Tag: Madhyom

Madhyom

  • Rajya Sabha: রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে শপথ নিলেন শমীক ভট্টাচার্য

    Rajya Sabha: রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে শপথ নিলেন শমীক ভট্টাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবারই রাজ্যসভার সাংসদ শপথ নিলেন বিজেপির শমীক ভট্টাচার্য। তাঁকে এদিন শপথ বাক্য পাঠ করান উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। বাংলাতেই শপথ নেন শমীক। শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে এদিন শপথ নেন আরও ১৪ জন (Rajya Sabha)। তালিকায় ছিলেন সোনিয়া গান্ধীও। প্রসঙ্গত, রাজ্য বিজেপিকে সুশৃঙ্খল এবং তথ্য সহকারে উপস্থাপন করার জন্যে বিপুল জনপ্রিয়তা রয়েছে শমীকের। দীর্ঘ সময় ধরেই বিজেপির মুখপাত্রের দায়িত্ব সামলে আসছেন তিনি। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ থেকে এ রাজ্যে নির্বাচিত ২ জন সাংসদ রয়েছেন রাজ্যসভায়। শমীক বাবু ছাড়াও রয়েছেন অনন্ত মহারাজ।

    দীর্ঘসময় ধরে রাজ্য বিজেপির মুখপাত্রের দায়িত্ব সামলে আসছেন শমীক ভট্টাচার্য

    প্রসঙ্গত, দীর্ঘসময় ধরে রাজ্য বিজেপির মুখপাত্রের দায়িত্ব সামলে আসছেন শমীক ভট্টাচার্য। রাজনৈতিক মহলে, সুবক্তা (Rajya Sabha) হিসেবে পরিচিত তিনি। দলের অবস্থান সম্পর্কে সংবাদ মাধ্যমের সামনে সুস্পষ্ট যুক্তিতে দলের প্রতিনিধিত্ব করতে দক্ষ এই রাজনীতিবিদ। দীর্ঘদিন ধরেই দলের অনুগত সৈনিক হিসেবে কাজ করছেন তিনি। সেই আনুগত্যের পুরস্কার পেলেন তিনি, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। আগামী দিনে রাজ্যসভায় বিজেপির ভাবধারা ও আদর্শ এবং সর্বোপরি জনসাধারণের নানা সমস্যা সম্পর্কে সংসদের উচ্চকক্ষে বক্তব্য পেশ করবেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: কেন বিজেপিতে? ‘কৈফিয়ত’ দিলেন অভিজিৎ, কী লিখলেন জানেন?

    শপথ নিলেন সোনিয়াও

    এদিনই শপথ নেন সোনিয়া গান্ধী। প্রসঙ্গত, শারীরিক কারণে লোকসভা ভোটে না দাঁড়ানো সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন (Rajya Sabha) সোনিয়া গান্ধী। এমত অবস্থায় রায়বেরেলি আসন থেকে তাঁর উত্তরসূরী নিয়ে কে হতে পারেন তা নিয়ে চলছে জল্পনা। প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর নামও শোনা যাচ্ছে। সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরেই রাজ্যসভায় নির্বাচিত হলেন সোনিয়া গান্ধী। তিনি রাজস্থান থেকে নির্বাচিত হয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ‘দলের কোনও দিশা নেই, সনাতন ধর্ম বিরোধী’, ইস্তফা দিলেন কংগ্রেস মুখপাত্র গৌরব বল্লভ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ‘‘এক শতাংশ অভিযোগ সত্য হলেও লজ্জার বিষয়,’’ সন্দেশখালি ইস্যুতে বলল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: ‘‘এক শতাংশ অভিযোগ সত্য হলেও লজ্জার বিষয়,’’ সন্দেশখালি ইস্যুতে বলল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘এক শতাংশ অভিযোগ সত্য হলেও লজ্জার বিষয়।’’ সন্দেশখালি নিয়ে মামলা শুনানিতে এমনই মন্তব্য করতে শোনা গেল কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমকে। এ দিন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে সন্দেশখালি সংক্রান্ত জনস্বার্থ একটি মামলা শুনানি ছিল। প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টে সন্দেশখালির ঘটনার মোট পাঁচটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। এর প্রত্যেকটির শুনানি চলছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে।

    আরও পড়ুুন: কেন বিজেপিতে? ‘কৈফিয়ত’ দিলেন অভিজিৎ, কী লিখলেন জানেন?

    কী বললেন প্রধান বিচারপতি?

