Tag: Madhyom

Madhyom

  • South 24 Parganas: তৃণমূলের হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত কর্মীর বা়ড়িতে বিজেপি প্রতিনিধি দল, পাশে থাকার বার্তা

    South 24 Parganas: তৃণমূলের হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত কর্মীর বা়ড়িতে বিজেপি প্রতিনিধি দল, পাশে থাকার বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মন্দিরবাজার কৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খেলারামপুর। চলেছিল গুলি, আর সেই গুলিতেই গুরুতর আহত হয়েছিলেন বিজেপির অন্ধ ভক্ত সমর্থক সাইরাজ মোল্লা (২৫)। অভিযোগের তির ছিল শাসকদলের দিকে। এই ঘটনার পর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হয় বেশ কয়েকজন। বাড়িতে রয়েছে বিজেপি কর্মীর  স্ত্রী এবং একমাত্র সন্তান। তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন বিজেপির বর্তমান লোকসভার প্রার্থী অশোক পুরকাইত,অগ্নিমিত্রা পল সহ কৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির প্রধান এবং বহু এলাকার মানুষ।

    হাসপাতালে একমাস লড়াই করার পর মৃত্যু (South 24 Parganas)

    ঘটনার পর পরই বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল আহতের বাড়িতে আসেন। জখম বিজেপি কর্মীকে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় (South 24 Parganas) ডায়মন্ড হারবার হাসপাতাল থেকে কলকাতা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করতে থাকেন সাইরাজ। প্রায় এক মাস ধরে লড়াই করা পর সোমবারই সবই শেষ। হাসপাতালেই মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তে এলাকায় প্রচুর মানুষ ভিড় করতে থাকেন। বিজেপি কর্মীর দেহ খেলারামপুরে বাড়িতে আনার আগেই মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী অশোক কুমার পুরকাইত  সহ বিজেপি নেতৃত্বরা সেখানে হাজির হন। তবে, মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর প্রশাসনিক ব্যবস্থা জোরদার করা হয় এলাকায়। মৃতের পরিবার সহ এলাকার মানুষ একত্রিত হয়ে সাংবাদিকদের এলাকায় ছবি করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দেয়। সাইরাজের অকাল মৃত্যুতে শোকোস্তব্ধ এলাকা। বিজেপি লোকসভার প্রার্থী অশোক কুমার পুরকাইত পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    এই বিষয় নিয়ে তৃণমূলের সুন্দরবন জেলার (South 24 Parganas) সভাপতি তথা মন্দির বাজারের বিধায়ক জয়দেব হালদার বলেন, এই মৃত্যুর ঘটনা অবশ্যই বেদনাদায়ক। আমরা সমবেদনা জানাই ওর পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে। তবে বিজেপি অহেতুক এই মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি করছে। এই জিনিসটি কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তবে ইতিমধ্যেই পুলিশ প্রশাসন এই ঘটনায় দোষীদের গ্রেফতার করেছে এবং কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gyanvapi Case: জ্ঞানবাপী চত্বরে পুজো-আরতি চলবে, মসজিদ কমিটির আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    Gyanvapi Case: জ্ঞানবাপী চত্বরে পুজো-আরতি চলবে, মসজিদ কমিটির আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী ইস্যুতে মুসলিম পক্ষ ফের বড় ধাক্কা খেল সুপ্রিম কোর্টে। বারাণসীর জ্ঞানবাপী (Gyanvapi Case) ‘ব্যাসজি কা তহখানা’য় পুজো এবং আরতি চালিয়ে যেতে পারবে হিন্দু সমাজ, সোমবার এমনই নির্দেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত। প্রসঙ্গত, বারাণসী জেলা আদালতের ৩১ জানুয়ারির নির্দেশ এবং এলাহাবাদ হাইকোর্টের ২৬ ফেব্রুয়ারি যে রায় দিয়েছিল তাতেই সিলমোহর দিল সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে সোমবারের নির্দেশের বিষয়ে কাশী বিশ্বনাথ মন্দির কর্তৃপক্ষের মত জানতে চেয়েছে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। পাঠানো হয়েছে নোটিশও।

    মুসলিম পক্ষের আর্জি খারিজ

    ‘অঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া (জ্ঞানবাপী) মসজিদ কমিটি’-র তরফে প্রথমে বারাণসী জেলা আদালত ও পরে এলাহাবাদ হাইকোর্টে পূজা-আরতির অনুমতি সংক্রান্ত নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ (Gyanvapi Case) করে যে আবেদন জানানো হয়েছিল, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ তা খারিজ করে দেয় এদিন। পুজো-আরতিতে কোনও রকম স্থগিতাদেশ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। সেই সঙ্গে শীর্ষ আদালত এও জানিয়েছে, আপাতত ‘স্থিতাবস্থা’ বজায় থাকবে ওই চত্বরে। অর্থাৎ, হিন্দুপক্ষের পুজোর পাশাপাশি, মুসলিমরাও জ্ঞানবাপীতে নমাজের অনুষ্ঠান করবেন।

