Tag: Madhyom

Madhyom

  • Loksabha Election 2024: ভোটার কার্ড ছাড়াও এগুলি দেখিয়ে ভোট দিতে পারবেন, জেনে নিন কমিশনের নিয়ম

    Loksabha Election 2024: ভোটার কার্ড ছাড়াও এগুলি দেখিয়ে ভোট দিতে পারবেন, জেনে নিন কমিশনের নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, ভোটার আইডি কার্ড না-থাকলেও ভোট দেওয়া যাবে৷ সেক্ষেত্রে ভোটার তালিকায় নিজের নাম আছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে৷ তালিকায় নাম থাকলে ভোটার কার্ড ছাড়াও ভোট দেওয়া যাবে৷ ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে ভোট গ্রহণ। এবারও ভোট হবে সাত দফায়। ১ জুন শেষ দফার ভোট।

    কী কী নিয়ে ভোট দিতে যাবেন

    নির্বাচন কমিশন জানাচ্ছে, ভোট দানের জন্য পরিচিতি প্রমাণের ক্ষেত্রে যে কোনও একটি অনুমোদিত নথি বা পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখুন। কাছে রাখতে পারেন ভোটারদের সচিত্র পরিচয়পত্র (এপিক), আধার কার্ড, প্যান কার্ড, চাকরির পরিচয়পত্র, শারীরিক প্রতিবন্ধকতাযুক্ত ভোটারদের বিশেষ পরিচয় পত্র (UDID), ফোটো সহ ব্যাঙ্ক বা ডাকঘরের পাসবই, স্বাস্থ্যবিমার স্মার্টকার্ড (শ্রম মন্ত্রক), ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট, এন পি আর-এর অধীনে আর জি আই প্রদত্ত স্মার্টকার্ড, পেনশনের নথি, এম এন আর ই জি এ-জব কার্ড প্রভৃতি। ভোটার তালিকায় নাম থাকলে এই পরিচয় পত্রগুলির মধ্যে যে কোনও একটি সঙ্গে থাকলেই আপনি ভোট দিতে যেতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: বেড়াতে যাবেন, বিয়ের মরশুম! সামনে নির্বাচন জানেন কত নগদ রাখতে পারবেন সঙ্গে?

    ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে

    ভোটার হিসাবে নাম নথিভুক্তিকরণের জন্য যে কোনও ভারতীয় নাগরিককে অনলাইন বা অফলাইনে 6 নম্বর ফর্মটি পূরণ করতে হবে৷ অনলাইনে 6 নম্বর ফর্ম পূরণ-নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব ওয়েবসাইটে (https://voters.eci.gov.in) গিয়ে ৬ নম্বর ফর্ম পাওয়া যাবে৷ এখানে তথ্য ও প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করে ধাপে ধাপে ফর্মটি পূরণ করতে হবে৷ অফলাইনে ৬ নম্বর ফর্মটি ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারের কার্যালয়, অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার এবং বুথ লেভেল অফিসারের কাছ থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়া যাবে৷ এখানেও প্রয়োজনীয় তথ্য লিখে নথি-সহ জমা দিতে হবে ৷ পরে ওই ভোটারের কাছে ডাকযোগে ভোটার আইডি কার্ড পৌঁছে যাবে৷ আবার আধিকারিকদের কার্যালয়ে গিয়েও কার্ডটি মিলতে পারে ৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “আবেদন-নিবেদন নয়, আমি অ্যাকশনে বিশ্বাসী”, প্রচারে স্ট্রেট ব্যাটে খেললেন দিলীপ ঘোষ

    Dilip Ghosh: “আবেদন-নিবেদন নয়, আমি অ্যাকশনে বিশ্বাসী”, প্রচারে স্ট্রেট ব্যাটে খেললেন দিলীপ ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলায় প্রতিবাদ এবং আন্দোলন করার একটা ফ্যাশন আছে। কাজ কিছু হয় না। আর আমি নিবেদন-আবেদন করি না কারও কাছে, আমি অ্যাকশন করি।” ভোটের প্রচারে বেরিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভার বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। আবার প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থীকে ভোটে হারিয়ে ‘প্যাক’ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি।

