Tag: Madhyom

Madhyom

  • Sukanta Majumdar: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে আরাধনায় মাতবেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে আরাধনায় মাতবেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার সরযু পাড়ে আগামী ২২ শে জানুয়ারি  রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে দেশ জুড়ে উন্মাদনা তুঙ্গে। ওই দিনই বালুরঘাটের পুন্যতোয়া আত্রেয়ী নদী পারে লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে আরাধনায় মাতবেন বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তার আগে অযোধ্যার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে বালুরঘাট। জেলা জুড়ে রামচন্দ্রের সঙ্গে সুকান্ত মজুমদারের কাট আউটে ছেয়ে ফেলা হচ্ছে বালুরঘাট শহরসহ জেলার বিভিন্ন শহরে তৈরি করা হচ্ছে গেট। বালুরঘাট আত্রেয়ী নদীর সদরঘাট, কংগ্রেসঘাট সহ বিভিন্ন ঘাটে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের জন্য জায়গা ঠিক করা হচ্ছে। ওই এলাকাগুলি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে বিভিন্ন কাট আউট ও আলো দিয়ে। ওই এলাকায় ৩০ ফুট উচ্চতার শ্রী রামচন্দ্রের কাটআউটের ব্যাবস্থা করা হবে। ১৫ জন পুরোহিত সন্ধ্যা আরতি করবেন আত্রেয়ী নদী পাড়ে, ত্রিশ জন ঢাকি ঢাক বাজাবেন। এছাড়াও ওই অনুষ্ঠান বন্যার্ঢ্য করে তুলতে সাংসদের পক্ষ থেকে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে আরাধনা করা হবে রামের (Sukanta Majumdar)

    আগামী ২২ শে জানুয়ারি যখন অযোধ্যায় রামলালার স্থাপনা হবে। রাম মন্দিরের প্রতিষ্ঠানের দিনের অনুষ্ঠানের জন্য ইতিমধ্যেই দেশের বিশিষ্টজনদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৬ হাজার জনকে আমন্ত্রিত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিশিষ্ট সেলিব্রিটি থেকে শুরু করে রাজনীতিবিদ পৌষ মাসের শুক্লা দ্বাদশী তিথিতে রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার নতুন বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা এবং পুজো করা হবে বলে জানা গিয়েছে। রাম মন্দিরে থাকবে বিশেষ তিন বিগ্রহ। বিগ্রহ প্রতিষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছে শেষ মুহূর্তের। মন্দির উদ্বোধনের দিন উপস্থিত থাকবেন স্বয়ং দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দেশের রাষ্ট্রপতি, অন্যান্য মন্ত্রী, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদেরও। ওই দিনই উৎসবের আবহে মাতবে বালুরঘাট। সাংসদ অনুগামিদের কথায়, ২২ জানুয়ারি অকাল দীপাবলি হতে চলেছে বালুরঘাটের আত্রেয়ী নদী পাড়ে। লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে আরাধনা করা হবে রামের। অখন্ড রামায়ণ পাঠ করা হবে। থাকছে বর্ণাঢ্য সন্ধ্যা আরতির আয়োজন।

     কী বললেন সুকান্ত?

    সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, গোটা দেশের সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মানুষ ও রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা আর অনুষ্ঠানের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। বালুরঘাটে আত্রেয়ী নদী পাড়ে রাম আরাধনার আয়োজন করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: আলাদা রাজ্যের দাবিতে রেল রোকো, আটকে গেল বন্দে ভারত সহ একাধিক ট্রেন

    Jalpaiguri: আলাদা রাজ্যের দাবিতে রেল রোকো, আটকে গেল বন্দে ভারত সহ একাধিক ট্রেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অল কামতাপুর স্টুডেন্টস ইউনিয়নের ডাকা রেল রোকো আন্দোলনে আটকে গেল বন্দেভারত ট্রেন সহ আরও বহু দূরপাল্লার ট্রেন। শুক্রবার সকাল সাতটা থেকে এই আন্দোলন শুরু হয় জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) জলঢাকা ব্রিজ সংলগ্ন ধূপগুড়ি ও বেতগাড়া স্টেশনের মাঝখান এলাকায়। মূলত আলাদা রাজ্য এবং জীবন সিংহের সঙ্গে দ্রুত শান্তি আলোচনার জন্য এই রেল রোকো আন্দোলন করা হয় সংগঠনের পক্ষ থেকে। যার জেরে তিন ঘণ্টা রেল চলাচল বন্ধ থাকে উত্তর পূর্বের রেল চলাচল।