    ১৮ ডিসেম্বর বারাণসী জেলা আদালতে রিপোর্ট পেশ করে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর বারাণসী জেলা আদালতে রিপোর্ট পেশ করে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (আর্কিয়োলজিকাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া বা এএসআই)। ওই রিপোর্টে বলা হয়, জ্ঞানবাপীর (Gyanvapi Case) কাঠামোর নীচে ‘বড় হিন্দু মন্দিরের অস্তিত্ব’ ছিল। তার পরেই সেখানে পুজোর নির্দেশ দিয়েছিলেন বারাণসী জেলা আদালতের বিচারক বিশ্বেস। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানায় মসজিদ কমিটি। তারা যুক্তি দেয়, ১৯৩৭ সালে জ্ঞানবাপী সংক্রান্ত বিবাদের রায় মুসলিমদের পক্ষেই গিয়েছিল, তাই এএসআই-কে দিয়ে নতুন করে সমীক্ষা করানো যায় না। কিন্তু জ্ঞানবাপী কমিটির যুক্তি খারিজ করে এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি রোহিতরঞ্জন আগরওয়ালের একক বেঞ্চ জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরের দক্ষিণ দিকে ‘ব্যাসজি কা তহখানা’য় হিন্দুদের পুজো, আরতি চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছিল।

    মূল মামলা দায়ের হয় ২০২১ সালে

    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের অগাস্ট মাস নাগাদ পাঁচ হিন্দু মহিলা জ্ঞানবাপীর ‘মা শৃঙ্গার গৌরী’ (ওজুখানা ও তহখানা) এবং মসজিদের ভিতরের পশ্চিমের দেওয়ালে দেবদেবীর মূর্তির অস্তিত্বের দাবি করেন। তাঁরা পূজার্চনার অনুমতিও চান। মামলার জল গড়ায় কোর্টে (Gyanvapi Case)। সেটিই মূল মামলা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Telegram, FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024: আইপিএল-এর দ্রুততম বোলার! গতিই তাঁর সবচেয়ে প্রিয়, জানেন কে এই মায়াঙ্ক যাদব?

    IPL 2024: আইপিএল-এর দ্রুততম বোলার! গতিই তাঁর সবচেয়ে প্রিয়, জানেন কে এই মায়াঙ্ক যাদব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুভমন গিল থেকে রিঙ্কু সিং, যশপ্রীত বুমরা বা উমরান মালিক গত কয়েক বছরে আইপিএল (IPL 2024) থেকে উঠে এসেছে ভারতের একাধিক তারকা ক্রিকেটার। চলতি আইপিএলের আবিষ্কার হতে পারেন মায়াঙ্ক যাদব (Mayank Yadav)। লখনউয়ের হয়ে খেলা দিল্লির এই তরুণ পেসারের গতিতে নাজেহাল প্রতিপক্ষের ব্যাটাররা। এবারের আইপিএলে দ্রুততম বল করার কৃতিত্ব এখন মায়াঙ্কের দখলে। শনিবারের ম্যাচে পঞ্জাবের ব্যাটারদের গতিতে বিব্রত করেছেন তিনি। তাঁর একটি বলের গতি ছিল ঘণ্টায় ১৫৫.৮ কিলোমিটার। যা ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের নজর কেড়ে নিয়েছে। মায়াঙ্কের সব থেকে মন্থর বলটির গতি ছিল ১৩৯ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।

    কে এই মায়াঙ্ক

    ২০২২ সালের নিলামে ২০ লাখ টাকায় মায়াঙ্ককে (Mayank Yadav) দলে নিয়েছিল লখনউ। সে বার ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়নি তাঁর। ২০২৩ সালে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের জন্য খেলতে পারেননি। শনিবার ক্রিকেটজীবনের প্রথম আইপিএল (IPL 2024) ম্যাচ খেললেন তিনি। অর্থাৎ অভিষেক ম্যাচেই নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন দিল্লির তরুণ। এখনও পর্যন্ত একটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন মায়াঙ্ক। দিল্লির হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে তাঁর মোট উইকেটের সংখ্যা ৫১। লখনউয়ের হয়ে আইপিএল অভিষেকে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ২১ বছরের মায়াঙ্ক ২৭ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন। ম্যাচের সেরাও তিনি। গতির সঙ্গে ব্যালান্সও দারুণ। ওই ম্যাচে মায়াঙ্কের ২৪টি ডেলিভারি (৪ ওভার) ছিল— ১৪৭, ১৪৬, ১৫০, ১৪১, ১৪৭, ১৪৯, ১৫৬, ১৫০, ১৪২, ১৪৪, ১৫৩, ১৪৯, ১৫২, ১৪৯, ১৪৭, ১৪৫, ১৪০, ১৪২, ১৫৩, ১৫৪, ১৩৯, ১৪২, ১৫২, ১৪৮ কিমি প্রতি ঘণ্টা। নিজের সাফল্য নিয়ে ম্যাচের শেষে মায়াঙ্কের বক্তব্য, ‘নিজের ফোকাস ঠিক রাখাটাই ছিল লক্ষ্য। আলাদা করে কিছু ভাবিনি। যা এতদিন করে এসেছি, সেটাই করতে চেয়েছিলাম। পেরেছি বলে ভালো লাগছে। আগামী দিনেও এটাই করে যেতে চাই।’

