Tag: Madhyom

Madhyom

  • UAE’s Hindu Temple: উদ্বোধনের মুখে আবু ধাবির প্রথম মন্দির, মার্বেল গিয়েছে রাজস্থান থেকে

    UAE’s Hindu Temple: উদ্বোধনের মুখে আবু ধাবির প্রথম মন্দির, মার্বেল গিয়েছে রাজস্থান থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার পরে এবার কাউন্ট ডাউন শুরু হয়েছে আবু ধাবিতে। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি সেখানে প্রথম কোনও হিন্দু মন্দিরের (UAE’s Hindu Temple) উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরই মধ্যে সামনে এসেছে আবু ধাবির ওই মন্দির সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য। জানা গিয়েছে, ওই মন্দির তৈরি হয়েছে উত্তর রাজস্থান থেকে নিয়ে যাওয়া মার্বেল পাথর দিয়ে। শুধুমাত্র পাথরই নয়, এর পাশাপাশি রাজস্থানের শিল্পীরাই মন্দিরের দেওয়ালে ভাস্কর্যের কাজ করেছেন।

    ২৫ হাজার পিসেরও বেশি মার্বেল পাথর ব্যবহৃত হয়েছে 

    জানা গিয়েছে, ২৫ হাজার পিসেরও বেশি সংখ্যায় মার্বেল পাথরের প্রয়োজন হয়েছে ওই মন্দিরে। আবু ধাবি মন্দিরে (UAE’s Hindu Temple) রয়েছে ৪০২টি স্তম্ভ, সাতটি শিখর। প্রতিটি শিখরে খোদিত রয়েছে রামায়ণ, শিব পুরাণ, ভাগবত এবং মহাভারতের কাহিনি। এসবই চিত্র আকারে খোদিত হয়েছে। অর্থাৎ হিন্দু সংস্কৃতির সম্পূর্ণ প্রতিফলন দেখা যাবে এই মন্দিরে।

    ২৭ একর জায়গায় নির্মিত হয়েছে মন্দির

    সৌদি আরবের উষ্ণতা খুবই বেশি। রাত-দিনের তাপমাত্রার ফারাকও বেশি হয়। তাপ নিরোধক ব্যবস্থাও থাকছে মন্দিরে (UAE’s Hindu Temple)। চল্লিশ হাজার ঘনমিটারের মার্বেল ব্যবহার করা হয়েছে মন্দিরে ভিতরকার পরিকাঠামো নির্মাণের জন্য। এর মধ্যে ইতালির মার্বেল ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ২৭ একর জায়গাতে নির্মিত হয়েছে এই মন্দির।

    ১৪ ফেব্রুয়ারি মন্দির উদ্বোধন

    চলতি মাসের ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi), মহন্ত স্বামী মহারাজ-এই দুজনে মিলেই উদ্বোধন করবেন আবু ধাবির হিন্দু মন্দিরের। প্রসঙ্গত সেদিনই আবার আমাদের পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে সরস্বতী পুজো, যা সারা ভারতবর্ষের অন্যান্য রাজ্যে পালিত হয় বসন্ত পঞ্চমী হিসেবে। ওই পবিত্র তিথিতেই সৌদি আরবের হিন্দুরা পাবেন তাঁদের প্রথম মন্দির। জানা গিয়েছে, এই মন্দির গত মাসের ২৯ তারিখেই ৪২টি দেশের রাষ্ট্রদূতরা পরিদর্শন করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ladakh: লাদাখকে রাজ্যের মর্যাদা দেওয়ার দাবি, লেহ-এর মিছিলে জনজোয়ার

    Ladakh: লাদাখকে রাজ্যের মর্যাদা দেওয়ার দাবি, লেহ-এর মিছিলে জনজোয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলাদা রাজ্যের দাবিতে এবার কি জোরদার আন্দোলনে নামতে চলেছে লাদাখবাসী (Ladakh)? অন্তত সেরকমই ইঙ্গিত মিলছে। ২০১৯ সালের অগাস্ট মাসে সাবেক জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য থেকে লাদাখকে পৃথক করে সেটিকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মর্যাদা দেওয়া হয়। কিন্তু হিমালয়ের কোলে থাকা এই পার্বত্য অঞ্চলটির অধিবাসীদের অধিকাংশের দাবি, লাদাখকে আলাদা রাজ্যের স্বীকৃতি দিতে হবে। এর পাশাপাশি আরও তিনটি দাবি রয়েছে তাঁদের।

