Tag: Madhyom

Madhyom

  • Archery World Cup: বিশ্বমঞ্চে জয়জয়কার ভারতীয় তিরন্দাজদের, তিনটি সোনা, রুপো-সহ পাঁচটি পদক

    Archery World Cup: বিশ্বমঞ্চে জয়জয়কার ভারতীয় তিরন্দাজদের, তিনটি সোনা, রুপো-সহ পাঁচটি পদক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিরন্দাজি বিশ্বকাপে (Archery World Cup) ভারতের জয়জয়কার।  চিনের সাংহাইয়ে বিশ্বকাপ তিরন্দাজির কমপাউন্ড বিভাগে তিনটি সোনা জয় করলেন তিন ভারতীয়। মহিলা বিভাগে সোনা জিতেছেন জ্যোতি সুরেখা, অদিতি স্বামী ও পর্ণিত কাউর। শুধু মেয়েরাই নন, এই বিশ্বমিটে পাল্লা দিয়ে সোনা জিতেছেন ছেলেরাও। পুরুষ বিভাগে সোনা জিতেছেন অভিষেক ভার্মা, প্রিয়াংশরা। ব্যাক্তিগত বিভাগে রুপোও জিতেছেন প্রিয়াংশ।  এই সাফল্য প্যারিস অলিম্পিক্সের আগে ভারতীয় তিরন্দাজদের মনোবল অনেকটাই বেড়ে গেল।

    জ্যোতির সাফল্য

    একের পর এক সোনা এনে দিলেন জ্যোতি সুরেখা ভেন্নম। তীরন্দাজি বিশ্বকাপের (Archery World Cup) স্টেজ ওয়ানে করলেন সোনার পদকের হ্যাটট্রিক। একাই জিতলেন তিনটি স্বর্ণপদক, আলাদা ইভেন্টে বিভিন্ন পার্টনারকে নিয়ে। এবারের বিশ্বকাপের প্রথম ইভেন্ট থেকেই ছন্দে ছিলেন তিনি। এশিয়ান গেমসের স্বর্ণপদকজয়ী জ্যোতি ব্যক্তিগত, দলগত বিভাগের তিন ইভেন্টেই তীরন্দাজি বিশ্বকাপে দেশকে এনে দিলেন সোনা। অন্ধ্র প্রদেশের ২৭ বছর বয়সি জ্যোতি ব্য়ক্তিগত ইভেন্টে হারিয়ে দিলেন মেক্সিকোর আন্দ্রি বেরেক্কাকে। নির্ধারিত সময় ফল না আসায়, টাইব্রেকার হয়। সেখানেই অনবদ্য ছন্দে মেক্সিকান প্রতিপক্ষকে হারিয়ে জয়ের হ্যাটট্রিক করেন জ্যোতি। 

    প্রিয়াংশদের পদক

    মহিলাদের পাশাপাশি সাফল্য পান ভারতীয় পুরুষ তিরন্দাজরাও। টিম গেমে নেদারল্যান্ডকে ২৩৮-২৩১ পয়েন্টে হারিয়ে সোনা জয় করেন অভিষেক ভর্মা, প্রিয়াংশ এবং প্রথমেশ ফিউজ। মিক্সড টিমেও বাকিদের পিছনে ফেলে সোনা ঘরে তুলল ভারত। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে লিসেল ও রবিনকে হারিয়ে প্রথম স্থান দখল করেন জ্যোতি ও অভিষেক। ম্যাচের ফল ১৫৮-১৫৭। বিশ্ব মিটে এই সাফল্যে খুশি কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক।

    রবিবারের ইভেন্ট

    রবিবারও তীরন্দাজি বিশ্বকাপের (Archery World Cup) স্টেজ ওয়ানে রয়েছে একাধিক ইভেন্ট। যার মধ্যে রয়েছে অলিম্পিক্সে থাকা ইভেন্টও। অর্থাৎ রবিবারে ইভেন্টে প্রিয়াংশরা যদি ভারতের হয়ে জিততে পারেন সেক্ষেত্রে প্যারিস অলিম্পিক্সের আগে ভারতীয় তীরন্দাজরা ঠিক কী অবস্থায় রয়েছে তা বোঝা যাবে। ভারতের সামনে দুটি স্বর্ণপদক জয়ের সুযোদ রয়েছে দুই বিভাগে। স্বর্ণপদকের লক্ষ্যে ভারতীয় পুরুষ দল খেলবে দঃ কোরিয়ার বিপক্ষে, অন্যদিকে রিকার্ভ ইভেন্টে মহিলাদের তীরন্দাজিতে ভারতের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় দীপিকা কুমারি সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবেন কোরিয়ান প্রতিপক্ষের। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: একেকটির দাম ৭-৮ লক্ষ টাকা! মার্কিন মুলুক থেকে নিলামে কেনা হয়েছিল সন্দেশখালির বিদেশি অস্ত্র

