Tag: Madhyom

Madhyom

  • Tata Technologies IPO: খুলেছে টাটা টেকনোলজিস আইপিও, বিনিয়োগ করতে চান? জানুুন পদ্ধতি

    Tata Technologies IPO: খুলেছে টাটা টেকনোলজিস আইপিও, বিনিয়োগ করতে চান? জানুুন পদ্ধতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুড়ি বছর পর ভারতীয় শেয়ার বাজারে এসেছে টাটা গোষ্ঠীর কোনও সংস্থার আইপিও। বুধবারেই খুলেছে টাটা টেকনোলজিস (Tata Technologies IPO) সংস্থার আইপিও। সংস্থাটি প্রথম সারির ইঞ্জিনিয়ারিং পরিষেবা প্রদান করে। সংস্থার প্রধান প্রধান বিষয় হল আটোমোটিভ, মহাকাশ এবং ভারী যন্ত্রপাতি ইত্যাদির শিল্প। এই সংস্থায় কীভাবে বিনিয়োগ করবেন জেনে নিন।

    কারা আবেদন করতে পারবেন (Tata Technologies IPO)?

    সেবি নির্দেশিকা অনুযায়ী আইপিও (Tata Technologies IPO)-তে চার ধরনের বিনিয়োগকারীরা আবেদন করতে পারবেন— প্রাতিষ্ঠানিক ক্রেতা (কিউআইবি), খুচরা ক্রেতা, ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারী এবং চতুর্থ প্রতিষ্ঠান নয় এমন সংগঠন (এনআইআই)। লগ্নিকারীর ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট, ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। সেই সঙ্গে লাগবে প্যান কার্ড।

    আবেদন করতে কী কী লাগবে?

    আইপিও (Tata Technologies IPO)-তে বিনিয়োগ করতে প্রথমেই লাগবে ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট। আপনার একটি ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট থাকলে তবেই আপনি আইপিওতে বিনিয়োগ করতে পারবেন। ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট হলে আপনার সেই জায়গায় কোম্পানির দ্বারা বরাদ্দ শেয়ারের অঙ্ক সংরক্ষণ করা থাকবে। এছাড়া লাগবে একটি ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট। পাবলিক ইস্যুর জন্য আবেদন করার আগে একটি ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট থাকা অপরিহার্য। এর সঙ্গে লাগবে একটি ইউপিআই আইডি। আপনি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে লিঙ্ক করা একটি ইউপিআই আইডি ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়াও ভিম অ্যাপে একটি ইউপিআই আইডি তৈরি করতে পারেন। সর্বশেষ একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট লাগবেই। লেনদেনের জন্য আপনার একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকা প্রয়োজন।

    কীভাবে আবেদন করবেন?

    বিনিয়োগ করতে ব্রোকারের সঙ্গে আপনার অনলাইন অ্যাকাউন্টে লগ ইন করতে হবে। আপনার যদি একটি অনলাইন অ্যাকাউন্ট না থাকে তবে আপনাকে আপনার ইমেল আইডি এবং ফোন নম্বর দিয়ে লগ ইন করতে হবে এবং এরপর একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। এরপরে আইপিও তালিকা থেকে আইপিও নাম নির্বাচন করুন। তারপর লট সাইজ বা শেয়ারের সংখ্যা জমা দিন যার জন্য আপনাকে বিডে উল্লেখ করতে হবে। এছাড়াও, বিড মূল্য নির্বাচন করতে হবে। পরবর্তী ধাপে আপনার ইউপিআই আইডি লিখুন এবং সাবমিট বোতামে ক্লিক করুন। আপনাকে আপনার ইউপিআই অ্যাপে লেনদেন অনুমোদন করতে বলা হবে এবং এরপর এক্সচেঞ্জ আপনার বিড অনুমোদন করবে। আপনি ইউপিআই অ্যাপে বিজ্ঞপ্তি পাবেন। আইপিও (Tata Technologies IPO) বরাদ্দের তারিখ পর্যন্ত আবেদনে অর্থের পরিমাণ দেখাবে।

    ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিংয়ে আবেদন পদ্ধতি

    ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যেমে আপনার লগ ইন আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং অ্যাকাউন্টে লগ ইন করুন। এরপর এএসবিএ-তে ক্লিক করতে হবে। এরপর আইপিও-তে ক্লিক করতে হবে। এরপর নাম আর প্যান নম্বর দিয়ে পরিমাণ রবং মূল্য ক্লিক করে সাবমিট করতে হবে।

    ফেসভ্যালু কত (Tata Technologies IPO)?