    রাজ্যের মর্যাদা সমেত আরও ২ দাবি

    শনিবারই লাদাখের  (Ladakh) লেহ জেলায় প্রতিবাদ মিছিল বের করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। হাতে লেখা প্ল্যাকার্ডে মোট চারটি দাবির কথা জানান তারা। আলাদা রাজ্য ছাড়াও সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলে লাদাখকে অন্তর্ভুক্ত করা, স্থানীয়দের জন্য সরকারি চাকরিতে আসন সংরক্ষণ করা এবং লেহ এবং কার্গিল— দু’টি লোকসভা কেন্দ্র গড়ার দাবি জানান স্থানীয়রা। জানা গিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইন, ২০১৯-এ সম্ভাব্য কী কী বদল আনা যেতে পারে, তার একটি খসড়া ইতিমধ্যে  কেন্দ্রকে পাঠিয়েছেন স্থানীয়রা।

    কমিটি গঠন কেন্দ্রের

    লাদাখবাসীর  (Ladakh) দাবি বিবেচনা করতে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাইয়ের নেতৃত্বে কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্র। বর্তমান কমিটিতে রয়েছেন লাদাখের সাংসদ জামিয়াং শেরিং‌ নামগিয়েল, লেহ ও কার্গিলের পার্বত্য পরিষদের প্রধানেরা। কমিটির শেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় গত ৪ ডিসেম্বর। জানা গিয়েছে, ১৯ ফেব্রুয়ারি ফের লাদাখ সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক হবে। এমনটাই এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে কেন্দ্র। জানা গিয়েছে, কতগুলি দাবি বিবেচনা করতে চলেছে কেন্দ্র। যেমন নুবরা ও জাঙ্কসর এলাকার জন্য জেলার মর্যাদা, লাদাখের জমি, সংস্কৃতি ও পরিচয় রক্ষার জন্য রক্ষাকবচ, পাবলিক সার্ভিস কমিশন গঠন ইত্যাদি। জানা গিয়েছে, ২০২৬ সাল পর্যন্ত নির্বাচনী কেন্দ্রের সীমা পুনর্বিন্যাসের কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে দু’টি লোকসভা কেন্দ্র গঠনের দাবিও এখন বিবেচনা করা সম্ভব নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mohalla Clinic: রক্ত পরীক্ষা হয়েছে ৬৫ হাজার রোগীর, যাদের কোনও অস্তিত্বই নেই, নয়া দুর্নীতি আপ সরকারের

    Mohalla Clinic: রক্ত পরীক্ষা হয়েছে ৬৫ হাজার রোগীর, যাদের কোনও অস্তিত্বই নেই, নয়া দুর্নীতি আপ সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি দফতরের দুর্নীতি নিয়ে এমনিতেই বেসামাল দিল্লির আপ সরকার (Mohalla Clinic)! নিত্যদিন খোঁজ মিলছে নতুন নতুন দুর্নীতির। এবার চিকিৎসা ক্ষেত্রেও মিলল দুর্নীতির খোঁজ। দিল্লি সরকার পরিচালিত মহল্লা ক্লিনিকের আর্থিক হিসাবেই ব্যাপক গরমিল। হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ১১ মাসে মহল্লা ক্লিনিকের অধীনে বিভিন্ন প্রাইভেট ল্যাবরেটরি থেকে রক্ত পরীক্ষা করিয়েছেন ৬৫ হাজার রোগী, যাদের বাস্তবে কোনও অস্তিত্বই নেই (Mohalla Clinic)। এই ভূত রোগীদের মাধ্যমেই বিপুল আর্থিক তছরুপ হয়েছে। শনিবারই অ্যান্টি-কোরাপশন ব্রাঞ্চের প্রাথমিক তদন্তেই উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য, যা নিয়ে সরগরম দিল্লির রাজনীতি।