    Sandeshkhali: একেকটির দাম ৭-৮ লক্ষ টাকা! মার্কিন মুলুক থেকে নিলামে কেনা হয়েছিল সন্দেশখালির বিদেশি অস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শাহজাহান ঘনিষ্ঠ আবু তালেবের বাড়িতে হানা দিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করে সিবিআই। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে পুলিশের রিভলভার যেমন পাওয়া গিয়েছে, তেমনি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। দেশি আগ্নেয়াস্ত্র তো রয়েছে। সব মিলিয়ে এই অস্ত্র মজুত করার সঙ্গে জঙ্গি সংগঠনের যোগের অভিযোগ করেছে বিরোধীরা। এই আবহের মধ্যে এই আগ্নেয়াস্ত্র কোথায় থেকে আনা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখা শুরু করেছে সিবিআই। আর তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য সিবিআইয়ের সামনে উঠে এসেছে।

    মার্কিন মুলুক থেকে এসেছিল অস্ত্র! (Sandeshkhali)

    সিবিআই এর এখন সন্দেহ, সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) উদ্ধার হওয়া এই সব অস্ত্রের অধিকাংশ এসেছিল মার্কিন মুলুক থেকে। আর এই সব অস্ত্র এমনই, যে বাজার থেকে কেনা যায় না। এগুলি নিলাম হয়। চড়া দামে কিনতে হয়। লক্ষ লক্ষ টাকা দাম উঠে যায় একেকটি অস্ত্রের। তাহলে সন্দেহ প্রবল হচ্ছে, নেপথ্যে আন্তর্জাতিক অস্ত্র চোরাচালান চক্র? কীভাবে এই সব আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হত? আর সব থেকে বড় প্রশ্ন এত দামি অস্ত্র কেনার জন্য অর্থ কোথা থেকে আসত? কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে ৩টি বিদেশি রিভলবার রয়েছে, যেগুলি মার্কিন মুলুকে তৈরি এবং এই সব আগ্নেয়াস্ত্র রীতিমতো নিলাম ডেকে চড়া দামে বিক্রি করা হয়। কী কারণে এই অত্যাধুনিক অস্ত্র সন্দেশখালিতে মজুত করা হয়েছিল, অস্ত্র কেনার টাকাই বা এসেছিল কোথা থেকে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, একেকটি আগ্নেয়াস্ত্রের দাম ৭-৮ লক্ষ টাকা। সব মিলিয়ে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। কোথা থেকে কেনা হয়েছিল এই অস্ত্র? তবে কি অস্ত্র চোরাচালানেও যুক্ত ছিল শেখ শাহজাহান?

    আরও পড়ুন: ফের সন্দেশখালিতে শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়িতে সিবিআই হানা, আবু তালেবের পর এবার কে?

    বিলের সূত্র থেকে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

    উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের ভান্ডারের কাছে বেশ কিছু বিল বাজেয়াপ্ত করেছে সিবিআই। সেই বিলে কলকাতার এক অস্ত্র কারবারির হদিশ মিলেছে। বিলে কে কেনা হয়েছিল তা উল্লেখ রয়েছে। কার্তুজ কেনার তথ্য রয়েছে। আর কোথায় থেকে অস্ত্র কেনা হয়েছিল তা জানার চেষ্টা করছে সিবিআই। জানা গিয়েছে,  শনিবার সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) হানা দেয় সিবিআই। সেখানে একাধিক অভিযোগকারীর সঙ্গে তারা কথা বলেন। পাশাপাশি এদিনও শাহজাহান ঘনিষ্ঠ সেই আবু তালেবের বাড়িতেও যান সিবিআই আধিকারিকরা। তবে, সেখান থেকে কী তথ্য সংগ্রহ করেছেন তা জানা যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: বিজেপি কর্মী আসলে কেউটে সাপ মনে করে লাঠি দিয়ে পেটানোর নিদান দিলেন তৃণমূল বিধায়ক

    South 24 Parganas: বিজেপি কর্মী আসলে কেউটে সাপ মনে করে লাঠি দিয়ে পেটানোর নিদান দিলেন তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়নগর লোকসভা কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডলের সমর্থনে দক্ষিণ ২৪ পরগনা (South 24 Parganas) জেলার গোসাবা বিধানসভার চুনাখালি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকে নির্বাচনীয় জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল। জনসভায় তৃণমূল প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডল এবং বাসন্তীর বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল ও সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়িকা লাভলী মৈত্র উপস্থিত ছিলেন। দলীয় প্রার্থীকে পাশে বসিয়ে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপিকে নিশানা করে একাধিক আক্রমণ করলেন তৃণমূলের দুই বিধায়ক।

    বিজেপি কর্মীদের কেউটে সাপের সঙ্গে তুলনা (South 24 Parganas)

    জনসভায় (South 24 Parganas) বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাসন্তী বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল বলেন,” ভারতবর্ষ এবং বাংলার মানুষের সব থেকে বড় শত্রু বিজেপি। ধর্মের নাম করে এই দল বিষ ছড়াচ্ছে।” এরপর সাধারণ মানুষের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা তৈরি থাকবেন। ঘর বা বাড়ি বা বাস্তুর পাশে যদি বিজেপি কর্মীরা আসেন, মনে করবেন কেউটে সাপ এসেছে। সঙ্গে সঙ্গে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাড়া করুণ।” তৃণমূল বিধায়কের এই বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।” অন্যদিকে, সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়িকা লাভলী মৈত্র মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপিকে উদ্দেশ্য করে কড়া আক্রমণ করলেন। তিনি বলেন,” যখন বিজেপি প্রার্থী আসবে তাদের জল খাওয়াবেন। আর ঘেরাও করে ১০০ দিনের কাজের টাকা কোথায় তা জানতে চাইবেন।”

    আরও পড়ুন: ফের সন্দেশখালিতে শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়িতে সিবিআই হানা, আবু তালেবের পর এবার কে?

