Tag: Madhyom

Madhyom

  • Darjeeling: বরফের চাদরে ঢাকল দার্জিলিংয়ের সান্দাকফু, উচ্ছ্বসিত পর্যটকরা

    Darjeeling: বরফের চাদরে ঢাকল দার্জিলিংয়ের সান্দাকফু, উচ্ছ্বসিত পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসন্তে বরফে ঢাকলো সান্দাকফু। অসময়ের এই তুষারপাতে পাহাড় মুখী হতে শুরু করেছেন পর্যটকেরা। বুধবার সকাল থেকেই দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) সান্দাকফু বরফে ঢেকে রয়েছে। অসময়ের তুষারপাতের খবর ছড়িয়ে পড়তেই পাহাড়মুখী হতে শুরু করেছেন পর্যটকরা। শুধু এদিনই নয়, আরও কয়েকদিন ধরে চলবে এই তুষারপাত। আবহাওয়া দফতরের এই পূর্বাভাস। পর্যটন ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি। দোলের সামনে এই তুষারপাত ব্যাপক সংখ্যায় পর্যটকদের দার্জিলিং পাহাড়ে টেনে আনবে, এমনটাই আশা তাদের। খুশি পর্যটকরা।

    কেন এই অসময়ের তুষারপাত? (Darjeeling)

    অসময়ে তুষারপাত দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) সান্দাকফুতে নতুন নয়। সিকিমের আবহাওয়া দফতরের আধিকারিক গোপীনাথ রাহা বলেন, গত বছর মার্চ মাসে সান্দাকফুতে বরফ পড়েছিল। কয়েক বছর আগে এপ্রিল মাসেও বরফ পড়েছে। শীত চলে যাওয়ার পর বসন্তের আগমনে সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছিল।  তার মাঝে হঠাৎ করে বরফ পড়ার ঘটনা চমকপ্রদ বটে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে,  গত দুমাস ধরে দার্জিলিং সহ উত্তরবঙ্গ বৃষ্টিপাত ছিল না। ঘূর্ণাবর্ত, নিম্নচাপ তৈরি হলেও জলীয়বাষ্প না থাকায় এই দু’মাস বৃষ্টিপাত হয়নি। গোপীনাথ রাহা বলেন, গত কয়েকদিন ধরে উত্তর-দক্ষিণ অক্ষরেখা চলে আসার পাশাপাশি একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়। তার সঙ্গে বঙ্গোপসাগর থেকেও প্রচুর পরিমাণে জলীয়বাষ্প আসতে শুরু করেছে। ঘূর্ণাবর্ত থাকা সেই জলীয়বাষ্প উপরে উঠে গিয়ে জমাট বেঁধে বৃষ্টি এবং তুষারপাত ঘটিয়েছে। আগামী কয়েকদিন ধরে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টিপাত হবে। সেই সঙ্গে দার্জিলিং ও সিকিমের উঁচু জায়গাগুলিতে তুষারপাতও চলবে।

    আরও পড়ুন: ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তৃণমূলের সিলেবাসের মধ্যে রয়েছে’, বেফাঁস শতাব্দী রায়

     খুশি পর্যটন ব্যবসায়ীরা

    এখন ভরা পর্যটন মরসুম। কিন্তু, লোকসভা নির্বাচনের দামামা বেজে যাওয়ায় এবার পর্যটনে কিছুটা ভাটা শুরু হয়েছিল। অসময়ের তুষারপাত সেই ধাক্কা অনেকটাই সামলে দেবে বলে আশা পর্যটন ব্যবসায়ীদের। উত্তরবঙ্গের অন্যতম ট্যুর অপারেটর সম্রাট সান্যাল বলেন, অসময়ে তুষারপাতে এদিন থেকেই আবার পাহাড়ে পর্যটক আসতে শুরু করেছেন। দোলের আগে উইকেন্ডের মাঝে এই তুষারপাত পর্যটকদের দার্জিলিং (Darjeeling) আসার ব্যাপারে নতুন করে উৎসাহিত করেছে। এই অঞ্চলের পর্যটন ব্যবসার ক্ষেত্রে একটা ভালো দিক। আমরা আশা করছি এবারের দোল উৎসব পর্যন্ত দার্জিলিং পাহাড় পর্যটকে ঠাসা থাকবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: বেআইনি কালো টাকার ব্যবহারকে আটকাতে কমিশনের কড়া পদক্ষেপ

