Tag: Madhyom

Madhyom

  • Mahua Moitra: সরকারি বাংলো এখনও খালি করেননি কেন? মহুয়াকে শো-কজ নোটিশ কেন্দ্রের

    Mahua Moitra: সরকারি বাংলো এখনও খালি করেননি কেন? মহুয়াকে শো-কজ নোটিশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে তিনি প্রশ্ন করতেন। তাঁর এই ‘কীর্তি’ সামনে আসতেই সাংসদ পদ খারিজ হয় তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra)। ছাড়তে বলা হয় দিল্লির সরকারি বাংলো। তবে এখনও সরকারি বাংলো খালি করেননি মহুয়া। সোমবার ঠিক এই কারণেই তাঁকে শো-কজ নোটিশ পাঠাল কেন্দ্রের ডাইরেক্টরেট অফ এস্টেটস (ডিওই)। কেন্দ্রীয় আবাসন এবং নগরোন্নয়ন মন্ত্রক সূত্রে বিষয়টি সামনে এসেছে। লোকসভায় প্রশ্ন করার বিনিময়ে শিল্পপতি দর্শন হিরানন্দানির থেকে ঘুষ নিতেন তিনি। এই অভিযোগে লোকসভা থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন মহুয়া। সংসদের ওয়েবসাইটের আইডি, পাসওয়ার্ড দুবাইকেন্দ্রিক ব্যবসায়ী হিরানন্দানিকে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল কৃষ্ণনগরের প্রাক্তন সাংসদের বিরুদ্ধে।

    ৭ জানুয়ারির মধ্যে বাংলো খালি করার কথা ছিল

    প্রসঙ্গত, গত ৮ ডিসেম্বর সাংসদ পদ খারিজ হয় মহুয়ার (Mahua Moitra)। তখনই তাঁকে বলা হয়েছিল, ৭ জানুয়ারির মধ্যে দিল্লিতে সরকারি বাংলো খালি করে দিতে হবে। কেন এখনও তিনি খালি করেননি বাংলো, তা তিনদিনের মধ্যে তা জানাতে বলা হয়েছে তাঁকে। মহুয়ার দাবি ছিল, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর তিনি দিল্লির বাংলো খালি করবেন। যদিও সেটা সম্ভব ছিল না। কারণ সাংসদ পদ চলে যাওয়ার পরে সরকারি ওই বাংলোতে থাকা যায় না। এই নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিলেন ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্ন করা একদা সাংসদ।

    দিল্লি হাইকোর্ট খারিজ করে মহুয়ার দাবি 

    মহুয়ার (Mahua Moitra) আইনজীবী জানিয়েছিলেন, যদি তাঁর মক্কেলকে সংশ্লিষ্ট সময়ের জন্য বাংলোয় থাকার অনুমতি দেওয়া হয়, তা হলে বর্ধিত সময়ের জন্য প্রযোজ্য যে কোনও খরচ দিতেও প্রস্তুত। তবে কার্যত মহুয়ার আবেদন খারিজ করে দেয় কোর্ট। বিচারপতি সুব্রহ্মণ্যম প্রসাদ গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছিলেন, সরকারি আবাসনে থাকার জন্য ডিওই-র কাছেই আবেদন করতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকারকে এই বিষয়ে আইন মেনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আদালত কিছু করতে পারবে না।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ০৯/০১/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ০৯/০১/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কর্মদক্ষতায় চাকরির স্থানে সুনাম অর্জন করতে পারবেন।

    ২) বিষয়-সম্পত্তি নিয়ে সংসারে অশান্তি। 

    বৃষ

    ১) আর্থিক ব্যাপারে ভাল সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

    ২) সারা দিন কোনও ভয় আপনাকে চিন্তায় ফেলতে পারে।

    মিথুন

    ১) বেকারদের নতুন কিছু করার চেষ্টা বাড়তে পারে।

    ২) সঙ্গীতচর্চায় নতুন রাস্তা খুলতে পারে। 

    কর্কট

    ১) মানসিক কষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) কোনও কোনও ভাল জিনিস নষ্ট হওয়ার যোগ। 

    সিংহ

    ১) অপরকে সুখী করতে গেলে আত্মত্যাগ করতে হবে।

    ২) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন। 

    কন্যা

    ১) ধর্মালোচনায় সুনাম বৃদ্ধি পাবে।

    ২) মাত্রাছাড়া আবেগ আপনার ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। 

    তুলা

    ১) সসম্মান নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে ঝামেলা বাধতে পারে। 