    আইপিও (Tata Technologies IPO) খোলার তারিখ হল ২২ নভেম্বর এবং বন্ধের তারিখ ২৪ নভেম্বর। ফেসভ্যালু শেয়ার প্রতি ২ টাকা। লট সাইজ ৩০ শেয়ার। মোট ইস্যু সাইজ হল ৬০,৮৫০,২৭৮ শেয়ার, টাকার মোট পরিমাণ ৩০৪২.৫১ কোটি টাকা। শেয়ার বাজারে টাটা টেকনোলজিসের শেয়ারে লিস্টিং হবে ৫ ডিসেম্বর। শেয়ার প্রতি ৪৭৫-৫০০ টাকায় ইস্যুর প্রাইস ব্যান্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রাইস ব্যান্ড কোম্পানির মূল্য দাঁড়াবে ২০,২৮৩ কোটি টাকা। লট সাইজ সম্পর্কে জানা গিয়েছে, বিনিয়োগকারীদের ন্যূনতম ৩০টি ইক্যুইটি শেয়ার এবং ৩০০ গুণিতকের শেয়ারের জন্য বিড করতে পারবেন। খুচরা এবং পাইকারিদের ন্যূনতম বিনিয়োগ হবে ১৪,২৫০ টাকা।

    গ্রে মার্কেটে কত চলছে দাম?

    গ্লোবাল ইঞ্জিনিয়ারিং পরিষেবা সংস্থার শেয়ারগুলি গ্রেমার্কেট প্রতি ৮৫০ টাকায় পাওয়া যাবে। প্রতি শেয়ার ৫০০ টাকার উপরের প্রাইস ব্যান্ডের ৭০ শতাংশ প্রিমিয়ার গ্রে মার্কেটে দর উঠেছে। গ্রে মার্কেট হল একটি আনুষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম যেখানে আইপিও (Tata Technologies IPO) শেয়ারগুলি বেচা-কেনা করা যাবে।

    কী কী নেতিবাচক বিষয় রয়েছে?

    টাটা টেকনোলজিসের এই আইপিওর (Tata Technologies IPO) ভিডিও টাটা মোটরস লিমিটেড এবং জাগুয়ার ল্যান্ড রোভারের টোটাল অপারেটিং ইনকাম প্রায় ৪০ শতাংশ। কোনও কোম্পানির ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু রাজস্ব নির্ভর করলে অত্যন্ত চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

    কোম্পানির বেশিরভাগ আয়ের অনেকটাই ইলেকট্রনিক বা নিউ এনার্জির যানবাহনের উপর নির্ভর করে। স্টার্টআপ কোম্পানি হিসাবে এই কোম্পানিগুলির ফান্ড পরিচালনা, পণ্যের চাহিদা, সংস্থার বৃদ্ধি, ঋণ, মালিকানা পরিবর্তনের ফলে অনিশ্চয়তা রয়েছে। ফলে বিরূপ প্রভাবও ফেলতে পারে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ICC: ক্রিকেটে নয়া নিয়ম! সময় নষ্ট বন্ধ করতে উদ্যোগী আইসিসি, আসছে স্টপ-ক্লক

    ICC: ক্রিকেটে নয়া নিয়ম! সময় নষ্ট বন্ধ করতে উদ্যোগী আইসিসি, আসছে স্টপ-ক্লক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ওভার শেষ করতে সক্রিয় আইসিসি। ক্রিকেট ম্যাচে সময় নষ্ট করা আটকাতে নতুন পদক্ষেপ হিসেবে সাদা বলের ক্রিকেটে স্টপ-ক্লক (Stop-Clock) চালু করতে চলেছে আইসিসি (ICC)। ২০২৩-এর ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে স্টপ-ক্লক ব্যবহার করা হবে। এক ওভার শেষ হওয়ার পর পরের ওভার শুরু করতে ফিল্ডিং টিম অতিরিক্ত সময় নিয়ে ফেলছে কি না, সেটাই মেপে দেখা হবে স্টপ-ক্লকে।

    স্টপ ওয়াচ-এর ব্যবহার

    সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপেও একাধিক দলকে মন্থর বোলিংয়ের জন্য শাস্তি পেতে হয়েছে। এই সমস্যা সমাধানে নতুন নিয়ম আনতে চলেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। একটি দল নির্দিষ্ট সংখ্যক ওভার শেষ করতে ঠিক কত সময় নিচ্ছে, তা নিশ্চিত করতে স্টপ ওয়াচ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত পরীক্ষামূলক ভাবে ব্যবহার করা হবে স্টপ ওয়াচ। বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আমদাবাদে হওয়া আইসিসির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সব আন্তর্জাতিক এক দিনের এবং টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এই পদ্ধতির পরীক্ষামূলক ব্যবহার করা হবে।