    মায়াঙ্কের পেসে মুগ্ধ লি-স্টেইন

    লখনউয়ের বোলিং কোচ মর্নি মর্কেলও উচ্ছ্বাস গোপন করেননি। তিনি বলেছেন, ‘‘মায়াঙ্ক শুধু ভাল বলই করেনি। গুরুত্বপূর্ণ উইকেটগুলোও তুলে নিয়েছে। গত মরসুমটা ওর ভাল যায়নি। প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচেই চোট পেয়েছিল। আমি ওকে একটা কথাই বলেছি, ভাল ক্রিকেট খেলার জন্য প্রয়োজন প্রাথমিক বিষয়গুলো ঠিক ভাবে করা। বলের লাইন এবং লেংথের ব্যাপারে সতর্ক থাকার কথা বলেছি। মায়াঙ্ক সেটাই করার চেষ্টা করে। ম্যাচেও বাড়তি কিছু করার চেষ্টা করেনি। ওর বলের গতি বাড়তি পাওনা।’’ লখনউয়ের তরুণ বোলারের পারফরম্যান্সে বিস্মিত ইংল্যান্ডের প্রাক্তন জোরে বোলার স্টুয়ার্ট ব্রডও। আইপিএলের (IPL 2024) অন্যতম ধারাভাষ্যকার বলেছেন, ‘‘মায়াঙ্কের বলের গতি সহজাত। বাড়তি কিছু চেষ্টা করে না। কিন্তু সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে বলের লাইন এবং লেংথ। এত কম বয়সে এটা সাধারণত দেখা যায় না।’’ মায়াঙ্ক যাঁর ভক্ত, সেই ডেল স্টেইন বলছেন, ‘এতদিন কোথায় লুকিয়েছিলে?’ ব্রেট লির কথায়, ‘সবচেয়ে দ্রুতগতির পেসার পেয়ে গেল ভারত। দারুণ পেস, মুগ্ধ হলাম।’ কমেন্ট্রি বক্সে বসে শনিবারই সহ-ধারাভাষ্যকার স্টিভ স্মিথকে সতর্ক করে দিয়েছেন ব্রড। তাঁর মতে, ভারতীয় দলের সুযোগ পেলে বছরের শেষে ভারত-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সিরিজেও স্মিথদের সমস্যা ফেলবেন মায়াঙ্ক (Mayank Yadav)।

    মাথা লক্ষ্য করে বল

    আইপিএলে (IPL 2024) চমক হলেও মায়াঙ্ক যাদবের (Mayank Yadav) গতি দিল্লি ক্রিকেট মহলে ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলেছে। ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি মুস্তাক আলি ট্রফিতেও ১৫০ কিলোমিটার প্লাস প্রতি ঘণ্টায় তাঁর ডেলিভারি শোরগোল ফেলেছিল। দিল্লির ক্রিকেট মহল তাঁকে ডাকে ‘শর পে মারনেওয়ালা বোলার’ বলে। মাথায় মারার বুদ্ধিটা অবশ্য মায়াঙ্ককে দিয়েছিলেন তাঁরা বাবা প্রভু যাদব। তিনি আবার ছিলেন কার্টলে অ্যামব্রোজ, কোর্টনি ওয়ালশের ভক্ত। তাঁর স্মৃতিচারণা, ‘আমি ছেলেবেলায় মায়াঙ্ককে বলেছিলাম, অ্যামব্রোজকে কেন ব্যাটসম্যানরা ভয় করে জানিস? কারণ ও মাথায় মারতে পারে।’ গতির কথা উঠতেই মায়াঙ্কের বক্তব্য, ‘ব্যক্তিগত জীবনেও আমি স্পিড পছন্দ করি। রকেট, জেট, সুপার বাইকের স্পিড আমার দারুণ ভালো লাগে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: কচ্ছতিভু ইস্যুতে কংগ্রেসের পর ডিএমকে-কে নিশানা মোদির, সরব জয়শঙ্করও