    আগেই সরব হয়েছিলেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর

    এমন দুর্নীতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সরব দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভিকে সাক্সেনা। তিনি মহাল্লা ক্লিনিকে রক্ত পরীক্ষায় বেনিয়মের তদন্ত করার জন্য সিবিআই তদন্তের সুপারিশও করেছিলেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে এরপরই অ্যান্টি-কোরাপশন ব্রাঞ্চকে তদন্তভার দেওয়া হয়। শনিবার এসিবির তরফে প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্টে বলা হয়েছে, একাধিক বেসরকারি ল্যাবরেটরিতে (Mohalla Clinic) ‘ভূত’দের রক্ত পরীক্ষা করা হয়েছে, যারা আদতে কোনওদিন মহল্লা ক্লিনিকে যান-ই নি। ল্যাব ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম, যেখানে রোগীদের নাম ও মোবাইল নম্বর থাকত, তাতেও তথ্য বিকৃত করা হয়েছে। মনগড়া নাম ও ফোন নম্বর বসিয়ে নানা পরীক্ষার নামে সরকারের কাছ থেকে টাকা আদায় করেছে প্রাইভেট ল্যাবগুলি।

    দুর্নীতির খুঁটিনাটি

    প্রসঙ্গত, দিল্লির আপ সরকারের তরফে কম খরচে চিকিৎসার জন্য মহল্লা ক্লিনিক তৈরি করা হয়েছিল। চিকিৎসার পাশাপাশি নানা শারীরিক পরীক্ষাও হয় সেখানে। মাত্র ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যেই সমস্ত পরীক্ষার খরচ, যা বাইরের ল্যাব থেকে করাতে ১-২ হাজার টাকা খরচ হয়। এসিবির রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ১২,৪৫৭টি রক্ত পরীক্ষার ক্ষেত্রে রোগীদের ফোন নম্বর নেই। ২৫,৭৩২টি পরীক্ষায় মোবাইল নম্বর শূন্য বসানো রয়েছে। ৯১৩টি পরীক্ষার ক্ষেত্রে ভুয়ো ফোন নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে। যদিও ল্যাবগুলির দাবি, তারা কেবল রক্তের নমুনা সংগ্রহ করত এবং পরীক্ষা করে রিপোর্ট জমা দিত। মহল্লা ক্লিনিকের টেকনিশিয়ানদের দায়িত্ব ছিল রোগীর নাম ও অন্যান্য় তথ্য নথিভুক্ত করা। গোটা ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার জেলা তৃণমূলের নেতা

    Dakshin Dinajpur: নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার জেলা তৃণমূলের নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার হলেন দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক প্রতুল মৈত্র। শনিবার রাতেই দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারি থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন তিনি। তিনি আবার গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতের সরকারি আইনজীবীও। শনিবার গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালত চত্বর থেকেই তৃণমূলের এই জেলা পদাধিকারী তথা আইনজীবীকে গ্রেফতার করা হয়। জেলা পুলিশ সুপার চিন্ময় মিত্তাল বলেন, বংশীহারি থানায় দায়ের হওয়া একটি পকসো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। তবে, তদন্তের স্বার্থে সবটা এখনই বলা সম্ভব নয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dakshin Dinajpur)

    দলীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পকসো মামলায় ধৃত প্রতুল মৈত্র গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতের এডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর। সরকারি আইনজীবীর পাশাপাশি তিনি দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সাধারণ সম্পাদক পদেও রয়েছেন। গঙ্গারামপুরের এক নাবালিকাকে শ্লীলতাহানি মামলায় শনিবার রাতে বংশীহারী থানার পুলিশ গ্রেফতার করে। গঙ্গারামপুরের এক নাবালিকার বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই সরকারি আইনজীবীকে গ্রেফতার করে। জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেলে বুনিয়াদপুরের গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালত থেকেই বংশীহারী থানার পুলিশ সরকারি আইনজীবী প্রতুল মৈত্রকে থানায় নিয়ে যায়। রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বেশি রাতে তাকে বংশীহারী থেকে হরিরামপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। বংশীহারী থানার পুলিশ তার বিরুদ্ধে পকসো, চাইল্ড প্রোটেকশন অ্যাক্ট সহ বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু করে। রবিবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁর জামিন বাতিল করে দুদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন, সরকারি আইনজীবীর বিরুদ্ধে এই ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। ঘটনার সত্যতা কতটা রয়েছে তা কোর্টে বিচার্য বিষয়। এমনকী অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, আইন আইনের পথেই চলবে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি-র জেলার সহ সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, তৃণমূলের নেতা আবার আইনজীবী হয়ে এই ধরনের ঘটনায় জড়িত। এটা অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Moyna:  নদিয়ার পর ময়না, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট, গাড়ি ভাঙচুর