    আরও পড়ুন: ঘরের মাঠে অপরাজেয় তকমা হাতছাড়া! কাতারের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে হার ভারতের

    নয়া নিয়মে জরিমানা

    নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, প্রতিটি ওভার শেষ হওয়ার ১ মিনিটের মধ্যে পরের ওভার করার জন্য প্রস্তুত হতে হবে দলগুলিকে। নিয়ম না মানলে থাকছে জরিমানা। নতুন ওভার শুরু করতে ১ মিনিটের বেশি দেরি ফিল্ডিং টিম যদি তিনবার করে ফেলে, তাহলে তাদের পাঁচ রান জরিমানা হবে। ব্যাটিং টিম ভালো খেললে অনেক সময় খেলার গতি মন্থর করে দেওয়ার চেষ্টা করে বোলাররা। তাতে সম্পূর্ণ মদত থাকে অধিনায়ক এবং অন্যান্য ফিল্ডারদের। এসব আটকাতেই স্টপ-ক্লকের আমদানি। আইসিসি কর্তাদের ধারণা নতুন এই নিয়ম দুই ওভারের মাঝে ক্রিকেটারদের সময় নষ্ট করার প্রবণতা কমাবে। তাতে বৃদ্ধি পাবে খেলার গতি। মন্থর বোলিংয়ের প্রবণতা কমানোর পাশাপাশি পিচ এবং আউটফিল্ডের মানের সার্বিক উন্নয়নের উপরেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে আইসিসির বৈঠকে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: মরশুমে প্রথম বার ২০ ডিগ্রি কলকাতায়! শীত কি চলে এল?

    Weather Update: মরশুমে প্রথম বার ২০ ডিগ্রি কলকাতায়! শীত কি চলে এল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হালকা চাদর গায়ে তুলেছে কলকাতা। রাতে কিংবা ভোরের দিকে হিমেল হাওয়ায় শিরশিরে ভাব। গ্রামাঞ্চলে তো বটেই, কলকাতা ও শহরতলিতেও অনায়াসেই ঠাওর করা যাচ্ছে পারদ পতন। এসবের মধ্যেই বুধবার চলতি মরশুমে এই প্রথম ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে নামল কলকাতার তাপমাত্রা (Weather Update)। বুধবার সকালে আলিপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    মেঘ সরতেই পারদ-পতন

    ডিসেম্বর আসতে হাতে মাত্র কিছুদিন। মেঘ সরতেই পারদ নেমেছে কলকাতায় (Weather Update)। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস বলছে, আগামী কয়েকদিনে আরও কিছুটা নামতে পারে কলকাতার পারদ। তবে শীত আসতে এখনও ঢের দেরি বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহেই তাপমাত্রার পারদ নামতে শুরু করবে দক্ষিণবঙ্গে। ২০ ডিগ্রির পাশাপাশি আসতে পারে তাপমাত্রা। পশ্চিমের জেলাগুলিতে বর্তমানে ২০ ডিগ্রির নিচে রয়েছে তাপমাত্রা। শনি-রবিবারের মধ্যে এই জেলাগুলিতে ১৫ ডিগ্রিতে পৌঁছবে তাপমাত্রা। তবে, এখনই কড়া শীত পড়বে না। হেমন্তের এই সময়ে প্রতি বছরই আবহাওয়া এরকমই থাকে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

    আরও পড়ুন: ঘরের মাঠে অপরাজেয় তকমা হাতছাড়া! কাতারের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে হার ভারতের