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    জয়নগর (South 24 Parganas) সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক বিকাশ সর্দার বলেন, শ্যামলবাবু তো কয়েকদিন আগে তৃণমূলে থাকতে ভয় পাচ্ছিলেন। এখন বিজেপিকে কেউটে সাপের মতো আচরণ করে লাঠি দিয়ে মারার কথা বলছেন। এটুকু বলতে পারি, বিজেপিকে মারতে হবে না। তৃণমূল কর্মীরাই আপনাকে লাঠি পেটা করবেন। এসব যত বলবেন, মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বেন। আর রাজ্যজুড়ে যা দুর্নীতি করেছে তৃণমূল, তাতে ভোট চাওয়ার মুখ নেই। এখন এই ধরনের গরম গরম কথা বলে মানুষের মন জয় করার চেষ্টা করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Missile Attack: রাশিয়া থেকে ভারতে আসা তেল ট্যাঙ্কারে ক্ষেপণাস্ত্র হানা হুথি জঙ্গিদের 

    Missile Attack: রাশিয়া থেকে ভারতে আসা তেল ট্যাঙ্কারে ক্ষেপণাস্ত্র হানা হুথি জঙ্গিদের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোহিত সাগরে (Red Sea) ফের তান্ডব চালাল ইয়েমেনের হুথি জঙ্গিরা। তাদের ছোঁড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (Missile Attack) শুক্রবার লোহিত সাগরের একটি তেলের ট্যাঙ্কারে আঘাত করেছে। যেটি রাশিয়া থেকে ভারতে আসছিল। ক্ষেপণাস্ত্র হানায় তেল ট্যাঙ্কারটিতে বেশ কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ওই জাহাজটি ব্রিটেনে তৈরি। ব্রিটেনেরই মালিকানা ছিল ওই জাহাজের উপর। তবে সম্প্রতি তা বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।

    কীভাবে হামলা

    গাজায় যুদ্ধের সময় ইজরায়েলের বিরুদ্ধে প্রচার চালায় ইয়েমেনের হুথি জঙ্গিরা ৷ সেই প্রচারের পরে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক হামলা (Missile Attack) চালাচ্ছে তারা ৷ লোহিত সাগর এলাকায় গত কয়েক মাস ধরে তাদের আক্রমণের মুখে পড়তে হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জাহাজগুলিকে। হুথিদের বক্তব্য, ইজরায়েল এবং তার সঙ্গী আমেরিকা, ব্রিটেনের মতো দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কযুক্ত যে কোনও জাহাজই লোহিত সাগর, এডেন উপসাগরের মতো এলাকায় তাদের টার্গেট। প্রাইভেট সিকিউরিটি ফার্ম অ্যামব্রে বলেছে, এদিন ব্রিটেনে তৈরি রাশিয়ার ওই জাহাজের ওপর তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয় ৷ ক্ষেপণাস্ত্রগুলি পানামা-পতাকাবাহী সেশেলস-রেজিস্টার ট্যাঙ্কারের মাধ্যমে মোচা থেকে হামলা চালিয়েছে। ব্রিটিশ সমুদ্র নিরাপত্তা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ওই তেলবাহী জাহাজের মালিক পূর্ব আফ্রিকার দেশ সেশেলস। জাহাজটি তেল পরিবহণের কাজে ব্যবহার করছিল রাশিয়া। সেখান থেকেই লোহিত সাগর হয়ে গুজরাটের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিল। গন্তব্য ছিল গুজরাটের বন্দর শহর ভাডিনার।

    আরও পড়ুুন: দীর্ঘদিন ধরে চলে ফাঁদ পাতার কাজ! হিন্দু মহিলাদের কীভাবে টার্গেট করছে জেহাদিরা?

    কেন হামলা

    গত নভেম্বর থেকে হুথিদের আক্রমণের (Missile Attack) ভয়ে লোহিত সাগর এলাকায় আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে ব্যাঘাত ঘটছে। ভয়ে নাবিকেরা বিকল্প রাস্তা খুঁজতে বাধ্য হচ্ছেন। অভিযোগ, যে কোনও পণ্যবাহী জাহাজের দিকেই ধেয়ে আসছে ক্ষেপণাস্ত্র। নির্বিচারে চলছে আক্রমণ। শনিবার ভারতগামী জাহাজও সেই আক্রমণের শিকার হল। ইউএস মেরিটাইম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অনুযায়ী, নভেম্বর থেকে হুথিরা ৫০টিরও বেশি জাহাজের উপর হামলা চালিয়েছে ৷ একটি জাহাজ আটক করেছে এবং অন্য একটিকে ডুবিয়েছে। হুথিরা বলেছে যে, গাজায় ইজরায়েলের যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা তাদের হামলা চালিয়ে যাবে ৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RBI: দেশে আরও নয়া ব্যাঙ্কের আত্মপ্রকাশ জরুরি, কী বলছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক?

