Tag: Madhyom

Madhyom

  • Ram Mandir: শীতের রাত ১০টা, অযোধ্যার হনুমানগড়ি মন্দির প্রাঙ্গণে তিল ধারণের জায়গা নেই!

    Ram Mandir: শীতের রাত ১০টা, অযোধ্যার হনুমানগড়ি মন্দির প্রাঙ্গণে তিল ধারণের জায়গা নেই!

    রামনগরী অযোধ্যা-ছয়

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, অযোধ্যা থেকে ফিরে: প্রভু রামের মন্দিরে ফেরা ২২ জানুয়ারি। তার আগেই অযোধ্যার উৎসবের ঢেউ গিয়ে পড়ছে আসমুদ্র হিমাচলে। কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী হোক, অথবা গুজরাট থেকে গুয়াহাটি। সর্বত্রই রামভক্তরা এখন থেকেই আনন্দে মেতেছেন। কেউ হায়দরাবাদ থেকে সোনার জুতো নিয়ে রামনগরীতে (Ram Mandir) পৌঁছাচ্ছেন, তো কোথা থেকে আসছে রামের রথ। তবে ভগবান রামের সব থেকে বড় শিষ্য রাম জন্মভূমির অদূরে তাঁর নিজের মন্দিরেই দীর্ঘকাল বিরাজমান রয়েছেন। অযোধ্যার হনুমানগড়ি মন্দিরও ভক্তদের অন্যতম তীর্থস্থল হিসেবে পরিচিত। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে যখন মন্দির চত্বরে পৌঁছালাম, ঘড়ির কাঁটা তখন রাত ১০টা ছুঁয়েছে। শীতের রাতেও মন্দির প্রাঙ্গণে তিল ধারণের জায়গা নেই। ভক্তদের বিশ্বাস, প্রভু রামচন্দ্রের জন্মস্থানেই থাকেন বজরঙ্গবলী। হনুমানগড়ি মন্দির যেতে রামপথের ওপর দিয়ে সোজা হাঁটতে হবে ঠিক রাম মন্দিরের দিকে। তারপরেই ডানদিকে ভেঙে যাচ্ছে রামপথ। সেখানেই রয়েছে হনুমানগড়ি মন্দির। রাম মন্দিরের মতোই এখানেও ২৪ ঘণ্টাই পুলিশি ব্যারিকেড রয়েছে।

    টিলার ওপর বিরাজ করছেন বালক বজরঙ্গবলী (Ram Mandir)

    টিলার ওপর বিরাজ করছেন বালক বজরঙ্গবলী। হনুমানের দর্শন পেতে তাই ভাঙতে হবে ৭৬টি সিঁড়ি। হলুদ ধুতি পরা তরুণ পুরোহিতরা ভক্তদের পুজো পৌঁছে দিচ্ছেন হনুমানের চরণতলে। কপালে তিলকও এঁকে দিচ্ছেন তাঁরা। হনুমানের দর্শন পেতে সে কী হুড়োহুড়ি! বোঝাই গেল রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে হনুমানগড়িতে যদি এত ভিড় হয়, তাহলে ২২ জানুয়ারির পর ঠিক কী হতে চলেছে। ভগবান রামের পাশাপাশি অযোধ্য়ার উদ্দেশে যাওয়া তীর্থযাত্রীদের গন্তব্য যে হনুমানগড়ি হবে, একথা বলাই যায়। বিরাট মন্দিরকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে চারপাশে অনেক ছোট-বড় ব্যবসায়ী দোকান তৈরি করেছেন, বেশ কিছু নতুন দোকানও তৈরি হচ্ছে দেখা গেল। বোঝাই যাচ্ছে, ব্যবসায়ীরাও আশায় বুক বাঁধছেন রাম মন্দির উদ্বোধনের। মন্দিরের ডানদিক বরাবর সোজা গেলে পড়বে দশরথ ভবন। এই রাস্তাতেই পসরা সাজিয়ে বসেছেন অনেকে। গোটা রামায়ণ যেন মূর্ত হয়ে উঠেছে অযোধ্যার (Ram Mandir) কোনায় কোনায়, পথে পথে, সরযূর জলে।

    হনুমানগড়ির পৌরাণিক কথা (Ram Mandir)