    PM Modi: কচ্ছতিভু ইস্যুতে কংগ্রেসের পর ডিএমকে-কে নিশানা মোদির, সরব জয়শঙ্করও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কংগ্রেস এবং ডিএমকে একজোট হয়ে এই কাজ (কচ্ছতিভু দ্বীপ হস্তান্তর) করেছিল।” রবিবার কংগ্রেসকে নিশানার পর সোমবার ডিএমকে-কে আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ইন্দিরা জমানায় কচ্ছতিভু দ্বীপ তুলে দেওয়া হয়েছিল শ্রীলঙ্কার হাতে। তার পর থেকে ওই অঞ্চলে মাছ ধরতে গিয়ে হেনস্থার শিকার হন তামিল মৎস্যজীবীরা। সম্প্রতি ওই দ্বীপটি শ্রীলঙ্কার হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তার পরেই কংগ্রেসকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী।

    মোদির নিশানায় ডিএমকে (PM Modi)

    এদিন আক্রমণ শানালেন ডিএমকে-কে। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “সব কিছু এক দিকে সরিয়ে রাখলাম। কিন্তু তামিলনাড়ুর স্বার্থেও ডিএমকে কোনও পদক্ষেপ করেনি। কচ্ছতিভু নিয়ে যে নয়া তথ্যগুলি উঠে আসছে, তাতে ডিএমকের দ্বিচারিতার মুখোশ খুলে পড়ছে। কংগ্রেস এবং ডিএমকে একজোট হয়ে এই কাজ করেছিল। তারা কেবলমাত্র নিজের পরিবারের কথা চিন্তা করে। আর কারও জন্য ওদের কোনও চিন্তা নেই। কচ্ছতিভু নিয়ে তাদের নির্মম সিদ্ধান্ত আমাদের গরিব মৎস্যজীবীদের ওপর প্রভাব ফেলেছে।”

    আক্রমণ শানালেন জয়শঙ্করও

    কচ্ছতিভু দ্বীপ হস্তান্তর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) মতো কংগ্রেস এবং ডিএমকে-কে তাক করেছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও। তিনি বলেন, “১৯৭৪ সালে ভারত ও শ্রীলঙ্কা একটি সমঝোতা করেছিল। একটি সামুদ্রিক সীমানা তৈরি করা হয়েছিল সেই সময়। আর ভারতের অংশ কচ্ছতিভু দ্বীপকে সীমানার ওপ্রান্তে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।” তিনি বলেন, “কংগ্রেস এবং ডিএমকে এই কচ্ছতিভু মামলা নিয়ে কোনও দায়িত্বই নিতে চায়নি। আমরা জানি এই কাণ্ড কে ঘটিয়েছিলেন। কেইবা বিষয়টি চেপে দিয়েছিলেন।”

    তিনি বলেন, “গত ২০ বছরে ৬ হাজার ১৮৪ জন ভারতীয় মৎস্যজীবী শ্রীলঙ্কায় আটক হয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে ১ হাজার ১৭৫ জন ভারতীয় মৎস্যজীবীর নৌকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার উদ্যোগী হয়ে ভারতীয় মৎস্যজীবীদের ছাড়িয়ে নিয়ে এসেছে। গত পাঁচ বছর ধরে কচ্ছতিভু দ্বীপের বিষয়টি একাধিকবার আলোচনা হয়েছে সংসদে।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “কচ্ছতিভু কংগ্রেসের কাছে নিছকই একটা ছোট্ট দ্বীপ। তারা এর গুরুত্বই বুঝতে পারেনি (PM Modi)।”

    আরও পড়ুুন: “যাঁরা এটা নিয়ে নাচানাচি করছেন, তাঁদের পস্তাতে হবে”, কাকে খোঁচা মোদির?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • South 24 Parganas: শওকত মোল্লার ডাকা দলীয় কর্মসূচিতে অনুপস্থিত খোদ বিধায়ক! তৃণমূলে কোন্দল প্রকাশ্যে

    South 24 Parganas: শওকত মোল্লার ডাকা দলীয় কর্মসূচিতে অনুপস্থিত খোদ বিধায়ক! তৃণমূলে কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) গোসাবায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে চরম অস্বস্তিতে শাসক দল। রবিবার কাছারি মাঠে জয়নগর লোকসভায় কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডলের সমর্থনে কর্মী সভায় দেখা গেলনা গোসাবার বিধায়ক সুব্রত মণ্ডলকে। একই ভাবে তাঁর অনুগামীদের এদিন সভায় দেখা যায়নি। যদিও তৃণমূল বিধায়ক জানিয়েছেন নিজের অসুস্থতার জন্য উপস্থিত থাকতে পারেননি। কিন্তু দলেরই একাংশের মতামত দলীয় কোন্দল হল এখানে প্রধান সমস্যা। ঘটনায় বিজেপি তীব্র সমালোচনা করেছে।

    শওকত মোল্লার নেতৃতে সভায় কোন্দল (South 24 Parganas)!