    কী বলছে হাওয়া অফিস

    হাওয়া অফিসের (Weather Update) পূর্বাভাস রয়েছে, আগামী শুক্র-শনিবারে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যেতে পারে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আগামী ৪-৫ দিন দক্ষিণবঙ্গের (South Bengal) সমস্ত জেলার আবহাওয়াই শুষ্ক থাকবে। কোনও জেলায় আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। তবে, উত্তরবঙ্গের দুই জেলাতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। উত্তরবঙ্গের (North Bengal) দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মৌসম ভবন সূত্রে খবর, একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে আন্দামান সাগর সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপাসগারে এবং অন্যটি অবস্থান করছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরের কোরোমিন অঞ্চলে। মাঝেমাঝেই এই নিম্নচাপ শীত প্রবেশে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: শিষ্টাচারের সীমা লঙ্ঘন! মোদিকে ‘অপয়া’ বলে আক্রমণ রাহুলের, তীব্র প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    Narendra Modi: শিষ্টাচারের সীমা লঙ্ঘন! মোদিকে ‘অপয়া’ বলে আক্রমণ রাহুলের, তীব্র প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক শিষ্টাচারের সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করে নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) ‘পনৌতি’ বা ‘অপয়া’ বললেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। মঙ্গলবার গান্ধী নেহরু পরিবারের যুবরাজের দাবি করেন, গুজরাটের আহমেদাবাদের ভারত-অস্ট্রেলিয়া ফাইনালের দিন মাঠে নরেন্দ্র মোদির হাজির থাকার জন্যই ভারত ম্যাচ ছেড়েছে। মঙ্গলবার রাজস্থানের বারমেরে এক নির্বাচনী জনসভা থেকে এ কথা বলেন রাহুল গান্ধী। এবার তারই পাল্টা প্রতিক্রিয়া শোনা গেল বিজেপির কাছ থেকে। অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ফিরহাদ হাকিমকে এই ইস্যুতে একহাত নিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

    রবিশঙ্কর প্রসাদের বিবৃতি 

    বিজেপির মুখপাত্র তথা সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, ‘‘তোমার মা মোদিজিকে ‘মৌত কা সওদাগর’ বলার ফল সবাই দেখছে। এবার তুমি বলে চলেছ।’’ ঘটনা হল ২০০৭ সালে গুজরাটের বিধানসভা ভোটের আগে নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) ‘মৌত কা সওদাগর’ বলে তোপ দেগেছিলেন সোনিয়া গান্ধী। সেই নির্বাচনে বিপুল ভরাডুবি হয় কংগ্রেসের। রবিশঙ্কর প্রসাদ রাহুল গান্ধীকে ১৬ বছর আগের সেই কথাই স্মরণ করালেন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    বিজেপি নেতার ট্যুইট ও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া 

    অন্যদিকে বিজেপি নেতা রাজীব চন্দ্রশেখর রাহুল গান্ধীকে তীব্র আক্রমণ করে তাঁর এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘‘তাহলে এখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি’কে (Narendra Modi) পনৌতি বলছেন রাহুল। এখানে ভণ্ডামিরও বেশি কিছু আছে। ৫৫ বছরের যে ব্যক্তি নিজে জীবনে একটা দিনেও কাজ করেননি, যাঁর পরিবার দুর্নীতির মাধ্যমে পরজীবীর মতো দশকের পর দশক ধরে দেশকে শোষণ করেছে এবং যাঁদের সরকার আর্থিক দিক থেকে দেশকে ধ্বংস করে দিয়েছিল, সেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে যে এরকম কথা বলছেন, সেটা হতাশা এবং মানসিক অস্থিরতার পরিচয় দিচ্ছে।’’

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেন, ‘‘এটা খুবই জঘন্য মন্তব্য। ম্যাচ খেলা হয়। ম্যাচে কেউ জেতে, কেউ হারে। উনি কংগ্রেসের ঐতিহ্য বজায় রাখছেন।’’

    শুভেন্দুর প্রতিক্রিয়া

    এই ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ফিরহাদ হাকিমকে তুলোধনা করে শুভেন্দু বলেন, ‘‘আমাদের দেশে কিছু লোক আছেন যাঁরা এখানে খান, এখানে ঘুমোন, এখানেই দাদাগিরি, মাতব্বরি করেন আর রাষ্ট্রবিরোধী কথা লেখেন সোশ্য়াল মিডিয়ায়, ফেসবুকে পোস্ট করেন। ভারত কাল হেরে যাওয়ার পর দেশের সরকারকে দায়ী করেন। প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মিম করেন। এটা অন্যায়। বিদেশি শক্তির সঙ্গে লড়াইয়ের আগে দেশের ভিতরে থাকা এই সমস্ত হামাসগুলিকে চিহ্নিত করে উৎখাত করার দরকার আছে। যা হয়েছে তা অত্যন্ত আপত্তিকর, ঘৃণ্য। এগুলি হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্রয়ে। তিনি ভারতীয় দলের প্র্যাকটিস জার্সির গেরুয়া রং নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। ছাপ্পা মেরে ভোটে জেতা কলকাতার মেয়র বলেছেন, নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) নামাঙ্কিত স্টেডিয়ামে ফাইনাল না হলেই ভারত জিততো। এমনটা কোথাও হয় না।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India vs Qatar: ঘরের মাঠে অপরাজেয় তকমা হাতছাড়া! কাতারের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে হার ভারতের