    Moyna: নদিয়ার পর ময়না, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট, গাড়ি ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার পর এবার পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার (Moyna) বাকচায় এবার আক্রান্ত হল পুলিশ। টহলদারির সময় পুলিশকর্মীদের ওপর হামলা চালায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। পুলিশকে লক্ষ্য করে ডাব, ইট ছোড়া হয়। বাঁশ দিয়ে পুলিশের গাড়িতেও চলে ব্যাপক ভাঙচুর। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। বার বার পুলিশ আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুলিশের ওপর থেকে আস্থা হারাচ্ছে সাধারণ মানুষ। বিরোধীদের বক্তব্য, পুলিশ এখন দলদাসে পরিণত হয়ে গিয়েছে। আইন মেনে শান্তি রক্ষা পুলিশের কাজ। সেটা অনেক সময় পুলিশের জন্য ব্যাহত হচ্ছে। তাই, পুলিশের ওপর বার বার হাত তোলার সাহস দেখাচ্ছে সাধারণ মানুষ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Moyna)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুর ময়নার (Moyna) বাকচায় কোনও এতটি বিষয় নিয়ে গণ্ডগোল হয়। শনিবার রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ ময়না থানার ডিউটি অফিসার ঈশ্বর সিংয়ের নেতৃত্বে ৬ জন পুলিশকর্মী টহল দিচ্ছিলেন। ময়না বাকচার নিমতলায় পৌঁছে চিৎকার চেঁচামেচি শুনতে পান পুলিশকর্মীরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করতে গেলে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ পুলিশের উপরই হামলা চালায়। মারধর করা হয়। পুলিশকে লক্ষ্য করে ডাব, ইট ছোড়া হয়। বাঁশ দিয়ে পুলিশের গাড়িতেও চলে ব্যাপক ভাঙচুর। জখম হন ৬ পুলিশকর্মী। তাঁদের ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কী কারণে হামলা তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। কয়েকদিন আগে মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফর চলাকালীন নদিয়ার ভীমপুরে পুলিশকে গাছে বেঁধে পেটালো এলাকাবাসী। দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ সামাল দিতে গিয়ে আক্রান্ত হন পুলিশকর্মীরা। দুই পুলিশ কর্মীকে গাছে বেঁধে ফেলেন মহিলারা। তাঁদের মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় আরও পুলিশ বাহিনী। তাঁরা গিয়ে ওই দুই পুলিশ কর্মীকে উদ্ধার করে। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে ময়নায় ফের পুলিশ আক্রান্তের ঘটনা ঘটল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ISI Agent: আইএসআই-এর হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি, গ্রেফতার ভারতীয় দূতাবাসের কর্মী

    ISI Agent: আইএসআই-এর হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি, গ্রেফতার ভারতীয় দূতাবাসের কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মস্কোয় ভারতীয় দূতাবাসে কর্মরত এক কর্মীকে গ্রেফতার করল উত্তরপ্রদেশের সন্ত্রাস দমন শাখা। ওই কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, গোপন তথ্য সে পাচার করত পাকিস্তানের আইএসআই-এর (ISI Agent) কাছে। উত্তরপ্রদেশের মিরাট থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে ধৃতের নাম সত্যেন্দ্র সিয়াল। বিদেশ দফতরের মাল্টি টাস্কিং স্টাফ হিসাবে সে কাজ করতো। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে উত্তরপ্রদেশের সন্ত্রাস দমন শাখা তদন্তে নামে এবং সেখান থেকেই জানা যায় ওই কর্মীর গুপ্তচরবৃত্তির কথা। জানা গিয়েছে, টাকার বিনিময়ে ভারতীয় সেনা সম্পর্কে বহু তথ্য পাচার করেছে ঐ কর্মী। এমন কিছু তথ্য পাচার (ISI Agent) করা হয়েছে যার দ্বারা ভারতবর্ষের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে।

    মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে চলত তথ্য পাচার 

    জানা গিয়েছে, সত্যেন্দ্র সিয়াল এর বাড়ি হল সাহুমহিউদ্দিনপুরের হাপুর গ্রামে। এবং সে আইএসআই-এর (ISI Agent) একটি বড় নেটওয়ার্ককে চালাত বলে জানা গিয়েছে। ভারতীয় দূতাবাসের একাধিক গোপন নথি এভাবেই সে পাচার করত। গোয়েন্দাদের দাবি, মোটা অঙ্কের টাকার অফার তাকে দেওয়া হয়েছিল। তদন্তে আরও অনেক বিষয় উঠে আসবে বলে আশাবাদী সন্ত্রাস দমন শাখা। বিদেশ দফতরের ওই কর্মীর গ্রেফতারির পরেই আসে উত্তর প্রদেশের সন্ত্রাস দমন শাখার বিবৃতি। সেখানে তারা জানিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সন্ত্রাস দমন শাখা পাকিস্তানের আইএসআই এর এক গুপ্তচরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। ওই ব্যক্তি বিদেশ দফতরের বেশ কিছু গোপন নথি পাকিস্তানের পাচার করত।

    জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে

    জানা গিয়েছে অভিযোগ সামনে আসতেই উত্তরপ্রদেশের সন্ত্রাস দমন শাখা সত্যেন্দ্র সিয়ালকে (ISI Agent) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে মিরাটে তাদের অফিসে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় একাধিক বয়ানে তার অসঙ্গতি লক্ষ্য করেন গোয়েন্দারা। জানা গিয়েছে সত্যেন্দ্র সিয়াল মস্কোতে ভারতীয় দূতাবাসে ২০২১ থেকেই কাজ করত সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্ট-এর ভূমিকায়। উত্তরপ্রদেশের সন্ত্রাস দমন শাখার থেকে জানতে পারা গিয়েছে, তার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা এবং অফিসিয়াল সিক্রেট অ্যাক্টের বিভিন্ন সেকশনে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (সোমবার ০৫/০২/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (সোমবার ০৫/০২/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ছোট কোনও ঘটনা মানসিক শান্তির অন্তরায় হবে।

    ২) গৃহে আত্মীয়ের আগমন।

    ৩) অন্যের গৃহে আতিথ্য গ্রহণ। 
     
    বৃষ
     
    ১) কর্মক্ষেত্র গতানুগতিক।
     
    ২) টুকটাক অর্থ হাতে আসবে।

    ৩) কোনও শুভ কর্মানুষ্ঠানে অংশগ্রহণ।
     
    মিথুন
     
    ১)  মাঝে মাঝে মনের দুর্বলতা পেয়ে বসবে।
     
    ২) শারীরিক ম্যাজমেজে ভাব দেখা দেবে।
     
    ৩) কোনও সুসংবাদ পাবেন।
     
    কর্কট
     
    ১) মানসিক দুশ্চিন্তা ও দুর্ভাবনা বৃদ্ধি পেলেও মানসিক প্রফুল্লতায় দিনের অধিকাংশ অতিবাহিত হবে।
     
