Tag: Madhyom

Madhyom

  • Ram Mandir: ৫৫টি দেশের একশোর বেশি শীর্ষ আধিকারিক হাজির থাকবেন রাম মন্দিরের উদ্বোধনে

    Ram Mandir: ৫৫টি দেশের একশোর বেশি শীর্ষ আধিকারিক হাজির থাকবেন রাম মন্দিরের উদ্বোধনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫৫টি দেশের প্রায় একশোর উপর শীর্ষস্থানীয় আধিকারিক হাজির থাকবেন রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। এঁদের মধ্যে যেমন রাষ্ট্রদূতরাও রয়েছেন, তেমন বিদেশের সাংসদরাও আছেন। ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন খুব স্বাভাবিকভাবেই একটি আন্তর্জাতিক স্তরের অনুষ্ঠান হতে চলেছে, এমনটাই মত ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফাউন্ডেশনের সভাপতি স্বামী বিজ্ঞয়ানন্দের। তিনি আরও জানিয়েছেন যে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কোরিয়ার রানিকেও, যিনি প্রভু শ্রী রামের বংশধর বলে নিজেকে দাবি করেন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় হাজির থাকবেন কোরিয়ার রানি।

    কোন কোন দেশ থেকে অতিথিরা আমন্ত্রিত?

    জানা গিয়েছে, নিম্নলিখিত দেশগুলি থেকে অতিথিরা আমন্ত্রিত রয়েছেন রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এই দেশগুলি হল- আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, বেলারুশ, কানাডা, কলম্বিয়া, ডেনমার্ক, ডোমিনেশিয়া, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গো, মিশর, ইথিওপিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, ঘানা, হংকং, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, মায়ানমার, নেদারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, নাইজেরিয়া, নরওয়ে, সিঙ্গাপুর, সাউথ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, উগান্ডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ভিয়েতনাম, জাম্বিয়া ইত্যাদি।

    ২০-২১ জানুয়ারির মধ্যে হাজির হবেন বিদেশি অতিথিরা 

    প্রসঙ্গত, বিশ্ব হিন্দু পরিষদেরও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন বিজ্ঞয়ানন্দ, যিনি আন্তর্জাতিক স্তরে রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন যে ভিভিআইপি বিদেশি অতিথিরা ২০ এবং ২১ জানুয়ারির মধ্যে লক্ষ্ণৌ বিমানবন্দরে নামবেন এবং তাঁরা অযোধ্যা পৌঁছাবেন। শীতকালের কুয়াশার কারণে বিমান চলাচলের সমস্যা হতে পারে, তাই অতিথিদের আগেভাগে আসতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, স্বামী বিজ্ঞয়ানন্দ আগেই জানিয়েছিলেন যে বড় সংখ্যার অতিথিদের আমন্ত্রণ (Ram Mandir) জানানো যায়নি, তার কারণ অযোধ্যা ছোট শহর। তাই সে কারণেই কাটছাঁট করেই তৈরি করতে হয়েছে আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকা।

    চলছে শেষ লগ্নের প্রস্তুতি

    অন্যদিকে মন্দির উদ্বোধনের শেষ লগ্নের প্রস্তুতি চলছে। রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট (Ram Mandir) সিদ্ধান্ত নিয়েছে ২২ জানুয়ারি সমস্ত বৈদিক আচার অনুষ্ঠান মেনেই প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান হবে। আগামী ১৬ জানুয়ারি থেকেই রাম মন্দিরের উদ্বোধন অনুষ্ঠান শুরু হয়ে যাচ্ছে যা চলবে এক সপ্তাহ ধরে। গত দুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মন্দির উদ্বোধনের ১১ দিন আগে তাঁর বিশেষ ব্রতের কথাও ঘোষণা করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Congress: ‘ভ্যানিসিং পার্টি’! মিলিন্দকে নিয়ে ১২ জন বড় নেতার কংগ্রেস ত্যাগ ৫ বছরে

    Congress: ‘ভ্যানিসিং পার্টি’! মিলিন্দকে নিয়ে ১২ জন বড় নেতার কংগ্রেস ত্যাগ ৫ বছরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দরজায় কড়া নাড়ছে লোকসভা ভোট। তারই মাঝে ফের বড় ধাক্কা খেল বিরোধীদল কংগ্রেস (Congress)। আরও এক হেভিওয়েট নেতা এদিন দল ছাড়লেন। গত ৫ বছরে এই নিয়ে ১১ জন গুরুত্বপূর্ণ নেতা দল ছাড়লেন। এদিন কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দিলেন মিলিন্দ দেওরা। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে মিলন্দ দেওরা জানান যে ৫৫ বছরের পারিবারিক সম্পর্ক তিনি শেষ করছেন কংগ্রেসের সঙ্গে। মহারাষ্ট্রের এই নেতা একনাথ শিণ্ডের নেতৃত্বাধীন শিব সেনাতে যোগ দিতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। মিলিন্দ দেওরার কংগ্রেস ছাড়ার জল্পনা বেশ কয়েকদিন ধরেই রটছিল। এদিন তা সত্যি হল।