    প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানম বলেন, ‘‘ন্যাশানাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর রিপোর্ট অনুযায়ী (Calcutta High Court) এই রাজ্য মেয়েদের জন্য সব থেকে নিরাপদ বলা হয়েছে। কিন্তু সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর যা ঘটনা ঘটেছে আইনজীবীরা হলফনামা দিয়ে তাঁদের উপর অত্যাচারের ঘটনার কথা আদালতকে জানিয়েছেন। এত অভিযোগের একটাও যদি সত্যি হয় তা অত্যন্ত লজ্জাজনক।’’

    শাহজাহান মামলার নথি তলব

    শাহজাহানের বিরুদ্ধে (Calcutta High Court) এখনও পর্যন্ত দায়ের হওয়া সমস্ত মামলার এফআইআর এবং চার্জশিটের নথি মুখ বন্ধ খামে রাজ্যকে জমা দিতে বলে এদিন উচ্চ আদালত। এই সমস্ত নথির কপিও চেয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। এ নিয়ে প্রথম আপত্তি জানিয়েছিল রাজ্য। তাদের আইনজীবীর প্রশ্ন ছিল ওই সমস্ত মামলা আর্থিক দুর্নীতি সম্পর্কিত নয় তাহলে কেন তথ্য চাই। তখন ইডি জানায়, আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত করতেই এগুলো দরকার।

    আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল কী বলছেন?

    আইনজীবী (Calcutta High Court) প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল এদিন বলেন, ‘‘তিনি যে হলফনামা এদিন আদালতে দিয়েছেন সেখানে ৭০০ জনের বেশি অভিযোগ করেছেন। তার মধ্যে ১০০ টি’র বেশি মহিলাদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। বাকি জমি দখলের অভিযোগ। বিএলআর ছাড়া এইভাবে জমি দখল করা যায় না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: লোকসভা নির্বাচনে বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে আইএসএফের জোট ভেস্তে গেল

    Lok Sabha Election 2024: লোকসভা নির্বাচনে বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে আইএসএফের জোট ভেস্তে গেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে আইএসএফের জোট ভেস্তে গেল। বৃহস্পতিবারই আইএসএফের নেতা নওশাদ সিদ্দিকি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, লোকসভা ভোটে বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে কোনও আসন সমঝোতায় তারা যাবে না। একাই লড়বে আইএসএফ। ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি এর আগেই জানিয়েছিলেন, সিপিএম যদি শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী প্রত্যাহার করে তবেই মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে মহম্মদ সেলিমের বিরুদ্ধে প্রার্থী প্রত্যাহার করার বিষয়টি বিবেচনা করবে তাঁর দল। কিন্তু ঘটনা হল, শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে সিপিএম প্রার্থী প্রত্যাহার করেনি। এই আবহে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নওশাদ সিদ্দিকি জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও জোট নয় লোকসভা ভোটে একাই লড়বে আইএসএফ।

    যাবতীয় দায় নওশাদ সিদ্দিকি চাপালেন সিপিএমের ওপর

    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের আগেই প্রতিষ্ঠিত হয় ‘ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট’। এই ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের একমাত্র বিধায়ক হলেন ভাঙড়ের নওশাদ সিদ্দিকি। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে ছিল আইএসএফ। তবে লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) এই জোট ভেস্তে গেল। যদিও জোট না হওয়ার যাবতীয় দায় নওশাদ সিদ্দিকি চাপালেন সিপিএমের ওপর। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, ‘‘ওখানে সিপিএম আমাদের বিরুদ্ধে প্রার্থী দিয়েছে। কারণ মুর্শিদাবাদে আমরা প্রথমে প্রার্থী ঘোষণা করেছিলাম। তারপরে সিপিএম সাংবাদিক সম্মেলন করে সেলিম সাহেবকে ওখানে দাঁড় করিয়েছে। বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে আমরা জোট চেয়েছিলাম। কিন্তু বামেদের জন্য সেই জোট হল না।’’

    জোটের প্রসঙ্গে এদিন কংগ্রেসকেও এক হাত নিলেন নওশাদ

    এদিন নওশাদ বলেন, ‘‘কিছু আসনে কংগ্রেস এবং আইএসএফের সঙ্গে আলোচনা করেই আমরা প্রার্থী দিতে চেয়েছিলাম। তাই সব আসনে এখনও প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়নি। তবে নওসাদ যে দাবি করছেন, এই ধরনের বার্গেনিং পলিটিক্স ঠিক নয়। আইএসএফ অন্যের হাতে সাজানো তামাক খাচ্ছে।’’ জোটের প্রসঙ্গে এদিন কংগ্রেসকেও এক হাত নিলেন নওশাদ। তাঁর দাবি, ‘‘জোটের প্রশ্নে কংগ্রেস প্রথম থেকেই ভিলেনের মতো আচরণ করে আসছে।’’ জোট না হওয়ার দায় পুরোটাই সিপিএম-কংগ্রেসের উপর চাপালেও ডায়মন্ডহারবারে তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামবেন কিনা তা সেই প্রশ্নের উত্তর দেননি নওশাদ সিদ্দিকি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: “১০ বছরে যা হয়েছে, এটা তো ট্রেলার, আমাকে অনেক কাজ করতে হবে”, বললেন মোদি