    কী শর্ত দিয়ে অবরোধ প্রত্যাহার করে নিলেন আন্দোলনকারীরা? (Jalpaiguri)

    এদিন সকাল থেকেই রেলের আধিকারিক, রেল পুলিশ, জি আর পি, এবং ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ উপস্থিত ছিল ঘটনাস্থলে। রেল রোকোর জেরে বন্দেভারত এক্সপ্রেস বেতগাড়া স্টেশনে, আপ ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri)রোড স্টেশনে, রানি নগরে আপ উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস, কামরূপ এক্সপ্রেস নিউ ময়নাগুড়ি স্টেশনে, কোয়েম্বাটুর- শিলচর এক্সপ্রেস নিউ দোমহনী স্টেশনে এবং এন জে পি -কামাখ্যা রানিনগরে আটকে যায়। প্রথম থেকেই আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলতে নারাজ ছিলেন। রেলের তরফে এ ডি ই এন বিনোদ ভরদ্বাজ এবং অতিরিক্ত সিকিউরিটি কমিশনার উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলাশাসক উপস্থিত ছিলেন। এদিন আন্দোলনকারীরা রেল ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের হাতে তাদের দাবি সম্বলিত স্মারক পত্র তুলে দেন। তারা শর্ত রাখেন আগামী ২৮শে ফেব্রুয়ারীর মধ্যে যদি তাঁদের দাবি পূরণ না হয় তাহলে তাঁরা আগামীতে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন। প্রয়োজনে তাঁরা গায়ে পেট্রোল ঢালতে রাজি রয়েছে। আলোচনায় প্রশাসনের কাছে কিছুটা আশ্বাস পেয়ে তিন ঘণ্টা অবরোধ চলার পর রেল আধিকারিক এবং জেলাপ্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে শর্ত সাপেক্ষে তাঁরা অবরোধ তুলে নেন।

    কী বললেন রেলের আধিকারিক?

    উত্তর পূর্ব রেলের জন সংযোগ আধিকারিক সব্যসাচী দে বলেন, এদিনের এই অবরোধে ট্রেন যাত্রীরা নাকাল হন। তিন ঘন্টা অবরোধের জেরে বেশ সমস্যায় পড়েন সব দূর পাল্লার ট্রেনের যাত্রীরা। তবে, আটকে থাকা যাত্রীদের জন্য রেলের তরফে জলের ব্যবস্থা করা হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘সম্প্রীতির মিছিলের নামে মমতা দাঙ্গা লাগাতে চাইছেন’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘সম্প্রীতির মিছিলের নামে মমতা দাঙ্গা লাগাতে চাইছেন’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) । পুলিশের খাতায় তিনি এখনও ফেরার। তবে, যতদিন যাচ্ছে শাহজাহান ও তাঁর বাহিনীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন এলাকাবাসী। এরইমধ্যে সামনে এসেছে তেভাগা আন্দোলনের পীঠস্থানেও জমি কেলেঙ্কারি! আর পিছনেও রয়েছে শাহজাহান। এতদিন তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলার কারও সাহস ছিল না। প্রায় দুসপ্তাহের কাছাকাছি তিনি এলাকা ছাড়া থাকায় এলাকার মানুষ এবার ধীরে ধীরে মুখ খুলতে শুরু করেছেন।

    শহিদ পরিবারের জমিও রেকর্ড করে নিয়েছে শাহজাহানের পরিবার! (Sheikh Shahjahan)