     ভোটের জন্য  বেদখলের মতো কাজও মেনে নেয় রাজ্যের শাসকদল (Dilip Ghosh)

    বুধবার দলীয় কর্মীদের নিয়ে বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী দিলীপ (Dilip Ghosh) মালির বাগান মাঠে হাঁটছিলেন। সেই সময় কয়েক জন বিজেপি প্রার্থীকে কাছে পেয়ে এলাকার খেলার মাঠ নিয়ে সমস্যার কথা বলেন। স্থানীয়েরা দিলীপকে জানান, বেআইনিভাবে মাঠের জায়গায় বহুতল নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে মাঠ ছোট হয়ে আসছে। এ বিষয়ে দিলীপকে পদক্ষেপ করতে আবেদন করতেন তাঁরা। প্রত্যুত্তরে দিলীপ বলেন, “মেনটেন করা তো আমাদের হাতে থাকবে না। তবে কব্জা যাতে না হয়ে যায়, সেটা দেখা আমার দায়িত্ব। তার পর সময়ে অনেক কিছুই হবে।” এই প্রেক্ষিতেই দিলীপ বলেন, “বাংলায় প্রতিবাদ এবং আন্দোলন করার একটা ফ্যাশন আছে। কাজ কিছু হয় না। আর আমি নিবেদন-আবেদন করি না কারও কাছে, আমি অ্যাকশন করি।” বর্ধমান শহরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সূর্যনগর মালির মাঠে গিয়ে স্থানীয়দের ওই খেলার মাঠ নিয়ে অভিযোগ শোনার পর দিলীপের মন্তব্য, “উত্তরপ্রদেশে, অসমে কেমন ‘ট্রিটমেন্ট’ হচ্ছে দেখেছেন তো।” মেদিনীপুরের বিদায়ী সাংসদ আরও বলেন, “খড়্গপুরে আমি ছিলাম। সেখানে প্রচুর মাঠ রেলের। যে পারছে, বসে যাচ্ছে। নড়াচড়া করতে বললেই সে বলবে, ‘আমরা তো এত বছর ধরে আছি।’ এই ভাবে বড় বলবে, ‘আমরা তো এত বছর ধরে আছি।’ এই ভাবে বড় মাঠের একটা অংশ বাংলাদেশিরা ঢেকে নিচ্ছে। অর্ধেকটা কব্জা হয়ে গিয়েছে।” দিলীপের অভিযোগ, ভোট রাজনীতির জন্য জায়গা বেদখলের মতো কাজও মেনে নেয় রাজ্যের শাসকদল।

    তৃণমূল প্রার্থীকে নিয়ে কী বললেন দিলীপ ঘোষ?

    পাশাপাশি কঙ্কালেশ্বরী কালীবাড়িতে গিয়ে তৃণমূল প্রার্থী তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার কীর্তি আজাদকে আবার নিশানা করেন দিলীপ (Dilip Ghosh)। কীর্তি তাঁকে উদ্দেশ্য করে ‘পাগল’ বলে কটাক্ষ করেছেন। তা নিয়ে দিলীপের জবাব, “কে পাগল, সেটা ভোটের ফলের দিন দেখা যাবে। এমন হারাব যে জীবনে ভোটে দাঁড়াবেন না (কীর্তি)।” তাঁর সংযোজন, “উনি বিহারে চলে যান। ওঁর কথা ওঁর দলের লোকেরাই বোঝেন না। বাংলার মা-বোনেরা কী বুঝবেন। ওঁকে ভাল করে প্যাক করে দেব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CGHS-ABHA Link: সিজিএইচএস-এবিএইচএ আইডি সংযুক্তিকরণের কাজ বাধ্যতামূলক, জানাল কেন্দ্র

    CGHS-ABHA Link: সিজিএইচএস-এবিএইচএ আইডি সংযুক্তিকরণের কাজ বাধ্যতামূলক, জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এপ্রিলের তিরিশ তারিখের মধ্যেই সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট হেল্থ স্কিম বেনিফিশিয়ারি আইডির সঙ্গে আয়ুষ্মান ভারত হেল্থ অ্যাকাউন্ট আইডি সংযোগ (CGHS-ABHA Link) করতে হবে। সম্প্রতি এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক।

    শেষ করতে হবে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে (CGHS-ABHA Link)

    সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে পয়লা এপ্রিল। শেষ হবে চলতি মাসেরই ৩০ তারিখে। সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এটা স্থির করা হয়েছে যে সিজিএইচএস বেনিফিশিয়ারি আইডির সঙ্গে এবিএইচএ আইডি সংযুক্তিকরণের কাজ বাধ্যতামূলকভাবে শেষ করতে হবে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে। সিজিএইচএস বেনিফিশিয়ারি (CGHS-ABHA Link) যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের এই কাজটি করতেই হবে। সিজিএইচএস বেনিফিশিয়ারি আইডির সঙ্গে এবিএইচএ আইডি সংযুক্তিকরণের কাজ শেষ হলে হেল্থ কেয়ার সার্ভিসের ডিজিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার আরও সমৃদ্ধশালী হবে। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্ত রেকর্ড থাকবে সরকারের নখদর্পণে। কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে খবর, সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট হেল্থ স্কিমের উপভোক্তাদের যাতে ডিজিটালি চিহ্নিত করা যায়, তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট হেল্থ স্কিমের উপভোক্তাদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য ডিজিটালি রাখা থাকবে।

    সিজিএইচএস

    সিজিএইচএস চালু হয়েছিল ১৯৫৪ সালে। সরকারি কর্মীদের নিখরচায় ওষুধ এবং চিকিৎসা পরিষেবা দিতেই কেন্দ্র এই প্রকল্প শুরু করেছিল। সরকারি কর্মীদের পাশাপাশি এই পরিষেবা পান সরকারি অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরাও। কর্মরত কিংবা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের পোষ্যরাও এই প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করেন। দেশের ৭৫টি শহরে ৪১ লাখেরও বেশি সরকারি কর্মী কিংবা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী এই সুযোগ পান। সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট হেল্থ স্কিমের বৈশিষ্ট্যগুলি হল, থাকার ব্যবস্থা সহ ডিসপেনসারি সার্ভিস, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কনসাল্টেশনের সুবিধা, ইসিজি, এক্সরের মতো ল্যাবরেটরি পরীক্ষা, হাসপাতালে ভর্তি, ওষুধ ও অন্যান্য মেডিক্যাল সরবরাহ, বেনিফিশিয়ারিদের স্বাস্থ্য শিক্ষা, মেটারনিটি এবং চাইল্ড কেয়ার, পরিবার কল্যাণ সেবা (CGHS-ABHA Link)।

    আরও পড়ুুন: পাখির চোখ বাংলা, বিজেপির পালে ঝড় তুলতে বাংলার আসরে মোদি-শাহ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: বেড়াতে যাবেন, বিয়ের মরশুম! সামনে নির্বাচন, জানেন কত নগদ রাখতে পারবেন সঙ্গে?

    Lok Sabha Election 2024: বেড়াতে যাবেন, বিয়ের মরশুম! সামনে নির্বাচন, জানেন কত নগদ রাখতে পারবেন সঙ্গে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024)। আসন্ন নির্বাচনকে স্বচ্ছ করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নগদ অর্থ উদ্ধার করছে কমিশন (Election Commission) ও পুলিশ। এতে বিপাকে পড়ছেন পর্যটক থেকে সাধারণ মানুষ। তাই মানুষের স্বার্থে বুধবার বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিল জাতীয় নির্কবাচন মিশন। বৈধ নথি থাকলে পর্যটকদের কাছ থেকে নগদ টাকা বাজেয়াপ্ত করা যাবে না। বুধবার এমন নির্দেশই দিল নির্বাচন কমিশন। একই সঙ্গে কমিশন জানিয়েছে, লোকসভা ভোটের প্রার্থীরা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা নিজেদের সঙ্গে রাখতে পারবেন। 

    কমিশনের নির্দেশিকা

    ১৬ মার্চ থেকে দেশ জুড়ে কার্যকর হয়েছে আদর্শ আচরণবিধি। নির্বাচনী (Lok Sabha Election 2024) আচরণবিধিতে একাধিক বিষয়ে বিধিনিষেধ রয়েছে। নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি নগদ আপনার কাছে থাকলে জেলও হতে পারে। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আচরণবিধি চলাকালীন যে কোনও ব্যক্তি ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত নগদ অর্থ রাখতে পারেন নিজের কাছে। যদি ৫০ হাজার টাকার বেশি নগদ থাকে তাহলে সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। 