    Narendra Modi: “১০ বছরে যা হয়েছে, এটা তো ট্রেলার, আমাকে অনেক কাজ করতে হবে”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখন বিকশিত ভারত তৈরির সময়। ভারত বিকশিত হলে বাংলারও লাভ। বাংলার ভাইবোনেদের সবচেয়ে বেশি সুবিধা হবে। এটা দেশের নির্বাচন। দিল্লিতে মজবুত সরকার জরুরি। মোদি মজবুত সরকার দেয় কিনা? সেটা আপনারাই বলুন। দেশের সরকার বানাতে হবে। কাজ করার মতো সরকার বানাতে হবে। বৃহস্পতিবার কোচবিহারের বিদায়ী সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের সমর্থনে প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) একথা বলেন।

    আপনাদের স্বপ্নই মোদির সংকল্প (Narendra Modi)

    প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) বলেন, স্বাধীনতার পর ৬-৭ দশক পর্যন্ত জনগণ কেন্দ্রে কেবল কংগ্রেসের মডেল দেখেছে, এবার গত দশ বছরে পূর্ণ ক্ষমতাসম্পন্ন বিজেপি সরকারের মডেল দেখেছে। আজ দুনিয়া বলে, মোদি মজবুত নেতা। আজ মানুষ বলে, মোদি বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো নেতা। আমি হাত জোড় করে বলছি, মোদি ভারতে জনতার সামান্য সেবক। মোদি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন কারণ তাঁর ওপর ১৪০ কোটি ভারতীয়র স্বপ্ন পূরণ করার দায়িত্ব আছে। আপনাদের স্বপ্নই মোদির সংকল্প, মোদির গ্যারান্টি। আজ গ্রামে গ্রামে ডিজিটাল হচ্ছে। ঘরে ঘরে ফোন পৌঁছে গিয়েছে। এত আধুনিক নেটওয়ার্ক দুনিয়ার অনেক বিকশিত দেশেও নেই। এসসি-এসটি ও গ্রামের মহিলাদের জীবনে সুযোগ এসেছে। গরিবি হঠাও সংকল্প নিয়েছে সরকার। দেশকে গরিবিয়ানা থেকে বার করে মোদি দেখিয়ে দিয়েছে। এটা সম্ভব হয়েছে, কারণ আমাদের ভাগ্য, সততা সঙ্গে রয়েছে। তাই আমি বলি, উদ্দেশ্য সঠিক, তাহলে পরিণামও সঠিক। মোদি আপনাদের ভবিষ্যতের চিন্তা করে।

    ১০ বছরে যে উন্নয়ন হয়েছে, এটা তো ট্রেলার

    প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) আরও বলেন, মোদির লক্ষ্য সঠিক, তাই এত বছর পর জম্মু-কাশ্মীরে আর্টিকল ৩৭০ থেকে মুক্তি মিলেছে, নারীরা তিন তালাক প্রথা থেকে মুক্তি পেয়েছেন, ৫০০ সাল পরে অযোধ্যাতে রামমন্দির তৈরি হয়েছে। তাই দেশ বলে, যেখানে অন্যের থেকে চাহিদা শেষ হয়ে যায়, সেখান থেকেই মোদির গ্যারান্টি শুরু হয়। বাংলার কোটি মানুষ বিনামূল্যে রেশন পাচ্ছেন, পাকা ঘর পেয়েছেন, বাংলার কোটি মানুষ শৌচাগার, বিদ্যুৎ, গ্যাস, জল সব মিলেছে, কারণ মোদির গ্যারান্টি ছিল। চাষিদের জন্য পিএম কৃষাণ সম্মান নিধিতে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা সোজাসুজি দিই। ১০ সালে যে উন্নয়ন হয়েছে, তার লিস্ট অনেক লম্বা। বাংলার সব এলাকায় হয়েছে। তবে এটা মনে রাখবেন ১০ বছরে যে বিকাশ হয়েছে, এটা তো ট্রেলর। এখন তো আমাকে অনেক অনেক কাজ করতে হবে। দেশকে আরও অনেক এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। বাংলাকে অনেক আগে নিয়ে যেতে হবে। মোদী গ্যারান্টি দিয়েছে, ৩ কোটি ‘বোন’কে ‘লাখপতি দিদি’ বানানোর। নমো ড্রোন দিদি যোজনার মাধ্যমে মেয়েদের ড্রোন দিচ্ছি। ড্রোন পাইলট বানাচ্ছি। যাতে চাষের ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা হয়। বাংলার মেয়েদের আত্মনির্ভর বানাতে হবে। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে বহু সম্ভাবনা রয়েছে। এখানকার বিকাশের জন্য নিরন্তর কাজ করেছে চলেছে।