    প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, অযোধ্যায় রামের দর্শনের (Ram Mandir) আগে তাঁর প্রিয় ভক্ত বজরঙ্গবলীর দর্শন ও আজ্ঞা নেওয়া জরুরি। হনুমানগড়ি মন্দির অযোধ্যার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মন্দির। এই মন্দিরে ৬ ইঞ্চির বালক বজরঙ্গবলীর প্রতিমা রয়েছে। হনুমানের সঙ্গে তাঁর মা অঞ্জনীও আছেন এই মন্দিরে। মন্দির পরিসরে অঞ্জনীর কোলে দেখা যায় হনুমানকে। মন্দিরের চারপাশের দেওয়ালে হনুমান চালিশার পংক্তি লেখা রয়েছে। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, হনুমানগড়িতে রাজা হিসেবে বজরঙ্গবলীর রাজতিলক করেন রাম। একটি গুহায় বসবাস করে বজরংবলী রামজন্মভূমি ও অযোধ্যাকে রক্ষা করেন। বজরঙ্গবলীর সেবা ও ভক্তিতে প্রসন্ন হয়ে রাম বলেন, যাঁরা অযোধ্যায় আমার দর্শনের জন্য আসবেন, তাঁদের সবার আগে হনুমানের দর্শন, পুজো ও অনুমতি নিতে হবে। হনুমানের অনুমতি না-নিয়ে ও পুজো না-করে রামের দর্শন ও পুজোর ফল পাওয়া যায় না। রামচরিত মানসের সুন্দরকাণ্ডে বলা হয়েছে, বজরংবলী রামের সবচেয়ে প্রিয় ভক্ত। তাই রামের দর্শন ও আশীর্বাদ লাভের জন্য বজরংবলীর দর্শন ও আশীর্বাদ নিতে হয়। এ কারণে হনুমানগড়িতে বজরঙ্গবলীর পুজোর পর রামের দর্শনের পরম্পরা প্রচলিত। রাম মন্দিরের ভূমি পূজনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সর্বপ্রথম হনুমানগড়িতেই পুজো দেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: সজলধারা প্রকল্পের নামে সরকারি জায়গা নিয়ে হচ্ছে ব্যক্তিগত বাড়ি! কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা

    Arambagh: সজলধারা প্রকল্পের নামে সরকারি জায়গা নিয়ে হচ্ছে ব্যক্তিগত বাড়ি! কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার মদতে সরকারি জায়গা দখল করার অভিযোগ। আর সেই জায়গা দখল করেই চলেছে পাকা বাড়ি তৈরির কাজ। আর কেউ প্রতিবাদ করলেই জুটছে হুমকি। আরামবাগের (Arambagh) কাষ্টদহী এলাকায় এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Arambagh)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আরামবাগ (Arambagh) মহকুমার মায়াপুর ২ নং পঞ্চায়েতের কাষ্টদহী এলাকা। সেখানেই গ্রামের পাকা রাস্তার মোড়ে হঠাৎ করেই দেখা যায়, রাস্তার ধারে রাতের অন্ধকারে সরকারি জায়গা দখল করে শুরু হয় পাকা বাড়ি তৈরির কাজ। অভিযোগ, স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য শান্তিরাম মালিক রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিজেই অন্যের নামে এই বাড়ি তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকী কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। যদিও ঘটনার খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন আরামবাগের মহকুমা শাসক সুভাষিনী ই।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ওই সরকারি জায়গা দেখিয়ে সজলধারা প্রকল্পের জন্য আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু, গ্রামের উন্নয়নমূলক কাজের পরিবর্তে রাজনৈতিক ক্ষমতা বলে সেখানেই তৈরি হচ্ছে নেতার দোকান ঘর। যা কেউ মেনে নিতে পারছেন না। তাই আমরা একজোট হয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    অন্যদিকে, সরকারি সম্পত্তি দখল প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য শান্তিরাম মালিক বলেন, আমি পেশায় রাজমিস্ত্রী। ওই এলাকার এক ব্যক্তি আমার থেকে জমি বিক্রির টাকা পেত। সেই টাকার পরিবর্তে আমি তাঁকে বাড়ি করে দিচ্ছি। সরকারি জমি দখল করে কেন বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে? এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নিজের নামে আমি কোনও জায়গা দখল করিনি।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই প্রসঙ্গে আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে একটা জায়গাকে তিনবার বিক্রি করা, সরকারি সম্পত্তি দখল করা এটা তৃণমূল নেতাদের বৈশিষ্ট্য। আগামী আর কয়েক মাসের মধ্যে তৃণমূল দলটা আর থাকবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ৮ হাজার কিমি হেঁটে রামের জন্য সোনার পাদুকা আনছেন হায়দরাবাদের চার্লা শ্রীনিবাস

