বৈঠকের মধ্য দিয়ে আমাদের প্রার্থীকে জেতানোর আবেদনে প্রচার চালাবেন।

    আরও পড়ুন: মোদির সভা ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে, আশায় বুক বাঁধছেন দলের কর্মী-সমর্থকরা

     কি বলছে বিজেপি?

    বিজেপির শিলিগুড়ি (Siliguri) বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, মালদাতেও একই ঘটনা ঘটিয়েছে তৃণমূল। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের মধ্যে সভা করে তৃণমূল নির্বাচনী প্রচার করল। সেখানে তৃণমূলের প্রার্থী সহ তাদের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এটা নির্বাচন বিধিভঙ্গের মধ্যে পড়ে। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে এ নিয়ে নালিশ জানাবো। পাশাপাশি তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে আমার প্রশ্ন, যে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ দিতে পারছে না তৃণমূল সরকার, সেখানে কোন মুখে তাদের নিয়ে ভোট প্রচার করার পাশাপাশি তাদেরকে ভোটের কাজে নামারও আবেদন জানান? তৃণমূল দু’কান কাটা, তাই তাদের মধ্যে কোনও লজ্জা নেই।

    কী বলছে তৃণমূল?

    সরকারি জায়গায় দলীয় প্রচার করে চরম বেকায়দায় পড়ে গিয়েছে তৃণমূল। তবে, দলীয় নেতারা কেউ মুখ খুলতে চাইছে না। তবে,এদিন এই সভার শেষে গৌতম দেবকে সাংবাদিকরা নির্বাচন বিধিভঙ্গ নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি এই বিষয় নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মোদিতে মুগ্ধ পর্যটকরা! প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর লাক্ষাদ্বীপ নিয়ে আগ্রহ তুঙ্গে

    PM Modi: মোদিতে মুগ্ধ পর্যটকরা! প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর লাক্ষাদ্বীপ নিয়ে আগ্রহ তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি-ম্যাজিক বলুন বা মোদির করিশমা! প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) যাওয়ার পর থেকেই বদলে গিয়েছে লাক্ষাদ্বীপের (Lakshadweep) ছবি। আগে যে দ্বীপে ঘুরতে যেতে ভয় পেত, পাঁচবার ভাবত, এখন সেই দ্বীপ ভ্রমণ পিপাসুদের আইকনিক গন্তব্য। এমনই দাবি করেছেন লাক্ষাদ্বীপের পর্যটন আধিকারিক ইমতিয়াজ  মহম্মদ টিবি। 

    লাক্ষাদ্বীপ নিয়ে পর্যটকরদের আগ্রহ

    লাক্ষাদ্বীপের (Lakshadweep) পর্যটন আধিকারিক ইমতিয়াজ  মহম্মদ টিবি বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রভাব বিশাল পড়েছে এখানে। আমাদের সঙ্গে বহু মানুষ যোগাযোগ করছেন। ফোন করে পর্যটন সংক্রান্ত খোঁজখবর নিচ্ছেন।’’ আন্তর্জাতিক পর্যটকেরাও লক্ষদ্বীপ নিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন। তাঁর কথায়, প্রচুর লোক এখন লাক্ষাদ্বীপ সম্পর্কে জানতে ফোন করছেন। শুধু দেশের লোকেরা নয়, বিদেশ থেকেও বহু পর্যটক দ্বীপে বেড়াতে আসবেন বলে খবর নিচ্ছেন। লাক্ষাদ্বীপ ভ্রমণের অন্যতম আকর্ষণ বিলাসবহুল ক্রুজ ভ্রমণ। পর্যটক বাড়ায় জাহাজ সংস্থার সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। দ্বীপে ক্রমশ বাড়ছে পর্যটকের সংখ্যা, দাবি প্রশাসনের। এই অবস্থায় ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের সঙ্গে লাক্ষাদ্বীপের যোগাযোগ ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: “বিজেপি ‘নেশন ফার্স্ট’ নীতিতে কাজ করেছে”, প্রতিষ্ঠা দিবসে বললেন মোদি

