Tag: Madhyom

Madhyom

  • BJP: সৌমেন্দুর রোড শোয়ের আগে বোমাবাজি, তৃণমূলকে দায়ী করে রাস্তা অবরোধ করল বিজেপি

    BJP: সৌমেন্দুর রোড শোয়ের আগে বোমাবাজি, তৃণমূলকে দায়ী করে রাস্তা অবরোধ করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আগেই বিজেপির (BJP) রোড শোয়ের আগে বোমা ছোড়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর দুই ব্লকের আড়গোয়াল থেকে ইটাবেড়িয়া এলাকায়। বিজেপির পক্ষ থেকে তৃণমূলের দিকে আঙুল তোলা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BJP)

    ভগবানপুরে বিজেপির (BJP) মিছিলের আগে বোমা ছোড়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভগবানপুর দুই ব্লকের আড়গোয়াল থেকে ইটাবেড়িয়া যাওয়ার সময় সৌমেন্দু অধিকারীর রোড শোর অদূরে রাস্তায় বোমা ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। আচমকা বোমের আওয়াজে মিছিলে থাকা কর্মী ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলেই অভিযোগ পদ্ম শিবিরের। এলাকা যথেষ্ট উত্তেজনা রয়েছে। পরে ক্ষোভে তৃণমূল ও পুলিশকে এরজন্য দায়ী করে রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে পথ অবরোধ করে। জানা যাচ্ছে, ভগবানপুর বিধানসভা এলাকা ও পটাশপুর থানা এলাকায় বোমাবাজির ঘটনাটি ঘটেছে। বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারীর রোড শো যাওয়ার আগেই বোম ছোড়া হয় বলে অভিযোগ প্রার্থীর। সৌমেন্দুর গাড়ি বেশ কিছুটা দূরে একটু ফাঁকা দেখেই বোমা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, পরিকল্পিতভাবেই তৃণমূল এই কাজ করেছে। মিছিলের ওপর  বোমা ছোড়া হলে বড় বিপদ হতে পারত। অবিলম্বের অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে হবে।

    আরও পড়ুন: “গরিব বাড়ির মেয়ে রেখাকে দেখে ভয় পাচ্ছেন পিসি-ভাইপো”, তোপ শুভেন্দুর

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    সৌমেন্দু অধিকারী বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাইছি। আর তৃণমূল পায়ে পা লাগিয়ে এভাবে ঝামেলা করতে চাইছে। আমাদের মিছিলের আগে বোমা ছোড়া হল কেন? আসলে তৃণমূল ভয় পেয়েই এই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে বলে আমার মনে হয়। ভোটের মুখে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করছে। নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে এর জন্য পদক্ষেপ করার কথা বলব। এটা মেনে নেওয়া যায় না। অন্যদিকে, তৃণমূল নেতৃত্ব এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের বক্তব্য, বিজেপি নিজেরা এসব করে এখন তৃণমূলের ওপর দায় চাপাচ্ছে। পুলিশ তদন্ত করলেই প্রকৃত সত্য উদঘাটন হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • June Malia: জুন মালিয়া পেয়েছেন ২ কোটি! ১৫ কোটির কাজের খতিয়ান, রিপোর্ট কার্ড মিথ্যা বলছে বিজেপি

    June Malia: জুন মালিয়া পেয়েছেন ২ কোটি! ১৫ কোটির কাজের খতিয়ান, রিপোর্ট কার্ড মিথ্যা বলছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধায়ক হিসেবে তিনি কতটা যোগ্য তার প্রমাণ দিতে রিপোর্ট কার্ড তৈরি করেছেন মেদিনীপুর লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী জুন মালিয়া (June Malia)। বিধায়ক হিসেবে তিনি এলাকায় কী কী উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন, তা সবই উল্লেখ করা রয়েছে রিপোর্ট কার্ডে, তা জনসমক্ষে পেশ করা হচ্ছে। কিন্তু, জুন মালিয়ার রিপোর্ট কার্ড নিয়েই উঠল প্রশ্ন তুলল বিজেপি। বিজেপির বক্তব্য, মিথ্যা রিপোর্ট কার্ড পেশ করেছেন জুন মালিয়া। ভোটের আগে রিপোর্ট কার্ডকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে বিজেপি।

     ১৫ কোটির কাজ করেছে বিধায়ক! (June Malia)

    মেদিনীপুর পুরসভার ২৫ টি ওয়ার্ড ও দুটি ব্লক নিয়ে মেদিনীপুর বিধানসভা। গত তিন বছর ধরে মেদিনীপুর বিধানসভার বিধায়ক জুন মালিয়া (June Malia) । গত তিন বছরে তিনি তাঁর বিধানসভা এলাকায় কী কাজ করতে পেরেছেন, তার একটা হিসাব তুলে ধরেছেন এই রিপোর্ট কার্ডের মাধ্যমে। তিনি কী কী কাজ করেছেন, তার হিসাব তুলে ধরেছেন একটি পুস্তিকা আকারে। আর সেখানে ১৫ কোটির বেশি হিসাব দেখানো হয়েছে, যা মেদিনীপুর বিধানসভা এলাকায় কাজ করা হয়েছে। আর এখানেই প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি।

