Tag: Madhyom

Madhyom

  • Ram Mandir: কোচবিহারে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির, উদ্যোগী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক

    Ram Mandir: কোচবিহারে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির, উদ্যোগী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনে তোড়জোড় শুরু হয়েছে জোরকদমে। এই আবহের মধ্যে বাংলাতেই রাম মন্দির তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একটি বা দুটি নয়, তিনটি রাম মন্দির তৈরির কাজ শুরু হয়েছে কোচবিহারে। আর এই মন্দির তৈরির মূল উদ্যোক্তা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। আর একটি মন্দির তো অযোধ্যার রাম মন্দিরের সঙ্গে ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন করা হবে। সেই মতো প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে।

    কোচবিহারের কোথায় তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির? (Ram Mandir)

    কোচবিহার উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের পাশাপাশি মাথাভাঙা এবং শীতলকুচি বিধানসভা কেন্দ্রে রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি করতে উদ্যোগী বিজেপি নেতৃত্ব। ইতিমধ্যেই কোচবিহার উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের ছড়ারকুঠি গ্রামে দুই ট্রাক বেলেপাথর এসে পৌঁছেছে। খরচ প্রায় ৪২ লক্ষ টাকা। ওই বেলেপাথর রাজস্থান থেকে নিয়ে আসার তদারকি করছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিজেই। জানা গিয়েছে, কোচবিহার উত্তর বিধানসভার ছড়ারকুঠি এলাকায় প্রায় সাত দশক পুরানো কালীমন্দির রয়েছে। প্রত্যেক দীপাবলিতে সেখানে পুজো হয়। এবার দীপাবলিতে কালীপুজোর সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিককে তাঁরা আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এসেছিলেন এবং পরবর্তীতে তিনি মন্দিরের ফাঁকা স্থানে রামমন্দির তৈরি করার প্রস্তাব দেন। সেই প্রস্তাবে রাজি হওয়ায় রাম মন্দির তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। মন্ত্রী নিজেই রাজস্থান থেকে প্রয়োজনীয় বেলেপাথর এবং কারিগরদের নিয়ে এসেছেন।

    অযোধ্যার রাম মন্দিরের সঙ্গে এই মন্দিরের উদ্বোধনের পরিকল্পনা

    কোচবিহার উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক সুকুমার রায় বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় ছড়ারকুঠি এলাকায় রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি হচ্ছে। সেই মন্দির তৈরি করার জন্য সহযোগিতা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিজেও। মন্দিরটি ৩০ ফুট উচ্চতা এবং ১৫ ফুট চওড়া। মন্দিরের জন্য রাম সহ ৯টি মূর্তি চলে এসেছে। সব ঠিক থাকলে এই মন্দিরটি আগামী ২২ জানুয়ারি সূচনা করা হবে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আগে প্রতিশ্রুতি দিয়ে এখানে স্পোর্টস হাব তৈরি করার ঘোষণা করেছিলেন এখনও সেটা হয়নি। নারায়ণী সেনা তৈরি করার আশ্বাস দিয়েছিলেন সেটাও হয়নি। রাম সকলের হৃদয়ে রয়েছেন। কাজেই তাঁকে নিয়ে রাজনীতি কখনওই করা উচিৎ নয়। সেটা না করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিজেপির উচিৎ কোচবিহারের হাজার-হাজার মানুষের ১০০ দিনের বকেয়া টাকা দ্রুত প্রদান করা এবং বাংলা আবাস যোজনার আটকে রাখা টাকা প্রদান করা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ragging: এবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ! পড়ুয়াকে লাগাতার হেনস্থার অভিযোগে তোলপাড়

    Ragging: এবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ! পড়ুয়াকে লাগাতার হেনস্থার অভিযোগে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কলকাতা শহরে ছাত্র হেনস্থার অভিযোগ। লাগাতার ছাত্র হেনস্থার পরেও কর্তৃপক্ষ কোনও পদক্ষেপ করেনি, এমনই অভিযোগ উঠছে। আর এবার অভিযোগ উঠেছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে। ২০২৩ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক স্তরের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য পড়ুয়া ও প্রাক্তন পড়ুয়াদের হেনস্থার জেরেই ওই প্রথম বর্ষের পড়ুয়া মারা যান।‌ কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্র হেনস্থা নিয়ে বিতর্ক চরমে পৌঁছায়। কিন্তু ২০২৪ সালের প্রথমেই ফের কলকাতার আর এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র হেনস্থার অভিযোগ উঠল।

    কী অভিযোগ উঠছে?

    কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে লাগাতার ছাত্র হেনস্থা হচ্ছে। অভিযোগ, কলেজ ক্যাম্পাসে এবং হস্টেলে ছাত্রদের হেনস্থা করা হয়। সম্প্রতি, মেডিক্যাল কলেজ কলকাতা রেসিডেন্স ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফে অভিযোগ জানানো হয়েছে, অস্থি বিভাগের পোস্ট গ্রাজুয়েট ট্রেনি অর্থাৎ, স্নাতকোত্তর পাঠরত প্রথম বর্ষের পড়ুয়া হেনস্থার শিকার হয়েছেন। দীর্ঘ চার মাস ধরে লাগাতার হেনস্থা করা হচ্ছে। অভিযোগ, কখনও রোগী দেখার সময়ে, রোগীর পরিজনদের সামনে কর্তব্যরত ওই ট্রেনি চিকিৎসকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছেন ওই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের স্নাতকোত্তর পড়ুয়ারা।‌ আবার কখনও কাজ নিয়ে মানসিক চাপ তৈরি করা হচ্ছে। এমনকী রোগী ও পরিজনদের সামনেই গালাগালি করা হয়েছে‌। এছাড়াও অভিযোগ, হস্টেলেও হেনস্থা করা হয়েছে। এমনকী শারীরিক নিগ্রহ করা হয়েছে। তলপেটে লাথি মারা, মারধর করা সহ একাধিক অভিযোগ জানানো‌ হয়েছে। আরও অভিযোগ, এই ধরনের ঘটনা মাসের পর মাস ঘটলেও‌ সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকেরা কোনও পদক্ষেপ করেননি। দুজন নির্দিষ্ট চিকিৎসক-পড়ুয়ার বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ জানানোর পরেও সমস্যার সমাধান হয়নি। এমনকী, হস্টেল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও প্রয়োজনীয় সমাধান পাওয়া যায়নি। অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। পাশপাশি অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, এরপরেও পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে আইনি সাহায্য তাঁরা নেবেন। 

    কী বলছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ? 

    মেডিক্যাল কলেজ কলকাতা রেসিডেন্স ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের অভিযোগ প্রসঙ্গে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল‌ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।‌ অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তারা কঠোর ব্যবস্থা নেবে।‌ কলেজ ক্যাম্পাস হোক কিংবা হস্টেল, কোথাও ছাত্র হেনস্থা বরদাস্ত করা হবে না বলেও তারা সাফ জানিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: ঠেলার নাম বাবাজি, চাপে পড়ে আবাস যোজনায় প্রধানমন্ত্রীর নাম লেখার নির্দেশ রাজ্যে

    Uttar Dinajpur: ঠেলার নাম বাবাজি, চাপে পড়ে আবাস যোজনায় প্রধানমন্ত্রীর নাম লেখার নির্দেশ রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের কাজের বরাদ্দ বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্র। বহু আবেদন করেও মেলেনি টাকা। ‘হাউস ফর অল’ প্রকল্পে এবার ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’ (শহর) লেখার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। সামনের মাসে কেন্দ্রীয় টিম রাজ্যে আসছে। তাই, তড়িঘড়ি প্রকল্পের নতুন নামকরণ বাধ্যতামূলকভাবে লেখার নির্দেশ জারি করেছে রাজ্য। অন্যান্য জেলার মতো উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) রায়গঞ্জ, কালিয়াগঞ্জ, ইসলামপুর ও ডালখোলা পুরসভাতেও আবাস যোজনার ফলক বদল নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়েছে। যা নিয়ে জোর চর্চা শুরু। ১০০ দিনের মতো এই প্রকল্পের টাকা বন্ধের আশঙ্কায় রাজ্য সরকার এখন কেন্দ্রের দেওয়া নির্দেশ মানতে শুরু করেছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    নতুন নির্দেশিকায় কী রয়েছে? (Uttar Dinajpur)