     তেভাগা আন্দোলনের পীঠস্থানেই জমি দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বিরুদ্ধে। সন্দেশখালির বেড়মজুর পঞ্চায়েত এলাকায় তেভাগা আন্দোলনের ইতিহাস রয়েছে। জমি আন্দোলনে যুক্ত থেকে প্রাণ হারানো কৃষকদের জন্য রয়েছে শহিদ বেদীও। অভিযোগ, সেই বেদী সংলগ্ন গরিব চাষিদের জমি শাহজাহানের প্রত্যক্ষ মদতে তাঁর ভাই বেড়মজুরের অঞ্চল সভাপতি সিরাজউদ্দিন শেখ দখল করে নিয়েছেন। শহিদ বেদীর অবস্থা তথৈবচ। ভেঙে পড়ছে চাঙর। শহিদ পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য, বেদীর দু’পাশে জমি ৯১১ নম্বর খতিয়ান, আরেকপাশে ২২২৩ ও ২২২৪ নম্বর খতিয়ানের জমি এখন সিরাজউদ্দিনের দখলে রয়েছে। অথচ এই জমি আমাদের বাবাদের নামে। আমরা এখানে চাষবাস করে খাই। হঠাৎ করে দেখি এই জমি ওঁদের নামে রেকর্ড হয়ে গিয়েছে। আমাদের জমি দখল হয়ে যায়। আর দাদার দাপটে এলাকায় কেউ মুখ খোলার সাহস পায় না। কারণ, কেউ জমি দখলের বিষয়ে মুখ খুললে বিপদ। বাড়িতে এসে ভাঙচুর করবে, মারধর করবে। পাশেই দাঁড়িয়ে গ্রামেরই আরেক বৃদ্ধা বললেন,ধমক-চমক দেখায়। অন্য জমি থাকলেও, তা ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যাবে। কোনও দিনই বিচার পাইনি, পাব বলে আশাই করি না। ইডি-র হামলার পর থেকে যদিও গ্রামে এখন আপাতত শেখ শাহজাহান কিংবা শেখ সিরাজউদ্দিন কারোরই টিকি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বুকে বল নিয়ে সাহস করে এসব কথা বলে শাহজাহানের জমানায় অত্যাচারিত হওয়া পরিবারের লোকজন সুবিচার চাইছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: সরকারি বাংলো খালি করতেই হবে! মহুয়ার আবেদন খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে

    Mahua Moitra: সরকারি বাংলো খালি করতেই হবে! মহুয়ার আবেদন খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগে আগেই মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) সাংসদ পদ খারিজ হয়েছে। তাঁকে দিল্লির সরকারি বাংলো খালি করতে নির্দেশ দেওয়া হয় এরপর। দিল্লির সরকারি বাংলো খালি করার নোটিশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আবেদন করেছিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ। বৃহস্পতিবারই তা খারিজ হয়ে গেল দিল্লি হাইকোর্টে। দিল্লি হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সরকারি বাংলোয় থাকার অধিকার হারিয়েছেন মহুয়া মৈত্র।

    বাংলো খালি করার নোটিশ পাঠিয়েছিল কেন্দ্রের ডাইরেক্টরেট অফ এস্টেটস (ডিওই)

    কৃষ্ণনগর কেন্দ্রের বহিষ্কৃত এই তৃণমূল সাংসদকে বাংলো খালি করার নোটিশ পাঠিয়েছিল কেন্দ্রের ডাইরেক্টরেট অফ এস্টেটস (ডিওই)। বৃহস্পতিবারই সেই নোটিশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মহুয়া। সেখানেই খারিজ হল তাঁর আবেদন। মামলায় আদালতের সাফ বক্তব্য, মহুয়াকে (Mahua Moitra) সাংসদ পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তার ফলে তিনি আর ওই বাংলোয় থাকতে পারেন না।