    India vs Qatar: ঘরের মাঠে অপরাজেয় তকমা হাতছাড়া! কাতারের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে হার ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন (FIFA World Cup Qualifiers) পর্বে দ্বিতীয় ম্যাচেই ধাক্কা খেল ভারত। এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন কাতারের বিরুদ্ধে ০-৩ গোলে পরাজিত হল ব্লু টাইগার্সরা। আপাতত দুই ম্যাচ খেলে একটি জয় ও একটি হারের সুবাদে গ্রুপ ‘এ’-তে ভারতীয় দল দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। কাতার দুই ম্যাচ জিতে আপাতত শীর্ষে। 

    পরপর তিনটি গোল কাতারের

    বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে প্রথম ম্যাচে কুয়েতকে হারিয়েছিলেন সুনীলরা। ফলে এই ম্যাচে ভারতকে নিয়ে আশা বাড়ে। নিজেদের গত ম্য়াচ থেকে এই ম্যাচের প্রথম একাদশে ভারতীয় দল পাঁচ বদল করে মাঠে নামে। অমরিন্দর সিংহের বদলে তেকাঠির নিচে গোল আগলানোর দায়িত্ব দেওয়া হয় গুরপ্রীত সিং সান্ধুকে। গোলের দরজা খুলতে বেশি সময় লাগেনি কাতারের। চার মিনিটে মুস্তাফা নিজের দলকে ম্যাচে এগিয়ে দেন। প্রথমার্ধ কাতারের পক্ষে ১-০ শেষ হয়। দ্বিতীয়ার্ধে আলমোয়েজ গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ম্যাচের ৮৬ মিনিটে কাতারের হয়ে হেডে তৃতীয় গোলটি করে কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন ইউসুফ।

    ঘরের মাঠেও হার

    এর আগে ভারত ঘরের মাঠে টানা ১৫ ম্যাচ অপরাজিত ছিল। তাই মঙ্গলবার ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে ভারতীয় দলের জন্য স্বপ্নের জাল বুনেছিলেন কোচ স্টিম্যাচ। কিন্তু এদিন ঘরের মাঠে শক্তিশালী কাতারের সঙ্গে পেরে উঠল না ভারত। খেলা দেখতে এদিন স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন  আর্সেনালের প্রাক্তন কোচ আর্সেন ওয়েঙ্গার। বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে  এরপর ভারতীয় দল আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে মার্চ মাসে হোম এবং অ্যাওয়ে লেগের ম্যাচ খেলবে। তারপর কুয়েতের বিরুদ্ধে ম্যাচ। গ্রুপে শীর্ষে থাকা দুই দল ফিফা বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন পর্বের তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Patanjali: রোগ নিরাময়ের বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন বন্ধ না করলে পতঞ্জলিকে জরিমানা, জানাল শীর্ষ আদালত

    Patanjali: রোগ নিরাময়ের বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন বন্ধ না করলে পতঞ্জলিকে জরিমানা, জানাল শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, বিভ্রান্তিকর ওষুধের বিজ্ঞাপনী প্রচার বন্ধ না করলে রামদেবের সংস্থা পতঞ্জলিকে (Patanjali) জরিমানার মুখে পড়তে হবে। আইন অনুযায়ী, রোগ নিরাময়ের জন্য কোনও রকমের ওষুধের বিজ্ঞাপন দেওয়া যায় না। এর জন্য ১৯৫৪ সালেই পাশ হয়েছিল The Drugs and Magic Remedies Act (Objectionable Advertisement)। এই আইন অনুযায়ী, বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে কোনও ব্যক্তি বা সংস্থা দাবি করতে পারবে না যে তাদের কোম্পানির ওষুধ ব্যবহার করলে নির্দিষ্ট রোগ নিরাময় হবে। অথবা যে কোনও রকমের কালাজাদুর মাধ্যমে রোগনিরাময় হবে, এমন দাবিও বেআইনি।

    ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের আবেদনের শুনানি 

    প্রসঙ্গত, ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের একটি আবেদনের শুনানি ছিল মঙ্গলবার। এখানে বিচারপতি আহসানউদ্দিন আমানুল্লাহ এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে যে, এই ধরনের বিজ্ঞাপনী প্রচার বন্ধ না করলে পতঞ্জলির (Patanjali) প্রতিটি পণ্যের উপরে ১ কোটি টাকা করে জরিমানা করা হবে। প্রসঙ্গত লকডাউনের সময় করোনিল কিট বাজারে এনেছিল পতঞ্জলি। রামদেবের সংস্থার দাবি ছিল, এই কিট ব্যবহারে করোনা থেকে রেহাই মিলবে। তখনও পতঞ্জলির (Patanjali) বিরুদ্ধে মিথ্যা বিজ্ঞাপনী প্রচারের অভিযোগ এনেছিল আইএমএ। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের দায়ের করা ওই পিটিশনে অভিযোগ আনা হয় যে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসাকে টার্গেট করে এবং ছোট করে রোগ নিরাময়ের বিষয়ে মিথ্যা দাবি করে পতঞ্জলি।

    মামলার পরবর্তী শুনানি ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

    সুপ্রিম কোর্ট এদিন আরও জানিয়েছে, সংবাদপত্রে অথবা যে কোনও টিভি চ্যানেলে অপ্রমাণিত এই জাতীয় বিজ্ঞাপন দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে পতঞ্জলিকে (Patanjali)। এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ২০২৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি। শীর্ষ আদালত এদিন তাদের পর্যবেক্ষণে আরও জানিয়েছে যে তাঁরা এই মামলাটিকে আয়ুর্বেদিক বনাম অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ করতে চান না। বরং যে বিষয়ে পিটিশন দাখিল হয়েছে সেটারই সমাধান করতে চান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • National Herald case: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ৭৫১ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    National Herald case: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ৭৫১ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল হেরাল্ড সংবাদপত্র মামলায় (National Herald case) ৭৫১ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের তালিকায় রয়েছে ন্যাশনাল হেরাল্ড সংবাদপত্র, এই সংবাদপত্রের প্রকাশনা সংস্থা অ্যাসোসিয়েট জার্নালস লিমিটেড, ন্যাশনাল হেরাল্ডের পরিচালক সংস্থা ইয়ং ইন্ডিয়া। এর পাশাপাশি রয়েছে লখনউয়ের নেহরু ভবনও। জানা গিয়েছে, এই সংস্থার ৭৬ শতাংশ শেয়ারের মালিক রাহুল ও সোনিয়া গান্ধী। ইডি তদন্তে উঠে এসেছে যে অ্যাসোসিয়েট জার্নালস লিমিটেডের দখলে রয়েছে ৬৬১.৬৯ কোটি টাকার বেআইনি সম্পত্তি।

    সংবাদপত্র কংগ্রেস নেতাদের কাছে ঋণ নিয়েছিল

    প্রসঙ্গত, কংগ্রেস নেতা তথা দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ন্যাশনাল হেরাল্ড সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলে জানা যায়। মনমোহন সিং সরকারের আমলে ২০১৩ সালে ন্যাশনাল হেরাল্ড (National Herald case) সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি। ঠিক তার পরেই ২০১৪ সালে বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হন। স্বামীর মতে, ‘‘অ্যাসোসিয়েট জার্নালস লিমিটেড নামের সংস্থা হল ন্যাশনাল হেরাল্ডের (National Herald case) প্রকাশনা সংস্থা। এই সংস্থার বাজারে ৯০ কোটি টাকার দেনা ছিল। এই দেনার বেশির ভাগই কংগ্রেসের কাছ থেকে নেওয়া।’’

    ২০১৫ সালেই তদন্তের নির্দেশ দেয় দিল্লির আদালত

    জওহরলাল নেহরু প্রতিষ্ঠিত সংবাদপত্রটি (National Herald case) ২০০৮ সালেই বন্ধ হয়ে যায়। সেই সময় এটি অধিগ্রহণ করে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। যার মধ্যে ছিলেন সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীও। এর ফলে ন্যাশনাল হেরাল্ডের কয়েক হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি ইয়ং ইন্ডিয়ার দখলে চলে আসে। স্বভাবতই ন্যাশনাল হেরাল্ডের কংগ্রেস নেতাদের কাছে নেওয়া ৯০ কোটি টাকা ঋণের সেই বোঝাও চাপে ইয়ং ইন্ডিয়ার ওপর। ঠিক এই সময়ের মধ্যেই দেনার টাকা আর উদ্ধার করা সম্ভব নয়, এই যুক্তি দেখিয়ে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব ঋণের টাকা মকুব করে দেয়। এখানেই আপত্তি তোলেন সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। স্বামীর যুক্তি ছিল, ‘‘কংগ্রেস রাজনৈতিক দল। কোনও রাজনৈতিক দলকে কর দিতে হয় না। আবার কোনও বাণিজ্যিক সংস্থাকে (National Herald case) কোনও রাজনৈতিক দলের ঋণ দেওয়াটা তাদের এক্তিয়ারের বাইরে।’’ ন্যাশনাল হেরাল্ড সংবাদপত্রের মালিকানা হস্তান্তরের সময় কোনও লেনদেন হয়েছিল কিনা, সেই তদন্তের জন্য ২০১৫ সালের শুরুর দিকেই নির্দেশ দেয় দিল্লির মেট্রোপলিটন আদালত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বুধবার, ২২/১১/২০২৩)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বুধবার, ২২/১১/২০২৩)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য–কেমন কাটবে দিন?