    পর্যটকদের অসুবিধা

    নগদ টাকা কাছে রাখায় অনেক সময়ে অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছে পর্যটকদের। ঘোরার জন্য কাছে রাখা টাকাও মাঝেমধ্যেই চেকিংয়ের সময়ে বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। পর্যটকদের কাছ থেকে নগদ টাকা বাজেয়াপ্ত করার ক্ষেত্রে কমিশন কিছু নির্দেশিকা জারি করল। কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, পর্যটকদের সুবিধার কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। নগদ বাজেয়াপ্ত সংক্রান্ত বিষয়ে কোনও পর্যটক অসুবিধায় পড়লে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জেলা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে হবে বলেও নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    আরও পড়ুন: সশরীরে হাজিরার হুমকি, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ডেডলাইন

    কমিশনের নয়া নিয়ম

    যদি নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) সময় বিয়ের মরশুম চলে ও কোনও ব্যক্তির কাছে নগদ ৫০ হাজার টাকার বেশি অর্থ থাকে, তবে তাঁর সঙ্গে কিছু প্রয়োজনীয় নথি আবশ্যিক। এর জন্য কিছু প্রয়োজনীয় শর্ত রয়েছে। কমপক্ষে তিনটি নথি থাকতে হবে। এর মধ্যে একটি হল অবশ্যই পরিচয়পত্র থাকতে হবে। একই সঙ্গে অর্থের লেনদেন সংক্রান্ত সার্টিফিকেট থাকাও আবশ্যক। ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তোলার স্লিপ বা মেসেজের মতো টাকা তোলার প্রমাণ থাকতে হবে, যাতে সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা তল্লাশির সময় জানতে পারেন নগদের উৎস কী। এই টাকা কোথায় ব্যবহার করা হবে তার প্রমাণও থাকতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়ের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Jalpaiguri: বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়ের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রচার সেরে ফেরার পথে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়ের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Jalpaiguri)

    বুধবার জয়ন্ত রায়ের প্রচার কর্মসূচি ছিল মাল ব্লকের (Jalpaiguri) ওদলাবাড়ি ও আশেপাশের এলাকায়। দিনভর প্রচার কর্মসূচি সেরে তিনি যখন ফিরছিলেন সেই সময় মাল ব্লকের মীনা মোড়ে ২০-৩০ জনের একটি দল তার গাড়ি আটকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে এবং তাঁর গাড়ির ওপর হামলা চালাতে শুরু করে। অভিযোগ তাদের হাতে ধারালো অস্ত্রও ছিল। ঘটনার শুরুতেই তার নিরাপত্তারক্ষীরা গাড়ি থেকে নেমে তাকে সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদেরও বাধা দেন বিক্ষোভকারীরা। জয়ন্ত রায়ের গাড়ির সঙ্গে প্রচারে যাওয়া আরেকটি গাড়ির ওপর হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা। সেই গাড়ির কাঁচ ভেঙ্গে দেওয়া হয়। গাড়িতে থাকা বিজেপি সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হয়। তাদের মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। খবর পেয়ে পুলিশ এলেও বিক্ষোভকারীরা সেখান থেকে যেতে নারাজ ছিলেন। পরে অবশ্য জয়ন্ত রায়ের নিরাপত্তারক্ষী ও পুলিশের হস্তক্ষেপে বিক্ষোভকারীরা সেখান থেকে সরে যান। জয়ন্ত রায় অভিযোগ করেন তাদের প্রাণে মারার চক্রান্ত করেছিল হামলাকারীরা। স্থানীয় তৃণমূল নেতা রাজেশ ছেত্রীর নাম করে জয়ন্তবাবু অভিযোগ করেন। ওই ব্যক্তির নেতৃত্বেই তার এবং তার সঙ্গীসাথীদের ওপর হামলা চালানো হয়। গোটা ঘটনা পুলিশের উপস্থিতিতেই হয় বলে জানান জয়ন্ত বাবু। অন্যদিকে জয়ন্ত রায়ের সঙ্গে থাকা বিজেপি কর্মী শংকর দাসের ওপরও হামলা করা হয় বলে অভিযোগ। তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। কোনওক্রমে প্রাণ হাতে নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে বাঁচেন।

    বিজেপি প্রার্থী কী বললেন?