    মোদি সফরের প্রভাব

    গত জানুয়ারি মাসে লাক্ষাদ্বীপ (Lakshadweep) সফরে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। নীল সমুদ্রের তীরে সুন্দরী প্রকৃতির কোলে প্রধানমন্ত্রীর অবসর কাটানোর ছবি ছড়িয়ে পড়ে সোশাল মিডিয়া এবং সংবাদমাধ্যমে। সেখানের অসাধারণ সুন্দর সমুদ্র সৈকতে ঘুরে বেড়ান তিনি, স্নরকেলিংও করেন। বিদেশের কোনও সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে না গিয়ে, দেশের অন্দরেই থাকা এত সুন্দর সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে আসার আহ্বান জানান তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী মোদি জানুয়ারি মাসে লাক্ষাদ্বীপের সাদা বালির সিবিচ, নীল জল আর আকাশের ছবি পোস্ট করেন এক্স হ্যান্ডেলে। ক্যাপশানে লেখেন, ‘সাহসী অভিযানকে আলিঙ্গন করতে চান যিনি, ‘লাক্ষাদ্বীপ তাঁর তালিকায় থাকবেই।’ পর দিন ৫০ হাজার মানুষ লক্ষদ্বীপ নিয়ে গুগলে অনুসন্ধান চালিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী মোদির এই আহ্বানের প্রভাব কতটা জোরাল, তার প্রভাব বোঝা যাচ্ছে লাক্ষাদ্বীপের পর্যটনের গ্রাফ দেখেই। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA Attacked: এনআইএ-র উপর হামলা! মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন

    NIA Attacked: এনআইএ-র উপর হামলা! মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূপতিনগরে এনআইয়ের (NIA Attacked) উপর হামলার ঘটনায় মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল নির্বাচন কমিশন। পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা নির্বাচন দফতর থেকে রিপোর্ট চাওয়ার পাশাপাশি জেলার পুলিশ সুপারের রিপোর্টও চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক ও  নবান্নর থেকেও রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। ভূপতিনগরের ঘটনায় রাজ্য পুলিশের ডিজি, পুলিশ সুপার (পূর্ব মেদিনীপুর), এসডিপিও ও ভূপতিনগরের ওসি-র বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার জন্য কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 

    কী ঘটেছিল

    ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে ভয়াবহ বিস্ফোরণ কেঁপে উঠেছিল পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগর। ওই বিস্ফোরণে তিনজনের মৃত্যু হয়। আদালতের নির্দেশে বিস্ফোরণের তদন্ত করছে এনআইএ (NIA Attacked)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ভূপতিনগর বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্তে শনিবার ভোরে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন আধিকারিকরা। সেখান থেকে দু’জন অভিযুক্তকে আটক করে গাড়িতে তোলার পরই গ্রামবাসীদের একাংশ হামলা চালায়। গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। ঘটনায় দুজন আধিকারিক জখম হয়েছেন। ভূপতিনগর বিস্ফোরণ কাণ্ডে সম্প্রতি আটজনকে এনআইএ-র কলকাতার দফতরে হাজির দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। অভিযুক্তরা হাজিরা না দেওয়ায় শনিবার ভোরে গ্রামে পৌঁছন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুন: “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এনআইএ-র উপর হামলা হয়েছে”, ভূপতিনগরের ঘটনায় সরব সুকান্ত-শুভেন্দু