    গ্রামীণ এলাকায় সরকারি আবাস যোজনার ফলকে ‘বাংলা আবাস যোজনা’র নাম মুছে ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’ লেখার ঘটনা ঘটেছে। শহরের ‘সবার জন্য বাড়ি’-প্রকল্পের বাড়িতে তা ছিল না বলে অভিযোগ। নির্দেশ অনুযায়ী, ফলকে ইংরেজি ও বাংলায় প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা লেখার পাশাপাশি, উপভোক্তার নাম, কোন অর্থবর্ষের টাকায় বাড়িটি তৈরি হয়েছে, কত টাকায় তৈরি হয়েছে, তার মধ্যে কেন্দ্র রাজ্য এবং উপভোক্তাদের অংশ কতটা সবই লিখতে হবে। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, শহর অঞ্চলে বসবাসকারী অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল মানুষদের জন্য বাড়ি দেওয়া হয়। এই প্রকল্পে মোট বরাদ্দ তিন লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা। কেন্দ্র দেয় দেড় লক্ষ, রাজ্য দেয় এক লক্ষ ৯৩ হাজার টাকা। বাকি ২৫ হাজার টাকা প্রকল্পের উপভোক্তাকে দিতে হয়। আর এতদিন ফলক দেওয়া বাধ্যতামূলক না থাকায় উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলায় একাধিক পুরসভায় এই প্রকল্পের বাড়ি শাসক দলের ঘনিষ্ঠরা পেয়ে গিয়েছেন। বিরোধীদের অভিযোগ, এমন বহু মানুষ আছেন, যাঁদের একাধিক পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন। ফলক দেওয়া বাধ্যতামূলক হওয়ায়, অযোগ্য হয়েও যাঁরা বাড়ি নিয়েছেন তাঁরা ধরা পড়ার ভয় পাচ্ছেন।

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    ইসলামপুর পুরসভার পুরপ্রধান কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, নির্দেশ কার্যকর করা হবে। এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ির পাশাপাশি বাংলার বাড়ি লেখা যেতে পারে। ডালখোলার পুরপ্রধান স্বদেশ সরকার বলেন, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল আসার কথা রয়েছে। তার আগে, নামের ফলক বদলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পুর দফতর। নির্দেশ কার্যকর করা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ram Mandir: অযোধ্যার পুকুরগুলিতেও আধ্যাত্মিকতার ছোঁয়া, রাম-সীতার মূর্তির চাহিদা তুঙ্গে

    Ram Mandir: অযোধ্যার পুকুরগুলিতেও আধ্যাত্মিকতার ছোঁয়া, রাম-সীতার মূর্তির চাহিদা তুঙ্গে

    রামনগরী অযোধ্যা-আট

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, অযোধ্যা থেকে ফিরে: জোরকদমে চলছে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনের প্রস্তুতি। তাই সরাসরি কোনও ট্রেনই ঢুকছিল না অযোধ্যায়। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে বারাণসীতে নেমে সড়ক পথেই অযোধ্যায় রওনা দিয়েছিলাম আমরা। উদ্দেশ্য রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের সাংবাদিক বৈঠক। প্রায় ৪ ঘণ্টা চলার পরে গাড়ি ঢুকল অযোধ্যার শহরতলিতে। তখন থেকেই চোখে পড়তে থাকল স্বাগত জানানোর প্ল্যাকার্ড। পদ্মফুলের ওপরে জোড়হাতের প্রতীক। শহরে প্রবেশের আগেই একাধিক পুলিশের ব্যারিকেড জানান দিল নিরাপত্তার আঁটোসাঁটো ব্যবস্থা। শহরে প্রবেশ করতেই বাঁদিকে বড় পুকুর। তার চারপাশে তৈরি হয়েছে মন্দিরের মতো ধাঁচা। পুকুরের পাড় ইঁট দিয়ে সুন্দরভাবে বাঁধানো রয়েছে। তার ওপর প্লাস্টার। প্লাস্টারের ওপর রংবেরঙের চোখ ধাঁধানো কারুকার্য।