    ২) কর্ম ও আর্থিক ক্ষেত্র থাকবে চলনসই।
     
    ৩) শরীর খারাপ হতে পারে।
     
    সিংহ
     
    ১) মানসিক দুশ্চিন্তা বাড়লেও পূর্বের তুলনায় আয় ও যোগাযোগ বাড়বে।
     
    ২) অপ্রত্যাশিত ভাবে কিছু অর্থ হাতে আসবে।
     
    ৩) কারও সাথে অযথা কথা কাটাকাটির সৃষ্টি হবে।
     
    কন্যা
     
    ১) মানসিক চাপ কিছুটা কমবে।
     
    ২) কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ প্রতিকূল।
     
    ৩) আর্থিক ও আয় নিতান্ত চলনসই।
     
    তুলা
     
    ১) দিনটা বেশ আনন্দপূর্ণ পরিবেশের মধ্যে অতিবাহিত হবে।
     
    ২) কর্মক্ষেত্রে যোগাযোগ অক্ষুণ্ণ থাকবে।
     
    ৩) পূর্বের তুলনায় আয় বৃদ্ধি ও অযাচিত যোগাযোগে অর্থলাভ হবে।
     
    বৃশ্চিক
     
    ১) কারও সাথে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হবে।

    ২)  আর্থিক অনটন বর্তমান থাকবে।

    ৩) হঠাৎ কিছু অর্থ হাতে আসবে।
     
    ধনু
     
    ১) আয় ও কর্মক্ষেত্র হতাশার সৃষ্টি করবে।
     
    ২) আর্থিক টানও কিছুটা রয়ে যাবে।
     
    ৩) কারও কথা রক্ষার্থে কোথাও যেতে পারেন।

    মকর
     
    ১) ভবিষ্যৎ ভাবনা বৃদ্ধি পাবে।
     
    ২) উচ্চপদস্থ অথবা বয়স্ক ব্যক্তির বিরূপভাজন হবেন।
     
    ৩) গৃহে দূর স্বজনের আগমন।
     
    কুম্ভ
     
    ১) অযাচিত কিছু অর্থ হাতে আসবে।
     
    ২) ঝগড়া বিবাদ এড়িয়ে চলুন।
     
    ৩) ভালো কথা বললেও খারাপ হয়ে দেখা দেবে।
     
    মীন
     
    ১) কোনও আত্মীয়ের সাথে মনোমালিন্য ও ঝগড়ার সৃষ্টি হবে।
     
    ২) কোনও ব্যাপারে মানসিক আঘাত পেতে পারেন।
     
    ৩) মানসিক উৎকণ্ঠা ও উদ্বিগ্নতা দেখা দেবে। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dev: ভোটে কি দাঁড়াবেন না দেব! তিন সরকারি পদ থেকে ইস্তফা, জেলাজুড়ে শোরগোল

    Dev: ভোটে কি দাঁড়াবেন না দেব! তিন সরকারি পদ থেকে ইস্তফা, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলীয় বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এবারের লোকসভা ভোটে ঘাটাল থেকে টলিউডের হিরো দেবকেই (Dev) (দীপক অধিকারী) প্রার্থী করতে চান তিনি। দলনেত্রীর নির্দেশ থাকলে তিনিও যে ভোটে লড়তে প্রস্তুত, অভিনেতা-সাংসদ সেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। কিন্তু, ওই ইঙ্গিত দেওয়ার মাসখানেকের মধ্যেই তিনটি সরকারি পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ায় এবার লোকসভা ভোটে কি তিনি দাঁড়াবেন না তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    তিনটি সরকারি পদ থেকে ইস্তফা (Dev)

    লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দেব (Dev)। শুধু তা-ই নয়, ঘাটাল রবীন্দ্র শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতির সভাপতি ও বীরসিংহ উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। এতেই জল্পনা তৈরি হয়েছে, তিনটি সরকারি কমিটি থেকে পদত্যাগের মধ্য দিয়ে কি লোকসভা ভোটে লড়তে না চাওয়ারই বার্তা দিলেন সাংসদ? যদিও এই বিষয়ে সাংসদ দেব এর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।  মমতার নির্দেশ আসার আগে দেব বলেছিলেন, ‘যদি সম্ভব হয়, ২০২৪- এর লোকসভা ভোটে আর দাঁড়াতে চাই না।’ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় দলের একাংশের বক্তব্য ছিল, ঘাটালের প্রাক্তন বিধায়ক শঙ্কর দলুইয়ের সঙ্গে ‘বিবাদে’র জেরেই রাজনীতি সম্পর্কে ‘বীতশ্রদ্ধ’ হয়ে পড়েছেন দেব। যদিও সাংসদ সে কথা কখনওই নিজের মুখে স্বীকার করেননি। দলেরও কেউ এ ব্যাপারে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। তবে, ইস্তফাপত্র দেওয়ার পিছনে তৃণমূলের কোন্দল রয়েছে কি না তা নিয়ে চর্চা চলছে।

    বিজেপির ভয়ে পদত্যাগ!