    গত বছরের ৮ ডিসেম্বর মহুয়ার সাংসদ পদ খারিজ হয়

    গত মঙ্গলবারই মহুয়াকে বাংলো খালি করতে বলে কেন্দ্রের ডাইরেক্টরেট অফ এস্টেটস (ডিওই)। নোটিশে এও লেখা হয়, বাংলো খালি না হলে প্রয়োজনে বলপ্রয়োগের রাস্তাতেও যাওয়া হবে। প্রসঙ্গত, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর মহুয়ার সাংসদ পদ খারিজ হয়। সেই সময়ই তাঁকে সময়সীমা দেওয়া হয় ৭ জানুয়ারির মধ্যে দিল্লিতে সরকারি বাংলো খালি করার। কিন্তু মহুয়া তার পরেও নির্দেশ মানেননি। গত ৮ জানুয়ারি, ফের নোটিশ আসে মহুয়ার (Mahua Moitra) কাছে। কেন এখনও বাংলো খালি করেননি, তিন দিনের মধ্যে তার কারণ জানাতে বলা হয় তাঁকে। এরপরে আদালতের দ্বারস্থ হন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ। চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার আবার নোটিশ যায় মহুয়ার কাছে। মহুয়া হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। বৃহস্পতিবার খারিজ হল তাঁর আবেদন।

     

    আরও পড়ুুন: “আমি বাংলা বলতে চাই, আপনারাও বাংলায় বলুন”, বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: তেভাগা আন্দোলনের শহিদ পরিবারের জমিতেও থাবা শাহজাহানের!

    Sheikh Shahjahan: তেভাগা আন্দোলনের শহিদ পরিবারের জমিতেও থাবা শাহজাহানের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) । পুলিশের খাতায় তিনি এখনও ফেরার। তবে, যতদিন যাচ্ছে শাহজাহান ও তাঁর বাহিনীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন এলাকাবাসী। এরইমধ্যে সামনে এসেছে তেভাগা আন্দোলনের পীঠস্থানেও জমি কেলেঙ্কারি! আর পিছনেও রয়েছে শাহজাহান। এতদিন তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলার কারও সাহস ছিল না। প্রায় দুসপ্তাহের কাছাকাছি তিনি এলাকা ছাড়া থাকায় এলাকার মানুষ এবার ধীরে ধীরে মুখ খুলতে শুরু করেছেন।

    শহিদ পরিবারের জমিও রেকর্ড করে নিয়েছে শাহজাহানের পরিবার! (Sheikh Shahjahan)

    তেভাগা আন্দোলনের পীঠস্থানেই জমি দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বিরুদ্ধে। সন্দেশখালির বেড়মজুর পঞ্চায়েত এলাকায় তেভাগা আন্দোলনের ইতিহাস রয়েছে। জমি আন্দোলনে যুক্ত থেকে প্রাণ হারানো কৃষকদের জন্য রয়েছে শহিদ বেদীও। অভিযোগ, সেই বেদী সংলগ্ন গরিব চাষিদের জমি শাহজাহানের প্রত্যক্ষ মদতে তাঁর ভাই বেড়মজুরের অঞ্চল সভাপতি সিরাজউদ্দিন শেখ দখল করে নিয়েছেন। শহিদ বেদীর অবস্থা তথৈবচ। ভেঙে পড়ছে চাঙর। শহিদ পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য, বেদীর দু’পাশে জমি ৯১১ নম্বর খতিয়ান, আরেকপাশে ২২২৩ ও ২২২৪ নম্বর খতিয়ানের জমি এখন সিরাজউদ্দিনের দখলে রয়েছে। অথচ এই জমি আমাদের বাবাদের নামে। আমরা এখানে চাষবাস করে খাই। হঠাৎ করে দেখি এই জমি ওঁদের নামে রেকর্ড হয়ে গিয়েছে। আমাদের জমি দখল হয়ে যায়। আর দাদার দাপটে এলাকায় কেউ মুখ খোলার সাহস পায় না। কারণ, কেউ জমি দখলের বিষয়ে মুখ খুললে বিপদ। বাড়িতে এসে ভাঙচুর করবে, মারধর করবে। পাশেই দাঁড়িয়ে গ্রামেরই আরেক বৃদ্ধা বললেন,ধমক-চমক দেখায়। অন্য জমি থাকলেও, তা ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যাবে। কোনও দিনই বিচার পাইনি, পাব বলে আশাই করি না। ইডি-র হামলার পর থেকে যদিও গ্রামে এখন আপাতত শেখ শাহজাহান কিংবা শেখ সিরাজউদ্দিন কারোরই টিকি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বুকে বল নিয়ে সাহস করে এসব কথা বলে শাহজাহানের জমানায় অত্যাচারিত হওয়া পরিবারের লোকজন সুবিচার চাইছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (শুক্রবার ১৯/০১/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (শুক্রবার ১৯/০১/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কাজে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) শত্রু থেকে সাবধান। 