    জলাশয়ের মধ্যেও আধ্যাত্মিকতার পরিবেশ

    মনে পড়ল অযোধ্যা (Ram Mandir) আগামী দিনে হতে চলেছে ভারতের আধ্যাত্মিকতার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। দেশ-বিদেশ থেকে ভক্তরা পা রাখবেন রামনগরীতে। তাই জলাশয়গুলিতেও আধ্যাত্মিকতার পরিবেশ ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। জনা তিরিশেক শ্রমিক কাজ করছেন। শ্রমিকদের নিরাপত্তার কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবে যোগী আদিত্যনাথ সরকার। তাই পুকুর বাঁধানোর মতো কাজেও শ্রমিকরা মাথায় হলুদ হেলমেট পরেছেন। এমন চিত্র পশ্চিমবঙ্গে দেখা যায় না বললেই চলে। শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেই জানা গেল, জলাশয়ের নামকরণ করা হয়েছে দিব্য কুণ্ডু। পুকুরের সৌন্দর্যায়নের কাজ বিগত ১ বছর ধরেই চলছে বলে জানালেন শ্রমিকরা। দিব্য কুণ্ডু ছাড়িয়ে গাড়ি ছুটতে থাকল। ফের পুলিশের ব্যারিকেড। গাড়ির গতি কমে এল জ্যামের কারণে। নজরে পড়ল রাস্তার ডানদিকে দেবদেবীর মূর্তি নির্মাণের কাজ চলছে।

    কী বললেন অযোধ্যার মূর্তি নির্মাণকারী সঞ্জয় শর্মা?

    হনুমান, দুর্গা, রাম-সীতা-লক্ষণ প্রভৃতি দেবদেবীর বিভিন্ন আকারের মূর্তি নিয়ে বসে রয়েছেন বছর পঞ্চাশের এক প্রৌঢ়। ভিড় রাস্তায় গাড়ি থেকে নামার উপায় ছিল না। অগত্যা গাড়িতে থেকেই ইশারা করে ডাকা হল তাঁকে। সাংবাদিক পরিচয় দিলাম। ভদ্রলোক জানালেন, নাম সঞ্জয় শর্মা। ভিড় কমতেই গাড়িকে তাঁর দোকানের সামনে দাঁড় করালাম। মূর্তি কেমন বিক্রি হচ্ছে? প্রশ্ন শুনতেই সঞ্জয়বাবুর উত্তর, ‘‘এখন যেমন অযোধ্যা দেখছেন, কয়েক বছর আগেও এখানে এমন চিত্র ছিল না। বর্তমানে ভিড় লেগেই থাকে। রাম-সীতা (Ram Mandir) ছাড়াও অন্যান্য দেবদেবীর মূর্তিরও চাহিদা ভালোই রয়েছে।’’ ভারতবর্ষের আধ্যাত্মিকতার রাজধানী বলা হয় বারাণসীকে। পৃথিবীর প্রাচীনতম শহরেরও স্বীকৃতি মিলেছে বারাণসীর। তবে আগামী দিনে অযোধ্যাকে কেন্দ্র করেই যে আধ্যাত্মিক ভারতের পরিবেশ নির্মাণ হতে চলেছে, অযোধ্যায় পা রাখতেই তা উপলব্ধি করা গেল। রাস্তার নামও রামপথ, সরযূ নদীও বয়ে চলেছে রামায়ণের ঐতিহ্যকে নিয়ে, পুকুরের নামও দিব্যকুণ্ডু। স্বাধীনতা দিবসের দিন যেমন প্রতিটি বাড়ির ছাদে জাতীয় পতাকা দেখা যায়, তেমনি পতপত করে অযোধ্যার বাড়ির ছাদগুলিতে উড়ছে জয় শ্রীরাম লেখা পতাকা। নজর কাড়ল দোকানের ওয়াল পেন্টিংগুলিও। সেখানেও তীরধনুক নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন প্রভু রামচন্দ্র। এয়ারপোর্টের নামও মহর্ষি বাল্মিকীর নামে। সব মিলিয়ে অযোধ্যার অলিখিত নাম রামনগরী (Ram Mandir) যেন সার্থক হয়ে উঠেছে। (শেষ)

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Raiganj University: ‘উন্নয়নের রাজ্যে’ বেতন-সুবিধা মিলছে না অতিথি অধ্যাপকদের, বসতে হচ্ছে ধর্নায়!

