Tag: Madhyom

Madhyom

  • Sandeshkhali: পাট্টার ‘রেকর্ডের’ লোভ দেখিয়ে সন্দেশখালিতে ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা তৃণমূলের

    Sandeshkhali: পাট্টার ‘রেকর্ডের’ লোভ দেখিয়ে সন্দেশখালিতে ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা তৃণমূলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি (Sandeshkhali) কাণ্ডে মুখ পুড়েছে তৃণমূলের। যতদিন যাচ্ছে শাসক দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়়ছে গ্রামবাসীদের। শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন মহিলারা। পাট্টার রেকর্ড করে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে আগুনে জল ঢালার চেষ্টা করছে তৃণমূল। যা নিয়ে সন্দেশখালি জুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    কী উদ্যোগ নিয়েছে তৃণমূল? (Sandeshkhali)

    জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি বারাসতে জেলা পরিষদ ভবনে জেলা সভাধিপতির ঘরে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) এমন গ্রামবাসীদের আসতে বলা হয়েছে, যাঁরা পাট্টা পাওয়া সত্তেও জমির ‘রেকর্ড’ করাতে পারেননি। তাঁদের যাতায়াত ও খাওয়া খরচ জেলা সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী নিজেই বহন করবেন বলে জানিয়েছেন। সন্দেশখালি-কাণ্ডের তদন্তে তৃণমূল নেতৃত্ব স্থানীয় এবং জেলা পর্যায়ে দু’টি কমিটি গড়েছে। জেলা পর্যায়ের কমিটিতে আছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং জেলা সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী।আর স্থানীয় কমিটিতে সন্দেশখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান গণেশ হালদার, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য অষ্টমী সর্দার এবং তৃণমূলের এসসি- এসটি-ওবিসি সেলের নেতা মহেশ্বর সর্দার রয়েছেন। জেলা পরিষদের সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী বলেন, উত্তম পাট্টার জমি ইজারা নিয়ে মেছোভেড়ি করে মাছ চাষ করতেন। অনেকেরই সেই জমি ‘রেকর্ড’ হয়নি। অভিযোগ, উত্তম ভূমি দফতরে প্রভাব খাটিয়ে সেই সব জমির ‘রেকর্ড’ করাতে দেননি। ইজারার টাকাও দেননি। নারায়ণের কথায়, “রেকর্ড করাতে গিয়ে পাট্টাপ্রাপকদের খালি হাতে ফিরতে হয়েছে বহু ক্ষেত্রে।” তিনি আরও বলেন, “জেলা ভূমি দফতরের কর্তাদের সঙ্গে কথা বলে ওঁদের জমির রেকর্ড করে দেওয়ার ব্যবস্থা করব। জেলাশাসককে নিয়ে ২০ ফেব্রুয়ারি সন্দেশখালির দু’টি ব্লকেই যাব।” সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক বলেন, “গত দু’বছর ইজারার টাকা, ভেড়ির টাকা না দেওয়ার অভিযোগ আছে। আমরা বলেছি, ইজারার টাকা ফেরত না পাওয়া মানুষের তালিকা তৈরি করতে। সেই টাকা ফেরত দেওয়ার দায়িত্ব দলের।”

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, শাহজাহান বাহিনীর তাণ্ডবের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীরা বার বার সোচ্চার হয়েও কোনও লাভ হয়নি। শাহজাহান ও তাঁর ঘনিষ্ঠ শিবপ্রসাদ হাজরা, উত্তম সর্দাররা ওই সব জমি দখল করে রেখেছেন বলে অভিযোগ। ফলে, পাট্টা পেয়ে জমি দখলে রাখতে পারেননি গ্রামবাসীরা। আর রেকর্ড করার উদ্যোগ নেয়নি সরকার। ফলে, শাহজাহান বাহিনীর লোকজন জমি ভোগ করে আসছিল। এতদিন পর হুঁশ ফিরল।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য তাপস মিত্র বলেন, পাট্টা রেকর্ড করার কথা বলে এলাকাবাসীকে লোভ দেখাচ্ছে। তৃণমূল ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমেছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। মানুষ ওদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: সরস্বতী পুজোকে কেন্দ্র করে বিজেপি-তৃণমূলে হাতাহাতি, পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ

    Malda: সরস্বতী পুজোকে কেন্দ্র করে বিজেপি-তৃণমূলে হাতাহাতি, পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরস্বতী পুজো করাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে ব্যাপক হাতাহাতি। প্রথমে শুরু হয় বচসা এবং পরে হাতাহাতি হয় উভয় পক্ষের মধ্যে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে, পুলিশের বিরুদ্ধে মারধর, লাঠিচার্জের অভিযোগ তোলেন বিজেপি সমর্থক গ্রামবাসীরা। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার হবিবপুর থানার শ্রীরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের শীর্ষি এলাকায়। ের জেরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা।