    বৃষ

    ১) প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর অশান্তির দায় আপনার কাঁধে চাপতে পারে।

    মিথুন

    ১) সকালের দিকে বন্ধুদের দ্বারা বিব্রত হতে পারেন।

    ২) শরীরে ব্যথা-বেদনা বৃদ্ধি পাবে। 

    কর্কট

    ১) ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা।

    ২) প্রেমের প্রতি ঘৃণা জন্মাতে পারে।

    সিংহ

    ১) প্রেমের ব্যাপারে আবেগ সংযত থাকুন।

    ২) শরীরে ক্ষয় বৃদ্ধি। 

    কন্যা

    ১) বাড়তি কিছু খরচ হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় শত্রু বৃদ্ধি পাবে এবং তার ফলে ভাল সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারবেন না।

    তুলা

    ১) আপনার বিষয়ে সমালোচনা হতে পারে।

    ২) সকালের দিকে একই খরচ বার বার হবে। 

    বৃশ্চিক

    ১) রক্তহীনতা বাড়তে পারে।

    ২) কোনও মহিলার জন্য স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ। 

    ধনু

    ১) বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট।

    মকর

    ১) অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তি বোধ।

    ২) সন্তানের জন্য সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা। 

    কুম্ভ

    ১) ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপারে তর্কে জড়াতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সামান্য কারণে তর্ক হতে পারে। 

    মীন

    ১) কর্মস্থানে সহকর্মীদের বিরোধিতা আপনাকে চিন্তায় ফেলবে।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য চাপ বৃদ্ধি। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাম মন্দির নিয়ে তৈরি ডাকটিকিট প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    Ram Mandir: রাম মন্দির নিয়ে তৈরি ডাকটিকিট প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:বৃহস্পতিবার রাম মন্দির (Ram Mandir) নিয়ে তৈরি করা ডাকটিকিট প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর পাশাপাশি একটি বইও প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। দেখা যাচ্ছে ওই বইয়ে রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভগবান রামের উপর যা যা ডাকটিকিট তৈরি হয়েছে সেগুলি সবই স্থান পেয়েছে। এই সব ডাকটিকিটের নকশায় স্থান পেয়েছে, রাম মন্দির, চৌপাই ‘মঙ্গল ভবন অমঙ্গল হরি’, সূর্য, সরযূ নদী এবং মন্দিরের চারপাশে ভাস্কর্য। এককথায় গোটা রামায়ণের উল্লেখযোগ্য চরিত্ররাই স্থান পেয়েছে এই ডাকটিকিটে। এদিন ডাকটিকিট প্রকাশের পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবিষয়ে এক ভিডিও বার্তাও দেন। সেখানে তিনি বলেন যে ডাকটিকিটের মাধ্যমেই বিচার ও ইতিহাস এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে যায়।।