    আরও পড়ুন: “সন্দেশখালির দোষীদের সারা জীবন জেলেই কাটাতে হবে,” কোচবিহারে কড়া হুঁশিয়ারি মোদির

    তৃণমূল-বাম-কংগ্রেসের জোট কেবল রাজনীতি করতেই ব্যস্ত

    মোদি (Narendra Modi) বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা করা, যাতায়াত সুবিধা যাতে হয়, তার চেষ্টা চলছে। কিন্তু তৃণমূল, বাম, কংগ্রেসের জোট কেবল রাজনীতি করতেই ব্যস্ত। ওরা মতুয়াদের কখনও পরোয়া করেনি। বিজেপি সরকার সিএএ এনেছে, তাহলে ওরা ভুল রটাচ্ছে। সব পরিবারকে নাগরিকতা দেওয়া মোদির গ্যারান্টি। বাংলার সব পরিবারকে বলছি, এই তৃণমূল-বাম-কংগ্রেস ভয় দেখাবে। লোকতান্ত্রিক পদ্ধতি নিয়ে ভুল কথা বলবে। কিন্তু দশ বছর ধরে আপনারা আমার কাজ দেখেছেন, এখন আমার গ্যারান্টির ওপর ভরসা রাখতে পারেন। এখানে তো তৃণমূল-বাম-কংগ্রেস সবাই লড়াই করছে। কিন্তু দিল্লিতে তো ওরা এক থালাতেই খায়। এক সঙ্গে থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gourav Vallabh: “রামমন্দির উদ্বোধনের আমন্ত্রণপত্র প্রত্যাখ্যান মানা যায় না” , কংগ্রেস ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করলেন গৌরব

    Gourav Vallabh: “রামমন্দির উদ্বোধনের আমন্ত্রণপত্র প্রত্যাখ্যান মানা যায় না” , কংগ্রেস ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করলেন গৌরব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই ভোট (Lok Sabha Election)। তার আগেই যেন ক্রমশ হেরে যাচ্ছে কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার বিজেপিতে যোগ দিলেন এআইসিসির সদ্য-প্রাক্তন মুখপাত্র গৌরব বল্লভ। বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ের উপস্থিতিতে দিল্লিতে আনুষ্ঠানিক ভাবে ‘পদ্ম’ শিবিরে শামিল হলেন গৌরব। বৃহস্পতিবার বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন বিহার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অনিল শর্মাও। 

    কেন বিজেপিতে যোগ

    কংগ্রেস ছাড়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিজেপিতে যোগ দিলেন গৌরব বল্লভ। বৃহস্পতিবার সকালেই দু’পাতার চিঠি লিখে কংগ্রেস ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন দলের মুখপাত্র বল্লভ। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরে গৌরব বলেন, ‘‘কংগ্রেস এখন দিশাহীন ভাবে কাজ করছে। সনাতন ধর্মের বিরোধিতা করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। চিঠিতে আমি আমার হৃদয়ের সমস্ত ব্যথা লিখেছি। যে ভাবে অযোধ্যায় ভগবান রামের মন্দির উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পাওয়ার পরেও তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে, আমার পক্ষে তা মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। সনাতন ধর্মের বিরোধিতা করা অসম্ভব। আমি আজ বিজেপিতে যোগ দিয়েছি এবং আশা করি ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমি আমার ক্ষমতা ও জ্ঞানের সদ্ব্যবহার করতে পারব।’’

    আরও পড়ুন: ‘দলের কোনও দিশা নেই, সনাতন ধর্ম বিরোধী’, ইস্তফা দিলেন কংগ্রেস মুখপাত্র গৌরব বল্লভ

    কংগ্রেসে গণতন্ত্র নেই

    গত মাসে পূর্ণিয়ার ‘বাহুবলী’ প্রাক্তন সাংসদ পাপ্পু যাদব কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পরেই প্রতিবাদে দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন বিহারের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি অনিল শর্মা। দলে গণতন্ত্র নেই, এমন অভিযোগ করে লোকসভা ভোটের আগে কংগ্রেস ছাড়েন তিনি। লালুপ্রসাদ যাদবের দল আরজেডির সঙ্গে জোটের বিরোধিতা করেছিলেন অনিল। এদিন বিজেপিতে যোগ দিয়ে তিনি বলেন,”গণতন্ত্র বাঁচানোর কথা বলে কংগ্রেস। কিন্তু দুঃখের বিষয়, কংগ্রেসে কোনও গণতন্ত্র দেখা যায় না। তাই এই সিদ্ধান্ত নিলাম।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: “সন্দেশখালির দোষীদের সারা জীবন জেলেই কাটাতে হবে,” কোচবিহারে কড়া হুঁশিয়ারি মোদির