    স্থানীয়দের বক্তব্য (Malda)

    এলাকায় (Malda) সরস্বতী পুজোকে ঘিরে মারধরের প্রসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি সমর্থক উত্তম মন্ডল অভিযোগ করে বলেন, “আমরা এলাকায় পুজো করছিলাম। আচমকা তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাদের উপর আক্রমণ করে। আমাদের পুজোর সামগ্রী ফেলে দেয় তারা। এরপর আমাদেরকে মারধর করে। ঘটনায় পুলিশে খবর দিলে হবিবপুর থানার পুলিশ এসে উলটে আমাদের উপর লাঠিচার্জ করে।”

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির অভিযোগ, এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রত্যক্ষ মদতে পুলিশ এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। ইতিমধ্যে ১১ জন আহত হয়েছেন। তাঁদেরকে মালদা (Malda) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিজেপির জেলা সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত। তিনি বলেন, “পুলিশ দোষীদের না ধরে বিজেপি সমর্থক গ্রামবাসীদের ব্যাপক লাঠিচার্জ করে। পুলিশ অফিসার বৈদ্যনাথ চক্রবর্তী স্থানীয় তৃণমূল নেতার নির্দেশে এই কাজ করেছেন। আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাই।” পরে অবশ্য গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে হবিবপুর থানা ও জেলার পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় সরস্বতী পুজো হয়ে থাকে একটি জমিতে। স্থানীয় তৃণমূল কর্মী দেব মন্ডল দাবি করেন ওই জমিটি তাঁর। আর এই নিয়ে শুরু হয় বিবাদ। ঘটনায় বিবাদ থামাতে হবিবপুর (Malda) থানার পুলিশ পৌঁছে সামাল দেয় গ্রামবাসীদের। স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বিপ্লব মন্ডল বলেন, “সরস্বতী পুজো করে গায়ের জোরে অশান্তি তৈরি করেছে বিজেপি।” আবার জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি বলেন, “সারা বাংলায় তৃণমূলের উন্নয়নের কাজে বিজেপি উস্কানি দিয়ে চলেছে। সরস্বতী পুজোর দিনে এই সংঘর্ষ কাম্য নয়। পুলিশকে আরও সংযত হয়ে কাজ করতে হবে। আমরা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: পিছিয়ে জম্মু-কাশ্মীরও! লোকসভা ভোটে বাংলায় সর্বাধিক বাহিনী চাইল কমিশন

    Election Commission: পিছিয়ে জম্মু-কাশ্মীরও! লোকসভা ভোটে বাংলায় সর্বাধিক বাহিনী চাইল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে (Loksabha Vote) সারা দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের জন্যই সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ইতিমধ্যে এবিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে চিঠিও পাঠিয়েছে কমিশন। লোকসভা ভোটে বাংলায় ৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে চায় কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের বেড়ে চলা রাজনৈতিক সন্ত্রাসকে এভাবেই সিলমোহর দিল কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্তে স্বাভাবিক ভাবেই খুশি হয়েছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। কমিশনের এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে রাজ্য বিজেপি।

    জম্মু ও কাশ্মীরের চেয়েও বাংলায় বেশি বাহিনী চাইল কমিশন

    কমিশনের (Election Commission) এদিনের সিদ্ধান্তে দেখা গিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরের চেয়েও বেশি বাহিনী চাওয়া হয়েছে বাংলার জন্য। অর্থাৎ বাংলায় শান্তিতে ভোট করানো যে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং তা আরও একবার বোঝা গেল কমিশনের সিদ্ধান্তে (Loksabha Vote)। উপত্যকায় সুষ্ঠু ভাবে নির্বাচন করানোর জন্য ৬৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যের জন্য কমিশন চেয়েছে ২৫২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিহার এবং ছত্তিসগড়ের জন্য যথাক্রমে ২৯৫ ও ৩৬০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

    লোকসভার সঙ্গেই চার রাজ্যে বিধানসভা ভোট

    ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের সঙ্গেই অন্ধ্রপ্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশ, ওড়িশা এবং সিকিমে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার জন্য ২৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, অরুণাচল প্রদেশ ও সিকিমের জন্য যথাক্রমে ৭৫ ও ১৭ কোম্পানি বাহিনী (Loksabha Vote), ঝাড়খণ্ড ও পঞ্জাবের জন্য ২৫০ কোম্পানি বাহিনী চেয়েছে কমিশন (Election Commission)। মণিপুরের জন্য কমিশন চেয়েছে ২০০ কোম্পানি। গুজরাটে ভোট করাতে ২০০ কোম্পানি বাহিনীই চাওয়া হয়েছে।