    আরও পড়ুন: “গরিব বাড়ির মেয়ে রেখাকে দেখে ভয় পাচ্ছেন পিসি-ভাইপো”, তোপ শুভেন্দুর

    রিপোর্ট কার্ড ভুল! সরব বিজেপি

    বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক তথা জেলা মুখপাত্র অরূপ দাসের অভিযোগ, একজন বিধায়ক (June Malia) গত তিন বছরে কত কোটি টাকা পান সরকারিভাবে? নিয়ম অনুযায়ী, তিনি পাবেন তিন বছরে ১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা, কীভাবে বিধায়ক গত তিন বছরে প্রায় ১৫ কোটি টাকারও বেশি হিসাব দেখাচ্ছেন তিনি। আসলে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প নিজের প্রকল্প হিসাবে দেখাচ্ছেন জুন। মেদিনীপুর বিধানসভা এলাকায় যে সমস্ত জায়গায় সরকারি কাজ  মেদিনীপুর উন্নয়ন পর্ষদ বা মেদিনীপুর পুরসভা, পঞ্চায়েত করেছে সেই কাজও নিজের বিধায়ক তহবিলের কাজ বলে চালাচ্ছেন বিধায়ক। ভুল রিপোর্ট কার্ড তৈরি করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি নির্মাল্য চক্রবর্তী বলেন, “বিজেপি শুধু অভিযোগই করতে জানে। তারা কাজ করতে জানে না। আমাদের সৎ সাহস রয়েছে, তাই আমরা রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ করেছি। বিধায়ক (June Malia) তাঁর তত্ত্বাবধানে এই সমস্ত কাজ করিয়েছেন তারই হিসাব দিয়েছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ‘ছাপ্পা কমতেই বাংলায় কমেছে ভোটের হার’ দাবি নির্বাচন কমিশনের

    Lok Sabha Election 2024: ‘ছাপ্পা কমতেই বাংলায় কমেছে ভোটের হার’ দাবি নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে চলছে লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024)। ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে প্রথম তিন দফার ভোট। বাকি রয়েছে আরও চার দফা। বাংলায় ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় ভোট কম পড়ছে এবার। এর কারণ হিসেবে নিজেদের ভূমিকার কথাই বলল নির্বাচন কমিশন। সারা বাংলায় ভুয়ো ভোটারের আধিক্য ছিল। ভুয়ো ভোটার বাদ পড়তেই ছাপ্পা ভোট কমেছে। এর প্রভাব পড়েছে ভোট দানে, এমনই মত কমিশনের।

    কী বলল কমিশন

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) মতে, রাজ্যে ভোটের হার কমে যাওয়ার নেপথ্যে বেশ কিছু কারণ রয়েছে। কমিশন জানিয়েছে বাংলায় প্রথম দুই দফার চেয়ে তৃতীয় দফায় ভোটের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বৃদ্ধি পেলেও সেটা গত লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) এবং বিধানসভা নির্বাচনের হারের চেয়ে বেশ অনেকটাই কম। নির্বাচন কমিশনের (ECI) মতে, এর পিছনে ছাপ্পা ভোট কমে যাওয়া সহ বেশ কিছু কারণ রয়েছে। এছাড়াও কমিশনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আগের দুটি দফায় ভোট কমার অন্যতম কারণ ছিলে তীব্র গরম। তবে এবার গরমের হার কিছুটা হলে কম ছিল। তাই ভোটারারও ভোট দিতে বেরিয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: বৈশাখের দুপুরে শিলাবৃষ্টি কলকাতায়, ঝোড়ো হাওয়া, জেলায় জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

    ভোটের হার কমার মূল কারণ

    কমিশনের (Election Commission of India) ধারণা, পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) ভোটের (Lok Sabha Election 2024) হার কমে যাওয়ার কারণ মূলত ৩টি। প্রথমত, ভোটার তালিকা থেকে ভুয়ো ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া। বিরোধীদের অভিযোগের, প্রচুর ভুয়ো ভোটারের নাম সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয়ত, ছাপ্পা ভোট না পড়া। নির্বাচন কমিশনের মতে, রাজ্যে এবার অবাধ এবং সুষ্ঠ নির্বাচন হচ্ছে। ছাপ্পা ভোট আটকানো গিয়েছে। সেই কারণেই প্রত্যেকবার যে বাড়তি ভোট ছাপ্পা হিসেবে পড়ে, সেটা এবার রোখা গিয়েছে। এবং তৃতীয়ত, সকল পরিযায়ী শ্রমিকের ভোট দিতে না আসা।কমিশনের ধারণা, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট দিতে এসে বহু পরিযায়ী শ্রমিক হিংসার সাক্ষী ছিলেন। সেই কারণে এবার অনেকেই ভোট দিতে আসেনি। ভোটবাক্সে সেটার প্রভাব পড়েছে বলে অনুমান নির্বাচন কমিশনের। উল্লিখিত তিন কারণের প্রথম দুটিকে নিজেদের সাফল্য হিসাবেই দেখছে কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Navneet Rana: “আমাদের ১৫ সেকেন্ড সময় লাগবে”- ওয়াইসিকে হুঁশিয়ারি নবনীত রানার

    Navneet Rana: “আমাদের ১৫ সেকেন্ড সময় লাগবে”- ওয়াইসিকে হুঁশিয়ারি নবনীত রানার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মরশুমে এবার খোলা মঞ্চ থেকে সরাসরি আকবরউদ্দিন ওয়াইসিকে (Akbaruddin owaisi) হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপির টিকিটে লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থী নবনীত রানা। হায়দরাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের বর্তমান সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসির বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী মাধবী লতার হয়ে প্রচারে এসে সভা থেকে হুঁশিয়ারি দেন নবনীত রানা।  

    কোন প্রসঙ্গে এই মন্তব্য? 