    এদিন জয়ন্তবাবু বলেন, তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে গেছে। মানুষ তাদের ছুড়ে ফেলতে চাইছে বুঝেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা করা হয়েছে। তৃণমূল ভোটের আগে একটা ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাইছে। যেমনটা পঞ্চায়েত ভোটে করেছিলো। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হবে না। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: মামলার জটে প্রাথমিকে যোগ্যদের চাকরি না হওয়ায় বিরক্ত হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: মামলার জটে প্রাথমিকে যোগ্যদের চাকরি না হওয়ায় বিরক্ত হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একের পর এক মামলার জেরে প্রাথমিকে প্রকৃত যোগ্যদের চাকরি না হওয়াতে চরম বিরক্তি প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বুধবারই ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষায় উর্দু ভাষার প্রশ্নের ভুল সংক্রান্ত একটি মামলা ছিল। মামলাটি ওঠে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থারের এজলাসে। সেখানেই বিচারপতি রাজ্য সরকারকে একটি রিপোর্ট জমা দিতে বলেন। আগামী ১৭ এপ্রিলের মধ্যে রাজ্য সরকারকে একটি রিপোর্ট দিতে হবে।  ওই রিপোর্টে জানাতে হবে প্রাথমিক স্কুলগুলিতে রাজ্যে বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষকের সংখ্যা কত?

    বিচারপতি মান্থারের পর্যবেক্ষণ

    আদালত এদিন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, মূলত মামলার কারণে যে সমস্ত যোগ্য প্রার্থী নিয়োগ আটকে রয়েছে, তাঁদের নিয়োগ কোনওভাবে আটকে রাখা যাবে না। এদিনই প্রাথমিকের ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার মামলা শুনানিতে বিচারপতি মান্থার পর্যবেক্ষণ (Calcutta High Court) করে বলেন, ‘‘দিনের পর দিন মামলা চলছে। আর এই মামলার মধ্যে প্রকৃত যোগ্যরা নিয়োগ পাচ্ছেন না। তাঁদের নিয়োগ আটকে রাখা হচ্ছে। চাকরিতে প্রকৃত যোগ্যরা বঞ্চিত থেকে যাচ্ছেন এবং এই মামলার কারণে তাঁদের বয়স চলে যাচ্ছে।’’ প্রসহ্গত নিয়োগ দুর্নীতিতে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য বর্তমানে জেলেও রয়েছেন। চাকরি প্রার্থীরা আন্দোলনও করছেন রাজপথে। এমন আবহে আদালতের এদিনের পর্যবেক্ষণ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    আরও পড়ুুন: বঙ্গে রামের দলের নয়া মুখপাত্র রাধিকা, চেনেন তাঁকে?

    আদালতের আরও পর্যবেক্ষণ

    আদালতের (Calcutta High Court) আরও পর্যবেক্ষণ, পর্ষদ এই নিয়োগ নিয়ে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করুক। তাদের অসহযোগিতাতেই নতুন নিয়োগ বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে বলে মনে করে হাইকোর্ট। আদালত এদিন জানিয়েছে, কোনও সুপার নিউমেরারি পোস্টের হিসাব এই তালিকায় আনা যাবে না। বোর্ডের ওই রিপোর্ট পাওয়ার পরেই আদালত তার পরবর্তী নির্দেশ দেবে, তা জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: পাখির চোখ বাংলা, বিজেপির পালে ঝড় তুলতে বাংলার আসরে মোদি-শাহ

    Lok Sabha Election 2024: পাখির চোখ বাংলা, বিজেপির পালে ঝড় তুলতে বাংলার আসরে মোদি-শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024)। বাংলার ৪২টি আসনের সবক’টিতেই জিততে হবে বলে বঙ্গ বিজেপিকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলাকে যে তিনিও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন, তার প্রমাণ ইতিমধ্যেই বাংলায় তিনটি জনসভা সেরে ফেলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    মোদি-শাহের জনসভা (Lok Sabha Election 2024)