    যত দফায় ভোট হোক, ৯২০ কোম্পানি বাহিনী সবসময়ই মোতায়েন থাকবে রাজ্যে

    কমিশনের তরফ থেকে কেন্দ্রকে যে চিঠি দেওয়া হয়েছে তাতে দেশ জুড়ে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন করাতে অন্তত ৩ হাজার ৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে সব থেকে বেশি বাহিনী থাকছে। এখনও পর্যন্ত ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হয়নি। ফলে এ রাজ্যে কত দফায় ভোট হবে, তা এখনও অজানা। কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, যত দফাতেই ভোট হোক না কেন, সব দফাতেই ওই ৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন (Loksabha Vote) থাকবে। গোটা ভোট পর্ব মিটলেই রাজ্য ছাড়বে তারা।

    কী বলছে বিজেপি?

    কমিশনের(Election Commission) এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ‘‘স্বাভাবিক ভাবেই বাংলায় অন্য রাজ্যের তুলনায় বেশি বাহিনী লাগবে। কারণ বাংলা চালায় তৃণমূল। সেখানে আইনশৃঙ্খলার কী পরিস্থিতি, তা আমরা দেখতে পাচ্ছি। গত বিধানসভা ভোট মিটতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে যাওয়ার পর আমরা ভোট পরবর্তী হিংসা দেখেছি। রাজ্যের মানুষ যাতে সুষ্ঠু ভাবে নিজের ভোট (Loksabha Vote) নিজে দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বেশি বেশি বাহিনী প্রয়োজন।’’ বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, ‘‘পঞ্চায়েত ভোটে বাংলায় কী ঘটেছে গোটা দেশ দেখেছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনও দেখেছে। তবে এই বাহিনী শুধু মোতায়েন করলেই হবে না, বাহিনী যেন কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বৃহস্পতিবার ১৫/০২/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বৃহস্পতিবার ১৫/০২/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১)  সারাদিন ক্লান্তি অনুভূত হবে। 

    ২) পেটের সমস্যা বাড়লে শরীরের অন্যান্য অংশ নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে।

    ৩) চেষ্টা করলে ধন লাভ হবে।

    বৃষ

    ১) কোনও পরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে আশ্চর্যজনক সংবাদ পাবেন।
     
    ২) আপনার আশপাশের ব্যক্তিরা কাজে বাধা সৃষ্টি করবেন, দুপুরের পর আপনার প্রভাব বাড়বে।

    ৩) যাকে আপনি নিজের হিতৈষী মনে করেন তারা বিরোধিতা করতে পারে। 

    মিথুন

    ১) তাড়াহুড়োয় নিয়ে থাকা কোনও ভুল সিদ্ধান্তের কারণে অনুতাপ হতে পারে।
      
    ২) বাড়িতে খাওয়া-দাওয়ার জিনিস বা অন্যান্য সুখ-সুবিধায় ব্যয় হতে পারে।
     
    ৩) কর্মক্ষেত্রে ব্যয় বৃদ্ধি পাবে।

    কর্কট

    ১) অর্থ আগমনের পরিমাণ সাধারণ থাকবে।
     
    ২) বিশেষ ব্যক্তির কাছ থেকে সহযোগিতা পাবেন, যা আপনার জীবনের নতুন উদ্দেশ্য খুঁজতে সাহায্য করবে।
     