    Narendra Modi: “সন্দেশখালির দোষীদের সারা জীবন জেলেই কাটাতে হবে,” কোচবিহারে কড়া হুঁশিয়ারি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সন্দেশখালির দোষীদের সারা জীবন জেলেই কাটাতে হবে।” কোচবিহারের মঞ্চ থেকে এমনই কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর এই প্রথম বাংলায় মোদি। কোচবিহারের বিদায়ী সাংসদ তথা বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের সমর্থনে প্রচারে এসেছেন নরেন্দ্র মোদি। সভায় তাঁর পাশে উপস্থিত বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারও। কোচবিহারের রাসমেলা ময়দান থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা দেখেছেন তৃণমূল সরকার কীভাবে সন্দেশখালির অপরাধীদের বাঁচানোর জন্য পুরো শক্তি লাগিয়ে দিল! সেখানে মহিলাদের ওপর কী ধরনের অত্যাচার হয়েছে। এখন বিজেপি সংকল্প নিয়েছে, সন্দেশখালির দোষীদের শাস্তি দিয়েই ছাড়বে। সারা জীবন জেলেই কাটাতে হবে।

    আরও পড়ুন: “মতুয়া মেলা বন্ধ করার চক্রান্ত করছে তৃণমূল”, সরব শান্তুনু ঠাকুর

    তৃণমূলের দুর্নীতির জন্য প্রকল্প সময়ে শেষ হয় না রাজ্যে

    গরিবদের লুটেরাদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ করেছে মোদি। দেশ যাতে ভ্রষ্টাচারমুক্ত হয়, দেশ যাতে আতঙ্কবাদ মুক্ত হয়, তার জন্য কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। আপনারাই বলুন যারা আপনাকে লুটেছে, তাদের শাস্তি হওয়া উচিত কিনা? দিনরাত মোদিকে গালি দেয়। তোলাবাজি, খুন খারাবির রাজনীতি এভাবে চলছে। আগামী ৫ বছরের মধ্যে দুর্নীতিতে যুক্তদের বিরুদ্ধে আরও কড়া পদক্ষেপ হবে। এটা তৃণমূলকে যোগ্য জবাব দেওয়ার সময়। বাংলার জনতার জন্য যে যোজনা আনি, বাংলার সরকার এখানে সেটা হতেই দেয় না। আয়ুস্মান ভারত প্রকল্পকে আটকেছে। তৃণমূল সরকার করতেই দিচ্ছে না। যদি এখানে এই প্রকল্প হত, তাহলে অন্য রাজ্যেও পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা হত। সব জেলাতে একটা করে মেডিক্যাল কলেজ করতে চায় বিজেপি। তৃণমূল সেটা করতে দিচ্ছে না। বাংলাকে রেকর্ড পয়সা দেওয়ার পরও দুর্নীতির জন্য প্রকল্প সময়ে শেষ হয় না। রেশন দুর্নীতিতে, শিক্ষা দুর্নীতি যারা জড়িত, তাদের বাঁচানোর চেষ্টা চলছে। তৃণমূলের মন্ত্রীদের থেকে নোটের পাহাড় উদ্ধার হয়েছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    কৃতজ্ঞতা জানালেন মোদি

    কোচবিহারের রাসমেলা ময়দান থেকে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যের শুরুতেই বলেন, যখন রাস্তা দিয়ে আসছিলাম, দেখে মনে হচ্ছিল, যেন কোনও রোড শো হচ্ছে। আপনাদের এই ভালোবাসা আমার মাথায় রয়েছে। আমি সবার প্রথমে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাইছি। ২০১৯ সালে যখন আমি এই ময়দানেই এসেছিলাম, তখন এখানে মাঝখানে একটা বড় মঞ্চ বানিয়ে ময়দানের জায়গা ছোট করে দিয়েছিলেন তিনি। যাতে মোদির কথা কেউ শুনতে না পারে। সেদিন আমি মমতাদিদিকে বলেছিলাম, দিদি আপনি এটা করে ভুল করলেন, মানুষ জবাব দেবে, সেটাই হয়েছে। কিন্তু, আজ মমতাদিদি সেরকম কিছুই করেননি। ময়দান ছেড়ে দিয়েছেন। আপনাদের সকলের মুখ আজ আমি দেখতে পারছি। বাংলার জনগণের মুখ দেখার জন্য কোনও বাধা না দেওয়ায় আমি কৃতজ্ঞতা জানাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Locket Chatterjee: সহযোদ্ধাদের লড়াইয়ে রসদ জোগানোর টোটকা দিলেন লকেট, কী বললেন?