    মেষ

    ১) সম্মানহানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) কোনও কাজে সময় নষ্ট হতে পারে।

    বৃষ

    ১) মা-বাবার সঙ্গে বিশেষ আলোচনা।

    ২) ব্যবসায় লাভের যোগ।

    মিথুন

    ১) ব্যবসার কাজে রাগ বাড়তে দেবেন না।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য ক্ষতি হতে পারে।

    কর্কট

    ১) মনের মতো স্থানে বেড়াতে যাওয়ায় আনন্দ লাভ।

    ২) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান।
      
    সিংহ 

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতি শেষ মুহূর্তে গিয়ে আটকে যাওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ২) সকাল থেকে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    কন্যা

    ১) ব্যয় বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে।  

    তুলা 

    ১) কোনও নিকটাত্মীয়ের জন্য সংসারে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় বিবাদের যোগ থাকলেও লাভ বাড়তে পারে।

    বৃশ্চিক

    ১) দুর্বুদ্ধিকে প্রশ্রয় দেবেন না।

    ২) ব্যবসায় শত্রুর দ্বারা ক্ষতি হতে পারে।

    ধনু

    ১) ব্যবসার ক্ষেত্রে তর্ক-বিতর্ক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন।

    মকর

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতির যোগ।

    ২) সকালের দিকে দুশ্চিন্তা মাথা খারাপ করবে। 

    কুম্ভ

    ১) বিষয়-সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে গুরুজনের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে বাড়িতে বিবাদের সম্ভাবনা।

    ২) কোনও মহিলার জন্য বাড়িতে আনন্দ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    মীন

    ১) সকালের দিকে পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।

    ২) কেনাকাটার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

     

     

     
    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bhatpara: জয়নগর, আমডাঙার পর এবার ভাটপাড়া! গুলিতে ঝাঁঝরা তৃণমূল কর্মী

    Bhatpara: জয়নগর, আমডাঙার পর এবার ভাটপাড়া! গুলিতে ঝাঁঝরা তৃণমূল কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়ার পথেই তৃণমূল কর্মীকে গুলিত খুন করে দুষ্কৃতীরা। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙার তৃণমূলের প্রধানকে বোমা মেরে খুন করে দুষ্কৃতীরা। সেই ঘটনার এক সপ্তাহ কাটতে না কাটতেই ফের তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনা ঘটল। এবার ঘটনাস্থল ভাটপাড়া (Bhatpara)। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম ভিক্কি যাদব। তৃণমূল কর্মী হিসেবে তিনি পরিচিত। তাঁর বাড়ি ভাটপাড়া পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের পুরানি তালাব এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bhatpara)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ির সামনে দাঁড়িয়েছিলেন ভিক্কি যাদব নামে এক তৃণমূল কর্মী। বাইকে করে তিনজন যুবক তৃণমূল কর্মীর সামনে এসে দাঁড়ায়। ভিক্কিকে জিজ্ঞাসা করে, তুমহারা নাম ভিক্কি হ্যায়। পরিচয় জানার পরে খুব কাছ থেকে ১১ রাউন্ড গুলি করে দুষ্কৃতীরা। ভিক্কি যাদবের শরীরের পরপর নয় রাউন্ড গুলি লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। গুরুতর জখম অবস্থায় ভিক্কিকে প্রথমে ভাটপাড়ার (Bhatpara) স্টেট জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কলকাতার একটি বেসরকারি নার্সিংহোম নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। অন্যদিকে, ঘটনার পর পরই হামলাকারীরা বাইক করে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