    বৃশ্চিক

    ১) সঞ্চয়ের ইচ্ছা বাড়তে পারে।

    ২) সকলের সঙ্গে কথা খুব বুঝে বলবেন।

    ধনু

    ১) ব্যবসায় লাভ হলেও অর্থ অপচয়ের সম্ভাবনাও আছে।

    ২) ছাত্রছাত্রীরা বহুমুখী প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন। 

    মকর

    ১) কুচিন্তা থেকে দূরে থাকুন।

    ২) চাকরির ক্ষেত্রে দিনটি খুব ভাল। 

    কুম্ভ

    ১) কোনও আধ্যাত্মিক কাজ করতে হতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে কেউ  আপনাকে ঠকাতে পারে। 

    মীন

    ১) বিদেশযাত্রার ব্যাপারে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) অতিরিক্ত ক্রোধের জন্য হাতে আসা কাজ নষ্ট হতে পারে। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: শাহজাহানকেই ধরতে পারল না পুলিশ, ডিজি নাকি কড়া ব্যবস্থা নেবেন!

    Sheikh Shahjahan: শাহজাহানকেই ধরতে পারল না পুলিশ, ডিজি নাকি কড়া ব্যবস্থা নেবেন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) ডেরায় রেশন দুর্নীতি তদন্তে হানা দিয়েছিল ইডি। শাহজাহানের বাহিনীর হাতে ইডি আধিকারিকরা আক্রান্ত হন। রাজ্যে প্রথম কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দুর্নীতির তদন্তে গিয়ে এভাবে বাধার মুখে পড়তে হয়। যা নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় পড়ে যায়। শাহজাহান সুন্দরবন এলাকাতেই ঘাপটি মেরে রয়েছেন। ঘটনার পর প্রায় চারদিন হতে চলল পুলিশ তাঁর টিকি ছুঁতে পারেননি। এতদিন পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি। ঘটনার চারদিন পর ডিজি রাজীব কুমার যা বললেন তা শাহজাহান কবে গ্রেফতার হবে তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

    কী বললেন ডিজি?

    সোমবার গঙ্গাসাগর মেলার নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে পরিদর্শনে যান ডিজি রাজীব কুমার। সন্দেশখালিতে ইডি-র হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যে বা যাঁরা আইনভঙ্গ করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এমনিতেই শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি করেছে ইডি। বিএসএফকে সতর্ক করা হয়েছে। একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্দেশখালিতেই এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে লুকিয়ে রয়েছেন তিনি। তারপরও গত চারদিন হতে চলল তাঁকে গ্রেফতার করার সাহস দেখায়নি পুলিশ। এতদিন পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করার জন্য কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে মনে হয় না। তবে, চারদিন পর অভিযুক্ত শাহজাহানকে গ্রেফতার করে এভাবে প্রকাশ্যে ডিজি মুখ খুললে ভালো হত, এমনই মনে করছে বিরোধীরা।

    ঠিক কী হয়েছিল সন্দেশখালিতে? (Sheikh Shahjahan)

    ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বাড়িতে রেশন দুর্নীতি মামলার সূত্রে তল্লাশি অভিযানে গিয়ে বেনজির হামলার শিকার হন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির আধিকারিকরা। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিন ইডি আধিকারিক। তারপর থেকেই তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তবে শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎই শেখ শাহজাহানের একটি অডিও টেপ সামনে আসে। সেখানে সিবিআই বা ইডিকে যাতে সন্দেশখালি তথা তাঁর অনুগামীরা ভয় না পান, সেই হুঙ্কার দিয়েছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে শেখ শাহজাহান সন্দেশখালির এক তৃণমূল নেতার বাড়িতেই লুকিয়ে রয়েছেন বলে বিস্ফোরক দাবি করলেন শুভেন্দু। ঘটনা হল, শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি করেছে ইডি। সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের পাশাপাশি প্রত্যেকটি বিমানবন্দরকে এ-ব্যাপারে প্রয়োজনীয় বার্তা দেওয়া হয়েছে। কোনওমতেই যাতে তৃণমূল নেতা পালাতে না পারেন। রবিবার রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। ইডি-র হামলার নিন্দা করেছেন। শাহজাহানকে কেন গ্রেফতার করা হয়নি তা পুলিশ প্রশাসনের কাছে জবাব তলব করেছেন। এরপরই ডিজিপি মুখ খুললেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Khardah: খেলার মাঠে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Khardah: খেলার মাঠে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগে কামারহাটি এলাকায় দিনের বেলায় প্রকাশ্যে এক তৃণমূল কর্মীকে গুলি করার অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে অবাধেই আগ্নেয়াস্ত্র ঘোরাফেরা করছে দুষ্কৃতী থেকে সাধারণ যুবকদের হাতে। খড়দার (Khardah) খেলার মাঠে গন্ডগোলের ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Khardah)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খড়দা (Khardah) পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে শিবমন্দির এলাকায় রবিবার রাতে ক্রিকেট প্রতিযোগিতা চলছিল। সেখানে অনেক দর্শকও ছিল। খেলার কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে আচমকা দুই পক্ষের মধ্যে ঝামেলা বাধে। গন্ডগোলের কারণে মাঝপথেই খেলা বন্ধ হয়ে যায়। খেলোয়াড়রা ব্যাট, বল ছেড়ে একে অপরের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। শুরু হয় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। অভিযোগ, সেই সময় খেলোয়াড়দের এক পক্ষের হয়ে বাইর থেকে দলবল নিয়ে খেলার মাঠে হাজির হয়। অন্যপক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন বিকাশ রাজভর নামে এক খেলোয়াড়। তারা আগ্নেয়াস্ত্র বের করে বিকাশ রাজভর নামে ওই খেলোয়াড়ের উপর চড়াও হন। বন্দুকের বাঁট দিয়ে বিকাশের মাথায় আঘাত করা হয়। হামলার জেরে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় খড়দা থানার পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি ওয়ান শটার বন্দুক উদ্ধার করে। যদিও পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার আগেই হামলাকারীরা এলাকা ছেড়ে পালায়। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তদের আর খোঁজ পাওয়া যায়নি।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, খেলার মাঠে কোনও বিষয় নিয়ে গন্ডগোল হতেই পারে, তার জন্য আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে এসে হামলা চালাতে হবে? সেখানে প্রচুর দর্শক ছিল। গুলি চললে বড় বিপদ হতে পারত। পুলিশ প্রশাসনের নজরদারি অভাবের কারণেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। অবিলম্বে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। নাহলে এই ধরনের ঘটনা আগামীদিনে আরও অনেক বাড়বে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kamarhati: তৃণমূলের দাদাগিরি! সেমেস্টারের পরীক্ষা দিতে পারলেন না মেডিক্যাল পড়ুয়ারা

    Kamarhati: তৃণমূলের দাদাগিরি! সেমেস্টারের পরীক্ষা দিতে পারলেন না মেডিক্যাল পড়ুয়ারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কামারহাটির (Kamarhati) সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দাদাগিরি। তৃণমূলের ছাত্র নেতাদের হুমকির জেরে প্রথম বর্ষের পরীক্ষার্থীরা সেমেস্টার পরীক্ষায় বসতে পারলেন না। বলা ভালো, তৃণমূলের বাধায় সেমেস্টারের পরীক্ষা দিতে পারলেন না পড়ুয়ারা। যা নিয়ে জোর আলোড়ন তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kamarhati)

    গত ৫ই জানুয়ারি কামারহাটির (Kamarhati) সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের প্রথম বর্ষের ছাত্রদের সেমেস্টার পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আগাম তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই মতো পড়ুয়ারা প্রস্তুতি শুরু করেন। কিন্তু, ৩ জানুয়ারি থেকে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে ছাত্রদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পরীক্ষা দিতে না যাওয়ার জন্য ক্রমাগত হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তাতে পরীক্ষার দিন সকালে প্রথম বর্ষের ছাত্রদের হস্টেলের ডর্মেটরিতে এসে উপস্থিত হওয়ার জন্য বলা হয়। আর এটা বাধ্যতামূলক বলে জানানো হয়। ফলে, ১২৫ জন মেডিক্যাল পড়ুয়া কেউ সেমেস্টারের পরীক্ষা দেননি।

    প্রতিবাদে বাম ছাত্র সংগঠন

    তৃণমূল ছাত্র নেতাদের এই দাদাগিরির বিরোধিতা করেছে সর্বভারতীয় গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠনের (এআইডিএসও) সদস্যরা। এদিন সর্বভারতীয় গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠনের সদস্য বিক্রম মণ্ডল, সায়ন দাসেরা এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে লিফলেট বিলি করেন। তাঁদের বক্তব্য, মেডিক্যাল কলেজে এই ধরনের দাদাগিরি মেনে নেওয়া যায় না।

    তৃণমূল ছাত্র নেতা কী সাফাই দিলেন?