    ২০১৩ সালে এক সভায় অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন নেতা আকবরউদ্দিন ওয়াইসি (Akbaruddin owaisi) ‘১০০ কোটি হিন্দু’কে হুঁশিয়ার করে বলেছিলেন, “১৫ মিনিটের জন্য পুলিশ তুলে নিলে তারা কী করতে পারে, তা দেখিয়ে দেবে তাঁর সম্প্রদায়।” এবার সেই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়ে এদিন নবনীত (Navneet Rana) জানান,”পুলিশকে সরিয়ে দেওয়া হলে বা সরে দাঁড়াতে বাধ্য করা হলে আমাদের ১৫ সেকেন্ড সময় লাগবে। আপনার ১৫ মিনিট সময় লাগতে পারে, কিন্তু আমাদের সময় লাগবে মাত্র ১৫ সেকেন্ড।”  
    উল্লেখ্য, আসাদউদ্দিন ২০০৪ সাল থেকে হায়দরাবাদ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধি ছিলেন। এর আগে তিনি পূর্বতন অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে দুবার বিধায়ক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

    নবনীত রানার বক্তব্য নিয়ে ওয়ারিস পাঠান (Navneet Rana)

    অন্যদিকে নবনীত রানার (Navneet Rana) বক্তব্য শুনে পাল্টা আবার ওয়ারিস পাঠান বলেছেন, “নবনীত রানা বুঝতে পেরেছেন যে তিনি অমরাবতীতে নির্বাচনে হারতে চলেছেন। সেই কারণেই তিনি এসব বলছেন।” এছাড়াও তিনি আরও বলেন, “১৫ সেকেন্ডের জন্য পুলিশকে সরিয়ে দিয়ে তারা কী করবে? তারা কি সব মুসলমানকে হত্যা করবে? পুলিশ প্রশাসন কি করছে? এখন পর্যন্ত কেন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এবং নির্বাচন কমিশন কী করছে? নির্বাচন কমিশনের (Election commission) উচিত এই বক্তব্যকে আমলে নিয়ে বিজেপি সাংসদ নবনীত রানার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। ওরা (বিজেপি) মেরুকরণ ও সাম্প্রদায়িক বিভেদের চেষ্টা করছে।”   

    আরও পড়ুন: “নদিয়ার সৌন্দর্য ফেরাতে রানিমাকে জেতাতে হবে,” রোড শো থেকে আর্জি জানালেন মিঠুন

    মাধবী লতার হয়ে প্রচারে নভনীত রানা 

    প্রসঙ্গত, এদিন মাধবী লতার হয়ে প্রচারে নভনীত রানা (Navneet Rana) বলেন, “মাধবী লতা ভারতের সঙ্গে থাকা মানুষের কাছ থেকে যে ধরনের সমর্থন পাচ্ছেন- তারা সবাই এবার মাধবী লতাকে ভোট দেবেন। আমি আশা করি ভোট হলে মাধবী লতা অবশ্যই হায়দরাবাদকে পাকিস্তানে পরিণত হওয়া থেকে বিরত রাখবেন এবং সংসদের মাধ্যমে হায়দরাবাদের উন্নয়নের জন্য কাজ করবেন।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: “গরিব বাড়ির মেয়ে রেখাকে দেখে ভয় পাচ্ছেন পিসি-ভাইপো”, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “গরিব বাড়ির মেয়ে রেখাকে দেখে ভয় পাচ্ছেন পিসি-ভাইপো”, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে বসিরহাটে কেন্দ্রে পদ্ম শিবিরের টিকিট পেয়েছেন সন্দেশখালির ‘প্রতিবাদী’ মুখ রেখা পাত্র৷ তাঁর সমর্থনে আজ, বৃহস্পতিবার বারাসতে পদযাত্রা করে মনোনয়ন অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিলেন রাজ‍্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই পদযাত্রায় সামিল হন বিজেপির অসংখ্য কর্মী—সমর্থক। এই কেন্দ্রেই তৃণমূল সাংসদ ছিলেন অভিনেত্রী নুসরত জাহান৷ দলের অন্দরে তাঁকে নিয়ে ক্ষোভ থাকায় এবার নির্বাচনের টিকিট পাননি তিনি৷ আজকের এই মনোনয়নের সভা থেকে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    ঠিক কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)?