    ৩) চাকরিজীবী জাতকরা অধিক ব্যয়ে চিন্তিত থাকবেন।

    সিংহ

    ১) পরিবারের সদস্যরা কোনও না-কোনও কারণে অসন্তুষ্ট থাকবে।
     
    ২) কর্মক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিশেষ ভালো নয়।
     
    ৩) সহকর্মীরা আপনার ভুলের অপেক্ষায় থাকবে। 

    কন্যা

    ১) লাভের পরিবর্তে লোকসান হবে।
     
    ২) মানসিক দিক দিয়ে তরতাজা থাকুন।
     
    ৩) ব্যবসায়ে প্রত্যাশার চেয়ে কম লাভ করবেন।

    তুলা

    ১) ধন লাভের জন্য কারও সাহায্য়ের প্রয়োজন পড়বে।
     
    ২) দুপুরের পর কোনও বিতর্কে জড়াবেন না।
     
    ৩) বাড়িতে ছোটখাটো তর্ক হতে পারে।

    বৃশ্চিক

    ১)  গুরুত্বপূর্ণ কাজ দুপুরের আগেই পুরো করার চেষ্টা করুন।

    ২) মুনাফা অর্জন সহজ হবে না।

    ৩) নিজের কাজকে ছোট মনে করবেন ও পড়ে সমস্যায় জড়াবেন।

    ধনু

    ১) দুপুরের পর থেকে পরিস্থিতি উন্নত হবে।
     
    ২)  আর্থিক কাজকর্ম বাতিল করুন।
     
    ৩) পরিবারের কোনও সদস্য আঘাত পেতে পারেন।

    মকর

    ১) বয়স্ক ব্যক্তির সহযোগিতা পাওয়ায় জটিলতা থেকে স্বস্তি পাবেন।
     
    ২) দুপুরের পর সামাজিক কাজের জন্য সময় বের করতে হবে।
     
    ৩) অনিচ্ছা সত্ত্বেও পরিবার ও আত্মীয়দের সঙ্গে সময় কাটাতে হবে।

    কুম্ভ

    ১) কোনও না-কোনও কারণে ব্যবসায়ে আর্থিক মামলা আটকে যাবে।
     
    ২) দুপুরের পর ধর্মীয় কাজে রুচি বাড়বে।
     
    ৩) স্বার্থপরতা ত্যাগ করুন।

    মীন

    ১)  দিনের শুরুতে শারীরিক দুর্বলতা থাকবে। যে কারণে দৈনন্দিন কাজে বিলম্ব হবে।

    ২) চাকরিজীবী জাতকরা বিভ্রান্তিতে থাকবেন।
     
    ৩) দুপুর পর্যন্ত পরিশ্রমের ফলাফল না-পাওয়ায় হতাশ হবেন।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: পুলিশ নাকি খুঁজে পাচ্ছে না! শাহজাহানের মতো অন্তরালে থেকেই ‘বাণী’ দিলেন শিবু হাজরাও

    Sandeshkhali: পুলিশ নাকি খুঁজে পাচ্ছে না! শাহজাহানের মতো অন্তরালে থেকেই ‘বাণী’ দিলেন শিবু হাজরাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইডি ওপর হামলার পর থেকে ফেরার শেখ শাহজাহান ফেরার। এখনও পুলিশ তার টিকি ছুঁতে পারেনি। তবে, তিনি অন্তরালে থেকে কখনও কর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কখনও স্পিডবোটে করে এলাকায় ঘুরতে দেখা গিয়েছে। এবার তাঁর সাগরেদ শিবু হাজরাকে গ্রেফতারের দাবিতে অগ্নিগর্ভ সন্দেশখালি। তারপরও পুলিশ তাকে ধরতে পারেনি। শাহজাহানের মতো তিনি অন্তরালে রয়েছেন। সেখান থেকে বাণী দিলেন। যা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    মহিলাদের পার্টি অফিসে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন! সাফাই শিবুর (Sandeshkhali)

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শিবু হাজরার বিরুদ্ধে এলাকায় মহিলাদের অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগও শোনা যাচ্ছে। তাঁকে গ্রেফতার করার দাবিতে এলাকায় বিক্ষোভ আন্দোলন শুরু হয়েছে। বুধবার সংবাদমাধ্যমের সামনে আসেন শিবু। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “সবই ভিত্তিহীন অভিযোগ। এর নেপথ্যে রয়েছেন সিপিএমের নিরাপদ সর্দার এবং বিজেপির বিকাশ সিংহ। ওঁরা মানুষকে উত্ত্যক্ত করছেন। আমাদের বিরুদ্ধে উস্কে দিচ্ছেন। মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।” মহিলাদের পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন প্রসঙ্গে শিবু বলেছেন, “আমি কখনওই কাউকে রাতে ডাকিনি। কেন ডাকতে যাব? দলের মিটিং থাকলে খবর দেওয়া হত। সেখানে থাকার জন্য কাউকে জোর করা হয়নি কখনও।” সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মানুষের প্রশ্ন, পুলিশ শিবুকে খুঁজে পাচ্ছে না। অথচ ও বহাল তবিয়তে রয়েছে। নিজের মতো করে বক্তব্য রাখছেন। বোঝাই যাচ্ছে, তৃণমূলের নির্দেশে পুলিশ শিবুকে গ্রেফতার করার সাহস দেখাচ্ছে না।