    কামারহাটি (Kamarhati) সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সৌমিত্র প্রামাণিক বলেন, এই অভিযোগ একেবারে মিথ্যে। ছাত্ররা যদি পরীক্ষা দিতে না চান তার দায় আমাদের নয়। শুধু একটা মেসেজ এসেছিল সেটা ফরওয়ার্ড করেছি। তার মানে তো এটা নয় যে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ ওই মেসেজ করেছে। আসলে বাংলার শাসক দলের নাম বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: গৌড়বঙ্গে নেট পরীক্ষার সেন্টারের দাবিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দ্বারস্থ হচ্ছেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: গৌড়বঙ্গে নেট পরীক্ষার সেন্টারের দাবিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দ্বারস্থ হচ্ছেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট বা নেট পরীক্ষার সেন্টার মালদায় করার দাবিতে সরব হয়েছেন গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও (Sukanta Majumdar) উদ্যোগ নিয়েছেন। এনিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে লিখিতভাবে জানাতে চলেছেন।

    দুবছর আগেও মালদার সেন্টারে হত নেট পরীক্ষা

    কলেজে অধ্যাপনা ও উচ্চশিক্ষার জন্য নেট পরীক্ষা আবশ্যক। বছরে দু’বার করে এই পরীক্ষা হয়। দু’বছর আগেও পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, মুর্শিদাবাদ, মালদা ও শিলিগুড়িতে নেট পরীক্ষা নেওয়া হত। গৌড়বঙ্গের পরীক্ষার্থীদের জন্য মালদার একটি পরীক্ষার কেন্দ্রে এই পরীক্ষা নেওয়া হত। তবে, ২০২২ সালের পর থেকে গৌড়বঙ্গে আর কোনওরকম পরীক্ষা কেন্দ্র রাখা হয়নি। শুধুমাত্র গৌড়বঙ্গ নয়, মুর্শিদাবাদেও কোনওরকম পরীক্ষা কেন্দ্র নেই। বর্তমানে কলকাতা ও শিলিগুড়িতে নেট পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। গৌড়বঙ্গে তিন জেলা মিলিয়ে প্রায় ১৫-২০ হাজার পরীক্ষার্থী নেট পরীক্ষায় বসেন। মালদায় পরীক্ষা কেন্দ্র হলে দুই দিনাজপুর ও মালদার পরীক্ষার্থীদের সুবিধা হত। গত দুবছর ধরে তা বন্ধ রয়েছে। ফলে, গৌড়বঙ্গের পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দিতে হয় কলকাতা অথবা শিলিগুড়িতে যেতে হচ্ছে। পরীক্ষার দু-তিন দিন আগে পরীক্ষা কেন্দ্র জানানো হয়। যার ফলে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে সমস্যায় পড়তে হয়। পরীক্ষা দিতে গিয়ে থাকা খাওয়া ও যাওয়াটা ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। তাই, পড়ুয়ারা সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) দ্বারস্থ হয়েছেন।

    পরীক্ষার্থীদের কী বক্তব্য?

    এবিষয়ে বালুরঘাটের নেট পরীক্ষার্থী প্রদ্যুৎ মণ্ডল বলেন, বালুরঘাট থেকে কলকাতা বা শিলিগুড়িতে গিয়ে পরীক্ষা দেওয়াটা অনেকটাই ব্যয়বহুল। আগের মতো মালদাতে যদি একটি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়, তাহলে পরে আমাদের জেলার পরীক্ষার্থীদের সুবিধা হবে। এবিষয়ে নেট পরীক্ষার্থী অসীম বর্মন বলেন, বছরে দুবার করে নেট পরীক্ষা হয়। একটা সময় মালদায় পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল। এখন আর মালদায় পরীক্ষা হয় না। গৌড়বঙ্গে যদি পরীক্ষার কেন্দ্র হয়, তাহলে আমাদের মতো সকলের সুবিধা হবে।

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি কী বললেন? (Sukanta Majumdar)