    মিলিন্দ দেওরার বিবৃতি

    রাহুল গান্ধীর একদা অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এই নেতা নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “আমার রাজনৈতিক কেরিয়ারের একটা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শেষ হল আজ। আমি কংগ্রেসের সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছি। দলের সঙ্গে আমার পরিবারের ৫৫ বছরের সম্পর্কের ইতি হল। এত বছর ধরে সমস্ত নেতা, সহকর্মী ও কার্যকর্তাকা যেভাবে আমায় অটুট সমর্থন জানিয়েছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।” কংগ্রেসের (Congress) বর্ষীয়ান নেতা মুরলি দেওরার ছেলে মিলিন্দ দেওরা ২০০৪ এবং ২০০৯ সালে পরপর দুবার মুম্বই দক্ষিণ আসন থেকে নির্বাচিত সাংসদ ছিলেন। তবে ২০১৪ এবং ২০১৯ সালে তিনি হেরে যান শিবসেনার কাছে। শোনা যাচ্ছে আজ রবিবার তিনি একনাথ শিণ্ডের শিবসেনায় যোগ দিতে পারেন।

    গত ৫ বছরে আরও ১১ জন হেভিওয়েট নেতার কংগ্রেস ত্যাগ

    ১) কপিল সিব্বাল:  ১৬ মে ২০২২ সালে কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কপিল সিব্বাল পরবর্তীকালে সমাজবাদী পার্টির সমর্থনে তিনি রাজ্যসভায় নির্দল প্রার্থী হিসেবে জিতে আসেন।

    ২) গুলাম নবি আজাদ: জম্মু-কাশ্মীরের বর্ষীয়ান কংগ্রেস (Congress) নেতা গুলাম নবি আজাদও কংগ্রেস ছাড়েন গান্ধী-নেহেরু পরিবারের প্রতি বিদ্রোহ করে। জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন গোলাম নবি। ২০২২ সালে তিনি রাহুল গান্ধীকে অপরিণত আখ্যা দিয়ে কংগ্রেস ছাড়েন।

    ৩) হার্দিক প্যাটেল: গুজরাটের পাতিদার সমাজের মুখ হার্দিক প্যাটেলও ২০২২ সালের মে মাসে কংগ্রেস ত্যাগ করেন। একসময় প্যাটেল আন্দোলনের মুখ হয়ে উঠেছিলেন তিনি। পরবর্তীকালে বিজেপিতে যোগ দেন।

    ৪) অশ্বিনী কুমার: ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেই কংগ্রেস ত্যাগ করেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী কুমার।

    ৫) সুনীল জাখার: একসময় পাঞ্জাব কংগ্রেসের সভাপতি থাকা এই নেতা ২০২২ সালেই কংগ্রেস ত্যাগ করেন। তৎকালীন কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী চিরঞ্জিত সিং ছান্নির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে। পরবর্তীকালে তিনি বিজেপিতে যোগদান করেন।

    ৬) আরপিএন সিং: প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরপিএন সিং কংগ্রেস (Congress) ত্যাগ করেন ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে। উত্তরপ্রদেশের এই নেতা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর বিরুদ্ধে নিজের ক্ষোভ উগরে দেন।

    ৭) জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া: জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া যিনি কংগ্রেসের ক্যাবিনেট মন্ত্রী ছিলেন, ২০২০ সালে তিনি দলত্যাগ করেন। তৎকালীন মধ্যপ্রদেশের কমল নাথ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে দল ছাড়েন তিনি। এরপরেই মধ্যপ্রদেশে সে সময় সরকার গড়তে সক্ষম হয় বিজেপি।

    ৮) জিতিন প্রসাদ: রাহুল গান্ধীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতিন প্রসাদ ২০২১ সালেই বিজেপিতে যোগদান করেন।

    ৯) অমরিন্দর সিং: পাঞ্জাবের কংগ্রেসী মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং দল ছাড়েন ২০২২ সালে। পরবর্তীকালে তিনি গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন।

    ১০) অল্পেশ ঠাকুর:  কংগ্রেস নেতা অল্পেশ ঠাকুর ২০১৯ সালের জুলাই মাসে কংগ্রেস ত্যাগ করেন। বর্তমানে তিনি গুজরাটের গান্ধীনগর দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত বিধায়ক।

    ১১) অনিল অ্যান্টনি: কংগ্রেসের হেভিওয়েট নেতা একে এন্টনির ছেলে গত বছরের জানুয়ারি মাসেই দল ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদান করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rankini Mandir: দক্ষিণ ভারতীয় শিল্পশৈলীতে তৈরি রঙ্কিণী দেবীর মন্দিরে এক সময় নরবলিও হত!