    Lok Sabha Election 2024: বেআইনি কালো টাকার ব্যবহারকে আটকাতে কমিশনের কড়া পদক্ষেপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) ভোটে বেআইনি অর্থ বা কালো টাকার ব্যবহারকে আটকাতে এবার কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করল নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, অবৈধ লেনদেন আটকাতে এখন থেকে ব্যাঙ্কের গাড়িতে নজরদারি চালানো হবে। এটিএমে টাকা পাঠানোর গাড়িকেও পরীক্ষা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। অপর দিকে বাংলায় নির্বাচন কমিশন এখনও পর্যন্ত ৮১ কোটি টাকার সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করেছে বলে জানা গিয়েছে।

    কমিশনের বক্তব্য (Lok Sabha Election 2024)

    গত শনিবার লোকসভার (Lok Sabha Election 2024) নির্ঘণ্ট প্রকাশের সময় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার বলেন, “এইবারের ভোটে ৪ ‘ম’ বা ‘এম’ বিষয়ে অপব্যবহার আটকাতে কড়া নজর রাখবে কমিশন। এই ৪ ‘এম’ বা ‘ম’-এর মধ্যে একটি হল মানি পাওয়ার বা আর্থিক ক্ষমতা। দেশের রাজনৈতিক দলগুলি আর্থিক ক্ষমতার জোরে ভোট কিনে থাকে। তাই এই প্রবণতাকে কড়া হাতে দমন করবে কমিশন।” এই দমন করার অন্যতম কৌশল হল এটিএম ভ্যানে নজরদারি। গাড়িতে নজরদারি, ব্যাঙ্কের গাড়ি বা এটিএমের টাকা পাঠানোর গাড়িতে ‘কিউআর কোড’ ব্যবহার করা হবে।

    ৮১ কোটি টাকার সামগ্রী বাজেয়াপ্ত

    লোকসভার (Lok Sabha Election 2024) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকে নগদ, মদ ও মাদক মিলিয়ে ৮১ কোটি টাকার সামগ্রী বাংলায় নির্বাচন কমিশন বাজেয়াপ্ত করেছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১ মার্চ থেকে বেআইনি মদ বাতিল হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলায় ১ লাখ ২৭ হাজার ৭২৬ টি এমসিসি ভঙ্গের ঘটনার তথ্য জমা পড়েছে। ১৯ শে এপ্রিল প্রথম দফায় ভোট। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলপুরদুয়ারে এখনও পর্যন্ত ১০ হাজারের বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে। এরমধ্যে কোচবিহারেই ৬ হাজারের বেশি। একই সঙ্গে দার্জিলিং, উত্তর মালদা, দক্ষিণ মালদা, আসানসোল, বনগাঁ, কলকাতা উত্তর ও দক্ষিণ, এই ৬ কেন্দ্রকে স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে কমিশন। এইসন জায়গায় বেআইনি আর্থিক লেনদেন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে মনে করে বাড়তি নজর রাখবে কমিশন। বেআইনি টাকা উদ্ধারের ঘটনা ২০১৪ সালে যেমন হয়েছে, ঠিক ২০২১ সালেও হয়েছে। ফলে বাংলায় কমিশনের নজর যে বিশেষভাবে রয়েছে, সেকথা বলা বাহুল্য।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

  • South 24 Parganas: ‘তৃণমূলের কিছু নেতার মদতেই আটকে রাখা হয়েছে বাবাকে’, সরব আরাবুল পুত্র

    South 24 Parganas: ‘তৃণমূলের কিছু নেতার মদতেই আটকে রাখা হয়েছে বাবাকে’, সরব আরাবুল পুত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক হয়ে গিয়েছে। শাসক থেকে বিরোধী প্রায় সব পক্ষের প্রার্থীরা জোরদার প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের অত‍্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা হচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ভাঙড়। আর সেই ভাঙড়ের তৃণমূলের ভোট মেশিনারির হোতা আরাবুল ইসলাম এবার রাজনৈতিক ময়দানে নেই। তিনি বর্তমানে বারুইপুর জেলে কারাবন্দি। তাঁর মুক্তির দাবিতে কোর্ট চত্বরে রাস্তায় গড়াগড়ি খেয়ে মানত করলেন পঞ্চায়েত সদস্যরা। সোশ্যাল মিডিয়াতে আরাবুলের মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছেন তৃণমূল কর্মীরা। আরবুলের জেলবন্দির জন্য তৃণমূলের একাংশকে দায়ী করা হয়েছে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা।