    Ram Mandir: ৮ হাজার কিমি হেঁটে রামের জন্য সোনার পাদুকা আনছেন হায়দরাবাদের চার্লা শ্রীনিবাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হায়দরাবাদ থেকে চার্লা শ্রীনিবাস শাস্ত্রী (৬৪) আট হাজার কিলোমিটার তীর্থযাত্রা করে অযোধ্যা পৌঁছাতে চলেছেন দিন কয়েকের মধ্যেই। ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত রামের পাদুকা নিয়ে তিনি পৌঁছাবেন রামনগরীতে (Ram Mandir)। ওই পাদুকা দুটি রুপোর তৈরি এবং সোনা দিয়ে মোড়া বলে জানা গিয়েছে। এক একটির ওজন ১২ কেজি। এর আগে, রাম জন্মভূমিতে (Ram Mandir) আড়াই কোজি ওজনের পাঁচটি রুপোর ইট প্রদান করেছিলেন শাস্ত্রী। প্রসঙ্গত, ২২ জানুয়ারি রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগেই অবশ্য অযোধ্যা পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর (শাস্ত্রী)।

    রামের বনবাসে যাওয়ার পথেই হাঁটছেন শাস্ত্রী

    জানা গিয়েছে, অযোধ্যা-রামেশ্বরমের পথেই হাঁটছেন শ্রীনিবাস শাস্ত্রী। প্রসঙ্গত এটাই হল রামচন্দ্রের বনবাসের পথ। তবে তিনি (শাস্ত্রী) দক্ষিণ থেকে উত্তরে আসছেন, এটাই পার্থক্য। গত বছরের ২০ জুলাই এই তীর্থযাত্রা শুরু করেন শাস্ত্রী। তীর্থপথের মাঝখানে প্রসিদ্ধ স্থান, যেখানে রামচন্দ্র শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলে বিশ্বাস রয়েছে ভক্তদের, সেখানেও গিয়েছেন তিনি। ওড়িশা রাজ্যের পুরী, মহারাষ্ট্রের ত্রিম্বক, গুজরাটের দ্বারকা এই সমস্ত তীর্থভূমি ঘুরে তিনি অযোধ্যার খুব কাছেই চলে এসেছেন। প্রতিদিন ৩৮ কিলোমিটার করে পথ হাঁটছেন।

    কী বলছেন চার্লা শ্রীনিবাস শাস্ত্রী?

    শাস্ত্রীর সঙ্গে রয়েছে রামের পাদুকা (Ram Mandir) ছাড়াও পঞ্চধাতুর রামের মূর্তি। নিজের মাথায় তিনি তা বয়ে চলেছেন। পঞ্চধাতুর মূর্তি তিনি প্রদান করতে চান উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে। প্রসঙ্গত, তাঁর এই যাত্রার বিষয়ে শাস্ত্রী বলেন, ‘‘আমার বাবাও অযোধ্যাতে করসেবায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি ভগবান হনুমানের ভক্ত ছিলেন। তাঁরও স্বপ্ন ছিল অযোধ্যার ভূমিতে রাম মন্দির দেখে যাওয়া। কিন্তু তিনি বর্তমানে বেঁচে নেই। তাই আমি স্থির করলাম তাঁর স্বপ্নকে পূরণ করার।’’ বর্তমানে তিনি চিত্রকোটে রয়েছেন, যেখান থেকে অযোধ্যা দূরত্ব ২৭২ কিলোমিটার। শাস্ত্রীর সঙ্গে আরও পাঁচজন রয়েছেন, যাঁরা তাঁর সঙ্গে তীর্থযাত্রা করছেন। তবে প্রথমে তাঁর সঙ্গে যাত্রায় সামিল হয়েছিলেন ২০ জন। তাঁরা ফিরে গিয়েছেন। জানা গিয়েছে অযোধ্যাতে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে চান শাস্ত্রী এবং সেখানে একটি বাড়িও নির্মাণ করতে চাইছেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: তৃণমূল নেতার বাড়িতে লুকিয়ে শাহজাহান! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: তৃণমূল নেতার বাড়িতে লুকিয়ে শাহজাহান! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান কোথায় আত্মগোপন করে রয়েছেন, তা নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়ে থাকতে পারেন বলে যে-কথা শোনা যাচ্ছিল ইডির একটি সূত্রে, রবিবার তা উড়িয়ে দিয়ে শুভেন্দুর দাবি, মোটেও বাংলাদেশে পালিয়ে যাননি শাহজাহান। তিনি সন্দেশখালিতেই আস্তানা গেড়েছেন।