    Rankini Mandir: দক্ষিণ ভারতীয় শিল্পশৈলীতে তৈরি রঙ্কিণী দেবীর মন্দিরে এক সময় নরবলিও হত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমর কথা সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা বিখ্যাত গল্প “রঙ্কিণী দেবীর খড়্গ” আজও বহু মানুষের স্মৃতিতে অম্লান। পশ্চিমবঙ্গের একদম প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের এক অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং জাগ্রত মন্দির এই রঙ্কিণী দেবীর মন্দির (Rankini Mandir)। কলকাতার একদম কাছেই, বাঙালির অত্যন্ত প্রিয় পর্যটন কেন্দ্র ঘাটশিলা। আর এই ঘাটশিলা থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই মন্দির। ঝাড়খণ্ড তো বটেই, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার থেকেও বহু মানুষ আসেন এই মন্দিরে মা রঙ্কিণী দেবীকে পুজো দিয়ে নিজের মনস্কামনা পূর্ণ করার অভিপ্রায়ে।

    মা কালীর এক রূপ? (Rankini Mandir)

    ঘাটশিলা থেকে জাদুগোড়া যাওয়ার পথে জাদুগোড়ার কাছেই পাহাড়ের কোলে অবস্থিত এই মন্দিরের আরাধ্য রঙ্কিণী দেবীকে মনে করা হয় মা কালীর এক রূপ। আবার অনেকেই বলেন, মা রঙ্কিণী হলেন আদিবাসী মানুষের দেবী। কথিত আছে, দৈবাদেশে এই মন্দিরটি নির্মাণ করা হয়। এক সময় রঙ্কিণী দেবীর মন্দিরে নরবলি হত বলেও জানা যায়। ইংরেজ শাসকদের হস্তক্ষেপে সেই জঘন্য প্রথা বন্ধ হয় এবং ঘাটশিলায় অবস্থিত প্রাচীন মন্দির স্থানান্তরিত করে এই জাদুগোড়ায়, আরন্যক পরিবেশে, পাহাড়ের কোলে। বর্তমান মন্দিরটি নির্মিত হয়েছে দক্ষিণ ভারতীয় শিল্পশৈলীতে। রয়েছে গোপুরম। এই গোপুরমে দেবী রঙ্কিণীর (Rankini Mandir) বিভিন্ন রূপ চিত্রিত করা আছে। মন্দিরের প্রবেশদ্বারের উপরেই রয়েছে দেবী দুর্গার মহিষাসুর বধের পাথরে খোদাই করা মূর্তি। এখানে একটি পাথরকে দেবী রূপে পুজো করা হয়।

    আর কী কী মন্দির আছে?

    মূল মন্দিরের বাঁ দিকে রয়েছে গণেশ, আর ডান দিকে রয়েছে শিব মন্দির। এছাড়াও এখানে রয়েছে নানা দেব-দেবীর মূর্তি। মন্দিরের কাছেই গাছের ডালে লাল কাপড়ে আচ্ছাদিত করে নারকেল বেঁধে রেখে ভক্তরা মায়ের কাছে মানত করেন। মন্দিরের (Rankini Mandir) আশপাশের পাহাড়ি পরিবেশও অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক।

    যাওয়া ও থাকা-খাওয়া (Rankini Mandir)