    তিনটি সরকারি কমিটি থেকে দেবের ইস্তফার সিদ্ধান্ত নিয়ে বিজেপি  বিধায়ক শীতল কপাট বলেন, ‘এটা তো হওয়ারই ছিল। কারণ এতগুলো পদ নিয়ে বসে আছেন, চালাতে পারছেন না। এটা একটা কারণ হতে পারে। অন্য একটি কারণ, দীর্ঘদিন পর হয়তো বুঝতে পেরেছেন, তৃণমূল মানে চোর, আর চোর মানেই তৃণমূল। সেই অনুভূতি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে চাইছেন। হতে পারে, লোকসভা নির্বাচনে আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। বর্তমানে তিনি তৃণমূলকে হয়তো ঘৃণা করতে শুরু করেছেন। আর শেষ সময় বুঝতে পারছেন, বিজেপি আসছে, কৈফিয়ত দিতে হবে। বিজেপির ভয়ে পদত্যাগ করলেন।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CAG: মমতা জমানায় কেন্দ্রীয় অনুদানের প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা খরচের হিসাব নেই, উল্লেখ ক্যাগ রিপোর্টে

    CAG: মমতা জমানায় কেন্দ্রীয় অনুদানের প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা খরচের হিসাব নেই, উল্লেখ ক্যাগ রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতায় আসার দশ বছর পর্যন্ত কেন্দ্রীয় অনুদানের ১ লাখ ৯৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি খরচের কোনও হিসাব জমা দিতে পারেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। এমনটাই উঠে এসেছে ক্যাগ (CAG) রিপোর্টে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ক্যাগ রিপোর্ট সামনে আসতে এটা পরিষ্কার হল যে কেন্দ্রীয় অনুদান কীভাবে নয় ছয় করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার।

    টাকা নয়ছয় তৃণমূল সরকারের

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থ মন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ক্যাগ রিপোর্টে ২০০২-২০০৩ সাল থেকেই খরচের শংসাপত্র না মেলার কথা রয়েছে। অর্থাৎ বাম জমানা থেকেই এই টাকা নয় ছয় এর বিষয়টি পরিষ্কার। এর পাশাপাশি একই অভিযোগ সামনে এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের জমানাতেও। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, ২০২১ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় অনুদানের ২ লাখ ২৯ হাজার ৯৯ কোটি টাকার খরচের শংসাপত্র (CAG) জমা দেয়নি। এই রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১১-২০১২ সাল পর্যন্ত ৩৪ হাজার ৮৮০ কোটি টাকার খরচের শংসাপত্র জমা দেওয়া হয়নি। বাকি ১ লাখ ৯৪ হাজার কোটি টাকার বেশি খরচের শংসাপত্র মেলেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমানায়।

    কী বলছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিক?

    এনিয়ে অর্থ মন্ত্রকের এক শীর্ষ আধিকারিক এর দাবি, ‘‘এই রিপোর্ট থেকে স্পষ্ট, আগের সরকারের দোহাই দিয়ে কোনও ভাবেই বর্তমান সরকার এর দায় এড়াতে পারে না। কারণ যে টাকা খরচের হিসাব মেলেনি, তার সিংহভাগ অর্থই বর্তমান সরকারের আমলে খরচ হয়েছে। বিশেষত ২০১৮-২১, এই তিন বছরে।’’

    তৃণমূল সাংসদকে ক্যাগ রিপোর্ট পড়তে বলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী  

    প্রসঙ্গত চলতি বছরে রাষ্ট্রপতি বক্তৃতার পরেই বাজেট অধিবেশনে রাজ্যের বকেয়া প্রসঙ্গ তুলেছিলেন তৃণমূলের সাংসদ সুদীপ বন্দোপাধ্যায়। সে সময় প্রধানমন্ত্রী তাঁকে ক্যাগ রিপোর্ট (CAG) পড়তে বলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যাগ রিপোর্টেই তৃণমূল সরকারের দুর্নীতির প্রমাণ রয়েছে। বাজেট অধিবেশনের পরেই ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে বিজেপি নেতারা তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সাংবাদিক বৈঠক করেন। ক্যাগ রিপোর্টকে হাতিয়ার করে বিবৃতি এসেছে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনেরও। তিনি বলেন যে জনগণের প্রাপ্য টাকা কাদের হাতে যাচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