    Raiganj University: ‘উন্নয়নের রাজ্যে’ বেতন-সুবিধা মিলছে না অতিথি অধ্যাপকদের, বসতে হচ্ছে ধর্নায়!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্নায় বসলেন রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের (Raiganj University) ২০ জন অতিথি অধ্যাপক। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে তাঁরা ধর্নায় বসেছেন। তাঁদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নির্দেশিকা জারি করার পরেও প্রায় তিন বছর হতে চলল SACT টিচারদের কোনও সুবিধা তাঁরা পাচ্ছেন না। সঙ্গে আরও পাঁচজন অতিথি শিক্ষক-শিক্ষিকা তাঁদের প্রাপ্য বেতন পর্যন্ত পাচ্ছেন না। অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের আংশিক সময়ের অধ্যাপক এবং চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকরা সমস্ত সুবিধা পাচ্ছেন। এদিন রাতে ধর্না চলাকালীন কলা ও বাণিজ্য বিভাগের ডিন প্রশান্তকুমার মহলা, স্টেট অফিসার অমিত মণ্ডল এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। কিন্তু তাতে সমস্যার কোনও সমাধান হয়নি।

    কী অভিযোগ আন্দোলনকারীদের? (Raiganj University)

    অতিথি অধ্যাপক সংগঠনের ইউনিট সভাপতি ডঃ রাগিব আলি মিনহাজ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নির্দেশিকা জারির পরেও তাঁদের কোনও সুবিধা প্রদান করছে না। তাই আজ আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হয়েছেন তাঁরা। বিগত তিন বছর ধরে তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে গেলেও কোনও রকম সুফল পাচ্ছেন না। যদিও তাঁরা ধর্নায় বসার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দীপককুমার রায়ের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনাও করেন। কিন্তু সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে তিনি (Raiganj University) কোনও সদুত্তর বা দিশা দেখাতে পারেননি। বাধ্য হয়ে আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হয়েছেন এবং আগামী দিনে বৃহত্তম আন্দোলনের পথে যেতেও পিছপা হবেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।

    কী জবাব বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের? (Raiganj University)

    অতিথি অধ্যাপকদের অভিযোগ এবং দাবিদাওয়া প্রসঙ্গে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের (Raiganj University) স্টেট অফিসার ডঃ অমিতকুমার মণ্ডল প্রথমেই স্বীকার করে নিয়েছেন, যে দাবিতে শিক্ষকরা ধর্নায় বসেছেন, তা ন্যায্য। যে প্রস্তাব নেওয়া হয়েছিল, তা রূপায়ণ করা হচ্ছে না। সেই হিসেবে এঁরা বঞ্চিত। তিনি জানান, নিজে একজন ওয়েবকুপার সদস্য। তাই সহকর্মী হিসেবে আন্দোলনকারীদের দাবি পূরণ হোক, এটা তিনিও চাইছেন। উল্লেখ্য, উপাচার্য বর্তমানে নেই। সে প্রসঙ্গে তিনি জানান, ভিসি’কে সমস্ত বিষয়টি তিনি জানিয়েছেন এবং তিনি নিজে এখানে থাকছেন।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • East Medinipur: ধর্ষণে অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র নেতার সঙ্গে খুঁটিপুজোয় মন্ত্রী-পুত্র

    East Medinipur: ধর্ষণে অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র নেতার সঙ্গে খুঁটিপুজোয় মন্ত্রী-পুত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের নির্দেশকে তোয়াক্কা না করেই পূর্ব মেদিনীপুরের (East Medinipur) কাঁথি শহর জুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন ধর্ষণে অভিযুক্ত তৃণমূলের এক ছাত্র নেতা। এমনকী মন্ত্রী অখিল গিরির ছেলে তথা যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুপ্রকাশ গিরির সঙ্গে সরস্বতী পুজো খুঁটি পুজোর অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা গিয়েছে। আর এতেই আতঙ্কিত নির্যাতিতার পরিবারের লোকজন।

    আদালতের কী নির্দেশ রয়েছে? (East Medinipur)  

    গত বছর ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল পূর্ব মেদিনীপুর (East Medinipur) কাঁথির শাসকদলের এক ছাত্র নেতা শুভদীপ গিরির বিরুদ্ধে। পকসো আইনে মামলা রুজু করেছিল কাঁথি মহিলা থানার পুলিশ। প্রথমে অভিযুক্ত অধরা থাকলেও হাই কোর্টের নির্দেশে কাঁথি মহকুমা আদালতে ওই ছাত্র নেতা আত্মসমর্পণ করেন। পরে জামিনে ছাড়া পান। তবে তাঁকে জেলার বাইরে থাকার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। আদালতের সেই নির্দেশকে অমান্য করে সোমবার কাঁথি শহরের সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ড এলাকায় একটি ক্লাবের সরস্বতী পুজোর খুঁটিপুজোর অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন শুভদীপ। আর তাঁর সঙ্গে সেখানে ছিলেন কাঁথি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান তথা যুব তৃণমূলের কাঁথি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি। অভিযুক্ত ছাত্র নেতার মোবাইল বন্ধ থাকায় তাঁর প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    আতঙ্কিত নির্যাতিতা পরিবারের লোকজন