    গ্রেফতারির দাবি উঠলেও অধরা শিবু

    শিবুর পোলট্রি ফার্মে গত বৃহস্পতিবার আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। উত্তেজিত জনতা ভাঙচুর করে তাঁর বাড়ি, বাগানবাড়ি। অভিযোগ, এলাকায় জমি জবরদখল করে শিবু, শাহজাহান, উত্তমরা মাছের ভেড়ি তৈরি করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে পথে নেমেছিলেন মূলত মহিলারা। বঁটি, কাটারি, বাঁশ, লাঠি হাতে তাঁরা সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থানার সামনে বসে পড়েছিলেন। শিবুর গ্রেফতারির দাবিতে বিক্ষোভ দেখান বাসিন্দারা। তারপরও শিবুর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। গোপন ডেরায় দিব্যি আছেন শিবু।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • East Medinipur: প্রেম দিবসে হাড়হিম করা ঘটনা! স্ত্রীর মুণ্ডু কেটে হাতে নিয়ে রাস্তায় স্বামী

    East Medinipur: প্রেম দিবসে হাড়হিম করা ঘটনা! স্ত্রীর মুণ্ডু কেটে হাতে নিয়ে রাস্তায় স্বামী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রেম দিবসের দিনে মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী থাকলেন পূর্ব মেদিনীপুরের (East Medinipur) পটাশপুরবাসী। বুধবার সকাল থেকে বাড়িতে বাড়িতে যখন সরস্বতী পুজো নিয়ে সবাই আনন্দে আত্মহারা, কচিকাঁচারা নতুন জামা-প্যান্ট পরে পাড়ার মণ্ডপে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার জন্য ব্যস্ত, সেই সময় স্যান্ডো গেঞ্জি আর বারমুডা পরে এক যুবক হাতে কাটা মুণ্ডু নিয়ে চিৎকার করতে করতে রাস্তায় হাঁটছেন। মুন্ডু বেঞ্চে রেখে পাশে বসলেনও। চোখের সামনে এই ঘটনা দেখে হতবাক হয়ে যান এলাকাবাসী। শিহরিত হয়ে ওঠেন রাজ্যবাসী।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুরের (East Medinipur) পটাশপুর থানার চিস্তিপুর গ্রামের বাসিন্দা গৌতম গুছাইতের সঙ্গে স্ত্রী ফুলরানি গুছাইতের বেশ কয়েক বছর আগে বিয়ে হয়। গৌতম হকারি করেন।  তাঁদের এক সন্তান রয়েছে। সে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, বেশ কিছু দিন ধরেই পারিবারিক অশান্তি চলছিল। তার জেরেই বুধবার স্ত্রীকে তিনি খুন করেছেন বলে মনে করছেন তাঁরা। খুন করেন কাটারি দিয়ে। তার পর সেই কাটা মুন্ডু হাতে নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন। বেশ কিছুক্ষণ মুণ্ডু হাতে নিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করার পর একটি বেঞ্চে গিয়ে বসেন তিনি। পাশে রেখে দেন স্ত্রীর কাটা মুণ্ডু। সাদা স্যান্ডো গেঞ্জি এবং বারমুডা পরিহিত মারমুখী গৌতমকে দেখে শোরগোল শুরু হয়ে যায় ওই এলাকায়। হাতে রাখা ছিল কাটারি। স্থানীয় কয়েক জন চেষ্টা করেও ওই যুবকের কাছে ঘেঁষতে পারেননি ভয়ে। ওই ভাবে রক্তমাখা অস্ত্র হাতে নিয়ে ঠায় বসে থাকেন গৌতম। কিছুক্ষণের মধ্যেই খবর যায় পটাশপুর থানায়। এর পর পুলিশ এসে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। পাশাপাশি কাটা মুণ্ডু উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গৌতমের মানসিক সমস্যা রয়েছে। এক বার তিনি আলিপুর চিড়িয়াখানায় সিংহের খাঁচায় ঢুকে পড়েছিলেন। এর আগেও স্ত্রীর সঙ্গে ঝামেলা হয়েছিল। তবে, এতবড় মর্মান্তিক সিদ্ধান্ত নেবে, তা ভাবতেই পারছি না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: সন্দেশখালি যাওয়ার পথে পুলিশি বাধা, অসুস্থ সুকান্ত, ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে

    Sukanta Majumdar: সন্দেশখালি যাওয়ার পথে পুলিশি বাধা, অসুস্থ সুকান্ত, ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি যাওয়ার পথে টাকিতে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সেখানে পুলিশের সঙ্গে তুমুল বচসা হয়। পরে, তিনি আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন। অচৈতন্য হয়ে মাটিতে পড়়ে যান। বেশ কিছুক্ষণ ধরে তিনি মাটিতে পড়ে থাকেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে তড়িঘড়ি নিয়ে যাওয়া হয় বসিরহাট জেলা হাসপাতালে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা করার পর তাঁকে কলকাতায় বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। জানা গিয়েছে, পালস রেট কমছে। অক্সিজেন দেওয়া হয়েছে তাঁকে।