    তৃণমূলের কিছু নেতার মদতেই আটকে রাখা হয়েছে আরাবুলকে! (South 24 Parganas)

    গত বিধানসভা নির্বাচনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) এই ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হন আইএসএফ। একদা তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি ভাঙড় পুনরুদ্ধার করতে মরিয়া তৃণমূল নেতৃত্ব। কিন্তু, লোকসভা ভোটের প্রাক্কালে আইএসএফ কর্মী খুনের ঘটনায় ৮ই ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার হন ভাঙড় ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা প্রাক্তন বিধায়ক আরাবুল ইসলাম। জামিন পাওয়া তো দুরস্ত তাঁকে একের পর এক কেসে ট‍্যাগ করে কখনও পুলিশ হেফাজত তো আবার কখনও জেল হেফাজতে রাখা হচ্ছে। এই আবহে ভোট ময়দানে নেই ভাঙড়ের তাজা নেতা আরাবুল ইসলাম। তাঁর অনুগামী থেকে সাধারণ কর্মী সমর্থকেরা কার্যত মুষড়ে পড়েছেন। আরাবুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে সরব হয়েছেন বহু তৃণমূল কর্মী। পাশাপাশি ভাঙড় জেলা পরিষদের সদস্য তথা আরাবুল পুত্র হাকিমুল ইসলাম বলেন, তৃণমূলের কিছু নেতার মদতে বাবাকে (আরাবুল) আটকে রাখা হয়েছে। তবে, বেশিদিন আটকে রাখা যাবে না। সত্য সামনে আসবেই। দলের অন্য কর্মীরাও এই একই বক্তব্য ফেসবুকে পোস্ট করেছেন।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে মহিলাদের তাড়া খেয়ে ছুটে ঘরে ঢুকে প্রাণ বাঁচালেন দুই তৃণমূল নেতা

    আদালতে তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভ

    এবার একেবারে বারুইপুর কোর্ট চত্বরে আরাবুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে ভাঙড়ের বামনঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের সদস্য দীলিপ পাত্র সহ তৃণমূল কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের বক্তব্য,  “দাদাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। দাদার মুক্তির জন্য ঠাকুরের কাছে মানত করেছি।” যদিও এ বিষয়ে ভাঙড়ের পর্যবেক্ষক শওকত মোল্লা বলেন, “এটা বিচারাধীন বিষয়। আমার কোনও মন্তব্য করা ঠিক হবে না।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Satabdi Roy: ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তৃণমূলের সিলেবাসের মধ্যে রয়েছে’, বেফাঁস শতাব্দী রায়

    Satabdi Roy: ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তৃণমূলের সিলেবাসের মধ্যে রয়েছে’, বেফাঁস শতাব্দী রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডল এখন তিহার জেলে রয়েছেন। দলে তাঁর বিরোধী গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত কাজল সেখ বেশ কিছুদিন ধরে বীরভূমে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাঁর দাপাদাপিতে কেষ্ট অনুগামীরা এখন কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। লোকসভা ভোটের মুখে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। আর এই অবস্থায় দলের গোষ্ঠী কোন্দল নিয়ে তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়ের (Satabdi Roy) বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন শতাব্দী রায়? (Satabdi Roy)

    লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বুধবার সিউড়ি তৃণমূল কার্যালয়ে ছিল বীরভূম জেলা তৃণমূল কোর কমিটির বৈঠক। আর সেই বৈঠকেই উপস্থিত ছিলেন কোর কমিটির সদস্য বিকাশ রায়চৌধুরী, চন্দ্রনাথ সিনহা, অভিজিৎ সিংহ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী অসিত মাল এবং বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী শতাব্দী রায় (Satabdi Roy)। মূলত কোর কমিটির এদিনের এই বৈঠকে বীরভূম জেলায় লোকসভা ভোটের কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি বিজেপির দখলে থাকা দুবরাজপুর বিধানসভা এলাকায় কীভাবে বেশি মার্জিনে ভোট টানা যাবে তা নিয়েও আলোচনা হয়। ভোটের আগে জেলায় যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে, তা নিয়েও আলোচনা হয় বলে তৃণমূল সূত্রে খবর। এদিনের এই বৈঠকের পর সাঁইথিয়ায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে শতাব্দী রায় বলেন, “গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে বেশি মাথা ঘামাবেন না, ওটা এখন তৃণমূলের সিলেবাসের মধ্যে পড়ে গিয়েছে। যে লোকগুলোর গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বলে তোমরা রিপোর্ট দেখাবে, তারাই দেখবে আবার দুদিন পর হাতে হাত ধরে ভোট করতে যাবে, তখন তোমাদের ওই রিপোর্টটা বেকার হয়ে যাবে।” ফলে, জেলায় যে গোষ্ঠী কোন্দল রয়েছে তা বিদায়ী সাংসদ স্বীকার করে নেন। তৃণমূল প্রার্থীর এই বক্তব্য নিয়ে দলের কর্মীদের মধ্যে চর্চা শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে মহিলাদের তাড়া খেয়ে ছুটে ঘরে ঢুকে প্রাণ বাঁচালেন দুই তৃণমূল নেতা