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব ক্যানিং-এর বিধায়ক শওকত মোল্লার নেতৃত্বে এদিন দলীয় কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় তৃণমূল প্রার্থী নিজে ছিলেন। এই সভায় বক্ল তৃণমূলের অন্যতম নেতা তথা জেলা পরিষদের সদস্য অনিমেষ মণ্ডলের আহ্বানে ৮-৯টি পঞ্চায়েতের তৃণমূল কর্মী এবং অঞ্চল সভাপতিরা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু গোসাবা (South 24 Parganas) বিধায়কের অনুগামী বলে পরিচিত বালি ১, বালি ২, গোসাবা, বিপ্রদাসপুরের পঞ্চায়েতের অঞ্চল সভাপতিরা উপস্থিত ছিলেন না। ফলে দলের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব অত্যন্ত স্পষ্ট হয়েছে একথা তৃণমূলের একাংশের মানুষ মনে করছেন। অবশ্য গোসাবা অঞ্চল সভাপতি কৈলাশ বিশ্বাস বলেন, “আমাদের এই কর্মী সম্মেলনে ডাকা হয়নি তাই আসিনি। বাকিদের কথা বাকিরাই বলতে পারবেন।” যদিও শওকত মোল্লা এই বিষয়ে মন্তব্য করতে নারাজ ছিলেন। তবে অনিমেষ বলেছেন, “সকলকে আসতে বলা হয়েছে। কেউ না আসলে আমার কিছু বলার নেই।”

    তৃণমূল প্রার্থীর বক্তব্য

    অপর দিকে জয়নগর কেন্দ্রের (South 24 Parganas) তৃণমূল প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডল বলেন, “দলের মধ্যে কোনও কোন্দল নেই। আমার সঙ্গে সকলে প্রচারে অংশ গ্রহণ করছেন। কোথাও কোনও রকম সমস্যা নেই। সকলের একটাই লক্ষ্য কত বেশি মার্জিনে প্রার্থীদের জয় করা যায়।” কিন্তু প্রার্থীর এই মন্তব্যের সঙ্গে বাস্তব চিত্র আলাদা, ঠিক এমনটাই মনে করছে বিজেপি। 

    আরও পড়ুনঃসন্দেশখালিকাণ্ডে গ্রেফতার সইফুদ্দিনের গোপন জবানবন্দি নিতে কোর্টে আবেদন সিবিআই-এর

    বিজেপির বক্তব্য

    এই বিষয় নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। জয়নগর (South 24 Parganas) জেলার বিজেপির মুখপাত্র সঞ্জয় নায়েক বলেন, “গোসবায় তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ সকলেই অবগত। ভাগ নিয়ে ওদের গোলমাল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: খালিস্তানি বিতর্ক! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি সেনগুপ্ত

    Suvendu Adhikari: খালিস্তানি বিতর্ক! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি সেনগুপ্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে এফআইআর সংক্রান্ত একটি মামলা সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। হাইকোর্টের বিচারপতি জানিয়েছেন, রাজ্যের ওই আবেদন তিনি শুনবেন না। এর পাশাপাশি প্রধান বিচারপতির এজলাসে ওই মামলাটি পাঠিয়েছেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। প্রসঙ্গত, খালিস্তানি বিতর্কের জেরে শুভেন্দু অধিকারী বিরুদ্ধে এফআইআর করতে চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। আবেদনটি যায় বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের কাছে। তবে এফআইআর সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির শুনানি বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে হবে বলেই জানা গিয়েছে। আগামী ১০ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।

    শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলা করতে হাইকোর্টের অনুমতি লাগবে

    গত ২০ ফেব্রুয়ারি সন্দেশখালিতে পুলিশের সঙ্গে বচসার মাঝে খালিস্তানি মন্তব্য করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এই অভিযোগ তুলেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসেই কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থারের বেঞ্চ শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশের দায়ের করা ২৬টি এফআইআর-এ স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। সে সময় বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার জানিয়েছিলেন, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নতুন করে মামলা করতে গেলে আগে হাইকোর্টের অনুমতি নিতে হবে। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলায় এফআইআর করছে রাজ্য, এমনটাই অভিযোগ ছিল বিজেপি শিবিরের। সেই মর্মে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু।

    খালিস্তানি বিতর্কের এফআইআর দায়ের হয় ভবানীপুর থানায়

    আদালতের কাছে বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) আবেদন জানান, তাঁর নামে দায়ের হয় এফআইআর গুলি খারিজ করা হোক অথবা মামলার তদন্ত সিবিআই করুক। তখন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থারের পর্যবেক্ষণ ছিল, শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি মানুষের ভোটে নির্বাচিত। পুলিশ নিজে অথবা অন্য কারও নির্দেশে অভিযোগ এনে জনগণের প্রতি বিরোধী দলনেতার কর্তব্য স্তব্ধ করার চেষ্টা করছে। প্রসঙ্গত, খলিস্তানি বিতর্কে জেরে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ভবানীপুর থানায় একটি এফআইআর দায়ের হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Telegram, FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nuts: রোজ কি বাদাম খান? কোন বাদামে কী রোগের মোকাবিলা হয় জানেন? 