    ২০ দেশের ডাকটিকিট নিয়ে তৈরি ৪৮ পাতার বই

    এছাড়াও রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ৬টি ডাকটিকিট প্রকাশ করেন। সেগুলিতে ব্যবহার করা হয়েছে অযোধ্যার মাটি এবং সরযূর জল। তাতে রয়েছে বিভিন্ন দেবদেবী। ডাকটিকিটগুলিতে ছবি রয়েছে, রাম মন্দির, ভগবান গণেশ, ভগবান হনুমান, জটায়ু, কেভাত্রাজ এবং মা শাবরির। জানা গিয়েছে, ডাকটিকিটেপ বইটি মোট ৪৮ পাতার হয়েছে এবং তাতে ২০টি দেশের রাম সম্পর্কিত ডাকটিকিটগুলি স্থান পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, নিউজিল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, কানাডা, কম্বোডিয়া প্রভৃতি দেশের ডাকটিকিট রয়েছে।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রসঙ্গত ডাকটিকিট প্রকাশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘‘পোস্টাল স্ট্যাম্প বিচারধারা, ইতিহাস এবং ঐতিহাসিক ঘটনাগুলিকে পরের প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে সাহায্য করে। আজ এই স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশিত হয়েছে। এই টিকিটে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) ছবি রয়েছে। রাম ভক্তির ভাবনা রয়েছে। আর মঙ্গল ভবন, অমঙ্গল হরির মত লোকপ্রিয় চৌপায়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রের মঙ্গলকামনা রয়েছে। আমাদের পঞ্চভূতের যে দর্শন আছে, ভগবান রামের মাধ্যমে সেই দর্শনকে দেখানো হয়েছে।’’ প্রসঙ্গত, আগামী ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের। প্রধানমন্ত্রী মোদি অযোধ্যায় পা রাখবেন ২১ জানুয়ারি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বালুরঘাটে মেডিক্যাল কলেজের দাবি, অভিনব আন্দোলনে বিশিষ্টজনেরা

    Balurghat: বালুরঘাটে মেডিক্যাল কলেজের দাবি, অভিনব আন্দোলনে বিশিষ্টজনেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বালুরঘাটে (Balurghat) মেডিক্যাল কলেজের দাবি জোরাল হতে শুরু করেছে। শাসক, বিরোধী সব নেতা মন্ত্রীদের পাশাপাশি এবারে জেলার বিশিষ্টজনেরাও এই আন্দোলনে শামিল হতে চলেছেন। প্রতিদিন ১০ জন করে জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা( নাট্যকর্মী, কবি, সাহিত্যিক আইনজীবী প্রমূখ) মুখ্যমন্ত্রীর কাছে মেডিক্যাল  কলেজের দাবিতে চিঠি দেবেন। এদিন থেকে সেই চিঠি পাঠানোর কাজ শুরু করেছেন তাঁরা। মেডিক্যাল কলেজের দাবি নিয়ে জেলায় লাগাতর আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া অরাজনৈতিক সংস্থা প্রত্যুষ ও ইকো ফ্রেন্ড অর্গানাইজেশন। এদিন বালুরঘাট হেড পোস্ট অফিসে এসে সেই চিঠিগুলি প্রদান করা হয়।

    বালুরঘাটে মেডিক্যাল কলেজের দাবি (Balurghat)  

    দক্ষিণ দিনাজপুর সীমান্ত জেলা  হিসেবে বরাবরই পিছিয়ে পড়া জেলা। এই জেলার সদর হাসপাতালে বহু রোগের চিকিৎসা হয় না। যার ফলে চিকিৎসা ক্ষেত্রে সামান্য জটিলতা দেখা দিলে ভিন জেলা বা রাজ্যে ছুটতে হয়। এছাড়াও জেলা থেকে প্রতিবার বহু ছেলেমেয়ে বাইরে ডাক্তারি পড়তে যায়। এই জেলায় যে শুধুমাত্র চিকিৎসা ও শিক্ষার ক্ষেত্রে মেডিক্যাল কলেজের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, তা নয়,  ওয়াকিবহালের মতে অর্থনীতিক ক্ষেত্রেও মেডিক্যাল কলেজের প্রয়োজন রয়েছে। সীমান্তবর্তী জেলার হিলি দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বহু মানুষ কলকাতা বা চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করাতে যায়। এই জেলায় মেডিক্যাল কলেজ হলে বাংলাদেশীরাও চিকিৎসা করতে আসবে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতালে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের সমস্ত পরিকাঠামো রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বালুরঘাট জেলা হাসপাতাল চত্বরে ৩৩.৭২ একর জমি রয়েছে। যা মেডিক্যাল কলেজের জন্য পর্যাপ্ত বলেই দাবি স্বাস্থ্য কর্তাদের। কিন্তু আজ পর্যন্ত এই মেডিকেল কলেজ স্থাপনে কোনও উচ্চবাচ্য না থাকা নিয়ে সরব হয়ে হচ্ছে দক্ষিণ দিনাজপুরবাসী। লোকসভা ভোটের আগে যা নিয়ে সরগরম হতে চলেছে জেলা রাজনীতি।