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dry Fruits: সন্তানকে প্রতিদিন কিসমিস‌ খাওয়ান? কতটা খাওয়া উচিত? কী হতে পারে বেশি খেলে? 

    Dry Fruits: সন্তানকে প্রতিদিন কিসমিস‌ খাওয়ান? কতটা খাওয়া উচিত? কী হতে পারে বেশি খেলে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বছর খানেক বয়স পার হলেই শিশুদের কিসমিস (Dry Fruits) দেওয়া হয়। অনেক সময়েই সন্তানকে নিয়মিত কিসমিস দেওয়া হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত কিসমিস খেলে শরীরে তার গভীর প্রভাব পড়ে। তাই যাঁরা নিয়মিত কিসমিস খান, তাঁদের সচেতন থাকা জরুরি।

    নিয়মিত কিসমিস খেলে কী হতে পারে? (Dry Fruits)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিসমিসে (Raisins) রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। তাই শিশুদের নিয়মিত কিসমিস খাওয়ালে রক্তাল্পতার সমস্যা হবে না। পাশপাশি কিসমিসে রয়েছে তামা। তাই রক্তে লোহিত কণিকার উপাদান তৈরিতে কিসমিস বিশেষ সাহায্য করে। কিসমিসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ‌্যান্টিঅক্সিডেন্ট। নিয়মিত কিসমিস খেলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। তাই শিশুদের সুস্থ রাখতে নিয়মিত কিসমিস খাওয়ানো জরুরি। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। দূষণ বাড়ছে। পরিবেশ দূষণের জেরে স্বাস্থ্যের একাধিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিসমিস (Dry Fruits) শরীরে দূষণের জেরে তৈরি হওয়া সমস্যা কমাতে বিশেষ সাহায্য করে। কিসমিসে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম,‌ ফাইবারের মতো একাধিক খনিজ পদার্থ। তাই নিয়মিত কিসমিস খেলে শরীরে খনিজ পদার্থের চাহিদা পূরণ হবে। শিশুদের ক্লান্তি বোধ কম হবে। এনার্জির জোগান থাকবে। পাশপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস‌্যাও কমবে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কত পরিমাণ কিসমিস খাওয়া উচিত?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিসমিস খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণের দিকে নজরদারি জরুরি। কারণ, অতিরিক্ত পরিমাণ কিসমিস খেলে শরীরে একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। শিশুদের নিয়মিত ৭ থেকে ১০টা কিসমিস (Dry Fruits) দেওয়া যেতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। প্রাপ্তবয়স্কেরা নিয়মিত ২০ থেকে ২৫ গ্রামের বেশি কিসমিস খেতে পারেন। তবে এর বেশি পরিমাণ কিসমিস খেলে তা শরীরের জন‌্য বিপজ্জনক হতে পারে।

    কেন অতিরিক্ত কিসমিস খাওয়া বিপজ্জনক? (Dry Fruits)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিসমিসে থাকে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক শর্করা। এর জেরেই ঘটতে পারে বিপত্তি। ডায়বেটিস আক্রান্তেরা অতিরিক্ত পরিমাণ কিসমিস খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা খুব দ্রুত বাড়তে থাকে। যার জেরে একাধিক সমস্যা হতে পারে। আবার শিশুদের জন্যও অতিরিক্ত কিসমিস বিপজ্জনক। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিসমিসে থাকে প্রচুর ফাইবার। তাই অতিরিক্ত কিসমিস খেলে হজমের গোলমাল হতে পারে। পেটের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। যাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য ও অতিরিক্ত কিসমিস খাওয়া বিপজ্জনক হতে পারে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাই খাওয়ার সময় পরিমাণ (Dry Fruits) নিয়ে সতর্কতা জরুরি বলেই তাদের পরামর্শ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: “যে বুথে লিড পাবো না সেই বুথে….”, প্রচারে গিয়ে এ কী বললেন তৃণমূল প্রার্থী?