    বৃহস্পতিবার সভা করবেন কোচবিহারে, বিদায়ী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কেন্দ্রে। বিজেপি সূত্রে খবর, এ রাজ্যে অন্তত ১৫টি সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে কেবল উত্তরবঙ্গেই তিনি সভা করতে পারেন ৬টি। রাজ্যে আসছেন (Lok Sabha Election 2024) মোদির ‘সেনাপতি’ অমিত শাহও। তিনিও প্রায় ১৫টি সভা করবেন বাংলায়। এ রাজ্যে প্রচারে আসবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাও। এঁরা প্রত্যেকেই বাংলায় সভা করবেন পাঁচ থেকে সাতটি করে। রোড-শো করবেন রাজনাথ সিংহ, স্মৃতি ইরানি এবং মানিক সাহার মতো বিজেপির তারকা প্রচারকরা।

    শহিদ মিনারেও জনসভা

    কলকাতার শহিদ মিনারেও একটি জনসভার আয়োজন করা হবে বিজেপির তরফে। সেই সভায় প্রধানমন্ত্রী নাকি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন, তা জানা যায়নি। যেমন যানা যায়নি, ঠিক কবে হবে শহিদ মিনারের জনসভা।বাংলার লোকসভার আসন ৪২টি। গত ডিসেম্বরে বঙ্গ সফরে এসে শাহ বলেছেন, অন্তত ৩৫টি আসন পেতে হবে বঙ্গ বিজেপিকে। মাসখানেক আগে বাংলার নির্বাচনী প্রচারে এসে ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের সবক’টিতেই বিজেপিকে জেতাতে হবে বলে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই কোমর কষে লড়াইয়ের ময়দানে নেমে পড়েছেন বিজেপির বাংলার পদ্ম নেতারা।

    আরও পড়ুুন: বঙ্গে রামের দলের নয়া মুখপাত্র রাধিকা, চেনেন তাঁকে?

    ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে বিজেপির আসন বাড়ছে বলেই আশাবাদী গেরুয়া শিবির। ঠিক দু’বছর পরে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে পালাবদল হবে ছাব্বিশেই। তাই আপাতত বাংলাই পাখির চোখ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের। সেই কারণেই ঘন ঘন বাংলা সফরে এসে বিজেপির পালে জোরালো হাওয়া তুলতে চাইছেন গেরুয়া পার্টির ভোট ম্যানেজাররা (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Recruitment Case: সশরীরে হাজিরার হুমকি, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ডেডলাইন

    Recruitment Case: সশরীরে হাজিরার হুমকি, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ডেডলাইন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Case) আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। যদি সময়মতো নির্দেশ না মানা হয়, তাহলে আদালত তাঁকে সশরীরে ডাকতে বাধ্য হবে বলে জানালেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের ডিভিশন বেঞ্চ। 

    কলকাতা হাইকোর্টের প্রশ্ন

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Case) সরকারি পদে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইনে চার্জশিট দিয়েছে সিবিআই। কিন্তু রাজ্য অনুমোদন না দিলে চার্জ গঠন করে বিচার শুরু করা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ। কেন রাজ্য সরকার এত দিন ধরে ওই অনুমোদন দানের প্রক্রিয়া ঝুলিয়ে রেখেছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কলকাতা হাইকোর্ট। গত ২২ মার্চ অনুমতি দেওয়া বা না দেওয়া নিয়ে তিনি কী ভাবছেন তা মুখ্যসচিবকে জানাতে বলেছিল আাদলত। সরকারি আইনজীবী অনির্বাণ রায় আদালতকে জানান, “মুখ্যসচিব ভোটের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। নির্বাচন ঘোষণা হয়ে যাওয়ার জন্য দেরি হচ্ছে।”  আদালতের থেকে আরও কিছু সময় চায় রাজ্য। 

    আরও পড়ুন: বাইরে তাপপ্রবাহ! সুস্থ থাকতে কী করবেন, কী করবেন না, নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    কী বলল আদালত