    Locket Chatterjee: সহযোদ্ধাদের লড়াইয়ে রসদ জোগানোর টোটকা দিলেন লকেট, কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়েছে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে বলা হয়েছে বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প ঢুকছে। তার ফলে অস্বস্তি বাড়বে। এই সপ্তাহেই অনেক জেলাতে ৪০ ডিগ্রি পার হবে তাপমাত্রার পারদ। ঠিক এমন সময়তেই বাংলায় আসন্ন লোকসভা নির্বাচন (lok sabha election 2024), আর ভোট আসতেই জেলায় জেলায় শুরু হয়ে গেছে ভোট প্রচার। তবে এই রোদে প্রতিদিন ভোট প্রচার (election campaign) থাকলেও নিজের শরীরের খেয়াল রাখতে ভুলছেন না হুগলী লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়।  

    লকেটের ডায়েট টিপস

    নিয়ম করে ডায়েট(diet) মেনে খাবার খেয়েই রোজ প্রচার সারছেন হুগলীর বিজেপি প্রার্থী। এই প্রচারের মাঝেই ভোটের বাকি প্রার্থীদের উদ্দেশ্যেও দিলেন ডায়েট টিপস। প্রচণ্ড গরমে সমস্ত প্রার্থীদের বেশী করে জল ও ঠান্ডা ভাত খেতে পরামর্শ দিলেন হুগলীর বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায় (locket chatterjee), একই সঙ্গে তিনি নিজের খাদ্য তালিকাও ভাগ করে নিলেন। জানালেন, “আমি নিজে বেশী করে বাতাসা খাচ্ছি, জল খাচ্ছি। সবাইকে বলবো বেশি করে জল খান, মুড়ি জল খান। বিগত দিনে চারটি নির্বাচনে এই পদ্ধতিতে লড়েই ভালও থেকেছি।”

    আরও পড়ুন: প্রচারে বেরিয়ে শরীর সুস্থ রাখতে সুকান্তর ডায়েট চার্ট কী জানেন?

    লকেটের জনসংযোগ

    উল্লেখ্য এদিন হুগলির বিজেপি প্রার্থী(hoogly BJP candidate) লকেট চট্টোপাধ্যায় হাতে পদ্ম ফুল নিয়ে, ব্যান্ড পার্টি সহকারে সকাল থেকে প্রচারে বের হন। এরপর সিঙ্গুর  বিধানসভার পাঁচঘরা জলাপাড়া শিব মন্দিরে পুজো দিয়ে এলাকায় পায়ে হেঁটে জনসংযোগ করলেন হুগলির বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়। এরপর কখনও পায়ে হেঁটে আবার কখনো হুড খোলা টোটোয় প্রচার সারেন পাঁচঘরা পঞ্চায়েত এলাকায়। সে সময়ই প্রচারের মাঝে নিজের ডায়েট চার্ট জানালেন লকেট। সঙ্গে অন্যান্য প্রার্থীদেরকে (election candidate) ও দিলেন গরমে সুস্থ থাকার টিপস। তাই প্রবল গরমের মধ্যে লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election) প্রচার চালাতে অবশ্যই খেতে হবে বেশি করে জল ও তরল জাতীয় খাবার (liquid food)। আর পড়তে হবে হালকা রঙের ঢিলে ঢালা পোশাক। প্রবল তাপপ্রবাহের মধ্যে রাজনীতির ময়দানে প্রচারে ঝড় তুলতে শরীর সুস্থ রাখতে এগুলিই হল চাবিকাঠি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Electoral Bonds: তৃণমূলকে অনুদান দিতেই ফিউচার গেমিংয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত বন্ধ কলকাতা পুলিশের!