    এদিন রেখা পাত্রের মনোনয়নের সভা থেকে রাজ্যের বিরোধী দল নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “মোদির সভাস্থলের মাটি খুঁড়েছে তৃণমূল এরপর তাঁদের কপাল খুঁড়তে হবে। রেখাপাত্র একজন দলিত পরিবারের মেয়ে। তফশীলি পরিবারের গরিব মেয়েকে পিসি আর ভাইপো খুব ভয় পাচ্ছেন। এই ভয়টা আমাদের কাছে সব থেকে বেশি গর্বের। ১৩ বছর মুখ্যমন্ত্রী করার পরেও ২০০০ কোটি টাকার ইলেক্টোরাল বন্ড দেখিয়েছেন। এত বড় বড় বাড়ি, ফ্ল্যাট, সম্পত্তি, চার্টার্ড ফ্লাইটে, হেলিকপ্টার থাকা সত্ত্বেই একজন গরিব বাড়ির মেয়ে রেখাকে দেখে ভয় পাচ্ছেন পিসি ভাইপো। গরীবের সঙ্গে বড় লোকের লড়াই। রেখা পাত্র বিপুল ভোটে জয়ী হবেন। মোদি জি নিজে  এই প্রতিবাদী চরিত্র হিসাবে আশীর্বাদ করেছেন। মানুষ তৃণমূলের চরিত্র বুঝে গিয়েছেন।”

    আরও পড়ুনঃ পায়ে লিখেই উচ্চ মাধ্যমিকে ৮০%! বিরাট সাফল্য মুর্শিদাবাদের কৃতী ছাত্রের

    মোদি ফোন করেছিলেন রেখাকে

    এইবার বসিরহাট কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী বিধায়ক হাজি নুরুল ইসলাম৷ তাঁর বিপরীতে সন্দেশখালির আন্দোলনের অন‍্যতম মুখ রেখা পাত্রকে প্রার্থী করে এক প্রকার চমকে দিয়েছে বিজেপি। সূত্রের খবর, খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পছন্দের প্রার্থী এই রেখা। আর তিনি যে এই কেন্দ্রকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছেন তা রেখা পাত্রের সঙ্গে ফোনে কথা বলে স্পষ্টত বুঝিয়ে দিয়েছেন। অপর দিকে সন্দেশখালি নিয়ে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে গলা মিলিয়ে বারাসত লোকসভার বিজেপি প্রার্থী স্বপন মজুমদার বলেন, “তৃণমূলের আসল চরিত্র হল শেখ শাহজাহান। বাঘ এখন বেড়াল হয়ে জেলে রয়েছেন। ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের কথা সকলেই জানেন। তৃণমূলের চরিত্র সম্পর্কে গোটা বাংলার মানুষ জানেন। মানুষ ভোটে তৃণমূলকে যোগ্য জবাব দেবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • HS Result 2024: সব বাধা পেরিয়ে ইচ্ছাশক্তির জোরে উচ্চ মাধ্যমিকে শিখর ছুঁলেন বালুরঘাটের পায়েল

    HS Result 2024: সব বাধা পেরিয়ে ইচ্ছাশক্তির জোরে উচ্চ মাধ্যমিকে শিখর ছুঁলেন বালুরঘাটের পায়েল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাতায়কলমে নয়, পরীক্ষা ছিল ইচ্ছাশক্তিরও। সব বাধা পেরিয়ে শিখর ছুঁলেন বালুরঘাট ব্লকের অমৃতখণ্ড পঞ্চায়েতের কামারপাড়ার পায়েল পাল। প্রতিবন্ধকতা জয় করে উচ্চ মাধ্যমিকে (HS Result 2024) ৪৬০ পেয়ে চমকে দিয়েছেন তিনি। তবে, তাঁর  উচ্চশিক্ষার খরচ জোগাড় করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে পরিবার।

    শিক্ষিকা হওয়ার স্বপ্ন পায়েলের (HS Result 2024)

    বালুরঘাট ব্লকের অমৃতখণ্ড পঞ্চায়েতের কামারপাড়ায় বাড়ি পায়েলের। তিনি বিশেষভাবে সক্ষম তিনি। তাঁর উচ্চতা দুই ফুট। হাঁটাচলা করতে অসুবিধা হয় সেই শৈশব থেকেই। বহু চিকিৎসা করেও কোনও লাভ হয়নি। তাঁকে কটুক্তিও কম শুনতে হয়নি। তবে, আশা ছাড়েননি পায়েল। ঘরে বসে না থেকে রোজ স্কুলে গিয়ে সবার সঙ্গে মেলামেশা করার চেষ্টা করেছেন তিনি। তিনি বুঝেছিলেন, জীবনে এগিয়ে যেতে হলে কিছু করতেই হবে। বড় হয়ে শিক্ষিকা হতে চান পায়েল। ছড়িয়ে দিতে চান শিক্ষার আলো। তিনি বলেন, আমি আরও ভালো ফল (HS Result 2024) করতাম। জানি না ইংরেজিতে এত কম নম্বর পেলাম কেন। কেন এমন হল, বুঝতে পারলামনা। তবে হাল ছাড়ব না। আগামী দিনে কলেজে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাব। তবে, কোথায়, কোন বিষয় নিয়ে  কলেজে পড়ব, তা আমার পরিবার ও শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করেই ঠিক করবো।