    এবিষয়ে বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। গৌড়বঙ্গের পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে গৌড়বঙ্গের তিন জেলার যে কোনও একটিতে যাতে পরীক্ষা কেন্দ্র করা হয়, তার জন্য কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে চিঠি দেব। প্রয়োজনে এনিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cancer: মুক্তি পেয়ে সমাজের মূল স্রোতে, ক্যান্সারজয়ীদের গান-আবৃত্তিতে মুখর প্রেক্ষাগৃহ

    Cancer: মুক্তি পেয়ে সমাজের মূল স্রোতে, ক্যান্সারজয়ীদের গান-আবৃত্তিতে মুখর প্রেক্ষাগৃহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাপে কামড়ালে বিষে যতজনের না মৃত্যু হয়, তার চেয়ে বেশি মৃত্যু হয় আতঙ্কে। ক্যান্সার (Cancer) নামটা শুনলেও আতঙ্কে অর্ধমৃত হয়ে যান আক্রান্তরা, এমনকী তাঁদের বাড়ির লোকজনও। কিন্তু ক্যান্সারের আরোগ্য শুধু যে সম্ভব তা নয়, এই রোগ থেকে সেরে ওঠার পরে একেবারে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাও সম্ভব। সেটা দেখাতেই অনুষ্ঠান হয়ে গেল কলকাতার মহাজাতি সদনে। নতুন বছরের প্রথম রবিবার, ৭ জানুয়ারির অনুষ্ঠান মনে করিয়ে দিল রবীন্দ্রনাথের সেই অবিস্মরণীয় পংক্তি-“যত বড়ো হও, তুমি তো মৃত্যুর চেয়ে বড়ো নও। আমি মৃত্যু-চেয়ে বড়ো”।

    গান গাইলেন হৃদয় দিয়ে (Cancer)

    ক্যান্সার (Cancer) জটিল রোগ হলেও এখন যে আর মারণ রোগ নয়, সেকথা শোনালেন এই রোগ থেকে যাঁরা মুক্তি পেয়েছেন, তাঁরা, নিজের মুখে। দুবেলা মরার আগে না মরে তাঁরা যে শুধু মৃত্যুকে জয় করেছেন তা নয়, সযত্নে লালন করেছেন মননকেও। তাই গান-আবৃত্তিতে মুখর প্রেক্ষাগৃহ শুনল তাঁদের হৃদয়ের গান, হৃদয়ের ছন্দ। মনে করিয়ে দিল মান্না দে’র কণ্ঠে গাওয়া সেই অমর গান-“হদয়ের গান শিখে তো গায় তো সবাই/ ক’জনা হৃদয় দিয়ে গাইতে পারে?” অনুষ্ঠানে হৃদয় দিয়ে গান গাইলেন ক্যান্সার থেকে মুক্তি পাওয়া মানুষজন।

    স্বাভাবিক জীবনেও ফেরা যায় (Cancer)

    রক্তের বিবিধ রোগ, বিশেষ করে ব্লাড ক্যান্সারের (Cancer) মতো মারণ রোগও রুখে দেওয়া যায় প্রকৃত চিকিৎসার মাধ্যমে। জটিল ক্যান্সার রোগ থেকে মুক্তি পেয়ে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসা ক্যান্সারজয়ীরা শোনালেন তাঁদের ক্যান্সার জয়ের কাহিনি। রবিবার কলকাতার মহাজাতি সদনে ‘উজ্জীবন’ নামে এক অনুষ্ঠানে তাঁরা জানান, ক্যান্সারের আরোগ্য শুধু যে সম্ভব তাই নয়, এই রোগ থেকে সেরে ওঠার পরে একেবারে স্বাভাবিক জীবনেও ফেরা যায়।

    বার্ষিক মিলন উৎসব

    বিগত কয়েক বছর ধরে উপযুক্ত চিকিৎসায় ক্যান্সার রোগীদের সারিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে এনেছেন যিনি, সেই বিশিষ্ট রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সৌম্য ভট্টাচার্য-র ডাকে কয়েকশো ক্যান্সার সারভাইভার রবিবার এসেছিলেন এই বার্ষিক মিলন উৎসবে। এখানে তাঁরা নিজেদের ক্যান্সার জয়ের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও অংশ নেন। অনেকেই জানান, দেশ-বিদেশে চিকিৎসা করিয়েও যখন তাঁদের ক্যান্সার রোগ সারছিল না, তখন সৌমবাবুর সান্নিধ্যে এসে চিকিৎসার মাধ্যমে তাঁরা ধীরে ধীরে ক্যান্সারকে জয় করেছেন। সৌম্য ভট্টাচার্য বলেন, সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার মাধ্যমে যে জটিল থেকে শুরু করে জটিলতর ক্যান্সার (Cancer) রোগকেও সারিয়ে তোলা যায়, এই ক্যান্সারজয়ীরাই তার উদাহরণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: সুন্দরবনে ঘন ঘন বদলাচ্ছে শাহজাহানের লোকেশন, বাংলাদেশ পালানোর ছক?