    Nuts: রোজ কি বাদাম খান? কোন বাদামে কী রোগের মোকাবিলা হয় জানেন? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়মিত বাদাম (Nuts) অনেকেই খান। বিশেষত অনেক অভিভাবক শিশুদের নিয়মিত বাদাম খাওয়ান। কিন্তু সব বাদামেই কি এক ধরনের উপকার পাওয়া যায়? চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রত্যেক ধরনের বাদামে রয়েছে আলাদা রকমের উপকার। তাই শরীরের প্রয়োজন বুঝে বাদাম খেলে তবেই বেশি উপকার পাওয়া যাবে। শিশুদের খাওয়ানোর সময়েও সে দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। তবেই বাদাম শরীরে কার্যকর প্রভাব দেখাতে পারবে।

    স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাবে চিনাবাদাম! (Nuts)

    মুড়ি হোক কিংবা চায়ের সঙ্গে অনেকেই চিনাবাদাম খান। বাড়ির ছোটরাও এই ধরনের বাদাম খেতে ভালোবাসে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, চিনাবাদামে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি। এছাড়াও প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ম্যাগনেশিয়াম।‌ এর জেরে এই বাদাম নিয়মিত খেলে হাড় মজবুত হয়। শিশুদের জন্য এই বাদাম তাই বিশেষ‌ উপকারী। আর ম্যাগনেশিয়াম থাকায় এই বাদাম হার্টের জন্য উপকারী। এই বাদাম খেলে স্ট্রোকের ঝুঁকিও‌ কমে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    স্থূলতা আর কোলেস্টেরলের মোকাবিলা করবে হ্যাজাল নাট এবং ব্রাজিল নাট!

    হ্যাজাল নাট এবং ব্রাজিল নাট, এই দুই বাদাম সেলেনিয়াম। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই উপাদান শরীরের জন্য খুবই উপকারী। বিশেষত কোলেস্টেরল কমাতে সেলেনিয়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই নিয়মিত এই দুই ধরনের বাদাম খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমবে। পাশপাশি ব্রাজিল নাট (Nuts) স্থূলতা কমাতেও বিশেষ সাহায্য করে। থাইরয়েডের সমস্যায় ভুক্তভোগীদের জন্যও এই দুই বাদাম বিশেষ উপকারী।

    রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে পেস্তা বাদাম! (Nuts)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত পেস্তা খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। পেস্তায় থাকে ফাইবার। এই উপাদান কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক রাখে। তাছাড়া, পেস্তায় থাকে ফসফরাস, ম‌্যাগনেশিয়াম এবং কপার। এই উপাদানগুলো‌ চোখের জন্য উপকারী। তাই শিশুদের নিয়মিত পেস্তা খাওয়ালে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকবে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায় কাজু!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত কাজু শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, কাজুতে থাকে ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, পটাশিয়াম। এই উপাদানগুলো শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। পাশপাশি কাজু দাঁত মজবুত করে। তাই শিশুরা নিয়মিত কাজু খেলে (Nuts) দাঁত মজবুত হবে। এতে দাঁতের সমস্যা কমবে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখে আখরোট!

    স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে আখরোট। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, বয়স্ক ও শিশুদের নিয়মিত আখরোট খাওয়া জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, আখরোটে রয়েছে ভিটামিন বি, সি‌ এবং ই। তাছাড়া রয়েছে ফসফরাস। আখরোট খেলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে। তাছাড়া আখরোট (Nuts) ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে। তাই শিশু ও বয়স্কদের আখরোট বিশেষ উপকারী।

    ডায়াবেটিস রুখতে বিশেষ সাহায্য করে কাঠবাদাম! (Nuts)

    ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা রুখতে বিশেষ সাহায্য করে কাঠবাদাম। তাঁরা জানাচ্ছেন, কাঠবাদামে রয়েছে ভিটামিন ই এবং ম্যাগনেশিয়াম। এই উপাদান ত্বক, চুলের জন্য বিশেষ উপকারী। পাশপাশি এই বাদাম দেহে ইনসুলিনের মাত্রা ঠিক রাখে। তাই বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, পরিবারের কেউ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে, আক্রান্তের পাশপাশি বাকি সদস্যের নিয়মিত কাঠবাদাম খাওয়া উচিত। কারণ তাহলে আগে থেকেই দেহে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ডায়াবেটিস আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ কমবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shahjahan Sheikh: আদালতের নির্দেশ অমান্য! শাহজাহানের বিরুদ্ধে খুনের মামলায় রাজ্যকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    Shahjahan Sheikh: আদালতের নির্দেশ অমান্য! শাহজাহানের বিরুদ্ধে খুনের মামলায় রাজ্যকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে তিন বিজেপি কর্মী খুনের মামলায় নিম্ন আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। তারপরেও পুলিশে মামলাতে অতিরিক্ত চার্জশিট জমা দেয় বলে অভিযোগ। সোমবার এই মামলার শুনানিতে রাজ্যকে ভৎর্সনা করল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রসঙ্গত, সোমবারই বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চে সন্দেশখালির এই মামলাটির শুনানি ছিল। এদিন পুলিশের ভূমিকায় অত্যন্ত অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি। এই খুনের মামলায় মূল অভিযুক্ত ছিলেন শেখ শাহজাহান (Shahjahan Sheikh)।