    যাতায়াত-রঙ্কিণী মন্দিরে যাওয়ার জন্য আসতে হবে ঘাটশিলা। হাওড়া স্টেশন থেকে যাচ্ছে ইস্পাত এক্সপ্রেস, স্টিল এক্সপ্রেস, হাওড়া-ঘাটশিলা এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন। দূরত্ব প্রায় ২১৫ কিমি। থাকা – খাওয়া-যাঁরা অমলিন প্রকৃতির মাঝে দুটো দিন থাকতে চান, তাঁরা থাকতে পারেন নিকটবর্তী রাত মোহনা নামের একটি অত্যন্ত সুন্দর স্থানে। এখানে রয়েছে “রিসর্ট রাত মোহনা ইন” (ফোন-০৮৪০৯২১১৫৫৫, ০৯৯৩৪৫৮০৮৬০)। অন্যথায় ঘাটশিলা থেকে ঘুরে নিতে পারেন। ঘাটশিলায় আছে জে এন প্যালেস (০৯২৩৪৬৪৩৫৪০), সুহাসিতা রিসর্ট (০৯৭৭১৮৩১৮৭৭) প্রভৃতি। সবকটিতেই রয়েছে খাওয়ার ব্যবস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (সোমবার ১৫/০১/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (সোমবার ১৫/০১/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ছাত্রছাত্রীরা বহুমুখী প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন।

    ২) নিঃসঙ্গতা আপনাকে তাড়িয়ে বেড়াবে। 

    বৃষ

    ১) প্রতিবেশীদের সঙ্গে খুব বুদ্ধি নিয়ে চলতে হবে।

    ২) ঋণের পরিমাণ বাড়তে পারে।

    মিথুন

    ১) কোনও আধ্যাত্মিক কাজে যোগ দিতে হতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে কেউ আপনাকে ঠকাতে পারে। 

    কর্কট

    ১) অতিরিক্ত ক্রোধের জন্য হাতে আসা কাজ পণ্ড হতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা সফল হবে।

    সিংহ

    ১) প্রেমের বিষয়ে খুব ভেবেচিন্তে এগোনো উচিত।

    ২) শেয়ার বাজারে লাভ দেখা যাচ্ছে, তবে খুব চিন্তা করে বিনিয়োগ করুন। 

    কন্যা

    ১) স্ত্রীর জন্য বিশেষ কাজের সুযোগ পাবেন।

    ২) কোনও দুঃস্থ ব্যক্তির পাশে দাঁড়াতে হতে পারে। 

    তুলা

    ১) মাতৃস্থানীয়া কারও সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে।

    ২) সঙ্গীতচর্চায় নতুন রাস্তা খুলতে পারে।

    বৃশ্চিক

    ১) কোনও ভাল জিনিস নষ্ট হওয়ার যোগ।

    ২) বন্ধুদের দিক থেকে ক্ষতি হতে পারে। 

    ধনু

    ১) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন।

    ২) প্রতিযোগিতামূলক কাজে জয়ের আশা রাখতে পারেন।

    মকর

    ১) ধর্ম বিষয়ক আলোচনায় সুনাম বৃদ্ধি পাবে।

    ২) মাত্রাছাড়া আবেগ আপনার ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। 

    কুম্ভ

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে ঝামেলা বাধতে পারে।

    ২) শরীরের সমস্যায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে। 

    মীন

    ১) সকলের সঙ্গে কথা খুব বুঝে বলবেন।

    ২) সন্তানদের নিয়ে সংসারে কলহ সৃষ্টি হতে পারে। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Heart Disease: শীতে পারদ নামতেই বাড়ছে স্ট্রোকের ঝুঁকি? কীভাবে এর মোকাবিলা সম্ভব? 

    Heart Disease: শীতে পারদ নামতেই বাড়ছে স্ট্রোকের ঝুঁকি? কীভাবে এর মোকাবিলা সম্ভব? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে নেমেছে তাপমাত্রার পারদ। শীত জাঁকিয়ে বসেছে কলকাতা থেকে জেলা সর্বত্র। শীতের দাপট বাড়তেই বাড়ছে স্ট্রোকের (Heart Disease) ঝুঁকি। সরকারি হাসপাতাল থেকে কলকাতার বেসরকারি হাসপাতাল, সর্বত্র স্ট্রোকের রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, সতর্ক না থাকলে বিপদ বাড়াবে।

    কেন শীতে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে?

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, শীতে ঘাম হয় না। রক্ত সঞ্চালনও তাই ধীরে হয়। পাশপাশি, ঘাম না‌ হওয়ার জেরে দেহে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই শীতে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে রক্ত সঞ্চালন ধীরে হওয়ার জেরে হৃদপিণ্ড থেকে দেহে রক্ত সঞ্চালনের গতিও কমে (Heart Disease)। রক্তচাপ ওঠানামা করে। আর এর জেরেই বাড়ে স্ট্রোকের ঝুঁকি।