    আরও পড়ুন: শাহজাহান বাহিনীর হাতে খুন হন বাবা, ঘরছাড়া হয়েও উচ্চ মাধ্যমিকে ৪৮৩ পেলেন প্রীতম

    উচ্চশিক্ষার খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবার

    লড়াইয়ের হাতিয়ার হিসেবে পড়াশুনাকেই বেছে নিয়ে মাধ্যমিকে ৫৫৪ পেয়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন পায়েল। তিনি বাদামাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের এই ছাত্রী। এবার উচ্চ মাধ্যমিকে (HS Result 2024) ৪৬০ নম্বর পেয়ে সাফল্যের চূড়ায় তিনি। পায়েল বাংলায় ৮০, এডুকেশনে ৯৯, ভূগোলে ৯৭, সংস্কৃত ৯৩, দর্শনে ৯১ নম্বর পেয়েছেন। বাবা দ্বিগেন পাল পেশায় দর্জি। মা প্রভাতী পাল গৃহবধূ। দ্বিগেনবাবু যে আয় করেন, সেটা মেয়ের পড়াশুনা এবং চিকিৎসা করাতেই শেষ হয়ে যায়। মেয়ের এই সাফল্যে খুশি হলেও উচ্চশিক্ষার খরচ কীভাবে চালাবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবার। পায়েলের মা প্রভাতী পাল বলেন, মেয়েকে প্রতিদিন স্কুলে নিয়ে যাওয়া-আসা করতাম। পায়েল ছোট থেকে মেধাবী। তার এই ফলে আমরা ভীষণ খুশি। তবে উচ্চশিক্ষার খরচ জোগাড় করা নিয়ে চিন্তায় পড়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Updates: বৈশাখের দুপুরে শিলাবৃষ্টি কলকাতায়, ঝোড়ো হাওয়া, জেলায় জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

    Weather Updates: বৈশাখের দুপুরে শিলাবৃষ্টি কলকাতায়, ঝোড়ো হাওয়া, জেলায় জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই আকাশে ছিল মেঘের আনাগোনা। মাঝে মাঝে ঝিরঝিরে বৃষ্টি। দুপুর হতেই কালো মেঘে ঢাকল কলকাতা। আর তার পরই অঝোরধারায় বৃষ্টি নামল শহরে। বৃহস্পতিবার, শেষ বৈশাখে শিলাবৃষ্টিরও সাক্ষী থাকল মহানগর। পরপর তিনদিন ধরেই কলকাতা সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হয়েছে। তাপমাত্রাও ৪০-৪২ ডিগ্রি থেকে একধাক্কায় নেমে গিয়েছে অনেকটাই। চলতি সপ্তাহের শুরু থেকে আবহাওয়া (Weather Updates) অনেকটাই আরামদায়ক।

    দুপুরে শিলাবৃষ্টি শহরে

    এদিন দুপুর ১ টা নাগাদ আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়। বজ্রপাতের শব্দও শোনা যায় কলকাতা ও আশপাশের জেলাগুলিতে। তবে শিলাবৃষ্টি একেবারে চমকে দিয়েছে কলকাতাবাসীকে। বিভিন্ন জেলায় শিলাবৃষ্টি খবর শোনা গেলেও কলকাতায় দীর্ঘদিন পর শিল পড়তে দেখা যায় এদিন। দক্ষিণ কলকাতার একাধিক জায়গা যেমন- যাদবপুর, কুঁদঘাট সহ একাধিক জায়গায় শিলাবৃষ্টি দেখা গিয়েছে। আজ সন্ধ্যায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা-সহ কলকাতায়। ৫০ কিমি বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় কমলা সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস।বলা হয়েছে, কলকাতা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। একই সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। মানুষকে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর। কোনও বিপজ্জনক বাড়ি বা গাছের তলায় যেন আশ্রয় না নেন, আবেদন জানিয়েছেন আবহবিদরা (Weather Updates) । 

    আরও পড়ুন: পুঞ্চে বিমানবাহিনীর কনভয়ে হামলায় জড়িত তিন জঙ্গির নাম ও ছবি প্রকাশ

    শনিবার পর্যন্ত বৃষ্টি

    সোমবারের বৃষ্টির পর থেকেই কলকাতা-সহ প্রায় গোটা রাজ্যের আবহাওয়া (Weather Updates) স্বস্তিদায়ক। মঙ্গলবার গভীর রাতের বৃষ্টির পর বুধবার শহরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে নেমে গিয়েছিল। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই সপ্তাহে বৃষ্টি চলবে। আপাতত আগামী শনিবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। বৃষ্টি বৃদ্ধি পেতে পারে শুক্রবার। ওই দিন আবার কালবৈশাখীর পূর্বাভাস জানিয়েছে আলিপুর। কলকাতা-সহ দক্ষিণের সব জেলাতে শুক্রবার বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু জেলায় ভারী বৃষ্টি (৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার) হতে পারে। তার জন্য কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Odisha: ওড়িশায় আত্মসমর্পণ করল ২ মহিলা ক্যাডার সহ ৯ জন মাওবাদী, জানেন কেন?