    ২০১৯ সালে খুন ৩ বিজেপি কর্মী 

    মৃতদের পরিবারের পক্ষে আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য এদিন বলেন, ‘‘এই মামলাতে মূল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহান (Shahjahan Sheikh)। এখনও কীভাবে রাজ্য পুলিশ তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে, এটা তার নমুনা।’’ শাহজাহানের নাম বাদ দেওয়া নিয়ে তদন্তকারী অফিসার বলেন, ‘‘সাক্ষীকে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়নি।’’ তখন বিচারপতি বলেন, ‘‘আপনি ঠিক করবেন, কে বিশ্বাসযোগ্য আর কে বিশ্বাসযোগ্য নয়?’’ জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটের ফল প্রকাশের পরে সন্দেশখালিতে খুন হন তিন বিজেপি কর্মী প্রদীপ মণ্ডল, দেবদাস মণ্ডল এবং সুকান্ত মণ্ডল। এই ঘটনায় শেখ শাহজাহান এবং তাঁর বাহিনীর বিরুদ্ধে দু’টি এফআইআর দায়ের করা হয়।  কিন্তু পুলিশ শেখ শাহজাহানের (Shahjahan Sheikh) নাম চার্জশিট থেকে বাদ দিয়ে দিয়েছিল।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    সম্প্রতি, সেই অভিযোগ নিয়েই নিহতদের পরিবাররা হাজির হয় হাইকোর্টে। সোমবার আদালতে এই মামলার আইনজীবী জানিয়েছেন, ১৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ দেওয়ার পরেও পুলিশ অতিরিক্ত চার্জশিট জমা দেয়। এতেই ক্ষুদ্ধ হন বিচারপতি। এই মামলা নিয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণ হল, ‘‘হাইকোর্ট ট্রায়াল সহ যাবতীয় বিচার প্রক্রিয়ার ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে। তারপরেও কিভাবে চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ?’’ এ প্রসঙ্গে বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত বলেন, ‘‘আদালতে নির্দেশ অমান্য করার কারণে তদন্তকারী অফিসারের বিরুদ্ধে আমি আদালত অবমাননার রুল জারি করতে বাধ্য হব।’’ জানা গিয়েছে, আগামী বুধবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, আমাদের সাধারণ বিমান”, মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, আমাদের সাধারণ বিমান”, মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝড়ের পর বিধ্বস্ত জলপাইগুড়ি যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি। ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। পাশে থাকার বার্তা দেন। আর লোকসভা ভোটের মুখে রাতে তড়িঘড়ি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জলপাইগুড়িতে পৌঁছে যাওয়া নিয়েও কটাক্ষ করেছেন তিনি।

    প্রায় ৮০০ বাড়ি ধ্বংস! (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, এই কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলিকে। কারণ, রাজনৈতিক কর্মী এবং জনপ্রতিনিধিরা এই মুহূর্তে নির্বাচনী বিধির আওতায় পড়ছেন। তাই ইচ্ছা থাকলেও বিশেষ কিছু করতে পারবেন না। কাল থেকে ওখানে আমাদের স্বেচ্ছাসেবী এবং জেলার কর্মীরা কাজ করছেন। নির্বাচনী বিধি মাথায় রেখে আমাদের পক্ষ থেকে সাধ্যমতো কাজ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর দফতর দ্রুততার সঙ্গে হস্তক্ষেপ করেছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধারের পাশাপাশি ত্রাণ কাজও চালিয়েছে। জলপাইগুড়িতে প্রায় ৮০০ বাড়ি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। বাড়িগুলি টিন দিয়ে তৈরি ছিল। এই সময়ে সরকারের উচিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। কারণ, বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে সরকার আদর্শ আচরণবিধির আওতায় পড়ে না।

    ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, আমাদের সাধারণ বিমান, তোপ শুভেন্দুর