    কমিশনের রিপোর্ট তলব

    ভোটের মুখে রাজ্যে এনআইএর (NIA Attacked) উপর হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন নির্বাচন কমিশন। শনিবারেই পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা নির্বাচন দফতর ও জেলার পুলিশ সুপারের রিপোর্ট তলব করে নির্বাচন কমিশন। একইসঙ্গে ঘটনার রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক ও  নবান্নর থেকেও। শান্তিপূর্ণ লোকসভা ভোটের জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্যে এসেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজ্যেপ্রথম দফায় ভোট ১৯ এপ্রিল। তার আগে রাজ্যে কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের উপর হামলা মেনে নিতে পারছে না নির্বাচন কমিশন। তাই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • CV Ananda Bose: “শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে গুন্ডামির”, ভূপতিনগরকাণ্ডে প্রতিক্রিয়া রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: “শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে গুন্ডামির”, ভূপতিনগরকাণ্ডে প্রতিক্রিয়া রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির পর এবার ভূপতিনগর। ইডির পরে এবার এনআইএ। আবারও (CV Ananda Bose) তদন্ত করতে গিয়ে আক্রান্ত সরকারি সংস্থার আধিকারিকরা। ঘটনাচক্রে, দুটি ক্ষেত্রেই কাঠগড়ায় তৃণমূল। সন্দেশখালিকাণ্ডে অবশ্য মূল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহান গ্রেফতার হতেই তাকে ঝেড়ে ফেলতে বহিষ্কার করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল। ভূপতিনগরে অবশ্য এখনও সেরকম কিছুই হয়নি। ভূপতিনগরের ঘটনার প্রেক্ষিতে কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। শনিবার তিনি বলেন, “এ ধরনের গুন্ডামি চলতে দেওয়া উচিত নয়…বিষয়টিকে শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে।”

    এনআইএর ওপর হামলা (CV Ananda Bose)

    ঘটনার সূত্রপাত এদিন কাকভোরে। ভূপতিনগরে বিস্ফোরণকাণ্ডে অভিযুক্ত বলাই মাইতি ও মনোব্রত জানা নামে দুই তৃণমূল নেতাকে আটক করতে গিয়েছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। অভিযোগ, সেই সময় গ্রামবাসীদের একাংশ এনআইএর আধিকারিকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। তাঁদের গাড়ি ভাঙচুরও করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনা প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে রাজ্যপাল বলেন, “এনআইএ অফিসারদের ওপর আক্রমণ একটি খুবই গুরুতর বিষয়। তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে হুমকি দেওয়ার চেষ্টা মোটেই কোনও কৃতিত্বের বিযয় নয়।” তিনি (CV Ananda Bose) বলেন, “বিষয়টিকে লোহার মতো শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে। এটি একটি অত্যন্ত গুরুতর পরিস্থিতি। সম্পূর্ণ গুরুত্ব সহকারে এর মোকাবিলা করতে হবে।” রাজ্যপালের সাফ কথা, “এ ধরনের গুন্ডামি চলতে দেওয়া উচিত নয়। পেশি শক্তির আইনি ক্ষমতা প্রতিস্থাপন করা উচিত নয়।”

    এনআইএর দাবি

    প্রাথমিক তদন্তের পর এনআইএর দাবি, ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে এই দুই তৃণমূল নেতাই মূল চক্রী। এনআইএর তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বোমা তৈরির ষড়যন্ত্র করেছিলেন বলাই ও মনোব্রত। এলাকায় আতঙ্ক ছড়াতেই ঘটানো হয়েছিল বিস্ফোরণ। সূত্রের খবর, এদিন এলাকার পাঁচটি জায়গায় হানা দিয়ে আটক করা হয় এই দুজনকে। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে নাড়ুয়াবিল্লার বাসিন্দা রাজকুমার মান্নার বাড়িতে বিস্ফোরণ হয়। ঘটনায় মৃত্যু হয় তিনজনের। ৩ ডিসেম্বর এফআইআর দায়ের করে রাজ্য পুলিশ। পরে এনআইএ তদন্তের দাবিতে মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। গত ৪ জুন তদন্তভার নেয় (CV Ananda Bose) এনআইএ।

    আরও পড়ুুন: হিন্দু-বিরোধী প্রচার করছে মুসলমান বনে যাওয়া বামুনের ছেলে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: মোদির সভা ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে, আশায় বুক বাঁধছেন দলের কর্মী-সমর্থকরা

    Jalpaiguri: মোদির সভা ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে, আশায় বুক বাঁধছেন দলের কর্মী-সমর্থকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) নির্বাচনী জনসভা করতে আসছেন নরেন্দ্রে মোদি। দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক কথায় বলা যেতেই পারে জলপাইগুড়ি লোকসভা আসনে এক ইঞ্চি মাটি ছাড়তে নারাজ বিজেপি শিবির। কোচবিহারের পর এবার জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি ব্লকের ময়নাতলিতে সভা করবেন নরেন্দ্র মোদি। মোদির সভা ঘিরে ইতিমধ্যেই ধূপগুড়ি ব্লকের মাগুরমারী ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ময়নাতলি লাল স্কুল এলাকায় সভাস্থল নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে জোর কদমে। সব মিলিয়ে মোদির সভাকে ঘিরে এই মুহুর্তে  উন্মাদনা তুঙ্গে জলপাইগুড়ি জুড়ে।