    সরকারি আইনজীবী নির্বাচনের কথা বললেই ক্ষুব্ধ হয় আদালত। এরপরই বিচারপতি বাগচীর পর্যবেক্ষণ, গত দেড় বছর ধরে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি মুখ্যসচিব। সম্প্রতি নির্বাচন ঘোষণা হয়েছে। তিনি এতদিন কী করছিলেন প্রশ্ন তোলে হাইকোর্ট। এতে বিচারপ্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। তদন্তের কাজ শ্লথ হচ্ছে। একটা সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। আগামী মঙ্গলবার রিপোর্ট জমা দিতে না পারলে তাঁকে আদালতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে। নিয়োগ মামলায় (Recruitment Case) এর আগে সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টে বিশেষ বেঞ্চ গঠন করে দ্রুত শুনানির প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল। এর আগে নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় সিবিআইয়ের তদন্তের গতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন বিচারপতি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: বঙ্গে রামের দলের নয়া মুখপাত্র রাধিকা, চেনেন তাঁকে?

    BJP: বঙ্গে রামের দলের নয়া মুখপাত্র রাধিকা, চেনেন তাঁকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে রামের দলের (BJP) নয়া মুখ রাধিকা। লোকসভা নির্বাচনের আগে রাধিকা ভট্টাচার্য শাহকে বঙ্গ বিজেপির মুখপাত্র পদে বসালেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। দিলীপ ঘোষ যখন বিজেপির সভাপতি ছিলেন, তখন পদ্ম-দলে যোগ দেন রাধিকা। তবে এতদিন তাঁকে সেভাবে পদ্ম-পতাকা বহন করতে দেখা যায়নি। সদ্য দায়িত্ব দেওয়া হল রাধিকাকে। দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। বাংলার অন্যতম মুখপাত্র করা হয়েছে তাঁকে।

    রাধিকা ভট্টাচার্য শাহ (BJP)

    রাজনীতির জগতের কেউ নন রাধিকা। পেশায় কর্পোরেট জগতের আন্তর্জাতিক বিষয়ের পরামর্শদাতা। রাষ্ট্রসংঘে কাজ করার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গ্রামীণ শিক্ষা নিয়ে কাজ করেন নিজস্ব বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে। মুর্শিদাবাদের জমিদার বংশের মেয়ে রাধিকা (BJP)। তাঁর মায়ের বাবা প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন জাহাজ ব্যবসায়ী। রাধিকার স্বামী প্রকাশ শাহ। তিনি ভেনেজুয়েলায় ভারতের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। আদতে গুজরাটের বাসিন্দা প্রকাশ রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধিও ছিলেন দীর্ঘদিন। দেশ-বিদেশে অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করেছেন প্রকাশ।

    কী বলছেন রাধিকা?

    রাধিকা বলেন, “আমি সারাজীবন অনেক কাজ করেছি। মানুষের সেবা করেছি। এখন আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাজের সঙ্গেও যুক্ত হতে চাই। সেই কারণেই রাজনীতির আঙিনায়।” বর্তমানে মুম্বইতে থাকেন রাধিকারা। তবে এখন রাধিকা চলে আসবেন বাংলায়। বিজেপির নয়া এই মুখপাত্র বলেন, “আমার মায়ের বাবা প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতার বালিগঞ্জে এখনও প্রাসাদোপম বাড়ি রয়েছে তাঁর। আমি দীর্ঘদিন বিদেশেও ছিলাম। কিন্তু যেখানেই থাকি না কেন, বাংলার মাটির সঙ্গে আমার যোগ গভীর।”

    আরও পড়ুুন: ভোট-প্রচারে বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গে আসছেন মোদি, সভা করবেন কোচবিহারে

    সন্দেশখালি প্রসঙ্গেও মুখ খুলেছেন রাধিকা। বলেন, “সন্দেশখালির ঘটনা সকলের সামনে এসেছে। সেখানে কী পরিস্থিতি, তা আমরা সকলেই দেখেছি। মোদিজি মহিলাদের সার্বিক উন্নয়নে আগ্রহী। বাংলার মহিলারা তা নিশ্চয়ই বুঝবেন।” তিনি বলেন, “এখন আমাদের লক্ষ্য যাঁকে জিততে হবে, তাঁকে ভালো করে লড়তে হবে। বিজেপির কোনও স্ক্যাম বা স্ক্যান্ডেল নেই। আজ বাংলার মানুষ যা সিদ্ধান্ত নেবে, পরবর্তী প্রজন্ম তার ফল পাবে। আমরা পরিশ্রম করব। সমস্ত প্রার্থীদের পরিশ্রম করতে হবে (BJP)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lovely Maitra: তৃণমূল বিধায়িকার পুলিশ স্বামীকে সরিয়েছে কমিশন, ‘সঠিক সিদ্ধান্ত’, বলল বিজেপি