    Sheikh Shahjahan: সুন্দরবনে ঘন ঘন বদলাচ্ছে শাহজাহানের লোকেশন, বাংলাদেশ পালানোর ছক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) ঠিক কোথায় রয়েছেন? বিগত কয়েকদিন ধরে এই প্রশ্নটাই ঘুরপাক খাচ্ছে রাজ্যবাসীর মনে। ইতিমধ্যে এই ইস্যুতে পুলিশের বিরুদ্ধে কড়া বিবৃতি দিয়েছেন রাজ্যপাল। রাজ্য পুলিশকে তাঁর প্রশ্ন, কেন এখনও শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) গ্রেফতার হল না? অন্যদিকে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ তুলেছেন যে, তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতেই নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছেন শাহজাহান। তবে তাঁর খোঁজে নেমে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে গোয়েন্দাদের হাতে। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ অথবা মায়ানমারে পালিয়ে যাওয়ার ছক কষছেন সন্দেশখালির এই নেতা।

    নজরদারি রাখছে বাংলাদেশের প্রশাসনও

    ইতিমধ্যে আগেই তাঁর বিরুদ্ধে লুক-আউট নোটিশ জারি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। জানা গিয়েছে, ওই লুক আউট সার্কুলার জারি হওয়ার পরেই শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) পক্ষে সীমান্ত পার করা কঠিন হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, শাহজাহানের উপরে নজরদারি রাখছে বাংলাদেশের প্রশাসনও, কারণ সন্দেশখালির এই তৃণমূল নেতা আওয়ামী লিগের বিরুদ্ধে বলেই জানা গিয়েছে। সন্দেশখালিতে কান পাতলে এখনও শোনা যায় যে শেখ শাহজাহান বাংলাদেশ থেকে উঠে এসেছেন।

    সুন্দরবনেই ঘুরপাক খাচ্ছেন শাহজাহান

    তবে গোয়েন্দাদের হাতে যে নতুন তথ্য এসেছে তাতে তাঁরা জানতে পেরেছেন যে, সুন্দরবনেই ঘুরপাক খাচ্ছেন শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) এবং একের পর এক তাঁর অবস্থান বদল করছেন। অন্তত মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে তেমনটাই জানা যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, এখন নাকি একটি মাত্র মোবাইল ব্যবহার করছেন শাহজাহান। সেই সিমের লোকেশন অনুযায়ী তদন্তকারীদের কাছে এই তথ্য মিলছে। তবে তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করতে শাহজাহানের ফোন অন্য জনের কাছে রয়েছে কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। বাংলাদেশ পালানোটা কঠিন হলেও অন্ততপক্ষে গোপনে নদী পেরিয়ে সেখানে যাওয়ারই পরিকল্পনা করছেন শাহজাহান।

    শাহজাহানের লোকেশন

    ইডি সূত্রে খবর মিলেছে, শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) প্রথম লোকেশন সরবেড়িয়া গ্রামে পাওয়া গিয়েছিল। ঘটনার দিন তিনি বাড়িতে ছিলেন বলেই অনুমান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। দ্বিতীয় লোকেশন পাওয়া যায় সন্দেশখালিতে। এরপরে হিঙ্গলগঞ্জে কয়েক ঘণ্টা ছিলেন শাহজাহান। তারপরে আবার বেপাত্তা হয়ে যান তিনি। রবিবার তাঁর লোকেশন পাওয়া যায় দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বাসন্তীর কুমড়োখালি এলাকায়। ইতিমধ্যে ভোটের ফলাফল বেরিয়েছে বাংলাদেশের। সে দেশে আবার তৈরি হচ্ছে আওয়ামী লিগের সরকার। গোয়েন্দাদের অনুমান, এবার জলপথে বাংলাদেশ পালিয়ে যেতে চান শাহজাহান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: কালী মন্দিরের মূল মন্ত্র ‘বন্দে মাতরম’, দেবী পূজিত হন ভারতমাতা রূপে