    শেখ শাহজাহান নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    রবিবার নন্দীগ্রামের ভাঙাবেড়িয়ায় শহিদ দিবস কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার পর শাহজাহান প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘সন্দেশখালিতেই রয়েছেন শাহজাহান। গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হাজি সিদ্দিক জাহান মোল্লার বাড়িতে লুকিয়ে রয়েছেন। লুকআউট নোটিশ জারি থাকায় ঢুকতে পারেননি বাংলাদেশে। কেন্দ্রীয় এজেন্সি বাংলাদেশ সরকারকে সতর্ক করেছে। একইসঙ্গে রাজ্যে সন্দেশখালির ঘটনার সূত্রে ৩৫৫ ধারা জারি করার আওয়াজও তুললেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, ‘৩৫৫ ধারা জারি হলেই সব টাইট হয়ে যাবে।’

    ঠিক কী হয়েছিল সন্দেশখালিতে?

    ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে শাহজাহানের বাড়িতে রেশন-দুর্নীতি মামলার সূত্রে তল্লাশি অভিযানে গিয়ে বেনজির হামলার শিকার হন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির আধিকারিকরা। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিন ইডি আধিকারিক। তারপর থেকেই তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তবে শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎই শেখ শাহজাহানের একটি অডিও টেপ সামনে আসে। সেখানে সিবিআই বা ইডিকে যাতে সন্দেশখালি তথা তাঁর অনুগামীরা ভয় না পান, সেই হুঙ্কার দিয়েছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে শেখ শাহজাহান সন্দেশখালির এক তৃণমূল নেতার বাড়িতেই লুকিয়ে রয়েছেন বলে বিস্ফোরক দাবি করলেন শুভেন্দু। ঘটনা হল, শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি করেছে ইডি। সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের পাশাপাশি প্রত্যেকটি বিমানবন্দরকে এ-ব্যাপারে প্রয়োজনীয় বার্তা দেওয়া হয়েছে। কোনওমতেই যাতে তৃণমূল নেতা পালাতে না পারেন।

    ৩৫৫ ধারার দাবি তুললেন শুভেন্দু

    এদিকে রবিবার নন্দীগ্রামে শহিদ দিবসের কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরব হন শুভেন্দু। সন্দেশখালির বেনজির ঘটনার কথা তুলে ধরে বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘আমি রাজ্যপালকে বলব, রাজ্যের ৩০ থেকে ৪০টি থানাকে চিহ্নিত করে ৩৫৫ ধারা প্রয়োগ করুন। তাহলেই সব টাইট হয়ে যাবে।’ সন্দেশখালিতে ঘটনার সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে শুভেন্দু বলেন, ‘পুলিশ তৃণমূলের দলদাসে পরিণত হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল নেতাদের বাঁচাতে তারা সদা তৎপর।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Anand Bose: ‘পুলিশকে কৃতকর্মের ফল ভুগতে হবে’, শাহজাহান ইস্যুতে কড়া বার্তা রাজ্যপালের

    CV Anand Bose: ‘পুলিশকে কৃতকর্মের ফল ভুগতে হবে’, শাহজাহান ইস্যুতে কড়া বার্তা রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে ফের একবার ক্ষোভপ্রকাশ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose)। শুক্রবার তিনি সন্দেশখালিকাণ্ডে রাজ্য সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। রবিবার সিআরপিএফের আইজির সঙ্গে তাঁর বৈঠক সম্পন্ন হয় রাজভবনে। প্রসঙ্গত, শেখ শাহজাহানের ঘটনা নিয়ে ইডি কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose)। সেই বৈঠকের পরই রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। রাজ্য পুলিশের প্রতি রাজ্যপালের হুঁশিয়ারি, “চোর-পুলিশ খেলা বন্ধ করুন। পুলিশকে কৃতকর্মের ফল ভুগতে হবে।”

    কেন গ্রেফতার হল না শেখ শাহজাহান

    এখানে সরকারের উদ্দেশে রাজভবন জানতে চায় যে কেন এখনও শেখ শাহজাহান গ্রেফতার হয়নি? তৃণমূলের এই দুষ্কৃতীনেতা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে চলে গিয়েছেন, নাকি অন্য কোনও দেশে চলে গিয়েছেন—সেই বিষয়েও সরকারের অবস্থানকে স্পষ্ট করতে বলেছেন তিনি। রবিবার আরও একবার রাজ্য-প্রশাসনকে রাজভবন মনে করিয়ে দিয়েছে যে, তারা আইন-শৃঙ্খলাজনিত ব্যাপারে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ। রাজ্যপাল বোসের (CV Anand Bose) কড়া বার্তা, “শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে না পারার ব্যর্থতা কোন পুলিশ অফিসারদের? তাঁদের শাস্তি দিন।”