    শীতে কাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি? (Heart Disease)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে প্রবীণদের স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি থাকে। কারণ, ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, কিংবা উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা প্রবীণদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। তবে, তরুণ প্রজন্মের সতর্ক থাকা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, যাঁরা রক্তচাপ, স্থূলতার সমস্যায় ভুগছেন, শীতে তাঁদের বাড়তি সতর্ক থাকা জরুরি। কারণ, রক্তচাপের ওঠানামার জেরেই স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। স্থূলতার সমস্যায় আক্রান্তের অধিকাংশের কোলেস্টেরল আর রক্তচাপের সমস্যা থাকে (Heart Disease)। তাই বয়স যাই হোক, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা থাকলেই বাড়তি সতর্কতা জরুরি। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    এই বিপদের কীভাবে মোকাবিলা সম্ভব? (Heart Disease)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত রক্তচাপ মাপা জরুরি। কারণ, রক্তচাপ অতিরিক্ত ওঠানামা করলে বিপদ বাড়ে।‌ তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।‌ পাশপাশি, শীতে খাবারে বাড়তি নজরদারি জরুরি। অতিরিক্ত নুন খাওয়ার অভ্যাস একেবারেই ছাড়তে হবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত নুন রক্তচাপের সমস্যা তৈরি করে। তাই স্ট্রোকের মতো সমস্যার বাড়তি ঝুঁকি (Heart Disease) তৈরি করে। তাই শীতে নুন খাওয়ায় রাশ‌ টানা জরুরি। পাশপাশি সহজপাচ্য খাবার তালিকায় রাখতে হবে। এমনই পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় এবং চর্বি জাতীয় খাবার খেলে হজমের সমস্যা তৈরি হয়। যা শরীরে রক্তচাপ আর কোলেস্টেরল বাড়ায়। তাই এই সময়ে সহজপাচ্য খাবার খাওয়া দরকার। যদিও শীতে অনেকেই নানান পদের মাংস খান। আবার অনেকেই শীতে নিয়মিত মদ্যপানে অভ্যস্ত হন।‌ কিন্তু এই অভ্যাস বিপজ্জনক। শীতে নিয়মিত শারীরিক কসরত এবং হাঁটার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, শারীরিক কসরত বা‌ যোগাভ্যাস শরীরের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে। এতে স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটাই কমে‌। নিয়মিত হাঁটলেও শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক হয়। তাই এগুলো নিয়মিত করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: দেশের ৭৪ শতাংশ মুসলিম খুশি রাম মন্দিরের নির্মাণে, সমীক্ষায় প্রকাশ

    Ram Mandir: দেশের ৭৪ শতাংশ মুসলিম খুশি রাম মন্দিরের নির্মাণে, সমীক্ষায় প্রকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ram Mandir) নির্মাণে দেশের ৭৪ শতাংশ মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষই সন্তুষ্ট, শনিবার এমনটাই জানিয়েছে জাতীয়তাবাদী মুসলিমদের সংগঠন ‘মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চ’। সংগঠনের মতে, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানই আস্থা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নীতিতে। প্রসঙ্গত, মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের পক্ষ থেকে ‘আয়ুর্বেদ ফাউন্ডেশন চারিটেবল ট্রাস্ট’ নামে একটি সংস্থা সারা দেশ জুড়ে এই সমীক্ষা চালায়। সংস্থাটির মূল অফিস রয়েছে গুজরাটে। ওই সমীক্ষা আসার পরেই দেখা যাচ্ছে যে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম সমাজের মানুষই রাম মন্দিরের নির্মাণে খুশি। প্রসঙ্গত, ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের।

    বিশ্বনেতা নরেন্দ্র মোদি 

    সমীক্ষার পরেই মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চ বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে যে সারা দেশের সর্বত্র বিরাজমান করছেন ভগবান রামচন্দ্র (Ram Mandir) এবং দেশের মধ্যে সফলতম প্রধানমন্ত্রী হলেন নরেন্দ্র মোদি। মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের মতে,  ‘‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হলেন এমন একজন মানুষ যাঁর কথা শুধুমাত্র ভারতবর্ষ নয়, ভারতের বাইরে বহির্বিশ্বেও গ্রহণযোগ্য। ওই সমীক্ষাতে আরও দাবি করা হয়েছে অগণিত মুসলমান চাইছেন যে তথাকথিত উলেমা, মৌলানারা যেন ইসলামের নামে রাজনৈতিক ফায়দা না তোলেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘রামের যারা বিরোধিতা করত, মোদি জমানায় তারাই ভজন শুরু করেছে’’, মন্তব্য রাজনাথের