    Bankura: “যে বুথে লিড পাবো না সেই বুথে….”, প্রচারে গিয়ে এ কী বললেন তৃণমূল প্রার্থী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট চাইতে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন বাঁকুড়ার (Bankura) তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল। লিড না পেলে সেই এলাকায় কী পদক্ষেপ করবেন, তার ব্যাখ্যা করেন তিনি। তৃণমূল প্রার্থীর এই মন্তব্য নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিজেপি-র পক্ষ থেকে এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

    ঠিক কী বললেন তৃণমূল প্রার্থী? (Bankura)

    তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল বাঁকুড়ার (Bankura) মঙ্গলবার প্রচারে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘যে বুথে লিড পাবো, সেই বুথে জান লড়িয়ে দেব। যে বুথে পাবো না সেই বুথে আমি তো দূরস্ত, আমার দলের কোনও কর্মীকেও আসতে দেব না।’ ওন্দা ব্লকের নতুনগ্রাম এলাকায় প্রচারে গিয়ে তিনি আরও বলেন, “কোন কোন বুথে তৃণমূল ও বিজেপি লিড পাচ্ছে তার তালিকা তৈরি করে রাখা হবে। যে বুথে তৃণমূল লিড পাবে সেখানে জান লড়িয়ে দেব। আর যেখানে তৃণমূল লিড পাবে না সেখানে আমি তো দূরস্ত আমার কোনও কর্মীকেও যেতে দেব না”। এখানেই থেমে থাকেননি। সুজাতাকে হুমকির সুরে গ্রামবাসীদের বলতে শোনা যায়, “তোমরা ভোটের বেলায় বড় ফুলকে দেবে, আর চাওয়ার বেলায় ছোট ফুলের কাছে চাইবে তা হয় না। তোমরা বারেবারে এখান থেকে বিজেপিকে জিতিয়েছ। এবারও যদি তাই হয় তাহলে এবার তোমাদের কথা শুনতে আমরা আর আসবো না। তোমরা বিজেপির সঙ্গে বুঝে নেবে।”পরে, সুজাতা মণ্ডলের যুক্তি, এই এলাকা থেকে বারবার বিধানসভা, লোকসভা ও পঞ্চায়েতে বিজেপি জিতছে। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওন্দা এলাকাকে উন্নয়নের জোয়ারে ভরিয়ে দিচ্ছেন। এতে তাঁদের যন্ত্রণা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির মডেল এবার মুর্শিদাবাদে, জমি হাতানোয় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূল প্রার্থীর এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে বিজেপি। বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অমরনাথ শাখার বলেন, “ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। তৃণমূল এখন ঠেলায় পড়ে এমন মন্তব্য করছে। এরকম মন্তব্য ওরা যত করবেন, তত মানুষের থেকে তাঁরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বেন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: লোকসভার প্রচারে তৃণমূল-কংগ্রেসকে একযোগের আক্রমণ বিজেপির প্রার্থী নির্মল-গৌরীশংকরের

    Murshidabad: লোকসভার প্রচারে তৃণমূল-কংগ্রেসকে একযোগের আক্রমণ বিজেপির প্রার্থী নির্মল-গৌরীশংকরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বহরমপুর (Murshidabad) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ডাক্তার নির্মল সাহা হাতিনগর বকুলতলায় সকালে চায়ে পে চর্চায় অংশ গ্রহণ করেন। তিনি সেখানে তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন “এখানে বিপুল সমর্থন দিয়েছেন আমার মা বোনেরা। তাঁরা আজ এখানে একত্রিত হয়েছেন এবং যুব সমাজও দাঁড়িয়ে পাশে। আজ এখানকার সবাই মোদির সঙ্গে থাকার অঙ্গীকার করেছেন। এই রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে ফেলে দিয়ে নতুন সরকার এখানে আনবেন।” অপর দিকে মুর্শিদাবাদ (Murshidbad) লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী গৌরীশংকর নিজের জয় নিয়ে ব্যাপক আশাবাদী।

    তৃণমূল-কংগ্রেসকে আক্রমণ নির্মল সাহার (Murshidabad)