    Odisha: ওড়িশায় আত্মসমর্পণ করল ২ মহিলা ক্যাডার সহ ৯ জন মাওবাদী, জানেন কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করল ২ জন মহিলা ক্যাডার (Female cadres) সহ ৯ জন মাওবাদী। ৭ মে, মঙ্গলবার ওড়িশার (Odisha) ভুবনেশ্বরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সিপিআই (মাওবাদী) এর ৯ জন সদস্য একসঙ্গে ওড়িশা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। জানা গিয়েছে, ওই ২ মহিলা ক্যাডার সহ ৯ জন মাওবাদী এর আগে কুখ্যাত কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এদিন বৌধ জেলায় পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে তারা।  

    পুলিশ তরফে জানানো হয়েছে 

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহিলা ক্যাডার যোগী মাদভি ওরফে জ্যোতি এবং পোজে মাদভি সহ নয়জন মাওবাদীই পার্শ্ববর্তী ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়া জেলার মুলের গ্রামের বাসিন্দা। যোগী যখন ২০১৯ সালে সিপিআই (মাওবাদী) তে যোগ দিয়েছিল তখন তিনি মাওবাদী নেতা সিলা ওরফে নাগমনির ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল। এরপরে ২০২০ সালে কেকেবিএন বিভাগের চতুর্থ কোম্পানির বিভাগীয় কমিটির সদস্য (DCM) বিকাশ ওরফে জগদীশের সঙ্গে চরমপন্থী গোষ্ঠীতে যোগ দিয়েছিল। 

    কী বলল আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীরা?

    আত্মসমর্পণকারী অন্যদের মধ্যে কেকেবিএন বিভাগের ডিসিএম সাময় মাদকাম ওরফে নরেশও রয়েছে। তিনি ডিভিশনের চতুর্থ কোম্পানিতে ১ম প্লাটুনের কমান্ডার ছিল এবং এর আগে ওডিশার কান্ধমাল, বৌধ এবং নুয়াপাদা জেলায় তার বিরুদ্ধে ১৭টি মামলা বিচারাধীন ছিল। এই দুজন ছাড়া বাকিরা মাওবাদী (Maoists) সংগঠনে দলীয় সদস্য হিসেবে কাজ করছিল। মাদকাম পুলিশের কাছে জানিয়েছে, দলের মধ্যে নিচুতলার কর্মী-সদস্যদের ওপর ভীষণভাবে শোষণ ও নীপিড়ন হতো। বিশেষ করে, মহিলা সদস্যদের ওপর লাগাতার যৌন নির্যাতন চলত। এসব দেখে তারা মূলস্রোতে ফেরার সিদ্ধান্ত নেয়।

    আরও পড়ুন: বাংলায় তিন দফায় ‘শান্তিপূর্ণ’ ভোট, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের প্রশংসা কমিশনের

    ছত্তিশগড়েও মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ (Maoists surrender)

    অন্যদিকে সম্প্রতি ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়া জেলায় ৩৫জন মাওবাদী, পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। রবিবার দান্তেওয়াড়া পুলিশের প্রচার অভিযানের জেরে ওই রেঞ্জের ডি আই জি পুলিশ কমললোচন কাশ্যপ এবং সিআরপিএফ ও পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সামনে তারা আত্মসমর্পণ করে। জানা গিয়েছে ভইরামগড় এবং কাটেকল্যাণ এলাকায় মাওবাদী (Maoists) সংগঠনের কাজকর্মে যুক্ত ছিল তারা। এদের বিরুদ্ধে রাস্তা অবরোধ সহ বিভিন্ন ধরনের জঙ্গি তৎপরতার অভিযোগ রয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • India Hindu Population: ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার হার কমেছে ৮ শতাংশ, তরতরিয়ে বেড়েছে সংখ্যালঘুরা

    India Hindu Population: ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার হার কমেছে ৮ শতাংশ, তরতরিয়ে বেড়েছে সংখ্যালঘুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংখ্যাগুরু হিন্দুদের সংখ্যা (India Hindu Population) দ্রুত কমছে। আর যারা সংখ্যালঘু তাদের বংশলতিকা বাড়ছে বর্ষার লবঙ্গলতিকার মতো। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে ভারতের জনসংখ্যার এই ছবি। প্রধানমন্ত্রীর ইকনোমিক অ্যাডভাইসরি কাউন্সিলের (EAC-PM Study) প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, ১৯৫০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ভারতে সংখ্যাগুরু হিন্দুদের সংখ্যা কমেছে ৭.৮ শতাংশ। অথচ এই সময়সীমায় ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলিতে সংখ্যাগুরু (পড়ুন মুসলমান) জনসংখ্যা বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে।

    বেড়েছে সংখ্যালঘু (India Hindu Population) 