    মুসলিম সম্প্রদায় নিরাপদ মোদি জমানায়

    ওই সমীক্ষা মোতাবেক ৭৪ শতাংশ মুসলিম খুশি রাম মন্দিরের নির্মাণে। ৭০ শতাংশ মুসলমানেরই আস্থা রয়েছে মোদি সরকারের উপরে। ৭২ শতাংশ মুসলমান সমর্থন জানিয়েছেন যে বিরোধীদের এই মুহূর্তে কোনও ইস্যু নেই এবং ৭০ শতাংশ মুসলমান অনুভব করছেন যে ভারত বিশ্বশক্তি হিসেবে (Ram Mandir) উঠে আসছে। মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের মতে,  ‘‘ভারতবর্ষের মুসলমানরা মোদি জমানাতে যথেষ্ট নিরাপদ এবং এখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষদের মতোই তাদের সমান সুযোগ সুবিধা রয়েছে।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘রাম নয়, ওরা ভালোবাসে বাবরকে’’, কংগ্রেসকে তোপ হিমন্ত বিশ্ব শর্মার

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ‘‘রামের যারা বিরোধিতা করত, মোদি জমানায় তারাই ভজন শুরু করেছে’’, মন্তব্য রাজনাথের

    Ram Mandir: ‘‘রামের যারা বিরোধিতা করত, মোদি জমানায় তারাই ভজন শুরু করেছে’’, মন্তব্য রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘ভগবান রামের যারা বিরোধিতা করত, মোদি জমানায় তারাই রামের ভজন (Ram Mandir) শুরু করেছে।’’, শনিবার ঠিক এই ভাষাতেই ভণ্ড ধর্মনিরপেক্ষদের একহাত নিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। শনিবারই প্রতিরক্ষামন্ত্রী হাজির ছিলেন বলবীর পুঞ্জের লেখা একটি বইয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। সেখানেই এই কথা বলতে শোনা যায় তাঁকে।

    আরও পড়ুন: ‘‘রাম নয়, ওরা ভালোবাসে বাবরকে’’, কংগ্রেসকে তোপ হিমন্ত বিশ্ব শর্মার

    রাম বিরোধীরাও করছে রামের নাম

    শনিবার রাজনাথ সিং বলেন, ‘‘এই দেশে কিছু মানুষ ছিলেন যাঁরা ভগবান রামের অস্তিত্ব (Ram Mandir) সম্পর্কে প্রশ্ন তুলতেন। তাঁর প্রশ্ন তুলেছিলেন ভগবান রামের জন্মভূমি নিয়েও। সেই সমস্ত মানুষগুলিকে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে কিছু মানুষ রামের ভজনা শুরু করেছে। এটা প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির বড় সাফল্য যে ভগবান রামচন্দ্রের অস্তিত্ব সম্পর্কে যাঁরা প্রশ্ন তুলতেন, তাঁরাই আজ বাধ্য হয়ে রামের ভজন করছেন।’’

    মর্যাদা পুরুষোত্তম রামচন্দ্র

    কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এদিন আরও বলেন, ‘‘রামজন্মভূমি (Ram Mandir) নিয়ে ৫০০ বছরের সংঘর্ষের পরে সুবিচার পাওয়া গিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি এটাই ভারতবর্ষের সাংস্কৃতিক পুনরুত্থানের  সময়। রাম মন্দিরের উদ্বোধন দেশের জাতীয় গর্বকে  প্রতিষ্ঠিত করবে। সারা ভারতের চেতনা হল রাম এবং অযোধ্যা হল তার নিউক্লিয়াস। ৫০০ বছরেরও বেশি এই সংঘর্ষে আমরা জিতেছি এবং প্রভু রামের জন্মস্থানকে অনেক ষড়যন্ত্রের পরেও ছিনিয়ে নেওয়া যায়নি।’’ রাম মন্দিরের (Ram Mandir) নির্মাণ দেশে তোষণের রাজনীতিকেও শেষ করবে বলে জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী। ভগবান রামচন্দ্রকে কেন মর্যাদা পুরুষোত্তম বলা হয়, সে বিষয়েও তিনি নিজের মত রাখেন। তিনি বলেন, ‘‘রামচন্দ্র (Ram Mandir) একজনই কিন্তু তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি অনেক ছিল। তিনি সমস্ত জাতি, বর্ণ, ধর্মের উর্দ্ধে ছিলেন। এমন একজন প্রজাপালক রাজা যিনি মানুষ থেকে পশু সকলের সঙ্গেই সুসম্পর্ক রাখতেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ‘‘রাম নয়, ওরা ভালোবাসে বাবরকে’’, কংগ্রেসকে তোপ হিমন্ত বিশ্ব শর্মার