    ডাক্তার নির্মল সাহা ভোটের প্রচারে বের হয়ে বলেন, “সেদিনের আর বেশি দেরি নেই, তৃণমূল সরকারের পতন ঘটবেই এবং ভারতীয় জনতা পার্টি সরকার গঠন করবে এই রাজ্যে। অধীরের বিরুদ্ধে লড়াই করা কঠিন কাজ নয়। আমি চিকিৎসক হিসেবে বহু মানুষের সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছি। যখন তাঁদের কাছে গিয়ে ভোট চাইবো, তখন আমার এবং দলের আদর্শ নিরিখে আমাকে ভোট দিবেন, এটাই আমার আশা। জেলাবাসীকে একটা কথাই বলবো, এর আগে যাঁকে লোকসভায় পাঠিয়েছিলেন, তাঁকে প্রশ্ন করুন বহরমপুরে (Murshidabad) তিনি কী কাজ করেছেন? আবার আগামী পাঁচ বছর জয়ী হলে কী কাজ করবেন? ইউসুফ পাঠান আপনাদের কাছে এসে নিশ্চয়ই ভোট চাইবে। তাঁর কাছে জানতে চাইবেন তিনি এখানে কী করবেন?”

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী গৌরীশংকর

    এর আগেও দলের পক্ষ থেকে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী গৌরীশংকরকে দলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এবার প্রার্থী ঘোষণা করায় আরও বড় লড়াই হবে। গৌরীশঙ্কর বলেন, “এটা নতুন কিছু না। রাজনীতিতে দল সামলাতে হয়, আবার কখনও নির্বাচনে লড়াইও করতে হয়। এবারের টিমটি পুরো ইয়াং, তাঁদেরকে নিয়ে ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়তে সুবিধা হবে। মানুষের ভরসার একমাত্র জায়গা বিজেপি। সেই ভরসার জায়গাকে শক্তিশালী করতে প্রত্যেককেই নামতে হবে। প্রার্থী যেই হোক না কেন তার জন্য অনেক আগে থেকেই দলের কর্মীরা বিজেপিকে জয়যুক্ত করতে অত্যন্ত আশাবাদী।”

    গৌরীশংকরের পরিচয়

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) লোকসভা কেন্দ্রে এবারে বিজেপির প্রার্থী মুর্শিদাবাদ বিধানসভার জয়ী গৌরীশঙ্কর ঘোষ। গৌরীশংকর ঘোষ ভারতীয় জনতা পার্টির একজন রাজনীতিবিদ। তিনি মুর্শিদাবাদ জেলার এম জে ব্লকের হাড়িভাঙ্গা প্রদাদপুরের বাসিন্দা। তিনি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে এমএ করেছেন। ২০২১ সালের মে মাসে বিধানসভার সদস্য হিসাবে মুর্শিদাবাদ থেকে নির্বাচিত হন। তিনি বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সিংহ রায়কে ২৪৯১ ভোটে পরাজিত করেছিলেন। বর্তমান মুর্শিদাবাদ লোকসভা নির্বাচনে দল তাঁকে প্রার্থীর সিলমোহর দেয়। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন বর্তমান ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবির। তিনি বর্তমানে শাসকদল তৃণমূলের ভরতপুরের বিধায়ক। গত ২০১৯ সালের মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ছিলেন আবু তাহের খান, কংগ্রেসের আবু হেনা, সিপিএমের বদরুদ্দোজা খান এবং বিজেপির হুমায়ুন কবীর।

    ২০১৯ সালে প্রাপ্ত ভোট কেমন ছিল?

    ২০১৯ সালে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের আবু তাহের খান। তিনি মোট ভোট পেয়েছিলেন ৬০৪৩৪৬, কংগ্রেসের আবু হেনা মোট ভোট পেয়েছিলেন ৩৭৭৯২৯, সিপিএমের বদরুদ্দোজা খান ভোট পেয়েছিলেন ১৮০৭৯৩ এবং হুমায়ুন কবীর বিজেপির হয়ে ভোট পেয়েছিলেন ২৪৭৮০৯। এইবার ঘরের ছেলে মুর্শিদাবাদ বিধানসভার বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ লোকসভা নির্বাচন ২০২৪-এ মুর্শিদাবাদ লোকসভার প্রার্থী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে মহিলাদের তাড়া খেয়ে ছুটে ঘরে ঢুকে প্রাণ বাঁচালেন দুই তৃণমূল নেতা