    Durgapur: কালী মন্দিরের মূল মন্ত্র ‘বন্দে মাতরম’, দেবী পূজিত হন ভারতমাতা রূপে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু শাস্ত্রে দেবদেবীর সংখ্যা অসংখ্য। তার মধ্যে প্রায় গোটা ভারতবর্ষে দেবী কালী পূজিত হয়ে আসছেন অনেক রাজ্যেই। আর এই দেবী কালী যে এক রূপেই বিরাজ করেন, তা কিন্তু নয়। কালীর আছে অসংখ্য রূপ। হিন্দু পুরাণ মতে, দেবী কালীর বিভিন্ন রূপ যেমন: দক্ষিণাকালী, সিদ্ধকালী, গুহ্যকালী, মহাকালী ইত্যাদি। কিন্তু পুরান শাস্ত্র থেকে বেরিয়ে এসে এই মা কালীর আরও একটি রূপ আছে, যা গোটা ভারতবর্ষের মধ্যে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের শিল্পনগরী দুর্গাপুরেই (Durgapur) দেখা যায়। এখানে ভবনী পাঠকের আরাধ্য দেবী কালী পূজিত হন ভারতমাতা রূপে। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। আর এমনটাই হয়ে আসছে দীর্ঘ কয়েকশো বছর আগে থেকে। যা অনেক ইতিহাস বহন করে নিয়ে আসছে।

    কোথায় অবস্থিত এই মন্দির? কী এর ইতিহাস? (Durgapur)

    পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরের অম্বুজা কলোনিতে অবস্থিত এই মন্দির ভবানী মাতার মন্দির নামেই পরিচিত। এই মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত দেবী কালি ভারতমাতা রূপে পূজিত হয়ে আসছেন দীর্ঘ সময় থেকে। পুজোর সময় মূল মন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় ‘বন্দে মাতরম, জয় জয় ভারতবর্ষম। ঐক্যং শরণম গচ্ছামি। সত্যম শরণম গচ্ছামি। স্বরাজম শরণম গচ্ছামি’। এই মন্ত্র একদম ব্যতিক্রমী। এমনকী মন্দির খোলা এবং বন্ধের সময় ঠিক এই মন্ত্রই জপ করা হয়। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, আগে এই মন্দির ছিল স্বাধীনতা সংগ্রামীদের একটি বড় আখড়া। মন্দিরের পুরোহিতদের কাছ থেকে জানা যায়, বিভিন্ন স্বাধীনতা সংগ্রামীদের এখানে নিয়মিত যাতায়াত ছিল। মন্দিরের পরিবেশ নির্জন হওয়ায় অনেক সময় অনেক স্বাধীনতা সংগ্রামী এই মন্দিরে এসে আশ্রয় নিতেন। এমনকী ব্রিটিশ সৈন্যদের পরাস্ত করার জন্য বিভিন্ন প্ল্যানের নকশা (ব্লু প্রিন্ট) এখানে বসেই তৈরি করা হত। এই সময় ভারতমাতা রূপে কালীকে প্রণাম করেই স্বাধীনতা সংগ্রামীরা তাঁদের উদ্দেশ্যের পথে রওনা দিতেন। এমনকী কথিত আছেে, দেশ ছাড়ার আগে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এই মন্দিরে (Durgapur) এসে রাত্রিযাপন করেছিলেন।

    ইতিহাস বিশেষজ্ঞরা কী জানাচ্ছেন?

    বিভিন্ন ইতিহাস বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় বিভিন্ন বিপ্লবীরা এই কালীকে ভারতমাতা রূপে পুজো করার সিদ্ধান্ত প্রথম নিয়েছিলেন। সংগ্রামীরা মনে করতেন দেবী কালী যা ভারতমাতা রূপে পূজিত হন, সেই দেবী সব সময় সংগ্রামীদের রক্ষা করবেন, সঙ্গে দেশবাসীকেও মাতৃরূপে রক্ষা করবেন। ঠিক আবার তেমনি মহাকালী রূপে শত্রুদের দমনও করবেন তিনিই। সেই সময় থেকেই স্বাধীনতা সংগ্রামীরা দেবী কালীর (Durgapur) আরাধনা করতেন। 
    ইতিহাসবিদদের মতে, এই মন্দিরের দেবী মূর্তির পিছনে একটি অখণ্ড ভারতবর্ষের মানচিত্র ছিল। যে মানচিত্র বর্তমানে আর নেই। কিন্তু বিপ্লবীরা যেভাবে দেবীকে পুজো করে এসেছেন, এখনও সেই রীতি মেনেই পুজো করা হয় এই কালীকে। এমনকী দেবীর বেদীতে এখনও পর্যন্ত বন্দে মাতরম লেখা আছে (Durgapur)। মন্দিরে প্রবেশ করলেই দেখা যায় ভারতমাতার জপমন্ত্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: ‘হিন্দুদের ১৩৯ একর জমি কেড়ে রোহিঙ্গা কলোনি’! বিস্ফোরক অর্চনা মজুমদার