    Lovely Maitra: তৃণমূল বিধায়িকার পুলিশ স্বামীকে সরিয়েছে কমিশন, ‘সঠিক সিদ্ধান্ত’, বলল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রী তৃণমূলের বিধায়ক। স্বামী কলকাতা পুলিশের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার। স্বাভাবিক ভাবেই তার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। তাই সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়ক অরুন্ধতি মৈত্র সিনেমা জগতে যার নাম লাভলী মৈত্র তার স্বামী ডিসিপি সাউথ ওয়েস্ট সৌম্য রায়কে(DCP Soumya Roy) ভোটের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছে কমিশন। ভোটের কোনও কাজে থাকতে পারবেন না সৌম্য রায়, এমনটাই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন(election commission), সৌম্যকে অ-নির্বাচনী কোনও পদে বদলি করতে হবে।

     কমিশনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে কী বললেন বিধায়ক লাভলী মৈত্র? (Lovely maitra)

    কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পরেই মেজাজ হারিয়ে মুখ খুললেন তৃণমূলের তারকা বিধায়ক লাভলী মৈত্র (Lovely maitra) ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি নেতাদের মতে ঢিলটা যে ঠিক জায়গায় লেগেছে তা স্পষ্ট হয়ে গেছে। স্বামীর অপসারণে গোঁসা হয়েছে লাভলীর। তাঁর স্বামীকে এভাবে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে পূর্ব পরিকল্পিত বলেই ব্যাখ্যা করছেন তিনি। কিন্তু সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে মুখের যা ভঙ্গি ছিল অভিনেত্রী বিধায়কের তাতে তার আচরণ স্পষ্ট ধরা পড়ে যায়। লাভলী বলেন ” নির্বাচন কমিশন, ইডি, সিবিআই সবটাই বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে চলে। আগে বিধানসভা নির্বাচনের সময়েও সরিয়েছে।”প্রশ্ন উঠছে কোন বাড়তি সুবিধায় খামতি হয়ে যাবে সৌম্যর অপসারণে। তবে এটাই প্রথম নয় ২০২১-এর বিধানসভা ভোটের আগেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল সৌম্য রায়কে। বিধানসভা ভোটের পর লোকসভা ভোটেও ফের সৌম্য রায়ের অপসারণ। স্ত্রী স্বামীর অপসারণে ক্ষুব্ধ হয়েছে তা মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও তার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এক ডিসিপির অপসারণে মুখ্যমন্ত্রীর কেন বিচলিত তা অবাক করেছে অনেককে। মমতা বলেন, “কেউ বিধায়ক হলে তাঁর স্বামীকে সরে যেতে হবে?’

    নির্বাচন কমিশন সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বলছে বিজেপি

    তবে শুধুমাত্র সৌম্য রায় অপসারিত হয়েছেন এমন নয়। পূর্ব মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের জেলাশাসককেও অপসারিত করা হয়েছে। এর আগে ডিজিপি রাজীব কুমারকে অপসারিত করা হয়েছিল। এবিষয়ে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “ প্রত্যেকের উপর নির্বাচন কমিশনের নজর রয়েছে। যেখানে পক্ষপাত পাওয়া যাবে সেখানে ব্যবস্থা নেবে কমিশন। যে অফিসারদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে তাদের পক্ষ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বুঝিয়ে দিচ্ছেন আসলে নির্বাচন কমিশন সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” প্রসঙ্গত,কলকাতা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ-পশ্চিম) পদে সৌম্য রায়ের বদলি কে হবেন তা জানিয়ে রাজ্য সরকারকে কমিশনে তিন জন যোগ্য পুলিশ আধিকারিকের নাম পাঠাতে হবে। ৩ এপ্রিল রাজ্যের কাছ থেকে ওই তিনটি নাম চেয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (election commission)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share