    ১০টি করে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রতিদিন চিঠি পাঠানো হবে

    প্রত্যুষ ও ইকো ফ্রেন্ড অর্গানাইজেশনের সম্পাদক কৃষ্ণপদ মণ্ডল বলেন,  এই জেলার চিকিৎসা ব্যবস্থা ভালো না। এখানে গরিব  ও নিম্নবিত্ত মানুষের চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল কলেজ অতি প্রয়োজনীয়। সব জেলায় মেডিক্যাল কলেজ হলেও এই জেলায় মেডিক্যাল কলেজ হচ্ছে না।তাই মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের দাবি জানিয়ে আমরা আজ থেকে প্রতিদিন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ১০ টি করে চিঠি পাঠাবো।  যতদিন না পর্যন্ত মেডিক্যাল কলেজ ঘোষণা হচ্ছে,ততদিন শহরের বিশিষ্টজনেরা এই চিঠি পাঠাবেন।

    বিজেপি বিধায়কের কী বক্তব্য?

    বালুরঘাটের বিজেপি বিধায়ক তথা বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ী বলেন, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা অত্যন্ত পিছিয়ে পড়া জেলা। তিন দিক বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে ঘেরা একটা প্রত্যন্ত এলাকা। কলকাতা থেকে অনেক দূরে অবস্থিত এই জেলায় চিকিৎসা ব্যবস্থা ভাল নয় বললেই চলে। কিন্তু, সরকারের একটি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল রয়েছে এখানে। সেটিকেই যদি মেডিক্যাল কলেজে উন্নীত করা যায় বা কেন্দ্র সরকারের প্রকল্প রয়েছে যে প্রতিটা জেলা হাসপাতালে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এখানে যেমন মানুষ চিকিৎসা পাবেন,তেমনি  এখান থেকে পড়াশুনা করে ডাক্তারও অনেকে হবেন।

    রাজ্যের মন্ত্রী কী বললেন?

    রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র বলেন, বালুরঘাটে মেডিক্যাল কলেজ হওয়ার কথা চলছে। তবে যখন রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ পেল, তখনই হওয়ার কথা ছিল কিন্তু হয়নি। আমি রাজ্য সরকারকে জানিয়েছি, সব জেলায় মেডিক্যাল কলেজ হলে এখানে কেন হবে না? আমার ধারণা, মুখ্যমন্ত্রী এই জেলায় এসে বিষয়টি দেখবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: কিষাণ মান্ডিতে ধান কেনার ক্ষেত্রে চলছে কালোবাজারি! ক্ষুব্ধ চাষিরা

    Birbhum: কিষাণ মান্ডিতে ধান কেনার ক্ষেত্রে চলছে কালোবাজারি! ক্ষুব্ধ চাষিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকার কিষাণ মান্ডিতে ধান কেনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু, সরকারি নির্দেশকে তোয়াক্কা না করে চলছে কালোবাজারি। বৃহস্পতিবার বীরভূমের (Birbhum) বোলপুর শ্রীনিকেতন ব্লকের বোলপুর কিষাণ মান্ডিতে এই ঘটনা সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়লেন কৃষকরা।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) বোলপুর শ্রীনিকেতন ব্লকের বোলপুর কিষাণ মান্ডিতে ধান বিক্রি করতে এসে তিক্ত অভিজ্ঞতার শিকার হলেন পারুই থানার কসবা গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালনগর গ্রামের কৃষক বামাচরণ সামন্ত। এদিন তিনি বোলপুর কিষাণ মান্ডিতে ৬২ কুইন্টাল ধান বিক্রি করেন। তাঁর অভিযোগ, কুইন্টাল প্রতি ৪ কেজি পাঁচ কিলো এমনকী তিন কিলো করে ধান বেশি নিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আর এই অভিযোগে রীতিমতো উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হল বোলপুরের কিষাণ মান্ডি চত্বরে। সরকারিভাবে বোলপুরের রামকৃষ্ণ রাইস মিলের মধ্যস্থতায় চাষিদের কাছে ধান কেনা হচ্ছে। বোলপুরের রামকৃষ্ণ রাইস মিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, কুইন্টাল প্রতি অতিরিক্ত ধান নিয়ে নেওয়া হচ্ছে চাষিদের কাছ থেকে। যদিও এ বিষয়ে রাইস মিলের ম্যানেজার  কোও মন্তব্য করতে চাননি। বোলপুরের রামকৃষ্ণ রাইস মিলের বিরুদ্ধে যখন ধান কেনা নিয়ে কালোবাজারের অভিযোগ উঠে আসছে ঠিক সে জায়গায় দাঁড়িয়ে আরো একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। গরু পাচার কাণ্ডে কেন্দ্রীয় এজেন্সি এই রাইস মিলের মালিক কে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। সূত্রের খবর, গরু পাচার কাণ্ডের কালো টাকা কেষ্ট মণ্ডলের হাত ধরে এই রাইস মিলে বিনিয়োগ হয়েছে।