    বসিরহাট থেকে সন্দেশখালির পথে সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    মঙ্গলবার বসিরহাট এসপি অফিস ঘেরাও অভিযানে যোগ দিতে সড়কপথের পরিবর্তে লোকাল ট্রেনে যান সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। সন্দেশখালিকাণ্ডে মঙ্গলবার বসিরহাট এসপি অফিস ঘেরাও অভিযানে নেতৃত্ব দেন তিনি। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর বিজেপির সাতজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের মুক্তির দাবিতে রাতভর ধর্না দেন সুকান্ত। গভীর রাতে তাঁকে আটক করার কিছুক্ষণ পর ছেড়েও দেয় পুলিশ। বুধবার সকাল হতেই আবার উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বুধবার সকালে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে সুকান্ত সন্দেশখালির উদ্দেশে রওনা দেন। পুলিশ মাঝপথে তাঁদের আটকে দিলে, যেখানে আটকানো হবে, সেখানেই সরস্বতী পুজো শুরু করবেন তাঁরা। এমনই বলেছিলেন সুকান্ত। কিন্তু, ঘটনাচক্রে দেখা গেল, সেই পরিকল্পনাও বদলে ফেললেন সুকান্ত।

    টাকিতে পুলিশি বাধা, অচৈতন্য হয়ে পড়েন সুকান্ত

    বুধবার দুপুরে টাকির হোটেলের পিছনের দরজা দিয়ে একটি সরস্বতী প্রতিমা কোলে নিয়ে বেরিয়ে আসেন সুকান্ত। ইছামতীর ঘাটে প্রতিমা বসিয়ে পুজো শুরু হয়। পরে সন্দেশখালি যাওয়ার উদ্যোগ নিতে টাকিতে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন তিনি। পুলিশের সঙ্গে বচসা শুরু হয় সুকান্তের (Sukanta Majumdar)। বিজেপির রাজ্য সভাপতি জানান, তিনি সন্দেশখালি যাবেনই। অন্য দিকে, পুলিশ জানায় সেখানে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। তাই অনুমতি মিলবে না। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির মধ্যে পুলিশের গাড়ির বনেটে উঠে পড়েন সুকান্ত। কিছুক্ষণের মধ্যেই পড়ে যান। দেখা যায়, মুখ ঢাকা এক মহিলা হাত ধরে গাড়ির বনেট থেকে সুকান্তকে নামানোর চেষ্টা করেন। তার মধ্যেই তিনি অচেতন হয়ে পড়েন বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি। খানিকক্ষণ রাস্তায় পড়ে থাকেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। অসুস্থ সুকান্তকে তড়িঘড়ি গাড়িতে তোলা হয়। তাঁকে বসিরহাটের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: প্রেমিকাকে লেখা ৩২৭ ফুটের চিঠি ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’-তে সংরক্ষণের দাবি জানালেন প্রেমিক

    Asansol: প্রেমিকাকে লেখা ৩২৭ ফুটের চিঠি ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’-তে সংরক্ষণের দাবি জানালেন প্রেমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩২৭ ফুট চিঠি লিখে তাক লাগিয়েছেন আসানসোলের (Asansol) প্রেমিক অনুপম ঘোষাল। মনের কষ্ট তিনি ফুটিয়ে তুলেছিলেন তাঁর লেখনীর মধ্যে দিয়ে। তাঁর সেই চিঠি এখন আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্ব প্রেম দিবসে সেই চিঠি নিয়েই তাঁর উৎকন্ঠা। বিশ্বের এই দীর্ঘতম চিঠি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ইঁদুরে ছিঁড়ে ফেলছে সেই চিঠি। তাই সংরক্ষণের দাবি তুলেছেন তিনি।

    ৩২৭ ফুট চিঠি নিয়ে বই লেখা হয়েছে (Asansol)

    আসানসোলের (Asansol) বার্নপুর রোডের বাসিন্দা অনুপম ঘোষাল। এক সময় সাংবাদিকতা করেছেন। বর্তমানে শারীরিক অসুস্থতার কারণে কিছুই করতে পারেন না। ২০০০ সালে অনুপমবাবুর প্রেমিকা তাঁকে ছেড়ে চলে যান। আর তখনই সেই প্রেমিকাকে ভুলতে চিঠি লিখতে শুরু করেন। সেটাকে তাঁর জীবনের সুইসাইড নোট বলেছেন তিনি। কিন্তু চিঠি লিখতে লিখতে এত বড় হয়ে যায় যে সেটা ক্রমেই একটি সাহিত্যে পরিণত হয়। ৩২৭ ফুট চিঠির দৌলতে রাতারাতি প্রচারের আলোয় চলে আসেন তিনি। তাঁকে নিয়ে এক সময় রীতিমতো চর্চা হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার দুটি বড় পাবলিশার এই চিঠিকে প্রকাশ করেছে বই হিসেবে। সেই বই বইমেলাতে বিক্রিও হয়েছে।

    কী বললেন চিঠির লেখক?