    সভাস্থলে প্রস্তুতি তুঙ্গে (Jalpaiguri)

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, জাতীয় সড়ক পার্শ্ববর্তী ময়নাতলি লাল স্কুল এলাকায় তিনি সভা করবেন। রাস্তার অপর প্রান্তেই তৈরি করা হচ্ছে হেলিপ্যাড। বেলা দুটো নাগাদ প্রধানমন্ত্রীর আসার কথা রয়েছে। হেলিপ্যাড থেকে সড়কপথে উল্টো দিকের কৃষি জমিতে তার সভাস্থলে ঢুকবেন। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার বিষয় মাথায় রেখে আধা সামরিক বাহিনীর ডগ স্কোয়াড ও বম্ব স্কোয়াড এর কড়া নজরদারিতে সভামঞ্চ তৈরির কাজ চলছে। হেলিপ্যাড থেকে শুরু করে সভাস্থল, সভামঞ্চ সবক্ষেত্রেই বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। রীতিমতো ময়নাতলি এলাকা কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীতে সভা স্থল মুড়ে ফেলা হয়েছে। জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) আসনে গতবার জয়ন্ত রায় জয়ী হয়েছিলেন। এবার দল তাঁকে প্রার্থী করেছে। এই আসনটি ফের নিজেদের দখলে রাখতে খোদ প্রধানমন্ত্রী প্রচারে আসছেন। আবার ধূপগুড়ি বিধানসভা উপনির্বাচনের তৃণমূল প্রার্থীর জয়ের পর ধূপগুড়ি মহকুমা ঘোষণা এবং সেই প্রার্থীকেই লোকসভা আসনে মনোনীত করাকে ছোট করে দেখতে চাইছে না বিজেপি। প্রধানমন্ত্রীর সভা কে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বিজেপি কর্মীদের মধ্যে শুরু হয়েছে তুমুল উচ্ছ্বাস। দলের নেতা-কর্মীরা দাঁড়িয়ে থেকে সমস্ত কাজ তদারকি করছেন। সভায় নেতা-কর্মী-সমর্থকদের যাতে কোনওরকম অসুবিধা না হয় তারজন্য পর্যাপ্ত জল এবং মেডিক্যাল টিমও থাকবে বলে বিজেপি সূত্রে জানানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এনআইএ-র উপর হামলা হয়েছে”, ভূপতিনগরের ঘটনায় সরব সুকান্ত-শুভেন্দু

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক শ্যাম প্রসাদ বলেন, মোদিজির সভায় কয়েক লক্ষ লোক হবে বলে আমরা আশা করছি। সাধারণ মানুষ দলীয় প্রার্থীকে ফের একবার আশীর্বাদ করবেন। এদিকে বায়ু সেনার হেলিকপ্টার দুদিন মহড়া দিয়ে গেছে অস্থায়ী হেলিপ্যাডে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pinaki Bhattacharya: হিন্দু-বিরোধী প্রচার করছে মুসলমান বনে যাওয়া বামুনের ছেলে!

    Pinaki Bhattacharya: হিন্দু-বিরোধী প্রচার করছে মুসলমান বনে যাওয়া বামুনের ছেলে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম পিনাকি ভট্টাচার্য (Pinaki Bhattacharya)। ছিল বর্ণহিন্দু। বাংলাদেশি বামুনের ছেলে। ধর্ম বদলে সে-ই হয়ে যায় মুসলমান। শুধু তাই নয়, তালিবানি জামাতের আদর্শে উদ্ধুব্ধ হয়ে শুরু হয় ভারত-বিরোধী ও হিন্দু-বিরোধী প্রচার। পাশাপাশি, চলতে থাকে জাল ওষুধ থেকে শুরু করে চিনা যৌন-উদ্দীপক ট্যাবলেট এবং ইয়াবা সহ মাদক পাচার। এর পর বাংলাদেশে তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হতেই স্বদেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। বর্তমানে ফ্রান্সে ঘাঁটি গেড়েছে এই হিন্দু-বিরোধী মুসলমান। ইউটিউব এবং অন্যান্য সোশ্যাল মাধ্যম ব্যবহার করে সে চুটিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে ভারত বিরোধী প্রচার।

    পিনাকিকে অর্থ সাহায্য করছে কারা?