    লুকিয়ে থেকে হুমকিবার্তা শাহজাহানের

    এদিকে, অজ্ঞাত ডেরা থেকে লুকিয়ে হুঙ্কার দিচ্ছেন শেখ শাহজাহান। শনিবার রাতেই এই হুমকি প্রকাশ্যে আসে। অডিওবার্তায় তিনি বলেছেন, ‘‘ইডি-সিবিআইকে নিয়ে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ বুঝতে পারছে পুরোটাই চক্রান্ত। আমি শেখ শাহজাহান বলছি। দোষ করলে মাথা কেটে ফেলুন।’’ এখানেই উঠছে প্রশ্ন। তৃণমূল নেতা যদি সত্যিই নিরপরাধ হন, তবে ইডির তদন্ত মোকাবিলা করতে তাঁর এত ভয় কিসের? কেনই বা বাড়িতে তল্লাশি করতে ঢুকতে বাধা দেওয়া হল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে?

    সন্দেশখালির পঞ্চায়েত প্রধান থাকার সময় একসঙ্গে তিনজন বিজেপি কর্মীকে খুন করেছিলেন তিনি, এমনটাই অভিযোগ। ২০১৯ সালে বিজেপির ঝড়ের মধ্যে বসিরহাটে তৃণমূল প্রার্থী নুসরত জাহানকে সন্দেশখালি থেকে প্রচুর ভোটে লিড দিয়েছিলেন এই শাহজাহান। ইনাম পেয়েছিলেন দলের থেকে। মাথায় হাত ছিল জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। জুটেছিল জেলা পরিষদের টিকিট। ভোটে জিতে তাঁকে করা হয়েছিল উত্তর ২৪ পরগনার জেলা পরিষদের মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ কর্মাধ্যক্ষ। বর্তমানেও ওই পদে রয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Bangladesh Election: বাংলাদেশে ফের ক্ষমতায় আওয়ামী লিগ, রেকর্ড ভোটে জয়ী হাসিনা

    Bangladesh Election: বাংলাদেশে ফের ক্ষমতায় আওয়ামী লিগ, রেকর্ড ভোটে জয়ী হাসিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে (Bangladesh Election) নিজের কেন্দ্রে বিপুল ভোটে জয়ী হলেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে। ফের একবার মসনদে হাসিনার দল আওয়ামী লিগ। বাংলাদেশের ২৯৯টি আসনে ভোট হয়, এর মধ্যে হাসিনার দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল ২১৭টি আসনে। এর মধ্যে ১৬৪ আসনেই জয়ী হয়েছে হাসিনার দল (Bangladesh Election)। উল্লেখযোগ্যভাবে, বাংলাদেশের মাগুরা-১ আসন থেকে আওয়ামী লিগের টিকিটে লড়াই করে জয়ী হলেন ক্রিকেটার শাকিব আল হাসান।

    আড়াই লাখ ভোটে জয় হাসিনার

    মুজিবকন্যা তথা বাংলাদেশের (Bangladesh Election) প্রধানমন্ত্রী হাসিনা ঢাকা প্রশাসনিক বিভাগের অন্তর্গত গোপালগঞ্জ জেলার গোপালগঞ্জ-৩ আসনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের ভূমিকন্যা। ১৯৯১ সাল থেকেই এই কেন্দ্রে ভোটে দাঁড়ান তিনি। প্রতিবারই জয়ী হয়েছেন। তবে এবারের তাঁর জয় যেন সবকিছুকে ছাপিয়ে গিয়েছে। তাঁর প্রাপ্ত ভোট নয়া রেকর্ড তৈরি করেছে। গোপালগঞ্জ-৩ আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ২ লক্ষ ৯০ হাজার ৩০০ জন। এর মধ্যে হাসিনা একাই পেয়েছেন ২ লক্ষ ৪৯ হাজার ৯৬২ ভোট। তাঁর ‘নিকটতম’ প্রতিদ্বন্দ্বী এনপিপি দলের শেখ আবুল কালাম পেয়েছেন ৪৬০টি ভোট। অন্যদিকে ৪২৫টি ভোট পেয়ে এই কেন্দ্রে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন জাকের পার্টির প্রার্থী মাহাবুর মোল্লা।