    অনুপমবাবু বলেন, মনের জ্বালা থেকে চিঠি লিখেছিলাম। এখন সেই চিঠি আমাকে চর্চায় নিয়ে এসেছে। আমার এই চিঠি দিয়ে বই লেখা হবে, তা আমি ভাবতে পারিনি। তবে, আমার আক্ষেপ মূল চিঠিটি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে দিনে দিনে। এতবড় চিঠি সংরক্ষণ করে রাখা আমার পক্ষেও সম্ভব নয়। তাই আমি চাইছি, সরকার যদি উদ্যোগী হয়ে এই চিঠি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে তাহলে আমার এই সৃষ্টি বেঁচে থাকতে পারে। পাশাপাশি বর্তমান যুগের প্রেমিক-প্রেমিকাদের প্রতি আমার আর্তি, প্রেম আসবে যাবে। হয়তো প্রেম হারিয়ে যেতে পারে, কিন্তু কোনও অবস্থাতেই তার থেকে খারাপ কিছু নয়, বরং সৃষ্টিশীল কিছু করে রাখো, যেটা পৃথিবীতে ইতিহাস হয়ে থাকবে। আমার জীবনে আমি সেই শিক্ষাই পেয়েছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: পেনসিলের ওপর আট মিলিমিটারের দেবী সরস্বতীর মূর্তি, তাক লাগিয়ে দিয়েছেন নদিয়ার শিল্পী

    Nadia: পেনসিলের ওপর আট মিলিমিটারের দেবী সরস্বতীর মূর্তি, তাক লাগিয়ে দিয়েছেন নদিয়ার শিল্পী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইচ্ছেশক্তি আর নিজের ওপর ভরসা থাকলে যে সব কাজই করা সম্ভব, তা আবারও প্রমাণ করে দিলেন নদিয়ার (Nadia) নবদ্বীপের এক শিল্পী। বুধবার সরস্বতী পুজোয় মেতে উঠেছেন রাজ্যবাসী। এরই মাঝে নিজের ইচ্ছেশক্তির ওপর ভর করে ফের একবার ভিন্ন ভাবনায় পেনসিলের ওপর আট মিলিমিটারের দেবী সরস্বতীর মূর্তি তৈরি করে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করলেন নবদ্বীপের অঙ্কন শিক্ষক গৌতম সাহা। নবদ্বীপ শহরের প্রতাপনগর এলাকার বাসিন্দা তিনি। বয়স আনুমানিক ৫৬। 

    চক-চালের ওপর শিল্পকলা 

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গৌতমবাবুর বাবা ছিলেন আকাশবাণীর গীতিকার ও শিক্ষক। পরিবারে স্ত্রী, সন্তান সহ দুই দিদি রয়েছেন। তাঁরাও লেখালেখি, সংগীতচর্চা নিয়ে ব্যস্ত। এক কথায় শিক্ষা ও শিল্পসত্ত্বা ঘেরা পরিবার থেকেই উঠে আসা গৌতমবাবুর। জানা যায়, গত লকডাউনের সময় থেকে তিনি এই ক্ষুদ্র শিল্পকলার কাজ শুরু করেন। অতীতে বিভিন্ন সময়ে তিনি কখনও মুগডালের ওপর, কখনও ধানের ওপর, তো কখনও চক বা চালের ওপর মাটি রং দিয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন মা কালী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, মহাপ্রভু সহ বিভিন্ন দেবদেবী ও মণীষীদের মূর্তি। আর এবার দেবী সরস্বতীর প্রতি তাঁর শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনের জন্য গত পনেরো দিন ধরে দিন রাত এক করে এবার একটি আনুমানিক ছয় সেন্টিমিটারের পেনসিলের ওপর মাটি, রং দিয়ে আট মিলিমিটারের দেবী সরস্বতীর মূর্তি ফুটিয়ে তুলেছেন। আর তা দিয়েই কার্যত আবারও তাক লাগিয়েছেন নদিয়ার (Nadia) নবদ্বীপের এই শিল্পী। আর এবারের তাঁর এই সৃষ্টি দেখতে বাড়িতে হাজির হচ্ছেন অনেকেই।

    কী বললেন শিল্পী?