    নির্যাতিতার বাবা বলেন, অভিযুক্ত যুবক বহাল তবিয়তে কাঁথিতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। শাসক দলের নেতাদের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা করছেন। বন্ধুদের নিয়ে বাড়িতে চড়াও হয়ে সিসি ক্যামেরা ভেঙে দিয়েছে। বিষয়টি জানানোর পরও পুলিশ কিছু করেনি। খুব আতঙ্কে রয়েছি।

    তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    ধর্ষণে অভিযুক্ত ওই ছাত্র নেতার সঙ্গে থাকা ছবি ফেসবুকেও পোস্ট করেন তৃণমূল নেতা সুপ্রকাশ। আদলতের নির্দেশকে তোয়াক্কা না করে যে এলাকায় বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তাঁকে সমর্থন করছেন? প্রশ্ন করা হলে যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি বলেন,আইনি বিষয় জড়িয়ে রয়েছে। কোনও মন্তব্য করব না।

    অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বিজেপি-র

    বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রশেখর মণ্ডল বলেন, তৃণমূল করে বলে সাত খুন মাফ। আদালতের নির্দেশকে মানছেন না। আসলে তৃণমূলের দৌলতে গোটা রাজ্য অপরাধীদের মুক্তাঞ্চলে পরিণত হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশ অমান্য করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Election: বুধে শপথ বাংলাদেশের নতুন সাংসদদের, হাসিনার মন্ত্রিসভা গঠন বৃহস্পতিবার

    Bangladesh Election: বুধে শপথ বাংলাদেশের নতুন সাংসদদের, হাসিনার মন্ত্রিসভা গঠন বৃহস্পতিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Election) জাতীয় সংসদের নির্বাচন সমাপ্ত হয়েছে রবিবারই। সেদিন সন্ধ্যা থেকেই শুরু হয় গণনা। নির্বাচনে জয়ী প্রার্থীরা বুধবার অর্থাৎ আজকে শপথ নেবেন বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নয়া মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন (Bangladesh Election) হবে বৃহস্পতির সন্ধ্যায়। মঙ্গলবার সরকারি সূত্রে  এ কথা জানা গিয়েছে। হাসিনার দলের এই বিপুল জয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সমেত আন্তর্জাতিক মহলে আরও ২০টি দেশ। যার মধ্যে রয়েছে জাপান, থাইল্যান্ড সমেত অন্যান্য দেশ।

    কী বলছেন বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদ বিষয়ক সচিব

    বাংলাদেশ (Bangladesh Election) সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিষয়ক সচিব মহম্মদ মাহবুব হোসেন মঙ্গলবার বলেন, ‘‘বুধবার সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যেরা শপথ নেবেন। এর পরে ১১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বঙ্গভবনে হবে এই শপথ অনুষ্ঠান।’’ প্রসঙ্গত, হাসিনার মন্ত্রিসভায় কারা মন্ত্রী হবেন, সে বিষয়ে কিছু জানান নি তিনি। জানা গিয়েছে, সেদেশের জাতীয় পার্টি (এরশাদ)-এর নির্বাচিত সাংসদেরা বুধবার শপথের অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন না। বাংলাদেশের (Bangladesh Election) সংবিধান অনুযায়ী, প্রথমে স্পিকার শপথ বাক্য পাঠ করান। সেসময় কোনও সাংসদ উপস্থিত থাকতে না পারলে, পরবর্তীকালে এই শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার। নির্বাচিত সাংসদরা প্রথম বৈঠক থেকে পরববর্তী ৯০ দিন পর্যন্ত হাজির না থাকলে তাঁর আসন শূন্য বলে ধরে নেওয়া হবে।