    RBI: দেশে আরও নয়া ব্যাঙ্কের আত্মপ্রকাশ জরুরি, কী বলছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে আরও বেশ কয়েকটি ব্যাংক (Regular bank) । ফলে দেশে বেড়ে যাবে ব্যাংকের সংখ্যা। এমনই পরিকল্পনা নিয়েছে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক(RBI)। দেশের স্মল ফিনান্স ব্যাংক গুলিকে (Small Finance Bank) বড় সংগঠিত ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে এগিয়েছে আরবিআই। শুক্রবার দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক এ বিষয়ে আবেদন কয়েকটি স্মল ফিনান্স ব্যাঙ্কের  আবেদন গ্রহন করেছে। বড় কোন সমস্যা না তৈরি হলে নিয়মিত ব্যাংকের তকমা পাবে এইউ স্মল ফিনান্স ব্যাঙ্ক, ইকুইটাস ফিনান্স ব্যাঙ্ক এবং উজ্জীবন ফিনান্স ব্যাঙ্ক।

    সাধারণ ব্যাংকের তকমা পেতে গেলে কী থাকতে হবে (RBI)?

    ২০১৪ সালের রিজার্ভ ব্যাংকের (RBI) পক্ষ থেকে স্মল ফিনান্স ব্যাঙ্ককে সাধারণ ব্যাঙ্কে পরিণত করার লক্ষ্যে অনুমোদন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আইন মোতাবেক নিয়মিত ব্যাংকের মর্যাদা পেতে গেলে মল ফিন্যান্স ব্যাংকগুলির বাজার মূল্য ১০০০ কোটি টাকা কমপক্ষে হতে হবে। এই হিসেব করা হয় শেষ ত্রৈমাসিক পরিসংখ্যান হিসেবে। এছাড়াও এই ব্যাংকে শেয়ার ভারতের শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হতে হবে। শুধু তাই নয় লাভজনক অবস্থায় থাকতে হবে স্মল ফিনান্স ব্যাঙ্ককে। এনপিএ থাকতে হবে তিন শতাংশের কম এবং নেট এনপিকে শেষ দুই অর্থবর্ষে ১ শতাংশ কম হতে হবে। পাঁচ বছরের একটা ভালো ট্রাক রেকর্ড থাকলে স্মল ফিনান্স ব্যাংক নিয়মিত বা সর্বজনীন ব্যাংকের আবেদন করতে পারবে।

    আইন কী বলছে?

    ২০১৯ সালে আরবিআই (RBI) একটি রুল জারি করে। সমস্ত ছোট স্মল ফিনান্স ব্যাংক গুলির যিনি প্রতিষ্ঠাতা তিনি সর্বজনীন ব্যাংক হওয়ার পর ওই ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা হবেন। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠাতা কিংবা সিইও বদলে ফেলার অনুমোদন দেয় না আরবিআই। সর্বজনীন ব্যাংক হিসেবে গঠনের সময় যারা শেয়ার হোল্ডার রয়েছেন তাদের ওপর কোন লক ইন পিরিয়ড রাখা হয়নি। অর্থাৎ এত দিক বিচার করার পরই একটি স্মল ফিনান্স ব্যাঙ্ক সর্বজনীন ব্যাংকের মর্যাদা পাওয়ার অধিকারী বলে জানিয়েছিল রিজার্ভ ব্যাংক।

    আরও পড়ুন: “আমি আর শুভেন্দু অস্ত্র রেখেছিলাম, কুণাল লুকিয়ে দেখছিল”, কেন বললেন সুকান্ত?

    শেষ কবে নয়া ব্যাঙ্কের আত্মপ্রকাশ

    ২০১৫ সালে বন্ধন ও আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্ক IDFC First Bank একটি সম্পূর্ণ ব্যাংকের মর্যাদা পেয়েছিল। এই দুটি ব্যাংক স্মল ফাইনান্স ব্যাঙ্ক Small Finance Bank থেকে নিয়মিত ব্যাংকের অনুমোদন পেয়েছিল শেষবারের মত। তারপর থেকে আজ কোন অবধি স্মল ফিন্যান্স ব্যাংক নিয়মিত ব্যাংকের অনুমোদন পায়নি। তবে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আরও আরবিআই (RBI) আরও কয়েকটি ব্যাংক আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। কয়েক বছর আগে ভারতে কয়েকটি ব্যাংককে মিলিয়ে (Bank Merger) দেওয়ায় দেশে নিয়মিত সংখ্যা কমে গিয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “আমি আর শুভেন্দু অস্ত্র রেখেছিলাম, কুণাল লুকিয়ে দেখছিল”, কেন বললেন সুকান্ত?