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে মহিলাদের তাড়া খেয়ে ছুটে ঘরে ঢুকে প্রাণ বাঁচালেন দুই তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ শাহজাহানের ভাই আলমগীর গ্রেফতার হওয়ার দিনই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছিলেন মহিলারা। দুই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই আবারও পথে নেমেছেন গ্রামের মহিলারা। এবারের ঘটনাস্থল সন্দেশখালির সুখদোয়ানি।

    ঠিক কী হয়েছে? (Sandeshkhali)

    জানা গিয়েছে, ইট বিক্রি করে সেই টাকা আত্মসাৎ করেছেন সন্দেশখালির (Sandeshkhali) দুই তৃণমূল নেতা। এরপরই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন মহিলারা। এমনকী ঠিকাদারকে ঘিরে ধরে দেখানো হয় বিক্ষোভ। তাড়া খেয়ে দুই তৃণমূল নেতা পালিয়ে যান। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নামে পুলিশ ও র‍্যাফ। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, দুর্গা মন্দিরের জন্য বরাদ্দ ইট বিক্রি করে দিয়েছেন তৃণমূলের দুই নেতা। একজনের নাম সঞ্জীব আড়ি। তিনি অঞ্চল সভাপতি। অপরজন দেবব্রত ভুঁইয়া। তিনিও এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা। ম্যানগ্রোভ কেটে নদীর চর বিক্রি করে দোকান তৈরি করা হয়েছে। সেখানে এই দুই নেতার ভূমিকা রয়েছে। শুধু তাই নয়, নির্মল বাংলা প্রকল্পে শৌচাগার নির্মাণের জন্য বরাদ্দ ইট ঠিকাদার চিত্ত অধিকারীকে বিক্রি করে দিয়েছেন এই দুই নেতা। এরপর ঠিকাদার সেই ইট তুলতে এলে শুরু হয় তুমুল বিক্ষোভ। অভিযুক্ত দুই তৃণমূল নেতা নাক গলাতে এসে বিপাকে পড়েন। তাঁদের সামনে পেয়ে ক্ষোভ আরও বেড়ে যায়। মহিলারা তাড়া করেন তাঁদের। প্রাণ বাঁচাতে ছুটে একটি ঘরের ভিতর ঢুকে যান দুই অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা। তাঁদের নিরাপত্তা দিতে গোটা বাড়ি ঘিরে রাখে পুলিশ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেমেছে র‍্যাফ। ইতিমধ্যেই গ্রামবাসীরা তৃণমূল নেতা দেবব্রতর বাইক ভাঙচুর করেন। অভিযোগ, মারধর করা হয়েছে তাঁর ভাইপোকে। শুধু তাই নয়, পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, গ্রামবাসীদের ঠেকাতে গিয়ে পুলিশ মাটিতে পড়ে যায়।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির মডেল এবার মুর্শিদাবাদে, জমি হাতানোয় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার কী বক্তব্য?

    তৃণমূল নেতা দেবব্রত ভুঁইয়া বলেন, এলাকায় কালভার্টের কাজ চলছে। সেটার জন্য কিছু ইট কম পড়ে। আমি ঠিকাদারকে বলেছিলাম পঞ্চায়েতের ইট নিয়ে কাজ করতে। কিন্তু, এখানকার পুজো কমিটি বলেছে ইট দেব না। এরপর ঠিকাদার সেই ইট নামিয়ে দেয়। আর আমরা মিটিংয়ে যাওয়ার সময় আমাদের ঘিরে ধরে বলে শাহজাহান এই করেছে ওই করেছে। আর কিছুই হয়নি। বাকি যা যা বলছে সব মিথ্যা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: ব্যবসায়ীর স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে খুন তৃণমূল নেতা, অভিযুক্ত পলাতক

    Durgapur: ব্যবসায়ীর স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে খুন তৃণমূল নেতা, অভিযুক্ত পলাতক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার ভোটের আবহেই তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দুর্গাপুরের (Durgapur) কাঁকসা এলাকায়। অভিযোগ উঠেছে, বাড়িতে ডেকে এনে পিটিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে তৃণমূল নেতাকে। ঘটনায় অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠেছে এলাকা। জানা গিয়েছে, মৃত তৃণমূল নেতার সঙ্গে এক মহিলার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। আর তার জেরেই খুন হন তৃণমূল নেতা পবিত্র বিশ্বাস। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে তদন্তে নেমেছে।