    Ram Mandir: ‘‘রাম নয়, ওরা ভালোবাসে বাবরকে’’, কংগ্রেসকে তোপ হিমন্ত বিশ্ব শর্মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের (Ram Mandir)। সেদিনের অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছে কংগ্রেস। এ নিয়েই কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানালেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। শনিবারই তিনি বলেন ‘‘ওরা বাবরকে ভালোবাসে, রামচন্দ্রকে নয়।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘এটাই ছিল আদর্শ সময়, যখন কংগ্রেস তাদের পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে পারত। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ তাদেরকে একটা বড় সুযোগ দিয়েছিল, এই পাপের প্রায়শ্চিত্ত করার জন্য। কিন্তু তারা সেটিকে গ্রহণ করল না। এছাড়া আমরা কংগ্রেসকে আর কীভাবে সাহায্য করতে পারি?’’

    রামলালার প্রতি কংগ্রেসের বিদ্বেষ

    অসমের মুখ্যমন্ত্রীর মতে, ‘‘তারা (কংগ্রেস) দেশে এমন একটা ইকোসিস্টেম গড়ে তুলেছিল, যা সর্বদাই ভগবান রামের বিপক্ষে ছিল। কিন্তু তা সত্বেও তাদেরকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘জওহরলাল নেহরু থেকে রাহুল গান্ধী, প্রত্যেকেই আফগানিস্তানে বাবরের সমাধিস্থল পরিদর্শন করেছেন। তাই তাঁরা বাবরকে ভালোবাসেন, রামচন্দ্রকে (Ram Mandir) নয়। রামচন্দ্র এবং বাবরের মধ্যে যদি কাউকে বেছে নিতে বলা হয়, তাহলে গান্ধী পরিবার বাবরকেই বেছে নেবে।’’ প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালেই গান্ধী পরিবারের যুবরাজ বলে পরিচিত রাহুল গান্ধী আফগানিস্তানে বাবরের সমাধিস্থল পরিদর্শন করেন। হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এদিন আরও প্রশ্ন তোলেন, ‘‘রামলালার (Ram Mandir) প্রতি এত বিদ্বেষ কেন এদের?’’

    কটাক্ষ ইন্ডি জোটকে

    হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এদিন ইন্ডি জোটকেও কটাক্ষ করেছেন। শনিবার কলকাতায় তিনি বলেন, ‘‘ইন্ডি জোটের কাছ থেকে সর্বদাই আমরা বিনোদনমূলক খবর পাচ্ছি।’’ প্রসঙ্গত, এদিনই ইন্ডি জোটের কনভেনর হওয়ার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার। সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘একটা সময় ছিল যখন নীতিশ কুমার কনভেনার হতে চাইছিলেন, এখন তিনি বলছেন যে তিনি সেটা হতে চান না।’’ রাহুল গান্ধীর ‘ভারত জোড়ো ন্যায়যাত্রা’কেও কটাক্ষ করেন তিনি এবং বলেন, ‘‘ভগবান রামকে (Ram Mandir) যারা এতদিন ধরে অবিচার করে এসেছে, মানুষকে তারা কী বিচার দেবে?’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: হাসপাতালের ‘সরকারি আতিথেয়তা’ শেষ, ৭ সপ্তাহ পর বালু ফের জেলে

    Ration Scam: হাসপাতালের ‘সরকারি আতিথেয়তা’ শেষ, ৭ সপ্তাহ পর বালু ফের জেলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে প্রেসিডেন্সি জেলে নিয়ে যাওয়া হল রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। শনিবার ১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ বালুকে ফের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। জানা গিয়েছে, জেলে বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে বনমন্ত্রীর ওপরে। এর পাশাপাশি সেখানে তাঁর নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। জেলে বালুর উপর নজরদারি চালাতে আরও বেশি সংখ্যায় সিসি ক্যামেরাও বসেছে বলে জানা গিয়েছে।

    জেলে তৃণমূলের সেল

    প্রেসিডেন্সির পহেলা বাইশ নম্বর সেল ব্লকে রয়েছেন বালু। তাঁর প্রতিবেশী হিসেবে সেখানেই রয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য, নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া বঞড়ার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা সহ অন্যান্যরা। জেলের অন্দরে মন্ত্রীর গতিবিধির উপরে নজরদারি চালাতে যাতে কোনও ফাঁক না থাকে, তাই এত ব্যবস্থা বলে জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে জেলের এই সেল যেন তৃণমূলেরই সেল হয়ে উঠেছে। রেশন-দুর্নীতি ও নিয়োগ-দুর্নীতি এসে মিশে গিয়েছে প্রেসিডেন্সির এই সেলে।