    Electoral Bonds: তৃণমূলকে অনুদান দিতেই ফিউচার গেমিংয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত বন্ধ কলকাতা পুলিশের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী বন্ডের (Electoral Bonds) মাধ্যমে তৃণমূলকে অনুদান দেওয়ার পুরস্কার পেল ফিউচার গেমিং! ফিউচার গেমিং ও হোটেল সার্ভিসেস এই দুই সংস্থারই মালিক সান্তিয়াগো মার্টিন। এই দুই সংস্থার বিরুদ্ধে দুটি মামলার তদন্ত করছিল কলকাতা পুলিশ। জানা গিয়েছে, সেই মামলা দুটি বন্ধ করে দিয়েছে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের পুলিশ। সান্তিয়াগোর এই দুই কোম্পানিই নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে অনুদান দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসকে।

    সান্তিয়াগোর কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ (Electoral Bonds)

    পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমে ডিয়ার লটারি চালায় সান্তিয়াগোর কোম্পানি। এই কোম্পানির বিরুদ্ধে উঠেছে প্রতারণা ও ক্রিমিনাল ষড়যন্ত্রের অভিযোগ। সেই অভিযোগেরই তদন্ত করছিল কলকাতা পুলিশ। সেই তদন্তই বন্ধ করে (Electoral Bonds) দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সম্প্রতি নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। তখনই জানা গিয়েছে, সান্তিয়াগোর ফিউচার গেমিং ২০২০ সালের অক্টোবরে তৃণমূলকে অনুদান বাবদ দিয়েছে ১ কোটি টাকা।

    কোটি কোটি টাকা অনুদান 

    পরের বছর জুলাই মাসেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলকে এই সংস্থা অনুদান দিয়েছে ৩০ কোটি টাকা। এই বছরেরই অক্টোবরে ফের ৪৬ কোটি টাকা দিয়েছে ফিউচার গেমিং। ২০২২ সালে মমতার দলকে সান্তিয়াগোর এই সংস্থা আবারও ৬০ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে। জানা গিয়েছে, অনুদান পাওয়ার পরে পরেই ২০২১ এর ডিসেম্বর এবং পরের বছরের জানুয়ারিতেই সান্তিয়াগোর দুই সংস্থার বিরুদ্ধে চলা দুটি মামলার তদন্ত বন্ধ করে দিয়েছে কলকাতা পুলিশ।

    আরও পড়ুুন: মুখ থুবড়ে পড়বে ‘ইন্ডি’, গাড্ডায় কংগ্রেস, অপ্রতিরোধ্য বিজেপি, বলছে সমীক্ষা

    মামলা বন্ধের পরেই নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে তৃণমূলের ঝুলিতে গিয়েছে আরও অনেক বেশি টাকা। জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত মমতার দলকে অনুদান দিয়েই গিয়েছে সান্তিয়াগোর সংস্থা। সব মিলিয়ে এর পরিমাণ ৫৪২ কোটি টাকা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর অবশ্য বন্ধ হয়ে গিয়েছে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে অনুদান দেওয়া।

    সান্তিয়াগোর সংস্থার বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ ওঠায় ২০১০ সালে তদন্ত শুরু করে সিবিআই। কিন্তু ২০১৪ সালের পরেও, সেভাবে এগোয়নি তদন্ত। ফিউচার গেমিংয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে আর এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডিও। কলকাতা পুলিশ ২০১৯ সালে এফআইআর দায়ের করার পর তদন্ত শুরু করে ইডি। সেহেতু রাজ্য পুলিশ ক্লোজার রিপোর্ট দিয়ে দিয়েছে, তাই ইডির তদন্ত আপাতত বিশবাঁও জলে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের (Electoral Bonds)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Ballistic Missile: সতর্ক থাকুক পাকিস্তান, চিন! ‘অগ্নি প্রাইম’ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ ভারতের

    Ballistic Missile: সতর্ক থাকুক পাকিস্তান, চিন! ‘অগ্নি প্রাইম’ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন প্রজন্মের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (Ballistic Missile) ‘অগ্নি প্রাইম’-এর (Agni-Prime) সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করল ভারত। বৃহস্পতিবার ওড়িশা উপকূলে এপিজে আবদুল কালাম দ্বীপে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণের কথা প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিবৃতি

    মন্ত্রকের বিবৃতি বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রের (Ballistic Missile) পরীক্ষার সময় সমস্ত কার্যকারিতা তথা উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। সেনার স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ড (এসএফসি) এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) যৌথভাবে অগ্নি প্রাইম ব্যালেস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা চালিয়েছে। বুধবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ ক্ষেপণাস্ত্রটিকৃ উৎক্ষেপণ করা হয়। চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহানের সামনেই এই উৎক্ষেপণ হয়। ছিলেন ডিআরডিও (DRDO) ও সেনার উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও। সফল পরীক্ষার জন্য ডিআরডিও, এসএফসি এবং সেনাকে অভিনন্দন জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণে সেনা বাহিনীর শক্তি কয়েক গুণ বাড়ল। 