    Sheikh Shahjahan: ‘হিন্দুদের ১৩৯ একর জমি কেড়ে রোহিঙ্গা কলোনি’! বিস্ফোরক অর্চনা মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) কোথায় রয়েছেন, তা নিয়ে রাজ্যজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই তাঁর নামে লুকআউট নোটিশ জারি করা হয়েছে। এই আবহের মধ্যেই তৃণমূলের দাপুটে এই নেতার বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র অর্চনা মজুমদার। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    হিন্দুদের ১৩৯ একর জমি কেড়ে রোহিঙ্গা কলোনি! (Sheikh Shahjahan) 

    বিজেপির মুখপাত্র অর্চনা মজুমদার বাংলা সংবাদ মাধ্যমের একটি বিতর্কসভায় যোগ দিয়ে বলেন, আমি বসিরহাটের বিজেপির দায়িত্বে আছি। সন্দেশখালিতে কাজ করি। আমি যেটা দেখেছি, শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) ২০২১ সালের পরে অবিচারে হিন্দুদের সম্পত্তি ১ টাকা দরে জোর করে গান পয়েন্টে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি করে নিয়েছেন। তিনটি ট্রাস্ট-সুমাইয়া আবেদা ট্রাস্ট, হাবু আবু সিদ্দিকি ট্রাস্ট এবং বাসন্তী এডুকেশন্যাল ট্রাস্ট তৈরি করে রোহিঙ্গা কলোনি গড়েছেন। হিন্দু ধর্মীয় মানুষদের কাছ থেকে প্রায় ১৩৯ একর জমি কেড়ে নিয়ে রোহিঙ্গা কলোনি ও তিনটি ট্রাস্ট গড়েছেন। যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকার উপরে। তিনি আরও বলেন, ওই জমিগুলি কোনও মুল্য না দিয়েই গায়ের জোরে তিনি দখল করেছেন।

    বাম আমল থেকে শাহজাহানের বাহিনীর দাপট (Sheikh Shahjahan)  

    বাম আমলে মূলত সন্দেশখালি এলাকায় তোলাবাজির মুখ্য ভূমিকা ছিল শাহজাহান শেখের (Sheikh Shahjahan)। তৃণমূলে আসার পর জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ হতেই তাঁর বাড়বাড়ন্ত শুরু হয়। মেছোভেড়ি থেকে ইটভাটা, এমনকী মাটি বেচাকেনাতেও তোলা দিতে হত এই শাজাহানকে। এলাকায় কোনও ভেড়ি থেকে বিঘা প্রতি তোলা আদায়ের রেট চার্ট তৈরি হত তাঁরই তত্ত্বাবধানে। সন্দেশখালির পঞ্চায়েত প্রধান থাকার সময় একসঙ্গে তিনজন বিজেপি কর্মীকে খুন। ২০১৯ সালে বিজেপির ঝড়ের মধ্যে বসিরহাটে তৃণমূল প্রার্থী নুসরত জাহানকে সন্দেশখালি থেকে প্রচুর ভোটে লিড দিয়েছিলেন এই শাহজাহান। ইনাম পেয়েছিলেন দলের থেকে। মাথায় হাত ছিল জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। জুটেছিল জেলা পরিষদের টিকিট। ভোটে জিতে হয়েছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার জেলা পরিষদের মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ কর্মাধ্যক্ষ। একইসঙ্গে তিনি আবার সন্দেশখালির ব্লক ১ এর সভাপতিও। ক্ষমতার দাপট বাড়তেই বাহিনীর দাপটও বাড়তে শুরু করে। পুলিশও তার বাহিনীকে স্পর্শ করার সাহস দেখায় না। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। আর রেশন দুর্নীতির অভিযোগে ইডি হানা দিতে শাহজাহানের বাহিনীর দাপট দেখলেন রাজ্যবাসী। ইডি অফিসারদের রক্তাক্ত করতে পিছপা হল না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share