    রবিবার ছিল বাংলাদেশের দ্বাদশ নির্বাচন

    বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় রবিবার। সকাল ৮টা থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয় ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। উৎসবের মেজাজে চলতে থাকে ভোট। ভোট শেষ হয় বিকেল ৪টেয়। মোট ৩০০টি আসনে ভোট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এক প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় নওগাঁ-২ কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বাতিল হয়। ভোট শেষ হলে সন্ধ্যা থেকেই শুরু হয় গণনার প্রক্রিয়া। রবিবার রাত পৌনে ৮টা নাগাদ বেসরকারি ভাবে হাসিনার জয়ের খবর প্রকাশ্যে আনে বাংলাদেশের (Bangladesh Election) একটি সংবাদমাধ্যম। বাংলাদেশের নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ২৮টি রাজনৈতিক দল। মোট প্রার্থীর সংখ্যা ১,৯৬৯ জন। মোট ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ৯৬ লক্ষ ৮৯ হাজার ২৮৯ জন।

    ভোট বয়কট করেছিল বিএনপি

    তবে, এই নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা আগেই করেছিল বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বেগম খালেদা জিয়ার বিএনপি। ভোট বয়কটের পথে হেঁটেছিল আরও একাধিক রাজনৈতিক দল। ভোটের আগের দিন শনিবার থেকে দেশে ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘটের ডাকও দেয় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দল বিএনপি। তাদের দাবি ছিল, এই ভোট একতরফা ভাবে করা হচ্ছে। যদিও, বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী তথা আওয়ামী লিগ নেতা এ কে আব্দুল মোমেন বিরোধীদের অভিযোগ খারিজ করে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (সোমবার ০৮/০১/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (সোমবার ০৮/০১/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কাজের ব্যাপারে উদ্যোগী হতে হবে।

    ২) সামাজিক সম্মান পাবেন। 

    বৃষ

    ১) গানবাজনার প্রতি আগ্রহ বাড়তে পারে।

    ২) কোনও আত্মীয়কে নিয়ে বিবাদ হতে পারে। 

    মিথুন

    ১) রক্তচাপের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন।

    ২) অশান্তির থেকে দূরে থাকুন। 

    কর্কট

    ১) চিকিৎসার খরচ বাড়তে পারে।

    ২) সঙ্গীতে সাফল্য পেতে পারেন। 

    সিংহ

    ১) গাড়ি একটু সাবধানে চালান।

    ২) অর্শ-জাতীয় রোগ বাড়তে পারে।

    কন্যা

    ১) কুসঙ্গ থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) লোকে দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারে। 

    তুলা

    ১) সকাল থেকে বাতের যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) কাজের ব্যাপারে খুব ভাল যোগাযোগ হতে পারে। 

    বৃশ্চিক

    ১) ভ্রমণের জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) উঁচু স্থান থেকে পড়ে যেতে পারেন। 

    ধনু

    ১) বাড়িতে চুরির সম্ভাবনা, সাবধান থাকুন।

    ২) দাম্পত্য কলহের সম্ভাবনা। 

    মকর

    ১) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ আসতে পারে।

    ২) ব্যবসায় মহাজনের সঙ্গে তর্ক হতে পারে।

    কুম্ভ

    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    ২) শারীরিক অসুস্থতার কারণে কাজের সময় নষ্ট।

    মীন

    ১) ব্যয় বাড়তে পারে।

    ২) দুর্ঘটনা থেকে সাবধান থাকা দরকার। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: দলকে দুদিনের সময় বেঁধে দিলেন মনোরঞ্জন, তারপর কী পদক্ষেপ নেবেন তৃণমূল বিধায়ক?

    Hooghly: দলকে দুদিনের সময় বেঁধে দিলেন মনোরঞ্জন, তারপর কী পদক্ষেপ নেবেন তৃণমূল বিধায়ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেসবুক লাইভ করে দলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে বোমা ফাটানোর কথা বলেছিলেন হুগলির (Hooghly) বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী। ৭ জানুয়ারি আর তিনি লাইভ হননি। তবে, ফেসবুক পোস্ট করে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুদিনের সময়সীমা বেঁধে দিলেন। তাতে দাবিপূরণ না হলে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিলেন বিধায়ক।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখেছেন বিধায়ক? (Hooghly)