    Sandeshkhali: “আমি আর শুভেন্দু অস্ত্র রেখেছিলাম, কুণাল লুকিয়ে দেখছিল”, কেন বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) গর্ত খুঁড়ে রেখেছিল। রাহুল সিনহা টর্চ ধরেছিল। আর সুকান্ত-শুভেন্দু অস্ত্র রেখেছিল ওখানে। লুকিয়ে দেখেছিল কুণাল ঘোষ।” বক্তা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সন্দেশখালি (Sandeshkhali) প্রসঙ্গে  সিবিআই-কে (C.B.I.) তৃণমূল (T.M.C.) নেতা কুণাল ঘোষ তাঁর বাক্যবাণ সংযোগে যেভাবে নির্লজ্জ আক্রমণ করেছেন তার যোগ্য জবাব এভাবেই দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    কী বলেছিলেন কুণাল (Sandeshkhali)?

    “সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) দেশী বিদেশী মিলিয়ে ৭টি পিস্তল। ১২০ টি বেশি কার্তুজ। কেজি কেজি বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করার পর কুণালের মন্তব্য, “আগে থেকে কেউ রেখে দিতে পারে। পুলিশের উচিত ছিল সেটা দেখা। বাংলাকে বদনাম করার চক্রান্ত। ভোটের মধ্যে তৃণমূল সম্পর্কে বিরুপ প্রতিক্রিয়া ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করার জন্য অস্ত্র উদ্ধারের নাটক। পুলিশের ইন্টেলজেন্স কোথায়।” শুক্রবার এই মন্তব্য করেছিলেন কুণাল ঘোষ। শনিবারও নিজের মন্তব্যেই কায়েম ছিলেন তিনি। বলেছেন, “যা বলেছি ভুল কোথায়”।

    সুকান্তের বক্তব্য

    পাল্টা সন্দেশখালি (Sandeshkhali) প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বেনজির কটাক্ষ ছুড়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আসলে উনি সব জানেন। আর বাকিরা কেউ কিছু জানে না। আমি আর শুভেন্দু অধিকারী পিঠে বোঝা নিয়ে গিয়েছিলাম। দিলীপ ঘোষ গর্ত খুঁড়ে রেখেছিল আগে থেকে। রাহুল সিনহা টর্চ ধরেছিল। আর সুকান্ত-শুভেন্দু একটা একটা করে অস্ত্র রেখেছিলাম ওখানে। আর পাশ থেকে লুকিয়ে দেখেছিল কুণাল ঘোষ।”

    পুলিশের ব্যর্থতা

    পুলিশের ইন্টেলিজেন্স ফেলিওর। নাকি সব জেনেও পুলিশ চুপ ছিল প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। যেভাবে বছরের পর বছর শাহজাহানের (Sandeshkhali) বিরুদ্ধে অভিযোগের পরেও তাঁকে ছেড়ে রেখেছিল পুলিশ তাতে রাজ্য পুলিশের থেকে কী আর আশা করা যায় বলছেন রাজ্যের বিরোধী নেতারা।

    আরও পড়ুন: “অভিষেক এইট ফেল”, বিস্ফোরক দাবি ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী ববির

    কী কী উদ্ধার হয়?

    শুক্রবার শাহজাহানের বাড়ির (Sandeshkhali) আধা কিলোমিটেরর মধ্যে তাঁর এক সাগরেদের বাড়ি থেকে দেশী বিদেশী মিলিয়ে ৭টি পিস্তল। ১২০ টি বেশি কার্তুজ ও বিষ্ফোরক বাজেয়াপ্ত করে সিবিআই (CBI)।  বিষ্ফোরক উদ্ধার করতে নামাতে হয় রোবট। নামানো হয় এনএসজি কমান্ডো। সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার একটি বাড়ির মেঝে ভেঙে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ অস্ত্রভাণ্ডার।  ইডির উপর হামলার ঘটনার তদন্তে এসে তৃণমূল পরিচালিত সরবেড়িয়ার আগারহাটি পঞ্চায়েত সদস্য হাফিজুল খাঁয়ের আত্মীয় আবু তাহের মোল্লার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় আগ্নেয়াস্ত্র। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ হাফিজুল খাঁয়ের ভগ্নিপতি হন এই আবু তাহের মোল্লা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India-US Relation: ‘‘ভারতীয় না হলে আমেরিকায় সিইও হতে পারবেন না’’, কেন এ কথা বললেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত?