    কেবল প্রতিবেশী দেশগুলিতে নয়, ভারতেও যেখানে হিন্দুদের সংখ্যা কমছে, সেখানেও সংখ্যালঘু মুসলমান, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ এবং শিখ সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা বাড়ছে। আর উল্লেখযোগ্যভাবে কমছে জৈন ও পার্শিদের সংখ্যা। ১৯৫০ থেকে ২০১৫ এই পঁয়ষট্টি বছরে (India Hindu Population) ভারতে মুসলমান জনসংখ্যার হার বেড়েছে ৪৩.১৫ শতাংশ। খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা বেড়েছে ৫.৩৮ শতাংশ। জনসংখ্যা বেড়েছে শিখ এবং বৌদ্ধদেরও। শিখদের জনসংখ্যা বেড়েছে ৬.৫৮ শতাংশ। বৌদ্ধদের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে সামান্য।

    কমেছে হিন্দুর হার

    সংখ্যালঘুদের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তার চেয়ে তুলনায় ঢের কমছে সংখ্যাগুরু হিন্দু জনসংখ্যা (India Hindu Population)। ১৯৫০ সাল থেকে ২০১৫ এই পর্বে ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার ভাগ ৮৪ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ৭৮ শতাংশ। এই সময় মুসলমানদের ভাগ ৯.৮৪ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৪.০৯ শতাংশ। ভারতে হিন্দুদের জনসংখ্যা যে হারে কমছে, সেদিক থেকে ভারতের স্থান হয়েছে পড়শি দেশ মায়ানমারের পরেই। এখানে হিন্দু জনসংখ্যা কমেছে ১০ শতাংশ। ভারতে এই হার ৭.৮ শতাংশ। হিন্দুর সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে ভারতের আর এক প্রতিবেশী দেশ নেপালেও। এখানেও হিন্দুরাই সংখ্যা গরিষ্ঠ। তবে তাদের বৃদ্ধির হার মাত্রই ৩.৬ শতাংশ। যে রিপোর্টের ভিত্তিতে এসব বলা হচ্ছে, তা সংগ্রহ করা হয়েছে বিশ্বের ১৬৭টি দেশ থেকে। গবেষণাপত্রটির লেখকদের মতে, বিভিন্ন দিক থেকে বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, ভারতে সংখ্যালঘুরা কেবল নিরাপদেই রয়েছেন তা নয়, তাঁরা ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে গোটা দেশে (India Hindu Population)।

    এগিয়ে বাংলাদেশ

    সংখ্যাগুরু হওয়া সত্ত্বেও ভারতে যেখানে হিন্দুদের সংখ্যা কমছে, সেখানে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানে সংখ্যাগুরু মুসলমানদের সংখ্যা বাড়ছে তরতরিয়ে। সব চেয়ে বেশি বেড়েছে বাংলাদেশে। এদেশে মুসলমান বেড়েছে ১৮.৫ শতাংশ। এর পরেই রয়েছে পাকিস্তান। সেখানে বেড়েছে ৩.৭৫ শতাংশ। এই তালিকার একেবারে শেষে রয়েছে আফগানিস্তান। সেখানে বেড়েছে মাত্রই ০.২৯ শতাংশ। গবেষণাপত্রটির লেখক শমিকা রবি, আব্রাহাম জোশ এবং অপূর্বকুমার মিশ্র। তাঁরা বলছেন, পাকিস্তানে হানিফ মুসলমানের সংখ্যা বেড়েছে ৩.৭৫ শতাংশ। এদেশে সামগ্রিকভাবে মুসলমানের সংখ্যা বেড়েছে ১০ শতাংশ। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান থেকে বেরিয়ে গিয়ে বাংলাদেশ আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার পরেও পাকিস্তানে অব্যাহত মুসলমান জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার। ভারতের পূর্ব দিকের প্রতিবেশী মায়ানমার। সেখানে জনসংখ্যার হার কমেছে ব্যাপকভাবে। ১৯৫০ থেকে ২০১৫ এই সময়সীমায় সে দেশে থেরাভাদা বৌদ্ধদের সংখ্যা কমে গিয়েছে ১০ শতাংশ। এদেশে এরাই সংখ্যাগুরু (India Hindu Population)। গবেষণায় জানা গিয়েছে, ভারত এবং মায়ানমারের পরে নেপালে সংখ্যাগুরু হিন্দুদের জনসংখ্যা কমেছে ৩.৬ শতাংশ।

    পিছিয়ে মলদ্বীপও

    ভারত মহাসাগরের বুকে ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র মলদ্বীপ। এখানেও মুসলমানেরাই সংখ্যাগুরু। তবে এঁরা সফি সুন্নি সম্প্রদায়ের মুসলমান। কমেছে এঁদের হারও। সংখ্যাতত্ত্বের হিসেবে ১.৪৭ শতাংশ। ভারতের আরও দুই প্রতিবেশী দেশে বৌদ্ধরা সংখ্যাগুরু। এই দুই দেশের একটি হল ভুটান, অন্যটি শ্রীলঙ্কা। চলতি বছরের মে মাসে যে গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে ভুটানে বৌদ্ধ জনসংখ্যার হার বেড়েছে ১৭.৬ শতাংশ। আর শ্রীলঙ্কায় এই হার ৫.২৫ শতাংশ। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশে সংখ্যালঘুদের মোট জনসংখ্যার শেয়ারের পরিবর্তন থেকে ওই দেশের সংখ্যালঘুদের স্টেটাস কী, তা বোঝা যায়।

    আরও পড়ুুন: পাকিস্তানের হাতে সিয়াচেন তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন সোনিয়া গান্ধী?