    দুদিন আগে জেল থেকে হুমকি ফোন এসেছিল

    জানা গিয়েছে, ভিক্কি যাদব একসময় বিজেপি করতেন। আকাশ যাদব নামে এক বিজেপি কর্মীর তিনি ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন তিনি। বিধানসভা ভোটের আগেই আকাশ খুন হন। সেই ঘটনার অন্যতম সাক্ষী ছিলেন ভিক্কি। অর্জুন সিংহের ভাইপো সৌরভ সিংয়ের ছায়া সঙ্গী ছিলেন ভিকি। তৃণমূলে যোগদান করার পর একাধিক দলীয় কর্মসূচিতেই ভিক্কিকে দেখা যেত। ছট পুজোতেও তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে তাঁকে দেখা গিয়েছে। বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, আকাশ খুনের ঘটনায় ভিকি সাক্ষীর জন্য বেশ কয়েকজন একন জেলে রয়েছে। দুদিন আগে ভিক্কির কাছে জেল থেকে ফোন এসেছিল। তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। সেই হুমকি ফোন পেয়েও ততটা গুরুত্ব দেননি তিনি। এরপরই এদিনের হামলার ঘটনা ঘটল।

    শহর তৃণমূলের সভাপতির কী বক্তব্য?

    ভাটপাড়়া (Bhatpara) শহর তৃণমূলে সভাপতি দেবজ্যোতি ঘোষ বলেন, ভিক্কি আমাদের দলে সক্রিয় কর্মী। তার উপর অভাবে হামলার ঘটনা মেনে নেওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ প্রশাসনকে তদন্তের দাবী জানিয়েছে। যে বা যারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত তাদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panihati: মাসের পর মাস নিয়মিত রেশন পান না গ্রাহকরা, দুর্নীতি নিয়ে সরগরম পানিহাটি

    Panihati: মাসের পর মাস নিয়মিত রেশন পান না গ্রাহকরা, দুর্নীতি নিয়ে সরগরম পানিহাটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক রেশন দুর্নীতির অভিযোগে জেলে রয়েছেন। দুর্নীতির সঙ্গে রাজ্যের একাধিক রেশন ডিলার জড়িত থাকার তথ্য জোগাড় করছে ইডি। এসবের মাঝে পানিহাটির (Panihati) ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে রেশন দুর্নীতির অভিযোগ উঠল এক রেশন ডিলারের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত রেশন ডিলারের নাম রাহুল সাহা। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ (Panihati)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাহুল সাহার মা আগে পানিহাটির (Panihati) ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের রেশন ডিলার ছিলেন। করোনায় তাঁর মৃত্যু হয়। পরে, রাহুল রেশন ডিলারের দায়িত্ব পান। রাহুল দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই রেশন বন্টন নিয়ে টালবাহানা চলছে বলে অভিযোগ। গ্রাহকরা রেশন নিতে গেলেও তাঁদের ঠিকমতো রেশন দেওয়া হয় না। বার বার গ্রাহকদের ঘোরানো হয় বলে অভিযোগ। ফলে, গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। মঙ্গলবার গ্রাহকরা জোটবদ্ধ হয়ে ডিলারকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। গ্রাহকদের বক্তব্য, আশপাশের সব রেশন ডিলাররা গ্রাহকদের নিয়মিত রেশন দেন। অথচ এই রেশন ডিলার আমাদের খাদ্যসামগ্রী দিতে টালবাহানা করেন। দুমাস-তিনমাস ধরে রেশন আটকে রাখে। আমাদের দাবি, অবিলম্বে বিষয়টি তদন্ত হওয়া দরকার। কারণ, আমাদের জন্য বরাদ্দ রেশন ওই ডিলার কোথায় পাচার করে তা জানা দরকার। আমাদের বঞ্চিত করে এসব চলছে। একটি বড় চক্র রয়েছে। রেশন ডিলার রাহুল সাহা ঘটনাস্থলে না থাকায় তাঁর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    স্থানীয় কাউন্সিলারও ডিলারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন

    স্থানীয় কাউন্সিলার শম্ভু চন্দ বলেন, গ্রাহকরা আমার কাছে নালিশ জানাতে এসেছিলেন। ডিলারের বিরুদ্ধে অনিয়মিত রেশন সরবরাহ করার অভিযোগ। বহুদিন ধরেই এসব চলছে। গ্রাহকরা এদিন ক্ষোভে ফেটে পড়েন। আমরাও বহুবার রেশন ডিলারকে বিষয়টি নিয়ে বলেছি। কোনও কাজ হয়নি। আমরাও এই বিষয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরে দ্বারস্থ হব। আমরা এই ঘটনার তদন্ত দাবি করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share