    রবিবার ফেসবুকে ফের হুগলির (Hooghly) বলাগড়ের তৃণমূল নেত্রী রুনা খাতুনকে আক্রমণ করে তৃণমূল বিধায়ক লিখেছেন, যাঁর বিরুদ্ধে আমার মুখ খোলার কথা ছিল, সেই বালি মাফিয়া, মাটি মাফিয়া, জুয়ার বোর্ড চালানো, গাঁজা পাচারকারী, গরু ব্যবসায়ী ও হরেক রকমের দুর্নীতিকারীদের সহায়ক। তাঁরা আমাকে হুমকি দিয়েছিলেন। আমার কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়েছিল। সঙ্গে এক পঞ্চায়েত সদস্যার ঘর বাড়ি ভেঙে দিয়েছে। বেধড়ক মারধর করা হয়েছে তাঁর স্বামীকে। তৃণমূল নেত্রী বললে এক মুহূর্তেই আমি বিধায়ক পদ ‘বিসর্জন’ দিয়ে দেব। তবে, ভোটের লড়াইয়ের ময়দানে থাকব। পারলে আমাকে হারিয়ে দেখাক। আমি কথা দিচ্ছি- আগের চাইতেও বেশি ভোটে জিতে দেখাব।

    মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে কী লিখলেন বিধায়ক?

    বিধায়ক লেখেন, দিদির প্রতি অনুগত, যুবনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি অনুগত। যাঁরা আমার সঙ্গে আছেন, তাঁদের ওই ফুলন দেবী আর তাঁর স্বামী, কিছু পোষা গুন্ডার সামনে- সেই হিংস্র হায়নার সামনে ফেলে কিছুতেই পালাবো না। আমি লড়ছি। আর আগামীদিনেও অবশ্যই লড়াই করব। দলের দিকে তাকিয়ে দেখব আর একটা-দুটো দিন। সঠিক বিচার না পেলে তার পর দলমত নির্বিশেষে সমস্ত সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে শুরু করব ‘বলাগড় বাঁচাও’, ‘দুষ্কৃতী হঠাও’, ‘জনজাগরণ আন্দোলন’। তৈরি থাকুন!

    আন্দোলনের রূপরেখা ঠিক করে দিয়েছেন বিধায়ক

    মনোরঞ্জন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, মোট ১৭টি অঞ্চল জুড়ে পদযাত্রা করা হবে। থানার সামনে, বিডিও আফিসের সামনে বিক্ষোভ হবে। ‘চাক্কা জ্যাম’ হবে। আমি গ্রেফতার হতেও রাজি। দুদিন অপেক্ষা করার পরই বিধানসভা জুড়ে লাগাতার আন্দোলন চলবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Udayan Guha: তৃণমূলের এ কী অবস্থা! মন্ত্রী উদয়নের ডাকে সাড়া নেই নেতাদের

    Udayan Guha: তৃণমূলের এ কী অবস্থা! মন্ত্রী উদয়নের ডাকে সাড়া নেই নেতাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে উত্তরবঙ্গে আরও মাটি হারাচ্ছে তৃণমূল। বিশেষ করে কোচবিহার জেলায় শাসক দলের ছন্নছাড়া অবস্থা। গত কয়েকদিনে বহু তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগদান করেছেন। এরইমধ্যে মন্ত্রী উদয়ন গুহর  (Udayan Guha) নেতৃত্বের ডাকা কর্মসূচিতে নেতা-কর্মীরা হাজির হন না বলে অভিযোগ। যা নিয়ে দলের অন্দরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Udayan Guha)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিককে গ্রেফতারের দাবিতে তৃণমূলের কোচবিহার দিনহাটা থানা ঘেরাও অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ (Udayan Guha)। কিন্তু, মন্ত্রীর ডাকা কর্মসূচিতেই দেখা মেলেনি এলাকার অনেক বড় বড় তৃণমূল নেতাকেই। নেতাদের অনুপস্থিতির বিষয়টি যে তাঁর নজর এড়ায়নি তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী নিজেই। ৫ জানুয়ারি নিজের ফেসবুকে তিনি একটি পোস্ট করে জানিয়েছেন, কোন কোন অঞ্চলের নেতারা আসেননি দলের কর্মসূচিতে। প্রত্যেকের নাম তিনি লিখে দিয়েছেন ফেসবুকে। উদয়ন গুহর এই পোস্টকে ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। চাপানউতর শুরু হয়েছে তৃণমূলের অন্দরেও। তাহলে কি তৃণমূল দল সম্পর্কে মোহভঙ্গ হচ্ছে নেতা কর্মীদের? সোশ্যাল মিডিয়ায় এভাবে দলের অবস্থা তুলে ধরায় দলের অন্দরে ব্যাপক গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    দলীয় কর্মসূচিতে স্থানীয় একাধিক নেতা না আসায় সোশ্যায় মিডিয়া উদয়ন গুহ (Udayan Guha) উষ্মা প্রকাশ করলেও তিনি এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে, এই বিষয়ে তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা তথা জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি আব্দুল জলিল আহমেদ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। সকলের সব সময় সময় হয় না। তাই হয়তো আসেননি। সেটা নিয়ে রাজনীতি করার কোনও মানে হয় না। এসব বিরোধীদের অভিযোগ। এখানে অন্য কোনও বিষয় নেই।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির বিধায়ক নিখিল রঞ্জন দে বলেন, এবার নির্বাচনে দিনহাটায় ব্যাপকভাবে হারবে তৃণমূল। মানুষ বীতশ্রদ্ধ। দলীয় নেতার নির্দেশ কর্মীরা মানছেন না। দলটার শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। সামনে লোকসভা ভোটে তা প্রমাণ হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Boycott Maldives: মালদ্বীপের মন্ত্রীর ভারত সম্পর্কে কু-মন্তব্য, দলে দলে ভারতীয়রা ট্যুর বাতিল করছেন