    ৭ জানুয়ারি ৩০০ আসনে ভোট হয় বাংলাদেশে

    ৭ জানুয়ারি ৩০০ আসনে ভোট হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশে (Bangladesh Election)। কিন্তু ভোট হয় ২৯৮ আসনে। কারণ ১টি আসনে প্রার্থীর মৃত্যু হয় এবং অপর একটি আসনে সব মনোনয়নগুলি বাতিল হয়ে যায়। ২৯৮ আসনের মধ্যে হাসিনার দল পেয়েছে ২২৫ আসন। আওয়ামি লিগ জাতীয় পার্টি (এরশাদ)-কে ২৬টি আসনে প্রতিদ্বন্দিতা করতে দেয়। তারা ১১টিতে জিতেছে। নির্দল ও অন্যরা পেয়েছে ৬২টি। জানা গিয়েছে, জয়ী নির্দলদের বেশিরভাগই আওয়ামি লিগের সদস্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বুধবার ১০/০১/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বুধবার ১০/০১/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ব্যবসায় সমস্যা ও খরচ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) চক্ষুরোগ দেখা দিতে পারে।

    বৃষ

    ১) সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কপালে অপমান জুটতে পারে।

    মিথুন

    ১) বাড়তি খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে। 

    কর্কট

    ১) শেয়ার বাজারে লগ্নি নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) পেটের কষ্ট বাড়তে পারে। 

    সিংহ

    ১) সকাল থেকে শরীরে জড়তা বাড়তে পারে।

    ২) মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাবে। 

    কন্যা

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মনঃকষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) বাড়তি আয় করতে গেলে বিপদ ঘটতে পারে। 

    তুলা

    ১) রাজনীতির লোকেদের একটু চিন্তার কারণ দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার সুযোগ পেতে পারেন। 

    বৃশ্চিক

    ১) প্রেমের অশান্তি মিটে যেতে পারে।

    ২) কোনও কারণে মনে ভীষণ সংশয় বা ভয় কাজ করবে। 

    ধনু

    ১) কাউকে কোনও ব্যাপারে কথা দেবেন না।

    ২) আধ্যাত্মিক বিষয়ে বিশেষ মনোযোগী হয়ে উঠবেন। 

    মকর

    ১) গবেষণার কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) খুব নিকট কোনও মানুষের জন্য দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হতে পারে। 

    কুম্ভ

    ১) শখ মেটাতে বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ২) কোনও বন্ধুর জন্য বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ। 

    মীন

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভাল সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: জীবিতকে মৃত দেখিয়ে চাকরি চুরি তৃণমূল নেতার! চাঞ্চল্য

    Hooghly: জীবিতকে মৃত দেখিয়ে চাকরি চুরি তৃণমূল নেতার! চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার চাকরি চুরির অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। আর তারজন্য চাকরির প্রকৃত প্রাপককে মৃত দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির (Hooghly) আরামবাগ এলাকায়। এখনও চাকরির জন্য সরকারি দফতরগুলিতে ঘুরছেন ওই ব্যক্তি। বিষয়টি জানাজানি হতে এলাকায় চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Hooghly)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হুগলির (Hooghly) আরামবাগের প্রতাপনগর এলাকায় জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরকে জায়গা দান করেন জীবনকৃষ্ণ নাথ নামে এক ব্যক্তি। জমি দেওয়ার বিনিময়ে তাঁর চাকরি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, তা তিনি পাননি। এখন তাঁকে মৃত বলে দাবি করে সেই চাকরি করছেন তৃণমূল নেতা সোহরাব হোসেনের ভাই মহম্মদ সিদ্দিকী। জীবনকৃষ্ণবাবু বলেন, প্রতাপনগর জল প্রকল্পের জন্য জমি দিয়েছি। প্রকল্পের কাজ যখন শুরু হয় তখন আমাকে বা আমার ছেলেকে চাকরি দেওয়া হয়নি। বদলে চাকরি পান এলাকার তৃণমূল নেতা সোহরাব হোসেনের ভাই। এ নিয়ে কোর্টকাছারি করছিলাম বলে বাড়ি থেকে উৎখাতেরও চেষ্টা হয়। নানা হুমকি দেওয়া হয়। তাই, এলাকা ছেড়ে চলে যাই। আর এই সুযোগে তৃণমূল নেতা আমাকে মৃত দেখিয়ে তাঁর ভাইকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দফতরে জানিয়েছি। কিন্তু, কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা ও তাঁর ভাই কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল নেতা সোহরাব হোসেন বলেন, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এসব অভিযোগ করে কোনও লাভ নেই। নিয়ম মেনে ভাই চাকরি পেয়েছে। কারও চাকরি চুরি করা হয়নি। তৃণমূল নেতার ভাই মহম্মদ সিদ্দিকী বলেন, অপারেটর পদে আমি দীর্ঘদিন ধরেই চাকরি করছি। আমার বেতনও আমার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আসে। সমস্ত কাগজপত্র আছে। সরকারি নিয়ম মেনেই সবটা হয়েছে। আর ওই ব্যক্তি তো আদালতে গিয়েছেন। আদালত নিশ্চয়ই একটা নির্দেশও দেবে। তখনই সব কিছু প্রমাণ হয়ে যাবে।

    তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান কী বললেন?