    বিশ্বেও হ্রাস পাচ্ছে সংখ্যাগুরুরা

    ওই গবেষণা থেকে আরও জানা গিয়েছে, কেবল ভারতেই (India Hindu Population) নয়, গোটা বিশ্বেই কমছে সংখ্যাগুরুদের বৃদ্ধির হার। চিন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড এবং পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশের কথা অবশ্য আলাদা। এই দেশগুলিতে ভারতের চেয়ে বেশি বেড়েছেন সংখ্যালঘুরা। বিশ্বের যে ১৬৭টি দেশে ধর্মীয় জনগণনা করা হয়েছিল, সেখানে গড়ে জনসংখ্যা কমেছে ২২ শতাংশ (১৯৫০-২০১৫ এই সময় সীমায়)। লাইবেরিয়ায় কমেছে ৯৯ শতাংশ। আর নাবিমিয়ায় বেড়েছে ৮০ শতাংশ। ১২৩টি দেশে সংখ্যাগুরুদের সংখ্যা কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

    ভারতে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ

    কী কারণে ভারতে বাড়ছে সংখ্যালঘুরা? গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, ভারতে সংখ্যালঘুরা যে নিরাপদেই রয়েছেন, এটা তার একটা বড় প্রমাণ। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, সংখ্যাগুরুদের জনসংখ্যা হ্রাসের পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার প্রমাণ করে দেশের নীতি রয়েছে সঠিক পথে। রাজনৈতিক সিদ্ধান্তও রয়েছে ঠিকঠাক। তার জেরেই জনসংখ্যা বাড়ছে সংখ্যালঘুদের। ভারতের যে বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যের বাতাবরণ রয়েছে, তাও যে সত্য, তা প্রমাণিত এ দেশে সংখ্যালঘুদের বাড়বাড়ন্তে (India Hindu Population)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Mithun Chakraborty: “নদিয়ার সৌন্দর্য ফেরাতে রানিমাকে জেতাতে হবে,” রোড শো থেকে আর্জি জানালেন মিঠুন

    Mithun Chakraborty: “নদিয়ার সৌন্দর্য ফেরাতে রানিমাকে জেতাতে হবে,” রোড শো থেকে আর্জি জানালেন মিঠুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাখির চোখ কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র। তাই, বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়ের সমর্থনে ভোট প্রচার করতে একের পর এক হেভিওয়েট নেতারা আসছেন কৃষ্ণনগর লোকসভায়। বৃহস্পতিবার বলিউড সুপারস্টার তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের দলীয় প্রার্থী রানি মা অমৃতা রায়ের হয়ে কালীগঞ্জ বিধানসভার দেবগ্রাম মণ্ডল ২ এলাকায় রোড শো করলেন।

     মিঠুনের রোড শোয়ে জনজোয়ার (Mithun Chakraborty)

    এদিন এই রোড শো তে উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায় সহ একাধিক বিজেপি কর্মকর্তারা। তবে, মিঠুনকে (Mithun Chakraborty) একবার চোখের দেখা দেখতে সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। রোড শোয়ে সাধারণ মানুষের ভিড়় উপচে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দা পার্থ ঘোষ বলেন, “আমার বাড়ির সামনে দিয়ে মিঠুন গেলেন। তাঁকে এত কাছে থেকে দেখব তা ভাবতে পারিনি।” এর আগে, অমৃতা রায়ের সমর্থনে ইতিমধ্যে দু দুটি সভা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অপরদিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী একাধিক সভা করেছেন। কিছুদিন আগেই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রার্থীর সমর্থনে এসে রোড শো করে  প্রচারে ঝড় তুলেছিলেন। অপরদিকে জমি ছাড়তে নারাজ রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। ইতিমধ্যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  দু -দুটি সভা করেছেন তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্র সমর্থনে। তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড তথা সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও ইতিমধ্যে সভা করে মানুষের কাছে ভোট ভিক্ষা করেছেন,কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্রর হয়ে।এতে করেই বোঝা যাচ্ছে কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র পাখির চোখ করে এগোচ্ছে শাসক-বিরোধী দুই শিবির। এক চুলও জমি ছাড়তে নারাজ রাজ্যের প্রধান দুই প্রতিপক্ষ।

    আরও পড়ুন: শাহজাহান বাহিনীর হাতে খুন হন বাবা, ঘরছাড়া হয়েও উচ্চ মাধ্যমিকে ৪৮৩ পেলেন প্রীতম

    নদিয়ার সৌন্দর্য ফেরাতে রানিমাকে জেতাতে হবে

    এদিন দলীয় প্রার্থীকে নিয়ে এলাকায় চষে বেড়ান মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) । তিনি এদিন রোড শোয়ে খুব বেশি বক্তব্য রাখেননি। গাড়ি থেকে হাত নেড়ে সৌজন্য বিনিময় করেছেন সকলের সঙ্গে। মিঠুন এদিন শুধু বলেন, নদিয়ার সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে গেলে রানিমাকে জেতাতে হবে। সকলের কাছে তিনি এই আর্জি জানান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share