    জানা গিয়েছে, মুসলমান বনে যাওয়া পিনাকিকে অর্থ সাহায্য করছে জামাত-ই-ইসলামি। আল কায়েদার সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে যে বিএনপির, তারাও অর্থ সাহায্য করছে পিনাকিকে (Pinaki Bhattacharya)। তার জেরেই সে শুরু করেছে ‘ইন্ডিয়া আউট’ প্রোপাগান্ডা। তার চ্যানেলের দর্শকদের হিন্দু-বিরোধী ও ভারত-বিরোধী কাজ করতে উৎসাহ দিচ্ছে বলেও অভিযোগ। আমেরিকা, ইজরায়েল, ব্রিটেন, ইউরোপিয় ইউনিয়নেও হিন্দু ও ভারত বিরোধী প্রচার চালাচ্ছে সে। পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন, যারা জম্মু-কাশ্মীরে সক্রিয়, তারাও সমর্থন করছে পিনাকিকে। আফগান তালিবানের ঘোরতর বিরোধী সে।

    পিনাকির বায়োডেটা

    বাংলাদেশের বোগরা জেলার জলেশ্বরী তলায় ১৯৬৭ সালে জন্ম পিনাকির। বাবা শ্যামল ভট্টাচার্য ছিলেন স্কুল শিক্ষক। পড়াশোনায় ভালো পিনাকি ভর্তি হয়েছিল রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজে। পাশ করে বের হয় ১৯৯২ সালে। অধঃপাতের সূত্রপাত সেখানেই। কলেজে পড়াকালীনই জামাতের সংস্পর্শে আসে পিনাকি। পরে হয় মুসলমান। এর পরেই পিনাকির সঙ্গে সমস্ত রকম সম্পর্ক ছিন্ন করেন শ্যামলবাবু। পিনাকির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন তার স্ত্রীও, যখন তিনি জানতে পারেন তাঁর স্বামীর যোগাযোগ রয়েছে আইএসআই, জিহাদি এবং জঙ্গিদের সঙ্গে।

    আরও পড়ুুন: ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডের মূলে ধৃত ২ তৃণমূল নেতাই, বিবৃতি প্রকাশ এনআইএ-র

    ফ্রান্সে ঘাঁটি গেড়ে বসা পিনাকি হাওয়ালার ব্যবসা শুরু করেছে, সঙ্গে চালাচ্ছে ইউটিউব চ্যানেলও। তার চ্যানেলের সিংহভাগ দর্শকই অর্ধশিক্ষিত। মূলত বাংলাদেশি শ্রমিক যাঁরা কর্মসূত্রে ছড়িয়ে রয়েছেন মালয়েশিয়া এবং মধ্য প্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। সম্প্রতি একটি ভিডিওয় পিনাকির দাবি, বাংলাদেশের ইন্ডিয়া আউট ক্যাম্পেন থামাতে ভারত প্রচুর অর্থ লগ্নি করেছে।

    ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের দাবি, পিনাকি উগ্রপন্থী। সেই হিন্দু এবং ভারত-বিরোধী সেন্টিমেন্টে সুড়সুড়ি দিচ্ছে। হিন্দু ধর্মের অপমান করতে নিরন্তর চেষ্টা করে চলেছে সে। হিন্দুদের সে বেজন্মা বলে গালিও দিচ্ছে। বাংলাদেশের যেসব মানুষ এবং সংবাদ মাধ্যম ভারতপন্থী, তাদেরও খিস্তি-খেউড় করছে সে। হিন্দু ধর্মকে ছোট করতে নিয়মিত কনটেন্ট আপলোড করছে পিনাকি। হিন্দুদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করতে বাংলাদেশি তরুণদের উদ্বুদ্ধও করছে এই বিধর্মী (Pinaki Bhattacharya)!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share