    জলপাইগুড়ির ঝড়ে প্রাণহানির খবর পেয়ে রবিবার রাতেই সেখানে পৌঁছে যান মমতা। মমতা রবিবার রাত সাড়ে ৯টার পর চার্টার্ড ফ্লাইটে জলপাইগুড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। আর শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়েছেন সোমবার সকাল ৯টা নাগাদ। অর্থাৎ, তাঁদের যাত্রার সময়ের ব্যবধান প্রায় ১৩ ঘণ্টা। এ প্রসঙ্গে সোমবার সকালে বিমানবন্দর থেকে শুভেন্দু বলেন, “ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, তাই উনি রাতে চলে গিয়েছেন। আমাদের সাধারণ বিমান, যখন সময় হবে, আমি যাব। মমতার দ্রুত যাওয়া নিয়ে নির্বাচনী বন্ডের প্রসঙ্গও তুলেছেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর কথায়, “তৃণমূল তো নির্বাচনী বন্ড থেকে অনেক টাকা পেয়েছে। সঞ্জীব গোয়েঙ্কা৪০০ কোটি টাকা দিয়েছে। ডিয়ার লটারি দিয়েছে ৬০০কোটি টাকা। ভোররাতে, মাঝরাতে যখন খুশি চার্টার্ড ফ্লাইটে ওঁরা যেতে পারেন। তবে আমি তৃণমূল এবং মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে চাই, মাল নদীতে হড়পা বানের সময়ে যদি ওঁর এইতৎপরতা দেখতে পেতাম, তা হলে ভাল লাগত। তা হলেবুঝতাম আপনি রাজধর্ম করছেন, ভোটধর্ম করছেন না।”বাগডোগরায় নেমে শুভেন্দু আর এক প্রস্থ কটাক্ষ করেন মমতাকে। বলেন, “রাতে কী কাজ? ওঁর এত তাড়াহুড়ো করার কী ছিল? মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করা, হাসপাতালে যাওয়া- এগুলো তো উনি সকালেও করতে পারতেন, যেমন রাজ্যপাল করেছেন। দুর্গাপুজোর সময়ে মালবাজারে যা হল, তখন উনি কোথায় ছিলেন?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Telegram, FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Congress: কংগ্রেসের বকেয়া আয়কর আদায়ে ভোটের মধ্যে কঠোর পদক্ষেপ নয়, সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র

    Congress: কংগ্রেসের বকেয়া আয়কর আদায়ে ভোটের মধ্যে কঠোর পদক্ষেপ নয়, সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে স্বস্তিতে কংগ্রেস (Congress)। ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকার বকেয়া আয়কর আদায়ে এখনই কোনও কড়া পদক্ষেপ করা হবে না বলে সুপ্রিম কোর্টে জানিয়ে দিল আয়কর দফতর। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে আয়কর দফতরের পক্ষে সওয়াল করেন কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেটা।

    কী বললেন সলিসিটর জেনারেল?

    তিনিই জানান, কংগ্রেসের বকেয়া ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকার আয়কর উদ্ধার করতে লোকসভা নির্বাচনের আগে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে চায় না আয়কর দফতর। তিনি বলেন, “২০২৪ সালে তাদের (কংগ্রেস) ২০ শতাংশ আয়কর দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তার পর ১৩৫ কোটি টাকা উদ্ধার হয়। পরে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা চাওয়া হয়। এখন গোটা বিষয়টি নির্বাচনের পরবর্তী সময়ের জন্য তোলা রইল। ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা কোনও পদক্ষেপ করব না।”

    নোটিশ সোনিয়ার দলকে

    শুক্রবারই ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা চেয়ে আয়কর দফতর নোটিশ পাঠিয়েছিল সোনিয়া গান্ধীর দলকে। এর পর চব্বিশ ঘণ্টাও কাটেনি ফের দু’টি নোটিশ পায় গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি। তার পরেই কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপির বিরুদ্ধে ‘কর সন্ত্রাসে’র অভিযোগে সরব হয় কংগ্রেস (Congress)। বকেয়া আয়কর বাবদ ৩ হাজার ৫৬৭ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে, জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থও হয় কংগ্রেস।

    সোমবার শুনানির জন্য মামলাটি ওঠে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিভি নাগরত্নের বেঞ্চে। কংগ্রেসের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। আদালতে তিনি বলেন, “আমরা কোনও লাভজনক সংস্থা নই। আমরা একটি রাজনৈতিক দল।” প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হবে ৪ জুন। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২৪ জুলাই। তাই ততদিন পর্যন্ত স্বস্তিতেই রইল কংগ্রেস।

    আরও পড়ুুন: আরও এক বছর সস্তায় মিলবে গ্যাস, ভর্তুকি কত জানেন?

    কংগ্রেসের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ, পর পর কয়েকটি অর্থবর্ষে নির্বাচনী বন্ড বা অন্য খাতে যা আয় করেছে, তাতে কর ফাঁকি দিয়েছে কংগ্রেস। সোনিয়ার দলকে নোটিশ পাঠিয়ে সেই টাকাই চেয়েছিল আয়কর দফতর। জরিমানা-সহ ওই টাকা দিতে গেলে নির্বাচনের আগে বিপাকে পড়তে হত গ্রান্ড ওল্ড পার্টিকে। কারণ, ক্ষয়িষ্ণু দল হওয়ায় কংগ্রেসের (Congress) রোজগার আঞ্চলিক দল তৃণমূলের চেয়েও কম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share