    অগ্নি প্রাইমের শক্তি

    অগ্নি প্রাইম মিসাইল (Ballistic Missile) হল অগ্নি সিরিজের নতুন প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র। এই ক্ষেপণাস্ত্রের ওজন ১১,০০০ কেজি। ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০০০ কিলোমিটার দূরের যে কোনও লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সক্ষম। ৩৪.৫ ফুট লম্বা ক্ষেপণাস্ত্রটিকে এক বা মাল্টিপল ইন্ডিপেন্ডেন্টলি টার্গেটেবল রিএন্ট্রি ভেহিক্যল (MIRV) ওয়ারহেডের সঙ্গে লাগানো যেতে পারে। এই ক্ষেপণাস্ত্র একসঙ্গে একাধিক লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করতে পারে।

    আরও পড়ুন: ‘দলের কোনও দিশা নেই, সনাতন ধর্ম বিরোধী’, ইস্তফা দিলেন কংগ্রেস মুখপাত্র গৌরব বল্লভ

    তাওয়াং এবং অরুণাচলে চিনের সঙ্গে সংঘাতের আবহেই এই ব্যালাস্টিক মিসাইলের সফল পরীক্ষা করল ভারত। দূরপাল্লার এই মিসাইসল প্রয়োজন পড়লে চিনের রাজধানী বেজিংয়েও আঘাত হানতে সক্ষম বলে জানা নিয়েছে। এই মিসাইলের সফল পরীক্ষার মধ্য দিয়ে পাকিস্তান ও চিনকে প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি বলে মত আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের। যদিও সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারেই এই পরীক্ষা করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: দিনভর জনসংযোগে কৃষ্ণনগরের বিজেপি প্রার্থী, জয়ের বিষয়ে আশাবাদী রানিমা

    Nadia: দিনভর জনসংযোগে কৃষ্ণনগরের বিজেপি প্রার্থী, জয়ের বিষয়ে আশাবাদী রানিমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পরিবারের রাজবধূ অমৃতা রায়কে প্রার্থীকে করে মাস্ট্রার স্ট্রোক দিয়েছে বিজেপি। কারণ, বিজেপি প্রার্থী ও তাঁর বংশ নিয়ে তৃণমূলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু ছোট-বড় সব স্তরের নেতারা আক্রমণ করছেন। বোঝাই যাচ্ছে, রানিমা প্রার্থী হওয়ায় নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরে তৃণমূল বেশ চাপে পড়ে গিয়েছে।

    জনসংযোগে রানিমা (Nadia)

    তৃণমূল লাগাতার আক্রমণ করলেও বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে রানিমা নিজের কেন্দ্রে দিনভর নিজেকে জনসংযোগে ব্যস্ত রাখলেন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি রাজবাড়ি থেকে বেরিয়ে কৃষ্ণনগর (Nadia) আমিনবাজারের পৌঁছান। সেখানে প্রচুর সংখ্যক কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে পদযাত্রা করেন। রানিমাকে দেখার জন্য রাস্তার দুধারে সাধারণ মানুষ জমায়েত হন। এরপর বিভিন্ন বাজার, রাস্তাঘাট সহ একাধিক এলাকাগুলিতে গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ভোটের আবেদন করেন তিনি। তবে, একটা সময় গেছে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া রানিমাকে অনেকে দর্শন করতে পারতেন না। কিন্তু, নির্বাচনে তাঁর নাম ঘোষণা হওয়ার পরে তিনি জনসমক্ষে বেরিয়ে আসেন। আর রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের বর্তমান রাজবধূকে একবার দেখার জন্য স্বাভাবিকভাবেই মানুষের মধ্যে এক অন্য অনুভূতি থেকেই থাকে। আর তাই প্রার্থীকে দেখার জন্য রাস্তায় ভিড় জমাচ্ছেন।

    আরও পড়ুন: “মতুয়া মেলা বন্ধ করার চক্রান্ত করছে তৃণমূল”, সরব শান্তুনু ঠাকুর

    জয়ের বিষয়ে আশাবাদী রানিমা

    ভোট প্রচারের মধ্যে দিয়ে অমৃতা রায় বলেন, ভোটে দাঁড়ানোর পর থেকেই কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী থেকে শুরু করে অন্যান্য রাজনৈতিকদলের প্রার্থীরা আমাকে বিভিন্ন ভাষায় মন্তব্য করছেন। কিন্তু, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। কারণ, মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। আমি আশাবাদী, লোকসভা নির্বাচনে মানুষের রায়ে আমি জয়যুক্ত হব। অন্যদিকে, নাকাশিপাড়া থানা এলাকায় এক তৃণমূল কর্মীকে খুন করার ঘটনায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, সকালে এই ঘটনার কথা আমি জানতে পারি। এই মর্মান্তিক ঘটনা, যে বা যারা করুক তারা যাতে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পায় তার ব্যবস্থা করার জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে আমি আর্জি জানাচ্ছি।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share