    অস্বস্তিতে তৃণমূল সরকার

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের বকেয়া দিতে হবে, এই দাবিতে গত বছরের অগাস্ট মাস থেকেই দিল্লিতে গিয়ে নাটক শুরু করেন অভিষেক ও তাঁর দলবল। পরবর্তীকালে রাজভবনের সামনেও তাঁদেরকে ধরনায় দেখা যায়। বর্তমানে কলকাতাতেও মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে গতকালই শেষ হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের ধরনা। কিন্তু এরই মাঝে এই ক্যাগ রিপোর্ট সামনে আসতেই অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। ক্যাগ রিপোর্ট ভুল এমন হাস্যকর দাবিও শোনা গিয়েছে তৃণমূলের তরফে। ক্যাগ রিপোর্টে আরও একটি বিষয় সামনে এসেছে যে ২০১৮ সাল থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার ৩,৪০০ কোটি টাকার বিল জমা দেয়নি। কীভাবে সেই অর্থ খরচ হয়েছে তার কোনও উত্তর মেলেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘মমতার ধরনায় কেউ যাচ্ছেন না!’ বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘মমতার ধরনায় কেউ যাচ্ছেন না!’ বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর ধরনা মঞ্চে কেউ যাচ্ছেন না। ওখানে নাটক চলছে। শনিবার পূর্ব মেদিনীপুরের মেচেদায় দলীয় সভায় এমনই মন্তব্য করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) । একইসঙ্গে শেখ শাহজাহান ইস্যুতে মুখ খুললেন। ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে রাজ্যপালকে এইআইআর করার তিনি আবেদন জানালেন। সবমিলিয়ে তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন শুভেন্দু।

    ধরনা মঞ্চে কেউ যাচ্ছে না! (Suvendu Adhikari)

    এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘সকালবেলা তিনি পুলিশকে নিয়ে মর্নিংওয়াক করছেন। ওটা পুলিশের ধরনা। বাংলার মানুষের কাছে এসব নাটক করে আরও কোনও লাভ হবে না।  আগেও এসব অনেক হয়েছে। এখন যেটা করা হচ্ছে, সেটা মানুষকে দেখানো ছাড়া আর কিছু নয়। শুভেন্দু দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের জন্য সাংগঠনিক স্তরে কর্মীদের পরামর্শ দিতে গিয়েছিলেন। সাংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ক্যাগ রিপোর্টের ওপর রাজ্যপালের উচিত এফআইআরের নির্দেশ দেওয়া। আগামী ৬ তারিখ বিধানসভায় ক্যাগ রিপোর্টের ওপর আলোচনার দাবি জানাব। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন দাবি জানিয়ে আসছি। রাজ্য সরকার তাতে কোনও গুরুত্ব দেয়নি।

    শাহজাহান নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    শেখ শাহজাহানকে ফের নোটিশ দেওয়ার প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘মমতার পুলিশ তার আদরের’ দুলালকে আড়াল করছে। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে যেভাবে আড়াল করা হচ্ছে, তা পশ্চিমবঙ্গের কাছে লজ্জাজনক। সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা জেলা পরিষদ সদস্য পরিষদ সদস্য উত্তম সর্দার ফোনে বলছেন, ২০০ লোক নিয়ে গ্রাম ঘিরতে হবে। রামন্দির নিয়ে যারা উৎসাহ প্রকাশ করছেন, তাদের মারধর করতে হবে। আসলে লোকসভা নির্বাচন যত সামনে আসছে, তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি হারিয়ে যাচ্ছে। তাই, তৃণমূল নেতাদের মস্তিষ্ক থেকে বিভিন্ন বিদ্বেষমূলক পন্থা বেরিয়ে আসছে। কীভাবে বিজেপি কর্মীদের শায়েস্তা করতে হবে, তার ফন্দি করছেন। কিন্তু, তৃণমূল জানে না, বিজেপি কর্মীরা মজবুত সংগঠনের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছেন। কিছু করতে আসলে চিন্তাভাবনা করে আসতে হবে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share