    India-US Relation: ‘‘ভারতীয় না হলে আমেরিকায় সিইও হতে পারবেন না’’, কেন এ কথা বললেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগে ভারতীয় হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সিইও হওয়া যেত না, এখন ভারতীয় না হলে আমেরিকাতে (India-US Relation) সিইও হওয়া যায় না। মজার ছলে এমনই দাবি করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেটি। নিজেদের মেধা ও কর্ম দক্ষতার জোরে আজ ভারত এই জায়গায় পৌঁছেছে বলে জানান গারসেটি। ভারতীয় অভিবাসীরা আমেরিকার অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে বলে জানান গারসেটি। 

    কী বললেন গারসেটি

    মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেটি বলেন, ভারতীয় অভিবাসীরা আমেরিকান ব্যবসায়িক বাস্তুতন্ত্রের একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। আমেরিকায় (India-US Relation) প্রতিটি ভাল ৫০০ কোম্পানির ১০টির মধ্যে একটির সিইও এখন ভারতীয়। তা সে মাইক্রোসফট হোক বা গুগল বা স্টারবাকস। গুগলের সুন্দর পিচাই, মাইক্রেসফটের সত্য নাদেলার কথা উল্লেখ করে গারসেটি বলেন, প্রযুক্তিগত ও গুণগত দিক দিয়ে দুই দেশ একে অপরকে সাহায্য করছে। আমেরিকার কাছে তাই ভারতের গুরুত্ব অনেক বেশি, জানালেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেটি। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের মতে, আমেরিকাতে বহু ভারতীয়র বসবাস। তারা প্রতিদিনই আমেরিকার উন্নতিতে কাজ করছে। পাশাপাশি ভারতের বাজারেও বহু মার্কিন নাগরিক তাদের দায়িত্ব পালন করছে। ভারতে বিনিয়োগ করতে পেরে খুশি মার্কিন পুঁজিপতিরা। ভারতের বাজারে বিনিয়োগ করে তারাও লাভের মুখ দেখেছেন। 

    আরও পড়ুুন: দীর্ঘদিন ধরে চলে ফাঁদ পাতার কাজ! হিন্দু মহিলাদের কীভাবে টার্গেট করছে জেহাদিরা?

    ভারতীয় ছাত্ররা আমেরিকারও সন্তান

    পার্ডিউ ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অফ ভার্জিনিয়া, ইউনিভার্সিটি অফ পেনসিলভানিয়া, কর্নেল ইউনিভার্সিটি এবং ইউনিভার্সিটি অফ লস-এর মতো বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাচিত একদল ভারতীয় ছাত্রের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে এখানে ‘আমেরিকান সেন্টার’-এ একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অনেক শিক্ষার্থীও অনলাইনে এই কর্মসূচিতে অংশ নেয়। গারসেটি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্তভাবে কথা বলেন। সেখানেই তিনি নানা বিষয়ে মত দেন। প্রচুর সংখ্যক ভারতীয় ছাত্র আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যান। কিন্তু সম্প্রতি আমেরিকায় (India-US Relation) কিছু ভারতীয় ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনা তাতে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেটি এ প্রসঙ্গে ভারতীয় ছাত্রদের আশ্বস্ত করে বলেন যে ‘আমেরিকা একটি নিরাপদ দেশ এবং ভারতীয় ছাত্রদের প্রতি গভীরভাবে যত্নশীল’। পাশাপাশি তিনি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের আশ্বস্ত করেছেন যে ‘আপনাদের সন্তানরা যখন আমেরিকায় থাকে তখন তারা আমাদের সন্তান।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে অস্ত্র উদ্ধার কাণ্ডে পুলিশকে “অপদার্থ” বললেন সৌগত রায়

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে অস্ত্র উদ্ধার কাণ্ডে পুলিশকে “অপদার্থ” বললেন সৌগত রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শাহজাহান ঘনিষ্ঠ আবু তালেবের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করল সিবিআই। আর এই ঘটনায় রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল যোগ রয়েছে বলে বিরোধীরা সরব হয়েছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছে। এবার সেই বিরোধীদের সুরে দমদম লোকসভার প্রার্থী সৌগত রায় সন্দেশখালিতে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশকে তোপ দেখেছেন। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।

    পুলিশের অপদার্থতা! (Sandeshkhali)

    শুক্রবার সকাল থেকে তল্লাশি চালানোর পর সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থেকে বিপুল অস্ত্র উদ্ধার করে সিবিআই। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে পাওয়া গিয়েছে পুলিশের রিভলভারও। বোমা উদ্ধার করতে শুক্রবার নামানো হয়েছিল এনএসজি। আর সেই অস্ত্র উদ্ধার হওয়ার পর পুলিশের ওপরেই দায় চাপাচ্ছে তৃণমূল নেতাদের একটা অংশ। শুক্রবারই ঘটনার পর কুণাল ঘোষ পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি বলেন, “পুলিশের গোয়েন্দা নেটওয়ার্কের নজরে থাকা উচিত ছিল। যারাই ঢুকিয়ে থাকুক, পুলিশের তো আগেই বের করা উচিত ছিল।” অন্যদিকে, দমদমের তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায় শনিবার প্রচারে বেরিয়ে সন্দেশখালিতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার নিয়ে মন্তব্য করেন। রাজ্যের পুলিশকে ‘অপদার্থ’ বলেও সম্বোধন করেন তিনি। সন্দেশখালি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “যেই অস্ত্র রাখুক না কেন, বেআইনি অস্ত্র ধরা তো পুলিশেরই কাজ। এটা পুলিশের অপদার্থতা।” প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যের পুলিশের ওপর দায় চাপালে কি শাসক দলের দিকে আঙুল উঠবে না?