    Boycott Maldives: মালদ্বীপের মন্ত্রীর ভারত সম্পর্কে কু-মন্তব্য, দলে দলে ভারতীয়রা ট্যুর বাতিল করছেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদির লাক্ষাদ্বীপ সফরের ছবি বেশ ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়াতে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে লাক্ষাদ্বীপের সমুদ্র সৈকতে হাঁটতে দেখা যায় এবং এর পাশাপাশি সমুদ্রের তলদেশে ডুবুরিদের সঙ্গেও নামতে দেখা যায়। এরপরেই বিতর্কের সূত্রপাত হয় যখন মালদ্বীপের এক মন্ত্রী ভারতকে উদ্দেশ্য করে ট্যুইট করেন এবং সেখানে তিনি বলেন যে ভারত উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মালদ্বীপকে (Boycott Maldives) লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে এবং সমুদ্র সৈকতে পর্যটনে তাদের (মালদ্বীপ) দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় ভারত এঁটে উঠতে পারছে না বলেই এই কাজ করছে।

    নেট নাগরিকদের ট্যুইট

    এরপর থেকেই নেট নাগরিকরা সোশ্যাল মিডিয়াতে মালদ্বীপের (Boycott Maldives) বিরুদ্ধে পোস্ট করতে থাকেন এবং অনেকেই নিজেদের মালদ্বীপ ভ্রমণের পরিকল্পনা বাতিলও করেন। সেখানে বিভিন্ন নেট-নাগরিকদের কমেন্ট করতেও দেখা যাচ্ছে। এই সমস্ত পোস্টগুলিতে বয়কট মালদ্বীপ ট্যাগও ব্যবহার করা হচ্ছে।

    ডক্টর ফালাক জোশিপুরা নামের একজন এক্স হ্যান্ডেল এ পোস্ট করে লিখছেন, ‘‘চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি তাঁর মালদ্বীপ ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। ট্রিপ চূড়ান্তও হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করলাম মালদ্বীপের মন্ত্রী টুইটের জন্য।’’

    অন্যদিকে অক্ষিত সিং লিখছেন, ‘‘দুঃখিত মালদ্বীপ আমাদের নিজেদের লাক্ষাদ্বীপ আছে। আমরা আত্মনির্ভর।’’

    রুসিক রাওয়াল নামের একজন লিখছেন, ‘‘তিন সপ্তাহের জন্য বুকিং করেছিলাম মালদ্বীপে (Boycott Maldives) পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে। ঘর ট্যুর শুরু হতো ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সাল থেকে। কিন্তু মালদ্বীপের মন্ত্রী ট্যুইট দেখে তা বয়কট করলাম।’’

    চিনের দিকে ঝুঁকেছে মালদ্বীপ

    এ বিতর্ক  প্রথম নয়! গত বছরের নভেম্বর মাসেই সে দেশের মসনদে বসেন মহম্মদ মুইজু। তখনই মালদ্বীপের (Boycott Maldives) নীতির বদল আনেন তিনি। চিনের কাছাকাছি আসার সংকেত দেন। এবং ভারত থেকে দূরত্ব বাড়ানোর কথা বলেন। প্রসঙ্গত, এই বিতর্কের মাঝেই মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি আগামী সোমবার থেকেই চিন সফরের কথা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share