    গৌতমবাবু বলেন, এর আগে অনেক ক্ষুদ্র শিল্পকলার কাজ করেছি। তবে, এভাবে মা সরস্বতী মূর্তি তৈরি কোনও দিন করিনি। এবার সেই উদ্যোগ নিলাম। দু’সপ্তাহের মধ্যেই আমি এই কাজ সম্পূর্ণ করতে পেরেছি। সবার ভালো লেগেছে জেনে আমি খুশি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: বালুরঘাট-হিলি রেল প্রকল্পের জমিদাতাদের ‘কাটমানি’ চেয়ে ফোন! শোরগোল

    Dakshin Dinajpur: বালুরঘাট-হিলি রেল প্রকল্পের জমিদাতাদের ‘কাটমানি’ চেয়ে ফোন! শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) বালুরঘাট – হিলি রেল প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই বহু জমিদাতাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে গিয়েছে। তবে এখনও অনেকের জমির কাগজ ও নানা নথি সংক্রান্ত সমস্যার জন্য টাকা দেরিতে ঢুকছে। তাই প্রতিদিনই হিলি ও বালুরঘাটে জমি দাতারা প্রশাসনের দ্বারস্থ হচ্ছে। এর সুযোগেই বেশকিছু দালাল চক্রের সক্রিয় হয়ে এমন কাজ করছে বলে এক অডিও কল রেকর্ড সোশ্যাল মিডিয়ায় সামনে এসেছে। যদিও বা ওই অডিও যাচাই করেনি মাধ্যম। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    অডিও কলে কী রয়েছে? (Dakshin Dinajpur)

    ওই অডিও কলে এক ব্যক্তি সরকারি অফিসের কর্মী বলে পরিচয় দিয়ে এক জমিদাতাকে ফোন করেছেন। ওই জমিদাতার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার পর ৫৫ হাজার টাকা দিতে হবে বলে দাবি করা হয়। যা নিয়ে দর কষাকষি চলছে। ওই জমিদাতা ব্যক্তির অভিযোগ, ঘুষ দিলে টাকা ঢুকবে। শুধু একজনই নয়, এমন একাধিক ব্যক্তির কাছে টাকা চাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। যদিও এনিয়ে এখনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি।  যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ওই ফোন প্রশাসনের কোনও কর্মী নয়। এর পিছনে দালালচক্র কাজ করছে বলেই মত প্রশাসনের একাংশের। তবে এমন গুরুতর অভিযোগ ঘিরে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরেই দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলাপ্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই অভিযোগকারী জমিদাতাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে।এবিষয়ে অভিযোগকারী ব্যক্তি বলেন, আমার সঙ্গে এক ব্যক্তির পরিচয় হয়েছিল। জমি দেওয়ার টাকা দ্রুত আমার অ্যাকাউন্টে দেবে বলে সেই ব্যক্তি জানিয়েছিল। আমাকে ফোন করে জানায় যে আজ কালের মধ্যে টাকা ঢুকে যাবে। তাই ওই ব্যক্তিকে যেন ৫৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়। আমি মনে করি এটা ঘুষের টাকা। তাই প্রমাণ রাখার জন্য  ওই কল রেকর্ড করেছি। আর কারও কাছে  এই ধরনের টাকা যাতে না চাওয়া হয়, তাই আমি অভিযোগ দায়ের করব।

    জেলা প্রশাসনের আধিকারিকের কী বক্তব্য?

    এবিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক (এলআর) হারিশ রসিদ বলেন, বিষয়টি গুরুতর। তবে এখনও এনিয়ে কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। আমরা ওই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। এমনটা ঘটে থাকলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    সরব সুকান্ত

    এবিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, যেখানে টাকার গল্প থাকে সেখানেই এক প্রকার দালাল চক্র শুরু হয়ে যায়। দীর্ঘদিনের রেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। সেই রেল প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের  টাকা নিয়েও দালালি শুরু হয়েছে। প্রশাসন সঠিকভাবে নজর দিচ্ছে না। তাই তৃণমূল নেতাদের মদতেই এই ধরনের দালাল চক্র বাড়ছে। আমরা এ নিয়ে অভিযোগ দায়ের করব।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন, এই ধরনের কাজ কোনভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। পুরোপুরি প্রশাসনের ব্যাপার, প্রশাসন নিশ্চয়ই সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তবে সব কিছুর সঙ্গে তৃণমূলের নাম জড়ানো বিজেপির কাজ। আসলে বিজেপির মদতেই এই ধরনের দালাল চক্র বাড়ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share