    আরও পড়ুন: ফের সন্দেশখালিতে শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়িতে সিবিআই হানা, আবু তালেবের পর এবার কে?

    অস্ত্র উদ্ধারের কৃতিত্ব পুলিশের, দাবি পার্থ ভৌমিকের

    অস্ত্র মজুত এবং উদ্ধার করার বিষয়টি নাটক বলে অভিযোগ তৃণমূলের একটি অংশ। কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে দায়ী করার চেষ্টা করছে। এই আবহের মধ্যে বারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিক আবার বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন। তিনি বলেন, “শাহজাহানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ইডি, সিবিআই তাঁকে গ্রেফতার করেনি। এখন যাদের হেফাজতে রয়েছে, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই সব তথ্য মিলছে। আসলে পুলিশের হেফাজতে থাকলেও এই অস্ত্র উদ্ধার হত। আসলে এই অস্ত্র উদ্ধারের সমস্ত কৃতিত্ব হচ্ছে পুলিশের।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: “অভিষেক এইট ফেল”, বিস্ফোরক দাবি ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী ববির

    Abhishek Banerjee: “অভিষেক এইট ফেল”, বিস্ফোরক দাবি ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী ববির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) অষ্টম শ্রেণীর গণ্ডি পেরোননি। হাতে প্রমাণ রয়েছে।” আমতলার বাগরাহাট এলাকায় একটি পথসভা থেকে বিষ্ফোরক অভিযোগ করলেন ডায়মণ্ড হারবার (Diamond Harbour) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস ওরফে ববি।

    ঠিক কী বললেন অভিজিৎ দাস (Abhishek Banerjee)?

    ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস (Abhjit Das Bobby) সহ ডায়মন্ডহারবার সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সহ-সভাপতি সুফল ঘাটু ও স্থানীয় নেতৃত্বরা এদিন উপস্থিত ছিলেন মঞ্চে। এদিনের এই সভা থেকে সমাজের সচেতন মানুষকে ভোট দেওয়ার আগে রাজ্যের পরিস্থিতি একবার ভাবার কথা বললেন বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস। অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ক্লাস এইটে ফেল করেছেন, এমন দাবি করলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “আমার কাছে সম্পূর্ণ তথ্য রয়েছে এই বিষয়ে। তৃণমূল কংগ্রেস পুরোটাই দুষ্কৃতীবাহিনীর দ্বারা পরিচালিত হচ্ছ।” নাম করেই একাধিক জাহাঙ্গীর শামীম, শওকত মোল্লা থেকে শুরু করে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানান তিনি। তাঁর আরও দাবি, দু-বছরের মধ্যেই বিজেপি বাংলার ক্ষমতা দখল করবে। তাই দুষ্কৃতীদের শুধরে যেতে বলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছিল শাহজাহানের, মনে করিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ

    অভিষেককে কেন অতিরিক্ত স্নেহ মমতার

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সখ্যতার সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন তোলোন বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস। তাঁর মতে আকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়, আবেশ বন্দ্যোপাধ্যায় থাকতে শুধু অভিষেককে কোন যোগ্যতার বিচারে অতিরিক্ত স্নেহ করেন মমতা, প্রশ্ন তোলেন ববি। অন্যদিকে বজবজ দু’নম্বর ব্লকের বাওয়ালি দাসপাড়া এলাকায় জলের পাইপ লাইন নিয়ে পথচারী গোপাল মালিক নামে এক বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তিনি এদিনের সভা থেকে হুঁশিয়ারির সুরে বলেন, “তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা যতই আক্রমণ করুক না কেন, কোনভাবে কিছু ঘটবে না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যদি এক বাপের বেটা হয়ে থাকে, তাহলে সুষ্ঠু নির্বাচন করে দেখাক। আপনার জামানত জব্দ যদি না হয়, আমি কথা দিলাম যে রাজনীতি আমি ছেড়ে দেব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: সন্দেশখালিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছিল শাহজাহানের, মনে করিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ

    Sheikh Shahjahan: সন্দেশখালিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছিল শাহজাহানের, মনে করিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ শাহজাহান (Seikh Shahjahan) রোহিঙ্গাদের (Rohingya) নিয়ে এসে ক্যাম্প তৈরি করেছিলেন। সেই ক্যাম্পের খরচ দিত জেলা পরিষদ। বিষ্ফোরক অভিযোগ বিজেপির বর্ধমান দুর্গাপুরের প্রার্থী দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh)। শেষ দফায় ১ জুন বসিরহাটে (Basirhat) নির্বাচন হবে। দেশ জুড়ে নির্বাচন চলাকালীন সন্দেশখালি (Sheikh Shahjahan Sandeshkhali) থেকে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ফের জাতীয় রাজনীতির ইস্যু হয়ে গিয়েছে সন্দেশখালি। দেশি, বিদেশি পিস্তল উদ্ধার সহ একশোর বেশি রাউন্ড গুলি বাজেয়াপ্ত করেছে সিবিআই (CBI)। উদ্ধার হয়েছে বিষ্ফোরক। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্যজুড়ে। নামাতে হয়েছে এনএসজি (NSG) কমান্ডো। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক অস্ত্রপাচারের যোগের অভিযোগ করেছে বিজেপি।