    স্থানীয় আরান্ডি-১ গ্রামপঞ্চায়েতের বর্তমান প্রধান তেগদিরা খাতুন বলেন, সদ্য পদে বসেছি। এ নিয়ে কিছু জানি না। আদালতে বিষয়টি গড়িয়েছে। সেখানে যা নির্দেশ দেবে, সেই নির্দেশ কার্যকরী করা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Teesta River: সেনাবাহিনীর অস্ত্র খুঁজতে জল ছাড়া হল তিস্তায়! এলাকায় আতঙ্ক

    Teesta River: সেনাবাহিনীর অস্ত্র খুঁজতে জল ছাড়া হল তিস্তায়! এলাকায় আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক ধাক্কায় তিস্তা ব্যারেজ থেকে ছাড়া হল প্রায় ৪ হাজার কিউসেক জল। এর ফলে তিস্তায় (Teesta River) জলস্তর বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্নও হতে পারে। এমনই আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ইতিমধ্যে প্রশাসনের তরফে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    সেনাবাহিনীর অস্ত্র উদ্ধারে তিস্তায় ছাড়া হল জল! (Teesta River)

    গত বছরের ৪ অক্টোবর ভয়াবহ হড়পা বানের সম্মুখীন হয় সিকিমের একাধিক এলাকা। ভেসে যায় সেনাবাহিনীর ক্যাম্প ও অস্ত্র। সেই সময় সেনাবাহিনীর অস্ত্র গ্রামবাসীদের অনেকে বাড়িতে মজুত রেখেছিলেন। এমনকী রকেট লঞ্চার ফেটে মৃত্যু হয়েছিল এক কিশোরের। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সেই সময় অভিযান চালিয়ে বহু অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। তবে, পরবর্তীতে হিসেব মিলিয়ে দেখা গিয়েছে, সেনাবাহিনীর যা অস্ত্র সিকিম বিপর্যয়ের কারণে হারিয়েছে তা উদ্ধার হয়নি। সূত্রের খবর, ওই অস্ত্র ও গোলা-বারুদের তল্লাশি চলছে এখনও। সূত্রের খবর, সোমবার তার খোঁজেই কালীঝোড়া বাঁধ থেকে প্রচুর পরিমাণে জল ছাড়া হয়েছে। পাশাপাশি যেসব গোলা-বারুদ এখনও পর্যন্ত উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করা যায়নি, সেগুলি উদ্ধারের জন্য সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তিস্তার পারে তৎপরতা শুরু করা হয়েছে। খরার মরশুমে নদীতে হারিয়ে যাওয়া অস্ত্র খুঁজতে বিপুল পরিমাণ জলের ধাক্কায় কাজে দেবে বলে মনে করছেন সেনাবাহিনীর কর্তারা। জলের তোড়ে পাহাড়ি নদীর (Teesta River) গায়ে আটকে থাকা অস্ত্রগুলি নীচে নেমে আসবে বলে তাদের ধারণা। এদিকে, সোমবার সেবকের কালীঝোড়া থেকে আচমকাই এই জল ছাড়ার ঘটনায় আতঙ্কে বেড়েছে তিস্তাপারের বাসিন্দাদের।

    মহকুমা শাসক কী বললেন?

    জলপাইগুড়ি সদরের মহকুমা শাসক তমোজিৎ চক্রবর্তী বলেন, তিস্তা ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার ফলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। অবশ্য জল ছাড়ার আগে নদী সংলগ্ন বাসিন্দাদের সচেতন করতে তিস্তা (Teesta River) সংলগ্ন একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় চলেছে মাইকিং। এই শীতে নদী তীরবর্তী এলাকায় পিকনিকের মরশুম চলায় জল ছাড়ার আগে আলাদাভাবে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share