    চাষিরা কী বললেন?

    চাষিদের বক্তব্য, নিয়ম অনুযায়ী কুইন্টাল হিসেবে ধান বিক্রির পর সেই টাকা চাষিদের দেওয়ার কথা। কিন্তু, আমাদের কাছে থেকে কুইন্টাল প্রতি ধান চার-পাঁচ কেজি করে বেশি নিচ্ছে। প্রশাসনের মদতেই এসব চলছে। আর আমাদের মতো চাষিরা বঞ্চিত হচ্ছি।

    কিষাণ মান্ডির দায়িত্বে থাকা আধিকারিক কী বললেন?

    বীরভূমের (Birbhum) বোলপুর কিষাণ মান্ডির দায়িত্বে থাকা এক আধিকারিক বলেন, চাষিরা ধান বিক্রি করতে আসছে। সঠিকভাবেই ধান কেনা হচ্ছে। কিন্তু, যে ধানের গুণগত মান খারাপ, সে ক্ষেত্রে কুইন্টাল প্রতি ধান তিন-চার কেজি করে অতিরিক্ত নেওয়া হচ্ছে। যদিও এটি সরকারি গাইডলাইনের বহির্ভূত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বহরমপুরের পর রানিনগর, তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি, আতঙ্ক

    Murshidabad: বহরমপুরের পর রানিনগর, তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগে মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক সত্যেন চৌধুরীকে গুলি করে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রানিনগরের চর ৫১ গ্রামে এক তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গুরুতর জখম ওই যুবকের নাম মনোজ মণ্ডল (২৭)। ওই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যেই সঞ্জয় মণ্ডল নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)  

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর ২৬ জুলাই রাতে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রানিনগরের চর ৫১ গ্রামে একটি বিষয় নিয়ে বাপি মণ্ডল নামে এক তৃণমূল কর্মী ও তাঁর অনুগামীদের সঙ্গে ঝামেলা হয়েছিল রাজবীর মণ্ডল নামে এক যুবকের। অভিযোগ, সেইদিন বাপি ও তাঁর শাগরেদরা মিলে রাজবীর-সহ ৫ জনকে কুপিয়ে জখম করেছিল। সেদিন বাপির সঙ্গী ছিলেন এদিনের জখম তৃণমূল কর্মী মনোজ মণ্ডল। আর তারই বদলা নিতে রাজবীররা কয়েকজন মিলে বুধবার রাতে মনোজের বাড়িতে ঢুকে হয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। যার একটি গুলি তাঁর পেটে লেগেছে। মনোজ বাড়িতেই ঘুমিয়ে ছিলেন। পরিবারের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে রানিনগরের গোধনপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি কী বললেন?

     রানিনগর ২ ব্লকের নব নির্বাচিত সভাপতি মাহাবুব মুর্শিদ বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা তৈরি করে রেখেছে বিজেপি। এই ঘটনা তারই জের। পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। পুলিশ প্রকৃত দোষীদের ধরে শাস্তির ব্যবস্থা করবে।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির রানিনগর মণ্ডল সভাপতি আশিক ইকবাল বলেন, ওই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। বিজেপি কোনওভাবেই জড়িত নয়। পুরানো ঝামেলার জেরে এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ তদন্ত করে দেখুক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share