    দিলীপ ঘোষের বক্তব্য (Seikh Shahjahan)

    দিলীপ ঘোষ বলেন, “সীমান্তবর্তী এলাকা যদি অস্ত্রের আড়তে পরিণত হয়, তাহলে দেশের সুরক্ষা কোথায়? যারা ইডির উপর হামলা চালিয়েছিল তারা প্রত্যেকে সন্ত্রাসবাদি। কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত তল্লাশি চালিয়ে প্রত্যেককে জেলে ভরা। শেখ শাহজাহান (Seikh Shahjahan)  রোহিঙ্গাদের নিয়ে এসে ওখানে ক্যাম্প তৈরি করেছিল। সেই ক্যাম্পের খরচ চালাত ২৪ পরগনা জেলা পরিষদ। ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গাদের পাঠানো হত সারা ভারতের নানান প্রান্তে।”

    ঘটনার সূত্রপাত

    গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে ইডি আধিকারকদের উপর হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। তদন্তে সন্দেশখালিতে গিয়ে শেখ শাহজাহানের (Seikh Shahjahan)  বাড়ির ৫০০ মিটার দূরের একটি বাড়ি থেকে বিপুল অস্ত্র ভান্ডার বাজেয়াপ্ত করল সিবিআই। বিরোধীদের প্রশ্ন সিবিআই এখানে অস্ত্রের হদিশ পায়। অথচ পুলিশ কেন পায় না। পুলিশের বিরুদ্ধে আগেও উদাসীনতার অভিযোগ উঠেছে। শাহজাহান ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে উল্টে তাদের কাছেই আলাপ আলোচনার জন্য নাকি পাঠিয়ে দিত পুলিশ। সেই অভিযোগে নতুন অধ্যায় জুড়ল সন্দেশখালি থেকে বিপুল অস্ত্র উদ্ধার। এমনকি এই অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ইন্টেলিজেন্স ফেলিওরের তত্ত্ব এনেছেন খোদ রাজ্যের তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ। শেখ শাহজাহানের সাগরেদের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে অস্ত্রভাণ্ডার। বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতার আধার কার্ড, প্যান কার্ড, আগ্নেয়াস্ত্র কেনার লাইসেন্স ও কার্তুজ কেনার বিল সহ আরও বহু নথি।

    উঠছে আরও অনেক প্রশ্ন

    বিরোধী দলের নেতাদের প্রশ্ন সন্দেশখালিতে এত অস্ত্র এল কোথা থেকে? কারা আনল, কী কারণে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল ওই বাড়িতে? ওই অস্ত্র কী ভোটের সময় সন্ত্রাসের জন্য মজুত করা হয়েছিল? এই অস্ত্রের জোরেই কি ইডির উপর হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছিল দুষ্কৃতীরা? একাধিক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। সন্দেশখালির মাস্টার মাইন্ড শেখ শাহজাহানের (Seikh Shahjahan)  সঙ্গে এই অস্ত্রের যোগ পাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

    বিরোধী দলনেতার বক্তব্য

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Seikh Shahjahan) এক্ষেত্রে বলেছেন, “যদি মিনাখাঁতে যান আইয়ুব গাজীর বাড়ি থেকে অস্ত্র পাবেন। জীবনতলায় যান শওকত মোল্লার ডেরা থেকে অস্ত্র পাবেন। বাসন্তীতে গেলে রাজা গাজীর ডেরা থেকে অস্ত্র পাবেন।” যে কটি নাম বলেছেন বিরোধী দলনেতা সকলেই নিজ-নিজ এলাকায় শাসকদলের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা।

    আরও পড়ুন: শাহজাহানগড়ে অস্ত্রভান্ডারে মিলল পুলিশের রিভলভার, শোরগোল

    তৃণমূলের বক্তব্য

    যদিও কুনাল ঘোষ এর বক্তব্য এই অস্ত্র সিবিআই রেখে দিয়ে আই ওয়াশ করা তদন্ত করেছে। পুলিশের আগে থেকে সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। পুলিশের ইন্টেলিজেন্স কি করছিল। কেউ অস্ত্র রেখে রাজ্যকে বদনাম করার চেষ্টা করছে কিনা সেটা পুলিশের নজরদারি রাখা উচিত ছিল। অস্ত্র পাওয়া গেলে পুলিশের ভূমিকা ওতো অবশ্যই প্রশ্নের মুখে পড়বে। রাজনৈতিক কারণে শুভ কুনাল ঘোষ যাই বলুন না কেন ইন্টেলিজেন্স ফেললিয়নের কথা তিনি ঘুরিয়ে স্বীকার করে নিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share