    দুর্গাপুজোর পরেই গ্রেফতার হন বালু

    দুর্গাপুজোর আগে রেশন দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় বাকিবুর রহমানকে। তাঁর সূত্র ধরেই উঠে আসে মন্ত্রী বালুর নাম। পুজোর ঠিক পরেই জ্যোতিপ্রিয়র বাড়িতে হানা দেয় ইডি। তারপরেই গ্রেফতার হন মন্ত্রী। প্রথমে ইডি হেফাজত, পরে জেলে পাঠানো হয় তাঁকে। গত নভেম্বর মাসেই অসুস্থতার কারণে মন্ত্রী ভর্তি হন এসএসকেএম হাসপাতালে। সে নিয়েও ওঠে একাধিক প্রশ্ন! মন্ত্রী কি সত্যিই অসুস্থ এই প্রশ্ন তোলে বিরোধীরা। হার্টে কোনও রকম সমস্যা না থাকলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মন্ত্রীকে কার্ডিওলজি বিভাগে রাখে। বালুর কী অসুস্থতা? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে হাসতেও দেখা গিয়েছে ডাক্তারবাবুদের। এসএসকেএম-এর জানলা দিয়ে বালুকেও খিলখিলিয়ে হাসতে দেখাও যায়। এবার সরকারি আতিথেয়তা শেষ হল। অবশেষে প্রায় সাত সপ্তাহ পরে বালুকে জেলে ফিরতে হল। 

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cv Bose: ‘‘কে কালপ্রিট সকলেই জানে, অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হোক’’, সন্দেশখালি ইস্যুতে কড়া বার্তা রাজ্যপালের

    Cv Bose: ‘‘কে কালপ্রিট সকলেই জানে, অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হোক’’, সন্দেশখালি ইস্যুতে কড়া বার্তা রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির ঘটনায় ৮ দিন পার। অথচ মূল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহান এখনও গ্রেফতার হয়নি। বিরোধীদের অভিযোগ, রাজ্য সরকারই তাকে বহাল তবিয়তে রেখেছে। এনিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যপাল। সিভি আনন্দ বোস (Cv Bose) বলেন, ‘‘কে কালপ্রিট সকলেই জানে। যদি না ধরা যায়, কেন ধরা যাচ্ছে না, সর্বসমক্ষে বলা হোক। সত্যি বলা হোক। অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।” এর আগে শাহজাহান ইস্যুতে রাজ্যপাল জরুরিভাবে তলব করেছিলেন মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে।

    সংবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা

    রাজ্যপাল (Cv Bose) আরও বলেন ‘‘এখন রাজ্য সরকারের অ্যাকশন নেওয়া উচিত। কোনও অজুহাত দেখানো উচিত নয়। আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং খারাপ জিনিসকে বন্ধ করতে না চাওয়া কখনওই সহ্য করা হবে না। সংবিধান রয়েছে, আদালত রয়েছে এবং রাজ্যপাল রয়েছেন। আইন অনুযায়ী যা করার করা হবে।’’

    পুরুলিয়ার ঘটনা নিয়ে কী বললেন রাজ্যপাল?

    গঙ্গাসাগরে যাওয়ার পথে ৩ সন্ন্যাসী গণপিটুনির শিকার। এনিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। গতকালই পুরুলিয়ার ঘটনাকে পালঘরের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। শনিবার এনিয়েও মুখ খুললেন রাজ্যপাল সিভি বোস (Cv Bose)। রাজ্যপাল বলেন, ‘‘পুরুলিয়ায় যা ঘটেছে, সেটা অত্যন্ত অসম্মানজনক। শোচনীয় ঘটনা। সাধুদের উপর আক্রমণ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আক্রমণ বলেই ধরা হবে। আমি সাধুদের উপরে আক্রমণের তীব্র নিন্দা করি। রাজ্যপালের কাজ শুধু রিপোর্ট চাওয়া নয়, অ্যাকশনও (ব্যবস্থা) নেওয়া। রিপোর্টের টাইম শেষ হয়ে গিয়েছে। এখন অ্যাকশনের সময়। নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অ্যাকশন নিতে হবে।’’ প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা ওই সাধুরা পুরুলিয়ার কাশীপুরের গৌরাঙ্গডি গ্রামে পৌঁছে তিন নাবালিকাকে রাস্তা জিজ্ঞাসা করেন। এতেই তাঁদের অপহরণকারী সন্দেহে গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর শুরু করেন গ্রামবাসীদের একাংশ। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি। পরে স্থানীয় মানুষজন ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে তাঁদের উদ্ধার করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতোও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share