    পুলিশ সূত্রে খবর (Durgapur)

    স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে কাঁকসার (Durgapur) গোপালপুর উত্তরপাড়ার পবিত্র বিশ্বাস নামে এক তৃণমূল কর্মীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান শম্ভু নামক এক ব্যবসায়ী। কিন্তু বাড়িতে অনেকটা সময় না ফেরায় খোঁজ শুরু হয় তৃণমূল নেতার। সাময়িক ভাবে তাঁকে ফোনেও পাওয়া যায়নি। পরে এলাকায় পবিত্রর দেহ উদ্ধার হয়। অপর দিকে খুনের দায়ে অভিযুক্তের বাড়িতে ব্যাপক হামলা করে আশেপাশের তৃণমূল সমর্থিত লোকজন। বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। অপর দিকে পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মৃত তৃণমূল কর্মীর সঙ্গে ব্যবসায়ী শম্ভুর স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্ক ছিল। বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক থাকায় তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের এসিপি সুমন কুমার জয়সওয়াল বলেন, খুনের তদন্ত শুরু হয়েছে।

    পরিবারের অভিযোগ

    মৃত তৃণমূল কর্মী পবিত্র বিশ্বাসের পরিবারের তরফ থেকে বলা হয়, “মঙ্গলবার রাতে ফোন করে বাড়িতে পবিত্র জানান, আমাকে বাঁচাও। সেই সময় শম্ভুর বাড়িতে ছিলেন তিনি। এরপর তাঁকে প্রথমে পেটানো হয়। আমরা গিয়ে দেখি বাড়ির উঠানের সামনে পড়ে রয়েছেন। তুলে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করে চিকিৎসক। আমরা নিশ্চিত তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। অভিযুক্ত শম্ভু এখন পালাতক। আমরা দোষীর বিরুদ্ধে কঠিন শাস্তি চাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: সন্দেশখালির মডেল এবার মুর্শিদাবাদে, জমি হাতানোয় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    Murshidabad: সন্দেশখালির মডেল এবার মুর্শিদাবাদে, জমি হাতানোয় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে জোর করে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল নেতা শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে। সন্দেশখালির মডেলেই অন্যের জমি হাতানোর অভিযোগ উঠল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রানিতলা থানার দেবাইপুর এলাকার এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Murshidabad)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রানিতলা থানার দেবাইপুর এলাকার বাসিন্দা কামালউদ্দিন আহমেদ। অভিযোগ, তাঁর জমি জোর করে দখল করে নিয়েছে তৃণমূল নেতা মাসাদুল খান। কামালউদ্দিনের দাবি, মাসাদুল খানের কাছ থেকে তাঁর বাবা সাড়ে তিন শতক জায়গা কিনে নিয়েছিলেন। আর এই জায়গা এখন কামালউদ্দিন আহমেদ সহ তাঁর আরও তিন ভাই ও দুই বোনের নামে রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে মাসাদুল খান জোরপূর্বক সেই জমি দখল করতে চাইছে। ঠিক যেমন শাহজাহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল একদম সেই রকম। শুধু তাই নয়, হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। কামালউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমি রানিতলা থানায় অভিযোগ জানাতে যাই। কিন্তু, পুলিশ আমাদের অভিযোগ নেয়নি। এরপর বাধ্য হয়ে ভগবানগোলার এসডিপিওর কাছে গিয়ে অভিযোগ জানাই। শমিরুদ্দিন আহমেদ নামে এক ব্যক্তি বলেন, “আমাদের জমি জোর করে দখল করতে চাইছেন মাসাদুল। তিনি তৃণমূলের দাপুটে নেতা। থানাকে হাত করে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। আমরা বাড়িতে থাকতে পারছি না এখন। উল্টোপাল্টা কেসে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।”

    তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা মাসাদুল খান বলেন, “সালটা ২০১৪। সেই সময় প্রাক্তন সিপিএম প্রধানের নেতৃত্বে আমার জমি দখল করা হয়। জোর করে আমার জায়াগায় বাড়ি করা হয়। এমনকী আমি থানায় অভিযোগ করি। এরপর সালিশি সভা হয়। এরপর দেড় শতক জায়গা আমি ওদের দিয়ে দিই। আসলে ওরা আমার জমি দখল রেখেছিল। এখন আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে। সব অভিযোগ ভিত্তিহীন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share